Skip to content

উৎসর্গ মাসুদ রানা ও ফারুক সাহেব কে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সম্মানীত পাঠক-

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না যে- আমার সাথে মাসুদ রানা সাহেব ও ফারুক সাহেব এর মধ্য অনেক বড় একটি বিতর্ক হয়ে যায়, আমার ব্লগে প্রাপক সাহেবের লেখা পোষ্ট রোজা ফরজ নয় পর্বে। সেখানে তারা আমার বলা এই কোরাণ আল্লাহ প্ররিত মূল কোরাণ নয়, মূলত এটা মহাম্মদের রচিত হাদিস, এবং মহাম্মদও কখনো দাবি করেন নাই যে- এই প্রচলিত কোরাণ সে আল্লাহ হতে প্রাপ্ত। এই কথা সত্য- না, মিথ্যা তা প্রমাণ অনেক যুক্তি তর্কের পরে, মাসুদ রানা সাহেব ও ফারুক সাহেবের সাথে আমি একটি সিদ্ধান্তে আসি, যে- যদি প্রমান হয আমার বলা কথা ভুল বা মিথ্যা তাহলে আমি বাঁকি জীবণ আমি তাদের কথা মতই চলবো, এবং যদি প্রমাণ হয যে- আমার কথা সত্য তাহলে তারাও অনুরুপ করবেন। মাসুদ রানা সাহেব আজ সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত থাকতে পারবেন না, তাই আমিই সময় নির্ধারণ করি যে- আজ জোহর পূর্ব সময় হতেই আমাদের আলোচনা শুরু করবো। আমি জোহর পূর্ব সময়ে দেওয়া কথা মত শুরু করতে না পারার জন্য, সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সম্মানীত পাঠক-

অজ্ঞাত কোন লাশ পাওয়া গেলে- এই লাশটি কার, কে খুন করেছে ও কি কারণে খুন করেছে তা সনাক্ত করতে, সনাক্তকারীরা সনাক্ত কাজ শুরু করেন লাশটি যেখানে পাওয়া গেল সেখান থেকে, এবং এক পর্যায়ে তারা পৌঁছে যান মূলতঃ লাশটি কার, কে খুন করেছে ও কেন খুন করেছে। এর পরে যখন তদন্তের সকল বিষয় প্রমাণের জন্য উপস্থাপন করেন, তখন উপস্থাপন শুরু করেন খুনের কারণ থেকে শুরু করে খুনের পরিকল্পনা ও খুন করা পর্যন্ত। তার মানে তদন্ত হয় খুনের শেষ অবস্থা হতে আর প্রমাণের উপস্থাপন শুর হয় খুনের কারণ বা শুরু হতে।

ঠিক তদ্রুপ- আজ আমরা এই কোরাণ আল্লাহ হতে নাযিল কৃত কোরাণ নয় প্রমাণ করবো, বা এই কোরাণ আল্লাহ হতেই নাযিলকৃত সেই কোরাণ তা প্রমাণ করবো। তাই এই প্রমাণের ক্ষেত্রে আমাদের শুরু করতে হবে মূলতঃ কি কি কারণে এই কোরাণ আল্লাহ হতে নাযিল কৃত সেই কোরাণ, অথবা কি কি কারণে সেই কোরাণ নয়, তা উপস্থাপন করবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম দেখতে হবে কোরাণের ক্ষমতা কি কি, যদি সেই ক্ষমতা গুলি এই প্রচলিত কোরাণের মধ্যে থাকে, তাহলে আমরা বুঝবো এটাই মূল কোরাণ। আর যদি কোরাণের যে সকল ক্ষমতা থাকার কথা সে সকল ক্ষমতা এই কোরাণের নাই, তাহলে স্বভাবতঃ কারণেই এই কোরাণ আর মূল কোরাণ থাকে না। আর যার ভিতরে কোরাণের ওই ক্ষমতা সমুহ থাকবে, তাকেই কোরাণ বলে মেনে নিতে হবে।

এবার আসুন আমরা জেনে নিই, কি কারণে কোরাণ নাযিল করা হয়েছে।

مَا أَنزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَى সূরা ত্বোয়া-হা আয়াত ২। এখানে পরিস্কার বলা হয়েছে- আমি আপনার প্রতি কোরাণ অবতরণ করেছি কষ্ট দূরীকরণের জন্য।

তার মানে এই কোরাণ নাযিল হয়েছে কষ্ট দূরীকরণের জন্য। তার মানে কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণের নিয়ামক। এখন যদি এই কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণ করতে পারে, তাহলে এটাকেই কোরাণ বলে মেনে নেব। আর যদি এই কোরাণ কষ্ট দূরীভূত করতে না পারে, তাহলে এই কোরাণকে স্রষ্টা হতে নাযিলকৃত মূল কোরাণ বলে মানা ঠিক হবে কি না?

এখন মাসুদ রানা সাহেব ও ফারুক সাহেব বলুন যে-

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার মানে এই কোরাণ নাযিল হয়েছে কষ্ট দূরীকরণের জন্য। তার মানে কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণের নিয়ামক। এখন যদি এই কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণ করতে পারে, তাহলে এটাকেই কোরাণ বলে মেনে নেব। আর যদি এই কোরাণ কষ্ট দূরীভূত করতে না পারে, তাহলে এই কে কোরাণ বেল মানা ঠিক হবে কি না?


হাহাহাহা ..... ইসলাম সিরাজুল ভাই , একটা আয়াত দিয়েই কি আর কোরান নাজিলের কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয়া যায় ...... নিচের আয়াতটি লক্ষ করুন ::

সুরা-আল আনবিয়া / আয়াত-১০ ::

আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?


অর্থাত পবিত্র কোরান এর আরেকটা উদ্দেশ্য পাওয়া গেল ""পরামর্শ প্রদান"" ..... এভাবে আরো অনেক উদ্দেশ্যই খুঁজে বার করা সম্ভব .... সুতরাং কষ্ট দূর করাই একমাত্র উদ্দেশ্য নয় । তবে আপনে যদি সুনির্দ্রিষ্টভাবে কেবল কষ্ট দুরিভুত্করণের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য আয়াতটি এনে থাকেন, তাহলে সেটা মার্ক করে দেয়া উচিত ছিল smile :) :-) যাই হোক , কোরানকে আমরা বিশ্বাস করি কিনা , কেন বিশ্বাস করি , এগুলো আপনি জানেন , নতুনভাবে জিজ্ঞেস করা অপ্রাসঙ্গিক .......।।

@ইসলাম সিরাজুল ভাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনি আয়াতটি উপস্থাপন করেছেন সে আয়াতটির অনুবাদ ভুল উপস্থাপন করেছেন। আমি সে বিষয়ে যাচ্ছি না। কোরাণ নাযিলের অনেক কারণ আছে। তম্মধ্যে একটি হলো-

আমি আপনার প্রতি কোরাণ অবতরণ করেছি কষ্ট দূরীকরণের জন্য। সূরা ত্বোয়া-হা ২ আয়াত


প্রথমতঃ আমরা দেখবো যে- মূলতঃ কোরাণ কি কি কারণে নাযিল করেছে ও এই কোরাণ সেই সেই বিষয়গুলি সমাধা করতে পারছে কি না। যদি এই কোরাণ কোরাণ নাযিলের সকল কারণ সমাধা করতে পারে, তা হলে এটাকে কোরাণ মেনে নিতে কোনই দ্বিমত করবো না। আর যদি এই কোরাণ- কোরাণ নাযিলের কারণ গুলি সমাধা করতে না পারে, তা হলে একে স্রষ্টা হতে নাযিল কৃত কোরাণ নয়, তা মেনে নিতে হবে।

তো- একে একে কোরাণ নাযিরের কি কি কারণ আছে তার সবই উপস্থাপন করবো। প্রথমতঃ এই ত্বোয়া-হার ২ নম্বর আয়াত দিয়ে শুরু করলাম।

কোরানকে আমরা বিশ্বাস করি কিনা , কেন বিশ্বাস করি , এগুলো আপনি জানেন , নতুনভাবে জিজ্ঞেস করা অপ্রাসঙ্গিক .......।।

আমরা কি জানি আর কি না জানি সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো এখন কোরাণ বিষয়ে আপনি যেটে বলবেন সেটাকেই এই কোরাণ স্রষ্টা হতে নাযিলকৃত কোরাণ কি না তা প্রমাণের, সূত্র ধরে নিয়ে কথা বলবো। এটা কোন অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। কারণ কোরাণের সত্যতা প্রমাণের জন্য এই প্রশ্নগুলি জবাব পাওয়া জরুরি। তাই বলুন-

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি আয়াতটি উপস্থাপন করেছেন সে আয়াতটির অনুবাদ ভুল উপস্থাপন করেছেন। আমি সে বিষয়ে যাচ্ছি না।


আমার মতে এটাই এখন মৌলিক প্রশ্ন .... আগে এটার ফয়সালা হওয়া জরুরি ....যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


আলহামদুলিল্লাহ , মুসলমানরা মানে , আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির আশায় smile :) :-)

@ইসলমা সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আমার মতে এটাই এখন মৌলিক প্রশ্ন .... আগে এটার ফয়সালা হওয়া জরুরি ....যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয়



চালাকি করার যায়গা পান না- না? এখন তো রীতিমত সম্পাদনা করে নিয়ে, তার পরে বলছেন যে- অনুবাদে কি ভুল আছে। চালাকী বাদ দিন। চালাকীর দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না। মহৎ কাজ করতে একটা মহৎ মন লাগে।

তার মানে আপনি মানেন যে- কোরাণ আল্লাহর বাণী ও কোরাণ ফরজ।

তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি? এক কথায় হ্যাঁ অথবা না বলবেন। না বললে কি রারণে না বলছেন তা বলবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি? এক কথায় হ্যাঁ অথবা না বলবেন। না বললে কি রারণে না বলছেন তা বলবেন।


না। ..যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ। বাকিগুলা বিশ্বাস !!

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

না। ..যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ। বাকিগুলা বিশ্বাস

কোরাণ যদি নিজেই বলে যে- কোরাণ ফরজ তাহলে কি করবেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরাণ যদি নিজেই বলে যে- কোরাণ ফরজ তাহলে কি করবেন?


সেক্ষত্রে পার্সপেক্টিভ দেখতে হবে , অন্ধ আবালের মত ফাল পারলে হবেনা।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

সেক্ষত্রে পার্সপেক্টিভ দেখতে হবে , অন্ধ আবালের মত ফাল পারলে হবেনা।


আমার প্রশ্ন হলো- যদি কোরাণে লেখা থাকে যে কোরাণ ফরজ, তাহরে কি করবেন?

এখানে আবালের মত কেউ ফাল পাড়তে আসে নাই। এখানে একমাত্র আপনি ছাড়া প্রায় সকলই তথ্য নির্ভর কথা বলার চেষ্টা করছে।

আমার প্রশ্নের জবাব করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চালাকি তো আপনে করছেন মশাই .... কোথায় আছে না চোরের মার বড় গলা .....
আগে এটার ফয়সালা হওয়া জরুরি ....যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?

তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?


হ্যাঁ ।

@ইসলাম সিরাজুল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?


আপনি আপনার অনুবাদে উপস্থাপন করেছেন যে-

আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে
উপদেশ
রয়েছে।
তোমরা কি বোঝ না?

বোল্ডকৃত অংশের আরবী শব্দটা কি? ঐ আয়াতে জিকের শব্দটি আছে, যার অর্থ স্মরণ, উপদেশ নয়। তাই আপনার উপস্থাপিত আয়াতের অনুবাদ ভুল।

হ্যাঁ ।


তার মানে কোরাণে যাহা আছে সবই ফরজ।

তাহলে- সূরা বণী ইস্রাইলের ৭৯ নম্বর আয়াতে যে- তাহাজ্জুদের কথা বলেছে সেই তাহাজ্জুদের নামাজ ও তো- ফরজ তাই নয় কি?

আর কোরাণ আল্লাহর বাণি হলে- সূরা ফাতিহার ৪ ও ৫ নম্বর আয়াতটি কার কথা?

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চালাকি করার যায়গা পান না- না? এখন তো রীতিমত সম্পাদনা করে নিয়ে, তার পরে বলছেন যে- অনুবাদে কি ভুল আছে। চালাকী বাদ দিন। চালাকীর দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না। মহৎ কাজ করতে একটা মহৎ মন লাগে।

চালাকি তো আপনে করছেন মশাই .... কোথায় আছে না চোরের মার বড় গলা .....
আগে এটার ফয়সালা হওয়া জরুরি ....যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?

তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?


হ্যাঁ ।

@ইসলাম সিরাজুল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ইসলাম সিরাজুল,
আপনার উক্তি:-
" মূলত এটা মুহাম্মদের রচিত হাদিস"
____এই কথাটি কি ভেবে চিন্তে বলেছেন তো?
যদি বলে থাকেন,
তাহলে আমার জিজ্ঞাসা:-
তিনি উম্মে নবী হয়ে,এটা রচনা করলেন কিভাবে ?

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরিফুল ইসলাম সাহেব-

লালন ও তো উম্মি হওয়ার পরে কয়েক হাজার গান রচনা করেছেন, যাহা এক যায়গায় করলে প্রচলিত কোরাণের থেকেও বেশি হয়ে যাবে। এটাকে আপনি কি বলবেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা উপস্থিত আছি। চলুক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ .... আলোচনায় যদি কোন সত্য বেরিয়ে আসে .... তাহলে আশা রাখি সেটাকে আলিঙ্গন করতে দ্বিধা করবেন না .... @চাকলাদার ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আঃ হাকিম চাকলাদার সাহেব-

উপস্থিত থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করি সত্যের পক্ষে থাকবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব গেলেন কোথায় আসছেননা কেন? আসুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তিন নম্বর আয়াতেই পরিস্কার যে এই কোরান আল্লাহর কাছ থেকে অবতীর্ণ।

২)আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।

We have not sent down the Qur'an to thee to be (an occasion) for thy distress,

3)কিন্তু তাদেরই উপদেশের জন্য যারা ভয় করে।
But only as an admonition to those who fear ((Allah)),-

4)এটা তাঁর কাছ থেকে অবতীর্ণ, যিনি ভূমন্ডল ও সমুচ্চ নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন।

A revelation from Him Who created the earth and the heavens on high.

