Skip to content

যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশ-১৯৭১, নতুন প্রজন্ম এবং প্রাসংগিক অসম্পূর্ণ-আলোচনা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক।

টাইম ম্যাগাজিন, ২০ ডিসেম্বার, ১৯৭১

That crackdown took a terrible toll: perhaps 1,000,000 dead, 10 million refugees, untold thousands homeless, hungry and sick.

The memories are still fresh of those who died of cholera on the muddy paths to India, or suffered unspeakable atrocities at the hands of the Pakistani military. And there are children, blind and brain-damaged, who will carry the scars of malnutrition for the rest of their lives. As a Bangladesh official put it at the opening of the new nation's first diplomatic mission in New Delhi last week: "It is a dream come true, but you must also remember that we went through a nightmare."

টাইম ম্যাগাজিন, ২০ ডিসেম্বার, ১৯৭১

For nearly nine months Pakistani soldiers routinely raped Bengali women, razed houses and shot unarmed villagers in a campaign of terror designed to intimidate and pacify East Pakistan.

দেখলাম এবং পড়লাম মুক্তিযুদ্ধে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি ও পাকিস্থান হানাদারদের বর্বরতা নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের সার সংক্ষেপ। নিরস্ত্র মানুষের উপর অস্ত্রধারী পাকিস্থানী হায়নারা ঝাপিয়ে পড়বার কারণে যে বর্বরতা সবাই দেখেছিল তা বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছেই বানানো গল্প বলে মনে হতে পারে, বা বিশ্ব-ভাতৃত্ববোধের চলমান জেহাদের বিরুদ্ধে “পাকিস্থানী মুসলিম ভাইদের” বিরুদ্ধে “ভারতের-দালালদের” একধরণের ষড়যন্ত্র বলেও মনে হতে পারে অনেকের কাছে। তবে ক্রমবর্ধমান “ভাতৃত্ববোধের” কারণে সেই গণহত্যা ও বর্বরতার দায় এতটুকুও লীন হবার নয়।

বিগত ৩০-৩৫ বছরে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশের সমস্যা, ক্ষয়ক্ষতি এবং তদানীন্তন বাস্তবতার প্রেক্ষিতে উদ্ভুত নানান জটিলতা ও সমাধান নিয়ে যৌক্তিক পর্যালোচনার চেয়ে গোষ্ঠি ভিত্তিক প্রচারণাটাই বেশী হয়ে এসেছে— একসময় রাষ্ট্রীয় প্রণোদণায় প্রচার-প্রসার হতো, আর এখন সেসব প্রচার-প্রসারকেই জাবর কাটিয়ে চলে শিক্ষিত ও মিডিয়ামুখী সমাজের একটি বড় অংশ। এদের কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয়, “দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে বাংলাদেশের কি পরিমাণ ক্ষতি সাধন হয়েছেলি, বা যুদ্ধের বিভতসতা ও ট্রমা থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবার যাত্রাটি কতটুকু দূর্গম ছিল, বা প্রায় ১ কোটি মানুষের পূনর্বাসন প্রক্রিয়া কিভাবে এগোচ্ছিল বা তারা হঠাত ভারত থেকে ফিরে এসে কিভাবে নিজেদের ধ্বংসপ্রায় ভিটে-মাটিতে স্বাভাবিক জীবন খুঁজে পেয়েছিল (আদৌ পেয়েছিল কি না সেটাও একটা বড় প্রশ্ন)?”— এমন সব প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি তথ্যবহুল কোন মন্তব্য পাওয়া দুষ্কর; দু-চার কথার যে বর্ণণা পাওয়া যাবে তা বিস্মৃত জনপদের নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা বা দায়সারা গোছের উত্তর ছাড়া বিশেষ কিছু নয়। ক্ষেত্র বিশেষে, তা হয়ে যায় সমকালীন রাজনৈতিক বিরোধ ও ব্যাক্তি-বিরোধ দ্বারা চরমভাবে প্রভাবিত এবং নিয়ন্ত্রিত।

নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশই এসব ক্ষয়-খতির বিস্তারিত জানার তেমন একটা আগ্রহ রাখে না। এছাড়া তরুণদের আরেকটা অংশের “অতীত ভুলে সময়ের সাথে আগামীর পথে” হাঁটতে যাওয়ার সুশীলীয় পদক্ষেপেও পদদলিত হচ্ছে আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ। এসব কিছুর কুফল হিসেবে জন্ম নিচ্ছে কিছু “অতীত-না-জানা-আধুনিক-ও-উত্তরাধুনিক-কাঠভোদাই”— এরা মুক্তিযুদ্ধ কি তা পড়েনা, জানেনা এবং ধারণও করে না। এই বাস্তবতাতে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবী করা নীচের মন্তব্যকারীদের মতন প্রবীনদের মন্তব্যে খুব সহজেই তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে পারে বলে মনে হয়। তাই, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ঠিক কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল সেই হিসাবটা সবারই কম-বেশী জেনে রাখা জরুরী। মন্তব্যের উদাহরণ—

হাজার হাজার ইডিয়ট মনে করে, আমরা '৭১ সালে মাটির সাথে মিশে গিয়েছিলাম, যুদ্ধের পর আমাদের কিছুই ছিল না; এসব ইডিয়টের জন্ম অবশ্য '৭১ সালের অনেক পরে। যুদ্ধে আমাদের খুবই সামান্য ক্ষতি হয়েছিল; কারণ আমাদের কোন শীট ছিলোই না, যা ছিল তার মালিক ছিল বোম্বাইওয়ালারা ও আদমজীরা। পাকিরা কয়েকটা সেতু ভেংগে গেছে? শীট, ওসব সেতু তো ঐ এলাকার গেরিলাদের ভাংগার কথা ছিল!


যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি সম্মন্ধে ধারণা নিতে প্রথমেই আমরা নজর রাখতে পারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৮ ই জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে লন্ডনে সাংবাদিক সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বের সামান্য অংশ বিশেষে—



অন্যের কাছ থেকে বর্ণণা শুনে যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র সেদিন বঙ্গবন্ধু তুলে ধরেন কোন এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নোত্তরে। মুক্তিযুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যাবস্থা থেকে শুরু করে অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের ঘর-বাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এমন সার-সংক্ষেপ বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতায় উঠে আসে সেদিন। অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সে উত্তর থেকে “রেইপড” বাংলাদেশের চিত্রটি হয়তো অনেকের কাছেই পরিষ্কার হবেনা। ১৭ই জানুয়ারী ১৯৭২ সালে টাইম ম্যাগাজিন “Mujib's Road from Prison to Power.” শিরোনামে একটি আর্টিক্যাল প্রকাশ করে, প্রকাশিত আর্টিক্যালের তথ্য মোতাবেক-



মার্চ ১৯৭১ এর বর্বরতম আক্রমণের পরই বাংলাদেশে আসা তদানীন্তন বিশ্বব্যাংকের বিশেষ টিমের ভাষ্যমতে “কিছু শহর ছিল পারমানবিক আক্রমণের শিকার”-এর মতন।

উক্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্থানী সেনাবাহিনী কর্তৃক চালিত ধ্বংসযজ্ঞ ক্রমবর্ধমান ছিল্প এবং যুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসে প্রায় ৬০ লক্ষ ঘড়-বাড়ি ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি, যুদ্ধের ভয়াবহতার কারণে প্রায় ১৪ লক্ষ গৃহস্থ-পরিবার নিজেদের গৃহপালিত পশু এবং আবাদের সরজঞ্জামাদি ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়। প্রসংগত, এসব পরিবার যদি পুণরায় তাদের ভিটে-মাটিতে ফিরে আসে তাহলে তাদের ঘড়-বাড়ি মেরামতের পাশাপাশি সাধারণ চাষাবাদ শুরু করতেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও গবাদি পশু, সার ও বীজ এধরণের নানান সহায়তা দরকার! আর এই পুণর্বাসনের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন সরকারের পক্ষ থেকে নিরবিচ্ছিন্ন যোগান এবং প্রত্যক্ষ সহযোগীতা, যা যুদ্ধোত্তর বাস্তবতায় বহির্বিশ্বের সহায়তা ছাড়া ছিল একটি অসম্ভব কল্পনা।

স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে দিতে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত বর্বরতার কথাও উঠে আসে টাইম ম্যাগাজিনের আর্টিক্যালে-

The rape of the country continued right up until the Pakistani army surrendered a month ago. In the last days of the war, West Pakistani-owned businesses—which included nearly every commercial enterprise in the country—remitted virtually all their funds to the West. Pakistan International Airlines left exactly 117 rupees ($16) in its account at the port city of Chittagong. The army also destroyed bank notes and coins, so that many areas now suffer from a severe shortage of ready cash. Private cars were picked up off the streets or confiscated from auto dealers and shipped to the West before the ports were closed.


এধরণের পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের কারণে সৃষ্ট সমস্যা সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিনের মূল্যায়ন—

Bangladesh must also print its own currency and, more important, find gold reserves to back it up. "We need foreign exchange, that is, hard currency," says one Dacca banker. "That means moving the jute that is already at the mills. It means selling for cash, not in exchange for Indian rupees or East European machinery.

It means getting foreign aid, food relief, and fixing the transportation system, all at the same time. It also means chopping imports."


পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের সারসংক্ষেপ— ১। সব ফান্ড পাকিস্থানে সরিয়ে নেওয়া ২। নোট ও মূদ্রা ধ্বংস করা ৩। প্রাইভেট গাড়ীগুলো পাকিস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

পুরো পরিস্থিতির জটিলতা ও মোকাবেলা নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের মূল্যায়ন “It means getting foreign aid, food relief, and fixing the transportation system, all at the same time” অর্থাৎ, অনেকটা নূন আনতেই পান্থা ফুরোনো অবস্থা। এধরণের বাস্তবতায় যে কোন একটি অংশের ধীর উন্নতি বা পুণর্গঠন অন্যান্য সবকিছুকেই প্রত্যক্ষ ভাবে প্রভাবিত করবে। যেমন, পরিবহন খাত সরারসরি খাদ্য-দ্রব্য এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত এবং সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত থাকে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। এছাড়া, চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরে ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজ এবং যুদ্ধকালীন সময়ে স্থাপিত মাইনের কারণে বিদেশী পণ্য খালাসেও ছিল চরম স্থবিরতা।

খ।

টাইম ম্যাগাজিনের ১৭ তারিখের এই রিপোর্ট থেকে অন্তত আমরা কিছুটা ধারণা করতে পারি যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি ও ভয়াবহতা সম্পর্কে। পাশাপাশি, এটাও অনুধাবন করা যায় যে মুক্তিকামী সাধারণ মানুষের জন্য যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ অপেক্ষা করছিল একটি বহুমুখী জটিল সমস্যাসংকুল আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে। এছাড়া উক্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের রাস্থাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের কারণে “totally disrupted” এবং যা পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পরিবহনে সমস্যা তৈরী করে; এসব ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব সম্মন্ধে টাইম ম্যাগাজিনের উক্তি—

“Ruined Gardens. The principal source of foreign exchange in Bangladesh—$207 million in 1969-70—is jute; it cannot be moved from mills to markets until inland transportation is restored. Repairing vital industrial machinery smashed by the Pakistanis will not take nearly as long as making Bangladesh's ruined tea gardens productive again.”


বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব উঠে আসে মার্চ ১৭, ১৯৭২ এর সংবাদেও [এধরণের আরও অনেক সংবাদ পাওয়া সম্ভব, এখানে শুধু একটি স্যাম্পল যুক্ত করা হচ্ছে]



শিক্ষাখাতের দূরবস্থা সম্মন্ধে ধারণা নিতে আমরা বিবেচনায় নিতে পারি নীচে লিন্ডা এ. ডোভের লেখা আর্টিক্যালের এই অংশকে [১]—



যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি নিয়ে বাংলাদেশ প্ল্যানিং কমিশনের উধৃতি [২]—

The Bangladesh Planning Commission is more precise: it will take $3 billion just to get the country back to its 1969-70 economic level (when the per capita annual income was still an abysmally inadequate $30).


এই ৩ বিলিয়ন ডলারের উধৃতিকে বিবেচনায় ধরে ২১ জানুয়ারী নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত খবর মূল্যায়ন—



উল্ল্যেখ্য যে, দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক নীতি ও পাকিস্থানী শোষণের কারণে যুদ্ধের পূর্বেও বাংলাদেশের অবস্থা খুব একটা সুখকর ছিল না। এসব বৈষম্যকে উপজীব্য করেই এসেছিল ৬-দফা, যা পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ক্রমেই তা আমাদেরকে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দূর্যোগ সবসময়ই আমাদেরকে আক্রান্ত করেছে— এক্ষণে ১৯৭০ এর প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ, সেই ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠবার আগেই বর্বর পাকিস্থানী ও তাদের দোসররা তদানীন্তন আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে, যার কিছু বর্ণণা উপরোক্ত অসমাপ্ত আলোচনা থেকেই অনুমান করে নেওয়া যায়।

যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত বাংলাদেশের অবস্থা আরেকটু বিস্তারিতভাবে বোঝা যায় জাতিসঙ্ঘের ১৯৭২ সালের এক রিপোর্টে প্রকাশিত “শুধুমাত্র ১৯৭২ সাল ও ১৯৭৩ এর প্রথম কোয়ার্টার” এ খাদ্যদ্রব্য ছাড়া অন্যান্য ইস্যুতে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে উধৃত অংশ থেকেও [৩] —



যে সমস্যাগুলোকে এখানে চিহ্নিত করা হয়েছে তাতক্ষণিক পদক্ষেপের স্বার্থে—

১। খাদ্য সমস্যা ২। রিলিফ ওয়ার্ক পরিচলনা ৩। পরিবহন ব্যাবস্থা পুণর্গঠন (খাদ্যের সাপ্লাই চালু রাখতে খুবই জরুরী) ৩। কৃষিকাজ শুরু করা ৪। গ্রামীণ জনপদের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশের পুণর্বাসনের সাথে সরাসরি জড়িত UNROD/UNROB এর বর্ণণা থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান যে যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সমস্যা ছিল নির্দ্বিধায় বহুমাত্রিক এবং এধরণের জটিল সমস্যা তৈরীর কারণ অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্থানী বাহিনীর পরিকল্পিত গণহত্যা-ধর্ষণ, লুটপাট, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সীমাহীন বর্বরতা।

UNROB/UNROD কর্তৃক চিহ্নিত কিছু সমস্যা ছাড়াও, জনপদকে ক্রমেই উতপাদনমুখী করতে প্রয়োজন ছিল সার-বীজ-কীটনাশক বা অন্যান্য নানান যন্ত্রপাতি, যেসবের অনেক কিছুই ছিল না যুদ্ধ-বিদ্ধস্থ মানুষগুলোরে কাছে। পাশাপাশি, এতবড় যুদ্ধ এবং বিভতসতা ও পাকিস্থানীদের বর্বরতা (ধর্ষণ, খুন, লুটপাট) সব মিলিয়ে যে ট্রমা তদানীন্তন জনপদকে আক্রান্ত করেছিল সে ক্ষতি পুষিয়ে উঠা কি এতটাই সহজ ছিলো? ধরুণ, আপনার পরিবারের কেউ (স্ত্রী, কন্যা, বোন বা যে কেউ) ধর্ষিত হলে (কখনই এমনটা প্রত্যাশা করি না) আপনি ঠিক কতটুকু প্রডাক্টিভ হতে পারবেন আপনার নিজ কর্মক্ষেত্রে, হয়তো আপনার সহকর্মী আপনার অনুপস্থিতির ক্ষতি পুষিয়ে দেবে কিন্তু আপনার সহকর্মীও যখন একই সমস্যায় আক্রান্ত তখন কি হতে পারে? আপনার পরিবারের কেউ হারিয়ে গেলে বা মারা গেলে ঠিক কতদিন পরে আপনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন, পূর্ণ উদ্যমে কাজ-কর্ম শুরু করতে পারেন? এই প্রশ্নগুলো বিবেচনা করেই যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের বাস্তবতাকে চিন্তায় আনা উচিত, সেসব মানুষের কষ্ট অনুধাবনের চেষ্টা করা উচিত। যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বহুবিধ মানসিক সমস্যার প্রভাবকে “অর্থমূল্যে” নিরুপণ করতে ব্যর্থ হয়ে তদানীন্তন বাংলাদেশ প্ল্যানিং কমিশন বলেছিল— [৪]



