Skip to content

প্রতিরক্ষা বনাম যানজট

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার প্রত্যেক নাগরিকের কর্ম ঘণ্টার অর্ধেক নষ্ট হয় রাস্তায় যানজটে ঢাকামুখি জনস্রোত দিন দিন খালি বৃদ্ধিই পাচ্ছে কিন্তু রাস্তার আয়তন অপ্রতুল কাজেই বলা যায় ভবিষ্যতে এই অবস্থার আরও অবনতিই হবে উন্নতি না হলেও । যানজটের সমস্যার সমাধানে কোন ম্যাজিক বুলেট নেই তবে একে সহনিয় করতে নানা রকম পদক্ষেপ নেওয়া যায় যেমন, প্রাইভেট কার এবং রিকশার মতো যানবাহনের বদলে যদি গণ পরিবহনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তার ব্যবহার বেশি করে করা যায়, আমার কাছে সব সময়েই মনে হয়েছে পাতাল রেলপথ ঢাকার মধ্যে করা সম্ভব হলে যানজট অনেকটাই কমিয়ে ফেলা যায়।
পাতাল রেল নির্মাণে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসবার পর একটা উদ্যোগ গ্রহণ করে তবে আজকের ডেইলি ষ্টার পত্রিকার একটা খবরে চোখ বুলিয়ে মনে হল তা হয়তো আর করা সম্ভব হবে না

Foreign funding for the metro rail project in the capital might be delayed for a year, as the government appears unable to convey to the donor agency within this month its decision on the air force-suggested route diversion.

Besides, various alterations to the route alignment already increased the project cost by one billion US dollars putting the figure at $2.7 billion, said officials of the government and the donor agency.

The government has to officially convey its decision on the latest route realignment proposal to Japan International Cooperation Agency (Jica), the lone financier of the project, by September 30 to avail the funding, said a Jica official on Monday, preferring anonymity.

Otherwise the fund allocation cannot be endorsed in the current fiscal year of Japan, causing deferment for a year.

Bangladesh Air Force objected to Bijoy Sarani portion of the metro rail route on the plea that it will hinder operations of Tejgaon airfield, and suggested its diversion along Sangsad Avenue through Khamarbari, occupying a stretch of Jatiya Sangsad Bhaban complex.

Experts on the project's technical steering committee however termed the objection unfounded.

Jica committed to providing a soft loan of 1.7 billion dollars at 0.01 percent interest rate for the project. It intended to start the feasibility study by December and hold financial negotiations early next year.

The route realignment along Sangsad Avenue has to be approved by the cabinet the same way it endorsed the original alignment, said Communications Minister Syed Abul Hossain on Tuesday.

The government has to seek consent of the finance and planning ministries, the parliament secretariat, and environmentalists to go for the Khamarbari alternative before conveying the final decision officially to Jica, he said.

"Above all, we have to get it endorsed by the prime minister," the minister added.

The government's aim is to start the project work within its tenure, he said.

Already agreed upon alterations to the alignment include relocation of the metro rail's depot from Pallabi to Uttara, a five-kilometre extension of length between Pallabi and Uttara Third Phase, and a route change from Dhaka University to Bangladesh Bank.

Bangladesh Army objected to the depot in Pallabi and suggested its relocation towards Uttara.

"Changes to the alignment and length have caused the increase in cost of the project," said Abul Hossain.

"The route along Bijoy Sarani is the best option, as it will not require land acquisition or building demolition," said the Jica official.

Dhaka Transport Coordination Board, owning agency of the project, itself has to arrange for the social and environmental assessment of the proposed Khamarbari route, as Jica's two and a half years contract with its consultant ended in August.



ডেইলি ষ্টারের খবরের মূল সারমর্ম হচ্ছে ১বিলিয়ন পাতালরেলের প্রজেক্টের ব্যায় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২.৭ বিলিয়ন ডলারে কারন পাতাল রেলের মূল প্ল্যানের অনেক পরিবর্তন করতে হয়েছে বিমান বাহিনী এবং সেনা বাহিনী বিরোধিতার জন্য তারা মনে করে এতে তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা হবে এদিকে যেহেতু প্রকল্পের একটা বিশাল ব্যয় দাতা দেশগুলি দিবে তাই তারাও সরকারকে প্রকল্পের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্বান্ত নিতে চাপ প্রদান করছে সরকার আছে উভয় সংকটে কারন আর্মিকে বিলা করে কিছু করার সাহস কোন সিভিলিয়ান সরকারেরই নাই প্রকল্প শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর মনে হচ্ছে “জাতীয় নিরাপত্তার” স্বার্থে আম জনতাকে যানজটে সাথে অভ্যস্ত হওয়া শিখতে হবে ।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কয়েকদিন আগে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার লিঙ্ক শেয়ার করলাম।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খবরের লিংক শেয়ার করবার জন্য ধন্যবাদ ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ইন্টারেষ্টিং পোষ্ট।

প্রতিরক্ষার সাথে জড়িত স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠানগুলি পাবলিকের থেকে দূরে থাকার নীতি সব দেশেই পালন করা হয়, এতে ভুল নেই। ক্যান্টনমেন্ট গুলি সব থাকা উচিত ছিল শহরের বাইরে। আমাদের দেশে পাকিস্তান আমল থেকেই প্রতিরক্ষার পেছনে বিনা প্রশ্নে অঢেল টাকা ঢালা, মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া কালচারের গভীর অংশে পরিনত হয়েছে। আশা করি অন্তত এ ক্ষেত্রে তেমন হবে না।

মেট্রো রেলের (মানে পাতাল) ফলে বিমান বাহিনীর উচ্চতা জনিত সমস্যা কিভাবে হতে পারে তার টেকনিক্যাল দিক অবশ্য বুঝতে পারলাম না। কারো কাছে এই প্রজেক্টের কোন অফিশিয়াল সাইট বা রুট ডিটেলস এমন কোন সূত্র আছে? সারফেস ট্রেনের ক্ষেত্রে বলা হলে সেটা বুঝতাম।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিমান এবং সেনা বাহিনীর স্থাপনা পাতাল রেলের রুটে পড়ার জন্য মনে হয় প্যাচ লাগছে। সরকার কি করে দেখা যাক।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুনিয়ার সব দেশের কথা জানি না তবে বিশ্বের সামরিক দিক দিয়ে সবচেয়ে শক্তিধর আমেরিকার রাজধানী ওয়াসিংটনে গিয়ে একটা সেনানিবাস আমার চোখে পড়েনি অথচ আমাদের ঢাকার যেদিকেই আপনি যান একটা না একটা সেনানিবাস আছে ।

যোগযোগ মন্ত্রনালয়ের ওয়েব পেইজে গিয়ে এ সংক্রান্ত কোন নথি দস্তাবেজ চোখে পড়ে নাই

আসলে বিমান বাহিনীর বিরোধিতার কারনটা আমিও ঠিক বুঝতে পারলাম না ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমেরিকায় দেখেননি কারন আমেরিকার লোকে ক্যান্টমেন্টই দেশের সকল আশা ভরসার প্রতীক এই জাতীয় ধারনায় কখনো ভোগেনি। তাই শহরের ভেতর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় দেখবেন, ক্যান্টনমেন্ট দেখবেন না।

