Skip to content

তাহরীর নয়, শাহবাগ…

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা শহরকে বিচ্ছিন্ন করেছে যে জায়গাটা, সেটা এখন চৌরাস্তা। নবাবী আমলের বাগিচার নামে নাম। শাহবাগ। নিমতলী থেকে কলাভবন যখন এখনকার জায়গায় স্থানান্তর হলো তখন থেকেই যে কোনো আন্দোলনের ব্রেকিং পয়েন্ট। এখানেই পুলিশি বেরিকেড পেরিয়েই ১৪৪ ধারা ভাঙা। পঞ্চাশের দশক থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত শাহবাগ একটি রণাঙ্গনের নাম। এবং আশির দশকের শেষ ভাগে একটা দীর্ঘ সময় এখানে মিশুক নামে একটা হরিণছানার ভাস্কর্য ছিলো। সেখানে বিপ্লবীদের কেউ একজন লিখে দিয়েছিলো ‘গাধা এরশাদ’। সাদা খড়ির সেই চিকাটিও ছিলো পথযাত্রীদের ব্যাপক বিনোদন।



আজ সকালে সেই শাহবাগে গিয়ে নিজেকে সেই গাধাটাই মনে হচ্ছিলো। কি হচ্ছে এখানে! হাজার খানেক বিভ্রান্ত মানুষ যেন বসে আছে। কিন্তু আমি তো যুদ্ধক্ষেত্রে এসেছি, যোদ্ধাদের দেখতে এসেছি। একদল গান গাচ্ছে তো আরেকদল শ্লোগান ধরছে। এক কোণে টিভিতে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে ‘আঁতাত তত্ব’। দেখলাম স্বৈরাচার বিরোধী এবং নির্মুল কমিটির আন্দোলনের সময়কার কিছু চেনামুখ। এদের আমরা গুটিবাজ বলতাম। এরা স্যাবোটাজার। উল্টো পাল্টা মিথ্যা বলে বিভ্রান্তি ছড়ায়। প্রচুর তরুণ সেখানে শহরের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছে। এদের কোনো ব্যানার নেই। কোনো সংগঠনের হয়ে তারা আসেনি। এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঙ্গী করে। যুদ্ধ করতে।



ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের একটা বড় অংশ রয়েছে সেখানে। ঢোকার পর তাদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে আমাকেও। ডক্টর আইজু নাকি ফেসবুকে এই আন্দোলন নিয়ে সবাইকে গালিগালাজ করে যাচ্ছে আর আমি নাকি সেগুলো লাইক এবং শেয়ার দিয়ে যাচ্ছি! প্রতিবিপ্লবী তাহলে ঘরের মধ্যেও!! আমি আর আইজু ভিন্ন ব্যক্তিত্ব। দুজনের কেউ কারো খাই পড়ি না, আমরা দল বেধে লড়ি না এখন। হিজ হুজ। কেউ তো কারো দায় নিতে পারি না। সবারই যার যার এজেন্ডা আছে। প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত এবং দৃষ্টিভঙ্গী আছে। সেটা সবসময় একরাস্তায় চলবে এমন নয়।



মোটের উপর একটা পিসড অফ সিচুয়েশন। যে যার মতো শ্লোগান দিয়ে যাচ্ছে। একদল গান গাইছে, ছবি আকছে। ইমরান সরকারসহ কয়েকজন এ মাথা থেকে ও মাথা দৌড়াচ্ছে ঘেমো শরীরে ক্লান্তিহীন। গলা দিয়ে স্বর বের হচ্ছে না, শ্লোগান এবং রাতজাগার ফল।পকেটে ভাড়া ছিলো না। তাই জ্বরে ভোগা রাসেলকে নিয়ে গিয়েছিলাম। ইচ্ছে ছিলো ঢু মেরে চলে আসা। কিছু বলার জন্য ইমরানের অনুরোধ প্রত্যাখান করেছিলাম সেজন্য। কিন্তু পরিস্থিতি দেখে মনে হলো কিছু না বললেই নয়।কেউ কাউকে জমিন ছাড়বে না, কেউ যেন ফ্লোর নিতে না পারে, এবং মিথ্যে গুজব তো আছেই।

