Skip to content

প্রসঙ্গ – রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় না দেয়ার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজ অনেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে অনুমতি না দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে চরমভাবে সমালোচনা করছে। এবং একই সাথে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশীদের ভারতে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। কিন্তু আমরা বাংলাদেশীরা মায়ানমারের বর্তমান দাঙ্গার ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আজ নিজেদের সঠিক তথ্য থেকে দূরে সরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের কথা বলছি।

অনেকে রোহিঙ্গাদের আসল ইতিহাস এবং অতীত সম্পর্কে অবগত নয়। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ আইন-শৃঙ্খলায় বিড়ম্বনা সৃষ্টির জন্য দায়ী। মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায় তাদের জড়িত থাকার বিষয়টিও ওপেন সিক্রেট। জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গেও রয়েছে সংশ্লিষ্টতা। বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গিয়ে লুকিয়ে আছে এমন রোহিঙ্গার সংখ্যা শত শত।বান্দরবন ও কক্সবাজারে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বৃক্ষ নিধন করে রোহিঙ্গাদের বসতি গড়ে ওঠায় তারা প্রকৃতিগত বিপর্যয়েরও কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষত জঙ্গিবাদের সঙ্গে বিভিন্ন রোহিঙ্গা সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা দেশের স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে। বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সীমান্তে মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ শূন্যের পর্যায়ে নামিয়ে আনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির ও বসতিগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখার হচ্ছে। এমন অবস্থায় আবার নতুন করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়াটা কতোটা সমীচীন হবে তা ভাবার বিষয়।

১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশীরা ভারতে যেয়ে কোন সন্ত্রাসী অপকর্ম চালাতো না এবং চালায়নি। উপরন্তু মুক্তিযুদ্ধ শেষে তারা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে। কিন্তু অন্যদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পূর্বের কার্যকলাপ থেকে দেখা যায়, তারা মানব-পাচার, অজাচারে বৃক্ষ নিধন, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নকরণ এবং মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। ইত্যাদি অপকর্ম করে এসেছে। সুতরাং, তাদের এই কার্যকলাপের ভিত্তিতেই তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত নয়। সূত্র http://www.bd-pratidin.com/?view=details&type=gold&data=Loan&pub_no=763&cat_id=2&menu_id=8&news_type_id=1&index=2&archiev=yes&arch_date=11-06-2012%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0

পারমাণবিক বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই সন্দেহ করে আসছেন যে মিয়ানমার পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর ব্যাপারে কাজ করে আসছে। এই প্রকল্পের প্রধান বলে মনে করা হয় ড. কো কো ও'কে; তিনি মিয়ানমারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল। ড. কো কো ও এর আগে বিদেশে প্রকাশ্যে পারমাণবিক ব্যাপার-স্যাপারে সন্দেহজনক পর্যায়ের আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। তাঁর উদ্যোগেই ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির সঙ্গে মিয়ানমার কাজ করে যাচ্ছে।এই জেনারেলরা তাড়িত তাদের নিজস্ব উচ্চাভিলাষ ও লিপ্সা দিয়ে। তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই, দায়বদ্ধতা নেই। অন্য যেকোনো দেশের তুলনায়ই তাই মিয়ানমারের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র যাওয়া বিশ্বের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। মিয়ানমারকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে চাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ। আর এই উদ্যোগ গ্রহণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জড়িত করার জন্য বাংলাদেশকে দ্রুতই কাজ শুরু করতে হবে।সূত্র http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&archiev=yes&arch_date=13-06-2010&feature=yes&type=gold&data=Tax&pub_no=189&cat_id=3&menu_id=77&news_type_id=1&index=15%E0%A6%97%E0%A6%A4

(১৩ সেপ্টেম্বর ২০১১) কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থী মিলে ১০ হাজার ভয়ংকর অপরাধী। তাদের হাতে রয়েছে রকেট লঞ্চার, এম-১৬ রাইফেলসহ নানা ধরনের অস্ত্র ও সরঞ্জাম। মানব-পাচার, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে তারা জড়িত। পার্বত্য অঞ্চলের গহিন অরণ্যে তাদের অস্ত্রের কারখানাও রয়েছে। আরেকটি পত্রিকায় রিপোর্ট বেরিয়েছে, রোহিঙ্গারা অস্ত্র কেনার জন্য ২০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন সূত্র থেকে তারা এ তহবিল সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে। মাদক-পাচারের সঙ্গেও রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত-রক্ষী বিজিবির হাতে জানিয়েছে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে টেকনাফ পৌরসভার বাস-স্ট্যান্ডে বিজিবি জওয়ানরা অভিযান চালিয়ে এক হাজার ১০টি ইয়াবাসহ সেতারা বেগম ও তার স্বামী মো. খানকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা উভয়ই রোহিঙ্গা। এর আগে ১৫ আগস্ট টেকনাফ সদরের জওয়ানরা ট্রানজিট নিয়ে আসা মিয়ানমারের মংডু শহরের মোহাম্মদ শহীদকে ৯৮৯টি ইয়াবাসহ আটক করেছে। এ ধরনের হাজারো উদাহরণ দেওয়া যাবে সূত্র http://www.somewhereinblog.net/blog/linkonhusain/29575169

দেশের নিরাপত্তা সবার আগে। আমরা রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে জেনেও কেন নিজেদের ভয়ানক বিপদের ভিতর ঠেলে দেব। এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিরা আশ্রয় নেয় কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তারা আজ নিজেদের আদিবাসী দাবি করে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাধীনতা দাবী করছে। এই রোহিঙ্গারা যে এক সময় আমাদের জন্য হুমকি হিসেবে দাঁড়াবে না এর নিশ্চয়তা কে দেবে ? আমি নিজেও মায়ানমারের এই দাঙ্গাকে সমর্থন করি না। আমি নিজেও খুব অনুতপ্ত। মানবতার জন্য এই প্রকার দাঙ্গা কখনো শুভকর হতে পারে না। কিন্তু তাদের এই প্রকার কর্মকাণ্ডের জন্য আমাদের দেশকে হুমকির ভিতর ফেলাটা কতোটা বুদ্ধির পরিচয় দেয়া হবে তা সবাইকে ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো। আমি আশা করবো মিয়ানমার সরকার এই দাঙ্গা বন্ধ করার জন্য অতিদ্রুত যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পুশ ইন করে সমাধান সম্ভব নয়। যারাই আমাদের দেশে পুশ ইন হয়েছে তাদেরকে পুশ ব্যাক করাটা সহজ হয়নি। ধন্যবাদ।

আসলে আমরা অনেকে মানবতার ছায়াতলে এসে বৃহত্তর স্বার্থ ভুলে যাই। বর্তমান বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজের দেশের সুবিধা আগে দেখা উচিৎ। বাংলাদেশে কি পরিমাণ রোহিঙ্গা রয়েছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের টেকনাফে রোহিঙ্গাদের জন্য দুটি শরণার্থী শিবির রয়েছে। তাতে ২৮ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে। একইভাবে উখিয়া ও টেকনাফে বেসরকারি দুটি ক্যাম্প আছে। তাতে রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা। বিভিন্ন দেশের এনজিওর পৃষ্ঠপোষকতায় এ ক্যাম্পগুলো চলে। ২৮ হাজার রোহিঙ্গা আদৌ মিয়ানমারে ফেরত যাবে কি-না এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। ক্যাম্পে নাম লিখে এসব রোহিঙ্গা জাতিসংঘের রেশন-ভাতা ভোগ করছে। তাদের নেতারা ক্যাম্পে অবস্থান করে না। কদাচিৎ আসে। অভিযোগ রয়েছে, নেতারা ক্যাম্পের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেশের ভেতরে ঘুরে বেড়ায়। সূত্র http://www.samakal.com.bd/details.php?news=17&view=archiev&y=2011&m=09&d=23&action&menu_type&option=single&news_id=193804&pub_no=821&type

বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক রোহিঙ্গা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং সম্ভাব্য হুমকি বিবেচনা করে আরো বেশী রোহিঙ্গার সমাগম ঘটানো আমাদের দেশের জন্য হুমকি হতে পারে। এই বিষয়টার পক্ষে মতামত প্রদান করছে তাদের মনে রাখা উচিত রোহিঙ্গা সমস্যা আজকে হঠাৎ করে হয়নি এই সমস্যা দীর্ঘ দিনের । প্রায় দুই দশক আগে থেকে বাংলাদেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে এখনো প্রায় ২৫ হাজার নাগরিক টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন। এর বাইরেও অনেকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন বিভিন্ন এলাকায়। যদিও পরবর্তীতে দাঙ্গা শেষ হলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হলেও তাতে এখনো রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়নি মায়ানমার। Bangladesh has since announced it will repatriate around 9,000 Rohingya living in refugee camps in the country back to Burma, after a meeting with Burmese diplomats. Steps to repatriate Rohingya began in 2005. সূত্র http://en.wikipedia.org/wiki/Rohingya_people

ঠিক আছে মানবিক কারণেই রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হিসেবে গ্রহণ করা উচিত এটা সবাই বলবে। কিন্তু এটাও ঠিক যে বাংলাদেশ অনেক আগে থেকেই এই ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করছে এবং জাতিসংঘ এই সমস্যার সমাধান করতে পারে নাই। শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছে মানবেতর অবস্থায়। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। কক্সবাজার, টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যুক্ত হয়ে পড়েছে মাদক ব্যবসায়ের সাথে। চোরাপথে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ে রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ আছে। তাছাড়া দেশে জঙ্গি শক্তি বিকাশে রোহিঙ্গারা সম্পৃক্ত তারও প্রমাণ আছে। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জের বাংলাদেশকে বহন করতে হবে কেন? এখন জাতিসংঘের উচিত বড় বাক্য ব্যয় না করে মায়ানমার সরকার কে চাপ প্রয়োগ করে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধ করে তাদেরকে নিজ দেশে থাকার পরিবেশ নিশ্চিত করা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি এদিন বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশে এখনই বৈধ ও অবৈধভাবে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছেন – ফলে নতুন করে শরণার্থীদের স্রোত এলে সেই চাপ সামলানো খুব মুশকিল হবে।তিনি বলেছেন, এখন বাংলাদেশের দুটি শিবিরে বৈধভাবে ২৮ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আছেন; এছাড়া অবৈধভাবে আছেন আরও বহু – যে সংখ্যাটা তিন থেকে পাঁচ লাখ পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। বাংলাদেশ সরকার এদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে বার্মার সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আসা শরণার্থীদের জন্য চাপ পড়ুক – সূত্র http://www.bbc.co.uk/bengali/news/2012/06/120612_sg_bd_burma.shtml

দেশের বৃহত্তর জনগণের সুবিধার কথা চিন্তা করে এ রকম কিছু সিদ্ধান্ত নেয়াটা মোটেই অযৌক্তিক নয়। যদি সব দেশ মহৎ হতো তবে সবাই সব দেশের সুবিধাবঞ্ছিত মানুষকে আশ্রয় দিত। কার্যত তা কখনো হয় না। কাড়ন দেশের জনগণের নিরাপত্তা সবার আগে। আমরা চাই জাতিসংঘ নিজের সৈন্য প্রেরণ করে মায়ানমারের এই জাতিগত দাঙ্গা বন্ধ করবে। আমাদের দেশ এমনিতেই অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অসংখ্য রোহিঙ্গাকে আশ্রয় এবং খাদ্য দিয়ে আসছে। কিন্তু সামগ্রিক রাজনৈতিক বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। জাতিসংঘের উচিৎ এই দায় ভার নেয়া। তাদের সহযোগিতার হাত সবার আগে বাড়িয়ে দেয়া উচিৎ। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত আশফাকুর রহমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ভূখণ্ড মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারে।’সাবেক এ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রোহিঙ্গারা একবার যদি বাংলাদেশে প্রবেশ করে তাহলে তাদের বের করা কঠিন হবে। ইসলামি দেশগুলোর সংগঠন ওআইসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কথা উচিত। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কথা বলতে হবে। ওআইসির বিভিন্ন দাতা দেশ মুসলিম উদ্বাস্তুদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা করে থাকে।’ সূত্র http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=c16d2428710b99841b60455fad7561b2&nttl=118802 বাস্তবতার আলোকে উপরোক্ত বিষয়গুলো চিন্তা করতে এটা স্পষ্ট যে কেন রোহিঙ্গাদের প্রবেশ উচিৎ নয়। এই বাংলাদেশীরাই আবার এক সময় বলবে কেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছিলো ? যখন এই রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে পাহাড়ি উপজাতিদের মতো দেশের কোন অংশের স্বাধীনতা দাবী করে বসবে। শুরু হবে আরেক যুদ্ধ। তখন দোষ দেবে এই সরকারের। কিংবা যখন তাদের ভরন পোষণে চলে যাবে বাজেটের অনেক বড় অংশ তখন নিত্য পণ্যের দাম বাড়লে বাংলাদেশীরা দোষ দেবে এই সরকারের - কেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ফ্রি খাবার দিয়ে নিজের দেশের বারোটা বাজানো হলো। আমি আগেও বলেছি - মায়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি নিজেও উদ্বিগ্ন। এখন উচিৎ জাতিসংঘকে চাপ প্রদান করা। এটা তাদের দায়িত্ব। বাংলাদেশ একা কেন এই দায়িত্ব নেবে ? মুক্তমন নিয়ে যুক্তির উপর ভিত্তি করে ভাবুন। দেখবেন সত্য এটাই । বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘন জনবসতিপূর্ণ দেশ, এখানে নতুন করে শরণার্থীদের চাপ পড়লে সেটা সামলানো খুব সমস্যা হবে। আশা করি মায়ানমারের এই সমস্যার সমাধান অতি দ্রুত হবে।

আমাদের দেশে এখনো অনেক রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। কিন্তু মায়ানমার তাদের ফেরত নিচ্ছে না। আর অতীত থেকে আমরা যেই শিক্ষা পেয়েছি সেই শিক্ষা নিয়ে কেন নিজেদের বিপদ ঢেকে আনবো। এখানে কোন কিছুই ধরে নেয়া নয়। প্রতিটি কথায় তথ্যের উপর প্রমাণিত। আপনি আমার লিখাগুলো ভালো করে পড়েন এবং বিশুদ্ধ চিন্তা নিয়ে বিচার করে। তাহলে দেখবেন সব পরিষ্কার। বাস্তবের আলোকে চিন্তা করতে হবে। "গত বিশ বছরে আমরা রোহিঙাদের দিয়ে তেমন কিছু করতে পারিনি। এরা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশ গিয়ে গণ্ডগোল পাকায় আর দোষ হয় বাংলাদেশী শ্রমিকদের। এরা নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার বদলে আমাদের বিস্তৃত বনভূমি ধ্বংস করে বসতি স্থাপন করে বছরের পর বছর ধরে খাচ্ছে ধাচ্ছে, বাংলাদেশে ইয়াবা প্রবেশ করাচ্ছে। জাতিসংঘের দায়িত্ব। এটা অবশ্যই। কারণ বাংলাদেশের একার পক্ষে এটা সমাধান কখনো সম্ভব নয়।রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে আশ্রয়ে থেকে তারা না না রকম অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। অস্র চোরাকারবারি আরো অনেক কিছু। বাংলাদেশ অনেক করছে তাদের জন্য। কিন্তু বিনিময়ে তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কি অবদান রাখছে ? কিছুই না। আমি নিজেও চাই না ওরা মারা যাক। কিন্তু আমরা আর কত করবো ? জাতিসংঘ এগিয়ে আসা মানে বাংলাদেশও এগিয়ে আসা। বাংলাদেশে জাতিসংঘের বাইরে নয়। আর অন্যদিকে জাতিসংঘ বাংলাদেশের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের দায়িত্বকে এড়িয়ে যাচ্ছে।ঘের রিফিউজি হিসেবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে না ? মানবতার বুলি আওড়ানোর চেয়ে, পরের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপানোর চেয়ে নিজেদের কাজ করে দেখানো উচিত জাতিসংঘের। আমাদের একার পক্ষে সমাধান করার থেকে সব দেশ মিলে এর সমাধান করাটা অনেক বেশী সহজ। যাই হোক আমি নিজেও চাই এ রকম অমানবিক কর্নকান্ড মানবজাতির মাঝ থেকে বিলুপ্ত হোক। আমাদের পরিশুদ্ধ সচেতনতার প্রয়োজন।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমত্কার পোষ্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক ধন্যবাদ। আমার এই লিখাটির মূল উদ্দেশ্য ছিলো সচেতনতা তৈরি করা। আমাদের নতুন প্রজন্মের বড় একটা অংশই আবেগে চলে। তারা বাস্তবতার আলোকে চিন্তা করে না। আমরা চাই সচেতনতা তৈরি হোক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশীরা ভারতে যেয়ে কোন সন্ত্রাসী অপকর্ম চালাতো না এবং চালায়নি। উপরন্তু মুক্তিযুদ্ধ শেষে তারা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে। কিন্তু অন্যদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পূর্বের কার্যকলাপ থেকে দেখা যায়, তারা মানব-পাচার, অজাচারে বৃক্ষ নিধন, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নকরণ এবং মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।