সারফেস রেলের ক্ষেত্রে পাওয়ার লাইনের কারনে উচ্চতা ঘটিত সমস্যার প্রশ্ন আসতে পারে। কিন্তু পাতাল রেলে ঠিক কিভাবে উচ্চতা সমস্যা হতে পারে বুঝছি না। সে এলাকায় তো ৫/৬ তলা বাড়িও আছে। পাতাল রেলের কিছু কি তার চেয়েও উঁচু হবে? পুরনো ও নুতন বিমান বন্দর এলাকায় এ কারনে বিল্ডিং এর উচ্চতার সীমাবদ্ধতার রাজউকের নীতি আছে। উত্তরায় মনে হয় ৬/৮ তলার উঁচু করা যাবে না।

মন্ট্রিল শহরের একটি হাইওয়তে ব্রীজের নীচে রানওয়ে, রাস্তা থেকে দেখা যায় নীচে সাধারন যাত্রীবাহি বিমান চলছে। এমন আরো অনেক শহরেই আছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইঞ্জিনিয়ারিং আমার লাইন না তবে অনুমান করতে পারি পাতাল রেল বিমান বাহিনীর স্থাপনার তল দিয়ে করা হলে কম্পন অনুভূত হবে সর্বদা এই গ্রাউণ্ডে তারা বিরোধিতা করছে প্রজেক্টের ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টেকনিক্যাল দিক থেকে মনে হয় না এটা ভ্যালিড কোন ইস্যু।

তারা যতদুর মনে হচ্ছে কম্পন না, উচ্চতার ব্যাপারেই কিছু নিয়ে চিন্তিত।

মাথামুন্ডু বুঝছি না। সংবাদের সূত্রে আছেঃ "বিএএফ বলেছে, যুদ্ধকালে বিমান উড্ডয়নে মেট্রো রেল অসুবিধার সৃষ্টি করবে।"

উচ্চতার সমস্যা থাকলে তো প্লেন যখন উঠবে তখনই সমস্যা হবে। শুধু বেছে বেছে যুদ্ধের সময়ই কিভাবে উচ্চতা সমস্যা হতে পারে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু ক্যান্টনমেন্ট নয় আরো অনেক কিছুর বিকেন্দ্রীকরন জরুরী।

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত তবে এই ব্যাপারে কোন দলেরই আগ্রহ নাই ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটার জন্য সবচেয়ে বেশী যেটা জরূরী সেটা বাইরের কোন একটা শহরে উন্নত যোগাযোগ ব্যাবস্সা। শুধু যান যোগাযোগ নয়, উন্নত ইন্টারনেট ব্যাবস্হা সহ।

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিক্ষিত সমাজে সেনাবাহিনীর প্রতি মাত্রারিক্ত আধ্যাতিকতা কাজ করে বাংলাদেশে, তাই ভাসুরদের নাম নেওয়াটা বোধয় ঠিক হচ্ছেনা।সম্ভবত এটি পাকিস্থান থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া মনস্তত্ব, অন্তত আমার তাই মনে হয়।

আওয়ামী বা অন্য কোন সরকারই এ ক্ষেত্রে তেমন চমকপূর্ণ কিছু করবে বলে আমি আশা করিনা, বরংচ আর্মির কথামত রুট পরিবর্তিত হবে। ক্ষমতায় যাইতে সেনাবাহিনীর সমর্থন দরকার আছে, এইটা এখন আওয়ামীলীগও বুঝে। তাই আওয়ামী সরকার এই ইস্যুতে কোন পদক্ষেপ নিবেনা বলেই মনে হয়। পাশাপাশি, সরকার প্রদত্ত বাজেট খেয়াল করলে দেখবেন প্রতিরক্ষা বাজেট এবারও হাজার-কোটির বেশী বেড়েছে!

ধন্যবাদ।

অঃটঃ পাক-ভারত তুলনা করতে কোথায় যেন পড়েছিলাম-- "(মূলভাব এরকমই ছিল বোধয়) ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পর ভারত তৈরী করেছিল আই,আই,টি ও কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, আর পাকিস্থান তৈরী করেছিল শুধু ক্যাডেট কলেজ এবং আর্মি তৈরীর ইন্সটিটিউশান। আজ আই,আই,টি আর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজন বিক্রি করেই ভারত দুনিয়ার দখল নিয়ে নিচ্ছে, আর পাকিস্থান শুধু জাইংগার মধ্যে বোমা ফিট করে সমানে শহীদ হইতেছে"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার নীচের প্যারার কথা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্যও পরবর্তি অনেক বছরের জন্যই সত্য। নুতন বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি, যত না হয়েছে নিত্য নুতন ক্যান্টনমেন্ট।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিসিফাস আইয়ুব ঘোষনা দিয়েছিল পাকিস্থান Development state না হয়ে Security state হবে
আদতে পাকিস্থান তাই হয়েছে তবে নাগরিকেরা যে নিজেদের Secure মনে করে কিনা সেইটাই আলাদা কথা Laughing out loud



See video


____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার যদি ক্ষমতা থাকত তবে ঢাকা থেকে সেনানিবাসের বিদায় করতাম সবার আগে। তার পরে লোক নিয়োগ কমিয়ে দিতাম। বেতন বাড়িয়ে দিতাম। কলেজ লেভেলে সামরিক প্রশিক্ষন বাধ্যতামূলক করতাম।
প্রতিরক্ষাইয় নিয়মিত বাহিনীর ভূমিকা কমিয়ে আনতাম। আমাদের সেনা বাহিনীর কাজ আগ্রাসী না এটা মূলত প্রতিরক্ষার কাজ করবে। গনবাহিনী ছাড়া বহি শত্রুর মোকাবেলা অসম্ভব। আভ্যন্তরিন গোলযোগ মেটাতে আর্ম পুলিশ কে আর শক্তিশালী করা দরকার।

যে না বিমান বাহিনী তার আবার কৌশলগত প্রতিরক্ষা সমস্যা। আমাদের পাতাল রেল যে অনিশ্চিত হয়ে গেল এই সব হাটু বাহিনীর জন্য দুঃখে বনবাসে যেতে ইচ্ছে করছে। এত বিপুল ভোটে জেতা সরকার পারল না এক ধমকে সব অযৌক্তিকতাকে থামাতে, এইটা বড়ই আফসোস।

ডিসেন্ট্রালাইজের কোন লক্ষন নাই। বিশ কোটি লোকের একটা শহড়। কার কোন মাথা বাথ্যা নাই। সবার আন্ডা বাচ্চা বিদেশের নাগরিক। হয়ত তাই এটা জাহান্নামে গেলে তাদের কিছু এসে যায় না।

বিমান বাহিনী ও সেনা বাহিনীকে তাদের বক্তব্য পরিস্কার করতে মিডিয়ার চাপ সৃষ্টি করা উচিত। এটাই একমাত্র উপায়।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিমান বাহিনী ও সেনা বাহিনীকে তাদের বক্তব্য পরিস্কার করতে মিডিয়ার চাপ সৃষ্টি করা উচিত। এটাই একমাত্র উপায়।


