Skip to content

পুঁজিবাদের সংকট এবং দেশে বাম আন্দোলন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছোট বেলায় সাহিত্যিক সুনীলের রাশিয়া ভ্রমণ বইটার পড়ার মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে। তার লেখনী শক্তির মাধ্যমে কৃষকদের উন্নত যৌথ খামারের মাধ্যমে উৎপাদন রাষ্ট্রে কৃতক প্রত্যেক নাগরিকের জন্য
শিক্ষা ,স্বাস্থ্য , বাসস্থানের , কর্মসংস্থানের উদ্যোগের গ্রহণের যে স্বপ্নিল বর্ণন পেয়েছি তাতে কিশোর বয়সেই সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভক্ত বনে যাই । অবশ্য এই লেখক সুনীলই ৯০ এর দিকে বার্লিন ওয়ালের পতন ঘটলে পূর্ব ইউরোপের ভূতপূর্ব সমাজতান্ত্রিক দেশগুলাতে তার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিয়ে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ নামে আরেকখানি বই লিখেন তাতে উঠে আসে কিভাবে সর্বহারার একনায়কতন্ত্রের স্লোগান পরিনত হয় স্বৈরচারী পার্টিতন্ত্রের দুঃশাসনে।

৯০ দশকে মনে হয়েছিল সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার কবর যেনো চিরতরে খোড়া হয়ে গেছে , মার্কিন মডেলের নিওলিবারেল অর্থনীতিক ব্যবস্থাই মনে হয় দুনিয়ার যতোদিন টিকে থাকবে ততোদিন পর্যন্ত তা রাজত্ব করবে এই কারনেই ফ্রানসিস ফুকোয়ামার মতো জাদরেল আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানি তো তার The End of History and the Last Man বইতেই ফতোয়াই জারি করে দিয়েছিলেন

"What we may be witnessing is not just the end of the Cold War, or the passing of a particular period of post-war history, but the end of history as such: that is, the end point of mankind's ideological evolution and the universalization of Western liberal democracy as the final form of human government."

অর্থাৎ পশ্চিমা মডেলের কনজুমার বেইজড অর্থনীতিই হচ্ছে মানব সভ্যতার বিবর্তনের অন্তিম দশা । ৯০ এর দিকে যেভাবে সমাজতন্ত্রের পশ্চাৎগমন হয়েছিল ফুকোয়ামার বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করবার মতো মতো বুকের পাটা মনে হয় খুব কম লোকেরই ছিল ! কিন্তু আমাদের দেশে যেমন সরকারি দলের ব্যর্থতার ফলস্বরূপ ক্ষমতাচ্যুত বিরোধীদল আবার মানুসের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে সেরকমভাবেই ৯০ থেকে ২০১১ সালে এসে পুঁজিবাদ ব্যবস্থাকে আগের মতো আর অজেয় বলে মনে হয় না বুশের তেলের লোভে ইরাকে আক্রমন এবং সেই সমর দীর্ঘকালিন পরিচালনা করতে গিয়ে লাখ লাখ লোকের মৃত্যু জখম আমেরিকাতে জায়ানটদের কর্পরেশনগুলির অতি লোভের ফলে subprime mortgage crisis হতে সৃষ্ট বিশ্বঅর্থনীতিক মন্দা , ভোগবাদি অর্থনীতির হতে উপজাত সমস্যা পরিবেশ বিপর্যয়, ভূমি উচ্ছেদ, ধনী গরিবের বৈষম্য বৃদ্ধি এই সবকিছুই পুরা দুনিয়ায় মৃত প্রায় সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনগুলাতে বলা যায় জান ফুঁকে দিয়েছে।