তবে যুদ্ধে শহীদ ও বীরাঙ্গনাদেরকে বিবেচনায় নিয়ে এধরণের কিছু আলোচনা দেখা গেছে সাইদ বাসের ও সাউদ চৌধুরির আর্টিক্যালে [৪]




গ।

দুঃখ-কষ্ট বা স্বজন হারানোর বেদনা ও বর্বরতার স্মৃতি এসবও যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি যা বাংলাদেশ পুণর্গঠণে সরাসরি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করেছে। বিষয়গুলো আরও ব্যাপক আকারে আলোচনা দাবী রাখে। যা হোক, আপাত-অসমাপ্ত এই আলোচনার সমাপ্তি টানতে চাচ্ছি— আজকের আলোচনার সমাপ্তি টানবো ১৯৭২-১৯৭৫ এ UNROB এর প্রধান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসঙ্ঘের মহাসচিবের বিশেষ দূত সুইশ কূটনীতিক জনাব ভিক্টর আম্ব্রিখত (উচ্চারণ ভূল হতে পারে, বানানঃ Victor Umbricht) কর্তৃক ১৯৭৪ সালের মধ্যভাগে প্যারিসে যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশের পুণর্গঠনে সাহায্যের প্রস্তাব নিয়ে অনুষ্ঠিত দাতাদের বৈঠকের বক্তৃতার সামান্য অংশ দিয়ে [৫. বক্তৃতার কন্টেন্ট সংক্ষেপিত]—



আম্ব্রিখতের মতে [আক্ষরিক নয়], বাংলাদেশে তারা একটি অতীব জটিল সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট আছে এবং যেখানে একের পর এক দূর্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দূর্ভাগ্যও একটা বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর চরম খাদ্য সমস্যায় জর্জরিত ও ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ শূন্য থেকে তার যাত্রা শুরু করে নি, শুরু করেছিলো শূন্যেরও যথেষ্ঠ নীচ থেকে; শূন্য ট্রেজারী, বিধ্বস্থ অবকাঠামো এবং সীমাহীন খাদ্য সমস্যা ইত্যাদি ইত্যাদি বাংলাদেশকে চরমভাবে পর্যদূস্ত করেছে শুরুর দিনগুলোতে। [ আইন শৃঙ্খলা, পররাষ্ট্রনীতি এবং আনুসাংগিক বিষয়াদি? এই ইস্যুগুলো আপাতত এই পোস্টের আওতাভুক্ত করছি না, কারণ পাকিস্থানীদের বর্বরতা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সেগুলোর ব্যাপকতা সম্মন্ধে ধারণা নিতে তা প্রয়োজনীয় নয়। তবে উল্ল্যেখিত প্রত্যেকটা ইস্যুতে সরকার এবং তদানীন্তন সময়ে বিদ্যমান সকল রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকা নিয়ে আগামীতে আলোচনার আশা রাখি; “তথাকথিত ৪০ হাজার জাসদ কর্মী হত্যা” আর “বাকশাল” ছাড়া ৭২-৭৫ নিয়ে হয়তো আমাদের জানবার আরও অনেক কিছুই এখনও বাকি আছে! ]

হ্যাঁ, আমরা আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের দুর্দশাকে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দিয়ে প্রতিস্থাপন করবার সামর্থ্য রাখি না, সামর্থ্য রাখিনা প্রায় ১ কোটি মানুষের সামান্য কয়েকটা থালা-বাটি নিয়ে এক রাষ্ট্র থেকে অন্য রাষ্ট্রে ফিরে আসার অনিশ্চিত ভবিষ্যতকে উপলব্ধি করতে। কিন্তু আজ ৪০ বছর পর আমরা অন্তত সেই জটিল ও বহুমাত্রিক সমস্যাগুলোকে স্বীকার করে নিয়ে সেসব মানুষের দুঃখ-কষ্টকে সামান্য সম্মান দিতে পারি। সমকালীন হালুয়া-রুটি ও ব্যাক্তি-বিরোধের রাজনীতির প্ররোচনায় বা “বিশ্ব-ভাতৃত্ববোধের” সুড়সুড়ির প্রভাবে শরনার্থীদের ফিরে আসা বা যুদ্ধ পরবর্তী বাস্তবতা এবং আমাদের পূর্বপ্রজন্মের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে যদি “ঢাকা-কক্সবাজার প্রমোদ বিহারের” মতন হালকা ভ্রমণ মনে করি, বা বহুমাত্রিক সেসব সমস্যাকে অস্বীকার করি, তবে তা হয়ে যায় চুড়ান্ত পর্যায়ের অসভ্যতা, অন্ধত্ব ও ছাগলামী। আর অনলাইন ও অফলাইনে ঘুরে বেড়ানো “যুদ্ধ-বিদ্ধস্থ বাংলাদেশের সমস্যাকে হালকা করে দেখা ও সমস্যাগুলো অস্বীকারকারী এবং তাদের জোগালিদের” জন্য রইলো করুণা; কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল তা লেখার শেষে পুণরায় স্মরণ করাতে যুক্ত করছি "জাতিসংঘের মহাসচিবকে ১৯৭৪ সালে পাঠানো রিপোর্টে ভিক্টর আম্রিখতের উক্তি"—



[ আলোচনা অসমাপ্ত ]

রেফারেন্সঃ [টাইটেল সংক্ষেপিত]

১। লিন্ডা এ. ডোভ আর্টিক্যাল অন “Education Policiy In Bangladesh in 1978-1981”
২। টাইম ম্যাগাজিন আর্টিক্যাল
৪। জাতিসঙ্ঘের বার্ষিক প্রতিবেদন ১৯৭২
৩। সাইদ বাসের, সাউদ চৌধুরী আর্টিক্যাল “THE ENDURING SIGNIFICANCE OF BANGLADESH'S WAR OF INDEPENDENCE”
৫। UN Secratariet Item: Items in India-Bangladesh-Pakistan.

