Skip to content

প্রতি...রাসেল পারভেজ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা ছোট গল্প দিয়ে শুরু করি ভাই । একবার আমার এক খালুর সাথে আমাদের সব ভাই বোনের ভীষন বিতর্ক হচ্ছে । বিতর্কের বিষয় হচ্ছে গোলাম আযমকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়াটা যে কত বড় অন্যায় তার উপর । আমাদের এই খালু বাসায় এলে আমরা সব ভাই বোনেরা বেশ আগ্রহ নিয়ে তার সাথে কথা বলতাম । তিনি জানতেন ভালো । এই ছিলো তার গুণ । তবে তার জানা যে কোন রাশি চক্রের পাঁকে পড়ে জংধরা, তা জানা ছিলো না । সে কথা না বুঝতে পারলে আজও হয়ত আমরা খালুর নামে অন্ধ থাকতাম ।



তর্ক চলছে, তর্ক চলছে… আমরা ভাই বোন সবাই খুব অবাক হচ্ছি । কারণ আমাদের অবস্থানে আমরা গোলাম আযমের বিপক্ষে এবং তাকে দেশ থেকে বের করে দেবার চূড়ান্ত রকমের পক্ষে । আমার খালু এক ধরনের প্রবল ও প্রচন্ড গোপন শক্তিতে তর্ক করেই যাচ্ছেন এঁড়ে বকনার মত । এক পর্যায়ে আমি আমার দুনিয়ার রেফারেন্সের বই খাতা হাজির করলাম । ছবি দেখালাম । গোলামের সব অপকর্মের বিবরণ, ৭১ সালের তার সব কাজ কর্মের প্রমাণ যতটুকু পারি এনে হাজির কর্লাম । এক পর্যায়ে লক্ষ্য করলাম খালু ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে । আমাদের কথা মেনে নেয়া শুরু করেছেন । “ঠিক আছে, মানলাম । তোমাদের কথা ঠিক” “আচ্ছা , তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম তোমরা ঠিক, “ আচ্ছা যাও, যাও, ওইসব বইয়ে এম্নিতেই লেখা থাকে । বুঝলাম তোমরা ঠিক” এইভাবে তিনি নিস্তেজ হওয়া শুরু করলেন । নিস্তেজ হবার শেষ মুহূর্তে তিনি এমন একটা কথা বললেন যে আমার হাত থেকে বই গেল পড়ে, আমার ছোট ভাই সোফা থেকে পড়ে গেলো, আর অন্য ভাই বোনেরা হাঁ করে তাকিয়ে থাকল । তার শেষ কথা ছিলো এমন,



“ হ্যাঁ যাও, তোমাদের সব কথা বুঝলাম । তোমরা সত্যি । কিন্তু আসল কথা তো জানো না”



আমরা প্রশ্ন করি, “কি সেই আসল কথা?” তিনি আমাদের দিকে ঝুঁকে এসে জানান দেন,



“আরে শেখ মুজিব আসলে বড় রাজাকার ছিলো । বুঝলা?”



আমরা সেদিন হাসতে ভুলে গিয়েছিলাম । কাঁদতেও ভুলে গিয়েছিলাম । আমরা সেদিন যা করেছিলাম তা হলো, সবাই খালুর দিকে আধা ঘন্টা হাঁ করে তাকিয়ে ছিলাম ।



আপনার পোস্ট পড়ে কেন জানি সেই খালুর কথা খুব মনে পড়ে গেলো । খালু আমাদের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধান্তে চলে যান । আমরা বুঝতে পারি নাই, আমাদের সব যুক্তি শুনে উনি হুঁ হুঁ কেন করছিলেন । তার শেষের বাক্যের পর বুঝেছিলাম, তিনি একটি সিদ্ধান্ত আগেই পেটের তলদেশে কিডনীর সাথে পেঁচিয়ে আমাদের সাথে কুলকুচি করেছিলেন । অনেক আগের আমার সেই ভ্রান্ত খালুর একটা অবয়বে আপনি আবার হাজির হলেন । আমি বলিনা আপনি তার প্রেতান্মা । এও বলি না আপনি তার প্রেডিসেসর । কিন্তু সিদ্ধান্ত তলপেটে নিয়ে যারা বুকডন দিয়ে কাছে এসে বলে, “আপনি বলেন, আমি শুনছি” তখন কথনকারীর বিশাল ব্যাখা আর তাতে কাযে আসেনা । মূলত, তার বলা কথা হয় কেবল সময় নষ্ট । কেননা বুকডনকারী বুকে করে সিদ্ধান্তের ডিম বেঁধে রেখেছিলো ।



আপ্নিও একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়েছেন ফার্মলি । আপনার লেখাতে তা স্পস্ট । অন্যায়কারী, ভুলকারী, এইসব সিদ্ধান্ত নিয়ে এসে আলোচনা করতে চাইছেন । তা কতটুকু স্বার্থক হতে পারে তা কেবল আপনিই বোঝেন । সিদ্ধান্তের ডিম তো আপনার পেটেই । আমি ব্যাক্তিগতভাবে আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহী । এইটাকে একটা বিতর্ক ধরে আমরা না আগাই । বরং আমাদের কথার একটার যুতসই নাম আমি দিলাম “পাল্টা কথন”



আপনার লেখাটি আমি একবার পড়িনি । যদি কম করেও ধরি, পড়েছি বারো কিংবা তেরোবার । এতবার পড়ার কারন কি এই চিন্তা করতে গিয়ে দেখলাম, মূলত আমি আপনাকে কি করে পালটা যুক্তিতে ঘায়েল করব সে কথাই মনে মনে হিসেবের মত কষছিলাম । মানে হচ্ছে, “আপনি, ভুল” এই রকম একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমিও পেটে একটা ডিম জন্ম দিয়ে ফেলেছি । সুতরাং, বাধ্য হয়েই আমাকে সে ডিম ভেঙ্গে ফেলতে হচ্ছে । সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইমারতকে আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে বললেন ডানে আর আমি বললাম বামে তাতে করে ইমারত ডানে কিংবা বামে কোথাও হেলে পড়ে না । দূর্ভাগ্যবশতঃ সে সোজাই দাঁড়িয়ে থাকে । শুধু আমাদের সিদ্ধান্তই যত তর্জন-গর্জন সার ।



রাসেল ভাই, এই লেখার শুরুতে আপনার লেখার একটা প্রিন্ট আউট নিয়ে বসেছিলাম । প্রতিটি লাইন পড়ে ভেবেছিলাম কঠিন যুক্তি দিয়ে আপনাকে ঘায়েল করে চরম একটা শান্তির ঘুম দিব । হঠাত করেই মত পাল্টালাম । মনে হলো, কি লাভ আপনাকে যুক্তির যুদ্ধে হারিয়ে দেবার চেষ্টা করে ? কি এসে যাবে তাতে ? ঠিক কোন উদ্দেশ্যটি সফল করে এই আমি তৃপ্তির ঢেকুর তুলব ? কি এসে যাবে সমাজের ? পৃথিবীর ? দেশের ? মানুষের ? ব্লগের ?



ভাই, আপনাকে বলি । আরবান গেরিলার আর কোন উদ্দেশ্যই ছিলো না কেবল অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছাড়া । মাঝ পথে মনে হয়েছিলো এই প্রতিবাদ তো নিজেই করতে পারতাম । কাওছার ভাই কি তার নিজের আলোতে কম আলোকিত ? বাঙালের মত এমন মেধাবী জীবনে খুব বেশী দেখিনি । অতিথি পাখির মত এমন ইমোশোনাল মানুষ কিংবা জাবিরের মত একটা চমতকার ছেলে । তারপরেও দল বানিয়েছি ।



ভুল কিংবা শুদ্ধ এই দুইটি শব্দের তীব্রতায় সেই সিদ্ধান্ত নেবার কথাই এসে যায় । শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা করছি ঠিক করছি । সুতরাং আর পিছু তাকাই নি । আচ্ছা রাসেল ভাই বলতে পারেন ? এই যে আমাদের এই কিছু করতে চাওয়া, এই যে দেশ প্রেমের হাঁক-ডাক, এই যে খায়া ফালামু, মাইরা ফালামু, এগুলো আসে কোত্থেকে ? এগুলা কি ভাই কোন গোপন হতাশার বহিঃপ্রকাশ ? আমার বাবার যদি আজকে লক্ষ , কোটি টাকার মালিক হতেন তবে কি বলতে আসতাম এই দেশ প্রেমের কথা ? আমার বাবা যদি আজকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন তবে কি বলতাম এই দূর্নীতির কথা ? তবে কি বলতে পারতাম গলার রগ-টগ ফুলিয়ে যাবতীয় প্রতিবাদের কথা ? কয়েকদিন হলো এইসব ভেবেই নিজেই কেমন যেন অপরাধী হয়ে যাই । খালি মনে হয় , সুযোগের অভাবই কি নিজেকে প্রতিবাদী করেছে ? আবার মাঝে মাঝে নিজেকে বোঝাই, নাহ, আমি মনে হয় এমনই । এমনটিই হবার কথা ছিলো আমার । এই ভেবে পড়ে যেতে যেতেও আবার উঠে দাঁড়াই । এরকম একটা অসম্ভব রকমের ডাইলেমা আমাকে আজকাল আসলেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ।



আমার ছোটভাই লন্ডনেই থাকে । প্রায়ই, আমাকে এসে ঝেরে যায় । “আপনি আগে ব্যারিস্টারী পাশ করেন । তারপর এইসব লিখেন । আপনার কথায় কিচ্ছু পালটাবে না । খামাখা বিপদে পড়বেন” । আমার স্ত্রী , মা, বোন , বন্ধু সবাই সেই একই রেকর্ড বাজায়, আগে একটা পজিশন হোক তারপর…



আমার খুব হাসি পেয়ে যায় । আজকে রাজনীতি বিদেরা, সরকার ও গং, এম্পি,তাদের বাল-বাচ্চা,চামচা,চাটুকার, যে অপরাধ করছে তার প্রতিবাদ এখুনি করা যাবেনা । ডঃ দেবপ্রিয় কিংবা ডঃকামাল হয়ে তারপর । তখন আমার রানের দুই ফাঁক থেকে অনেক দিনের জমিয়ে রাখা হতাশার ডাইরী নিয়ে একে একে বলা শুরু করব, আমি ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার ।



“২০০৭ সালে তুমি জাতির গোয়া মারছিলা ছিদ্দিক এম্পি, আজকে তার প্রতিবাদ করলাম । কারন আজকে আমি ব্যারিস্টার । এই তুই…তুই…ফরিদপুরের এম্পি নুনু মিয়া । তুই জনগনের দুই কোটি টাকা মারসস ২০০৯ সালে । আজকে প্রতিবাদ করলাম সেইটার । কারন আজকে আমার পজিশন আছে । আমি ব্যারিস্টার”



আমার পরিবার চায় এমন,বন্ধুরা চায় এমন,ভাই চায়, বোন চায়, বউ চায় । আমি চাই কি চাইনা তা জানিনা, তবে আমার শরীর জ্বলে । আসাদুজ্জামান নুরের ছেলে যখন পাছা বাঁকা করে কাজ ছাড়া শুধু গাঞ্জা খায় তখন, নাজমুল হুদার দুই মেয়েকে যখন প্রতি মাসে বিশ লাখ টাকা পাঠানো চলবার জন্য, ব এনপির সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামালের ছেলে যখন বি এম ডাব্লিউ চেপে শহর ঘুড়ে বেড়ায় আর মুখ খিঁচিয়ে আমাদের বলে কামলা, নাজিউর রহমান মঞ্জুরের ছেলে অঞ্জন যখন কোটি টাকার উপর বেথনাল গ্রীনের ফ্লাটে থাকে তখন হতাশা আর চেপে রাখতে পারিনা । না পাওয়ার বেদনায় বলেন, কষ্টের তীব্রতায় বলেন চেঁচিয়ে উঠি । আমার বাবার , আপনার বাবার, আমাদের আপনাদের টাকা মেরে এখানে তারা বেঁচে বর্তে যাবে চোখের সামনে সহ্য হয়না একেবারে । দিন শেষে আমরা যখন আমাদের কামলার গল্প চাবাই বউয়ের সাথে কিংবা আমার আরেক সহকর্মী কামলার সাথে তখন ওইসব রাজনীতি বিদের ছেলেরা , মেয়েরা চাবায় এম্পি হবার গাল গপ্প । কি করে আমাদের পাছায় নতুন নতুন আইক্কালা ঢুকানো যায়, তার গল্প । ঘৃনা জন্মাতে থাকে … আর থাকেই ।



নিজেকে একদন্ড শান্তি দিতে আসি ব্লগে । প্রতিদিনকার ক্লেদ,হতাশা,ক্ষোভ,বঞ্চনা এসব উগড়ে দেই প্রচন্ড ক্রোধে ধর্ষন করবার মত । নিজের ভুবনেই নিজেকে সঁপে দেই “ তোর মায়েরে বাপ” বলে । আমার ক্ষমতা অতটুকুই ভাই । ব্লগে এসে মির্জা আব্বাস কে খাঙ্কির পোলা বলা কিংবা সাকা কে চোতমারানীর পোলা বলতে পারার এই সামান্য ক্ষমতা আমি বাঁচিয়ে রাখি অমূল্য মুক্তার মত । এই ব্লগেই সমমনা পেয়ে যাই কাওছার,জাবির,বাঙাল,পাখিকে । এদের ভেতর দেখি দাউ দাউ করে জ্বলে সেই আশ্চর্য আগুন ।



ব্লগে সব দলীয় চাটুকারদের ওপর তৈরী হয় এক ধরনের ক্ষোভ । মনে হয় এরা সেই লোক যারা আমাদের মত ভাতে মরা পাবলিক হয়েও না বুঝে সব কুত্তার বাচ্চা পলিটিশিয়ানদের নিজের ইজাকুলেশনে ভাসিয়ে দিচ্ছে দপ-দপিয়ে । জিয়া উদ্দীনের বলা সেই বিপ্লবীর গল্পের মতন মনে হতে পারে এই অধ্যায় । ডন কুইসোড না কি যেন…



এর ভেতর দেখতে পাই নানা অনিয়ম । বুঝতে পারি এখানেও দেশের রাজনীতি জাঁকিয়ে বসেছে সেই পুরোনো খোলশে । হতে পারে এ আমাদের সিদ্ধান্তে পৌছে গিয়ে সে ডিম বেঁধে আগাবার গল্পের মতন । আমরা এসব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দেই । চোখের সামনে অনেক অন্যায় দেখি । এমনকি স্বীকারোক্তির পরেও এই অন্যায় আর মেনে নিতে পারিনা । ওইযে আপনাকে বললাম, আমাদের ক্ষমতা সামান্য । অতি অল্প । তাই আমাদের সাধ্যের ভেতরের অন্যায়কেই বধ করতে চেয়েছি রাবণ মারার মত করে আনন্দ উল্লাসে । ভেবেছি, অন্তত একটা ভালো কাজ তো করে যেতে পারলাম । বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের ভার যদি আপনার হাতে ছেড়ে দেই তবে তাতে আমিই হালকা হই । এবং সেটাই হোক ।



আমি জানি আমাদের জীর্ণ আর শীর্ণ চিতকারে অনেক অন্যায়ই রোধ হবে না । সুশান্ত যদি তার রাজনৈতিক অভিলাষ পূর্ণ করতে চান । তবে তিনি তা করবেনই । আমরা তা ঠেকাতেও চাই না । আমরা কেবল চেয়েছিলাম প্রচলিত ধারনার পরিবর্তন । আমরা চেয়েছিলাম জানাতে । দেখুক তারা, কার সাথে যুদ্ধ করছে । আমাদের আরবান গেরিলা ছিলো এর শুরু মাত্র । আমরা কি এই পাঁচ জন দেশ পাল্টাতে পারব ? না পারব সমাজ পাল্টাতে , না পারব মানুষ পাল্টাতে ? সব কথা শেষে ভোট যাবে পিন্টুতে না হয় হাজি সেলিমে । এই নিয়তি । কিন্তু রাবনকে বধ করতে যাওয়া হাজারো তীরে আমাদের পাঁচজনের পাঁচটি দূর্বল নিক্ষিপ্ত তীর ছিলো এই ভেবেই আমরা শান্তি পেয়েছিলাম নিজের মতন করে ।



ওই যে বললেন, মিছিলে হঠাত কিছু উত্তেজিত যুবকের কথা , যারা কিনা কোন কথা বার্তা ছারাই প্রচন্ড মানুষ দেখে উদ্বেলিত হয় । ধুম-ধারাক্কা কিছু ভাংচুর শুরু করে । হঠাত করেই তাদের শক্তি দিগুন বেড়ে যায় । ঠিক যেন অফিসে যাওয়া নিপাট করিম সাহেবের মতন । অফিসে যাওয়ার পথে, রড চুরি করতে সেই তথাকথিত চোরকে সবাই মারছে দেখে, সেই নিপাট করিম সাহেব এই ভীড়ের মাঝে প্রচন্ড শক্তিশালী হয়ে যান । “খানকির পোলা, চোর হইসো?” এই বলে তীব্র আঘাত হানেন বুক বরাবর তার ক্ষয়ে যাওয়া জুতো খানি দিয়ে । ঠিক তেমনি অফিসে গিয়ে চোরের সর্দার জামরুল সাহেব কে কিছুই বলতে পারেন না কেবল কুইঁ কুঁই করা ছাড়া । কেন জানেন ? কারন জামরুল সাহেব বড় কর্তা । তিনি রড চুরি করতে যাওয়া নিতান্ত নবিস চোর নন । আপনার মত সহজ শান্ত রাসেল পারভেজ কি, রাত ঘুমে বাস ধরার পরোয়ানা এলে ডিজিটাল টাইমের মায়েরে চোদেন নাই ? চোদেন নাই সরকার, অব্যাবস্থাপনা, সমাজের কাঠামো, চৌকাঠ ,এম্পি,মন্ত্রী,কর্তা-কর্ত্রী কে ?



