Skip to content

নির্বাচিত পোস্ট সমূহ

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কেলেঙ্কারী: দায়ী কে?

    সমস্যা:

    নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির খুলনা ক্যাম্পাসের আইনের শিক্ষক রাজিব হাসনাত শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০ পড়াতে গিয়ে -

    ১) কাদের মোল্লার ফাঁসিকে অবৈধ বলেছে,
    ২) শেখ হাসিনাকে নাস্তিক বলেছে,
    ৩) বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন বলেছে,
    ৪) রাষ্ট্রপতিকে বটতলার উকিল বলেছে।

    প্রথম কথা হলো, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পক্ষে কি এই কথাগুলো বলা সম্ভব? দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা সত্য যে, এ কথাগুলো বলা খুবই সম্ভব। এজন্য এমনকি হার্ডকোর জামায়াতিও হওয়ার দরকার হয় না, মোটামুটি লেভেলের সুশীল হইলেও চলে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে অনেক গোষ্ঠীরই চরম সর্বনাশ হয়েছে। বুয়েট শিক্ষকও হায়েনা হাসিনার মাথা কেটে বুয়েট গেটে টানিয়ে রাখার বয়ান দিয়েছে।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    নির্বাচন পরবর্তী তিনমাস এবং বিএনপির রাজনীতি

    ৯০ দিন একটি উল্লেখযোগ্য সময়, কালের বিচারে তা কোয়ার্টার বছর। বাংলাদেশের গত জাতীয় নির্বাচনের পর এরকম উল্লেখযোগ্য একটি কাল অতিবাহিত হয়ে গেছে। বলা হচ্ছিল, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন বিএনপি বর্জন করায় এই সংসদ তথা সরকারের গ্রহনযোগ্যতা দেশে-বিদেশে থাকবেনা। বিএনপি আশা করেছিলো যে, বহির্বিশ্বের মোড়লরা তাদের হয়ে সরকারের সংগে দর কষাকষি করে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে নতুন নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবে। এছাড়া নির্বাচনের পর পর এই সরকার কতদিন থাকবে, সে নিয়ে আলোচনা ছিলো।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    দশট্রাক অস্ত্র: আইএসআই-উলফা-তারেকের যোগসূত্র

    বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বিএনপির শাসনামলে শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাজনীতিবিদের মধ্যে একজন ছিলেন না, তিনি দেশের পূর্বপ্রান্তিক অংশ থেকে ভারতবিরোধী কার্যক্রম পূরণকল্পে আইএসআই এর প্রধান দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি (point man) হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    আইসিসি সংস্কার প্রস্তাবনা: বাংলাদেশের নিজস্ব লড়াই

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে না বিপক্ষে অবস্থান নিবে তা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সংবাদ মিডিয়াতে এসেছে। একবার জানা গেলো, বিসিবি ২০-৩ ভোটে প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে বিসিবি আবার জানিয়ে দিলো প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কোন সিদ্ধান্ত বিসিবির সভাতে হয়নি। সর্বশেষ অবস্থান হল, বিসিবি বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলোর অবস্থান জানার পর এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    সাংবাদিকতা; পুলিশ উইদাউট একাউন্টিবিলিটি

    নিজেকে দেখলে মনে হয় আমি একজন পুলিশ। পুলিশের বস থাকে, আমার কোন বস নাই। পুলিশের ঘুষ খেতে গিয়ে ধরা খেয়ে খাগড়াছড়িতে বদলী হতে হয়। আমি গিয়ে কোন ব্যবসায়ীকে ভয় দেখিয়ে চাঁদা নিয়ে ধরা খেলেও আমাকে কেউ কোথাও ট্রান্সফার করবে না; আমি যে জাতির বিবেক, অন্ধকারে হারিকেন।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    সাইবার ক্রাইমে বিএনপি-জামায়াত

    আপনারা হয়তো দেখে থাকবেন যে কালুরঘাট সাইবার কেন্দ্র এবং সময়ের সাক্ষী নামের দুটি ফেইসবুক পেইজে অব্যহতভাবে ভুয়া ডকুমেন্ট, ডিভিও এবং ছবি প্রকাশ করে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। রাস্তার সন্ত্রাস এখন সাইবার জগতে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল একটি প্রচারণা চালায় তারা যে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিএসএফকে নাকি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃংঙ্খলা রক্ষার্থে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আমি খুবই খুশি হতাম এই ঘটনা সত্য হলে। এর কারণ, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। তার দরকারে যদি ভারত আন্তর্জাতিক কোন শান্তিরক্ষী সংস্থা ছাড়াই সেনা এবং তাদের বর্ডার গার্ডকে বাংলাদেশে পাঠায় এর মানে তারা আমাদের অনুগত। বাস্তবে এমনটা ঘটে নাই, ভারত কখনও বাংলাদেশের অধীনে আসে নাই যে এখানে তারা সেনা পাঠাতে যাবে।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে বাংলাদেশের গরীব মানুষ