ঢাকায় ডিম কি ইদানীং খুব সস্তা নাকি? সেনাবাহিনী কর্তৃক মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ সম্মন্ধে কিছু ধারণা রাখেন আশাকরি। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেয়ারটেকার সরকারের সময় মিডিয়া নিয়ন্ত্রন করত জানি কিন্তু এখন কিভাবে সেটা সম্ভব? আসলে জনস্বা্র্থের প্রশ্নে দেশ প্রেমিক বাহিনীর বক্তব্য জানতে যাবার রাইট সবার আছে।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখনো খুবই সম্ভব। গনতন্ত্র ফন্ত্র এসব তেমন কিছু না। ডিজিএফআই কি জিনিস তো জানেন? এদের নামে আপনি থানায় যাবেন মামলা দিতে? রাস্তার পাগলেও হাসবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডিজিএফআই কি জিনিস তো জানেন?


শেখ হাসিনা, জিল্লুর রহমানও এই বস্তুরে ডরায়।

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাঙ্গালী জাতির পুরা লড়াইএর বেশির ভাগটাই হাটু বাহিনীর সাথে। সেই পাকিস্থান থেকে শুরু।
ডিজিএফাই তো পারলনা বিডিয়ার বিদ্রোহ ঠেকাতে। ব্যাটা মঈন ইউতো ক্ষমতা ধরে রাখার সাহস পেল না। আমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে, তাই প্র্জোনের অতিরিক্ত পাত্তা দেই। বিমান বাহিনী, সেনা বাহিনী দেশ প্রেমিক বাহিনী, সো, কেন তারা জনস্বা্র্থে বাধা দিচ্ছে সেটা পরিস্কার করতে তারা বাধ্য। যদি তাদের বক্তব্য যৌক্তিক হয়, তাহলে কার কিছু বলার থাকবে না। আর অযৌক্তিক হলে সেটা সবাই দেখবে।

যানজট একম পর্যায়ে গেছে যে এটা নিয়ে এখন আর খাম খেয়ালি বা ফাজলামি সময় নেই। পাতাল রেল সবচেয়ে মূখ্য সমাধান। এখানে ভয়, লজ্জা ঝেড়ে ফেলে কাজ করা উচিত। মিডিয়া অবশ্যই গঠন মূলক ভূমিকা রাখতে পারে।

আজকে আমিন বাজারের ছয় ছাত্র হত্যার জন্য দুই এস, আই আর ওসির বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া গেছে মিডিয়ার সঠিক ভূমিকার জন্য। বিশ্ব বি্যালয়ের ছাত্র কাদেরের উপরে অত্যাচারের জন্য ওসিকে সনাক্ত করা গেছে।

এটা নিয়ে সকলের সোচ্চার হওয়া উচিত। জাইকা নাম মাত্র সুদে টাকা দিতে রাজি হয়েছে, এই সুযোগ হারান অনেকটা সাবমেরিন কেবলের সংযোগ নেয়া কালিন আতলামির সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ জনগুরুত্ত্বপূর্ন বিষয়টি সামনে আনার জন্য।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যানজট একম পর্যায়ে গেছে যে এটা নিয়ে এখন আর খাম খেয়ালি বা ফাজলামি সময় নেই। পাতাল রেল সবচেয়ে মূখ্য সমাধান। এখানে ভয়, লজ্জা ঝেড়ে ফেলে কাজ করা উচিত। মিডিয়া অবশ্যই গঠন মূলক ভূমিকা রাখতে পারে



আপনার সাথে একমত বিদ্যুৎ বা পানির সংকট নিয়েও কষ্ট করেও চলা যায় কিন্তু যানজট আটকা পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় রাস্তাতেই শেষ হয়ে যাওয়া মনে হয় কোন নগরবাসিই পছন্দ করবে না

পাতাল রেলের প্রকল্প সম্পর্কে কয়জন ঢাকাবাসি জানে সেইটাও আরেকটা প্রশ্ন এই ব্যাপারে যেটা সর্ব প্রথমে দরকার সেইটা হচ্ছে জন সচেতনতা সৃষ্টি অধিকাংশ আম জনতা প্রকল্পের পক্ষে পজিটিভ ফিডব্যাক দিলে সরকারের পক্ষে তা খুব সহজে নাকচ করে দেওয়া সম্ভব হবে না ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাটু থেকে এর চাইতে বেশি কিছু আশা করা যায় কি ? না মেরুদন্ডহীনদের ক্ষমতা আছে এইসব হাটুরেদের বিপক্ষে যাওয়ার ?

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা আপনি কি শিওর মেট্রো রেলের ব্যাপারে বিমান বাহিনী আপত্তি জানিয়েছে? আমি প্রথম আলোতে পড়েছিলাম ফ্লাইওভারের ব্যাপারে বিমান বাহিনী আপত্তি জানিয়েছে। যতটুকু মনে আছে তেজগাও এ ১১মিটারের উপরে বিমান বাহিনী এলাও করতে পারেনা তাদের সমস্যা হবে। ফ্লাইওভারের নকশা অনুযায়ি উচ্চতা ছিলো ১৯মিটার। মেট্রো রেলের ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর আপত্তির কথা শুনিনি।

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডেইলি ষ্টারে বলছে

Bangladesh Army objected to the depot in Pallabi and suggested its relocation towards Uttara.

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছুটা মনে হয় বুঝেছি। এখানে ফুল রাউট ম্যাপ আছে, এতে দেখা যাচ্ছে যে এপারেন্টলি ঢাকা সেনানিবাস থেকে বেশ দূর দিয়েই যাচ্ছে।

এয়ারফোর্সের আপত্তির কারন হল বিজয় সরনীর মোড়ে পাতাল রেল কিছুটা অংশ সারফেসে উঠবে, তাই তাদের বিমান ওঠা নামায় সমস্যা হতে পারে বলে তারা মনে করে। যদিও বিশেষজ্ঞরা সেটায় একমত না। এই প্রশ্ন নিয়ে ক্যাঁচাল হয় কেন বুঝি না। এটা খুবই সহজ প্রশ্ন।

আপত্তির অংশের সেই মোড় এখানে আছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এয়ারফোর্সের আপত্তির কারন হল বিজয় সরনীর মোড়ে পাতাল রেল কিছুটা অংশ সারফেসে উঠবে,
এবার বুঝলাম

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাই লিংকগুলা পড়ছি একটা দেখি পাক ডিফেন্স ফোরামের এদের টেনশন দেখি আমাদের থেকে বেশি !

ডিফেন্স এর সাথে সাথে অনেকে পরিবেশবাদি এবং প্রকৌশলিও আবার এই প্ল্যানের বিরোধিতা করছে কারন পাতাল রেলের কিছু অংশের আবার সংসদ ভবনের দিক দিয়েও যাবে
এদিকে মূল দাতা সংস্থা জাইকা আবার এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকারকে ফাইনাল ডিসিসন দেওয়ার জন্য !