এইগুলা ক্ষোভ রাসেল ভাই । একেক জনের প্রকাশ একেক রকম ।আপনি যখন ছয় নাম্বারে কিংবা দুই নাম্বারে ঝুইলা ঝুইলা যখন অফিসে দৌড়ান , তখন হয়ত আপনার পাশে দিয়েই ইয়ো ইয়ো ছেলেরা মাত্র যৌন আনন্দ ভোগ করে বি এম ডাব্লিউতে চেপে ঘরে ফিরে । আপনার তাতে পিত্তি না জ্বল্লেও আমার জ্বলে । আমাদের জ্বলে ।



নাজমুল হুদা আর সিগমা হুদার সঙ্গমে যদি চৈতী আর নদী জন্মাইয়া মার্বেল আর্চে কোটি , কোটি টাকার বিলাসে মত্ত থাকতে পারে , তবে আমি উকিল সাব আর তার বউয়ের গর্ভে জন্মিয়ে অন্তঃত ভালো ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারি । ছগীর ও ছগীরের বঊয়ের গর্ভে জন্ম নেয়া রফিকও সে স্বপ্ন দেখতে পারে । কোন খানকির পোলার এই স্বপ্ন কেড়ে নেবার সাহস নেই রাসেল ভাই ।



আজকে আমার ব্লগের ব্লগার “সকাল” । রাত নাই, দিন নাই মানুষের ঘরে একটা মাত্র সিগ্নেচারের জন্য কুকুরের মত দৌড়ে বেড়ায় । কেন ? কারন দেশের তেল-গ্যাস কোন বাছ বিচার ছাড়াই বেচতে দিবে না । তার মত এমন গোপ্ন সংগ্রামী কিছু নাছোড়বান্দা ছেলে পণ করে বসেছে । এতে কি লাভ তার ? তার লাভ একটাই , সরকার তার দেশের বাড়িতে গোয়েন্দা পাঠায়, লন্ডনে তার বাড়িতে রাত বিরেতে ফোনে হুমকি দেয়, মেইল ট্যাপ করে ।সে কি পারত না সে ছগীর কিংবা আবুলের মতন ছোট হয়ে, নীচু হয়ে বেঁচে থাকতে ? জিয়ার পোলা তারেক কিংবা হাসিনার পোলা জয় হয়তবা সে সময় ৫ মিলিয়ন ডলার ওর দুই রানের চিপায় ঢুকায় । আর মাইনাস ২ ডিগ্রী, তিন ডিগ্রী শীতে এই সকালরাই দেশের জন্য কাজ করে ।



ব্লগার নাসরিন আপার মেয়া তানহা । সুখে আছে, ভালো আছে কানাডায় । কোন টাকার সমস্যা নেই । কষ্ট নেই । পড়ালেখায় ব্যাস্ত । তারপরেও কেন সে রাত জেগে জেগে ফেইস বুক ইনভাইটেশন পাঠায় মানুষকে শুধু পিটিশানে একটি সাইন নেবার জন্য ? কেন সে মেইলের পর মেইল করে শুধু মানুষকে জানান দেয় আর একদিন…আর দুই দিন…প্লিজ সাইন…প্লিজ…প্লিজ…



কি লাভ তার ? কোন লাভ নাই । শুধু এই মেয়েটা দেশকে ভালোবাসে কয়েক হাজার মাইল দূর থেকে নিজের থেকেও বেশী । এইগুলা হচ্ছে পাওয়া ভাই । এইগুলা হচ্ছে আমাদের অর্জন । বলেন, তলদেশের পেটের কথা । যা নাকি, বেইলী ড্যান্সের থেকে কার্যকর । সেই চিপায় শুধু তরল নির্গত হয় রাসেল ভাই । আর কিছু না ।



আপ্নারে একটা এসেস্ম্যান্টের জন্য থ্যাঙ্কস । ওইযে বল্লেন তিন জনের কথা ,। যাদের নেতা হবার সম্ভাবনাই নাই । জানিনা বাকী দুইজন কে, যারা এই এসেস্ম্যান্টের নীচে এখনো আলোকিত হয় নাই । হ, একে আমি আলোকিত হোয়াই বলি । আমাদের তিনজনকে নেতা হবার রাস্তা থেকে সরিয়ে দেবার জন্য আপনাকে অন্তত আর কেউ কিছু বলুক আর না বলুক, আমি আমার ধন্যবাদ জানাই একেবারে ভেতর থেকেই । এখন আর পুলিশ ছুয়ে গেলে ছত্রিশ ঘা হয় না, রাজনীতি কিংবা নেতার তকমা লাগলে দ্বিগুন হয় ভাই ।



রাসেল ভাই, তাকিয়ে দেখেন সামান্য ব্লগার এরা । শালিক,আত্তদ্বীপ,খারাপ মানুষ,সকাল,বাপ্পি । কখনো তাদের বলি নাই আসেন, প্রতিবাদ করি । টুটি চেপে ধরি সব অন্যায়কারীদের । তারা এমনিতেই এসেছে আমাদের সাথে । আমাদের ভেতরে যে চাপা আগুন ছিলো, সে আগুন তাদের ভেতরেও গম গম করে । এই সামান্য প্রতিবাদে এই শিখলাম । আরো শিখলাম, ঘরে ঘরে এমন আগুন জ্বলছেই । জ্বলবেই । আপনি রাসেল হয়ত সব কিছুর উপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন ।



আমার,কাওসার,বাঙাল,পাখি,জাবির,আত্তদ্বীপ,শালিক, সকাল, খারাপ মানুষের তো কেবল শুরু হলো ভাই । যতক্ষণ দম আছে প্রতিবাদ করি ।



একদিন না হয় আপনার মতে হয়ে যাবো । সেদিন হার মেনে নেবো ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা কি এই পাঁচ জন দেশ পাল্টাতে পারব ? না পারব সমাজ পাল্টাতে , না পারব মানুষ পাল্টাতে ?




কিছু মানুষকে তো পাল্টাতে পেরেছেন, ভবিষ্যতে আরো পারবেননা কে বলল? একটা ভাল কিছুর টুঁটি চেপে ধরতে আমাদের জুড়ি মেলা ভার, তাই আমি মনে করি এথেকে শিক্ষা অর্জন করা উচিত সামনে এগিয়ে যাওয়ার। কারন আপনি ঠিক পথে না থাকলে এই বাধা আপনের সামনে কখনয় আসত না। তবে বিশ্বাস করেন আমারও মাঝে মাঝে এসব নোংরামো দেখে যারপর নাই বিরক্ত লেগেছে, কারন আমি ব্লগ রাজনীতীর প্রায় কিছুই না জেনে অন্তত কিছু বিষয় স্পষ্টতই মিথ্যা ধরতে পারি যা অনেক পাকা ব্লগার বুজতে পারেনা (নাকি বুজতে চায় না)। তাদের কমেন্ট এবং গালাগালি আমাকেও ব্যাথিত করে, কারন তাহলে যে তাদের করা অনেক পোষ্ট যেগুলো আমাকে দেশ সম্বন্ধে ভাবায় সেগুলো শুধু হাস্যকর বানী হয়ে যায়। আমি জানিনা ভবিষ্যতে আমি ব্লগিং করব কিনা তবে আপনাদের লেখার একজন পাঠক হিসেবে থাকার চেষ্টা আমি করে যাব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আত্তদ্বিপ, (Y) (Y) (Y)

পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আত্তদ্বিপ, (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যতক্ষণ দম আছে প্রতিবাদ করছি....করবো।

মৃত্যুতেও যেন হার না মানি ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইশ্‌ আমি তো পুরাই অন্ধকারে !!







মূল ঘটনা কেমনে জানি ?

রাসেল ভাইয়ের পোষ্ট পড়লাম মন্তব্যও করলাম একটা , পুরা ব্যাপারটা বুঝি নাই



একটা কি লিঙ্ক দেয়া যায়?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার !!!!!!!!!!!!!!!!!! আমিও আপানা্র পাঠক হিসেবে থাকব।আরো ভাল লিখা আসা করি (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম, তোমার এই লেখাটা পড়লাম, ফাইভ ইউজি ব্লগে তোমার একটা লেখা আছে, বিশদ মন্তব্য-স্ক্রীনশট এবং অনেক ক্যারিশমাসহ সেটাও পড়লাম। এ লেখার ফোকাস আর সে লেখার ফোকাস আলাদা। কে বিভ্রান্ত? আমি, তুমি না কি তোমার ভাবনা।



আদর্শের জায়গাটা কি তোমার? নিজস্ব আদর্শের লড়াইটা কি? পলিটিশিয়ানব্যশিং? সুবিধাবাদী ব্যশিং? তাদের ছেলে মেয়েদের ব্যাশিং? প্রত্যেকে একই লড়াইয়ে একই ভাবে লড়তেছে এইটা আশা করো না।



হেলাল হাফিজ পড়ছো? নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়?

মিছিলের সব কণ্ঠ, সব পা এক নয়,

কেউ আসে জ্বালিয়ে বা জ্বালাতে সংসার??



ইউজি কেনো গঠিত হয়েছে, ইউজির লক্ষ্য কিংবা আদর্শ কি ছিলো, সেটা একেবারে ভিন্ন ধারার আলোচনা। ধরো আসাদুজ্জামান নুরের ছেলে- বাপের টাকা আছে, মৌজ-মাস্তি করতেছে- বাপের টাকা থাকা অন্যায় না। বাপে ঘুষ খেয়ে টাকা বানাইছে এমন সচিবের ছেলে মেয়ে বাপের টাকায় মোজ মাস্তি করতেছে, ল্যাভিশ জীবনযাপন করতেছে- এইটা হীনমন্যতার জন্ম দেয়- এইসব দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রী-মিনিস্টার-চোর-বাটপারের জীবনযাপনের ধাঁচ এবং তোমার নিজস্ব ইচ্ছা সাধ এবং সাধ্যের ফারাক এবং এই জনিত আক্ষেপ- সেটা এক ধরণের বিক্ষুব্ধতার জন্ম দিতে পারে-



সেসব বিক্ষোভ প্রকাশে আমার ব্লগ কি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোনো আরোপ সৃষ্টি করেছে? আমার ব্লগ কি কোনো নির্দেশনা কি হুমকি দিয়েছে এইসব লেখা যাবে না? তুমি কি নিজের লেখার জন্য এমন কোনো বাস্তব অসুবিধার মুখোমুখী হয়েছো যা আমার ব্লগ কতৃপক্ষ সৃষ্টি করেছে?



ব্যক্তি সুশান্তের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ঠতা কি আমার ব্লগ নামক সাইটের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে? যেকোনো অপেন ফোরামে যতটুকু রাজনৈতিক কোন্দল থাকবে, তীব্র আওয়ামী তীব্র বিএনপি, তীব্র জামায়াত, তীব্র বাম- এইসব এক্সট্রিম এবং মডারেট ব্লগার এবং লেখায় কোনোভাবে কি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো প্রচারণাই প্রধান হয়ে উঠেছে?



তেল গ্যাস রপ্তানি নিয়ে আনু মুহাম্মদ ইস্যুতে প্রায় ৩ বছর পর একটা হরতাল হলো- জনসংস্কৃতি মঞ্চ থেকে কিংবা জনসংহতি থেকে- সেটা হরতাল হিসেবে সফল হয় নি, কারণ দেশের মানুষের আসলে এইসব ইস্যু নিয়ে মাতামাতি নেই- সকাল পিটিশন সাইন করাচ্ছে, সেটা তার রাজনৈতিক চেতনার গরজ- সেটার সাথে আমার ব্লগ কতৃপক্ষের সংঘাত কোথায়?



এখানে তেল গ্যাস রপ্তানির বিরুদ্ধে লেখা আসছে সেটাও মুছে ফেলা হয় নি, তেল গ্যাস রপ্তানির পক্ষের লেখাও মুছে দেওয়া হয় নি, এখন সকালের আপত্তি যদি হয় এখানে তার রাজনৈতিক মতবাদের বিরুদ্ধের মতবাদও সমান শক্তিতে প্রচারিত হয় সুতরাং এই বিরুদ্ধতার বিরোধিতা করতে হবে, সেটা এক্সট্রিমিজম হয়ে যায়।



এখানে টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়েও একই অবস্থান ব্যক্ত করা যায়, প্রত্যেকে নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের জায়গা থেকে একটা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছে- কেউ সমর্থন করছে কেউ বিরোধিতা করছে- যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশ প্রেমিক নয় যারা সমর্থন করছে তারাই দেশপ্রেমিক জাতীয় হাইপ তৈরি করাটা রীতিমতো চোদনামি। তুমি হাতে ধরে, ঘাড়ে ধরে যদি শিখাতে চাও কে কোন আদর্শ বিশ্বাস করবে সেটা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা- সেটা স্বাধীনতা নয়।



আমি তোমার লড়াইয়ের যৌক্তিকতা বুঝতে চাইছিলাম। তবে এ লেখা পড়ে সেটা পরিস্কার হলো না। তোমার পরিবারের লোকজন তোমাকে প্রতিষ্ঠিত হতে বলে- সেটা তোমার পরিবারের লোকজনের তোমার কাছে প্রত্যাশা- সে প্রত্যাশা তুমি পুরণ করবে কিংবা পুরণ করবে না- সেটা নির্ধারণ করে দেওয়ার আমি কেউ না। তুমি যদি মনে করো তোমার প্রতিবাদ করা উচিত- সেটার প্রতিবাদ করো- তবে একই সাথে এটুকু মেনে নিয়েই প্রতিবাদ করো, তুমি যে চশমা দিয়ে পৃথিবীতা দেখছো- অন্য কেউ এর বিপরীত চশমা দিয়ে পৃথিবীটা দেখে- এই মতপার্থক্য, মতদ্বৈত্বতা এবং মতানৈক্যের জায়গাটা খোলা রাখো- জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই-


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্য যেটা আমার নিজের লেখার ফোকাস ছিলো- সেটা তুমি এড়িয়ে গেছো সম্পূর্ণই-



সুশান্ত খারাপ- সুশান্ত পয়সা দিয়েছে এই ব্লগে- সুতরাং সে ব্লগকে জমানোর জন্য নিজেই নিজের ছায়ার সাথে লড়াই করছে, সে নিজেই কট্টর বিএনপি- কট্টর জামাত, কট্টর আওয়ামী লীগার হয়ে লিখছে, মন্তব্য করছে- ষে এই সাইটকে জমাতে চাইছে-



সেটা সুশান্তের ব্যক্তিগত অভিলাষ- সুশান্ত এমপি হতে চায়- সেটাও সুশান্তের ব্যক্তিগত অভিলাষ- সেটার বিরোধিতা করছো তোমরা- কেনো করছো সেটা আমার জানা নেই- আমার ব্লগ- সজীব ওয়াজেদ জয়- সুশান্ত এবং এই সংক্রান্ত রাজনীতির মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক হয়ে আছে তোমাদের কথিত কথোপকথনের রেকর্ড- সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণ করাটা অন্যায়- আমি ধরে নিচ্ছি এমন নীচুতা তোমাদের দ্বারা সংঘটিত হয় নি- কিন্তু তুমি যখন কারো সংলাপ তার অজান্তে ধারণ করো- সেটা সাক্ষ্য আইনেও গ্রহনযোগ্য নয়। আশা করি তুমি সাক্ষ্য আইন পড়েছো তোমার শিক্ষাজীবনে। তুমি তার সম্মতি ব্যতিরকে তার সংলাপ ধারণ করেছো- এবং সেটাকে নিজের লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করতে চাইছো- সেটা ভুল পদক্ষেপ- এমন ভুল পদক্ষেপ তোমার দাবি এবং তোমার লক্ষ্যের গ্রহনযোগ্যতাকে শূণ্য করে ফেলে। সেটা বুঝবার অক্ষমতা রাজনৈতিক অদক্ষতাকে প্রমাণিত করে শুধু- তুমি অন্যায় দমনের জন্য অন্যায় করবে- সেটাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য যতই যুক্তি সাজাও না কেনো- আমার কাছে র‌্যাবের হাতে হত্যার মতো অযৌক্তিক নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করা মনে হবে সেসব যুক্তি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা ভালো হয়েছে।



রাসেলের মন্তব্যে আপনার প্রতিমন্তব্যের পরে আলোচনায় দুই পয়সা যোগ দেয়ার আশা রাখি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাসেল ভাই, হয়ত এই উত্তরটাও দিতাম না । আপনার কথার উত্তর না দিলে লোকে কি ভাববে, তা নিয়েও আমার সামান্যতম চিন্তা ছিলো না । আমার কাছে সত্য মনে হচ্ছে সেই চিরন্তন বাক্যখানি । enough is enough . সেক্স ম্যানিয়াক আর পেপার কাটিং মুক্তিযদ্ধা সাহেব তো আমাকে ত্রিভুজেরই ফ্যান বানিয়ে দিচ্ছে । আসলে সরব যার অন্যদাতা হয় তার কি আর আদর্শ থাকে ? সে তো লাগামহীন বাছুরের মত ঠ্যাং উঁচিয়ে নাচবেই । সুতরাং সে কি বলল না আদৌ বল্ল কিনা, তা নিয়ে মাথা ঘামানো আমার কম্ম নয় । তাকে আমি টয়লেট টিসু-ই বলি । ক্লিন ইউর এস আন্ড বিন ইট । হিয়ার উই গো-



আমার পোস্টে মূলত আমি আমাদের কথা আর আমাদের অবস্থান এবং আমার লালন করা আদর্শটুকু আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি । বলতে পারেন শেয়ার করেছি । আমি আপনার মূল প্রশ্ন থেকে এড়িয়ে একটু অন্য পথে হেঁটেছি ঠিকি, কিন্তু লক্ষ্য করবেন, আপনাকে যেই মেসেজ দিতে চাই তা দেবারো চেষ্টা করেছি । আমি ভেবেছিলাম আপনি ধরতে পারবেন । পারেন নি মনে হয় ।



যাক সে কথা । সরাসরি বলাই ভালো হয়ত । অন্য কথায় বেশী না গিয়ে আপনার মন্তব্যের রেশ ধরে আমার অবস্থান বা আমার কথাটা বলি ।



আপনি বলেছেন,







ধরো আসাদুজ্জামান নুরের ছেলে- বাপের টাকা আছে, মৌজ-মাস্তি করতেছে- বাপের টাকা থাকা অন্যায় না। বাপে ঘুষ খেয়ে টাকা বানাইছে এমন সচিবের ছেলে মেয়ে বাপের টাকায় মোজ মাস্তি করতেছে, ল্যাভিশ জীবনযাপন করতেছে- এইটা হীনমন্যতার জন্ম দেয়- এইসব দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রী-মিনিস্টার-চোর-বাটপারের জীবনযাপনের ধাঁচ এবং তোমার নিজস্ব ইচ্ছা সাধ এবং সাধ্যের ফারাক এবং এই জনিত আক্ষেপ- সেটা এক ধরণের বিক্ষুব্ধতার জন্ম দিতে পারে-








না , বাপের টাকায় থাকা অন্যায় নয় । কথা সত্য । কিন্তু বাপের টাকা অন্যায় পথে অর্জিত হলে কিংবা দেশের মানুষের টাকা মেরে সেই মৌজ ফুর্তি হলে আমার কথা আছে । সেখানেই আমার প্রতিবাদ । কতটুকু কি হলো, নাকি একজন শত্রু বাড়লো এমনটি ভাবলে আমার আশে পাশে শত বন্ধুর রোল পড়ত এখন । আমার পক্ষে এমন করে মেনিমুখো হয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব না । লেখার এক জায়গাতে সংশয় প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম আমার বাবা হাজার কোটি টাকার মালিক হলে সম্ভবত আমিও বদলাবার দলে আসতাম না । প্রতিবাদী এই মুখরতায় হয়ত আসতাম না । মনে রাখবেন কথার মাঝে “হয়ত” শব্দটি আমার এখনকার ফার্ম অবস্থানকে অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিন্তু একেবারে মিশে যায় না যখন আমার চিন্তার প্যার্টান আমি চিন্তা করি একটা সুনির্দিষ্ট আদর্শিক অবস্থান থেকে ।



আপনি আবার ভেবে বসবেননা যে, আমি এই দূর্নীতিবাজ মানুষের ছেলে –মেয়েদের মত থাকতে পারছি না বলে ক্ষোভে আক্রান্ত । ক্ষোভে আমি অবশ্যই আক্রান্ত । আমার সেই ক্ষোভটার মূল আগুন অন্য যায়গায় । যেখানে দেশের লোক খেতে পায়না, যেখানে হাজার লক্ষ মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে কুকুরের মত দিন যাপন করে সেখানে, “তুই মন্ত্রী আর এম্পির ছেলে বলে গদ্গদাইয়া থাকবি । মাদার চোদ তোরে থাকতে দিমু না” । এই হচ্ছে আমার কথা । এইখানেই আমার ক্ষোভ । সাবান কিনতে গেলে দশ টাকার সাবান পঁচিশ টাকায় কিনেন ক্যান, ডাল কিনতে গেলে একশ টাকায় কিনেন ক্যান,পেয়াঁজ একশ টাকায় কিনেন ক্যান, তেল পাঁচশ টাকায় কিনেন ক্যান ? কারন আপনি ট্যাক্স দেন । আপনার ঘাম আর ট্যাক্স দুইটাই যায় আর আপনার পাছায় সোয়াইপ করে ক্রেডিট কার্ড চালাবে মাদারচোদ তারেক আর কোকো ? মাহী আর জয় ? পুতুল আর টিউলিপ ? আপ্নে মানতে পারলেও আমি মানি না স্যার । আমি কোনো বালও হয়ত ফেলতে পারি না । কিন্তু আমার চিতকারে যদি ওর বুকটা একটু কেঁপে ওঠে, আমার হুঙ্কারে যদি ওই কুত্তার বাচ্চাদের এক্টুও চিন্তা হয় । আমি সে কারনেই বলি । আমি সে কারনেই বলতে থাকি ।





আপনি গ্রান্টেড নিয়ে নিয়েছেন ঘটনা আর অনু ঘটনার পবিত্র সূচি । রাগে গজ গজ করতে করতে তারপরেও ডিজিটাল মায়েরে চুদতে কিংবা ভাদাইম্মা বিপ্লবীদের দিকে আপনার নাসিক্য বর্জিত পয়ঃ নিষ্কাষন বন্ধ হয় না । সে আমি শুনি প্রায়শঃই ।









সেসব বিক্ষোভ প্রকাশে আমার ব্লগ কি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোনো আরোপ সৃষ্টি করেছে? আমার ব্লগ কি কোনো নির্দেশনা কি হুমকি দিয়েছে এইসব লেখা যাবে না? তুমি কি নিজের লেখার জন্য এমন কোনো বাস্তব অসুবিধার মুখোমুখী হয়েছো যা আমার ব্লগ কতৃপক্ষ সৃষ্টি করেছে ?








