Skip to content

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


হিনা রাব্বানি এসেছিলেন। হিনা রাব্বানি, মানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন, চলেও গেছেন।সকাল দশটায় এসেছেন, চলে গেছেন বিকেল চারটায়। আসা আর যাওয়ার মাঝখানে এই ছয় ঘন্টায় তিনি করেছেন অনেক কিছুই - ডি-৮ সম্মেলনের দাওয়াত পত্র দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে, সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে,দেখা করেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর সাথেও।তার সাথে সাথে করে গেছেন একটি বড় সড় তামাশা, বাংলাদেশের মানুষকে অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে বলে গেছেন হিনা রাব্বানি। অতীত মানে - ঊনিশশো একাত্তর।

হিনা রাব্বানি রবীন্দ্রনাথ পড়েননি, পড়ার কথাও নয়। তার দেশ পাকিস্তান, এই দেশটি কোনদিন সৃষ্টি ও সুষমার জন্য আদর্শ নয়, শিল্প আর সৌন্দর্যের বুক ফাঁড়া লাশ পড়ে থাকে পাকিস্তানের অলিতে গলিতে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় - পাকিস্তান সেই দেশ,যেখানে হিন্দুয়ানির অভিযোগে রবীন্দ্রনাথের গান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যাই হোক, বাংলা ভাষাকে গ্রাহ্য না করে তার দেশ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা বানাতে চেয়েছিল। কাজেই সেই বাংলা ভাষার সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথের কবিতা হিনা রাব্বানির পড়ার সম্ভাবনা নেই তেমন।কিন্তু যদি ভুলক্রমেও একবার পড়তেন, তাহলে হয়তো এই তামাশাটা করার আগে একবার ভেবে নিতেন।রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন,


অদৃষ্টরে শুধালেম, চিরদিন পিছে
অমোঘ নিষ্ঠুর বলে কে মোরে ঠেলিছে?
সে কহিল, ফিরে দেখো। দেখিলাম থামি
সম্মুখে ঠেলিছে মোরে পশ্চাতের আমি।


হিনা রাব্বানি এক কথায় বলে দিয়েছেন অতীত ভুলে যেতে হবে। এখন একটু হিসেব নিকেশ করে দেখা যাক, আসলে ঠিক কী কী জিনিস ভুলতে হবে।



এরশাদ আলী মোড়লকে ভুলে যেতে হবে ২০ মে, ১৯৭১ তারিখটি। খুলনার চুকনগরে এদিন ইতিহাসের সর্ববৃহৎ একক গণহত্যা সংঘটিত হয়।

এর পর মিলিটারিরা রাস্তার অপর সাইডে চলে গেল এবং বটিয়াঘাটা,দাকোপ,ছিয়ানব্বই গ্রাম ইত্যাদি এলাকা থেকে আগত হাজার হাজার শরণার্থীর উপর নির্বিচারে গুলি করতে লাগলো।মিলিটারিরা প্রথমে মালথিয়া গ্রামে এসে আমার বাবাকে গুলি করে হত্যা করে তাদের হত্যাযজ্ঞের সূচনা করে।আমরা দেখতে পেলাম মেশিন গানের ব্রাশফায়ারে হাজার হাজার মানুষ পাখির মতো পড়ে যেতে লাগলেন।বৃদ্ধ মহিলা পুরুষসহ আনুমানিক ২ থেকে ৩ হাজার মানুষ সেখানে তারা হত্যা করে।

... এরপর মিলিটারিরা ওখানকার একটি রাস্তা দিয়ে পূর্ব দিকে যায় এবং সেখান থেকে চুকনগর বাজারে যেয়ে গুলি করে।বাজারে তাদের গুলিতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন।চুকনগর সরদার বাড়ি ও অন্যান্য এলাকার প্রায় চার হাজার মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাকি আর্মিরা।সকাল সাড়ে ন'টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত তারা অবিরাম গুলি চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে।সাতক্ষীরা থেকে প্রথমে এক গাড়ি পাকি আর্মি আসে,পরে আরো দু'গাড়ি আর্মি এসে তাদের সাথে যোগ দেয়।এরপর হত্যাযজ্ঞ শেষ হলে তারা গাড়িসহ সাড়ে তিনটায় সাতক্ষীরার দিকে চলে যায়।

... ২০-২৫ টা করে লাশ প্রতিদিন ঘ্যাংরাইল নদীতে আমরা টেনে ফেলেছি।চার পাঁচদিন যাবত আমরা এই কাজ করি।আর চুকনগরে যে লাশ পড়েছিল তা সব ভদ্রা নদীতে ফেলা হয়।


খুব দেখতে ইচ্ছা করে, অতীত ভুলে যাবার এই বচনামৃতখানি এরশাদ আলীর সামনে বলতে হলে কী করতেন হিনা রাব্বানি?

