Skip to content

হ্যাঁ, এরাই। চোখ কচলে দেখুন!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



হ্যাঁ, এরাই। চোখ কচলে দেখুন। বারবার দেখুন। এরাই ঘটিয়েছে গতকালের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। এই পিশাচগুলোই ঠান্ডা মাথায় জবাই করেছে ২০ মানুষকে, রক্ত মাংসের মানুষকে। মৃত্যুর আগে নিরপরাধ মানুষগুলো হয়তো বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন, তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন!

না, মন গলেনি এই পিশাচগুলোর। নিষ্পাপ বিশজন মানুষের গলায় ধারালো ছুরি চালাতে একটু হাতও কাঁপেনি এই হায়েনাদের। মানুষের টকটকে লাল রক্ত গায়ে মেখে জান্তব উল্লাস করেছে এই পিশাচরা।

কোন মায়ের গর্ভে এদের জন্ম? কোন মা প্রথম এদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছিলেন?

কোন বাবার সন্তান এরা? কোন বাবার হাত ধরে প্রথম হাটা শিখেছিলো এই মানুষরূপী এই জন্তুরা?

কোন শিক্ষক প্রথম এদেরকে অক্ষর শিখিয়েছিলেন?

কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এদেরকে 'মানুষ' বানানোর দায়ীত্ব নিয়েছিলো?

খোঁজে বের করা হোক সবাইকে, এদের সাথে যেকোনোভাবে যুক্ত প্রতিটি মানুষকে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে।

প্রতিটি মানুষকে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিটি মানুষকে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে। টান দেয়া হোক শেকড়েরও শেকড় ধরে। পাই পাই করে বুঝিয়ে দেয়া হোক তাদের পাওনা। বুঝিয়ে দেয়া হোক নরপিশাচ তৈরী করার প্রায়শ্চিত্য। কয়েক হাজার বছর পরেও যাতে কেউ এদের পরিণতির কথা ভেবে ভয়ে শিউরে উঠে।

মৃতদেহ দেখে এতো ঘৃণা জন্মেনি কখনো। আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করতে চাই - একইরকম ঘৃণা পোষণ করছেন বাংলাদেশকে হৃদয়ে ধারণ করা প্রতিটি মানুষ। আসুন, এবার ঘৃণার শক্তি নিয়ে এক হই, প্রতিরোধ করি। এ মাটিতে যেনো কখনো এরকম পিশাচের জন্ম না হয় আর। আমি বিশ্বাস করি, কয়েকটি কুলাংগারের হাতে পরাজিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশের জন্ম হয়নি।

glqxz9283 sfy39587p07