Skip to content

জামাতের কাছে বিক্রি হওয়া একজন অর্থলোভী কাদের সিদ্দিকীর দুর্নীতির কিছু প্রমান।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদের সিদ্দিকীর ভুমিকা নিয়ে কোন কথা বলার প্রয়োজন নাই। ঐ সময় আমরা সবাই জানি তার ভুমিকা। ঐ সময়ের ভুমিকায় তিনি আসলেই একজন বঙ্গবীর এতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু তার বর্তমান ভুমিকাতে এই কথা টাই সত্য প্রমানিত হয়, "রাজাকার সবসময়ের জন্য রাজাকার, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সবসময়ের জন্য মুক্তিযোদ্ধা নয়"।

অনেকেই অভিযোগ করেন কাদের সিদ্দিকীর বর্তমান ভুমিকার প্রধান কারন তিনি জামাতের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন। এই কথাগুলো যে কত বড় সত্য তা তুলে ধরার জন্যই আমার এই ব্লগ লেখা। আমি নিজের কোন কথা এই ব্লগে লিখব না, আমি শুধু সাম্প্রতিক অতীতে কাদের সিদ্দিকীর কিছু কর্মকাণ্ড তুলে ধরব। আসুন তাহলে কাদের সিদ্দিকীর অর্থ কেলেংকারির কিছু সংবাদে চোখ রাখি।





টাঙ্গাইল অচল করে রেখেছেন কাদের সিদ্দিকী

শরিফুল ইসলাম হাসান
টাঙ্গাইলে সেতু, সড়ক আর হাসপাতাল ভবন নির্মাণের মতো নয়টি জরুরি উন্নয়নকাজ বছরের পর বছর ফেলে রেখেছে সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা লিমিটেড। এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। এতে তাঁর নিজ জেলা যোগাযোগের দিক থেকে কার্যত অচল হয়ে আছে। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময়ের পর ক্ষেত্রবিশেষে এক থেকে ১১ বছর পার হলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো অনুরোধ বা চাপ তিনি বিবেচনায় নেননি। কিনতু সাড়ে ২৩ কোটি টাকার এসব উন্নয়নকাজ আংশিকভাবে সম্পন্ন করে তিনি প্রায় ১৩ কোটি টাকা বিল তুলে নিয়েছেন।

নথিপত্রে দেখা গেছে, ঘাটাইলের দুবলাকুঁড়ি সেতুর কাজটি সোনার বাংলা পেয়েছে ১৯৯৫ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে। প্রতিষ্ঠানটি বাকি কাজগুলো পেয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে। স্থানীয় ঠিকাদার, রাজনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে এই ঠিকাদারি কাজপ্রাপ্তির সঙ্গে রাজনীতির যোগ আছে বলে অভিযোগ করেন। তাঁরা মনে করেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটির মধ্যে পাঁচটি আসনে বিএনপির জয়ের পেছনে কাদের সিদ্দিকী কৌশলে অবদান রাখেন। সেই সূত্রে তিনি একক ঠিকাদার হিসেবে এক জেলায় এসব বড় কাজ পেয়েছেন। আর তাঁর কাজগুলো উদ্বোধন করেছেন বিএনপির তৎকালীন স্থানীয় সাংসদেরা।

এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে গত নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টাঙ্গাইল-২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী যথাক্রমে আবদুস সালাম পিন্টু (সাবেক উপমন্ত্রী ও পরে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি), লুৎফর রহমান খান আজাদ (সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও আইটিসিএল কেলেঙ্কারির হোতা), শাজাহান সিরাজ (সাবেক মন্ত্রী, বর্তমানে পলাতক), মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ও অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের হারিয়ে জয়লাভ করেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা এসব আসনে যথাক্রমে দুই হাজার ২৭৪, পাঁচ হাজার ৬৯৫, পাঁচ হাজার ১৪১, ১৩ হাজার ৮৬ ও এক হাজার ৮৭৮ ভোটে পরাজিত হন। আর এ আসনগুলোতে কাদের সিদ্দিকী ও তাঁর দলের প্রার্থীরা পান যথাক্রমে তিন হাজার ৫১৯, ছয় হাজার ৯৬৪, ১৩ হাজার ৭৪৭, ৬৮ হাজার ১৬৭ ও এক হাজার ৩৯৯ ভোট। ওই নির্বাচনের দুই বছর আগে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে গড়া তাঁর দলের এই ভোটগুলো স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের ভোট হিসেবে পরিগণিত। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে টাঙ্গাইলের পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, গত নির্বাচনে টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি নিশ্চিত করার প্রতিদান হিসেবে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে এ কাজগুলো পান কাদের সিদ্দিকী।

তবে কাদের সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, কাজের সঙ্গে রাজনীতি এক করা ঠিক নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঠিকাদারি কাজগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, ?আমার জানামতে, টাঙ্গাইলে কোনো কাজ ফেলে রাখা হয়নি। তা ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো ঠিকাদারি কাজ করি না।?

সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা লিমিটেডকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিষ্ঠান দাবি করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ?এর বৈঠকে আমি সভাপতিত্ব করি। সোনার বাংলা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিষ্ঠান বলে এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।?

