Skip to content

একটু বিষ দেন আমাকে, খেয়ে বলি চমৎকার !!!!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগ দিবস নিয়ে চারিদিকে ভয়ানক উতসবের আনন্দ আর আমেজ । দেখতে ভালোই লাগে । মানুষের আনন্দ দেখবার মধ্যে যে আনন্দ সেই আনন্দের উপর আর কিছু হতে পারে বলে আমার জানা নেই । আমি ছোট মানুষ । দিন আনি দিন খাই জাতীয় কামলা গোত্রের একজন । আমার হাতে তেমন কোন ক্ষমতাই দেয়া হয়নি । সুতরাং খারাপ লাগলে কিংবা অন্যায় আর অত্যাচার দেখে চুপ-চাপ মূর্তির মত বসে থাকা ছাড়া আমার আর কিইবা করবার আছে ?



এই দিবস নিয়ে কি কি রাজনীতি ও বোলচাল চালাচালি হয়েছিলো ও চুলোচুলি হয়েছিলো তা আমার চোখ এড়ায় নি । সামহোয়্যার ইন ব্লগের মন চাইলো ব্লগ দিবস করবে তাই তারা একটি ৭০ দশকীয় রাজনীতি করে নিলো । সবার কাছে চিঠি দিলো এই বলে যে,”আসেন সবাই মিলে ব্লগ দিবস করি”। পৃথিবীতে হলমার্ক,আর্চিস,কার্ড গ্যালারির কল্যানে শত শত দিবস আছে । হেন দিবস তেন দিবস । কিন্তু আদতে দেখা গেলো আরিল্ড ক্লকারহেগ ও জানা ফেরদৌসী এরা আগে থেকেই তাদের পাকস্থলীতে সিদ্ধান্তের ডিম তৈরী করে রেখেছিলো ১৯ ডিসেম্বরই ব্লগ দিবস হবে । সুতরাং অন্য কারো সাথে আলোচনা করতে চাওয়া হচ্ছে এক ধরনের ফাজলামো এবং ভন্ডামী । গণতন্ত্রের বীর্জে ভেসে যাবে বলে লোক দেখানো সঙ্গম আর কোনো ব্লগের সাথেই করা সম্ভব হয় নি আরিল্ড-জানা গোত্রদের । ফলশ্রুতিতে ১৯ ডিসেম্বর তাদের ভাষায় তারা “মহা সমারোহেই” ব্লগ দিবস করলো ।



তাদের এই উন্মাদীয় লাফ আর ঝাঁপ দেখে সুশান্ত দাশ কিংবা আইজুদ্দিন রা কেন বসে থাকবে ? আইজুকে সামু থেকে ব্যান করে দেয়া হয়েছে, সুশান্তও সম্ভবত ব্যান হয়ে সেখানে এখন রিক্সাওয়ালা নামে আছেন । সুতরাং প্রাক্তন এ-টিমের সদস্যরা বসে থাকবেন কেন ? তাদের আঁতে ঘা লেগেছে ।১৯ ডিসেম্বর আনিসুজ্জামান কে নিয়ে ব্লগ দিবস ঘটা করে পালন করা হয়েছে,ফলে তাদেরও এমন কিছু করা চাই যাতে করে মানুষ চমকে ওঠে । ব্লগাররা মূর্ছা যায় ।সে ফলাফল স্বরূপ তাদেরও একটি ব্লগ দিবসের দরকার রয়ে গ্যাছে । সেই রাগ আর ক্ষোভের সঙ্গমে স্বভাবতই বীর্যপাত । আর বীর্যপাতেই জন্ম আরেকটি দিবসের । তা হচ্ছে বাংলা ব্লগ দিবস ১লা ফেব্রুয়ারী । আমি হাসি । আমার প্রচন্ড হাসি পায় । হাসির দমকে আমি আমার পাদ সামলে রাখতে পারি না । বের হয়ে যায় । আমার মাঝে মাঝেই ইচ্ছা করে একটা পাদ দিবস করি । যেদিন আমি প্রথম পাদ দিয়েছিলাম পৃথিবীর বায়ুতে । ঠিক সেইদিন হোক পাদ দিবস ।



কোনটি আসল আর কোনটি দুই নম্বর ব্লগ দিবস তা আমি বিচার না করি । পুরো হাস্যকর ব্যাপারটিই আমাকে একধরনের পীড়া দিয়েছে ।মনস্তাত্বিক পীড়া ।এই ধরনের পীড়াতে সাধারণত ইচ্ছে করে দেয়ালে মাথা ঠুকে জীবনের অবসান করি কিংবা কোন খামারে গিয়ে একটি বীচিহীন বলদের কাছে আত্নসমর্পণ করে চিতকার দিয়ে বলি, “ধন্য ! ধন্য তোমার বেঁচে থাকা হে বলদ ।তুমি বেঁচে থেকে শিখিয়ে দাও,এগুলোর থেকে ঘাস খেয়েই বেঁচে থাকা ঢের ভালো ও উত্তম ।”



এতসব ব্লগ দিবস দেখে আমার দুইটা কথা খুব মনে পড়ে গেলো । অনেকটা কেমন যেন ছবি দেখে মিলিয়ে নেবার মত । আমরা যখন ছোট বেলায় গ্রামে ঈদ করবার জন্য যেতাম তখন দেখতাম গ্রামে ঈদ হতো দু’টো । একটি সৌদি ঈদ এবং আরেকটা বাংলা ঈদ । সৌদি ঈদের ঘটনা হচ্ছে, শাহ আলম নামে একজন মাওলানা আছেন । যিনি চাউর করেছেন সৌদি হচ্ছে যাবতীয় মুসলমানের জন্য স্বর্গীয় দেশ । তাই, সে স্বর্গে যদি ঈদ হয় লাল শুক্কুর বার , তাহলে বঙ্গেও ঈদ হবে লাল শুক্কুর বার । ওই খানে চাঁদ দেখা যাওয়া মানে হচ্ছে দিব্য চোখে আপ্নিও চাঁদ দেখে নিলেন । তাই ঈদ সৌদি মোতাবেক-ই হবে । এভাবে শ-খানেক লোক মাওলানা শাহ আলমের নির্দেশে বাংলা ঈদের আগেরদিন সৌদি ঈদ পালন করতেন । তার ঠিক পরদিন সাধারণ মানুষেরা উদযাপন করতেন ঈদ ।



আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঠিক এমন ঘটনা ঘটে । অশিক্ষিত খালেদা জিয়া ও তার কুকুর ভৃত্যরা জনগনের মারাকৃত টাকার বিনিময়ে লক্ষ লক্ষ লোক কিনে এনে চেঁচিয়ে বলে ওঠে, মহাসমাবেশ সফল হয়েছে । প্রতিটি সমাবেশেই বলেন, এমন জনসভা আগে কখনো হয় নি । অবিস্মরণীয় ।



অন্যদিকে স্টুপিড হাসিনা ও তার পালিত ভৃত্যরা ঠিক একই রকম করে জনগনের লুট করা অর্থ দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির করে বলেন,এটি অসাধারণ একটি সমাবেশ হয়েছে ।



আমি এইরকম একজনকে চিনতাম যিনি হাসিনা এবং খালেদা দুইজনের সমাবেশেই যেতেন অর্থের বিনিময়ে । তিনি আমার বাবার গাড়ি চালাতেন । বাবার কাছ থেকে একথা সেকথা বলে মিথ্যে বাহানায় তিনি সমাবেশে যেতেন বাড়তি কিছু রোজগারের আশায় । আমার সাথে তার খুব ভাব ছিলো । তিনি আমাকে হাসতে হাসতে এইসব অসুস্থ রাজনীতি আর সমাবেশের কথা বলতেন । বলতেন ,



“বাইয়া বোজলেন ! খালি তালি দেতে পারলেই অইলে । কিছু হোনার দরকার নাই । খালি হাত ফাডাইয়া ফালাইবেন আর চিক্কুর পাড়বেন হই হই কইরা ।বোজলেন ?”।



বাবা আমাকে হাত খরচ দিতে চাইতেন না । তাই আমারো খুব ইচ্ছে হতো শহীদ ভাইয়ের সাথে মিছিলে আর সমাবেশে গিয়ে কিছু বাড়তি রোজগার করে আসি আর অতি অবিস্মরণীয় মহাসামাবেশ গুলো দেখে আসি ।



দুই



অর্থনৈতিক ভাবে কতটা খারাপ অবস্থায় আছি তা একমাত্র জানি আমি আর আমার স্ত্রী । ছোট ভাই নিলিম এর কাছ থেকে আর বৌয়ের কাছ থেকে কিছু টাকা উঠিয়ে কিছু শীতের কাপড় কিনবার জন্য দেশে টাকা পাঠালাম । আমি জানতাম যদি সবার কাছে টাকা চাইতাম এই ব্যাপারে , দেখা যেতো দুনিয়ার বাল-ছালের গল্প । দুনিয়ার হাঙ্গামা । তাই নিজের সাধ্যের মধ্যেই কিছু করবার চেষ্টা । যাকে দিয়েছিলাম এই শীতবস্ত্র দেবার জন্য তাকে বলেছিলাম রাতে যেন হঠাত করে গিয়েই কোন রেল স্টেশনে গিয়ে দিয়ে আসে । কেউ যেন বুঝতে না পারে । বন্ধু ফোনে আমাকে যা জানালো তা কেবল গ্লানির আর কষ্টের । একটি কাপড়ের জন্য কয়েক শত মানুষ আর মানুষ ।