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদেরও কিছু গুনী দেশপ্রেমি অফিসার মনে হয় পাক ডিফেন্স ফোরামে অংশগ্রহন করেন।

পরিবেশবাদীরা সব প্রজেক্টেই কিছু না আপত্তি করে, এটাই তাদের কাজ। তারাও প্রজেক্টে থাকে। এমন কোন বড় প্রজেক্ট সম্ভব না যেখানে তাদের কোন আপত্তি নেই। ভ্যালিড কারন থাকেন, আবার অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত সচেতনতা বা রাজনীতিও নেপথ্যে থাকে। তবে এসব সমস্যা তেমন বড় ব্যাপার হয় না, ব্যাতিক্রমি কিছু ক্ষেত্র ছাড়া। যেমন আপনি লালবাগ কেল্লার ভেতর দিয়ে নুতন রাস্তা বানাবার পরিকল্পনা করতে পারেন না।

এসব টানা হ্যাঁচড়ায় যদি জাইকা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে সে দায় কে নেবে সরকারকে তা জিজ্ঞাসা করা দরকার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একসময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার হয়ে যাবে এই ভয়ে ফ্রি সাবমেরিন কেবলের সংযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল, এটাও অনেকটা সেরকম মনে হচ্ছে।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগে ফ্যাক্স মেশিন আনা হয়নি দেশের কাগজ বিদেশে ফ্যাক্স হওয়ার ভয়ে। ৯২ তে ফ্রি সাবমেরিন ষ্টেশন খালেদা জিয়া নেয়নি দেশের প্রতিরক্ষার কথা ভেবে। পরে অবশ্য বিলিয়ন ডলার দিয়ে তা বসানো হয়েছে- তাও হালকার উপ্রে ঝাপসা করে। এখন পাতাল রেল হবে না হাটুগিরির জন্য। আপাতত ১ বিলিয়ন থেকে ২.৭ বিলিয়ন হইছে, এখন বাননো হবে না। আরও ১০ ইচর পরে ২৭ বিলিয়ন দিয়া বানামু আমরা। চিন্তা কি ? ট্যাকা দিবে হাজি সাব!

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্যদিকও থাকতে পারে। পার্সেন্টজের কথা ভুললে হবে?

১ বিলিয়নের ১৫% বেশী নাকি ২ বিলিয়নের ১৫% বেশী এই প্রশ্নের জবাব সকলেই ভাল বোঝে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আজাদ মাস্টার,
আপনি মেট্রো রেলকে পাতাল রেল বলছেন কেন? এর পূরো রুটই সারফেসে। রাস্তার আইল্যান্ডের মাঝখানে পিলারের উপর দিয়ে এই রেল চলবে। উত্তরা পল্লবী থেকে শুরু করে সায়েদাবাদ পর্যন্ত। ডিজাইন অনুযায়ী বিজয় স্মরণী এলাকায় এর উচ্চতা ট্রেন সহ ১৪ মিটারের মত। এই সরকারই ঢাকার যানজট নিরসনে কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু আমাদের করিতকর্মা আমলাদের বাধায় অনেক প্রকল্পই সময়ের পিছনে পড়ে আছে। ঢাকা পুরাতন বিমান বন্দর একটি পরিত্যাক্ত বিমান বন্দর। আমি অন্তত গত কয়েক বছরের ভিতর ওখান থেকে কিছু হেলিকপ্টার আর ফ্লাইং ক্লাবের কিছু সেসনা বিমান ছাড়া আর কিছু উড়তে দেখিনি।সরকার কিভাবে বিমান বাহিনীর ওই মৃত বিমান বন্দরের অজুহাত মেনে নিচ্ছে, ভেবে আশ্চার্য হচ্ছি।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলেন কি! এটা তো বম্বশেল। আমিও তো নামের কারনেই ধরেই নিয়েছিলাম যে এটা পাতাল।

আমি জানতাম যে গত জোট সরকারের আমলে নাজমুল হুদা প্রথম পাতাল রেলের কথা বলে বিপুল হাস্যরসের খোরাক জোটায়। এই পোষ্ট দেখার আজ পর্যন্ত আমার ধারনা ছিল না যে সেই হাসি ঠাট্টার প্রকল্প বাস্তবতার পথে অনেকটা এগিয়েছে।

আমিও পাতাল রেলের কারন পাইনি, কারন খরচের দিকে পাতাল রেলের খরচ সারফেস রেলের থেকে বেশী।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সংবাদ পত্রিকায় দেখুন

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী (বিএএফ) মনে করে মেট্রো রেল বিজয় সরণি দিয়ে গেলে তাদের তেজগাঁও বিমান ক্ষেত্রে বিমান উড্ডয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। বিজয় সরণির উচ্চতাই প্রধান বাধা তাদের মতে। এর পরিবর্তে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের মধ্য দিয়ে সংসদ এভিনিউ থেকে খামারবাড়ী বরাবর মেট্রো রেল সংযোগ এগিয়ে নেয়ার প্রস্তাব বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর।




উপরের বোল্ড করা অংশটুকু দেখুন সংসদ ভবনের ভিতর দিয়ে বলা হয়েছে এধরনের বর্ণনা থেকে আমি বাকি অনেক মিডিয়াতেও পেয়েছি আমার ধারনা হয়েছিল যে মেট্রো রেল অর্ধেক মাটির নিচ দিয়ে এবং কোন কোন জায়গায় তা উপর দিয়ে যাবে যাই হোক পুরাটাই যদি মাটির সারফেসের উপর দিয়ে যায় তাহলে মেট্রো রেল শব্দটাই উপযুক্ত শব্দ হবে ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেকটু ভাল করে পড়লাম। বাংলা কাগজের এমনই দারুন রিপোর্ট যে এই মৌলিক তথ্যটাই নেই।

আমার দেওয়া আরেক সূত্র থেকে,

The study estimated $12 million for each kilometre of the elevated part, while $48 million per km underground

মানে হল যে কিছু অংশ ওপরে, আর হয়ত সামান্য কিছু অংশ মাটির নীচে যাবে যেখানে উচ্চতা সমস্যা বা তেমন কিছু।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Shock

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ,
শুধু খরচ নয়, সময়ের ব্যপারটাও মাথায় রাখতে হবে।ব্যা না হুদা এইরকম আরো পরিকল্পনা শুনিয়েছিলেন। তার সব পরী উড়ে গিয়েছে, রয়ে গেছে শুধু কল্পনা। ঢাকা চট্টগ্রাম ম্যাগলেভ ট্রেন, ৩০ মিনিটে ঢাকা চট্টগ্রাম !! কিন্তু ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি দেশের অবকাঠামোগত উন্নতির জন্য একটিও আবার বলছি একটিও প্রজেক্ট হাতে নেয়নি।যার ফলশ্রুতি আজ এত সমস্যা।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আসলে সেই আমলের পর তার সেই পাতাল রেল পরিকল্পনার কথা ভুলেই গেছিলাম। আজ এই পোষ্ট দেখে প্রথমেই মনে হয়েছিল যে তাকে নিয়ে আমরা যারা হাসি ঠাট্টা করেছি তারা এখন কি বলব?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খরচ বেশি পড়ায় রাজধানীতে পাতাল রেল প্রকল্প থেকে সরে এসেছে সরকার। যানজট নিরসনে তার বদলে স্কাই রেল (এমআরটি-৬) প্রকল্প হাতে নিয়েছে। জাপানের সহযোগিতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে প্রায় ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ১২ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয়ের ৭০ শতাংশ অর্থ সহজশর্তে ঋণ দেবে জাপান। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এ প্রকল্প করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে উত্তরা থেকে মিরপুর হয়ে এটি বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে এর বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ৪ বছর।
-----------দৈনিক সংবাদ, বুধবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১ ----------