জানা গেছে, সোনার বাংলার পরিচালনা পরিষদের সদস্য চারজন। তাঁরা হলেন কাদের সিদ্দিকী (চেয়ারম্যান), তাঁর স্ত্রী নাসরিন সিদ্দিকী, কাদেরিয়া বাহিনীর সাবেক প্রশাসক এনায়েত করিম ও কাদের সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী ফরিদ আহমেদ।

কাদের সিদ্দিকীর হাতে অচল টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সঙ্গে সখীপুর, ভুক্তা হয়ে সদর উপজেলা ও ধলাপাড়া হয়ে ময়মনসিংহ, ঘাটাইলের সঙ্গে ভূয়াপুর এবং নাগরপুর উপজেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ হয়ে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা লিমিটেডের করা অসমাপ্ত চারটি সেতু ও একটি সড়কের জন্য। আবার জেলার মির্জাপুর উপজেলার সঙ্গে সখীপুর, সদরের সঙ্গে একই উপজেলার বরুহা ও মাকোরকোল, বাসাইলের সঙ্গে একই উপজেলার সুন্না জেসির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন একটি সড়ক ও দুটি সেতুর কাজ শেষ না করায়। বাসাইল উপজেলাবাসীকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিয়েও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কারণ, বাসাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তিন তলা ভবনের নির্মাণকাজটি দেড় বছর ধরে ফেলে রেখেছে সোনার বাংলা। এ কাজগুলো শেষ না করার ব্যাপারে সোনার বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনায়েত করিম বলেন, ?আমরা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার চেষ্টা করি। কিনতু এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ) এবং সওজ (সড়ক ও জনপথ) নির্ধারিত সময়ে বিল দেয় না, তাই কাজগুলো শেষ করতে দেরি হয়। আবার নকশা পরিবর্তনও দেরির একটি কারণ।? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ?সারা দেশে আমাদের মতো আরও অনেকেই কাজ ফেলে রাখে, কিনতু সেগুলো নিয়ে কেউ কোনো কথা বলে না।?

বাস্তবে দেখা যায়, এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি প্রাপ্ত কোনো কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করে না। তারা বারবার আবেদন করে প্রতিটি কাজের সময় বাড়ায় এবং শেষে রড-সিমেন্টের দাম বেড়েছে অজুহাত তুলে বর্তমান দরে আগের কাজের বিল আদায় করে। উদাহরণ−নেত্রকোনার শুকনাকুঁড়ি, জামালপুরের জিঞ্জিরাম ও মানিকগঞ্জের ঘিওর সেতু।

হাঁটুভাঙ্গা-সখীপুর রাস্তা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের একজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচ বছর ধরে হরতাল, মানববন্ধন, জনসভাসহ নানা কর্মসূচির পর সরকার গোড়াই-সখীপুর (হাঁটুভাঙ্গা-সখীপুর) সড়কের কাইতলা থেকে নলুয়া পর্যন্ত রাস্তার জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিনতু যখন কাদের সিদ্দিকী কাজ পেয়েছেন বলে শুনেছেন, তখন তাঁরা রাস্তার আশা ছেড়ে দিয়েছেন।

বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অসমাপ্ত কাজের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান গতকাল শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় স্বাস্থ্যসচিবকে বিষয়টি জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আতঙ্কিত ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা: টাঙ্গাইলের ঠিকাদারেরা এসব কাজের দরপত্র-প্রক্রিয়ার বিষয়ে কিছু অভিযোগ তুললেও নাম প্রকাশ করতে রাজি নন। তাঁদের ক্ষোভ, কাদের সিদ্দিকী কাজ শেষ করেন না জেনেও তাঁকে বারবার সওজ ও স্থানীয় এলজিইডি কেন কাজ দেয়?

এ ব্যাপারে প্রথম আলোর প্রশ্নের জবাবে অভিন্ন বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী খুরশিদ হাসান এবং সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা−?এই কাজগুলো দেওয়ার সময় আমরা এখানে ছিলাম না।? টাঙ্গাইলে এলজিইডি ও সওজের যেসব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আসেন, তাঁরাও কাদের সিদ্দিকীকে নিয়ে আতঙ্কে থাকেন।

চুক্তি মানেন না কাদের সিদ্দিকী: জেলার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো কাজেরই চুক্তিপত্র মানেননি কাদের সিদ্দিকী। তাঁর প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া কোনো কাজই চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শেষ করার নজির নেই। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে প্রতিনিয়ত চিঠি চালাচালি করতে হয়। চুক্তি না মানায় এবং সময়মতো কাজ শেষ না করায় এলজিইডি ও সওজ চারটি সেতুর জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ২০ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে। এলজিইডি নাগরপুরের ভুগলহাট সেতু যথাসময়ে না করায় নয় লাখ, কাউজানি সেতুর জন্য চার লাখ ৫৭ হাজার ৬৭৯ ও শালগ্রামপুর সেতুর জন্য ছয় লাখ ৭০ টাকা জরিমানা করে। অসমাপ্ত কাজের ওপর ১০ শতাংশ হারে এ জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি সেতুর কার্যাদেশও বাতিল করা হয়েছে।

এলজিইডি সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির জমা রাখা নিরাপত্তার টাকা (সিকিউরিটি মানি) থেকে জরিমানার টাকা কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। অসমাপ্ত সেতুগুলোর ব্যাপারে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী খুরশিদ হাসান বলেন, ?মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে দ্রুত অন্য ঠিকাদার দিয়ে কাজগুলো শেষ করার জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।?

