Skip to content

উৎসর্গ মাসুদ রানা সাহেবকে। রানা সাহেব আমি পলায় নাই। গত রাতে ফিরেছি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সম্মানীত পাঠক-

মাসুদ রানা সাহেব- এখানে ক্লিক করে দেখে আসুন। আমি পলায় নাই। যাবার আগে সকলকে বলেই গিয়েছিলাম। কারণ আমি জানতাম আপনাদের মত বুদ্ধী প্রতীবন্ধীরা, এ রকম চিন্তাই করবে। তাই আমি বাইরে যাবার পূর্বে সকল ব্লগারকে জানিয়ে যেতেই একটি পোষ্ট করে গিয়েছিলাম। কিন্তু মাননীয় মডু মহোদয় দয়া করে আমার সে পোষ্টটি এক ঘন্টার মধ্যেই প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেন। না জানি এই পোষ্টটিও যে কোন মুহুর্তে প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে। তাহলে দয়া করে আমার নিজস্ব ব্লগ বিশ্বশান্তি ডট কম এ এসে আলোচনা করতে পারেন। গত রাতে আমি ফিরেছি।

আপনাদের অবগতির জন্য বলছি যে- গত-

(তারিখঃ বুধবার, ২১/০৫/২০১৪ – ২১:৪৫) এ মাসুদ রানা সাহেব-

“বিবর্তনবাদের মৌলিক ত্রুটি :: বিগ বেং থিউরির সাথে কনট্রাডিকশন”

শিরনামে একটি লেখা পোষ্ট করেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

সেখানে তিনি বলেছেন- একা একা কিছুই সৃষ্টি হতে পারে না। মহাবিশ্বের সকল সৃষ্টিরই একজন কারিগর আছে। সেখানে আমি তাকে বলেছিলাম- মহাবিশ্বে কিছুই যদি কারিগর ব্যতীত একা সৃষ্টি হতে না পারে। তাহলে সে কারিগরকে কে সৃষ্টি করেছে? সেখানে তিনি বলেন- মহাবিশ্ব সৃষ্টির কারিগর একাই সৃষ্টি হয়েছেন। আর সকল কিছুই সেই কারিগর সৃষ্টি করেছেন। তার মানে তিনি আর তার পূর্বের কথায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেন না। তিনি নিজেই তার দেওয়া সূত্র ভেঙ্গে দিয়ে বললেন, কারিগর একা একাই সৃষ্টি হয়েছে।

সেখানে আমার প্রশ্ন হলো- কারিগর যদি একা একা সৃষ্টি হতে পারে, সেখানে মহাবিশ্ব একা সৃষ্টি হতে পারবে না কেন? তার মানে ইহাতে ইহাই প্রমাণ হয় যে- মাসুদ সাহেব কোন সুনির্দিষ্ট যুক্তিতে অবস্থান করে বলছেন না যে- মহাবিশ্বের কিছুই একাকী সৃষ্টি হতে পার না। কোন কিছু সৃষ্টি হতে একজন কারিগর আবশ্যক, ও স্রষ্টা কোন কারিগর ছাড়াই সৃষ্টি হতে পারে। বরং তিনি একথা বলছেন তার অন্ধ বিশ্বাস থেকে, এবং সেখানে তিনি দুটি স্ব-বিরোধী কথা উপস্থাপন করছেন। যেমন-

মাসুদ রানা বলেছেন-

১। মহাবিশ্ব কারিগর ছাড়া একাকি সৃষ্টি হতে পারে না।

যদি তার একথা সত্য হয়, তাহলে অবশ্যয়ই কোন কারিগর ছাড়া, কারিগর সৃষ্টি হতে পারে না। তার মানে- আল্লাহকেও কেহ না কেহ সৃষ্টি করেছে।

আবার মাসুদ রানা বলেছেন-

২। কোন কারিগর ছাড়াই আল্লাহ সৃষ্টি হয়েছেন।

আর যদি তার এই কথা সত্য হয়, তাহলে তাকে বিশ্বাস করতে হবে যে- কোন কারিগর ছাড়াই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হওয়া সম্ভব। তার মানে কোন বুদ্ধী সম্পন্ন ব্যক্তিই একসাথে ঐ দুই উক্তিকে বিশ্বাস করতে পারে না। আর যদি কেহ এক সাথে উক্ত দু টি উক্তিকেই বিশ্বাস করে, তাহলে সে বুদ্ধীহীন বলেই বিবেচিত হবেন। সে সূত্রাণুসারেই মাসুদ রানাকে আমি একজন বুদ্ধী প্রতিবন্ধী ও অন্ধ বিশ্বাসী বলেই বিবেচনা করছি।

এর পরে তিনি সূরা এখলাসের একটা অনুবাদ উপস্থাপন করেন। যাহার পুরোটাই ভুল, এবং তা দিয়ে আমাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। দেখুন সে সূরা এখলাসের কি অনুবাদ উপস্থাপন করেছিলেন-

দেখেন; আল কোরানের সুরা ইখলাসের আয়াতসমূহের আলোকে আমরা যতটুকু জানতে সক্ষম হয়েছি তা নিম্নরূপ-

শুক্রবার, ২৩/০৫/২০১৪ – ০০:৩৫ তারিখে মাসুদ রানা বলেছেন
সৃষ্টিকর্তার কোনো সৃষ্টি নাই …. কেউ তাকে সৃষ্টি করে নাই , অথবা তিনি নিজে নিজেও সৃষ্ট হন নাই ….. তিনি অনন্তকাল ধরে বিরাজমান ।সময়ের স্রষ্টাও তিনি, যে সময়ের নির্দৃষ্ট গন্ডির আদি, অন্তে কোনো কালেই অনার অভ্যুদয়, সূত্রপাত হয় নাই ,, তিনি সময়ের গন্ডির বাইরে। তিনি সব সময়েই ছিলেন, থাকবেন


কিন্তু সূরা এখলাসের সঠিক অনুবাদ হলো। আল্লাহ কাহাকেও জন্ম দেন নাই, আল্লাহকেও কেহ জন্ম দেয় নাই। তিনি জন্ম ও সৃষ্টিকে গুলিয়ে ফেলেছেন। এটা তার কেমন অজ্ঞতা তা আমি বুঝতে অসমর্থ। তবে এটুকু বুঝতে পেরেছি যে- মাসুদ রানার মত একজন বুদ্ধী প্রতিবন্ধীর কাছ হতে এর চেয়ে বড় কিছু আশা করা উচিৎ নয়।

সে পোষ্টে আমি বলেছিলাম আল্লাহ একটা নয়, আল্লাহ একের অধিক। এটা আমার কথা নয়, এটা প্রচলিত কোরআনের কথা। প্রচলিত কোরআনের মধ্যে ৩১ টি আয়াতে আল্লাহ নিজেকে আমরা বলে পরিচয় দিয়েছেন। সেখানে আমি প্রচলিত কোরআনের বেশ কয়েকটা আয়াতও উপস্থাপন করি, যেখানে আল্লাহ নিজেকে আমরা বলেছেন।

সেখানে তিনি প্রথমে বলেন আরবী নাহনু শব্দের বাংলা অর্থ "আমি" আমরা নয়। তাই আমি নাকি ভুল বলেছি। এবং আমার দেওয়া আয়াত সকলের কোন যায়গায়ই আল্লাহ নিজেকে আমরা বলে নাই, আমি বলেছে। আর তা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিষ্ফল কিছু মিথ্যা বুলি আউড়িয়ে, আমার উপস্থাপিত নাহনু অর্থ আমরা নয় আমি, প্রমানের আপচেষ্টা করেন।

এর পরে হাকিম চাকলাদার সাহবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ও জাকির নায়েকের এক মন গড়া যুক্তিতে তিনি স্বীকার করেন যে- আসলে আরবী নাহনু শব্দের অর্থ আমি নয়, আমরা। তার মানে এথানেও তিনি তার পূর্বের বিশ্বাস থেকে ফিরে এসে নতুন ভাবে বিশ্বাস করলেন যে- নাহনু শব্দের অর্থ আমরা, এবং প্রচলিত কোরআনে আল্লাহ নিজেকে আমরাই বলেছেন। কিন্তু সেখানে তিনি নির্বোধ আনন্দে পুলকিত হইলেন জাকির নায়েকের মনগড়া যুক্তি- নাহনু মানে আমরা হলেও আল্লাহর অধিক ক্ষমতার কারণে, আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন নাহনু বা আমরা বলে। তবে এক আল্লাহই অধিক ক্ষমতা বলে- আমরা বললেও আল্লাহ একাধিক নয়, আল্লাহ একজনই। কেমন গাজাখুরী যুক্তি একটু অনুধাবন করুন। তবে জাকির নায়েকদের মত বুদ্ধী প্রতীবন্ধীর দ্বারা এর থেকে ভালো যুক্তি পাওয়ার আশা করা মানে আরেক নির্বুদ্ধীতা, তাই এ বিষয়ে আমি আর বাতচিৎ করতে চাই না।

তবে সেখানে অবশ্য হাকিম চাকলাদার সাহেব বলেছেন যে-

যেমন ধরুন আপনার এক বন্ধু আপনাকে বল্লেন ” আজ আমরা তোমাদের বাড়ীতে সন্ধায় আসতেছি।আমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করবে।”

আপনার বন্ধু ঠিকই তার পরিবারের ৬ জন সদশ্য লয়ে সময় মত উপস্থিত হয়ে গেল।

আপনি তখন কী করলেন? তাদের সম্মুখে ১ জনের খাবার উপস্থিত করে দিলেন।

তখন আপনার বন্ধু আপনাকে জিজ্ঞাসা করল ,আমি তো বল্লাম “আমরা” আসতেছি,তা তুমি মাত্র ১ জনের খাবার কেন তৈরী করেছ?

