Skip to content

সংশয়বাদি অবস্থান

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৩রা জুলাই তেল গ্যাস বন্দর রক্ষা জাতিয় কমিটি হরতালের ডাক দিয়েছে, এই আন্দোলনের মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছে বামপন্থী বলে পরিচিত ছোট দলগুলি। যেখানে বিএনপি মতো বড় দলগুলি হরতাল ডেকে পুলিশের দাবড়ানির মুখে সুবিঁধা করতে পারছে না সেখানে এদের ডাকা আন্দোলন কর্মসূচী যে খুব একটা সরকারকে নাড়া দিবে না সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না, তবে বাংলা অন্তর্জাল জগৎতে বাম কর্মিদের প্রচারনা চোখে পড়ার মতো ফেসবুকে, মেইলে, ব্লগে তারা বিদেশী কম্পানির সাথে এই চুক্তি দেশের জন্য কেন ক্ষতিকারক তা সুন্দর করে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত । এর আগেও ফুলবাড়িয়া কিংবা আরিয়াল বিল নিয়ে তারা যখন আন্দোলন ডেকেছে তখন তাদের দাবির প্রতি আমার সমর্থন ছিল। কিন্তু সমুদ্র হতে খনিজ সম্পদ উত্তোলন ইস্যুতে তাদের কেন জানি তাদের মন খুলে সমর্থন করতে পারছি না





কয়েকদিন আগে এটিএন বাংলায় আনু সাহেবের সাথে এক সরকারি সচিবের টক শোতে ডিবেট হয়েছিল যেখানে আনু সাহেব তেমন শক্ত করে তার অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দেখাতে পারেননি এই নিয়ে এক ফেসবুকের ইউজারের বিশ্লেষণ

















বিতর্কটা কখনোই এ ধরনের হওয়া উচিত ছিল না। একটু আগে আমি এটিএন নিউজে আনু মুহাম্মদ এবং আমাদের সরকারের জ্বালানি সচিবের একটা বিতর্ক দেখলাম। আগে দেখতাম অধ্যাপকরা তাদের গবেষণালব্ধ যুক্তি-তর্কের পসরা সাজিয়ে অন্য ট্রেডের লোকদের নাজেহাল করেন। কিন্তু আমাদের আনু মুহাম্মদ অধ্যাপকদের জাত ডোবালেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা জ্বালানী সচিবের সামনে তার নাকাল হওয়ার দৃশ্যটা আমাদের জন্য উপভোগ্য হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু আনু মুহাম্মদরা যেসব শুরু করেছেন, এমনকি হরতালও ডেকেছেন, তার জন্য তার উপর করুণাও হলো না।



বামপন্থী এসব রাজনীতিকদের অনেক দেউলিয়াপনার কথা আমরা জানি, কিন্তু সামনা-সামনি দেখতে পারার বিরল সৌভাগ্য এই বিতর্কটিতে হয়েছে। জ্বালানি সচিবের সামনে আনু মুহাম্মদকে মনে হচ্ছিল তোতলাচ্ছে, কারণ আনু মুহাম্মদ চুক্তিটি সম্পর্কে অজ্ঞানতাপ্রসূত যে সমস্ত উদ্ভট যুক্তি হাজির করছিল তা জ্বালানী সচিব যখনই উল্টো প্রমাণ করছিল তখন আনু মুহাম্মদ যুক্তি হাতড়ে বেড়িয়েছেন, তার গোল পোস্ট শিফ্ট করছিলেন কেবল। - তো গোল পোস্ট শিফ্ট করতে করতে এক পর্যায়ে আনু মুহাম্মদ তার হরতালের উদ্দেশ্যও শিফ্ট করে ফেললেন! অনুষ্ঠানে তার ডাকা হরতাল এই চুক্তির বিরোধিতার বদলে হয়ে গেল স্থলভাগেও জ্বালানীর ইত্যকার কথাবার্তা যেগুলো সাথে বর্তমান ডাকা হরতাল নিতান্তই অপ্রাসঙ্গিক, এবং সমস্ত হাওয়ার উপর কথাবার্তা... বামপন্থীরা এই জন্যই জনগণের দল নয়। তারা বাস্তবতা বিবর্জিত কথা-বার্তা বলে, এবং এমনসব যুক্তি-তর্ক হাজির করে যেগুলো বাস্তবতা থেতে বহু দূরে...



