Skip to content

মক্কা অবরোধ ইতিহাসের বিস্মৃত এক অধ্যায় পর্ব ( ১)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পশ্চিমা ক্যালেন্ডার মতে দিনটা ছিল ২০ নভেম্বর১৯৭৯ সাল ইসলামীক পঞ্জিকা মতে ১৪০০ মহুরাম আর যেকোন দিনের মতোই সেইদিনকেও কোন ভাবেই ব্যতিক্রম বলে মনে হচ্ছিল না । পবিত্র নগরী মক্কা মসজিদের ইমাম আর যেকোন দিনের মতোই ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ওজু শেষ করে ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তার রুমের জানলা দিয়ে নিচের দিকে তাকালে আর যেকোন দিনের মতোই লক্ষ লক্ষ মুশল্লিদের সমাগম দেখা যাচ্ছিল।

দেশ বিদেশ হতে পবিত্র মক্কা মসজিদে বিশ্বাসিদের সমাগম হওয়া এবং অনেকের সুটকেস, বাক্স পোটরা নিয়ে সেখানেই ইবাদত বন্দেগী করে রাত পাড় করে দেয় এই সবকিছুই যেকোন দিনের মতোই হচ্ছিল । অনেকেই প্রিয়জনের লাশ কফিন করে মক্কা মসজিদে নিয়ে আসেন ইমামকে দিয়ে তাদের মৃত প্রিয়জনের জন্য নামাজ শেষে দোয়া দরুদ পড়ানোর উদ্দেশ্যে তবে আজকের দিনে এই অংসংখ্য কফিনের অনেকগুলিতেই লাশের বদলে রয়েছে কালাকশিনভ রাইফেল , বেলজিয়ান এফএন ফাল বন্দুক, গুলির বেল্ট এবং পিস্তলের মজুদ ।


মক্কা মসজিদে অস্ত্র নিয়ে আসার নেপথ্যে আছে এমন কিছু লোক যারা পণ করেছে ইতিহাসের চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার , বিশ্ব ধর্ম যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে । অনেক দিন ধরেই তারা মসজিদের প্রতিটি অংশ সম্পর্কে রেকি করে আসছিল, লাখ মুশল্লিদের ভিড়ে তারা তাদের পরিকল্পনা বাশ্তবায়ন করতে কাজ করে যাছিল নীরবে আজকের দিনতা তাদের পরিকল্পনা বাশ্তবায়নের চূড়ান্ত সময়।


এই জটিল পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের সাথে জড়িতদের বেশির ভাগই সাউদি আরবের বেদুইন গোত্রের তবে অনেক বিদেশি নাগরিকও তাদের সাথে আছে এর মধ্যে আছে দুইজন যারা আফ্রিকান আমেরিকান ।

যথারীতি সকাল ৫.১৮ মিনিট হতেই মসজিদের মাইকে ইমামের “আযান শুনা গেল যা মসজিদের সদ্য নির্মিত ৭ টা টাওয়ারের অবস্থিত মাইকের মাধ্যমে চারিদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল । সেখানে অবস্থিত লক্ষ লক্ষ মুশল্লিও নামাজের ডাকে সারা দিলেন সাথে সাথে কিন্তু নামাজ যখন শেষের দিকে এবং ইমাম যখন খুৎবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ করে নানা দিকে বিকট গুলির শব্দ শুনা যেতে লাগল ।

গুলির শব্দে মক্কা মসজিদে আশাপাশে থাকা ভীত সন্ত্রস্ত পায়রার দল পাখা ঝটপটিয়ে আকাশে উড়াল দিতে লাগল ।
গুলির শব্দে ভীত সন্ত্রস্ত মুশল্লিদের মধ্যে কানাঘুষা ফিসফিসানি আরম্ভ হয়ে গেল, চলতে লাগল নানা জল্পনা কল্পনা গুলির শব্দের উৎস নিয়ে কেউ মত দিল কোন ভিইআইপির বডিগার্ড হয়তো ভুল করে ট্রিগারে চাপ দিয়ে ফেলে দিয়েছে, যারা একটু বেশি বয়েসি মুরব্বী গোছের তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করা আরম্ভ করে দিলেন মসজিদের ভিতর অস্ত্র নিয়ে আসা কতোটা ধর্ম বিরুদ্ধ তা নিয়ে।

