Skip to content

ভিন্ন ধারার ফ্যাশন শো

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজকে সকাল বেলা বাংলা নিউজ ২৪ এর ওয়েব সাইটে ঢুকে একটু টাসকি খেলাম একটা ফ্যাশন শো ছবি দেখে চট্টগ্রাম ক্লাবে জীবনে প্রথম বার ফ্যাশন শো দেখবার শৌভাগ্য ( নাকি দুর্ভাগ্য হবে ? ) হয়েছিল ক্লাবে ঢুকে দেখলাম কিছু যুবক যুবতী ছিন্ন বস্ত্র এবং শিকল পরিহিত হয়ে ষ্টেজে মিউজিকের তালে তালে চলাফেরা করছে ধীর লয়ে এর পর থেকে ফ্যাশন শোর কথা শুনলে চোখে ভেসে উঠে ছিন্নবস্ত্র পরিধান করা কিছু সুন্দর চেহারার নর নারীর ছবি ।

কিন্তু বাংলা নিঊজের যে ফ্যাশন শোর ফটো দিয়েছে তা বেশ ব্যতিক্রমি




মুজিব কোট পড়েও যে ফ্যাশন শো করা যায় নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না , বাই দা ওয়ে মুজিব কোটের ইতিহাস সম্পর্কে কি কেউ অবগত আছেন ? আমার জানা নেই

বঙ্গবন্ধু এই ড্রেসকে কেন চুজ করেছিলেন সে সম্পর্কে কেউ কি কোন তথ্য দিতে পারবে ?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু এই ড্রেসকে কেন চুজ করেছিলেন সে সম্পর্কে কেউ কি কোন তথ্য দিতে পারবে ? আমি ও জানি না । জানতে চাই

****************
????????????
--------------------


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও জানতে চাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগের ইতিহাস বিশেষজ্ঞদের কাছে উত্তর আশা করছি

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একই মন্তব্য দুই জায়গায় মানানসই নয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শালারা সবকিছু নিয়া ফাত্রামী চুদায়,ইচ্ছা করে গুয়ার মধ্যে আইক্কাওয়াল বাঁশ ঢুকাই

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেলের কাটা ডেইলি ষ্টারে এই ছবি আসছিল



অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে খুব খুব তাড়াতাড়ি পুলাপাইন নানা দাদাদের আমলের ফ্যাশনরে নতুন ভাবে গ্রহণ করছে আমরা যারা জিনস শার্ট পড়ে ঘুরি তারা আংকেল হয়ে যাব

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দক্ষিণ এশিয়ার প্রত্যেকটা ঐতিহ্যবাহি পুরানা দলেরই দেশ কোড আছে

ভারতের কংগ্রেস পার্টির ড্রেস কোড খদ্দরের পোষাক ও টুপি






পাকিস্তানের মুসলিমলীগের ড্রেস কোড শেরওয়ানি ও জিণ্ণাহ টুপি

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একই লিখা দুই জায়গায় মানানসই নয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত আপনার কথা আমার মাথার উপরে দিয়ে গেছে আরেটু খোলসা করেন ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম! পড়লাম। ইন্টারেস্টিং।

বাই দা ওয়ে মুজিব কোটের ইতিহাস সম্পর্কে কি কেউ অবগত আছেন ?


জানার কৌতুহল জাগলো।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাসকয়েক আগে একটা বাংলা সিনেমা (হৃদয় ভাঙা ঢেউ) নিষিদ্ধ করছে সেন্সর বোর্ড কারণ সেখানে ভিলেন মুজিব কোট পড়ে আর হিরো সাফারি স্যুট! Laughing out loud

যাহোক, মুজিব কোটের ব্যাপারটা আমার কাছে ইমপ্রোভাইজড একটা ফ্যাশন মনে হইছে বরাবর। মুজিব স্যুট পড়তেন কম, বিদেশ গেলে বড়জোর। এর বাইরে সবসময় সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি। গল্পটা এমন হইতে পারে যে কোনো একদিন হয়তো ঠাণ্ডা লাগায় তিনি ট্রেডমার্ক শালের বদলে স্যুটের ভেস্টটাই গায়ে চড়াইছিলেন। পরে ওইটাই তার পাইপের মতোই অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে যায়। যাক এসবই আমার অনুমান। এ ব্যাপারে সঠিক তথ্যটা জানতে পারলে আমারও খুব ভালো লাগবে। মুজিব কোটের কথায় মনে পড়লো কালের কণ্ঠে ছাপা হওয়া একটা খবর। আর্কাইভ খুজে পেলাম না, তবে অন্য সাইটে দেখে ওটা শেয়ার করলাম:


মুজিব কোট গায়ে ৪৭ বছর পার...

