Skip to content

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইস্পিত জমিচাষ।

ক্ষয়ে যায় চাঁদ

ক্ষনিকের দেখা

এই যে কিপটে রাত।

বিষন্ন মন

হৃদয়ে যখন

তুমি যে অকস্যাৎ।

ভীরু ও চকিতে

কম্পিত বুকে

ঘটে সে সর্বনাশ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোকোর খাৎনা দিবস কবে।।

বিএনপির দু:সমায় চলছে।তবে একথা ঠিক যে বাংলাদেশে বিএনপির প্রয়োজনিয়তাও অনিস্বীকার্য। কেন বিএনপির দরকার। উত্তর সহজ যারা আওয়ামী লীগ ও ভারতকে পছন্দ করেন না তাদের জন্যেও একটি প্লাটফরম প্রয়োজন। দেশে ঐঅংশের চা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ আপনাকে বলছি।।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী হাসিনা ওয়াজেদ বড়ই দু:খের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আমরা ভাল নেই, বেশ অসুবিধায় আছি। আমরা বলতে আমি সীমাকদ্ধ আয়ে যারা সংশার চালায় তাদের কথা বলছি। যারা সৎ ভাবে জীবন ধারন করেন এই জাত

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সত্য ঘটনা বিশ্বাস করুন আর নাই করুন।।

১৯৭৫ সাল। এইচ এস সি পরীক্ষার মাত্র তিন মাস বাকী।তখন কামের চাইতে আকাম করাই ছিল আমার কাজ। বই নতুনই আছে, একদিনও উল্টে দেখিনি। চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লো এবার নাকি পরীক্ষায় খুব কড়াকড়ি ব্যাবস্থা নেয়া হবে। সরক

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সত্য ঘটনা বিশ্বাস করেন আর নাই করেন।।২।।

১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত কেটেছিল, আমার জীবনের সব আনন্দঘন দিন গুলো। স্বাধীনতার মানে আমরা যা বুঝেছিলাম তা একটি জাতীকে ধ্বংশ করে দিতে যথেষ্ট। এটা বলছি এই কারনে আমাদের সে সময়কার চলাফেরার স্টাইল ছিলো এতটাই উ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরাফাত রহমান কোকোর কিস্সা।।

কোথায় দেশের সমেস্যার অন্ত নাই। বিদ্যুৎ নাই, দ্রব্য মূল্য সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। যে বিগত সরকারের আমলে গ্যাসের উপর দেশ ভাসিতেছিল, আজ কি এমন ঘটিল যে গ্যাস হঠাৎ করিয়া কোথায় যেন উবিয়া গেল। কোথা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।।

পচাত্তর আর একাত্তরের শকুন গুলান কুকায়

এত কিছুর পরেও কেন? হাসিনা ঐ মাথায়।

জিয়া ছিলেন বড় মাপের একটি নষ্ট মানুষ

মানি ইজ নো প্রবলেম, উড়াতো সব ফানুস।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটাকে কি বলবেন?

১৯৭৬ সাল জিয়া সাবের আমল। দেশটা ঘুড়ে দাড়িয়েছে পেছন দিকে হাটার জন্য। আমরাও কেমন যেন মন্ত্রমুগ্ধের মত জিয়ো জিয়ায় মত্ত।নো মানি নো হানি এমন একটা অবস্থা। আমি তখন আমাদের ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। এলাকার সম

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চরিত্রের সনদপত্র।।

চরিত্রের সনদপত্র দেবার অধিকার যে ভাবে সীমাবদ্ধ বলয়ের মধ্যে বাধা হয়েছে। তাতে আম জনতার চরিত্রের আসল চিত্রটি উঠে আসছে না। কারন মানুষ দোষে গুনে মিলিত যোগফলের ক্ষেত্রফল। বাক্যটা একটু শক্ত হয়ে গেল বোধ হয়। স

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আখেরাতে এদের কি হবে।

আখেরাতে এদের কি হবে। এরা যা শুরু করেছে, মানুষকে মানুষ হিসাবে বাচবার নূনতম অধিকার টুকু পর্যন্ত কেড়ে নেয়া হচ্ছে। এই দজ্জালের দলটি যখনি ক্ষমতায় এসেছে বির্ধমীগুলির উৎপাত তখনই বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07