Skip to content

বই মেলার ডায়েরি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেকোন ধরনের ভীড় ঠেলাঠেলি আমার কখনোই পছন্দ না , এগুলা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি আমি এই কারনে যেকোন ধরনের মেলা কনসার্ট বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবার, বন্ধুবান্ধবের পাল্লায় না পড়লে যাই না। কিন্তু ছোটবেলা হতেই একুশে ফ্রেব্রুয়ারির বই মেলাটা এই নিয়মের ব্যতিক্রম ছিল, নতুন বইয়ের ঘ্রাণ বইয়ের মলাট নেড়েচেড়ে দেখার অদম্য ইচ্ছা ভীড়ের মধ্যে পিষে মরার ভয়কে সব সময়ই পরাজিত করত, এছাড়া আমার সারা বছরের পড়ার মতো বইয়ের খোরাক আমি বইমেলা হতে যোগাড় করি বছরের বাকি সময়ে বইয়ের দোকানে গিয়ে বই কেনা আর হয়ে উঠে না। কিন্তু এইবারে বইমেলার আটদিন পার হয়ে যাওয়ার পরেও লক্ষ্য করলাম বইমেলাতে যাওয়ার ব্যাপারে তেমন একটা ইচ্ছা মনের মধ্যে জাগছে না, নিজের মধ্যে এই পরিবর্তন দেখে আমি নিজেও কিছুটা অবাক হলাম তাহলে কি পড়ার অভ্যাস আমার ভেতর হতে হাওয়া গেছে ?

খানিক্ষন ভাবনার পর নিজেই জবাবখানা পেয়ে গেলাম, আসলে পা

ঠভ্যাস বিলুপ্ত হয়নি বরং আগের হতে অনেকগুন বৃদ্ধিই পেয়েছে তবে তা হয়ে পড়েছে নেটনির্ভর অর্থাৎ বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগসাইট ব্রাঊজ করে আমি পড়ছি অথবা ছাপা অক্ষরের বইয়ের স্থান দখল করে নিয়েছে ইবুক অথবা পিডিএফ ফরম্যাটের ফাইল । ফলে বলা যায় বইমেলা শৈশবে আমার মাঝে যে চাঞ্চল্য তৈরি করত এখন তা অনেকটাই কমে গেছে , কাজেই বাকি সবার মতো আমি আর বলতে পারি না বই মেলা হচ্ছে আমার প্রাণের মেলা।


তবে সবাই যে আমার মতো ডিজিটাল জগৎতের দাসত্বকে বিনাপ্রশ্নে স্বীকার করে নিয়েছে তাও না আমার এক বন্ধু অনেকদিন ধরেই বইমেলাতে একসাথে যাওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছিল নানা টালবাহনা করে আমি তা এড়িয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু গতকাল তার অনুরোধের ঢেকি গিলেই ফেললাম।

বৃহষ্পতিবার বাংলাদেশে শেষ কর্মদিবস এইকারনে ঢাকা শহরের রাস্তায় স্বাভাবিক সময়ে যে ট্রাফিক জ্যাম থাকে তা কয়েকগুন বেশি হয়ে যায় কিন্তু আমার বন্ধুর বাইক থাকায় ২০ মিনিটের মধ্যেই আমরা বই মেলাতে চলে আসলাম ট্রাফিক জ্যাম কবলিত ঢাকা শহরে বাইক খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কারন এর মাধ্যমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকার দুর্ভোগ সহ্য করতে হয় না ।

বিকাল ৩ টার দিকে বই মেলা আরম্ভ হয় আমরা এই সময়টাতে আসায় অতিরিক্ত ভীড়ের চাপ ছিল না, এইবারের বই মেলায় মূল জায়গা বাদ দিয়েও গেটের বাইরেরও প্রচুর ষ্টল খোলা হয়েছে , সেখানে মূলত সমরেশ সুনীলের পাইরেটড বইগুলা কেনাবেচা হয় কয়েকদিন আগে এই ষ্টলগুলার দোকানিদের থেকে চান্দা তুলার টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে সরকারি ছাত্র সংগঠন মারামারি করেছে ।

মূল মেলায় ঢুকে নানা মিডিয়ার সুন্দরী উপস্থাপকদের মাইক ক্যামেরা নিয়ে ছুটাছুটিই সবার আগে নজরে পড়ল দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো নিত্যনতুন টিভি চ্যানেল হচ্ছে এবং বেশীরভাগ ই টক শো সংবাদ ভিত্তিক অনুষ্ঠান নির্ভর চলে ফলে বই মেলার মতো ইভেনটে তাদের সরব পদচারনা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক । কিন্তু বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গণ ছোট ফলে এতো মিডিয়া আউটলেট এবং তাদের ইকুপমেনট নিয়ে নিয়ে ঘুরাঘুরি করা আসলেই ঝক্কির বিষয় আমি মেলা ঘুরতে গিয়ে দুই দুইবার দুই চ্যানেলের ক্যামেরাম্যানের সাথে ধাক্কা ধাক্কি করে কোলাকুলির কাজটা সম্পাদন করে ফেললাম।