আর আমরা ব্লগ দিবস চোদাই । চুদিয়ে আবার মুরি-চানাচুর খাই । আমরা নতুন নতুন বই প্রকাশ করে শাউয়া মারানির প্রগতিশীল হব । বইমেলা , প্রাণের মেলা , ভাষার মেলা , তাৎপর্য , মাইলস্টোন , বাংলা সাহিত্য , বাংলা সংস্কৃতি , স্টল , বই , লেখা এসব নিয়েই মেতে থাকব । ফিউসন ফাইভের মত ইতর শ্রেণীর লোক পাছায় আঠার মত লেগে থাকবে কখন আমার ব্লগকে পুটকি মেরে দিতে পারে কিংবা কলিকাতা ব্লগ বলে তার শীশ্নের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করতে পারে । সুশান্ত ওঁত পেতে থাকে কখন আমাকে ফ্রিডম পার্টি নামে ট্যাগ করে ফেলা যায় , আইজু বসে থাকে কখন আমাকে তার সাইকো কথন দিয়ে আমাকে ঘায়েল করতে পারে । আমি নিঝুম মজুমদার শাউয়া মারানির ব্লগ লিখছি , বড় বড় কথা চোদাচ্ছি , ব্যারিস্টার হওয়া মারাচ্ছি , ম্যাকডোনালসের বার্গার পেটে চালান দিয়ে কিংবা ওয়াগামামায় জাপানিজ খাদ্য পেটে ভ’রে দেশ নিয়ে ভাবা চোদাচ্ছি সারা রাত দিন । হেন করব , তেন করব , চ্যাট করব বাল ফালাব । জয় আর তারেক চোতমারানির ছেলেরা কার টাকায় বিদেশ বিভুঁইয়ে পড়ে থাকে ? উত্তর দেন । কার টাকায় ? মাই ফুট !!!!!!!!!!



আমাদের বাসায় কাজ করে খেটে খাওয়া রাহাতকে কি কাজের লোকের সম্মান থেকে বাড়িয়ে আমাদের দু’ভাইকে যেমন রেসিডেন্সিয়াল মডেলে পড়িয়েছে তেমন পড়াবে আমার প্রগতিশীল মা আর বাবা ? ডক্টর ফাতেমীর কাছে আমাদের দুই ভাইকে গরুর মত কোচিং করতে নিয়ে যাওয়া হতো , তেমনি কি নেয়া হবে রাহাত কে ? আমার বোন যে কোচিং সেন্টার চালায় সেখানে কি রাস্তার পড়ে থাকা হাভাতেরা পড়তে আসতে পারবে ? আমার ভাগ্নের একটু ঘুম ভেঙ্গে গেলেই নানা-নানী যেভাগে আঁ আঁ করতে করতে ছুটে আসেন সেভাবে কি আসবে ছোট্ট ১০ বছরের রাহাতের জন্য ?



ব্লগ দিবসের যে কেক কেনা হয়েছে , লন্ডনে যে আয়োজন করা হয়েছে , বাংলাদেশে যে আনন্দ উৎসব করা হয়েছে, যে ব্যাবস্থা করা হয়েছে তাতে করে কি টাকা খরচ হয় নি ? এই বইমেলা এই বই দিবস এগুলো কি রংপুরের মঙ্গার থেকেও প্রয়োজনীয় ? শীতে মরে যাওয়া মানুষ কি বই মেলা থেকেও কি কম তাৎপর্যপূর্ণ কম অপ্রাসঙ্গিক ? স্টেশনে , রাস্তায় , গাঁয়ে , গঞ্জে মানুষগুলোর হাভাতে পেট কি এতই অদৃশ্য, এতই ঠুনকো, এতই অস্পৃশ্য ?



দেয়া যেত না একটি মুঠো চাল এই সব বিভৎস দিবসের অর্থ দিয়ে ? দেয়া যেতনা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি অন্তঃত একটি মানুষকেও ?????



এই ভন্ড আমি এর কোন উত্তর জানি না । আমার উত্তর নেই । আমি এখন বোবাচোদা নিঝুম বাল মজুমদার । যে আনিসুজ্জামান কে দিনের পর দিন খুঁজে পাওয়া যায়নি অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা খালেদের জন্য দুইটা কথা ক্যামেরার সামনে বলবার জন্য । যেই আনিসুজ্জামান কোন নেতার সাথে এপয়েন্টমেন্ট আছে বলে এড়িয়ে যান । যেই জাফর ইকবালকে এই নিঝুম কয়েক গন্ডা চিঠি আর ইমেইল করে সামান্যতম সাড়া কিংবা সহানুভূতি পাইনি মুক্তিযোদ্ধা খালেদের জন্য । সেই জাফর স্যার আর আনিসুজ্জামান ব্লগ দিবসের উদ্ভোদন করে !!! হা----স্য----ক----র !!!!!



আমাকে একটু বিষ দেন । খেয়ে চেঁচিয়ে বলি পৃথিবীর সবাইকে । বলি চমৎকার । অতি চমৎকার !!!





ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উকে পোসটে পাচ তারা



যাহারা ব্লগ দিবস করছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাহাদের সকলকে ট্রাইবুনাল কইরা ফাসী দেয়া হউক


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ডাক্তার আইজুদ্দিন, Laughing out loud >:D<

____________________________________________
- ১৭:৭


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অফটপিক



বেরিষ্টারি না চোদাইয়া দেশে যান গিয়া


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপটপিকের নিচের টপিক: বেরিষ্টারি না চোদায়া বান্দর চুইদা দেখতে পারেন!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, বান্দুর চোদাইলে ভালা হয় তাইলে যদি মাথা একটু খুলে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা একুশে ফেব্রুয়ারীতে কি মিনারে পয়সা দিয়া ফুল দেওন জায়েজ হইবেক না হজরত নিঝুমের সে বেপারে মানা আছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ডাক্তার আইজুদ্দিন,

বান্দর যে বান্দরই তা যতই শার্ট-টাই পরুক না ক্যান?? বান্দর তোমারে দেওয়া দরকার 'ব্লগামি দিবস' চুদা... :] :] :]


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম। খাড়ান এট্টু হাইস্যা লই।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম'দা, আইজু চুদির ভাই-রে কমেন্টে ব্লক কইরা রাখন যায় না?!



আর পোস্টের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নাই!! স্রেফ নো কমেন্ট! Stare


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গত একমাসে পড়া সেরা একটি লেখা (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম, টিকে থাকতে হলে দুটোরই দরকার আছে। ব্লগ দিবসে ব্লগারা নির্মল আনন্দ করলো। এর আগে দেখলাম ব্লগার রুবেল শীতের কাপড় সংগ্রহ করেছে এবং দিয়েছে। এবং আমি মনে করি এ রকম গেদারিং এর মধ্য থেকেই অনেক ভাল ভাল পরিকল্পনা বের হয়ে আসবে।



তবে ব্লগ ডে একটা হলে ভাল হত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন, হ কথা তো ঠিকই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন, আমার অ'কবি ব্রেইনে যা ধ'রে তাতে বলতে পারি এই লেখায় আমারব্লগের বিষোদগার করা হয়নি। পুরো সিস্টেম এবং এই সিস্টেম যেভাবে কাজ করছে তা নিয়ে লেখা হয়েছে! Stare Stare


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন, আপা- কার য্যানো কথা এটা-



দ্বায়িত্ব যখন আনুষ্ঠানিকতায় বাঁধা পড়ে- তখন তা কৌতুকে পরিণত হয়!



আমার মতে, স্মৃতি, চেতনা, শিক্ষা- সব ক্ষেত্রেই এটা খাটে!



যাহোক, আমি ধরেই নিলাম ব্লগ দিবস একটা! এবার আমাকে একটু বুঝাবেন, এটার প্রয়োজনীয়তা-টা কি?!?! যদি প্রয়োজনীয়তা-টা সম্পর্কে আমি এনাফ ইম্প্রেসড হই- তাহলেই কেবল এর কর্ম-পদ্ধতি বা অনুষ্ঠানসূচি ক্যাম্ন হতে পারে সে বিষয়ে কথা বল্বার দরকার পড়বে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, গ্রাজুয়েশনের পর কনভোকেশন করে সার্টিফিকেট কেন দেয়?



আমরা ২১ ফেব্রুয়ারী উদযাপন কেন করি?



জনৈক বাঙ্গাল, ভাইয়া, আমিও খুব ভাল করে ব্লগ-ডে বুঝি নি। তবে সবাই আড্ডা দিয়েছে দেখে ভাল লেগেছে।



সে ভাবে দেখলে জীবনে কোন ডে এর ই বিশেষ কোন অর্থ নেই। আমার ঈদ আসলে ঝামেলা মনে হয়, রান্না করতে হবে। মনে হয় কাচা সব কিছু বিলিয়ে দি। কিন্তু পারি না। সামাজিকতার জন্য।



আপনি আমি ব্লগে লিখি কেন? এই সময়টায় একটা গরীব বাচ্চাকে বিনা পয়সায় পড়াতে পারি, তাই না।

কিন্তু তারপরো আসি কারন আমাদের মনের খোরাক দরকার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, আমিও আমার ব্লগেকে ইন্ডিকেট করিনি। সত্যি কথা মানুষের বেচে থাকার জন্য আনুষ্ঠানিকতার দরকার আছে। বই পাব্লিশ করার দরকার আছে। এবং যারা লেখেন তাদের স্বীকৃতির দরকার আছে।

তবে তা অবশ্যই অন্যকে বঞ্চিত করে নয়। অন্যের বেসিক নিডকে উপেক্ষা করে নয়। আর এই ব্লগ-ডে এর কেকের টাকায় ক'জনার শীতের কাপড় হত সে প্রশ্নে না গিয়ে বলি ওখানে গিয়েই হয়ত সবাই মিলে শীতের কাপড় কিনে দেয়ার প্ল্যানটা পাকা পোক্ত করবে।

কাওছার আহমেদ, ভাইয়া দেখানোপনায় (শো অফ এ) আমিও বিশ্বাসী নই তবে তা উপেক্ষা করা যায় না।

