Skip to content

আজকের যত অপ্রিয় কিন্তু প্রয়োজনীয় বাণী

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১। বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে স্বয়ং শেখ মুজিব এই ফেরআউনি আওয়ামী লীগ দলটিকেও নিষিদ্ধ করেছিলো্।

প্রিয় দেশবাসী- আপনাদের প্রতি আমার এই আকুল আবেদন প্রথমে আপনারা আমার সালাম নেবেন আসসালামু আলাইকুম।

দেশবাসীর দৃষ্টিকে অন্য দিকে ফেরানোর জন্য এই বাংলার ফেরআউনি, আওয়ামী, বাকশালী, স্বৈরাচারী, দেশদ্রোহী, অগণতান্ত্রীক, তোষামোদ প্রিয়, অর্থ লোলুপ, দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণতকারী স্বার্থপর, মাদার ফাকার সরকার বিএনপি - র অন্যতম এই নেতাকেসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে হত্য-গুম করে চলছে। অথচ তারা শেখ মুজিবের স্বপ্নের বাংলার কথা বলে, তাহলে দেশবাসী ধরে নিচ্ছে যে, এই ধরনের রাষ্ট্র কায়েম করার জন্যই শেখ মুজিব চেয়েছে। তাই আমরা শেখ মুজিবের এই ধরনের স্বপ্নের বাংলা চাই না। আর একটা বিষয় সবার মনে রাখা দরকার স্বয়ং শেখ মুজিবও ছিলেন একজন স্বৈরাচারী। ইতিহাসের পাতা উল্টান তাহলে দেখতে পাবেন ১৯৭৩ সালে শেখ মুজিব সকল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশালী সরকার কায়েম করেছিল। বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে স্বয়ং শেখ মুজিব এই ফেরআউনি আওয়ামী লীগ দলটিকেও নিষিদ্ধ করেছিলো্। পরবর্তীতে দেশ প্রেমিক বাংলার জনমানুষের বন্ধু বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক জননেতা জনাব মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রকে এই বাংলাদেশে জন্ম দিয়েছেন। বাংলা থেকে বিতাড়িত শয়তান শেখ হাসিনাকে সংশোধনের আশায় আবার দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন এইবার বুঝি তাদের স্বৈরাচারী ফেরআউনি মনোভাবের পরিবর্তন হবে। কিন্তু বিধির সেই পরিচিত খেলা কুকুরের লেজ সব সময় বাকাই থাকে। তাই শেখ হাসনাদের চরিত্র আর পরিবর্তন হলো না। তারা ফেরআউনই থেকে গেলো। এখন এই দেশের আপামর জনসাধারণের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো এই জালিম অত্যাচারী ফেরআউনি স্বৈরাচারী অগণতান্ত্রীক সরকারকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করা।

আর আপনারা সবাই আমার এই লেখাটাকে লাইক ও শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন। জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য সকল দেশ প্রেমিক জননেতাগণকে আমার সালাম । আপনাদের সবাইকেও আমার সালাম। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আপনারা আমার এই বাণী সবার মাঝে শেয়ার করে দিন। আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রীক ইসলামী মুল্যবোধের এই জোটকে আপনারা আবার ক্ষমতায় আনবেন, এই প্রত্যাশায় আজকের মতো এইখানে বিদায় নিচ্ছে। যদি আমার কলম আর না চলে বা আমার দেখা আর না পান তাহলে আপনারা সবাই আমার মতো হয়ে যাবেন। এই আমার প্রত্যাশা।

২। আমাদের বর্তমান এই বাকশালী ফেরআউনি আওয়ামী লীগের সরকার বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী সংগঠন। তাই আসুন এই সরকারকে প্রতিহত করি। দেশকে এই আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস মুক্ত করি

৩। সন্ত্রাস, দূর্নীতি, রাহাজানি, বাকশাল, মানুষ হত্যা, গুম, পরে অন্যের উপর দোষারোপ, শেখ হাসিনা, শেখ মুজিব এই শব্দগুলো যেন এ্কই মুদ্রার এই পিঠ আর ঐ পিঠ।

