Skip to content

গোবিন্দ হালদারের দায়িত্ব নাও বাংলাদেশ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



নাম শুনে গোবিন্দ হালদারকে কেউ চিনতে পারুক আর নাই পারুক যখন তার কানের কাছে উচ্চারণ করা হবে কালজয়ী জাগরণ আর মুক্তির গান-‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’,‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা’, ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ তখন তাঁকে না চেনার কথা না। তিনি গোবিন্দ হালদার, আমাদের উদ্দীপনার প্রতীক এক অবিনাশী কণ্ঠস্বর। বেঁচে আছেন তিনি যদিও তবু দিন দিন পতিত হচ্ছেন মৃত্যুমুখে অবহেলা আর বিনা চিকিৎসায়। শারিরীকভাবে তিনি ভুগছেন কিডনি, লিভার, নিউরো, চর্ম ও চোখের সমস্যায়। বাকশক্তিও প্রায় রহিত হওয়ার পথে।

নিজ ঘর ছেড়ে পরবাসী হয়ে জীবনযাপন করছেন হাওড়া জেলার বকুলতলার নজিরগঞ্জে যেখানে গোবিন্দ হালদারের স্ত্রী পারুল হালদারের বাবার বাড়ি। গোবিন্দ হালদারের মেয়ে আর্থিকভাবে তার বাবাকে ঠকিয়েছে এবং জোর করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেবারও পায়তারা করছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ ওঠেছে শারীরিকভাবেও হেনস্থা করেছে মেয়ে এবং মেয়ের জামাই। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের এই বন্ধুকে তীব্র আর্থিক সংকটের পাশাপাশি, মানসিক অত্যাচার এবং প্রতিনিয়ত বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেবার হুমকিও চলছে সমানতালে। (তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ২৭ মার্চ ২০১৪)

গোবিন্দ হালদারের কলম যতই শক্তিশালী হোক না কেন এই বৃদ্ধ বয়সে তিনি মানসিক ও শারিরীক আক্রমণগুলো মোকাবেলা করতে অক্ষম। অসহায় এই পরিবার ইতোমধ্যে নিরাপত্তা চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটা থানায় সাধারণ ডায়েরিও লিপিবদ্ধ করেছে। কিন্তু পুলিশ সার্বক্ষণিক কোন মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না বলে তিনিও অত্যাচার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। শারিরীক অসুস্থতার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র মানসিক অত্যাচার ক্রমে গুণি এই শিল্পীকে দেখিয়ে দিচ্ছে মৃত্যুর পথ।

বাংলাদেশ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের অবদানের জন্যে মুক্তিযুদ্ধ/ মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা দিয়ে আসছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এটা ভাল উদ্যোগ নিঃসন্দেহে। গোবিন্দ হালদারকেও বাংলাদেশ সম্মানিত করেছে। রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক সম্মানিও ছিল। ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মুক্তিযোদ্ধা মৈত্রী সম্মাননা’ দিয়ে সম্মানিত করে। এর আগে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে গোবিন্দ হালদারকে ১৫ লাখ টাকাও অনুদান দেন। কিন্তু কোন আর্থিক সাহায্যই ভোগের সুযোগ তাঁর হয়ে ওঠেনি।

ইতিহাস বলে যুগে যুগে গুণি মানুষজন খুব কমই জন্মায়। সৃষ্টিশীলতা শুরুর পরের সময় থেকে তাদের মননশীল সৃষ্টিগুলো আলোকিত করে যায় যুগে-যুগে, কালে-কালে। ১৯৩০ সালে পশ্চিমঙ্গে জন্ম নেওয়া কালজয়ী এই গীতিকার আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে অবদান রেখেছেন সেটা অতুলনীয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা আর স্বাধিকারের চেতনাকে ধারণ করা এই মানুষটি সীমানাগত সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ধারণ করেছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আর বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার আকুতি। একাত্তরে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্তের বাসিন্দা গোবিন্দ হালদার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় আকাশবাণী কলকাতার কেন্দ্রে বসে একের পর এক লিখে গেছেন কালজয়ী চেতনা উদ্দীপক সব গান। সে গানগুলো একাত্তরের রণাঙ্গনে মুক্তিসেনাদের উদ্দীপ্ত করেছে পাকিস্তানি হায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে।শুধু নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধেই গান রচনা করে তিনি ক্ষান্ত হননি ১৬ ডিসেম্বর যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত হয় পুরো নয় মাসের স্থিরচিত্র বর্ণনাভিত্তিক অমর গান ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে...’। পরদেশের মানুষের জন্যে তারাই এমন আবেগ আর ভালোবাসা উৎসারিত করতে পারে যারা অন্তর থেকে ধারণ করে। গোবিন্দ হালদার ধারণ করেছিলেন বাংলাদেশকে, আত্মত্যাগ আর সংগ্রামকে।