স্বাভাবিক জীবনে আনুষ্ঠানিকতাকে অস্বীকার করা যায় না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, গুড কোয়েশ্চেন, প্রয়োজনীয়তা আমিও পাইনি। আমার মনেও সেইম কোয়েশ্চেন আছে, স্বত্তেও ব্লগ দিবসে ব্লগারদের আড্ডা উপভোগ করেছি। এখন সেইটা নিয়া খরচপাতির কথা তুইল্যা, সেই খরচ দিয়া হেন করা যাইতো তেন করা যাইতো এইসব বলা শুধু বিরোধীতার জন্য বিরোধিতা বলেই মনে হয়। ওবশ্য সবার মনে হওয়া যে ঠিক হয় তা নয়।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন,





নাসরিন আপা(F) (F) (F) (F)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিনাপা, ৮.১.১.১.৩.২ দ্রষ্টব্য! smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন,

হুম! পোষ্টদাতাকে এই জন্যই ধন্যবাদ যে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন কত অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতায় ডুবে আছি আমরা, যে বিষয়টি একটি ফাজলামো ছাড়া আর কিছুই নয় সেখানে আবার কিসের আনুষ্ঠানিকতা? অবশ্য আপনাকে আগে মেনে নিতে হবে ব্লগ ডে একটা ফাজলামো!! আমরা মনে হয় পোষ্টের বিষয় আর আপনার কেমন্টর বিষয় এক হলেও পয়েন্টআউট এক নয়!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল'দা, গুড অব্জারভেশান! যে জিনিসের আদতে প্রয়োজনীয়তাই নেই সেটার পেছনে খরচ করায় কেউ যদি শ্লেষ খুঁজে পায়, আর কেউ যদি তাকে অহেতুক বিরোধীতা বলে মনে করে- তবে, ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখতে নিষেধ করা নিয়েও বিতর্ক হতে পারে! অনেকের কাছে সরকারে গ্যাসের চে' নিজের পয়সার ম্যাচ-কাঠির দাম বেশী মনে হতেই পারে! তবে অবশ্যই, সবার মনে হওয়া যে ঠিক হয় তা নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, সে ভাবে দেখলে পৃথীবির অধিকাংশ জিনিষই বে-দরকারী।

একমাস রোজার পর ঈদের কি দরকার?

স্বাধীনতা দিবসের কি দরকার?



আসলে ভাইয়া দরকার আর বে দরকার ডিপেন্ড করে পরপাসের উপর। পারপাস যদি খারাপ না হয়, তা হলে আমার কোন কিছুতেই আপত্তি নেই।



ব্লগ-ডের শুরুতেই আমি জানতে চেয়েচিলাম এটা কেন। তখন দেখলাম সবাই মিলে নির্ভেজাল আড্ডা বাংলায়। তো অসুবিধা কি?

কেউ তো কারো ক্ষতি করছে না।



কিছু কিছু জিনিস জীবনে সহজ ভাবে নিতে হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, ব্লগ দিবস পালনের সাথে ম্যাচের কাঠি বাচাতে গ্যাসের চুলা জ্বালাইয়া রাখার উদাহরনটা ঠিক মিললো না। ব্লগ দিবসে অর্থের খরচ হয় ঠিক, কিন্তু এই খরচ অন্য কোন খরচকে বাচানোর উদ্দেশ্যে নাহ।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, এমন অনেক কাজ এ আমরা খরচ করি, যে খরচগুলি দিয়ে অনায়াসে অনেক মানুষকে বাচিয়ে রাখা যেতো, সেইসবের ভূরি ভূরি উদাহরন আছে। আছে না?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল, (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল'দা, হাহা! ঠিক! পয়সা খরচ করে 'পারস্যুট অব হ্যাপিনেস' দেখতে যাওয়া আর সেই এক-ই পয়সা খরচ করে 'জুম্মন কসাই' দেখতে যাওয়াটা হয়তো আমার কাছে এক নয়, কিন্তু সবার তা না-ও হতে পারে! একজনার কাছে যেটা রুটি-রুজি, অনেকের কাছে তা ফাজলামো বলে মনে হতে পারে বলেই তো জগতে বৈচিত্র আছে! তাই না দাদা?!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল, বাঙাল এই কমেন্টে খরচের সাথে অর্থ বাচানোর কথা বলেনি, বলেছে "খরচ" শব্দটার কনসেপ্টের ভেরাইটিস!! আপনার ৮,১,১,৩ কমেন্ট টা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেলো :-/


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, তাতো বটেই!

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, :-S

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, ভাইয়া, আমি অনুষ্ঠান করে বিয়ে দেয়ার বিরোধী। আপনি পারবেন আপনার ভাই বোনদের বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করতে?



আমি বাংলাদেশীদের হজ্বে করার বিপক্ষে। পারলে বন্ধ করেন হজ্বে যাওয়া। ব্লগ-ডে উদযাপনের পয়সা তবু দেশে থাকে হজ্বের পয়সা সব দেশের বাইরে যায়।চলুন দেশের বৃহত্তর বিষয় নিয়ে আন্দোল্ন করি।



আসুন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নিয়োগের বিপক্ষে আপনা্রা কলম তুলে ধরুন।



ঢাকায় সকারী প্লট দিচ্ছে। পাচ্ছে সব তারা যাদের ঢাকায় দুই তিনটা বাড়ী আছে তারা। আসুন এই সব দুর্নিতীবাজদের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার হই।



আর কত বলবো!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন, (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিনাপা,

আমি বিয়ে করার-ই বিরোধী! সো? আমি ব্যক্তিগতভাবে বিয়ে করবো না বলেই সেদ্ধান্ত নিয়েছি! সো খরচের প্রশ্ন আসছে নাহ! বিয়েতে অহেতুক খরচ নিয়ে আমি আমার সাধ্যমতো যে বলি না- তা আপনি ক্যাম্নে ধরে নিলেন?



দ্যান, আমি টোটাল হজ্জ্ব-এর-ই বিরোধী! সো? আমি নিজে হজ্জ্বে যাবার প্রশনই উঠে নাহ! আমার বয়োজ্যেষ্ঠ্যদের বলেও কোনো কাজ হবে না বা হয় নি বলে কি আমি নিজেও হজ্জ্বে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেল্বো!?



আর,



আসুন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নিয়োগের বিপক্ষে আপনা্রা কলম তুলে ধরুন।



ঢাকায় সকারী প্লট দিচ্ছে। পাচ্ছে সব তারা যাদের ঢাকায় দুই তিনটা বাড়ী আছে তারা। আসুন এই সব দুর্নিতীবাজদের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার হই।




এগুলো নিয়ে তো বলা হচ্ছেই; হয় নি যে তা-ও তো নাহ! আর হবে না যে তা-ও তো কোথাও বলা হয়নি!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, হা হা হা



বিয়ে না করলে আমরা ভাতিজা-ভাতিজি কই পাবো!

না ভাইয়া, আমিও নিঝুমের মতই বলতে চেয়েছি সমজে প্রচুর অসংগতি আছে এবং তা নিয়েই বাচতে হয়।

তবে বড় বড় অসংগতি গুলো আগে সরাতে হবে।

না আমি বলিনি যে বলা হচ্ছে না। তবে বলছি চলুন আন্দোলন করি।আরো স্ট্রংলি বলি। যাতে সরকার বন্ধ করতে বাধ্য হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

