Skip to content

মানুষ-মনুষ্যত্ব ও টাকা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছোট একটা গল্প দিয়ে শুরু আজকের লেখা। সচরাচর দেখবেন কেউ কোন মুরুব্বীর পায়ে হাত রেখে ছালাম করলেই তারা বলেন, মানুষের মত মানুষ হও। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে, মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহন করার পরও যদি আবার মানুষের মত মানুষ হতে হয়, তাহলে কি লাভ হলো এই মানুষ জন্ম নিয়ে। এমন প্রশ্ন যে আমার মনেও দু’একবার আসেনি তা কিন্তু নয়। কিন্তু উত্তর খুঁজতে গিয়ে যা জানলাম, তারই কিছু অংশ শেয়ার করব মাত্র।

কেন এমন আশীবার্দ করেন মুরুব্বীরা। দুটো পা আর দুটো হাত থাকলেই কি আমরা সত্যিকার অর্থে মানুষ হয়ে গিয়েছি? নাকি এই মানুষ সেই মানুষ নয়। হাত-পা ছাড়াও একধরনের মানুষ হওয়া। যেখানে থাকবে মনুষ্যত্ব,বিবেক আর মানবীয় গুনাবলী। এসব গুনের অধিকারী কি আমরা সত্যি হতে পেরেছি? নাকি শুধু মানুষ হিসেবে নিজেদের বড়াই করা।
আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষ সত্যিকার মানুষ হবার পিছনে না ছুটে সময় ব্যয় করছি কাগজের অর্থের পিছনে। তারা মনে করেন, এটা থাকলেই আমরা মানুষ হয়ে যাব । তার মানে টাকা হলো আমাদের মানুষ হবার মূল শক্তি বা বাহক।
অনেক পিতা-মাতা প্রায়ই বলেন- যা কিছু করছি সব সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য। প্রশ্নটা হলো- ভবিষ্যত নির্মান করার আপনি মালিক বুঝি ? নাকি টাকা-বাড়ি গুছিয়ে রাখার নামই বুঝি ভবিষ্যত গড়া। সত্যিকার অর্থে তেমনই কি?

যদি বলি মানুষ হওয়া মানে শুধু কতগুলো বইয়ের পাতায় চোখ বুলানো নয় বা মুখস্থ করা নয়। প্রকৃত মানুষ তো তারাই যারা নিজের মনুষ্যত্বকে অন্যপ্রানী ও মানুষের জন্য কাজে লাগায়।
আগে মানুষ হও, মানুষ তৈরি করুন। শুধুমাত্র টাকা ‍দিয়ে মানুষ তৈরি করা যায় না। যারা এমনটা ভাবেন, তাদের ভাবনাটার পর্দা একটু উন্মোচিত করুন , দেখবেন এক সুন্দর পৃথিবী আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ভাল থাকুন সবাই। ভাল রাখুন সবাইকে।
মানুষ হবার প্রত্যয় নিন।

glqxz9283 sfy39587p07