Skip to content

দৈনিক কালেরকন্ঠে প্রকাশিত আমার বক্তব্যের টুইস্ট প্রসঙ্গে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


আজ ১৫ জুন ২০১২ দৈনিক কালেরকন্ঠে '' যাচ্ছেতাই ভাষা বাংলা ব্লগে '' শিরোনামে সাংবাদিক বিপ্লব রহমানের যে আর্টিকেলটি প্রকাশিত হয়েছে সেখানে আমার দেওয়া বক্তব্য সম্পাদকের খোঁচায় পরিবর্তিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সেখানে উল্লেখ্য হয়েছে যে সঞ্চালনবিহীন একমাত্র বাংলা ব্লগ সাইট আমার ব্লগ ডটকমও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করে পরিচালিত হয়। এই সাইটের নির্মাতা লন্ডন প্রবাসী সুশান্ত দাশগুপ্ত। ই-মেইল বার্তায় তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাংলা ব্লগ একটি উদীয়মান মিডিয়া, যেখানে যেকোনো রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সত্যটা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করা যায়। তাই বলে ব্লগে অশ্লীলতা, কুৎসিত ও কদর্য ভাষার ব্যবহারে কাউকে উৎসাহী করার সুযোগ নেই। ব্লগের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার।'

''ব্লগের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার।''- এই বাক্যটা আমার দেওয়া প্রকৃত বক্তব্যে এমনভাবে ছিলো না। আমি বলেছিলাম যে, বাংলাব্লগ একটি উদীয়মান মিডিয়া যেখানে যে কোন রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে অপ্রিয় সত্য নির্দ্বিধায় প্রকাশ করা যায় যা অন্য কোন মিডিয়াতে প্রকাশ করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই বলে বাংলাব্লগে অশ্লীলতা, কুৎসিত ও কদার্য ভাষা ব্যবহারে কাউকে উতহাসিত করার পক্ষে কেউ আছে বলে আমি মনে করি না। অবশ্যই বাংলাব্লগে ‘বক্তাকে নয়, বক্তব্যকে আক্রমণ করুন' এমন নীতিমালার ব্যবহারের দরকার আছে এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অগ্রপথিক আমারব্লগ ডট কম প্রথম থেকেই এই নীতিতে বিশ্বাসী। আমারব্লগ ডট কমই একমাত্র বাংলাব্লগ যার নিজস্ব প্রকাশনী, ফিল্ম হাউজ, চ্যারিটি প্রতিষ্টান ও গবেষনা প্রতিষ্টান আছে যা ব্লগারদের নিজস্ব অনুদানে পরিচালিত হয়ে আসছে।

আমি আশা করবো কালেরকন্ঠে প্রকাশিত আমার বক্তব্যের মাধ্যমে কোন ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হবে না।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ব্যাপারে আগে বিপ্লব রহমানের বক্তব্য জানতে চাই।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি মনে করি না বিপ্লব ভাই এরকম করেছে; তবে যে করুক না কেনো আমরা এটা বলতে পারি যে ইহা সুস্থ সাংবাদিকতা নয়।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



এটা কি এই বিপ্লব ভাই???

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিপ্লবের এই লেখাটারে আমার সুপারিশের লেখা এবং পরিকল্পিত মনে হইতেছে। কর্পোরেট ব্লগ দালালদের সম্প্রতি সাইবার আইন চাই আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলা ব্লগে ব্লগারদের কণ্ঠরোধের যে নীলনকশাটা মাঝে হালে পানি পায়নি তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এই ভাড়াটে সাংবাদিকতার মাধ্যমে। বিপ্লব এই প্রসঙ্গে আমার সঙ্গেও কথা বলেছেন। কিন্তু তিনি নন-ব্লগার সুশীল বুদ্ধিজীবিদের এই নীতিমালা আরোপের পক্ষে দেওয়া বয়ান হুবহু রেখে দিয়েছেন, আর আমারটা বাদ দিয়েছেন। তার সঙ্গে আমার ফেসবুকে কথোপকথন ছিলো এরকম:


Wednesday
Biplob Rahman
প্রিয় সুহৃদ,
বাংলা ব্লগের অশ্লীলতা, ব্যক্তি আক্রমণ ইত্যাদি সুস্থ্য ব্লগিং-কে নিরুৎসাহিত করছে বলে অনেকে মনে করেন। এ ক্ষেত্রে অনেক ব্লগেই যথাযথ নীতিমালা নেই। আবার অনেক ব্লগেই নীতিমালা থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ নেই। 'বক্তাকে নয়, বক্তব্যকে আক্রমণ করুন' এমন নীতিমালার ব্যবহারের পাশাপাশি অশ্লীলতা, কুৎসিত ও কদার্য ভাষা পরিহারের পক্ষে অনেক সময় অনেক ব্লগে জোর বিতর্ক চলেছে।
এসব বিষয়ে দৈনিক কালের কন্ঠে একটি সংবাদ লেখার জন্য জরুরি ভিত্তিতে আপনার একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্য প্রয়োজন।
আপনার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।

বিনীত--

বিপ্লব রহমান
সিনিয়র রিপোর্টার
দৈনিক কালের কণ্ঠ
ফোন: ০১৭৩ ২৭৬ ১৬৯৬

Wednesday
Omi Rahman Pial

প্রতিটি কমিউনিটি ব্লগেই ব্যক্তি আক্রমণ ও অশ্লীল গালাগালির বিরুদ্ধে স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তারপরও যদি এমনটি ঘটে সেটা সেই ব্লগের মডারেশন দূর্বলতার প্রমাণ। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির অভিযোগের অপশনও রয়েছে প্রতিটি ব্লগে যার ভিত্তিতে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর গালাগালির ব্যাপারটা বেশী হয় স্বাধীনতাবিরোধী পোস্টের ক্ষেত্রে। বাংলা ব্লগের শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করতে জামাত-শিবিরের পেইড ব্লগাররা কিছু অপপ্রচারমূলক পোস্ট করতো। যখন এসবের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ দেওয়ার পরও তারা ক্ষান্ত হলো না তখনই গালাগালির শুরু। কোনো ভালো ব্লগার গালি খায় না, খায় সেই যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উস্কানীমূলক পোস্ট করে।

Biplob Rahman
Wednesday
Biplob Rahman

খুব ভালো। বস, বিকৃত বাংলা ব্যবহার নিয়ে যদি কিছু বলতেন। প্লিজ। [:)]

Omi Rahman Pial
Wednesday
Omi Rahman Pial

বিকৃত বাংলা বলে কিছু নেই। প্রমিত বাংলায় ব্লগ লিখতে হবে এমন দিব্যি কেউ দেয়নি। অনেকেই যেমন আমি নিজেও কথ্যভাষায় ব্লগ লিখি। আর কিছু ব্লগ স্ল্যাং আছে যেগুলো আসলে ফোনেটিক কিবোর্ডে লেখার কারণে সৃষ্ট। মুঞ্চায় (মন চায়) টাইপের কথাগুলো স্রেফ ফান করে ব্যবহার করা হয়। সিরিয়াস পোস্ট কখনও এই টাইপের বাংলা ব্যবহৃত হয় না

Wednesday
Omi Rahman Pial

পোস্ট=পোস্টে

Wednesday
Biplob Rahman

অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক শুভেচ্ছা। [:)]



মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সাইবার আইনের বিরুদ্ধে লেখা তার পোস্টটি এখন আর কোনো ব্লগে দেখা যাচ্ছে না। পুরাই ৩৬০ ডিগ্রি সমারসল্ট Laughing out loud

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সকল বাঙালিকে নির্বসানে পাঠানো হোক যাতে তারা আর ব্লগিং না করতে পারে Tongue সুশান্তদা, মাঝে মাঝে মনে হয় পৃথিবী নামের অক্টোপাসটার কবল থেকে মুক্তি নিয়ে অন্য গ্রহে পাড়ি জমাই Shock

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কালের কন্ঠের নিউজ টুইস্টিং নিয়ে এর আগেও বিপ্লব ভাইয়ের সাথে ভুল বুঝাবুঝি হৈছিলো। আমি এখনও বিশ্বাস করতে চাইছি না যে বিপ্লব ভাই এমনটা লিখেছেন। কারণ ব্লগে যে বিপ্লব লিখেন তার সাথে নিউজে যে বিপ্লবের বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা সাংঘর্ষিক। হতে পারে তিনি যে রিপোর্টটি লিখেছেন তাতে অনেক মনগড়া তথ্যের সংযুক্তি ঘটিয়েছেন সম্পাদক সাহেব। আর যদি তিনি এমনটা লিখে থাকেন তাহলে বলতে হয়, "মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে অকারণে বদলায়। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'বাংলা ব্লগ একটি উদীয়মান মিডিয়া, যেখানে যেকোনো রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সত্যটা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করা যায়।