“বাইয়া বোজলেন ! খালি তালি দেতে পারলেই অইলে । কিছু হোনার দরকার নাই । খালি হাত ফাডাইয়া ফালাইবেন আর চিক্কুর পাড়বেন হই হই কইরা ।বোজলেন ?” Stare Stare

~~~~~~~~~
joy be the consequence


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম দা,

বরাবরের মতো আপনার লেখা ভালো হয়েছে। কিন্তু আমার একটা কথা আছে, আমার মনে হয় লেখক মাত্র শুধু মাত্র প্রচলিত অব্যবস্থাকে সমালোচনা বা কটাক্ষই করবে না, লেখকের দায়বদ্ধতা আছে প্রচলিত অব্যবস্থা গুলো কাটিয়ে মানুষ কি করবে সে বিষয়েও আলোকপাত করবে।না হলে মানুষ মিস গাইডেড হবার সম্ভাবনা আছে।



আপনি আপনার লেখায় আওয়ামিলীগ, বি এন পি, জামাত সহ সকল মূল ধারার রাজনীতিক দলের সমালোচনা করে অনেক লেখা লেখছেন। কিন্তু মানুষ এসব দল বর্জন করে তার পর কি করবে তা কিন্তু

আপনার লেখায় আমি কখনো পাইনি। আপনার উচিত সেই দিক টাতে আলোকপাত করা।



ব্লগ দিবস পালন নিয়ে আন্ত ব্লগীয় কাদা ছোড়া ছোড়ি অবশ্যই খারাপ। কিন্তু আপনি যে দৃষ্টি কোন থেকে এর সমালোচনা করেছেন সেই দৃষ্টি কোন থেকে দেখলে আপনি আমাকে গালা গালি করতে পারেন। কারণ দেশের মানুষ যখন শীতে কেঁপে এক খানি ১০০ টাকা দামের কম্বলও পাচ্ছে না তখন আমি প্রায় ১৫০০ টাকা খরচ করে সদ্য মুক্তি পাওয়া মুভি দেখতে যাই। তবে আমিও মনে করি ব্লগ দিবস পালনের কোন যৌতিকতা আছে।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
Only constant is change


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@খারাপ মানুষ, আমি স্বপ্নের বাংলাদেশের কথা কাউরে বলি না ভয়ে। পাগল ঠাউরে বসে যদি !!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@খারাপ মানুষ, তবে আমিও মনে করি না ব্লগ দিবস পালনের কোন যৌতিকতা আছে।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
Only constant is change


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, বলুন, আর কেউ না থাকুক আমি আপনার সাথে থাকবো। আপনার স্বপ্নের বাংলাদেশের রুপ রেখা প্রকাশ করুন। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করি। দেখি ফ্রুটফুল কিছু বেড়িয়ে আসে কিনা।



লেখা বড়াবড়ের মতই ভাল হয়েছে। (*) (*) (*) (*) (*)



এবার স্বপ্নের বাংলাদেশের রুপরেখা ব্লগে দিন প্লিজ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ, আত্মসমালোচনাটা খুব চোখে লেগেছে। খুব উদারমনা না হলে, আত্মসমালোচনা করা যায় না। কিপ ইট আপ!



গ্রেট থট!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখা বরাবরে মতই সাহসী

আমি একজন সাধারন পাঠক। কিছু বিষয় আমাকে ভাবিয়ে তুলে

কেন আমরা সামনে কে কি করতে পারে সেই বিষয়ে ভাবি না?

বা কি করা উচিত সেটা ভাবিনা?

একজনে একটা কাজ করেছে সেটার ভাল মন্দ বিচার কখন করা দরকার?

একটা কাজে ভালদিক যেমন আছে মন্দের দিকও আছে

তাই বলে কাজটার খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা হবে

ভালর দিকটাকে নিয়ে আলোচনা নয় কেন?

আমরা সবাই পিছনে কে কি করেছে, সেটা নিয়েই ভাবি কিন্তু সামনে কার কি করা উচিত

সেটা নিয়ে ভাবি না। যার জন্য আজ আমারা অন্যদের তুলনায় অনেক অনেক পিছিয়ে।

আমাদের অনেক কাজ বাকি সামনে এগি্যে যেতে হবে।

পিছনের চর্চা করে করে সামনা কি আগানো যাবে?



ভাল থাকবেন সকলে

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কারিমাট ভাই, অবশ্যই আমরা ভালোটা নিয়ে এগিয়ে যাবো । আপনার সাথে একমত । আপনি কি এই ব্লগ দিবস নামে হাস্যকর ব্যাপারটা নিয়ে এই ক্ষমতা প্রদর্শনে খুশি ?



অফটপিকে বলি একটা কথাঃ আপনি মধ্যপ্রাচ্য থেকে কত কষ্ট করে দেশে টাকা পাঠান,রোজগার করেন।আর তারেক,কোকো আর জয় দেশের টাকা লুট করে বিদেশে মাস্তি করে ।



খারাপ লাগে না আপনার । অথচ ওরা কেউ আপনার নখের সমান যোগ্যতার অধিকারী নয় । ক্যামন লাগে আপনার ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, ক্ষমতা প্রদর্শন তারাই করে যাদের কমরে জুর কম।

আর ব্লগ দিবসটাকে আমি ভাল পাইনি আবার পেয়েছি

আমাদের ব্লগারদের মাঝে সেতু বন্ধন এর মত অনেকটা।

যার থেকে ভাল কিছু করার রাস্তা বের হবে।

আর রাজনিতিবিদের কথা নাই বল্লাম।





প্রবাসীদের টাকায় দেশের আয়

প্রবাসীদের কানতে কানতে দিন যায়





ভাল থাকবেন

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টাকা খরচ হবে এই জন্য বইমেলা না করে সেই টাকা কি মানুষ কে দিয়ে দিতে হবে ,না অন্য কাজে লাগাতে হবে সে বিষয়ে কছু বললেন না। পুরা একচোখা দৃষ্টিতে দেখেছেন। বইমেলা উপলক্ষে লেখক, প্রকাশক, ছাপাখানার মালিক থেকে বই বাইন্ডার সব মানুষের রুটি রুজি বন্ধ হয়ে গেলে পরের বছর সে মানুষদের কোন জায়াগা থেকে টাকা এনে দিতে হবে বললেন না যে। মনে হয় বাণিজ্য মেলা বন্ধ করতে বলবেন। কিন্তু সেটার সাথে জড়িতদের কোত্থেকে দান খয়রাত করতে হবে সেটাও ভেবে দেখেন। খালি বিরধিতার জন্য বিরোধিতা করবেন না । আশা করি খালি ছিদ্র না খুজে পরেরবার শক্ত যুক্তি নিয়ে হাজির হবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@স্বপ্নবাজ ভাই, হাহা! ব্লগ দিবস দিয়ে কারো রুটি-রুজি হবে এটা আসলেই আমি ভাবতে পারছি নাহ! যদিও হলেও আমার খুব একটা আশ্চর্য হবার কিছু থাকবে নাহ।।! তবে একটা ব্যাপার আপনাদের চোখ এড়াচ্ছে ক্যানো বুঝলাম নাহ! এই লেখাটা পড়ে সবার ক্যানো শুধু মনে হচ্ছে বই মেলা বন্ধ করবার কথা, প্রকাশনা বন্ধ করবার কথা!? এটা ক্যানো মনে হচ্ছে না, এই ব্লগ দিবস বিষয়টাই একটা ফালতু আইডিয়া! ? নিঝমের লেখাটা হয়তো বেশ খানিক্টা ভুল ম্যাসেজ দিচ্ছে ঠিক-ই কিন্তু, মূল ম্যাসেজ টাকে গুলিয়ে দিচ্ছে তা একেবারে নয়! যাকগে, মূল কথা হলো- ব্লগ দিবস আইডিয়াটাই একটা চরম হাস্যকর আইডিয়া! আর এটা নিয়ে সময় নষ্ট করে আমিও চরমাকার কৌতুক-ই করছে আসলে!



বাদ্দেই।..।. Stare


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@স্বপ্নবাজ,পোস্ট পড়েই কমেন্ট করেছেন নিশ্চই?কমেন্ট দেখে মনে হইতেসে না।পোস্টের কিছুই বুঝেন নাই বইলাই মনে হইলো। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, মন্দ্রসপ্তক এর মন্তব্যের জবাবে বলে দিয়েছি আমি আসলে কি ভাবি।তাই কিছু আর বললাম না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মন্দ্রসপ্তক, ভাইজান আপোনার মত জ্ঞান নিয়া জন্মাই নাই তাই হয়ত বুঝতে পারি নাই,মাফ কইরা দিয়েন





আর আমরা ব্লগ দিবস চোদাই । চুদিয়ে আবার মুরি-চানাচুর খাই । আমরা নতুন নতুন বই প্রকাশ করে শাউয়া মারানির প্রগতিশীল হব । বইমেলা , প্রাণের মেলা , ভাষার মেলা , তাৎপর্য , মাইলস্টোন , বাংলা সাহিত্য , বাংলা সংস্কৃতি , স্টল , বই , লেখা এসব নিয়েই মেতে থাকব । ফিউসন ফাইভের মত ইতর শ্রেণীর লোক পাছায় আঠার মত লেগে থাকবে কখন আমার ব্লগকে পুটকি মেরে দিতে পারে কিংবা কলিকাতা ব্লগ বলে তার শীশ্নের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করতে পারে । সুশান্ত ওঁত পেতে থাকে কখন আমাকে ফ্রিডম পার্টি নামে ট্যাগ করে ফেলা যায় , আইজু বসে থাকে কখন আমাকে তার সাইকো কথন দিয়ে আমাকে ঘায়েল করতে পারে । আমি নিঝুম মজুমদার শাউয়া মারানির ব্লগ লিখছি , বড় বড় কথা চোদাচ্ছি , ব্যারিস্টার হওয়া মারাচ্ছি , ম্যাকডোনালসের বার্গার পেটে চালান দিয়ে কিংবা ওয়াগামামায় জাপানিজ খাদ্য পেটে ভ’রে দেশ নিয়ে ভাবা চোদাচ্ছি সারা রাত দিন । হেন করব , তেন করব , চ্যাট করব বাল ফালাব । জয় আর তারেক চোতমারানির ছেলেরা কার টাকায় বিদেশ বিভুঁইয়ে পড়ে থাকে ? উত্তর দেন । কার টাকায় ? মাই ফুট !!!!!!!!!!




