Skip to content

প্রতিশ্রুতি + ক্ষমতা = প্রতারণা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

‘জয় বাংলা’, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী’Ñ এই দাপুটে কথাগুলো এখন শুধুই রাজনৈতিক নেতাদের মুখের স্লোগান মাত্র! আসলে এই বাংলার হর্তাকর্তারা ‘ক্ষয় বাংলা’ করার ধান্দায় মেতেছে, আর তা না হলে এই দরিদ্র দেশের প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ ‘গ্যাস’ কেন পাচার হবে অন্য দেশে? আর কেনইবা ১২শ কোটি টাকা গচ্চা দিতে হবে শুধুই একটা বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের জন্য? দেশমাতৃকার জন্মলগ্ন থেকে যারাই এই দুঃখী রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছেন তারা দেশের জন্য কেউ তো কিছু করেইনি (বঙ্গবন্ধু এবং হাতে গোনা আর কয়জন ছাড়া), বরং নিজেদের উদরপূর্তি এবং তাদের দলের সমৃদ্ধির জন্য দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন। সাধারণ মানুষ ও এই সকল বুর্জোয়া এবং স্বার্থবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে; এর বড় প্রমাণ প্রতি পাঁচ বছর পর পর সরকারের পতন। প্রতি পাঁচ বছর পর পর সরকারের এই পরিবর্তনই বলে দেয় দেশে দুর্নীতি ও অনিয়মের ভয়াবহতা। যে সরকার মিথ্যাচার-দুর্নীতি-অনিয়ম করবে আর পতন ও হবে ভরাডুবির মাধ্যমে, এই বাস্তব সত্যটা আমাদের দেখিয়েছে বিগত সরকার। প্রকৃতপক্ষে বিগত সরকারের ভরাডুবিটাই ছিল সামনের সরকারের জন্য সতর্কবার্তা। কিন্তু বর্তমান সরকার এই সতর্কবাণী উপেক্ষা করে পূর্বের দুর্নীতিপরায়ণ সরকারের পথেই চলেছে। পরিণামের কথা ভাবছে না তারা। সাধারণ মানুষের কাছে যে ওয়াদা করে সরকার আজ ক্ষমতায় তার সিকিভাগও কি পালন হয়েছে? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কি সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরে করবে? ’৭২-এর সংবিধান কি শুধুই ইতিহাস হয়েই থাকবে, নাকি বাস্তব প্রয়োগ ঘটবে? নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য কমানোর ওয়াদা আপনারা দিয়েছিলেন, কমাতে না পারেন বাড়ানোর অধিকার কোথায় পেলেন? আর যদি বাড়াবেনই তাহলে জনগণের কাছে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কেন? আর কত প্রতারিত হব আমরা সাধারণ মানুষ?
বলবেন কি?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

“জয় বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী” এই কথাগুলো তাদের কাছেই রাজনৈতিক যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করে তাদের মুখেই শুধু রাজনৈতিক শ্লোগান। কিন্তু বর্তমান সরকার যেহেতু জনগণের সরকার ও দেশের জন্য কাজ করছে এবং মুক্তিযুদ্ধের সফল রুপকার ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, সেহেতু এ কথাগুলো সরকারের প্রানের কথা। জনগণের নিকট যে সকল প্রতিশ্রুতি বর্তমান সরকার দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন চলছে। একটু খেয়াল করলেই তা বুঝতে পারবেন আশাকরি। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল। বোমাবাজি, জঙ্গিবাদ বর্তমান সরকার কঠোরভাবে দমন করছে। দ্রব্যমুল্যের দামও মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই আছে। সেই সাথে বেড়েছে মানুষের সামগ্রিক আয়। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, শিল্প, তথ্য সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়ন পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সেটা তো প্রক্রিয়াধীন আছে। আমি বিশ্বাস করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া খুব দ্রুতই শেষ হবে। তবে বিরোধী কিছু অপশক্তি এটাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে যারা “ক্ষয় বাংলা” শ্লোগানে বিশ্বাসী। আর সেটা হল বিগত জোট সরকার। তারাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের জন্য মিছিল, মিটিং, হরতালের নামে জ্বালাও পোড়াও করছে। আর ক্ষমতায় থাকাকালীন তো জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেই নাই, বাস্তবায়ন করেছে তারেক, কোকো, বাবর, ফালু ও বিরোধী নেতা কর্মীদের চাওয়া পাওয়া। বিদেশে পাচার করেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। জঙ্গি, বোমাবাজিতে দেশকে রেখেছিল ব্যতিব্যস্ত। এসব কথা নিশ্চয়ই জনগণ ভুলে যায়নি, তবে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেনা তাদের কাছে বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়নের ধারা তো মিথ্যাই মনে হবে। আপনিও এই দলে বলে মনে হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা…হা….হা! আপনার মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে আপনি সরকারি দলের পুরোদস্তুর এজেন্ট। আপনাদের নিয়ে এই সমস্যা!! আপ্নারা ধরে নিয়েই বসে থাকেন, ব্রাজিল যে করে না সে নিশ্চয় আর্জেন্টিনা করবে। আফসোস! দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন বুঝি আর হলোনা আমাদের…….

glqxz9283 sfy39587p07