Skip to content

ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা পোস্ট

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিলেট এর রাজনীতির খুব কমন একটা ফর্ম হলো কোন ফ্যামিলিতে চার ভাই থাকলে এক ভাই করবে আওয়ামী লীগ, আরেকজন বিএনপি, অন্যজন জামাত ও শেষজন জাতীয় পার্ট। ভাগ্যক্রমে আরো দুই-এক ভাই থাকলে তারা কেউ হবে বাম আরেকজন ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় কিছু।

আমরা ও চার ভাই। কিন্তু চারভাইই আওয়ামী লীগের অন্তপ্রান। যদিও অন্য ভাইয়েরা রাজনীতিতে এখন সক্রিয় না। ছোট ভাই ১-১১ এর সময় দুইবার ৩ মাস করে জেল খাটছে হুদাই। এরপর রাজনীতির শখ তার মিটে গেছে। তবে ভাগীনির মধ্যে কেনো জানি এই রাজনীতি রোগ ঢুকেছে এবং কলেজ জীবনের প্রথম দিনেই সে কলেজে মিছিল করেছে ছাত্রলীগের সাথে।

সমস্যা হলো সবার ধারনা আমার রাজনৈতিক কট্টর আওয়ামীপনার কারনে ভবিষ্যতে কোনদিন জামাত-বিএনপি ক্ষমতায় এলে আমাদের পরিবারের সবাই খুব ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কারন আমাদের বাঁচাতে থাকবে না একই ঘরের অন্য জামাত-বিএনপি করা কোন ভাই।

আজকে আমার এক রাজনৈতিক মেন্টরের সাথে কথা হচ্ছিলো। উনি বললেন, সুশান্ত দেখো জামাত-বিএনপি' হাত থেকে তো তুমি এমনিতেই বাঁচবে না; তবে আওয়ামী লীগে ও তো তোমার শত্রু তৈরি হচ্ছে তোমার অজান্তেই হয়তো। তেমনি তুমি কোন কোন ক্ষেত্রে শত্রু হচ্ছো উগ্র আস্তিকদের, সাথে নাস্তিকেরাও। বাম ঘরানা'তে শত্রু তৈরি হচ্ছে।

বাসায় এসে চিন্তা করে দেখলাম ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারির গনজাগরনের পূর্ববর্তী সময়ে অনলাইনে যারা আমার খুব কাছের মানুষ ছিলো তাদের কেউ কেউ আমার চরম শত্রুর মতো আচরণ করছে। অথচ তাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত স্বার্থসম্পর্কিত কোন বিষয় ছিলো না।

এমতাবস্থায় আমি আবার পুর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু মানুষের কাছে ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে ক্ষমা প্রার্থনা করতে চাই। আমার কোন আচরণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন আশা করি এই পোস্ট দেওয়ার পর তারা আমাকে ক্ষমা করার চেষ্টা করবে।

আমি প্রথমেই ক্ষমা প্রার্থনা করতে চাই আমার অনলাইন এক্টিভিজমের ২০০৬-২০০৭ সালের দিকের ক্লোজ সার্কেলের একজন নাজিনা মহসিনের কাছে। একসময় একসাথে প্রচুর কাজ করেছি। এমনি জেনোসাইড আর্কাইভ প্রজক্টে সেও ছিলো একজন আইডিয়াদাতা। পরে আমি জানি না কি কারনে সে সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। এমনকি আমাকে আনফ্রেন্ড ও করেছে হয়তো।

এরপরই আমি অমি রহমান পিয়াল ভাই এর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে চাই। টানা কয়েকবছর একসাথে কাজ করার পর ২০১৩ এর ফেব্রুয়ারীর মঞ্চরিলেটেড অবস্থানগত কারনে তার সাথে ক্যাচালের সূত্রপাত। পরে তো জল অনেকদূর গড়িয়ে কোথা থেকে কোথা গেছে হু নোজ। প্রিয় অমি ভাই, আশা করি এই পোস্ট দেওয়ার পর আপনি সব ক্যাচাল ভুলে যাবেন। আর অবশ্যই মনে রাখবেন যুদ্ধাপরাধিদের বিচার আওয়ামী লীগই করবে। এরজন্য কোন মঞ্চের দরকার নাই Wink