পোস্ট ভালো লাগলো।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লিখাটি আপনার ভালো লেগেছে শুনে খুশী হলাম। আমার আসল উদ্দেশ্য ছিলো সঠিক তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে রোহিঙ্গাদের নতুন করে আশ্রয় দেয়ার যৌক্তিকতা কতটুকু তা সবার সামনে তুলে ধরা। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অজানা অনেককিছু জেনে ভালই লাগছে।

--------------------------------------------------------------------
মানুষের সাধ্যেরে বাইরে কিছুই নেই, যদি তার নির্ভেজাল বোধগম্যতা থেকে থাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিরাপত্তাকর্মীর নজর এড়িয়ে দলে দলে ঢুকছে রোহিঙ্গারাঃ সীমান্তে জামায়াত-শিবিরের রহস্যজনক আনাগোনা শীর্ষক জনকন্ঠের প্রতিবেদনে পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা-রাখাইন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পেছনে জঙ্গী গ্রুপ আল কায়েদা ও আরাকান বিদ্রোহীদের সম্পৃক্ততা এবং দুটি এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিদের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলতে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসররা আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের নেতাদের পরামর্শে মিয়ানমারে বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের দিয়ে কাহারিপাড়া বার্মিজ স্কুলের শিক্ষিকা রাখাইন মহিলাকে বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে জঙ্গলে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় ৫ জুন মিয়ানমারের লুণ্ঠিন বাহিনী-পুলিশ মংডু থেকে আল কায়েদা বিদ্রোহী গ্রুপের পাঁচ জঙ্গীকে আটক করে। পরবর্তীতে রাখাইনরা ক্ষুব্ধ হয়ে টংগুর শহরে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করলে মিয়ানমারের পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়। এরপর সেদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হয়ে এদেশে পালিয়ে আসার উস্কানি দেয়া হলে গত পাঁচ দিন ধরে দলে দলে রোহিঙ্গা পরিবার নাফ নদী পেরিয়ে দেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করে চলছে।

নাফ নদীতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ১৫০ কিলোমিটার সীমান্ত আছে। স্বাভাবিক সময়ে সীমান্ত পাহারায় বিজিবির ৮২০ সদস্য মোতায়েন থাকে। কোস্টগার্ডেরও থাকে প্রায় ২০০ জন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিজিবির আরো ১২০ এবং কোস্টগার্ডের আরো ১০০ জন অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু এত কম জনবল দিয়ে কি ১৫০ কিমি সীমান্ত পাহারা দেয়া সম্ভব?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোন কোন আন্তর্জাতিক এনজিও এবং কোন বন্ধু রাষ্ট্র আমাদের অনুরোধ করছেন, আমরা যেনো আমাদের সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধে প্রবেশ করতে দিই। আমরা তাদের কাছে অনুরোধ করবো, যে অনুরোধ তারা বাংলাদেশকে করতে চাচ্ছেন, সেটি তারা যেন বার্মায় কিংবা অন্যান্য মোড়ল দেশগুলোকে করেন যাতে মায়ানমারের এই রকম সমস্যা নিজেরাই সমাধান করতে পারেন। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লিখেছেন !

------------------------------------------------------------------------------------
বেঁচে থাকি আগামীর আশায়, সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি লিখাটির যুক্তিগুলো সবার সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙ্গারা অপরাধ প্রবন এমন বলার আসলে কোন যৌক্তিক কারন নেই। একদল বিপন্ন ও দরিদ্র মানুষকে দিয়ে অপরাধ করিয়ে নেয়া অনেক সহজ। মাদক ও অস্র চোরা কারবারের যে পুঁজি লাগে তা এই হতদরিদ্রদের নেই। তারা বাহক মাত্র। বহু হতদরিদ্র বাঙালী এই একই কাজের সাথে জড়িত। এইটা মূল আর্গুমেন্ট না।

ফালানীর ঝুলন্ত লাস প্রমান করে অবৈ্ধ অনুপ্রবেশ কোন রাষ্ট্রের কাছে গ্রহনযোগ্য না। তারপরো হিন্দু সম্প্রদায় আজকে ৯%এ এসে ঠেকেছে। এবং এই সংখ্যা ক্রমহ্রাসমান।লক্ষনীয় যে কক্সবাজারের কোন হিন্দু দেশ ছাড়লে ভারতকেই বেছে নেয়, মায়ানমারকে নয়। সাম্প্রদায়িক ঐক্যর কারনে এটা হয়। আবার হিন্দুরা চিত্তের আনন্দ বর্ধনের জন্য দেশান্তরি হয় না, হয় আমাদের মুসলমানদের নির্মম আপ্যায়নের কারনে।

এখন মার খাওয়া বিপন্ন রোহিঙ্গাদের যাবার যায়গা সমুদ্র বা সাম্প্রদায়িক ঐক্য আছে এমন দেশ বাংলাদেশ। ভৌগোলিক ভাবে এই দুইটা অপসনই তাদের সামনে খোলা আছে।তারা বাংলাদেশকেই বেছে নেবে। আমরা গরীব তাই চাইব এমন মেহমান না আসুক। কিন্তু গুলিবিদ্ধ কাওকে আমরা যদি আশ্রয় দিতে না পারি তা হলে মানবিক জীব হিসাবে নিজেদের দাবি করার আর কোন সুযোগ আমাদের থাকে না। স্বাভাবিক সময়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিরোধীতা করা ঠিক আছে কিন্তু যখন সত্যিসত্যি দাঙ্গার কারনে বিপন্ন হয়ে ছুটে আসে কেউ তখন প্রথম কাজ তাকে আশ্রয় দেয়া। তারপরে আন্তর্জাতিক সংস্থার নজরে আনা। মায়ানমারের উপরে চাপ দেয়া। আর যা যা বললেন সেই গুলি করা।

নয় মাসের যায়গায় বাঙালীদের যদি নয় বছর ভারতে উদবাস্তু হয়ে থাকতে হত তবে এইসব উদবাস্তুদের বড় একটা অংশকে হয়ত নানান অপরাধে জড়িয়ে ফেলা হত। কারন এ ধরনের মানুষদের অপরাধে জড়িয়ে ফেলা সহজ।

পাহাড়ীদের সম্পর্কে অনেক একপেশে কথা বললেন। কাপ্তাই লেকের ফলে গৃহহীন হয় বহু পাহাড়ী। শান্তিবাহিনীর অন্যতম উৎপত্তির কারন ছিল সেটি। বাঙালী সেটেলার দিয়ে পাহাড়ীদের প্রতিনিয়ত আপ্যায়ন করে চলেছি আমরা। এর কিছু প্রতিক্রিয়াত হবেই।