এইবারে মেলায় ডিএমপি পুলিশের থেকে বইয়ের একটা ষ্টল দেওয়া হয়েছে সেইখানে ইউনিফর্ম পরিহিত তিন জন মহিলা পুলিশ বই বিক্রির দায়িত্বে আছেন মূলত তারা পুলিশের ডিটেকটিভ নামে যে মাসিক পত্রিকা বের হয় তা এবং আরও কিছু আইনের বই নিয়ে নিজেদের পসরা সাজিয়েছেন এছাড়াও তাদের সদস্যদের লেখা কিছু গল্প উপন্যাসের বইও আছে পুলিশের বুক ষ্টলের আশেপাশে জনতার ভীড়খানা চোখে পড়ার মতোই ধরে নিয়ে প্যাদানি দেওয়া এবং ক্রসফায়ারের সাথে সাথে তারা যে সাহিত্য চর্চা করতে পারে এইটা বিশ্বাস করতে মনে হয় অনেকেরই কষ্ট হচ্ছিল ।

প্রত্যেকবার বইমেলার মূল আকর্ষণ থাকে হুমায়ুন আহমেদ এবং জাফর ইকবালের লেখা বই এইবারেও তার ব্যটিক্রম হয়নি হুমায়ুন আহমেদের এবারে সাতটা নতুন বই বের হবে তা কিনার জন্য অন্যপ্রকাশের ষ্টলের সামনে ব্যাপক ভীড় দেখলাম আমার সাথে থাকা বন্ধুও দেখি ছুটে গিয়ে সেই ভীড়ে যোগ দিল আমি খুব একটা আগ্রহ দেখালাম না কারন হুমায়ুন আহমেদের বইগুলা আমি অনলাইন হতেই আজকাল ডাইনলোড দিয়ে পড়ি তাই কিনে পড়ার গরজ খুব একটা অনুভব করি না। আমি অন্যপ্রকাশ বাদ দিয়ে দিয়ে সেবা প্রকাশনীর ষ্টলের দিকে গেলাম বাসা হতে বের হওয়ার সময় ছোট ভাই হাতে একটা বইয়ের লিষ্টি ধরিয়ে দিয়েছে কেনার জন্য।

সেবা প্রকাশনীর ষ্টলের সামনে কিশোর তরুণদের ব্যাপক সমাগম এর মধ্যেই দেখলাম আমি ঢাকার যে ইস্কুলে পড়াশুনা সম্পন্ন করেছি সেই ইস্কুলের ইউনিফর্ম পরিহিত কিছু ছাত্রও আছে তাদের দেখে কিছুটা নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম আহা এদের মতো আমিও তো এইভাবে একটা সময় সেবা প্রকাশনীর সামনে লাইন দিতাম !

সেবার ষ্টল হতে বই কেনার ধরনটা একটু ভিন্ন ধরনের এইখানে বই উলটে পালট দেখার সুযোগ নেই বিক্রেতা আপনাকে তাদের বইয়ের একটা ক্যাটালগ ধরিয়ে দিবে আপনাকে সেইটা দেখে আপনার পছন্দের বইয়ের নামটা
জোর গলায় চেঁচিয়ে বলতে হবে এই কারনেই যদি বই মেলায় গিয়ে সেবা প্রকাশনীর ষ্টলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় যদি শুনেন “ভাই আমাকে একটা পিশাচ দ্যান ”, “ভাইয়া আমার ড্রাকুলা দরকার কিংবা কালো থাবা নাই” তাহলে মোটেও চমকাইয়েন না ।

