Skip to content

প্রিয় জাফর স্যার! সজীব ওয়াজেদ জয়কে দয়া করে বিতর্কিত করবেন না

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কারো সাথে কোন ইসুতে ১০০ ভাগ একমত হওয়া এবং কারো সাথে সবকিছুতেই একমত হওয়া খুবই অস্বাভাবিক বিষয়। যেমন ধরুন, জাফর স্যারের বেশিরভাগ বক্তব্যেই একমত হওয়ার মতো উপকরণ থাকে; তার মানে এই না যে উনার সবকিছুতেই আমি একমত হবো। একবার আমি দেশে ছিলাম, আমাকে এক ছেলে জানালো দাদা হবিগঞ্জ জেলা জামায়াত নেতার এক ছেলে হবিগঞ্জে শিশুদের একটি আইটি প্রোগ্রাম করছে। জাফর স্যার প্রধান অতিথি হিসেবে আসছেন এই প্রোগ্রামে; আপনি কি স্যারকে একটু বলে দেখবেন স্যার যেনো না আসে।

আমি সাথে সাথেই স্যারকে ফোন করলাম, ইয়াসমিন ম্যাডাম ফোন ধরলেন, আমি ঘটনা বুঝাইয়া বললাম। উনি বললেন, তুমি তোমার স্যারকে বলো।

স্যারকে বলার পর আমি বুঝলাম স্যার খুশি হননাই। উনি বললেন, দেখো যেখানে শিশুদের প্রোগ্রাম, সেখানে আমি রাজনীতি ব্যাপারটা দূরে রাখতে চাই। আর তোমাদের প্রগতিশীল ছেলেরা কোথায়? তোমরা কেন এসব আয়োজন করতে পারো না? দেখো, এখন আমি তো কথা দিয়ে দিয়েছি। অনেক ছোট ছোট ছেলেমেয়ে বসে থাকবে। নেক্সট টাইম এরকম হলে আমাকে একটু আগেই জানাইও।

তো ঘটনা হইলো পরে দেখা গেলো স্যার এর পরের বছর ও ঐ প্রোগ্রামে গিয়েছেন বলে শুনেছি। মজার বিষয় হলো ঐ ছেলে আমাদের ইয়ং বাংলা'র ''জয় বাংলা'' পুরষ্কার ও পেয়েছে এই কিছুদিন আগে। আমি হবিগঞ্জে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে জিগাইলাম এই ছেলে কিভাবে জয় বাংলা পুরষ্কার পায়? উনারা উত্তর দিলেন, কেনো তোমার জাফর স্যার তো এই ছেলের প্রতিটি প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি থাকে! তখন তুমি কই থাকো? উনাদের পালটা প্রশ্নে আমি নিশ্চুপ থাকি।

এতোসব বলার পেছনে মূল কথা হলো জাফর স্যারের আজকে সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে বক্তব্য নিয়ে এতোক্ষনে অনলাইন গরম হয়ে গেছে। স্যার বলেছেন যে, জয়ের মন্তব্যে উৎসাহিত মৌলবাদীরা। আমি বলতে চাই না যে স্যার সজীব ওয়াজেদ এর রয়টারে দেওয়া কমেন্ট ভালো করে ডিপ্লোম্যাটিক মোডে বুঝার চেষ্টা করেননাই। তবে আমি এটুকু বুঝতে পারি যে মৌলবাদীরা সজীব ওয়াজেদের বক্তব্য যেভাবে না নেওয়ার সম্ভাবনা ছিলো সেখানে জাফর স্যার পাগলকে নৌকা ডুবানি মনে করাইয়া দেওয়ার মতোই কাজ করেছেন। জাফর স্যারকে আমি বলতে চাই, স্যার সেদিন যখন জনৈক এমপি আপনাকে বিষেদাগার করেছে, আমি তখন এর প্রতিবাদ করেছি। ঠিক তেমনই আজকে যখন আপনি সজীব ওয়াজেদের বক্তব্য বাজেভাবে নেওয়ার জন্য ছাগুদের মুখে তুলে দিচ্ছেন, সেটার ও প্রতিবাদ করি। প্লীজ ভুলে যাবেন না, আমাদের আগামী প্রজন্মের আশার প্রতীক সজীব ওয়াজেদ জয়। তাকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে আপনি মুলত ছাগুদেরই উপকার করছেন যেমনটি করেছেন আমাদের হবিগঞ্জে। আপনি প্রধান অতিথি ছিলেন, এই সূত্র ধরেই হবিগঞ্জ জামায়াত নেতার ছেলে এখন ''জয় বাংলা'' পুরষ্কার পায়; আমরা তখন হতাশায় ভুগি।

