Skip to content

মানী লোক ও তাদের অনুগামীদের জন্য প্রস্তাবিত একটি "মানী সরকার ২০**

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

“মানী লোকের মান রাখতে হবে” অনেক দিন থেকে এমন একটা উপদেশের মুখোমুখি হচ্ছি পেপার-পত্রিকা খুললেই। কেউ কর্কশকন্ঠে উপদেশ দেন, কেউ মিন মিন করে উপদেশ দেন। আবার অনেকে আছেন যারা ছাগু ও হিযবুতীদের মতন মধুরকন্ঠে ব্রাদার বলে “মানী লোকের মান রাখতেই হবে” এমন উপদেশবাণীর যৌক্তিকতাও ব্যাখ্যা করেন।

উপদেশাক্রান্ত হয়ে গেলাম গত কয়েকমাসে, আর ভালোলাগেনা এইসব বালছাল প্যানপ্যানানি। এইতো কয়েকদিন আগেই আরেক মহামান্য এসে বললেন— মানী লোকের মান না রাখিলে নাকি ঠাডা পড়বো আমাদের মাথায়, ঠা ঠা ঠা…ডা ডা ডা… ঠাস। কী ভয়ংকর কথা বাবা, মারা যাবো তো অকালেই! অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সকল মানী লোকের উপরই বোধয় ইদানীং গায়েবী শক্তি ভর করেছে, এরা শুধুই ঠাডার ভয় দেখায়, নাইলে ১/১১ এর ভয় দেখায়!

১/১১ পরে, আগে ঠাডা— কারণ, জান বাঁচানো ফরজ কাজ। যে করেই হোক অধমের এখন ঠাডা থেকে রক্ষা পাওয়া দরকার, কিন্তু কেমনে কি করি? উপায়ন্তর না দেখে অবশেষে তেলের বতল হাতে ব্লগে নেমে পড়লাম— আসলেই, বাঁচতে হলে নামতে হবে, ঠাডা আটকাতে হবে! অনেক মানী লোকই যেহেতু একটি “বিশেষ ভবনে অফিস করবার খায়েশে” ভবনটির আশ-পাশ দিয়ে সময়-সুযোগ পেলেই ঘোরাফেরা করেন, টক-শোতে বালিশ পেটাপিটি করেন, তাই ভাবলাম “মানী লোকদের” সরাসরি ঐ ভবনেই ঢুকিয়ে দিলে কেমন হয়! তাতে করে মানী লোকেদের মানও রক্ষা হলো, আম-জনতাদের ঠাডাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও তিরোহিত হলো! যাহোক, সরকারের সদস্য হিসেবে কয়েকজন মানী লোককে আপাতত বিবেচনা করলাম— যদিও কিছুটা জনবল সংকট আছে, তবে যেভাবে মানী লোকের সংখ্যা বাড়তেছে ইদানীং, তাতে আগামীতে আর সমস্যা হবার কথা নয়।

রাজনৈতিক সরকারগুলো নির্বাচিত হওয়ার পরেই সংবাদ সম্মেলনে প্রথম ১০০ দিনের প্ল্যান-প্রোগ্রাম ঘটা করে প্রচার করেন, তাই “মানী সরকার” গঠনের শুরুতেই প্রথম ১০০ দিনের সম্ভাব্য বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের একটা তালিকা করে নিলাম এবং সরকারের সদস্য নির্বাচিত করেই তড়িত সবার হাতে এক কপি “প্রথম ১০০ দিনের আলো” তুলে দেওয়া হবে—

"মানী সরকারের" প্রথম ১০০ দিনের আলো:



ক। বাজেট ঘাটতি পূরণের জন্য “মানী” সম্বলিত (ই-কার বা দীর্ঘ-ই কার শিথিল যোগ্য) যে কোন শব্দের উপর ১০% কর আরোপ করা হবে। যেমন— মানিগ্রাম, মানিঅর্ডার, মানিব্যাগ ইত্যাদি।

খ। মানী সরকার সংশ্লিষ্টদের ছেলে-মেয়ে-বউ-শালি-শালা ইত্যাদি সবার নামের আগেই “মানী” ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে, তাদের বাড়ির সাইনবোর্ডে "মানী লোকের বাড়ি" লিখে লটকাইয়া দেওয়া হবে। দেশের আম-জনতা যাতে ভালোভাবে সকল মানী লোককে চিনতে পারে সর্বোপরি সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গ। অধ্যাদেশ জারীঃ যে কোন ধরণের লাইন— বাস-লঞ্চ, ডাক্তারের চেম্বার থেকে শুরু করে প্রকৃতির ডাকের লাইনে “মানী লোক” ও তাদের সার্টিফাইড ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-এম,এ-বি,এ অনুগামীরা আগে সুযোগ পাবে। মানে হচ্ছে, আমার-আপনার মুত্রবস্তা যদি ফাটিয়া যাবারও উপক্রম হয়, তবুও হিসু করার লাইনে মানী লোকেরা ও তাদের অনুগামীরা আগে হিসু করার সুযোগ পাবেন।

ঘ। প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই “ভাষাগত সুশীলতা দিবস”“মানী লোকের মান রাখা দিবস” ঘোষণা করা হবে। এতে করে সমগ্র দেশে “মানী লোকদের মান” রাখবার ইস্যুতে একটি জাগরণ তৈরী করা সম্ভব হবে এবং সেই সাথে “অশ্লীল” ভাষাবিরোধী আন্দোলন জোরদার হবে।

ঙ। প্রত্যেক স্কুল, কলেজ, বিশ্ব্যবিদ্যালয়ে “খাই আমরা 'দই শক্তি', মানী লোকদের করি ভক্তি” এই নামে ব্যানার টানানো হবে।

চ। একই স্লোগান লিখে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশানের উদ্যোগে ঢাকার দেয়ালে দেয়ালে চিকা মারা হবে। উল্ল্যেখ্য যে, ব্যানার ও চিকা মারার অর্থায়ন করতে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ও বিশ্বব্যাঙ্ক ইতমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া, ব্যানার টানানো আর চিকা মারার কাজ নিজ হাতে সম্পন্ন করার জন্য হিলারী আপা ওরফে ধলা আপা তার সফরের সময়ই নাকি তরুণ প্রজন্মের প্রায় ২০০ জনকে পছন্দ করে রেখে গেছেন!