তখন আপনি তাকে কী বলবেন? দোস্ত, কোরানের ভাষা অনুসারে কাজ করেছি, কারন্ কোরানে “আমরা” শব্দের অর্থ “আমি” ধরে।


তবে যেহেতু জাকির নায়েক বলেছেন আল্লাহ এক, কিন্তু তাকেই কোরআন আমরা বলেছে। আর তারা তার বাইরে বিশ্বাস করতে রাজি নয়। কারন মাসুদ রানাদের মত বুদ্ধী প্রতিবন্ধীরা নিজের বুদ্ধীতে কিছুই করতে ও বলতে পারে না। জাকির নায়েকদের মত ধর্ম ব্যবসায়ীরা যা বলবেন, তা সত্য না মিথ্যা তা যাচাইয়ের প্রয়োজন নাই। কারণ এ সকল ধর্ম ব্যবসায়ীরা মিথ্যা বলে না। কারণ তারা মসজিদের মাইক ব্যবহার করে প্রচার করলো, সাইদীকে চাঁদে দেখা গিয়েছে। তারা সত্য মিথ্যা বিচার না করেই মাঠে নেমে খুন করতে শুরু করে দিল। কেন না- ঐ প্রজাতীরা মিথ্যা বলতে পারে না।

তবে মাসুদ রানা সাহেবের কাছে বিণয়ের সাথে জানতে চাই যে- প্রচলিত কোরআনে যে সকল আয়াতে আল্লাহ নিজেকে নাহনু বলেছে- বাংলা অনুবাদের সময় অনুবাদকেরা সে সকল স্থানে আমরা না লিখে, আমি লিখলো কেন? কারণ জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদে আমি না লিখে আমরা লিখতেন। আর যেহেতু অনুবাদে লিখেছে আমি, তার মানে এই সময়ে জাকির নায়েক আমরা বলাতে নতুন তত্ব দিচ্ছেন? এখন জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদকেরা মিথ্যা। আর অনুবাদক সত্য হলে জাকির নায়েক মিথ্যা। এখন আপনি নির্ধারণ করুন- কে সত্য ও কে মিথ্যা।

আমি মাসুদ রানা সাহেবের কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে- বাংলা এই ও ঐ শব্দের আরবী শব্দ কি? উনি এখন পর্যন্ত তার জবাব করেন নাই। তো- রানা সাহেব, কেন জবাব করেন নাই জানতে পারি কি?

পরিশেষে- রানা সাহেব- আপনাকেই বলছি। আপনার এই মাথা দিয়ে, ও ধর্ম ব্যবসায়ী কর্তৃক দেয়া যুক্তিতে নির্ভর করে, প্রচলিত কোরআন বুঝা সম্ভব নয়। তাই আপনাকে আহবান করবো যে- যদি প্রচলিত কোরআন বুঝতে চান, তাহলে- একজন মুর্ষীদের স্মরণাপন্ন হউন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অবশেষে শুরু হইলো। বইলাম গ্যালারীতে

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জুয়া ভাইয়া
চিরাজুল কি নাসতিক না আসতিক ?? আমি কি গালি দিব ?

--------------------------------------------
দুনিয়াটা ভানুমতির খেল.....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গৌতম সাহেব-

আমি আস্তিক।

তবে- আপনার কাছে আমার জিজ্ঞাসা হলো- আস্তিক ও নাস্তিক বলতে আপনি কি বুঝেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরে দুর, এইটা নয়া মাল আমদানি হইছে। দুপুরের তে জ্বালায়া মারতাছে। ইগনোর করেন।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইমরান ওয়াহিদ জোয়া...সাহেব-

তাই না কি? তথ্য সহায়তার জন্য ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইমরান ওয়াহিদ জোয়া...সাহেব-

এখন দেখা যাক, রানা সাহেব কি তথ্য নিয়ে হাজির হয়। সে অপেক্ষায় আমিও রইলাম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইমরান ওয়াহিদ জোয়া...

কোনই লাভ নাই। বইয়া থাকনই সার হইবো। সিরাজুলের খাড়ানো ল্যাওড়া দেইখা রানা মাদার্চুতে ভয়ে পলান চুদাইছে।

বাইত যানগা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নাহ হেতে বোধহয় হের রকেট সাইন্স নিয়া কুনু নয়া গবেষনা কর্তেছে

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইমরান ওয়াহিদ জোয়া...

হেয় মনে হয় ই্জত আলিরে চিনে না। ইজ্জত আলী হের গবেষনার রকেট যে- হের মার হাওয়ার মধ্যে ভইরা দিতে পারে, তা হেই বুজতাছে না।

মাঙ্গের পো কই জানি পলাইছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবার আইছেন এই নিয়া পাগলামী করতে,
বিষয় টা শেষ হবে না? সেরু পাগলা!

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
শরিফুল ইসলাম

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরিফুল ইসলাম সাহেব-

সবে তো শুরু। এখনই এর শেষ পাইলেন কই? আর এখানে দেখুন তো- রানা সাহেব কেমন তরো বিজয়ী হয়েছেন।

চাকলাদার ভাইয়ের কৌশল এবং ধরা খাওয়া :: সিরাজ ভাই আপনে কই .... পলাইলেন নাকি :


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুরুজি সালাম আছেন কেমন,আর দাওয়াত টাওয়াত দিতেছেন না ঘটনা কি?

আর আপনার এই মাসুদ রানা একটা ছুপা ছাগু,এইটার লগে বাহাসে যাওয়ার দরকারটা কি?

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শামীম আরেফীন সাহেব-

গুরুজি সালাম আছেন কেমন,আর দাওয়াত টাওয়াত দিতেছেন না ঘটনা কি?


সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে। জ্বী! ভালো আছি।

আমার বাৎসরিক অনুষ্ঠান তো বছরে একবারই হয়। এছাড়া আমার ভক্তদের যে বাৎসরিক অনুষ্ঠান হয়, তা ভীন্ন ভীন্ন এলাকায়, তাই সেখানে দাওয়াত করি না।

আর আপনার এই মাসুদ রানা একটা ছুপা ছাগু,এইটার লগে বাহাসে যাওয়ার দরকারটা কি?


আমি তার মূখোশটা খুরে দিতে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এছাড়া আমার ভক্তদের যে বাৎসরিক অনুষ্ঠান হয়

আপনার ভক্ত মানে? আপনি পীর ফকির নাকি মিয়া ভাই?? Puzzled

__________________________________
Don’t ever wrestle with a pig. You’ll both get dirty, but the pig will enjoy it.
—Cale Yarborough

মুক্ত মনায় আমি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ফিউস সাহেব-

আপনার ভক্ত মানে? আপনি পীর ফকির নাকি মিয়া ভাই?? Puzzled


জ্বী! আমি ইসলামের মুর্ষীদ, বা শান্তির পথ প্রদর্শক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বী! আমি ইসলামের মুর্ষীদ, বা শান্তির পথ প্রদর্শক।


Shock Shock Shock

__________________________________
Don’t ever wrestle with a pig. You’ll both get dirty, but the pig will enjoy it.
—Cale Yarborough

মুক্ত মনায় আমি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ফিউস সাহেব-

তাতে কোনই লাভ নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মাসুদ রানা , আপনাকে যেখানে চকলেট খাওয়ার দাওয়াত দিছিলাম সেখানে দাওয়াত খেয়ে আসেন আগে, না হলে মালোয়েশিয়ান ক্যাডবুরি চকলেট খায়ামু, আমাকে দায়ী করতে পারবে না কইলাম।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজকে খেলা জমবে মনে হয়। চলুক---
তয় প্রতিপক্ষের কুন আওয়াজ পাইতেছি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবখা্নটাই তো পইড়া ফালাইলাম। তয় রানা মাদার্চুতে এহন কই চুদা খাইতাছস।

হেই দিন না কওন চুদাইলি সিরাজুল পলায় গেচেগা। তয় এহন তুই কই যাওন চুদাইছস?