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

প্রথমতঃ আপনি আমার নিচের তিনটি প্রশ্নের জবাব করুন।

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


এর পরে ই সত্য উম্মোচনের চেষ্টা করবো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
হ্যা মানি।

কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?


না পুরা কোরান ফরজ মানিনা !! যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ।

কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


কোরান আল্লাহর বাণী তাই মানতে হবে।


এর পরে ই সত্য উম্মোচনের চেষ্টা করবো।

সত্য না , আপনার পুটু উম্মোচিত হয়ে গেছে সেইটা আগে খ্যিয়াল করেন।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

না পুরা কোরান ফরজ মানিনা !! যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ।


এখন যদি এই প্রচলিত কোরাণ নিজেই বলে যে- কোরাণ ফরজ, তাহরে কি করবেন?

সত্য না , আপনার পুটু উম্মোচিত হয়ে গেছে সেইটা আগে খ্যিয়াল করেন।


এখন তো ইসলাম ধর্ম ও কোরাণ নিয়ে কথা বলছেন, দয়া করে এখন একটু ইসলামি ভাষায কথা বলার চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন তো ইসলাম ধর্ম ও কোরাণ নিয়ে কথা বলছেন, দয়া করে এখন একটু ইসলামি ভাষায কথা বলার চেষ্টা করুন।


ইসলাম ধর্ম ও কোরানে পুটু নিয়ে কথা বলা নিষেধ নাই , থাকলে প্রমান দেখান।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

ইসলাম ধর্ম ও কোরানে পুটু নিয়ে কথা বলা নিষেধ নাই , থাকলে প্রমান দেখান।


এখন বলুন মহাম্মদ কার কার ্‌্‌ মেরেছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন বলুন মহাম্মদ কার কার ্‌্‌ মেরেছে?


এই দেখেন আপনার ল্যান্জা বাহির হইল ক্যামনে ,মুনাফেকের ল্যান্জা ঢাকা খুব মুস্কিল। ফাকফোকর দিয়া বাহির হবেই।
আমার প্রশ্নের উত্তর তো হইলোনা। ...উত্তর দেন।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

এই দেখেন আপনার ল্যান্জা বাহির হইল ক্যামনে ,মুনাফেকের ল্যান্জা ঢাকা খুব মুস্কিল। ফাকফোকর দিয়া বাহির হবেই।


অপেক্ষা করুন, কার ল্যঞ্জা কোন দিক থেকে বাইর হয় তা দেখতে পারবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সিরাজুল ইসলাম,
আপনি এই ব্লগে বিভিন্ন নিকে দীর্ঘদিন আছেন; আমরা আপনার লেখা পড়ছি; কোরান যে ইসলামের নবীর নিজের কথা/বাণী, এটা আপনি এই বলগ থেকে শিখেছেন; আপনার আগের লেখা সমুহে এ ধরণের ভাবনা ছিল না।

__________________________
'৭১ সালের মানুষদের স্বপ্ন, এখনো জীবিত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগার-৭১ সাহেব-

না! ভুল বললেন। আমিই এই ব্লগে প্রথম আলোচনা করি যে- এই প্রচলিত কোরাণ মহাম্মদের নিজের রচিত। আমি এই ব্লগে প্রথম সিরাজুল ইসলাম নিক নামে শুরু করি, সেটা আজ থেকে তিন বছর আগে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেরু পাগলা মিত্যুক

__________________________
'৭১ সালের মানুষদের স্বপ্ন, এখনো জীবিত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগার-৭১ সাহেব-

আপনার এই বিষয় নিয়ে পরে আলোচনা করবো। আজকের বিষয়টা আগে শেষ করি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছালাম।

আপনি শুরুই করেছেন ভুল অনুবাদ দিয়ে। সূরা ত্বোয়া-হা আয়াত ২। এখানে পরিস্কার বলা হয়েছে- আমি আপনার প্রতি কোরাণ অবতরণ করেছি কষ্ট দূরীকরণের জন্য। সঠিক অনুবাদ

আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।



ফলে আপনার এই দাবিটিও টেকে না।
তার মানে এই কোরাণ নাযিল হয়েছে কষ্ট দূরীকরণের জন্য। তার মানে কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণের নিয়ামক। এখন যদি এই কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণ করতে পারে, তাহলে এটাকেই কোরাণ বলে মেনে নেব। আর যদি এই কোরাণ কষ্ট দূরীভূত করতে না পারে, তাহলে এই কোরাণকে স্রষ্টা হতে নাযিলকৃত মূল কোরাণ বলে মানা ঠিক হবে কি না?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

ফলে আপনার এই দাবিটিও টেকে না।


ামি এই আয়াতের সঠিক অর্থটিই উপস্থাপন করেছি। এখন আপনি যদি বিতর্ক করেন যে- আমার উপস্থাপিত অনুবাদটি ভুল। ার আমি যদি বলি যে- আপনার উপস্থাপিত অনুবাদটি ভুল,তাহলে বিতর্ক বাড়তেই থাকবে। তাই এ বিতকৃ পরে করবো।

আপনি বলুন-

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।
ফলে আপনার এই দাবিটিও টেকে না।


আমি বলছি আমারঅনুবাদ সঠিক, আপনি বলছেন আপনার অনুবাদ সঠিক, এ নিয়ে বিতর্ক করলে শেষ হবার নয, তাই আসুন- প্রচলিত কোরান যা বলেছে সেখানেই কথা বলি-

এখন বলুন-

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?
কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?
কি কারণে আমাদের কোরাণ মানতে বা পালন করতে হবে? বা কোরাণ পালন করলে আমাদের কি লাভ হবে ও কোরাণ না মানলে আমাদের কি ক্ষতি হবে?

আমি জবাব করার পরে দেখছি জবাবটি কিভাবে যেন মুছে যাচ্ছে, বা প্রকাশ হচ্ছে না। বিষয়টি বুঝতে পারছি না। তার পরে দেখি আসলে কি হচ্ছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরাজুল সাহেব , চাকলাদার সাহেব, গেলেন কোথায় ???

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

আছি । আপনি যেন পলায়েন না। নেট সমস্যায় কাজে দেরি হচ্ছিলো- নিচে দেখেন-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:৩৬ তারিখে মাসুদ রানা বলেছেন


তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?

হ্যাঁ ।




আর আউল বাউল বলেচেন-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:০৭ তারিখে আউল বাউল বলেছেন

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?

হ্যা মানি।

কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?



না পুরা কোরান ফরজ মানিনা !! যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ।



আগে আপনারা দুই জন একমত হোন। কারটা সঠিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ইসলাম সিরাজুল,
লালনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না তয় তার পার্থিব গুরু ছিল যার দ্বারা তিনি প্রভাবিত হয়েছিলেন৷
দেখুন এখানে:
http://bn.m.wikipedia.org/wiki/লালন
এখন আমার জিজ্ঞাসা:
মুহাম্মদ (সা:) এর পার্থিব গুরু কে ছিলেন এবং তিনি কার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন?
___আর লালনের রচনা গুলো সবাই প্রায় চেনে এবং জানে যে এটা তার রচনা,তথ্য সূত্র আছে৷
কিন্তু কুরআন যে মুহাম্মদ এর রচিত এটা কে জানে, তার তথ্য সূত্র কই?
সর্বশেষ বলি,
মোহাম্মদ কি বলেছে কোথাও কুরআনের কথাগুলো আমার ? যদি না বলে থাকে,সেটা আপনি বললেন কিভাবে? এটা মুহাম্মাদের রচিত হাদিস৷ আপনি যা বলবেন সেটাই মেনে নিতে হবে নাকি! কোন রেফারেন্স লাগবে না, কেননা এগুলো তো প্রমাণ সাপেক্ষ বক্তব্য৷ তাহলে ক্যামনে কি বললেন? বুঝলাম না! বুঝাবেন কি একটু গুরুজী?

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরিফুল ইসলাম সাহেব-

সূরা হাক্কাহ এর ৪০ আয়াত ও সূরা তাকভীরের ১৯ আয়াত পড়ে দেখুন। এ ছাড়াও বহু প্রমাণ আছে যে- এই কোরাণ মহাম্মদের নিজের রচিত। নিজ জ্ঞানে বুঝার জন্য অথবা বুঝানোর জন্য একদিন সময় করে আইসেন। সব জানতে পারবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চাকলাদার সাহেব, গেলেন কোথায় ???


আছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আছি।


আছেন !! দেখতেছেন তো আপনার মতো উনাকেও নেংটু পুটু করা হচ্ছে।
এখন বাসায় যাচ্ছি , বাকিটা করব বাসা থেকে।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

আপনি কি দেখেচেন যে- এখন আমার সাথে বাদ দিয়ে- আপনার মারামারি শুরু হয়েচে মাসুদ রানা সাহেবের সাথে-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:৩৬ তারিখে মাসুদ রানা বলেছেন


তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?

হ্যাঁ ।




আর আউল বাউল বলেচেন-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:০৭ তারিখে আউল বাউল বলেছেন

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?

হ্যা মানি।

কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?



না পুরা কোরান ফরজ মানিনা !! যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ।




আগে আপনারা দুই জন একমত হোন। কারটা সঠিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চালাকি করার যায়গা পান না- না? এখন তো রীতিমত সম্পাদনা করে নিয়ে, তার পরে বলছেন যে- অনুবাদে কি ভুল আছে। চালাকী বাদ দিন। চালাকীর দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না। মহৎ কাজ করতে একটা মহৎ মন লাগে।


চালাকি তো আপনে করছেন মশাই .... কোথায় আছে না চোরের মার বড় গলা .....
আগে এটার ফয়সালা হওয়া জরুরি ....যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?

তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?


হ্যাঁ ।

@ইসলাম সিরাজুল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

.যে আপনে কিসের ভিত্তিতে দ্বাবি করছেন , এই অনুবাদটি সঠিক নয় ?


কারণ আপনি যেখানে উপদেশ শব্দটি বসিয়েছেন সেখানে উপদেশে এর কোন আরবি শব্দ নাই, ওখানে আরবী শব্দ আছে যিকের। আর যিকের এর অর্থ হলো- স্মরণ। তাই আপনার অনুবাদটি ভুল।

হ্যাঁ।


তাহলে যদি কোরাণন ফরজ হয়ে থাকে তো- সূরা ফাতিহার ৪ ও ৫ নম্বর আয়াত কার উক্তি?

আর সূরা বণী ইস্রাইলের ৭৯ আয়াতে বলা হয়েছে যে- আর রাত্রের কিছু অংশের মধ্যে তাহাজ্জুদ পড়ুন।

তাহলে কোরাণ ফরজ হলে তো- এই তাহাজ্জুদ ও ফরজ তাই নয় কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নামাজে যাচ্ছি .... নামাজ থেকে ফিরে কথা হবে ইনশাল্লাহ smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে যগাকিচুরি বেধে যাচ্ছে .... যে কোন একটা সুনির্দৃষ্টি বিষয়ের উপর আলোচনা করা উচিত ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনি তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি? এর জবাবে বলছেন-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:৩৬ তারিখে মাসুদ রানা বলেছেন


তাহলে এই প্রচলিত কোরাণ ফরজ হলে এই কোরাণে যাহা লেখা আছে তাহার সবই ফরজ? তাই নয় কি?

হ্যাঁ ।



আর আউল বাউল বলেচেন-

বৃহঃ, ০৩/০৭/২০১৪ - ১৬:০৭ তারিখে আউল বাউল বলেছেন

কোরাণ আল্লাহর বাণী তা মনেন কি না?

হ্যা মানি।

কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না?



না পুরা কোরান ফরজ মানিনা !! যেগুলি সুনির্দিষ্ট ভাবে ফরজ বলা আছে তাই ফরজ।


আগে আপনারা দুই জন একমত হোন। কারটা সঠিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

জগা খিচুড়ী তো করছে আপনার অনুসারিরা। এতে আমি কি করতে পারি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি ব্যপার @ইসলাম সিরাজুল ভাই... শীতনিদ্রায় চলে গেলেন নাকি ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

না ভাই! নেট সমস্যায় লেখা পোষ্ট হচ্ছিলো না। তাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল

আছেন !! দেখতেছেন তো আপনার মতো উনাকেও নেংটু পুটু করা হচ্ছে।
এখন বাসায় যাচ্ছি , বাকিটা করব বাসা থেকে।



এই মুহূর্তে আমার হাতে আপনার সংগে পাগলামীতে লিপ্ত হওয়ার মত সময় মোটেই নাই। আমার হাতে একটা জরুরী কাজ রষেছে।
নচেত আপনাকে উচিৎ শিক্ষা দিয়ে দিতাম।এক প্রশ্নের থাপ্পড়ে আপনার দাত সবগুলী ফেলে দিতাম।

যান বাড়ীতে গিয়ে আরামে কাটান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মুহূর্তে আমার হাতে আপনার সংগে পাগলামীতে লিপ্ত হওয়ার মত সময় মোটেই নাই। আমার হাতে একটা জরুরী কাজ রষেছে।নচেত আপনাকে উচিৎ শিক্ষা দিয়ে দিতাম।এক প্রশ্নের থাপ্পড়ে আপনার দাত সবগুলী ফেলে দিতাম।


হে হে হে , আপনার জুরুরী কাজ কি শেষ হইলো চাকলাদার সাব ??? আমিতো গাল পেতে রয়েছি।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সিরাজুল
আপনি যে বার বার বলেন আপনার কাছে কাছে আসল কোরান আছে তাইলে সেইটা উপস্থাপন করেন না কেন ??? এত কথার কি দরকার ??? আপনার "অপ্রচলিত কোরান " উপস্থাপন করে আমাদের মুখে ঝামা ঘষে দিন !!!
কি বলেন সবাই ??

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনের সাথে একমত ...... উনার কথা শোনলে মনে হয় পবিত্র কোরান আল্লাহ পাক অনার উপরেই নাজিল করছেন ..... জ্ঞানহীনতার রূপ কত ভয়াবহ ....ইসলাম সিরাজ সাহেবকে না দেখলে তা বোঝা যেত ?
@আউল বাউল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনারা খামাখাই এর সাথে বাহাস করছেন , এরে আমি অস্থি মজ্জা সহ চিনে ফেলেছি। এর আগে নামাজ ফরজ না বৈলা পোস্ট দিয়া ব্যান খাইছে।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

তাই বরে কিন্তু নামাজ ফরজ না একথা প্রচার বন্ধ নাই। সেটা বিশ্বশান্তি ডট কম ব্লগে গেলেই দেখেত পাবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনি কি আপনার নিজের জ্ঞানহীনতা ও গোঁড়ামীটা একটু দেখেছেন?