একটু পরে মুশল্লিদের ভিতর হতেই অনেকগুলি অস্ত্রধারি ব্যক্তিকে উদয় হতে দেখা গেল মক্কার মসজিদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশেরা লাঠি নিয়ে ডিউটি করে, তাদের মধ্যে কয়েকজন এই অস্ত্রধারীদের বাঁধা দিতে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে তাদের গুলির নিশানায় পরিণত হয়, সহকর্মিদের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে পড়ে থাকা লাশ দেখে বাকি নিরাপত্তা কর্মিরা অস্ত্রধারিদের বাধা দেওয়ার বদলের নিজেদের পরিচয় পত্র ফেলে দিয়ে মুশল্লিদের ভিড়ে মিশে উধাও হতে উদ্যত হয়।

এই গোলযোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই ৪৩ বছর বয়স্ক এক বেদুইন বেশধারি , সম্মোহনি চোখ লম্বা কালো দাঁড়ি এবং লম্বা কেশের অধিকারি মাঝারি গড়নের এক ব্যক্তি তিন বন্দুকধারি ব্যক্তিকে নিয়ে ইমামের কাছে অগ্রসর হয় এবং তার মাইক কেড়ে নেয় ইমাম প্রতিবাদ করলে বন্দুকধারিদের একজন লম্বা একটা ছুরি বের করে ইমামের গলায় ঠেকিয়ে তাকে চুপ থাকতে বলে ।

এই দৃশ্য দেখে ভীত মুশল্লিদের মধ্যে মসজিদ থেকে পালানোর জন্য হুড়াহুড়ি পড়ে যায় । কিন্তু একটু পরেই সবাই আবিষ্কার করে মসজিদে ৫৩ টা প্রবেশ পথের সব কটাই তালা -চেইন দিয়ে আটকানো ।

মুশল্লিরা কিছুক্ষনের মধ্যেই বুঝতে পারে বাইরে যাবার সব রাস্তায় বন্ধ । একটু পড়ে নেতা গোছের যে মাইক কেড়ে নিয়েছিল সে নিজেকে জুহাইমান আল ঊতেবি বলে পরিচয় দেয় এবং অত্যন্ত
কড়া ভাষায় মসজিদের তার অনুগত বন্ধুকধারিদের নানা রকম আদেশ দিতে থাকে । সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে দৃশ্যপত ।

বন্দুকধারিদের মধ্যে একটা গ্রুপ দ্রুত মসজিদের নানা প্রান্তে মেশিনগান বসায় , একটা গ্রুপ মসজিদে ছাদে দ্রুত উঠে সানাইপার গান নিয়ে পসিজন্ নেয় মক্কা মসজিদের সাতটা মিনারে ছিল ৮৯ মিটার (২৯২ফুট) উচ্চতার, এর প্রতিটি মিনারেই বন্দুকধারিরা সানাইপার নিয়ে অবস্থান নেয় ।

মুশল্লিদের মধ্যে অনেককেও বন্ধুকের মুখে অস্ত্র ভর্তি বাক্স কাঁধে করে মসজিদের নানা প্রান্তে নিয়ে যেতে বাধ্য করা হয় কিছুক্ষনের মধ্যেই বন্ধুকধারিরা মক্কা মসজিদের ভিতর এবং বাইরের পুরাটাই নিজেদের বন্দুকের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয় মক্কা মসজিদ পরিণত হয় তাদের দুর্ভেদ্য দুর্গে ।

সবাই তখনও পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিচ্ছে তা কিছুতেই আঁচ করে উঠতে পারছিল না আরব ভাষিরাই যেখানে খাবি খাচ্ছিল সেখানে নন আরব হাজিরা তো বলতে গেলে একদম অন্ধকারে ছিল।