বিশেষ করে ল্যাতিন আমেরিকার দেশগুলাতে একের পর এক বাম আদর্শে বিশ্বাসি দলগুলা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পেরেছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপালেও মাওবাদিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত , নেপালে যখন মাওবাদি বনাম রাজতন্ত্রী ব্যবস্থার সংঘর্ষ চলছিল সেই সময় আমি নেপালে অবস্থান করছিলাম কাজেই খুব কাছ থেকেই দেখেছি কিভাবে নেপালের আশি ভাগ গ্রামীণ অঞ্চলে মাওবাদিরা নিজেদের স্বতন্ত্র অর্থনীতি প্রশাসন ব্যবস্থা চালিয়েছে ।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের সাথে যদি আমরা নিজ দেশের বাম আন্দোলনের অবস্থা বিবেচনা করি তাহলে কিছুটা হতাশ কিছুটা আশাবাদি হতে হয় ভালো খবর এই যে ৯০ দশকে রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র পতনের পরে ও চিনে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা আবার পুনরায় ফিরে আসার পরে বাম দলগুলার মধ্যে যে অস্তিত্ব সংকট তৈরি হয় তা হতে আমার মনে হয় তারা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির ব্যানারে আন্দোলন এবং পোষাক শিল্প শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আন্দোলনে (যদিও এই খানে তাদের প্রভাব খুব ক্ষীণ বলা যায়) মাধ্যমে নতুন একটা নেতৃত্ব উঠে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ।

তবে আশাবাদি হওয়ার চেয়ে আমি বাম আন্দোলনের ইতিহাসের পুনারবৃত্তি করে বিপথে যাওয়ার অনেক লক্ষণও দেখি বেশি এখন পর্যন্ত বামেরা যে আন্দোলন করছে সব মূলত সব কিছুই নেগিটিভ রিয়াকসনমূলক তেল গ্যাস উত্তোলনে তারা বিদেশি কোম্পানিগুলির বিনিয়োগে বিরোধিতা করে আসছে কিন্তু এর বিকল্প কি হতে পারে তা কিন্তু ষ্পষ্ট করছে না , রাষ্ট্রীয়করনের স্বপক্ষে সর্বদা তাদের সোচ্চার হতে দেখা যায় কিন্তু রাষ্ট্রীয়করনের ফলে সৃষ্ট দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা কিভাবে দূর করা হবে সে সম্পর্কে তাদের এদেশের বাম দলগুলির হতে কোন পলিসি পেপার আমার চোখে পড়িনি এখন পর্যন্ত, রাষ্ট্র ক্ষমতায় কিভাবে আসবে সেই ব্যাপারেও আছে ধোঁয়াসা অথবা এই ব্যাপারে আদৌ তারা সিরিয়াস কিনা সেই ব্যাপারে সন্দেহ আছে এর উপরে মরার উপর ঘরার ঘা বামদের একটা গ্রুপ মার্কসবাদ এবং মওদুদিবাদের খিচুড়ি পাকিয়ে বিএনপি জামাতের কোলে বসতে আগ্রহী ।

বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শকে শক্তিশালী করতে হলে রাজনীতিতে ভারতের মতো একটা শক্তিশালী বাম শিবিরের থাকা জরুরী বলে আমি মনে করি , প্রগতিশীল মুক্তবুদ্ধির নাগরিকদের কাছে আওয়ামীলীগের কোন বিকল্প না থাকায় তাদেরকে যেমন একটা দলের অসহায় ভোট ব্যাংকে পরিনত করেছে তেমনিভাবে নানা কারনেই আওয়ামীলীগের প্রতি বীতশ্রদ্ধ সেন্টিমেনটকে পুঁজি করে প্রতিক্রিয়াশীলেরা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে দাপটের সাথে, এই অচল অবস্থা ভাঙতে দরকার বিকল্প বাম শক্তির উথান কিন্তু সাধ্ এবং বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকে এইটা দিনের শেষে স্বীকার করা ছাড়া উপায় নেই ।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জগা-খিছুড়ী হয়ে গেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেষ্ট কমেনট করার জন্য ধন্যবাদ পরের বার পোলাও রান্নার চেষ্টা থাকবে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট ভাল লাগল।তয় আরেকটু ডিটেইলস আলোচনা আশা করছিলাম।