তিয়াত্তর বছর বয়সের আওয়ামী লীগার টানা ৪৭ বছর পার করে দিয়েছেন মুজিব কোট গায়ে দিয়ে। কি গরম-কি ঠান্ডা মুজিব কোট তার গায়ে থাকেই। এমনকি ঈদ-কোরবানের পোশাকের সাথেও থাকে সেটি। সেই ১৯৬৪ সালে প্রথম একটি মুজিব কোট তিনি সেলাই করেছিলেন। তাও বঙ্গবন্ধুর কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে। সেই মুজিব কোট নিয়ে যখন বঙ্গবন্ধুর সাথে মঞ্চে উঠলেন তখন বঙ্গবন্ধু নাকি মুচকি হেসে বলেছিলেন-সত্যিইতো তোকে বেশ মানিয়েছে, সব সময় পড়বি কিন্তু...। তার সেই মুজিব কোট আর ছাড়া হয়নি। তিনি আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (৭৩)। কক্সবাজার জেলা শহরের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র দৈনিক কক্সবাজার এর সম্পাদক ও প্রকাশক হলেও তিনি আওয়ামী লীগার হিসাবেই সবচেয়ে বেশী পরিচিত। কেননা তিনি আওয়ামী লীগের ক্রান্তিকালেও এক মুহূর্তের জন্যও মুজিব কোট খুলেননি। মুজিব কোটের সাথে আপোষও করেন নি কোন দিন।

মুজিব কোট নিয়ে বিব্রত নয় রীতিমত গর্ব করেন তিনি। তিনি বলেন, মুজিব কোট নিয়ে আমি দেশের একজন রাষ্ট্রপতি এবং একজন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে গিয়ে বার বার বাঁধার সন্মুখিন হয়েছিলাম। তবুও আমি মুজিব কোট খুলিনি। আওয়ামী লীগার আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও। মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কক্সবাজার সফরে এসে সার্কিট হাউজে প্রেস ক্লাব সভাপতিরও ডাক পড়েছিল। তিনি গেলেন যথারীতি। কিন্তু সেখানে যেন বিধি বাম। মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের গায়ে মুজিব কোট দেখে রাষ্ট্রপতির সফর সঙ্গীরাও এক প্রকার হতবাক। তাদের অনেকেই এসময় বলাবলিও করছিলেন-লোকটার কেমন সাহস ? এমনকি রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষীরা এগিয়ে এসে সার্কিট হাউজের ফটকেই মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে থামিয়ে দেন। তারা তাকে বললেন, গায়ের মুজিব কোট খুলে যেন রাষ্ট্রপতির সাথে বসেন। তাতেও তিনি রাজি হলেন না। অগত্যা মুজিব কোট গায়ে তাকে ঢুকার অনুমতি দেয়া হল। পুরো অনুষ্ঠানে ছিলেন কেবল তিনি একাই মুজিব কোট গায়ে। ফলে সবারই দৃষ্টি ছিল তার উপর। মুজিব কোট দেখে রাষ্ট্রপতিও বার কয়েক তাকালেন তার দিকে। এক সময় মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে রাষ্ট্রপতি জিয়া কাছে নিয়ে বললেন, আসুন আমার সাথে দল করি। জবাবে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বললেন, আমার গায়ে মুজিব কোট-আমি দল করি বঙ্গবন্ধু মুজিবের। প্রতিউত্তরে রাষ্ট্রপতি জিয়াও নাকি বলেছিলেন-আমরাওতো বঙ্গবন্ধুর... কিন্তু তিনিতো এখন নেই।

মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বললেন অরেকবারের কথা। সেই সময় রাজধানী ঢাকায় গনভবনে ডাক পড়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। সেবার দৈনিক কক্সবাজার সম্পাদক হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার পালা ছিল। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে তাদের গাড়িতে তুলে নেয়ার সময় আপত্তি ঊঠল মুজিব কোট নিয়ে। সংশ্লিষ্টরা তাকে অনুরোধ করলেন, গায়ের মুজিব কোটটি খুলে গাড়িতে রেখে দিতে। তিনি বলেছিলেন-তাহলে আপনারা আমাকে নামিয়ে দিন। শেষ পর্যন্ত তাকে মুজিব কোট নিয়েই সেই অনুষ্ঠানেও যাবার অনুমতি দেয়া হয়।
১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের কক্সবাজার মহকুমা কমিটির সাংগটনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের জেষ্ঠ সহ সভাপতি। প্রয়াত ফনিভূষণ মজুমদার যখন কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন তখন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ছিলেন দলের পলিট ব্যুরোর সদস্য।