মাইক্রোফোন নিয়ে যা বলেছি তার থেকে যতটুকু মনে পড়ছে তুলে ধরছি: আমি শুধু আমার সামনের জটলাটার উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য আসিনি। আমি চাইছি এখানে উপস্থিত সবাই আমার কথা একটু শুনুন। আপনারা আগে সিদ্ধান্ত নিন আপনারা কি যুদ্ধে এসেছেন নাকি রাজনীতি করতে। যদি যুদ্ধ করতে এসে থাকেন তাহলে এভাবে হবে না। এভাবে হয় না। একাট্টা হতে হবে। একটু আগে একজন মুক্তিযোদ্ধা আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন এটা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ বলে, সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে হলে আমাদের এক সঙ্গেই লড়তে হবে।


আমাদের নিশ্চিত করতে হবে আমরা কি চাই। আমাদের লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীর বিচার যেন ঠিক ভাবে আমরা শেষ করতে পারি। এবং প্রতিটি যুদ্ধপরাধীর যেন সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হয়। কাদের মোল্লার যে রায় হয়েছে সেটা আমরা মানি না,আমরা চাই ফাঁসি। আর সেই দাবিটা আদায়ের যৌক্তিক সুযোগ রয়েছে। কেরানিগঞ্জের যে গণহত্যার অভিযোগ থেকে কাদের মোল্লা খালাস পেয়েছে সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল। আর এই আপিল করার জন্য সরকারি প্রসিকিউশনকে বাধ্য করতে হবে এই আন্দোলনের মাধ্যমে। ৩৪৪ জন মানুষ মারা গেছে। আর কাদের মোল্লা মানুষ জবাই করতো। এই রকম নির্মম খুনীর শাস্তি স্রেফ যাবজ্জীবন হতে পারে না। …



মোটামুটি এই ছিলো বক্তব্য। এরপর কিছু ছোটভাই এসে জিজ্ঞেস করলো এই আন্দোলনের রাজনীতিকরণ তারা কিভাবে ঠেকাবে। মন্ত্রীরা বক্তব্য দিচ্ছে, নেতারা বক্তব্য দিচ্ছে, মনে হচ্ছে এই আন্দোলন আওয়ামী লীগ চালাচ্ছে। বললাম, তোমরা তো যুদ্ধ করতে এসেছো। আওয়ামী লীগ কি তোমাদের বিপক্ষে? ওরা বললো- না। বললাম, যাদের তুমি ভোট দিয়েছো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, তারা যদি এই আন্দোলনে তোমার পাশে থাকে তাহলে তোমার তো সমস্যা হওয়ার কথা না। বরং এটা তোমার জন্য শক্তিশালী অস্ত্র। তোমার কাজ দাবী আদায় করা, এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ যদি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পারে লুটুক। তোমার লক্ষ্য কি সেটা প্রতিহত করা নাকি কাদের মোল্লার ফাঁসি।

আপাতত রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে শাহবাগের আন্দোলনকারীদের একজোট হওয়ার বিকল্প নেই কোনো। সব আন্দোলনেই গুটিবাজ থাকে, প্রতিবিপ্লবী থাকে, তাদের কাজ আন্দোলনের পিঠে ছুরি মারা, সংশয় ঢোকানো। বিভ্রান্তি ছড়ানো। আর এদের কারণেই জামাতে ইসলামী একটা হাস্যকর বিবৃতি দিতে পেরেছে যে ‘দেশবাসী বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে।’