তবে বন্দুকধারিদের পরবর্তী কার্যক্রমে পরিষ্কার হয়ে গেল যে এই পরিস্থিতির জন্যেও তাদের প্রস্তুতি ছিল কিছুক্ষনের মধ্যেই ভারতীয় এবং পাকিস্তানী হাজিদের এক জায়গায় করা হল এবং বন্ধুকধারিদের মধ্যে পাকিস্তানী ওরিজিনের একজন্ মাইক দিয়ে আসা নির্দেশগুলি তর্জমা করে দিতে লাগল তাদের এভাবে আফ্রিকান হাজি দের জন্য একজন আফ্রিকান বন্দুকধারিকে দায়িত্ব দেওয়া হল ।

একটু পরে দল নেতা জুহাইমান মাইকটা তার আরেক সহকর্মিকে দিয়ে দেয় ।
সে ঘোষনা দেয়
“ মুশল্লিগণ মক্কা মদিনা জেদ্যা এখন আমাদের দখলে , হাদিসে বর্ণিত ভবিষ্যৎবানি অচিরেই বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে ”

মক্কা মসজিদের এইভাবে সফলভাবে বন্দুকধারিদের দখল অনাগত ঝড়ের ট্রেলার বলা যায় এর পরবর্তীতে যে চেইন রিকাকসন হয় তা খালি মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি তা পশ্চিমা উন্নত দেশগুলাকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করে ।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটা নিয়া ডট রাসেলের একটা দারুণ পোস্ট ছিলো

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগল। পুরো ডিটেলস পাওয়া যাবে এমন কোন বইয়ের কথা কিংবা লিংক শেয়ার করতে পারেন, প্লিজ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝলাম না ...এর পরে কি হইছিলো ...!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চালিয়ে যান

______________________________________________________________________
স্বাক্ষরঃ দিশাহারা লালে লাল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অমি রহমান পিয়ালঃ লিংক থাকলে দিয়েন পরের পর্ব লিখতে সুবিধা হবে

সূর্য্য ব্যানার্জীঃ The siege of Mecca : the forgotten uprising / Yaroslav Trofimov

মাধুকরী: পোস্ট কয়েকটা পর্বে থাকবে আশা করি লাস্টে সব পরিষ্কার হবে ।


শারফুদ্দীনঃ উৎসাহ দেওয়া জন্য ধন্যবাদ বস, লেখার অভ্যাস নাই তার পরেও চেষ্টা করছি ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীচের পোস্টটা মন্তব্যসহ দেখেন। রাসেল প্রচুর লিংক দিছে আর আমি ছবি দিছি
ইসলামী ক্যু --- কাবা দখল

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরি ভাই যেই লিংকটা দিলেন ঐটার চেয়ে ভলো আর একটা পোস্ট সামুতেই দেয়া হইছিল যা থেকে আমি প্রথম জানতে পারি। এই পোস্ট থিকা তেমন কিছু জানার আছে বলে মনে হয় না। দেখি আমি সামুর অন্য পোস্ট টির লিংক পাইলে দিবনে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন। ইতিহাস টা জানা ছিলো। লেখার ও ইচ্ছে ছিলো খুব শীঘ্রই। আমার খাটুনি বাচলো আর পাব্লিক বাচলো ফালতু লেখা পড়া থেকে smile :) :-)
আপনার লেখার স্টাইল বেশ গায়ের লোম দাড় করানো টাইপ । পড়তে বেশ ভালো লাগলো। অধীর অপেক্ষায় থাকলাম পরবর্তী পর্বগুলোর জন্যে।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরের পর্বের জন্য অধীর হয়ে উঠার মত শুরু...........

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি নিজেও এটা নিয়ে পোস্ট দেবার কথা ভেবেছিলাম। আমার মনে হয় ২০ শে নভেম্বর উপলক্ষে পোস্টটা আসলে আরও ভাল হতো। জিহাদী-ইসলামীর বিশ্বাসের গভীরতা কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার "সামান্য" উদাহরণ এটি। যাহোক, ধর্ম কিন্তু ন্যাতায়া পড়েনি সেদিন, ধর্ম শুধু ন্যাতায় মুজিবের বেটি হাসিনা কিছু করলেই!