আজকাল দেশে অর্থনীতিকভাবে স্বচ্ছল মধ্যবিত্তের পরিবারের মা বাবারা তাদের ছেলেমেয়েদের ইংলিশ ইস্কুলে পড়ান কাজেই ইংলিশ ইস্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা এই দেশে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এই সব ছেলেমেয়েরা বাংলায় বই পড়ে না অথচ বই মেলায় তাদের চাহিদা পুরণ করে ইংলিশে লেখা বইও নেই বললেই চলে এ ব্যাপারটা আরেকবার নতুন করে উপলব্ধি করলাম বই মেলায় এসে ছোট ছোট অনেক বাচ্চাকে দেখলাম গোমড়া মুখে বইমেলায় বাবা মার সাথে ঘুরাঘুরি করতে বিভিণ্ণ ষ্টলে গিয়ে বলছে আংকেল আপনাদের কাছে কি ইংলিশে বই আছে ? তাদের এই উচ্চারনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অনুযোগ খানা আমাকেও যেনো ছুঁয়ে গেল আসলেই তো দেশের একটা প্রজন্ম বড় হয়ে উঠছে নিজ দেশেকে না জানতে পারার নিজ দেশের সাহিত্যের রূপরস আচ্ছাদন করার অক্ষমতা নিয়ে , প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্তানেরাও একই প্রক্রিয়া ভিতর দিয়ে যাচ্ছে এই দুই শ্রেণীর চাহিদা পুরণের জন্য কোন প্রকাশক কি এগিয়ে আসতে পারেন না ? হুমায়ূন আহমেদের বইগুলা নাকি আজকাল ইংলিশেও অনূদিত হয় এই ধরনের উদ্যোগ আরও বেশী করে নেওয়া দরকার ।

নির্মান কৌশল এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের ফলে বইমেলার ষ্টলগুলা আজকাল নজরকাড়া নানা সাজে সজ্জিত হয় এইবারে বইমেলার মধ্যে আমার কাছে শুদ্বস্বর প্রকাশনীর ষ্টলখানার ডেকোরেশন চমৎকার লেগেছে । লালা এবং কালো রংয়ের সমাহারে তারা তাদের ষ্টলখানিকে সাজিয়েছেন ।

কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করার পর হঠাৎ করে মনে হল আমার ব্লগের বুক ষ্টল খানি খুজে দেখা দরকার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পিয়াল ভাইয়ের একটা বই বের হওয়ার কথা এইবারে অতএব আমার ব্লগের ষ্টল খুজতে লাগলাম ষ্টল খুঁজে পেতে খুব একটা বেগ পেতে না হলেও মনে মনে সেইখানে রুবেল ভাই থাকবে এইরকম প্রত্যাশা করছিলাম, কিন্তু হতাশ হতে হল তিনি ষ্টলে নেই সেই সময়ের ষ্টলের দায়িত্বে যে দুজন নর নারী ছিল তাদের সাথে পূর্ব পরিচয় ছিল না যাই হোক পিয়াল ভাইয়ের বই বারো তারিখের আগে আসবে না আমার ব্লগ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের থেকে বের হওয়া স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিজয় দিবস সংকলনখানা কিনেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো , সাথে অনলাইন প্রেস নামে একটা ম্যাগজিনও ফাও পেলাম । সংকলন কিনে চলে যাব এই সময়েই কে যেনো পিছন থেকে ডেকে উঠল আজাদ মাষ্টার বলে মাথা ঘুরিয়ে দেখি ব্লগার ইয়াসির মনন এইবারের ব্লগ ডের অনুষ্ঠানেই তার সাথে পরিচয় হলো কিছুক্ষন কথাবার্তা বলে বিদায় নিলাম ।

কিছুক্ষন হাটার পর ব্লগার অনুলেখার সাথে দেখা হয়ে গেল তার সাথেও কয়েকমিনিট কথা হলো তিনি ব্লগ ডের ভিডিও খানা সংগ্রহ করতে রুবেল ভাইরে খুঁজছেন।

গত কয়েকবছরে বই মেলাতে একটা নতুন ট্রেনড চালু হয়েছে ক্ষমতাসীন দলগুলা নিজেদের ব্যানার দিয়ে বড় বড় ষ্টল নিজেদের দখলের নেয় বিএনপি সরকারের সময়ে জিয়া সংসদ , জাসাস, কমল সমিতি ইত্যাদি নাম নিয়ে তারেক খালেদা জিয়া ফটো টাঙিয়ে ষ্টল দিতো , জামাতও নিজস্ব প্রকাশনি আধুনিক প্রকাশনীর ব্যানারে মওদুদি গোলাম আযম নিজামির লেখা বই সদম্ভে বিক্রি করতো
এবারের বইমেলায় আধুনিক প্রকাশনীর ষ্টল চোখে পড়লনা জাতীয়তাবাদিরাও দুই একটা ছোট ছোট ষ্টলে মাহমুদুর রহমানের প্রবন্ধ সংকলন ও খালেদা জিয়া উপর লেখা কিছু বই নিয়ে বিরসে বদনে বসে আছে ।

তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আওয়ামীলীগ সমর্থক এবং বঙ্গবন্ধু ভক্তদের জন্য সময়টা ভালোই যাচ্ছে বুঝা যায় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট , বঙ্গবন্ধু রিসার্চ সেন্টার এইরকম নানা ব্যানারে অসংখ্য ষ্টল দেখলাম মেলায় অনেকগুলায় ষ্টলের বইয়ের কোয়ালিটি নিয়ে প্রশ্ন করা যায় কিন্তু আবার অনেকগুলা ষ্টলেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভালো গবেষণামূলক বইয়ের সংকলন দেখে ভালো লাগল । ফেসবুকের মাধ্যমে গণসংতির বইয়ের ষ্টলের দেওয়ার কথা জেনেছিলাম কিন্তু তা চোখে পড়ল না।

বাংলা একাডেমির হতে প্রকাশিত বাংলা ব্যাকরনের বইখানা কিনতে চেয়ে হতাশ হতে হলো বাংলা একাডেমীর ষ্টাফ জানালো এখনও নাকি তা মেলায় আসে নাই । এই সময়ে আমার বন্ধু জানাল তার নাকি বাসায় যেতে হবে তাই আর দেরি না করে মেলা প্রাঙ্গণ হতে ধীরে ধীরে হয়ে বের হয়ে গেলাম ।

  • ক্যাটেগরি:

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবে যে যাব Sad

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেদিনই যান শুক্রবারে যাইয়েন না ভীড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাবেন।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি এখোনো যাই নাইক্কা। রিভিউ ভালা পাইলাম।
ধন্যবাদ মাষ্টার সাব।
smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্যে আপনারেও অনেক ধনেপাতা

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি কারো সাথে যাবার মত কাউকে খুজে পাচ্ছিনা Sad Sad Sad Sad( Sad( Sad( Sad(


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যদি কেউ না ডাকে তবে একলা চলো রে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জোর গলায় চেঁচিয়ে বলতে হবে এই কারনেই যদি বই মেলায় গিয়ে সেবা প্রকাশনীর ষ্টলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় যদি শুনেন “ভাই আমাকে একটা পিশাচ দ্যান ”, “ভাইয়া আমার ড্রাকুলা দরকার কিংবা কালো থাবা নাই” তাহলে মোটেও চমকাইয়েন না ।


চমকাইমু কেলা । একসময় আমরাও তো এইরাম কইতাম Wink

কবে যে যামু Sad

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো বলছেন ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাষ্টার সাব দারুন মাষ্টারি বয়ান দিয়েছেনগো smile :) :-)

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মুখে চন্দন ফুল পড়ুক ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মুখে চন্দন ফুল পড়ুক ।
ভাগ্যিস চন্দন গাছের কথা কন নাই। Tongue

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার ডায়েরি। এখনো মেলায় যাইনি। তবে আপনার লেখায় মেলা প্রাঙ্গণ এক চক্কর ঘুরে আসা গেলো।অনেক ধন্যবাদ। চলুক। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল লাগলো। আপনার সাথে আমিও ঘুরে আসলাম বইমেলা থেকে। কবে যে যাওয়া হবে একমাত্র আল্লাহই জানেন।

বাংলার ওপর ভাষা নাই, আর বাংলাদেশীরা পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান জাতি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টেনশনের কিছু নাই মেলা একদিন না একদিন ঠিকই পৌঁছে যাবেন ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বই মেলা ভ্রমণের প্রথম পর্ব শেষ!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক আছে সেকেণ্ড পার্ট আপনিই লিখেন ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বইমেলায় গেলে সকালের দিকে যাই। দারুণ উপভোগ করি পুরো সময়টা। বই মেলা যেন আমার প্রাণেরই মেলা। মনের মত বই কেনায় মগ্ন থাকি পুরোটা সময়

‍‍‌‍‍‍‍**********
স্বপ্নের কারিগর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো টাইম বেছে নিয়েছেন ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাবছি যে কোন শুক্রবারে যাবো, কিন্তু ভিড়ের ব্যাপারটাও আছে!

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গেলে ৩ টা ৪ টার সময়ে যাইয়েন সেই সময় গেলে লাইনে দাঁড়াতে কিংবা ভীড়ের মধ্যে পড়তে হবে না ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যাবো টার্ম টা শেষ হোক

****************
????????????
--------------------


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক আছে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবার কবে যাইবেন? জানাইয়েন।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেলার শেষের দিকে আরেকবার যাব

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরনো অভ্যাসবশত মেলা থেকে বই কিনি কিন্তু পড়া হয় না।গত দুই বছরের মেলা থেকে কেনা বই এখনও পড়া হয়নি Sad

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেইম কাহিনী আমার সাথেও

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যদি শুনেন “ভাই আমাকে একটা পিশাচ দ্যান ”, “ভাইয়া আমার ড্রাকুলা দরকার কিংবা কালো থাবা নাই” তাহলে মোটেও চমকাইয়েন না ।


Laughing out loud

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।

glqxz9283 sfy39587p07