বন্ধুরা, দাবি না আদায় করে ঘরে ফিরবো না আমরা। এই লড়াই সরকারের বিরুদ্ধে নয়, ট্রাইবুনালের বিরুদ্ধে নয়। বরং ট্রাইবুনাল আমাকে পুনর্বিবেচনার যে সুযোগটা দিয়েছে সেটা কাজে লাগানোর। এ লড়াই আমাদের শেকড়ের। আমাদের ঐতিহ্যের। আমাদের ইতিহাসের। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায় এটা। থামলে চলবে না, মাঠে থাকতে হবে শেষ পর্যন্ত, যাতে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অপশক্তি রাস্তায় নামতে না পারে। সরকারকে বলতে হবে আমরা পাশে আছি। ট্রাইবুনালকেও। আর সেটা করতে হবে মাথায় শাহবাগ রেখে, তাহরীর নয়। শাহবাগের ঐতিহ্য বিশ্বের কোনো আন্দোলনের চেয়ে এতটুকু কম নয়। যুদ্ধটা আমাদের, করতে হবে আমাদেরই, একসঙ্গে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আন্দোলনকে প্রত্যাখান করলাম- বিচার আদালতে হবে রাস্তায় নয়- যে ট্রাইবুনাল বানিয়েছি তার দায় -আমাদের সোজা হিসাব- আর আপনি সংহতির যদি জানিয়ে থাকেন তাকেও প্রত্যাখান করলাম- আর প্রত্যাখানের দায় আমার কাছে!

বিচার আদালতে হবে- বিচারে আমার আস্হা আছে-আইনের শাসনে আমার আস্হা আছে-

ট্রাইবুনালকে প্রহসনের বিচার বলে শাহবাগে মাঠা ফেলে সেটাক পলিটিকাল সার্কাস বানাতেও আপত্তি আছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তর সাব, আন্নের পরামর্শ শুনতে মঞ্ছায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর এদের কারণেই জামাতে ইসলামী একটা হাস্যকর বিবৃতি দিতে পেরেছে যে ‘দেশবাসী বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে।’

একটু আগে টিভিতে এক শিবিরকর্মীকে ঠিক এইটা বইলাই শ্লোগান দিতে দেখলাম।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রচুর তরুণ সেখানে শহরের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছে। এদের কোনো ব্যানার নেই। কোনো সংগঠনের হয়ে তারা আসেনি। এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঙ্গী করে। যুদ্ধ করতে।


এইটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে।

আমি খুব ইস করছি শাহবাগকে Sad

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৭১ এ যুদ্ধ দেখিনি তবে দেশের মধ্যে বড় ধরনের কোন ঝামেলা শুরু হইলে ঠিকই দেশে চলে আসব ৭১ এর সেই প্রতিশোধ নিতে পারব
কাদের মোল্লা সহ বাকী সকল রাজাকারের ফাঁসি চাই
জয় বাংলা

বাংলা মায়ের দামাল ছেলে __ করিনা কভু ভয় __ জয় বাংলা বলে এগিয়ে চলি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক বিন্দুও ছাড় নাই, তবে খেয়াল কইরা

....................................................................................................
আমি ফাজিল শ্রেষ্ঠ মহা ফাজিল, খুব খেয়ালে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ভাইয়ের কথার সাথে ১০০% সহমত।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



রাজনৈতিক ব্যনারে যারা গেছে তারা বিভ্রান্ত।কিন্তু যে তরুন প্রজন্মের গায়ে রাজনৈতিক সিল নেই, তারা বিভ্রান্ত নয়।তারা খুব ভাল করেই জানে কেন তারা শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহরীর ছিলো সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা বাতিল এবং বেসামরিক সরকারের হাতে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য লড়াই।

অবাক করার বিষয় অনেকেই এটাকে তাহরীর স্কয়ারের মত শাহবাগ স্কয়ার নাম দিচ্ছে। গাজী টিভিতে প্রতিবেদন দেখলাম যার মূল বক্তব্য ছিলো শাহবাগ স্কয়ার। সামহোয়্যার সহ অনেক ব্লগ পোস্ট স্টিকি করে রেখেছে সেখানেও //চল চল শাহবাগ স্কয়ার//

প্রহসনের রায়, বিচার মানি না, বিচারপতির বিচার, ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দাও, সরকার জামায়াতের আঁতাত ... এসব শব্দ এবং উক্তির ব্যবহার দেখছি। আর এসব দেখে মনে হলো,

নিয়ন্ত্রণ কি আসলেই যারা শুরু করেছিলেন তাদের হাতে রয়েছে? নাকি আমরা যারা সংশয়ে ছিলাম যে ইনফিলট্রেড হচ্ছে এবং স্যাবোটাজ হতে পারে সেদিকে যাচ্ছে?