এদিকে ঘাটাইলের দুবলাকুঁড়ি সেতুর জন্য সওজ গত ১০ জুলাই কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলাকে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার ৪৩৫ টাকা জরিমানা করেছে। ১৫ দিনের মধ্যে জরিমানার ওই টাকা জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়ে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে টাকা না দিলে অন্য যেকোনো সরকারি পাওনা থেকে তা কেটে নেওয়া হবে, কিনতু সওজ সে রকম উদ্যোগ নেয়নি।

কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ?একতরফা জরিমানা করায় আমরা আদালতে মামলা করেছি। এ ছাড়া নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ায় আমরা ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন করেছি সওজের কাছে।?

জানা গেছে, এলজিইডির কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার টাকা থেকে সরাসরি জরিমানা আদায়ের বিধান আছে, কিনতু সওজের ক্ষেত্রে সে রকম বিধান নেই। ফলে ঠিকাদারেরা এসব ক্ষেত্রে মামলা করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। ফলে কাজ পড়ে থাকে আর জনদুর্ভোগও চলতে থাকে।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৫ অক্টোবর ২০০৮

http://votebd.org/newsarchive/?p=4191




কাদের সিদ্দিকীর সেতু কেলেঙ্কারি সোয়া কোটি টাকা জরিমানা নেত্রকোনা ও জামালপুরের দুটি সেতুর কার্যাদেশ বাতিল
নেত্রকোনা ও জামালপুর প্রতিনিধি
কাদের সিদ্দিকীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা প্রাইভেট লিমিটেডকে এক কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। নেত্রকোনা ও জামালপুরের দুটি সেতুর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারায় এই জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যাদেশও বাতিল করা হয়েছে।

সওজের ময়মনসিংহ অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল হুদা মোল্লা প্রথম আলোকে জানান, দীর্ঘ ১০ বছরেও নেত্রকোনা-শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি-দুর্গাপুর সড়কের সোমেশ্বরী নদীর শুকনাকুঁড়ি সেতুর কাজ শেষ করেনি কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠান। এ জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠানকে ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া জামালপুরের বকশীগঞ্জ-সানন্দবাড়ী-চররাজীবপুর সড়কে জিঞ্জিরাম নদীর ওপর নির্মিতব্য সেতুর কাজ শেষ না করায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৭৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সওজের একটি সূত্র জানায়, ১৬ জুন সওজ নেত্রকোনার নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যাদেশ বাতিল করেন। এরপর ৩ জুলাই সওজ ময়মনসিংহের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে এই আদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সওজের নেত্রকোনা কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, সোয়া তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ২২৪ মিটার দীর্ঘ শুকনাকুঁড়ি সেতুর কাজ শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও শেষ হয় ২০০৬ সালের মার্চে। তবে কাজের বরাদ্দ করা ১১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার পুরোটাই কাদের সিদ্দিকী তুলে নেন। এদিকে সেতুর মূল কাজ শেষ হওয়ার আগেই ২০০৬ সালের ৪ জানুয়ারি সেতুর ওপর ঢালাই পাটাতন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ জন্য ব্যয় ধরা হয় তিন কোটি ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। কাজ শেষ করার কথা ছিল ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল। কিন্তু পাটাতন নির্মাণের কাজ সামান্য করেই কাদের সিদ্দিকী ৯১ লাখ টাকা তুলে নিয়ে আবার কাজ বন্ধ করে দেন।

সওজ নেত্রকোনার প্রকৌশলী এ কে এম জুলফিকার ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কাজ শেষ করার জন্য কাদের সিদ্দিকীকে শতাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তিনি নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এ কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, সেতুটি নির্মিত না হওয়ায় দুর্গাপুরের লোকজন বর্ষায় সরাসরি নেত্রকোনা বা ময়মনসিংহে যাতায়াত করতে পারে না। সেতুর নির্মাণস্থলে গিয়ে বাস-টেম্পো থেকে নেমে নৌকায় করে অন্য পাড়ে যেতে হয়। তারপর আবার গাড়িতে উঠতে হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় মালামাল পরিবহনে। সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় এখানকার ব্যবসায়ীদের পরিবহন খরচ অনেক বেশি। ফলে বেড়ে যায় সব পণ্যের দাম। এতে দুর্ভোগের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে উপজেলাবাসী।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ-সানন্দবাড়ী-চররাজীবপুর সড়কে জিঞ্জিরাম নদীতে ২৯৮ দশমিক ৮৮ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০০০ সালের ৯ মে। নির্মাণব্যয় ধরা হয় সাত কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তিন বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করার কথা ছিল। জেলা সওজ জানায়, গত বছর জরুরি অবস্থা জারির পর ১৮ জানুয়ারি কাদের সিদ্দিকীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সেতুর কাজ ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু কাজ কিছুই হয়নি। তবে কাদের সিদ্দিকী এই সেতুর জন্য বরাদ্দ করা সাত কোটি ৬১ লাখ আট হাজার টাকা তুলে নেন।

জামালপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী নজিবুল হক বলেন, সওজ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গত ১১ জুন জিঞ্জিরাম সেতুর দরপত্র চুক্তি বাতিল এবং দরপত্রের শর্ত ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থাকে ৭৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও জানান, গত ২৬ জুনের মধ্যে জরিমানার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দেয়নি। এ কারণে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও দুই সেতু বাকি: সওজের তত্ত্বাবধানে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ওপর একটি সেতুর কাজ চলছে। ৬৮ দশমিক ৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল এক কোটি আট লাখ টাকা। ২০০৪ সালের আগস্টে কার্যাদেশ পায় কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠান। ২০০৫ সালে এই সেতুর কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিছু কাজ করে ৭৫ লাখ ১২ হাজার টাকা তুলে নেন কাদের সিদ্দিকী।

২০০৫ সালে সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৩ মিটার বাড়ানো হয়। বর্ধিত এই কাজের ব্যয় ধরা হয় ৩১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। নতুন বরাদ্দেরও ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে নেন কাদের সিদ্দিকী। এ কাজ এক বছরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। ২০০৬ সালের নভেম্বরে এ নিয়ে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে কাজের গতি কিছুটা বাড়ে। ২০০৭ সালের গোড়ার দিকে সেতুটির দৈর্ঘ্য আরও ৩৩ মিটার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। তবে দরপত্র আহ্বান করা হয়নি। কাজও শেষ হয়নি।

এ ছাড়া টাঙ্গাইলের ঘাটাইল-ভূঞাপুর সড়কের দুবলাকুঁড়িতে ঝিনাই নদীর ওপর ৮৭ দশমিক ৮৪ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণব্যয় প্রথমে এক কোটি ৮৪ লাখ টাকা ধরা হয়। নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরে ব্যয় বাড়িয়ে দুই কোটি ৫৬ লাখ টাকা করা হয়। কাজ শেষ করার কথা ছিল দুই বছরে। কিন্তু ইতিমধ্যে ১২ বছর পার হতে চলেছে। গত বছরের জুলাই মাসে কাদের সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘অনেক বিল বাকি থাকায় সময়মতো কাজ করতে পারিনি। শিগগিরই কাজ আবার শুরু করব।’ কিন্তু সওজ জানিয়েছে, কাদের সিদ্দিকী দুই কোটি ১৭ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। বাকি টাকা অগ্রিম না দিলে কাজ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

সেতুটি না হওয়ায় ঘাটাইলের মনোহরা, চেংধা, লোকেরপাড়া, শিমলা, আথাইল শিমুল, মাকেশ্বর, বকশিয়া, গৌরীশ্বর, পাড়াগ্রাম, চাটশেলা, পাটিতাকান্দি ও চর ছুনটিয়া গ্রামের মানুষকে অনেক পথ ঘুরে উপজেলা সদরে আসতে হয়। কাদের সিদ্দিকীর চার সেতুসহ সারা দেশে পড়ে থাকা পৌনে তিন হাজার সেতু নিয়ে এ বছরের ১৮ মে প্রথম আলোর একটি বিশেষ সংখ্যা বের হয়। এরপর প্রধান উপদেষ্টা সেতু নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১৯ জুলাই ২০০৮


http://votebd.org/newsarchive/?p=2673


চার বছর ধরে ঝুলছে টঙ্গী তৃতীয় সেতুর কাজ: কাজ পেয়েছে কাদের সিদ্দিকীর সোনার বাংলা

শরিফুল ইসলাম হাসান
গাজীপুরের জয়দেবপুর-টঙ্গী-বনানী সড়কের তুরাগ নদীর ওপর টঙ্গী তৃতীয় সেতু নির্মাণের কাজ আড়াই বছর ধরে বন্ধ আছে। কাজ আবার শুরু করার জন্য ২৯ বার তাগাদাপত্র দেওয়া হয়েছে কাদের সিদ্দিকীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা লিমিটেডকে। চার বছর আগে শুরু হওয়া এ সেতুর যেটুকু কাজ হয়েছে, তা এখন পানির নিচে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর−সওজ সূত্র জানায়, এ কাজের জন্য ৯৬ লাখ ৬১ হাজার ১৭২ টাকা বিল তুলে নিয়েছে সোনার বাংলা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, যে কাজ করা হয়েছে, তার জন্য এখনো ৪০ লাখ টাকা বিল পাবে তারা।

সূত্র জানায়, সওজ এই সেতুর জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল ২০০৪ সালের ৩ মে। সোনার বাংলাকে ২০০৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ১০৫ দশমিক ২০ মিটার এই সেতুর নির্মাণ খরচ ধরা হয় নয় কোটি দুই লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৪ টাকা। দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় পার হয়েছে ২০০৬ সালের জুলাই মাসে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি দুই দফায় এক কোটি ২৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৫ টাকা বিল দাবি করেছে এবং ৯৬ লাখ ৬১ হাজার ১৭২ টাকা তুলে নিয়েছে।

সোনার বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনায়েত করিম বলেন, ঢাকা শহরের চারদিকে নৌপথ চালু করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ সেতুর নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করে। গাজীপুর সড়ক বিভাগের নির্দেশে ২০০৬ সালের ৩ মে পর্যন্ত কাজ স্থগিত রাখতে হয়।

এনায়েত করিম বলেন, সেতুর উচ্চতাসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের পর ২০০৬ সালের ৪ মে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী নতুনভাবে কাজ শুরু করার অনুরোধ জানান। এরপর তাঁরা কাজ শুরু করেন। কিনতু পাইলিংয়ের কাজে সমস্যা হওয়ায় সেতুর নকশা সংশোধন করে ২০০৭ সালের ১৩ আগস্ট তা পাস করা হয়। তিনি দাবি করেন, তাঁরা যতটুকু কাজ করেছেন, এর মধ্যে ৪০ লাখ টাকার বিল এখনো বাকি আছে।

গাজীপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আখতার হোসেন খান বলেন, এই সেতুর কাজ শেষ করার জন্য সোনার বাংলাকে মোট ২৯টি চিঠি দিয়ে তাগাদা দেওয়া হয়। কিনতু প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে না। ফলে তাদের ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৭ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোনার বাংলা সওজের এই জরিমানার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকরণ মামলা (আরবিট্রেশন) করেছে।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৬ অক্টোবর ২০০৮


http://votebd.org/newsarchive/?p=4226


কাদের সিদ্দিকী, মুরাদ সিদ্দিকী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

টাঙ্গাইল ও সখীপুর প্রতিনিধি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক দেওয়ান সফিউদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে গত সোমবার সখীপুর থানায় এ মামলা করেন। মামলায় কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ৮৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৮ টাকার তথ্য গোপন ও অসংগতিপূর্ণ আয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই রকম অভিযোগ এবং সম্পদের তথ্য গোপন করায় কাদের সিদ্দিকীর ভাই মুরাদ সিদ্দিকী এবং মুরাদের স্ত্রী নীহার সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা করেছে দুদক।

টাঙ্গাইল দুদকের উপপরিচালক মাহমুদ হাসান মামলা দুটির পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করার জন্য দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালকের (অনুসন্ধান ও তদন্ত) কাছে গত বুধবার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, ২০০৭ সালের ২১ মে তিনি দুদকে এক কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৬২১ টাকা ২০ পয়সার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের চাঁদা, অনুদান ও সোনার বাংলা প্রকৌশলী সংস্থার আয় থেকে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। কিন্তু এর পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ বা তথ্যভিত্তিক দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তিনি ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৮ টাকার সম্পদের ব্যাপারে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়েছেন।
মামলার ব্যাপারে দুদকের সহকারী পরিচালক দেওয়ান সফিউদ্দিন বলেন, কাদের সিদ্দিকীর আয়ের সঙ্গে তাঁর দেওয়া হিসাবের মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু কাদের সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মামলার ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণেদিত ও হয়রানিমূলক। মুরাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০০৭ সালের ১৪ মে মুরাদ সিদ্দিকীকে সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য দুদক নোটিশ পাঠায়। তিনি ওই বছরের ২৭ মে দুদকে ৬৬ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯১ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, মুরাদ সিদ্দিকী ২০০৬-০৭ অর্থবছরে আয়কর নথিতে ৩৫ লাখ ১৬ হাজার ৫১৫ টাকার সম্পদ উল্লেখ করেছেন। দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে ২০০৬-০৭ অর্থবছরের আয়কর বিবরণীর সঙ্গে ৩১ লাখ ৫০ হাজার ৯৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়।

এ ছাড়া আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে এক লাখ ৩৬ হাজার ১৬৫ টাকার প্রিমিয়ামের কথা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেননি। মুরাদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নীহার সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলায় বলা হয়েছে, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে তিনি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৫৮ টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। কিন্তু দুদক যাচাইকালে তাঁর নামে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকার স্থাবর এবং ২১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ পেয়েছে। আয়কর নথিতে প্রদত্ত সম্পদকে বৈধ হিসেবে ধরে পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৬২৬ টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ পেয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, ১৩ মার্চ ২০০৯


http://votebd.org/newsarchive/?p=5045


সময় বাড়িয়ে বরাদ্দ বাড়ানোর বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
কাদের সিদ্দিকীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রতিটি কাজ ঝুলিয়ে রেখে প্রথমে সময় বাড়িয়ে নেয়। এরপর ওই সময়ের বাজারদর অনুযায়ী বিল দাবি করে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুবলাকুঁড়ি সেতুর কাজ শেষের নির্ধারিত সময়ের পর ১১ বছর পার হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। কাজ শুরুর সময় সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছিল এক কোটি ৮৪ লাখ তিন হাজার ৫৪৬ টাকা। সময় আর বরাদ্দ বাড়িয়ে এখন তার ব্যয় দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৫৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৭০ টাকা। ইতিমধ্যে তিনি দুই কোটি ১৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা করা কাজের বিল হিসেবে তুলে নিয়ে গেছেন।

টাঙ্গাইলের বাইরে নেত্রকোনা, জামালপুর ও মানিকগঞ্জেও একটি করে সেতু অসমাপ্ত রেখেছেন কাদের সিদ্দিকী। এ কাজগুলোর সময়ও বারবার বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে নেত্রকোনার শুকনাকুঁড়ি সেতুর প্রাক্কলিত মূল্য ছিল তিন কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭২ টাকা। কিনতু সময় আর বরাদ্দ বাড়িয়ে এর সংশোধিত মূল্য নিয়ে ঠেকানো হয় আট কোটি ২৭ লাখ ২৯ হাজার ৮৭১ টাকায়, যার পুরোটাই তুলে নিয়েছেন কাদের সিদ্দিকী। সেতুর মূল কাজ শেষ হওয়ার আগেই ২০০৬ সালের ৪ জানুয়ারি ওই সেতুর ওপর ঢালাই ও পাটাতন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয় তিন কোটি ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। কাজ শেষ করার কথা ছিল ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল। কিনতু পাটাতন নির্মাণের কাজ সামান্য করে ৯১ লাখ টাকা তুলে নিয়ে আবার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর সেতুর কার্যাদেশ মূল্য ছিল এক কোটি আট লাখ ১২ হাজার ২২ টাকা। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। পরে সেতুর বর্ধিত অংশের জন্য আরও ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৫০ টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়। জামালপুরের জিঞ্জিরামপুর সেতুর জন্য বরাদ্দ করা সাত কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে সাত কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার টাকা তুলে নিলেও কাজ শেষ করেনি সোনার বাংলা। শুকনাকুঁড়ি ও জিঞ্জিরামপুর সেতুর কাজ শেষ না করায় গেল জুলাই মাসে সোনার বাংলাকে এক কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে সওজ। এর বিরুদ্ধে মামলা করে বসে আছে প্রতিষ্ঠানটি।
টাঙ্গাইলে দুটি রাস্তা, দুটি সেতু ও হাসপাতালের কাজের সময়ও কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৫ অক্টোবর ২০০৮