Star Star Star Star

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিপ্লব রহমানের ফেবুতে কেও এই পোষ্টটা লটকাইয়া দেন। তার বক্তব্য ব্লগে এসে দেওয়া উচিৎ যেহেতু তিনি নিজেও ব্লগার

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা ব্লগ আইন/নীতিমালা/সাইবার আইন: একটি কৈফিয়ৎ

কৈফিয়ৎ-০১

চলতি বিবৃতি/কৈফিয়ৎ-এর শুরুতেই প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো, সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়িত মাত্রই জানেন, একজন সাংবাদিক যা লেখেন, তা কখনোই অবিকল প্রকাশিত হয়না, এটি নানা হাত ঘুরে সম্পাদনার পরেই প্রকাশিত হয়। আবার প্রকাশিত সংবাদে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের নিজস্ব মত/দর্শন প্রকাশিত না-ও হতে পারে। বরং এতে সংবাদপত্রের মত/দর্শন/পলিসি প্রকাশিত হবে, সেটিই প্রধান্য পাবে, এটিই স্বাভাবিক।

দৈনিক কালের কণ্ঠে "যাচ্ছেতাই ভাষা বাংলা ব্লগে" [লিংক] শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে, পাঠক মাত্রই জানেন এর মূল কথা হচ্ছে: ব্লগীয় আইন/নীতিমালা/সাইবার আইন চাই-- যা পুরোপুরি ব্লগ চেতনার পরিপন্থী এবং এটি কোনো মতেই আমার নিজস্ব মত/দর্শন নয়, সংবাদটি আমার নামে প্রকাশিত হলেও হুবহু তা আমার লেখাও নয়।

কারণ আমি বরাবরই বিশ্বাস করি, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সরকারি আইন বা ব্লগীয় আইন বা নীতিমালা বা বাধ্যবাধকতা দিয়ে বেঁধে দিলে তা আর যা-ই হোক, ব্লগিং হবে না। আইন দিয়ে মুখ চেপে ধরে প্রথা বিরোধী মুক্ত জ্ঞানবুদ্ধি চর্চা বা স্বাধীন মত প্রকাশ কোনো মতেই সম্ভব নয়, তা কাম্যও হতে পারে না।

এই কর্পোরেট কালচারের বিরুদ্ধে আমারব্লগ ডটকম [লিংক] এবং উন্মোচন ডটনেট-এ [লিংক] এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার লিখেওছি।

কৈফিয়ৎ-০২

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের [লিংক] সঙ্গে আমার নিজস্ব ব্লগীয় দর্শনের [লিংক] মিল না থাকায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন সহব্লগার, শুভাকাঙ্খি ও বন্ধুজন এই নিয়ে ব্লগে ব্লগে বিতর্ক তুলেছেন, ফেসবুকে নোট লিখেছেন, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, অনেকে টেলিফোনে আমাকে সংবাদটির বিষয়ে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছেন।

সংবাদটি তৈরির আগে ব্যক্তিগত পরিচয় ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কারণে আমি বেশ কয়েকজন ব্লগ নির্মাতা ও সহব্লগারের বক্তব্য ফেসবুক ম্যাসেজ/ইমেইলে সংগ্রহ করি। এসব বক্তব্যও হুবহু প্রকাশিত না হয়ে খণ্ডিত/বিকৃত/টুইস্টেড আকারে প্রকাশিত হয়েছে বলে কেউ কেউ অভিমত জানিয়েছেন।

আমি প্রতিবেদনটির সূত্রে এই সব অভিযোগ মাথা পেতে নিচ্ছি; এর নেপথ্য ঘটনা যা-ই হোক না কেন, প্রতিবেদনটি যেহেতু আমারই নামে প্রকাশিত, ধরেই নিচ্ছি, শেষ পর্যন্ত এর দায়ভার একান্ত আমারই। এ জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি, করজোরে ক্ষমা প্রার্থণা করছি।