রোহিঙ্গাদের বর্তমান অনুপ্রবেশের ইস্যুটা কোণ মতেই রাজনৈ্তিক না এটা সম্পূর্ন মানবিকভাবেই দেখতে হবে। আমাদের লোকবল দিয়ে আমরা এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারবনা। বরং অনুপ্রবেশে বাঁধাদিলে সরকার অনুপ্রবেশকারিদের সম্পর্কে কোন তথ্য পাবে না। তথ্যের অভাবে এটাকে অন্তর্জাতিক ইস্যুও করতে পারবে না।
বরং অনুপ্রবেশ করতে দিলে সরকারের কাছে অনুপ্রবেশকারিদের সম্পর্কে তথ্য থাকবে। মায়ানমার গনতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে। তারা এই ইস্যু বেশিদিন ইগনোর করতে পারবে না। যদি আমাদের পররাষ্ট্র বিভাগ যোগ্যতার সাথে ইস্যুটা ডিল করতে পারে।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপনার সাথে সহমত।
এছাড়া যেসব রোহিঙ্গা ইতোমধ্যে অনুপ্রবেশ করেছে বিজিবি তাদের চিকিত্‍সাসহ অন্যান্য সহযোগিতা দিচ্ছে। এবং অনেক খারাপের মাঝেও একটা খবর ভালো লেগেছে যে ,
দেড় মাসেরে এক রুগ্ন শিশুকে বিজিবি এক জেলের কাছে তুলে দিয়েছে। এবং রোহিঙ্গা বোঝাই টলারটি ফেরত পাঠিয়েছে কিছু খাদ্য ও জ্বালানি তেল দিয়ে। কিন্ত্ত তারা চারদিন্ যাবত অথৈই সমুদ্রে ভাসছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপনার সাথে সহমত।
এছাড়া যেসব রোহিঙ্গা ইতোমধ্যে অনুপ্রবেশ করেছে বিজিবি তাদের চিকিত্‍সাসহ অন্যান্য সহযোগিতা দিচ্ছে। এবং অনেক খারাপের মাঝেও একটা খবর ভালো লেগেছে যে ,
দেড় মাসেরে এক রুগ্ন শিশুকে বিজিবি এক জেলের কাছে তুলে দিয়েছে। এবং রোহিঙ্গা বোঝাই টলারটি ফেরত পাঠিয়েছে কিছু খাদ্য ও জ্বালানি তেল দিয়ে। কিন্ত্ত তারা চারদিন্ যাবত অথৈই সমুদ্রে ভাসছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে বসরবাসকারী বেশকয়েকটি রোহিঙ্গা সংগঠনকে জামায়াত সশস্ত্রভাবে মদদ যোগাচ্ছে, সম্প্রতি মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতের ইস্যুতেও উস্কানি দিচ্ছে। মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ কথা জানিয়েছেন মিয়ানমার সরকার। মিয়ানমার সরকার সেখানে আমাদের দূতাবাসকে জানিয়েছে, বাংলাদেশের কয়েকটি রোহিঙ্গা সংগঠনকে জামায়াত ইসলামী সশস্ত্রভাবে মিয়ানমারের ভেতরে কাজ করার জন্য ইন্ধন দিচ্ছে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ের বিষয়টিতেও তারা মদদ দিচ্ছে। সেখানে পুরো বিষয়টাই স্পষ্ট। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীর ভারতে আশ্রয় নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, ‘১৯৭১ এর বাংলাদেশের পরিস্থিতি আর বর্তমানে মিয়ানমারের পরিস্থিতি এক নয়। ৭১ এ বাংলাদেশের ওপর একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আর মিয়ানমারে বর্তমানে যা চলছে, তা জাতিগত সংঘাত। রোহিঙ্গা শরনার্থীদের প্রত্যাবাসন করানোর নীতিকে কার্যকর করানোটা যে বাংলাদেশের জন্য কেবল কষ্টসাধ্য তা নয়, এখনো দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশ রয়ে গেছে। অন্যান্য সমস্যা বাদ দিলেও তারা বাংলাদেশের ওপর একটি দুঃসহ অর্থনৈতিক ও পরিবেশজনিত প্রতিকূলতার সৃষ্টি করছে। অতএব অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ স্বাভাবিকভাবেই মনে করছে যে নতুন করে এই সমস্যা কিছুতেই আবার সৃষ্টি হতে দেওয়া যায় না। শুধু তা-ই নয়, তা রোহিঙ্গাদের জন্য মঙ্গলকর নয় মোটেও। বাংলাদেশ সমস্যাসংকুল দেশ। তার মাঝে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই সমস্যাটিকে আমাদের নিজের করে নেওয়ার কোনো অবকাশই নেই।
আবার নতুন করে শরণার্থী গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশের ওপর চাপ না দিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলোর উচিত যে বর্তমান মিয়ানমার সরকার যাতে রোহিঙ্গাদের তাদের আইনগত অধিকার এবং মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত না করে, তা নিশ্চিত করা। আশা করি রোহিঙ্গাদের কার্যকলাপ বিবেচনা করে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আমাদের নিজেদেরকে আমরা বিপদে ঠেলে দিতে পারি না। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব কথার শেষ কথা - রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। ওরা ধর্ষক, ওরা জাহান্নামে যাক।
শরণার্থী শিবিরে আগে থেকে যেসব রোহিঙ্গা আছে তাদেরকেও এই সুযোগে নৌকা জোগাড় করে পাঠিয়ে দেয়া হোক। তা না হলে ওদের আগমন বন্ধ হবে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বার্মায় কোন যুদ্ধাবস্থা নেই। সেখানে এমন কোন ঘটনা ঘটছে না যে সেখান থেকে তাদের যাওয়ার আর কোন জায়গা নেই। এবং রাষ্ট্র বা সরকারও তাদের বিতাড়িত করছে না। তারা নিজেরাই নিজেদের সংঘাতের জন্য দায়ী। এমনিতেই বাংলাদেশ অনেক সমস্যাসংকুল একটি দেশ। কতো সমস্যা সামলাবে এই দুর্বল অর্থনৈতিক একটি দেশ। রোহিঙ্গাদের কার্যকলাপ আমি আগেই আলোচনা করেছি। তারা বাংলাদেশের জন্য হুমকি ছাড়া কিছুই নয়। তার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগে থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, সরকার যেভাবে সচেষ্ট হয়ে সমুদ্র জয় করেছে সেভাবেই। মায়ানমার কিন্তু পাকিস্তানের মত আমাদের থেকে ১২০০ মাইল দূরে না।

যুক্তি আর বৃহত্তর স্বার্থ দেখিয়ে মানবিকতা থেকে দূরে সরে আসা মনে হয় ভবিষ্যতে আমাদেরই দুর্নাম এবং দুর্বলতা হবে।

মানবিকতার প্রশ্নে কেউ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া যেন গুলিয়ে না ফেলেন। সেটা বাতিকগ্রস্থতাই হবে। বাতিকগ্রস্থতা কোন ভাল কিছু নিয়ে আসে না। বিচার আইনের পথে হয়, বাতিকগ্রস্থতায় নয়।

*সম্ভবত আসামে, ১৯৭১ সালে আসামের স্থানীয়রা ভুল বুঝে ভেবেছিল আশ্রিত বাংলাদেশীরা তাদের এলাকা দখল করে নেবে, এবং স্থানীয়রা আক্রমণ করে। রক্তপাত হয়েছিল।ভেবে দেখুন, পাকিদের ভয়ে সেখানে আশ্রিত হয়ে একটু সহানুভূতি পাবার আশায় কি হয়েছিল। মানবিকতা না থাকলে এভাবে সকলকেই ভুক্তভোগী হতে হবে। ইতিহাস তো তাই বলে।
* রেফারেন্স মনে আসছে না। কারও জানা থাকলে শেয়ার করেন।