তিনি জানান, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ট্রাজেডির সময়ও আমি ছিলাম রাজধানী ঢাকায়। এই বিয়োগান্তুক ঘটনার পর অনেকেই মুজিব কোট খুলে লুকিয়ে রেখেছিলেন। আমার সঙ্গীয় দলীয় নেতাদেরও ক'জন আমাকে মুজিব কোট খুলতে বলেছিলেন। এমনকি তারা আমার সাথে থেকে নিরাপদ মনে না করে অনেকেই আমাকে ছেড়েও দিয়েছিলেন। অথচ আমি সেই ক্রান্তিলগ্নেও গায়ের মুজিব কোট নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার এসে পৌঁছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যে মুজিব কোট গায়ে দিতেন সেটি আমিও দিই। আশি দশকে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদে উপর্যুপরি ২ বার চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন। আপাদ মস্তক একজন আওয়ামী লীগার আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বললেন, মৃত্যুর সময়ও যাতে এটি আমার গায়ে থাকে-এটাই আমার কাম্য।


আরেকটা ইনট্রেসটিং তথ্য

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আরপি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিয়াল ভাই লাস্টের ইনফোটা আসলেই অনেক চমকপ্রদ



মুজিব কোটের ৬ বোতাম = শেখ মুজিবের ৬ দফা

তখনও শেখ মুজিবের গায়ের কোটটি মুজিব কোট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেনি। কালো হাতাকাটা এই বিখ্যাত কোটটি তখনও লাভ করেনি কালজয়ী কোন নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এক ছাত্র তার সহপাঠী তাজউদ্দিনের সাথে দেখা করতে গিয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে। শেখ মুজিবুর রহমানকে অনেক কাছ থেকে দেখলেন তিনি, কথাও বললেন দীর্ঘক্ষণ। কথা শেষে ওঠে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যখন তার কালো কোটটি গায়ে জড়াচ্ছিলেন তখন ঐ ছাত্রটি লক্ষ্য করলেন কোটে ৬টি বোতাম। যা এ ধরনের অন্য কোটের বোতামের চেয়ে কম। তিনি বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কোটের বোতাম ৬টি কেন? বঙ্গবন্ধু তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, এমন প্রশ্ন এর আগে আমাকে আর কেউ করেনি। তুই প্রথম। এই ৬টি বোতাম আমার ঘোষিত ৬ দফার প্রতীক। আর এ কারণেই একটি আদর্শ মুজিব কোটে বোতাম থাকে ৬টি।
আজ এই ঘটনাটা আমি শুনেছি বাংলার ঐ ছাত্রের মুখ থেকেই। অধ্যাপক জীবন থেকে অবসর নিয়ে এখন তিনি একটি কলেজের অধ্যক্ষ।

.................................

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহমদ ছফা আবার মুজিব কোটের মধ্যে ভারতের অনুকরণ কিংবা চাপাইয়া দেওয়া গন্ধ পাইছিলেন। Laughing out loud