আমার ব্লগ ডটকম-এর নির্মাতা ও সহব্লগার সুশান্ত দাশগুপ্ত দা "দৈনিক কালেরকন্ঠে প্রকাশিত আমার বক্তব্যের টুইস্ট প্রসঙ্গে" [লিংক] নামক ব্লগপোস্টে বলেছেন:

"ব্লগের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার।''- এই বাক্যটা আমার দেওয়া প্রকৃত বক্তব্যে এমনভাবে ছিলো না।


অবশ্যই। সুশান্ত দা'র বক্তব্যটি যে হুবহু আসেনি, তা স্ক্রিণশটেই প্রমানিত। আমি নিজেও তার বক্তব্য বিকৃত করে লিখিনি। কিন্তু দু-তিন হাতে সম্পাদনার পর ওই কিম্ভুদ বাক্যটিসহ তা যদিও তার বক্তব্য আকারেই প্রকাশিত হয়েছে।

দৃশ্যতঃ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্লগ আইনের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে সুশান্ত দা'র বক্তব্যে "ব্লগের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার" -- এমন কথা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা আমার মূল প্রতিবেদনে এমনটি আদৌ করা হয়নি, এটি নিছকই সম্পাদনার পরের কীর্তি এটি।

ব্লগের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার।


কী হাস্যকর কথা! এ যেনো কাঁঠালের আমস্বত্ত। প্রতি ব্লগেই তো সুনিদিষ্ট নীতিমালা আছে, তাহলে সুশান্ত দাশগুপ্ত আবার ব্লগ বারান্দা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নীতিমালা আমদানীর কথা বলবেন কেনো? তিনি বড়জোর ব্লগের নিজস্ব নীতিমালা সঠিকমাত্রায় প্রয়োগের কথা বলতে পারেন; তা তিনি বলেছেনও:

অবশ্যই বাংলা ব্লগে ‘বক্তাকে নয়, বক্তব্যকে আক্রমণ করুন' এমন নীতিমালার ব্যবহারের দরকার আছে...


কিন্তু তার ওই বক্তব্যটুকু "ব্লগীয় আইন/নীতিমালা/সাইবার আইন চাই" মতটিকে প্রতিষ্ঠার জন্য সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে কৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এই কৈফিয়ৎ টুকু দেওয়ার পরেও সুশান্ত দার বক্তব্য খণ্ডিত/বিকৃতভাবে প্রকাশের জন্য এরই মধ্যে ফেসবুক-ইনবক্সে তার কাছে এক দফা ক্ষমা চেয়েছি, দুঃখ প্রকাশ করেছি, এখনো আরেক দফা মাফ চাইছি। তার কাছে বিনীত অনুরোধ, অনুগ্রহ নিজগুনে তিনি যেনো এই অনৈতিকতাটুকু ক্ষমা-ঘেন্না করে নেন।

কৈফিয়ৎ-০৩

সুশান্ত দা'র ওই পোস্টে ফেসবুক আলাপচারিতা হুবহু তুলে ধরে সহব্লগার অমি রহমান পিয়াল ভাই মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন:

বিপ্লবের এই লেখাটারে আমার সুপারিশের লেখা এবং পরিকল্পিত মনে হইতেছে। কর্পোরেট ব্লগ দালালদের সম্প্রতি সাইবার আইন চাই আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলা ব্লগে ব্লগারদের কণ্ঠরোধের যে নীলনকশাটা মাঝে হালে পানি পায়নি তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এই ভাড়াটে সাংবাদিকতার মাধ্যমে। বিপ্লব এই প্রসঙ্গে আমার সঙ্গেও কথা বলেছেন।


এখনো কালের কণ্ঠে কলম পিষে ভাত খাই, তাই সব সত্যি কথা হয়তো বলতে পারছি না। তবে এইটুকু বলি, অরপি ভাইয়ের ওই আশঙ্কাটি সত্যি না হলেই বোধহয় সবচেয়ে ভালো হয়।

.
..ব্লগারদের কণ্ঠরোধের যে নীলনকশাটা মাঝে হালে পানি পায়নি তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এই ভাড়াটে সাংবাদিকতার মাধ্যমে।