সম্ভাব্য সদস্যদের নিয়ে রিপোর্টঃ

সরকারের মন্ত্রীসভায় সদস্য নিয়োগের আগে রাজনৈতিক সরকার নাকি গোয়েন্দা রিপোর্ট তৈরী করে, সেরকমই একটি রিপোর্টের মাধ্যমে সম্ভাব্য সকলের “আমল-নামা” তৈরী করার একটা অপচেষ্টাও করলাম। তবে যেহেতু আমি আম-জনতা শ্রেণীর মানুষ, তাই গোয়েন্দা লাগানোর মাল-পাত্তির অভাবে নিজেই “একের-ভিতরে-সব” খ্যাত ডঃ মাহফুজুর রহমানকে অনুসরণ করে “আমল-নামা” তৈরীর কাজে হাত দিলাম … (মন্তব্য সেকশানে আপনারাও গোয়েন্দা হয়ে আমল-নামা তৈরীতে সহায়তা করেন)।

১। সরকার প্রধানঃ সরকার প্রধান হবেন Noble ইউনুস সাহেব (স্যরি, বানান ভুল করছি। আসলে হবে, Nobel; Nobel Prize পাইলেই যে Noble মানুষ হওয়া যায়না এই কথাটা বার বার ভুলে যাই!)

ক। উনি শান্তিতে নোবেল পেয়ে আমাদের সকলের উচ্চতা ১০ ফুট লম্বা করে দিছেন, কিন্তু খবর পাওয়া গেছে যে এরপরও অনেক পোলা-মাইয়া “ভার্টিক্যালী একটুক চ্যালেঞ্জড” অবস্থায় দিনপাত করতেছে এবং হতাশা লুকাতে তাদের অনেকেই এখনও OSLA (One-Sided Lovers Association) ও “ধইঞ্চা” গ্রুপের সদস্য হয়েছেন। খর্বকায় হওয়ার কারণে হতাশাগ্রস্থদের বিবাহের কোন সম্ভাবনা আদৌ আছে বলে মনে হয় না। তবে আশার কথা এই যে, এসব বাইট্যাদের ইদানীং ক্ষুদ্রঋণের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে এদের কেউ কেউ ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহার করে ইঁদুর মারা বিষ কিনবার পরিকল্পনা নিয়ে আল-বিদায় জেনারেল স্টোরের আশপাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি শুরু করছে।

খ। ইউনুস সাহেব নাকি শুধু গ্রামীন ব্যাংকের শান্তি দিয়ে দিনরাত টেনশিত থাকেন (দুষ্টজনেররা বলে, গ্রামীণ প্রধানের চেয়ারে বসলে যে শান্তি পান, তিনি আসলে সেই “শান্তি” নিয়েই টেনশিত থাকেন), তাই শান্তি অনিষ্টকারী অন্যান্য ঘটনাতে উনি মনোযোগ দেওয়ার সময় পান না— যেমন, সাতক্ষীরা ও হাটহাজারীর সাম্প্রদায়িক অত্যাচারের ঘটনার সময় উনাকে নিশ্চিন্তে ঘুমাইতে দেখা গেছে।

গ। তথ্য পাওয়া গেছে যে— যদিও নাকি গ্রামীণের মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ গরীব লোকের “সঞ্চয়” জমা রাখেন, তবে উনি নিজের “শান্তির” নিশ্চয়তা ফিরিয়ে আনতে দূর আমেরিকার সাদা-দালানের-ধলা-আপার কাছে প্রায়শই তার আহত অভিমান “সঞ্চয়” করে রাখেন! গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আরও জানা যায় যে, “সঞ্চয়”কৃত অভিমান নাকি সকলের চোখে ধুলো দিয়ে ইরানের ইউরেনিয়াম সঞ্চয়ের মতন করে প্রতিদিনই একটু একটু করে বেড়ে উঠছে!

ঘ। শান্তিতে নোবেল পাওয়া মানুষ; উনি মারাত্মক শান্তিকামী। তবে উনাকে সাতক্ষীরা ও হাটহাজারীর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা গেলোনা; দেখা যায়নি মিতা রাণীর তিন বছরের বাচ্চাকেও আগুনে পুড়িয়ে মারতে যেসব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রাজনৈতিক মদদে চলতে থাকে, সেসব সাম্প্রদায়িক পশুদের বিরুদ্ধে জাতীয় পর্যায়ে কখনও কথা বলতে। কখনও উনাকে দেখা যায়নি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা আক্রান্ত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের কথা শুনতে। তবে তিনি কিন্তু বিশাল মানী লোক— কারণ, উনার নাকি দুনিয়ার যে কোন রাষ্ট্র প্রধানের কাছে যখন তখন টেলিফোন করে আহত অভিমান জমা রাখবার ক্ষমতা আছে!

এই অমানবিক ঘটনায়, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে মিতা রানীর তিন বছরের শিশুপুত্রকেও সেই আগুনে ফেলে দিতে উদ্যত হলে এক পড়শি নারী মিতা রানীর ছেলেকে নিজের ছেলে পরিচয় দিয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হন।


ঙ। ১/১১ এর সময় আমার মতন আম-জনতার সকল রাজনৈতিক অধিকার যখন রহিত করা হয়েছিল, তখন উনাকে দেখা গেছে পাড়ায় পাড়ায় “ব্যক্তিপূজার পুরোনো রাজনৈতিক বৃত্ত ভাঙতে” ব্যক্তিপূজাবিহীন রাজনৈতিক দল গঠনের নামে “ইউনুস সমর্থকগোষ্ঠি” তৈরী করতে। “ইউনুস সমর্থকগোষ্ঠি” ব্যক্তিপূজারই গ্রামীণ ভার্সন কিনা?” দুষ্টলোকেরা জানতে চাইলে জনাব ইউনুসের অনুগামীরা বলেন--
“নোবেল জয়ী “ইউনুস” এখন আর কোন নাম নয়, এটা একটি প্রতিষ্ঠান। আর যেহেতু এটা একটি প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে ব্যক্তিপূজা দেখানোর চেষ্টা থাকলেও সুযোগ নেই, তবে একে আপনারা যদি প্রতিষ্ঠানপূজা বলে আখ্যায়িত করেন তবে আমরা আপত্তি করবোনা”