আমাদের ভুলে যেতে হবে কপিলমুনির সেই মুক্তিযোদ্ধাটির কথা যার হাতে পায়ে পেরেক বিধিঁয়ে সেঁটে রাখা হয়েছিল দেয়ালের সাথে। আমাদের ভুলে যেতে হবে সেই দেড়শো মহিলার কথা যাদের সেজদা দেবার ভঙ্গিতে বসতে বলে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে হয়েছিল। ভুলে যেতে হবে কিশোরগঞ্জের বরইতলার সেই তিনশো ছেষট্টি জনকে যাদের মাথার খুলি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল তিরিশ কেজি ওজনের শাবলের আঘাতে। ভুলে যেতে হবে সেই কিশোরটিকে যার পেট উড়্যে দেয়া হয়েছিল বোমা বেঁধে। এতই সহজ !



বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি তখন এক একটি মাইলাই, প্রতি বর্গমিটারে একজন মানুষের লাশ, প্রতিটি ঘরে একজন ধর্ষিতা। মাঠ, নদী, রাস্তা মৃতের পাহাড় - শিশুর লাশ,নরের লাশ, নারীর লাশ। মৃতের মাংসে এতটা পুষ্ট হয়েছিল একাত্তরের শকুনেরা, আকাশে উড়তে তাদের কষ্ট হতো। এসব দিনের কথা ভুলে যেতে হবে বাংলাদেশকে?



ভালুকার কিরণবালাকে ভুলে যেতে হবে তার নিজের অপমানের কথা, ভুলে যেতে হবে নিজের চোখে দেখা সেই মৃত্যুদৃশ্যের কথা !

আমার পাশেই একটা মাইয়া ছিল।দেখতে যেমন সুন্দর,বয়সটাও ছিল ঠিক।আর তারেই সবাই পছন্দ করত বেশি।তাই তার কষ্টও হইত বেশি বেশি।একদিন দুই তিনজন একলগে আহে।এরপর সবাই তারে চায়।এই নিয়া লাগে তারা তারা।পরে সবাই এক সঙ্গে ঝাঁপায় পড়ে ঐ মাইয়াডার উপর।কে কি যে করবে,তারা নিজেরাই দিশা পায়না।পরে একজন একজন কইরা কষ্ট দেয়া শুরু করে।তখন সে আর সইতে না পাইরা একজনরে লাথি মাইরা ফেলাইয়া দেয়।তারপর তো তারে বাঁচায় কেডা।হেইডারে ইচ্ছামত কষ্ট দিয়ে মাইরা ঘর থাইকা বের হয়ে যায়।আমরা তো ভাবছি,যাক বাঁচা গেল।কিন্তু না,একটু পরে হে আবার আহে,আইসাই বুটজুতা দিয়ে ইচ্ছামতো লাইত্থাইছে।তারপরে গরম বইদা ( ডিম ) সিদ্ধ করে তার অঙ্গে ঢুকায় দেয়।তখন তার কান্না,চিল্লাচিল্লি দেখে কেডা।মনে হইছিল যে,তার কান্নায় দেয়াল পর্যন্ত ফাইটা যাইতেছে।তারপরেও তার একটু মায়া দয়া হলো না।এক এক করে তিনটা বইদা ঢুকাল ভিতরে।কতক্ষণ চিল্লাচিল্লি কইরা এক সময় বন্ধ হয়ে যায়।

... তার পরের দিন আবার হেইডা আহে।আর কত চুপ থাকবে।চিল্লাচিল্লি করলে বেশি শাস্তি দিব।সেই মেয়ের কাছে গিয়ে দেখে তার অবস্থা খুব খারাপ।তখন বন্দুকের মাথা দিয়ে তার ভেতরে গুতাগুতি করছে।আরেকজন তার পেটের উপর খাড়াইয়া বইছে।আর গড় গড়াইয়া রক্ত বাইর হইতেছে।যেন মনে হয়,গরু জবাই দিছে।সে শুধু পড়েই রইল।প্রথমে একটু নড়ছিল পরে আর নড়ল না।তারপরেও তার মরণ হইল না।ভগবান তারে দেখল না।এমন কত রকম নির্যাতন করে প্রতিদিন।এই অবস্থায় বাইচা ছিল সাত-আট দিন।পরের দুই দিন চেতনা ছিল না।এক সময় অবশেষে মরল।




