Skip to content

আমার দুরন্তবেলা ও এক ঝলক গাঁয়ের পহেলা বৈশাখ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার দুরন্তবেলা কাটে মাতুলালয়ে। কাঞ্চন নামে একটা অজোপাড়া গাঁ। শীতলক্ষা নদীর একদম পাড়ে আমার মাতুলালয়। অনেকখানি জায়গা জুড়ে নানান রকম ফলের গাছে ঘেরা ভিতরবাটি, বাঙ্গলোঘরের পরে নানার কয়েক বিঘা জমি তার পরেই একেবেকে চলে গেছে কুমারী শীতলক্ষা। আমার ভাবনার বিকাশ হয়েছে এই নদীকে ঘিরেই।সকাল এগারোটায় স্কুল ছুটি, স্কুলথেকে ফিরে কোন মতে কাপড় বদলেই দল বেঁধে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়তাম, লুঙ্গীতে করে পানি তুলে পাড়ের কোন খাঁড়া জায়গায় বানাতাম পিছুল্লি। কতশত বার মরা শামুকে পা কিংবা পাঁছা কেটেছে তার কোন ইয়াত্তা নেই। ডুব সাতারে ছোঁয়াছোঁয়ি, সাতরে নদী পার হওয়ার প্রতিযোগিতা, নদীর তলা থেকে মাটি নিয়ে আসা এরূপ নানান খেলায় অবলীলায় পার হয়ে যেত কয়েক ঘন্টা। নদীর তলা থেকে মাটি নিয়ে আসাটা ছিলো লোম হর্ষক একটা খেলা, ১০/১২ ফুট পানির নিচে গেলেই কানে সাইরেন বেজ়ে উঠত, আর একটু নিচে গেলেই আমবস্যার অন্ধকার, তারো নিচে একটা প্রচন্ড চাপ মাথাটাকে দুমরে ফেলার মত চাপতে থাকত, নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য ফুসফুস ক্ষেপে উঠত আর কানে অসহ্য একটা চিনচিনে ব্যাথা, আর তখনি হাতে লাগত সাত রাজার ধন একমুঠো বেলে মাটি। মাটি হাতে নিয়ে উলটো পথে ঘুরতে গেলেই কান দিয়ে হরহর করে ঢুকে পড়ত পানি। বিজয়ীর বেশে তীরে উঠে কানের ভেতর আরো কয়েক ফোঁটা পানি ঢেলে এককান আকাশ মুখো অন্য এককান পাতাল মুখ করে শুরু করতাম বাঁদড় নাচন, নাচের থমকে কান থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় বেরিয়ে যেত উষ্ণ পানি। কারো বাড়ি থেকে অভিভাবক জাতিয় কেউ লাঠি নিয়ে তেড়ে না এলে পানি থেকে উঠার নাম নিতামনা কেহই। বিকেলে নদীতটে দাগ কেটে বানানো হত দাড়িঁয়াবান্ধার ছক। কখনো লেং দাড়িয়া, লবন দাড়িয়া, কোট দাঁড়িয়া ইত্যাদি খেলায় সন্ধ্যা হয়ে যেত। গায়ে এক পরত ধুলোবালি নিয়ে বাড়ি ফিরতাম। শীতের সময় নদীর দুই কুল যখন সর্ষেফুলের হলুদ শাড়ি পড়ত তখন সেই শাড়িতে দাঁড়িয়ে চলত ঘুড়ি উড়ানো বা ঘুড়ির লুট খেলা। মিনিটে মিনিটে মাঞ্জা দেয়া ধার সুঁতোয় কারো না কারো ঘুড়ি কাটা যেত, চার দিকে রব উঠত বক্কেট্টা বক্কেট্টা। দুষ্টো ছেলের দল কাটা ঘুড়ির পেছনে ছুটত সুঁতো ও ঘুড়ির নেশায়। কাল্টি খেতে খেতে ঘুড়ি যখন নাগালের ভেতর চলে আসত তখনই ঘুড়ি ডান্ডি বিনাশ (শত টুকরো)। এই যাহ, বৈশাখের কাহিনী বলতে গিয়ে কখন জানি লাইন চ্যুত হয়ে গেছি খেয়াল নেই। শৈশবটা বোধ হয় এমনই।