এ বিষয় নিয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম। যদিও আদিল ভাইসহ অন্যান্যরা পোষ্টের বিষয় বস্তু বাদ দিয়ে অন্য বিষয় নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তবে পুরোনো পোষ্ট হলেও আমার তথ্যটা পুনরায় দেখতে পারেন ঃ-

সিদ্ধান্তগুলো প্রসঙ্গে ঃ-
রাজধানীর যানজট নিরসনে সঠিক পরিকল্পনা এবং সঠিক সিদ্ধান্তের অভাব দেখা যায়। যদি রাজধানীকে বিকেন্দ্রকরণের উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়। তবে রাজধানীতে মেট্রোরেল এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে / ফাইওভার ইত্যাদি নির্মাণে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন নেই। এেেত্র পাশ্ববর্তী এলাকাকে প্রথমে দ্রুত গতিতে রাজধানীর উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো পৌছে দিতে হবে এবং উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিতে হবে খুবই স্বল্প সময়ে। আর যদি মেট্রোরেলের মাধ্যমে যানজটের সমাধান খুজা হয়, তবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের প্রয়োজন কি? কারণ মেট্রোরেল হলে গণপরিবহণ শক্তিশালী হবে কিন্তু এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ফলে গণ পরিবহণের তেমন সুবিধা হবে না। আবার মেট্রোরেলের বিষয়ে এ যাবতকাল পর্যন্ত সময় ব্যয় করে এখন আবার আকাশ রেলের কথা ভাবা হচ্ছে। আবার আকাশ রেল নির্মাণ করা হলে অপরিকল্পিত উড়াল সেতুর সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাহলে এভাবে ভাবতে ভাবতে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে না পারলে দেশের অগ্রগতি হবে কিভাবে? যে সময় সিদ্ধান্তহীনতায় সময় ব্যয় হলো সে সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে হয়ত এতদিনে জনগণ কিছুটা হলেও সুফল ভোগ করতে পারতো।

বিস্তারিত ঃ-


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট এর সাথে যায় বলে মনে হল এই লেখাটা এইখানে দিলাম