নোটঃ বানান ভুল ও অন্যান্য টাইপো উল্ল্যেখ করারও অনুরোধ রইলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোস্টে, আমার বক্তব্যকে আংশিকভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে, যা আমার পুরো বক্তব্যকে তুলে ধরেনি:

১৯৭১ সালে বাংগালী জাতি এক মরালহীন সেনা বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা আনতে গিয়ে চরম চরম মুল্য দিয়েছে: ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ দিয়েছেন, ২ লাখ বা তারো বেশী মহিলা নির্যাতিত হয়েছে ও একাংশ প্রাণ হারিয়েছেন, স্বর্ণ ও টাকা লুট, পোড়ানো, শরনারথী, লিস্টের শেষ নেই।

৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য পাকিস্তান বা বাংলাদেশ সরকার মাথাপিছু ১ লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ দিলে: ৩০০ বিলিয়ন টাকা ততকালীন সময়ে দিতে হতো; শুধু মাত্র ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার পোড়া বাড়ীর জন্য মাথাপিছু ৫০০০ টাকা করে দিলে ৩৫০ মিলয়ন টাকা দিতে হতো; বাকীগুলোর হিসেব দিচ্ছি না।

পাকিস্তান ক্ষতিপুরণ দেয়ার মতো জাতি নয়; একই সাথে বাংলাদেশ ক্ষতিপুরণ আদায় করে নেয়ার মতো জাতি নয়।

সুদ দিয়ে যে জাতি লোন নিতে পারছে না বিশ্ব ব্যাংক থেকে সেতুর জন্য, সে জাতি পাকিস্তানের মতো দেশ থেকে কিভাবে ক্ষতি পুরণ আদায় করে নেবে? ক্ষতিপুরণ পেলে সে টাকা চলে যেতো চোরদের হাতে, মানুষ কিছুই পেতো না: তোফায়েলের ব্যবসা আরো বড় হতো, খালেদা ২ টাকায় ৪টা বাড়ী পেতো, শেখ সেলিম আরো আগে বিলিওনিয়ার হতো।

শেখ সাহেব ও তাজুদ্দিন সরকার এসব ক্ষতির বিপরিতে মানুষকে ক্ষতিপুরণ দেয়নি; ফলে, এসব ক্ষতি "পারিবারিক" ক্ষতিতে পরিণত হয়েছে, পুরো জাতি ক্ষতি বহন করেনি; স্হাধীনতার জন্য মানুষ মুল্য দিয়েছে "পারিবারিক" ও "ব্যক্তি" পর্যায়ে। ইপিআর প্রাণ দিয়ে ক্ষতিগরস্ত হলো, ড: মহিউদ্দিন আলমগীর পাকি সরকারের বেতন নিয়ে লাভবান হলো।

বিপুল ক্ষতির বোঝায় জর্জরিত জন সংখ্যাকে কাজে না লাগিয়ে শেখ সাহেব ভিক্ষায় নেমে গেল। রাশিয়ায়, চীনে বিপ্লব হবার পর আমেরিকা, ইউরোপ তাদের একঘরে করে দিয়েছিল: সাহায্য, ভিক্ষা সব বন্ধ করে দিয়েছিল; তারা বিশ্বে ২য় শক্তি হিসেব ছিল ও আছে। বাংলাদেশ বিপ্লবের পর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কথা বলে বিশ্বের দুয়ারে ভিক্ষা শুরু করে এতদুর এসেছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সরকার, তথা পুরো জাতি বহন করেনি, জাতির একাংশ এ ক্ষতি "পারিবারিক" ও "ব্যক্তি " পর্যায়ে বহন করেছে। শেখ সাহেব থেকে মনামিয়ার পরিবার আর্থিকভাবে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জানার জন্য জিজ্ঞেস করছি- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার কবে প্রথম টাকা মুদ্রন করেছিল? কোথা থেকে কত টাকা মুদ্রিত করেছিল? আপনার কথিত ভারত পাকিস্তানী টাকা কবে, কত টাকা মুদ্রন করে দিয়েছিল, এর স্বপক্ষে আপনার জানা মতে কোন রেফারেন্স আছে কি?

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভারত প্রথম বাংলাদেশী টাকা মুদ্রন করে, পরে করে ফ্রান্স। কোন পাকিস্তানী টাকা মুদ্রণের প্রশ্ন আসছে কেন?

পরিমাণ ছিল, "যুদ্ধের পুর্বে পুর্ব পাকিস্তান স্টেইট ব্যাংক অনুসারে সার্কুলেটেড মানির সমান"।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাকিস্তানী টাকা মুদ্রণের প্রশ্ন আসছে কেন?
স্বাধীনতার পরেও বেশ কিছুদিন পাকিস্তানী টাকা লেনদেন হতো। যাই হোক, ভারতে কত টাকা আর ফ্রান্সে কবে কত টাকা ছেপেছিল?
পুর্ব পাকিস্তান স্টেইট ব্যাংক অনুসারে সার্কুলেটেড মানির সমান
সেটা কত টাকা? সেই টাকার ইক্যুইটি কি ছিল?