অঃটঃ নিজের বাপের এককালীন বাম রাজনীতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় এ আসার পর নিজের বাম রাজনীতির সাথে কিছুটা সম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়--শুধু আমাদের দেশে কেন যেকোন দেশেই বাম রাজনীতি দীর্ঘস্থায়ী হবার নয়।এটা সম্ভবত সব মানুষের মাঝে যে একটা পুঁজীবাদী সত্ত্বা আছে সে কারণেই হয়।প্রথম কিছুদিন আশা দেখিয়ে কতগুলা তরূনকে দিয়ে বিপ্লব করানো যেতে পারে।ইন ফ্যাক্ট এইটা খুবই রোমান্টিক ভাবনা। কিন্তু এট দা লং রান, মানুষের ভেতরকার পুঁজীবাদী সত্ত্বার কাছে বাম আদর্শ একসময় পরাজিত হয়।(এটা নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত মতামত।)

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে লম্বা পোস্ট দিলে মানুষ পড়বে বিরক্ত হবে কিনা সেই চিন্তা হয় , এছাড়া ফেসবুকে ছোট লেখা লিখে অভ্যাস খারাপ হয়ে গেছে


আপনার বিশ্লেষণ ঠিক আছে ক্যাম্পাসের বাইরে বাস্তব দুনিয়ায় পা রাখলে সাম্যবাদের স্বপ্ন অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়

তবে ছাত্র সংগঠনগুলার পাশাপাশি যদি মূল্ দলগুলিও শক্তিশালী হতো তাহলে কিন্তু এই হতাশা থাকত না যেমন ভারতে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি করে হাত পাকিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও ওইখানে অনেকে সামিল হয়ে যাচ্ছে

নেপালেও অনুরূপ অবস্থা

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা নিজেরাইতো ঠিক নাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চারিদিকে খালি হতাশা এর মধ্যে পজিটিভ চিন্তা করা আসলেই দুরূহ ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাপরে অর্থনীতি আমার বোধের বাইরে Sad

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলেন কি অর্থনীতি না বুঝে ফ্যামিলি নিয়ে চলেন ক্যামনে ? অবশ্যই পোস্ট খানা অর্থনীতি অপেক্ষা এই দেশের বাম আন্দোলনগুলার সম্ভাবনা বা সীমাবদ্বতা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে দেওয়া

আপনি তো কৃষি লাইনের লুক আপনি কয়েকটা সাজেসন দেন কি করলে কৃষকেরা বাম পার্টিকে ভোট দিবে ?

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কৃষকরা পেটনীতি বুঝে। যে সরকার উৎপাদন ব্যয় কমাবে আর উৎপাদন আয় বাড়াবে সেই দিকেই যাবে। আসলে তথাকথিত দল-আদর্শ নিয়ে এদের খুব একটা মাথাব্যাথা নাই। যা আছে তা হলো সারাদিন কর্মব্যাস্ততার পর মোড়ের চায়ের দোকানে রাজনৈতিক আলাপ শুনা।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বামপন্থী বলতে কি মার্ক্সবাদীদের বুঝাচ্ছেন?

সমাজবিজ্ঞানী হিসাবে মার্ক্সের মত প্রভাব আর কারো ছিল বা আছে কিনা সন্দেহ। শৈশবে ভারত থেকে প্রকাশিত Science Today নামে উন্নতমানের একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান পত্রিকা পড়তাম। সেখানে একবার একশ' সেরা বিজ্ঞানীর তালিকা ছেপেছিল। সেই তালিকায় একমাত্র সমাজবিজ্ঞানী ছিলেন মার্ক্স। পূর্ব ইওরোপে কমিউনিজমের পতনের পর মার্কিন বিজ্ঞান পত্রিকা Scientific American একটা নিবন্ধে মার্ক্সকে বাতিল করে দেওয়ার বিপক্ষে উপদেশ দিয়ে লিখেছিল সে সময়ে আমেরিকার মত দেশেই বহু বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মার্ক্স অনুসৃত পথে সমাজকে অধ্যায়ন করেন। মার্ক্সীয় রাজনীতির পরিণতি যা-ই হোক, জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতি মার্ক্সের অবদান খাটো করে দেখার কোন উপায় নাই।