নানু বাড়ির পেছনে দুই আড়াই বিঘা ধানি জমির পরেই ছিন তলা। হাজার বছরের পুরোনো তিনটা বট গাছ ও একটা বুড়ো তেলুল গাছ জুড়ে মন্দিরের পুরো সিমানাটাই ছিনতলা। একটাবট তলাতে একদিকে কালি মন্দির, এক দিকে শিব মন্দির আরেক দিকে সম্ভবত কার্তিক মন্দির (মাঝে মাঝেই কার্তিক মন্দিরে ছোট কলাগাছ কেটে সেটাকে নববধুর লাল কাপড় জড়িয়ে রাখতে দেখতাম, শিব মন্দিরটা অজ্ঞাত কারনে পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ)। কালীমন্দীরের দেয়াল ঘেসে বৃহদাকায় বকুল গাছ। বকুল ফোটলে হিন্দু মুসলমান সব ছেলেমেয়ের দল বকুল কুড়াতে যেতাম। বৃত্তের ব্যাসের মত সারিবদ্ধ তিনটা মন্দিরের কেন্দ্রের মাঝামাঝি জায়গায় দেয়াল বিহীন চৌচালা কির্তন ঘর। একটা বট গাছের তলায় ছিল এই মন্দীর গুলো। বাকি দুটোর নিচ ফাঁকা আর এইপুরো এলাকাটার নাম ছিনতলা। প্রথম বৈশাখে ফাঁকা জায়গায় হিন্দুয়ানি মেলা বসত, মেলার নাম "ছিন" সেখান থেকেই ছিনতলা। এমনিতে সারাবছর ছিনতলা আমাদের ফুটবল খেলা বা সাইকেল চালানোর ভেন্যু, শুধু বছরের কয়েকটা দিন, বিভিন্ন পুঁজো পার্বনে এই এলাকাটা সাঁজত অচেনা সাঁজে। তখন এখানে ভীর করত হাজারো অচেনা মুখ, তেমনি একটা দিনের নাম মাস পইল্লা (মাস পহেলা/ পহেলা বৈশাখ)



গ্রামের মানুষের হৃদয়ে একটা বদ্ধমুল ধারনা আছে যে বছরের প্রথম দিনটা ভালো কাটলে সারাটা বছরই ভালো কাটবে। সেই ধারনা বাস্তব করে দিয়ে আমার পরহেজগার নানু বাড়িতেও পহেলা বৈশাখে রান্না হত মাছ মাংস মুরগী সহ নানা রকম মিষ্টান্ন। কয়েক দিন আগে থেকেই মুরির মোঁয়া, কাউনের মোঁয়া, নারকেলের নাড়ু, তিলের নারু, চিনির সিরা দেয়া পাতা পিঠা, ঝুড়ি পিঠা ইত্যাদি তৈরীর কাজ শুরু হয়ে যেত। যবের ছাতু আর কাউনের ছাতুর সাথে দুধ কলা মধু দিয়ে কিযেনো একটা আইটেম হত ঠিক খেয়াল নেই।



পহেলা বৈশাখে ছিনতলায় সাত সকালে বসত বড় মাছের বাজার। রোদ্র বাড়ার সাথে সাথে বাজারটা বাষ্পের মত মিলিয়ে গিয়ে সেখানে স্থান নিত নানা রকম পশরা। নদীতে ভেড়ানো নৌকোগুলো থেকে উঠে আসতে থাকত ঝুড়ি ঝুড়ি বাঙ্গি আর তরমুজ সহ নানান রকম গ্রীস্মের ফল ফলাদি। মেলাতে একটু পরে আসছি, আমাদের বিচ্ছু বাহিনীর পহেলা বৈশাখের দিনের শুরুটা না বললে পুরো বৈশাখ বয়ানই বৃথা।



পহেলা বৈশাখের দিন স্কুল ছুটি থাকায় সকাল সকালই দল বেঁধে নেমে পরতাম নদীতে। নাহ, ঝাঁপাঝাঁপির জন্য নয় সেদিন আমাদের উদ্যেশ্য একটু ঘোলাটে। নদীতে নেমেই আমরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে যেতাম, এক দল যেত মিশন তরমুজ চুরিতে আর একদল মিশন বাঙ্গি চুরিতে। নিদৃস্ট নৌকো টার্গেট করে একজন উঠে যেত নৌকোয়, সে বিভিন্ন উতপটাং হরকতের মাধ্যমে ব্যাস্ত রাখত নৌকোর লোকদের আর সেই ফাঁকে নৌকোর পিছন দিক দিয়ে নিঃশব্দে নামিয়ে ফেলা হত গোটা তিনচারেক তরমুজ বা বাঙ্গি। অতঃপর সেগুলোকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে সাঁতরে রওনা হতাম কাশ বনের ঝোঁপে আমাদের গোপন আস্তানায়। তরমুজের খোল শক্ত থাকায় সেগুলোকে আছড়ে ভাঙ্গা হত। আর সেই ভাঙ্গা তরমুজের ভাগ নিয়ে সেকি কাড়াকাড়ি মারামারি হুড়োহুড়ি।