সূরা কাসাস ৮৫ আয়াতে কোরাণকে ফরজ বলা হয়েছে, আর তা আপনি স্বীকার করার পরেও, শুধুমাত্র গোঁড়ামীর জন্য ্্‌ও নিজেদের মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বলছেন, যে- বণী ইস্ররাইলে ৭৯ আয়াতে বলা তাহাজ্জুদ নামাজকে ফরজ মানেন না। তার মানে আপনি কোরাণ ফরজ তাই মানেন না।

দয়া করে মিথ্যা ছেড়ে দিয়ে সত্য গ্রহনের চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

মূল কোরাণের পরিচয়, আমি বহু পূর্বেই ব্লগে উপস্থাপন করেছি। লিংকটা দিতে একটু সময লাগবে তাই দিতে পারলাম না। কারণ এখন ঐ লিংক দেওয়ার চেয়েও গুরুত্ব পূর্ণ কাজ করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরাজুল সাহেব,

আমি বলছি আমারঅনুবাদ সঠিক, আপনি বলছেন আপনার অনুবাদ সঠিক, এ নিয়ে বিতর্ক করলে শেষ হবার নয, তাই আসুন- প্রচলিত কোরান যা বলেছে সেখানেই কথা বলি-
এই তো বিপদে ফেল্লেন। আপনার অনুবাদ কিভাবে সঠিক সেটা বুঝিয়ে বলুন। প্রচলিত অনুবাদে অনেক ভুল আছে এটা স্বীকার করি , তবে আপনার দেয়া অনুবাদটি সর্বাংশে ভুল । আপনাকে প্রতিটি শব্দের মানে দিচ্ছি-
(20:2:1)

Not
(20:2:2)
anzalnā
We (have) sent down
(20:2:3)
ʿalayka
to you
(20:2:4)
l-qur'āna
the Quran.
(20:2:5)
litashqā
that you be distressed

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=20&verse=2

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

এই আয়াতের শব্দার্থ-

মা-না, নয়
আনযালনা- আমি অবতরণ করি
আলা-উপরে
কা-আপনাকে
কুরআনা-কুরাণ
লি-জন্য
তাশকা-
তা-শাক্কা-কষ্টে থাকা

এই আয়াতের অর্থ- কষ্টে থাকার জন্যে আমি আপনার উপরে কোরাণ অবতরণ করি নাই।

তার মানে এই কোরাণ কষ্ট লাঘবের জন্যই অবতরণ করেছে। তাই নয় কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরাজুল সাহেব , আপনি আপনার মনমতো অনুবাদ করে ইচ্ছামতো দাবী করলে তো হবেনা। আমি আগেই এব্যাপারে সতর্ক করেছি। আপনার অনুবাদের স্বপক্ষে একটি নিরপেক্ষ ওয়েব লিঙ্ক দিন , যেমনটি আমি দিয়েছি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

না! আমি কোন মনগড়া জবাব করি নাই।

এবার আসুন- মাসুদ রানা সাহেব বলেছেন-

কোরাণ আল্লাহর বাণী এবং কোরাণ ফরজ ও কোরাণে যাহা কিছু লেখা আছে, তার সবই ফরজ।

আপনি কি মাসুদ রানা সাহেবের কথার সাথে একমত? আর ভিন্নমত থাকলে সে মতটি কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

مَا أَنزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَى সূরা ত্বোয়া-হা আয়াত ২। এখানে পরিস্কার বলা হয়েছে- আমি আপনার প্রতি কোরাণ অবতরণ করেছি কষ্ট দূরীকরণের জন্য।


আমার মনে হয় এখানে বিতর্কের তেমন কিছু নাই। অনুবাদে মতপার্থক্য হলেও মূল বিষয়টি একই দাড়াচ্ছে।

যেমন ফারুক সাহেব তার ছেলেকে বলতেছে " আমি তোমাকে স্কুলে গন্ডমূর্খ হওয়ার জন্য পাঠাই নাই"।(সরাসরি অনুবাদটা এরুপই)

আর সিরাজুল ইসলাম তার ছেলেকে বল্লেন" আমি তোমাকে স্কুলে জ্ঞ্যানী হওয়ার জন্য পাঠিয়েছি" সরাসরি এটা অনুবাদ না হলেও এটা ঐ সরাসরি অনুবাদের বক্তব্যের ভাবার্থ ।

বিষয়টা একই।

এটা লয়ে তর্কে পড়ে থাকার কিছু আছে বলে মনে হয়না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আঃ হাকিম, ছালাম।

আমি আঃ হাকিমকে মারার জন্য মাসুদরানাকে পাঠাই নাই। এর অর্থ কি দাড়ায় - আমি আঃ হাকিমকে বাচানোর জন্যই মাসুদরানাকে পাঠিয়েছি? নাকি পাঠানোর আরো অনেক কারন থাকতে পারে। টাকা দেয়ার জন্য পাঠাতে পারি , উপদেশ দেয়ার জন্য পাঠাতে পারি ইত্যাদি।

সিরাজুল সাহেবের অনুবাদে আপত্তি একারনে যে , উনি এই ভুল বুঝের উপরে ভিত্তি করে উপসংহার টেনেছেন - এখন যদি এই কোরাণ আমাদের কষ্ট দূরীকরণ করতে পারে, তাহলে এটাকেই কোরাণ বলে মেনে নেব। আর যদি এই কোরাণ কষ্ট দূরীভূত করতে না পারে, তাহলে এই কোরাণকে স্রষ্টা হতে নাযিলকৃত মূল কোরাণ বলে মানা ঠিক হবে কি না?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

উনি এই ভুল বুঝের উপরে ভিত্তি করে উপসংহার টেনেছেন -


এটা ভুল বুঝ নয়। আপনি বলুন- আপনার অনুবাদকৃত কথা দিয়ে মূলত কি বুঝাতে চেয়েছেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

আমি আঃ হাকিমকে মারার জন্য মাসুদরানাকে পাঠাই নাই। এর অর্থ কি দাড়ায় -


এই উক্তি আসতে হলে, এর পূর্বে আরেকটি উক্তি অবশ্যয়ই থাকতে যে- অবশ্যয়ই কেউ ধারণা করছেন ও প্রকাশ করেছেন যে- আঃ হাকিমকে মারার জন্য মাসুদরানাকে পাঠিয়েছে। এই প্রশ্নের জবাবে ই কেবল আসতে পারে যে- আমি আঃ হাকিমকে মারার জন্য মাসুদরানাকে পাঠাই নাই।

এখন আপনি বলুন মহাম্মদ কি এমন কিছু বলেছে, যে- সে কষ্ট কোরাণ নাযিলের কারণে কষ্ট পাচ্ছে? যার প্রেক্ষিত বলা হলো-

আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।

দয়া করে ব্যখ্যা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আয়াতের অর্থ- কষ্টে থাকার জন্যে আমি আপনার উপরে কোরাণ অবতরণ করি নাই।

তার মানে এই কোরাণ কষ্ট লাঘবের জন্যই অবতরণ করেছে। তাই নয় কি?


আপনার যুক্তিবোধ দেখে হাসব নাকি কাদব? কোরান অবতরনের সাথে কষ্ট লাঘবের কোন সম্পর্ক নেই। কোরান অবতরনের অন্যতম কারন আল্লাহভীরুদের সঠিক পথ দেখান ।

ফরজ বলতে আপনি কি বোঝেন সেটা আগে বলুন। কোরান আল্লাহর বাণী ঠিক আছে , তবে "কোরাণ ফরজ ও কোরাণে যাহা কিছু লেখা আছে, তার সবই ফরজ" এটা দিয়ে কি বোঝাচ্ছেন বলুন। তারপরেই না বলব একমত নাকি দ্বিমত।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

হাঁসা কাঁদার কোনই দরকার নাই। আপনি বলুন-

আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।


আপনার অনুবাদকৃত এই কথা দিয়ে মূলতঃ কি বুঝেতে চেয়েছে?

কোরাণ নাযিলের সাথে কষ্ট পাওয়ার বা না পাওয়ার সম্পর্ক কি? দয়া করে এটা ব্যখ্যা করুন।

তবে "কোরাণ ফরজ ও কোরাণে যাহা কিছু লেখা আছে, তার সবই ফরজ" এটা দিয়ে কি বোঝাচ্ছেন বলুন।


আমি কিছুই বুঝাচ্ছি না। আপনার জবাবের পরে বুঝাতে বা প্রমাণের চেষ্টা করবো। তাই আপনাকে বলছি- কোরাণ আল্লাহর বাণী, তা মানেন কি না? কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না? এটা মানলে পরের প্রশ্ন হলো- ফরজ বলতে আপনি কি বুঝেন।

আর ক্লাশের পাঠ্য বইয়ে তো ফরজ সুন্নাতের সংজ্ঞা দেওয়াই আছে। তার পরেই প্রমান চলে আসবে যে- এই কোরাণ অল্লাহ প্রদত্ব সেই কোরাণ কি না।

তাই বিলম্ব না করে জবাব করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরান কেন নাযিল হয়েছে তা পরের আয়াতেই বলা হয়েছে , সুতরাং আপনার বা আমার মনগড়া উত্তর না দিলেও চলবে-
إِلَّا تَذْكِرَةً لِّمَن يَخْشَى ২০:৩

কিন্তু তাদেরই উপদেশের জন্য যারা ভয় করে।



কোরাণ আল্লাহর বাণী, তা মানেন কি না?
হ্যা মানি।

কোরাণ ফরজ তা মানেন কি না? এটা মানলে পরের প্রশ্ন হলো- ফরজ বলতে আপনি কি বুঝেন।

অদ্ভুত প্রশ্ন! বোঝার আগেই মানতে হবে , এটা কি মামাবাড়ির আব্দার ?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

অদ্ভুত প্রশ্ন! বোঝার আগেই মানতে হবে , এটা কি মামাবাড়ির আব্দার ?


না! মামা বাড়ির আব্দার না। সত্য উদ্ধারের জন্য প্রয়োজন হেতু চাওয়া। কেন না এই প্রচলিত কোরাণ যে আল্লাহর বাণী নয়, এবং এটা ফরজ নয়, তা প্রমাণ করতে এই তিনটা প্রশ্নের জবাব পাওয়া জরুরী।

সে প্রশ্ন তিনটি হলো-

১। কোরাণ আল্লাহর বাণী এটা মানেন কি না?

২। কোরাণ ফরজ কি না?

৩। ফরজ বলতে আপনি কি বুঝেন?

আর আপনাদের দাবি কৃত- এই প্রচলিত কোরাণই আল্লাহ প্রদত্ব সেই কোরাণ প্রমাণে আপনি আমার কাছ থেকে কতটি প্রশ্নের জবাব চান, বলুন, আমি তার সকল প্রশ্নের জবাব দিব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে যদি কোরাণন ফরজ হয়ে থাকে তো- সূরা ফাতিহার ৪ ও ৫ নম্বর আয়াত কার উক্তি?

আর সূরা বণী ইস্রাইলের ৭৯ আয়াতে বলা হয়েছে যে- আর রাত্রের কিছু অংশের মধ্যে তাহাজ্জুদ পড়ুন।

তাহলে কোরাণ ফরজ হলে তো- এই তাহাজ্জুদ ও ফরজ তাই নয় কি?


সুরা- ফাতিহা

আয়াত :: ১
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

আয়াত :: ২
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

আয়াত :: ৩
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

আয়াত :: ৪
যিনি বিচার দিনের মালিক।

আয়াত :: ৫
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

আয়াত :: ৬
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও

আয়াত :: ৭
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।


সুরাটির মাধ্যমে আল্লাহ পাক বান্দাদের শিক্ষা দিচ্ছেন ...... কিভাবে আল্লাহ পাকের কাছে প্রার্থনা জ্ঞাপন করতে হয় ..... বাক্যসমূহ বান্দা পেশ করবে সর্বময় ক্ষমতার অধিপতি, পালনকর্তা এক আল্লাহ পাকের কাছে ::

আয়াত :: ২
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

আয়াত :: ৩
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

আয়াত :: ৪
যিনি বিচার দিনের মালিক।


সুতরাং সুরা ফাতিহার ৪ ও ৫ নাম্বার আয়াত দ্বয় কে কাকে উদ্যেশ্য করে বলেছেন ..... তা বোঝা গেছে ?

সুরা আল ইসরা / বনী ইসরাইল ::

আয়াত :: ৭৩

তারা তো আপনাকে হটিয়ে দিতে চাচ্ছিল যে বিষয় আমি আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে যা প্রেরণ করেছি তা থেকে আপনার পদঙ্খলন ঘটানোর জন্যে তারা চুড়ান্ত চেষ্টা করেছে, যাতে আপনি আমার প্রতি কিছু মিথ্যা সম্বন্ধযুক্ত করেন। এতে সফল হলে তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে নিত।

আয়াত :: ৭৪

আমি আপনাকে দৃঢ়পদ না রাখলে আপনি তাদের প্রতি কিছুটা ঝুঁকেই পড়তেন।

আয়াত :: ৭৫
তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। এ সময় আপনি আমার মোকাবিলায় কোন সাহায্যকারী পেতেন না।

আয়াত :: ৭৬
তারা তো আপনাকে এ ভুখন্ড থেকে উৎখাত করে দিতে চুড়ান্ত চেষ্টা করেছিল যাতে আপনাকে এখান থেকে বহিস্কার করে দেয়া যায়। তখন তারাও আপনার পর সেখানে অল্প কালই মাত্র টিকে থাকত।

আয়াত :: ৭৭
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।

আয়াত :: ৭৭
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।

আয়াত :: ৮০
বলুনঃ হে পালনকর্তা! আমাকে দাখিল করুন সত্যরূপে এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে এবং দান করুন আমাকে নিজের কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য।

আয়াত :: ৮০
বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।

আয়াত :: ৮২
আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।


আপনার অনুবাদ সঠিক নয় ...... ৭৯ আয়াতে আল্লাহ পাক তাহাজ্জুদ পড়তে বলেন নি ..... রাতের কিছু সময় আল্লাহ পাকের জন্য ব্যয় করতে বলেছেন ..... যাই হোক ,

তাহলে কোরাণ ফরজ হলে তো- এই তাহাজ্জুদ ও ফরজ তাই নয় কি?