মানবতাকে আদর্শ ধরে আমরা সমাজে সুপরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সেখানে মানবতা থেকে সরে দাঁড়ানো আমাদের অবস্থানকেই হিপোক্রিসির আওতায় ফেলবে। আমি নিশ্চিত, সেইসব আলোচনায় কুসংস্কার ও গুড়ামিমুক্ত সামাজিক সুপরিবর্তনে ছিদ্রান্বেষীরা আলোচ্য ইস্যুকেও আগামীতে নিয়ে আসবে, সুপরিবর্তনের বিরুদ্ধে যুক্তি ও প্ররোচনা খুঁজে পাবে। সৌদির শীরোচ্ছেদ, পুলিশের ধোলাই, লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনতে গত বছরের ইতিহাস, র‍্যাবের ক্রসফায়ার ইত্যাদি অনেক কিছুই আসবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশীরা আছে, কোথায় কখন কি হবে কেউ জানে না, নিজেদের বাঁচানোর প্রশ্নে এবং মানবতার প্রশ্নে- তখন না আবার আমরা ধরা খেয়ে যাই। কারণ, কখন কার পৌষ মাস, কখন কার সর্বনাশ, কে জানে! 'বুঝিবে সে কিসে কভু আশুবীষে দংশেনি যারে'- এই কথাটি আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য সত্য নয় বলেই জানি। কারণ আমরা নিজের ভুক্তভোগী।

রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে ঋণাত্মক দৃষ্টিকোণের দায় রোহিঙ্গাদেরই। কিন্তু আমার একটি প্রশ্ন জাগে, সেখানে আমাদেরও দায় আছে- নিয়ন্ত্রণের অক্ষমতার। তাছাড়া, অপরাধী হিসেবে সকলকে মূল্যায়ণ করা যায় না। হাজার হাজার পাওয়া যাবে, যারা ন্যূনতম মানবিকতার আশায় মানুষের পথ চেয়ে আছে।

আমরা চণ্ডীদাসের গীত গাইবো নিজেদের স্বার্থে, আবার নিজেদের স্বার্থে তার বিরুদ্ধাচারণ করব; মনে হয় না এটা আমাদের কোন সু-অবস্থান দেবে। সময়, ইতিহাস এবং পৃথিবীর ধ্রুব নিয়মঃ উত্থান-পতন, সুখ-দুঃখ।
বৃহত্তর পরিসরে এই পৃথিবীর ইতিহাসের অতীত-বর্তমান ভাল করে ভেবে নিয়ে অবস্থান নিলেই মনে হয় জাতির জন্য ভাল হবে। বাকি সিদ্ধান্ত যার যার তার তার আইডিওলজির। আর কার্যকরী সিদ্ধান্ত সরকারের।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার কথার প্রেক্ষিতে আমার পরিচিত এবং বিজ্ঞ ব্লগার মুশফিক সাহেবের একটি কমেন্ট তুলে দিলাম " ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে ভারত বাংলাদেশকে আশ্রয় দিয়েছিলো, উল্লেখ্য বাঙালিরা সেসময় ভারতের জন্য কোন হুমকি ছিলো না, তারা ভারতে যেয়ে নানা অপকর্ম/দুর্নীতি/সন্ত্রাসও চালাতো না। তাই ভারত স্বাভাবিকভাবেই বাঙালিদের আশ্রয় দিতে পিছপা হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পূর্বের কার্যকলাপ থেকে দেখা যায়, তারা মানবপাচার, অজাচারে বৃক্ষ নিধন, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নকরণ ইত্যাদি অপকর্ম করে এসেছে। সুতরাং, তাদের এই কার্যকলাপের ভিত্তিতেই তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত নয়। তারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত না থাকলে নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশ সরকারের মনে কোন আশংকা থাকতো না এবং তাদেরকে মানবতার খাতিরে আশ্রয় দেওয়া যেত। আবার, আশ্রয় দেওয়ার ফলে তারা যদি বাংলাদেশের মধ্যে তাদের চিরাচরিত অপকর্ম অপতৎপরতা বাড়িয়ে দেয়, তবে তখন বাংলাদেশের মানুষই সরকারকে দোষারোপ করবে - কেন এদের আশ্রয় দেওয়া হলো ? যদিও সকল রোহিঙ্গাই খারাপ নয় এবং মানবতার খাতিরে মাঝে মাঝে আমি নিজেও দোটানায় পড়ে যাই, তারপরেও সামগ্রিক বিচারে তাদের আশ্রয় দেওয়া সঠিক হবে না বলেই আমার অভিমত।" আশা করি আপনি যুক্তি দিয়ে এবার চিন্তা করে দেখবেন। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্টের বর্ননা ভাল লেগেছে। কিন্তু মানবিকতা ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে যে বিষয এসেছে সে ব্যাপারে কিছু মতামত আমার আছে। যেমন, শর্মা-ই-আজম এর মন্তব্যের প্রতিত্তরে আপনি বলছেন ১৯৭১ সালে বাঙালীরা ভারতে কোন সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিল না তাই ভারত তাদের জায়গা দিয়েছিল। কিন্তু রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসে সন্দ্রাসী কাজে জড়িত আছে তাই তাদের প্রতি মানবিকতা দেখাবার প্রয়োজন নাই। ভারতের বেলায় বাঙালীদের স্বাধীনতার প্রশ্ন ভারতের রাজনৈতিক ও জনগনের একটি সর্বসম্মতিক্রমে ঐকমত ছিল ফলে তারা আমাদের শরনার্থদের প্রয়োজনীয় সুবিধা দিয়েছে উদ্দেশ্য একটাই বাংলাদেশকে স্বাধীন করানো কারন তাতে তারা ৩টি ফ্রন্টের পরিবর্তে ২টি ফ্রন্টের পাকিস্থানের সাথে মোকাবেলা করতে পারবে। এটা তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। মেয়ানমারের রোহিঙ্গা শরনার্থীদের বেলায় আমাদের এ ধরনের কোন উদ্দেশ্য নাই। আর ভারতের নাগরিক বা রাজনৈতিকরা ১৯৭১ সালে সে দেশে অবস্থানরত বাঙালী শরনার্থদেরকে তাদের আভ্যন্তরিন রাজনৈতিক বিরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেনি। তাই বাঙালীরা সে দেশে সন্তাসী তো দূরের কথা এমনটা ভাবার সুযোগই পায়নি। যারা ভাবার চেষ্টা করেছিল তাদের গুম করে দেয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশের সরকার বিরোধী রাজনীতিক ও তাদের দল এই সব রোহিঙ্গাকে সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং করছে যার কারনে রোহিঙ্গারা এদেশে শরনার্থী হয়েও সন্ত্রাসী কাজে সাহস পাচ্ছে। কাজেই ভারতের বাঙালী শরনার্থী আর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরনার্থীর বিষয় এককরে দেখে মানবিকতার বিষয়টি এড়িয়ে যাবার উদ্দেশ্য ঠিক নয়। মানবিকতা এক বিষয় আর রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অন্য বিষয়। দুটি কে দুইভাবে দেখে সরকারের উচিৎ সঠিক উপযোগী সিদ্ধান্তে আসা। রাজনৈতিক দল রাজনীতির স্বার্থে অনেক কথাই বলতে পারে কিন্তু সরকারকে বহিবিশ্বের কাছে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করতে হয় তেমনি নিজের রাজনৈতিক দায়িত্বও পালন করতে হয়। কাজেই কোনটাই হেলায় এড়িয়ে যাওয়া সমীচীন নয়। উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শরনার্থীদের প্রতি মানবিক দায়িত্ব পালন করাই সরকারের উচিৎ বলে সচেতন মহল মনে করে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------

মানুষের দোষে ধর্ম দোষী
রাজা'র দোষে রাজ্য দোষী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্টের প্রতিটি লাইনের সাথে সহমত।
রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিকতা দেখিয়ে নিজের মানুষের প্রতি অমানবিক হবার পক্ষে আমি নাই। বরং তাদের কষ্টে এইটুকুই বলতে পারি -