ঢাকা পৌরসভার সুইপার সাহেব আলীকে ভুলে যেতে হবে ২৯ মার্চ, ১৯৭১ তারিখটি, যেদিন তিনি আরমানিটোলার এক বাড়িতে দশ এগারো বছরের একটি মেয়ের লাশ পান। মেয়েটির সমস্ত শরীর ক্ষতবিক্ষত ছিল,জমাট বাঁধা ছোপ ছোপ রক্ত সারা গায়ে,এবং তার দেহের বিভিন্ন স্থানের মাংস তুলে ফেলা হয়েছিল।ধর্ষণ শেষে মেয়েটির দুই পা দু’দিক থেকে টেনে ধরে নাভি পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল।তাকে ভুলে যেতে হবে ৩০ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের চারতলার ছাদের উপরে আনুমানিক ১৮ বছরের একটি মেয়ের লাশ পান সাহেব আলী,যথারীতি উলঙ্গ।পাশে দাঁড়ানো একজন পাক সেনার কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন মেয়েটিকে হত্যা করতে ধর্ষণ ছাড়া অন্য কিছু করার দরকার পড়েনি,পর্যায়ক্রমিক ধর্ষণের ফলেই তার মৃত্যু ঘটে।মেয়েটির চোখ ফোলা ছিল,যৌনাঙ্গ এবং তার পার্শ্ববর্তী অংশ ফুলে পেটের অনেক উপরে চলে এসেছে,যোনিপথ রক্তাক্ত,দুই গালে এবং বুকে ছিল কামড়ের দাগ।




পশ্চিমবঙ্গের শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া সেই মায়ের ভুলে যেতে হবে জলে ডুবে মরে যাওয়া সন্তানটির কথা।

But the huts had been built below flood level and the water had risen in the huts to a depth of about two feet. A crowd stood around one in particular. With the endless rain the roof had given way. Most of the people had got out. But a baby, knocked on to the ground had either drowned or suffocated and its little body was held by a weeping mother. Guilty of nothing, life was suddenly over. I could not look at the parents who had come so far only to find this extra tragedy at the end of a road of tears.






হিনা রাব্বানি আমাদের কী ভুলে যেতে বলেন? ১৬ ডিসেম্বর? ২৫ মার্চ? ভুলে যেতে বলেন চুকনগর-রায়েরবাজার-গোলাহাটা? ভুলে যেতে বলেন পিতার লাশ, মায়ের থ্যাঁতলানো শরীর? বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতে শকুন আর শেয়ালের দল হত্যার উৎসব চালিয়েছে সেই স্মৃতি ভুলে যেতে বলেন হিনা রাব্বানি?

দুঃখিত মিসেস রাব্বানি। আমি আমার জন্মের ইতিহাস ভুলতে অপারগ।আমি ভুলতে পারবো না কীভাবে আপনার রাষ্ট্র আমার দেশের মানুষকে হত্যা করেছে - গুলি করে,জীবন্ত কবর দিয়ে,জবাই করে। আমি ভুলতে পারবো না কীভাবে আপনার সেনাবাহিনী আমার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে যোনীপথে বেয়নেট ঢুকিয়ে। আমি ভুলতে পারবো না সেই মৃত্যুময় বিষাক্ত দিন ও রাত, আমি ভুলতে পারবো না জমাট রক্ত আর থকথকে মগজে ঢেকে থাকা স্বাধীনতার সিঁড়িপথ।

আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক
কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটে
মগজের কোষে কোষে যারা
পুঁতেছিল আমাদেরই আপন জনেরই লাশ
দগ্ধ, রক্তাপ্লুত
যারা গণহত্যা করেছে
শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু
সেই সব পশুদের।

ফায়ারিং স্কোয়াডে ওদের
সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে
নিমেষে ঝাঁ ঝাঁ বুলেটের বৃষ্টি
ঝরালেই সব চুকেবুকে যাবে তা আমি মানি না।
হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে
ক্যাম্পাসে বাজারে
বিষাক্ত গ্যাসের মতো মৃত্যুর বীভৎস গন্ধ
দিয়েছে ছড়িয়ে,
আমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু
করি না কামনা।