http://votebd.org/newsarchive/?p=4202




এখন পাঠকদের কাছেই আমার প্রশ্ন, যিনি এতো অর্থ কেলেংকারির সাথে যুক্ত সেই কাদের সিদ্দিকী জামাতের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন এটা বলার জন্য কি আর কোন প্রমান লাগবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেষ মেষ পায়জামা খুইলা জলগামছা ধরাই দেওনের তাল Drunk Drunk Drunk Drunk Drunk

______________________________________________________________________
স্বাক্ষরঃ দিশাহারা লালে লাল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গামছাও খুজে পাবে না


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আফসোস হয় ইতিহাসের নায়ক না হয়ে কাদের আজ ভাঁড় হয়ে গেছে।

হিট অ্যান্ড রান- সেক্টর ২
সখিনা বেগমের গর্ভে বেড়ে উঠা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান।
এখনো বেঁচে আছি রুমি হয়ে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাঁড় হয়েই তার বাকী জীবন পার করতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবতো ২০০৮ এর কথা। এর পর কি তিনি আর কোন দূর্নীতি করেননি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় বিক্রয়জনিত দুর্নীতি করেছেন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত টাকা দিয়ে লোকটা কি করবে। সেই বয়স তো আর নেই, যাতে নানা দেশ-বিদেশ মনের সুখে ঘুরবে, হোটেলে আমোদ-ফূর্তি করবে। তাইলে করবে টা কি?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
-- --


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বভাব একবার খারাপ হয়ে গেলে তা বদলানো কঠিন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রমাণ ছাড়া কাউকে দুর্নীতিবাজ বলা কি আইন সম্মত?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছবিসহ যে লিংক গুলো দিলাম তা কি পর্যাপ্ত নয়?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইরকম তথ্য প‍্রমান বাতাস থেকে এনে অনেকের বিরুদ্ধেই দাখিল করা যায়। মোদ্দা কথা কাদের সিদ্দিকী আপনার পিঠ চুলকায় না সেজন্য সে দুর্নীতিবাজ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর সে আপনার পিঠ চুলকায়, এই জন্য সে নিষ্পাপ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গামছা দিয়া কি আর লজ্জা ঢাকা যায়? শেষ পরিনিতি কাঠাল পাতায়।।।। তাও আবার ছাগলে চিবায়/ এ শুধু কাদের কাক্কু নয় আরো কিছু আছেন যাদের লজ্জা ঢাকতে আর কিছুই পাবেন না, সে সরকারী আর বিরোধী দলের!!!!

mofijul


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেষ পরিনিতি কাঠাল পাতায়



ভালোই বলেছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের সিদ্দীকির বয়স তো এখন ৬৫ এর ওপর। নানাভাবে তিনি প্রচুর অর্থ কড়ি কামিয়েছেন । তারপরেও তিনি শুধুমাত্র অর্থের জন্য জামাতের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে তা বলা যায় না। আসলে তিনি একটি অংক কষেছেন। সেটা হলো আওয়ামী লিগ থেকে তাকে বহিস্কৃত করা হয়েছে অথচ এ দলে তিনি একটা কেউ কেটা হতে চেয়েছিলেন তার অতীত কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য। কিন্তু সেটা না পারাতে তার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে একটা প্রচন্ড ঈর্ষা বা প্রতিশোধপরায়ণতা। এখন আওয়ামী লিগ সরকারে। দেশের ইতিহাস থেকে দেখা যায় কোন দল পর পর দুবার ক্ষমতায় যেতে পারে নি। তাই তার হিসাব সামনের বার আওয়ামী লিগ ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তার আজন্ম লালিত সখ মন্ত্রী জাতীয় কিছু হবেন। একারনেই তিনি এ চাল চেলেছেন। তার সম্ভবত: প্লান আছে বি এন পি এর সাথে আঁতাত করে বা তাকে সমর্থন দিয়ে সামনের নির্বাচন করবেন , শর্ত থাকবে বি এন পি ক্ষমতায় গেলে তাকে মন্ত্রী করবে। হয়ত বা তিনি সরাসরি বি এন পি তেও যোগ দিতে পারেন। কিন্তু তিনি বর্তমান প্রজন্মের মনোভাব তিনি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। আধুনিক যুগের তথ্য প্রযুক্তির শক্তি অনুধাবন করতেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু তাই নয় বয়োবৃদ্ধ অনেকেই দেখলাম এ প্রযুক্তির শক্তি অনুধাবন করতে তারা ব্যর্থ। তারা বুঝতে পারেন নি যে বর্তমানের তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে কোন তথ্যই গোপন করা যায় না। সুতরাং চাপাবাজির দিন যে শেষ এটা এখনও তারা বুঝতে পারছেন না। আরও কিছু দিন সময় লাগবে মনে হয়। তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হলো "মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় বিক্রয়জনিত দুর্নীতি"।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের সিদ্দিকী রাজাকরদের প্রিয় মুক্তিযোদ্ধা! সে মুক্তিযোদ্ধা নামের কলঙ্ক!