এরপরেও কৈফিয়ৎ দিয়ে বলি, প্রকাশের আগে সম্পাদিত সংবাদটিতে আমার নামে (বাই লাইন আকারে) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, তা জানলে নিজের অবস্থান অটুট রাখার স্বার্থে অন্তত ওই প্রতিবেদন থেকে বিপ্লব রহমান নামটি (বাই লাইন) বাদ দিয়ে এটিকে স্টাফ আইটেম আকারে প্রকাশের অনুরোধটুকু করতে পারতাম। একই সঙ্গে অনুরোধ করতাম আংশিক/বিকৃত বক্তব্যগুলোও বাদ দেওয়ার।

ভেবে খারাপ লাগছে, অরপি কথিত "ভাড়াটে সাংবাদিকের" তালিকাতেও হয়তো এখন থেকে বিপ্লব রহমানের নাম উচ্চারিত হবে, যা আমার প্রায় দুই দশকের সাংবাদিক জীবনের আদর্শের পরিপন্থী। আশাকরি, বিডিনিউজ টোয়ন্টিফোর ডটকম-এ বছর তিনেক সহকর্মী থাকার সুবাদে এবং বছর ছয়েকের সহ-ব্লগার হিসেবে অরপি নিজেও এ কথা স্বীকার করতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না।


কৈফিয়ৎ-০৪

সুশান্ত দা'র ওই পোস্টে মন্তব্যের ঘরে অরপি আরো লিখেছেন [লিংক] :

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সাইবার আইনের বিরুদ্ধে লেখা তার পোস্টটি এখন আর কোনো ব্লগে দেখা যাচ্ছে না। পুরাই ৩৬০ ডিগ্রি সমারসল্ট।



একদম সত্যি নয়। অরপি'র মতো বাঘা ব্লগার গুগল করার সামান্য পরিশ্রমটুকু না করেই বিপ্লব রহমানকে একবাক্যে "ভাড়াটে সাংবাদিকের" কাতারে ফেলে দিচ্ছেন, তা দেখে বেশখানিকটা অবাকই হচ্ছি!

ব্লগীয় আইন/নীতিমালা/সাইবার আইন -এর বিপক্ষে আমার অবস্থান আগের মতোই অনড় -- এ কথা আগেই বলেছি, এ সংক্রান্ত পোস্টসমূহ ও বিভিন্ন মন্তব্য এখনো বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশিত, কোনোটিই মুছে ফেলা হয়নি, আপাতত এ বিষয়ে দুটি ব্লগ থেকে দুটি পোস্টের লিংক তুলে দিচ্ছি:

দেখুন "ব্লগ ব্ল্যাক আউট অথবা একটি করপোরেট কচকচানি" [লিংক-১] এবং [লিংক-২]

এই লেখাগুলোতে আমি যা বলেছিলাম, এখনো তাই-ই বলছি:

বলা ভালো, বিবিসি সংলাপের একটি অনুষ্ঠানে সরকারের উপদেষ্টা এইচটি ইমাম সাইবার আইনের পক্ষে মত প্রকাশ করলে বিডিনিউজের বর্তমান করপোরেট প্রধান, সিটিজেন জার্নালিজম নামক গজকচ্ছপের জন্মদাতা তৌফিক ইমরোজ খালিদী ব্লগ আইনের পক্ষে মত প্রকাশ করে (আইরিন সুলতানার পূর্বতন ও এইচটি ইমামের সে সময়ের মতটিকে জোর সমর্থন করে) মতামত দেন। বিডি-ব্লগের বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে এর পক্ষে আবারো সাফাই গেয়ে তৌফিক খালিদী বলেন, 'আইন বা বিধিবিধানের বিষয়টি তখনই সামনে আসে যখন স্বাধীনতার অপব্যবহার হয়। স্বাধীনতার নামে স্বেচ্ছাচারিতা হয়। '

সে সময় এ নিয়ে প্রায় সব কটি বাংলা ব্লগে তুমুল নিন্দার ঝড় ওঠে। কারণ এটি মুক্ত মত প্রকাশের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। আইরিন-ইমাম-খালিদী'র দেশনাটি ব্লগ চেতনার পরিপন্থী তো বটেই। লক্ষ্যনীয় অ-ব্লগার ইমাম-খালেদী তাদের চিন্তার শৃঙ্খলতার পক্ষীয় দর্শনে একা নন, সেখানে আইরিন-কৌশিক ছাড়াও নাদান সিটি-ব্লগাররাও রয়েছেন।