দয়া করে আমাদের আশার প্রতীক সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিতর্কিত করবেন না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনার ইনফর্মেশন সোর্স হলো প্রথম আলোর মতো মিডিয়া। এজন্যই একে খন্দকারের পক্ষে কলম ধরেন। জয়ের বক্তব্যের টুইস্টেড মিনিং করে বক্তব্য দেন।

জয়ের বক্তব্য সাধারণ মানুষ হিসেবে ফ্যাক্ট। মুসলমানের নবীকে গালি দিয়ে নাস্তিকতা প্রচার বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সম্ভব না। আবার পলিটিক্যালি জয়ের বক্তব্য ইনকারেক্ট। এ বিষয়ে কিছু না বলাই পলিটিক্যালি কারেক্ট অবস্থান। কারণ, জয় যা-ই বলুক ছাগু এবং খাসি দুইপক্ষই সেটাকে টুইস্ট করে প্রোপাগান্ডা ছড়াবে।

জাফর ইকবাল জাতিকে অনেক দিয়েছেন। দিগন্ত টিভির ছাগু সাংবাদিকের মুখের ওপরে ঝাড়ি মারার মতো সাহসী লোক উনি। ইদানিং ভুল সোর্সে টিউবলাইট আচরণ করছেন মাঝেমধ্যেই। আপাতত উনি একটু পড়াশুনার কাজে মনোনিবেশ করলে ভালো হবে।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামায়াত নেতার ছেলে বলে যে সে প্রগতিশীল হতে পারবে না, এর কোন মানে আছে? বাবার দোষে ছেলেকে ভাগিদার করা নির্বুদ্ধিতা।
আর ওয়াজেদ জয় দেশের মানুষের আশা ভরসার প্রতীক। কাজেই তাকে ননীর পুতুল বানিয়ে আদরে বসে রাখতে হবে, তার বিরুদ্ধে একটা কথাও বলা যাবে না, এই যদি হয় মহামানবদের চিন্তা-ভাবনা, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয়।

In the long run, we are all dead.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জাফর স্যার জয়ের কোন বক্তব্যের বাজে উপস্থাপন করেছেন সেটা পোষ্টে পরিস্কার হলাম না। জয় যদি এমন কিছু বলে থাকেন যা মৌলবাদীদের উৎসাহিত করতে পারে, সেটা জাফর স্যার বলে মোটেও অন্যায় কিছু করেন নি। আর ডক্টর জাফর ইকবাল যদি জয়ের বক্তব্যের ভুল ইন্টারপ্রিটেশন করে থাকেন, তাহলে সঠিক কি ছিলো সেটা দেখানোই বাঞ্ছনীয়, পোষ্টে সেদিকে হাইলাইট না করে জাফর স্যার জামায়াত নেতার ছেলের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন সেটা তুলে ধরার যৌক্তিকতা বুঝে আসলো না। "দয়া করে আমাদের আশার প্রতীক সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিতর্কিত করবেন না।" আশার প্রতীক হলেই তার বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে কথা বলা যাবেনা এমন আবদার কেবল ভয়াবহই নয় যথেষ্ঠ হাস্যকরও বটে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন মানুষই সমালোচনার উপরে না। আপনে এখানে জয়ের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি না দিয়ে কিংবা স্যার এর বক্তব্যের ভুল তুলে না ধরে স্যারকে জামাতি সহানুভূতিশীল প্রমান করার চেষ্টা করলেন। হাসিনার বিপক্ষে বললেতো জামাতিই বানাইয়া দিবেন... অন্ধ কাহাকার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৪৪ বছর আগে বঙ্গবন্ধু স্পষ্ট করে বলেছিলেন ধর্ম নিয়ে আর কোন রাজনীতি বাংলাদেশে হবে না, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জন্ম নিতে পারবে না। তিনি সেটা শুধু কথায় না বলে সংবিধানের মূলনীতিতে সংযোজন করেছিলেন। সেটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা। জিয়া-এরশাদ সংবিধানের ধারার ঐ অংশ দিয়া তাদের পুরিষ পরিষ্কার করে ফ্লাস কইরা দিছে। বঙ্গবন্ধু অনুসারীরা ঐ সব কিছু মনে করতে চায় না, "ধর্মনিরপেক্ষতা" শব্দটা উচ্চারনেই অনেকে লজ্জা পায়'; 'সেক্যুলার' শব্দটাকে অনেকে নিরাপদ মনে করে।