চ। ১/১১ এর সময় দেখা গেছে রাজনীতির বাতিল ও পতিত মাল কিসিমের রাজনীতিকদের নিয়ে ফেরদৌস কোরেশীদের দল গঠন করতে এবং সেই প্রক্রিয়ায় তার আশে পাশে অনেক পুরোনো বাটপারদেরকেও রাজনৈতিক অধিকার চর্চা করতে। (অথচ, আমি-শালা-জনগণ যে নাকি এই দেশের সকল ক্ষমতার উতস, আমার সকল কিসিমের অধিকার নাকি রহিত করা আছে, বাটপারের পোলারা সব করবে কিন্তু আমারে কিছুই করতে দেওয়া হইবেনা— ইডা, কেমুন জরুরী অবস্থা! এমনকি বিয়া করতে গেলেও নাকি আগে লোকসমাগমের জন্য অনুমতি নিতে হবে!) শান্তি কামী মানুষ উনি, তবে এই আমি-শালা-জনগণের রাজনৈতিক অধিকারটুকু ফিরিয়ে দেওয়াতে উনি একবারও কথা বলেন নাই, উনি বলেননাই যে ফেরদৌস কোরেশীদের মতন বালছাল নেতারা যদি রাজনৈতিক অধিকার চর্চা করতে পারে, তবে “আমি-শালা-জনগণ” চর্চা করলে দোষ কুতায়!


২। শিক্ষামন্ত্রীঃ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ

ক। উনার লক্ষ্য হচ্ছে প্রথমেই দেশের সকলকে এস,এস,সি পাশ করানো। কারণ, এস,এস,সি পাশ না করলে নাকি অন্যের জীবনের মূল্য সম্মন্ধে ধারণা লাভ করা যায় না। বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষই চাষা ও শ্রমিক শ্রেণীর, এদের পুঁথিগত বিদ্যাও তেমন উল্ল্যেখযোগ্য নয়। যেহেতু তাদের অধিকাংশই এস,এস,সি পাশ করে নাই, তাই তাদের কেউই অন্যের জীবনের মূল্য সম্মন্ধে সম্যক ধারণা রাখেনা, নিজের জীবনের মূল্যও জানেনা। আগে এস,এস,সি পাশ করতে হবে, তা না তার কাছে অন্যের জীবনের মূল্য শূন্য।

খ। তবে উনার বাসার কাজের বুয়া এস,এস,এসি পাশ করছেন কি না তা এখনও জানা যায়নি? যদি না করে থাকে, তবে সরকার গঠনের পরই এস,এস,সি পাশ মানুষ ছাড়া উনার বাসায় কোন প্রকার কর্মচারীকে থাকতে দেওয়া হবেনা। কারণ, এরকম একজন মানী লোকের জীবনের গুরুত্ব না বোঝা মানুষেরা উনার আশেপাশে থাকলে শুধু ঠাডা না, রাষ্ট্রের উপর আসমান শুদ্ধা ভাঙিয়া পড়তে পারে!

গ। উনার মন্তব্যটি ছিল (দেখুন এখানে)

এখন প্রশ্ন, ন্যূনতম কতটুকু শিক্ষা থাকলে একজন মানুষ নিজের জীবনের মূল্য বুঝতে শুরু করে? আমার ধারণা, ন্যূনতম এসএসসি পাস করলে। এর চেয়ে কম শিক্ষাও শিক্ষা; কিন্তু এসএসসি শুধু শিক্ষা নয়, এটা একটা সনদ। এই সনদ একজন সাধারণ মানুষের সামনে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্বপ্ন এনে দাঁড় করায়, জীবন সম্বন্ধে তাকে আশাবাদী করে। ফলে নিজের জীবনের মতো অন্যদের জীবনের মূল্যও তখন তার কাছে ধরা পড়ে।


(জীবনের মূল্য বুঝানো প্রজেক্টে অর্থায়ন করা হবে “যা কিছু ভালো, তার সাথে প্রথম আলো” কর্তৃক গঠিত তহবিল থেকে)

৩। আইনমন্ত্রীঃ জনাব আসিফ নজরুল

ক। যদিও বাঙালি মধ্যবিত্তের ভাষাগত সুশীলতা নামক ফেটিশকে সন্তুষ্ট করতে দুনিয়ার তাবত আইনের জ্ঞান সম্পন্ন মৌদুধ আহমেদের বিকল্প নাই, তবে হালের “বদলে যাউ, বদলে দাউ” ক্যাম্পেইনের কুশলী পিলিয়ার হিসেবে জনাব আসিফ নজরুল এই মুহূর্তে অদ্বিতীয়।

খ। যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রক্রিয়াকে উনি “স্বচ্ছতার” সাথে এগিয়ে নিবেন বলেই জানা যায়, কারণ বিভিন্ন টকশো থেকে জানা যায় যে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উনার বিয়াফক “স্বচ্ছ” ধারণা আছে। যেমন, আইনের অধ্যাপক হয়েও আদালতে বিচারাধীন ইস্যুতে উনি জাজমেন্টাল মন্তব্য করেন—
“দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেই”।

উনি আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয় যে উনি আইনের সমূদ্রে কত বড় একজন ডুবুরী…
লিঙ্ক এখানে

গ। উনি একজন চলমান দুদক ও দুর্নীতি বিশারদও, উনি বলেন—
“বুজলেন জিল্লুর, নিজামী সাহেব যে দুর্নীতি করছেন সেই পার্সেপশান নাই, শুধু গ্রেফতার করার জন্য গ্রেফতার করলেই তো আর হয়না হেন তেন প্যান প্যান বালছাল”।

লিঙ্ক এখানেঃ

ঘ। তবে, দুষ্টলোকেরা বলেন যে উনি একজন ন্যাঞ্জাধারী ছাগু, জামাতীদের তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবি হিসেবেও নাকি উনার নাম জামাতী কাগজপত্র,দলিল-দস্তাবেজে পাওয়া যায়।

ঙ। ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কাজ ঝুলিয়ে দেবার অভিযোগেও উনি অভিযুক্ত।

চ। এছাড়া, উনি সামরিক বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান রাখেন। উনি একজন ক্যু বিশেষজ্ঞ—
“বুজলেন মান্না ভাই, ক্যু নাকি হয়ে গেলো তবে একটা গুলির শব্দও শুনলাম না”…

উনার ক্যু সংক্রান্ত জ্ঞান সরকারের জন্য বোনাস! এরকম একজন বহুমুখী প্রতিভা “মানী সরকারে” না থাকিলে “মানী সরকারের” মান নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে।


৫। অর্থমন্ত্রীঃ ডঃ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য

ক। ১/১১ এর সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেও, আপাতত উনি পদবঞ্চিত। এবং যেহেতু পদবঞ্চিত তাই কাজ-কামের অভাবে উনি এই বছরে “তিন বার” বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মূল্যায়ন করেছেন সি,পি,ডিতে বসে, যদিও সি,পি,ডি নাকি সাধারণত বছরে দুইবার করে অর্থনীতি মূল্যায়ন করে। দুইবারের বদলে তিনবার করার কারণ হচ্ছে যে, উনার মতে বাংলাদেশের অর্থনীতি নাকি ব্যাপকভাবে “ঝুইলা” গেছে! আর যেহেতু তিনি দেশকে প্রচন্ড ভালবাসেন, তাই উনি নাকি ভালবাসার জিনিসটার “ঝুইলা” পড়া অর্থনীতি নিয়ে খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছেন!