One of my teachers asked me for the content of the debate and I replied him as follows:



Anu Muhammad's main point of argument was royalty issue which was dismissed by the Secretary that BD will get only 20%. Secretary rather told that the share of Bangladesh would be 55% initially (for cost-recovery) and after the cost-recovery phase, the share would increase up-to 80% step-by-step and he gave reference to Bibiana Gas field that Bangladesh is now receiving nearly 70% of gas as its own share and the rest it is buying. On the export issue, again Anu Muhammad raised that 20% gas is ours and there is a provision that the rest 80% the company can export. 20% issue was again dismissed by the Scy that it is only for the provision of LNG gas export which is the furthest possibility amd very very hypothetical. The scy responded that that is not correct and referred to every PSC signed up until today with foreign contractors since 1971 that had the same provision that the company can only export the gas if at least three alternatives are exhausted. The first is Petrobangal will buy the company's share which is 45% initially, the second option is if Petrobangla declines to buy, which is not rational forecast given our own energy demand, the company will explore domestic market--which is domestic private sector to sell their share. If this option too fails, the company would have to consider LNG. But for that they have to invest at least USD 3 billion for LNG plant at on-shore to explore the LNG export provision. But above all, it is the government from which the company has to receive clearance and if the government doesn't allow them, they can't export it... Another issue where Anu Muhammad argued that Bangladesh govt. has to built the pipeline to bring the gas to on-shore which the Scy denies and said that it is the company which will have to do this by its own, however, the cost will be adjusted. Anu Muhammad was about to stammering and argued that the government has intentionally paralysed the Bapex which the Scy vehemently denied that the exploration assignments Bapex is being engaged now is unprecedented and explain with example that the current govt. has given the highest priority to equip Bapex more than any other regime. One more point to mention is that about the capability of off-shore exploration of Bangladesh and the urgency of energy. The Scy gave rational that we are now in urgent situation and there is no time now to spare for the capacity building of Bapex for off-shore exploration. Scy agreed that Govt. has to built capacity of Bapex and they are working on that but that will take quite some time of course... Finally at the end when Anu Muhammad was found very exhausted and was arguing airy-fairy, Munni Saha, the moderator of the debate, asked why is the Hartal for?! And Anu Muhammad was shifting his goal-post that the Hartal is not for the current contract with CP but for bla bla bla... which was really worth watching...








ফেসবুকে পিয়াল ভাই সরকারের অবস্থান ব্যাখা করে কিছু কথা বলছেন তার সরমর্ম দাঁড়ায় সাগরের যে সব জায়গায় খনিজ সম্পদের উত্তোলনের কাজ করা হবে তা এমনিতেই ভারত চিন ও বর্মা গায়ের জোরে তা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে তা বাংলাদেশের দখলে নেই দখলে নেওয়ার জন্য বড় কম্পানিগুলাকে ডাকা যাতে বড় দেশগুলার সাথে ফাইট দিয়ে নিজেদের মুনাফা পাশাপশি আমাদের শেয়ারও কিছুটা নিশ্চিত করে দিতে পারে নাহলে বড় দেশগুলা কাছ থেকে একা একা ফাইট দিয়ে নিজেদের পক্ষে রাইট অধিকার করা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অসম্ভব।



পুরা ব্যাপারে আসলেই আমি কনফিউজ , আমার মনে হয় এই অবস্থা দেশের অনেক নাগরিকেরই।

মন্তব্য

glqxz9283 sfy39587p07