১২ ধারা
_ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য (ক) সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িকতা, (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, (ঘ) কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।

আর একটি ধারা মৌলিক অধিকার এর ৩৮ নং অনুচ্ছেদ সংগঠনের স্বাধীনতাঃ
৩৮) জনশৃংখলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে; তবে শর্ত থাকে যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী কোন সাম্প্রদায়িক সমিতি বা সঙ্ঘ কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক অন্য কোন সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার বা তাহার সদস্য হইবার বা অন্য কোন প্রকারে তাহার তত্পরতায় অংশগ্রহণ করিবার অধিকার কোন ব্যক্তির থাকিবে না।”


ঐ দুই নীতির অবর্তমানে দেশে জিয়া-এরশাদ দেশে বেজাত, বিকলঙ্গ, অসুস্থ মতলববাজ 'মুসলিম বাংলাদেশী' প্রজন্মের চাষ করেছে সফল ভাবে। এদের কেউ কোপায়, কেউ মডারেট, সুশীল হয়ে কোপানোর নানাবিধ হালাল জাস্টিফিকেশন দেয়। আওয়ামীলীগ সরকার ৭২এর সংবিধানের প্রত্যাবর্তনের অনুশীলনে ঐ দুটি মূলনীতি বাদ দেয় দেশের কোটি তৌহিদী জনতার ভোটে কথা বিবেচনা করে। কিন্তু তোহিদী বাংলাদেশী কোনদিন 'নাস্তিকলীগ'কে ভোট দিবে না। আওয়ামীলীগ শুধু অবশিষ্ট 'বাঙালী'দেরই ভোট পায় এবং ভবিষ্যতেও পাবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article967694.bdnews

অনন্ত দাশ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদী কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষক জাফর ইকবাল বলেন, “তোমরা স্বীকার করে নাও সরকারের কাছ থেকে বিশেষ কিছু পাবা না।“তোমরা যারা সত্যি কথা বল, তোমাদের যে কোনো সময় মেরে ফেলা হবে, আমাদের মেরে ফেলা হবে, সরকার কিছুই করবে না। নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদেরই নিতে হবে।”


জাফর স্যারের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি , স্যার আপনার এই বক্তব্য সঠিক নয়। ব্লগার মানেই
সত্যবাদী নয় , আপনার আশেপাশের সব ব্লগার সত্যবাদী নয়। অনেক ব্লগার মুসলমানদের নবী রাসুল
নিয়া অনেক লেখা লিখছে যেইগুলা সত্যি নয় ! আপনি একটা অন্যায় কে আরেকটা অন্যায় দিয়ে সমাধান দিতে চাচ্ছেন।
>>>>স্যার আপনি দিন দিন একটা চক্রের হাতে পরে যাচ্ছেন, এই চক্রের বাইরে টাও দেখুন।

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার আশেপাশের সব ব্লগার সত্যবাদী নয়।

একমত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কাছে জয়ের বক্তব্যকে মনে হয়েছে, একজন সহজ মানুষের সরল স্বীকারোক্তি। যেখানে তিনি কোন ঘোর প্যাচে না গিয়ে সত্য কথাটা বলে দিয়েছেন। যদিও তা অনেকটা তার দলের বিপক্ষে যায় তথাপিও তিনি একটি রুঢ় সত্যকে প্রকাশ করেছেন। একজন রাজনীতিবিদ হলেই কি তাকে জটিল এবং কুটিল হতে হবে?

আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করিনা। চেষ্টা করি এড়িয়ে চলতে। যা প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে দেয় অন্যায়ের মাত্রা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি হবিগঞ্জে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে জিগাইলাম এই ছেলে কিভাবে জয় বাংলা পুরষ্কার পায়?


কার ছেলে, কার মেয়ে জয় বাংলা মুখে উচ্চারণ করতে পারবে আর কে পারবেনা এটা কোন কিতাবে লেখা আছে?


প্লীজ ভুলে যাবেন না, আমাদের আগামী প্রজন্মের আশার প্রতীক সজীব ওয়াজেদ জয়। তাকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে আপনি মুলত ছাগুদেরই উপকার করছেন। দয়া করে আমাদের আশার প্রতীক সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিতর্কিত করবেন না।


সাবাশ! এই হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের অবস্থা? তো স্যারকে এখন কী করতে হবে? কোনো শিশু কিশোরদের আই টি প্রোগ্রামে যাবার আগে খোঁজ নিতে হবে ওখানকার শিশুদের বাবা বা আয়োজক জামাতী কি না। জাফর ইকবাল কোন জামাতীর সন্তানকে বিজ্ঞান শেখাতে পারবেন না। অর্থাৎ ক্লাসে ঢুকে বলবেন যে, আমার ক্লাসে কোন জামাতীর সন্তান থাকলে বেরিয়ে যাও।

আর জয় আগামী প্রজন্মের আশার প্রতীক সুতরাং উনি সমালোচনার উর্ধে তাকে বিতর্কিত করা যাবেনা। যেখানে জয় নাই, সেখানে আগামী প্রজন্মের কোন আশা ভরসা নাই তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

আল্লাহ ভগবান ঈশ্বরের জায়গায় ব্যক্তিকে বসিয়ে আওয়ামী লীগ এবার ব্যক্তি পূজো শুরু করলো বুঝি? এই ব্যক্তি পূজো সেই ব্যক্তির জন্যেই মরণ ডেকে আনে, ইতিহাস তার সাক্ষী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল্লাহ ভগবান ঈশ্বরের জায়গায় ব্যক্তিকে বসিয়ে আওয়ামী লীগ এবার ব্যক্তি পূজো শুরু করলো বুঝি? এই ব্যক্তি পূজো সেই ব্যক্তির জন্যেই মরণ ডেকে আনে, ইতিহাস তার সাক্ষী।


একটা পয়েন্ট খেয়াল কইরা আক্কাছ, লুক্স, বন্যা, আরিফুর, খাসীমহিউদ্দিন, ফারজানা, তসলিমা - মুক্তমনু সবাই অনন্ত মরার পরপর গত চারপাচদিন ধইরা ইনায় বিনায় আম্লীগের দোষ দেখতেছে সবজায়গায়। বিশেষ কইরা পরপর তিনজন নাস্তিক মারা যাওয়ার দোষ তারা আম্লীগের উপরেই চাপাইতে চায়। কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো, তাদের পছন্দের সরকার কোন পার্টি তা হইলে?

------------------------------------------------------------------------------------
হিজ নেম ইজ - পোলা, দেশী পোলা ;
ম্যান উইথ এ ডাবল-ও লাইসেন্স ; টানে সবাইকে, বাঁধনে জড়ায় না

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো, তাদের পছন্দের সরকার কোন পার্টি তা হইলে?


এই পার্টি-



ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝলাম । এবং খুব ভালোভাবেই বুঝলাম

আমরা পরিবর্তনে বিশ্বাস করি … পরিবর্তন আসবেই … আসতেই হবে পরিবর্তন … আমরাই আনব ।

glqxz9283 sfy39587p07