রাজনীতির ক্ষেত্রে মার্ক্সবাদীদের আচরণ ধর্মবাদীদের সাথে খুব মিলে যায়। নিউটন বলেন, ডারউইন বলেন, আইন্সটাইন বলেন, কারো তত্ত্বই সর্বাংশে সত্য বলে মনে করার কোন কারণ নাই, বিজ্ঞান ও জ্ঞানের অগ্রগতিতে তাদের প্রকাশিত চিন্তা ভাবনা পরবর্তী গবেষকদের হাতে উন্নত-সংশোধিত হয়েছে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মার্ক্সবাদী রাজনীতিবিদরা মার্ক্সকে নবী আর Das Kapital বা মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন(-মাও জেদং)-এর লেখাকে কুর'আন ভেবে বসে আছেন। সেই ভাবনা থেকে তাঁরা একে অন্যকে সংশোধনবাদী বলে গালি পাড়েন।

সমাজ গবেষণায় মার্ক্স-এঙ্গেলসের তাত্ত্বিক কাঠামো এবং বিভিন্ন ধারণা এখনো প্রাসঙ্গিক বোধ হয় (আমার সীমিত জ্ঞানে, তাঁদের খুব বেশি লেখা আমি পড়িনি)। তবে তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণী অভ্রান্ত ধরে নেওয়ার কোন কারণ নাই।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজনীতির ক্ষেত্রে মার্ক্সবাদীদের আচরণ ধর্মবাদীদের সাথে খুব মিলে যায়। নিউটন বলেন, ডারউইন বলেন, আইন্সটাইন বলেন, কারো তত্ত্বই সর্বাংশে সত্য বলে মনে করার কোন কারণ নাই, বিজ্ঞান ও জ্ঞানের অগ্রগতিতে তাদের প্রকাশিত চিন্তা ভাবনা পরবর্তী গবেষকদের হাতে উন্নত-সংশোধিত হয়েছে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মার্ক্সবাদী রাজনীতিবিদরা মার্ক্সকে নবী আর Das Kapital বা মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন(-মাও জেদং)-এর লেখাকে কুর'আন ভেবে বসে আছেন। সেই ভাবনা থেকে তাঁরা একে অন্যকে সংশোধনবাদী বলে গালি পাড়েন।



---কমেন্টে চরম লাইক।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আসলে বামপন্থা শব্দ দিয়ে একটা জেনারেল ক্যাটাগরিতে সবাইকে ফেলতে চেয়েছি তা সে মাওবাদি লেলিনবাদি কিংবা মধ্য বাম হোক না কারণ যেহেতু সবার অবস্থাই সেইম এইদেশে

আপনি ঠিক বলেছে পশ্চিমা বিশ্বে মার্কস Social science studies এখনও খুন গুরুত্বপূর্ণ কারন তিনি তো সমাজতন্ত্র কি রূপে ভবিষ্যৎতে হবে তা ব্যাখ্যা করা অপেক্ষা পুঁজিবাদি অর্থ সমাজ বিশ্লেষণ করাতেই বেশি মনযোগ দিয়েছেন তাই একাডেমি সার্কেলে তিনি এখনও পপুলার ।

মার্কসের তত্ত্বকে কিন্তু লেলিন এবং মাও কেউই নিজ নিজ দেশে হুবহু ফলো করেননি মার্কস শিল্পউন্নত দেশেই একমাত্র সমাজতন্ত্র সম্ভব বলেছিলেন লেলিন সেই থিওরিতে উপর ভরসা করেননি আর মাও কৃষক দিয়েই নিজ দেশে বিপ্লব করে ফেলেছেন এইটা লেলিন চিন্তা করেননি

আমাদের দেশে বেশিরভাগ বাম নেতা ও কর্মি কিছু বাম চটি মুখশ্ত স্লোগান মুখস্থ করেই কর্ম সারে নিজ দেশের অবস্থা বুঝাতে তাদের সিরিয়াস কোন চেষ্টা নেই ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিশ্র অর্থনীতির বিকল্প নাই। ব্যাক্তি সম্পত্তির উচ্ছেদ সৈরাচার তৈ্রি করবেই। সব কিছু বাজারের উপরে ছেড়ে দিলে মানুষ কিছু বনিকের কাছে জিম্মি হয়ে যাবে। তাই রাষ্ট্রের হাতে অংশিক মালিকানা থাকতে হবে। সেই সাথে বহু দলীয় গনতন্ত্রেরও কোন বিকল্প নাই।