সোজা উত্তর দেই এই কথার করেছেন । খুব ভালো ভাবেই করেছেন ব্লগ মালিক । ব্লগের জীবন ব্লগেই সীমাবদ্ধ রাখেন নি তিনি । ব্যাক্তিগত পর্যায়ে তার অনুসন্ধান চালিয়েছেন, প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন দূর্ভাগ্য ক্রমে হয়ে যাওয়া আমার ভাগ্নে কে বেশ তীব্রতা নিয়েই । ব্লগের ব্যাপার তিনি ব্লগে না নিষ্পত্তি করেই কাওসার ভাইকে বলেছেন,

“ কি মিয়া !! দেখসেন নি ? নিঝুম কি লিখে এইসব বাজারে কথা ? কিছু লেখেন”।



আরো আছে... দুরালাপনীতে বলা হয়- আমি ও আমার শেষ গন্তব্য হচ্ছে আওয়ামীলীগ তা বলতে বলতে ধরনী দ্বিধা হয় । ফেনা ওঠে মালিকের । আর আমাকে উষ্কে দিয়েছেন তার বাংলা ইংরেজীর শব্দ পুঞ্জি দিয়ে । “হোয়াটেভার ইউ আর রাইটিং...ভালো হইতাসে তো...কিপ অন রাইটিং ম্যান...গো এহেড”



এটা হচ্ছে ব্যাক্তিগত স্মপর্কের টানা-পোড়েন সুশান্তের সাথে । এ কথা ধরেন তর্কের খাতিরে ভাগাড়েই ফেলি ।



দলীয়গত হিংস্রতা তো সবাই দেখেছে যখন আমাদের পাঁচটি নিক ব্যান করে দেয়া হয় কোন রকমের কারন ছাড়াই । কোন অভিযোগ ছাড়াই । কি বলেন আপনি একে ? মত প্রকাশের স্বাধীনতা ? আর ভুলে যাবেন না, বার বার বলি একটা কথা, ইউজি আমারব্লগের এডমিনকে পেঁদাতে কিংবা পোঁদাতে জন্মায়নি । দলীয় চাটুকার আর দলীয় দালালদের বিরুদ্ধে সহমনা কয়েকজন কেবল কথা বলতে চেয়েছে । আর কিছু নয় । এ টিমের কথা শুনেছি । অত জানিনা । ঠিক ইউজিও কোন খারাপ উদ্দেশ্য কিংবা কোন চাঁদে তীর নিক্ষেপের জন্য মূলোর মত তড়িত গজায় নি যে আপনাকে বার বার আতংকিত হতে হবে । ঘটনা সহজ ।







ব্যক্তি সুশান্তের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ঠতা কি আমার ব্লগ নামক সাইটের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে? যেকোনো অপেন ফোরামে যতটুকু রাজনৈতিক কোন্দল থাকবে, তীব্র আওয়ামী তীব্র বিএনপি, তীব্র জামায়াত, তীব্র বাম- এইসব এক্সট্রিম এবং মডারেট ব্লগার এবং লেখায় কোনোভাবে কি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো প্রচারণাই প্রধান হয়ে উঠেছে?








আপনি যদি বার বার ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ত্যানা শুশান্তের ডান আস্তিন আর তল পেটে জড়াতে থাকেন তাহলে লেখায় একধরনের এক ঘেঁয়েমি আসে । কথা বলতে মন সায় দেয় না । তারপরেও বলি, উপরের প্যারার প্রথম লাইনের সাথে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি আমার লেখা উপরের প্যারাতেই । আর জামাত,বি এন পি, জাতীয় পার্টি , আওয়ামীলীগ থাকবেই । তা হতে পারে এক্সট্রিম কিংবা বায়বীয় ধারনার । তাতে কি বলেছি যে কেউ উল্লেখিত দল্গুলো করতে পারবে না ? আমাদের দলের কাজ ছিলো এই সমর্থনের বিপক্ষে কাজ করা ।



মানুষকে বলা যে, “দল কেবল চোদে...পোন্দে আর পোন্দে...দেয়না জাতিকে কিছুই”।



এর বেশী কিছু তো বলিনি । আর কোথাও কি অভিযোগ করেছি যে, এখানে কেউ কথা বলতে দেয় না ? আপনার এ প্যারার অর্থ তাই বুঝিনি । তবে যতটুকু অনুধাবন করতে পেরেছি বলে সন্দেহ করেছি, সেই করেই যতদূর পারি বলেছি ।







“এখানে টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়েও একই অবস্থান ব্যক্ত করা যায়, প্রত্যেকে নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের জায়গা থেকে একটা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছে- কেউ সমর্থন করছে কেউ বিরোধিতা করছে- যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশ প্রেমিক নয় যারা সমর্থন করছে তারাই দেশপ্রেমিক জাতীয় হাইপ তৈরি করাটা রীতিমতো চোদনামি। তুমি হাতে ধরে, ঘাড়ে ধরে যদি শিখাতে চাও কে কোন আদর্শ বিশ্বাস করবে সেটা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা- সেটা স্বাধীনতা নয়”








কোথাও কি এরকম "চোদনামি" করেছি যে, যেখানে বলা হয়েছে টিপাই মুখীর বিরুদ্ধেই বলতে হবে ? আপনি শূন্যে তলোয়ার চালাচ্ছেন খামাখাই । আমার প্রবল ধারনা আপনি পুরো ব্যাপারটা সম্পর্কেও অতটুকু ওয়াকিবহাল না ঠিক যতটুকু ওয়াকিবহাল হলে এই ধরনের আলোচনা করা যেতে পারে । তা হতে পারে অনেক কারনেই । আমি তো আগেই বলেছি আপনি একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়েছেন প্রত্যয়ী হয়ে । মানুষের সাধারণ সহজাত কিংবা পরিচিতের মুখোশ আপনি ঝপ করে ফেলে দিতে পারেন নি । প্রিয় জনকে কোনায় পড়ে চেঁচাতে দেখে হয়ত উদ্ধার করতে এসেছেন । তা সে হতেই পারে । আমি যেমন বলছি আমাদের কথা, আমাদের পক্ষে । সেও সহজাত প্রবৃত্তি বই কি !!!



আমাদের কথা ছিলো, যে লোক মনে প্রাণে টিপাইমুখীর বিরুদ্ধে, সে কেন একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে শুধু মাত্র দলীয় নির্দেশের কারনে তার পক্ষে অবস্থান নিবে ? আমি শুধু মাত্র মানুষের এই ভন্দামীকে তুলে ধরেছি । সুসান্ত কিংবা স্ট্রীট ম্যাপ এখানে একেবারেই মুখ্য নয় । বরং সাধারণ জনগণের জন্য একটি উদাহরণ মাত্র । হতে পারে এই ভন্ডামী আমি করেছিলাম । তবে হোক আমার কথা । হতে পারে রহমান সাহেব করেছেন, করিম, জব্বার,মতিন সাহেব করেছেন। তবে হোক তার কথা । জোর করে মানা-মানির মত হানা-হানি কখন ও কবে করেছি তা বলতে পারলে হাড় জুড়োতো খুব । সাথে দিল-ও ।









আমি তোমার লড়াইয়ের যৌক্তিকতা বুঝতে চাইছিলাম। তবে এ লেখা পড়ে সেটা পরিস্কার হলো না।








আপনার এই কথার জন্য দুঃখ প্রকাশের কথা আমার অংশ থেকেই হোক । আমি বুঝাতে পারি নি এ আমার ব্যার্থতা । তবে চেয়েছিলাম , এই কথাটি মিথ্যা না । আমি আমার লেখায় কোন ব্যাক্তি বিশেষকে মূলত টার্গেট না করে আমাদের আদর্শিক অবস্থান কিংবা আবেগের অংশটা আপনাকে বলেছি মাত্র । ওইযে...আগেই বলেছিলাম...শেয়ার করতে চেয়েছিলাম । বরাবরি আপনাকে শ্রোতা মনে হয়েছে । ভালো ও বুদ্ধিদীপ্ত । জানিনা... কি হলো...তবে !!









তুমি যদি মনে করো তোমার প্রতিবাদ করা উচিত- সেটার প্রতিবাদ করো- তবে একই সাথে এটুকু মেনে নিয়েই প্রতিবাদ করো, তুমি যে চশমা দিয়ে পৃথিবীতা দেখছো- অন্য কেউ এর বিপরীত চশমা দিয়ে পৃথিবীটা দেখে- এই মতপার্থক্য, মতদ্বৈত্বতা এবং মতানৈক্যের জায়গাটা খোলা রাখো- জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই-








আপনার এই কথাটি বাংলা সিনেমার নায়ক রুবেলের সংলাপের মত লাগলো । নায়িকার কাছে এসে বলা, “দেখ, আমি গরীব । আমার কিছু নেই । আছে শুধু ভালোবাসা । আমার সাথে তোমাকে যেতে হবে বলি না । এটা তোমার মত । ওগোহহহহ............... করিমন...তোমার ইচ্ছা”



নায়ক এইখানে নায়িকার উপরে কিছু চাপায় না । কিন্তু উলটো দিকে চিনতা করেন । আল্টিমেটলি চাপাবার জন্যই সে আবেগীয় সংলাপ । মনের ভেতরের টগবগ করা কথামালা আবেগের ঘরটোপে বোঝা যায়না আরকি ...এই যে আপনি আমাকে লিখেছেন কিংবা এই যে আমি কিংবা আপনি যুক্তি দিচ্ছি, আসলে মূল লক্ষ্য কি ? চাপিয়ে কি দিচ্ছি ? নাকি মনে মনে সে আকাঙ্ক্ষা থেকেই সভ্য সমাজে বাঁচি বলে যুক্তি নামের প্রলয় যোগাচ্ছি ?



আমরা কাউকেই বলিনি “তোমাকে উহা করতেই হবে কুদ্দুছছছছছ...!!!” আমরা বরং বলেছি "কুদ্দুচ্ছ !! আপনার তা করা উচিত ।" কথা এক্টাই , নিজের কথা আনে-বানে কোন রকম করে প্রতিস্থাপন করাই সার । সে এখন আপ্নিও করছেন । আর করছি আমিও ।









অন্য যেটা আমার নিজের লেখার ফোকাস ছিলো- সেটা তুমি এড়িয়ে গেছো সম্পূর্ণই-সুশান্ত খারাপ- সুশান্ত পয়সা দিয়েছে এই ব্লগে- সুতরাং সে ব্লগকে জমানোর জন্য নিজেই নিজের ছায়ার সাথে লড়াই করছে, সে নিজেই কট্টর বিএনপি- কট্টর জামাত, কট্টর আওয়ামী লীগার হয়ে লিখছে, মন্তব্য করছে- ষে এই সাইটকে জমাতে চাইছে-






বার বার বলছি, এড়াই নি । অন্যভাবে আপনাকে বুঝাতে চেয়েছিলাম । ব্যাক্তি বিশেষকে জড়াতে চাইনি । জিজ্ঞেশ করেছেন আবার । তাই বলিও আবার । এবার অন্যভাবে । উপরের যে প্যারাটা লিখেছেন । তা আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমরা ভেবেছি, যিনি সঞ্চালক হবেন তিনি দলীয় সমর্থনীয় রোগে ব্যাধুগ্রস্থ হলেও তা যেন সভ সমাজের ভ্রুকুটি না কুঁচকায় । আমরা ভেবেছিলাম তা যেন হয় একজন ব্যাক্তি হিসেবে । সঞ্চালক হিসেবে নয় । তবে তার স্থান প্রশ্ন বদ্ধ হতেই পারে । সবার কাছে যে হবে তা না । আপনার কাছে হয় নি, দাদা তপনের কাছে হয় নি, চোরদার কাছে হয় নি, আরো অনেকের কাছে হয় নি ।



আবার আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমাদের কাছে এই পুরো ব্যাপারটিকেই একধরনের দূর্নীতি মনে হয়েছে । তাই আমরা তার প্রতিবাদ করেছি । এই মত প্রকাশে আপনার আপত্তি কোথায় তা বুঝলাম না । তবে আপনার আপত্তি যে আরেকটা মত প্রকাশ, তা মেনে নিয়ে স্বস্তি পেলাম যে, আমরা ফ্যানাটিক নই অন্তত । ফ্যাসিস্ট তো নই-ই ।



সুশান্ত এবং এই সংক্রান্ত রাজনীতির মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক হয়ে আছে তোমাদের কথিত কথোপকথনের রেকর্ড- সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণ করাটা অন্যায়- আমি ধরে নিচ্ছি এমন নীচুতা তোমাদের দ্বারা সংঘটিত হয় নি- কিন্তু তুমি যখন কারো সংলাপ তার অজান্তে ধারণ করো- সেটা সাক্ষ্য আইনেও গ্রহনযোগ্য নয়। আশা করি তুমি সাক্ষ্য আইন পড়েছো তোমার শিক্ষাজীবনে। তুমি তার সম্মতি ব্যতিরকে তার সংলাপ ধারণ করেছো- এবং সেটাকে নিজের লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করতে চাইছো- সেটা ভুল পদক্ষেপ- এমন ভুল পদক্ষেপ তোমার দাবি এবং তোমার লক্ষ্যের গ্রহনযোগ্যতাকে শূণ্য করে ফেলে। সেটা বুঝবার অক্ষমতা রাজনৈতিক অদক্ষতাকে প্রমাণিত করে শুধু- তুমি অন্যায় দমনের জন্য অন্যায় করবে- সেটাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য যতই যুক্তি সাজাও না কেনো- আমার কাছে র্যা বের হাতে হত্যার মতো অযৌক্তিক নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করা মনে হবে সেসব যুক্তি।






আপনার এই প্যারার শেষের লাইন গুলো যদি সত্য হয়, তবে বলি আপনি ভালো শ্রোতা নন । আপনি ভালো আলোচনাকারীও নন । কেননা আপনি এবার সিদ্ধান্ত বুকে কিংবা কিডনীতে নিয়ে বুকডন দিচ্ছেন না । বরং ট্রাইথলনের জাতীয় একটা রেসের মত ছুটে যাওয়া প্রবুনের মত মনে হচ্ছে কেন জানি । এই রকম পৌছে যাওয়া সিদ্ধান্তের সাথে কিংবা বটম লাইন যেখানে টানা থাকে সেখানে যুক্তি দেয়াটা দুষ্কর । আপনার নিজের লেখারই একটা উদাহরণ দেই । যেখানে আপনি পাত্র-পাত্রীর গোপ্ন কথামালা না শোনা থেকে নিজেকে সংবরণ করতে পারেন নি ও তা তুলে দিয়েছেন পাঠকদের জন্য ।





কোট প্যান্ট পড়া খেলুরে ছোকরা পাশে সবা মেয়েটার সাথে ছোঁক ছোঁক করছে, মেয়েটা বলছে- আমি আপনার সাথে কথাই বলবো না, একটা প্রাণবন্ত সংলাপের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ছোকরা এবং মেয়েটা তার পূর্বপরিচিত, ছোকরার সাথে তার ছেলে, সে ছেলেকে বলছে বাবু তুমি একটু সরে আন্টিকে বসবার জায়গা দাও-

আপনি আমার কথা বলছেন বাসায়?



মেয়েটা জালে আটকা পড়া পোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল তাকিয়ে থাকে, আর একটার পর একটা কথার জাল গুটিয়ে অবশেষে শিকার ধরা দেয় , কিংবা মেয়েটাও শিকারি হয়ে উঠে, বাঁকা হাসিতে বধ করে ছেলেটাকে-



আমি তো তোমার দেওয়া গান ছাড়া অন্য কিছু শুনি না, মোবাইলে পুরোনো দিনের হিন্দি গান বাজে হঠাৎ হঠাৎ, আর তারা মোবাইলের হের ফোন দুজন দুই কানে দিয়ে একই গান শুনতে শুনতে নিজেদের ভেতরে মগ্ন হয়ে যায়, সন্ধ্যার আবছা অন্ধকার গাঢ় হয়ে আসে, আমার সামনের সবুজ মাশকারার গালে চকিত চুম্বন করে সরে যায় সম্ভবত তার স্বামী, আমার পেছনের চোখা চোখের মহিলা কাউকে ফোনে ঝাড়ি দেয়, এত প্রশ্ন করে লাভ আছে, বাস দেরীতে ছাড়ছে, বাসায় পৌঁছাতে দেরী হবে,



আমার পাশের ছোকরা আর মেয়ের প্রচুর মিথ্যা বলছে, আর একটু হলেই বাসায় পৌঁছে যাবো আম্মা,

ভাবী আপনাকে আমি কি যে ভালোবাসি, আপনার সাথে দেখা করে যাইতে পারলাম না বুঝলেন তো মাত্র একদিন বাসায় থাকিছি, এই চলে আসতি হলো, পরের বার গেলে দেখা করবানি ।



তুমি জানো না, যদি সময় থাকতো তাইলে তোমারে নিয়ি যাইতাম আমার এক খালার বাসায়, সেই খালা আমারে কি যে আদর করে, বলি বুঝানো যাবি নে, তারা তো তোমায় পালি এক্কেরে মাথায় তুলি রাখতো।

বাদ দেন এইসব কথা আপনি, আপনি আমার কথা কইছেন বাসায়।



মামা আমরা তো পৌঁছায়া গেছি প্রায়, কি যে বলেন না মামা , আপনি আপনার ভাগনিরে চিনেন না, সন্দেহ করেন আমাকে, বললাম তো অফিসে কাজ আছে, আর থাকা গেলো না।



অন্ধকার আরও গভীর হয়, মিথ্যার পরিমাণ বাড়তে থাকে, হঠাৎ করেই ছোকরা বৌকে প্রবোধ দেয়- এইতো আর বেশি সময় নাই, কুষ্টিয়া থেকি বাহির হলাম, এখন যমুনা ব্রীজের উপরে আছি, পৌঁছায়া যাবা নে সময় হলিই-




( এখন আমিও আপনার মত সিদ্ধান্ত নিয়েই বলি, আপনি যতই যুক্তি দেন না কেন, আপনার এই অন্যজনের ব্যাক্তিগত আলাপ শোনা কিংবা তা যদি তারা জোরেও বলে থাকনে তবে তা অনুমতি ছাড়া ব্লগে দেয়াটা আমার কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । কেমন লাগবে আপনার ??)