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সে টাকার ইক্যুইটি ছিল না। পরিমাণটা স্মরণ করতে পারছি না; পেলে জানাবো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি কাজ করা জাতিসংঘের রিলিফ ওয়ার্ক কমিটির প্রধানের (ভিক্টর আম্রিখত) বক্তব্য এখানে সংযোজিত আছে। উন্নয়ন কাজ শুরু করবার জন্য যে অবকাঠামোগত অবস্থান থাকার দরকার তা বাংলাদেশের সেই সময় ছিল না। এটা মুজিব-তাজউদ্দীনের মূল্যায়ন নয়, আপনারা যে জাতিসঙ্ঘ বা বিশ্বব্যাঙ্ক নিয়ে সবসময়ই লম্ফ-ঝম্ফ করেন তাদেরই মূল্যায়ন। তাই অহেতুক এ বিষয়ে কথা বাড়ায়ে নিজের বালখিল্যতা আর প্রমাণ না করলেই হয়!

গালাগালি যুক্ত প্রথম মন্তব্যটা মুছে দেওয়ার কারণ ছিল না, ঐখানে কিছু ভুল তথ্য দিছিলেন। যাহোক, এর পর থেকে গালাগালি করলে বাংলায় গালাগালি করবেন; বাংলায় গালাগালি করলে আমার উত্তর দিতে সুবিধা, এংরাজী গালিতে আমার আবার দখল যথেষ্ঠ কম!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক্ষতির হিসাবে কুন সন্দেহ নাই। কিন্তু এই ক্ষতিরে আরো পুষ্ঠ করছে দেশেরই আমলা, সেনাবাহিনী, অলস ব্যবসায়ীগোষ্ঠি - রাজনীতির নেতাদের পৃষ্টপোষকতায় এবং এইটার শুরু ১৯৭২ থেকেই। মুসলমানরা যেমন তাগো সকল দুর্দশার জন্য একমাত্র ইহুদী-নাসেরাগো দায়ী করে আমরাও অনেক সময় তেমন জুজু খুজি অতীত থেকে। দেশের ক্রম অধ:গতির জন্য দায়ী উপনিবেশীকতা না, ১৯৭১এর স্বাধীনতা যুদ্ধও না; দায়ী ইউনিক এই বাংলাদেশি রাজনীতি সংষ্কৃতি। এই সংষ্কৃতি অলস আমলা, দুষ্ট ব্যবসায়ী, লোভী সেনাবাহিনীকে প্রশয় দেয়। রাজনীতি নেতারা আখের গুছাইতে থাকে ৫ বছরের জন্য ওদের সাহায্যে, আর দেশ পিছায় আরো ১০ বছর পিছনে। সময় সময় পাবলিকগো লোক দেখানোর মত ঐ সব গোষ্টি দেশের গোয়া মারার জন্য একে অপররে দায়ী কইরা মিডিয়া ফাটায়, আমরাও তাতে নাচি।
বাঙালী সাধারনের মুক্তি নাই এই দুষ্ট চক্র থেইক্যা। অবশ্য আমাদের অভ্যাস হইয়া গেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিভিন্ন সময়ে আমি বলেছিলাম যে, বাংলাদেশ সরকার যুদ্ধের ক্ষতিগ্রস্তদের: মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সাহায্য করেনি; ফলে, পাকীদের ক্ষতি সরকারের কাঁধে পড়েনি; এই বুলশিটার উটের রাখাল আমার বক্তব্যকে বা বুঝে কোট করে দিয়েছে, তাও পুরোটা নয়। আমি লিখেছিলাম যে, বাংগালীদের কলকারখানা ছিল না, যা ছিল বোম্বাইওয়ালা ও পাকীদের; সেটাকে ওভাবে তুলে ধরেনি। বালচাল লিখে ব্লগ ভরায়ে ফেলেছে।

মানুষের দরকার ৪ আউন্সের বার্গার, আর গরিলার দরকার ৪০ পাউন্ড লতাপাতা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের মূল বক্তব্য হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্মন্ধে ধারণা দেওয়া।

যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের পুণর্গঠন নিয়ে সরকারের কর্মপরিকল্পনা বা সফলতা-ব্যার্থতাকে এই পোস্টে আলোচনায় আনা হয় নি। আশ্চর্য্যজনক ভাবে সব দোষ শুধু মুজিব-তাজউদ্দিনের আর অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির কোন দায়-দায়িত্ব নেই এইধরণের মূল্যায়নই আমাদের দেশে বেশী খাওয়ানো হয়েছে; এটা করা হয়েছে ৭৫ পরবর্তী সেনা-শাসকদের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সমর্থন ক্রয় করতে যা বিষদ আলোচনার দাবী রাখে।

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জানার জন্য প্রশ্ন করছি। বাড়ী-ঘর এসব ব্যাক্তি সম্পত্তি। কিন্তু রাস্তা-ঘাট-স্কুল-হাসপাতাল এসব সরকারি সম্পত্তি, সো এসব অবকাঠামো মেরামত ও পুনঃনির্মানের কাজটা সরকারকে করতে হয়েছে। সরকার দরকার মত নোট ছেপে নিয়েছে এর বিপরীতে গোল্ড জমা না রেখে। ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম কিনা জানি না।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্কুল, হাসপাতাল ধ্বংস করার সময় পায়নি পাকীরা, বড় ব্রীজগুলো ভেংগে দিয়েছিল; সব কয়টি দানের টাকায় করা হয়েছে।

নোট ছাপায়েছিল ভারত, কোন সোনা তার বিপরিতে রাখতে হয়নি; কারণ, টাকা আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে বাজারে স্হান পায়নি; নোটের বদলে কোন ব্যক্তি সোনা দাবী করার মত সম্ভাবনা ছিল না।