লেখা যেহেতু শুরু করেছেন, ডি-ক্ল্যাসিফাইড ডকুমেন্টের (লিঙ্ক এখানে) অংশটুকুও উন্মুক্ত করবার অনুরোধ থাকল। এসংক্রান্ত আরও একটি বই আছে, পেলে আপনার এখানে লিঙ্ক দিয়ে দেব। লেখা চালিয়ে যান, দেখা যাক কি ধরণের প্রতিক্রিয়া আসে।

আমরা সারাদিন ইহুদী-নাসারার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করি, অথচ সেদিন ইহুদী-নাসারাদের সামরিক সহযোগীতাতেই এই ইমাম মেহেদী ও ইসলামের সেবকদেরকে কাবা-শরীফ থেকে বিতারিত করা হয়। এমনকি স্বল্প সময়ের জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে বিধোর্মীরা কাবা-শরীফে প্রবেশ করেছিল, কারণ কাবা-শরীফে অমুসলিমদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ। এই ইস্যুতে বিস্তারিত লেখা আশা করছি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এত বড় উদাহরণ খুব কমই পাওয়া সম্ভব। মানুষের উচিত এসব কিছু জানা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমনকি স্বল্প সময়ের জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে বিধোর্মীরা কাবা-শরীফে প্রবেশ করেছিল, কারণ কাবা-শরীফে অমুসলিমদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ।


সঠিক। অতি উচ্চ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত কাউন্টার টেররিজম প্যারামিলিটারি ইউনিটের (GIGN) কমপক্ষে ৩ জন ফ্রেঞ্চ ঢুকেছিলেন কাবাঘর সংলগ্ন এরিয়াতে বলে জানা যায়।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এত বড় উদাহরণ খুব কমই পাওয়া সম্ভব। মানুষের উচিত এসব কিছু জানা।


Laughing out loud

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক, যদিও সৌদী সরকার বিতর্কের ভয়ে ফ্রেঞ্চ সৈন্যদের শুধুমাত্র উপদেষ্টা হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছিল বিবৃতি দেন! সৌদী এন,এস,জি ব্যর্থ হবার পর বিদেশী সহায়তা গ্রহণ করা হয়।

গ্র্যান্ড-মসজিদ দখলমুক্ত হবার পর সৌদী ক্লারিকসেদের চাপে, রাজপরিবার অনেকগুলো দাবী বাস্তবায়নে সম্মত হয় এবং তার একটি হচ্ছে সৌদী টেলিভিশনে নারী পাঠিকার উপস্থিতি বন্ধ! পাশাপাশি, ক্লারিকসের দাবীর প্রেক্ষিতে আরও কিছু দাবীকে বাস্তব রুপ দান করা হয়, তবে যেহেতু পোস্ট চলছে তাই সেসব বিষয়ে আপাতত মন্তব্য না করাই শ্রেয়।

লেখকের কাছে অনুরোধ থাকবে, বিস্তারিত লেখবার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমনকি স্বল্প সময়ের জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে বিধোর্মীরা কাবা-শরীফে প্রবেশ করেছিল, কারণ কাবা-শরীফে অমুসলিমদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ।

এরা আবার স্বধর্মে ফিরে গিয়েছিল??

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


The first rumor that spread through the Arab world was that the invaders were Iranian Shi'ites who had been influenced by Khomeini's recent calls for a general uprising by Muslim fundamentalists. Others speculated that the terrorists were members of an extreme Mahdist sect aligned with the Shi'ites. Still others said they were not Shi'ites at all but fanatical Sunni purists known as Wahhabis.Read more: http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,948637,00.html#ixzz1T8t7NJ8K


আশাকরি, ভবিষ্যতে বিস্তারিত আরও কিছু জানবো :)। কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরলাম, তথ্য যাচাই-বাছাই হতে পারে একে কেন্দ্র করে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার ওতাইবিরে দেখেন-
/>

এই রকম বেওকুফ খুব বেশি দেখা যায় না Laughing out loud

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম.....