গোসল পর্ব সেরে বাড়িতে এসেই ছুটতাম ছিনতলায়। পরিচিত ছিনতলা তখন লোকে লোকারণ্য। রাস্তার পাশে ফলফলাদির স্তুপ নিয়ে দাড়াঁনো বেপারীরা, সেদিকে তখন আমাদের কোন ইন্টারেষ্ট নেই। আরেকটু সামনেই মিশটান্নের তাবুগুলো তখন সাজানো হয়ে গেছে। বড় বড় চোখ করে যেন তাকিয়ে আছে লাড্ডু, নানা রকম সন্দেশ, কদমা, বাতাসা, চিনির তৈরী হাতি ঘোড়া, মুড়ালি, জিলাপি, আম্মৃত্তি আরো নাম ভুলে যাওয়া বাহারি পশরা। মিষ্টির ডেরাগুলো পেরুলেই ভাজাপোঁড়ার লাইন, সেখানে ফুটন্ত তেলে তৈরী হচ্ছে গরম গরম নিমকি, কটকটি, মনেক্কা, ফুলহরি, পেঁয়াজু, সিঙ্গারা, গুলগুলা ইত্যাদী (দুটো গুলগুলার দাম ছিলো আট আনা)। আরেকটু এগুলেই খাঁজার পশরা, দোকানীরা ছড়া কেটে কয়েক প্রকার খাঁজা বিক্রি করছে। "তিলের খাঁজা খাইতে মজা, বাবায় খাইলে পোলায় রাজা, পোলায় খাইলে বাবায় রাজা"। দুঃখের বিষয় সেই খাজা খেয়ে আমি বা বাবা কেউই রাজা হইনি। খাঁজার লাইন পেরুলেই মুড়ি মুরকির পশরা, ঝুড়িতে পর্বতের মত করে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন রকম মোঁয়া, পাটালি গুড়ের সিরাদেয়া বিন্নির খৈ, আমনের খৈ, ভেটের খৈ, আহাঃ অমৃত, অমৃত। এক টাকায়, কাগজের তৈরী ঠোঙ্গার বড় একঠোঙ্গা খৈ পাওয়া যেত। মন্দিরের কাছাকাছি মাটির তৈজষ পত্র আর খেলনার স্তুপ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত কুমোর পাড়ার ছেলেরা। তাছাড়া সারা ছিনতলা জুরেই এলোমেলো ভাবে ঘুরাফেরা করত আচারওয়ালারা, সরবতের গাড়ি, পানি গোল্লার ঝাপি, আইস্ক্রিমের পেটি ইত্যাদি। ভাবতেই অবাক লাগে এতসব আয়োজন শুধু একদিনের জন্যই করা হত। সুর্য্য ডোবার সাথে সাথেই আবার এক বছরের বিরতি।



অতঃপর যাযাবর জীবন বারেবার আমার মূল উপড়েছে, মুল উপড়ানো ব্যাথা নিয়ে জায়গা বদল করেছি সে সাথে পেয়েছি কিছু নতুন সৃতি। সে ধারাবাহিকতায় জীবন আমাকে ছুড়ে ফেলল ঢাকার অদুরে এক মফসসলে, সেখানে পহেলা বৈশাখ বা মেলা নামক কোন বস্তুর সাথে আমার দেখা হয়নি। তারুন্যে যখন আমি ঢাকার বাসিন্দা তখন বৈশাখ মানেই রমনার বটমুল। হাড়িময় পান্তা আর শাড়িময় তরুনীদের ঝাঁক। নাহ, রমনার বটমুলে যাওয়া হয়নি কখনো।বৈশাখের সেই লোভনীয় খাবারগুলোর সৃতি আমাকে দুড়ে ঠেলেছে পান্তা ইলিশ থেকে। বৈশাখ যেখানে দুরন্ত ঘোড়া হয়ে আমায় পিঠে তুলে ছুটে গেছে নদীতে মাঠে মেলায় টিলায়, সেখানে এই রুক্ষ শহরে দাঁড়িয়ে গলা ছেড়ে "এসো হে বৈশাখ এসো এসো" বলে বৈশাখকে নির্লজ্জ ভাবে ডাকতে আমার চিরকালই আপত্তি।



