Skip to content

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



সম্প্রতিক আলোচিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গুলির মধ্যে অন্যতম হলো বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হচ্ছে৷ মন্ত্রিসভা গত সোমবার সংবিধান সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে৷ এদিকে আইনমন্ত্রী বলেছেন সংসদের সামনের অধিবেশনইে আইনটি পাস হবে৷

এখনকার সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে৷ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দেন৷ কিন্তু সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে তা এখন সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হচ্ছে৷

এব্যাপারে কিছু প্রগতিশীল চিন্তা ও কমেন্ট আশা করি। এখানে উল্লেকযোগ্য যে ৭২ এর সংবিধানে এই ক্ষমতাটি জাতীয় সংসদের হাতেই ছিল, কিন্তু পঞ্চম সংশোধনীতে সেটা বাতিল হয়ে যায়। এই পার্লামেন্ট হয়ত কিছু কিছু আবার ফিরিয়ে নেবার প্রচেষ্টায় আছেন। এটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ বটে, কিন্তু প্রশ্ন হলো বিচারকদের impichment procidure টা কি ভাবে হবে সেটা ঠিক করা, হঠাত করে বিচারপতিদের অযোগ্যতা পার্লামেন্ট এর দুই ত্রিতিয়াংশ ভোটে বিচারপতি অপসারণ নিছক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বলে মনে হচ্ছে। বিচারপতি দের অযোগ্যতা প্রথমে একটি কমিসন এর মাধ্যমে প্রমানিত হওয়া দরকার, তার পরেই সংসদে ভোটের মাধ্যমে নিস্পত্তি হওয়া উচিত। আপনারা কি ভাবছেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শালার বিচারকগুলো চাকুরীর জন্য শেখ হাসিনাকে ও খালেদাকে পায়ে ধরে সালাম করে; ওই শালাদের চাকুরী কুত্তার হাতে থাকা দরকার।

__________________________
'৭১ সালের মানুষদের স্বপ্ন, এখনো জীবিত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৯৩ বার ক্লিক হলো, কিন্ত কেহ মন্তব্য করলো না?

__________________________
'৭১ সালের মানুষদের স্বপ্ন, এখনো জীবিত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরে ভাই যেহেতু কাজটা আওমীলিগ করছে অতএব খারাপ। রাজাকারের বাচ্চারা করলে এত তাংভাং করতো না কেউ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোস্ট নিয়া সত্য মতামত দিলে ব্যান খাওয়ার সম্ভাবনা !! ব্যান অথবা ছাগু হবার ভয়ে কেউ মন্তব্য করেনা !!

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে কি জানেন বুদ্ধি দীপ্ত আলোচনা করলে আপনাকে কেউ ছাগু ও বলবেনা বা সরকারের ধামাধরা ও বলবে না, আমরা বেশির ভাগ বাঙালিরা বিভিন্ন ব্লগ বা ফোরামে গঠনমূলক আলোচনার চেয়ে গালাগালি টাই বেশি করি। আসুন আর একবার এখানে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনায়।

একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র ৪ টি মূল স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে তার কমপক্ষে ৩ টি শক্ত ভাবে খুটি গারা না থাকলে রাষ্ট্র ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পরে, সেই তিনটি হলো ১) আইন প্রণয়নকারী সংসদ (legislative) ২) নির্বাহী সরকার (executive) ৩) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা (independent judiciary) এই তিনটি ইনস্টিটিউশন একে অপরের সম্পুরক নয় বরং সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা সার্বভৌম ইনস্টিটিউশন। তবে প্রথম ইনস্টিটিউশন টি (সংসদ) জনগণ দ্বারা নির্বাচিত তাই সেখানে জনগনের সম্পৃক্ততা রয়েছে আর বাঁকি দুটি ইনস্টিটিউশন আইন প্রণয়নকারী সংসদ থেকেই তৈরী হয় কিন্তু প্রতিটি ইনস্টিটিউশন ই সার্বভৌম ক্ষমতা রয়েছে। কেউ কারো উপর সোজাসুজি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না এটাই গণতন্ত্রের ভালোদিক।
একটি উদাহরণ দিলে পরিস্কার হবে: ধরুন নির্বাহী সরকার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছে তখন সংসদে সরকারের উপর অনাস্থা প্রস্তাব আনতে হবে এবং কি কারণে জনপ্রিয়তা হারালো তা ব্যখ্যা করে ভোটাভোটি তে আসতে হবে এবং দুই তৃতীয়াংশ ভোটে তা নিস্পত্তি হবে। ঠিক এই পথ অনুসরণ করে ই বিচারপতিদের বেলাতেও অভিশংসনের ক্ষমতা থাকবে তবে প্রথমে বিচারপতিদের অযোগ্যতা প্রমানের জন্যে একটা কমিসন থাকা দরকার, তানাহলে যখনি কোনো বিচের্পতি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো রায় দেবে তখনি সংসদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে তাকে অপসারণ করা যাবে। তাই এখানে মূল আলোচনার বিষয় হলো সংসদে ভোটাভোটির আগে বিচারপতিদের অযোগ্যতা প্রমানের সুযোগ রাখতে হবে। এবার আসুন আপনাদের মতামত শুনি, তারপর আবার লিখব।