এইটা দেইখা আপনি কি বুঝলেন জানি না তবে আমি এরেই কইছি পুরা



একচোখা দৃষ্টিতে দেখেছেন




ব্লগ দিবদ নিয়ে লিখলেও শেষ পর্যন্ত তিনি সব বিষয়কে একি কাতারে ফেলেছেন।ব্লগ দিবস নিয়ে ফালাফালি করা আমি নিজেও অপছন্দ করি,আমার কাছে মনে হয়েছে অন্যজনে করল বলেই এটা করাটা একটা শিশু সুলভ আচরন হয়েছে,কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে যে এতজন ব্লগার একত্র হলেন,দিনশেষে তা নিয়ে সবাই উচ্ছসিত হলে কাল রাতের পোস্টগুলো দেখলেই তা বোঝা যায়। নানা ঝামেলার মধ্যে থাকা মানুষগুলে যদি একটা ফাউল দিবস নিয়ে আনন্দ খুঁজে পায় তাহলে আমি আর তখন দিবস নিয়ে তর্কে না গিয়ে সে উচ্ছাসটাকেই বড় করে দেখতে চাই।একজন সাধারন মানুষ তাই করবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম বিষ জিনিসটাও বাহুল্য, ওইটা না খাইয়াও চমৎকার বলা যায়, যেমন তোমার লেখাটা পইড়া আমিও বললাম। নাসরীনের মন্তব্যের রেষ ধইরা বলা যায়, এ জগতে অনেক কিছু বাহুল্যমাত্র, লোকদেখানো এসব লৌকিকতা ছাড়াই দিনগুজরান করে লাখো মানুষ। কিন্তু এর বাইরেও হ্যাভঅলদের জন্য কিছু ছকবাধা ব্যাপারস্যাপার থাকে। খবর জানার জন্য পত্রিকা, বিনোদনের জন্য টিভি বা গান শোনা, ভালো খাওয়ার জন্য হোটেল- এই জিনিসগুলা আবার এক অর্থে বাহুল্যই। কারণ আমি নিজেও পত্রিকা পড়ি না, টিভিও দেখি না, হোটেলে ভালো খাবার খাই না বহুদিন। কিন্তু এসব বস্তু একজিস্ট করে মানুষ প্রয়োজনীয় হিসেবে রাখছে বলেই। কিছু মানুষ। সেই অর্থে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্লগ লিখিয়েরাও সেই প্রিভিলেজ গোত্রের যেই দেশে এখনও খালি কাগজে টিপসই নিয়া জমি কেড়ে নেওয়া হয়। তো আমরা ব্লগাররা হ্যাভ অল। ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়াই হয়তো আমি এক থালা ভাত পেটে চালান করার সময় শত শত নিরন্ন মানুষের কথা ভাবি না। খেয়ে ভাবা যায়, কিন্তু খাওয়ার সময় ভাবি না, খাবার থেকে বিরতও থাকি না। কমিউনিটি ব্লগে ইন্টারঅ্যাকশনটা সবসময় ভার্চুয়াল থাকে না, রিয়েলিটি একসময় মুখোমুখি করে অনেকরেই। ব্লগের অগ্রগামীতার জন্য ব্লগারদের সেই সুযোগ দেয়া দরকার মনে করে কর্তৃপক্ষ। এতে আমি ব্লগটাকে ওউন করি জাতীয় একটা ফিলিঙস তৈরী হয়। এইটা ছাড়াও কিন্তু দিব্যি চলে যায় অনেক ব্লগারের। কিন্তু যাদের চলে না, তাদের ছুতা দরকার হয়। ব্লগ দিবসটা একটা ছুতাই। বাহুল্য ধরলে বাহুল্য, আচার ধরলে নতুন ব্লগাচার।

মুক্তিযোদ্ধা খালেদ সাহেবের জন্য শুধু না, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা কোনো দুঃস্থের জন্যই সুশীল সমাজের টাইম নাই। বাসে এক ঘণ্টার জার্নি করলেই আমরা এত অভাবী মানুষ এবং অভাবের কারণ জানি, যে শুনতে শুনতে একসময় আমাদের মানবিক আবেগেও শ্যাওলা পড়ে যায়। রাস্তার জ্যামে দাড়ালে তোমার সামনে থালা নিয়ে দাড়াবে কমপক্ষে ১০ জন। ১০০০ টাকা করে দিলেও সে আবার পরের বাহনের সামনে গিয়ে থালা নিয়ে দাড়াবে। আসলে এইসব সমস্যার সমাধান আমরা দিতে পারি না, কিন্তু সেই আক্ষেপে কারো কিংবা কোনো গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত উদযাপনকে নিয়েও গালমন্দ করতে পারি না। খালেদ ভাইর ফাইল নিয়ে আমার যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিলো খুব কোটিপতি একজনের কাছে, যার টাকায় শ্যাওলা পড়ে অবস্থা। ওনার চিকিৎসার জন্য কত লাগবে জানতে চাইলে বললাম যে ২০-২২ লাখ টাকা। আমাকে বলা হলো- এই ২০ লাখ টাকায় কতজন মুমুর্ষ রোগীকে বাচানো যায় বলতে পারবেন? এই অমানবিক প্রশ্নের জবাব হয়? হয় না। টিকে থাকার লড়াইটা যখন আপন প্রাণ বাচাতে গিয়ে ঠেকে, তখন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আনন্দও হয়তো কারো কাছে অক্সিজেন হিসেবে কাজ করে, আমার কাছে পুরো ব্যাপারটা সেরকম কিছু।

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অমি রহমান পিয়াল, নীচেরটায় না, আসলে এই মন্তব্যে কইছিলাম কথাটা.... (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অমি রহমান পিয়াল, বস লুকের মতোই কথা (Y) (Y) (Y) =D> =D> =D>


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অমি রহমান পিয়াল, (*) (*) (*) (*) (*)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অমি রহমান পিয়াল,আমি অস্বীকার করি না কিছুই বস্‌।আড্ডা নিয়া কোন অভিযোগ বা অনুযোগ নাই ।ব্লগ দিবস নামে অতি হাস্যকর একটা দিবস নিয়ে দুই ব্লগের এই ক্ষমতা প্রদর্শন জমির আইল দখলের মতই লাগলো।আমি শুধু দর্শক আছিলাম মাত্র।কখন যে দেখতে দেখতে ফুঁসে উঠেছি নিজেও জানিনা । এইগুলা ভিতরের আগুনের স্ফুলিং।লুকাই ক্যামনে দাদা ? কনতো আমারে...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, ভিতরে না রাইখা বাইর কইরা দেওয়াই ভালো, এই বিষয়ে আমার কোনো দ্বিমত নাই

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখা পড়লে বোঝা যায় আপনি খুব বেশি রকমের আবেগী মানুষ। তাই মাঝে মাঝে যুক্তিগুলোও আপনার আবেগের ছায়ায় ঢাকা পরে যায়। অনেক বেশি আক্রমনাত্বক লাগলো আপনার লেখাটা। সব জিনিষেরই খারাপের সাথে সাথে ভালও দিকও থাকে। মানুষের প্রতিটা কাজই পরের জন্য হতে হবে এমন কোন কথা নাই। আমি নিশ্চিত, এই ব্লগাররাই পিছনের দিনগুলোতে বহু মানুষকে বহু ভাবে সাহায্য করেছে। সেটা ব্যক্তিগত ভাবেই হোক আর ব্লগগত ভাবেই হোক।

ভবিষ্যতে আবারও করবে সে ব্যাপারে সন্দেহ নাই। তাই বলে নিজেদের জন্য কোনকিছু করা যাবে না এমন কোন কথাও নেই।

.
~ ‎"মুক্তি আসুক যুক্তির পথে" - অভিজিৎ রায় ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্, ব্লগাররা অনেক কিছুই করেছে। কোন সন্দেহ নাই । মুক্তিযোদ্ধা খালেদ রে নিয়া সংগ্রাম শুরু হইসিলো সচলে তারপর ছরাইসে সব ব্লগে আর ব্লগারদের মাঝে।সন্দেহ আর সামান্য দ্বিমতো নাই।কিন্তু ব্লগ দিবস নিয়া দুই ব্লগের হাস্যকর ক্ষমতা প্রদর্শন কিংবা "আমরাই সেরা,আমাদের কথাই ঠিক থাকলো" এই তকমা নিজেদের ঘাড়ে নেয়ার প্রচেষ্টা আমাকে আসলেই উন্মক্ত করে দিয়েছে । ক্ষোভে আর হতাশায় ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোষ্টের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো নাসরিন আপার কমেন্ট। উনার কমেন্ট থেকে যা যা পেলাম:

ব্লগ ডে মানে হলো!



১) বিয়ে শাদির অনুষ্ঠান

২) হজ্জ্ব করা

৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ

৪) একমাস রোজার শেষে ঈদ

৫) স্বাধীনতা দিবস

<:-P <:-P


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ,



কাওছার আহমেদ ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ @ ৮:০২ পুর্বাহ্ন ৮.২.১.১

@নাসরিন,

হুম! পোষ্টদাতাকে এই জন্যই ধন্যবাদ যে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন কত অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতায় ডুবে আছি।




কাওছার ভাইয়া, আপ্নার কথা মত এই পোষ্টে শুধু ব্লগ ডে'র কথা বলা হচ্ছে না ব্লগ ডে সহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকাতার কথা বলা হয়েছে।



আমি উদাহরন হিসেবে বলেছি

১। কনভোকেশন

২। ২১ শে ফেব্রুয়ারী

৩। বিয়ের অনুষ্ঠান

৪। হজ্ব

৫। স্বাধীনতা দিবস

৬। ঈদ



এবার বলুন, কনভোকেশন কি খুব প্রয়োজনীয়? কত টাকা খরচ হয় তার হিসাব আমরা রাখি?



কারো কারো কাছে ২১ ফেব্রুয়ারী গ্রহনযোগ্য নয়



বিয়ের অনুষ্ঠান গরীব বাবা মা'র জন্য অসহনীয়। লোক দেখাতে গিয়ে জমিজমা বিক্রি করে অনুষ্ঠান করে, পরে সুইসাইডও করতে দেখা গেছে।



বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের কথা এসেছে প্রতিবাদের জন্য। আমরা এই সব ছোট খট ব্লগ ডে, ভ্যালেইন্টান ডে নিয়ে প্রতিবাদ করারে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় করনের বিপক্ষে কথা বলতে বলেছি।



কাওছার, ভাইয়া আমি নিঝুমকে অনেক পছন্দ করি, তার আবেগী সিত্য কথা বলার জন্য এবং গতিশীল লেখনীর জন্য। একই কারনে আপনাকে এবং জনঙ্ক বাঙ্গালকেও পছন্দ করি।

তবে কথায় কথায় আমার ব্লগ, সুশান্ত এদের উদাহরন ভাল লাগেনা। কারন এরা এমন কিছু করছে না যা দেশের মানুষের জন্য ক্ষতিকর।



তাই আবারো বলতে চাই , আপনাদের শক্তিশালী লেখনী দেশের বড় বড় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াক। আপনাকে ভাল্বাসি, স্নেহ করি বলেই অধিকার নিয়ে শক্ত করে কথা বলতে পারি। অন্য কেউ হলে হয়ত এমন করে বলতাম না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন,



আপা সবকিছুতে ধর্ম টেনে আনার একটা অহেতুক প্রবনতা আপনার মধ্যে দেখলাম। হজ্জ করা , ঈদ পালন করা শুধু মাত্র সো অফ হলে, নিঝুম ভাই নিশ্চয় সে দিকটিরও ইঙ্গিত দিতেন। কিন্তু ওনার পোষ্টের মূল সুর ছিল, আমাদের কিছু বাহুল্য কাজ, লোক দেখান লৌকিকতা, যেটার সাথে দেশ, দশ এমন কি নিজেরও কোন ফায়দা নেই।যেখানে অনেক গুরু দ্বায়িত্ব আমরা অবলিলায় টার্ন এ ব্লাইন্ড আই। সো পোষ্টি বুঝতে চেষ্টা করুন।



আন্নেসেসরি জগতের তাবৎ বস্তু টেনে এনে পোষ্টের গতি পথে জ্যাম লাগাবেন না।



আর আপনি কিভাবে শিওর হলেন, যে ২ লক্ষ টাকা খরচ করে হজ্জ করে সে ৪ লক্ষ টাকা দান-খয়রাত করে না। ছেলেমেয়ের একটি বিশেষ দিনে নতুন জুতা, পোশাক কিনে দিলে সমস্যা কোথায়?



আপনিতো দেখি অর্থনীতির চাকায় উল্টো ঘোরাতে ব্যস্ত!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আপা, সুশান্ত-আমারব্লগ এগুলো এসেছে ব্লগ দিবসের এই "কার টা সেরা ব্লগ দিবস" এই প্রদর্শনীর খেলা দেখে । যেখানে শীতে মানুষ মারা যায়,সেখানে কেকের জন্য সামু আর আমু খরচ করে । আড্ডা এক জিনিস আর দিবস করার জন্য মিছিল মিটিং এক জিনিস । এই যে এই দিবস নিয়ে এত গুলো ব্যানার তৈরী , লন্ডনে যে এই সভা-সেমিনার এগুলোর কি খরচ হয় নাই আপা ?



আমার ব্লগ যদি এই আরলিড-জানাদের সাথে ফাইট না করে বরং দুস্থদের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করত, তবে তা সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হতো । আমি হতাশ এই ক্ষমতার আলোক ছটায় । আপাত দৃষ্টিতে উল্লাস্ময় মনে হলেও তার চারপাশ কালোতেই ভরপুর । সন্দেহ নেই ।



আর যে যে দিবস বা প্রোগ্রামের কথা বললেন আমি এইগুলার প্রয়োজন তখনই দেখি যখন দেখব প্রতিটা মানুষ তিনবেলা না, এটলিস্ট দুইবেলা খেয়ে ঘুমাতে যায় । আমি সেদিন ওসবের দরকার মনে করব যেদিন দেখব একটা বাচ্চাও লেদ মেশিনের লোড টানবে না , একটা বাচ্চাও শিশুশ্রমে থাকবে না । বরং তারা ব্যাস্ত হবে বই আর খাতা নিয়ে । পরীক্ষা নিয়ে । পড়া নিয়ে ।



এত এত দুস্তর পথ আপা!! গা শিউরে ওঠে ভাবলে । আর বলতে গ্যালে ?



সবাই তো পাগল ঠাউরেই বসে রে আপা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, আর যে যে দিবস বা প্রোগ্রামের কথা বললেন আমি এইগুলার প্রয়োজন তখনই দেখি যখন দেখব প্রতিটা মানুষ তিনবেলা না, এটলিস্ট দুইবেলা খেয়ে ঘুমাতে যায় । আমি সেদিন ওসবের দরকার মনে করব যেদিন দেখব একটা বাচ্চাও লেদ মেশিনের লোড টানবে না , একটা বাচ্চাও শিশুশ্রমে থাকবে না । বরং তারা ব্যাস্ত হবে বই আর খাতা নিয়ে । পরীক্ষা নিয়ে । পড়া নিয়ে । >:D< >:D< >:D< >:D< >:D<



নিঝুম আপনার আবেগকে শ্রদ্ধা করি। আমি চাই আপনি আপনার আবেগটা আরো বড় কাজে লাগান। আমার শুভেচ্ছা সব সময়েই থাকবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা হাসির গল্প দিয়ে মন্তব্য করি...

ক্লাসে শিক্ষক বিজ্ঞান পড়াচ্ছেন, পড়াতে পড়াতে বললেন ১৭৭৫ সালে প্রিষ্টলি অক্সিজেন আবিস্কার করেন।

এক ছাত্র দাড়িয়ে প্রশ্ন করলো- স্যার, তার আগে মানুষ বাঁচতো কি করে...



আসলেই তাই...আমরা বাঁচার জন্য কত কি না আবিস্কার করি...আবার সেটা না করেও মানুষ যুগ যুগ ধরে দিন গুজরান করছে।



সবই সময়ের দাবি, তায় নয় কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম দা, আসল সমস্যা কোনটা?

ব্লগ দিবস পালন?

ব্লগ দিবস নিয়ে দুই ব্লগের কাড়াকাড়ি?

ব্লগ দিবসে অহেতুক খরচ?

জাফর ইকবাল বা আনিসুজ্জামান দের এই ব্লগ দিবসের মত ব্যাপারে সংযুক্ত হওয়া?

অনেক মানুষকে শীতে, ক্ষুধায় রেখে ব্লগ দিবস দিবস?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর অসংগতি, স্ববিরোধীতার ছড়াছড়ি। অপ্রিয় বিষয় এড়িয়ে থাকি, প্রিয় স্বজনের অনাচারে চোখ বুজে থাকি, ঘুষের টাকায় গাড়ী কিনে দুর্নীতিবিরোধী র‌্যালীতে যোগ দেই, যৌতুকের বিরোধীতা করি কিন্তু যৌতুকপূর্ন বিয়ে বর্জন করিনা। এরকম প্রচুর অসংগতি আমাদের জীবনে। আপনার অকপট প্রকাশের সাথে আমি একমত।



আমুর ব্লগ দিবস পালনের ব্যাপারটা আমার কাছে দোষনীয় কিংবা ভীষন অপচয়ের মহড়া মনে হয়নি। যতদুর দেখেছি ওখানে বিলাসব্যাসনের কোন ব্যাপার ছিল না। নাগরিক জীবনে সামান্য বন্ধুবান্ধবের আড্ডায়ও তারচে বেশী খরচ হয় যাদের পানভোজনের ব্যাপার থাকে। বরং কিছু মানুষ একটা দিবসের সৌজন্যে নির্মল আড্ডা দিয়েছে, পরিচিত হয়েছে। ব্যাপারটা সামাজিক সৌজন্যের উপাদান। এই সামাজিক আনন্দ আমাদের প্রয়োজন আছে।



তবে ব্লগারের উপস্থিতিটা কম হয়ে গেছে মনে হয়েছে। ক্যাচালপূর্ব পরিস্থিতিতে সংখ্যাটা আরো বড় হতো তাতে কোন সন্দেহ নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন নিঝুম মজুমদারের কলম অনেকই শক্তি রাখে...সেটা কেবল হতাশা ছড়ালে আমরা সামনে এগোয় কেমনে! ব্লগ দিবসের হয়ত তেমন কোন যৌক্তিকতাই নেই ( তার উপর দু'দুটো ব্লগদিবস!!!) তারপরও এই এক অসিলায় নিজেদের দুঃখচেপে যদি খানিকটা আনন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারি, তাতেই বা ক্ষতিটা কী? তেমনটা হলে তো আপনারাও সেদিন সুশান্তদার সাথে আড্ডাতেই যেতেন না ( কাওছার ভাইয়ের একটা পোষ্ট থেকে জেনেছিলাম ব্যাপারটা ) সেদিন যদি বলতেন, নাহ আমাদের এই আড্ডার খরচটা আমরা অমুক দুঃস্হখাতে দেবো তারচে' বলেছিলেন কী সেদিন সেকথা? বলে থাকলে আমার নাজানা কে মার্জনা করবেন প্লিজ ! আসলে কেবল বিরোধীতার জন্য বিরোধীতা সুন্দর সময়ের মুখে কালির আঁচড়ই ফেলে না কৃষ্ণগহব্বরে হারিয়ে যায় কতো শত সুন্দর ভাবনা....যা সুন্দর একটা দেশ গড়বার জন্য যথেষ্ট অবদানের হতে পারে...।বুকের ভেতরের আগুন অন্যের সুখে না লাগিয়ে আসুন না তাতে মাশাল জ্বালিয়ে উঁচিয়ে ধরি অন্ধকার দুঃখী দেশটার মুখে.....আপনাদের মতো করে গুছিয়ে লিখতে পারিনা আমি ...তাই কোথাও উদ্ধতভাব দেখে থাকলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন...খানিকটা আপনার ভাষাতেই বলি, হতাশার শব্দেরা উড়ে যাক পাখির ডানায় চড়ে....শুভেচ্ছা নিরন্তর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাতিঘর, আমি বিরোধীতার জন্যই বিরোধীতা করব এমন বিরোধ নেই কারো সাথে । আপনি ভুল বুঝেছেন । এ দায় আমার ।



এই লেখার ইনার টোন এটি নয় । এ লেখার ইনার টোন অনেক হতাশার আর বেদনার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগ জগতে আমার আগমন প্রায় বছর দুয়েক হতে চলেছে। মন থেকে একটা কথা বলতে পারি এই প্রথম কোনো পোষ্ট পড়লাম যা পড়ে মনে হল-- এর মত প্রয়োজনীয় পোষ্ট আগে কেও দেয়নি। আপনার লেখার স্টাইল, আমাদের মতো স্বার্থপর তথাকথিত বাঙ্গালীদের চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়ে বাস্তব পরিস্থিতির সামনা সামনি দাড় করিয়ে দেওয়ার ভঙ্গিমা-- এক কথায় অনবদ্য। (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)