জাতিসংঘ নিজের সৈন্য প্রেরণ করে মায়ানমারের এই জাতিগত দাঙ্গা বন্ধ করবে। আমাদের দেশ এমনিতেই অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অসংখ্য রোহিঙ্গাকে আশ্রয় এবং খাদ্য দিয়ে আসছে। কিন্তু সামগ্রিক রাজনৈতিক বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। জাতিসংঘের উচিৎ এই দায় ভার নেয়া। তাদের সহযোগিতার হাত সবার আগে বাড়িয়ে দেয়া উচিৎ। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত আশফাকুর রহমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ভূখণ্ড মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারে।’সাবেক এ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রোহিঙ্গারা একবার যদি বাংলাদেশে প্রবেশ করে তাহলে তাদের বের করা কঠিন হবে। ইসলামি দেশগুলোর সংগঠন ওআইসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কথা উচিত। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কথা বলতে হবে। ওআইসির বিভিন্ন দাতা দেশ মুসলিম উদ্বাস্তুদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা করে থাকে।’

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ। বাস্তবতার আলোকেই আমাদের চিন্তা এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবই বুঝলাম, কিন্তু ভাই মানব বিপর্যয়ের কথাটাও মনে রাখা উচিৎ। এতগুলো মানুষ বিপন্ন হচ্ছে, মানুষ হিসাবে আমাদেরতো কিছু হলেও করা উচিৎ। জাতিসংঘকে সাথে নিয়ে হিসাব করে শরানার্থী ক্যাম্প করে মানুষগুলোকে আশ্রয় দেওয়া উচিৎ, যাতে মানুষগুলোর জীবন রাক্ষা পায় আবার সঠিক ডুমেন্টেশনও থাকে যাতে করে তাদের পরে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জাতিসংঘ বাংলাদেশের মাথায় দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েই তারা মুক্তি পেতে চাচ্ছে, কেন তারা মায়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না ? কেন তারা জাতিসংঘের রিফিউজি হিসেবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারছে না ? মানবতার ফাকা বুলি বলার চেয়ে, অন্যের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়ার থেকে নিজেদের কাজ করে এখন দেখানো উচিত জাতিসংঘের। কিন্তু তারা তা করছে না। ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্তত এই ইসূতে আমি সরকারী সিদ্ধান্তের সাথে একমত।একবার সীমান্ত খুলে দিলে কেবল কয়েকশ নয়, পিল পিল করে লাখো রোহিংগা ছূটে আসবে। আর মিয়ানমারের পাজি সরকার এই সুযোগে দাঙ্গাটা আরেকটু বাড়িয়ে দিয়ে , বাদবাকি যেসব রোহিংগা সেখানে আছে তাদের খেদানোর ব্যবস্থা নেবে।

জাতিসংঘ , আমেরিকা বাংলাদেশকে উদার হবার আহবান না জানিয়ে কেন বার্মার ওপড় চাপ প্রয়োগ করছে না? পাকিস্তান, ইরাক্, আফগানিস্তানে জঙ্গী দমনের নামে হাজারটা বোমা ফেলতে পারে, বার্মায় কেন সেরকম কিছু করছে না?তাদের বর্তমান ভুমিকা কি জঙ্গীবাদী নয়? অথচ তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন না করে, কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ না করে কেবল বাংলাদেশকে উদার হবার আহবান জানানোর মানে কি?পক্ষান্তরে কি এটা মিয়ান্মারকে সমর্থন জানানো নয়? কে না জানে আমেরিকা চাইলে, এক মিনিটেই মিয়ান্মারকে টাইট দেয়া সম্ভব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই দাঙ্গা বন্ধ করার জন্য মিয়ানমার সরকারের তেমন কোন উদ্যেগ চোখে পড়ছে না। কেন ? তাদের সরকার কি করছে ? এমনিতেই লাখো রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা বিপদের ভিতর আছে তার উপর নতুন করে আবার রোহীঞা আশ্রয় আমাদের হুমকির মুখে পড়তে হবে। জাতিসংঘ বাংলাদেশের মাথায় দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েই তারা মুক্তি পেতে চাচ্ছে, কেন তারা মায়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না ? কেন তারা জাতিসংঘের রিফিউজি হিসেবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারছে না ? মানবতার ফাকা বুলি বলার চেয়ে, অন্যের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়ার থেকে নিজেদের কাজ করে এখন দেখানো উচিত জাতিসংঘের। কিন্তু তারা তা করছে না। ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে দেশ গুলি বড় বড় কথা বলে, স্বল্পোন্নত দেশের সাধারন মানুষের তাদের দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের পলিসি কি খুব মানবিক নাকি? visa পাইছেন তো এয়ারপোর্টে পারলে আপনার পাছার কাপড় খুলে ফেলবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পৃথিবীর অনেক দেশই এই রকম ক্রাইসিসে নিজদের স্বার্থে এবং প্রয়োজনে বর্ডার
সিল করে দেয় । আমাদের অনেক সমস্যা আছে , বাড়তি সমস্যা নেয়ার মত
শক্তি আমাদের নাই । আর এই রোহিঙ্গারা স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে অনেক সমস্যার
সৃস্টি করে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ। আমি আপনার সাথে একমত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পৃথিবীর অনেক দেশই এই রকম ক্রাইসিসে নিজদের স্বার্থে এবং প্রয়োজনে বর্ডার
সিল করে দেয় । আমাদের অনেক সমস্যা আছে , বাড়তি সমস্যা নেয়ার মত
শক্তি আমাদের নাই ।


যেসব দেশ আমাদেরকে উপদেশ দেয়, তাদের নিজেদের সীমান্ত আইনগুলি প্রথমে রিভিউ করা দরকার!

--

রীতু
"আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আকাশে। আমার মুক্তি ধুলায় ধুলায়, ঘাসে ঘাসে.."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুদার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়!
কবি নীরব!
পুশ ব্যাক হবে ইতিহাস।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রবাস জীবনে চলেছি ওদের সাথে , ওরা ভাল না , জায়গা হবেনা বাংলাই |

"* ~ *"
একটি কথা ভাই রাখিও স্বরন
এই পৃথিবী তোমাকে দেবে বিদায়
যতই তুমি হওনা কেনও মানিক রতন ,
শব্দহীন হেসে
মৃত্তিকা তোমাকে জানাচ্ছে আমন্তণ ।
আমি বলি জল তুমি বল পানি ,
যে যায় বলনা ভাই যেতে হবে ছেড়ে এই অবনী ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্টে সহমত

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ। ভালো লাগলে লিখাটি সবার সাথে শে্যআর করার অনুরোধ থাকলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি যদি ধরি তারা আরকান রাজ্যের স্বাধীনতার জন্য একতা বদ্ধ হচ্ছে। তাহলে আমার জানা প্রয়োজন এই রাজ্যের সীমানা কি? তারা কেন আলাদা হতে চাচ্ছে। তারা আলাদা হতে হলে এটা হবে তাদের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধ যদি করতে হয় তাদের কি কি প্রয়োজন।
আপাতত:- অর্থ, অস্ত্র, ট্রেনিং, তাদের মিত্র
অর্থ প্রাপ্তির উৎস: তাদের নিজস্ব, তাদের মিত্র(মুসলিম ধনি যে কোন দেশ), অবৈধ পথ যেমন তামিলরা করে থাকে।
অস্ত্র প্রাপ্তির উৎস: তাদের মিত্র হতে পারে বাংলাদেশ। যা ব্যাকআপ হিসাবে কাজ করবে। যাতে তারা আমাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে।
ট্রেনিং প্রাপ্তির উৎস: এটাও হতে পারে বাংলাদেশ এ সেনা বাহিনী এবং প্রয়োজনে সিভিল সেজে তাদের নেতৃত্ব দিতে পারলে আরও ভালো হয়।
মিত্র দেশ: আমি মনে করি মিত্র দেশ হিসেবে আমরা বাংলাদেশ সহ সকল মুসলিম দেশ ও আই সি কে যুক্ত করতে পারি।
এটি করলে কি লাভ?
লাভ হল যদি আরকান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নাও পায় তাহলেও তাদের সাথে এক সময় আপোষ রফা করতে বাধ্য হবে মিয়নমার সরকার। আর স্বাধীন হলে আমরা পাব অনুগত দেশ ও জনগণ। অথবা আর একটু বাড়িয়ে বলি আমরা হতে পারে পেতে পারি বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত ভূখণ্ড(আকলমানকে লিয়ে ইসারা কাফি)