বামপন্থীদের মধ্যে বহু গোরা লোকজন আছে যাদের হাতে কোন কিছুই নিরাপদ না। কিন্তু গনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নিয়ন্তান্ত্রিক উপায়ে কেউ যদি ক্ষমতায় এসে ভূমি সংস্কার থেকে শুরু করে বাকি প্রয়োজনীয় সংস্কারে হাত দেয় তবে তাদের স্বাগতম।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ দুইটা দলই তো বলতে গেলে চরম ডানের এইটাকে ব্যালেনস করতে বাম দলগুলার সরব উপস্থিতি দরকার মিশ্র অর্থনীতি চালু করতে চাইলেও তাদেরকে দরকার

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন ব্যাবস্থাই আসলে নিখুত নয়, হতে পারে না। যে কোন ব্যাবস্থাই যদি দাবী করতে থাকে যে আমরাই একমাত্র নিখুত শ্রেষ্ঠ, আমাদের কোনই দূর্বলতা হতে পারে না সেটাই তার সবচেয়ে বড় দূর্বলতা। ধর্মবাদী ডান ও বাম দুই বিপরীত মেরূর এখানে মিল আছে।

আমাদের দেশে বাম রাজনীতির আশা তেমন নেই। এককালে শিক্ষিত ছাত্রদের মাঝে মোটামুটি জনপ্রিয় ছিল, এরপর সময়ের সাথে শুধুই পতন। কম্যুনিজমের পতনের পর আর কিছুই বাকি নেই। বামরা আসলেই আন্দোলন চীতকার ছাড়া নুতন কোন নির্দেশনা জাতীয় কিছু হাজির করতে পারে না। যদিও বংগবন্ধুর বাকশাল কিছুটা রুশ কম্যুনিজমের আদলে ছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন ব্যাবস্থাই বা আদর্শই আসলে নিখুত নয় এইটা বাস্তবতা কিন্তু একটা আদর্শ বা লক্ষ্যকে সামনে ধরে না এগুলে কোন কিছুতেই সাফল্য পাওয়া যায় না এইটাও কিন্তু বাস্তবতা

উদাহরণ জামাতের বা আমেরিকার কনজারভেট্টিভ খ্রীষ্টান মুভমেনট এর কথাই ধরেন ইসলামি রাষ্ট্র বা বাইবেল ভিত্তিক আমেরিকার স্বপ্ন তারা বহু বছর ধরেই দেখছে হয়তো এখনো তা তাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে কিন্তু এইটা অস্বীকার করা যাবে না যে তারা তাদের অনেকগুলা দাবি বা লক্ষ্য কিছুটা হলেও সমাজে কায়েম করতে পেরেছে

অন্যদিকে লিবারেল ওবামার কথা চিন্তা করুন না ঘাট্কা না ঘরকা অবস্থায় আছে ।


বঙ্গবন্ধুর ২য় বিপ্লব যা কিনা বাকশাল নামে পরিচিত তা নিয়ে একটা গবেষণমূলক বই পরার সৌভাগ্য ছিল প্রত্যেকটা পরিকল্পনাই ভালোই লেগেছে কিন্তু মনে হয়েছে আওয়ামীলীগের দল হিসেবে যে কাঠামো এবং তাতে যে ধরনের কর্মি সমর্থক বিদ্যমান তাদেরকে সমাজবাদ ব্যবস্থার আদর্শে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না দিয়ে এইটা বাস্তবায়ন করতে যাওয়া মানে হচ্ছে আরকজতা তৈরি করতে যাওয়ারই সামিল অবশ্য বঙ্গবন্ধুর এর ছাড়া আর কোন উপায়ও ছিল না একদিকে দেশের ভিতরে সিরাজ সিকাদার ও জাসদের নৈরাজ্য অন্যদিকে নিক্সসন প্রশাসনের রক্ত চক্ষু তাকে এই কর্ম সূচি নিতে বাধ্য করে বলা যায়