আমাকে করেছে বাধ্য যারা
আমার জনক জননীর রক্তে পা ডুবিয়ে দ্রুত
সিঁড়ি ভেঙ্গে যেতে
ভাসতে নদীতে আর বনেবাদাড়ে শয্যা পেতে নিতে,
অভিশাপ দিচ্ছি, আমি সেইসব খানে - জল্লাদদের।
অভিশাপ দিচ্ছি ওরা চিরদিন বিশীর্ণ গলায়
নিয়ত বেড়াক বয়ে গলিত নাছোড় মৃতদেহ,
অভিশাপ দিচ্ছি
প্রত্যহ দিনের শেষে ওরা
হাঁটু মুড়ে এক টুকরো শুকনো রুটি চাইবে ব্যাকুল
কিন্তু রুটি প্রসারিত থাবা থেকে রইবে
দশ হাত দূরে সর্বদাই।

অভিশাপ দিচ্ছি
ওদের তৃষ্ণায় পানপাত্র প্রতিবার
কানায় কানায় রক্তে উঠবে ভরে, যে রক্ত বাংলায়
বইয়ে দিয়েছে ওরা হিংস্র
জোয়ারের মত।
অভিশাপ দিচ্ছি
স্নেহের কাঙ্গাল হয়ে ওরা
ঘুরবে ক্ষ্যাপার মতো এপাড়া ওপাড়া,
নিজেরি সন্তান
প্রখর ফিরিয়ে নেবে মুখ, পারবে না
চিনতে কখনো;

অভিশাপ দিচ্ছি এতোটুকু আশ্রয়ের জন্য, বিশ্রামের
কাছে আত্মসমর্পণের জন্যে
দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ওরা। প্রেতায়িত
সেই সব মুখের উপর
দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর প্রতিটি কপাট,
অভিশাপ দিচ্ছি
অভিশাপ দিচ্ছি,
অভিশাপ দিচ্ছি...


দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম।



তথ্যসূত্র
১) বীরাঙ্গনাদের কথা - সুরমা জাহিদ
২) '৭১ এর গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ - ডা. এম এ হাসান
৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীর অবদান - শাহনাজ পারভিন
৪) The Testimony of Sixty - Published by Oxfam

কবিতা
অদৃষ্টরে শুধালেম - চালক/রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আমাদের বুকের ভেতর যারা - অভিশাপ দিচ্ছি/শামসুর রাহমান


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি...


দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমরা অতীত ভুলতে অক্ষম।

-----------------------
The road to success is always under construction....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বায়ান্ন আর একাত্তর আমার অতীত নয়,আমার জ্বলজ্বলে বর্তমান..আমার দাদুর বুকে গুলি লাগার ইতিহাস..আমার কুঁকড়ে যাওয়া ঠাকুমার ভয়ার্ত চোখের উপখ্যান..আমার জেঠু,কাকু হারিয়ে যাওয়ার কারণ ও এই একাত্তর।আমার স্বজন,ঠিকানা হারানোর বিনিময়ে পেয়েছি এই একাত্তর কে।
আজ আমি মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারি,কারণ আমার আছে একাত্তর।
আমি বাংলাভাষায় কথা বলি নির্দ্বিধায়,কারণ আমার আছে একুশে ফেব্রুয়ারী।

আমার যন্ত্রণা তুমি বুঝতে চাওনি।আমার চোখের জল মুছে দাওনি।তুমি কে হও আমার,যে তোমার কথায় আমি আমার অতীত,বর্তমান কে মুছে ফেলে তোমার কাছে বন্ধুত্ব ভিক্ষা চাইব!!
তোমার ভণ্ডামী কে আমি ঘৃণা করি,হিনা।তোমার আর তোমার দেশের জন্য শুধু ই করুণা..কেননা তোমরা মানুষ রূপী পিশাচ,রক্তচোষা।ক্ষমা চাইলে ও আমরা তোমার পূর্বপুরুষের কৃতকর্ম কে ক্ষমা করবো না..বড় কষ্টে বুকে পাথর বেঁধে পথ চলছি এই একাত্তর কে নিয়ে।একাত্তরকে কিছুতেই ভুলব না।প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর ছড়িয়ে যাবে এই ঘৃণার আগুন,তোমার প্রতি,তোমাদের মতো ক্ষমতাপিশাচদের প্রতি.. (coped )