অনলাইনে আমাকে প্রথম এ-টিমে রেফার করেছিল অলৌকিক হাসান ভাই। উনার কল্যানে অসাধারণ সব অনলাইন এক্টিভিস্টের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। টিমে থাকাকালীন সময়ে এস্কিমো ভাই'র সাথে অনেকদিন কাজ করেছি। সময়ের বিবর্তনে আমি এই এস্কিমো ভাইকে ও দেখেছি আমার বিরুদ্ধে বিষেদাগার করতে। কিন্তু আজ পর্যন্ত উনাকে আমি একটি খারাপ শব্দ ব্যবহার করেছি বলে মনে পড়ে না। যাই হোক, আমি জানি না উনি কি কারনে আমার উপরে রাগান্বিত। যাই হোক না কেনো আশা করি আমার আজকের এই ক্ষমাপ্রার্থনা পোস্ট পড়ে উনি আমাকে মাফ করবেন এবং কোন ভুল করে থাকলে সেটি ভুলে যাবেন।

ব্লগিং করতে গিয়ে অসাধারন কিছু মানুষের সাথে পরিচিত হয়েছি। এরমধ্যে জমিদার ভাই অন্যতম। উনি মুক্তিযোদ্ধা মানুষ। আমারব্লগের বিভিন্ন অনুষ্টানে উনি অনুদান দিয়েছেন। আমরা ও যথাসাধ্য উনাকে সম্মান দিয়েছি। হটাত করেই খেয়াল করলাম উনি ও আমাকে ইংগিত করে বিভিন্ন বাজে কমেন্ট করছেন। পুরাই শকড হয়ে গেলাম। আমি অনেস্টলি বলছি, আমি জানি না কেনো তিনি আমার প্রতি বিরুপ হলেন। যাই হোক, জমিদার ভাই। প্লিজ পার্ডন মি। যাই করি না কেনো। আজকের এই পোস্টের পর প্লীজ ভুলে যান কি করেছি না করেছি।

এরপর বিগ একটা ক্ষমাপ্রার্থনা করতেই হয় ইমরানের কাছে। ছেলেটা আমি দেশে গেলে আমার সাথে এসে এম্পি হোস্টেলে দেখা করেছে। কিভাবে আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করা যায়, কিভাবে একটি নতুন ব্লগ করতে সে পারে এসব নিয়ে পরামর্শ নিয়েছে। এই ২০১৩ এর ফেব্রুয়ারির পরই সব যেনো বদলে গেলো। আমি নিজে ও কাদেরমোল্লার রায় এর পর হতাশামূলক পোস্ট দিয়েছি। মাইনাস ৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় আমার ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সাথে নিয়ে লন্ডনে ডেমোনস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু আইসিটি এক্ট এ সরকার পক্ষের আপিল প্রথা সংসদে পাস হওয়ার পর এই আন্দোলন করার কোন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনাই। এই নিয়েই ইমরানের সাথে দুনিয়ার মতের অমিল। এই এক ইসুতে কতো শত্রু তৈরী করেছি এখানে নাম উল্লেখ করে শেষ করতে পারবো না। যে মারুফ রাসুল বৃষ্টিতে অনেক কষ্ট করে তার লেখা একখানা বই আমাকে দেওয়ার জন্য আগ্রহী ছিলো; যে অনিমেষকে আমারব্লগের মডারেটর এক্সেস দেওয়ার কথা আমরা করতেছিলাম; যে বাধন ছবির হাঁটে আমাকে প্রথম দেখে অবাক হয়েছিলো তারাই একসময় হয়ে উঠলো ভয়ানক শত্রু। আমি এই মঞ্চ রিলেটেড ইসুতে আমাকে যারাই ভুল বুঝেছিলো বিশেষ করে সৌরভ, নভেন্দু, আজাদ মাস্টার, শামস জয়, প্রীতম আহমেদ সবার কাছে আমি কড়জোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করছি আমার কোন ভুল হয়ে থাকলে।

লিখতে ভুলেই গিয়েছিলাম ২০০৮ সালের দিকে হুদাই সচলায়তনের রেগুলার ব্লগারদের সাথে ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছিলো। সময়ের সাথে সাথে সবকিছু এমনিতেই সবাই ভুলে গেছি। এখন বলতে গেলে অনলাইনে হিমুই আমার অন্যতম মেন্টর। দরকার হলেই সময়ে অসময়ে নক করি, ''বস, আছেন নাকি?'' সচলায়তনের তখনকার সময়ের সব ব্লগারদের কাছে ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি আমার কোন আচরনে কষ্ট পেয়ে থাকলে।