===
"আমার সেই গল্পটা এখনো শেষ হয়নি, শোনো।পাহাড়টা, আগেই বলেছি ভালোবেসেছিল মেঘকে - আর মেঘ, কী ভাবে শুকনো খটখটে পাহাড়টাকে বানিয়ে তুলেছিল ছাব্বিশ বছরের ছোকরা সে তো আগেই শুনেছো। সেদিন ছিল পাহাড়টার জন্মদিন, পাহাড় মেঘেকে বললে; আজ তুমি লাল.শাড়ি পরে আসবে"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একে অপরের সম্পুরক নয় বরং সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা সার্বভৌম ইনস্টিটিউশন।


আপনি থিওরি অব চেক এ্যান্ড ব্যালেন্স এর কথা বেমালুম চেপে গেলেন! এ্যাবসোলিউট সার্বভৌম বলে গণতন্ত্রে কিছু নেই, বাংলাদেশ সংবিধানে জনগনের ক্ষমতা বা ইচ্ছাকে সার্বভৌম ক্ষমতা বলে দেওয়া আছে, সংসদ জনগনের হয়ে সে ক্ষমতা বা ইচ্ছাকে রুপায়ন করার জন্য আইন করবে, নির্বাহী বিভাগ সে আইন বাস্তবায়ন করবে, বিচার বিভাগ এখানে ভুমিকা রাখবে আইনের সঠিক ব্যাবহার হচ্ছে কি না।
জনগনের হয়ে সে ক্ষমতা বা ইচ্ছাকে রুপায়ন করার কাজ বিচার বিভাগের নয় সংসদের।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিচারকদের শফথ ভংগের কারনে ১৯৭৫ সাল হতে ১৯৯০ সালের উচ্চ আদালতের সকলের বিচার হওয়া উচিত।

উনারা শফথ নিয়েছিলেন কোন রকমের ভয় ভীতি/অনুরাগ বিরাগের উপরে থেকে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবেন এবং সংবিধান রক্ষা করবেন !
৭৫ এর পর সংবিধানের উপর যে খড়গ নেমে আসল তাতে কয়জন বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন?
বিচারদের জবাবদীহিতা কার কাছে?
বলবেন বিবেকের কাছে!
এসব গাজাখুরি বিলাপ দিয়ে আর কত? বিচারকরা ফেনসিডিল সহ ধরা পড়ে!

উচ্চ আদালতের নিয়োগ, চাকুরি, টাকা কড়ি মোটামুটি নিশ্চিত, তারপরও সেখানে করাপশন কেন?

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বছরকয়েক আগে তৎকালীন মাননীয় স্পীকার (বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি) সম্পর্কে একজন বিচারকের মন্তব্য শুনে থ মেরে গেছিলাম, কেননা সেই বিচারক জানতেন উনি এরকম বললেও কেউ উনাকে কিছু করতে পারবে না। বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতেই ছিলো, জিয়ার অবৈধ শাসনকে বৈধতা দেওয়ার পুরস্কার স্বরুপ, সেই ক্ষমতা রহিত করা হয়। এই বিচারকরা সামরিক শাসনের ছায়ায় বসে, অবৈধ শাসনের বিপক্ষে কোন রায় দিয়েছেন বলে জানা নেই, তারা কি অবলীলায় হত্যা মামলা চালাতে বিব্রত বোধ করে তাদের উপর অর্পিত মহান দ্বায়িত্বকে অপমান করেছেন। রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীকে অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকতে পারলে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকতেই পারে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।

glqxz9283 sfy39587p07