Skip to content

অসামান্য কিছু ভাবনা,এবং কবি শ্রী মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যক্তি মধুর উপর আমার রচনাখানি অতি তাৎক্ষণিকভাবে রচিত, তাও আমাদের জুনিয়র ডিরোজিও স্যারের চাপাচাপিতে। কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আলোচনা করিতে হইলে তাঁহার জন্ম,মৃত্যু, দর্শন এইসব গতানুগতিকতার বাইরে যাওয়ার বিশেষ সুযোগ নাই।আধুনিক বাংলা সাহিত্যের দরোজা প্রকৃত অর্থে যার মাধ্যমে খুলিয়া গিয়াছিল তিনি নি:সন্দেহে মাইকেল মধুসূদন দত্ত। আমি তাঁহার সৃষ্টিকর্ম লইয়া টানা হেঁচড়া করিবনা, কেননা সে যোগ্যতা আমার নাই। মধুসূদনের উপর কয়েকখানা জীবনী গ্রন্থ পড়িয়াছি বলিয়াই বিচ্ছিন্নভাবে ব্যক্তি মধুসূদনকে লইয়া অল্পবিস্তর আলোচনা করিতে দু:সাহস পাইয়াছি।তবে একেবারেই যে তাঁহার কিছু সৃষ্টিকর্মের সান্নিধ্যে আসি নাই তা কিন্তু নহে, তথাপি এই স্বল্প পুঁজি লইয়া তাঁহার সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে আলোচনা করিতে যাওয়া নেহাত বোকামী/ফুকুমী ছাড়া আর কিছুই নহে। কিংবা আলোচনা যদি করেই ফেলি তাহা হইলে বিদগ্ধ পাঠক আমাকে উপহাস করিবেন , আর দর্শক মহোদয়েরা আমাকে বিভিন্ন ধ্বনির ব্লগ রুম ছাড়িয়া যাইতে বাধ্য করিবেন। যেইভাবে ২১ ফেব্রুয়ারি ৫২’সালে ১৪৪ ধারা ও পুলিশের সকল মহড়ার প্রতি কোনরকম ভ্রুক্ষেপ না করিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যে ছাত্রসভা শুরু হয়েছিল, তাতে বাংলাদেশের প্রধান দলের একজন প্রতিনিধি শামছুল হক ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করিতে তার দলের মত জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন, তাহা শুনিবা মাত্র ছাত্ররা তার উপর বিক্ষুব্ধ হইয়া উঠে এবং নানা রকম ধ্বনি দিয়া এই পরাক্রমশীল নেতাকে স্থান ত্যাগ করাইতে বাধ্য করে। তাই অতিতের এইসকল ঐতিহাসিক কথা মনে রাখিয়া কোন রকম আঁতেল মানার আশ্রয় লহিতে চাহিনা।নিজের দৈন্যতার কথা তাই আগে ভাগেই স্বীকার করিয়া লইলাম।এখন লিখিত রচনাখানি ভালোয় ভালোয় বিদগ্ধ পাঠকের সামনে উপস্থাপন করিলেই কোনরকমে বাঁচিয়া যাই। উক্ত রচনাটিতে মধুসূদনকে আমি কী রুপে দাঁড় করাইলাম বা মধুসূদন কিভাবে দাঁড়াইলো তাহা পাঠকগন আশা করি তাঁহাদের মন্তব্যে উত্থাপন করিবেন।
১৮২৪ সালের এই দিনে অসম্ভব প্রতিভাবান একজন মানুষ জন্মিয়াছিলেন এই বঙ্গভূমিতে। উনবিংশ শতাব্দীর বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, যিনি শুধু কবি বা নাট্যকারই নহেন, বাংলা সাহিত্যের পহেলা ও একমাত্র স¦ার্থক মহাকাব্য রচয়িতা। বাংলা নাটকের ¯্রষ্ঠা,মহাকাব্যের স্বার্থক রচয়িতা,ব্যঙ্গ রচনার উদ্ভাবক অথবা আধুনিক বাংলার প্রথম আধুনিক কবি যে নামেই এই মানুষটিকে অবহিত করা হোকনা কেন তাতে বিস্মিত হওয়ার কিছু থাকিবেনা। তবে তাঁহার জীবনে ঘটে যাওয়া সমস্ত বিস্মিত ঘটনাগুলোর মধ্যে তাঁহার স্বধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহন অনেককেই বেশী রকমে বিস্মিত করিয়াছিল।
চলবে.........

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাইকেল এবং শামছুল হক!
এন্টেনা ধরে নাইক্কা।
Laughing out loud Laughing out loud

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাধু ভাষা ব্যবহারের হেতু কি?
আগ্রহ জেগেছে, পরেরটার অপেক্ষায় থাকলাম।

************************************
নিজের অস্তিত্বকে জাহির করার কোনো অধিকারই
নেই আমার: আমি হলাম চাঁদের ছেলে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চলুক।

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!

glqxz9283 sfy39587p07