মাঙ্গের পুত। এহন আইয়া সিরাজুলের চুদা খাইয়া যা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেখেন @সিরাজুল ইসলাম ভাই .... আপনের কথামত যদি ধরেও নেই, যে আল্লাহ পাক "" আমরা "" সর্বনাম খানাই ব্যবহার করেছেন ... তাতেও তো দুষের কিছু দেখছি না। বরংচ এটা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ পাকের ঔদার্যকেই উদ্ভাসিত করছে ..... তিনি তার সৃষ্টি ফিরিশ্তাকুলকেও সম্মানিত করেছেন .... এ ব্যপারে আপনার মতামত কি ? এটা কি আল্লাহ পাকের উদারতা নয় ? উত্তর দানপূর্বক পুন : পলায়ন করলে বাধিত হতাম smile :) :-)

@সিরাজুল ইসলাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনের কথামত যদি ধরেও নেই, যে আল্লাহ পাক "" আমরা "" সর্বনাম খানাই ব্যবহার করেছেন ... তাতেও তো দুষের কিছু দেখছি না।


কে বলেছে আল্লাহ আমরা বলাতে আপনারা দোষের কিছু দেখছেন না? রীতিমত আল্লাহর এই আমরা বলাকে আপনারা অনেক বড় অপরাধ মনে করছেন। তাই অনুবাদের সময় আমরা এর স্থলে আমি বসিয়ে দিয়েছেন।

বরংচ এটা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ পাকের ঔদার্যকেই উদ্ভাসিত করছে ..... তিনি তার সৃষ্টি ফিরিশ্তাকুলকেও সম্মানিত করেছেন

আল্লাহ নিজেকে আমরা বলাতে তার সৃষ্টিকুল ফেরেস্তাকে কিভাবে সম্মানীত করেছেন, তা আমি বুঝতে পারি নাই। দয়া করে ব্যখ্যা করুন।

উত্তর দানপূর্বক পুন : পলায়ন করলে বাধিত হতাম smile smile :) :-) smile :) :-)


হাঁসালেন! আমি লেখাটি পোষ্ট করেছি ৩০ তারিখ বিকাল ০৫ টা ৫৫ মিনিটে। আপনি জবাব করেছেন ৩১ তারিখ ০০টা ১৭ মিনিটে। কে পলায়ন করেছে? আমি না- আপনি? কথা বলার সময় একটু হিসাব করে কথা বইলেন।

প্রচলিত কোরআনে যে সকল আয়াতে আল্লাহ নিজেকে নাহনু বলেছে- বাংলা অনুবাদের সময় অনুবাদকেরা সে সকল স্থানে আমরা না লিখে, আমি লিখলো কেন? কারণ জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদে আমি না লিখে আমরা লিখতেন। আর যেহেতু অনুবাদে লিখেছে আমি, তার মানে এই সময়ে জাকির নায়েক আমরা বলাতে নতুন তত্ব দিচ্ছেন? এখন জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদকেরা মিথ্যা। আর অনুবাদক সত্য হলে জাকির নায়েক মিথ্যা। এখন আপনি নির্ধারণ করুন- কে সত্য ও কে মিথ্যা।



বাংলা এই ও ঐ শব্দের আরবী শব্দ কি?

এর জবাব দিতে ভুলবেন না যেন-


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@লেখক,

সে পোষ্টে আমি বলেছিলাম আল্লাহ একটা নয়, আল্লাহ একের অধিক। এটা আমার কথা নয়, এটা প্রচলিত কোরআনের কথা।

আপনি মুসলমান তো? নাকি মজা করে বলছেন?

আর প্রচলিত কোরান বলতে কি বুঝিয়েছেন? আমার জানামতে কোরান একটাই যেটা মুসলিম রা মানে। আর কোরানে এক আল্লাহর কথাই লেখা আছে!!

আমি এই জীবনের প্রথম শুনলাম যে কোরানে লেখা আছে যে আল্লাহ একের অধিক!! Puzzled

__________________________________
Don’t ever wrestle with a pig. You’ll both get dirty, but the pig will enjoy it.
—Cale Yarborough

মুক্ত মনায় আমি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ফিউস সাহেব-

আপনি মুসলমান তো? নাকি মজা করে বলছেন?


আমি মুসলিম। বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। তবে- যদি মুসলিম পরীক্ষার শিক্ষক হয়ে থাকেন।

আর প্রচলিত কোরান বলতে কি বুঝিয়েছেন?


যে গ্রন্থটাকে মোল্লারা কোরআন বলে প্রচার করেছে, তাকেই বলছি। মূলতঃ যাকে আপনি কোরান বলে জানেন, সেটা কোরান নয়। সেটা রাসুলের হামিস।

আর কোরানে এক আল্লাহর কথাই লেখা আছে!!


আর প্রচলিত কোরানের সকল কথাই মানুষের, আল্লাহর নয়।

আমি এই জীবনের প্রথম শুনলাম যে কোরানে লেখা আছে যে আল্লাহ একের অধিক!! Puzzled


তো কি হয়েছে? আপনি কি মনে করেন এই কথাটি ছাড়া মহা বিশ্বের সকল কথায় আপনি আগেই শুনে ফেলেছেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে গ্রন্থটাকে মোল্লারা কোরআন বলে প্রচার করেছে, তাকেই বলছি। মূলতঃ যাকে আপনি কোরান বলে জানেন, সেটা কোরান নয়। সেটা রাসুলের হামিস।


ওহ আচ্ছা!!!!!!!!!!! Shock ভাল!

তা আসল কোরান কোথায় আছে একটু জানালে ভাল হত না? পড়ে দেখতাম!! Sad

__________________________________
Don’t ever wrestle with a pig. You’ll both get dirty, but the pig will enjoy it.
—Cale Yarborough

মুক্ত মনায় আমি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ফিউস সাহেব-

তা আসল কোরান কোথায় আছে একটু জানালে ভাল হত না? পড়ে দেখতাম!! Sad



মূল বা আসল কোরআনের পরিচয় জানতে এখানে ক্লিক করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই, আপনার বিখ্যাত কোরানের ৩১ সুরার মাজেজা বুঝলাম। আমার আর কিছু বুঝা লাগবে না। একটা অনুরোধ, রাখা না রাখা আপনার ব্যাপার। আর তা হল এই জিনিস যা বলতেছেন অনলাইনেই বলেন। সামনাসামনি কাউকে বলতে যাবেন না প্লিজ। দেশের মানুষের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা মোটেও ভাল না। এই জিনিস বাস্তবে অন্যদের বলতে গেলে গনধোলাই খেতে পারেন Sad

__________________________________
Don’t ever wrestle with a pig. You’ll both get dirty, but the pig will enjoy it.
—Cale Yarborough

মুক্ত মনায় আমি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ফিউস সাহেব-

মিথ্যা বলেন নি। যুগে যুগে অনেককে হত্যাও করেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছুপা ছাগুটা কই?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মাছুদ রানা,

আপনের কথামত যদি ধরেও নেই, যে আল্লাহ পাক "" আমরা "" সর্বনাম খানাই ব্যবহার করেছেন ... তাতেও তো দুষের কিছু দেখছি না। বরংচ এটা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ পাকের ঔদার্যকেই উদ্ভাসিত করছে ..... তিনি তার সৃষ্টি ফিরিশ্তাকুলকেও সম্মানিত করেছেন .... এ ব্যপারে আপনার মতামত কি ? এটা কি আল্লাহ পাকের উদারতা নয় ?



আপনের কথামত যদি ধরেও নেই, যে আল্লাহ পাক "" আমরা "" সর্বনাম খানাই ব্যবহার করেছেন


আপনি উনার কথা মত ধরতেছেন কেন? আপনি কী এখনো মনে মনে করেন ,নাহনু, এর একটা অর্থ "আমি" হতে পারে?

বরংচ এটা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ পাকের ঔদার্যকেই উদ্ভাসিত করছে ..... তিনি তার সৃষ্টি ফিরিশ্তাকুলকেও সম্মানিত করেছেন .



"আমরা" এর মধ্যে যে ফেরেশতাদের অন্তর্ভূক্ত করেছেন-এটা কী আপনার ব্যক্তিগত মনগড়া কথা?

এই ধারনা বা বিশ্বাষ করাটা শিরকী,যা মহাপাপ। যা ইছলাম থেকে বহির্ভূত করে দেয়।

আল্লাহ নিজেই সব সৃষ্টি করতে পারেন।

ঐ ধারনা আল্লাহ কে দুর্বল, পর মুখাপেক্ষী, ও তার নিজেরই সৃষ্ট বস্তুর উপর নির্ভরশীল করে দেয়।

এটা আমার নিজের কথা নয়। দেখুনতো কার কথা?


اللَّهُ الصَّمَدُ
১১২:02

আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,


আপনি কী এই আয়াতে বিশ্বাষী নয়?