একবার মাথায় কি ভুত চাপছিলো জানি না। কেন্দ্রীয় যুবলীগে কাউন্সিলে আমার আগ্রহ প্রকাশ করলাম। মাই গড। ঐ সময় কি পরিমান শত্রুতা দেখেছি অবিশাস্য! এমনি যে ফেইসবুক আইডি আমি নিজে বানিয়েছিলাম ট্রলিং এ কমন ব্যবহারের জন্য সেই আইডি দিয়েও আমার নামে রিভার্স পোস্ট দিয়েছে আমারই ক্লোজ লোকজন। হয়তো ভুলেই গিয়েছিলো এই আইডি আমি নিজেই বানিয়েছিলাম। তবে রাজনীতিতে ঐসময় আমি বেশ শিখেছি। আশা করি তখন যারা যারা আমার কোন কাজে-কথায় রাগ করেছেন তারা ও আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।

শুধু বাংলাদেশে নয়, লন্ডনে ও এই মঞ্চ রিলেটেড ইসুতে অনেকে অনেক সময় আমাকে ভুল বুঝেছে। তাদের কাছে ও আমি লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থি। কতো ভালো রিলেসন খারাপ হয়ে গেছে। চিন্তাই করা যায় না!

এবার একজন অতি স্পেসিয়াল রাসেল রহমান ভাই। রাসেল রহমানকে আসলে আমি চিনতাম না। একবার চাকমা রাজার লাশ আনা উপলক্ষে আইজু বললো সুশান্ত আমরা কোর্টে রিট করবো। টাকা যা লাগে আমি দিবো। আমি কইলাম কারে দিয়ে করাইবেন? উনি তখন রাসেল ভাই'র নাম কইলো। আমার সাথে তখনো মনে হয় রাসেল ভাই ফেইসবুকে কানেক্টেড ছিলো না। পরে রিকুয়েস্ট পাঠাইলাম। এরপর তো একসাথে অনেক পথ। উনারা কি জানি গ্যাং করতেছেন। আমি দেখলাম আমি ও আছি। দেখলাম অনলাইনের পরিচিত সবাই আছে। থাকলাম। দেখলাম ভালো কাজ হচ্ছে। পরে দেখলাম আমি আমার ও প্রমোসন হইছে। এক স্টেপ থেকে আরেক স্টেপে। সারা দেশে ঘুরলাম নির্বাচনের আগে রাসেল ভাইকে সামনে নিয়ে। ভাবছিলাম ইলেক্সনে সব পার্টি আসবে। কাজ করার সুযোগ থাকবে। পরে তো বিএনপি আসলো না ইলেকসনে। কাজ করার কোন মজাই পাইলাম না। সব প্লান স্থগিত ঘোষনা করলাম। যাই হোক, আমি কোন কাহিনি ছাড়াই রাসেল ভাই এর কাছে ক্ষমাপ্রার্থি। একদিন এক প্লেইটে ভাত খেয়েছি অন্তত এটা মনে করে হলেও কোন ভুল হলে মাফ করে দিবেন।

আমি তখন চট্রগ্রামে রাসেল ভাইকে নিয়ে। হটাত দেখললাম দুরন্ত দুরার ‘’মুক্তচিন্তা’’ ব্লগে আমার নামে কিছু ফেইক স্ক্রিনশট বানিয়ে পোস্ট করা হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম আমার হয়তো রাজনৈতিক মৃত্যু হয়ে গেলো! কিন্তু সবার আশির্বাদে ঐ পোষ্টে যাদেরকে আমার বিরুদ্ধে খেফিয়ে তুলার চেষ্টা হয়েছিলো তারা সবাই ধরতে পেরেছিল কোন থার্ডপার্টি খেলছে হয়তো। সেদিন ফোনে আমি চরম গালি দিয়েছিলাম দুরন্ত’কে। হয়তো সামনে পেলে খুনই করে ফেলতাম। আমি আজকে আমার সেদিনের গালিগালাজের জন্য দুরন্ত’র কাছে ও ক্ষমা চাইছি।

শেষ করার আগে আমি ডাক্তার আইজু'র কাছে মাফ চাইবো। মাঝে মধ্যে অনেক ইস্যুতে উনার সাথে আমার মতেল অমিল হয়। তবে আমরা সেটা ইনবক্সেই সেরে ফেলি। ইদানিং একটা ইস্যুতে এমন অবস্থা হয়েছিলো যে ওপেনলিই বিরুধিতা করার উপক্রম হয়। নিজেকে আমি সামলে নিয়েছি, উনিও। আমাকে কোন ভুল হলে মাফ করে দিবে ডাক্তার এই বিশ্বাস আমার আছে!