ক্ষতি করেছে পাকীরা বিলিয়ন বিলিয়ন টাকার; কিন্তু তা পারিবারিক ক্ষতিতে পরিণত হয়েছিল, যেহেতু সরকার কোন কিছুর ক্ষতিপুরণ দেয়নি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটি তথ্য বহুল। ফারমারের কথাগুলোও ভাবাচ্ছে। চলুক। Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে হয় আপনি গোল্ড জমা রাখাকে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের এসেট গচ্ছিত রাখবার একমাত্র মাধ্যম হিসেবে মনে করতেছেন। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে ভারতীয় মূদ্রায় বাংলাদেশ লিখে চালানোর উদ্যোগ ছিল আপদকালীন ব্যাবস্থা এবং এসব নোট পরে বাজেয়াপ্ত করা হয়। ভারতে ছাপানো এই নোটের সাথে গোল্ড বা অন্যমাধ্যমে জমা রাখা এসেটের সম্পর্ক ছিল না এবং যেটাকে ফারমার বলেছেন যে কোন ইক্যুটি ছিল না ভারতে ছাপানো সেই নোটের।

শুরুতে আমাদের কোন রিজার্ভ ছিল না কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এবং এই রিজার্ভ ক্ষেত্র বিশেষে গোল্ড ফর্মেও হতে পারে, ডলারও হতে পারে। দেশ স্বাধীন হবার পর শূন্য রিজার্ভের বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে নয় কোটি টাকার সমপরিমাণ বিদেশী মূদ্রা ঋণ হিসেবে নেয় রিজার্ভ তৈরীতে এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ক্রমেই আপদকালীন ব্যাবস্থা থেকেই বের হয়ে আসার দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

আপনার মনে আছে কি না, কিছুদিন আগেও বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এসেটের কিছু অংশ গোল্ডে রুপান্তরিত করেছে প্রায় ১০ টন সমপরিমাণ গোল্ড কিনে। যদিও সেই এসেট গোল্ডের পূর্বে বৈদেশিক মূদ্রা (ডলার) হিসেবে আমাদের রিজার্ভে ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসেট ক্লেইমে গোল্ড এখানে একমাত্র মাধ্যম নয় বলেই জানি। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের এসেট ভ্যালুর সাথে বাজারে মূদ্রা সরবরাহের ব্যাপারে আরও তাত্ত্বিক জ্ঞান দরকার হলে আমি আপনাকে কোন অর্থনীতির ছাত্রের সাথে আলোচনা করবার অনুরোধ করবো। এবং পাশাপাশি, সে আলোচনা শেয়ার করবারও অগ্রিম অনুরোধ রইলো।

আর একটা কথা-- তদানীন্তন সময়ে বৈদেশিক সাহায্যের একটা বড় অংশই এসেছিল খাদ্যদ্রব্য হিসেবে এবং অবকাঠামোগত যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল হিসেবে।

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক আবালে শুরুতেই মেজাজ খিচরে দিল। ফারমাররেও নুবেল থুক্কু কদবেল দেয়ার অনুরোধ রাখলাম

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারমার ক্ষেপলেই কি আর না ক্ষেপলেই কি! কিছু মানুষ তালগাছ বগলে কইরা ঘুরাঘুরি করে smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার এই লেখাটা ঈশকুল কলেজের টেক্সট বইয়ের চ্যাপ্টার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের ছেলেরা ফারাও এবং মুসলিমলীগের ইতিহাস লিখেই পরীক্ষার খাতায় বৈতরনি পার করে অভ্যস্থ । অন্তত জোট সরকারের আমলে এমন চিত্রই ছিলো ।

স্বাধীনতার গণ শত্রুদের পাপের হিসেব আমারা আমাদের নতুন প্রজন্মকে স্মরণ করিয়ে দিতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছি । আশা করি আপানর এইরকম পরিশ্রমী লেখা সেই ব্যর্থতায় কিছুতে হলেও প্রলেপ দিতে সক্ষম হবে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ইদানীংকার টেক্সবুকগুলোতে চোখ বুলাইছি, অন্তত "নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো" বলে মনে হইছে আমার। সহমত আপনার এই অংশের সাথে-- আমরা ছোটবেলার টেক্সটবুকে বখতিয়ার খিলজী পইড়া গেণী হইতাম, এখন অন্তত আমাদের নিজেদের কিছু ইতিহাস দিয়ে টেক্সটবুককে ঋদ্ধ করা হইছে। সময়ের সাথে আরও বদলাবে এই উদ্যোগ সেই আশা রাখি।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পইড়া পোষাইছে।
গ্যালারিতে আছি।
smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খেলাধুলা তো হইলো না, গ্যালারীতেই ঘুমায়া জান smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ বিষয়ে কর্নেল শওকত আলী (বর্তমান ডেপুটি স্পীকার) সাহেবের লেখা একটা বই আছে। সময় কইরা দিমুনে।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপেক্ষায় থাকলাম; সেই সময়ের জটিল পরিস্থিতিকে হালকা করে দেখলে একটা চরম অবিচার করা হয় বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দিন আহমেদদের প্রতি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থ্যাংক্স আন্ড শেয়ার্ড।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ হেটার ভাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার্ড।
ভালো লেখা।