গুণি এই মানুষটি বাংলাদেশে নেই। তিনি আছেন তাঁর জন্ম আর বেড়ে ওঠার জায়গা পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু ওখানে তিনি ভাল নেই। ভাল থাকার সুযোগও নেই। এমনকি বেঁচে থাকার সুযোগও ক্রমে সংকুচিত হয়ে আসছে। পরিবার এবং রাষ্ট্র তাঁকে সে সুযোগ দিচ্ছে না। তাঁর বর্তমান অবস্থা আমাদের জন্যে অশেষ হতাশার, একই সাথে সর্বোচ্চ সম্মান জানাবার সুযোগও। এই সুযোগকে কী বাংলাদেশ কাজে লাগাবে?

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, গুণি মানুষদের রাষ্ট্রীয় সম্মান জানাবার রেকর্ড বাংলাদেশের রয়েছে। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেননি। তিনিও পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাজী নজরুলকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে নাগরিকত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর পরিবারের ভরণপোষণের সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছিল রাষ্ট্র। ২৪ মে ১৯৭২ সালে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। রাষ্ট্রের এই উদ্যোগ শুধু কবিকেই সম্মানিত করেনি, সম্মানিত করেছে বাংলাদেশকেও।

বাংলাদেশের সামনে আবার সুযোগ এসেছে আমাদের মুক্তিসংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের বীর কলমসেনানী গীতিকার গোবিন্দ হালদারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়িত্ব নেওয়ার। গোবিন্দ হালদারকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকত্ব দিলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সম্মানিত হবে। একই সাথে ঋণ শোধের কিছুটা চেষ্টাও হবে। যদিও ঋণশোধ সম্ভব না মোটেও কারণ তাঁর সে অবদান শোধের উর্ধ্বে।

ব্যক্তি পর্যায়ে গোবিন্দ হালদারের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ খুব সীমিত। এজন্যে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। এর জন্যে দরকার ভারত সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ। প্রাথমিকভাবে সরকারি সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তিতে কূটনৈতিক সফলতাই পারে ঋণশোধের পথে এগিয়ে যেতে। বঙ্গবন্ধু সরকার কাজী নজরুলকে নিয়ে আসতে পেরেছিল, বঙ্গবন্ধু কন্যা সেখ হাসিনা সরকার কী পারবেন একই ধরণের উদ্যোগ নিতে এবং সফল হতে!

বাংলাদেশ তাঁকে মৈত্রী সম্মাননা দিয়ে সম্মানিত করেছে কিন্তু তাঁর বর্তমান অবস্থাতে শুধু রাষ্ট্রীয় সে স্বীকৃতিই যথেষ্ট নয়। দরকার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেওয়া। শুধু লৌকিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশই যথেষ্ট নয়, বাংলাদেশ গোবিন্দ হালদারের দায়িত্ব নিক। বাংলাদেশ সফল হবে কীনা সেটা পরের ব্যাপার তবে যদি কোন উদ্যোগ না নেয়া হয় তবে আমরা অকৃতজ্ঞ বলে হয়তো চিহ্নিত হয়ে যাবো। বাংলাদেশ কী অকৃতজ্ঞ কোন দেশ? উত্তর হবে- না, বাংলাদেশ অকৃতজ্ঞ দেশ না! বাংলাদেশ তাঁর সুহৃদদের সম্মান দিতে জানে।