...কিন্তু এ কোন বাঙালি জাতীয়তাবাদ? মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত পচেগলে একাকার; ধর্মভিত্তিক জাতীয়তার শেষ শেকড়টাও উপড়ে ফেলে, দশ কোটি মানুষের সামনে যে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা মূর্তিমান হয়ে দেখা দিয়েছে তাকে বাঙালি জাতীয়তাবাদ বললে ভুল করা হয় না। কিন্তু একটি লাগসই ব্যাখ্যা প্রয়োজন। উনিশশো সাতচল্লিশ সালে ভারতবর্ষ হিন্দু-জাতীয়তা এবং মুসলিম-জাতীয়তার ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে ভারত এবং পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও ভারতীয় রাষ্ট্রের কর্ণধাররা স্বীকার করেননি যে, হিন্দু-জাতীয়তাই হলো ভারতরাষ্ট্রের ভিত্তি। সেই মুসলিম-জাতীয়তার ভিত ভেঙে বাংলাদেশে যখন একটি নতুনতর জাতীয় সংগ্রাম দাবানলের মতো জ্বলে উঠতে শুরু করেছে তখন ভারতের ক্ষমতাসীন শাসক কংগ্রেসের তাত্ত্বিকেরা বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তিসংগ্রামকে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভুল সংশোধন হিসেবে ব্যাখ্যা করতে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। তাদের মতামত আওয়ামী লীগের চিন্তাধারাকে ব্যাপকভাবে যে প্রভাবিত করেছিল, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। জাতীয় সংগ্রাম যখন তুঙ্গে সেই সময় মুজিবের ভক্তরা তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ আখ্যা দিচ্ছেন, নতুন ধরনের মুজিব কোট, মুজিব টুপি চালু করছেন। ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটির সঙ্গে ‘দেশবন্ধু’র একটি সাদৃশ্য চোখে পড়ে। মুজিব কোটের সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর ব্যবহৃত জ্যাকেট এবং মুজিব টুপির সঙ্গে সুভাষ বসুর আজাদ-হিন্দ ফৌজের টুপির ঈষৎ পরিবর্তিত মিল দেখলে অতি সহজেই বোধগম্য হয়, যেসব প্রতীক বৃটিশবিরোধী সংগ্রামে ভারতীয় কংগ্রেস অনুসৃত ভারতীয় জাতীয়তার স্মারকচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোই সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে নতুনভাবে জেগে উঠতে শুরু করেছে। এমনকি শেখ মুজিবুর রহমানের অহিংস-অসহযোগ আন্দোলনটির কথাও এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে। বাংলাদেশে আবার মহাত্মা গান্ধীর আদর্শের নবউত্থান লক্ষ্য করে অনেক ভারতীয়ই উল্লসিত হয়ে উঠেছিলেন, এ কারণে যে কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন অনতিবিলম্বে তা পূর্ণ হতে যাচ্ছে। পাকিস্তান ভেঙে পড়ছে এবং খন্ডিত ভারত আবার জোড়া লেগে অখণ্ডরূপে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে। উনিশশো একাত্তর সালের বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের নেতৃত্বের রূপটি দর্শন করে ভারতের ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর এ মনোভাব জাগ্রত হওয়া একটুও অস্বাভাবিক নয় যে, বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে ভারতের সঙ্গে মিলেমিশে না যাক, অন্তত ভারতের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছে। সে কারণে অনেকেই শেখ মুজিবুর রহমানকে মহাত্মা গান্ধীর মানসপুত্র বলে অভিহিত করতে কুণ্ঠিত হননি।...


(শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য: ১৯৮৯)

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গান্ধির অহিংস আন্দোলনের অনুপ্রেরণা এসেছিল খ্রীষ্ট মতবাদ হতে গান্ধির সাদা টুপি মূলত সাইথ আফ্রিকায় কালো কয়েদিদের পড়তে বাধ্য করা হতো সেইখান হতে এসেছে আহমেদ ছফার থিয়োরি মেনে নিলে দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক নেতা ছিলেন গান্ধি !

তবে বঙ্গবন্ধু রাজনীতিক ক্যারিয়ার আরম্ভ হয়েছিল মুসলিমলীগ করে যুবা অবস্থায় ছিলেন সোহারদির ডান হাত কাজেই রাতারাতি তাকে গান্ধিবাদির তকমা দেওয়াটা আমার কাছে খুব একতা লজিক্যাল মনে হয় ন

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

image jpg 1058-124

@ অরপি,

মুজিব কোটের সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর ব্যবহৃত জ্যাকেট এবং মুজিব টুপির সঙ্গে সুভাষ বসুর আজাদ-হিন্দ ফৌজের টুপির ঈষৎ পরিবর্তিত মিল দেখলে অতি সহজেই বোধগম্য হয়, যেসব প্রতীক বৃটিশবিরোধী সংগ্রামে ভারতীয় কংগ্রেস অনুসৃত ভারতীয় জাতীয়তার স্মারকচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোই সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে নতুনভাবে জেগে উঠতে শুরু করেছে।


এ ক ম ত। সাবেক নকশালাইট পিতা আজিজ মেহেরের কাছে শুনেছি, জহরলাল নেহেরুর অনুকরণে শেখ মুজিব কোট পরা শুরু করলে সেটিই পরে এপারে 'মুজিব কোট' নামে পরিচিত পায়।


অনেক ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও বিষয়টির সাথে একমত ....এবং এটাই আমার ধারণা রিয়েল ফ্যাক্ট ..... @ বি.র

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিয়াল ভাইয়ের ইনফো চমকপ্রদ

glqxz9283 sfy39587p07