Hillol chakrabarty


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভুলি নাই ভুলবো না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজ এখানে দাড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে
অভিশাপ দিচ্ছি।
আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ঞপক্ষ
দিয়েছিলো সেঁটে,
মগজের কোষে কোষে যারা
পুতেছিলো আমাদেরই আপনজনের লাশ
দগ্ধ, রক্তাপ্লুত,
যারা গনহত্যা
করেছে শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক
পশু সেই সব পশুদের।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেউলিয়া ও মেরুদন্ডহীন, বোধশূন্য ফ্যানাটিক এক জাতির নেতা। ধিক! ধিক!!
ওই বেটির দুই গালে, জুতা মার তালে তালে।

পোস্টে অগনিত তারা দাগাইলাম।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফাকিস্তানের প্রস্টিটিউট মন্ত্রি হীনা রাব্বানি জামাত শিবির ছাগুদের যৌবনের আগুনে ঘি ঢালতে আসছে যাতে ছাগুরা আরো জিহাদের শহিত আন্দোলন করতে পারে, মালালা বা হীনা যেকোন ফাকি সোনাতে ছাগুদের অর্গাজম হয়।

-------------------------------------
বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনা
ঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথে
আজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহান
সৈনিক, যেন সূর্যসেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হিনা রাব্বানি খার ভুলে গেছে কি?
অতীত ছাড়া বর্তমান ভবিষৎ অন্ধকার।
উনার পরিচয় কি উনি ভুলতে পারবেন........উনার পিতা মাতা কে?


ধন্যবাদ প্রীতম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন ।

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হিনা রাব্বানি আমাদের কী ভুলে যেতে বলেন? ১৬ ডিসেম্বর? ২৫ মার্চ? ভুলে যেতে বলেন চুকনগর-রায়েরবাজার-গোলাহাটা? ভুলে যেতে বলেন পিতার লাশ, মায়ের থ্যাঁতলানো শরীর? বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতে শকুন আর শেয়ালের দল হত্যার উৎসব চালিয়েছে সেই স্মৃতি ভুলে যেতে বলেন হিনা রাব্বানি?

দুঃখিত মিসেস রাব্বানি। আমি আমার জন্মের ইতিহাস ভুলতে অপারগ।আমি ভুলতে পারবো না কীভাবে আপনার রাষ্ট্র আমার দেশের মানুষকে হত্যা করেছে - গুলি করে,জীবন্ত কবর দিয়ে,জবাই করে। আমি ভুলতে পারবো না কীভাবে আপনার সেনাবাহিনী আমার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে যোনীপথে বেয়নেট ঢুকিয়ে। আমি ভুলতে পারবো না সেই মৃত্যুময় বিষাক্ত দিন ও রাত, আমি ভুলতে পারবো না জমাট রক্ত আর থকথকে মগজে ঢেকে থাকা স্বাধীনতার সিঁড়িপথ।


২০০% সহমত


~***********************~

যার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় তার সাথে পিরিতের কথা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার জন্ম কি আমি ভুলতে পারি?

একই সময় বাংলাদেশের বিশিষ্ট বেইমান রমনীও এই কথা বলেছে,খেয়াল কইরা।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার এই কথা মেনে নেওয়া যায় না।
আমাদের দেশের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করার দরকার ছিল।
ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আমি কাঁদিনি যখন আমার হবু বউ আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল।
এই আমি কাঁদিনি যখন হাতুড়ি পড়ে থেতলে গিয়েছিল আমার আঙ্গুল।
আমি কাদিঁ ক্রোধে।
চোখের জলে মনে হয় হাতে তুলে নিই সেই পড়ে থাকা স্টেনগান।
মনে হয়, একটা একটা করে উড়িয়ে দিই সেই সব নেকড়ের পালকে।

অভিশাপ দিচ্ছি এতোটুকু আশ্রয়ের জন্য, বিশ্রামের
কাছে আত্মসমর্পণের জন্যে
দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ওরা। প্রেতায়িত
সেই সব মুখের উপর
দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর প্রতিটি কপাট,
অভিশাপ দিচ্ছি
অভিশাপ দিচ্ছি,
অভিশাপ দিচ্ছি..
.

