Skip to content

পুনশ্চঃ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি





উতসর্গঃ আবুসাঈদ জিয়াউদ্দীন,ডক্টর আইজুদ্দিন ও সুশান্ত দাস গুপ্ত ।



আমি এদের কথা আজকাল প্রায়ই ভাবি । একজন মানুষ হিসেবে, এদেরকে এ রকম করে ভাবা যৌক্তিকভাবে একদম সম্ভব নয় । তা বলাই বাহুল্য । কিন্তু আমি ভাবি । কেননা, আমার ইদানীং প্রায়ই মনে হয়, এই যে একাত্তরের এত প্রাণ শুধু দেশের জন্য অকাতরে খরচ হয়ে গেলো, এই যে এত আত্মত্যাগ, তা কিসের জন্য ? তার বিনিময়ে বাংলাদেশ কি পেয়েছে ? এসব প্রশ্নের এক পর্যায়ে আমি বিকারগ্রস্তের মত অট্টহাসি দিয়ে আশে পাশের মানুষকে ভড়কে দিতে চাই । চমকে দিতে চাই । কেননা এত গুলো প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ পরিচর্যাকারী পাইনি । পেয়েছি উপরে উল্লেখিত ওরকম তিনজনের মত লক্ষ লক্ষ দল পরিচর্যাকারী । এই সুখ কোথায় রাখব, তা বুঝতে পারিনা বলেই আমি আজকাল চুপ চাপ বসে থাকি ।









এই চিঠিটি লেখা হয়েছিলো অগাস্টের ১ তারিখে । ১৯৭১ সালে । বাবলু নামে একজন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধশিবিরের ফাঁকে এই লেখাটি লিখেন । লেখাটি ঠিক কার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিলো, তা নিশ্চিত নই । চিঠিটি পড়ে মনে হচ্ছিলো একজন ক্লান্ত ও নস্টালজিক হয়ে যাওয়া যোদ্ধার ব্যাক্তিগত স্মৃতি হাতড়ানো । আপনাদের কাছে অনুরোধ করি কড়োজোড়ে,আমার লেখা পড়েন আর না পড়েন, কিন্তু এইখানে উল্লেখ্য চিঠিটির প্রতিটি লাইন,প্রতিটি অক্ষর দয়া করে মনোযোগ দিয়ে পড়বেন । প্লিজ । আমি এই চিঠিগুলো পড়ি আর ভাবি, ঠিক ৩৮ বছর আগে কিছু প্রবল মহীয়ান মানুষ ঠিক কিসের জন্যে আজকের বাংলাদেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন ? আমি আগা-মাথা হাতড়ে কিছুই বুঝি না । কিছুই ঠাওর করতে পারিনা । কি কারনে যেন, আমার খুব কান্না পায় । খুব ।





“যে কথা লিখার জন্য কলম ধরেছি তা থেকে হয়ত এ লেখাটুকু একটু আলাদা ধরনের হলো,সে জন্য সত্যকারেই মর্মাহত।



কতদিন বেঁচে থাকি জানি না,তবে আজ পর্যন্ত যে বেঁচে আছি সেটাই ভাগ্য বলে মেনে নিতে হবে । আজ মনে পড়ছে কতগুলো বন্ধু-বান্ধবদের কথা । তারা হলো , আকবর , জীবন , খয়ের ভাই , এনায়েত ভাই , আকরাম ভাই ,সাইফুল ,মকবুল ,আনসার ,কবির , কুদ্দুছ , ছত্তার ,বারী , রঙ্গু , মোসারেফ ভাই,মন্নান ভাই,আলমুজাহিদ ভাই, খালেক(পানের দোকান্দার), খোন্দকার ভাই(দারোয়ান), খালেক,আজিজ ,লতিফ,ফারুক, মালেক,সেকেন্দার,কাদের ভাই(রেস্টুরেন্টোয়ালা),মামু,লালু,শিলু,নাসরীন,নাসরীনের মা-বাবা, রানু,ওর মা বাবা , মিতা , হাই,ইদ্রিস ,মোসারেফ ভাই ,কত জনার কথা আর লেখা যায় ? এরা ছিলাম এক সূত্রে গাঁথা । কে কে বেঁচে আছেন ,আর কার কার সঙ্গে দেখা হবে । মামুন,আজিম,বকুল,ওরাও কোথায় আছে তাও জানা নেই । কোনোদিন দেখা করতে পারি কিনা সন্দেহ । কালের ভয়াল গ্রাসে কে কোথায় আছে খোদাতালাই জানেন ।অনেক বন্ধু নিহত হওয়ার কথাও শুনেছি,কজনারই বা হিসাব দেব । স্মৃতিপটে সবই ভেসে উঠে ।



বাবলু




[চিঠি লেখক শহীদ আবুল কালাম (বাবলু),পিতার নাম শহীদ আবু বকর মিয়া ।৩ অক্টোবর রাজাপুর থানার আঙ্গারিয়া নামক স্থানে পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি অস্ত্রসহ ধরা পড়েন । অমানুষিক নির্যাতনের পর ১১-অক্টোবর রাতে রাজাপুর থানায় তাঁকে হত্যা করা হয় । কয়েকদিন পর তাঁর পিতাকেও পাক সেনা ও রাজাকার বাহিনী গুলি করে হত্যা করে ।]



উপরের চিঠিটি “একাত্তরের চিঠি” বইটি থেকে টাইপ করেছি । এই চিঠিটি পড়ে আমি পরের পাতায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিমের লেখা চিঠিটি আর পড়তে চেয়েও পারি না, কোন এক না জানা কারনেই । আসলে, না জানা কারন হয়তবা না । চিঠিটা মনে মনে পড়েও ভেতরের একুয়াস হিউমার অংশটিই প্রবল ভাবে নাড়া খায় । আজকে রাতে খাওয়া ঠান্ডা পানিটা কি করে যেন গরম হয়ে খামাখাই চোখ দিয়ে বেয়ে পড়ে । আমি ভাবি, এই দুঃখ বোধ আর বিষন্নতা কি শহীদ বাবলু আর তার পিতার জন্য ? আবার ভাবি, এই কান্নার উৎস কোথায় ? দেশকে এই রকম করে ভালোবেসে যারা প্রাণ দেয়,নির্দ্বিধায় জীবন দিয়ে দেয়, তাদের প্রবল মৃত্যূতেই কি এই অসহ্য কষ্ট ? অনেক ভেবেও আমি বের করতে পারি না ।