তাহলে তো আপনি মুসলমানই থাকতে পারবেননা।

তাহলে এখন কী করবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আঃ হাকিম চাকলাদার :

এই আমরা ও আমি-এর সমস্যার ব্যাপারে কি ভাবে সমাধান হতে পারে বলে আপনার ধারণা, জানতে পারি কি?

>>>>>>>>>>>>>>> ## <<<<<<<<<<<<<<<
"যখন তারা তোমাদের কাছে আসে তখন বলে দাওঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। অথচ তারা কুফর নিয়ে এসেছিল এবং কুফর নিয়েই প্রস্থান করেছে। তারা যা গোপন করত, আল্লাহ তা খুব জানেন।"
(Al-Maaida {Madani*112}- 5: 61)
>>>>>>>>>>>


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা এই ও ঐ শব্দের আরবী শব্দ কি?


আপনে ""এই ঐ"" নিয়ে ব্যস্ত হলেন কেন জনাব ? এটার কোন প্রাসঙ্গিকতা নাই .... যুক্তি বহির্ভূত উটকো প্রশ্ন, আর কোন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দানে আগ্রহী নই ....

কে বলেছে আল্লাহ আমরা বলাতে আপনারা দোষের কিছু দেখছেন না? রীতিমত আল্লাহর এই আমরা বলাকে আপনারা অনেক বড় অপরাধ মনে করছেন। তাই অনুবাদের সময় আমরা এর স্থলে আমি বসিয়ে দিয়েছেন।


হাহাহাহা ..... এটা আপনি গায়ের জোরে বললেন ..... গরুও গায়ের জোরে হাম্বা হাম্বা ডাকে, অসুন্দর ডাক , এতে কারো কিছু যায় আসে না ।।

আল্লাহ নিজেকে আমরা বলাতে তার সৃষ্টিকুল ফেরেস্তাকে কিভাবে সম্মানীত করেছেন, তা আমি বুঝতে পারি নাই। দয়া করে ব্যখ্যা করুন।


এটা যদি বুঝতেন তাহলে কি নাস্তিক হওয়ার জন্য উন্মাদ হয়ে যেতেন ? আপনাকে একটা উদাহরণ দেই :: ধরেন আপনের অসাধারণ ক্ষমতা আছে ;; আপনে দুইটা কিশোর পয়দা করলেন শুন্য থেকে ..... অতপর ওদেরকে বললেন, মরুভূমিটার মধ্যে একটা এক কক্ষ বিশিষ্ট বর্গাকার পাথরের ঘর বানাও তো :: অতপর তা বনানোর পর বললেন :: বেশ .... আমরা একটা ঘর নির্মান করলাম ।আপনের এত ক্ষমতা ,শুন্য থেকেই পয়দা করতে পারেন , তো চাইলেই কি আপনে পারতেন না নিজেই ঘরটা নির্মান করতে ? সুতরাং এটা দিয়া মুখাপেক্ষীতা নয় কর্ত্রিত্বশীলতা, ঐক্যের আলিঙ্গন প্রকাশ পাচ্ছে ।। যা অনুকরণীয় হবে পৃথিবীর মানুষদের জন্য .... শ্রমিকরা কাজ করলে কোন মুসলমান মনিব বলবে না , আমিই এটা করেছি , বরং বলবে আমরাই এটা করলাম .... মনে হয় না কিছু বুঝছেন .... সারাক্ষণ মাথায় ভুল ত্রুটি, বিচ্যুতি পেয়ে যাবার আকাশ কুসুম কল্পনা থাকলে এসব ঢুকবে কেমনে ?

যাই হোক , ভালো থাকবেন @সিরাজুল ইসলাম, চাকলাদার ভাই ..... আল্লাহ পাক আপনাদের উত্তম বুঝ দান করুন ।।

@সিরাজুল ইসলাম
@আঃ হাকিম চাকলাদার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনে ""এই ঐ"" নিয়ে ব্যস্ত হলেন কেন জনাব ? এটার কোন প্রাসঙ্গিকতা নাই .... যুক্তি বহির্ভূত উটকো প্রশ্ন, আর কোন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দানে আগ্রহী নই ....


এটা কোন অপ্রসঙ্গিক প্রশ্ন নয়। কারণ- এই প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই নিহিত আছে আপনারা কোরানের কিছুই বুঝেন না এর প্রমাণ। আর তা বিশ্বাস না হলে আপনি জবাব দিয়ে দেখুন। জবাব দিতে আপনার ভয় কিসের?

এটা আপনি গায়ের জোরে বললেন ..... গরুও গায়ের জোরে হাম্বা হাম্বা ডাকে, অসুন্দর ডাক , এতে কারো কিছু যায় আসে না ।।


আমি কোনটা গায়ের জোরে বললাম? আমার দেওয়া আল্লাহ নিজেকে নাহনু বলা আয়াতের স্থলে অনুবাদকেরা আমরা না লিখে আমি লিখেছে। আর সেটাকে ভুল ধরিয়ে দেওয়াটা গায়ের জোর, না- সেটাকে অস্বীকার করাটা গায়ের জোর? বরং আপনি এখনো তথ্য বাদ দিয়ে গায়ের জোর প্রয়োগ করে চলেছেন।

আর আপনার উদাহরণটি গ্রহন যোগ্য হয় নাই। কারণ- কারিগর বলতে যিনি গড়েন। তিনি কখনোই যাহা দ্বারা গড়েন, তাকে নিয়ে আমরা বলবে না। যেমন-

আপনি একজন ছুতার। আপনি একটা আলমীরা গড়ছেন। এই আলমীরা গড়ার সামগ্রী বা যারা আপনাকে এই আলমীরা গড়তে সাহায্য করছে, তারা হলো- হাতুড়ি, বাঁটাল, করাত, কাঠ ইত্যাদি। যাহার সবই সৃষ্ট, স্রষ্টা নয়। এখানে আপনি কি বলেন যে- আমরা আলমীরা গড়ছি? ছুতার এর কাছে হাতুড়ি, বাটাল যেমন সৃষ্ট, আল্লাহর কাছে ফেরেস্তাকুলও তেমন সৃষ্ট। তাই কোন অবস্থাতেই স্রষ্টা সৃষ্ট বস্তু সমুহের সাথে এক করে নিজেকে আমরা বলতে পারে না।

যদি ছুতারের সাথে কোন সহকারী ছুতার থাকে, যাহা ছুতারের নিজ প্রজাতীর। কেবল মাত্র তখনই ছুতার বলতে পারে যে- আমরা আলমীরা গড়ছি।

তাই- আল্লাহ তার সৃষ্ট অন্য প্রজাতীকে নিয়ে আমরা বলার মত নির্বোধ নয় বলেই মনে করি।

এখন আপনি বলুন। ছুতার যদি বলে আমরা আলমীরা গড়ছি। তাহলে আমরা বলতে ছুতার কাকে বুঝাবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনে কিন্ডার গার্ডেনের বাচ্চাদের অনুরূপ উদাহরণ প্রয়োগ করলেন .... হাতুড়ির কি প্রাণ আছে যে সে মান সম্মান উপলব্ধি করবে ? কাদেরকে সম্মান দেয়া যায় ,, যাদের সম্মানজ্ঞান আছে ..... আমি যদি ছুতার হতাম.আর হাতুড়িকে নির্দেশ দেয়া মাত্র সে আমার সব কাজ সম্পাদন করে দিতে পারত, তাহলে অবশ্যই বলতাম "" আমরা কাজটি করলাম "" ।।

আপনার কাছ থেকে এতটা ইমপেরালাল উদাহরণ আসা করি নাই, সিরাজুল ইসলাম সাহেব। ভবিষ্যতে উদাহরণ প্রয়োগের পূর্বে বিচার বিবেচনা করে করবেন ।

ধন্যবাদ ।

এটা কোন অপ্রসঙ্গিক প্রশ্ন নয়। কারণ- এই প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই নিহিত আছে আপনারা কোরানের কিছুই বুঝেন না এর প্রমাণ। আর তা বিশ্বাস না হলে আপনি জবাব দিয়ে দেখুন। জবাব দিতে আপনার ভয় কিসের?

ক্বোরানএ আমি পারদর্শী কি পারদর্শী নই ,, তার প্রমান দিতে হবে একজন নাস্তিকের কাছে ,,, এতটা দেউলিয়া না ভাবলেই পারতেন .... জনাব সিরাজুল;; আপনে আমাকে কি ভাবলেন না ভাবলেন ;এতে আমার কিছুই যায় আসে না .....

ভালো থাকবেন ।

@ইসলাম সিরাজুল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনে কিন্ডার গার্ডেনের বাচ্চাদের অনুরূপ উদাহরণ প্রয়োগ করলেন .... হাতুড়ির কি প্রাণ আছে যে সে মান সম্মান উপলব্ধি করবে ?