আমি সুরা বনি ইসরাইলের যে আয়াতগুলো উপস্থাপন করেছি প্রত্যেকটি আয়াত মনোযোগ দিয়ে পড়লে বোঝতে পারবেন , আয়াতগুলো আল্লাহ পাক নবীজিকে উদ্দেশ্য করে বলছেন ::

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


এবং আল্লাহ পাক নবীজিকে এটা পালন করতে বলেছেন ; সাধারণ মুসলমান এমনকি সাহাবিগনকে পালনের জন্যও বলার ব্যপারে কিছু বলছেন না ..... সুতরাং এটা নবীজির জন্য বলা হয়েছে ...... আর অবশ্যই কেবল নবীজির জন্যই এটা অবশ্য পালনীয় হিসেবে বিবেচিত হবে ..... অন্যান্য মুমিনদের জন্য নয় .....

আশা করি বোঝাতে পেরেছি smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

সুরাটির মাধ্যমে আল্লাহ পাক বান্দাদের শিক্ষা দিচ্ছেন .


এই উক্তিটা আপনি সূরা ফাতিহার কোন অঙশ থেকে সংযুক্ত কররেন? এই সূরার ক্রথাও কি আপনার এই কথা অর্থাৎ, আল্লাহ তার বান্দাকে সূরা ফাতিহার ঐ আয়াতের মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছেন, তার কোন ইঙ্গিত আছে কি না? না থাকলে আপনি এই মন গড়া কথা সংযোজন করে কোরাণের মূল ভাবার্থ বিকৃত করছেন কি না?

এভাবে কোরাণের আয়াতের আগে পরে নিজ মত কথা সংযোজন করে ামি যদি কোরাণকে উপস্থাপন করি, আপনি তা মেনে নিবেন কিনা?

খুব ভেবে উত্তর করবেন।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন


আপনি কি এই আয়াতের আরবীটা একবার পড়ে দেখেছেন? দেখুন তো- এই আয়াতের আরবীটা একবার পড়ে-

ওয়া মিনাল্লাইলী ফা তাহাজ্জাদ বিহি নাফিলাতাল্লাকা।

এই তাহাজ্জাদ শব্দের অর্থ কি? আর রাতের বেলায় তাহাজ্জাদের যে নামাজ পড়া হয়, তার আদেশ টা কোথাও আছে কি না?

তর্কে জেতার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েন না। সত্য জানা ও জানানোর চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাহাহাহা ......... তা তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ কি ? জনাব সিরাজুল ইসলাম ? আপনে তো দেখা যায় অনেক আরবির অর্থই জানেন না ..... আবার কোরান নিয়ে কথা বলেন কোন মুখে ?

তাহাজ্জুদ অর্থ রাতের ইবাদত

এবার সুরাটির আয়াতসমূহ পরেন :: এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন


আয়াত :: ৭৩

তারা তো আপনাকে হটিয়ে দিতে চাচ্ছিল যে বিষয় আমি আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে যা প্রেরণ করেছি তা থেকে আপনার পদঙ্খলন ঘটানোর জন্যে তারা চুড়ান্ত চেষ্টা করেছে, যাতে আপনি আমার প্রতি কিছু মিথ্যা সম্বন্ধযুক্ত করেন। এতে সফল হলে তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে নিত।

সুরা আল ইসরা / বনী ইসরাইল


কাকে হটিয়ে দিতে চাচ্ছিল ?

আয়াত :: ৭৪

আমি আপনাকে দৃঢ়পদ না রাখলে আপনি তাদের প্রতি কিছুটা ঝুঁকেই পড়তেন।
সুরা আল ইসরা / বনী ইসরাইল

আল্লাহ পাক কাকে দৃঢ়পদ রেখেছেন ?

অনুরূপ নিচের প্রত্যেকটা আয়াত আল্লাহ পাক নবীজিকে উদ্দেশ্য করে বলছেন :: তাহাজ্জুদও নবীজিকে পালনের জন্য বলেছেন ....সকল মুমিনদের নয় ::

আয়াত :: ৭৫
তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। এ সময় আপনি আমার মোকাবিলায় কোন সাহায্যকারী পেতেন না।

আয়াত :: ৭৬
তারা তো আপনাকে এ ভুখন্ড থেকে উৎখাত করে দিতে চুড়ান্ত চেষ্টা করেছিল যাতে আপনাকে এখান থেকে বহিস্কার করে দেয়া যায়। তখন তারাও আপনার পর সেখানে অল্প কালই মাত্র টিকে থাকত।

আয়াত :: ৭৭
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।

আয়াত :: ৭৭
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।

আয়াত :: ৮০
বলুনঃ হে পালনকর্তা! আমাকে দাখিল করুন সত্যরূপে এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে এবং দান করুন আমাকে নিজের কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য।

আয়াত :: ৮০
বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।

আয়াত :: ৮২
আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।

সুরা আল ইসরা / বনী ইসরাইল


সুতরাং তাহাজ্জুদ বা রাতের ইবাদত নবীজির জন্য অবশ্য পালনীয় , সকলের জন্য নয় / আশা করি বোঝাতে পেরেছি smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এই সকল ভুল ভাল বলে বেঁচে যাওয়া সম্ভব নয়।

তাহাজ্জুদ অর্থ রাতের ইবাদত


তাহাজ্জুদ অর্থ রাতের এবাদৎ হলে- ঐ আয়াতে যে-

ওয়া মিনা
ল্লাইলী
ফা তাহাজ্জাদ বিহি নাফিলাতাল্লাকা। এই শব্দটির অর্থ কি? এখানে লাইলী বলে আলাদা শব্দ ব্যবহার করে রাত বুঝাতে। অর্থাৎ তাহাজ্জাদ অর্থ রাতের এবাদত নয়। লাইলী মানে রাত ও তাহাজ্জুদ হলো একটি এবাদতের নাম। তাতে বুঝা যায় রাতে তাহাজ্জুদ নামক একটি এবাদত পালনের কথা বলা হয়েছে। আর-

এখন এই রাতে যে মুসলমানেরা তাহাজ্জুদের নামাজটি পড়ে, এটাই তো রাতের তাহাজ্জুদ। এখন বলেন এই রাতের তাহাজ্জুদের নামাজটি ফরজ কি না?

আপনি ষুরা বণী ইস্রাইলের এত আয়াত তুলে ধরলেন- তো ৭৮ নম্বর আয়াতটি তুলে ধরলেন না কেন? দেখুন এই সূরার ৭৮ নম্বর আয়াতে কি বলেছে-

আকিমুসসালাতা লি দুলুকিশশামসি ইলা গাসাকিল্লাইলি ওয়া কুরানাল ফাজরি। ইন্না কুরাণাল ফাজরি কানা মাশহুদান।


এই আয়াতের অর্থ হলো- সূর্য্য ঢলিয়া পড়ার পর হইতে রাত্রীর অন্ধকার হওয়া পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন, আর ফজরের কোরাণ। নিশ্চয় ফজরের কোরাণ সাক্ষ্যদাতা হইবে।

আপনার দৃষ্টিতে এই আয়াতের অর্থ কি?

তাহাজ্জুদও নবীজিকে পালনের জন্য বলেছেন ....সকল মুমিনদের নয় ::


পূর্বের আয়াতের সাথে মিরিয়ে এসে যদি ৭৯ নম্বর আয়াতের কথা বলেন যে- এটা শুধু নবীদের জন্য সাধারণের জন্য নয়। তাহলে ৭৮ নম্বর আয়তটি কি কারণে শুধু নবিদের জন্য বললেন না কেন? নাকি ৭৮ নম্বর আয়াতের কথাও শুধু রবিদের জন্য?

আর- আগের প্রশ্ন- সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আ্য়াতের ব্যখ্যা-

সুরাটির মাধ্যমে আল্লাহ পাক বান্দাদের শিক্ষা দিচ্ছেন .



এই উক্তিটা আপনি সূরা ফাতিহার কোন অঙশ থেকে সংযুক্ত কররেন? এই সূরার ক্রথাও কি আপনার এই কথা অর্থাৎ, আল্লাহ তার বান্দাকে সূরা ফাতিহার ঐ আয়াতের মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছেন, তার কোন ইঙ্গিত আছে কি না? না থাকলে আপনি এই মন গড়া কথা সংযোজন করে কোরাণের মূল ভাবার্থ বিকৃত করছেন কি না?

এভাবে কোরাণের আয়াতের আগে পরে নিজ মত কথা সংযোজন করে ামি যদি কোরাণকে উপস্থাপন করি, আপনি তা মেনে নিবেন কিনা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই উক্তিটা আপনি সূরা ফাতিহার কোন অঙশ থেকে সংযুক্ত কররেন? এই সূরার ক্রথাও কি আপনার এই কথা অর্থাৎ, আল্লাহ তার বান্দাকে সূরা ফাতিহার ঐ আয়াতের মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছেন, তার কোন ইঙ্গিত আছে কি না?


এজন্যই আপনাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম আরবি গ্রামার শিক্ষার ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ........ আরবির ইঙ্গিতগুলো আপনাদের মত মৃদু আরবি পড়া লোকদের ( যিনি ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড গোগল এ সার্চ করে আরবি বোঝার চেষ্টা করেন ) বোঝার হবার কথাও নয় smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এজন্যই আপনাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম আরবি গ্রামার শিক্ষার ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ........ আরবির ইঙ্গিতগুলো আপনাদের মত মৃদু আরবি পড়া লোকদের ( যিনি ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড গোগল এ সার্চ করে আরবি বোঝার চেষ্টা করেন ) বোঝার হবার কথাও নয়


তো আপনার ঐ আরব থেকে গ্রামার জানা দিয়ে মিমাযসা দিন যে- আরব থেখে জানা গ্রামারের কোন সূত্রের কারণে আপনি নিজের ইচ্ছা মত কোরাণের আগে বাক্য সংযোজন করলেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফরজ বলতে আপনি কি বুঝেন আমি জানি না। আমি যেটা বুঝি কোরানে প্রদত্ত আল্লাহর সকল নির্দেশ শুধুমাত্র আল্লাহভীরু বিশ্বাসীদের জন্য অবশ্য পালনীয়। এটাকেই আমরা ফরজ বলে জানি। এবং এটা ঐচ্ছিক। ইসলামে কোন জবরদস্তী নেই। এমন ফরজের কথা কোরানে কোথাও বলা নেই। কোরানে ফরজ বলে যে শব্দ আছে তার অর্থ ভিন্ন যার সাথে আমাদের জানা ফরজের মিল নেই। সুতরাং আপনি খামাকা ফরজ নিয়ে জল ঘোলা করছেন।

Verb (form I) - to specify, to ordain, to make obligatory
(2:197:5) faraḍa undertakes فَمَنْ فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ
(2:236:11) tafriḍū you specified لَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِنْ طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ مَا لَمْ تَمَسُّوهُنَّ أَوْ تَفْرِضُوا لَهُنَّ فَرِيضَةً
(2:237:Cool faraḍtum you have specified وَإِنْ طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ لَهُنَّ فَرِيضَةً
(2:237:13) faraḍtum you have specified فَنِصْفُ مَا فَرَضْتُمْ إِلَّا أَنْ يَعْفُونَ
(24:1:3) wafaraḍnāhā and We (have) made it obligatory سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا وَأَنْزَلْنَا فِيهَا آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ
(28:85:3) faraḍa ordained إِنَّ الَّذِي فَرَضَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لَرَادُّكَ إِلَىٰ مَعَادٍ
(33:38:Cool faraḍa Allah has imposed مَا كَانَ عَلَى النَّبِيِّ مِنْ حَرَجٍ فِيمَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ
(33:50:47) faraḍnā We have made obligatory قَدْ عَلِمْنَا مَا فَرَضْنَا عَلَيْهِمْ فِي أَزْوَاجِهِمْ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ
(66:2:2) faraḍa has ordained قَدْ فَرَضَ اللَّهُ لَكُمْ تَحِلَّةَ أَيْمَانِكُمْ وَاللَّهُ مَوْلَاكُمْ
Noun
(2:236:13) farīḍatan an obligation (dower) مَا لَمْ تَمَسُّوهُنَّ أَوْ تَفْرِضُوا لَهُنَّ فَرِيضَةً
(2:237:10) farīḍatan an obligation (dower) وَإِنْ طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ لَهُنَّ فَرِيضَةً
(4:11:64) farīḍatan An obligation آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَاؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًا فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ
(4:24:28) farīḍatan (as) an obligation فَمَا اسْتَمْتَعْتُمْ بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً
(4:24:37) l-farīḍati the obligation وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُمْ بِهِ مِنْ بَعْدِ الْفَرِيضَةِ
(9:60:17) farīḍatan an obligation وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
Active participle
(2:68:15) fāriḍun old قَالَ إِنَّهُ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌ لَا فَارِضٌ وَلَا بِكْرٌ عَوَانٌ بَيْنَ ذَٰلِكَ
Passive participle
(4:7:19) mafrūḍan obligatory مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ نَصِيبًا مَفْرُوضًا
(4:118:Cool mafrūḍan appointed وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَفْرُوضًا

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

ক্লাশে পাঠ্য বইতে ফরজ বলতে কি পড়ানো হয়? সেটা দয়া করে তুলে ধরুন। বৃথা জল ঘোলা করার চেষ্টা কইরেন না। সুন্নাত বলতে কি পড়ানো হয় তা উপস্থাপন করুন। তাহলেই সত্য বের হয়ে আসবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে চলবে কি করে? আগেই একমত হয়েছি কোরান ছাড়া অন্য কোন বই , হাদিস গ্রহনযোগ্য নয়।

আপনি খামাকা আলোচনা টেনে লম্বা করছেন। আপনার যা বলার একেবারেই বলে ফেলুন। চলুন তারপরে সেটার পোস্টমর্টেম করি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

কোরাণ আল্লাহর বাণী এটা মানেন, ঠিক আছে।

কোরাণ যে ফরজ এটা আপনি মানছেন কি না?