এবার আপনার পোষ্টের সম্পর্কে বলি-- আমার তো মনে হয় না ব্লগ দিবস বলে কোন দিনের প্রয়োজনিয়তা আছে। এটা শুধু কিছু সময় এবং অর্থের অযথা অপচয় মাত্র। আড্ডাবাজ বাঙ্গালীদের কাছে এটাই হয়ত মহার্ঘ্য। আরে বাবা ব্লগে আসা মানেই তো আড্ডা মারা, বিনোদনের জায়গা--- তাহলে এই বিনোদোন, আড্ডা যখন প্রতিদিনিই পাচ্ছি তখন ঘটা করে ব্লগ দিবস পালন করার কোন প্রয়োজন আছে কি????


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@রনি কোলকাতা, অথচ অনেকেই ভুল বুঝেছেন আমাকে এও পোস্টে । এই লেখার মূল বক্তব্য অনেকে বুঝেও ফোকাস করতে চেয়েছেন অন্যদিকে । যা পীড়াদায়ক ।



অফটপিকঃ কলকাতায় কেমন অবস্থা মানুষের ? বাংলাদেশের মত কি এমন শত শত মানুষ ওখানেও না খেয়ে ঘুমায় ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট পৈড়া ঠিক করছি কি কমেন্ট করুম, আর কমেন্ট পড়তে পড়তে ঠিক করছি কিছুই কমু না। কারন আমিও বাউলের মত কনফিউজড?



কোনটা নিয়া সমস্যা?

ব্লগ দিবস পালন?

ব্লগ দিবস নিয়ে দুই ব্লগের কাড়াকাড়ি?

ব্লগ দিবসে অহেতুক খরচ?

জাফর ইকবাল বা আনিসুজ্জামান দের এই ব্লগ দিবসের মত ব্যাপারে সংযুক্ত হওয়া?

অনেক মানুষকে শীতে, ক্ষুধায় রেখে ব্লগ দিবস দিবস?

নাকি যেকোন বাহুল্যতায় অহেতুক খরচ?



আচ্ছা সানগ্লাস-ক্যাপ-দামি মোবাইল.... এইসব কি বাহুল্য?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল আর বাউলদাকে বলি,হাজার মানুষকে অভুক্ত রেখে,শীতার্ত রেখে যেকোন বিলাসিতা করাই আমার কাছে ঘৃণ্য ও নোংরামি মনে হয়।ব্লগারদের আড্ডা নিয়ে কোন কথা নেই, আগেই বলেছি।প্রাণের টানে ব্লগের টানে সবাই এক হয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও হবেন।তাতে করে ব্লগ দিবসের চচ্চড়ির কোন মানে হতেই পারে না । অকারণ খরচের কোন মানে হতে পারে না । যা একটা ফালতু ধারনা মনে হয় কেবল।



আমার পোস্টে আপনাদের এই কনফিউসন কেবল আমারই ব্যার্থতা।



মেনে নিচ্ছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি একটু বলতে চাই, দেখুন প্রাসঙ্গিক হয় কিনা। আমরা যা-ই করি না কেন ভাল-মন্দ দুটো এফেক্ট ই থাকে। একটা ছোট উদাহরণ দিই, সম্রাট শাহজাহান যে তাজমহল বানালেন, এটার কি কোনো দরকার ছিল ? সেই টাকা দিয়েতো অনেক কিছু করা যেত। আবার অন্য দিকটাও ভাবা দরকার, তাজমহল না বানালে আমরা এত অপূর্ব নন্দন শিল্প কে দেখতে পেতামনা। আবার নতুন খলিফা বুর্জ যেটা বানানো হলো এটা দেখে কি একবার ও কি ভাবেন না মানুসের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশলতা, আর এখানে কাজ করে কতো লোকের জীবিকা নির্বাহ হয়।



আর আপনি যেটা বললেন, ব্লক ডে পালন না করে সেই পয়সায় পথ গরীব-শিশু, মানুষদের সাহায্য করা অনেক ভালো। এটা করা যেতেই পারে কিন্তু এ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এর জন্য অন্য কিছু করা দরকার, আমরা বরং সেই সব বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করি।

____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাজমহল এখানে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার হলেও উপমহাদেশের ইতিহাসে কিন্তু এর গুরুত্ব অসীম। চার পুরুষ ধরে গড়ে তোলা মোগল সাম্রাজ্য শাহজাহান একাই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ধারনা করা হয়, তরুণ আওরংজেব দাক্ষি্নাত্যের যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে বাপের এই পাগলামী দেখেই উপলব্ধি করেন শাহজাহান আর দারাশিকো-সুজার হাত থেকে তাঁরই ক্ষমতা নিতে হবে যদি সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে হয়।

(আলমগীর নিজে অবশ্য মোগলদের প্রায় দেউলিয়া করে ফেলেছিলেন যুদ্ধ করে করে, তবে সে আরেক ইতিহাস।)



তাজ সুন্দর, সপ্তম আশ্চর্যের একটি!

কিন্তু এই তাজের নীচে চাপা পড়ে আছে হাজার হাজার মানুষের রক্ত আর দীর্ঘশ্বাস!

শেষ বয়েছে ছেলের হাতে বন্দী মোগল যমুনার পাড়ে অস্তমিত সুর্যের আলোয় বসে কি শুনতে পেতেন কিনা সেই কান্না, বড্ড জানতে ইচ্ছে হয়!



"হাতুড়ী, শাবল, গাইতী চালায়ে ভাংগলো যারা পাহাড়

পাহাড় কাটা সে পথের দুধারে পড়িয়া যাদের হাড়

তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদের গান

তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিলাকাশ, আপনি মনে মনে একটা চিত্র এইভাবে এঁকে নিন যেমন-



নাগাসাকি আর হিরোশিমা জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে , শেষ হয়ে যাচ্ছে । আর ঠিক সে সময় সুরিহিতো নামে এক ভদ্রলোক টোকিওতে বসে মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি ইমারত বানাচ্ছেন ।



কেমন লাগবে আপনার ? অনুভূতি কি হবে আপনার ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২০ হাজার শ্রমিককে কবর দেয়া হয়েছে, সকল প্রকৌশলীকে মেরা ফেলা হয়েছে যাতে করে আর কেউ কোনদিন এরকম তাজমহল না বানাতে পারে ।



ধিক এই প্রেম!!! ধিক এই স্থাপত্য !!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে আমার প্রথম দিনে হালকা আলোচনায় সায়ীদ স্যার বলেছিলেন মুমতাজ মহলের প্রতি শাহজাহানের যা প্রেম, একজন শ্রমিকের প্রেম তার পত্নীর প্রতি কিছু অংশে কম হবার কারণ আছে কি?

কথাটা আজো আমাকে ভাবায়!



আমি অবশ্য সম্রাটের একজন ভক্ত; উপমহাদেশের ইতিহাসে তাঁর মতো সমঝদার মানুষ বেশি জন্মাননি!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব সুন্দর আলোচনা হলো এই পোস্টে। এখানেই আমার মনে হয় ব্লগের সার্থকতা। অন্য কোন মিডিয়াতে এটা সম্ভব ছিল না।



নাসরিনের বক্তব্য অসাধারন , একমত না হয়ে পারলাম না। নিঝুমের গরিবের জন্য আবেগ প্রশংসনীয় তবে লেখার ঝাজ বেশী হয়ে গেছে হয়তোবা ব্যাক্তিগত রাগের কারনে।



জীবন এভাবেই সমৃদ্ধ হবে , এই কামনা করি ও এটাই বাস্তবতা।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা ব্লগ দিবসের এখনো দরকার পড়ে নি। এই পয়েন্টে একমত।



শীতার্ত মানুষের উদাহরণ দেখিয়ে ব্লগারদের আনন্দ-ফূর্তিবঞ্চিত করা পয়েন্টে দ্বিমত।



রেলস্টেশনে একজন শীতার্ত মানুষ পড়ে থাকলে তাকে গরম কাপড় দিয়ে সাহায্য করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, এটা সরকারের দায়িত্ব। সুতরাং সেখানে লোকজন শীতে কষ্ট করছে বলে আমি কাপড় না পরে নাঙা হয়ে থাকবো, বা তারা উপোস করছে বলে আমাকেও উপোস করে থাকতে হবে, এ ধরনের চিন্তাভাবনা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেউ এটা করলে সে মহামানব, কেউ না করলে তার কোনো দোষ দেখি না। আমার আয় আমি কিভাবে ব্যয় করবো, সে সিদ্ধান্ত আমার।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চোরদা, সরকারের দায়িত্ব কি, আর তারা কি করেছে গত ৪০ বছর ধরে তার কিছু অংশ আপ্নিও দেখেছেন । দেখেছি আমিও । আমি এদের কাছে কিছু আশা করি না আর। যা করার মানুষ করবে । মানুষ নামবে মানুষের জন্য । সরকার যেহেতু চোখ বন্ধ করে আছে, "দেখি নাই" বলে।











সুতরাং সেখানে লোকজন শীতে কষ্ট করছে বলে আমি কাপড় না পরে নাঙা হয়ে থাকবো, বা তারা উপোস করছে বলে আমাকেও উপোস করে থাকতে হবে, এ ধরনের চিন্তাভাবনা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেউ এটা করলে সে মহামানব, কেউ না করলে তার কোনো দোষ দেখি না। আমার আয় আমি কিভাবে ব্যয় করবো, সে সিদ্ধান্ত আমার।