আর এখন? বৈশাখ মানেই গ্রামহারা শহরহারা দেশ ছাড়া হয়ে বিশ্বের কোন এক ব্যাস্ত নগরীতে বসে শুধুই সৃতির জাবর কাটা, টেলিভিশনের পর্দায় রমনার বটমুল আর তরুন তুরুনীদের গালে রঙের ছটা দেখা। হায়রে বৈশাখ তুইকি কখনোই শহরে আসবিনা? শহরের সাথে কি তোর চিরকালই আড়ি? যেখানে সারিসারি আমগাছে থোঁকায় থোঁকায় কাঁচা ঝুলেনা সেখানে কোথা থেকে আসবে কালবৈশাখী ঝর?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখা হইছেগো ভাইডী! তারকা নিক্ষিপ্ত হইলো।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থেঙ্কু বাউলদা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখা হইছেগো ভাইডী! তারকা নিক্ষিপ্ত হইলো।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থেঙ্কু বাউলদা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"বৈশাখ মানেই গ্রামহারা শহরহারা দেশ ছাড়া হয়ে বিশ্বের কোন এক ব্যাস্ত নগরীতে বসে শুধুই সৃতির জাবর কাটা, টেলিভিশনের পর্দায় রমনার বটমুল আর তরুন তুরুনীদের গালে রঙের ছটা দেখা। হায়রে বৈশাখ তুইকি কখনোই শহরে আসবিনা? শহরের সাথে কি তোর চিরকালই আড়ি?"





মুরব্বী এইটার অপেক্ষায় ছিলাম। দারুন!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপেক্ষার পালা শেষ করতে পেরে ধন্য হলাম।

থেঙ্কু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"বৈশাখ মানেই গ্রামহারা শহরহারা দেশ ছাড়া হয়ে বিশ্বের কোন এক ব্যাস্ত নগরীতে বসে শুধুই সৃতির জাবর কাটা, টেলিভিশনের পর্দায় রমনার বটমুল আর তরুন তুরুনীদের গালে রঙের ছটা দেখা। হায়রে বৈশাখ তুইকি কখনোই শহরে আসবিনা? শহরের সাথে কি তোর চিরকালই আড়ি?"





মুরব্বী এইটার অপেক্ষায় ছিলাম। দারুন!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপেক্ষার পালা শেষ করতে পেরে ধন্য হলাম।

থেঙ্কু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন লাগলো।



আহারে! ওমন বোশেখ মনে হয় এখন গ্রাম-বাংলা থেকেও উঠে যাচ্ছে.........।



শীতে গ্রামে বেড়াতে গেলে কি যে আনন্দ করতাম, সব মনে পড়ে যায়...।



পাচ কামানে গোলা দাগানো হইলো.........।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ! গ্রাম বাংলায়ও সেই বোশেখ আর দেখা যায় না।

গোলার জন্য থেঙ্কু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন লাগলো।



আহারে! ওমন বোশেখ মনে হয় এখন গ্রাম-বাংলা থেকেও উঠে যাচ্ছে.........।



শীতে গ্রামে বেড়াতে গেলে কি যে আনন্দ করতাম, সব মনে পড়ে যায়...।



পাচ কামানে গোলা দাগানো হইলো.........।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ! গ্রাম বাংলায়ও সেই বোশেখ আর দেখা যায় না।

গোলার জন্য থেঙ্কু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার নানাবাড়িও আপনার মত শতলক্ষ্যার পাড়ে। গ্রামের নাম ডাঙ্গা, সম্ভবত কাঞ্চনের কাছাকাছিই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম কাছেই। আপনার নানুবাড়ীর দিকে "বীরফতলা" নামের একটা জায়গা আছে না? সেখানেও নাকি মেলা হয়। যাওয়া হয়ে উঠেনি। গেলে অবশ্যই পোষ্টে বিবরন থাকত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার নানাবাড়িও আপনার মত শতলক্ষ্যার পাড়ে। গ্রামের নাম ডাঙ্গা, সম্ভবত কাঞ্চনের কাছাকাছিই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম কাছেই। আপনার নানুবাড়ীর দিকে "বীরফতলা" নামের একটা জায়গা আছে না? সেখানেও নাকি মেলা হয়। যাওয়া হয়ে উঠেনি। গেলে অবশ্যই পোষ্টে বিবরন থাকত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহা অসাধারন লেখা । নানাবাড়ীর ঠিকানা দেন , কালকেই যামু , বইলা রাইখেন সবাইরে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থেঙ্কু

দেড় ঘন্টা চেষ্টা করেও মধ্য দুপুরে কমেন্ট করতে পারি নাই। আপনের আজকের পর্বটা দারুন লেগেছে।