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কাছে সবচেয়ে নিরাপদ ব্যাবস্থা বলে বর্তমান বিশ্বে নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, হল্যান্ড এদের মনে হয়। আমার চোখে এদের সফলতার কারন এরা পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক দুই ব্যাবস্থার মোটামুটি ভাল দিকগুলি নিয়েছে। পূঁজিবাদের ক্ষতিকর দিকগুলি যেমন আমেরিকায় প্রমানিত তাদের দেশে সেসবের প্রভাব নেই, আমার সমাজতান্রিক ব্যাবস্থার ভাল দিকগুলিও বহুলাংশে আছে যা আমেরিকায় নেই।

পরিকল্পনা এবং বাস্তনের তফাত অনেক। বাকশাল পরিকল্পনা হিসেবে ভাল কিন্তু আমাদের মত প্রবল দূর্নীতিগ্রস্থ দেশে এক ব্যাক্তি বা দলের কাছে বিনা প্রশ্নে সম্পূর্ন ক্ষমতা আরোপ অত্যন্ত বিপদজনক।

এই ব্যাবস্থার কাছাকাছি মনে হয় চীনের ব্যাবস্থা। তাদের দেশেও দূর্নীতি ভালই আছে, তারপরেও এগিয়ে যাচ্ছে অন্য কারনে। তাদের ইনোভেশন/মার্কেট ধরা/কঠোর পরিশ্রম বাকি দূর্বলতা ছাপিয়ে গেছে। কিন্তু তারপরেও দেশটি আদর্শ হতে পারে না। মানবাধিকার অবস্থা অত্যন্ত দূর্বল। এত আর্থিক উন্নতির পরেও বিপুল সংখ্যক নাগরিক পশ্চীমা দেশগুলিতে স্রোতের মত ভেসে যায়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের মানুষ মত প্রকাশের স্বাধীনতা তা যতোই ত্রুটিপূর্ণ হোক তা ভোগ করে অভ্যস্ত কাজেই চাইনিজ মডেল এইখানে খাটবে না নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, হল্যান্ড এর ব্যবস্থা হচ্ছে সবচেয়ে আদর্শ জার্মানিরাটাও খারাপ না কিন্তু ১৫ কোটির জনবহুল দেশে বাস্তবায়ন করা টাফ হবে বলেই মনে হবে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাম রাজনীতি অর্থনীতি বান্ধব নয়। আর সাম্যবাদ আর বেহেস্তী ভাবনার মাঝে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিওর পুঁজিবাদও যে অর্থনীতির শরীরের জন্যে হানিকারক আমেরিকা সাম্প্রতিক ক্রাইসিস কিন্তু তা প্রমান করে আর এই যে আজকে জামানায় আমরা আট ঘণ্টা কর্ম দিবস বাড়তি কাজের জন্য ওভারটাইম পেনশন এই সব কিন্তু দীর্ঘ বাম আন্দোলনেরই ফসল

কাজেই রাষ্ট্র রাজনীতিতে ডান বামের একটা ভারসাম্য থাকা দরকার ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কাছে সবারই ভাল যা তা গ্রহন করতে আপত্তি নেই। একক ভাবে আমরাই শ্রেষ্ঠ এই নীতিই সবচেয়ে ক্ষতিকর মনে হয়। কম্যুনিজম পতনের জন্য এই মনোভাব বড় ভূমিকা রেখেছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুঁজিবাদ নিজেদের সংশোধন করে আর সমাজতন্ত্রে সমাজকে সংশোধন করে। 'সমাজতন্ত্রী'দের বড় সমস্যা হলো পরমতসহিষ্ণুতার অভাব।
সমাজতন্ত্রীরা নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংশ করে দেয় উতসাহ নিয়ে। আর কথিত 'সর্বহারার এক নায়কত্ব' হলো বোগাস। এতে আসলে মধ্যবিত্ত শাসন করে সবাইকে।
গনতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রে আমার কোনো আপত্তি নেই।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধুও কিন্তু গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র এ বিশ্বাস করতেন । এইটাও আসলেই ভালো