মিনিট দশেক পরেই বুঝতে পারি,ব্যাপারটি ঠিক দুঃখ-টুঃখ বোধের নয় । মনে হচ্ছে কোথায় জানি একধরনের ক্ষোভ জন্মেছে । সে কারনেই এমন অস্বস্তি লাগছে । গলার কাছে একধরনের কঠিন বস্তু দলা পাকিয়ে বসে থাকলে ঠিক যেমন অনুভূতি হয় ঠিক তেমন একতা অনুভূতি আমার চারপাশে হই হই করছে । একবার উঠি, আরেকবার বসি । রান্নাঘরে গিয়ে এইমাত্র আরেক গ্লাস পানি খেয়ে আসলাম । হিটার ছাড়া থাকলেও, ওই অর্থে তা এত গরম হয়ে ওঠেনি যে আমার হাঁস-ফাঁসের মতন লাগবে । তারপরেও হিটার বন্ধ করে দেই । কিন্তু, এত কিছুর পরেও অস্বস্তি কাটে না । হঠাত করে মনে হলো, আমার অস্বস্তি সম্ভবত অন্য কোথাও । স্ত্রীর বালিশের নীচে ইনহেলারটি আছে কি না, এই চিন্তাতেই আমার এরকম অস্বস্তি হচ্ছিলো । ইনহেলারটি জায়গামতনই আছে সেটি জানবার পরেও অস্থিরতা আর কমে না ।



কাওসার ভাই আর আনুপ ভাইয়ের সাথে ইয়াহুতে থেমে থেমে কথা বলছি । রাত ৪টার মতন বাজে । ভাবছি,উনাদের সাথেই শেয়ার করব কি না পুরো ব্যাপারটি । এমনটি ভাবতে ভাবতেই, হঠাত ল্যাপটপের পেছনে রাখা “জনমত” পত্রিকার দিকে চোখ যায় । আজকে রাতেই কিনে এনেছিলাম পড়ব বলে । পত্রিকাটির কিছু অংশ বের হয়ে আছে ল্যাপটপটির ডান দিক থেকে । কয়েকটি লাইন চেয়ারে বসেই দেখা যায় স্পস্ট । এতক্ষন মনের অজান্তে এই লেখাটির দিকেই আমার নজর পড়েছিলো । অথচ এতক্ষন ধরে কি এক কারনে মগজের সেলগুলো, তা ভুলিয়ে রেখেছিলো । খবরটি এমন-



“এক মুঠো মাটির মালিকানা চান মুক্তিযোদ্ধা মধু মিয়াঃ প্রচন্ড শীতে গরম কাপড়ের উষ্ণতা বঞ্চিত মধু মিয়া বলেন, “যা ভাতা পাই,তা না পাওয়ার নামান্তর। রক্ত দিয়া দেশ স্বাধীন করিয়া কিতা পাইছি ? এক পাতার সার্টিফিকেট ! মাথা থুইবার নাই জায়গা,ঘরো নাই খানি,সার্টিফিকেট ধুইয়া পানি খাইতাম নি?”



চড় খেলে ঠিক যে ধরনের অনুভূতি হয় লজ্জা ও অপমানের , ঠিক আমারও তেমনটি অনভূত হতে থাকে । কানের গোড়া তপ্ত হয়ে যাচ্ছে বুঝতে পারি । খবরটি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য খুব দ্রুত পাতা উল্টাই । জ্বলন্ত আগুন থেকে ফুটন্ত কড়াইয়ের মত কান্ড ঘটে যায় । কেননা, ঠিক কিছু পৃষ্টা পেরিয়েই আরেকটি খবর থেকে জানতে পারি যে,



জামাতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বি এন পি’র কাউন্সিলে অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখে । নিজামী সমগ্র দেশের শান্তি কামনা করে ।



পরিশিষ্টঃ

এতক্ষন ধরে চলতে থাকা অস্বস্তি যেন দপ করেই উবে যায় । কানের গোড়া স্বভাবিক হতে থাকে । আমার অস্বস্তির কারন বুঝতে পেরে আমার ভেতর এক ধরনের শান্তি ভর করে । অনেকটা যৌন মিলনের পর যেমন শান্তিবোধ হয়, ঠিক তেমনি । আমি সেই প্রচন্ড সুখেই কিনা জানিনা, রান্না ঘরে এক মগ গরম কফি বানানোর জন্য রওনা দেই । দুধ গরম করবার জন্য মাইক্রো ওয়েভে দেই, নেসক্যাফে রেগুলার না ডিক্যাফ খাবো, তা নিয়ে একধরনের সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি । আমার সমগ্র চেতনা এখন নেস্ক্যাফে রেগুলার না ডি-ক্যাফ সে সিদ্ধান্তের জন্য ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে পড়তে থাকে ।



পুনশ্চঃ

বোকা বাবলু আর তাঁর হতভাগ্য পিতা আবু বকর মিয়া ক্লান্তি নিয়ে টেবিলের কোনাতে পড়ে থাকে । আমি মূলতঃ তাদের কথা বেমালুম ভুলে যাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট এডিট করতে গিয়ে দেখলাম, উপরে লেখা আছে, "ওয়ার্নিংঃ এডমিন ইজ কারেন্টলি এডিটিং দিস পোস্ট" । ঘটনা কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

এডিট করার মত আর কোন পোস্ট চোখে পরে নাই তাই..


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, Shock Shock Shock Shock Shock Shock Shock Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফ্রন্টপেইজে ফরমেট ঠিক করা দরকার হয়তো।







প্রথম পেইজের সৌন্দর্য রক্ষার্থে ফরমেট করা দুষের কিছু না।

-
কথা হোক ইচ্ছেমতো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমারব্লগ তথ্যকেন্দ্র, নিঝুম কি বলবেন জানি নাহ! তবে আমার পক্ষ থেকে থ্যাঙ্কস!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, আমিও ধন্যবাদ দিতে চাই এই কন্সার্নের জন্য । তবে উতসর্গ বানানটিতে কি ভুল আছে ? কেউ কি জানাবেন যে "উতসর্গ" শব্দটিতে কি "ত" ই হবে, না "ৎ" হবে ? আমি যতদূর জানি "ত" হবে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

এই ধরনের পোস্টে বানানে কী আসে যায়..........

পোস্টের সানেনজুলটাই আসল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, মশাই উৎসর্গ হবে।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, না মনে হয়, নেটে চেক করলাম । "উতসর্গ"-ই দেখাচ্ছে । আর আমার সামনে হুমায়ুন আহমেদের যে কয়টা বই আছে,সবখানেই বানাটি "ত" দিয়েই লেখা রয়েছে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, এই মুহুর্তে আমি একটা আরবী টু বাংলা অভিধানে দেখলাম । উৎসর্গ লিখা।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, ঐ মিয়া আজাইরা আরবী না ঝাইরা বাংলা একাডেমীর অভিধান দেখেন। ''ৎ'' এবং ত এখন আর আলাদা নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, উতসর্গ তো বাংলা শব্দ !! আরবী অভিধানে কেন ?? Shock Shock


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আত্তদ্বিপ,



আমার কাছে বাংলা একাডেমির বানান অভিধানের ২০০৮ এর সর্বশেষ সংস্করণে দেখছি ৎ দিয়েই উৎসর্গ লেখা। আপনার কোন সংস্করণ?