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবচেয়ে বড় কথা দলে থাকলে মুক্তি যোদ্ধা আর বিপক্ষে গেলে রাজাকার, বরই আফসোস কাউকে মাথায় নিতে সাময় লাগেনা আবার পায়ে পিষতে দেরি করিনা। তাহলে ৭১ এর পর আমাদের মহান নেতা তো অনেক কাজা করতে পারেনি তাহলে কি তিনি রাজাকার হয়ে যাবেন? আপনি কি বলেন? চিন্তার উদারতা দেখান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকারের সহযোগী রাজাকারই। এখানে চিন্তার উদারতা দেখানোর সুযোগ নাই। এতটা উদারও আমি নই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের সিদ্দিকী যুদ্ধ করেছেন নিজের জন্য --- বলেছেন লতিফ সিদ্দিকী
https://www.facebook.com/photo.php?v=452687791470250&comment_id=3854769&notif_t=video_comment

বাংলা মায়ের দামাল ছেলে __ করিনা কভু ভয় __ জয় বাংলা বলে এগিয়ে চলি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেখেছি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বোঝা যাচ্ছে জামাতের অনেক টাকা আছে। কোটি টাকার কেলেঙ্কারীর অভিযোগ রয়েছে কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। জামাতে কাছে তো তিনি অল্প টাকার জন্য বিক্রি হন নি। জামাত তো দেখছি সবচেয়ে ধনী দল। আওয়ামী লীগ, বি এন পি কেউ পারল না কিন্তু জামাত তাকে কিনে নিল। এর পরে আবার আর কাকে কিনে নেয় কে জানে।

___________________________________________
সন্ত্রাস, দুর্নীতি, সবই সহ্য করেছি - কিন্তু ভুল বোঝালে, মেনে নেব না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টাকা দিয়ে সবাইকে কেনা যায় না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু থাকলে সোজা থাবরাইতেন আর কইতেন কাদেইরা তুই স্রেফ লীগের পদে না পাইয়া জামাতে ভিরা ইহকাল পরকাল সব খোয়াইলি

ব্যডা ভুদাই !


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেটা আসলেই সব হারাইলো


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হায়রে মানুষ!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রাচীন কাল থেকে আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে মানুষের বয়স বাহাত্তর হলে তাকে ভীমরতিতে ধরে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকির বয়স তো এখনো বাহাত্তর হয় নাই। তাহলে ওনার এই পরিনতি কেন? স্বাধীনতার পরে মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আর বিভাজন দেখতে চাই না। চাই না পুরানো রাজাকারের ভীড়ে নূতন রাজাকার তৈরী হোক। কাদের সিদ্দীকির সুমতি হোক এই কামনা করি।

mrinal


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের তাইলে অকাল পক্ক? ৬৫তেই বাহাত্তুরে ধরছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বাধীনতার পরে মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।


কিছু কিছু ক্ষেত্রেই আপনার এই বক্তব্য সত্য। জিয়াউর রহমান তার সবচেয়ে বড় উদাহারন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাঁড়ি তো সব দিলেন ভাইঙ্গা। smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)

*********************************************************
মানবতা হরণকারীদের জন্য মানবতা দেখানো চরম অমানবিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাই নাকি !


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদের সিদ্দিকীর ভুমিকা নিয়ে কোন কথা বলার প্রয়োজন নাই। ঐ সময় আমরা সবাই জানি তার ভুমিকা। ঐ সময়ের ভুমিকায় তিনি আসলেই একজন বঙ্গবীর এতে কোন সন্দেহ নাই।


সন্দ আছে।

মেজর শফিউল্ল্যার মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বইয়ে তিনি লিখেছেন - 'মুক্তিযুদ্ধে কাদের সিদ্দিকী কেবল টাঙ্গাইল অর্থাত নিজের এলাকাকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সারা বাংলার মুক্তিতে তিনি কোন সক্রিয় ভুমিকা রাখার চেষ্টা করেন নাই'।

৭১য়ে টাঙ্গাইল মুক্ত রেখেও তিনি তার সীমানা ছাড়িয়ে অন্যান্য এলাকায় মুক্ত করতে সচেষ্ট হতে পারতেন। তিনি তা করেন নাই একজন বীরের এহেন আচরন প্রশ্ন তুলে - আসলেই তিনি বীর কিনা। ইতিহাস পুনরায় এই জাতিয় সঙদের তেলেসমাতিকে পুনরায় বিচার করছে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ। আরো কিছু সত্য জানতে পারলাম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের সিদ্দিকির জন্য ২টুকরো ছেড়া রুমাল রাখলাম, জানি কনফার্ম ওর তা লাগবে।
আগে থেকে জানতাম ওর কিছু দুর্নীতির কথা আর আজ একবারে গলার ধুতি পুন্দে ঝুলাইয়া দিছেন Tongue Tongue Tongue