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মার্কসের ভবিষ্যত বানী অনুযায়ী পুঁজিবাদের বিকাশ এবং তার কারনে সংকটের মাঝেই রয়েছে সমাজতন্ত্রের উদ্ভব, অর্থাৎ পুঁজিবাদ চরমভাবে বিকশিত হলে শ্রমিকদের দুর্দশা চরম আকার ধারন করবে, ফলস্রুতিতে শ্রমিকশ্রেনী বিপ্লব করে সমাজতন্ত্র কায়েম করবে। পুঁজিবাদী কোন দেশেই এভাবে সমাজতন্ত্র আসে নি, রাশিয়ায়ও এভাবে সমাজতন্ত্র আসে নি, লেনিনের বিপ্লবী দলের সাথে নৌবাহিনী যোগ দিয়ে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সমাজতন্ত্র কায়েম করেছে। চীনেও শ্রমিক শ্রেনীর নেতৃত্বে সমাজতন্ত্র আসে নি, মূলতঃ কৃষক শ্রেনীকে সসম্ত্র যোদ্ধায় পরিনত করে তাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে সরাসরি সাম্যবাদ(সমাজতন্ত্রের আরও বিকশিত রুপ) প্রতিষ্ঠিত করার কথা বলা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য শ্রমিকশ্রেনীকে সেভাবে উদ্বুদ্ধ করা যায় নি, দুএকটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কৃষকশ্রেনীকেও সেভাবে সমৃক্ত করা সম্ভব হয় নি। ক্রশ্চেভের সময় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের উপায় হিসেবে গণতান্ত্রিক নির্বাচনকেও বৈধতা দেয়া নিয়ে সোভিয়েতের সাথে চীনা মতাদর্শগত সংঘাত দেখা দেয়। ভারতীয় উপমহাদেশে তখন থেকে সোভিয়েত পন্থীরা গণতান্ত্রিক পথে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে প্রয়াসী হয়, আর চীনপন্থীরা সসস্ত্র বিপ্লবের লাইনেই থেকে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতান্ত্রিক ব্যাবস্থা পরিত্যাক্ত হলে অত্র অঞ্চলে গণতন্ত্রপন্থী সমাজতন্ত্রীরা নৈতিক শক্তি পুরোপুরি হারিয়ে ফেলে।
আমাদের দেশে বহু মানুষ সমাজতন্ত্র কায়েমের ইচ্ছায় অপরিসীম ব্যাক্তিগত ত্যাগ স্বীকার করেছেন, অনেক মেধাবী মানুষ বস্তুগত লাভের মোহ পরিত্যাগ করে সমাজতান্ত্রিক সমাজ নির্মানের আকাঙ্খায় জীবনপাত করেছেন, অনেকে এমনকি সংসারধর্ম পালন থেকেও বিরত থেকেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আসল কাজটি তারা করতে পারেন নি, না পেরেছেন দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষকে সমাজতন্ত্র আস্থাবান করে তুলতে, না পেরেছেন সসস্ত্র বিপ্লবের উপযোগী একটি কার্যকর বাহিনী গড়ে তুলতে। আমাদের সমাজের মধ্যম স্তরে বহুযুগ ধরে টাউট শ্রেনীরই আধিপত্য, তাদের পলিটিক্সের কাছেই মার খেয়ে গেছে এদেশের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, তাদের প্রতিহত এবং পরাজিত করার ক্ষমতা কখনোই অর্জন করতে পারেন নি আত্মত্যাগী এই সকল মানুষ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার কারনটিও আমার কাছে খুব হাস্যকর মনে হয়। সোভিয়েত এবং চীনা সমজেও একদল মানুষ ভেতরে ভেতরে খুব ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছিল। গর্বাচেভের খোলা দুয়ার নীতির কল্যানে তারা পাশ্চাত্যের জিন্স, কোকাকোলা, ম্যাগডোনালান্স, টিভি, সিনেমার জাঁক দেখে মোহিত হয়ে গিয়েছিল। তারা অনুধাবন করার চেষ্টা করে নি সোভিয়েত রাষ্ট্রের গৃহহীন মানুষের শূন্য সংখ্যার বিপরীতে আমেরিকায় কতজন মানুষ পার্কে ফুটপাথে রাত্রি যাপন করে। কত লক্ষ শিশু রাস্তায় বেড়ে ওঠে, কতজন বালিকা যৌবনে পদার্পনের আগেই গণিকায় পরিণত হয়। ইয়েলেতসিন তাদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল পাশ্চাত্যের অঢেল সম্পদের, সে সম্পদ যে সবার জন্য নয় তা তাদের বলা হয় নি, তারা তা বুঝতেও পারে নি। চীন সমস্যার সমাধান করেছিল অন্যভাবে, তারা ইয়েলেতসিনের মত কোন ফটকাবাজের উদ্ভব ঘটতে দেয় নি। জিন্স, কোকাকোলা তারা খেতে দিয়েছে, কিন্তু তিয়েন আনমেনে রক্তগঙ্গা বইয়ে হলেও নিয়ন্ত্রন পার্টির হাতেই রেখেছে, কখনো আলগা হতে দেয় নি।
সমাজতন্ত্র একটি বিমূর্ত ধারনা, আমরা তার বাস্তব রুপ কখনও দেখি নাই, তবে এই বিমূর্ত ধারনাই বিশ্ব সমাজকে অনেক বদলে দিয়েছে। সমাজতন্ত্র ঠেকাতে পুঁজিবাদী উন্নত দেশগুলো সেদেশের শ্রমিকের মার্কস বর্নিত দুর্দশায় পড়তে দেয় নি, বরং নানাভাবে তাদের জীবনমান উন্নত করতে সচেষ্ট থেকেছে।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চলনামৃত আপনি ভালো একটা সামারি করেছেন