-----------------------------------------------------------------------------------
আল্লাহই ভালো জানেন ... যদিও আমাদের রয়েছে সহজ এবং পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আত্তদ্বিপ, বুঝেছি জনাব ! এই মুহুর্তে আমি 'ড. হায়াত মামুদে'র "উচ্চতর স্বনির্ভর ভাষা শিক্ষা" বইয়ে উৎসর্গ লিখা দেখতে পাচ্ছি।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, বাদ দিন । আজকের এই লেখাটির মধ্যে বানান ভুল কিংবা কোন লেখার ভুল হয়ত বিষয় নয় । সুতরাং এ বিতর্ক আমরা বাদ দেই বরঙ ।



আমরা সবাই কি করে পালটে যাচ্ছি, কি করে "স্বাধীনতা" শব্দটি আমাদের থেকে ক্রমশঃ দূরে চলে যাচ্ছে , এই ব্যাপারটিই আসলে আমাদের ক্লান্ত করে ও লজ্জা দেয় । বানান ভুল এই অনুভূতি গুলোর কাছে কিছুই না ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, আমার একটাই দাবী যে কোন মূল্যে যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু বলার নাই শুধু (*) (*) (*) (*) (*) (*) গেলাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত গুলো প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ পরিচর্যাকারী পাইনি । পেয়েছি উপরে উল্লেখিত ওরকম তিনজনের মত লক্ষ লক্ষ দল পরিচর্যাকারী ।




(Y)





জামাতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বি এন পি’র কাউন্সিলে অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখে ।




একজন রাজাকারকে আর কতটা উচুঁতে ওঠাতে পারলে বিএনপির শান্তি হবে? ক্ষমতার লোভে সমস্ত নীতি আদর্শ বিসর্জন দিতে পিছপা হয়না আমারদের রাজনীতিবিদেরা। এমন রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক নেতা, রাজনৈতিক নীতি কখনো চাইনা।

পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শালিক, ভাই আমরা যদি ঠিক না হই। আগামীতে ওরা নির্বাচিত হইলে ওরাই জামাতিগো রাষ্ট্রপতি আর সেনাবাহিনীর প্রধানও বানাইব। মন্ত্রিতো আছিলই।খালেদা কি জানে এর জন্য কত মানুষ নিরবে নিভৃতে স্বাভাবিক জীবন থেকে ছিটকে পড়েছিল। আর কিছু না করতে পারেন অন্ততপক্ষে জামাতবিএনপির মোহ থেকে যার যার নিকট জনদের রক্ষা করুন।

(Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শালিক, শুধুমাত্রা বি এন পির প্রশ্রয় পেয়ে এই অমানুষটি কি বলছে দেখেন,







দেখুন, স্তব্ধ হয়ে যাবেন ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জয়বাংলা, (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

আম পাবলিকের সামনে জামকালো বক্তব্য!

বাঙলাতেই সম্ভব হইলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, এই ভন্ডটা তার বক্তব্য দিয়ে মানুষকে ভুলিয়ে রাখে। এই ভিডিওর শেষে এই ভন্ডটা বলেছে "মানুষ আমার জন্য আসে না। মানুষ এখানে আসে আল্লার জন্য"। এই সাইদী কিন্তু টাকা ছাড়া কোন ওয়াজে বক্তৃতা দেয় না। গাজিপুরের এক ঘটনা বলি। আমার এক বন্ধু ছিল শিবির করত। সাইদি আসবে তাই শিবিরের ছেলেরা বিভিন্ন লোকজনের কাছে চাঁদা তোলা শুরু করল। আমি একটু ভিন্ন মতাবলম্বি জেনেও আমার কাছে চাঁদা নিল। অবশ্য চাঁদা নেবার পদ্ধতিটা অভিনব ছিল। পরে একসময় আলাদা পোষ্টে বলব। এরকম করে শিবিরের ছেলেরা মোটামুটি একটা এমাউন্ট দাড়া করাল। তারপর সাইদি আসল। মাত্র অল্প কিছু টাকা শর্ট থাকার জন্য এই ভন্ডটা দুই লাইন বক্তব্য দিয়ে স্টেজ থেকে নেমে গেল। আবার বলে যে, মানুষ তার কথা শুনতে আসে আল্লার জন্য। চুরান্ত রকমের ভন্ডামি। এই ঘটনার পর আমার বন্ধুটি তার দাঁড়ি কেটে ফেলে এবং শিবির ত্যাগ করে।

পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শালিক,



এই ঘটনার পর আমার বন্ধুটি তার দাঁড়ি কেটে ফেলে এবং শিবির ত্যাগ করে।




শিবির ত্যাগ আর ধর্ম ত্যাগ কি এক জিনিষ। শিবিরের সাথে দাঁড়ির কি সম্পর্ক? ধর্মের সাথে কিছুটা আছে সেটা আপনিও জানেন।

===================================

লেখক নই, পাঠক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শালিক,

ভাল খারাপ সব জায়গাতেই আছে।

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জ.এ. লিপু, দাঁড়ির সাথে শিবিরের সম্পর্ক নাই। কার্ল মার্ক্স, ডারউইনের দাঁড়ি ছিল। আবার শিবিরের অনেক উচ্চ পর্যায়ের নেতার দাঁড়ি নেই। আসলে এই ঘটনার কিছুদিন পর সে দাড়িঁ কেটে ফেলে এবং দাড়ি কাটার কিছুদিন পর সে শিবির ত্যাগ করে। দুটো ঘটনা এক লাইনে লেখায় হয়তবা অন্যরকম শোনাচ্ছে।

পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার ব্লগিয় বিচরন মাস ছয়েকের মত হবে। আমি এই প্রথম একটা লেখা পড়ে নিজের আবেগের উপর নিয়ন্ত্রন হারালাম।

নিজেকে এবং আশেপাশের সবাইকে খুনি খুনি লাগছে। বাবলু ও তার মত হাজার তরুনের আত্মত্যাগের মর্যাদাকে খুন করছি সবাই। Sad

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তামীম, উনার আগেরগুলোও চেক করেন, একয় অনুভূতি হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তামীম,



বাবলু ও তার মত হাজার তরুনের আত্মত্যাগের মর্যাদাকে খুন করছি সবাই




এর থেকে সত্য বড় আর কি হতে পারে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আত্তদ্বিপ,

আল্প কিছু দেখেছি, তবে সবগুলোই দেখতে হবে। ধন্যবাদ। (F) (F) (F)

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

চিঠির অংশটা আমার ফেসবুকে দিচ্ছি, আর পোষ্টটা প্রিয়তে নিলাম। যদিও সবকিছুই ভন্ডামি ভন্ডামি লাগছে।

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তামীম, একটা ভালো কাজ করলেন । ফেইস বুকে ছড়িয়ে দিন । হাজার-লক্ষ মানুষ জানুকে এই মহান বীরদের কথা । নীচে আরেকটি চিঠি দিলাম । তাও ছড়িয়ে দিন । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।





