মধ্যবর্তী সালাত ও গনিমাতের মাল পরিচয় | amarblog.com: Bangla Blog ( আমারব্লগ ) with no Moderation.

Skip to content

মধ্যবর্তী সালাত ও গনিমাতের মাল পরিচয়

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মধ্যবর্তী সালাতের কথা
حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَىٰ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ

আয়াতের বাংলা উচ্চারণ- হাফিজু আলাস সালাওয়াতি ওয়াস সালাতিল উস্তা। ওয়া কুমু লিল্লাহি কানিতিনা। সূরা বাকারা- ২৩৮ আয়াত

অর্থ- তোমরা সংশোধনী কর্মকে সংরক্ষণ করো, বিশেষ ভাবে মধ্যম সংশোধনী কর্মকে। আর প্রতিষ্ঠিত করো উপাস্যের জন্য আদর্শ হিসাব পদ্ধতি।

মধ্যবর্তী সালাত পরিচয়

প্রচলিত কোরআনের ব্যাখ্যাকারীরা সালাতিল উস্তা বা মধ্যবর্তী সালাতকে, আসরের সালাত হিসাবেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ সালাতুল উস্তা কে জোহর ওয়াক্তের সালাত বলেছেন, এবং কেহ বলেছেন সালাতুল উস্তা হলো জুম্মার সালাত।

এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে সালাতুল উস্তা বা মধ্যবর্তী সালাত হলো, প্রতিটি জীবের জীবনের মধ্যবর্তী সময়ের অবস্থায় উৎপত্তিগত ধনের কথায় বলা হয়েছে। আর জীবের জীবনের মধ্যবর্তী অবস্থা নির্ধারিত হয় পাঁচটি অবস্থার মধ্যম অবস্থানকে। জীবের জীবনের পাঁচটি অবস্থা হলো- শিশু, কিশোর, যুবা, বৃদ্ধ ও প্রৌঢ়।

১। শিশু- জন্মের পর থেকে যতদিন পর্যন্ত কাম ক্ষুধা না জাগে ততদিন পর্যন্ত জীবকে শিশু বলা হয়।

২। কিশোর- জীবের জীবনে যখন কাম ক্ষুধা জাগ্রত হয়, জীবের সে অবস্থাকে কিশোর অবস্থা বলে।

৩। যুবা- জীব যখন যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হয় সে অবস্থার নাম যুবা।

৪। বৃদ্ধ- যৌন ক্রিয়া শেষে যখন যুদ্ধ রসদ লুট হয়ে গনিমাতের মাল বা যুদ্ধে লুট সম্পদ হয়ে, আনফাল বা যুদ্ধ প্রাপ্ত সম্পদে পরিণত হয়ে যায়।

৫। প্রৌঢ়- যৌন ক্রিয়া শেষে যখন আনফাল বা যুদ্ধ লুট সম্পদ গনিমাতের মাল হিসাবে প্রাপ্ত না হতে পারা হেতু, যৌন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা অবস্থার নাম।

আর হাফিজু সালাতুল উস্তা বা মধ্যবর্তী সংশোধনী ক্রিয়ার হেফাজত বা সংরক্ষণ এর ব্যাখ্যা হলো- জীব যেন অনন্ত সময় পর্যন্ত যৌন ক্রিয়া করতে পারে, ও যৌন ক্রিয়ায় যেন যৌন রসদ লুট না হয়। যৌন ক্রিয়া করতে পারার রসদ, যথা- আনফাল বা যুদ্ধে লুট সম্পদ যে গনিমাত হিসাবে বা যুদ্ধে প্রাপ্ত সম্পদ হিসাবে প্রাপ্ত হয়। আর আনফাল বা যুদ্ধ লুট সম্পদ গনিমাত বা লুটের মাল প্রাপ্ত হওয়াকে হাফিজু বা সংরক্ষণ করা বলে। যে আনফাল বা যুদ্ধ লুট সম্পদ গনিমাত বা যুদ্ধ প্রাপ্ত সম্পদ পায়। সেই মধ্যবর্তী সালাতকে সংরক্ষণ করলো।

তাই যুবা অবস্থা স্থায়ী করতে প্রতিটি জিবেরই সালাতকে বিশেষ ভাবে মধ্যবর্তী সালাতকে সংরক্ষণ করা উচিৎ। যার কান আছে, সে যেন প্রচলিত কোরআনের বাণীকে স্মরণ শ্রবণ করে।
লিখেছেন গুরুজি। মূল লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

১। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। সেরু পাগলার বাণী।

২। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।

৩। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক সুন্দর কথামালা। আর মধ্যবর্তী-সালাত-সম্পর্কে অবগত হলাম।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আমি ধর্মে বিশ্বাসী একজন মানুষ। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

glqxz9283 sfy39587p07