আগেই বলে নেই আপনার ভ্রমণ নামে এই লেখাটির প্রশংশা না করলেই নয় । অসাধারণ একটি লেখা ।



যাক গে, আপনি লেখার পাত্র-পাত্রীর সংলাপ বলতে গেলে অনেকটাই তুলে দিয়েছেন । কান পেতে শুনেছেন । তাদের অনুমতি নেননি । নাহ... বলি না যে খুব অন্যায় করেছেন । আপনার মত বলিনা যে, মানবই না । সাক্ষ্য আইন কিংবা অন্য কোন কন্টেটের কোন কথাই আনি না । তবে, আইন যতটুকু পড়েছি তাতে আপনার এই সংলাপ কথনটুকু লিটারেল এপ্রোচে অন্যায় । গোপনে কারো কথা শুনে, তা মানুষের মাঝে ছেড়ে দেয়া । মাইন্ড ইট, আমি বলেছি , “লিটারেল এপ্রোচ” । এখন কথা হলো , আপনি কারো নাম বলেন নি । তবে দফেম হবা কিংবা আপাতঃ দৃষ্টিতে কারো মানের হানি ঘটছেই না । সেটাও তর্ক সাপেক্ষে । ওই ভদ্রলোকের স্ত্রী যদি কোন্দিন আপনার এও ব্লগ পড়েন, এবং তাতে যদি সন্দেহ করেন তবে এই লেখাটি সামান্য হলেও এভিডেন্স হিসেবে যায় । আমার সাধারণ আইন জ্ঞান তা-ই বলে ।



আবার আসি লিটারেল এপ্রোচ কথাটি কোট করে বলেছি কেন, সেই ব্যাখ্যাতে । অনেক কাজ আছে যা আপাতঃ দৃষ্টিতে আক্ষরিক অর্থে আইনের আঙ্গিকে অন্যায় । কিন্তু শুনে আশ্চর্য হবেন, একই একটাস রিয়া কিংবা কর্মে দুই রকম ফলাফল এসেছে অনেক মামলায় । উদাহরণ ভুরি ভুরি । কেন জানেন ? কারন হচ্ছে মেন্স রিয়ার বিবেচনা আদালতে ছিলো মূল বিবেচ্য । ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য ও কেন তা সঙ্ঘটিত হয়েছে এর উপর ভিত্তি করে সেই গিলোটিনেও গেছে ভিক্টোরিয়া আমলে আবার হালে শুধু কারাদন্ড হচ্ছে কেবল ঘটনার কারন বিশ্লেষনে । সক্রেটিস তো বলেই গেছেন কত আগে, কোনটি মন্দ আর কোনটি ভালো সে সিদ্ধান্ত কে নেবে কিংবা কি করে নেয়াই বা হবে । নাহ, দর্শনে আমি ভালো নই । তা না কপচাই । কেলসেন কে বুঝিনি বলে কিংবা তার পিরামিড বুঝতে পারিনি বলে জীবনে সবচাইতে বড় বিপর্যয় নেমে এসেছিলো আমার । সে যাক । বলছিলাম এসব গোপন সংলাপ আর মামলার নথি পত্র নিয়ে ।



ছোট একটা কেইস হিস্ট্রি বলি,



জেইমি বেইকন । বেঁচে যেতে নিয়েছিলো ছয়টি খুনের অভিযোগ থেকে । সারেতে এত বড় খুনী অনেক বছরে ইংল্যান্ডবাসী দেখেন নি । কিন্তু জেলার সাহেবের এক গোপন রেকর্ডে জেইমি সাহেম খান ধরা । যদিও এমন গোপ্ন রেকর্ডিং করাটা আইনে নিষিদ্ধ । আবার ইউরপিয়ান আর্টিকেল বলে, রাইট টু হ্যাভ প্রাইভেসী । আইনজ্ঞ কিম্বার্লি এল্ড্রেড এর এইসব যুক্তি আমলে নেয়নি আদালত । বলেছে সমাজের স্বার্থের কথা । বলেছে মানুষের স্বার্থের কথা । (আমার প্রিয় জাজ লর্ড ডেনিং ছিলো না সেই জাজমেন্টে । না জানি কি হতো সেখানে !!) ইইউ তে কেইস গড়িয়েও লাভ হয়নি । এসিএইচার কিংবা ইসিজে বাঁচায়নি বেকন কে ।





একটা উদাহরণ দিলাম মাত্র । এরকম পক্ষে আর বিপক্ষে পালটা যুক্তি অসংখ্য আছে রাসেল ভাই । অসংখ্য । তাই বলে নির্দ্বিধায় বলি না আমাদের করা কাজটি ভালো না মন্দ ,। এরকম ট্যাগিং একেবারেই পছন্দ না মাঝে মাঝে । তবে , ওইযে বললাম মেন্স রিয়া । সেখানেই যত বিপত্তি । ধরা হয়ত সেখানেই খেয়ে যাবেন । আপনি অথবা আপ্নারা । যারা উদ্বিগ্ন হলেন । যে সাক্ষ্য আইনের কথা বললেন , নিশ্চয়ি আপনি আমার থেকে বেশী জানবেন । এডমিসিবিলিটি,বারডেন এন্ড স্টান্ডার্ড অফ প্রুফ,কম্পিটেন্স এন্ড কম্পিটিবিলিটি,করোবরেশন কিংবা আইডেন্টিফিকেশন এগুলোও জানা আছে নিশ্চই । আশা করি সেগুলো বিচার করেই বলতে চেয়েছেন । কাউকে কোথাও ব্ল্যাক্মেইল কিংবা থ্রেট কোথায় দিয়েছি মনে পড়ে না । কেউ যদি কোন কথায় আতংকিত হয় , তবে, “ ইউ শুড টেইক ইউর ভিক্টিম, এজ ইউ ফাইন্ড হিম” এই যুক্তি কাজে আসবে না মনে হয় ।



ডরকিনের কল্পনার জাজ হারকুলিস আপনি নন । আপনি তার সে কল্পনা করা লোকটির মত হয়ত ভালো মন্দের প্রভেদ সব সময় বিচার করে ফেলতে পারেন না । নিখাদ মাপ্টিও আপনি মাপ্তে পারেন না বোধ করি হারকিউলিসের মত্ন করে । তারপরেও আপনাকে বলি, আপনার নিক্তিতে আমাকে মাপ্তে চাইলে কিংবা সিদ্ধান্তের বীজকে কৈশোরে পার করিয়ে এনে আমাদের বা আমার গলায় ঠুলো পরালে লাগবে ঠিকি, কিংবা লাগবে না অথবা লাগাতে দেব না ।



অন্যায়, জোরাজুরি কিংবা একটা অনিয়মের আশংকা যে তাতে একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না । তা বলাই বাহুল্য মাত্র ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাসেল ভাই, হয়ত এই উত্তরটাও দিতাম না । আপনার কথার উত্তর না দিলে লোকে কি ভাববে, তা নিয়েও আমার সামান্যতম চিন্তা ছিলো না । আমার কাছে সত্য মনে হচ্ছে সেই চিরন্তন বাক্যখানি । enough is enough . সেক্স ম্যানিয়াক আর পেপার কাটিং মুক্তিযদ্ধা সাহেব তো আমাকে ত্রিভুজেরই ফ্যান বানিয়ে দিচ্ছে । আসলে সরব যার অন্যদাতা হয় তার কি আর আদর্শ থাকে ? সে তো লাগামহীন বাছুরের মত ঠ্যাং উঁচিয়ে নাচবেই । সুতরাং সে কি বলল না আদৌ বল্ল কিনা, তা নিয়ে মাথা ঘামানো আমার কম্ম নয় । তাকে আমি টয়লেট টিসু-ই বলি । ক্লিন ইউর এস আন্ড বিন ইট । হিয়ার উই গো-



আমার পোস্টে মূলত আমি আমাদের কথা আর আমাদের অবস্থান এবং আমার লালন করা আদর্শটুকু আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি । বলতে পারেন শেয়ার করেছি । আমি আপনার মূল প্রশ্ন থেকে এড়িয়ে একটু অন্য পথে হেঁটেছি ঠিকি, কিন্তু লক্ষ্য করবেন, আপনাকে যেই মেসেজ দিতে চাই তা দেবারো চেষ্টা করেছি । আমি ভেবেছিলাম আপনি ধরতে পারবেন । পারেন নি মনে হয় ।



যাক সে কথা । সরাসরি বলাই ভালো হয়ত । অন্য কথায় বেশী না গিয়ে আপনার মন্তব্যের রেশ ধরে আমার অবস্থান বা আমার কথাটা বলি ।



আপনি বলেছেন,







ধরো আসাদুজ্জামান নুরের ছেলে- বাপের টাকা আছে, মৌজ-মাস্তি করতেছে- বাপের টাকা থাকা অন্যায় না। বাপে ঘুষ খেয়ে টাকা বানাইছে এমন সচিবের ছেলে মেয়ে বাপের টাকায় মোজ মাস্তি করতেছে, ল্যাভিশ জীবনযাপন করতেছে- এইটা হীনমন্যতার জন্ম দেয়- এইসব দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রী-মিনিস্টার-চোর-বাটপারের জীবনযাপনের ধাঁচ এবং তোমার নিজস্ব ইচ্ছা সাধ এবং সাধ্যের ফারাক এবং এই জনিত আক্ষেপ- সেটা এক ধরণের বিক্ষুব্ধতার জন্ম দিতে পারে-








না , বাপের টাকায় থাকা অন্যায় নয় । কথা সত্য । কিন্তু বাপের টাকা অন্যায় পথে অর্জিত হলে কিংবা দেশের মানুষের টাকা মেরে সেই মৌজ ফুর্তি হলে আমার কথা আছে । সেখানেই আমার প্রতিবাদ । কতটুকু কি হলো, নাকি একজন শত্রু বাড়লো এমনটি ভাবলে আমার আশে পাশে শত বন্ধুর রোল পড়ত এখন । আমার পক্ষে এমন করে মেনিমুখো হয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব না । লেখার এক জায়গাতে সংশয় প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম আমার বাবা হাজার কোটি টাকার মালিক হলে সম্ভবত আমিও বদলাবার দলে আসতাম না । প্রতিবাদী এই মুখরতায় হয়ত আসতাম না । মনে রাখবেন কথার মাঝে “হয়ত” শব্দটি আমার এখনকার ফার্ম অবস্থানকে অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিন্তু একেবারে মিশে যায় না যখন আমার চিন্তার প্যার্টান আমি চিন্তা করি একটা সুনির্দিষ্ট আদর্শিক অবস্থান থেকে ।



আপনি আবার ভেবে বসবেননা যে, আমি এই দূর্নীতিবাজ মানুষের ছেলে –মেয়েদের মত থাকতে পারছি না বলে ক্ষোভে আক্রান্ত । ক্ষোভে আমি অবশ্যই আক্রান্ত । আমার সেই ক্ষোভটার মূল আগুন অন্য যায়গায় । যেখানে দেশের লোক খেতে পায়না, যেখানে হাজার লক্ষ মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে কুকুরের মত দিন যাপন করে সেখানে, “তুই মন্ত্রী আর এম্পির ছেলে বলে গদ্গদাইয়া থাকবি । মাদার চোদ তোরে থাকতে দিমু না” । এই হচ্ছে আমার কথা । এইখানেই আমার ক্ষোভ । সাবান কিনতে গেলে দশ টাকার সাবান পঁচিশ টাকায় কিনেন ক্যান, ডাল কিনতে গেলে একশ টাকায় কিনেন ক্যান,পেয়াঁজ একশ টাকায় কিনেন ক্যান, তেল পাঁচশ টাকায় কিনেন ক্যান ? কারন আপনি ট্যাক্স দেন । আপনার ঘাম আর ট্যাক্স দুইটাই যায় আর আপনার পাছায় সোয়াইপ করে ক্রেডিট কার্ড চালাবে মাদারচোদ তারেক আর কোকো ? মাহী আর জয় ? পুতুল আর টিউলিপ ? আপ্নে মানতে পারলেও আমি মানি না স্যার । আমি কোনো বালও হয়ত ফেলতে পারি না । কিন্তু আমার চিতকারে যদি ওর বুকটা একটু কেঁপে ওঠে, আমার হুঙ্কারে যদি ওই কুত্তার বাচ্চাদের এক্টুও চিন্তা হয় । আমি সে কারনেই বলি । আমি সে কারনেই বলতে থাকি ।





আপনি গ্রান্টেড নিয়ে নিয়েছেন ঘটনা আর অনু ঘটনার পবিত্র সূচি । রাগে গজ গজ করতে করতে তারপরেও ডিজিটাল মায়েরে চুদতে কিংবা ভাদাইম্মা বিপ্লবীদের দিকে আপনার নাসিক্য বর্জিত পয়ঃ নিষ্কাষন বন্ধ হয় না । সে আমি শুনি প্রায়শঃই ।









সেসব বিক্ষোভ প্রকাশে আমার ব্লগ কি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোনো আরোপ সৃষ্টি করেছে? আমার ব্লগ কি কোনো নির্দেশনা কি হুমকি দিয়েছে এইসব লেখা যাবে না? তুমি কি নিজের লেখার জন্য এমন কোনো বাস্তব অসুবিধার মুখোমুখী হয়েছো যা আমার ব্লগ কতৃপক্ষ সৃষ্টি করেছে ?








সোজা উত্তর দেই এই কথার করেছেন । খুব ভালো ভাবেই করেছেন ব্লগ মালিক । ব্লগের জীবন ব্লগেই সীমাবদ্ধ রাখেন নি তিনি । ব্যাক্তিগত পর্যায়ে তার অনুসন্ধান চালিয়েছেন, প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন দূর্ভাগ্য ক্রমে হয়ে যাওয়া আমার ভাগ্নে কে বেশ তীব্রতা নিয়েই । ব্লগের ব্যাপার তিনি ব্লগে না নিষ্পত্তি করেই কাওসার ভাইকে বলেছেন,

“ কি মিয়া !! দেখসেন নি ? নিঝুম কি লিখে এইসব বাজারে কথা ? কিছু লেখেন”।



আরো আছে... দুরালাপনীতে বলা হয়- আমি ও আমার শেষ গন্তব্য হচ্ছে আওয়ামীলীগ তা বলতে বলতে ধরনী দ্বিধা হয় । ফেনা ওঠে মালিকের । আর আমাকে উষ্কে দিয়েছেন তার বাংলা ইংরেজীর শব্দ পুঞ্জি দিয়ে । “হোয়াটেভার ইউ আর রাইটিং...ভালো হইতাসে তো...কিপ অন রাইটিং ম্যান...গো এহেড”



এটা হচ্ছে ব্যাক্তিগত স্মপর্কের টানা-পোড়েন সুশান্তের সাথে । এ কথা ধরেন তর্কের খাতিরে ভাগাড়েই ফেলি ।



দলীয়গত হিংস্রতা তো সবাই দেখেছে যখন আমাদের পাঁচটি নিক ব্যান করে দেয়া হয় কোন রকমের কারন ছাড়াই । কোন অভিযোগ ছাড়াই । কি বলেন আপনি একে ? মত প্রকাশের স্বাধীনতা ? আর ভুলে যাবেন না, বার বার বলি একটা কথা, ইউজি আমারব্লগের এডমিনকে পেঁদাতে কিংবা পোঁদাতে জন্মায়নি । দলীয় চাটুকার আর দলীয় দালালদের বিরুদ্ধে সহমনা কয়েকজন কেবল কথা বলতে চেয়েছে । আর কিছু নয় । এ টিমের কথা শুনেছি । অত জানিনা । ঠিক ইউজিও কোন খারাপ উদ্দেশ্য কিংবা কোন চাঁদে তীর নিক্ষেপের জন্য মূলোর মত তড়িত গজায় নি যে আপনাকে বার বার আতংকিত হতে হবে । ঘটনা সহজ ।







ব্যক্তি সুশান্তের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ঠতা কি আমার ব্লগ নামক সাইটের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে? যেকোনো অপেন ফোরামে যতটুকু রাজনৈতিক কোন্দল থাকবে, তীব্র আওয়ামী তীব্র বিএনপি, তীব্র জামায়াত, তীব্র বাম- এইসব এক্সট্রিম এবং মডারেট ব্লগার এবং লেখায় কোনোভাবে কি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো প্রচারণাই প্রধান হয়ে উঠেছে?








আপনি যদি বার বার ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ত্যানা শুশান্তের ডান আস্তিন আর তল পেটে জড়াতে থাকেন তাহলে লেখায় একধরনের এক ঘেঁয়েমি আসে । কথা বলতে মন সায় দেয় না । তারপরেও বলি, উপরের প্যারার প্রথম লাইনের সাথে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি আমার লেখা উপরের প্যারাতেই । আর জামাত,বি এন পি, জাতীয় পার্টি , আওয়ামীলীগ থাকবেই । তা হতে পারে এক্সট্রিম কিংবা বায়বীয় ধারনার । তাতে কি বলেছি যে কেউ উল্লেখিত দল্গুলো করতে পারবে না ? আমাদের দলের কাজ ছিলো এই সমর্থনের বিপক্ষে কাজ করা ।



মানুষকে বলা যে, “দল কেবল চোদে...পোন্দে আর পোন্দে...দেয়না জাতিকে কিছুই”।



এর বেশী কিছু তো বলিনি । আর কোথাও কি অভিযোগ করেছি যে, এখানে কেউ কথা বলতে দেয় না ? আপনার এ প্যারার অর্থ তাই বুঝিনি । তবে যতটুকু অনুধাবন করতে পেরেছি বলে সন্দেহ করেছি, সেই করেই যতদূর পারি বলেছি ।







“এখানে টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়েও একই অবস্থান ব্যক্ত করা যায়, প্রত্যেকে নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের জায়গা থেকে একটা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছে- কেউ সমর্থন করছে কেউ বিরোধিতা করছে- যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশ প্রেমিক নয় যারা সমর্থন করছে তারাই দেশপ্রেমিক জাতীয় হাইপ তৈরি করাটা রীতিমতো চোদনামি। তুমি হাতে ধরে, ঘাড়ে ধরে যদি শিখাতে চাও কে কোন আদর্শ বিশ্বাস করবে সেটা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা- সেটা স্বাধীনতা নয়”








কোথাও কি এরকম "চোদনামি" করেছি যে, যেখানে বলা হয়েছে টিপাই মুখীর বিরুদ্ধেই বলতে হবে ? আপনি শূন্যে তলোয়ার চালাচ্ছেন খামাখাই । আমার প্রবল ধারনা আপনি পুরো ব্যাপারটা সম্পর্কেও অতটুকু ওয়াকিবহাল না ঠিক যতটুকু ওয়াকিবহাল হলে এই ধরনের আলোচনা করা যেতে পারে । তা হতে পারে অনেক কারনেই । আমি তো আগেই বলেছি আপনি একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়েছেন প্রত্যয়ী হয়ে । মানুষের সাধারণ সহজাত কিংবা পরিচিতের মুখোশ আপনি ঝপ করে ফেলে দিতে পারেন নি । প্রিয় জনকে কোনায় পড়ে চেঁচাতে দেখে হয়ত উদ্ধার করতে এসেছেন । তা সে হতেই পারে । আমি যেমন বলছি আমাদের কথা, আমাদের পক্ষে । সেও সহজাত প্রবৃত্তি বই কি !!!



আমাদের কথা ছিলো, যে লোক মনে প্রাণে টিপাইমুখীর বিরুদ্ধে, সে কেন একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে শুধু মাত্র দলীয় নির্দেশের কারনে তার পক্ষে অবস্থান নিবে ? আমি শুধু মাত্র মানুষের এই ভন্দামীকে তুলে ধরেছি । সুসান্ত কিংবা স্ট্রীট ম্যাপ এখানে একেবারেই মুখ্য নয় । বরং সাধারণ জনগণের জন্য একটি উদাহরণ মাত্র । হতে পারে এই ভন্ডামী আমি করেছিলাম । তবে হোক আমার কথা । হতে পারে রহমান সাহেব করেছেন, করিম, জব্বার,মতিন সাহেব করেছেন। তবে হোক তার কথা । জোর করে মানা-মানির মত হানা-হানি কখন ও কবে করেছি তা বলতে পারলে হাড় জুড়োতো খুব । সাথে দিল-ও ।









আমি তোমার লড়াইয়ের যৌক্তিকতা বুঝতে চাইছিলাম। তবে এ লেখা পড়ে সেটা পরিস্কার হলো না।








আপনার এই কথার জন্য দুঃখ প্রকাশের কথা আমার অংশ থেকেই হোক । আমি বুঝাতে পারি নি এ আমার ব্যার্থতা । তবে চেয়েছিলাম , এই কথাটি মিথ্যা না । আমি আমার লেখায় কোন ব্যাক্তি বিশেষকে মূলত টার্গেট না করে আমাদের আদর্শিক অবস্থান কিংবা আবেগের অংশটা আপনাকে বলেছি মাত্র । ওইযে...আগেই বলেছিলাম...শেয়ার করতে চেয়েছিলাম । বরাবরি আপনাকে শ্রোতা মনে হয়েছে । ভালো ও বুদ্ধিদীপ্ত । জানিনা... কি হলো...তবে !!