আর অবশেষে উপরে মাফ চাওয়া-চাওয়ি দেখে আমাকে যারা অন্ধের মতো ভালোবাসে আমার বৌ, আমার ছোট ভাই তনু, আমার ভাগিনি, তাপস দা, ছোট ভাই ইফতি, সুইট ,সাদের মতো অনেকেই বলবে যে আমি হয়তো পাগল হয়ে গেছি। এইসব কি শুরু করলাম আমি। আমি তাদের কাছে ও ক্ষমাপ্রার্থি। সবাইকে বলবো, আসো সব ভুলে যাই। আমরা ফিরে যাই সেই আগের সম্পর্কে ভালো দিনগুলোতে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডরাইসি মারা টারা যাচ্ছেন নাকি? আমার কাছে মাফ চাবার কিছু নাই-আমাদের সম্পর্ক কোনদিন "মাফের" ঘেরাটোপে ছিলনা এখনো নাই। তোমাকে সব সময় নিজের ছোট ভাইর মতো দেখসি এখনো দেখি! সো কিপ অন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন শত্রুতা কোনদিনই ছিলোনা। যা ছিলো সেটা গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে মতপার্থক্য।

দিনশেষে সমমনা সবাই এক কাতারে এসেই দাঁড়ায়। তারাই ছিটকে পড়ে যারা কোনদিনই একই পথের পথিক ছিলোনা। আমার বিপদে যেভাবে আপনি এগিয়ে এসেছিলেন, সেটাই মানুষের আসল পরিচয়।

ভালো থাকবেন। শুভকামনা।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ঐ কে আছিস, কলম দে, সিগনেচার দিমু!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাগতাছেন নাকি রে ভাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি তো ভেবেছিলাম পাগড়ি না হউক অন্তত মাথায় টুপী গায়ে গামছা পরার সাধ জেগেছে, আর না হয় ওমরায় যাচ্ছেন।


আর অবশেষে উপরে মাফ চাওয়া-চাওয়ি দেখে আমাকে যারা অন্ধের মতো ভালোবাসে আমার বৌ, আমার ছোট ভাই তনু, আমার ভাগিনি, তাপস দা, ছোট ভাই ইফতি, সুইট ,সাদের মতো অনেকেই বলবে যে আমি হয়তো পাগল হয়ে গেছি। এইসব কি শুরু করলাম আমি। আমি তাদের কাছে ও ক্ষমাপ্রার্থি।


আসলেই লেখাটা ছেলেমানুষী পাগলামী হয়েছে। এত আবেগ দূর্বলতার পরিচয়। অপরাধ না হলে, ভুল না করলে ক্ষমা চাওয়ার কী আছে? এস্কিমর মত মানুষদের চিনতে সময় লাগে। মানুষ চেনার এখনও অনেক বাকী আছে। আপনি আসলেই ডরাইছেন।

অঃটঃ একজন মডারেটর হয়ে নিজের লেখাটায় যদি এত বানান ভুল করেন তাহলে অন্যদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি মনের কথা বলেছি, বানানের দিকে খেয়াল রাখি নাই। এখানে তো কোন পরীক্ষাহলে লিখতেছি না Wink

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সুশান্ত,

এখানে তো কোন পরীক্ষাহলে লিখতেছি না।


ঠিকই তো, আসলেই এটা যে পরীক্ষাহল নয় তা আমার খেয়াল করা উচিৎ ছিল। ভুল হয়ে গেছে, ক্ষমা চাইছি দাদা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব্বার কাছে ক্ষমা চাইলে কেম্নে কি?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বছর খানেক পরে বোধহয় ব্লগে লগিন কর্লাম, পোষ্ট ভালৈছে Wink

***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টে পেলাস, তয় ব্লগে আক্কাছ খাক্কাছ গুসুপ্ত টাইপের খাসীগুস্টিরে লাই দিয়া আমারে ট্যাগ খাওয়ানোর লাইগা সরি বলেন নাই দেইখা দুঃখ পাইলাম, Sad

অসুবিধা নাই, কেয়ামতের ময়দানে এই গরীবের লাইগা আল্লাতালা সুবিচার দেবে, তখন নাহয় ব্লগ নিয়া আপনার লগে শরাবন তহুরা খাইতে খাইতে আড্ডা মারা যাবে