সালাম - আর বেশী কিছু পরে বলব। যদি ইচ্ছা হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পৃথিবীর অনেক দেশই এই রকম ক্রাইসিসে নিজদের স্বার্থে এবং প্রয়োজনে বর্ডার
সিল করে দেয় । আমাদের অনেক সমস্যা আছে , বাড়তি সমস্যা নেয়ার মত
শক্তি আমাদের নাই ।


সহমত।

=========================================================
স্মৃতি ঝলমল সুনীল মাঠের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিরা আশ্রয় নেয় কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তারা আজ নিজেদের আদিবাসী দাবি করে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাধীনতা দাবী করছে।


একদম বাজে কথা। পুরোপুরি ইতিহাস বিবর্জিত বক্তব্য। Exclamation Mark

পৃথিবীর অনেক দেশই এই রকম ক্রাইসিসে নিজদের স্বার্থে এবং প্রয়োজনে বর্ডার
সিল করে দেয় । আমাদের অনেক সমস্যা আছে , বাড়তি সমস্যা নেয়ার মত
শক্তি আমাদের নাই ।


এ ক ম ত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনে হচ্ছে যেন নবাব সিরাজউদ্দোওলা আবার ব্রিটিশদেরকে বাংলাদেশে ব্যবসায়ের অনুমোদন দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা আমাদের দেশে খারাপ আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারিনা, সেদিকে না তাকিয়ে মনে হচ্ছে, সব অপরাধ যেন রোহিঙ্গারা করছে।
যেখানে ভাল মানুষ থাকবে সেখানে খারাপ মানুষ থাকাটা স্বাভাবিক, তাই বলে সবাইকে এক কাতারে খারাপ বলার পক্ষপাতি আমি না। রোহিঙ্গারা যদি মায়ানমারের চরম অবস্থার পরে আমাদের দেশ ছেড়ে না যায় তার দ্বায়ভার কি মায়ানমারের নাকি আমাদের? আমরা ওদের সাথে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করতে পারছিনা এ কি আমাদের দোষ নাকি ওদের? আজকে ভারত যদি ১ লাখ মানুষ পাঠিয়ে দেয় আমাদের দেশে আমরা কি করব? তাদেরকে কি ঠেকিয়ে রাখতে পারব? আগে ২ লাখ রোহিঙ্গা ঠেকাতে পারেননাই বলে এখন কাউকে ঢুকতে দিবেন না আমাদের দেশে!!!
সবকিছুরই সমাধান আছে। আলোচনার সাপেক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব, কিন্তু আমাদের প্রয়াস কোথায়? পৃথিবীর যেকোন জায়গার মানুষ বর্বরতার কারণে মারা গেলে মানুষ হিসেবে আমাদের খারাপ লাগা উচিৎ, মানবিকতার দিক বিবেচনা করে সাহায্য করা উচিৎ। শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে মস্তিষ্কের দুরদর্শিতা দেখিয়ে মোকাবেলা করে, মানুষের জীবন বাঁচিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায়। কিন্তু তার জন্য বসে না থেকে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকে।

**************************************************************************
সোজা কথা সোজা ভাষায় বলে, পাঠকের মনের মাঝে লেখাকে স্থাপন করায় লেখকের সার্থকতা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙ্গা শরনার্থীদের প্রত্যাবাসন করানোর নীতিকে কার্যকর করানোটা যে বাংলাদেশের জন্য কেবল কষ্টসাধ্য তা নয়, এখনো দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশ রয়ে গেছে। অন্যান্য সমস্যা বাদ দিলেও তারা বাংলাদেশের ওপর একটি দুঃসহ অর্থনৈতিক ও পরিবেশজনিত প্রতিকূলতার সৃষ্টি করছে। অতএব অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ স্বাভাবিকভাবেই মনে করছে যে নতুন করে এই সমস্যা কিছুতেই আবার সৃষ্টি হতে দেওয়া যায় না। শুধু তা-ই নয়, তা রোহিঙ্গাদের জন্য মঙ্গলকর নয় মোটেও। বাংলাদেশ সমস্যাসংকুল দেশ। তার মাঝে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই সমস্যাটিকে আমাদের নিজের করে নেওয়ার কোনো অবকাশই নেই।
আবার নতুন করে শরণার্থী গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশের ওপর চাপ না দিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলোর উচিত যে বর্তমান মিয়ানমার সরকার যাতে রোহিঙ্গাদের তাদের আইনগত অধিকার এবং মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত না করে, তা নিশ্চিত করা। http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-06-14/news/265594


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাখাইন রাজ্যের সাম্প্রতিক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সমবেদনা।দাঙ্গার কারনে যেসব রোহিংগা বাংলাদেশ এ প্রবেশ করতে চাইছে আমার মতে মানবিক কারনে তাদের জাতিসংঘের অধীন যেকোন আশ্রয়শিবিরে আশ্র্য় দেয়া যেতে পারে, পরবর্তীতে দেশে ফিরে যাওয়ার শর্তে।যদিও বাংলাদেশ এ বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয়গ্রহনকারী রোহিংগাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমুলক কাজের অভিযোগ রয়েছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে বসরবাসকারী বেশকয়েকটি রোহিঙ্গা সংগঠনকে জামায়াত সশস্ত্রভাবে মদদ যোগাচ্ছে, সম্প্রতি মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতের ইস্যুতেও উস্কানি দিচ্ছে। মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ কথা জানিয়েছেন মিয়ানমার সরকার। মিয়ানমার সরকার সেখানে আমাদের দূতাবাসকে জানিয়েছে, বাংলাদেশের কয়েকটি রোহিঙ্গা সংগঠনকে জামায়াত ইসলামী সশস্ত্রভাবে মিয়ানমারের ভেতরে কাজ করার জন্য ইন্ধন দিচ্ছে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ের বিষয়টিতেও তারা মদদ দিচ্ছে। সেখানে পুরো বিষয়টাই স্পষ্ট। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীর ভারতে আশ্রয় নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, ‘১৯৭১ এর বাংলাদেশের পরিস্থিতি আর বর্তমানে মিয়ানমারের পরিস্থিতি এক নয়। ৭১ এ বাংলাদেশের ওপর একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আর মিয়ানমারে বর্তমানে যা চলছে, তা জাতিগত সংঘাত। এটি কোনো যুদ্ধাবস্থা নয়। এমন নয় যে সে দেশের সরকার রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করছে। আমরা মনে করি, এটি সমাধানের জন্য সে দেশের সরকার কাজ করছে।’ দিপু মনি যুক্তিগত ভাবেই বলেছেন। http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=d65d12d3c46ececbce5bf7c529e2cc82&nttl=14062012119175


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিংগারা বাংলায় আসবে, ওরা চট্টগ্রামের মানুষ। চট্টগ্রাম পাকিদের সাথে যুদ্ধ করেছিল, চট্টগ্রাম কাউকে ফেলে দেয় না।

ওরা চট্টগ্রামী, ওরা শুধু রোহিংগা না।


ফারমার সাহেব তো রায় দিয়েই দিয়েছেন। ওরা চট্টগ্রামের মানুষ। দেশের মানুষ দেশে ফিরছে, এতে কারো কোন আপট্তি থাকা উচিত নয়।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙ্গারা যদি আরাকান প্রদেশ নিয়ে বাংলাদেশে যোগ দেয় তাহলে বাংলাদেশের কোনো আপত্তি থাকবে না ।

----------------------------------------------------------
''কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো''
আমার সোনার বাংলা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোনো রোহিংগা আর চাইনা। যে গুলান আছে তাদের কি মায়ানমার আর ফেরত নিবে? নিলে কবে? মেহমানদারি করতে গিয়া তো আর নিজের দেশের মানুষকে কস্ট দিতে পারিনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পূর্বের যে সকল রোহিঙ্গা আছে,তাদেরকে বিদায়ের ব্যাবস্থা করা হউক।

সত্য সহায়।গুরুজী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুইডা আপনার জন্য রাখিয়া Wink

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোস্টটা তথ্যবহুল । তবে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে কিনা তা ভালো করে ভাবতে হবে । এখানে আন্তর্জাতিক রাজনীতি জড়িয়ে আছে; বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্ব তথা আরব বিশ্বের কড়া নজর রোহিঙ্গা সমস্যার ওপর ররয়েছে তাই রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান থাকা দরকার । রোহিঙ্গারা যাতে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য না হয় সেই ব্যাপারে বার্মার সাথে আলোচনা করা উচিৎ, প্রয়োজন হলে এই বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপন করা যেতে পারে । বাংলাদেশে আসা সকল রোহিঙ্গাদের ব্যয় জাতিসংঘ ও মিয়ানমার বহন করবে এমন একটি চুক্তি থাকা দরকার ।

----------------------------------------------------------
''কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো''
আমার সোনার বাংলা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের বাস্তব এবং যুক্তির আলোকে চিন্তা এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত সুন্দর লিখেছেন!