তুমি যদি মনে করো তোমার প্রতিবাদ করা উচিত- সেটার প্রতিবাদ করো- তবে একই সাথে এটুকু মেনে নিয়েই প্রতিবাদ করো, তুমি যে চশমা দিয়ে পৃথিবীতা দেখছো- অন্য কেউ এর বিপরীত চশমা দিয়ে পৃথিবীটা দেখে- এই মতপার্থক্য, মতদ্বৈত্বতা এবং মতানৈক্যের জায়গাটা খোলা রাখো- জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই-










আপনার এই কথাটি বাংলা সিনেমার নায়ক রুবেলের সংলাপের মত লাগলো । নায়িকার কাছে এসে বলা, “দেখ, আমি গরীব । আমার কিছু নেই । আছে শুধু ভালোবাসা । আমার সাথে তোমাকে যেতে হবে বলি না । এটা তোমার মত । ওগোহহহহ............... করিমন...তোমার ইচ্ছা”



নায়ক এইখানে নায়িকার উপরে কিছু চাপায় না । কিন্তু উলটো দিকে চিনতা করেন । আল্টিমেটলি চাপাবার জন্যই সে আবেগীয় সংলাপ । মনের ভেতরের টগবগ করা কথামালা আবেগের ঘরটোপে বোঝা যায়না আরকি ...এই যে আপনি আমাকে লিখেছেন কিংবা এই যে আমি কিংবা আপনি যুক্তি দিচ্ছি, আসলে মূল লক্ষ্য কি ? চাপিয়ে কি দিচ্ছি ? নাকি মনে মনে সে আকাঙ্ক্ষা থেকেই সভ্য সমাজে বাঁচি বলে যুক্তি নামের প্রলয় যোগাচ্ছি ?



আমরা কাউকেই বলিনি “তোমাকে উহা করতেই হবে কুদ্দুছছছছছ...!!!” আমরা বরং বলেছি "কুদ্দুচ্ছ !! আপনার তা করা উচিত ।" কথা এক্টাই , নিজের কথা আনে-বানে কোন রকম করে প্রতিস্থাপন করাই সার । সে এখন আপ্নিও করছেন । আর করছি আমিও ।









অন্য যেটা আমার নিজের লেখার ফোকাস ছিলো- সেটা তুমি এড়িয়ে গেছো সম্পূর্ণই-সুশান্ত খারাপ- সুশান্ত পয়সা দিয়েছে এই ব্লগে- সুতরাং সে ব্লগকে জমানোর জন্য নিজেই নিজের ছায়ার সাথে লড়াই করছে, সে নিজেই কট্টর বিএনপি- কট্টর জামাত, কট্টর আওয়ামী লীগার হয়ে লিখছে, মন্তব্য করছে- ষে এই সাইটকে জমাতে চাইছে-






বার বার বলছি, এড়াই নি । অন্যভাবে আপনাকে বুঝাতে চেয়েছিলাম । ব্যাক্তি বিশেষকে জড়াতে চাইনি । জিজ্ঞেশ করেছেন আবার । তাই বলিও আবার । এবার অন্যভাবে । উপরের যে প্যারাটা লিখেছেন । তা আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমরা ভেবেছি, যিনি সঞ্চালক হবেন তিনি দলীয় সমর্থনীয় রোগে ব্যাধুগ্রস্থ হলেও তা যেন সভ সমাজের ভ্রুকুটি না কুঁচকায় । আমরা ভেবেছিলাম তা যেন হয় একজন ব্যাক্তি হিসেবে । সঞ্চালক হিসেবে নয় । তবে তার স্থান প্রশ্ন বদ্ধ হতেই পারে । সবার কাছে যে হবে তা না । আপনার কাছে হয় নি, দাদা তপনের কাছে হয় নি, চোরদার কাছে হয় নি, আরো অনেকের কাছে হয় নি ।



আবার আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমাদের কাছে এই পুরো ব্যাপারটিকেই একধরনের দূর্নীতি মনে হয়েছে । তাই আমরা তার প্রতিবাদ করেছি । এই মত প্রকাশে আপনার আপত্তি কোথায় তা বুঝলাম না । তবে আপনার আপত্তি যে আরেকটা মত প্রকাশ, তা মেনে নিয়ে স্বস্তি পেলাম যে, আমরা ফ্যানাটিক নই অন্তত । ফ্যাসিস্ট তো নই-ই ।



সুশান্ত এবং এই সংক্রান্ত রাজনীতির মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক হয়ে আছে তোমাদের কথিত কথোপকথনের রেকর্ড- সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণ করাটা অন্যায়- আমি ধরে নিচ্ছি এমন নীচুতা তোমাদের দ্বারা সংঘটিত হয় নি- কিন্তু তুমি যখন কারো সংলাপ তার অজান্তে ধারণ করো- সেটা সাক্ষ্য আইনেও গ্রহনযোগ্য নয়। আশা করি তুমি সাক্ষ্য আইন পড়েছো তোমার শিক্ষাজীবনে। তুমি তার সম্মতি ব্যতিরকে তার সংলাপ ধারণ করেছো- এবং সেটাকে নিজের লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করতে চাইছো- সেটা ভুল পদক্ষেপ- এমন ভুল পদক্ষেপ তোমার দাবি এবং তোমার লক্ষ্যের গ্রহনযোগ্যতাকে শূণ্য করে ফেলে। সেটা বুঝবার অক্ষমতা রাজনৈতিক অদক্ষতাকে প্রমাণিত করে শুধু- তুমি অন্যায় দমনের জন্য অন্যায় করবে- সেটাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য যতই যুক্তি সাজাও না কেনো- আমার কাছে র্যা বের হাতে হত্যার মতো অযৌক্তিক নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করা মনে হবে সেসব যুক্তি।






আপনার এই প্যারার শেষের লাইন গুলো যদি সত্য হয়, তবে বলি আপনি ভালো শ্রোতা নন । আপনি ভালো আলোচনাকারীও নন । কেননা আপনি এবার সিদ্ধান্ত বুকে কিংবা কিডনীতে নিয়ে বুকডন দিচ্ছেন না । বরং ট্রাইথলনের জাতীয় একটা রেসের মত ছুটে যাওয়া প্রবুনের মত মনে হচ্ছে কেন জানি । এই রকম পৌছে যাওয়া সিদ্ধান্তের সাথে কিংবা বটম লাইন যেখানে টানা থাকে সেখানে যুক্তি দেয়াটা দুষ্কর । আপনার নিজের লেখারই একটা উদাহরণ দেই । যেখানে আপনি পাত্র-পাত্রীর গোপ্ন কথামালা না শোনা থেকে নিজেকে সংবরণ করতে পারেন নি ও তা তুলে দিয়েছেন পাঠকদের জন্য ।





কোট প্যান্ট পড়া খেলুরে ছোকরা পাশে সবা মেয়েটার সাথে ছোঁক ছোঁক করছে, মেয়েটা বলছে- আমি আপনার সাথে কথাই বলবো না, একটা প্রাণবন্ত সংলাপের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ছোকরা এবং মেয়েটা তার পূর্বপরিচিত, ছোকরার সাথে তার ছেলে, সে ছেলেকে বলছে বাবু তুমি একটু সরে আন্টিকে বসবার জায়গা দাও-

আপনি আমার কথা বলছেন বাসায়?



মেয়েটা জালে আটকা পড়া পোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল তাকিয়ে থাকে, আর একটার পর একটা কথার জাল গুটিয়ে অবশেষে শিকার ধরা দেয় , কিংবা মেয়েটাও শিকারি হয়ে উঠে, বাঁকা হাসিতে বধ করে ছেলেটাকে-



আমি তো তোমার দেওয়া গান ছাড়া অন্য কিছু শুনি না, মোবাইলে পুরোনো দিনের হিন্দি গান বাজে হঠাৎ হঠাৎ, আর তারা মোবাইলের হের ফোন দুজন দুই কানে দিয়ে একই গান শুনতে শুনতে নিজেদের ভেতরে মগ্ন হয়ে যায়, সন্ধ্যার আবছা অন্ধকার গাঢ় হয়ে আসে, আমার সামনের সবুজ মাশকারার গালে চকিত চুম্বন করে সরে যায় সম্ভবত তার স্বামী, আমার পেছনের চোখা চোখের মহিলা কাউকে ফোনে ঝাড়ি দেয়, এত প্রশ্ন করে লাভ আছে, বাস দেরীতে ছাড়ছে, বাসায় পৌঁছাতে দেরী হবে,



আমার পাশের ছোকরা আর মেয়ের প্রচুর মিথ্যা বলছে, আর একটু হলেই বাসায় পৌঁছে যাবো আম্মা,

ভাবী আপনাকে আমি কি যে ভালোবাসি, আপনার সাথে দেখা করে যাইতে পারলাম না বুঝলেন তো মাত্র একদিন বাসায় থাকিছি, এই চলে আসতি হলো, পরের বার গেলে দেখা করবানি ।



তুমি জানো না, যদি সময় থাকতো তাইলে তোমারে নিয়ি যাইতাম আমার এক খালার বাসায়, সেই খালা আমারে কি যে আদর করে, বলি বুঝানো যাবি নে, তারা তো তোমায় পালি এক্কেরে মাথায় তুলি রাখতো।

বাদ দেন এইসব কথা আপনি, আপনি আমার কথা কইছেন বাসায়।



মামা আমরা তো পৌঁছায়া গেছি প্রায়, কি যে বলেন না মামা , আপনি আপনার ভাগনিরে চিনেন না, সন্দেহ করেন আমাকে, বললাম তো অফিসে কাজ আছে, আর থাকা গেলো না।



অন্ধকার আরও গভীর হয়, মিথ্যার পরিমাণ বাড়তে থাকে, হঠাৎ করেই ছোকরা বৌকে প্রবোধ দেয়- এইতো আর বেশি সময় নাই, কুষ্টিয়া থেকি বাহির হলাম, এখন যমুনা ব্রীজের উপরে আছি, পৌঁছায়া যাবা নে সময় হলিই-










( এখন আমিও আপনার মত সিদ্ধান্ত নিয়েই বলি, আপনি যতই যুক্তি দেন না কেন, আপনার এই অন্যজনের ব্যাক্তিগত আলাপ শোনা কিংবা তা যদি তারা জোরেও বলে থাকনে তবে তা অনুমতি ছাড়া ব্লগে দেয়াটা আমার কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । কেমন লাগবে আপনার ??)



আগেই বলে নেই আপনার ভ্রমণ নামে এই লেখাটির প্রশংশা না করলেই নয় । অসাধারণ একটি লেখা ।



যাক গে, আপনি লেখার পাত্র-পাত্রীর সংলাপ বলতে গেলে অনেকটাই তুলে দিয়েছেন । কান পেতে শুনেছেন । তাদের অনুমতি নেননি । নাহ... বলি না যে খুব অন্যায় করেছেন । আপনার মত বলিনা যে, মানবই না । সাক্ষ্য আইন কিংবা অন্য কোন কন্টেটের কোন কথাই আনি না । তবে, আইন যতটুকু পড়েছি তাতে আপনার এই সংলাপ কথনটুকু লিটারেল এপ্রোচে অন্যায় । গোপনে কারো কথা শুনে, তা মানুষের মাঝে ছেড়ে দেয়া । মাইন্ড ইট, আমি বলেছি , “লিটারেল এপ্রোচ” । এখন কথা হলো , আপনি কারো নাম বলেন নি । তবে দফেম হবা কিংবা আপাতঃ দৃষ্টিতে কারো মানের হানি ঘটছেই না । সেটাও তর্ক সাপেক্ষে । ওই ভদ্রলোকের স্ত্রী যদি কোন্দিন আপনার এও ব্লগ পড়েন, এবং তাতে যদি সন্দেহ করেন তবে এই লেখাটি সামান্য হলেও এভিডেন্স হিসেবে যায় । আমার সাধারণ আইন জ্ঞান তা-ই বলে ।



আবার আসি লিটারেল এপ্রোচ কথাটি কোট করে বলেছি কেন, সেই ব্যাখ্যাতে । অনেক কাজ আছে যা আপাতঃ দৃষ্টিতে আক্ষরিক অর্থে আইনের আঙ্গিকে অন্যায় । কিন্তু শুনে আশ্চর্য হবেন, একই একটাস রিয়া কিংবা কর্মে দুই রকম ফলাফল এসেছে অনেক মামলায় । উদাহরণ ভুরি ভুরি । কেন জানেন ? কারন হচ্ছে মেন্স রিয়ার বিবেচনা আদালতে ছিলো মূল বিবেচ্য । ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য ও কেন তা সঙ্ঘটিত হয়েছে এর উপর ভিত্তি করে সেই গিলোটিনেও গেছে ভিক্টোরিয়া আমলে আবার হালে শুধু কারাদন্ড হচ্ছে কেবল ঘটনার কারন বিশ্লেষনে । সক্রেটিস তো বলেই গেছেন কত আগে, কোনটি মন্দ আর কোনটি ভালো সে সিদ্ধান্ত কে নেবে কিংবা কি করে নেয়াই বা হবে । নাহ, দর্শনে আমি ভালো নই । তা না কপচাই । কেলসেন কে বুঝিনি বলে কিংবা তার পিরামিড বুঝতে পারিনি বলে জীবনে সবচাইতে বড় বিপর্যয় নেমে এসেছিলো আমার । সে যাক । বলছিলাম এসব গোপন সংলাপ আর মামলার নথি পত্র নিয়ে ।



ছোট একটা কেইস হিস্ট্রি বলি,



জেইমি বেইকন । বেঁচে যেতে নিয়েছিলো ছয়টি খুনের অভিযোগ থেকে । সারেতে এত বড় খুনী অনেক বছরে ইংল্যান্ডবাসী দেখেন নি । কিন্তু জেলার সাহেবের এক গোপন রেকর্ডে জেইমি সাহেম খান ধরা । যদিও এমন গোপ্ন রেকর্ডিং করাটা আইনে নিষিদ্ধ । আবার ইউরপিয়ান আর্টিকেল বলে, রাইট টু হ্যাভ প্রাইভেসী । আইনজ্ঞ কিম্বার্লি এল্ড্রেড এর এইসব যুক্তি আমলে নেয়নি আদালত । বলেছে সমাজের স্বার্থের কথা । বলেছে মানুষের স্বার্থের কথা । (আমার প্রিয় জাজ লর্ড ডেনিং ছিলো না সেই জাজমেন্টে । না জানি কি হতো সেখানে !!) ইইউ তে কেইস গড়িয়েও লাভ হয়নি । এসিএইচার কিংবা ইসিজে বাঁচায়নি বেকন কে ।





একটা উদাহরণ দিলাম মাত্র । এরকম পক্ষে আর বিপক্ষে পালটা যুক্তি অসংখ্য আছে রাসেল ভাই । অসংখ্য । তাই বলে নির্দ্বিধায় বলি না আমাদের করা কাজটি ভালো না মন্দ ,। এরকম ট্যাগিং একেবারেই পছন্দ না মাঝে মাঝে । তবে , ওইযে বললাম মেন্স রিয়া । সেখানেই যত বিপত্তি । ধরা হয়ত সেখানেই খেয়ে যাবেন । আপনি অথবা আপ্নারা । যারা উদ্বিগ্ন হলেন । যে সাক্ষ্য আইনের কথা বললেন , নিশ্চয়ি আপনি আমার থেকে বেশী জানবেন । এডমিসিবিলিটি,বারডেন এন্ড স্টান্ডার্ড অফ প্রুফ,কম্পিটেন্স এন্ড কম্পিটিবিলিটি,করোবরেশন কিংবা আইডেন্টিফিকেশন এগুলোও জানা আছে নিশ্চই । আশা করি সেগুলো বিচার করেই বলতে চেয়েছেন । কাউকে কোথাও ব্ল্যাক্মেইল কিংবা থ্রেট কোথায় দিয়েছি মনে পড়ে না । কেউ যদি কোন কথায় আতংকিত হয় , তবে, “ ইউ শুড টেইক ইউর ভিক্টিম, এজ ইউ ফাইন্ড হিম” এই যুক্তি কাজে আসবে না মনে হয় ।



ডরকিনের কল্পনার জাজ হারকুলিস আপনি নন । আপনি তার সে কল্পনা করা লোকটির মত হয়ত ভালো মন্দের প্রভেদ সব সময় বিচার করে ফেলতে পারেন না । নিখাদ মাপ্টিও আপনি মাপ্তে পারেন না বোধ করি হারকিউলিসের মত্ন করে । তারপরেও আপনাকে বলি, আপনার নিক্তিতে আমাকে মাপ্তে চাইলে কিংবা সিদ্ধান্তের বীজকে কৈশোরে পার করিয়ে এনে আমাদের বা আমার গলায় ঠুলো পরালে লাগবে ঠিকি, কিংবা লাগবে না অথবা লাগাতে দেব না ।



অন্যায়, জোরাজুরি কিংবা একটা অনিয়মের আশংকা যে তাতে একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না । তা বলাই বাহুল্য মাত্র ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেক্স ম্যানিয়াক আর পেপার কাটিং মুক্তিযদ্ধা সাহেব




গেরিলা যুদ্ধ এখানে এসে শেষ হলো। ভালই।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাসেল ভাই, হয়ত এই উত্তরটাও দিতাম না । আপনার কথার উত্তর না দিলে লোকে কি ভাববে, তা নিয়েও আমার সামান্যতম চিন্তা ছিলো না । আমার কাছে সত্য মনে হচ্ছে সেই চিরন্তন বাক্যখানি । enough is enough .



সেক্স ম্যানিয়াক আর পেপার কাটিং মুক্তি"য"দ্ধা সাহেব তো আমাকে ত্রিভুজেরই ফ্যান বানিয়ে দিচ্ছে । সে তো লাগামহীন বাছুরের মত ঠ্যাং উঁচিয়ে নাচবেই । সুতরাং চটিস্টার কি বলল কিংবা আদৌ বল্ল কিনা, তা নিয়ে মাথা ঘামানো আমার কম্ম নয় । তাকে আমি টয়লেট টিসু-ই বলি । ক্লিন ইউর এস আন্ড বিন ইট । হিয়ার উই গো বেইবি- Wink Wink



আমার পোস্টে মূলত আমি আমাদের কথা আর আমাদের অবস্থান এবং আমার লালন করা আদর্শটুকু আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি । বলতে পারেন শেয়ার করেছি । আমি আপনার মূল প্রশ্ন থেকে এড়িয়ে একটু অন্য পথে হেঁটেছি ঠিকি, কিন্তু লক্ষ্য করবেন, আপনাকে যেই মেসেজ দিতে চাই তা দেবারো চেষ্টা করেছি । আমি ভেবেছিলাম আপনি ধরতে পারবেন । পারেন নি মনে হয় ।



যাক সে কথা । সরাসরি বলাই ভালো হয়ত । অন্য কথায় বেশী না গিয়ে আপনার মন্তব্যের রেশ ধরে আমার অবস্থান বা আমার কথাটা বলি ।



আপনি বলেছেন,







ধরো আসাদুজ্জামান নুরের ছেলে- বাপের টাকা আছে, মৌজ-মাস্তি করতেছে- বাপের টাকা থাকা অন্যায় না। বাপে ঘুষ খেয়ে টাকা বানাইছে এমন সচিবের ছেলে মেয়ে বাপের টাকায় মোজ মাস্তি করতেছে, ল্যাভিশ জীবনযাপন করতেছে- এইটা হীনমন্যতার জন্ম দেয়- এইসব দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রী-মিনিস্টার-চোর-বাটপারের জীবনযাপনের ধাঁচ এবং তোমার নিজস্ব ইচ্ছা সাধ এবং সাধ্যের ফারাক এবং এই জনিত আক্ষেপ- সেটা এক ধরণের বিক্ষুব্ধতার জন্ম দিতে পারে-








না , বাপের টাকায় থাকা অন্যায় নয় । কথা সত্য । কিন্তু বাপের টাকা অন্যায় পথে অর্জিত হলে কিংবা দেশের মানুষের টাকা মেরে সেই মৌজ ফুর্তি হলে আমার কথা আছে । সেখানেই আমার প্রতিবাদ । কতটুকু কি হলো, নাকি একজন শত্রু বাড়লো এমনটি ভাবলে আমার আশে পাশে শত বন্ধুর রোল পড়ত এখন । আমার পক্ষে এমন করে মেনিমুখো হয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব না । লেখার এক জায়গাতে সংশয় প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম আমার বাবা হাজার কোটি টাকার মালিক হলে সম্ভবত আমিও বদলাবার দলে আসতাম না । প্রতিবাদী এই মুখরতায় হয়ত আসতাম না । মনে রাখবেন কথার মাঝে “হয়ত” শব্দটি আমার এখনকার ফার্ম অবস্থানকে অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিন্তু একেবারে মিশে যায় না যখন আমার চিন্তার প্যার্টান আমি চিন্তা করি একটা সুনির্দিষ্ট আদর্শিক অবস্থান থেকে ।



আপনি আবার ভেবে বসবেননা যে, আমি এই দূর্নীতিবাজ মানুষের ছেলে –মেয়েদের মত থাকতে পারছি না বলে ক্ষোভে আক্রান্ত । ক্ষোভে আমি অবশ্যই আক্রান্ত । আমার সেই ক্ষোভটার মূল আগুন অন্য যায়গায় । যেখানে দেশের লোক খেতে পায়না, যেখানে হাজার লক্ষ মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে কুকুরের মত দিন যাপন করে সেখানে, “তুই মন্ত্রী আর এম্পির ছেলে বলে গদ্গদাইয়া থাকবি । মাদার চোদ তোরে থাকতে দিমু না” । এই হচ্ছে আমার কথা । এইখানেই আমার ক্ষোভ । সাবান কিনতে গেলে দশ টাকার সাবান পঁচিশ টাকায় কিনেন ক্যান, ডাল কিনতে গেলে একশ টাকায় কিনেন ক্যান,পেয়াঁজ একশ টাকায় কিনেন ক্যান, তেল পাঁচশ টাকায় কিনেন ক্যান ? কারন আপনি ট্যাক্স দেন । আপনার ঘাম আর ট্যাক্স দুইটাই যায় আর আপনার পাছায় সোয়াইপ করে ক্রেডিট কার্ড চালাবে মাদারচোদ তারেক আর কোকো ? মাহী আর জয় ? পুতুল আর টিউলিপ ? আপ্নে মানতে পারলেও আমি মানি না স্যার । আমি কোনো বালও হয়ত ফেলতে পারি না । কিন্তু আমার চিতকারে যদি ওর বুকটা একটু কেঁপে ওঠে, আমার হুঙ্কারে যদি ওই কুত্তার বাচ্চাদের এক্টুও চিন্তা হয় । আমি সে কারনেই বলি । আমি সে কারনেই বলতে থাকি ।





আপনি গ্রান্টেড নিয়ে নিয়েছেন ঘটনা আর অনু ঘটনার পবিত্র সূচি । রাগে গজ গজ করতে করতে তারপরেও ডিজিটাল মায়েরে চুদতে কিংবা ভাদাইম্মা বিপ্লবীদের দিকে আপনার নাসিক্য বর্জিত পয়ঃ নিষ্কাষন বন্ধ হয় না । সে আমি শুনি প্রায়শঃই ।









সেসব বিক্ষোভ প্রকাশে আমার ব্লগ কি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোনো আরোপ সৃষ্টি করেছে? আমার ব্লগ কি কোনো নির্দেশনা কি হুমকি দিয়েছে এইসব লেখা যাবে না? তুমি কি নিজের লেখার জন্য এমন কোনো বাস্তব অসুবিধার মুখোমুখী হয়েছো যা আমার ব্লগ কতৃপক্ষ সৃষ্টি করেছে ?