প্রীতম, এই লেখার পিডিএফ দিতে পারবেন? সংগ্রহে রাখতে চাই! কখন আবার কোন দল এসে এসবেও কড়াল গ্রাস বসায় তার তো ঠিক নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিডিএফ তো নেই, আপনি এখান থেকে কপি করে ওয়ার্ডে পেস্ট করে নিতে পারেন, এর পরে ফাইলটিকে পিডিএফে কনভার্ট করে দিলেই হবে।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি
ওদের তৃষ্ণায় পানপাত্র প্রতিবার
কানায় কানায় রক্তে উঠবে ভরে, যে রক্ত বাংলায়
বইয়ে দিয়েছে ওরা হিংস্র
জোয়ারের মত।
অভিশাপ দিচ্ছি
স্নেহের কাঙ্গাল হয়ে ওরা
ঘুরবে ক্ষ্যাপার মতো এপাড়া ওপাড়া,
নিজেরি সন্তান
প্রখর ফিরিয়ে নেবে মুখ, পারবে না
চিনতে কখনো;

অভিশাপ দিচ্ছি এতোটুকু আশ্রয়ের জন্য, বিশ্রামের
কাছে আত্মসমর্পণের জন্যে
দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ওরা। প্রেতায়িত
সেই সব মুখের উপর
দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর প্রতিটি কপাট,
অভিশাপ দিচ্ছি
অভিশাপ দিচ্ছি,
অভিশাপ দিচ্ছি...

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই অতীত ভোলার নয়। ভুলতে চাই না।
স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা ও যদি আমার পায়ে পরে তারপর ও নয়। ক্ষমার অযোগ্য।

# Satyajit Das #
# Powered by MacOSX Lion #


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতীত ভুলার নয়, ভুলবও না।
আজ ও জাপানে বিকলাঙ্গ জন্ম নেয়।
ঘৃণা পোষে আজও অন্তরে।
তাইতো তাদের আজ এই অবস্থা আর আমরা মহান বাঙালি।।।

-

============================================
মনুষ্য কর্ম বিবেচনায় এর চেয়ে ভাল বিশেষণ নিস্প্রয়োজন।
----------------------------------------------------খাঁটি অমানুষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি
অভিশাপ দিচ্ছি,
অভিশাপ দিচ্ছি...

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা অতীতকে ভুলবোনা।

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে অতীত ভোলার মত নয় সেটা কেন ভুলব ?
কখনও ভুলব না । ভুলবনা পাকিস্তানী হানাদারদের নির্যাতন । ভুলবনা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা ।

No More .


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফাকিস্তান মৃত দেশ।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি

----------------------------------
© সমান্তরাল ®


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি...
অভিশাপ দিচ্ছি...
অভিশাপ দিচ্ছি...
অভিশাপ দিচ্ছি...

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমরা অতীত ভুলতে অক্ষম।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দিপু মনিকে স্যালুট!
লেখা অসম্ভব রকমের টাচি হয়েছে। অক্ষম ক্রোধে আবারও চোখের পাতা ভিজে এল।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত। ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একই সময় বাংলাদেশের বিশিষ্ট বেইমান রমনীও এই কথা বলেছে,খেয়াল কইরা।

@বেকা
এবং তারা কথা মত একই সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে ্ও যাচ্ছে অদ্যাবধি!! তাদের কাছে এটা কোন ব্যাপার না।
মাহামুদুর মার্কা কথা বাংলাদেশ খাবে না!!

পোষ্টো Star Star Star Star Star

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star
---------------------------------------------

শ্রান্ত পথিক আমি, বেলাশেষে-
চারপাশে অভেদ্য-দুর্গম পাঁচিল তুলে
বসে থাকি নষ্ট ঘরে
হিসাবের খাতা মেলে খুঁজি কতোটা অপচয় হলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মত মর্খরা এই কথা বুঝে।
বাংলাদেশের মাথারা কি এক কথা বুঝে??

