Skip to content

শাবি ছাত্রলীগ নিয়ে দু'টি কথা: পর্ব-১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন রাজনীতিসচেতন ব্যক্তি হিসেবে এবং শাহজালাল বিশ্ববিদ‌্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র ও সাবেক ছাত্রলীগার( ১৯৯৫-২০০১) হিসেবে অনেকেই ইনবক্সে সম্প্রতি ক্যামপাসে ঘটে যাওয়া খুন নিয়ে আমার কাছে জানতে চে্যেছে। আমি নিজে অসুস্থ থাকার কারনে ঝটপট লিখতে পারি নাই। তবে হাসপাতালে বসে পুরো ঘটনাবলি নজরে রেখেছি।

দুই একদিনের মধ্যেই বিস্তারিত লেখার আশা রাখি। ইতোমধ্যে দেখেছি যে যার সুবিধামতো একে অন্যকে দুষারোপ করে যাচ্ছে ; এমনকি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও অভিভাবকসূলব স্টেইটমেন্ট দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। ভার্সিটি প্রশাসন ও সঠিক তথ‌্য উপস্থাপন করেনি।

১৯৯১ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু করে, এখন ২০১৪। মানে কালের পরিক্রমায় ২৩ বছর পাড় করলাম। মজার বিষয় হলো এই ২৩ বছরে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়(শাবি) ছাত্রলীগ কমিটি পেয়েছে ৬ টি। এর মধ্যে সর্বশেষ ঘোষিত কমিটি এখনো আংশিক। ২০১২ এর ডিসেম্বরে কাউন্সিল হলে ও আংশিক নাম ঘোষিত হয়েছিলো ২০১৩ মে মাসে। এতো দিনে ও এই কমিটি পূর্নাংগ করা হয়নি।

আমি আমাদের ক‌্যম্পাসের প্রথম প্রেসিডেন্ট ফরিদ আলম ভাই, ২য় প্রেসিডেন্ট সনজিত বনিক দা, ৩য় প্রেসিডেন্ট মকদ্দুস ভাই, ৪র্থ প্রেসিডেন্ট জাকির ভাই, ৫ম প্রেসিডেন্ট ছোট ভাই আশরাফুল কবিরকে স্মরণ করতে চাই। সাথে যথাক্রমে জেনারেল সেক্রেটারী খুশবো ভাই, রুবন ভাই, স্বাধীন ভাই, বাসিত ভাই, ও ছোট ভাই মাসুম বিল্লাহ ও কেও স্মরণ করছি।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে শাবি ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করার পর ২০০৫ সালের ১৫ জুলাই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ । এরপর ২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল শামসুজ্জামান চৌধুরী সুমনকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। নানা আলোচনার পর ২০১২ এর ৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কাউন্সিল উপলক্ষে এক জাঁকজমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ কেন্দ্রের একাধিক নেতা দিনভর বক্তৃতা করলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে ব্যর্থ হন। কেন্দ্রীয় নেতাদের এমন ব্যবহারে ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে ক্ষোভের উত্তাপ তখন থেকেই তৃণমূল পর্যায়ে।

উক্ত কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নিম্নোক্ত নেতারা প্রার্থীতা প্রকাশ করেছিলেন:

সভাপতি পদে:

হাফিজুর রহমান হাফিজ, আবু নছর ম-ল, অঞ্জন রায়, আবদুর রশিদ খান রাশেদ, উত্তম কুমার দাস, রাসেন্দ্র দাস, রঞ্জিত দেব, বিজিত লাল দাস, উত্তম কুমার চৌধুরী, সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ, সুপ্রাজিৎ চৌধুরী, আবু সাঈদ, মোস্তাকিন আহমদ, তুহিনুর রহমান ও তাপস চন্দ্র পিনু প্রমুখ।

সাধারণ সম্পাদক পদে:

রাজীব মামুন, রহমত উল্লাহ খান শাকুর, মহিউদ্দিন পলাশ, সাজিদুল ইসলাম সবুজ, শফিকুল ইসলাম শফিক, চয়ন বড়ুয়া, আলী আকবর, মৃত্যঞ্জয় কর্মকার, ইমরান খান, সুলতানুল আলম সাইফ, আজিজুর রহমান, নূরে আলম রনি ও গোলাম মুস্তফা চৌধুরী প্রমুখ।

সম্মেলনের ৫মাস পর ঢাকা থেকে আংশিক কমিটি ঘোষনা করা হয়। যেখানে পার্থকে প্রেসিডেন্ট ও ইমরান খানকে জেনারেল সেক্রেটারী করা হয়।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা হলেন: সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী পার্থ। সহ-সভাপতি-আবু সাঈদ, রঞ্জিত দেব, অঞ্জন রায়। সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সবুজ। সাংগঠনিক সম্পাদক-সুপ্রজিৎ চৌধুরী।

আংশিক এই কমিটি ঘোষনার সময় নিম্নোক্ত নেতাদেের সেন্ট্রাল ছাত্রলীগে পদায়ন করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক-শামসুজ্জামান চৌধুরী সুমন, কামরুজ্জামান খান সুইট, মহিবুল হাসান মুকিত, আসাদুজ্জামান আসাদ, আতিকুল ইসলাম অতিক। সদস্য হাফিজুর রহমান, উত্তম কুমার দাশ, আবদুর রশিদ খান রাশেদ।

[চলবে-----]


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগলো পড়ে।

glqxz9283 sfy39587p07