সৃষ্ট জীব কারিগরের সাথে তার তার কাজে সহায়তাকারী হাতুড়ি বাটালির তুলনা আপনার কাছে অসামঞ্জস্য হলে- আল্লাহর সৃষ্টি ফেরেস্তার সাথে আল্লাহর তুলনা কেমন অসামঞ্জস্য, তা কি বুঝার মত জ্ঞান আপনার আছে?

কারিগরের প্রাণ আছে, হাতুড়ির প্রাণ নাই তাই হাতুড়ির সাথে কারিগরের তুলনা চলে না। তাহলে- আল্লাহ চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, সর্বজ্ঞাত ও সর্ব ক্ষমতার অধিকারী, আর ফেরেস্তা ক্ষণজীবি, অস্থায়ী, সর্বঅজ্ঞাত ও স্বক্ষমতাহীন হওয়া স্বত্বেও, কোন যুক্তিতে আপনি তাকে আল্লাহর সাথে তুলনা করছেন?

এতে তো মনে হয়, আপনি এখনো ভুমিষ্ট না হওয়া বাচ্চার মত কথা বললেন। অবশ্য এর চেয়েও কম জ্ঞান সম্পন্ন কথা বললেও আমি আশ্চর্য্য হইতাম না। কারণ- আপনাদেরকে আমরা বুদ্ধী প্রতীবন্ধী রুপেই জানি।

তো- আমার-

প্রচলিত কোরআনে যে সকল আয়াতে আল্লাহ নিজেকে নাহনু বলেছে- বাংলা অনুবাদের সময় অনুবাদকেরা সে সকল স্থানে আমরা না লিখে, আমি লিখলো কেন? কারণ জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদে আমি না লিখে আমরা লিখতেন। আর যেহেতু অনুবাদে লিখেছে আমি, তার মানে এই সময়ে জাকির নায়েক আমরা বলাতে নতুন তত্ব দিচ্ছেন? এখন জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদকেরা মিথ্যা। আর অনুবাদক সত্য হলে জাকির নায়েক মিথ্যা। এখন আপনি নির্ধারণ করুন- কে সত্য ও কে মিথ্যা।


এই কথার জবাব কই?

ক্বোরানএ আমি পারদর্শী কি পারদর্শী নই ,, তার প্রমান দিতে হবে একজন নাস্তিকের কাছে ,,, এতটা দেউলিয়া না ভাবলেই পারতেন .... জনাব সিরাজুল;; আপনে আমাকে কি ভাবলেন না ভাবলেন ;এতে আমার কিছুই যায় আসে না .....


একথা বললে তো- অজ্ঞতার মূখোশ একেবারে খুলে যাবে। তাই আপনি এর জবাব করবেন না, এটা আমার জানা ছিল, তাই আমি এই প্রশ্নটি করেছিলাম।

আপনি যে কোরান বিষয়ে একেবারেই জ্ঞান রাখেন না, তা প্রমাণ করতে একটি প্রশ্ন করি।

সূরা বাকারা= আয়াত দুই। যালিকাল কিতাবু লা রাইবা আরবী যালিকা শব্দের বাংলা অর্থ ঐ। সে সূত্রে এই বাক্যটির অর্থ হবে। ঐ কিতাবে কোনই সন্দেহ নাই। এখন ঐ কিতাব বলতে আপনি কি বুঝেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ইসলাম সিরাজুল

এতে তো মনে হয়, আপনি এখনো ভুমিষ্ট না হওয়া বাচ্চার মত কথা বললেন।


গর্ভন্তরীণ শিশু কথা বলতে পারে না .... এখানে আরেকটা অসংলগ্ন উপমা প্রয়োগ করলেন .... আমার ধারণা আপনার সামাজিক সংলগ্নতা কিঞ্চিত কম : অন্তর্মুখী .... বিধায় আপনার চিন্তা গঠনের ব্যপারটা বেশ অপরিণত ... যাই হোক আপনি বল্লেন ::

সৃষ্ট জীব কারিগরের সাথে তার তার কাজে সহায়তাকারী হাতুড়ি বাটালির তুলনা আপনার কাছে অসামঞ্জস্য হলে- আল্লাহর সৃষ্টি ফেরেস্তার সাথে আল্লাহর তুলনা কেমন অসামঞ্জস্য, তা কি বুঝার মত জ্ঞান আপনার আছে?


আমি আগেই বলেছি ... হাতুড়ি একটা জড় বস্তু , যার মান সম্মান জ্ঞান নাই ... সুতরাং তাকে সম্মান দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নয় .... ফিরিশ্তারা জড় বস্তু নয়, তাদের অনুভুতি, মান সম্মান জ্ঞান আছে ...সুতরাং তাদেরকে ভালোবাসলে, সম্মান দিলে , তারা তার মর্ম উপলব্ধি করতে সক্ষম ।।

প্রচলিত কোরআনে যে সকল আয়াতে আল্লাহ নিজেকে নাহনু বলেছে- বাংলা অনুবাদের সময় অনুবাদকেরা সে সকল স্থানে আমরা না লিখে, আমি লিখলো কেন? কারণ জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদে আমি না লিখে আমরা লিখতেন। আর যেহেতু অনুবাদে লিখেছে আমি, তার মানে এই সময়ে জাকির নায়েক আমরা বলাতে নতুন তত্ব দিচ্ছেন? এখন জাকির নায়েকের কথা সত্য হলে- অনুবাদকেরা মিথ্যা। আর অনুবাদক সত্য হলে জাকির নায়েক মিথ্যা। এখন আপনি নির্ধারণ করুন- কে সত্য ও কে মিথ্যা।




কেউ নতুন তত্ব দিচ্ছে না .... এটা আপনার অপরিণত মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক রাসায়নিক ক্রিয়া কলাপের ফসল .... আল্লাহ পাক আমরা শব্দ ব্যবহার করে ফেললেন ! অতপর বহুবচন হয়ে গেলেন .... আর আরব ভাষাবিদরা যারা বছরের পর বছর আরব ভাষা নিয়াই গবেষণা করে আসছেন ,,, এমনকি ক্বোরান নাজিলের প্রাক্কালের আরব ভাষাবিদরা যারা ক্বোরান এর অনুরূপ তথাকথিত সাহিত্য নির্মানে,, সমাজ সামন্ত বিসর্জন দিয়ে সন্নাসী হয়ে গেছিল ... এই বিরাট ত্রুটি ধরতেই পারলেন না ,, আর আপনারা ক্বোরানের বিরাট বিরাট বাক্য বিভ্রাট আবিষ্কার করে ফেলছেন .... আপনাদের ত নুপেল পাওয়া উচিত জনাব... শান্তিতে ,,এইখানে কি করেন ??


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

গর্ভন্তরীণ শিশু কথা বলতে পারে না .... এখানে আরেকটা অসংলগ্ন উপমা প্রয়োগ করলেন ..


তো আপনার এই উদাহরণটা কেমন অসংলগ্ন তা কি একবার ভেবে দেখেছন? যেমন-

আপনাকে একটা উদাহরণ দেই :: ধরেন আপনের অসাধারণ ক্ষমতা আছে ;; আপনে দুইটা কিশোর পয়দা করলেন শুন্য থেকে ..... অতপর ওদেরকে বললেন, মরুভূমিটার মধ্যে একটা এক কক্ষ বিশিষ্ট বর্গাকার পাথরের ঘর বানাও তো :


আপনি যখন আমাকে নিয়ে উদাহরণ দিবেন, তখন আমার ক্ষমতার উপর নির্ভর করেই উদাহরণ দিবেন। তো- আমার কি ক্ষমতা আছে যে- আমি শুন্য থেকে দুইটা কিশোর পয়দা করতে পারবো? বড় জোর আমি লোহা লক্কড় দিয়ে হাতুড়ি, বাটাল, কাঠ দিয়ে আলমীরা, শোকেইস, নয় তো মাটি দিয়ে মূর্তী গড়তে পারি।

এখন এদের মধ্যে কাকে সঙ্গে নিয়ে আমি আমরা বলবো তাই বলুন? কল্পনায় কিছু সৃষ্টি করে, তাকে আমরা বলতে আমি কেন যাবো?

তার মানে আমি যা গড়তে পারি তাদের কাকে আমার সাথে আমরা বলতে পারি তাই বলুন। যেমন আপনি বলছেন- আল্লাহ যা গড়তে পারে তাকে নিয়েই, মানে ফেরেস্তাকে আমরা বলেছে।

এই সব শিশুতোষ আলাপ বাদ দেন।

কেউ নতুন তত্ব দিচ্ছে না .... এটা আপনার অপরিণত মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক রাসায়নিক ক্রিয়া কলাপের ফসল ..