ঢাকা শহর কি জনবান্ধব না সেনাবান্ধব হবে?
মুনতাসীর মামুন


নিরাপত্তা যে বাংলাদেশের জন্য একটা বড় ইসু্য তা আগে জানা ছিল না। এই নিরাপত্তার ব্যাপারটা বঙ্গবন্ধু আমলে ওঠেনি, এত আলোচনা তর্কবিতর্ক হয়নি। পাকিস্তানের গ্রেট ফ্রেন্ড, বিএনপির স্বাধীনতার ঘোষক লে. জে. জিয়াউর রহমানের সময় থেকে দেখলাম নিরাপত্তা বিষয়টা বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। গত তিন দশকে অনেক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে নিরাপত্তা নিয়ে। এখন শেষ বয়সে এসে বুঝি, 'নিরাপত্তা' শব্দটিকে একটি বিষয় বা ইসু্য বানিয়েছে ধান্ধাবাজরা। এই নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত আমাদের সেনাসদস্যরা। মানুষরা নয়। (বিস্তারিত চতুরঙ্গ পাতায়)
অনেক সময় মনে হয় আচ্ছা, মুজিব আমলে নিরাপত্তা বিষয় হলো না কেন? এর একটি কারণ, বঙ্গবন্ধু ওই রকম ছিলেন না, তাঁর কাছে প্রধান ছিল মানুষের নিরাপত্তা। বাংলাদেশের চারদিকে ভারত, এক কোণে মিয়ানমার। যদি আমরা ভারতকে শত্রু ভেবে যুদ্ধ করতে চাই তাহলে, ভারতের ঘণ্টা কয়েক লাগবে বাংলাদেশ জয় করতে। শুধু কয়েক ঝাঁক বোমারু বিমানই যথেষ্ট। আর যদি পয়সা খরচ করতে না চায় ভারত, তা হলে সীমান্ত একেবারে বন্ধ করে দিলেই চলবে। তখন বিএনপি- জামায়াতের ভারত বিদ্বেষও বেমালুম উবে যাবে। আর মিয়ানমার! অনেক বছর আগে একবার সীমান্ত আক্রমণ বা সংঘর্ষ হয়েছিল। ফলাফল বলতে চাই না, সে সময়কার খবরের কাগজ দেখুন।
এর অর্থ, বহির্শত্রম্ন থেকে রৰা করার সামর্থ্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর নেই। কিন্তু, সাধারণ মানুষকে যদি আস্থায় রেখে কাজ করা যায় তাহলে তারাই দেশের ও মানুষের নিরাপত্তা রৰা করে। ১৯৭১ সালের কথা চিন্তা করুন। একদিকে প্রচ- প্রতাপশালী পাকিরা, অন্যদিকে নিরস্ত্র লুঙ্গিপরা কৃষক-ছাত্ররা। সন্ত্রসত্ম মানুষকে রৰা করেছে অন্য মানুষরা খাদ্য, সাশ্রয় ও অন্যান্য সুবিধা দিয়ে। আর গেরিলারা কুরে কুরে ক্ষয় করে দিয়েছে পাকিস্তানীদের। কারণ, সাধারণ মানুষ গেরিলাদের নিজেদের মানুষ মনে করেছে। কই, পাকিরা পেরেছিল পূর্ববঙ্গ বাঁচাতে? জেনারেল মানেক শ বলেছিলেন, পাকিদের হারানো যেত না, যদি না মুক্তিযোদ্ধা ও বাঙালীরা আমাদের পৰে থাকত।
বঙ্গবন্ধু সেটা বুঝেছিলেন। সে জন্য প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। সেনাবাহিনীকে পাকি প্রভাবমুক্ত করতে চেয়েছিলেন। ঐ সময় বাংলাদেশের 'নিরাপত্তা' খাতে খরচ কত আর এখন কত। সীমানত্ম তো একই আছে। ধরা যাক, ভারত আক্রমণ করে দখল করে নিল বাংলাদেশ। একমাসও সে দখল রাখতে পারবে না ভারত। পথেঘাটে মাঠেবাটে সবখানে ভারতীয় সেনারা বিপর্যসত্ম হবে। বলবে ছেড়ে দে কেঁদে বাঁচি। যেটি আমাদের নিরাপত্তা কমর্ীদের বলবে না। প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক, মানুষের ওপর নির্ভরশীলতা হচ্ছে নিরাপত্তার মাপকাঠি।
'নিরাপত্তা' বিষয়টা ব্যবসা হিসেবে নিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। সেনা কর্মকর্তাদের লেখা বিভিন্ন বই পড়ে ধারণা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল দীর্ঘদিন। বিষয়টা ছিল, বঙ্গবন্ধু সেনাবাহিনীকে বাঙালীকরণ করতে চাচ্ছেন, এটা হতে দেয়া যায় না। রৰীবাহিনী ভারতীয়দের দ্বারা 'নিয়ন্ত্রিত', রৰীবাহিনী থাকলে সেনাদের আধিপত্য থাকবে না। এটা তো হতে পারে না। রৰীবাহিনী গঠিত হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে। 'প্রশিৰণ' সেনাকর্মকর্তাদের ভাষায় দিয়েছিলেন ভারতীয়রা। কিন্তু, সেনা কর্মকর্তাদের অনেকে, এমনকি জেনারেল এরশাদও প্রশিৰণ নিয়েছিলেন দেরাদুনে। এছাড়া প্রশাসন-রাজনীতি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ না করলে সেনাবাহিনী রেখে লাভ? দৃষ্টিভঙ্গিটাও ছিল পাকিসত্মানী। সেনাবাহিনী ৰমতায় আসার পর দেখা গেল নিরাপত্তা একটা ইসু্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অজুহাতে সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি হতে লাগল, জমি অধিগ্রহণ করে ক্যান্টনমেন্ট হতে লাগল, সেনাদের আবাসিক এলাকা হতে লাগল, ব্যবসাবাণিজ্য চলতে থাকল। নিরাপত্তা পুঁজি করে একটা সশস্ত্র লিমিটেড কোম্পানি হয়ে গেল।
আইয়ুব খান ৰমতা দখল করার পর পাকিসত্মানে এইভাবে নিরাপত্তা বিজনেস তৈরি হয়েছিল। কাশ্মীর এবং ভারত থেকে পাকিসত্মান রৰা হলো অগ্রাধিকার ভিত্তিক এজেন্ডা। কয়েক জেনারেশন পাকি সেনারা বেশ করে খেয়েছে। এখন তারা কোন নিরাপত্তা দিতে পারছে পাকিসত্মানীদের? বরং প্রতিদিনই সেনারা প্রাণ হারাচ্ছে। পাকিসত্মানীদের নিরাপত্তা যেমন দেখুন। এবোটাবাদের মতো সেনা এলাকা থেকে বিন লাদেনকে আমেরিকানরা তুলে নিয়ে যায় সেনারা টের পায় না। এই সেনারা নিরাপত্তা নামে প্রথমে পাকিসত্মান ভেঙ্গেছে, এখন বাকি অংশটা টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে। একটা বোমারম্ন বিমানের টাকা দিয়ে কত প্রাথমিক বিদ্যালয় করা যায়? পাকিসত্মান নিরাপত্তার নামে তা করতে দেয়নি। খালি বোমারম্ন বিমান বা কামান কিনেছে। পরিণামে দেশে তালেবান সৃষ্টি হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ইবরাহিম তাঁর একটি বইয়ে লিখেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গড়ে উঠেছে পাকিসত্মানী আদলে। আমার এই বন্ধুটি স্বল্পভাষায় মূল কথাটি বলতে পারেন। সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনিই একমাত্র সাহস করে কথাটি লিখেছেন। কারণ, তাঁর কোন ইনফিরিয়রিটি কমপেস্নঙ্ নেই। পাকিসত্মান আমল থেকে প্রথম হয়েছেন, স্বল্পবিদ্যার লোক নন। দেশের হালহকিকত খানিকটা বোঝেন, সবটুকু নয়। সব বুঝলে আর কল্যাণ পার্টি করতেন না।
ইবরাহিমের মনত্মব্যটি যে সত্য তা বোঝা যায় জিয়ার আমল থেকে। ঠিক পাকিসত্মানী মনোভঙ্গি নিয়ে নিরাপত্তাকে ব্যবসা করে গোষ্ঠীগত প্রবৃদ্ধি করেছেন যাতে ৰমতায় থাকতে পারেন আজীবন। তারপরও এরকম চিনত্মা করেছেন অনেকে। ৰমতায় থাকতে পারেননি। সিভিল নেতারাও ভেবেছেন, পারেননি। কারণ, তারা মানুষকে ইন্সু্যরেন্স হিসেবে ভাবেননি।