কৈফিয়ৎ-০৫

অরপি অভিযোগ করে আরো বলছেন [লিংক] :

কিন্তু তিনি নন-ব্লগার সুশীল বুদ্ধিজীবিদের এই নীতিমালা আরোপের পক্ষে দেওয়া বয়ান হুবহু রেখে দিয়েছেন, আর আমারটা বাদ দিয়েছেন।

এই কথিত ওই নন-ব্লগার সুশীলদের মন্তব্যগুলো আমার নেওয়া নয়, অসাম্পাদিত মূল প্রতিবেদনে আমি তাদের নামই লিখিনি, বক্তব্য লেখা তো দূরের কথা, বরং সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রতিবেদনে অংশটুকু আরোপকৃত/আমদানীকৃত। [লিংক]

আশা করছি, এই বিবৃতির মাধ্যমে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

জয় হোক মুক্তচিন্তার! জয় হোক স্বাধীন বাংলা ব্লগের!

হ্যাপি ব্লগিং।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বক্তব্যে আশা করি ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে। আবারো ধন্যবাদ আপনারে।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেকদিন পর আমারব্লগে লগিন হলাম শুধু এই লেখাটা দেখে। আমিও আজকে এই লিংক পেয়ে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম আর তাতে আপনার নাম দেখে যারপরনাই বিস্মিত হয়েছি। তবে আপনার এই মন্তব্যটি অনেক কিছুরই ইঙ্গিত দেয়। আমি আপনাদের একটা কথা আগাম বলি বসুন্ধরার মত দেশের এক নাম্বার কর্পোরেট দালাল পত্রিকাটি তার রং বদলে ফেলতে একটুও দ্বিধা করবেনা যদি আগামীতে বিএনপি চারদলীয় জোটের মত চরম প্রতিক্রিয়াশীল চক্রটি আবার কোনভাবে এই দেশের ক্ষমতায় চলে আসে। বাবরকে ঘুষ দেওয়ার ইতিহাস তো আর মিথ্যা না। এটা অনেক কিছুরই ইঙ্গিত দেয়। আমি দৃঢ় বিশ্বাস সেদিন এই কর্পোরেট ভূমিদস্যুদের অফিসে থুথু দিয়ে আপনারা বেড়িয়ে আসতে বাধ্য হবেন।

অট: আমার বসুন্ধরা নিয়ে এলার্জি আছে কারণ আমি এদের ভন্ডামী আর নিষ্ঠুরতার প্রত্যক্ষদর্শী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিপ্লব ভাইকে ধন্যবাদ। তার সহসী মন্তব্যের জন্য। আশা করছি সব ভূল বোঝাবুঝির অবসান হবে smile :) :-)
জয় হোক মুক্তচিন্তার! জয় হোক স্বাধীন বাংলা ব্লগের!

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যা খুশি তাই কমু কার বাপের কী Laughing out loud

---------------------------------------------------------------
ছাগুরা চাঁদের গায়ে রাজাকারের ছবি দেখলে হাউকাউ করলে মেলা
তোমরা বোলোগারেরা বেবুনের পুঁটুতে, সানির বুকে দেখলে, তার বেলা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যাটস অফ বিপ্লব ভাই

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা ব্লগ নিয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের পর এ সংক্রান্ত আমার বিবৃতি/ব্যাখ্যা/কৈফিয়ৎ অনেক সহব্লগারের বিভ্রান্ত দূর করেছে, অনেকে আমাকে সমর্থন জানিয়ে স্বঅবস্থানটি দৃঢ করতে সহায়তা করেছেন, তাদের সবাইকে জানাই কৃতজ্ঞতা; অকুণ্ঠ ভালবাসা।

এখনো আমি বিশ্বাস করি, লেখা/প্রতিবেদন দিয়ে কাউকে সাময়িকভাবে ভুল ব্যাখ্যা করার সুযোগ থাকে, কিন্তু একটি/দুটি লেখায় বা অপলেখায় কাউকে মূল্যায়ন করা উচিৎ নয়; এতে তার অন্যান্য সব অর্জন নিমিষেই ধূলিস্যাৎ হয়ে যায়, তা-ও নয়।

জয়তু মুক্তচিন্তা! জয়তু স্বাধীন বাংলা ব্লগের!

হ্যাপি ব্লগিং।। Star

glqxz9283 sfy39587p07