আর কি বলব এই কথার পর ? কিংবা কি-ই বা বলা যেতে পারে ? অন্ততঃ আমার পক্ষ থেকে কিছু বলার নাই ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চোর, সরকারের দায়িত্ব কি, আর তারা কি করেছে গত ৪০ বছর ধরে তার কিছু অংশ আপ্নিও দেখেছেন । দেখেছি আমিও । আমি এদের কাছে কিছু আশা করি না আর। যা করার মানুষ করবে । মানুষ নামবে মানুষের জন্য । সরকার যেহেতু চোখ বন্ধ করে আছে, "দেখি নাই" বলে।







সুতরাং সেখানে লোকজন শীতে কষ্ট করছে বলে আমি কাপড় না পরে নাঙা হয়ে থাকবো, বা তারা উপোস করছে বলে আমাকেও উপোস করে থাকতে হবে, এ ধরনের চিন্তাভাবনা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেউ এটা করলে সে মহামানব, কেউ না করলে তার কোনো দোষ দেখি না। আমার আয় আমি কিভাবে ব্যয় করবো, সে সিদ্ধান্ত আমার।







আর কি বলব এই কথার পর ? অন্ততঃ আমার পক্ষ থেকে কিছু বলার নাই ভাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেকটা কথা যোগ করি, 'সাহায্য' জিনিসটা অনেক সময়ই অবমাননাকর, বিশেষ করে, যেখানে একজন কাজ করে তার অবস্থার উন্নতি করতে পারে; কিন্তু করে না, সেখানে তাকে অর্থ সাহায্য করা মনে হয় পাপের পর্যায়ে পড়ে।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"পালাবার পথে ধুলো ওড়ানোর দংগলে ভাই,

আমিও ছিলাম একজন, আজ প্রাণপণে তাই,

ভীরুতার মুখে লাথি মেরে লাল ঝান্ডা ওড়াই!"



রেসপেক্ট!!! (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বিদুর,



পালাবার পথে ধুলো ওড়ানোর দংগলে ভাই,

আমিও ছিলাম একজন, আজ প্রাণপণে তাই,

ভীরুতার মুখে লাথি মেরে লাল ঝান্ডা ওড়াই!




এই লাইনগুলো কার রে ভাই ? এত অসাধারণ!!



এত চমতকার কয়েকটি লাইন মন্তব্যে দেয়াতে আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

যতদূর মনে পড়ে, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের লেখা, '৬০ এর দশকের শেষভাগে!



আপনার পোষ্টে তো মনে হয় আসল কথা (বা ব্যথা, যাই বলেন) লুকিয়ে আছে শেষ প্যারাতে!

কি করবেন দাদা, হিপোক্রাসী এখন আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে!

মানুষ বোধহয় ইচ্ছে করেই বোঝেনা আজ!

জীবন বাবুর মতোই বলতে হয়, সবচেয়ে বেশী অন্ধরাই চোখে দেখে আজ সবচেয়ে বেশী!



মার্কসবাদ, লেলিনবাদ

হিপোক্রাসী নিপাত যাক


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোষ্ট পড়ে খুব ভাল লাগলো, তবে আমার অনেক কিছু বলার আছে। একটু ব্যস্ত আছি, তাই পরে বলবো। একটা ব্যাপার মনে হয়েছে, আপনি অনেক বেশি আবেগী (আমিও তাই, সবাই বলে ওটা আমার সবচেয়ে বড় সমস্যা)। আপনার আবেগ আপনার দেয়া অনেক সুন্দর যুক্তিকেই ছাপিয়ে যায় অনেক সময়। আপনি ভাল লেখেন সন্দেহ নাই, তবে এই লেখাতে আপনার টোন, এবং ভাষাগত সমস্যা হয়ত ছিল, নইলে এত মানুষ কনফিউজড হত না। আপনার যে মূল বক্তব্য সেটা ক্ষাণিকটা হারিয়ে গেছে সেই কারণে।



পরে বলবো আর যা বলার। মুশকিল হল আমি ৭ তারিখ পর্যন্ত ভয়াবহ ব্যস্ত।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আপনার লেখার আবেগ বা স্বগতোক্তির প্রতি সম্মান রাখিয়ে একটা কথা রিপিট করি -------

মাঝে মাঝে আপনার লেখাগুলোকে আমার কাছে সমাধানহীন মনে হয়েছে। রাজনীতি নিয়ে আপনার পোস্টে দেখেছি একরকম ভারসাম্যহীন তূলনা, যেমন ধরেন প্রধানমন্ত্রীর দিকে ক্যামেরা তাক করা অথচ মুক্তিযোদ্ধার পায়ে ছেঁড়া জুতো......



এখন ঘটনা যেটা মনে হয় এই পৃথিবীর অনেক অসামঞ্জস্যতা নিয়ে আমাদের বড় হতে হয়েছে। পৃথিবীর কবে কোথায় ফ্রিডম ফাইটার মানেই তারকা খ্যাতি বলেন, দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ বিপ্লবী মরে যায় , রূপালি পর্দার মানুষের দিকে ক্যামেরা বসানো থাকে । নতুন করে এই সব বিষয়েরই অবতারণা কারো কারো আবেগ ছুঁয়ে যেতে পারে আবার রিপিটেশনে বিরক্তিও আনতে পারে



রাজনীতি বা যেকোন বিষয়ে আপনার নেতিবাচক বক্তব্য আমার চোখে কিছুটা গন্তব্যহীনই ।

যেমন ধরুন সাকা চৌধুরি রাজনীতিতে কেন প্রতিষ্ঠিত এটা হতাশার , কিন্তু এটা আশার যে আপনি সাহস করে কলম ধরতে পারেন তার বিপক্ষে। আজও রিপোর্টাররা তার দম্ভোক্তিগুলো তুলে আনে তাকে চেনানোর জন্য , আপনার ঐ সিরিজ সকলের প্রিয়তে যোগ হয়





পেসিমিস্ট মানুষ কিন্তু গন্তব্যহীন --------জানিনা আমার কমেন্ট এখানে কি ভাবে দেখছেন তবে আমি শুধু বলতে চেয়েছি আপনার অনেক পোস্টেই একধরণের ভুল উপমা আসে, যে উপমাগুলো সাময়িক করতালি পাবার মত আবেগি কিন্তু শুধুই পুনরুক্তি





আমার পাঠকসত্ত্বার কাছে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে কথাগুলো বলে ফেললাম, এর সাথে দুইব্লগ বা এই ব্লগের দুইগ্রুপের কোন সম্পর্কের রেশ রাখতে চাইনি । অথবা এখানে আমার অপটিমিস্ট সত্ত্বার কাছে আমি কিছুটা বায়াসড


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তনুজা, আপনার মতামতের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে । আর ধন্যবাদ মতামত প্রকাশের জন্য । এই লেখটি কিংবা কোন লেখাই আমি করতালি পাবার জন্য লিখিনা তা বলতে পারি নিঃসঙ্কোচে। নির্দ্বিধায় ।



আমি পেসিমিস্ট; এটি ভ্রান্ত ধারনা হলেও তা-ই মূলত আমার লেখায় প্রতিটি ক্ষেত্রে উঠে আসে । এ কারনে আপনি অন্য সবার মতই বিভ্রান্ত হয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না ।



একজন বীরশ্রেষ্ঠের মা ছেড়া স্যান্ডেল নিয়ে বসে থাকবেন,আর প্রধান্মন্ত্রী, স্বৈরাচাদের পেছনে মানুষ ছুটবে এই নোংরামির কথা বলা যদি হয় পেসিমিজমের একটি নিদর্শন , তবে হ্যাঁ । আমি পেসিমিস্ট ।







এখন ঘটনা যেটা মনে হয় এই পৃথিবীর অনেক অসামঞ্জস্যতা নিয়ে আমাদের বড় হতে হয়েছে। পৃথিবীর কবে কোথায় ফ্রিডম ফাইটার মানেই তারকা খ্যাতি বলেন, দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ বিপ্লবী মরে যায় , রূপালি পর্দার মানুষের দিকে ক্যামেরা বসানো থাকে । নতুন করে এই সব বিষয়েরই অবতারণা কারো কারো আবেগ ছুঁয়ে যেতে পারে আবার রিপিটেশনে বিরক্তিও আনতে পারে




আপনার এই কথাটুকু পড়ে আমার এখন যা বিরল অনুভূতি হচ্ছে, উপরে চোরের কমেন্ট পড়েও একই বোধ হয়েছিলো । কি সেটা, তা বলব না আপা ।



শুধু একটাই বলি, অন্যায় আর অত্যাচারকে যেভাবে গ্রান্টেড কিংবা মেনে নিয়েছেন, যেভাবে অনৈতিক চর্চা হতে দেখে দেখে মেনে নিয়ে যাচ্ছেন,যেভাবে একটি ভুল দেখতে দেখতে চুপ করে থাকছেন, এটি সব অন্যায় থেকেও ঘোরতর অন্যায় ।



তাই সেসব চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়াটাই বিরক্তির উদ্রেক করে ।



জানি ।



এও জানি, যে রাজনীতির পুরোটাই এখন নেতিবাচক স্পর্শে স্পর্শিত কিংবা পঁচে যাওয়া একটি পিন্ড, তাকে নতুন করে নীতিহীন বললে আমার গন্তব্য কি আর থাকে না থাকা উচিত আপু ??



অন্যায়ের প্রতিবাদ করা কিংবা ক্ষয়ে যাওয়া সামাজিক কাঠামোগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া যদি আপনার চোখে গন্তব্যহীন হয় । তবে আমি তা-ই ।



তবে তা-ই হোক । ভুল করে নির্ণীত হতে থাকার মজাই আলাদা । এই রোমান্টিসিজম থেকে নিজেকে বরং বিচ্যুত না করি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তনুজা, (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি পুরা চেইনজড মানুষ



সব বিলাইয়া দিতাসি



নিজুম সাব খাওন কি বন্ধ কইরা দিবাম?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার কথা মনে পড়ল। তাই পোস্টে চোখ রাখলাম। ভাল লাগল। (F)

glqxz9283 sfy39587p07