    ভূমিকাঃ বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করে বিবিসি একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে, আমার ব্লগের পাঠকদের জন্য রিপোর্টটির বাংলা অনুবাদ এখানে দেওয়া হল।

    মূল রিপোর্টঃ

    প্রথম দর্শনে কালাই গ্রামটিকে বাংলাদেশের আর দশটি সাধারণ গ্রামের চেয়ে আলাদা কিছু মনে হবে না, কিন্তু আপনি আঁতকে উঠবেন যখন জানবেন যে এই গ্রামের ই কিছু মানুষ ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে। অথচ ক্ষুদ্র ঋণ যেখানে হওয়ার কথা ছিলো তাদের দারিদ্রতা মুক্তির হাতিয়ার। ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার এক ভয়ংকর পরিণতি আমাদের সামনে তুলে আনছেন সোফি কাজিনস।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    শোক বার্তা নেবেন কিনা সিদ্ধান্ত নিন

    মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেটার স্বপ্ন ছিলো একদিন নাসা বা কেপ-কেনেডিতে বসে মহাশুন্যের গ্রহ-নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন করবে । ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়র হয়ে উচ্চতর ডিগ্রি করবার জন্য ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিও হয়েছিলো । কিন্তু,অর্থনৈতিক দৈনতার কারনে শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয় নাই । তবে, হাতে কিছু টাকা আসলে সে ঠিকই যাবে, এমনটাই ছিলো পরিকল্পনা । ১৯৮৯-এ বাংলাদেশে আসেন স্পেনের রাণী সোফিয়া জুলিয়ানা । তিনি কিছু টাকা অনুদান দেন গরীব দেশগুলার জন্য । তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি । '৮৮-এর বন্যার পর নদীর নাব্যতা নিয়ে এবং তা ড্রেজিং নিয়ে হইচই শুরু হয় ।পুরানো তিনটা ড্রেজার আছে মাত্র । সুতরাং ড্রেজার দরকার ।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    মেধা উন্নয়ন মঞ্চ নাকি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষশুন্য প্রশাসন?

    খুব জমে ঊঠেছে রাজনীতির মাঠ। তরুন প্রজন্মের ভোটে গতবার ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামীলীগ। তাহলে ট্রাম কার্ড সবচেয়ে বড় ভোট ব্যাংক ঐ তরুনরাই। নাহ, লক্ষ্য শুধু আগামী জাতীয় নির্বাচন নয়। লক্ষ্য আরো অনেক সুদূর প্রসারী।

    ১) জাতীয় সঙ্গীত একজন ভারতীয় হিন্দু কবির রচিত, তাই এই জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ইচ্ছা এক শ্রেণীর দীর্ঘদিনের।
    ২) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশ, এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেয়া।
    ৩) ৭১ এর জন্য পাকিস্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়া।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    রেডিও রুয়ান্ডা, মশিউল আলমের হা হুতাশ ও জনৈক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীর দীর্ঘশ্বাস

    ১৯৯০ সালে রুয়ান্ডাতে প্রকাশিত হওয়া শুরু হলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা। কানগুরা (Kangura) নামের এই পত্রিকাটি শুরু থেকেই উগ্র হুটু জাতীয়তাবাদকে প্রমোট করতে থাকল। রুয়ান্ডার সংখ্যালঘু তুতসি জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে কাল্পনিক, আগ্রাসী খবরে ভরপুর থাকল পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যা। গুজব ও ঘৃণা উৎপাদন করতে গিয়ে যাচ্ছেতাই লেখালেখিতে তাদের কোনো মাত্রা ছিল না। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সম্পূর্ণ কাল্পনিক এক কাহিনী ছাপল পত্রিকাটি, যেখানে বলা হচ্ছিল যে সংখ্যালঘু তুতসি জাতিগোষ্ঠি এক ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছে যেখানে হুতু জাতিগোষ্ঠির একজনকেও জীবিত ছাড়া হবে না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের তুতসি বিদ্রোহীদের দিকে ইঙিত করে একটি ধারালো ছুরির ছবি ছেপে ১৯৯১ সালের নভেম্বরের প্রচ্ছদ হলো- 'হুতুদের চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে যা ব্যবহার করতে হবে।'

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    চীনের বাঁধ বাঙলাদেশের জন্য মরণফাঁদ : বামেরা চুপ কেনো ?