খ। তবে দেশের দুষ্টলোকেরা বলে যে, দ্রুত উনাকে যেন আরেকটা “মানী” কাজ দেওয়া হয়, নাইলে আরেকটা মূল্যায়ন করে উনি “ঝুলানো” অর্থনীতিরে আরও বেশী “ঝুলায়ে” দেওয়ার চতুর্থ এবং পঞ্চম চেষ্টাটিও করে ফেলতে পারেন। অত্যন্ত মনোযোগের সাথে “ঝুলে” যাওয়া অর্থনীতিরে টান টান করতে গিয়ে বিভিন্ন গোলটেবিলে ঝুলা-ঝুলির মাঝে যে উনার নিজের ন্যাঞ্জাটাও পেছন দিয়ে ঝুলে গেছে, সেটা তিনি বুঝতে পারেন নি! তবে ন্যাঞ্জা ঝুললেও সমস্যা নাই, উনি একজন জাতিসংঘ চষে আসা উচ্চপর্যায়ের “মানী” লোক।

৬। বাণিজ্য মন্ত্রীঃ ব্যাবসায়ী লতিফুর রহমান।

ক। Nobel জয়ী ইউনুস সাহেবের দ্বারা তৈরী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পাওয়া পুরষ্কারের পর মানী সমাজের মূল্যায়ন যে, উনি নাকি ব্যাবসায়ীদের নোবেল পুরষ্কার করায়ত্ব করেছেন।

দেশের সকল মানুষ আগে ছিল ১০ ফুট উঁচা, এখন থেকে তাদের উচ্চতা আরও ৬ ইঞ্চি বাড়ায়া দেওয়া হইলো! (উনার নিজের পত্রিকা খুললেই খালি সংবর্ধনা— শালার এত পুরষ্কার রাখি কই! পুরষ্কার পাওয়ার গর্বে দেশের মানুষ লম্বায় আরও উঁচা হইলে তো কপালগুণে বিয়ে হইলেও বিয়ে পরবর্তী সময়ে কিছু বামনের শান্তি নাই, বিয়ের পরে নিরোধক ব্যাবস্থার আগে সেই সব বামন বউ-সোয়ামীদের মইয়ের এস্তেমালেই বেশী তটস্থ থাকিতে হইবেক!) তবে, বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে উনি সবচেয়ে “মানী” ক্যান্ডিডেট।

৭। তথ্যমন্ত্রীঃ প্রথম আলোর সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান

ক। “যা কিছু ভালো, তার সাথে প্রথম আলো”… “বদলে দাউ, বদলে যাউ”… “উঁট পাখি ও বালুর ঢিবি”… এরকম জনপ্রিয় সব স্লোগানের পিতা জনাব মতিউর রহমান। তাই উনি গাজী প্লাস্টিক ট্যাঙ্কের মতই উনার “এরিয়া অফ ইন্টারেস্ট”-এ অপ্রতিদ্বন্দী।

খ। এক কাল্পনিক ইন্টারভ্যুতে উনাকে জিজ্ঞস করা হয়েছিল যে, “মতি স্যার, আপনি এতসব জনপ্রিয় ধ্যান-ধারণা দিনের পর দিন কিভাবে প্রসব করে চলেছেন?” উত্তরে মতিউর রহমান সাহেব নাকি বলেছিলেন--

কার্টুনিস্ট আরিফকে কুরবানী দিয়ে যেদিন আমি খতিব উবায়দুল হক স্যারের নরম ও তুলতুলে আতর-মাখা পবিত্র হাতের মধ্যে হাত সান্ধায়া পাপমোচন করেছিলাম, ঐদিন সুবহে সাদিকের পর থেকেই গায়েবী শক্তি আমার উপর ভর করে, আমার মধ্যে এক সৃষ্টিশীল অনুভূতির জন্ম নেয়— সে এক অসাধারণ অনুভূতি, আর সেই থেকে আমার সব “বদলে দেওয়ার” দিন শুরু...


৮। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীঃ জনাব জাকারিয়া স্বপন

ক। প্রাপ্ত খবর বিশ্লেষণে জানা গেছে যে, উনি একজন “প্রকৃত বিজ্ঞানী” বিশেষজ্ঞ— বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ৪ ব্যাটারীর টর্চ লাগিয়ে উনি খুঁজে পেয়েছেন যে “ বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থে কোন বিজ্ঞানী নেই” এবং প্রমাণ স্বরুপ তার এই গবেষণালব্ধ ফলাফল উনি “পিয়ার-রিভিউড ই-জার্নাল “প্রিয়-ডট-কম”-এ ঝুলিয়েও রেখেছেন। তবে গবেষণায় উনি সরাসরি খোলাশা করে জানান নাই যে কেমন করে একজন “প্রকৃত বিজ্ঞানী” হওয়া যায়…

তবে, আরেকটি ধারনা এখনও রয়ে গিয়েছে। আমরা সবাই মনে মনে একজন বিজ্ঞানী হতে চাই। কিন্তু বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থে কোনও বিজ্ঞানী নেই। আর প্রযুক্তিখাতে বিজ্ঞানী হওয়া আরো বেশি কঠিন। কারণ, বিজ্ঞানী হতে, গবেষণা করতে যে পরিমান রিসোর্স প্রয়োজন আমাদের দেশ সেটা দিতে পারে না।