জনাব বাবাজান,



আজ আমি চলে যাচ্ছি । জানি না কোথায় যাচ্ছি । শুধুএইটুকু জানি,বাংলাদেশের একজন তেজোদৃপ্ত বীর স্বাধীনতাকামী সন্তান হিসেবে যেখানে যাওয়া দরকার আমি সেখানেই যাচ্ছি । বাংলার বুকে বর্গী নেমেছে । বাংলার নিরীহ জনতার ওপর নরপিশাচ রক্ত পিপাসু পাক সৈন্যরা যে অকথ্য বর্বর অত্যাচার আর পৈশাচিক হত্যালীলা চালাচ্ছে,তা জানা সত্বেও আমি বিগত এক মাস পঁচিশ দিন যাবত ঘরের মধে বিলাস-ব্যাসনে মত্ত থেকে যে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছি,আজ সেই অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য যাত্রা শুরু করলাম । সমগ্র বাঙ্গালীর যেন আমায় ক্কমা করতে পারেন । আপনি হয়ত দুঃখ পাবেন । দুঃখ পাওয়ারই কথা । যে সন্তানকে দীর্ঘ ষোল বছর ধরে তিল তিল করে হাতে-কলমে মানুষ করেছেন,যে ছেলে আপনাকে এতটুকু শান্তি দিতে পারেনি,অথচ আপনি আপনার সেই অবাধ্য দামাল ছেলেকে বারংবারক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন,যার সমস্ত অপরাধ আপনি সীমাহীন মহানুভবতার সঙ্গে ক্ষমা করেছেন । আপনি আমাকে ক্ষমা করেছেন সম্ভবত একটি মাত্র কারণে যে, আপনার বুকে পূত্রবাতসল্যের রয়েছে প্রবল আকর্ষন ।



আজ যদি আপনার সেই জ্যৈষ্ঠ পুত্র ফারুক স্বেচ্ছায় যুদ্ধের ময়দানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে,তাহলে আপনি কি দুঃখ পাবেন,বাবা? আপনার দুঃখিত হওয়া সাজে না,কারণ হানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যদি নিহত হই,আপ্নি হবেন শহীদের পিতা । আর যদি গাজী হিসেবে আপনাদের স্নেহ ছায়াতলে আবার ফিরে আসতে ।পারি,তাহলে আপনি হবেন গাজীর পিতা । গাজী হলে আপনার গরবের ধন হব আমি ।শহীদ হলেও আপনার অগৌরবের কিছু হবে না । আপনি হবেন বীর শহীদের বীর জনক । কোনোটার চেয়ে কোনোটা কম নয় । ছেলে হিসেবে আমার আবদার রয়েছে আপনার ওপর । আজ সেই আবদারের উপর ভিত্তি করেই আমি জানিয়ে যাচ্ছি বাবা,আমি তো প্রবেশিকা পরীক্ষার্থী । আমার মনে কত আশা,কত স্বপ্ন । আমি প্রবেশিকা পাশ করে কলেজে যাব । আবার কলেজ ডিঙ্গিয়ে যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে । মানুষের মত মানুষ হব আমি ।



আশা শুধু আমি করিনি,আশা আপ্নিও করেছিলেন । স্বপ্নি আপ্নিও দেখেছেন । কিন্তু সব আশা,সব স্বপ্ন,আজ এক ফুতকারে নিভে গেলো । বলতে পারেন,এর জন্য দায়ী কে ? দায়ী যারা সেইসব নরঘাতকের কথা আপ্নিও জানেন । বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ ওদের কথা জানে । ইংরেজীতে একটি কথা আছে-Mother and Motherland are superior to heaven , স্বর্গের চেয়েও উত্তম মা এবং মাতৃভূমি ।আমি তো যাচ্ছি আমার সেই স্বর্গাদপী গরিয়সী সেই মাতৃভূমিকে শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করে আমার দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে । বাবা,শেষবারের মত আপনাকে একটা অনুরোধ করব । সর্বশক্তমান আল্লাহর নিকট সবসময় দোয়া করবেন, আমি যেন গাজী হয়ে ফিরতে পারি । আপনি যদি বদদোয়া বা অভিশাপ দেন,তাহলে আমার ভবিষ্যত অন্ধকার ।

জীবনে বহু অপরাধ করেছি । কিন্তু আপনি আমায় ক্ষমা করেছেন । এবারও আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন,এই আশাই আমি করি । আপনি আমার শতকোটি সালাম নিবেন । আম্মাজানকে আমার কদম্বুসি দেবেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতে বলবেন । ফুফু আম্মাকেও দোয়া করতে বলবেন । ফয়সল,আফতাব,আরজু,এনি ছোটদের আমার স্নেহাশিষ দেবেন । আমার জন্য দোয়া করবেন আর সব সময় হঁশিয়ার থাকবেন ।



ইতি

আপনার স্নেহের ফারুক



চিঠি লেখকঃ ফারুক । শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আমানুল্লাহ চৌধুরী ফারুক । চট্রগ্রাম সিটি কলেজিয়েট স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন । নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার বামনী বাজারের দক্ষিণে বেঁড়িবাধের ওপর পাকিস্থানী বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে তিনি শহীদ হন । এই যুদ্ধে আরো চার মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,







উপরের চিঠিটি “একাত্তরের চিঠি” বইটি থেকে টাইপ করেছি ।




এবং







একটা ভালো কাজ করলেন । ফেইস বুকে ছড়িয়ে দিন । হাজার-লক্ষ মানুষ জানুকে এই মহান বীরদের কথা । নীচে আরেকটি চিঠি দিলাম । তাও ছড়িয়ে দিন । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।




যদি স্মৃতি প্রতারণা না করে, তাহলে এ সবই ওই বইটিতে উল্লেখিত সংবিধি অনুযায়ী, চরমতম কপিরাইট লংঘন। আইনের প্রতি সকলে শ্রদ্ধাশীল হবেন, এই কামনা করি। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

ধন্যবাদ। (F) (F) (F)

একটা দিলাম। এটাও দিব খানিক পরে। (Y)

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বিপ্লব রহমান, bahhhhhhhhh! Violin shaheb dekhi uthane hajir. Mashallah!jajakallah!!



Ta bhaijan, copy right shomporke r ki ki janen? R e ekta probad ache janen to? Je dada ke choda shikhate hoy na!!



Yaad raikhen


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,



মনে পড়ে গেলো, পাশের বাড়িতে একবার একজন বললেন, কাদায় নেমে শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ে লাভ কী? জবাব এলো, আরে মশাই, শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ার মজাই আলাদা! Laughing out loud



আমি দ্বিতীয় ব্যাক্তির সঙ্গে একমত নই। ধন্যবাদ। :-h


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,



মনে পড়ে গেলো, পাশের বাড়িতে একবার একজন বললেন, কাদায় নেমে শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ে লাভ কী? জবাব এলো, আরে মশাই, শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ার মজাই আলাদা! Laughing out loud



আমি দ্বিতীয় ব্যাক্তির সঙ্গে একমত নই। ধন্যবাদ। :-h


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখাটা তেমন যেন হুমায়ুন আহমেদ টাইপ। অনেক ভাল লাগলো।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, এই লোকটি থেকে কোনোদিন হয়ত বেরুতে পারব না । বেরুতে আসলে চাইও না...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, আপনার মতো আমিও ডুবে আছি হুমায়ুনে। এই অদ্ভুত লোকের মতো চিত্রকল্প আঁকতে পারে ক'জন। বিশেষ করে সংলাপ ,তুলনাহীন।