    চীন এবং আমেরিকা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং পাকিস্তান আমাদের জানি দোস্ত। কারণ ১৯৭১ সালে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ হয়েছে বলে সেটা তো আর চিরকাল একইভাবে থাকতে পারে না। তখন চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করে বাঙলাদেশের স্বাধীনতা-যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলো। আর আমেরিকা যার বন্ধু তার তো শত্রুর দরকার নেই।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    তীতুমীরকে স্মরন করা হয়না-ফরহাদ মজহার! সত্যি কি তাই?

    "তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রীতিলতা, সুর্যসেনের কথা বলা হয় কিন্তু তীতুমীর ও শরিয়ত উল্যাহর কথা আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন না। সিপাহী বিপ্লবের কথাও ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। একটি জাতিকে ইতিহাস বিকৃত করে বেশিদিন স্তব্ধ করে রাখা যায় না। দেশের মানুষ ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছেন। আবার সেই ভুলিয়ে দেয়া ইতিহাসের পদধ্বনি শুরু হয়েছে। জালিম শাসক-শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র লড়াই শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লড়াইয়ে জনতার বিজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে দেশি বিদেশি চক্র তা নস্যাত করতে চাইছে।"-ফরহাদ মজহার, মে ১, ২০১৩, চট্রগ্রাম।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    অগ্নিমিছিল, শোকগাথা নয়


    ২০০২ থেকে শুরু । এরপর টানা একযুগ পেরিয়ে গেছে ছাত্রলীগের সঙ্গে পথচলার । হ্যা, ঠিক ধরেছেন । ক্ষয়ে যাওয়া-বখে যাওয়া- ক্লাসের ব্যাকবেঞ্চার- ডাইনিং ক্যান্টিনে ফাউ খাওয়া-চাদাবাজ-টেন্ডারবাজ ছাত্রলীগের কথাই বলছি । যেন ঘরের অবহেলিত, তিরস্কৃত ছেলেটি । প্রাত্যাহিক বাজারের অংশ হতে মেরে খাওয়া কিছুটা অনৈতিক ছেলেটি ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলার মতোই বাড়ির বিপদে-আপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে । তখন আর সংসারের পড়ুয়া, সুশীল ছেলেটির দেখা মেলে না । বখাটে ছেলেটির জন্য বাড়ির দিকে কেউ কুনজর দিতেও সাহস পায় না । যা গুন্ডা স্বভাবের, হাত-পা ভেঙ্গে দেবে একদম !

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    দীপরা গালিবাজ- দীপরা ডিষ্টার্বিং এলিমেনট- দীপরা ইরিটেটিং গুন্ডা -কোন সমস্যা?

    তবু , আমি এখানেই রয়ে যাবো ,
    দেখাবো চূড়ান্ত গোয়ারামি ,
    সবার সব কথায় অবিশ্বাস রেখে
    আমি শূকরের সাথে সহবাসের ফতোয়া অস্বীকার করি ।

  • ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

    প্রজন্মের চেতনার বাহক ‘ইমরান’ ও সম্পূরক কিছু কথা

    পিচ্চি ইমরান, অনেকে ডাকে হৃদয় বলে। সেই ছেলেটা যে প্রথম হেফাজতের শুওরগুলার দিকে সামনে থেকে ইটা ছুঁড়েছিলো। পথশিশু, কয়েক মাস হৈলো ঢাকায় আসছে। রমনা এলাকার বাসিন্দা হওয়াতে আন্দোলনের প্রথম থেকেই সে কোন না কোন ভাবে আন্দোলনে জড়িত। প্রথমদিকে টিভি ক্যামেরার জন্য হাই ফ্রেমগুলার উপর উঠে স্লোগান দিতো। রাতে নেচে নেচে গান গাইতো। নিজেদের সীমাহীন ব্যাস্ততার জন্য কেউ হয়তো কখনো এই পথশিশুদের চেতনার দিকে খেয়াল করেনি। যা কিছু একাত্তর নিয়ে শিখেছে সবটুকু এই শাহবাগ আন্দোলনের জন্য।

glqxz9283 sfy39587p07