এবার রীতিমত আপনার এই কথাটি ভন্ডামীর আওতায় পড়ে গেল। কারণ- কোরানের আরবী নাহনু এর যায়গায অনুবাদকেরা লিখলো আমি। আর যাকির নায়েক বললো ওখানে আল্লাহ ফেরেস্তাদের নিয়ে আমরা বলেছে। এখন আমরা কার কথাকে সত্য মনে করবো? অনুবাদকের আমি, না- যাকির নায়েকর আমরা?

একটু বুদ্ধী খাটিয়ে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন।

আর সূরা বাকার দুই নম্বর আয়াতের কি মিমাংসা দিবেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি যখন আমাকে নিয়ে উদাহরণ দিবেন, তখন আমার ক্ষমতার উপর নির্ভর করেই উদাহরণ দিবেন। তো- আমার কি ক্ষমতা আছে যে- আমি শুন্য থেকে দুইটা কিশোর পয়দা করতে পারবো?


হাহাহাহা .....
গুড কোয়েশচেন :: আপনে আমার উদাহরনটা হয়ত খেয়াল করেন নি :: আমি বলেছি ::

আপনাকে একটা উদাহরণ দেই :: ধরেন আপনের অসাধারণ ক্ষমতা আছে ;; আপনে দুইটা কিশোর পয়দা করলেন শুন্য থেকে ..... অতপর ওদেরকে বললেন, মরুভূমিটার মধ্যে একটা এক কক্ষ বিশিষ্ট বর্গাকার পাথরের ঘর বানাও তো :


আপনাকে ধরতে বলেছি :: যেমনটা আমরা কেলকুলাস করার সময় করে থাকি :: "" ধরি tan ^1 = x""

আর সূরা বাকার দুই নম্বর আয়াতের কি মিমাংসা দিবেন?


তার আগে আপনের একটা মিমাংসা করি ::আপনে কি আরব ভাষা গবেষক?

( অবশ্যই আরব সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভাষাবিদ হিসেবে নিয়োজিত থাকলেই কেবল আরব ভাষা গবেষক দ্বাবি করবেন )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনাকে ধরতে বলেছি :: যেমনটা আমরা কেলকুলাস করার সময় করে থাকি :: "" ধরি


তাহলে আপনার সূত্র ধরেই আমি বলি- ধরেন- আমরা যাকে আল্লাহ বলছি তার উপরে, তার থেকেও বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন আরও দশটা কারিগর আছে। তাদেরকে নিয়েই আল্লাহ আমরা বলেছে। এখন আপনি কি বলবেন?

( অবশ্যই আরব সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভাষাবিদ হিসেবে নিয়োজিত থাকলেই কেবল আরব ভাষা গবেষক দ্বাবি করবেন )


তো একজন আরব সরকার কর্তৃক স্বীকৃত ভাষাবীদ, আরবি যালিকা শব্দের বাংলা অর্থ কি বলেছে? দয়া কের সেটাই বলেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে আপনার সূত্র ধরেই আমি বলি- ধরেন- আমরা যাকে আল্লাহ বলছি তার উপরে, তার থেকেও বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন আরও দশটা কারিগর আছে। তাদেরকে নিয়েই আল্লাহ আমরা বলেছে। এখন আপনি কি বলবেন?


হাহাহাহা ....বেশ বিনোদন সঞ্চারক .... সিরাজ ভাই .... আমার মনে হয় আপনার কিঞ্চিত ঘোমানো দরকার .... উল্টা পাল্টা বকছেন ....

তো একজন আরব সরকার কর্তৃক স্বীকৃত ভাষাবীদ, আরবি যালিকা শব্দের বাংলা অর্থ কি বলেছে? দয়া কের সেটাই বলেন।


আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দেন, পরেরটা পরে, প্রশ্ন এড়ায়ে যান কেন? এটাত হিপক্রেটিক আচরণ ! প্রশ্নটা ছিল ::

আপনে কি আরব ভাষা গবেষক?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

হাহাহাহা ....বেশ বিনোদন সঞ্চারক .... সিরাজ ভাই .... আমার মনে হয় আপনার কিঞ্চিত ঘোমানো দরকার .... উল্টা পাল্টা বকছেন ....


কি কারণে আমার ঘুমানোর প্রয়োজন মনে করলেন?

আপনি আমাকে ধরেন বলে- আমার অলৌকিক ক্ষমতা বলে, শুন্য হতে আমার দ্বারা দুইটা কিশোর পয়দা করিয়ে নিতে চাওয়ার পরেও আপনার ঘুমানোর প্রয়োজন মনে করলেন না। আর যেই আমি আল্লাহর থেকেও বেশি ক্ষমতাধর কারিগরকে ধরতে বললাম আর আমার ঘুমের প্রয়োজন মনে করলেন কোন সূত্র ধরে? এটা কি বদ্ধ পাগলের সূত্র ধরে করলেন?

আপনে কি আরব ভাষা গবেষক?


কেন আমি আরব ভাষা গবেষক হতে যাবো। বলতে পারেন কিছুটা আরবী ভাষা জ্ঞান অর্জন করেছি। তবে এই জ্ঞান দিয়ে আরবি বুঝতে খুব একটা সমস্যা হয় না। যেমন ইংরেজ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতী প্রাপ্ত না হয়েও, ইংরাজী হতে বাংলা অনুবাদ করতে আমাদের খুব অসুবিধা হয় না। আবার তাতে আমি কে আমরা, ও আমরাকে আমি বলার মত ভুল, এবং এই কে ঐ, ও ঐ কে এই এর মত ভুল হয় না।

তো- আপনি কি আরব সরকার কর্তৃক স্বীকৃত ভাষাবীদ? দয়া করে জানাবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝলাম .... আপনারা হালকা হালকা আরবি জেনেই পবিত্র ক্বোরান এর আয়াতসমূহের বিরাট বিরাট বাক্য বিভ্রাট আবিষ্কার করে ফেলছেন, অসামান্য প্রতিভাধর মানতেই হবে :: তা আরব ভাষাবিদরা যারা বছরের পর বছর ধরে আরব ভাষা, ব্যকরণ, বাক্য বিন্যাস এসব নিয়ে গবেষণা করে আসছেন তারা কেন দ্বাবি করছেন না যে আল্লাহ পাক আমরা শব্দ প্রয়োগ করে , আয়াতসমূহকে বিরাট ত্রুটিপূর্ণ করে তুলেছেন ? জনাব সিরাজুল ইসলাম ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

তারা তো আর আমাদের মত বাংলায় বলে না। তারা আরবীতে ঠিকই নাহনু বলছে যা বাংলায় আমরাই বলছে।

দয়া করে বাংলাদেশে কোরান আরবী হতে ইংরাজী অনুবাদের সময় এই অনুবাদকেরাই লিখেছে উই। আর আরবী হতে বাংলা অনুবাদে লিখেছে আমি। তা হলে এটার কি মিমাংসা দিবেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে মিমাংসার কিছু নাই ... আমরা ব্যবহারেও সমস্যা নাই ... আমি ব্যবহারেও সমস্যা নাই ... কারণ উভই সর্বনাম দিয়েই আল্লাহপাক কেই নির্দেশ করা হচ্ছে ....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আমরা ব্যবহারেও সমস্যা নাই ... আমি ব্যবহারেও সমস্যা নাই ..


যার কাছে আরবী নাহনু অর্থ আমরা ও আমি ব্যবহারে কোনই সমস্য অনুভূত না হয়, তাকেই জ্ঞান সম্পন্নরা বুদ্ধী প্রতীবন্ধী বলে। আর প্রথমে আমি আপনাকে তাই বলেছিলাম।

কারণ উভই সর্বনাম দিয়েই আল্লাহপাক কেই নির্দেশ করা হচ্ছে ....


এখানে আমার কোন দ্বীমত নাই। দ্বীমত হলো- এই সর্বনামটি এক আল্লাহকে নয়, একাধিক আল্লাহকে বুঝিয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে আমার কোন দ্বীমত নাই। দ্বীমত হলো- এই সর্বনামটি এক আল্লাহকে নয়, একাধিক আল্লাহকে বুঝিয়েছে।


নিশ্চিত হলাম, আরবি ভাষা বোঝার ন্যুনতম জ্ঞানই আপনার নাই .... যার দরুন এত উলট পালট কথা বলে জাহির করার প্রয়াস দেখালেন .... যাই হোক, একটা মেধাশুন্য ব্যক্তির সাথে আজাইরা পেচাল পারলাম। আল্লাহ পাক সবাইকে উত্তম বুঝ দান করুন ।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

যাই হোক, একটা মেধাশুন্য ব্যক্তির সাথে আজাইরা পেচাল পারলাম। আল্লাহ পাক সবাইকে উত্তম বুঝ দান করুন ।।


আবার একটা নির্বুদ্ধীতা সম্পন্ন কথা বললেন। এতক্ষণ আপনি কোন মেধা দিয়ে আলোচনা করেন নাই। আপনি আলোচনা করেছেন অন্ধ বিশ্বাস থেকে। তো- অন্ধ বিশ্বাস দিয়ে আপনি আমার মেধা মাপবেন কিভাবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেহা, আপনার একটা অন্ধ বিশ্বাস আছিল, আল্লাহ পাক বহুবচন, ওই অন্ধ বিশ্বাস নিয়াই পেচাল পারছি রাইট ....