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম, ভুখে আয় ভাভুল >:D< >:D< >:D<


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, >:D< >:D<

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাবলু ও তার মত হাজার তরুনের আত্মত্যাগের মর্যাদাকে খুন করছি সবাই।









(Y)

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বোকা বাবলুর মত আমরাঅ সবাই বোকা, তাই আপনি এসব লিখেন আর পড়ে আমার চোখে পানি আসে, এই ঠান্ডায় গরম পানি। আর পোড়া চোখ! কত দেখলি আর কত ফেললি জল।।।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@স্বপ্নমগ্ন ফারজানা,







বোকা বাবলুর মত আমরাঅ সবাই বোকা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@স্বপ্নমগ্ন ফারজানা, ----------------------


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পেয়েছি উপরে উল্লেখিত ওরকম তিনজনের মত লক্ষ লক্ষ দল পরিচর্যাকারী ।




কয়েকটা কথা -



আপনার উপরের অভিযোগের কারন কি? আমি স্পষ্টতই বলেছি আমি কখনও আওয়ামীলীগ করিনি, ভোট দেইনি আর করার সম্ভাবনা নেই। আপনি ইন্টারনেটে লেখাগুলো থেকে যদি একটাও আওয়ামীলীগের পক্ষের লেখা বের করতে পারেন তবে ব্লগিং ছেড়ে দেবো। আপনার মতো একজন জ্ঞানী মানুষের এই ধরনের সস্তা ট্যাগিং করা কি শোভনীয়?



আমার এহহামিদার বিরোধীতা আর বিএনপির রাজাকার তোষন নীতির বিরোধীতাকে আওয়ামীলিগের সমর্থন হিসাবে ট্রান্সলেট করে আপনি মুলত আপনার আওয়ামীলিগের প্রতি এলার্জিকেই প্রকাশ করছেন।



আপনি কেন আওয়ামীলিগকে বিপক্ষ বানিয়ে আপনার যুদ্ধ চালাতে চান - যেখানে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের সেইফ হারবারে পরিনত করেছে। আপনি কি বিএনপির সমর্থক এহহামিদাকে এই পোস্টটা উৎসর্গ করতে পারলেন না। এর কারন কি - এহহামিদা আপনাদের ব্লগের বিপ্লবকে সমর্থন করছে (কারন এখানে আওয়ামীলীগ বিরোধীতার একটা উপাদান আছে)



বলতে দ্বিধা নেই - আপনার এজেন্ডা হলো আওয়ামীলীগ বিরোধীতা করা।



কথা হলো বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে এই দলটার নেতৃত্বে আর আপনার কথা শুনে মনে হয় আওয়ামীলীগ সমর্থন করা একা মহা পাপ। আপনার আওয়ামী এলার্জির কারন কি?



সবশেষে বলি - কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো করেই মুক্তিযুদ্ধাদের ব্যবহার করছেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলটির বিরুদ্ধে। আবেগের স্রোত বইয়ে দিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট আদায় করতে চান - নাকি নিজেকে দ্রষ্টব্য করতে চান - সেইটাই বিবেচনার বিষয়।



(এখন আসেন বাকি ইউজিরা - গালি শুরু করেন)

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন সাহেব,



মনে করলেন, চলে এলাম! মনের টান বলে কথা! তবে গালাগাল করব নাহ! ওটা আত্মরক্ষার অস্ত্র হিসেবেই জেনে এসেছি আজীবন; আক্রমণের নয়! সো, গালাগাল নয়-



শুধু একটা কথা বলতে এসেছি! হামিদা বি এন পি সাপোর্টার মানলাম! মাথা ব্যাথা নেই! কেনো নেই, তার কারন হলো- বি এন পি নিয়ে কোনো আশা কোনোদিন-ই ছিলো নাহ; জল্পাইঘেরা স্থানে যার জন্ম, তার কাছে একটা সুন্দর দেশের আশা করা বোকামি! আর, জামাতিদের কথা আপনার কাছে বলতে হবে বলে বিশ্বাস করি নাহ! আপনি নিশ্চই তাদের ব্যাপারে ক্ষেত্রবিশেষে আমার চে' বেশী-ই জানেন! বাকি কে থাকে? বাকি থাকে আওয়ামিলীগ! মানে আশার এক্মাত্র-স্থল! কিন্তু তাদের কাছে কী পাওয়া গ্যাছে?! সহজ কথায় বললে- 'পুন্মারা!'



হুমায়ূন আজাদ-এর একটা কথা মনে পড়ে- স্মৃতি থেকে বলছি-





"স্বাধীনতার পরে বাংলার মানুষ পেয়েছে-

- মুজিবের মতো মহা-একনায়ক!

- জিয়ার মতো মাঝারিগোছের একনায়ক বা আইউব খাঁ-র মিনি সংস্করণ!

- এরশাদের মতো তুচ্ছ একনায়ক ও বিদূষক!



এদের ভেতরে এরশাদ একজন ভাঁড়; সে দেশকে, দেশের নারীকে এমনকি কবিতাকে দূষিত করেছে! সে কীটের মত বেঁচেছে এবং এখনো বেঁচে থেকে আমাদের বিস্তর কৌতুক যোগাচ্ছে! জিয়া ছিলেন ইতিহাসের এক ট্রাজিক নায়ক, উত্থানের মতো তার পতন্টাও ট্রাজিক নায়কদের-ই মতো! এরশাদ যে দূষণকে সার্বজনিন রূপ দিয়েছিলেন- জিয়া তার সূচনা করেছিলেন! কিন্তু, এজন্য আমি জিয়াকে দোষ দেই না- দোষ দেই মুজিব কে! জিয়ার কাছে মানুষের কোনো আশা ছিল না- ছিলো মুজিবের কাছে! আর মুজিব সে আশা কেবল ভঙ্গ করেন নি- অপমান করেছেন!"




আরেকটা বিষয় উল্লেখ করাটার প্রয়োজনিয়তা বোধ করছি তা হোলো- আমাদের যে পাঁচজন-কে নিয়ে আপনাদের এত গাত্রদাহ- তাদের প্রত্যেকে-ই "গোঁড়া" আওয়ামী পরিবার থেকে এসেছে! পৈত্রিক ডেজিগ্নেশান দিয়ে নিজেদের বিব্রত করবো নাহ! কিন্তু, আপনাকে এক্টাবার ভাবতে অনুরোধ করবো- ক্যানো অমন পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে উঠেও দলছুট হয়ে গ্যালাম আমরা! কোন সে যন্ত্রণাবোধ?! সেটাকে শুধুই আশাভঙ্গের ফল নাকি- বারম্বার প্রতারিত হবার আউটকাম!?



এবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলুন- আপনি কি পেয়েছেন- নিজের সামষ্ঠিক পাওনার হিসাব কষে যদি নিজেকে প্রতারিত মনে না হয় তবে- আমাদেরকে গালি দেবার অনুমতি দিলাম! আত্মরক্ষার অস্ত্র-ও অব্যাবহারে পড়ে থাকবে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বি এন পি কে আমি রাজনৈতিক আবর্জনা মনে করি । বাংলাদেশে মূলত দল একটাই । সেটা হচ্ছে আওয়ামীলীগ । এই আওয়ামীলীগ ভেঙ্গেই বিভিন্ন মনা দল তৈরী হয়েছে । যারা এই ভাঙ্গা অংশে ছিলেন, তারাই পরবর্তীতে তৈরী করেছেন বি এন পি,জাসদ,কমিউনিস্ট পার্টি,হেন-তেন কত কিছু । জামাত,ফ্রিডম পার্টি এসব পার্টি স্মপর্কে আমি কোন বাক্য ব্যয় করতে চাই না । এরা মূলত কোন দল নয় । এরা হচ্ছে দেশের উপরে বেঁচে-বর্তে থাকা কলংক । আপনি যখন কোন দলের প্রতি সবচাইতে বেশী আশা রাখবেন, আর যখন সে দলটিই আপনার বিশ্বাসকে বার বার ভাংগবে তখন অন্য সবকিছুর চাইতে সে দলটির উপরেই আপনি ভয়াবহ রকম করে ক্ষেপে থাকবেন । সে কারনেই আপনার বার বার মনে হচ্ছে আমি লীগের এরকম বিরোধীতা করছি । আপ্নিই ভালো করে ভেবে দেখুন । সাধারণ একজন খেটে খাওয়া মানুষের জুতোটি পরেন । বুঝবেন । বিএনপি'র উপর আমি কোন আশাই করি না । অবশ্য তার মানে এই নয় যে তাদের ছেড়ে দেব আমার লেখায় । অপেক্ষা করেন । এত দ্রুত সিদ্ধান্তে আসা ঠিক না ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,

(F)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,







জামাত,ফ্রিডম পার্টি এসব পার্টি স্মপর্কে আমি কোন বাক্য ব্যয় করতে চাই না ।






- এইটা এক ধরনের উন্নাসিকতা। আপনি অস্বীকার করলেও এরাই স্বাধীনতার পর থেকে ত্রিশ বছর ক্ষমতায়। এদের সাথে - এদের বিরোধীতা করেই আওয়ামীলীগ রাজনীতি করে। সুতরাং রুলস অব গেমসে এর প্রভাব থাকবেই।



আপনি আর আমি চাইলেই হবে কি? আওয়ামীলীগকে যদি যথেষ্ঠ চাপে না রাখা যায় যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে না। আপনি এক নিঝুম আর আমি এক জিয়াউদ্দিনের হাজারো ব্লগিং এর চাইতে খালেদা জিয়ার মুখ দিয়ে একবার যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবীটা উচ্চারিত হলে অনেক বেশী কার্যকর হবে। এই বিষয়টা অস্বীকার করা যায় না।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাবলুকে শ্রদ্ধা (F)

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা হা এসব বাল ছালে কমেনট করা দরকার আছে কি?







পেয়েছি উপরে উল্লেখিত ওরকম তিনজনের মত লক্ষ লক্ষ দল পরিচর্যাকারী ।






আমার নিঝুম মজুমদারের কিছু প্রমান করনের দরকার আছে বইলা মনে করিনা।



সেকেনডলি ব্লগার রা আমারে একটা আমার লেখা একটা পোষ্ট বা কমেনট দেখান যেইকানে আমারে কোন দলের পরিচর্যাকারী মনে হইসে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ডাক্তার আইজুদ্দিন,





সেকেনডলি ব্লগার রা আমারে একটা আমার লেখা একটা পোষ্ট বা কমেনট দেখান যেইকানে আমারে কোন দলের পরিচর্যাকারী মনে হইসে।




কাওরে ঘেন্না করলে, তারে গিয়া বলার দরকার পড়ে না- "আমি তরে ঘেন্না করি!" সেইটা কাজে-কম্মেই প্রকাশ পায়! ;;)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জনৈক বাঙাল, তাতো অবশ্যই



কিছু না বাইর করতে পারলে



ক্যারেকটার স্ল্যানডার, ডিফামেশন এগুলান খুব সহজে কারন যায়।



যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা।



চালাইয়া যান



আবালচোদামী ভালাই জমসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ডাক্তার আইজুদ্দিন,

স্ল্যানডার আর লিবেল ডিফেমেশনের উপাদান মাত্র কিংবা ভাগ যা মাত্রা নির্ধারনে কাজে আসে! ডিফেমেশন ওইসব ক্ষুদ্র কন্টেন্টের বিস্তর রুপ! সুতরাং বুইঝা! ডিফেমেশন এলিগেশনতা যেমন বড় এবং তা শুধু ডিফেইম হবার সামান্যতম সুযোগ থাকলেই সম্ভব! এই নাম আর এই ছবি নিয়া ডিফেমেশনের ধোয়া!? হাহাহাহাহাহা!!



আবালচদামি ভালাই জমছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা খুবই চমতকার সন্দেহ নাই। আপনার অধিকাংশ লেখাই তাই। আমার ব্লগের সন্ধান পাই ফেসবুকে একজনের শেয়ার করা আপনার সাকা সিরিজ থেকে। কিন্তু এরকম একটা লেখা শুধুমাত্র উতসর্গের গুনে আলোচনা ভিন্নপথে চালিত করে যেটা পুরোপুরি অনভিপ্রেত। সন্দেহ নাই দলতোষনকারীদের কারণেই দলগুলো ভিন্ন পথে চালিত হয়, বঙ্গবন্ধু নিজেই বলে গেছেন, আমি পেয়েছি পা-চাটার দল। কিন্তু এরকম লেখা কোন কারণে বিতর্কিত হোক তা মোটেই কাম্য না।

সুষান্ত ঘোষনা দিয়ে আওয়ামিলীগ, জিয়াউদ্দিন সম্পর্কে ধারনা কম কিন্তু আইজুদ্দিন কে নিয়ে আপনার বিশ্লেষন ও সঠিক বলে মনে হয়নাই।



চিঠিগুলোর জন্য ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেপক মজা পাইলাম কারন এ নাম আর ছবিরে আবার লিখা উতসর্গ হয়। গেট ইওর ডাকস ইন এ রো মেন।



এই নাম আর এই ছবি নিয়া ডিফেমেশনের ধোয়া!? হাহাহাহাহাহা!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার লেখাটা কোন পেইজেই নেই কেন ? ঘটনা কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার,



আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, স্পামার ভিমরুলওয়ালার টানা ৩০ টি পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরাতে গিয়ে এক্সিডেন্টালী আরো কয়েকজন ব্লগারের ( স্বপ্নচারী, রেজওয়ান করিম,ওয়াচডগ,আবু জুবায়ের,একজন মাসুম,মং হ্লা প্রু পিন্টু, নিঝুম মজুমদার,কাওছার আহমেদ,কুলদা রায়,শালিক) এর পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সেগুলো যথাসম্ভব ফিরিয়ে আনতে- আমার ব্লগ তথ্য কেন্দ্র