সেই নিরাপত্তা বিষয়টি আবার ইসু্যতে পরিণত হয়েছে। ঢাকা শহর এখন জটের শহর। জট কমানোর জন্য বর্তমান সরকার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এ সমসত্ম উদ্যোগ যতটা এলিটদের মুখ চেয়ে নেয়া হয়েছে ততটা সাধারণের দিকে তাকিয়ে নয়। তবুও আমরা খুশি যে, উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে। এ সব উদ্যোগের একটি ছিল মেট্রো রেল। উত্তরা থেকে যা ঢাকা শহরের কেন্দ্র পর্যনত্ম আসবে। এই রেল পথটির সুবিধা হচ্ছে এর জন্য কোন জমি কেড়ে নিতে হবে না। রাসত্মার আইল্যান্ডের ওপর দিয়ে হবে। তবে, এতে খরচ প্রচ-। এক বিলিয়ন ডলার। জাপান সরকার সেই অর্থ যোগাবে। আর ঢাকা শহরে প্রতিদিন ৫০ হাজার মানুষ এই মেট্রো রেলে যাতায়াত করতে পারবে। খানিকটা স্বসত্মি তো পাবে সাধারণ মানুষ। বহুদিন ধরে মেট্রো রেলের পরিকল্পনা হচ্ছিল। মানুষ মনে করছিল, যাক, এতদিনে উদ্যোগটা সফল হবে। আর এই উদ্যোগ সফল হলে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ সফল হতো। এ ছাড়া অন্য আরেকটি দিকও আছে। আওয়ামী লীগের সব উদ্যোগই বাধাগ্রসত্ম হচ্ছে। তিসত্মা নদীর পানি নিয়ে, পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে গোলমাল চলছে। এই সুযোগে বিদেশী অর্থায়নে একটি প্রকল্প বাসত্মবায়ন হলে ভালই হতো।
মেট্রো রেলের গতিপথ আগে কেবিনেটে পাস হয়েছে। সব ঠিকঠাক। এমন সময় পত্রিকায় একদিন পড়লাম, জাইকা জানিয়েছে এক মাসের মধ্যে জানাতে হবে সরকার মেট্রোরেলে রাজি না রাজি নয়। সরকারী সিদ্ধানত্ম না পেলে তারা টাকা ফেরত নিয়ে যাবে। তখনই ব্যাপারটা খোলাসা হয়নি। স্পষ্ট হলো, তারপর এখন বিমানবাহিনীর হয়ে বাহিনীপ্রধান জানালেন, যেহেতু তেজগাঁ বিমানবন্দর তাদের এবং মেট্রো যাবে তার গা ঘেঁষে এবং তাতে তাদের নিরাপত্তা বিনষ্ট হবে সুতরাং তারা এতে রাজি নয়। বোঝা গেল, বিমানবাহিনীর তরফ থেকে বাধা আসায় সরকার সিদ্ধানত্ম নিতে পারেনি এবং এ কারণেই জাপানীরা ৰুব্ধ। কারণ সভ্যরাষ্ট্র সংস্কৃতিতে এসব বালখিল্যতা গ্রহণযোগ্য নয়। আর বিমানবাহিনীর ধারণা, বাংলাদেশের বা ঢাকা শহরের সবাই বোধহয় এমপি বা মন্ত্রীদের মতো। যা বোঝানো হবে তাই বুঝতে হবে।
বাংলাদেশ স্থপতি সংসদের সভাপতি, বাপার সম্পাদক ইকবাল এই প্রসত্মাবের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সেখানে কয়েকটি তথ্য জানান। প্রথমত, তেজগাঁ বিমানবন্দর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপৰের অধীন। এই বিমানবন্দর বিমানবাহিনীর হাতে কখন কীভাবে গেল। তেজগাঁ বিমানবন্দর একটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দর। সেই বিমানবন্দর আবার দেশী ও বিদেশী কর্তৃপৰের অনুমোদন ছাড়া সচল সম্ভব নয়। তাহলে, বিমানবাহিনী এখানে কী চালাবে? তিনি আরেকটি মনত্মব্য করেছেন যা মানুষের ৰোভের প্রতিধ্বনি। মনত্মব্যটি তিনি টেলিভিশনেও করেছেন। তাহলো, 'মনে হলো পাকিসত্মানে আছি। আর পাকিসত্মানের বিমানবাহিনী প্রধান হুকুম দিয়ে গেল, ঢাকায় কী হবে না হবে।'
আমাদের অনেকের মনে যে প্রশ্নটি জেগেছে, তা' হলো, রাষ্ট্র সব জমির মালিক। সেখানে রেলওয়ে, সেনাবাহিনী, বন্দর তার কোন দখলি স্বত্ব নিয়ে নাচানাচি করে। আমাদের পূর্বপুরম্নষ, আমাদের ও উত্তরপুরম্নষদের জন্য ধানম-ি, গুলশান, উত্তরা, পূর্বাচল যে হচ্ছে সেগুলি কার জমি নিয়ে? রাষ্ট্র অনেক ৰেত্রে কোন ৰতিপূরণ না দিয়ে, অনেক ৰেত্রে নামমাত্র ৰতিপূরণ দিয়ে এ জমিগুলি নিয়েছে। রাষ্ট্রকর্তারা তো কখনও 'সেনাবাহিনী'র জমি নেয়নি। পাকি আমল থেকে এ প্রক্রিয়া চলেছে। যার অর্থ নিরস্ত্রদের অর্থে চলবে সেনারা এবং নিরস্ত্রদের ভয় দেখিয়ে নিজেদের দেশ দখল করবে। কারণ এসব সশস্ত্রদের, সশস্ত্রদের বিরম্নদ্ধে লড়াইর কোন ৰমতা নেই। বাংলাদেশের প্রধান শহরগুলোর জমিজমা এভাবে গরিবদের বেহাত হয়ে গেছে। তারপরের প্রশ্ন; নিরাপত্তা ঝুঁকিটা কী? একটি হচ্ছে বহির্দেশীয়। যুদ্ধকালীন সাময়ের নিরাপত্তা। যুদ্ধকালীন সময়ে তেজগাঁয় সরাসরি বোমা ফেলা হবে, মেট্রোরেল না থাকলেও। ফলে মেট্রোরেল হলে ঝুঁকিটা কোথায়? অভ্যনত্মরীণ ঝুঁকি হতে পারে। সেটি কী? উঁচু জায়গা থেকে ভেতরটা দেখা। উঁচু জায়গা থেকে আক্রমণ ইত্যাদি। বিমানবন্দরের ঠিক পাশে যেখানে বিমানবাহিনীর বোধহয় হেলিকপ্টার থাকে সেখানে স্থলবাহিনীর বিরাট বহুতল বিশিষ্ট ইমারত হচ্ছে সেখানে কিন্তু ঝুঁকি থাকছে না। কারণ বিমানবাহিনী প্রধান স্থলবাহিনী প্রধানের বিরম্নদ্ধে কোন কথা বলার সাহস রাখেন না। কুর্মিটোলা বিমানবন্দরের আশপাশে বহুতল ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ। কিন্তু সেখানে বিমান ও নৌবাহিনীর বহুতল ভবন ওঠে কীভাবে? তেজগাঁ বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত হলে সেখানে বিমান চলবে কীভাবে? সবচেয়ে বড় কথা, যেখানে সব সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে সেখানে একটি বিমানবন্দর রৰায় বিমানবাহিনীর আপত্তি মানতে হবে? আরও আছে কেবিনেট সিদ্ধানত্ম হওয়ার পর এ প্রশ্ন সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান তুলতে পারে কি না? যদি পারে, তাহলে প্রতিটি সিদ্ধানত্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার সবার থাকবে।
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন আরও বলেছেন, বিমানবাহিনী প্রধান সরকারের কুশীলবদের হাদিস উদ্ধৃত করে বলেছেন, জনস্বার্থে মসজিদও সরানো যায়। সুতরাং সংসদ ভবনের পাশ দিয়ে মেট্রো গেলে ৰতি কী?
বিমানবাহিনী সরকারকে যে নির্দেশ দিয়েছে তা সোজা বাংলায় হলো, তাদের জায়গার পাশ দিয়ে রেল যাবে না, এতে নিরাপত্তা বিঘি্নত হবে আর সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বিঘি্নত হওয়া মানে তো দেশের নিরাপত্তা বিঘি্নত হওয়া আর দেশের নিরাপত্তা বিঘি্নত হওয়া মানে তো দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘি্নত হওয়া!