সোজা উত্তর দেই এই কথার করেছেন । খুব ভালো ভাবেই করেছেন ব্লগ মালিক । ব্লগের জীবন ব্লগেই সীমাবদ্ধ রাখেন নি তিনি । ব্যাক্তিগত পর্যায়ে তার অনুসন্ধান চালিয়েছেন, প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন দূর্ভাগ্য ক্রমে হয়ে যাওয়া আমার ভাগ্নে কে বেশ তীব্রতা নিয়েই । ব্লগের ব্যাপার তিনি ব্লগে না নিষ্পত্তি করেই কাওসার ভাইকে বলেছেন,

“ কি মিয়া !! দেখসেন নি ? নিঝুম কি লিখে এইসব বাজারে কথা ? কিছু লেখেন”।



আরো আছে... দুরালাপনীতে বলা হয়- আমি ও আমার শেষ গন্তব্য হচ্ছে আওয়ামীলীগ তা বলতে বলতে ধরনী দ্বিধা হয় । ফেনা ওঠে মালিকের । আর আমাকে উষ্কে দিয়েছেন তার বাংলা ইংরেজীর শব্দ পুঞ্জি দিয়ে । “হোয়াটেভার ইউ আর রাইটিং...ভালো হইতাসে তো...কিপ অন রাইটিং ম্যান...গো এহেড”



এটা হচ্ছে ব্যাক্তিগত স্মপর্কের টানা-পোড়েন সুশান্তের সাথে । এ কথা ধরেন তর্কের খাতিরে ভাগাড়েই ফেলি ।



দলীয়গত হিংস্রতা তো সবাই দেখেছে যখন আমাদের পাঁচটি নিক ব্যান করে দেয়া হয় কোন রকমের কারন ছাড়াই । কোন অভিযোগ ছাড়াই । কি বলেন আপনি একে ? মত প্রকাশের স্বাধীনতা ? আর ভুলে যাবেন না, বার বার বলি একটা কথা, ইউজি আমারব্লগের এডমিনকে পেঁদাতে কিংবা পোঁদাতে জন্মায়নি । দলীয় চাটুকার আর দলীয় দালালদের বিরুদ্ধে সহমনা কয়েকজন কেবল কথা বলতে চেয়েছে । আর কিছু নয় । এ টিমের কথা শুনেছি । অত জানিনা । ঠিক ইউজিও কোন খারাপ উদ্দেশ্য কিংবা কোন চাঁদে তীর নিক্ষেপের জন্য মূলোর মত তড়িত গজায় নি যে আপনাকে বার বার আতংকিত হতে হবে । ঘটনা সহজ ।







ব্যক্তি সুশান্তের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ঠতা কি আমার ব্লগ নামক সাইটের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে? যেকোনো অপেন ফোরামে যতটুকু রাজনৈতিক কোন্দল থাকবে, তীব্র আওয়ামী তীব্র বিএনপি, তীব্র জামায়াত, তীব্র বাম- এইসব এক্সট্রিম এবং মডারেট ব্লগার এবং লেখায় কোনোভাবে কি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো প্রচারণাই প্রধান হয়ে উঠেছে?








আপনি যদি বার বার ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ত্যানা শুশান্তের ডান আস্তিন আর তল পেটে জড়াতে থাকেন তাহলে লেখায় একধরনের এক ঘেঁয়েমি আসে । কথা বলতে মন সায় দেয় না । তারপরেও বলি, উপরের প্যারার প্রথম লাইনের সাথে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি আমার লেখা উপরের প্যারাতেই । আর জামাত,বি এন পি, জাতীয় পার্টি , আওয়ামীলীগ থাকবেই । তা হতে পারে এক্সট্রিম কিংবা বায়বীয় ধারনার । তাতে কি বলেছি যে কেউ উল্লেখিত দল্গুলো করতে পারবে না ? আমাদের দলের কাজ ছিলো এই সমর্থনের বিপক্ষে কাজ করা ।



মানুষকে বলা যে, “দল কেবল চোদে...পোন্দে আর পোন্দে...দেয়না জাতিকে কিছুই”।



এর বেশী কিছু তো বলিনি । আর কোথাও কি অভিযোগ করেছি যে, এখানে কেউ কথা বলতে দেয় না ? আপনার এ প্যারার অর্থ তাই বুঝিনি । তবে যতটুকু অনুধাবন করতে পেরেছি বলে সন্দেহ করেছি, সেই করেই যতদূর পারি বলেছি ।







“এখানে টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়েও একই অবস্থান ব্যক্ত করা যায়, প্রত্যেকে নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের জায়গা থেকে একটা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছে- কেউ সমর্থন করছে কেউ বিরোধিতা করছে- যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশ প্রেমিক নয় যারা সমর্থন করছে তারাই দেশপ্রেমিক জাতীয় হাইপ তৈরি করাটা রীতিমতো চোদনামি। তুমি হাতে ধরে, ঘাড়ে ধরে যদি শিখাতে চাও কে কোন আদর্শ বিশ্বাস করবে সেটা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা- সেটা স্বাধীনতা নয়”








কোথাও কি এরকম "চোদনামি" করেছি যে, যেখানে বলা হয়েছে টিপাই মুখীর বিরুদ্ধেই বলতে হবে ? আপনি শূন্যে তলোয়ার চালাচ্ছেন খামাখাই । আমার প্রবল ধারনা আপনি পুরো ব্যাপারটা সম্পর্কেও অতটুকু ওয়াকিবহাল না ঠিক যতটুকু ওয়াকিবহাল হলে এই ধরনের আলোচনা করা যেতে পারে । তা হতে পারে অনেক কারনেই । আমি তো আগেই বলেছি আপনি একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়েছেন প্রত্যয়ী হয়ে । মানুষের সাধারণ সহজাত কিংবা পরিচিতের মুখোশ আপনি ঝপ করে ফেলে দিতে পারেন নি । প্রিয় জনকে কোনায় পড়ে চেঁচাতে দেখে হয়ত উদ্ধার করতে এসেছেন । তা সে হতেই পারে । আমি যেমন বলছি আমাদের কথা, আমাদের পক্ষে । সেও সহজাত প্রবৃত্তি বই কি !!!



আমাদের কথা ছিলো, যে লোক মনে প্রাণে টিপাইমুখীর বিরুদ্ধে, সে কেন একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে শুধু মাত্র দলীয় নির্দেশের কারনে তার পক্ষে অবস্থান নিবে ? আমি শুধু মাত্র মানুষের এই ভন্দামীকে তুলে ধরেছি । সুসান্ত কিংবা স্ট্রীট ম্যাপ এখানে একেবারেই মুখ্য নয় । বরং সাধারণ জনগণের জন্য একটি উদাহরণ মাত্র । হতে পারে এই ভন্ডামী আমি করেছিলাম । তবে হোক আমার কথা । হতে পারে রহমান সাহেব করেছেন, করিম, জব্বার,মতিন সাহেব করেছেন। তবে হোক তার কথা । জোর করে মানা-মানির মত হানা-হানি কখন ও কবে করেছি তা বলতে পারলে হাড় জুড়োতো খুব । সাথে দিল-ও ।









আমি তোমার লড়াইয়ের যৌক্তিকতা বুঝতে চাইছিলাম। তবে এ লেখা পড়ে সেটা পরিস্কার হলো না।








আপনার এই কথার জন্য দুঃখ প্রকাশের কথা আমার অংশ থেকেই হোক । আমি বুঝাতে পারি নি এ আমার ব্যার্থতা । তবে চেয়েছিলাম , এই কথাটি মিথ্যা না । আমি আমার লেখায় কোন ব্যাক্তি বিশেষকে মূলত টার্গেট না করে আমাদের আদর্শিক অবস্থান কিংবা আবেগের অংশটা আপনাকে বলেছি মাত্র । ওইযে...আগেই বলেছিলাম...শেয়ার করতে চেয়েছিলাম । বরাবরি আপনাকে শ্রোতা মনে হয়েছে । ভালো ও বুদ্ধিদীপ্ত । জানিনা... কি হলো...তবে !!









তুমি যদি মনে করো তোমার প্রতিবাদ করা উচিত- সেটার প্রতিবাদ করো- তবে একই সাথে এটুকু মেনে নিয়েই প্রতিবাদ করো, তুমি যে চশমা দিয়ে পৃথিবীতা দেখছো- অন্য কেউ এর বিপরীত চশমা দিয়ে পৃথিবীটা দেখে- এই মতপার্থক্য, মতদ্বৈত্বতা এবং মতানৈক্যের জায়গাটা খোলা রাখো- জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই-








আপনার এই কথাটি বাংলা সিনেমার নায়ক রুবেলের সংলাপের মত লাগলো । নায়িকার কাছে এসে বলা, “দেখ, আমি গরীব । আমার কিছু নেই । আছে শুধু ভালোবাসা । আমার সাথে তোমাকে যেতে হবে বলি না । এটা তোমার মত । ওগোহহহহ............... করিমন...তোমার ইচ্ছা”



নায়ক এইখানে নায়িকার উপরে কিছু চাপায় না । কিন্তু উলটো দিকে চিনতা করেন । আল্টিমেটলি চাপাবার জন্যই সে আবেগীয় সংলাপ । মনের ভেতরের টগবগ করা কথামালা আবেগের ঘরটোপে বোঝা যায়না আরকি ...এই যে আপনি আমাকে লিখেছেন কিংবা এই যে আমি কিংবা আপনি যুক্তি দিচ্ছি, আসলে মূল লক্ষ্য কি ? চাপিয়ে কি দিচ্ছি ? নাকি মনে মনে সে আকাঙ্ক্ষা থেকেই সভ্য সমাজে বাঁচি বলে যুক্তি নামের প্রলয় যোগাচ্ছি ?



আমরা কাউকেই বলিনি “তোমাকে উহা করতেই হবে কুদ্দুছছছছছ...!!!” আমরা বরং বলেছি "কুদ্দুচ্ছ !! আপনার তা করা উচিত ।" কথা এক্টাই , নিজের কথা আনে-বানে কোন রকম করে প্রতিস্থাপন করাই সার । সে এখন আপ্নিও করছেন । আর করছি আমিও ।









অন্য যেটা আমার নিজের লেখার ফোকাস ছিলো- সেটা তুমি এড়িয়ে গেছো সম্পূর্ণই-সুশান্ত খারাপ- সুশান্ত পয়সা দিয়েছে এই ব্লগে- সুতরাং সে ব্লগকে জমানোর জন্য নিজেই নিজের ছায়ার সাথে লড়াই করছে, সে নিজেই কট্টর বিএনপি- কট্টর জামাত, কট্টর আওয়ামী লীগার হয়ে লিখছে, মন্তব্য করছে- ষে এই সাইটকে জমাতে চাইছে-






বার বার বলছি, এড়াই নি । অন্যভাবে আপনাকে বুঝাতে চেয়েছিলাম । ব্যাক্তি বিশেষকে জড়াতে চাইনি । জিজ্ঞেশ করেছেন আবার । তাই বলিও আবার । এবার অন্যভাবে । উপরের যে প্যারাটা লিখেছেন । তা আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমরা ভেবেছি, যিনি সঞ্চালক হবেন তিনি দলীয় সমর্থনীয় রোগে ব্যাধুগ্রস্থ হলেও তা যেন সভ সমাজের ভ্রুকুটি না কুঁচকায় । আমরা ভেবেছিলাম তা যেন হয় একজন ব্যাক্তি হিসেবে । সঞ্চালক হিসেবে নয় । তবে তার স্থান প্রশ্ন বদ্ধ হতেই পারে । সবার কাছে যে হবে তা না । আপনার কাছে হয় নি, দাদা তপনের কাছে হয় নি, চোরদার কাছে হয় নি, আরো অনেকের কাছে হয় নি ।



আবার আমাদের কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । আমাদের কাছে এই পুরো ব্যাপারটিকেই একধরনের দূর্নীতি মনে হয়েছে । তাই আমরা তার প্রতিবাদ করেছি । এই মত প্রকাশে আপনার আপত্তি কোথায় তা বুঝলাম না । তবে আপনার আপত্তি যে আরেকটা মত প্রকাশ, তা মেনে নিয়ে স্বস্তি পেলাম যে, আমরা ফ্যানাটিক নই অন্তত । ফ্যাসিস্ট তো নই-ই ।



সুশান্ত এবং এই সংক্রান্ত রাজনীতির মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক হয়ে আছে তোমাদের কথিত কথোপকথনের রেকর্ড- সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণ করাটা অন্যায়- আমি ধরে নিচ্ছি এমন নীচুতা তোমাদের দ্বারা সংঘটিত হয় নি- কিন্তু তুমি যখন কারো সংলাপ তার অজান্তে ধারণ করো- সেটা সাক্ষ্য আইনেও গ্রহনযোগ্য নয়। আশা করি তুমি সাক্ষ্য আইন পড়েছো তোমার শিক্ষাজীবনে। তুমি তার সম্মতি ব্যতিরকে তার সংলাপ ধারণ করেছো- এবং সেটাকে নিজের লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করতে চাইছো- সেটা ভুল পদক্ষেপ- এমন ভুল পদক্ষেপ তোমার দাবি এবং তোমার লক্ষ্যের গ্রহনযোগ্যতাকে শূণ্য করে ফেলে। সেটা বুঝবার অক্ষমতা রাজনৈতিক অদক্ষতাকে প্রমাণিত করে শুধু- তুমি অন্যায় দমনের জন্য অন্যায় করবে- সেটাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য যতই যুক্তি সাজাও না কেনো- আমার কাছে র্যা বের হাতে হত্যার মতো অযৌক্তিক নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করা মনে হবে সেসব যুক্তি।






আপনার এই প্যারার শেষের লাইন গুলো যদি সত্য হয়, তবে বলি আপনি ভালো শ্রোতা নন । আপনি ভালো আলোচনাকারীও নন । কেননা আপনি এবার সিদ্ধান্ত বুকে কিংবা কিডনীতে নিয়ে বুকডন দিচ্ছেন না । বরং ট্রাইথলনের জাতীয় একটা রেসের মত ছুটে যাওয়া প্রবুনের মত মনে হচ্ছে কেন জানি । এই রকম পৌছে যাওয়া সিদ্ধান্তের সাথে কিংবা বটম লাইন যেখানে টানা থাকে সেখানে যুক্তি দেয়াটা দুষ্কর । আপনার নিজের লেখারই একটা উদাহরণ দেই । যেখানে আপনি পাত্র-পাত্রীর গোপ্ন কথামালা না শোনা থেকে নিজেকে সংবরণ করতে পারেন নি ও তা তুলে দিয়েছেন পাঠকদের জন্য ।





কোট প্যান্ট পড়া খেলুরে ছোকরা পাশে সবা মেয়েটার সাথে ছোঁক ছোঁক করছে, মেয়েটা বলছে- আমি আপনার সাথে কথাই বলবো না, একটা প্রাণবন্ত সংলাপের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ছোকরা এবং মেয়েটা তার পূর্বপরিচিত, ছোকরার সাথে তার ছেলে, সে ছেলেকে বলছে বাবু তুমি একটু সরে আন্টিকে বসবার জায়গা দাও-

আপনি আমার কথা বলছেন বাসায়?



মেয়েটা জালে আটকা পড়া পোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল তাকিয়ে থাকে, আর একটার পর একটা কথার জাল গুটিয়ে অবশেষে শিকার ধরা দেয় , কিংবা মেয়েটাও শিকারি হয়ে উঠে, বাঁকা হাসিতে বধ করে ছেলেটাকে-



আমি তো তোমার দেওয়া গান ছাড়া অন্য কিছু শুনি না, মোবাইলে পুরোনো দিনের হিন্দি গান বাজে হঠাৎ হঠাৎ, আর তারা মোবাইলের হের ফোন দুজন দুই কানে দিয়ে একই গান শুনতে শুনতে নিজেদের ভেতরে মগ্ন হয়ে যায়, সন্ধ্যার আবছা অন্ধকার গাঢ় হয়ে আসে, আমার সামনের সবুজ মাশকারার গালে চকিত চুম্বন করে সরে যায় সম্ভবত তার স্বামী, আমার পেছনের চোখা চোখের মহিলা কাউকে ফোনে ঝাড়ি দেয়, এত প্রশ্ন করে লাভ আছে, বাস দেরীতে ছাড়ছে, বাসায় পৌঁছাতে দেরী হবে,



আমার পাশের ছোকরা আর মেয়ের প্রচুর মিথ্যা বলছে, আর একটু হলেই বাসায় পৌঁছে যাবো আম্মা,

ভাবী আপনাকে আমি কি যে ভালোবাসি, আপনার সাথে দেখা করে যাইতে পারলাম না বুঝলেন তো মাত্র একদিন বাসায় থাকিছি, এই চলে আসতি হলো, পরের বার গেলে দেখা করবানি ।



তুমি জানো না, যদি সময় থাকতো তাইলে তোমারে নিয়ি যাইতাম আমার এক খালার বাসায়, সেই খালা আমারে কি যে আদর করে, বলি বুঝানো যাবি নে, তারা তো তোমায় পালি এক্কেরে মাথায় তুলি রাখতো।

বাদ দেন এইসব কথা আপনি, আপনি আমার কথা কইছেন বাসায়।



মামা আমরা তো পৌঁছায়া গেছি প্রায়, কি যে বলেন না মামা , আপনি আপনার ভাগনিরে চিনেন না, সন্দেহ করেন আমাকে, বললাম তো অফিসে কাজ আছে, আর থাকা গেলো না।



অন্ধকার আরও গভীর হয়, মিথ্যার পরিমাণ বাড়তে থাকে, হঠাৎ করেই ছোকরা বৌকে প্রবোধ দেয়- এইতো আর বেশি সময় নাই, কুষ্টিয়া থেকি বাহির হলাম, এখন যমুনা ব্রীজের উপরে আছি, পৌঁছায়া যাবা নে সময় হলিই-




( এখন আমিও আপনার মত সিদ্ধান্ত নিয়েই বলি, আপনি যতই যুক্তি দেন না কেন, আপনার এই অন্যজনের ব্যাক্তিগত আলাপ শোনা কিংবা তা যদি তারা জোরেও বলে থাকনে তবে তা অনুমতি ছাড়া ব্লগে দেয়াটা আমার কাছে অন্যায় মনে হয়েছে । কেমন লাগবে আপনার ??)