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
Only constant is change


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@খারাপ মানুষ, হ্যা এইমাত্র তথ্যকেন্দ্রের পোস্টটি পড়লাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্টে পাঁচতারা। বরাবরের মতই দারুন লেখা। (Y)



তবে উতসর্গ তিনজনকে করে এবং পরবর্তী কথাগুলি বলে এই লেখা ও আবেগকে অনেকখানি খাটো করেছেন সন্দেহ নেই। দলপরিচর্যাকারী হিসাবে এই তিনজনের নামই কেনো আসলো? দলপরিচর্যাকারী হিসেবে হাবীব বা এহহামিদারে উতসর্গ করলেও কথা ছিলোনা। আর দেশে রাজনৈতিক দল থাকলে তার সমর্থকও থাকবে, নাকি কোন দলের সমর্থন করা মানেই দেশপ্রেম বিসর্জন দেওয়া?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল,







আর দেশে রাজনৈতিক দল থাকলে তার সমর্থকও থাকবে, নাকি কোন দলের সমর্থন করা মানেই দেশপ্রেম বিসর্জন দেওয়া?




(Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল, ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য । এই লেখাটি লিখতে গিয়ে এই তিঞ্জনকেই উতসর্গ করতে ইচ্ছে হলো । তাই করলাম । অন্য কোন লেখাতে হয়ত হামিদাকে করব । উতসর্গ তো আর জোর করে আসে না । মন থেকে যা আসে তাই লিখেছি । আর দলকে বিসর্জন দেয়া মানে দেশপ্রেম বিসর্জন মোটেই নয় ,খুব সত্যি কথা ।



কিন্তু এত অন্যায় , এত দূর্নীতি এত নোংরামোর,দেশের স্মপদ হরিলুটের পরেও কোন দলকে সমর্থন যারা করেন , তাদের ক্ষেত্রে আমার নীতি একটাই, তা হচ্ছে "ঘৃনা"। আমি দেশকে ভালোবাসি আবার এইসব দূর্নীতিগ্রস্থ রাজনীতিবিদ কিংবা রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করব, এই কন্ট্রাডিক্ট, আমি নিজের সাথে করতে রাজী নই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিঝুম মজুমদার, হ্যা অতি অবশ্যই "



আমি দেশকে ভালোবাসি আবার এইসব দূর্নীতিগ্রস্থ রাজনীতিবিদ কিংবা রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করব, এই কন্ট্রাডিক্ট, আমি নিজের সাথে করতে রাজী নই ।"
এটা আপনি সত্যি এবং কন্ট্রাডিক্ট্রী ভাবছেন, আরেকজন সেটা নাও ভাবতে পারেন। সকল রাজনীতিবিদদের ঘৃণা করতে গিয়ে যদি হাসিনা এবং নিজামীকে সমান ঘৃণা করে ফেলি তাহলেতো সমস্যা। আমি নিজামীদের যতটা ঘৃণা করি, নিশ্চয়ই এরশাদকে ততটা করিনা। অতি অবশ্যই এরশাদ ভালো নয়, কিন্তু আমার সামনে যদি এই দুটি অপশন থাকে, এবং একটাকে না বেছে নিলে যদি আরেকটা এগিয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আমি কি এরশাদকেই বেছে নেবো না? রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করার বিরোধী আপনি হতেই পারেন, কিন্তু "বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল একই/খারাপ" এই কথা বলে, যারা একটু হলেও ভালো করছে তাদের প্রতি কি অবিচার করা হচ্ছে না? আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল কে সাথে না নিয়ে এই দাবী বাস্তবায়ন করা কি কখনো সম্ভব? যখন একটাকে সমর্থন না করলে অপেক্ষাকৃত খারাপটা সামনে চলে আসার ভয় থাকে তখন একটাকে সমর্থন না করে উপায় কি? বাংলাদেশে সেই অপেক্ষাকৃ্ত খারাপটা আমার দৃষ্টিতে বিএনপি, অন্য কারো চোখে আওয়ামীলীগ। আর জামাততো নিকৃষ্ট। কিন্তু এখন যদি বলা হয় সবাই নিকৃষ্ট, তাহলে জামাত আওয়ামীলীগের কাতারেই চলে আসলো। রাজনৈতিক চোখে ব্যক্তিগত ভাবে আমি জামাত বিরোধী, সেই বিরোধীতার জন্য সংগঠিত শক্তি দরকার আছে, যেহেতু জামাত রাজনৈতিক শক্তি সেহেতু তার বিরোধিতার জন্য আমাকেও রাজনৈতিক শক্তির কাতারে গিয়েই দাড়াতে হবে।



সমালোচনা সহজভাবে নেওয়ার জন্য সাধুবাদ জানাই।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল, আসলে আমার রাজনৈতিক ফিলোসোফি খানিকটা ভিন্ন । আমি জোর দেই, কি হয়েছে ও কি ঘটে গ্যাছে তার উপর ভিত্তি করে ।



প্রথমত, হাসিনা ও নিজামীকে এক কাতারে ফেলবার ব্যাপারে যে কথাটি বললেন, সেক্ষেত্রে আমার চিন্তা অন্যরকম । আমি নিজামীকে কিংবা জামাতী ইস্লামী কে যথাক্রমে কোন নেতা কিংবা দল মনে করিনা । আমি মনে করি একাত্তরের কার্যক্রমের বিরুপ পতিক্রিয়া ঠেকাতে এদের দরকার ছিলো একটি প্লাট ফর্ম ও পাছা বাঁচানোর জন্য কিছু কন্টেন্ট । এই প্লাটফর্ম তারা করেছে দল বানিয়ে আর কন্টেন্টটি তারা পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষের ধর্ম্ভীরুতার ব্যাপারটি এনালাইসিস করেই । সুতরাং আমার হিসেবে জামাতীরা এদেশে ঘাটি গেঁড়ে বসেছিলো নিজেদের সেইভ করবার একটি প্রক্রিয়া হিসেবে । কিছু ভ্রষ্ট মানুষের সমর্থনে আপাতঃদৃষ্টিতে জামাতকে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে হলেও আমার দৃষ্টিতে এরা অত্যন্ত ঠুনকো একটি দেশদ্রোহী সংঘটন । বিশ্বপরিক্রমা বিবেচনায় আনলে, এরা মূলত টিকে আছে সৌদী,কাতার,কুয়েত আর মার্কিন কিছু অংশের মদদে । বি এন পি কিংবা আওয়ামীলীগ যদি তাদের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ততপরতা চালাতে স্বস্ফূর্ত হতো, তবে জামাত অনেক আগেই তথাকথিত রাজনৈতিক দল হিসেবে হারিয়ে যেত অবধারিত ভাবেই । আরো অনেক কথা আছে যা এখন হয়ত ডিটেইল বলছি না , তবে আমার বিবেচনায় জামাত একটি পলিটিকাল দল নয় । এরা ধর্মীয় প্রপাগান্ডার জন্য একটি বিকল মাধ্যম হতে পারে ।