তখন আমরা জানতাম সংসদ হচ্ছে সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সংসদ ভবন ও এর চত্বর অলিখিত নির্দেশে অলঙ্ঘনীয়। বাংলাদেশের যে দুটি বিষয় বিদেশে আলোচিত হয়, এ্যাকাডেমিক বিষয় হিসেবে, তা হচ্ছে লুইকানের সংসদ ভবন ও দারিদ্র্য। সংসদ ভবন ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অনত্মর্ভুক্তির জন্য সরকারও প্রচেষ্টা নিচ্ছে। সেখানে সংসদ ভবনের চত্বরের ভেতর দিয়ে মেট্রোরেলের পথ তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা আরও জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের বেস স্টেশন করার কথা ছিল মিরপুরে। সেনাবাহিনী নিরাপত্তার কারণে তাতে আপত্তি জানিয়েছে। সেই বেস স্টেশন সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এসব কারণে জাপানীরা বিরক্ত। তারা তো আর আমাদের সেনাসেবক নয়।
এ বিষয়ে টেলিভিশনে দেখলাম অর্থ, যোগাযোগমন্ত্রী মস্নানমুখে কী যেন বলছেন যার সুনির্দিষ্ট কোন অর্থ হয় না। পুরো ব্যাপারটি আমরা অনুধাবন করতে পারছি। মেট্রোরেল হবে না। বিমানবাহিনীর নির্দেশ অমান্য করার সাহস সরকারের হবে না। অন্যদিকে সংসদ চত্বরের পাশ দিয়েও মেট্রোরেল করতে আমরা দেব না। আওয়ামী লীগ নিশ্চয় শুধু বিমানবাহিনীর ভোটে নির্বাচিত হয়নি। যদি ভোট প্রথা চালু থাকে, তাহলে ঢাকার দেড় কোটি ভোটারের ভোট লাগবে। আর কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা জানতে পারব এ সরকার জনবান্ধব না সেনাবান্ধব?
ব্যাপারটা অন্যভাবে দেখুন। ঢাকা শহরে যানজট কখনই নিরসন হবে না শহরে এত ক্যান্টনমেন্ট থাকলে। পৃথিবীর কোন শহরে এত ক্যান্টনমেন্ট নেই, ক্যান্টনমেন্ট থাকে না। দৰিণে যেতে গেলে পিলখানা, উত্তরে বিজয় সরণি থেকে মিরপুর উত্তরার বিভিন্ন জায়গায় সেনা স্থাপনা। রাসত্মায় চলাচলের উপায় নেই। ডিওএইচ দিয়ে চলাচলেও বাধা। যদিও সেখানকার পৌর সুবিধা আমাদের টাকায় দেয়া।
আমরাও কিছু প্রসত্মাব করতে পারি, ধানম-ি, গুলশান প্রভৃতি এলাকায় চলাচলের জন্য ডিওএইচের মতো ব্যবস্থা করা। ঢাকার দৰিণাংশে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তার খাতিরে চলাচলে একেবারে সীমিত বা বন্ধ রাখা। অর্থমন্ত্রীর কাছে দাবি, সেনাবাহিনীর মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও ফ্রি আরও জমিজমা দিতে হবে যাতে আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারি। সেনাবাহিনীর মতো ব্যাংক করার জন্য পয়সা দিতে হবে। সেনাকল্যাণের মতো ছাত্র শিৰক কল্যাণ দফতর করার জন্য মতিঝিলে জায়গা দিতে হবে।
যার কাজ সীমানত্ম কাজ করা, সে যদি ব্যবসা বাণিজ্য করে মূল কাজ বাদ দিয়ে তাহলে আমাদের বঞ্চিত করা কেন? নিরস্ত্র হলেও ১৫ কোটি সামলাতে পারবেন বিজ্ঞ মন্ত্রীরা ভেবে দেখবেন। হাদিসের মতে, জনস্বার্থে মসজিদ সরানো গেলে তেজগাঁ পরিত্যক্ত বিমানবন্দর সরানো যাবে না কেন এ প্রশ্নও উঠছে। মূল ব্যাপার হচ্ছে, ভূমিদসু্যদের মতো জমি দখল ও তা দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা। অনেকের ধারণা ভবিষ্যতে এখানে তারা আরেকটি নতুন ডিওএইচএস করবে।
লৰ্য করবেন, সেনানিবাস সবসময় শহরের বাইরে করা হয়, বিমানবন্দরও। ঢাকা ছিল যখন সদরঘাটে তখন তেজগাঁ বিমানবন্দর ও পিলখানা বা ক্যান্টনমেন্ট করা হয়। কারণ এর সঙ্গে জননিরাপত্তা জড়িত। ঢাকা শহরে এত সেনানিবাস আমাদের শুধু নয় আমাদের সনত্মান-সনত্মতির নিরাপত্তা বিনষ্ট করছে। পিলখানার ঘটনার কথা চিনত্মা করম্নন। চারদিকে আবাসিক এলাকা থাকায় সরকারের ব্যবস্থা নিতে দেরি হয়েছে। সেনা মৃতু্যর সংখ্যা বেড়েছে। এখন ধরা যাক, ভারত আক্রমণ করছে বাংলাদেশ। প্রথমেই বোমা ফেলা হবে পিলখানা, তেজগাঁ, মিরপুর, মগবাজার প্রভৃতি এলাকায়। সমসত্ম নিরস্ত্র মানুষজন মারা যাবে। সশস্ত্রদের খুঁজে পাওয়া তখন হবে দুরূহ। তারাতো ট্রেন্টে বা নিরাপত্তারহানি হয় না এমন জায়গায় থাকবে। এ ছাড়া আমাদের সেনাবাহিনীর ঐতিহ্য হচ্ছে প্রেসিডেন্ট হত্যা, রাজনীতিবিদদের হত্যা আর কু্য করা। সেটিও আমাদের জন্য বিপজ্জনক। কিন্তু এই সঙ্কটতো নিরসন করতে হবে। এ ৰেত্রে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রসত্মাব আছে। আগের সরকারগুলোর মতো এ সরকারও সেনাবান্ধব। রাজনীতিবিদরাতো এখন স্টেটসম্যান নয়, গ্রাম্য রাজনীতির ধারকবাহক। তারা জনবান্ধব শহর করতে পারবেন না। কারণ সেনা অনুমতি ছাড়া তারা একপাও এগুতে পারবেন না। না হলে বিমানবাহিনীর জনস্বার্থবিরোধী প্রসত্মাবের বিরম্নদ্ধে কোন একটি, আমি আবারও বলছি কোন রাজনৈতিক দল প্রতিবাদ জানায়নি। আমরা যে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের হরদম নানা উপদেশ দিতে দেখি তারাও হঠাৎ উদাসীন। এইসব সুশীলদের কখনও সেনাস্বার্থের বিরম্নদ্ধে কথা বলতে শুনিনি। এদের চরিত্রটাও জেনে রাখা ভাল। সে কারণে এক জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সমসত্ম সেনাস্থাপনা ঢাকা থেকে সরানো হোক। এবং তেজগাঁ বিমানবন্দর এলাকায় জনসভার স্থান, বিনোদন কেন্দ্র, সবুজ জায়গা তৈরি করে ঢাকাবাসীকে দেয়া হোক। ঢাকাকে একটি জনবান্ধব শহরে পরিণত করা হোক, যেখানে পাবলিক যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে পারবে।
দুই, এই প্রসত্মাব সরকার গ্রহণ করতে পারবে না। না পারার অর্থ ঢাকার দেড় কোটি লোককে বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনীর মুখোমুখি করে দিল।
এই অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াবার জন্য ঢাকা শহরকে সেনাস্বার্থে সরিয়ে নেয়া হোক। ঢাকাকে পরিণত করা হোক সেনাবান্ধব শহরে। আর ঢাকা শহর সরাবার অজুহাতে রাজনীতিবিদ ও তারা যাদের কথায় চলেন সবাই টুপাইস করে নিতে পারবেন। নতুন ঢাকায় আমাদেরও জানমাল বা নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হবে না।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?

glqxz9283 sfy39587p07