আরেকবার প্রমাণের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। বাংলাদেশ প্রমাণ দিক; বাংলাদেশ গোবিন্দ হালদারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ সম্মানিত করুক নাগরিকত্ব প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত| অবশ্যই রাষ্ট্রের এই দায়িত্ব নেওয়া উচিৎ|


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের সবাইকে এই দাবিটা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা উচিত যার যার অবস্থান থেকে। এমনও হতে পারে বিষয়টি সম্পর্কে সরকার জানে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন গুণী মানুষ, আমাদের দুঃসময়ের বন্ধুর এই অবস্থা জেনে মনে বড় কষ্ট পেলাম। আশা করি বাংলাদেশ সরকার বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে। শিল্পীকে নিয়ে আপনার ভাবনা ও প্রস্তাব আমাদেরকে জানানোর জন্যে অনেক ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবাই যার যার অবস্থান থেকে সরকারের কাছে এই বার্তাটা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করুন, প্লিজ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনাকে বাংলাদেশের নাগরিকত প্রদান করে দেশে পূনঃবাসনের জোরালো দাবী জানাই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের সামনে সুযোগ এসেছে গোবিন্দ হালদারকে সম্মানিত করে নিজেরাও সম্মানিত হবার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনাকে বাংলাদেশে আনলে জামাত বি এন পি একটা ইস্যু খুজে পেতে পারে। তার চাইতে যেখানে আছে সেখানেই তার একটা চিকিৎসা সহ অন্যান্য সুবিধা দেয়া যেতে পারে বাংলাদেশ দুতাবাসের মাধ্যমে।

================================================================
কে আস্তিক , কে নাস্তিক - তাতে আল্লাহর কি আসে যায়? আস্তিকরা যদি এই দুনিয়ায় নাস্তিকদের কল্লা কাটতে চায় , আল্লায় আবার বিচার করবে কেমনে ? তাই আস্তিকরাই আসলে সবচাইতে বড় নাস্তিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঐসব বালের ইস্যুর পরোয়া করে কে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাই নাকি ? হেফাজতিদের ভয়ে সরকার থর থর কম্পমান , আবার তাদের হাতে ইস্যূ তুলে দিতে বলেন ?

================================================================
কে আস্তিক , কে নাস্তিক - তাতে আল্লাহর কি আসে যায়? আস্তিকরা যদি এই দুনিয়ায় নাস্তিকদের কল্লা কাটতে চায় , আল্লায় আবার বিচার করবে কেমনে ? তাই আস্তিকরাই আসলে সবচাইতে বড় নাস্তিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ কালা মিয়া,

ওনাকে বাংলাদেশে আনলে জামাত বি এন পি একটা ইস্যু খুজে পেতে পারে।

হেফাজতিদের ভয়ে সরকার থর থর কম্পমান , আবার তাদের হাতে ইস্যূ তুলে দিতে বলেন ?