গর্বাচেভকে আমার আসলেই একটা অর্থব লোক বলেই মনে হয় এক জরিপে দেখা গেছে রাশিয়ার মানুষই তাই মনে করে
গর্বাচেভের উচিত ছিল অর্থনীতিক সমস্যাগুলার আগে সমাধান করে এরপরে ধীরে ধীরে রাজনীতিক সংস্কারে হাত দেওয়া দুইটা এক সাথে করতে গিয়ে সব গুবলেট করে দিয়েছে

এক্ষেত্রে চিন সতর্ক পদক্ষেপ নিয়ে সোভিয়েত এর মতো টুকরা হয়ে যাওয়া হতে নিজেদের রক্ষা করেছে

সোভিয়েত ইউনিয়নের হঠাৎ এরকম পতন বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্যকে নষ্ট করে দিয়েছে আমেরিকার মোড়লিপনার কিছুটা হলেও কমত সোভিয়েত ইউনিয়ন থাকলে

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন পর্যন্ত বামেরা যে আন্দোলন করছে সব মূলত সব কিছুই নেগিটিভ রিয়াকসনমূলক তেল গ্যাস উত্তোলনে তারা বিদেশি কোম্পানিগুলির বিনিয়োগে বিরোধিতা করে আসছে কিন্তু এর বিকল্প কি হতে পারে তা কিন্তু ষ্পষ্ট করছে না , রাষ্ট্রীয়করনের স্বপক্ষে সর্বদা তাদের সোচ্চার হতে দেখা যায় কিন্তু রাষ্ট্রীয়করনের ফলে সৃষ্ট দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা কিভাবে দূর করা হবে সে সম্পর্কে তাদের এদেশের বাম দলগুলির হতে কোন পলিসি পেপার আমার চোখে পড়িনি এখন পর্যন্ত, রাষ্ট্র ক্ষমতায় কিভাবে আসবে সেই ব্যাপারেও আছে ধোঁয়াসা অথবা এই ব্যাপারে আদৌ তারা সিরিয়াস কিনা সেই ব্যাপারে সন্দেহ আছে


কথা ঠিক।

------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট ভাল লাগল। মন্তব্য গুলো ও দারুন। অনেক কিছু জানতে পারছি।
ধন্যবাদ।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ ধৈর্য্য নিয়ে পড়বার জন্য ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট ভাল লাগল।

বেশী বাম ডানে যায় তবে তা পিছনের রাস্তা দিয়ে

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সময় নিয়ে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?

glqxz9283 sfy39587p07