খ। “প্রকৃত বিজ্ঞানী” খুঁজে বের করার প্রাথমিক গেণ পাওয়া কিভাবে পাওয়া যায় তা নিয়ে আমেরিকার সিলিকন-ভেলীতে যেতে ব্যর্থ এমনসব দুষ্টজনেরা ঢাকার অদূরে জিঞ্জিরা-ভ্যালীতে বসে বিস্তর “ঘবেষণা” করে চলেছেন। জিঞ্জিরা-ভ্যালীর ঘবেষণার প্রাপ্ত ফলাফল থেকে আপাতত জানা গেছে যে—
সিলিকন-ভেলীতে কম্পিউটার হাতে প্রতিদিন “নতুন নতুন উপায়ে” “নতুন নতুন সমস্যার” কেশোতপাটন করবার পাশাপাশি যারা “কিভাবে, কোন প্রযুক্তিতে সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভি,ও,আই,পি ব্যবসার প্রসার ঘটানো যায়” এমনসব ব্যবহারিক জ্ঞান লাভ করেন এবং দেশে ফিরে অবৈধ ভি,ও,আই,পি টেলিকম কোম্পানীতে চালু করে গ্রেফতার এড়াতে পেছন দরজা দিয়ে পলায়ন করার মতন ঘাগুগিরি দেখাতে পারেন, একমাত্র তারাই নাকি “প্রকৃত বিজ্ঞানী” খুঁজে বের করবার গুপ্তজ্ঞানটির সন্ধান লাভ করেন করেন পরবর্তী জীবনে! আফসুস, এই কম্য সবাইরে দিয়ে সম্ভব নয়। উনি একজন “একমাত্র মাল”।


গ। আরও জানা যায় যে, মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ার পরই “প্রকৃত বিজ্ঞানী” তৈরীর জন্য পাইলট প্রজেক্ট হাতে নিবেন তিনি— এই প্রজেক্টের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, ICDDRB ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে গবেষণারত “অপ্রকৃত বিজ্ঞানী” যারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যগত ইস্যুতে উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন দীর্ঘদিন ধরে, তাদের প্রত্যেককে সিলিকন-ভ্যালীতে ১ সপ্তাহ “নতুন নতুন সমস্যার” উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং পরিশেষে, প্রত্যেককে “পিয়ার-রিভিউড ই-জার্নাল” প্রিয়-ডট-কম এ পেপার পাবলিশ করবার সুযোগ দেওয়া হবে। আশাকরা যাচ্ছে, এই পাইলট প্রজেক্ট সফলভেব সম্পন্ন হলে এর আওতাভুক্ত সকল “অপ্রকৃত বিজ্ঞানী” প্রকৃত অর্থে বিজ্ঞানী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করবেন! তাই দেশে “প্রকৃত বিজ্ঞানী” বাড়াতে বিজ্ঞানমন্ত্রী হিসেবে এই মুহূর্তে উনার কোন বিকল্প নাই।

৯। পর্যটন মন্ত্রীঃ লেখক জনাব আনিসুল হক

ক। বিদেশী সকল পর্যটকই আমাদের অতিথি, আর অতিথিরা “নারায়ণতূল্য” এই সত্য জনাব আনিসুল হলের চেয়ে ভালো কেউই বুঝতে পারেন না। দেশের পর্যটনখাতে সমৃদ্ধির জন্য এই সত্য ছড়িয়ে দেওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আর উনি সত্য বুঝতে পারেন বলেই, স্টেডিয়ামে “পাকিস্থানী অতিথিদের সাথে আমাদের কি রকম আচরণ করা উচিত” এই টপিকে পুরা দেশের মানুষের টিউটরিয়াল ক্লাসও নিয়ে ফেলেছেন ইতমধ্যেই; বাজারে গুজব আছে যে, ১৫ কোটি ছাত্রকে একলা পড়িয়ে ইতিমধ্যেই উনি নাকি “শিক্ষক” হিসেবে গিনেজ বুকে নাম ঢুকিয়ে ফেলছেন। এছাড়া উনার ব্যাবসায়িক জ্ঞানও যথেষ্ঠ ভালো।

খ। দেশের মানুষকে আরও অতিথিপরায়ণ করতে, তথা বিদেশী পর্যটকদের প্রতি আমাদেরকে আরও বন্ধুভাবাপন্ন করে গড়ে তুলতে, পর্যটন মন্ত্রী হিসেবে জনাব আনিসুল হক এই মুহূর্তে এক এবং অদ্বিতীয়। “ইউনুস অপমান” ও “রোহিঙ্গাদের স্থান না দেওয়ার কারণে” জাতি হিসেবে আমাদের ন্যাতায়া পড়া মান সম্মানকে “তাগড়া-জোয়ান-ও-পুণরায়-খাড়া” করিয়া তুলবার ক্ষেত্রে সরকারে উনার উপস্থিতি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা যাচ্ছে!


১০। পরিবেশ মন্ত্রীঃ আবদুল মান্নান: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

ক। বাংলাদেশে কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি যতটা না প্রযুক্তি নির্ভর তার চেয়ে বেশী প্রকৃতি নির্ভর— যেমন, সেচের জন্য প্রকৃতির উপর নির্ভরতা অনেক বেশী। কিন্তু কখন বৃষ্টি নামবে এই পূর্বাভাসে আমাদের আবহাওয়া অধিদপ্তর অতীতে “দেশের কোথাও কোথাও হালকা ও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে” ধরণের কথাবার্তার মধ্যেই ঘোরাফেরা করত। তবে দিনবদলানোর গান শোনা যাচ্ছে অবশেষে। পুরোনোকে বদলে দিতে এবার এসেছে প্রথম আলো স্যাটেলাইট “বদলে দাউ” থেকে পূর্বাভাস— “মানী লোকদের অসম্মান বজ্রপাততূল্য”

খ। যেহেতু বজ্রপাত কখন হবে তা জানা সম্ভব, তাই এ জ্ঞান বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। লাভবান হবে আমাদের কৃষি এবং সেই সাথে ভিনদেশীদের স্যাটেলাইট ভাড়া করবার জন্য খরচকৃত বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মূদ্রাও সাশ্রয় সম্ভব হবে। এত বড় আবিষ্কারের জন্য “কান টানলে মাথা আসে” তত্ত্ব মোতাবেক পরিবেশ মন্ত্রাণলয়ের জন্য মানী সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে জনাব আব্দুল মান্নান-ই হচ্ছেন আমাদের প্রথম পছন্দ!