এক কথায় জবাব দিবেন। হ্যাঁ অথবা না।

কোন পাঠ্য বই নয়। শুধু কোরাণ থেকেই মিমাংসা দেওয়ার চেষ্টা করি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরান থেকেই মিমাংসা দেন , তারপরেই না হয় বলি হ্যা বা না ।

আপনি এখনো বলেন নি কোরান থেকে ফরজ বলতে আপনি কি বুঝেছেন?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

প্রচলিত কোরাণ ফরজের কোন ব্যখ্যা দেয় নাই। তবে প্রচলিত কোরাণে কয়েকটি বিষয়কে ফরজ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিত আলি ফরজের ব্যখ্যা কেরছেন যাহা আমরা গুরু পরাম্পরায় পেয়ে আসছি, এবং সেটা আমরা পালন করে আসছি।

আর আবু বকর গং কর্তৃক ফরজের আরেকটি ব্যখ্যা দেওয়া হয়েছে, যেটা সুন্নিরা মেনে আসছে। এখানে ফরজ এর সংজ্ঞা কি এটা মূখ্য নয। এখানে মূখ্য হলো-

আপনাদের দাবি কোরাণ আল্লাহর বাণী, এবং এই প্রচলিত কোরাণই আল্লাহ প্রদত্ব সেই কোরাণ।

এই কথা সত্য না মিথ্যা তা প্রমাণে আমাদের দেখতে হবে, প্রচলিত কোরাণ, কোরাণ সম্বন্ধে কি বলেছে। এখনে প্রচলিত কোরাণ বলেছে কোরাণই ফরজ।

এখন আপনি বলুন- আপনি স্বীকার করেছেন কোরাণ আল্লাহর বাণী। এখন বলুন কোরাণ যে ফরজ তা আপনি মানেন কি না?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পূর্বের আয়াতের সাথে মিরিয়ে এসে যদি ৭৯ নম্বর আয়াতের কথা বলেন যে- এটা শুধু নবীদের জন্য সাধারণের জন্য নয়। তাহলে ৭৮ নম্বর আয়তটি কি কারণে শুধু নবিদের জন্য বললেন না কেন? নাকি ৭৮ নম্বর আয়াতের কথাও শুধু রবিদের জন্য?


আচ্ছা ঠিকাছে , আপনে সমস্ত আয়াত বাদ দিয়ে শুধু ৭৯ আয়াতটি রাখতে চাচ্ছেন ? সমস্যা নেই ৭৯ আয়াতটিই লক্ষ্য করুন ::

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


এখানে আপনি বলতে আল্লাহ পাক কাকে নির্দেশ করলেন ? নবীজিকে নাকি সমস্ত মুসলমান সম্প্রদায়কে ?

এই উক্তিটা আপনি সূরা ফাতিহার কোন অঙশ থেকে সংযুক্ত কররেন? এই সূরার ক্রথাও কি আপনার এই কথা অর্থাৎ, আল্লাহ তার বান্দাকে সূরা ফাতিহার ঐ আয়াতের মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছেন, তার কোন ইঙ্গিত আছে কি না? না থাকলে আপনি এই মন গড়া কথা সংযোজন করে কোরাণের মূল ভাবার্থ বিকৃত করছেন কি না?


আয়াতসমূহ পরলেই বোঝা যাচ্ছে :: কে কাকে কি বলছেন / বলেন :: অথচ আপনার মাথায় ঢুকছে না ........
এজন্যই আপনাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম আরবি গ্রামার শিক্ষার ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ........ আরবির ইঙ্গিতগুলো আপনাদের মত মৃদু আরবি পড়া লোকদের ( যিনি ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড গোগল এ সার্চ করে আরবি বোঝার চেষ্টা করেন ) বোঝার হবার কথাও নয়
smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এখানে আপনি বলতে আল্লাহ পাক কাকে নির্দেশ করলেন ? নবীজিকে নাকি সমস্ত মুসলমান সম্প্রদায়কে ?


আপনি কি এখনো বুঝতে পারেন নাই যে- আমার দাবি এই প্রচলিত কোরাণ মহাম্মদের নিজের রচিত। তাই এই উক্তটি মহাম্মদ সকল মানুষকে করেছে। তাই সকল মানুষই রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে।

আর এই আদেশ যদি শুধু মাত্র নবি রাসুলদের উপরে হয়ে থাকে, তা হলে- সাধারণ মুসলমানেরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন?

আয়াতসমূহ পরলেই বোঝা যাচ্ছে :: কে কাকে কি বলছেন / বলেন :: অথচ আপনার মাথায় ঢুকছে না ........
এজন্যই আপনাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম আরবি গ্রামার শিক্ষার ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ........ আরবির ইঙ্গিতগুলো আপনাদের মত মৃদু আরবি পড়া লোকদের ( যিনি ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড গোগল এ সার্চ করে আরবি বোঝার চেষ্টা করেন ) বোঝার হবার কথাও নয়


আমার মাথায় পরস্কার ঢুঁকেছে। আপনি একটু সুন্দর ভাবে ঢুঁকিয়ে নিয়ে জবাব করার চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তো আপনার ঐ আরব থেকে গ্রামার জানা দিয়ে মিমাযসা দিন যে- আরব থেখে জানা গ্রামারের কোন সূত্রের কারণে আপনি নিজের ইচ্ছা মত কোরাণের আগে বাক্য সংযোজন করলেন?

হাহাহাহা ......... যিনি প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজ সম্পর্কে কিছুই জানেন না ...... তাকে যদি লুপ সম্পর্কে বলি , তার পক্ষে কি তা উপলব্ধি সম্ভব হবে ? আপনার ক্ষেত্রেও ব্যপারটি অনুরূপ ..... আপনে আগে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হন , এটা এক দিন দুদিনের ব্যপার নয় ..... অন্তত দীর্ঘ একটা সময় নিয়ে শিক্ষার চেষ্টা করেন .... তারপর এসব ব্যপার নিয়ে আলোচনা করলে আশা করি মাথায় ঢুকবে ..... আশা করি বোঝাতে পেরেছি smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

হাহাহাহা ......... যিনি প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজ সম্পর্কে কিছুই জানেন না ...... তাকে যদি লুপ সম্পর্কে বলি , তার পক্ষে কি তা উপলব্ধি সম্ভব হবে ? আপনার ক্ষেত্রেও ব্যপারটি অনুরূপ ..... আপনে আগে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হন , এটা এক দিন দুদিনের ব্যপার নয় ..... অন্তত দীর্ঘ একটা সময় নিয়ে শিক্ষার চেষ্টা করেন .... তারপর এসব ব্যপার নিয়ে আলোচনা করলে আশা করি মাথায় ঢুকবে ..... আশা করি বোঝাতে পেরেছি


শাক দিয়ে মাছ ঢাঁকা চেষ্টা কইরেন না। কোন অবস্থাতেই আপনি কোরাণের মধ্যে নিজস্ব মনগড়া কথা প্রবেশ করাতে পারেন না। আপনি পারেন একটি আয়াতের মূল কথার ব্যখ্যায় নিজস্ব মতামত তুলে ধরতে পারেন না।

আর আপনি তা পারলে সকল মানুষ ই কোরাণের আয়াতের আগে পরে নিজ চিন্তা মত বাক্য সংযোজন করে কোরাণ কে বিভিন্ন রকম করতো।

এখন বলুন- কোন গ্রমারের সুত্র ধরে আপনি- সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াতের পূর্বে- আল্লা বান্দাকে শিক্ষা দিচ্ছে বাক্যটি যোগ কররেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি কি এখনো বুঝতে পারেন নাই যে- আমার দাবি এই প্রচলিত কোরাণ মহাম্মদের নিজের রচিত। তাই এই উক্তটি মহাম্মদ সকল মানুষকে করেছে। তাই সকল মানুষই রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে।


উক্তিটি যদি হজরত মুহাম্মদ ( স ) উম্মতদের উদ্দেশ্যে করতেন .... তাহলে আয়াতটিতে আপনার সর্বনামটি প্রয়োগ না করে আপনারা সর্বনামটি প্রয়োগ করতেন ....

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


আর এই আদেশ যদি শুধু মাত্র নবি রাসুলদের উপরে হয়ে থাকে, তা হলে- সাধারণ মুসলমানেরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন?


কারণ আল্লাহ পাক তাহাজ্জুদকে নবীজির জন্য অবশ্য পালনীয় করেছেন।। অন্যান্য মুসুল্লিদের জন্য তাহাজ্জুদ পড়তে নিষেধ করেন নি ......

এবার নিচের আয়াতসমূহ লক্ষ্য করুন ::

আয়াত :: ৭৭
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।

আয়াত :: ৭৭
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


আপনে কি বলতে চাচ্ছেন উপরুক্ত বোল্ড করা অংশটিও নবিজি তার উম্মতদের উদ্দেশ্যে বলেছেন ?

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এই আপনাকের ব্যখ্যা হলো- এই প্রচলিত কোরাণ যিনি পাঠ করছেন, তাকেই মহাম্মদ জানিয়ে দিচ্ছেন, আর কাউকে নয়। যখন এই প্রচলিত কোরাণ আমি পড়ছি, তখন এই আদেশ আমাকে করা হচ্ছে, যখন এই প্রচলিত কোরাণ আপনি পড়ছেন, তখন আপনাকে বলছে।

কেন না এবাদত প্রনালী কোন টা একা একা করতে হয়, আর কোনটা দলবদ্ধ ভাবে করতে হয়। যে এবাদত একা একা করতে হয় সেখানে একবচন ব্যবহার করা হয়েছে ও যেখানে দলবদ্ধ ভাবে এবাদত করতে হয়, সেখানে তোমাদিগকে বা বহু বচন ব্যবহার করেছে।

তবে- এই কোরাণের সকল কথাই মহাম্মদের নিজের রচিত। ার সূরা ফাতিহার সকল কথাই মহাম্মদের কথা, আর যারা মহাম্মদের অনুসারী তাদের কথা। সূরা ফাতিহার কথা আল্লাহর নয়। কেন না। প্রচলিত কোরানই তো- মহাম্মদের নিজের বাণী। তো এখানে আন্য আর কার কথা থাকবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

কারণ আল্লাহ পাক তাহাজ্জুদকে নবীজির জন্য অবশ্য পালনীয় করেছেন।। অন্যান্য মুসুল্লিদের জন্য তাহাজ্জুদ পড়তে নিষেধ করেন নি ......


যেহেতু কোরাণের সকল বাণীই ফরজ, তাহলে এই ৭৯ নম্বর আয়াতটি ফরজ কি না? আর তাহাজ্জুদ নামাজ ফরজ কিনা?

নবির জন্য অবশ্য পালনীয় হলে একথা প্রচলিত কোরাণের কোথায় লেখা আছে?

আর নবি নিষেধ করেন নি, না আল্লাহ নিয়েধ করতে বলে নি?

এবার নিচের আয়াতসমূহ লক্ষ্য করুন ::


জ্বী! করেছি।

আপনি সূরা বণী ইস্রাইলের ৭৭ ও ৭৯ আয়াত তুলে ধরলেন- তো ৭৮ নম্বর আয়াতটি তুলে ধরলেন না কেন? দেখুন এই সূরার ৭৮ নম্বর আয়াতে কি বলেছে-

আকিমুসসালাতা লি দুলুকিশশামসি ইলা গাসাকিল্লাইলি ওয়া কুরানাল ফাজরি। ইন্না কুরাণাল ফাজরি কানা মাশহুদান।



এই আয়াতের অর্থ হলো- সূর্য্য ঢলিয়া পড়ার পর হইতে রাত্রীর অন্ধকার হওয়া পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন, আর ফজরের কোরাণ। নিশ্চয় ফজরের কোরাণ সাক্ষ্যদাতা হইবে।

আপনার দৃষ্টিতে এই আয়াতের অর্থ কি?

তাহাজ্জুদও নবীজিকে পালনের জন্য বলেছেন ....সকল মুমিনদের নয় ::




পূর্বের ৭৭ নম্বর আয়াতের সাথে মিলিয়ে এসে যদি ৭৯ নম্বর আয়াতের কথা বলেন যে- এটা শুধু নবীদের জন্য সাধারণের জন্য নয়। তাহলে ৭৮ নম্বর আয়তটির এবাদৎ কি কারণে শুধু নবিদের জন্য বললেন না? নাকি ৭৮ নম্বর আয়াতের কথাও শুধু রবিদের জন্য?

সব মিলিয়ে এতক্ষণ আলোচনায ইহাই প্রতীয়মান হয যে- প্রচলিত এই কোরাণ আল্লাহর বাণী নয়, এই কোরাণ মহাম্মদের বাণী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আপনাকের ব্যখ্যা হলো- এই প্রচলিত কোরাণ যিনি পাঠ করছেন, তাকেই মহাম্মদ জানিয়ে দিচ্ছেন, আর কাউকে নয়। যখন এই প্রচলিত কোরাণ আমি পড়ছি, তখন এই আদেশ আমাকে করা হচ্ছে, যখন এই প্রচলিত কোরাণ আপনি পড়ছেন, তখন আপনাকে বলছে।


হাহাহাহা ..... আপনে এখানেও বোঝতে ভুল করছেন ...... একারণেই আপনাকে বলেছিলাম আরবি গ্রামার শিক্ষার কোন প্ত্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে .....

এবার নিচের আয়াতসমূহ লক্ষ্য করুন ::

আয়াত :: ৭৭
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।

আয়াত :: ৭৭
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


আপনে কি বলতে চাচ্ছেন উপরুক্ত বোল্ড করা অংশটিও নবিজি তার উম্মতদের উদ্দেশ্যে বলেছেন ?

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।


বুঝেন নাই এই আয়াতও মহাম্মদ সকল মানুষকে বলছে। এই আয়াতের সঠিক অর্থ-

আপনার পূর্বে যত রসূল প্রেরণ হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ সুন্নাতই ছিল। আপনি আমি এর সুন্নাতের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।


আপনি কি এই আমি এ্রর ব্যখ্যা জানেন?