------------------------------------------------------------------------------------
হিজ নেম ইজ - পোলা, দেশী পোলা ;
ম্যান উইথ এ ডাবল-ও লাইসেন্স ; টানে সবাইকে, বাঁধনে জড়ায় না


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলেই তো! মিস করলাম কেম্নে আপ্নারে? যাই হোক, এখন সরি বললাম।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রবীন্দ্রনাথ ছিলেন সাহিত্যের মহীরুহ, কিন্তু তিনিও লিখে গেছেন " আমার মাথা নত করে দাওহে তোমার চরন ধুলার তলে "। যে গাছে ফল ধরে বেশি সেই গাছই মাটির দিকে ঝুকে থাকে ।
সুশান্ত দা পোস্ট পড়ে ভালো লাগলো । একে অন্যের মধ্যে পুন্দাপুন্দী না করে নিজেদের মত কাজ করে গেলেই ক্যাচাল হয়না । সবাই যে যার অবস্থানে রাজা কিন্তু জাতিযস্বার্থে এক হয়ে কাজ করাটাই হচ্ছে আসল । জাতীয় স্বার্থে এক হয়ে কাজ করে আমরা স্বাধীনতা এনেছি । এক হয়েই তা রাখব ।

আর হ্যা যদি সন্নাসী হয়ে যাবার প্লান করে ক্ষমা চান তবে ফোন নাম্বারটা দিয়া যায়েন । মাঝে মধ্যে বনভোজন করতে আসুমনে ।

অন্তহীন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক মাস পর আমিও লগইন করলাম - সুশান্ত, যেসব ব্লগার গ্রেফতার হয়েছিল তাদের খবর কি? তারা কি সবাই মুক্ত হয়েছে?

.

-------------------------------------------------------
জানতে হলে পড়তে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবাই মুক্ত এখন।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুশান্ত দা
আপনার এ ক্ষমা প্রার্থনা আপনাকে আরও বড় মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমার ব্লগে আছি গনজাগরন মন্চ হওয়ার অনেক আগ থেকে।কি উত্তাল ছিল আমার ব্লগ। এমন সময় ছিল যে মানুষ আমি রাত দশটায় ঘুমিয়ে পড়ি সে ভোরের আজান দিলে ঘুমাতে যেতাম। এটা অবশ্য্B গনজাগরন মন্চের আগের কথা।সে B উত্তাল দিনে আমি পেয়েছি অমি রহমান পিয়াল, ডাক্তার আ্ Bজু, প্রীতম, আরিফ জেবতিক, বেলেরকাটা, জামাতহেটার, অনিমেষ রহমান,আমি বাঙাল, চোর, বা্উল, মজবাসার(?), প্রমুখদের মতো বিখ্যাত সব ব্লগারদের।

আমি মনে করি এ্ B সব ব্লগারদের জন্য্ B গনজাগরন হয়েছিল।হঠাৎ যে ঝড়টা আসল, সেটা খুব বেদনাদায়ক। যার সুযোগ ছাগুরা ঠিক B নিয়ে নিল। যে ভাবে B হোক পিয়াল ভা্ B আ B জু, Bমরান বিভক্ত হয়ে গেল।মুল সমস্যা টাকার ভাগাভাগি এবং হিসাব। গনজাগরন মনেচ সবা্ B স্বেচ্ছায় চাদা দিয়েছিল।সেটার ভাগাভাগি নিয়ে। এরপর আ Bজুর চরিত্র হনন, তার আসল নাম ফাস করে দেওয়া হলো গনজাগরনমন্চ থেকে।

আমি মনে করি একজন অমি পিয়াল, একজন আ Bজু, একজন আরিফ জেবতিক, একজন সুশান্ত যুগে যুগে আসবে না।

বড় ভা B বেলের কাটাকে জিগ্গাসা করেছিলাম। কত গিগা? বললেন ৩৮ । একটা মানুষ দলের জন্য দেশের জন্য এত আত্মত্যাগ?
সুশান্ত দা আর একটা জিনিস আপনি ভুল করেছেন সেটা হলো অমি পিয়ালের পক্ষে লিখলে তাগে ব্যান করা।অমি পিয়াল, আরিফ জেবতিকদের মতো ব্লগারদের ব্যান করা Bত্যাদি।

দাদা,
আমার মতো ভু B ফোর ব্লগার এত কিছু লিখে ফেললাম। ক্ষমাপ্রার্থী।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে

glqxz9283 sfy39587p07