৪। ইনশাল্লাহ আগামীতে বিএনপি আবারো দেশবাসীর দোয়ায় ক্ষমতায় আসবে। আর তখন আমার পরামর্শে জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের সব কয়টি বিভাগীয় শহরে ট্রাইবুনাল গঠন করবেন। যে ট্রাইবুনালের কাজ হবে এই ফেরআউনি আম্বা-হাম্বা, বাকশালী সরকারের প্রত্যেকটা কাজের চুল-চেরা বিচার করা। আর এই ফেরআউনি সরকারের যারা ফেরআউনি কর্মকান্ডে লিপ্ত তাদেরকে টুকরো টুকরো করে হাঙ্গরকে আর পাঙ্গাস মাছকে খাওয়ানো। এই সরকারের যত অপকর্ম আছে আপনারা সবাই অনলাইনে সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে আমার কাছে একটা কপি জমা দেবেন। বিশেষ করে এই পেজে যারা জমা দেবেন তাদের গুলো আগে বিবেচনা করা হবে।

৫। এই ফেরআউনি আওয়ামী-হাম্বা-লীগ দেশের মানুষকে গুম-হত্যা করে চলেছে। এখন দেশের জনগণের কাজ হবে এই ফেরআউদেরকে যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করা। যার যেভাবে সামর্থ আছে সে সেইভাবে এদেরকে ধরে ধরে হত্যা করো। আরো একটা কারণ আছে এরা ২০০৬ সালে (সারা দেশে বিশেষ করে ঢাকা শহরের পল্টন ও তার আশ-পাশের সর্বত্র মানুষকে খুন করে ) লগি বৈঠার রাজনীতি করেই কিন্তু ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসেছিলো। এখন এক ইলিয়াছ আলী নিখোজের কারণে এই ফেরআউনদের ১০জনকে আপনারা দেশবাসী নিখোজ করুন। বিশেষ করে এদের উর্দ্ধতন ফেরআউনদেরকে।

৬। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা "র" ইসরাঈলের গোয়েন্দা সংস্থা "মোসাদ" আর আমাদের দেশের ফেরআউনি হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের যোগসাজসে এই ধরনের গুপ্ত হত্যা ও নিখোজের ঘটনা ঘটছে। তাই সাবধান এরা আমাদের এই প্রিয় দেশটাকে ভারতের গোলাম রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাচ্ছে। আর এই আওয়ামীলীগরাই হলৌ বাংলাদেশের সর্বশেষ "মির্জাফর"। তাই আসুন এদেরকে জুতা পেটা করে বিতাড়িত করি।

৭। বিএনপি সহ সকল জাতীয়তাবাদী শক্তি আগামীতে হরতালসহ আর যেসব কর্মসূচী অলিখিতভাবে পালন করা উচিত হবে তাহলো এই ফেরআউনি যালিম সরকারের জেলা , উপজেলা, সাংগঠনিক পর্যায়ের নেতাদেরকে গুম করা। একেই সাথে কেন্দ্রীয় নেতা যারা আছে যেমন এমপি, মন্ত্রী, সরকারের লেজুড় বৃত্তি করে এমন লোক, এদেরকে গুম করা। এদেরকে যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করা। প্রত্যেকটা সাংগঠনিক পর্যায়ের সভাপতি , সেক্রেটারীকে হত্যা না হয় গুম করা।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেকদিন আগে তোর নানীরে রাস্তার লোম পড়া নেড়ী কুত্তা দিয়া চোদন খাওয়াইছিলাম। সেখান থেকে জন্ম হইল তো মায়ের। কুত্তা চোদনে জন্ম নেয়া তোর মায়েরও কেউ বিয়া করে না,কিন্তু কামনার আগুনে জ্বলে। তো কি আর করা । দেশী কুত্তা বা ছাগুরাও তোর মায়েরে বেল দেয় না। সবাই মিল্যা ফাকীস্তানী মর্খরের/মার্খরের( পাইক্যা ছাগু ) লগে। ১ টা মর্খর দিয়া তোর মায়ের জ্বালা মিটে না।কয়েকটা মর্খর তোর মায়েরে চুইদা তোরে জন্মাইছে। মানে তুই ছাগুমানবের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তোর জন্য কাঁঠাল পাতাই প্রযোজ্য

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খাঙ্কির ছাওয়াল এই পোস্ট কয়দিন আগেও দিছিলো। অন্য নামে। খুজতে গিয়া দেখি সংরক্ষিত দেখায়।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



লাইক

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

----------------------------------
© সমান্তরাল ®


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কান্ডারী ভাই আমি আপনার সাথে আছি। বেলের কাটা আপনেরে গালি দিছে এই জন্য বেকা ভাইরে কইষ্যা মাইনাস। Laughing out loud আমার সাথে দেখা হইলে বেকা ভাইয়ের খবর আছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা হা হা হা হা কান্ডারী শালা রে ফালাইয়া চোদা দরকার

glqxz9283 sfy39587p07