আর কি ভাবে উক্ত উক্তি মহাম্মদ সকলকে করেছেন জানতে এখানে ক্লিক করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রচলিত কোরাণ ফরজের কোন ব্যখ্যা দেয় নাই। তবে প্রচলিত কোরাণে কয়েকটি বিষয়কে ফরজ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিত আলি ফরজের ব্যখ্যা কেরছেন যাহা আমরা গুরু পরাম্পরায় পেয়ে আসছি, এবং সেটা আমরা পালন করে আসছি।
এতক্ষনে অরিন্দম কহিলা-- যেখানে আমরা কোন হাদিস না মানার জন্য একমত হয়েছি , সেখানে তথাকথিত আলির ব্যাখ্যা কেমনে গ্রহণ করব?

শুনুন - আল্লাহভীরু মুমিনের জন্য শুধুমাত্র বর্তমানের প্রচলিত কোরান যথেষ্ট।

এইবার তিউনেসিয়ার জ্বীন দুখানীর বয়ান শুনুন- 'রব' ও 'রিবা'র উৎপত্তি রে ও বে থেকে। রব হলো জ্ঞানের শিক্ষক আল্লাহ , যিনি আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা দেন কোরানের মাধ্য়মে। রিবা হলো সেই অর্থ (সুদ নয়) , যা আপনাদের মতো আরবাবরা (বহু রব) মানুষকে কোরান বহির্ভূত শিক্ষা দিয়ে আয় করে থাকে। রিবাকে কোরানে হারাম করা হয়েছে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

এতক্ষনে অরিন্দম কহিলা--যেখানে আমরা কোন হাদিস না মানার জন্য একমত হয়েছি , সেখানে তথাকথিত আলির ব্যাখ্যা কেমনে গ্রহণ করব?


আমি বলেছি ব্যখ্যার কথা। কিন্তু এই ব্যখ্যা আপনিও আপনার মত দিতে পারেন। কিন্তু আরবী এই ফারদ শব্দের অর্থ হলো- অবশ্য পালনীয়। জীবকে শান্তিতে থাকতে যে নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হবে, সে নিয়ম বা বিধানের নাম ফারদ বা ফরজ।

আর জীবকে শান্তিতে থাকার জন্য অবশ্য পালনীয় হলো কোরাণ। তাই প্রচলিত কোরাণে, কোরাণকে ফরজ ঘোষনা করা হয়েছে। এখন বলুন- আপনি মানেন যে- কোরাণ ফরজ?

আশা করি এবার জবাব করতে কোন সমস্যা নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিয়া, আপনের আসল চেহারা তো ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত কইরা ফেলছেন ...... এখন উল্টা পাল্টা ভগচগী বুলি আওরাচ্ছেন :: আপনে আমার প্রশ্নই বোঝতে হিমশিম খাইতাছেন , কোরান বোঝবেন কেমনে ?

আমার প্রশ্ন ছিল :: ৭৭ নাম্বার আয়াতটাও কি নবিজি তার উম্মতদের উদ্দেশ্যে করেছেন কি না ?


আয়াত :: ৭৭
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।

আয়াত :: ৭৭
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

আয়াত :: ৭৯
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

বিদ্যুৎ না থাকার দরুন জবাব করতে দেরি হওয়ার জন্য দুঃথীত।


আমার প্রশ্ন ছিল :: ৭৭ নাম্বার আয়াতটাও কি নবিজি তার উম্মতদের উদ্দেশ্যে করেছেন কি না ?


এই কোরাণের সকল বাণীই মহাম্মদ নিজেই বলেছেন। শুধু মাত্র মুল কোরাণ চেনানোর জন্য। কিভাবে মহাম্মদ বলেছে তা জানতে হলে, আগে নির্ধারণ করতে হবে কোন কোরাণকে আল্লাহ ফরজ করেছেন। তার আগে এই কোরাণ পড়লে মনে হবে, এই কোরাণের অর্ধেক কথা মহাম্মদ বলেছেন ও অর্ধেক কথা আল্লাহ বলেছেন। কোন অবস্থাতেই প্রমাণ করা যাবে না যে- এই কোরাণ সম্পূর্ণ টুকুই আল্লাহ বাণী অথবা এই কোরাণের সম্পূর্ণটুকুই মহাম্মদের বাণি।

কারণ- আপনি এই কোরাণ থেকে কিছু আয়াত থুরে ধরে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন যে- এই বাণী কয়টি আল্লাহর বাণী মনে হয়, তাই এই কোরাণ সম্পূর্ণই আল্লাহর বাণী। আবার আমি এই কোরাণের কিছু বাণী তুলে ধরে বলবো যে- এই বাণীগুলো আল্লাহর না বান্দার বাণির মত মনে হয, তাই এই কোরাণ মহাম্মদের বাণী।

তাই এই বিতর্ক না করে। আগে- কোরাণকে ফরজ করা হয়েছে কোরাণের সে আয়াতটি দেখুন।-

ইন্নাল্লাযী ফারাদা আলাইকাল কুরআনা লারাদ্দুকা ইলা মায়াদিন। সূরা কাসাস=আয়াত ৮৫

অথূ-নিশ্চয় যিনি আপনার উপরে কোরাণকে ফরজ করিয়াছেন, তিনিই আপনাকে স্বদেশে পৌঁছাইয়া দিবেন।

তার মানে কোরাণ ফরজ। এখন কোরাণ ফরজ হলে- ও এইটা প্রচলিত কোরাণটিই আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ হলে। এই কোরাণের সকল কথা বা আদেশ নিষেধ ফরজ কি না? তা প্রমাণ হরেই প্রমাণ হয়ে যাবে যে- এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব মূল কোরাণ কি- না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।



বুঝেন নাই এই আয়াতও মহাম্মদ সকল মানুষকে বলছে। এই আয়াতের সঠিক অর্থ-

আপনার পূর্বে যত রসূল প্রেরণ হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ সুন্নাতই ছিল। আপনি আমি এর সুন্নাতের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।



আপনি কি এই আমি এ্রর ব্যখ্যা জানেন?

আর কি ভাবে উক্ত উক্তি মহাম্মদ সকলকে করেছেন জানতে এখানে ক্লিক করুন।



""আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি,""

রাসুলগনকে কে প্রেরণ করেছেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-


বিদ্যুৎ না থাকার দরুন জবাব করতে দেরি হওয়ার জন্য দুঃথীত।


আমার প্রশ্ন ছিল :: ৭৭ নাম্বার আয়াতটাও কি নবিজি তার উম্মতদের উদ্দেশ্যে করেছেন কি না ?



এই কোরাণের সকল বাণীই মহাম্মদ নিজেই বলেছেন। শুধু মাত্র মুল কোরাণ চেনানোর জন্য। কিভাবে মহাম্মদ বলেছে তা জানতে হলে, আগে নির্ধারণ করতে হবে কোন কোরাণকে আল্লাহ ফরজ করেছেন। তার আগে এই কোরাণ পড়লে মনে হবে, এই কোরাণের অর্ধেক কথা মহাম্মদ বলেছেন ও অর্ধেক কথা আল্লাহ বলেছেন। কোন অবস্থাতেই প্রমাণ করা যাবে না যে- এই কোরাণ সম্পূর্ণ টুকুই আল্লাহ বাণী অথবা এই কোরাণের সম্পূর্ণটুকুই মহাম্মদের বাণি।

কারণ- আপনি এই কোরাণ থেকে কিছু আয়াত থুরে ধরে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন যে- এই বাণী কয়টি আল্লাহর বাণী মনে হয়, তাই এই কোরাণ সম্পূর্ণই আল্লাহর বাণী। আবার আমি এই কোরাণের কিছু বাণী তুলে ধরে বলবো যে- এই বাণীগুলো আল্লাহর না বান্দার বাণির মত মনে হয, তাই এই কোরাণ মহাম্মদের বাণী।

তাই এই বিতর্ক না করে। আগে- কোরাণকে ফরজ করা হয়েছে কোরাণের সে আয়াতটি দেখুন।-

ইন্নাল্লাযী ফারাদা আলাইকাল কুরআনা লারাদ্দুকা ইলা মায়াদিন। সূরা কাসাস=আয়াত ৮৫

অথূ-নিশ্চয় যিনি আপনার উপরে কোরাণকে ফরজ করিয়াছেন, তিনিই আপনাকে স্বদেশে পৌঁছাইয়া দিবেন।

তার মানে কোরাণ ফরজ। এখন কোরাণ ফরজ হলে- ও এইটা প্রচলিত কোরাণটিই আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ হলে। এই কোরাণের সকল কথা বা আদেশ নিষেধ ফরজ কি না? তা প্রমাণ হরেই প্রমাণ হয়ে যাবে যে- এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব মূল কোরাণ কি- না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু আরবী এই ফারদ শব্দের অর্থ হলো- অবশ্য পালনীয়। জীবকে শান্তিতে থাকতে যে নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হবে, সে নিয়ম বা বিধানের নাম ফারদ বা ফরজ।
এটা আপনার কথা , কোরানের নয়। কারন কোরান থেকে এর স্বপক্ষে কোন আয়াত দেখাতে পারবেন না।

এখন কোরান থেকে ফারদের অর্থ দেখুন -

২:১৯৭ فَرَضَ- মনস্থীর করা/ নিয়ত করা।

২:২৩৬ تَفْرِضُواْ - সাব্যস্ত করা / ( দেনমোহর)পরিমান ঠিক করা

২:২৩৭ فَرَضْتُمْ - সাব্যস্ত করেছ/ ( দেনমোহর)পরিমান ঠিক করেছ

২৪:১ وَفَرَضْنَاهَا. এবং অপরিহার্য করেছি

২৮:৮৫ فَرَضَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ- আপনার প্রতি কোরআনের বিধান পাঠিয়েছেন

৩৩:৩৮ فَرَضَ- নির্ধারণ করা

৩৩:৫০ فَرَضْنَا عَلَيْهِمْ فِي أَزْوَاجِهِمْ. তাদের স্ত্রীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি

৬৬:২ فَرَضَ - নির্ধারণ করা

এখানে সকল অনুবাদ http://ourholyquran.com এখান থেকে নেয়া। অনুবাদে ভুল থাকতে পারে , তবে কোথাও ফারদ অর্থ অবশ্য পালনীয় পেলাম না।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

আপনার দেওয়া অর্থ সঠিক হলে-

ফরজ অর্থ অবশ্য পালনীয় নয় আপনি তাই বোঝাতে চাচ্ছেন কি-না?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি / আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছি সেটা বিবেচ্য নয় , কোরান কি বলছে সেটাই বিবেচ্য। আপনি আয়াতগুলোতে ফারদের অর্থ অবশ্য পালনীয় করলে কোন মানে হয় কী? আপনিই উত্তর দিন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব-

আমি / আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছি সেটা বিবেচ্য নয় , কোরান কি বলছে সেটাই বিবেচ্য।


ফারদ শব্দের বাংলা অর্থ কিন্তু কোরাণ করে নাই। করেছে আমার আপনার মত বাঙ্গালী। তাই আমার আপনার মত লোকের তৈরী অনুবাদ কোরানের নামে চালানো ঠিক হবে না।

আপনি আয়াতগুলোতে ফারদের অর্থ অবশ্য পালনীয় করলে কোন মানে হয় কী?


হবে না কোন? না হলে কি আমরা এই কথা বিশ্বাস করে বসে থাকতাম বলে আপনার মনে হয়? আপনি নিজেও যদি মূল কোরাণ চিনেন, কোরাণের উদ্দেশ্য বুঝেন, তাহলে দেখবেন মূলতঃ প্রচলিত কোরাণ যে বিষয় গুলি ফরজ বলেছে, শুধু সে গুলিই ফরজ এবং আর কোন ফরজ নাই। আর ফরজ শব্দের বাংলা অর্থ অবশ্য করণীয় এটাই সঠিক। কিন্তু যতক্ষণ মূল কোরাণ না চিনবেন ও কোরাণের উদ্দেশ্য না বুঝবেন, আনুমানেই বিশ্বাস করতে হবে, আর করতে হবে নিজের সাথে প্রতারণা।

একা একা চিন্তা করলে দেখেবন, তখন মনে হবে- তর্কে জেতার জন্য যাহাই বলি না কেন। আসলে সঠিকটা আমি জানি না।

আশা করি বুঝাতে পেরেছি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই কোরাণের সকল বাণীই মহাম্মদ নিজেই বলেছেন। শুধু মাত্র মুল কোরাণ চেনানোর জন্য। কিভাবে মহাম্মদ বলেছে তা জানতে হলে, আগে নির্ধারণ করতে হবে কোন কোরাণকে আল্লাহ ফরজ করেছেন। তার আগে এই কোরাণ পড়লে মনে হবে, এই কোরাণের অর্ধেক কথা মহাম্মদ বলেছেন ও অর্ধেক কথা আল্লাহ বলেছেন। কোন অবস্থাতেই প্রমাণ করা যাবে না যে- এই কোরাণ সম্পূর্ণ টুকুই আল্লাহ বাণী অথবা এই কোরাণের সম্পূর্ণটুকুই মহাম্মদের বাণি।

কারণ- আপনি এই কোরাণ থেকে কিছু আয়াত থুরে ধরে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন যে- এই বাণী কয়টি আল্লাহর বাণী মনে হয়, তাই এই কোরাণ সম্পূর্ণই আল্লাহর বাণী। আবার আমি এই কোরাণের কিছু বাণী তুলে ধরে বলবো যে- এই বাণীগুলো আল্লাহর না বান্দার বাণির মত মনে হয, তাই এই কোরাণ মহাম্মদের বাণী।

তাই এই বিতর্ক না করে। আগে- কোরাণকে ফরজ করা হয়েছে কোরাণের সে আয়াতটি দেখুন।-


হাহাহাহা ...... এভাব ছুটে পালাতে চাইলে তো হবে না সিরাজ ভাই ......এখন যদি প্রমান হয় ৭৭ নাম্বার আয়াত খানা আল্লাহ পাকের তাহলে, আপনার সকল কথাই ভ্রান্ত প্রমানিত হবে ....

এবার নিচের প্রশ্নটার উত্তর দিন ::


""আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি,""/ সুরা-বনী ইসরাইল/আয়াত-৭৭

উক্তিটি কে কার উদ্দেশ্যে করছেন ?

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এখন যদি প্রমাণ হয যে- সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াতদ্বয স্রষ্টার নয় স্রষ্টির তা হলেই তো প্রমাণ হয়ে যায় যে- এই কোরাণ সৃষ্টির বা মহাম্মদের বাণী তাই তো?