আপনি আমার মেধা মাপবেন কিভাবে?


মাপার চেষ্টাও করিনাই .... আপনেই নানাভাবে মেধাশুন্যতার পরিচয় দিছেন .... সবচেয়ে হাস্যকর যে কাজটা করছেন, যেখানে আপনে আরবি ভাষার আ ও জানেন না , সেই আপনেই কিনা আরবি ভাষার বিচ্যুতি আবিষ্কার করছেন .... আর হাসায়েন না ভাই .... যান ঘোমান গে , মাথাডা ঠিক করেন , কালকে আবার ব্লগ করবেন নে ।।

আপনের উপর আল্লাহ পাকের শান্তি বর্ষিত হোক ।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এখন যুগ হচ্ছে ইন্টারনেটের। এই রকম অজ্ঞ মার্কা কথা কেউই গ্রহন করবে না। মূলতঃ আরবী নাহনু শব্দের বাংলা অর্থ আমরা। এটা দ্বি-বচন ও বহু বচন। কোন অবস্থাতেই এক বচন নয়। আর এই কথা বুঝার পরও যদি আমি আরবী জ্ঞান শুন্য হই। আর নাহনু মানে আমি বুঝাতে যদি আপনি জ্ঞান পূর্ণ হোন। তাহলে আমি অজ্ঞানী, এবং আপনি জ্ঞানী।

তবে জেনে রাখুন- আপনাদের মত জ্ঞানীদের জন্যই আজ ইসলামের এই দশা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না ভাই আপনেরে দিয়ে হবে না .... আপনে বোঝবেন না , বেটার ঘুমান গিয়ে,সকালে উঠে ব্লগিং করবেন নে ।
শুভরাত্রি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলেন দেখি "পাগলে কিনা বলে ,ছাগলে কিনা খায়" .....
এখানে পাগল বলতে কাকে নির্দেশ করা হয়েছে ?

@মোক্তার ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মাসুদ রানা ভাই,
এই সেরু পাগলাটার সাথে এ নিয়ে এখনও আপনিও পাগলামী করছেন?
___এই লোকটার টাওয়ারে এবং সিগন্যালে
উভয় জায়গায় সমস্যা সেটা বোঝেন নি এখনও৷

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
শরিফুল ইসলাম

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরিফুল ইসলাম সাহেব-

তা কি দেখে বুঝলেন যে- আমার টাওয়ারে এবং সিগন্যালে সমস্যা?

যখন মিথ্যার মূখোশ খুলে যায়, তখন এই সকল উক্তির মাধ্যমে, পিঠটান দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। আর আপনি তাই করা শুরু করলেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জনাব রানা সাব,
আজাইরা প্যাচাল না পাইরা , পাই পাই জবাব দিন, যে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল্লাহ পাক আমরা শব্দ ব্যবহার করে ফেললেন ! অতপর বহুবচন হয়ে গেলেন .... আর আরব ভাষাবিদরা যারা বছরের পর বছর আরব ভাষা নিয়াই গবেষণা করে আসছেন ,,, এমনকি ক্বোরান নাজিলের প্রাক্কালের আরব ভাষাবিদরা যারা ক্বোরান এর অনুরূপ তথাকথিত সাহিত্য নির্মানে,, সমাজ সামন্ত বিসর্জন দিয়ে সন্নাসী হয়ে গেছিলেন ... এই বিরাট ত্রুটি ধরতেই পারলেন না ,, আর আপনারা ক্বোরানের বিরাট বিরাট বাক্য বিভ্রাট আবিষ্কার করে ফেলছেন .... আপনাদের ত নুপেল পাওয়া উচিত জনাব... শান্তিতে ,,এইখানে কি করেন ??


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

আপনারা যে বুদ্ধী প্রতীবন্ধী তা কি বুঝতে পারেন?

ামি তো এখনো কোথাও বলি নি যে- আরবী তে ভুল আছে। আমি বলেছি ভুল আছে আরবী হতে বাংলা অনুবাদ করতে। তো- আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে- কোরানের আরবি হতে বাংলা অনুবাদ করেছে আরব সরকার কর্তৃক আরবী ভাষাবীদরা?

রানা সাহেব- দয়া করে মাথা থেকে অন্ধ বিশ্বাসর বোঝাটা নামিয়ে, একটু জ্ঞান সহকারে বুঝার চেষ্টা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বলেছি ভুল আছে আরবী হতে বাংলা অনুবাদ করতে।


এটা ত আগে বলেন নি , সিরাজ সাহেব ..... যাই হোক ,আপনার বক্তব্য ব্যপক অস্পষ্ট, এখন এটা বলছেন তো পরে আরেকটা .....অনেকটা প্রলাপের মত শোনাচ্ছে :: স্পষ্ট করে বলুন তো ? আপনে কি ক্বোরান এর ভুল ধরতে চাচ্ছেন , নাকি বলতে চাচ্ছেন , যে আল্লাহ পাক ভুল বসত আমরা বলে ফেলেছেন ; নাকি আল্লাহ পাক দ্বাবি করছেন অনেক গুলো আল্লাহ আছেন ? আপনে কি দ্বাবি করছেন ? ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

এটা ত আগে বলেন নি , সিরাজ সাহেব যাই হোক ,আপনার বক্তব্য ব্যপক অস্পষ্ট, এখন এটা বলছেন তো পরে আরেকটা .....অনেকটা প্রলাপের মত শোনাচ্ছে :: স্পষ্ট করে বলুন তো ?


কে বললো এটা আমি আগে বলি নি? আমি প্রথম থেকেই বলছি যে, কোরান আরবী হতে বাংলা অনুবাদে ভুল করা হয়েছে। কারণ- আরবীতে আছে নাহনু যার বাংলা অর্থ হবে আমরা, অথচ অনুবাদকেরা লিখেছে আমি। তার মানে অনুবাদকেরা আরবী হতে বাংলা অনুবাদে ভুল করেছে। আমার কথায় কোনই অস্পষ্টতা নাই। আমি যা বলেছি ও বলছি- তা পরিস্কার করেই বলছি। আর আমার কথা প্রলাপের মত হচ্ছে না। বরং আপনি বুদ্ধীহীনতার কারণে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

আপনে কি ক্বোরান এর ভুল ধরতে চাচ্ছেন , নাকি বলতে চাচ্ছেন ,


না! আমি কখনোই আরবী কোরানের ভুল ধরছি না। আমি ভুল ধরছি বাংলায় অনুবাদকারী মোল্লাদের।

নাকি বলতে চাচ্ছেন , যে আল্লাহ পাক ভুল বসত আমরা বলে ফেলেছেন ;


তা বলতে যাবো কেন? আমি বলছি- আল্লাহ বুঝে শুনেই নিজেকে আমরা বলেছেন।

নাকি আল্লাহ পাক দ্বাবি করছেন অনেক গুলো আল্লাহ আছেন ?


জ্বী! আল্লাহ দাবী করছেন যে- একাধিক আল্লাহ আছে।

আপনে কি দ্বাবি করছেন ?


আমার দাবি দিয়ে কারো কোন যায় আসবে না। তাই আমার কোন দাবি নাই। আমি দাবি করছি- আরবি হতে বাংলা অনুবাদ যেন সঠিক করা হয়। যেন আরবী নাহনু এর যায়গায় আমি না লেখা হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি দাবি করছি- আরবি হতে বাংলা অনুবাদ যেন সঠিক করা হয়। যেন আরবী নাহনু এর যায়গায় আমি না লেখা হয়।


তা আমার কাছে এহেন দবির ফায়দা কি, আমার জানামতে আমি ত অনুবাদক নই জনাব ...

জ্বী! আল্লাহ দাবী করছেন যে- একাধিক আল্লাহ আছে।


নিশ্চিত হলাম ... আরবি বোঝেনই না, আনাড়ি, অপটু .... এক গ্লাস পানি খেয়ে অতপর একটা ঘুমের টেবলেট খেয়ে সুজা হয়ে ঘুমায় পরেন, পারলে দু একদিনের মধ্যে একজন সায়ক্রিয়াটিক দেখান।

শুভেচ্ছা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-


তা আমার কাছে এহেন দবির ফায়দা কি, আমার জানামতে আমি ত অনুবাদক নই জনাব .
..

আপনিই কিন্তু ঐ মন্তব্যে বলেছিলেন যে- তাহলে আপনি দাবি করছেন।

নিশ্চিত হলাম ... আরবি বোঝেনই না, আনাড়ি, অপটু ....


