Skip to content

ইন্টারনেট লিটারেসি ও বাংলাদেশ!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



মাঝে মধ্যে নিজেদের সমালোচনা পাবলিকলি করার দরকার আছে। আমরা প্রায়ই গর্ব করে বলি যে দেশে এতো এতো লোকের ইন্টারনেট আছে! এতো লোক ফেইসবুক ইউজ করে, এতো লোক ই-মেইল ইউজ করে! বাস্তবতা আসলে কি? চলুন একটা উদাহরণ দিয়ে দেখি।[ উদাহরণটা পেয়েছি ইনবক্স থেকে]।

সারা দেশে একই খুতবা পড়ানোর ব্যবস্থা অতি উত্তম কাজ। কিন্তু আমি পুরাই হতবাক হলাম ২০১৬ এর বাংলাদেশে খুতবার লিখিত সংস্করন দেশের সকল মসজিদের ইমামের কাছে পৌছানো যায়নি জেনে ! অথচ দেশের প্রতিজন ইমামের হাতেই মুঠোফোন আছে এবং সরকারের কাছে নূন্যতম তাদের নম্বরটা থাকার কথা, তাতে একটা ক্ষুদেবার্তাতে নিশ্চয় তা পাঠানো যেতো।

সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো সিলেটের শাহজালাল মাজারের মসজিদেই নাকি এই খুতবার সংষ্করণ পৌছায় নাই! প্রশ্ন জাগে, আমরা আসলেই কি ডিজিটাল হতে পেরেছি যে ঢাকা থেকে সিলেটেই পৌছাতে পারলাম না!

যদি তর্কের খাতিরে ধরেই নেই আমাদের ইমামরা ততোটা আধুনিক নয়, তো প্রতিটা উপজেলাতে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে তা পাঠিয়ে তাদের মাধ্যমে ইমামের কাছে তা পৌছানো যায় নিশ্চয়। এছাড়া আরো সহজ উপায় হলো ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে খুতবা পাঠানো।

আমি আশা করবো নতুন এই পদ্ধতি চলবে সফলতার সাথে এবং প্রতি সপ্তাহের খুতবাই কেন্দ্রীয়ভাবে লিখে তা সব মসজিদের ইমামদের কাছে পাঠানো হবে নিয়মিত।

দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের বিস্তারিত তথ্যউপাত্ত সংশ্লিষ্ট থানাতে থাকা দরকার। আশাকরি সরকার এই দিকে দৃষ্টি দিবে এবং ডাটাবেজে তথ্য রাখার ব্যবস্থা করবে। প্রতি বছরই এই তথ্য যাতে হালনাগাদ করা হয় সেই দিকেও খেয়াল রাখার প্রয়োজন।

শুধু ‘আওয়াজে পাকিস্তান’ টাইপ কথার ফুলঝুড়ি না ছড়িয়ে সত্যিকার ইন্টারনেট লিটারেসি’র দিকে যেনো আমাদের সরকার মনোযোগি হয় এই কামনাই করি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আহুত দেশব্যাপী জুমার নামাযের খুতবা প্রত্যাখ্যান করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=1515&table=july2016&date=2016-07-18&page_id=1&view=0

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।

glqxz9283 sfy39587p07