‍‍‌‍‍‍‍**********
স্বপ্নের কারিগর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের বাস্তব এবং যুক্তির আলোকে চিন্তা এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে।শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক কোন আইন বা কোন কনভেনশনে বাংলাদেশ কখনও স্বাক্ষর করেনি। ফলে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বার্মায় কোন যুদ্ধাবস্থা নেই। সেখানে এমন কোন ঘটনা ঘটছে না যে সেখান থেকে তাদের যাওয়ার আর কোন জায়গা নেই। এবং রাষ্ট্র বা সরকারও তাদের বিতাড়িত করছে না। এ অবস্থায় আমার দেশে যেখানে ইতিমধ্যে এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে, যা সমাধানের চেষ্টা চলছে - সেই সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে আমরা বাধ্য নই। এ সমস্যার সমাধান জাতিসংঘ আমাদের করেনি। আবার নতুন করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে নিজের দেশকে কেন বিপর্যস্ত করে তুলবো। এটা জাতিসংঘের দায়িত্ব। তারা আশ্রয় দিক। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙ্গা-বৌদ্ধ কুপাকুপিতে বৌদ্ধরা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। মিয়ানমার সরকারের এ ব্যাপারে নেয়া পদক্ষেপ হতাশাজনক।

সমস্যা হয়েছে বাংলাদেশের। এই সঙঘাতে কোন বৌদ্ধ শরনার্থি নাফ পেরিয়ে না আসার কারণ সবাই জানে। সেখানে আরো যেসব ঘটনা ঘটছে তা আমরা জানি না।


রোহিঙ্গা মুসলমানদের ভস্মিভুত একটি গ্রাম


অসহিংস মতবাদের বৌদ্ধ ক্যাডার


রাখাইন প্রদেশ শুধু বৌদ্ধদের!!!!!!!!!! বাঙ্গালী কুপাইয়া বাইর কর????


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হলে এই সঙ্কটের কোন সমাধান তো হবেই না, বরং মিয়ানমার ভবিষ্যতেও একই পন্থায় আরাকান থেকে খুন-নির্যাতনের মাধ্যমে ক্রমাগত রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করে বাংলাদেশে অভিবাসিত হতে বাধ্য করবে, যা আমাদের এই ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবকাঠামোর রাষ্ট্রকে আরও বিপর্যস্ত করবে। এইসব শরণার্থীর ভার জাতিসঙ্ঘ অথবা মানবতার ধোঁয়া তোলা কোন পরাশক্তি নেবেনা। রোহিঙ্গাদের কষ্ট আমরা জানি। আমরাও একসময় শরণার্থী হয়েছিলাম। সেসব স্মৃতি বাংলাদেশ কোনোদিন ভুলবেনা। বাংলাদেশের উচিত জাতিসঙ্ঘ ও বিশ্বের প্রধান পরাশক্তিদের প্রতি নিজেদের পরিস্থিতি/ অবস্থান অবহিত করে মিয়ানমারকে এই সংকট আশু নিরসনের জন্য চাপ সৃষ্টিতে বাধ্য করা।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোন কোন আন্তর্জাতিক এনজিও এবং কোন বন্ধু রাষ্ট্র আমাদের অনুরোধ করছেন, আমরা যেনো আমাদের সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধে প্রবেশ করতে দিই। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করবো, যে সহায়তা তারা বাংলাদেশের ভিতর করতে চাচ্ছেন, সেটি তারা যেন বার্মায় সরাসরি করেন।’ ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানবতার কথা উঠলেও এম্নিতেই আমাদের বহুমুখী সমস্যা , তার উপরে দেশে রোহিঙ্গা সমস্যা আগে থেকেই প্রকট ____ আশ্রয় দেওয়া যায় কি না সেটা বিবেচনা করা গেলেও আসল কাজ হচ্ছে মিয়ানমার সমস্যার সমাধানে সবার সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেরও কাজ করা ।

লেখককে ধন্যবাদ ।
" মুক্তি এখনো আসে নি, বিপ্লব অপেক্ষমাণ "

" মুক্তি এখনো আসে নি, বিপ্লব অপেক্ষমাণ "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিয়ান্মার দাঙ্গা বাধিয়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে খেদানোর ব্যবস্থা করবে আর আমাদের মত জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত দেশকে মানবতা দেখিয়ে তাদের আস্রয় দিতে হবে! মামা বাড়ীর আবদার আর কাকে বলে!আশ্চর্যের বিষয় যে জাতিসংঘ ও যুক্তরাস্ট্র মিয়ানমারকে চাপ না দিয়ে কেবল বাংলাদেশকে চাপ দিচ্ছে রোহিংগাদের আশ্রয় দিতে! অর্থাৎ মিয়ান্মারের মামা বাড়ীর আবদার পুরনে জোর সহায়তা করছে তারা।

পারলে একটা মানববন্ধন আয়োজন করুন পশ্চিমা বিশ্বে এই চুরান্ত অযৌক্তিক চাপের বিরুদ্ধে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) অনেক সুন্দর লিখেছেন ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আমাদের গণসচেতনতা প্রয়োজন। যারা স্থানীয়ভাবে বসবাস করে তারা পর্যন্ত চায় না রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া হোক। কারন স্থানীয় মানুষগুলো বর্তমানে যেই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আছেন তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এখন শহরের বসবাসকারীরা কি বলবেন ? শহরে বাস করে আসল সত্যি জানা সম্ভব নয়। রোহিঙ্গারা যে আমাদের নিজেদের মানুষদের জন্য বিপদজনক এটা আবারো শক্তভাবে প্রমানিত হলো। মিয়ানমারে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করুক, তা চান না স্থানীয়রা। কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ পেশাজীবী মানুষ মনে করেন, মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জের ধরে নানা গুজব রটিয়ে একটি মহল বাংলাদেশে আবার রোহিঙ্গা অনুপ্রেবশের নানামুখি তৎপরতা চালাচ্ছে। তারা মনে করে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করলে সীমান্ত এলাকা আরো বেশি অস্থির হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে এটা বাংলাদেশের জন্য বিপদজনক। http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=a79494ee8425909e7d40996a4a26e0ca&nttl=15062012119397


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথ্য-সমৃদ্ধ লেখা। সোজা প্রিয়তে। smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)

_________________________________________
、 ☁、ヽ`ヽ`、.☁``ـ☁、ヽ` 、☁ヽ`、、
ヽヽ`、☁` ـ☁``、 ヽـ☁`、☁``、`ヽ
ـ☁`、ヽヽヽ、 ヽ☁`ヽ``、ヽ`、ヽ ـ☁``、
ヽ`、☁ヽ`、ヽ、ヽ`☁ ヽ、、ヽ`ヽ
``、ヽ、আকাশে অনেক মেঘ.`、ヽ``、ヽ
` 、তারপরও যে যেতে হবে বৃষ্টি ভেজা পথে।। `、
``、ヽ`、、``、ヽ`` `、、、、、


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Habib Shemul

glqxz9283 sfy39587p07