সরকার প্রধানের উপদেষ্টা পরিষদঃ

একাধিক পদ খালি আছে, একমাত্র ১০০% হালাল “মানী” লোক বা “আমরা যারা সুশীল আছি” সমাজের সনদপত্র প্রাপ্তরাই শুধু আবেদন করতে পারেন।

সনদ প্রাপ্তদের যারা সনদ জমা দিতে চান তাদের সনদে অবশ্যই “আমরা যারা সুশীল আছি কর্তৃক প্রদানকৃত মানী লোকের জন্য সনদ” কথাটি লেখা থাকতে হবে; তবে নোটারী ভার্সনও গ্রহণো যোগ্য, কিন্তু তা হতে হবে বিশ্বব্যাঙ্ক আর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস কর্তৃক নোটারীকৃত। তবে যাদের সনদে “হিলারী আপার হাসি” যুক্ত থাকবে, তাদেরকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে; গোপন তথ্যে জানা যায় যে, আওয়ামীলীগ ও বি,এন,পির কিছু নেতা এই আশায় আমেরিকান দূতাবাসের আশপাশ দিয়ে নাকি ইতিমধ্যেই ঘোরাঘুরি শুরু করে দিয়েছেন!

যাহোক, শূন্যপদের নিয়োগের জন্য ১০০% হালাল মানীদেরকে সিভি ও তেলের বতল নিয়ে “মানসম্মত” ভাবে একটা “সুশীল” দৌড় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে; আর দৌড়ের সময় ন্যাঞ্জা বের হয়ে গেলেও সমস্যা নাই, কারণ নতুন করে আর আপনাদের ন্যাঞ্জা লুকানোর কিছু নাই!

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যাপক পোষ্ট

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি করব ভাই বলেন--- ঠাডা থেকে বাঁচতে অধমদের কত কিছু করা লাগে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রচারণা মন্ত্রী হিসেবে স্যার হুমায়ূন আহমেদ বাদ পড়েছেন।প্রাতঃস্মরনীয় প্রোপাগান্ডা নবী গোয়েবলসের " মিথ্যা দশবার কইলে সত্যি হইয়া যায় " থিওরির সবচেয়ে সফল বাস্তবায়নকারী যিনি গোয়েবলসের দশকে রীতিমত একে ( এক জ্যোৎস্না ও জননীর গল্পে যেই ক্যারিশমা স্যার হুমায়ূন দেখিয়েছেন !!! ) নামিয়ে এনেছেন তাকে বাদ্দেয়ার তেব্র নেন্দা জানাই।

এছাড়াও শ্লীলতামন্ত্রী হিসেবে সর্বজনাব ইমদাদুল হক মিলনের নাম প্রস্তাব করছি।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ুন আহমেদকে আপাতত একটু চিকিতসা দেওয়ার ব্রেক দিলাম, এমনিতেই দেয়াল ইস্যুতে উনি পোন্দানি খেয়ে কাহিল হয়ে পড়েছেন, আরেকটু তাজা হয়ে আসুক চিকিতসা-টিকিতসা করে। :ডি

মতিউর রহমানের তুলনায় জনাব ইমদাদুল হক মিলন আপাতত চুনোপুটি, তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে লম্ফ-ঝম্ফ বাড়াচ্ছেন তিনি। উনাকে সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান বানানোর ইচ্ছা আছে! কি বলেন?

এছাড়া, প্রফেসর জাফর ইকবালকে দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ শুরু করার ইচ্ছা ছিল, তবে আপাতত আর যোগ করি নাই; প্রফেসর ইউনুসের ইস্যুতে উনি যথেষ্ট ছবক দিচ্ছেন ইদানীং!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মচৎকার!

______*______*______
ভরপুর বিশ্বাসে লঙ্ঘিবেনা স্বাধীনতা!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়বার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমতকার পোষ্ট, সাইজে বড় হলেও পড়তে অলসতা আসে না।

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জিয়া ও শেখ নামক দুই মেগা মাফিয়া পরিবার বাদ দিয়ে, অন্য যে কোন মানুষকেই ক্ষমতায় বসানো হোক না কেন, দেশ একটি যোগ্য সরকারকে পাবে।এই দুই পরিবার বাদে এদেশের যে কোন মানুষকেই ক্ষমতায় গেলে যোগ্যতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কেবল টিকে থাকতে হবে।

এই সহজ সত্যটা যেদিন বাঙ্গালীর মাথায় ঢুকবে, সেদিন লাঠিসোটা হাতে একে অপরকে নয়, শুধু এই দুই ডাকাত পরিবারকে তাড়া করে রাস্তায় পিটিয়ে মারবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৫ ই আগস্টের ভয় দেখান নাকি? লাঠিতে ধার দিতে থাকেন, আপনাদের নেতৃত্বে "মানী ক্যাডার" বাহিনী তৈরী করে দেওয়া হবে বলে আশা করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

+++


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরো কয়েকজন ............

১) জ্বালানী মন্ত্রী : প্রফেসর আনু মোহাম্মদ।

২) খাদ্য মন্তী : ড: পিয়াস করিম।

৩) পরিকল্পনা মন্ত্রী : সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ।

৪) তথ্য প্রতিমন্ত্রী : সাংবাদিক মুনির হায়দার (একে মন্ত্রী সভার যে কোন পজিশনে ফিট করা যাবে । পৃথিবীর তে কোন বিষয়ে ইনার
অগাধ জ্ঞান)।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বালানী মন্ত্রীর পোষ্টটা তৈরী করার দরকার ছিলো, তবে সেখানে ম তামিমের সাথে চ্রম একটা ফাইট শুরু হয়ে যাবে! বাকিদেরকে মানী সরকারের প্রধান নিজেই বিবেচনা করবেন আপাতত তালিকা লম্বা করা হলোনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিসি এখানে বাংলার বিখ্যাত "আমি" নাই কেন??? প্যানেল পছন্দ হইলো না।

তবে নারী বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে "আমি"রে ঢুকালে মানা যায়।

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর দ্বায়িত্ব আমি আমি কে দেয়া হোক।

------------------------------------------------------------------------------------
বেঁচে থাকি আগামীর আশায়, সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নারী বিষয়ক মন্ত্রাণলয়ের ক্ষেত্রে এরশাদ প্রথম পছন্দ!