আগেই বলে নেই আপনার ভ্রমণ নামে এই লেখাটির প্রশংশা না করলেই নয় । অসাধারণ একটি লেখা ।



যাক গে, আপনি লেখার পাত্র-পাত্রীর সংলাপ বলতে গেলে অনেকটাই তুলে দিয়েছেন । কান পেতে শুনেছেন । তাদের অনুমতি নেননি । নাহ... বলি না যে খুব অন্যায় করেছেন । আপনার মত বলিনা যে, মানবই না । সাক্ষ্য আইন কিংবা অন্য কোন কন্টেটের কোন কথাই আনি না । তবে, আইন যতটুকু পড়েছি তাতে আপনার এই সংলাপ কথনটুকু লিটারেল এপ্রোচে অন্যায় । গোপনে কারো কথা শুনে, তা মানুষের মাঝে ছেড়ে দেয়া । মাইন্ড ইট, আমি বলেছি , “লিটারেল এপ্রোচ” । এখন কথা হলো , আপনি কারো নাম বলেন নি । তবে দফেম হবা কিংবা আপাতঃ দৃষ্টিতে কারো মানের হানি ঘটছেই না । সেটাও তর্ক সাপেক্ষে । ওই ভদ্রলোকের স্ত্রী যদি কোন্দিন আপনার এও ব্লগ পড়েন, এবং তাতে যদি সন্দেহ করেন তবে এই লেখাটি সামান্য হলেও এভিডেন্স হিসেবে যায় । আমার সাধারণ আইন জ্ঞান তা-ই বলে ।



আবার আসি লিটারেল এপ্রোচ কথাটি কোট করে বলেছি কেন, সেই ব্যাখ্যাতে । অনেক কাজ আছে যা আপাতঃ দৃষ্টিতে আক্ষরিক অর্থে আইনের আঙ্গিকে অন্যায় । কিন্তু শুনে আশ্চর্য হবেন, একই একটাস রিয়া কিংবা কর্মে দুই রকম ফলাফল এসেছে অনেক মামলায় । উদাহরণ ভুরি ভুরি । কেন জানেন ? কারন হচ্ছে মেন্স রিয়ার বিবেচনা আদালতে ছিলো মূল বিবেচ্য । ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য ও কেন তা সঙ্ঘটিত হয়েছে এর উপর ভিত্তি করে সেই গিলোটিনেও গেছে ভিক্টোরিয়া আমলে আবার হালে শুধু কারাদন্ড হচ্ছে কেবল ঘটনার কারন বিশ্লেষনে । সক্রেটিস তো বলেই গেছেন কত আগে, কোনটি মন্দ আর কোনটি ভালো সে সিদ্ধান্ত কে নেবে কিংবা কি করে নেয়াই বা হবে । নাহ, দর্শনে আমি ভালো নই । তা না কপচাই । কেলসেন কে বুঝিনি বলে কিংবা তার পিরামিড বুঝতে পারিনি বলে জীবনে সবচাইতে বড় বিপর্যয় নেমে এসেছিলো আমার । সে যাক । বলছিলাম এসব গোপন সংলাপ আর মামলার নথি পত্র নিয়ে ।



ছোট একটা কেইস হিস্ট্রি বলি,



জেইমি বেইকন । বেঁচে যেতে নিয়েছিলো ছয়টি খুনের অভিযোগ থেকে । সারেতে এত বড় খুনী অনেক বছরে ইংল্যান্ডবাসী দেখেন নি । কিন্তু জেলার সাহেবের এক গোপন রেকর্ডে জেইমি সাহেম খান ধরা । যদিও এমন গোপ্ন রেকর্ডিং করাটা আইনে নিষিদ্ধ । আবার ইউরপিয়ান আর্টিকেল বলে, রাইট টু হ্যাভ প্রাইভেসী । আইনজ্ঞ কিম্বার্লি এল্ড্রেড এর এইসব যুক্তি আমলে নেয়নি আদালত । বলেছে সমাজের স্বার্থের কথা । বলেছে মানুষের স্বার্থের কথা । (আমার প্রিয় জাজ লর্ড ডেনিং ছিলো না সেই জাজমেন্টে । না জানি কি হতো সেখানে !!) ইইউ তে কেইস গড়িয়েও লাভ হয়নি । এসিএইচার কিংবা ইসিজে বাঁচায়নি বেকন কে ।





একটা উদাহরণ দিলাম মাত্র । এরকম পক্ষে আর বিপক্ষে পালটা যুক্তি অসংখ্য আছে রাসেল ভাই । অসংখ্য । তাই বলে নির্দ্বিধায় বলি না আমাদের করা কাজটি ভালো না মন্দ ,। এরকম ট্যাগিং একেবারেই পছন্দ না মাঝে মাঝে । তবে , ওইযে বললাম মেন্স রিয়া । সেখানেই যত বিপত্তি । ধরা হয়ত সেখানেই খেয়ে যাবেন । আপনি অথবা আপ্নারা । যারা উদ্বিগ্ন হলেন । যে সাক্ষ্য আইনের কথা বললেন , নিশ্চয়ি আপনি আমার থেকে বেশী জানবেন । এডমিসিবিলিটি,বারডেন এন্ড স্টান্ডার্ড অফ প্রুফ,কম্পিটেন্স এন্ড কম্পিটিবিলিটি,করোবরেশন কিংবা আইডেন্টিফিকেশন এগুলোও জানা আছে নিশ্চই । আশা করি সেগুলো বিচার করেই বলতে চেয়েছেন । কাউকে কোথাও ব্ল্যাক্মেইল কিংবা থ্রেট কোথায় দিয়েছি মনে পড়ে না । কেউ যদি কোন কথায় আতংকিত হয় , তবে, “ ইউ শুড টেইক ইউর ভিক্টিম, এজ ইউ ফাইন্ড হিম” এই যুক্তি কাজে আসবে না মনে হয় ।



ডরকিনের কল্পনার জাজ হারকুলিস আপনি নন । আপনি তার সে কল্পনা করা লোকটির মত হয়ত ভালো মন্দের প্রভেদ সব সময় বিচার করে ফেলতে পারেন না । নিখাদ মাপ্টিও আপনি মাপ্তে পারেন না বোধ করি হারকিউলিসের মত্ন করে । তারপরেও আপনাকে বলি, আপনার নিক্তিতে আমাকে মাপ্তে চাইলে কিংবা সিদ্ধান্তের বীজকে কৈশোরে পার করিয়ে এনে আমাদের বা আমার গলায় ঠুলো পরালে লাগবে ঠিকি, কিংবা লাগবে না অথবা লাগাতে দেব না ।



অন্যায়, জোরাজুরি কিংবা একটা অনিয়মের আশংকা যে তাতে একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না । তা বলাই বাহুল্য মাত্র ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেক্স ম্যানিয়াক আর পেপার কাটিং মুক্তিযদ্ধা সাহেব তো আমাকে ত্রিভুজেরই ফ্যান বানিয়ে দিচ্ছে



হাহাহাহা, পিয়াল ভাই এখন পেপার কাটিং মুক্তিযোদ্ধা!!!! আপনের একটা পোষ্টের কথা মনে পড়লো......। পিয়াল ভাইরে নিয়া। সেখানে তারে এ আমলের মুক্তিযোদ্ধা বৈলা আপনার অনাগত সন্তানরে দিয়া তারে কদমবুছি করাইবেন বলছলিনে......। সেই পোষ্টটা খুজলাম, পাইলাম না। :> >:) >:)

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল, I-) I-) I-) এতা বড় কমেন্টে এই দুইটা লাইনই চোখে পড়লো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল, কষ্ট পাইলাম। ইগো রড়ই মারাত্বক জিনিস। এর থাইক্কা মুক্তি পাওয়া কঠিন।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল, পোল্টি মারছি মলিদা । চলব এইবার ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর একটা কথা মলিদা, এই কমেন্টটি পড়তে আমার লেগেছে আট-থেকে সাড়ে আট মিনিট । কম করে ধরলেও আপনার যদি লাগে সাত মিনিট । তাতেও হচ্ছে না । সাড়ে তিন মিনিটে আপনি কমেন্ট করলেন । মানে পুরোটা না পড়েই । মূল আলোচনা গুলোতে আপনার অংশগ্রহন থাকলে ভালো লাগতো । যাই হোক সবই যার যার বিবেচনা । আমি অবশ্য পুরো কমেন্ট না পড়ে দুই লাইন পড়ে সব বুঝে ফেলার পক্ষ পাতি নই । অনেক সময় লেগেছে কমেন্ট টি লিখতে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,



এইটা তো ভন্ড রাজনীতিকদের কাম বৈলা জানতাম। >:) >:)

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ,

হ! আমার দৃষ্টি যে তীক্ষ্ম সেইটা তো আগেও কৈছেন।



তয় এই পোষ্টের মুল বিষয় নিয়া আলাপের ইচ্ছা নাই, কারন আমি ফেডআপ.... আর ঐ দুইটা লাইন দিয়া আসলে নিঝুমদা নিজের আগের অনুভুতিরেই প্রশ্নবিদ্ধ করছেন তাই কৈলাম।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, ভাই জিয়া , একটু দেখেন পিলিজ..

সবাই কি আর গান্ধীজি হয় আবু ভাই Laughing out loud Laughing out loud ?




ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

মুল আলোচনায় আগে ব্যস্ততার কারনে থাকতে পারি নাই, আর এখন থাকতে চাই না কারন ফেডআপ আর সব কিছু জাবর কাটা জিনিস..... তবে এর যে শেষ নাই এইটা বুঝছি।



বিপ্লব দীর্ঘজীবি হৈক। Stare

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, এর চাইতে খারাপ গালি আপনি আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু তা নিয়ে ব্যাসা করার মতো রুচী থাকাটাই আসল। কোন একদিন - কোন একটা মূহূর্তে হয়তো রাকোন একটা বিশেষ কারনে আপনি আমাকে গালি দিছেন - তা বলে তার স্ক্রীন শট নিয়ে গালি কনটিনিউ করবো - এইটা কি ঠিক?



আপনি আসলে ব্লগে কি চান তা বলুন - ছোট করে পোস্ট দেন - পয়েন্ট করে দেন - যাতে আমার মতো বুদ্ধিকম মানুষ বুঝতে পারে। আপনার উদ্দেশ্য যদি বুঝতে পারি - তা হলে হয়তো আমিও আপরা সাথে আছি।



ঘুরাইয়া প্যাচাইয়া গাজী কালু চম্পাবতীর গীত গাইয়া লাভ নাই। কারো সময় নাই ব্লগে এসে বিপ্লবে যোগ দেবে। ব্লগ বিপ্রবে জায়গা না। এইটা মতপ্রকাশের - মতবিনিময়ের জায়গা হতে পারে। কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবার মতো কোন ব্যবস্থা ব্লগে নাই।



সুতরাং অমি যখন কমেন্ট করেছে - আপনিও কমেন্ট করেছেন - সেই সময় গুছাইয়া কমেন্ট জমা রেখে পরে এনে ব্লগে ক্যাচাল করাটা অনেকেই পছন্দ করবো না।



নিজেকে বিরক্তিকর মানুষে রূপান্তরিত না করে যুক্তি দিয়ে ভাবুন।



আরেকটা কথা - আপনার সাংকো পাঞ্জাদের একটু ভদ্রভাবে কথা বলার ট্রেনিং দিয়েন। তাদের লিভিং রুম আর বাথরুমের পার্থক্যটা ভালভাবে বুঝিয়ে দেবেন।



ধন্যবাদ।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল, আমারে কেউ চুদলে তার ধন চোষা যদি আপনার কাছে পীরগিরি লাগে দাদা, তবে আমি নাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মলিকিউল, আমারে যে শ্রদ্ধা করেনা তারেও নমষ্কার করতে কওনের মত বুকের পাটা আমার নাই মলিদা । আমার পিতা-মাতা আমারে যেমন সম্মান করতে শিখাইছে তেমনি তারা আমারে বয়স বিবেচনা না কইরা আমারে সম্মানও করছে । এই শিক্ষা আমার ছোটবেলার । এইটা যদি দূর্বলতা হয় , আমি মেনে নিচ্ছি দাদা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,





আপনি আসলে ব্লগে কি চান তা বলুন - ছোট করে পোস্ট দেন - পয়েন্ট করে দেন - যাতে আমার মতো বুদ্ধিকম মানুষ বুঝতে পারে।






প্রথমত আমি তোমাকে চাই, দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই, শেষ পর্যন্ত আমি আবুকেই চাই Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, বাথরুমে কাওছার আহমেদ থাকে আর লিভিংরুমে আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন থাকে। এবার খুশি হইছেন? :-B :-B


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ইগলু, ছাগলের চার নাম্বার বাচ্চার আগমন!! শুভেচ্ছা স্বাগতম! Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, আপনে ভুল করছেন। আমি ৭ নাম্বার। আপনে নাম্বার বাচ্চা, জনাব?

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবু সাহেবের অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট মুছে ফেলা হলো ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,



সত্য কথা বলতে কি, আপনার মধ্যে ত্রিভুজ সিন্ডোম দেখা যাচ্ছে। ত্রিভুজ প্রথম কমেন্ট মুছতো - পরে ব্লক করতো। আপনিও নিজের চামচাদের কমেন্ট রেখে অন্যেরটা মুছে দেন - কারন দেখান অপ্রাসংগিক।



দু:খজনক হরেও সত্য। এখন এই কমেন্টাও মুছেন।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,







ইগলু, ছাগলের চার নাম্বার বাচ্চার আগমন!! শুভেচ্ছা স্বাগতম


- এইটা প্রাসঙগিক কমেন্ট! :]

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, X( X( X( X( এই ছাগলাটারে দেখলে আমি বড় বিনোদন পাই। কমেন্ট মোছার প্রতিবাদ। আবার মুছলে আমি আপনার বিরুদ্ধে লেখা শুরু করুম। X( X(


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, ব্লগ মোল্লা ফতোয়া দিসে । এইটার একটা ভ্যালু আচে না ? হক কতার এক কতা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ, ছাগলকুলে বসবাস করে চোখে সব সময় ছাগল দেখেন। এইটা কোন সমস্যা না। কয়েকদিন মানবকুলে মিশলে আবার মানুষ দেখবেন। সেই পর্যণ্ত আপনার জন্যে দোয়া রইল।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,



ছাগলের মুখ আমি দেখিয়াছি

জিয়াউদ্দিনের মুখ আর দেখিতে চাহি না আর!



কবিতা পছন্দ হইছে? :-B :-B

দোয়া যে করছেন ! কোর সুরা পড়ছেন? আপনেতো আবার ব্লগ মোল্লা!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ,



একজন নিম্নশ্রেনীর চামচার হিসাবেও আপনার সার্ভিস পাশ করবে না। চেষ্টা করুন।

একজন গালিবাজ চামচার কমেন্টের এইটাই শেষ জবাব। নিজের আয়নার নিজের চেহারা দেখেন। চামচী করে আর যাই হোক একজন পূর্নাংগ মানুষ হওয়া যা য়না। এক জন মানুষ হতে হলে নিজের পায়ে দাড়াতে হয়।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,

ওরে আমার উচ্চশ্রেনীর চামচারে!!!!!



আসেন কুলাকুলি করি, যদি উচ্চশ্রেনীর চামচা হতে পারি ক্ষতি কি?



:-S :-S :-S ছাগলের চার নাম্বার বাচ্চা আমারে প্রাথমিক চামচা পরীক্ষায় ফেইল নাম্বার দিছে! =(( =(( =(( আমি খেলুম না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাওছার আহমেদ,





ওরে আমার উচ্চশ্রেনীর চামচারে!!!!!




পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক্রেমোরিয়াম রেভোলিয়াস


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুদাই বেয়াল্লিশ! যত্তসব ইগোয়েটিক-ইমেচিউরড পোলাপান! ক্যাচালের ইস্যুর অভাব নাই! (N)

--------------------------------------------------------
যতদূর যাই, ঠিক ততদূর সেও যায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইউজি আমারব্লগের এডমিনকে পেঁদাতে কিংবা পোঁদাতে জন্মায়নি । দলীয় চাটুকার আর দলীয় দালালদের বিরুদ্ধে সহমনা কয়েকজন কেবল কথা বলতে চেয়েছে
তা এই বলাটা নিজ নিজ নিকে বললে কী কী অসুবিধা হইতে পারত?



অমি পিয়ালরে অনাগত সন্তানরে দিয়া কদমবুসি করানোর পোস্টটা লেখার সময় বুঝতে পারেন নাই সে যে পেপার কাটিং মুক্তিযোদ্ধা? আপনে ত্রিভুজের ফ্যান কিনা এইটা জিগাইতেই তবেই বুঝতে পারলেন অমি পিয়াল পেপারকাটিং মুক্তিযোদ্ধা?



কন্টেন্ট দেইখাই তো অমি পিয়াল বোঝার দরকার ছিল আপনের। ত্রিভুজের সঙ্গে তুলনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হইল।



যাই হোক একটা শিক্ষা তো পাইলেন যে কারো কন্টেন্ট আপনার পছন্দ হইলেই তারে নিয়া আবেগী পোস্ট আর লিখা যাইব না। কে জানে কয়দিন পর যদি সেই ব্যক্তিও যদি আপ্নেরে ত্রিভুজের ফ্যান কয়?

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান, আরে !!! আপনি যে !!! কি অবস্থা আপনার !!