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার্ড।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিশ্রমি এই তথ্যনির্ভর লেখাটির জন্য অকুন্ঠচিত্তে সাধুবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই। এই নিবন্ধে উল্লেখিত কিছু বিষয় আমি নিজে দেখেছি, কিছু বিষয় সমসাময়িক বাস্তবতা থেকে জেনেছি, আমার উপলব্ধি মতে এখানে উল্লেখিত প্রতিটি তথ্যই বস্তুনিষ্ঠ। সে সময় দেশের যোগাযোগ খাতে প্রধান অবলম্বন ছিল রেলপথ, মুক্তিযোদ্ধারা অনেক কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছিল বটে, তবে তার জন্য রেল যোগাযোগ ব্যাবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় নি, সেটা ধ্বংস হয়েছিল যুদ্ধের শেষ লগ্নে এসে পাকি সেনার যখন বড় বড় স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে ঢাকার দিকে পালিয়ে এসেছিল। সেই ধারায় তারা ধ্বংস করেছিল হার্ডিঞ্জ ব্রীজ, ভৈরব ব্রীজ, তিস্তা ব্রীজ সহ আরও অনেকগুলো বড় বড় রেলওয়ে ব্রীজ। এর ফলে সত্যিকার অর্থে ধ্বংস হয়েছিল দেশের রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা। আর একই ধারায় সড়ক পথেরও বড় বড় সেতুগুলো ধ্বংস করা হয়েছিল, ফলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। ঢাকার বাইরের শহরগুলোতে স্কুল/কলেজ এবং হাসপাতালগুলো ছিল পাকিদের অস্থায়ী ক্যাম্প, সেগুলোও কম বেশী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। আর সারা দেশে লক্ষ লক্ষ বাড়ী-ঘর/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ন বা আংশিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। সম্মিলিত ভাবে এ সব দেশেরই ক্ষতি।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু কিছু উজবুক মনে করে জনগণের ক্ষতি মানে রাষ্ট্রের ক্ষতি না বা মুজিব-তাজুদ্দিনের সরকারের ক্ষতি না। পুরো রাষ্ট্র যখন শরনার্থী থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় আক্রান্ত তখন সেসব সমস্যাকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে শুধুমাত্র ব্যাক্তিরুপ দেওয়ার যে বলদামীটা দেখা যায়, সেটা আমার মতে ব্যাক্তিবিরোধীতা (মুজিব-তাজউদ্দিন) দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত। পিরিয়ড।

উপরে আপনার কিছু প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরঃ

স্বাধীনতার পর কিছুদিন পাকিস্থানী মূদ্রা দিয়ে বিনিময় চলতে থাকে, খুব সম্ভত মে বা জুন মাসের (১৯৭২) দিকে সরকার পাকিস্থানী মূদ্রাকে বাজেয়াপ্ত করে ভারতে ছাপানো মূদ্রার উপর "বাংলাদেশ" ছাপ্পড় মারা মূদ্রা বাজারে ছাড়ে। যে সময়ের উল্ল্যেখ করছি তাতে হয়তো ১-২ মাস এদিক-ওদিক হতে পারে, তবে পাকিস্থানী মূদ্রা প্রথম দিকে চালু ছিল আপনার এমন ধারণা সঠিক বলেই মনে করছি, আমারও জানাটাও এরকমই।

ভারতের ছাপানো মূদ্রার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা এবং তা একসময় জনগণকে রাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব মূদ্রা বা নোট সংগ্রহের অনুরোধ করা হয়। একসময় বাজারে প্রচারণা চালানো হয় যে ভারতীয় কারেন্সীর উপর বাংলাদেশ লেখা মূদ্রা-নোটের পরিমান ১২০০ কোটি টাকা এবং তা সরকার বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-নেতৃত্বরা ভারতবিরোধী প্রচারণায় কাজে লাগান। কিন্তু সরকার যখন ভারতে ছাপানো নোট-মূদ্রাকে ফিরিয়ে দিয়ে দেবার আদেশ জারী করে, তখন জমাকৃত ভারতে-ছাপানো-মূদ্রা-নোটের পরিমাণ ছিল ঠিক ৩৫০ কোটির আশপাশ! অথচ, প্রচারণা চলেছিল ১২০০ কোটি টাকার!

[স্মৃতি থেকে বলছি, পরে চেক করে দেখবো এবং নিশ্চিত করবো যে এখানে তথ্যগত কোন ভ্রান্তি আছে কি না]

সূত্রঃ তাজউদ্দিন আহমেদের সংসদীয় বক্তৃতা (সাল, সম্ভবত ১৯৭৪ )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে রাখলাম।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে।
------------------

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়বার জন্য ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোস্ট। শেয়ার্ড।

=========================================================
স্মৃতি ঝলমল সুনীল মাঠের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়া ও শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার্ড।

___________________________________
চাচাদের পুকুরে একটা বুদ্বুদ পাঁচশ বছর বুকের উপর ভর দিয়ে বেঁচে ছিল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে smile :) :-)

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অজানা কিছু তথ্য জানলাম, অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে

===============================
তার আঁখি দুটি ছলছল মৃদু হাসি বদন খানায়
দেখলে যায় রে চেনা।
মহা ভাবের মানুষ হয় যে জনা ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুন্দর লেখা@ প্রিয়তে গেল।

মন্তব্যের শুরুতে লক্ষ্য করলাম জোকের গায়ে নুনের ছিটা smile :) :-)

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কথা ঠিক, নুনের ছিটা তো লাগছেই!

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আলোচনার ইচ্ছে ছিল, সময় নেই। ফারমার সাহেবের কান্নাকাটি ভালোই বিনোদন দিল। প্রিয়তে রাখলাম।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের লাইফ দিয়েই বুঝি যে সময় একটা বিরাট ক্যাচাল; মাঝে মাঝে মনে হয় ৩২ ঘন্টায় দিন হইলে ভালো হইতো! ধন্যবাদ আপনাকে।

glqxz9283 sfy39587p07