**********************************************************************************************************
সতর্কতাঃ- জামাত-শিবিরের ব্যপারে আমার মা-বাবা আমারে মধু খাওয়ায় নাই তাই গাইল বাইর হইলে আমার না মধুর দোষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মতে কাদের সিদ্দিকী জামাতের কাছে বিক্রি হয়ে কোনো অন্যায় করেন নি। কমেন্ট লিখতে গিয়ে এতোটাই বড় হয়ে গেলো যে, শেষপর্যন্ত আলাদা পোস্ট দিতে হলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোষ্টে কমেন্ট করেছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একেই বলে রাজনীতির মারপেচ।
সদা জাগ্রত জনতা আর কিছু হারাবার নেই
বিজয় নিশ্চিত সব দুর্নীতি হবে ক্ষয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিজয় নিশ্চিত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যার যা মন চায় বলেন আমি কিছুই বললাম না। সরকার ঠিকাদার প্রতিষ্টানের ব্যপারে উদ্যোগ নেয় না কেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে যে সব সংবাদ আছে তা ২০০৮ সালের। এই ঐ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কি অবস্থা তা জানি না। এখন হয়তো তার আর এসব ঠিকাদারি করতে হয় না কারন আপাতত সে জামাতের ঠিকাদারিতে ব্যস্ত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন পাঠকদের কাছেই আমার প্রশ্ন, যিনি এতো অর্থ কেলেংকারির সাথে যুক্ত সেই কাদের সিদ্দিকী জামাতের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন এটা বলার জন্য কি আর কোন প্রমান লাগবে?



আমরা অন্ধ হয়ে গেছি তাই আমাদের চৌক্ষে আঙ্গুল দিয়া দেখাইলেও দেখি না। কানের পর্দা ফাইট্টা গেছে তাই কানের কাছে ঢোল বাজাইয়া বল্লেও শুনতে পাই না। আমরা নীতিহীন গাছের ফল খাইছি তাই দুর্নীতিই আমাগো মূল মন্ত্র।


~***********************~

যার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় তার সাথে পিরিতের কথা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেমন করে তাকে আর বীর বলি ? মুক্তিযোদ্ধারা ৭১ এর চেতনা ধারণ করে বাহন করে আর তিনি এই বয়সে নিজের সম্মান নষ্ট করলেন !!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের সম্মান নিজে নষ্ট করলে কার বা কি করার আছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাশাল্লাহ। নিজের সোগা এভাবে কয়জনইবা মারতে পারে ?

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব কম মানুষই তা পারে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন কাদের সিদ্দিকী এক সময়ের বাঘা সিদ্দিকী। আপনি এক মুহূতে তাকে ভিলেন বানিয়ে দিলেন । আমি আপনার প্রশংসা করতাম ্যদি সময়মত লিখতেন , এখন উনি কিছু করছেন বা বলছেন ্যা আপনার বিশ্বাসের অনুকূলে না । প্লিজ এভাবে কাউকে ছোট করতে গিয়ে আপনি ছোট হবেন না এবং নিজের সত্বাকে ধ্বংস করবেননা ।

ই খ ম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ভাই দুই দিনের ব্লগার তাই হয়তো লিখতে পারি নি। আর এখন তিনি যা করছেন তা হলো মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই বিতর্কিত করছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিভে যাওয়ার আগে বাতি একটু বেশী জ্বলে। সুনাম অর্জনের জন্য অনেক সময় লাগে কিন্তু নষ্ট করতে একটা পদক্ষেপ ই যথেষ্ট।
আর কাদের সিদ্দিকি যে পথ ধরেছে ওঁটাই ওনাকে তলানিতে নিয়ে ছাড়বে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুনাম অর্জনের জন্য অনেক সময় লাগে কিন্তু নষ্ট করতে একটা পদক্ষেপ ই যথেষ্ট।



সহমত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনি কি শুধুমাত্র সম্মানীর বিনিময়ে দিগন্ত টিভিতে টকশো আর নয়া দিগন্তে কলাম লেখেন। ওনার মত একজন মুক্তিযোদ্ধা এরকম দুটি পাকপন্হী মিডিয়ায় কাজ করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে বিভ্রান্ত করছেন একি শুধুই ৫০০/১০০০ টাকার বিনিময়ে? হয় ওনার চেতনার পরিবতর্ন হয়ে নব্যরাজাকার হয়েছেন নাহয় বিশাল টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগে তিনি ব্রিজ/কালভার্টের ঠিকাদারী করতেন। এখন করেন না কারন এখন তিনি জামাতের ঠিকাদারির কাজ পেয়েছেন। আর জামাতের ঠিকাদারির মুল্যের পরিমানও নিশ্চয় বিশালই হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শয়তান কয়েক হাজার বছর আল্লাহর ইবাদত করার পরও শুধু মাত্র হযরত আদম আলাইহিস-সালাম'কে সন্মান প্রদর্শন না করার কারনে সে অভিশপ্ত হয়েছে। আল্লাহর সকল বান্দা শয়তানকে ঘৃণা করে, আর তার ধোঁকা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।

হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে
কাজ করে যাও গোপনে গোপনে...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম' এর হারুন কি কারণে জেলে গিয়েছিল ভাই?

Abdur Rahman

glqxz9283 sfy39587p07