আজকে দুপুরে এক পোলা আসলো শপে সিভি নিয়া । দেইখাই বুঝলাম বাংলাদেশী । সিভি দিলো হাতে । ওর সামনে দাড়াইয়াই পড়লাম । সিভির ভেতরে আবার দুনিয়ার নকশা । বিশেষ দক্ষতার জায়গায় লিখসে, "Malti" ট্যালেন্টেড । আমি সিভি পইড়াই ওর সামনে হাসতে হাস্তে শেষ । কইলাম, ভাই আপ্নের চাকরির যদি একটা ব্যাবস্থা করি, তাইলে একটা কারনেই করব, কারন আপনি লিখসেন ""Malti" ট্যালেন্টেড " । এরকম সাহস করে কথা কেউ লিখতে পারে না । যদিও তার মাল্টি বানান ছিলো ভুল । ঢাকা ইউনি'র স্টুডেন্ট ছিল ছেলেটা ।



যাক সেই কথা, এই "Malti" ট্যালেন্টেড কথাটা আজকে সারাদিন ভাবলাম আর হাসলাম । ভাবি, যাক আমাগো অলৌকিক ভাইসাবের মত এরকম মাল্টি ট্যালেন্টেড লোকজন আছে তাইলে । আপনি যেরকম একাধারে চিত্রগ্রাহক,নাটক বানান, প্রোগ্রাম বানান,অনেক বড় গদ্য দেইখা খুইজা খুইজা ঠিক যায়গাটা ধরতে পারেন, ইত্যাদি ইত্যা্দি



আপনার মন্তব্য পইড়া দাঁত বাইর কইরা দেঁতো হাসি দিলাম একটা । মনে মনে কইলাম যাক এইব্লগে আইলে আজকাল হিডেন জামাতী টেস্ট দিতে হয়,ব্লগের ভালো না মন্দ চাই সেইটার টেস্ট দিতে হয়,ছপা রুস্তম কিনা তার টেস্ট দিতে হয় । এখন আবার দিতে হইতেছে আমি কারে ভালো মনে করলাম না খারাপ মনে করলাম এইটার জবাবদিহিতা । আমার মত স্নবের লাইগা তা একটু সমস্যাই বটে ।



হাসিনারে মাথায় তুইলা দেবী দেবী করতাম, দিসি ফালাইয়া এক লাত্থি দিয়া, শেখ মুজিবরে মুজিব্বা কইসে দেইখা এক জামাতীর মাথা ফাটাইসিলাম তিন বছর আগে লন্ডনে স্টেপ্নী গ্রীনের এক জায়গায় ,( ডিটেনশনে আছিলাম ৪৮ ঘন্টা) সেই চরম মুজিববাদী মনোভাবও আর নাই, হুমায়ুন রে অসহ্য লাগা শুরু হইসে ইদানীং ( যেইটা হালকা আপ্নিই ধরতে পারসিলেন) । তো এমনে কইরাই মাথায় তুইলা অনেকেরে ফালাইসি । কি যে করমু!!!! উড়ূ উড়ু মন । সেই যেন প্রজাপতি কাল নাটকের মিলনের মত । ( বিশিষ্ট পরিচালক কাম্রুল হাসানের পরিচালনাতে নাটক । চিনেন মনে হয় ভদ্র লোকরে Wink



মনে নাই, জয়া রে বাবু'র কাছে সঁপে দিয়ে নিজেই প্রেমে পাগল আর দেওয়ানা । অথচ সময়মত বুঝতেই পারে নাই ভালোবাসার কথা । আমার ক্ষেত্রে অবশু উল্টাটা হইসে ।



ইরাম আরো আছে । কিন্তু ঘটনা হইলো আমার ক্ষেত্রে কামটা ঠিক হয় নাই Laughing out loud Laughing out loud । আমি একবার যারে পীর মানছি, তারে কি আর "গেলি" কইতে পারি ? এইটা কি সম্ভব ? কত বড় খ্রাপ আমি !!!! দেখেন দেহি !!! মানুষ আমি আমার কেনু উড়ু উড়ু মন রে এ এ এ এ এ এ এ এ এ এ .।।কেনু কেনু কেনু ????



"কারো কন্টেন্ট পছন্দ হইলেই যে আর আবেগী লিখা লেখা যাবে না এবং তার যে শিক্ষা" এই স্মপর্কিত আপনার কথা খানির উত্তর হইলো , "বেড়ে বলেচেন দাদা । এগেইন আস্কিং ???" Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud





আর উইইইইইইইই কথাটা নিজের নিকে বলতে পারি নাই বলিয়া মার্জনা ক্ষমা করো প্রভু । তুমি কুতায়?????কুতায়????কুতায়????



ভালো থাইকেন গো ভাইডি । দেইখেন আবার পিষ্যা টিশ্যা মাইরেন না । আপ্নারে বড় ভয় পাই গো


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি নিজুম সাবের লগে একমত



কালকা পর্যন্ত অমি রহমান পিয়াল মুক্তিযু্দ্ধের চলমান ডিকশনারী আছিল মাগার যে দিন তিনি হিজ এক্সেলেনসি নিজুম সাবের ইউ জি নিয়া প্রশন করসেন তিনি সেদিন থেকে পেপার কাটিং মুক্তিযোদ্ধা এবং চটিষ্টার হইয়া গেসেন।



দেশের চেয়ে ইউজি বড় তাই ইউ জিগো বিরুদ্ধচারন করলেই আনডটেপ হইবেক


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার মানে কাউকে যদি আপনি এখন মাথায় তুলে রাখেন তাহলে মোহভঙ্গের পর অথবা আপনার আদর্শ কিংবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেলেই যে কোনো সময় ফেলে দিতে পারেন।

হাসিনারে মাথায় তুইলা দেবী দেবী করতাম
ঠিক কী কী কারণে হাসিনারে মাথায় তুইলা দেবী দেবী করতেন প্লিজ একটু বলুন না। এখন তাকে ফেলে দেওয়ার কারণগুলো বুঝতে পারছি। কিন্তু মাথায় কেন উঠিয়েছিলেন তা বুঝিনি।

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান,আপনার মত "Malti" ট্যালেন্টেড আছিলাম যে!!!! Wink Wink


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান,







কিন্তু মাথায় কেন উঠিয়েছিলেন তা বুঝিনি।




এখানে কবি নিরব হয়ে যাবে। মনে আছে নিশ্চয়, শত বার জিজ্ঞাসা করে ও উত্তর পাইনি এমন একজন ব্লগার ছিলো। এতো সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তিমাত্র।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

আপনি তো পিছলানোর মতো ছেলে নয়। এটা তো ত্রিভুজ করত। আপনি তাহলে কেন বলছেন না হাসিনাকে কী কারণে মাথায় তুলেছিলেন।



আর আমার মতো Malti মানে? ব্যঙ্গ করে বলছেন?

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, ভাই আপনারে দেখলে আমি ব্যাপক বিনোদন পাই, আপনি দয়া করে মাঝে মাঝে কমেন্ট কইরেন। Laughing out loud Laughing out loud এমন চিপা চাপা দিয়া আপনের দেখা মিলে যে আমি ভাবতেছি একটা ফান ম্যাগাজিন খুলে আপনারে দাওয়াত করে নিয়া যামু। >:D< >:D< >:D<


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান, হা হা ..



শোনেন, আমার আব্বা জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছিলেন । নিজের চোখে তার রাজনীতি দেখেছি আমি । বাবা প্রচন্ড আওয়ামী ভক্ত মানুষ ছিলেন এখনো আছেন । আমার চাচা,মামারা সব আওয়ামীলীগ করেন । সুতরাং সে আবহেই আমার বেড়ে ওঠা । বাসায় দীর্ঘ আকারের শেখ হাসিনা আর জাতির জনকের ছবি দেখে বড় হয়েছি । শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মুক্তি আনবেন, এই কথা আমার বাবার মত বিশ্বাস করতে চেয়েছি । দূর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্য যা-ই বলিনা কেন , সামনা সামনি যাওয়ার সুযোগ হয়েছে অনেক বড় বড় নেতার-নেত্রীর । ধীরে ধীরে একটা সময় মোহ ভং ঘটতে থাকে যখন দেখি সামান্য বন্যা নিয়ে রাজনীতি হয় । ১৯৯৮ সালে এত বড় বন্যাতে নিযে রুটি বিলি করতে গিয়ে দেখেছি নেতাদের বিভক্তি আর শুধু নাম ফাটাবার ব্যাবসা । নিজের চোখে দেখেছি শেখ হাসিনা কি করে সেই রুটি নিয়ে দলা-দলি তদারকি করতেন । সে অনেক কথা । অবশ্যই লিখব একদিন, এখানে না হোক অন্য কোথাও ।



অনেক আশা দেখেছিলাম আওয়ামীলীগকে নিয়ে । শেখ হাসিনার ভূমিকা খুব কাছ থেকে দেখেছি আর অন্য কয়টা সাধারণ মানুষ যা দেখে তার থেকেও কাছ থেকে । ধীরে ধীরে তার আসল চেহারা আমার বোধ গম্য হয় । পুরো ব্যাপারটাই স্বার্থের । পুরো ব্যাপারটাই নিজের । বিলিভ মি, এরা কেউ দেশের কথা ভাবে না ।



একটা সময় না বুঝে, না শুনে অন্ধের মত পারিবারিক ধারা বজায় রেখে আওয়ামীলীগ তথা শেখ হাসিনাকে ভক্তি করতাম । বিশ্লেষন ছাড়াই । একটা সময় চোখ খুলতে লাগলো । আমার সে এক্কালের স্বপ্নের নেত্রী তখন গণভবন নেয়ায় ব্যাস্ত, যখন দেশের হাজার মানুষ কমলাপুর রেল স্টেশনে রাত কাটায়, শান্তিনগরের রাস্তার ধারে রাত কাটায়, আমার সামনে এলাকার পাতি মাস্তানরা --ওয়ার্ডে মিটিং করে বি এন পি বস্তি পুড়িয়ে শত শত মানুষকে ঘর ছাড়া করল কোন পুন্ররবাসন ছাড়াই । কমিশনার শাহাবুদ্দিনকে মেরে ফেলল হাজী মকবুল শুধু দলীয় ইশারাতেই । সব খবরই পাই । কিন্তু হাত পা বাঁধা । শেখ হাসিনা ভেতরে ভেতরে চাল চালেন । আমার চোখ খুলতে থাকে , আস্তে আস্তে ।



ঠিক একই ঘটনা বি এন পিতে । নিজের চোখে আমি আমার এক ঘনিষ্ট মামাকে দেখেছি, যিনি তারেকের সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্ট ছিলেন । এখন পলাতক । অথচ এককালের বাম, আমার এই মামাকে নিয়ে আমরা কিই না ভাবতাম !!! সব কিছু আমার চোখের সামনে পালটে যেতে থাকলো ।



বাম ঘরানার অনেক বন্ধু আছে আমার । তাদের ভন্দামী দেখেছি । তাদের দেশ প্রেম শেষ হতো গাঁজা আর হেরোইন দিয়ে দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে দেখতে । তারা বলত মেহনতী মানুষের কথা । হায়!!!!!



মেনন কে কতবার দেখেছি কাছ থেকে । দেখেছি তার শান -শওকত । বিদেশী টাকার ধুম । অথচ বলে বেড়ান মানুষের মুক্তির কথা । ইনুকে দেখে বুঝেছি বাম রাজনীতি আসলে কি বস্তু ।



সব শিয়ালের এক রা!!! আমি ধীরে ধীরে বুঝতে থাকি । শেখ হাসিনা কিংবা আওয়ামীলীগকে সাপোর্ট করতাম, এই স্মৃতি মাথাতেও কতটা যন্ত্রনা দেয় !!!!



খাওয়ার অভাবে যে দেশের মানুষ শোকে কাতর, যে দেশে মানুষের বেঁচে থাকার কোন সামান্যতম নিরাপত্তা নেই, যে দেশে এক দলের প্রচুর আর আরেক দলের কিছুই নেই, যে দেশে পাঁচ বছরের সন্তান পরিবারকে বাঁচাতে কাজে রাস্তায় নামে, দুধের শিশুকে নিয়ে ভিক্ষা করতে হয় , সে দেশে আমি শেখ হাসিনাকে নিয়ে কেবল স্বপ্ন দেখেছিলাম । ভেবেছিলাম, এই তো সেই মানুষ, যিনি পাল্টাবেন সব ।



নাহ, ভেঙ্গে পড়েছিলো সব । আমার সব ইচ্ছা,স্বপ্ন । সব ।



আর কিছু কি শুনতে চান আপনি ? জায়গা দাড়াইয়া আওয়াজ দিয়েন ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান, ওহ্‌ আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছি আপনাকে । আপনি বলেছেন-







মোহভঙ্গের পর অথবা আপনার আদর্শ কিংবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে




আপনি এখানে তিনটি টার্মে বাক্য গঠন করেছেন যেগুলো হলো- ১) মোহ ভংগ ২) আদর্শের বিরুদ্ধে ৩) ইচ্ছার বিরুদ্ধে ।



তিনটি শব্দ কিংবা ছোট বাক্য, যাই বলি না কেন, এর ব্যাপকতা আমার কাছে অনেক । একসাথে এই তিনটিকে মিলিয়ে সরলীকরণের পক্ষপাতী আমি নই । আরো যোগ করা যেতে পারে শব্দ গুলোর নিজস্ব আঙ্গিকের কিংবা চয়নে তার প্রচন্ডতা । যা অনেক কথার মানে পালটে দিতে সক্ষম । এই শব্দ গুলো পরস্পর জড়িত ব্যাক্তির দ্বন্দে, সামাজিকতার দ্বন্দে,নিজস্ব খেয়ালের দ্বন্দে ( যথাক্রমে নয়) ।



ফলে এখানে আদর্শিক একটা অবস্থানের সাথে ব্যাক্তিগত দ্বন্দ কিংবা ব্যাক্তি রোষ কাজ করে । আমি বৃহত পরিসরের অনুসঙ্গের সাথে আমার ব্যাক্তিগত পছন্দ আর অপছন্দের মিলন ঘটাতে একেবারেই ইচ্ছুক নই । যা আপনার উল্লেখিত বাক্য ও শব্দ চয়নে আপাতঃ হলেও আমার মনে হয় ।



লিঙ্গুইস্টিক টোন ও চয়ন অনেক সময় অবস্থা পালটে দিতে পারে । সুতরাং ব্যাক্তি ও সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে শব্দ ব্যাবহারের অনুরোধ রইল । আশা করি আপনি তা বুঝবেন ।



"আমার নিজস্ব পছন্দ আর অপছন্দের সাথে বড় কোন আদর্শের দ্বন্দ হবে না ( যা বৃহত ও ব্যাক্তির সাথে সংশ্লিষ্ঠ নয় এমন)" এমন কথা হাস্যকর শোনালেও, আমি সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকি এই প্রতিটি ব্যাপারের নিজস্বতা ও সার্বভৌমতা বজায় রাখতে ।







এক্ষেত্রে আপনার বন্ধুদের কাছে আমার অনুরোধ রইল তারা যেন আপনার কাছ থেকে জেনে নেয় ঠিক কী কারণে আপনি হাসিনাকে মাথায় তুলে দেবী বানিয়েছিলেন।




আপনার এ প্রশ্নের উত্তর ব্লগে আসলে আমার বন্ধুরাই দিবেন । তারপরেও আপনাকে বলে রাখি, আমরা সবাই এমন সব পরিবার থেকেই এসেছিলাম যেখানে গোঁড়া আওয়ামীপনার চর্চা হয় । আমার এ কাহিনী তাদের চির চেনা । তারাও "দেবী" দ্বার ঘুরে এসে ক্লান্ত ও শ্রান্ত । ঘর্মাক্ত ও বিরক্ত । নাহ্‌, জেনে নেবেন, এখানে ব্যাক্তিগত হতাশাতে কেউ এসে পৌঁছোয় নি, সামগ্রিক ভন্ডামিতে তারা "টাশকিত"







তারপরও বাংলাদেশের উন্নতিকল্পে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ডিপোর্ট পর্যন্ত হয়ে যান তবে প্রত্যেক ইউজি যেন প্রত্যেকের প্রতি খেয়াল রাখেন। একই কর্মে যেন প্রত্যেকের একই ফল হয়। বুইজ্জা ...




আপনি কোন এক কমেন্টে এই কথাটুকু পেয়েছি এবং তা আমার নজড় কেড়েছে । আপনি স্মভবত প্রসুত কথা বার্তা চালান আপন বোধের প্রকৃতিতে । সে ভালো । চিন্তার প্রতিফলন ও প্রকাশের ছাপ এক হওয়া বাঞ্ছনীয় । অন্যথায় লোকে মন্দ বলবে কিংবা বলতে পারে । তবে, ইশারায় জর্জরিত উদ্ধৃতি খানি আমরা আলাদা আলাদা উপভোগ করেছি ও আনন্দিত হয়েছি আপনার "প্যার্টান অফ থিঙ্ককিঙ্গের" সাথে আদিম যুগের কিছু অনুসঙ্গের মিল পাওয়াতে । তা অবশ্য সবারি নিজ নিজ আবিষ্কার । নিজেদের মতন করে । কিন্তু তারপরেও "আদিমতা" শব্দটিতে এই ভিন্নতা ছিলো না । মতপার্থক্য কাটিয়ে আমরা সবাই এই মর্মে উপনীত হয়েছি বটে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক কথা! অনেক আলোচনা। সব পড়তে পা্রলাম না। তবে নিঝুমকে আমি পছন্দ করি যদিও ছেলেটা খুব বেশী আবেগী।



নিঝুমকে শুধু বলবো ব্লগ পলিটিক্সে না জড়িয়ে আপনার লেখনী দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগান।



আমি চাই আপনার মত দেশপ্রেমী ইয়াং ছেলেরা দেশ গড়ার হাতিয়ার হোক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাসরিন, আপা আপনাকে কে যেন একতারা দিয়ে গেছে Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম



আপনি লিখেছেন 'হাসিনাকে একসময় মাথায় তুলে দেবী দেবী করতেন এখন এক লাত্থি দিয়ে মাথা থেকে ফেলে দিসেন।'



আমি জানতে চেয়েছিলাম কী কী কারণে হাসিনাকে মাথায় তুলেছিলেন।



অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও উত্তর পাইনি। পিছলে গেছেন (কমেন্ট ১৬.১)। অসুবিধা নাই। এক্ষেত্রে আপনার বন্ধুদের কাছে আমার অনুরোধ রইল তারা যেন আপনার কাছ থেকে জেনে নেয় ঠিক কী কারণে আপনি হাসিনাকে মাথায় তুলে দেবী বানিয়েছিলেন।নিঝুম



আপনি লিখেছেন 'হাসিনাকে একসময় মাথায় তুলে দেবী দেবী করতেন এখন এক লাত্থি দিয়ে মাথা থেকে ফেলে দিসেন।'



আমি জানতে চেয়েছিলাম কী কী কারণে হাসিনাকে মাথায় তুলেছিলেন।



অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও উত্তর পাইনি। পিছলে গেছেন (কমেন্ট ১৬.১)। অসুবিধা নাই। এক্ষেত্রে আপনার বন্ধুদের কাছে আমার অনুরোধ রইল তারা যেন আপনার কাছ থেকে জেনে নেয় ঠিক কী কারণে আপনি হাসিনাকে মাথায় তুলে দেবী বানিয়েছিলেন



বাসায় যাচ্ছি (নেট নাই)। যদি উত্তর দিয়েও থাকেন আগামীকাল দেখবখন।

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম



আপনি লিখেছেন 'হাসিনাকে একসময় মাথায় তুলে দেবী দেবী করতেন এখন এক লাত্থি দিয়ে মাথা থেকে ফেলে দিসেন।'



আমি জানতে চেয়েছিলাম কী কী কারণে হাসিনাকে মাথায় তুলেছিলেন।



অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও উত্তর পাইনি। পিছলে গেছেন (কমেন্ট ১৬.১)। অসুবিধা নাই। এক্ষেত্রে আপনার বন্ধুদের কাছে আমার অনুরোধ রইল তারা যেন আপনার কাছ থেকে জেনে নেয় ঠিক কী কারণে আপনি হাসিনাকে মাথায় তুলে দেবী বানিয়েছিলেন।



বাসায় যাচ্ছি (নেট নাই)। যদি উত্তর দিয়েও থাকেন আগামীকাল দেখবখন।

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অলৌকিক হাসান, নিঝুম মজুমদার পিছলায় না । কথাটা মাথায় রাখবেন । আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে ৮ মিনিট লাগলো এবং তাতেই আপনি একটি সিদ্ধান্তে পৌছে গেলেন দেখে অবাক হই নি ।



আসলে অবাক হইও না


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম

আপনার বক্তব্যে অনেক আবেগ, অনেক জ্ঞান, সুতীব্র লেখনী - সবগুলোরই প্রয়োগ খুজে পেলাম।

আপনার ভাষার তীব্রতা অনেক বেশি। তবে গত পঞ্চাশ বছরের জীবনে যেটুকু সামান্য জ্ঞান আহরণ করতে পেরেছি তা থেকে যা অনুভব করতে পারি তা হলো এই তীব্রতাটা মানুষের মাঝে বয়সের সাথে সাথে কমতে থাকে, বাড়ে জীবনের ম্বার্থে আপোষকামিতা। দোয়া করি যেন আপনার ক্ষেত্রে এমনটি না হয়। বেচে থাকলে আরো ১০ বছর পরেও যেনো আপনার এই আবেগ দেখতে পাই। মহান স্রষ্টার কাছে আকুতি জানাই যেন বাংলাদেশ আপনার মতো মেধাবী সন্তানদের বিচরণক্ষেত্র হয়। যেনো আপনাদের মতো বুদ্ধিমান, মেধাসম্পন্ন সোনার ছেলেরা বিদেশেই স্থায়ী না হয়ে যায়।

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বোকামাষ্টার, দোয়া করবেন চাচা। মুরুব্বীদের দোয়াই সব ।

glqxz9283 sfy39587p07