এখন জবাব করুন-

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।


এই বাণীটি কে কার উদ্দেশ্যে করছে?

তাই এই বিতর্ক না করে। আগে- কোরাণকে ফরজ করা হয়েছে কোরাণের সে আয়াতটি দেখুন।-

ইন্নাল্লাযী ফারাদা আলাইকাল কুরআনা লারাদ্দুকা ইলা মায়াদিন। সূরা কাসাস=আয়াত ৮৫

অর্থ- নিশ্চয় যিনি আপনার উপরে কোরাণকে ফরজ করিয়াছেন, তিনিই আপনাকে স্বদেশে পৌঁছাইয়া দিবেন।

তার মানে কোরাণ ফরজ। এখন কোরাণ ফরজ হলে- ও এই প্রচলিত কোরাণটিই আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ হলে। এই কোরাণের সকল কথা বা আদেশ নিষেধ ফরজ হবে কি না? আর তা প্রমাণ হলেই, প্রমাণ হয়ে যাবে যে- এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব মূল কোরাণ কি- না।

দয়া করে এখানে জবাব করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন যদি প্রমাণ হয যে- সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াতদ্বয স্রষ্টার নয় স্রষ্টির তা হলেই তো প্রমাণ হয়ে যায় যে- এই কোরাণ সৃষ্টির বা মহাম্মদের বাণী তাই তো?

এখন জবাব করুন-
যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।


এই বাণীটি কে কার উদ্দেশ্যে করছে?
তাই এই বিতর্ক না করে। আগে- কোরাণকে ফরজ করা হয়েছে কোরাণের সে আয়াতটি দেখুন।-


হাহাহাহা ......... বানীটা যে আল্লাহ পাকের নয়; সেটা আগে প্রমান করেন দেখি ..... @ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

বানীটা যে আল্লাহ পাকের নয়; সেটা আগে প্রমান করেন দেখি


এটার আবার কি প্রমাণ চান? নিচের বাণীদ্বয় যে- স্রষ্টার নয় সৃষ্টির, এটা আপনার মত কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী ব্যতীত সকলেই স্বীকার করবে।

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।



এখন আপনি কোন রুপ কথা সংযোজন না করে বলুন এই বাক্য দুটি কে কাকে বলছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরাজ ভাই কি পালায় গেলেন নাকি .....পালায় গিয়ে থাকলে নিশ্চিত কইরা যান ..... আপনের আজকের কৃত পাগলামির উপর একটা ফিউনারেল পোস্ট দিতাম আর কি smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আমি তো মনে করছি আপনিই পলায়ে গেছেন। আপনার এই মন্তব্যের মাথার উপর দেখেন, আমি কি মন্তব্য করেছি। সেটার জবাবের অপেক্ষায় বসে আছি। আর আপনি বলছেন পলায়ে গেছি।

এখন তো পলাইবেন আপনি।

কারণ-

১। সূরা কাসাসের ৮৫ আয়াতে কোরাণকে ফরজ ঘোষণা করার পরেও আপনি তাহাজ্জুদ নামাজকে ফরজ স্বীকার করতে পারছেন না। তার মানে এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ নয়।

২। যেহেতু কোরাণ ফরজ অথচ আপনারা এই কোরাণের সকল বিষয়কে ফরজ বলে মানেন না। বা এই কোরাণ সকল বিষয় কে ফরজ বলে নাই। তার মানে এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ নয়।

দয়া করে এই কথার জবাব করে ও মাথার উপরের মন্তব্যের জবাব করে, তার পরে পলায়ন করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পবিত্র কোরান একটা বিরাট সাহিত্য কর্ম ... এখানে আল্লাহ পাক বিভিন্ন রকমে , ঢং এ , রূপকে, কথা বলেছেন ........ নিচের সাহিত্যটি খেয়াল করেন ::

তুমি আমাকে ত্যাগ করে কোথায় যেতে চাও ? আমি তোমায় যেতে দিব না ! , হাহাহাহা ...... তা কি হয় ? আমার যে অনেক কাজ বাকি ...... কাজ শেষে আমাদের পুনর্মিলন অবশ্যম্ভাবী


অনুরূপ সুরা ফাতেহা সহ পবিত্র কোরানের অনেক সুরা আর আয়াতেই আল্লাহ পাক এরুপ সাহিত্যিক ব্যঞ্জনার চমত্কার বিন্যাস ঘটিয়েছেন ...... আপনে তো মশাই, আরবি ভাষাই ঠিকমত জানেন না ..... তাহাজ্জুদ মানে যে রাতের ইবাদত , ওটাও জানতেন না ....... আরব সাহিত্যের কি বোঝবেন ? এজন্যই বলছি, নিজেকে আর হাস্যকর বানায়েন না ... যা করে ফেলেছেন করেছেন .... এখন একটা ভালো দেখে ভাষা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভর্তি হন গে ..... যদি কিছু শিখতে পারেন .... ভালো থাকবেন smile :) :-)

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনে তো মশাই, আরবি ভাষাই ঠিকমত জানেন না ..... তাহাজ্জুদ মানে যে রাতের ইবাদত , ওটাও জানতেন না


কে বলেছে আপনাকে তাহাজ্জাদ অর্থ রাতের এবাদৎ?

দেখুন তো- এই আয়াতের আরবীটা একবার পড়ে-

ওয়া মিনাল্লাইলী ফা তাহাজ্জাদ বিহি নাফিলাতাল্লাকা।

এই আয়াতের শব্দার্থ হলো-

ওয়া-আর
মিন-হতে
লাইল-রাত
ফা-মধ্যে
তাহাজ্জাদ-তাহাজ্জত
বিহি- ইহা
নাফিলাতাল্লাকা-এটার অর্থ এখন করছি না। সময় মত করে দেখাবো।

এখানে রাতের জন্য পরিস্কার লাইল শব্দটি ব্যবহার করেছে। তাহাজ্জাদ অর্থ রাতের এবাদৎ নয়।

এখন সূরা কাসাস এর ৮৫ নম্বর আয়াতে কোরাণকে ফরজ ঘোষণা করেছে। আর এই প্রচলিত কোরাণ মূল কোরাণ হলে- কোরাণে তাজ্জতের আদেশ থাকলেও, আপনারা রাতের বেলা যে তাজ্জতের নামাজ পড়েন, তা ফরজ হিসাবে পালন করেন না কেন?

আর তাহাজ্জাদ অর্থ রাতের এবাদৎ হলে অবশ্যয় সেটা একটা ফরজ এবাদৎ? তাহলে বলুন- সে ফরজ তাহাজ্জাদ এবাদত টা আপনারা কিভাবে পালন করেন। যদিও প্রচলিত কোরাণে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কথা লেখা নাই, তার পরেও আপনারা ফরজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তো তাহাজ্জাদ ফরজ টি কিভাবে ও কখন পালন করেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কারনটা নিচের মন্তব্যটা পরলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

দয়া করে আপনি ও নিচের মন্তব্যটা পড়ুন। নিজের ভুলটা ঠিকই ধরতে পারবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আমি তো মনে করছি আপনিই পলায়ে গেছেন। আপনার এই মন্তব্যের মাথার উপর দেখেন, আমি কি মন্তব্য করেছি। সেটার জবাবের অপেক্ষায় বসে আছি। আর আপনি বলছেন পলায়ে গেছি।

এখন তো পলাইবেন আপনি।

কারণ-

১। সূরা কাসাসের ৮৫ আয়াতে কোরাণকে ফরজ ঘোষণা করার পরেও আপনি তাহাজ্জুদ নামাজকে ফরজ স্বীকার করতে পারছেন না। তার মানে এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ নয়।

২। যেহেতু কোরাণ ফরজ অথচ আপনারা এই কোরাণের সকল বিষয়কে ফরজ বলে মানেন না। বা এই কোরাণ সকল বিষয় কে ফরজ বলে নাই। তার মানে এই প্রচলিত কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ নয়।

দয়া করে এই কথার জবাব করে ও মাথার উপরের মন্তব্যের জবাব করে, তার পরে পলায়ন করুন।

এত রাগান্বিত হচ্ছেন কেন জনাব ...... এতে মানসিক সুস্থতা বিঘ্নিত হয় .....

প্রথমত , তাহাজ্জুদ ইবাদত শুধু নবীজির জন্য ফরজ, অন্যান্য মুসল্লিদের জন্য নয় , এটা ইতোমধ্যেই প্রমান করেছি ......

দ্বিতীয়ত আপনের কাছে আমার প্রশ্ন ছিল ::
""আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি,""/ সুরা-বনী ইসরাইল/আয়াত-৭৭

উক্তিটি কে কার উদ্দেশ্যে করছেন ?

আপনে এর জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন ... সুতরাং এতেই প্রমানিত হয় আপনে যা বলেছেন তা ভুল .....সুতরাং আপনার প্রদিত কথা অনুযায়ী আপনে এখন থেকে আমার কথামত চলবেন , ইশাল্লাহ ।

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

প্রথমত , তাহাজ্জুদ ইবাদত শুধু নবীজির জন্য ফরজ, অন্যান্য মুসল্লিদের জন্য নয় , এটা ইতোমধ্যেই প্রমান করেছি ......


কোথায় আপনি প্রমাণ করেছেন। প্রমাণের জন্য মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। কারণ আপনি বণী ইস্রাইলের ৭৭ নম্বর আয়াতের যে সূত্রে তাহাজ্জাদ শুধু নবীদের এবাদৎ প্রমানের চেষ্টা করেছেন, সে সূত্র মোতাবেক বণী ইস্রাইরের ৭৮ নম্বর আয়াতের মাগরিব ও এশার নামাজ ও কোরাণ শুধু মাত্র নবীদের এবাদৎ হয়ে যাবে। এখন আপনি বলুন যে- ৭৭ নম্বর আয়াতের সূত্র ধরে কি শুধু ৭৯ নম্বর আয়াতের এবাদৎটা নবীদের জন্য হবে না ৭৮ নম্বর আয়াতের এবাদৎ টাও শুধু নবীদের জন্য হবে?


সে প্রক্ষাপটে আপনিও ব্যর্থ হয়েছেন সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াত যে আল্লাহর তা প্রমাণে-

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।

এখন আপনি কোন রুপ কথা সংযোজন না করে বলুন- এই বাক্য দুটি কে কাকে বলছে।

সর্বপরি এখা এটা দিবা লোকের মত পরিস্কার হয়ে গেছে যে- যেই কোরাণকে ফরজ ঘোষণা করা হয়েছে এই কোরাণ সেই কেরাণ নয়। যদি এই কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ হতো, তাহলে আপনারা সকলেই এই কোরাণের সকল আয়াতই ফরজ বলে মানতেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি রানা সাহেব? ঘুমিয়ে পড়বো না কিছু বলবেন? রাত কিন্তু দুইটার বেশি বাজে। আর ১০ মিনিট অপেক্ষা করবো। এর মধ্যে যদি জবাব না করেন, তাহলে আর অহেতুক বসে থাকবো না।

তবে সিদ্ধান্ত জানায়েন যে- আপনি শর্ত মত চলতে রাজী কি না?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আঃ হাকিম চাকলাদার সাহেব-

আপনি দয়া করে একবার এই পোষ্ট টি পড়ে, এই পোষ্ট এর একটা পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট করবেন। ও সেটা এই ব্লগে পোষ্ট করবেন। আর আউল বাউল যে পলায়ে গেল, তারে তো আপনার মারটা মারতে পারলেন না। তো পোষ্টমর্টেম রিপোর্টে তাকে সেই মাইরটা দিয়েই রিপোর্ট সাজাইয়েন।

রানা সাহেব সেই একটা তেরো মিনিটে পলায়ে গেলেন আর আসলেন না। আমি একা একা আর কতক্ষণ এই মরা পাহারা দিব। তাই দুইটা তেতাল্লিশ মিনিটে আমি ঘুমাতে গেলাম।

সেই ভাবেই রিপোর্টটা করবেন বলেই আশা করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

MD Al Kaiyum Rumman সাহেব-

তবে এর মাঝে একটু বেশীই সীমা লঙ্ঘন করেছে শিয়ারা। তাদের হাদিস অনুসারে বর্তমান কুরআন নাকি আসল কুরআন থেকে তিনগুন ছোট। এছাড়া শিয়ারা তাদের ইমামদের শিরক ও কুফরের পর্যায়ে নিয়ে শ্রদ্ধা করে। শিয়াগণ "তাকিয়া" নামক একধরনের প্রতারণায় বিশ্বাস করে।
মানে হল আপনাকে তাদের ধর্মে আনতে বা অন্য কারনে সে আপনার সাথে অবলীলায় মিথ্যা বলবে। এই ধরণের প্রতারণা হচ্ছে শিয়া ধর্মের অঙ্গ। শিয়া হাদিস অনুসারে প্রতারণা হচ্ছে ধর্মের দশ ভাগের নয় ভাগ। অতএব কোন শিয়ার কথাকে আপনি আসলেই ১০০ ভাগ বিশ্বাস করতে পারবেন না। যদি সে নামেমাত্র শিয়া হয় বা বিশ্বাসে নাস্তিক হয় তাহলে ভিন্ন কথা।
আপনারা বিতর্কে অংশ নিচ্ছেন, পরস্পরকে নিশ্চিত করে নিন এই ধরণের সমস্যা আছে কি না।


এই আলোচনায় তো, রানা সাহেব মিথ্যা কথা বলছেন, তাহলে কি, তাকে শীয়া সম্প্রদায়ের মনে করবো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ইসলাম সিরাজুল

আপনি দয়া করে একবার এই পোষ্ট টি পড়ে, এই পোষ্ট এর একটা পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট করবেন। ও সেটা এই ব্লগে পোষ্ট করবেন। আর আউল বাউল যে পলায়ে গেল, তারে তো আপনার মারটা মারতে পারলেন না। তো পোষ্টমর্টেম রিপোর্টে তাকে সেই মাইরটা দিয়েই রিপোর্ট সাজাইয়েন।


আমার হাতে সময় খুব কম। পোষ্ট মর্টেম রিপোট আমার তৈরী হয়ে গিয়েছে। আপনি পোষ্ট করে দিতে পারেন।

পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট-

আমি সব লক্ষ করেছি।

১) আউল বাঊল আমার শক্ত থাপ্পড়ের ভয়ে বহু পূর্বেই ভেগে গিয়েছে।
২) আপনার যুক্তিকে আমাদের কোরান বিশেষজ্ঞ মাসুদ রানা সাহেব খন্ডাতে ব্যর্থ হয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছেন।
৩) তদুপরি আপনার নীচের যে ভয়ংকর প্রশ্ন টি হাজির করে ফেলেছেন, মাছুদ রানা সাহেব ৪০ বৎসর যাবত চেষ্টা করেও তা খন্ডাতে পারবে বলে আমার মনে হয়না।

৪) ফারুক সাহেব কোরানে যথেষ্ঠ জ্ঞ্যান রাখেন।


এবার আমার রিপোর্ট পোষ্ট করে দিতে পারেন। একেবারে নির্ভুল রিপোর্ট।

সম্ভবতঃ এটা দেখেই ঘুমের ভান করে ভেগে গিয়েছেন। আর চিন্তা ভাবনা করতেছেন এখন উপায় কী?


