Skip to content

হজ্বে গিয়েও যৌন হয়রানি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমাত্র ইসলামেই নারীকে সর্বোচ্ছ সম্মান দেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তাহলে কেন বারবার এমন হচ্ছে? আর কোথায় গেলে নারীরা নিরাপদে থাকবে যেখানে সর্বোচ্ছ ধর্মীয় স্থানে পর্যন্ত তারা নিরাপদ নয় ।
ইসলামে নারীকে পর্দা মেনে চলতে বলা হয়। প্রকাশ্যে চলাফেরার সময় মাথা এবং শরীর কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে বলা হয়।কিন্তু ইসলামের বিধান মেনে পোশাক পরার পরও তারা যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা পান না বলে অভিযোগ করেন ইরান, সৌদি আরব, মিশর এবং আফগানিস্তানের মতো রক্ষণশীল মুসলিম দেশের নারীরা । আমি আগেও বলেছি এখন ও বলছি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না করলে শুধুমাত্র পর্দা , বোরকা , হিজাব দিয়ে নারীদের যৌন হয়রানি সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয় ।

http://www.bbc.com/bengali/news-43016230


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Abdullah Al Noman বলেছেন: প্রথমতঃপ্রত্যেক দলেই কিছু কুলাঙ্গার থাকে,আর কোন জাতির বিচার করতে হলে শুধু সেই কুলাঙ্গারদের উদাহরণ টানলেই হবেনা।সমগ্র জাতীকে বিচার করতে হবে।
দ্বিতীয়তঃ বিশ্বে নারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত জায়গা হলো সৌদিআরব। যেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে নারীরা যেই হারে ধর্ষনের শিকার হয়, তার ১% ও সৌদিআরবে হয়না।

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আজাইরা পোস্ট। ভীড়ের মধ্যে ২/১ জন (আমার মনে হয় না ইচ্ছাকৃত, আর হলেও তারা হয়তো পরিবারের চাপে বা লোক দেখানো হজ্জ্ব করছিল। প্রথম ব্রিটিশ সমকামী মুসলিমও (বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত) হজ্জ্ব করেছিলেন। হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেননও হাজী!)। আমি একবার এক শিক্ষকের মুখে শুনেছিলাম, নবীজীর(সাঃ)'র আমলে যদি কাফের থাকতে পারে তাহলে এখন কেন খারাপ লোক থাকবে না?
হজ্জ্বে কিছু গ্রুপ আছে(যেমন - ইরানী) যারা যত ভীড়ই হোক একজন আরেকজনকে ছাড়তে চায় না। আবার অন্যকেও জায়গা দেয় না। তাই কারো কারো ধৈর্য্যচূতি ঘটে।

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: পুরুষ যখন নিজ আদর্শচ্যুত হয়ে যায়, তখন সে পশুতে রূপ নেয়। তার কাছে পবিত্র অপবিত্র স্থানের কোন পার্থক্য নেই।

খাঁজা বাবা বলেছেন: যারা হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের জন্য সহমর্মিতা। কিছু মানুষ রুপি পশু দোজখে গিয়েও যৌনতা খুজবে, আবার কিছু মানুষ দোজখে গিয়েও অভিযোগ করবে সেখানে তারা হয়রানির শিকার। এরা সব সময় আলোচনায় থাকতে চায়।

আবু সায়েদ বলেছেন: হজ্বে গিয়ে কেউ এধরনের কাজ করার কথা না। তবে পুরুষ বা নারী উভয়ের কিছু অতি-উতসাহী কর্মকান্ডের ফলে সমস্যা হতে পারে। এ টা এড়ানো খুবই সহজ।

ইমরান আশফাক বলেছেন: আমিও গত বৎসর হজে গিয়েছিলাম। যেখানে খুব ভীড় যেমন কাবা শরীফের কাছাকাছি মাতাফের উপর। আর হযরে আসওয়াদের খুব নিকতে আমি তো ভিড়তেই পারলাম না প্রচন্ড ভিড়ের কারনে। মাকামে ইব্রাহীমের পাশে আর বিশেষ করে হাতীমের ভিতর (যেখানে কোনমতে ঢুকতে পারলেও নামাজ পড়তে পারলাম না)। শক্তিশালী পুরুষ মানুষেই এই জায়গা গুলিতে ঢুকতে হিমশিম খায় আর মহিলাদের কি বলবো।

এখন কোন মহিলারা যদি এইসব জায়গায় ঢুকে পড়ে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের ঠেলা বা প্রচন্ড চাপের মধ্যে পড়ে সেটাকে ইচ্ছাকৃত যৌনহয়রানীর শিকার বলে প্রচার করে বেড়ায় সেটাকে কার দোষ বলবেন? এইসব জায়গায় যাওয়া তো অপরিহার্য নয় বরং দুর থেকে ইশারায় হযরে আসওয়াদ ধরা যায় এবং সেটাই অধিকাংশ মানুষ করে থাকেন।

আমি নিজেও দেখেছি মহিলারা কাবাশরীফ স্পর্শ করার জন্য প্রচন্ড ভীড়ের মধ্যে একপ্রকার ঝাপিয়ে পড়ে সকলের জন্য সমস্যা তৈরী করে। বিভিন্ন দেশের হরেকরকম লোকজন আসে পবিত্র হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে তারমধ্যে কোন কোন জাতী খুবই ভদ্র এবং অমায়িক আর কোন কোন দেশের নাগরিকরা প্রচন্ড উগ্রমেজাজের হয়ে থাকে। বিশেষ করে নাইজেরিয়া ও এইরকম কয়েকটা দেশ আছে যারা বিনয় কি জিনিস সেটা জানেনই না। ওদের মেয়ে বা মহিলাগুলো তো আরও ডেয়ারিং, ওদের দেখলেই আমরা ছুটে দুরে থাকার চেষ্টা করি।

হতে পারে কিছু কিছু মানুষ এইরকম খোচা মারার অভ্যাস থাকতে পারে যদিও আমাদের চোখে পরে নাই। আর এইসব কর্মকান্ড খুবই বিপজ্জনক ওখানে কারন কারও না কারও চোখে পড়বেই ব্যপারটা। ধরা পড়ার পর কি হবে সেটা না বললেও চলে.........

নিজে হজ্ব করবেন আর অন্যদেরও যেন কোন সমস্যা না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়ভার আপনারই। আর ওখানে গেলে দেখতে পারবেন সবাই কত হেল্পফুল সেটা এক ঢোক পানি বা একটা খেজুড় দিয়ে হলেও।

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মি: আউয়াল সাহেব, আপনি নিরেট একজন ভদ্রলোক। আপনি আর ড. মজিদ সাহেব মিলে সুন্দর বন নিয়ে একটি বই সম্পাদনা করেছিলেন। সম্ভবত আপনার সাথে আমার একদিক দেখা হয়েছিল। একটি কোম্পানির কর্পোরেট অফিসে । তয় এই সুন্দর বনে শুধু উপকারী পতঙ্গরা উড়ে বেড়ায় না; কিছু ক্ষতিকারক মশা মাছিও উড়ে বেয়ায়। তবে সব কিছু ছাড়িয়ে সুন্দর সুন্দর বনই। এই সমস্ত মশা মাছি কখনো গণায় ধরা হয়না।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

কথা কেউ শুনতে চায়না - সবাই কেবল বলতে চায়। তাই কাজও কিছু হয়না।

glqxz9283 sfy39587p07