আপনার প্রস্তাবিত "আমি"-কে "মানী সরকার"-এর সদস্য হইতে গেলে আর বড় "আমি" হতে হবে মনে হয়। তবে মানী সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, তারা যদি মনে করে তবে আপনার প্রস্তাবিত "আমি" সরকারে "ইন"।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

<:-P <:-P <:-P <:-P
চমেতকার পোস্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভেরিস্টার রফিকুল হকের জন্য একটা মন্ত্রনালয় লাগবে, সফিক রেহমানের লগে টানাটানি লাগতে পারে। রমনি মোহন মন্ত্রনালয় নামে নতুন মন্ত্রনালয় প্রতিস্ঠা করতে হবে।

লাল গুলাব আর আমের জুস -বানিজ্য ভালো হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নারী বিষয়ক মন্ত্রাণলয়ের জন্য এরশাদের বিকল্প নাই। যদিও এই মুহূর্তে উনি মহাজোটে আছেন তবে এরশাদ কিন্তু আসলে সবার-- কখন কই থাকে, কার সাথে থাকে তার ঠিক ঠিকানা নাই!

ধন্যবাদ আপনাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টটা অনেকগুলো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন:

১) মানীলোক চিনবো কিভাবে? তাদের কি কোনো মেশিন রিডেবল আইডিকার্ড থাকবে?

২) মানীলোকের স্ত্রীপুত্রকন্যাদেরকে চেনার উপায়ই বা কি? ডঃ ইউনুসের মেয়ে দীনার মতো যাদের ছবি নেটে বহুল প্রচারিত, তাদেরকে নাহয় চিনলাম, কিন্তু বাকিদেরকে না চিনে বেয়াদবি করে ফেললে দায় কার?

৩) ভাষার সুশীলতা সংরক্ষণের জন্য কি আলাদা কোনো অভিধান প্রণয়ন করা হবে, যাতে ব ও চ অক্ষরের শব্দগুলোর ওপর কারুকার্য করা হবে? মানী লোকেরাও কি এই সংবিধান মেনে চলবেন? নাকি তারা যথারীতি সুশীল শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করে আমজনতার আম্মুকে আব্বু করার স্বাধীনতা সংবিধানগতভাবেই ভোগ করবেন?

৪) ব্যানার ও চিকা মারার টাকা কিভাবে যোগাড় করা হবে? এটা আমপাবলিকের পকেট থেকে যাবে, তা বুঝলাম। কিন্তু পাবলিককে কি এই টাকা ম্যানেজ করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে সহায়তা করা হবে?

৫) মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নাই কেন? সেই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে হলে কাদের সিদ্দিকীকে দিগন্ত টিভিতে আর কতোটি টক শো করতে হবে? স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ফারমার সাহেবকে ওই মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হোক।

৬) মানবতা মন্ত্রণালয় থাকারও দরকার আছে। এর দায়িত্বে মীর কাশেম আলী আলবদরকে রাখা যেতে পারে। সচিব হিসেবে অষ্টবিন্দুজ্ঞানীকে রাখা হোক।

৭) ইউনুসকে ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেই থেমে থাকলে চলবে না, 'ইউনুস একটি ব্যক্তি নয়, একটি প্রতিষ্ঠানও নয়, ইউনুস একটি রাষ্ট্র', সংবিধানে এই ঘোষণা অন্তর্ভূক্ত করা হোক।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যথার্থ

------------------------------------------------------------------------------------
বেঁচে থাকি আগামীর আশায়, সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোষ্ট সিসি ভাই। তবে আরো কিছু মন্ত্রনালয় এর নাম এবং দ্বায়িত্বশীল মানী লোকেদের নাম বাদ গিয়েছে।

নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ঃ আমি আমি আমি
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ঃ কাদের সিদ্দীকি
শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ঃ ডিপজল
প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ঃ ??? কাকে দেয়া যায়?

------------------------------------------------------------------------------------
বেঁচে থাকি আগামীর আশায়, সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীচে "ব্লগার চোর" মন্তব্যের উত্তর দেখেন। জনাব কাদের সিদ্দিকী মন্ত্রাণলয়ে থাকবেন তবে মন্ত্রাণলয়ের নাম কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১) মানীলোক চিনবো কিভাবে? তাদের কি কোনো মেশিন রিডেবল আইডিকার্ড থাকবে?


চিন্তার কথা। মানী লোকেরা সবাই গ্রামীন চেকের পোষাক পড়বে আর র‍্যাবের মতন করে গ্রামীন চেকের একটা পট্টি কপালে বাঁধতে পারে। মন্ত্রীসভার বৈঠকে উনারা একটা "মানী পোষাক" নির্ধারণ করে নিবেন বলেই আশা করা যাচ্ছে।

২) মানীলোকের স্ত্রীপুত্রকন্যাদেরকে চেনার উপায়ই বা কি? ডঃ ইউনুসের মেয়ে দীনার মতো যাদের ছবি নেটে বহুল প্রচারিত, তাদেরকে নাহয় চিনলাম, কিন্তু বাকিদেরকে না চিনে বেয়াদবি করে ফেললে দায় কার?


"মানী লোকের অপমান ঠাডাতূল্য" এটাকে থিম হিসেবে নিয়ে মানী লোকদের পরিবারবর্গদের অংশগ্রহণে ছোট ছোট নাটিকা তৈরী করে তা সকল বেসরকারী ও সরকারী মাধ্যমে তা নিয়মিত প্রচার করার চিন্তা করা হচ্ছে! এছাড়া, নির্দিষ্ট পোষাক তো আছেই।

৩) ভাষার সুশীলতা সংরক্ষণের জন্য কি আলাদা কোনো অভিধান প্রণয়ন করা হবে, যাতে ব ও চ অক্ষরের শব্দগুলোর ওপর কারুকার্য করা হবে? মানী লোকেরাও কি এই সংবিধান মেনে চলবেন? নাকি তারা যথারীতি সুশীল শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করে আমজনতার আম্মুকে আব্বু করার স্বাধীনতা সংবিধানগতভাবেই ভোগ করবেন?


জটিল প্রশ্ন। এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক ওরফে সুজনের নেতৃত্বে একটা কমিটি গঠন করা যেতে পারে!

ব ও চ বর্গীয় শব্দকে কালো তালিকাভূক্ত করা হবে, তবে "কালো টাকা সাদা করার" ধান্দার মত আম-জনতা বিশেষ ট্যাক্স প্রদান করে এই ব ও চ বর্গীয় শব্দগুলোকে ব্যবহার কররে পারে।

৪) ব্যানার ও চিকা মারার টাকা কিভাবে যোগাড় করা হবে? এটা আমপাবলিকের পকেট থেকে যাবে, তা বুঝলাম। কিন্তু পাবলিককে কি এই টাকা ম্যানেজ করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে সহায়তা করা হবে?