RadiAnt Hearts


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুণ পোস্ট। কিন্তু মক্কা গিয়া তো এমন কিছু শুনি নাই! Shock

---------------------------------
লাইগ্যা থাকিস, ছাড়িস না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পবিত্র নগরী মক্কা মসজিদের ইমাম আর যেকোন দিনের মতোই ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ওজু শেষ করে ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন
,

২০ নভেম্বর ত শীতকাল, আরও ভোর রাত, আপনার তথ্য অনুযায়ী ঠাণ্ডা পানি হওয়াটা অস্বাভাবিক। হওয়া উচিৎ হাল্কা গরম পানি। Cool

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মক্কা মসজিদের এইভাবে সফলভাবে বন্দুকধারিদের দখল অনাগত ঝড়ের ট্রেলার বলা যায় এর পরবর্তীতে যে চেইন রিকাকসন হয় তা খালি মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি তা পশ্চিমা উন্নত দেশগুলাকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করে ।


ইহাকেই বলে কাটা দিয়ে কাটা তোলা থিউরী
বিশ্বক্ষমতাধরেরা এঘটনায় শুধু প্রভাবিত হয়েছে বললে কম বলা হয়, বর্তমানের আলকায়েদা এবং ভবিষ্যতে কোন কায়েদা হয় তা তৃতীয় বিশ্ব দেখতে পাবে।


তবে আপনার লেখার স্টাইল ভালো। উপসংহারটা ঘটনা ছাড়িয়ে কোন দিকে যাবে তা বোঝা কস্টকর নয়। চালিয়ে যান.. দেখার ইচ্ছা রইল। Glasses

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যথারীতি সকাল ৫.১৮ মিনিট হতেই মসজিদের মাইকে ইমামের “আযান শুনা গেল যা মসজিদের সদ্য নির্মিত ৭ টা টাওয়ারের অবস্থিত মাইকের মাধ্যমে চারিদিকে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল ।


আপনি ত দেখি আযান-নামাজ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞানও রাখেন না। আপনার আশেপাশের কোন মসজিদে গিয়ে জেনে নিন, আযান কে দেয় ইমাম না মুয়াজ্জিন!!

আর মসজিদের সদ্য নির্মিত ৭ টা টাওয়ারে?? জোড়া জোড়া হলে ১টা কম-বেশী হয় না??


নামাজ যখন শেষের দিকে এবং ইমাম যখন খুৎবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ করে নানা দিকে বিকট গুলির শব্দ শুনা যেতে লাগল ।

ফজরের নামাজ আপনি কখনো পড়েন নি এবং এবিষয়ে কিছুই আপনি জানেন না, মনে হচ্ছে। বোল্ড করা অংশগুলো ঠিক করেন, না হলে মুল্লারা টিটকারী দিয়া কইবো- এই যার জ্ঞান, তার আবার ফাল পাড়া!!
আপনার লেখাটাই তখন লেজেগোবরে হয়ে যাবে। Sad

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ শেখের পো , তিনি তো আর নিজে গবেষণা করে এই গুলো বানান নাই। তিনি শুধু অনুবাদ করে যাচ্ছেন। কাজেই এইখানে যে ফাকফোকর আপনি পাচ্ছেন সেটি মাষ্টার সাহেবের সৃষ্ট নয়।

উপসংহারটা ঘটনা ছাড়িয়ে কোন দিকে যাবে তা বোঝা কস্টকর নয়।
আপনার এই উক্তি সাথে আমিও সহমত!