দ্বিতীয়ত,আপ্নার একটি কথা না মেনে পারা যায় না । তা হলো আমাদের অপশন আসলেই অনেক কম । আমরা না পারছি এরশাদের মত ভাঁড়কে গিলতে , না পারছি বি এনপি'র মত একটি অতি বেনিয়া ও ডাকাতময় একটি দলকে সমর্থন করতে । সুতরাং মুক্তবুদ্ধি ও নিঃশ্বাস ফেলবার জায়গা বলতে আমরা লীগকে বেছে নেব, এরকম মনে করি । আসলে আওয়ামীলীগ আর বি এনপির মধ্যে গুণগত কোন পার্থক্য না থাকলেও , 'মুক্তিযুদ্ধের" নেতৃত্বদানকারী ও "বংগবন্ধুর দল" এই দুইটি সফিস্টিকেইটেড ইস্যুর কারনে অনেকেই শেষ পর্যন্ত আওয়ামীলীগকে বেছে নেন । আমার ঠিক এই জায়গাতে এসেই যত বিরোধীতা । আমি জানি মন্দের ভালো অপশন বিবেচনা করলে অনেকেই লীগকেই বেছে নেবেন । যদিও মুক্তিযুদ্ধ মানেই আওয়ামীলীগ , এই ফ্যাসিজমটা আমার কাছে বড় হালকা মনে হয় অনেক কারনেই ।



এখন কথা হচ্ছে, অপশন নেই বলেই কি আমরা চেষ্টা করব না ? আমরা আর অপশন নেই , এই কথা বলে নিতান্ত বাধ্য হয়ে আওয়ামী রাজনীতির দিকে ঝুকি । অনেকেই আছেন, যারা বলেন, "আগে ঢুকি,তার পর ভেতরে গিয়ে পরিবর্তন করব, না ঢুকলে তো পরিবর্তন সম্ভব নয়" । একটা সময় এই যুক্তিটিকে আমার কাছে অনেক প্রচন্ড মনে হতো । মনে হতো, তাইতো !! ঢুকেই তো এই নতুন প্রজন্ম পালটে ফেলবে, মুছে দেবে সব পুরোনো কলংক । কিন্তু অবাক হয়ে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, এই নতুন প্রজন্ম , যারা কথা দিয়েছিলো, সূচ হয়ে ঢুকে পুরোনো নোংরামো সেলাই করে বের হবে, তারাই লক্ষ্য করলাম আরো বড় দূর্নীতির আধার হয়ে গ্যাছেন । আমি ব্যাক্তিগত পরিচয়ের খাতিরে যে কয়জনকে চিনি তার পুরোটাই হতাশার । আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে জাহিদ ভাই,বিজেপির পার্থ ভাই,মাহী বি, লীগের তাপস ভাই,সোহেল তাজ । এদের অগ্রগতির দিকে তাকান, কর্মকান্ড গুলোর দিকে লক্ষ্য করুন । আপ্নিও হতাশ হবেন । কষ্ট পাবেন ।



সুতরাং আর অপশন নেই, এই ব্যাখায় আওয়ামীরা বার বার আমাদের ধোকা দিয়ে যাবে , পথে ফেলে যাবে, আমি অন্ততঃ সে পথে যেতে রাজী নই । আমার পলিটিকাল ফিলোসোফিতে মূল কন্টেন্ট আমি মনে করি গ্রামের সহজ-সরল মানুষ আর মানসিক ভাবে শক্তিমান দেশপ্রেমিক মানুষেরা । কোন দলকে সমর্থন না করেও যে দেশের ভালো করা যায়, এই তত্বটি নিয়েই আমাদের মূলত ভাবতে হবে , এগুতে হবে । যা করব দেশের জন্য ।



আমি ছোট্ট, একটি উদাহরণ দেই । আমি নাম উল্লেখ না করেই বলি, এই তিনজনের ভেতর একজন আছেন, দেশের খারাপ হচ্ছে যেনে এবং ব্যাক্তিগত ভাবে তা অনুভব করবার পরেও দলীয় ভিত্তিতে সমস্যা হতে পারে কিংবা তার অবস্থান নিয়ে পরবর্তীতে সংশয়ে পড়ে যাবেন এই চিন্তায় তিনি অনেক ব্যাপারেই নিরব থাকেন । এর কারন একটাই, এসব নিয়ে কথা বললে, দলীয় হাইকমান্ড বিব্রত হতে পারে ।



এরকম অনেক আছে । আপনি নিজের অনুধাবন ক্ষমতায় বুঝতে পারছেন কোন একটি কাজ অন্যায় । কিন্তু দল থেকে ছিটিকে যাবার ভয়ে আপনি তার প্রতিবাদ করছেন না । এমন উদাহরণ আমার নিজ ঘরে ও পরিবারে আমি দেখেছি কয়েকশত বার ।



আমাদের সংবিধানের ৭০(ক) অনুচ্ছেদের দিকে তাকান , সেখানে মতপ্রকাশকে কি রকম করে ব্যাহত করা হয়েছে । সংবিধান নিজেই কি করে দলকে একচ্ছত্র আধিপত্য দিয়ে রেখেছে !! নিজ দলের অন্যায়ের বিরুদ্ধেও সংবিধান কথা বলতে দিবে না, দল উক্ত প্রতিবাদ কারীর(সে যদি সংসদ সদস্য হয়) সদস্যপদ ছিন্ন করতে পারে ।



যাইহোক, অনেক বলে ফেললাম । বটম লাইন একটাই । দলীয় রাজনীতি খারাপ নয় কিন্তু দূর্নীতিগ্রস্থ দলীয় রাজনীতির খোলশ থেকে বের হয়ে আসতে হবে । আর আমি এই দূর্নীতির অংশটাই মাথায় রেখে বার বার এই দলীয়চর্চাকারীদের বিরোধীতা করি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখার সাথে ১০০ ভাগ সহমত। আপনার অবস্হানের সাথে কোন মতপার্থক্য নেই, তবে লেখাটা উৎসর্গ করা নিয়ে কিছু কথা আছে। ব্লগে লেখার মাধ্যমে আপনাদের যেমন চিনি, সুশান্তদাদেরও তাই। তাদের সাথে অনেক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। আওয়ামী-বিন্পি পঁচে যাওয়া দল সন্দেহ নাই, তবে নানাবিধ কারনে অনেক ভাল মানুষও তাদের সমর্থন করে (কারন এনালাইসিস করতে গেলে অনেকগুলো পোষ্টের দরকার)। এত সুন্দর একটা লেখায় প্রথম প্যারাটা না থাকলেই মনে হয় ভাল হত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ভালো লেখা, শুধু উৎসর্গের জন্য আলাপ গেলো অন্যদিকে...... এটাই একটা উদাহরন, আমরা স্বাধীনতা-মুক্তিযোদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধের কথা আসলেও দলের নামে বিভক্ত হই, দলবাজি করে বা দলের বিরোধীতা করে........

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(Y)

glqxz9283 sfy39587p07