নিশ্চিত দুর্নীতিমুক্ত প্রজেক্ট বিধায় এখানে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাঙ্ক আর আম্রিকান এম্বেসী। তারা আবার দুর্নীতিওয়ালা প্রজেক্টে নাকি অর্থায়ন করেনা; বিশাল সত প্রতিষ্ঠান বলেই তাদের চিন্তা-ভাবনাটা এই রকম!

৫) মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নাই কেন? সেই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে হলে কাদের সিদ্দিকীকে দিগন্ত টিভিতে আর কতোটি টক শো করতে হবে? স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ফারমার সাহেবকে ওই মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হোক।


সুশীল ও মানী লোকেরা মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার-আলবদর এসব ইস্যুতে কথা বলতে স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করেননা। তাই এই সরকারে কোন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রাণলয় না থাকার সম্ভাবনাই বেশী।

তবে বিবর্তন সংক্রান্ত মন্ত্রাণলয় খোলা হওয়ার সম্ভাবনা আছে-- যেখানে কিছু মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেম বিবর্তিত হয়ে কিভাবে ছাগুপ্রেমে রুপ নিলো তা নিয়ে "প্রকৃত বিজ্ঞানী"রা গভীর গবেষণা করবেন। এছাড়া চরম বাম থেকে চরম ডানে বিবর্তন বা চরম ডানদের উস্তাদে বিবর্তন হওয়ার কারণ সমূহ উদঘাটন করে তা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করাও এই মন্ত্রাণলয়ের উদ্দ্যেশ্য হবে।

মন্ত্রী হিসেবে জনাব কাদের সিদ্দিকী আসলেই অপ্রতিদ্বন্দী এবং উনাকে "টেকনোক্র্যাট" কোঠায় নিয়োগ দেওয়া হবে। কারণ, উনি সুশীল না উনি রাজনীতিক! আর, ব্লগার ফারমারকে কোন পদ না দেওয়াই ভালো মন্ত্রাণলয়ে, দেখা যাবে টাল-মাটাল অবস্থায় উনি "ইউনুস ও মানী সরকার এবং নিজেকেই" ইডিয়ট বলে গালি দিয়ে পাবনা এলাকায় নিজের স্থান নিশ্চিত করে ফেলেছেন!

৬) মানবতা মন্ত্রণালয় থাকারও দরকার আছে। এর দায়িত্বে মীর কাশেম আলী আলবদরকে রাখা যেতে পারে। সচিব হিসেবে অষ্টবিন্দুজ্ঞানীকে রাখা হোক।


অতি বেশী আইকিউ-ওয়ালারা "মানী সরকারের" বুদ্ধিজীবি হতে পারেন, তবে সিদ্ধান্ত মানী সরকারেরই। মানবতা মন্ত্রাণলয়ের আলাদা প্রয়োজন আছে কি? কারণ, সকল "মানী লোকই" মানবিক!

৭) ইউনুসকে ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেই থেমে থাকলে চলবে না, 'ইউনুস একটি ব্যক্তি নয়, একটি প্রতিষ্ঠানও নয়, ইউনুস একটি রাষ্ট্র', সংবিধানে এই ঘোষণা অন্তর্ভূক্ত করা হোক।


প্রস্তাবে সহমত। সংবিধান সংশোধন করে হলেও এটা বাস্তবায়িত করবে "মানী সরকার" এমন প্রত্যাশা রাখছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার্ড

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ কাঁটা ভাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেষ কথা একটাই, চাপিয়ে দেয়া মানীর মান মানিনা, মানবো না।
Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চাপাচাপি করলে এরকম উপায়েই সম্মান পাবে, এটাই বাস্তব। ইস্যুটা কচলাইতে কচলাইতে তিতা বানায়া ফেলছে মানী লোকেরা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি অসাধারণ লেখা। ধন্যবাদ

------------------------------------------------------

গঙ্গাবীচিপ্লুত পরিসরঃ সৌধমালাবতংসো বাস্যতুচ্চৈ স্তুয়ি রসময়ো বিস্ময়ং সুহ্ম দেশঃ। (প্রাচীণ সংস্কৃত সাহিত্য, গুপ্ত শাসনে রচিত দণ্ডীর ‘দশকুমারচরিত’ থেকে নেয়া)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে। মানীদেরকে সম্মান করার চেষ্টা করবেন এরপর থেকে, ঠাডা থেকে বাঁচতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুণ একটা পোস্ট। আমি আপনার নাম ও নামের সাথে লেখার সুখ্যাতি অনেক শুনেছি একজনের কাছে। আপনি আসলেই সাধুবাদ পাবার যোগ্য।

------------------------------------------------
পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল মূর্খরা সব শোন
মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাধুবাদের জন্য ধন্যবাদ। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিসি ভাই,

ছাগু মন্ত্রণালয় বাদ গেল ক্যন? ছাগল কত উপকারী প্রাণী Laughing out loud

ছাগু মন্ত্রণালয় বাদ দেয়ার দু:সাহস দেকানোর জন্য মাইনাচ Laughing out loud Laughing out loud

আর সব ঠিক থাকার জন্য পোষ্টে পিলাচ smile :) :-)

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উপরে "ব্লগার চোর" এর মন্তব্যের উত্তর দেখেন Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারূন পোস্ট। এক মানী লোকের নাম মনে আসতাছেনা। লিস্টে মনে হয় চোখে পড়ে নাই। টক শোতে কথা বলার সময় চেহারা কেমন জানি পার্ভাট পার্ভাট হয়ে যায়। চিবাইয়া কথা শুরু করে। পারলে মুখ দিয়া থুতু বাইর হওন শুরু হয়। নুরুল কবির না কি জানি নাম। উনারে প্রতিরক্ষা দেওন খুব দরকার।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবিরের কথা বলতেছেন মনে হয়। মতি মিয়ার চেয়ে এখনও বর মানী হইতে পারেন নাই। উনি একজন পরিষ্কার এন্টাই-মুজিব টাইপের বুদ্ধিজীবি। তবে উনি নিজেকে নিরপেক্ষ-গেণী হিসেবে উপস্থাপন করে টকশোতে বালিশ পেটাতে চেষ্টা করেন, কিন্তু ন্যাঞ্জার ভারে সফল হইতে পারেন না।

মন্ত্রী সভার সম্প্রসারণের সময় উনাকে বিবেচনা করা যেতে পারে।

glqxz9283 sfy39587p07