জানি উত্তর আসবে না।

তাদের সাথে এক কাতারে নিজেকে মানুষ ভাবতে বড় কষ্ট হচ্ছে।

Star Star Star Star Star

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি
ওদের তৃষ্ণায় পানপাত্র প্রতিবার
কানায় কানায় রক্তে উঠবে ভরে, যে রক্ত বাংলায়
বইয়ে দিয়েছে ওরা হিংস্র
জোয়ারের মত।
অভিশাপ দিচ্ছি
স্নেহের কাঙ্গাল হয়ে ওরা
ঘুরবে ক্ষ্যাপার মতো এপাড়া ওপাড়া,
নিজেরি সন্তান
প্রখর ফিরিয়ে নেবে মুখ, পারবে না
চিনতে কখনো;



অভিশাপ দিলাম পাকি সরকারের ভুল বার্তায়। তারা কবে সভ্য হবে!!
======================================

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিশাপ দিচ্ছি।

---------------------------------------------
আমারব্লগ Member-মুনসুর সজিব™
▌││ │▌▌▌▌ ││▌||▌▌||▌▌®
19881712066021718891198


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার দেশ পাকিস্তান, এই দেশটি কোনদিন সৃষ্টি ও সুষমার জন্য আদর্শ নয়, শিল্প আর সৌন্দর্যের বুক ফাঁড়া লাশ পড়ে থাকে পাকিস্তানের অলিতে গলিতে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় - পাকিস্তান সেই দেশ,যেখানে হিন্দুয়ানির অভিযোগে রবীন্দ্রনাথের গান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যাই হোক, বাংলা ভাষাকে গ্রাহ্য না করে তার দেশ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা বানাতে চেয়েছিল।




সবটুকুই অসাধারন-ছাগুদের বুকে ও পিঠে লাথি মারার ডকুমেন্ট

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম।


পোষ্টে Star Star Star Star Star

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মোহতারেমা বেগম হিনা রাব্বানি বা তার এদেশীয় কোন বাংপাকি ভাবশিষ্য যদি আসলেই মনে করেন যে আমরা অতীত ভুলে যাব তা হবে না। কেন হবে না তার জন্য তারা ১৯৭১ সালের নিচের খবরগুলো সময় করে পড়ে দেখতে পারেন-


১৯৭১ এর জুন মাসের এই ছবি ও খবরসমগ্র রয়টার্স, এপি, এএফপি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে সংগৃহিত।


০৩/০৬/১৯৭১



০৫/০৬/১৯৭১




০৫/০৬/১৯৭১



০৯/০৬/১৯৭১



১০/০৬/১৯৭১



১৫/০৬/১৯৭১



২৬/০৬/১৯৭১



৩০/০৬/১৯৭১


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৭১ এর জুলাই, আগষ্ট, অক্টোবর মাসের এই ছবি ও খবরসমগ্র রয়টার্স, এপি, এএফপি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে সংগৃহিত।

২৬/০৭/১৯৭১



০২/০৮/১৯৭১



১৪/০৮/১৯৭১



১৭/০৮/১৯৭১



৩১/০৮/১৯৭১



০৬/১০/১৯৭১


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতীত ভোলা সম্ভব তবে মুক্তিযুদ্ধকে কিভাবে ভুলবো?? এ যে আমার শুধু অতীত নয়,বর্তমান ভবিষ্যত সব। জানিনা বাপ দাদাদের উপর অত্যাচার করা সেইসব নরপশুদের কোনদিন ক্ষমা করতে পারবো কিনা। ভূলে যাওয়া তো অনেক দূরের বিষয়...অতীত ভোলা সম্ভব তবে মুক্তিযুদ্ধকে কিভাবে ভুলবো?? এ যে আমার শুধু অতীত নয়,বর্তমান ভবিষ্যত সব। জানিনা বাপ দাদাদের উপর অত্যাচার করা সেইসব নরপশুদের কোনদিন ক্ষমা করতে পারবো কিনা। ভূলে যাওয়া তো অনেক দূরের বিষয়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য, মন্তব্য করার জন্য। স্পেশাল ধন্যবাদ যাত্রী ভাইকে অসাধারণ সংযোজনগুলোর জন্য, তার জন্য দাঁড়িয়ে স্যালুট।

ইতিহাসের নিকৃষ্টতম পশুদের জন্য ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ম্যাডাম হিনা,
পাকিস্তানের জন্য শুধুই অভিশাপ আর অপেক্ষা ধ্বংসের,
@প্রীতম,
স্যালুট,স্যালুট,স্যালুট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হিনার মুখে মুতে দিলাম।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত আমিও।দুঃখিত ১৬ কোটি বাঙালী।আমরা এই অতীত ভুলতে অপারগ।এই অতীত কখনই ভুলার নয়।লাখ শহীদের পবিত্র রক্তকে আমরা অপমান করতে পারিনা।

আপনার কি সামুতে আইডি আছে?

glqxz9283 sfy39587p07