তো আমরা কি আমাদের জাতীয়, মৌলিক, নাগরিক, সামাজিক কোন দাবীই করতে পারবোনা? সিলেট ভাষ্কর্য স্থাপনে মোল্লারা বাঁধা দিবে, জাতীয় সঙ্গীতে জামাতের আপত্তি, নারীকে চতুর্থ শ্রেণীর বেশি পড়াতে শাফির নিষেধ, এক কথায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সব জায়গায় সকল সমস্যার মূলে আছে মোল্লারা, তাদের ইসলাম ও ইসলামের কোরান আর হাদিস। এখন আমরা কী করতে পারি, কী করা উচিৎ আপনিই সমাধানটা বলে দিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তো আমরা কি আমাদের জাতীয়, মৌলিক, নাগরিক, সামাজিক কোন দাবীই করতে পারবোনা? সিলেট ভাষ্কর্য স্থাপনে মোল্লারা বাঁধা দিবে, জাতীয় সঙ্গীতে জামাতের আপত্তি, নারীকে চতুর্থ শ্রেণীর বেশি পড়াতে শাফির নিষেধ, এক কথায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সব জায়গায় সকল সমস্যার মূলে আছে মোল্লারা, তাদের ইসলাম ও ইসলামের কোরান আর হাদিস। এখন আমরা কী করতে পারি, কী করা উচিৎ আপনিই সমাধানটা বলে দিন।


```````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````
সত্য-মিথ্যাময় এ চিড়িয়াখানায় ভ্রমনরত এক চিড়িয়া...
{ঋতানৃতঃ সত্য-মিথ্যা ; TourZoo: চিড়িয়াখানা ভ্রমন}

জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ঋতানৃত তূর্য্য,

চিন্তার কী আছে? অবাক হওয়ার কারণ নেই। জানতে চাইলাম যে, আমাদের চলার পথে বি এন পি, জামাত, হেফাজত পদে পদে বাঁধার সৃষ্ট করলো, তাই বলে কি আমাদের পথ চলা বন্ধ করে দিয়ে নীরব নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকবো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু মোল্লাদের দিকটাই দেখলেন @ কালা ভাই? ওদিকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে এই ২১ শতকে মদিনা সনদের দোকান খুলে বসেছেন! যে মদিনা সনদ দুই বছর না যেতেই বিলিন-বিনাশ হয়ে যায়!!!!!!

গঙ্গার থেকে মিসিসিপি হয়ে ভলগার রুপ দেখেছি,
আর অটোয়া থেকে অষ্ট্রিয়া হয়ে প্যারিশের ধুলো মেখেছি...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামাত-বিএনপির ইস্যুর কথা ভাবলে বাংলাদেশই থমকে যেত। বাংলাদেশে কোন কিছুই সম্ভব হতো না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনাকে বাংলাদেশে আনলে জামাত বি এন পি একটা ইস্যু খুজে পেতে পারে। তার চাইতে যেখানে আছে সেখানেই তার একটা চিকিৎসা সহ অন্যান্য সুবিধা দেয়া যেতে পারে বাংলাদেশ দুতাবাসের মাধ্যমে।


কি বলছেন! এখনই "গিভ আপ" ??

লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ বিষয়টি গোচরীভূত করার জন্য....

```````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````
সত্য-মিথ্যাময় এ চিড়িয়াখানায় ভ্রমনরত এক চিড়িয়া...
{ঋতানৃতঃ সত্য-মিথ্যা ; TourZoo: চিড়িয়াখানা ভ্রমন}

জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের গর্ব, আমাদের প্রেরনা, আমাদের যোদ্ধা- গবিন্দ হালদারের আশুরোগমুক্তি কামনা করছি। ধন্যবাদ।

গঙ্গার থেকে মিসিসিপি হয়ে ভলগার রুপ দেখেছি,
আর অটোয়া থেকে অষ্ট্রিয়া হয়ে প্যারিশের ধুলো মেখেছি...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কবির য়াহমেদ
মহান মুক্তি যুদ্ধে গোবিন্দ হালদারের অবদান অবিস্মরণীয়৷ তার গানই তখন মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা দান করেছিল৷ তিনি ছিলেন মহান গান যোদ্ধা ৷ তবে দুঃখের বিষয় এই যে,আমাদের দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের খুব সম্মান করা হয়,তাদের নিয়ে অনেক গর্ব করা হয় ৷
কিন্তু তারা কে কি অবস্থায় আছে,এটাই তারা চোখে দেখে না ৷ আজ তারা চরম অবহেলিত ৷

"আজ করেছিল স্বাধীন এ দেশ যারা,
আজ এ দেশে চরম অবহেলিত তারা"!

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিবার এবং রাষ্ট্র তাঁকে সে সুযোগ দিচ্ছে না।


তার মানে পরিবার ও রাষ্ট্র (ভারত) অকৃতজ্ঞের পরিচয় দিয়েছে? তার মানে ভারত একটা অকৃতজ্ঞ দেশ।

২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মুক্তিযোদ্ধা মৈত্রী সম্মাননা’ দিয়ে সম্মানিত করে। এর আগে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে গোবিন্দ হালদারকে ১৫ লাখ টাকাও অনুদান দেন। কিন্তু কোন আর্থিক সাহায্যই ভোগের সুযোগ তাঁর হয়ে ওঠেনি।



এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ ও দেশের সরকার যথেষ্ট কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন। তার মানে বাংলাদেশ অকৃতজ্ঞ নয়।

বাংলাদেশ কী অকৃতজ্ঞ কোন দেশ? বাংলাদেশ গোবিন্দ হালদারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ সম্মানিত করুক নাগরিকত্ব প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে!