এটা আপনার মারাত্মক প্রশ্ন-


সে প্রক্ষাপটে আপনিও ব্যর্থ হয়েছেন সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াত যে আল্লাহর তা প্রমাণে-

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।

এখন আপনি কোন রুপ কথা সংযোজন না করে বলুন- এই বাক্য দুটি কে কাকে বলছে।


আর আমি আউল বাউলকে খুজতেছি খুব ভাল একটা থাপ্পড় মারার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে সিদ্ধান্ত জানায়েন


হাহাহাহা ...... সিদ্ধান্ত তো হয়ে গিয়েছে ইসলাম সিরাজুল ভাই ...... সবাই আপনার প্রকৃত অবস্থা আচ করতে পেরেছেন আশা করি :: দেখেন না চাকলাদার ভাই কেমন চুপ মেরে গেছেন ...... কাজেই আর হাসির পাত্র হইয়েন না ।। আর আপনে তো মশাই আরবি ভাষাই ঠিকঠাকমত জানেন না ........... আরব সাহিত্যের কি বোঝবেন ? এজন্যই বলছি, যা করে ফেলেছেন করেছেন .... এখন একটা ভালো দেখে ভাষা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভর্তি হন গে ..... যদি কিছু শিখতে পারেন ....

আর আজকের আলোচনায় যেহেতু আপনার বিষয়গুলো ভুল প্রমানিত হলো :: সুতরাং আপনার প্রদিত কথা অনুযায়ী আপনে এখন থেকে আমার কথামত চলবেন , ইশাল্লাহ । ঠিকাছে ?

@ইসলাম সিরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আর আজকের আলোচনায় যেহেতু আপনার বিষয়গুলো ভুল প্রমানিত হলো :: সুতরাং আপনার প্রদিত কথা অনুযায়ী আপনে এখন থেকে আমার কথামত চলবেন , ইশাল্লাহ । ঠিকাছে ?


এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে আপনি পালিয়ে গেলেন, আবার এখন বলছেন আমার বিষয় ভুল প্রমাণীত হয়েছে। তো- দয়া করে আগে নিচের প্রশ্নের মিমাংসা দিন। তার পরে দেখা যাবে যে- কার বিষয় ভুল প্রমাণ হয়েছে, আর কার বিষয় সঠিক প্রমাণ হয়েছে।

প্রথমত , তাহাজ্জুদ ইবাদত শুধু নবীজির জন্য ফরজ, অন্যান্য মুসল্লিদের জন্য নয় , এটা ইতোমধ্যেই প্রমান করেছি ......



কোথায় আপনি প্রমাণ করেছেন। প্রমাণের জন্য মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। কারণ আপনি বণী ইস্রাইলের ৭৭ নম্বর আয়াতের যে সূত্রে তাহাজ্জাদ শুধু নবীদের এবাদৎ প্রমানের চেষ্টা করেছেন, সে সূত্র মোতাবেক বণী ইস্রাইরের ৭৮ নম্বর আয়াতের মাগরিব ও এশার নামাজ ও কোরাণ শুধু মাত্র নবীদের এবাদৎ হয়ে যাবে। এখন আপনি বলুন যে- ৭৭ নম্বর আয়াতের সূত্র ধরে কি শুধু ৭৯ নম্বর আয়াতের এবাদৎটা নবীদের জন্য হবে না ৭৮ নম্বর আয়াতের এবাদৎ টাও শুধু নবীদের জন্য হবে?


সে প্রক্ষাপটে আপনিও ব্যর্থ হয়েছেন সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াত যে আল্লাহর তা প্রমাণে-

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।

এখন আপনি কোন রুপ কথা সংযোজন না করে বলুন- এই বাক্য দুটি কে কাকে বলছে।

সর্বপরি এখানে এটা দিবা লোকের মত পরিস্কার হয়ে গেছে যে- যেই কোরাণকে ফরজ ঘোষণা করা হয়েছে এই কোরাণ সেই কেরাণ নয়। যদি এই কোরাণ আল্লাহ প্রদত্ব কোরাণ হতো, তাহলে আপনারা সকলেই এই কোরাণের সকল আয়াতই ফরজ বলে মানতেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সে প্রক্ষাপটে আপনিও ব্যর্থ হয়েছেন সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াত যে আল্লাহর তা প্রমাণে-

যেমন-আমরা তেমারই এবাদত করিতেছি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি। আমাদিগকে সরল পথে পরিচালিত করো। সূরা ফাতিহা-আয়াত ৪-৫।

এখন আপনি কোন রুপ কথা সংযোজন না করে বলুন- এই বাক্য দুটি কে কাকে বলছে।



হাহাহাহা .... এটার উত্তর অনেক আগেই দেয়া হয়েছে :: যাই হোক আবার দেখেন ::

সুরা ফাতিহার ৪/৫ আয়াতদ্বয় দ্বারা আল্লাহ পাক মুমিনদের শিখাচ্ছেন কিভাবে আল্লাহ পাকের কাছে প্রার্থনা করতে হয় ।

কারণ আপনি বণী ইস্রাইলের ৭৭ নম্বর আয়াতের যে সূত্রে তাহাজ্জাদ শুধু নবীদের এবাদৎ প্রমানের চেষ্টা করেছেন, সে সূত্র মোতাবেক বণী ইস্রাইরের ৭৮ নম্বর আয়াতের মাগরিব ও এশার নামাজ ও কোরাণ শুধু মাত্র নবীদের এবাদৎ হয়ে যাবে। এখন আপনি বলুন যে- ৭৭ নম্বর আয়াতের সূত্র ধরে কি শুধু ৭৯ নম্বর আয়াতের এবাদৎটা নবীদের জন্য হবে না ৭৮ নম্বর আয়াতের এবাদৎ টাও শুধু নবীদের জন্য হবে?


তাহলে এবার বলেন ::

""আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি,""/ সুরা-বনী ইসরাইল/আয়াত-৭৭

উক্তিটি কে কার উদ্দেশ্যে করছেন ?

@ইসলাম সিটরাজুল ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

হাহাহাহা .... এটার উত্তর অনেক আগেই দেয়া হয়েছে :: যাই হোক আবার দেখেন ::

সুরা ফাতিহার ৪/৫ আয়াতদ্বয় দ্বারা আল্লাহ পাক মুমিনদের শিখাচ্ছেন কিভাবে আল্লাহ পাকের কাছে প্রার্থনা করতে হয় ।


ওটা তো আপনার বক্তব্য। কিন্তু আপনার বক্তব্য যে সঠিক নয তার প্রমাণ হলো- ঐ আয়াতের কোথাও লেখা নাই যে- কুল বা বলো। আল্লাহ যদি সৃষ্টিকে শেখানোর জন্য এই আয়াতের কথা বলতেন, তাহলে আল্লাহ বলতেন বলো। যেহেতু এই আয়াতে এরুপ কুল বা বলো বলে নাই। তাই এই আয়াতদ্বয়ের উক্তি কোন অবস্থাতেই আল্লাহর হতে পারে না।

""আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি,""/ সুরা-বনী ইসরাইল/আয়াত-৭৭

উক্তিটি কে কার উদ্দেশ্যে করছেন ?


আগেও বলেছি, আবারও বলছি যে- কোরাণের সর্বমোট ৬২৩৬টি আয়াত পড়লে মনে হবে যে- এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক আয়াতের কথা আছে সৃষ্টির ও অর্ধেক কথা আছে স্রষ্টার। তাই এ দিয়ে প্রমাণ করা যাবে না যে- এই প্রচলিত কোরাণ মহাম্মদের না আল্লাহর। কেন না এই প্রচলিত কোরাণের সকল আয়াতই স্রষ্টা অথবা সৃষ্টির হিসাবে লেখা নাই।

তাই বলুন- এই কোরাণ যে মূল কোরাণ নয়, তাহা প্রমাণের জন্য, আপনি বলুন- সূরা কাসাসের ৮৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, কোরাণ কে ফরজ করা হয়েছে। তার মানে কোরাণের সকল কিছুই ফরজ। আর এই প্রচলিত কোরাণই যদি মূল কোরাণ হয়, তাহলে- এই কোরাণের সকল কথা আপনারা ফরজ হিসাবে পালন করেন না কেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি ব্যপার সিরাজ ভাই ..... পলায়ে গেলেন নাকি .......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

কি ব্যপার সিরাজ ভাই ..... পলায়ে গেলেন নাকি .......



আপনার মাথার উপর তাকিয়ে দেখেন, ওখানে কি বলা হয়েছে। ঐ কথার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন। আমার পালানোর চিন্তা না করে, নিজে কখন পলাবে সে চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাহাহাহা ..... আপনে এগুলোকে আমার কথা বলে বিশ্বাস করতে নারাজ ....... তাহলে আমি আপনার কথাগুলো বিশ্বাস করব কিসের ভিত্তিতে ? যেখানে আপনে কিছুই না ( আরব ভাষাবিজ্ঞানী/ আরব সাহিত্যিক ) .....


এবার নিচের দিকে দেখুন ::

ওটা তো আপনার বক্তব্র। কিন্তু বক্তব্র যে সঠিক নয তার প্রমাণ হলো, হৈ আয়াতের কোথাও লেখা নাই যে- কুল বা বলো। আল্লাহ যদি সৃষ্টিকে শেখানোর জন্য এই আয়াতের কথা বলতেন, তাহলে আল্লাহ বলতেন বলো। যেহেতু এই আয়াতে এরুপ কুল বা বলো বলে নাই। তাই এই আয়াতদ্বয়ের উক্তি কোন অবস্থাতেই আল্লাহর হতে পারে না।


অনেক উচ্চ শ্রেনীর সাহিত্যকর্মে বাক্যের বক্তাকে মার্ক করা অপ্রয়োজনীয় হয়ে থাকে ।।

যেমন :: তুমি আমাকে ত্যাগ করে কোথায় যেতে চাও ? আমি তোমায় যেতে দিব না ! , হাহাহাহা ...... তা কি হয় ? আমার যে অনেক কাজ বাকি ...... কাজ শেষে আমাদের পুনর্মিলন অবশ্যম্ভাবী ।

এখানে দুজন পৃথক ব্যক্তির কথোপকথন থাকা সত্বেও মার্ক করার প্রয়োজন পরে নাই ....অনুরূপ ::

পবিত্র কোরানের সুরা ফাতিহা সহ আরো অনেক সুরা ও আয়াতে এরূপ সাহিত্যের ব্যঞ্জনার বিন্যাস ঘটেছে ...... আর আয়াতসমূহ এত চমত্কারভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে যে, কে কাকে বলছে , তা নির্দেশ করারও প্রয়োজন পরে না ........ সহজেই বোঝা যায় ।।

আশা করি বোঝাতে পেরেছি @ইসলাম সিরাজুল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ইসলাম সিরাজুল ভাই ...... উত্তর দানপুর্বক পুন পলায়ন করলে খুশি হতাম ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরাজ ভাই কি পলায় গিয়ে ঘুমায় গেলেন নাকি ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

যেমন :: তুমি আমাকে ত্যাগ করে কোথায় যেতে চাও ? আমি তোমায় যেতে দিব না ! , হাহাহাহা ...... তা কি হয় ? আমার যে অনেক কাজ বাকি ...... কাজ শেষে আমাদের পুনর্মিলন অবশ্যম্ভাবী

এখানে দুজন পৃথক ব্যক্তির কথোপকথন থাকা সত্বেও মার্ক করার প্রয়োজন পরে নাই ....অনুরূপ ::


এ কথা দিয়ে কি প্রমাণ করতে চাইলেন? এখানে ব্যক্তির নাম না থাকলেও আমি ও তুমি শব্দের মাধ্যমে বুঝতে পারি যে- এটা দু-জন ব্যক্তির কথোপকোথন হচ্ছে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই বলা সম্ভব নয যে- ব্যক্তি দুজনের নাম কি। যদি না এই কথোপকোথনের প্রথমে বা পরে তাদের নাম প্রকাশ করে।

আর সূরা ফাতিহার ৪-৫ আয়াতে কিন্তু পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে- এখানে একজন কথা বলছেন, এবং সেই একজন সৃষ্টি কোন অবস্থাতেই স্রষ্টা নয়।

তাই কোন অবস্থায়ই সূরা ফাতিহার ৪-৫ নম্বর আয়াতের বাণী স্রষ্টার হতে পারে না। এটা সৃষ্টার কথা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই বিতর্কের ফলাফল- মাসুদ রানা ও আউল বাউল দিগম্বর হয়ে পলায়ন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা-

এত শীশুতোষ জ্ঞান নিয়ে গুরুজীর সাথে বিতর্কে আসাটা আপনার উচিৎ হয় নি। এই অপমান হওয়ার কোন দরকার ছিল?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফলাফল-

মাসুদ রানা ও আউল বাউল দ্বীগম্বর হইয়া ভোঁ-দৌড়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফলাফল-

মাসুদ রানা ও আউল বাউল দ্বীগম্বর হইয়া ভোঁ-দৌড়।


একমত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এনার্জি দেখে টায়ার্ড হয়ে গেলুম।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আমার ব্লগ ডট কম এর কতৃপক্ষ বৃন্দ ও সকল সদস্যবৃন্দকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সকলকে সালাম। সবাই ভালো আছেন তো?

glqxz9283 sfy39587p07