চেইন রিয়েকশন তৈরি করার চেয়ে বড় বিষয় হলো এটা নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে বিপর্যয় অনিবার্য। আর এর ফল বহন করতে হয় দীর্ঘ সময় ধরে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সোজা অংক টা বাদ দিয়ে এত পেঁচানো অংক করার মানে হয়না। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আন্দোলনের আরো দাবী হওয়া উচিৎ রাজাকারদের রাজনৈতিক সকলপ্রকার কর্মকান্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা দাবী। এ দাবী বাস্তবায়নে নিশ্চয়ই কোন আদালত-ট্রাইবুনাল লাগে না। এ দাবী এখন বাঙ্গালীর প্রানের দাবী। এ দাবীতেও সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আপনার সকল ইস্যুতে আমি সহমত অমি ভাই।

----------------------------------------------------
চিহ্নিত ও অপরাধ প্রমানীত যু্দ্ধাপোরাধীর বিচারের রায় হতে পারে একমাত্র ফাঁসী! আর কোন শাস্তি কোন যুক্তিতেই মেনে নেয়া যায় না........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দির্ঘ্যদিন পরে বাঙ্গালী ১মত হতে পেরেছে দেখে ভাল লাগছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আন্দোলনের সাথে আছি। তারপরও সবাইকে বলছি এখান থেকে সুযোগ খুজতে সচেষ্ট আছে জামাত-শিবিররা।

ওরা যাতে সুযোগ না পায়।

EtO


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাবতেছি মানুষ ১৯৭১ এর মত একজোট থাকবে, ভুল করবেনা!

---------------------------------------------------------------------------------
'মুক্তিযোদ্ধা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, দেশ ও জনগণের অতন্দ্রপ্রহরী ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসলেম উদ্দিন...।'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে জাতিকে কলংক মুক্ত করুন। কসাই কাদের সহ সকল মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই,ফাঁসি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ট্রাইবুনালের রায়ে ফাঁসি না হওয়ায় আমি হতাশ। কিন্তু রায়ের পর নানা ধরণের বিভ্রান্তিমূলক কথা-বার্তায় আরো হতাশ।

-------------------------------------------------------------------
হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যেও সৌরভময় ধরণীর কথা বলবই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কে লাভবান হবে, হবে না সেটা আমাদের বিবেচনা করলে হবে না, আমাদের বুঝতে হবে আমাদের লক্ষ্য একটাই -'রাজাকারদের ফাসি চাই' ।

৭১ এ হারিনি, এবারও হারবো না ইনশাল্লাহ।

আমি অফিস শেষ করে শাহাবাগে যাচ্ছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই রায়ে আমরা অত্যন্ত হতাশ হয়েছি এতে কোন সন্দেহ নাই। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আমাদের ক্ষুদ্ধতা প্রকাশ করছি। লক্ষ করার বিষয় হলো আমাদের এই ক্ষুদ্ধতার ফায়দা নিতে চাচ্ছে বিএনপি, নিতে চাচ্ছে জামাতও। তাই খুব সাবধান। আপনার বক্তব্যের প্রতি পূর্ন সমর্থন।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

।।।।।।

..::অনিরুদ্ধ চৌধুরী::..


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আন্দোলন কারা করতেছে , কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় , গুরুত্বপূর্ণ হইল কী বিষয়ে হচ্ছে , একটাই দাবী ফাঁসি চাই , এ জায়গায় আপোষ নাই , পিয়াল ভাইকে ধন্যবাদ আন্দোলনে একাত্ম হওয়ার জন্য এবং আন্দোলন-প্রতিবাদ যাতে বিপথে পরিচালিত না হয় তাও খেয়াল রাখা আপনাদের দায়িত্ব

...............................................................................................
যার যার ধর্ম সেই সে করে , তোমার বলা অকারণ
সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহবাগের আন্দোলনে রায় পরিবর্তন কিংবা ট্রাইব্যুনাল বাতিল কোনটাই হবেনা। এটার পজিটিভ দিক হল জনতার জেগে উঠা।