রানা সাহেব- আমার অনুবাদকৃত কোরান কিছুদিন পরেই নেটে ছাড়বো। আশা করছি সেখানে সঠিক অনুবাদ তুলে ধরবো। প্রভুর ইচ্ছায় সে পর্যন্ত যেন আমরা জীবিত থাকতে পারি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল্লাহ ইছলামকে পাঠিয়েছেন তার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করার জন্য,আর সেই আল্লাহ যখন নিজেই নিজেকে বহুবচন "আমরা" রুপে একেরপর এক নিজেকে প্রকাশ করতে থাকেন, তখন তো একটু খটকা বাধবেই।

তাহলে বলে দিন আরবীদের একবচন ও বহুবচন একই। তাহলেতো সব সমস্যা দূর হয়ে যায়।

আমি কিন্তু সমাধানের পরামর্শ দিয়েছি। এবার চিন্তা ভাবনা করে দেখুন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল্লাহ ইছলামকে পাঠিয়েছেন তার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করার জন্য,আর সেই আল্লাহ যখন নিজেই নিজেকে বহুবচন "আমরা" রুপে একেরপর এক নিজেকে প্রকাশ করতে থাকেন, তখন তো একটু খটকা বাধবেই।


হাহাহাহা .....
যাদের খটকা বাধার তাদের বাধবেই ..... বিশেষ করে অগভীর জ্ঞান সম্পন্নদের কাছে তো ব্যপক অস্পষ্ট লাগবে .... যারা অন্তর্নিহিত অর্থকে বোঝার ক্ষমতা রাখে না , কেবল শাব্দিক অর্থকেই প্রাধান্য দেয় .... আর যাই হোক ইসলাম তাদের জন্য নয় ।।

@আঃ হাকিম চাকলাদার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাহাহা,

.

যারা অন্তর্নিহিত অর্থকে বোঝার ক্ষমতা রাখে না , কেবল শাব্দিক অর্থকেই প্রাধান্য দেয়। ..


যখন শাব্দিক অর্থে আটকে পড়েন,তখন আপনার নিজের মনগড়া যে কোন একটা অন্তর্নিহিত অর্থ সৃষ্টি করে দিলেই কি পার হয়ে যাওয়া যায়?
এই ইন্টারনেট যুগে কী আর ঐ খেলা চলে? এখন একটা ষষ্ট শ্রেনীর ছাত্রও তার পড়ার টেবিলে কম্পিউটারে এক মুহুর্তে দেখে ফেলতে পারে, কোরানের যে কোন আয়াতের অর্থকে।
অন্তর্নিহিতশব্দ বসিয়ে দিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার কোন উপায় নাই।

ভূল বসাতে গেলেই কখনো এক রকম হবেনা। এক একজন এক এক রকম বসাবে।

আর ঠিক তাইই ঘটেছে।

কেহ নাহনু এর অর্থ আমি বসিয়েছে, আবার কেহ আমরা বসিয়েছে।

আপনাদের কাছে ১ জন আর ১০০জন ব্যক্তি একই বস্তু।তাইতো?

কোরান কে লয়ে এভাবে খেলা করতে পারেন ও বটে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যখন শাব্দিক অর্থে আটকে পড়েন,তখন আপনার নিজের মনগড়া যে কোন একটা অন্তর্নিহিত অর্থ সৃষ্টি করে দিলেই পার হয়ে যাওয়া যায়।
এই ইন্টারনেট যুগে কী আর ঐ খেলা চলে? এখন একটা ষষ্ট শ্রেনীর ছাত্রও তার পড়ার টেবিলে কম্পিউটারে এক মুহুর্তে দেখে ফেলতে পারে, কোরানের যে কোন আয়াতের অর্থকে।


পাগল টাগল হইয়া গেলেন নাকি, শাব্দিক অর্থে কেউ আটকা পরে নাই .... কতিপয় অন্ত:সারশূন্য বকরী ছাড়া .... এরম দুএকটা চান্দু বাদ না পড়লে কেমনে ...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

মূর্খের সব চেয়ে বড় হাতিয়ার অল্লীল বাক্য। আর তা প্রয়োগ করে নিজেকে একেবারই মূর্খতার পরিচয দিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। দয়া করে একটু সংযত হয়ে কথা বলুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যান,ঘুমানগে।
আর একদিন আপনাকে আটকানো হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মূর্খের সব চেয়ে বড় হাতিয়ার অল্লীল বাক্য। আর তা প্রয়োগ করে নিজেকে একেবারই মূর্খতার পরিচয দিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। দয়া করে একটু সংযত হয়ে কথা বলুন।


অশ্লীল বাক্য ! এইডা আবার কখন প্রয়োগ করলাম ..... আবার নিজেকে মুর্খ পরচয় দেয়ার চেষ্টাই বা কখন করলাম .... সিরাজ ভাই , আপনে পারেনও .... আপনার এমনে ঘুম আসবে না, একটা ঘুমের ওষুধ খাইয়া ঘুমান গে, মাথাডা ঠিক করেন .... এক্ষেত্রে চাকলাদার ভাইয়ের হেল্প নিতে পারেন .....তিনি আবার ঘুম স্পেশালিস্ট কিনা .... অলরেডি একটা অফার দিয়া বসছে দেখেন ।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

কতিপয় অন্ত:সারশূন্য বকরী ছাড়া


বোল্ড কৃত শব্দটি কেমন শ্লীলতাপূর্ণ দয়া করে বুঝাবেন কি?

তবে আপনার মনে হয় একটু বেশিই ঘুমের দরকার। তাই বার বার আমাদের ঘুমাতে যাওয়ার কথা বলছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বোল্ড কৃত শব্দটি কেমন শ্লীলতাপূর্ণ দয়া করে বুঝাবেন কি?


একটা নিরীহ প্রাণীর নামের মধ্যে কি অশ্লীলতার কি আছে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

একটা নিরীহ প্রাণীর নামের মধ্যে কি অশ্লীলতার কি আছে ?

তাহলে আজ থেকে নিজেকে ঐ নীরিহ প্রাণীর বংশধর বলে ঘোষনা করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সিরাজুল ইসলাম ভাই ... আপনার সাথে আমার কোন তিক্ততা তৈরী হোক আমি তা চাই না ....আপনাকে যথেষ্ট পছন্দ করি :: তাই বলছি, আজকের জন্য শুভরাত্রি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসুদ রানা সাহেব-

ধন্যবাদ আপনাকে। শুভরাত্রি।

সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সেরু পাগলা,
আপনের উক্তি:-
" রানা সাহেব- আমার অনুবাদকৃত কোরান কিছুদিন পরেই নেটে ছাড়বো"
____ ছাড়ুন,ছাড়ুন, তাড়াতাড়ি ছাড়ুন,আমরাও আপনের কুরআন এর অনুবাদ পড়ার জন্য এবং অনলাইনীয় ব্লগ ধোলাই দেওয়ার জন্য বসে আছি৷ আপনি শুধু ছাড়ুন আপনার অনুবাদ কৃত নিউ ডাবিং কোরানটা৷
প্রভু যেন গণধোলাই দেওয়া পর্যন্ত আমারে বাঁচাই রাখবা, আজ এদের জন্য তোমার কোরানের বাণীর জীবন ওষ্ঠাগত, চলে যাচ্ছে আবার ফিরে আসছে৷
____কুরানের ভিতর তুমি চিৎকার করে বলছো-
আমি এক,আমি এক,আমি এক,আমি কারোও মুখাপেক্ষী না৷ (ইখলাস-১-২)
আমি একজন না হয়ে একাধিক হলে নভোমন্ডলে ভূমন্ডলে যা কিছু আছে ধ্বংস হয়ে যেতো৷
এভাবে চিৎকার করে বার বার তোমার একত্ববাদের ঘোষণা দিচ্ছো, তবুও এ মাদারী বার বার বলছে তুমি নাকি একাধিক ৷
তুমি এর এহেন জোচ্চরির কারণে এর মাথায় জৈষ্ঠ্যের আধা পাকা আধা কাচা কাঁঠাল ছিঁড়ে মারো৷ তুমি মারতে না চাইলে আমাদের দিয়ে মারার তৌফিক দাও৷ (আমীন)

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
শরিফুল ইসলাম

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরিফুল ইসলাম সাহেব-

এই সকল বুদ্ধীহীন কথা বলা বন্ধ করুন। যেখানে প্রচলিত কোরানে বলেছে নাহনু বা আমরা, সেখানে আপনারা আমি বসিয়ে দিয়ে প্রচলিত কোরানের বিকৃতি ঘটিয়েছেন। আর তাতে করেছেন ইসলামের সমুহ ক্ষতি। আমি ইসলাম রক্ষার্থে কোরানের সঠিক অনুবাদ উপস্থাপন করবো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নতুন ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য

glqxz9283 sfy39587p07