ধন্যবাদ।

============================================================================
জয় হোক সত্যের! জয় হোক মানবতার!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুনিম,
আপনার কথা একদিক দিয়ে ঠিক। তবে কমনসেন্স বলে একটা কথা আছে, নেটে মূল বই পাওয়া কঠিন নয়। উইকিতেও এ বিষয়ে ভাল বর্ণনা আছে।

আমার কথা হল- এধরণের লেখাতে সাবধান হতে হয়। না হলে শেষ পর্যন্ত সামান্য ভুলত্রুটির জন্য পুরো লেখা ব্যর্থ হয়ে যায়।
আর যদি উদ্দেশ্য ভিন্ন হয়, তাহলে নদী রচনা লিখতে গিয়ে গরুকে নদীতে নামিয়ে গরুর বয়ান করা যায়। যার যেমন ইচ্ছা।

অ.ট. আপনার বিশ্লেষণধর্মী নতুন লেখা চাই

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেখের পো: সাংবাদিক ইয়ারোসালভ এই নিয়ে একটা ব্যাপক তথ্যভিত্তিক বই লিখেছেন যেখানে ঘটনার সাথে জড়িত , প্রত্যক্ষদর্শী সকলের ইন্টারভিউ নিয়ে মক্কা মসজিদ অবরোধের একটা পরিষ্কার ছবি সকলের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন, ৭ মিনার, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ওজু প্রত্যেকটা ইনফো তার বই হতে এইখানে কোন কিছুই আমার নিজের বানানো না ।

সিসিফাস এবং উদাসী পথিকঃ এতো কিছু জানার পরেও আপনারা চুপ করে থাকার জন্য আপনাদের দুজনকেই মাইনাস !
রেডিআন্ট আমি বাঙ্গাল জুলিয়ান সিদ্দিকীঃ আগ্রহ নিয়ে পোস্ট পড়বার জন্য ধন্যবাদ।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অযাচিত উপদেশ আপনার জন্য। এই ব্লগে যেমন সুপার-ডুপার নাস্তিক আছে, তেমনি সুপার-একটিভ ধার্মিকরাও আছেন! তাই সতর্ক থাকবেন, প্রথম পোস্টেই আপনার উপসংহার ধরে টানাটানি শুরু হয়ে যাচ্ছে!

কাবাঘরে জিহাদীদের হানার কথা শুনলেই অনেকেরই গাত্রদাহ শুরু হতে পারে, আর সে জিহাদীদের লাইন যদি ওয়াহাবিজমের সাথে একই লাইনে পড়ে, তবে ক্রসফায়ারে পড়ে অকালে প্রাণ (ডিজিটাল প্রাণ, মানে ব্লগীয় প্রাণ) হারাতে পারেন।

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরের পর্বের জন্য আগ্রহ সহ অপেক্ষায়।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ সম্বন্ধে অবশ্য আগেও পড়েছি। লোমহর্ষক ঘটনা সন্দেহ নাই। তবে শুধু অনুবাদ না করে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা আর বাইরের লিংকগুলোও ইউজ কইরেন। লেখাটা যেন ইতিহাস পাঠের জন্য অসাধারণ এক সূত্র হয়েই থাকে বিদ্বষের চোরাবালিতে যেন পরিণত না হয় সেদিকে লেখক আর কমেন্টকারীদের সতর্ক করা উচিৎ। ধার্মিক ব্লগারদের মাথা ঠান্ডা রেখে আলোচনায় ব্রতি হতে আহ্বান জানাচ্ছি আর কাউকে কাউকে পশ্চিমাদের অতি মহান বানানোর প্রচেষ্টা থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এই ঘটনার সাথে লাদেন পরিবারের সংশ্লিষ্টতা আছে। আশা করি লেখক এই ব্যাপারটা হাইলাইট করতে ভূলবেননা। উওকের লিংকটা খুবই ভালো সোর্স হতে পারে। নিরপেক্ষ ভাবেই মনে হয় ব্যাপারটা বর্ণনা করা হয়েছে। আবারো সবাইকে বলছি অযথা কাউকে ছোট করে বা কাউকে বড় করে লেখাটার মানহানী করবেননা। আসল ঘটনা সবারই জানা উচিৎ।

glqxz9283 sfy39587p07