যে দেশে তাঁর জন্ম সে দেশ অকৃতজ্ঞের ব্যবহার করলে, বাংলাদেশের কিছুই করার নাই। ১৫ লাখ টাকা অনেক কিছু। যা তাকে দেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে বেশি আশা করা লোভের আওতায় পড়ে। তাই আপনাকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে- এই আবেদন গুলি ভারত সরকার ও তার পরিবারকে করুন ও তাদেরকে যা খুশি গালাগাল করুন। বাংলাদেশকে আর অনুরোধ না করতে নির্দেশ প্রদান করলাম।

সত্য সহায়। গুরুজী।।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুণীজনের কদর আসলেই নেই!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় তাঁর অসুস্থতার খবর শুনে কিছু আর্থিক সাহায্য করেছিল। এ ছাড়া মরমি কবি সাবির আহমেদ চৌধুরী গোবিন্দ হালদার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট গঠন করে কিছু চাঁদা তুলেও তাঁকে পাঠিয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে স্কলারস বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনাবাসী বাংলাদেশিরা তাকে কিছু সাহায্য করার জন্য পাশে দাড়িয়েছিল।

যাই হোক, এই মানুষটির পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর সময় আমাদের হাতে খুব কম। অনতি বিলম্বে উনার সুচিকিৎসার ব্যাবস্থা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আল্লাহও যেন তার সহায় হোন।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাতে সহমত জানাইয়া গেলাম।

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গোবিন্দ হালদারের জন্য কিছু করতে না পারলে জাতি বিবেক যন্ত্রনায় ভোগবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এরকম একটি খবর আমাদের জানানোর জন্য ব্লগারকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না। ভাই, আমার সাংগঠনিক গ্রুপ আর পেইজগুলোতে খবরটা পোস্ট করলাম। আশা করি কিছু মনে করবেন না। খবরটা ছড়ানো দরকার। পোস্ট এ আপনার ব্লগের লিংক অবশ্যই থাকবে

মসনদ বিন তৈফুর ভূঁইয়া নিলয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে সব " গালিদিলে উনাকে অসম্মান হবে " রা নিজের বাপ মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায় তাদের মুখে আমি মুতি। এদেরকে সামাজিক ভাবে হোগায় লাথি মাইরা সমাজ থেইকা বাইর কইরা দেয়া উচিত।যারা পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে পারেনা তারা সমাজের কীট.

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব ঠিক আছে। বাংলাদেশের সেটা সাধ্যমত করা উচিত। কিন্তু অবাক হচ্ছি তার পরিবার আর ভারত সরকারের আচার-আচরন দেখে। আরে ভাই সে না হয় বাংলাদেশের জন্য দু-চারটে গানই লিখেছে, এর বেশি অপরাধ ত সে করেনি। তবে তার প্রতি কেন এত অবিচার, অত্যাচার?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শ্রদ্ধ্যেয় গীতিকার গোবিন্দ হালদার-এর নামের সাথে আমি ছোটবেলা থেকেই পরিচিত ছিলাম। তবে উনার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না।

লেখাটি পড়ে জানা কিছু তথ্যের সাথে, অনেক অজানা তথ্যও জানতে পারলাম।

একজন সন্তান কিভাবে এতটা জঘন্য হতে পারে????????? !!!

সত্যিই মাথায় আসছে না।

বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এই লেখাটি উপস্থাপনের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।

Preeti Raha


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই দায়িত্ব বাংলাদেশের, এই দায়িত্ব আমার , এ দায়িত্ব আমাদের সবার। এই দায়িত্ব বাংলাদেশ কে নিতেই হবে ।

অন্তহীন

glqxz9283 sfy39587p07