শুক্রবারের পর বোঝা যাবে কি হয়। হতে পারে শুক্রবারের পর জনতা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। কিংবা যদি নিষ্ক্রিয়ের বদলে নতুন উদ্যোগে জেগে উঠতে পারে সেটা হবে টার্নিং পয়েন্ট। তখন আমরা ভিন্ন কিছু পেতে পারি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা একটা পজিটিভ সাইন

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গনজাগরনকে তখনি সমর্থন দিব, যদি তারা আশ্বাস দেয় যে এই গনজাগরন পজিটিভ দিকেই ধাবিত হবে। যেমন এখান থেকেই ৬ দফা দাবি উঠতে পারে ১/ সকল ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ২/ শুধু কাদের মোল্লা নয়, সকল রাজাকারের ফাসির দাবি ৩/ দ্রুততম সময়ে রায় কার্যকর করা ৪/ রাঘব বোয়ালদের বিচারের পর, পাতি রাজাকারদের বিচার আইনের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা, তা সে যে দলেই ঘাপটি মেরে থাকুক না কেন ৫/ গত কয়েক বছরে যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের ইস্যুতে হরতালে জান মালের ক্ষতির জন্য জামাতের কাছে আর্থিক ক্ষতিপুরন দাবি ৬/ সর্বো্পরী, ধর্মনিরপেক্ষ, দূর্নীতিমুক্ত একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

"প্রহসনের রায়, বিচার মানি না, ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দাও, সরকার জামায়াতের আঁতাত" ..এই শব্দগুলো উচ্চ স্বরে শোনা গেলে, এই গনজাগরনরে সিটিএন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঐতিহাসিক শাহবাগ আরেকটি ইতিহাস গড়ুক।
৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ব্যতিত অন্য সাজা সঙ্গত নয়।
এ অ-ব্যানারিত আন্দোলনের নাম ''শাহবাগ আন্দোলন''।
আমরা 'শাহবাগ আন্দোলন' এর সাফল্য কামনা করছি।

---------------------------------------
জীবনের প্রত্যেক প্রবাহ অমৃত চায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শোন রাজাকার বলি- শহীদ , কোরবানী আর কারবালা কি ?

_________ *I i I*_________
ঈশ্বরই জ্ঞান, জ্ঞানই আত্মা ।
মানুষ* মাত্রই জ্ঞানী
আমি মানুষ ,আমার ঔরসে জন্মায় দেবতার কারিগর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিচারের রায় যাই হোক আমাদের মেনে নিতে হবে। নয়ত ট্রাইবুনাল ভেঙ্গে যাবে। আর সারা জীবনেও আর রায় হবে না।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরাই পারবো। আমাদের পারতেই হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আন্দোলনের শুরুর দিকে শ্রদ্ধেয় ডাক্তার আইজুদ্দিনের বিরোধিতার কারণে দ্বিধান্বিত ছিলাম। পরে পিয়াল ভাইসহ আরও অনেকজন, যাঁদের আমি মেন্টর হিসেবে মানি, তাঁদের সমর্থন দেখে অনেকটা নিশ্চিন্ত হই, তবে পুরোপুরি না। কেননা ডাক্তার আইজুদ্দিন প্রচণ্ড দূরদর্শী একজন মানুষ, তাঁর সিরিয়াসলি বলা কোন কথা ফেলে দেবার মত না। উদাহরণঃ ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ এ তিনি নিধিরাম সর্দার নিক থেকে সামুতে একটা পোস্ট দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনা-ছাত্র সংঘর্ষ এবং চার জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের কারাদণ্ডের প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠা আন্দোলন নিয়ে। সেখানে তিনি অনেকের(সম্ভবত এঁদের অধিকাংশই ছিলেন বাম) বিরোধিতা সত্ত্বেও সরকার পতনের আন্দোলনের বিপক্ষে বলেছিলেন, তাঁর বক্তব্য ছিল এই সরকার একটা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবেঃ

২৪ ।০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: এরশাদ নিজে কি আইনের শাসক ছিল? না খালেদা ছিল, না হাসিনা ছিল, না জিয়া ছিল, ৭৪ র পরে শেখ মুজিব ছিল। কেউ না। কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত অভিমত এ সরকার ষ্টিল হ্যাজ এ লং ওয়ে টু গো আর দে ডিসারভ টাইম টু বি দ্যা গভর্নমেনট আমরা চাই। সে হিসাবে আমি তাদের সময় দেবার পক্ষে এবং যেহেতু তাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা হাসিনা, খালেদা, এরশাদ, জিয়া, ৭৪ র পরবর্তি বন্গবন্ধুর চেয়ে বেশী আমি তাদের আইনের বেইসে যেতে বিশ্বাসী। রোম ওয়াজ নট বিলট ইন এ ডে আর সেভাবে গুড উইল ক্রিয়েট গুদউইল।

৪৫ ।০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৭
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: না আমি বলতে চাই সবাইকে ছাড় দিতে হবে সময় দিতে হবে। ৪ জন শিক্ষকের জেলে যাওয়া বা তিন জন আর্মি জওয়ানের খারাপ এবং ঘৃন্য ব্যবহার ইনষ্ট্যান্ত প্রতিরোধ মানায়না। প্রপোসেন রেসপনস সবসময় ফলাফল দেয়। ২০০৮ পর্যন্ত একটা কোর্সে থাকা দরকার এবং সে থেকে মাত্র ১১ মাস পরে কক্ষপথ চুত্যি ঠিক হবেনা। বাংলাদেশের জন্যই খারাপ। আমি সময় দেবার পক্ষপাতি ২০০৮ পর্যন্ত তারপর তোমাগোর ইনস্ত্যান্ত বিরোধে আমি যাব
..........................
তবে তাঁর সিরিয়াসলি বলা সব কথাই যে সঠিক হবে তাও আমি বলছিনা।

পিয়াল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য, শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে সৃষ্ট হাজারো বিভ্রান্তির মাঝে আমাদের পথ দেখানোর জন্য।

পরিশেষে বলি, নতুন বালগজানো কেউ আমারে ডাক্তারের মাল্টি বলার চেষ্টা কইরেন না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আইনের শাসন আর বিবিধ কথা - nidhiramblog's bangla blog
http://m.somewhereinblog.net/blog/nidhiramblog/28749411


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব রাজাকারের ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাইফাঁসি চাই ফাঁসি চাই .......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই জাগরনে জামায়াত নিষিদ্ধের বাদী হতে পার এক নম্বর দাবী।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরাও এক হয়েছি চট্টগ্রামের রাজপথে। একাত্তরে যেমন কলকারখানা থেকে, ক্ষেত খামার থেকে, অফিস আদালত থেকে একযোগে জনতার ঢল নেমেছিল রেসকোর্সে, তেমনি একইভাবে দেশের আপামর জনতা খুনি রাজাকার আলবদর পাকিস্থানি দোসর কাদের মোল্লাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীতে আজ রাজপথে সোচ্চার হয়েছে...........জয় বাংলা। মুখে মুখে একই শুনি...........যুদ্ধাপরধীদের ফাঁসীর ধ্বনি।

Proffesor Lalmeah


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা 'শাহবাগ আন্দোলন' এর সাফল্য কামনা করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফাসি চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা যুদ্ধ, এটাকে সঠিকভাবে বুঝে সেভাবেই প্ল্যান করে, পদক্ষেপগুলো নিতে হবে; আমরা জয়ী হবো; ভুল করলে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে; তবে বিজয়ী হবো আমরাই!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিয়াল ভাই আপনাকে আমি সব সময় ই সম্মান করি। কিন্ত ইমরান এইচ সরকারের পাঞ্জাবীর হিসাব জিজ্ঞেসের কারণে আপনি এবং ইমরান এইচ সরকার অনেক কে ছাগু ট্যাগ দিয়েছেন। কিন্তু কেন?

fhb


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই, আপনারাতো 'শাহবাগ' কে বিতর্কিত করে ফেলেছেন।

Abdur Rahman

glqxz9283 sfy39587p07