নানাবাড়ি এখন বারো ভুতে লুটে খায়। কেউ নেই সেখানে। কয়েকটা ঘরও রাতের বেলা নাকি ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। আফসোস


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহা অসাধারন লেখা । নানাবাড়ীর ঠিকানা দেন , কালকেই যামু , বইলা রাইখেন সবাইরে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থেঙ্কু

দেড় ঘন্টা চেষ্টা করেও মধ্য দুপুরে কমেন্ট করতে পারি নাই। আপনের আজকের পর্বটা দারুন লেগেছে।

নানাবাড়ি এখন বারো ভুতে লুটে খায়। কেউ নেই সেখানে। কয়েকটা ঘরও রাতের বেলা নাকি ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। আফসোস


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখা পড়ে আমি আমার ছেলে বেলায় চলে গিয়েছিলাম, স্মৃতির পাতায় ডুবে গিয়েছিলাম। প্রতিটা মুহুর্ত মনে হয় আমি ও আপনার সাথে ছিলাম, দুষ্টুমির প্রতিযোগিতায় কেউ কাউকে হারাতে পারেনা এমন। শৈশবের স্মৃতি বড়ই মধুর, এখনো সমবয়সি কাউকে সাথে পেলে কোন না কোন একটা ঘটনা শুরু হলে তার গল্প বলা শেষ হতে চায়না। আপনার লেখা পড়ে আজ আমার এত বেশী ভাল লাগছে যে মনে হল পহেলা বৈশাখের সবগুলি স্মৃতি আমার প্রবাসে পহেলা বৈশাখের সকল আনন্দ পেয়েছি। আপনি এত সুন্দর করে লিখেছেন যে যারা গ্রামে বড় হওয়া দুরন্ত ছেলে তারা বেশ মজা পেয়েছে। বাস্তবটাকে বেশসুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনার গ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়নি তবে নদীর এপারে বেলদি বাজারে গিয়েছিলাম বেশ কয়েক বার। তখন বাজার বরাবর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছেলেবেলাটা এমনই, বড়ই এলোমেলো আবার খুব গোছানো। সুন্দর মন্তব্যের অজস্র ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখা পড়ে আমি আমার ছেলে বেলায় চলে গিয়েছিলাম, স্মৃতির পাতায় ডুবে গিয়েছিলাম। প্রতিটা মুহুর্ত মনে হয় আমি ও আপনার সাথে ছিলাম, দুষ্টুমির প্রতিযোগিতায় কেউ কাউকে হারাতে পারেনা এমন। শৈশবের স্মৃতি বড়ই মধুর, এখনো সমবয়সি কাউকে সাথে পেলে কোন না কোন একটা ঘটনা শুরু হলে তার গল্প বলা শেষ হতে চায়না। আপনার লেখা পড়ে আজ আমার এত বেশী ভাল লাগছে যে মনে হল পহেলা বৈশাখের সবগুলি স্মৃতি আমার প্রবাসে পহেলা বৈশাখের সকল আনন্দ পেয়েছি। আপনি এত সুন্দর করে লিখেছেন যে যারা গ্রামে বড় হওয়া দুরন্ত ছেলে তারা বেশ মজা পেয়েছে। বাস্তবটাকে বেশসুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনার গ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়নি তবে নদীর এপারে বেলদি বাজারে গিয়েছিলাম বেশ কয়েক বার। তখন বাজার বরাবর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছেলেবেলাটা এমনই, বড়ই এলোমেলো আবার খুব গোছানো। সুন্দর মন্তব্যের অজস্র ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাড়ি যাইতে চাই..( কান্নার ইমো এখোনো দেয় নাই, ভাইবা লন)



চুখ বন্ধ ক্যান?

BlUr


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইবার চোখ খুলছি। (মুচকি হাসির ইমো হইবে)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি চমৎকার ! কি চমৎকার !



অসাধারণ বয়ান । স্মৃতি বিশেয়জ্ঞের উপযুক্ত পোস্ট ।শৈশব কে দুরন্তে প্রকাশটাও ভাল লেগেছে ।



আমি মনে হয় আপনার মত দুরন্ত আছিলামনা । একটু ভ্যাবলা কিছিমের আছিলাম ।



এখন শহরেই বৈশাখ আসে । গ্রামে কেউ খবরও পায়না ।আহা গ্রাম ! আমার আমার ফেলে আসা দিনগুলি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থেঙ্কু

ভালো বলেছেন। সামনের বৈশাখ ঢাকাতে পালন করার ইচ্ছে আছে।

glqxz9283 sfy39587p07