Skip to content

রক্তে ভেজা সেই বর্ষবরণের গল্প

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি





আজ থেকে ১১ বছর আগের কথা।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল। পয়লা বৈশাখ।
তখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি। টেলিভিশনের সামনে বসে দেখছিলাম রমনার বটমূলে আয়োজিত ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। এক শিল্পী তখন শুরু করেছেন কেবল ‘এ কি অপরুপ রুপে মা তোমায় হেরিনু পল্লীজননী’ এই গানটি তখনই প্রচণ্ড বোমার বিস্ফোরণ। সবাই হকচকিয়ে গেল। ক্যামেরার মুখ ঘুরে গেল উৎসের দিকে। ধোয়া আর মানুষের আত্মচিৎকার। একটু পরই দৃশ্যপট পরিষ্কার হতেই দেখা গেল মানুষের ক্ষতবিক্ষত দেহ।




See video




বোমা হামলায় সাথে সাথে মারা যান ৭ জন। পরে আরও ৩ জন।

১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানট রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। কিন্তু ২০০১ সালে বাঙ্গালি বর্ষবরণ করল রক্তাক্তভাবে। মনে পরে রিয়াজ, শিল্পী ও মামুন পরস্পর আপন চাচাত ভাই-বোনের কথা? রিয়াজ আর মামুন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। শিল্পী চলে যান কোমায়। গোটা দেশ তার জন্য প্রাথনা করে। কিন্তু সবাইকে কষ্ট দিয়ে তিনি চলে যান ওপারে।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিঃ মিঃ উত্তর-পশ্চিমে কাছিপাড়া গ্রামের প্রতিটি মানুষের চোখের পাতা ভেঁজে বৈশাখ এলেই। নারকীয় ঐ ট্রাজেডির কথা ভুলতে পারেন না তারা। গ্রামের তিন সহোদর কাশেম গাজী, হাসেম গাজী আর সামসুল হক গাজীর পরিবারের সবাই এখনও শোকে পাথর। কাশেম গাজীর কলেজপড়ুয়া মেধাবি ছেলে আল-মামুন, সামসুল হক গাজীর কলেজ পড়ুয়া ছেলে রিয়াজুল আর হাসেম গাজীর মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ওরফে শিল্পী ঢাকায় গিয়েছিল তাদের আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় বেড়াতে। ২০০১ সালের পয়লা বৈশাখ রমনা বটমুলে গিয়ে অকাল মৃত্যুর শিকার হয় ৩ ভাই-বোন । ঐ ঘটনায় এরা ৩ ভাই-বোনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও শতাধিক। এ অকাল মৃত্যু শুধু তাদের পরিবারকেই কাঁদায়নি, কাঁদিয়েছে এলাকাবাসিকেও। তাদের কান্নার রোল এখনও থামেনি। উপরন্তু, বৈশাখ এলেই এদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে সেই দুঃসহ স্মৃতি উতলে ওঠে আর ভাসেন চোখের জলে।
সাত সন্তানের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠা শিল্পীর মৃত্যুতে নির্বাক বাবা হাসেম গাজীর প্রশ্ন
’ শিল্পীকে কারা কি জন্য হত্যা করলো তা আজও বুঝলাম না। আমরা কি এর বিচার পাব না ? শিল্পি হত্যার বিচার পাইলেও একটু শান্তি পাইতাম।
’ ওর মৃত্যুর পর মা সুজা বেগম কাঁদতে কাঁদতে ২০০৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
‘মুই ওরে কোন সভা-সমাবেশে যাইতে মানা করছি তয় হে মোর কতা হোনে নাই। ‘মোর পোলাডা ভাল ছাত্র আছিল। ও ভবিষ্যতে আর্মি অফিসার অইতে চাইছিল তয় মোর সব আশা-ভরশা এহন কবরে ঘুমাইয়া আছে। ‘মুই তো মোর স্বপ্ন নয় বছর আগেই এইহানে কবর দিছি’
- ছেলে আল-মামুনের কবর দেখিয়ে বাবা কাশেম গাজী কান্না জড়িত কন্ঠে বললেন।
কোন সরকারও মোগো কোন খবর লয় নাই। মোরা কেমন আছি কেউ আইয়া জানতেও চায় নাই। মোর সোনা মনিরে ক্যারা মারছে মোরা হেগো বিচার চাই,
মামুনের মা নুর জাহানের আকুতি।

( সূত্রঃ আমাদের বরিশাল )

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ছাত্রী মৌমিতা চৌধুরীর কথা মনে আছে বোমা হামলাতে যার ২ পা কেটে ফেলতে হয়?

এরপর গোপালগঞ্জে গির্জা, নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিস তাণ্ডব চলতেই থাকে। তারপরই ক্ষমতার পট পরিবর্তন হয়। ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে ধ্বনিত হয় আমরা সবাই তালেবান বাংলা হবে আফগান। পিশাচদের হামলা চলতেই থাকে। ২০০২ সালের ৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ৪ টি সিনেমা হলে বোমাবর্ষণের সাথে তো শাহরিয়ার কবির আর মুন্তাসির মামুনকে জোরানোর জন্য অকথ্য নির্যাতন চালায় মৌলবাদী সরকার। তারপরই বাংলা ভাইয়ের উত্থান প্রশাসনের ছত্রছায়াতে। তারপরের কাহিনী আর নাই বা বললাম।


যশোরে উদীচীর জাতীয় সম্মেলন ও রাজধানী ঢাকায় পল্টনে সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা হামলার রেষ কাটতে না কাটতেই এই হামলা। এ হামলা কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। এই আক্রমণ বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে, বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে।


নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।

ছয় জন তদন্ত কর্মকর্তার হাত ঘুরে ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক আবু হেনা মো. ইউসুফ ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন। আসামিদের মধ্যে আট জন কারাগারে ও একজন জামিনে রয়েছেন। বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।

আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা সাব্বির, আরিফ হাসান সুমন, শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ও হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া। জামিনে রয়েছেন মাওলানা আকবর হোসেন।

পলাতক পাঁচ আসামি হলেন- মাওলানা মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আবু বকর, মুফতি শফিকুর রহমান, ও মুফতি আবদুল হাই।

রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ১১ বছর পূর্ণ হতে চললেও বার বার পিছিয়ে যাওয়ায় শেষ হচ্ছে না এ মামলার বিচার।

( সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম )

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মামলাটি ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। সে আদালতে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মাত্র ১৩৫ কার্যদিবসে ৮০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

কিন্তু আইনের বাধ্যবাধকতার কারণে মামলাটি দ্রুত বিচার থেকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসার পরই মূলত এর বিচারের গতি ফের মন্থর হয়ে পড়ে।

গত ২ বছরে ঢাকার ২য় মহানগর দায়রা জজ আদালতে মাত্র ২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম জাহিদুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ২ বছরের মধ্যে প্রায় ১ বছরই ২য় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক ছিলেন না। অবশিষ্ট সময় বিচারক আদালতে থাকলেও সাক্ষীদের না পাওয়ায় বিচার বিলম্বিত হয়েছে।

তবে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আব্দুল্লাহ আবু বাংলানিউজকে বলেন, ‘মামলা প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আগামী ১৬ এপ্রিল মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য আছে। ওই দিন দুই তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। আশা করি, আগামী ২/৩ মাসের মধ্যেই মামলাটি শেষ করতে পারবো।’

অন্যদিকে এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলাটির অবস্থা আরো নাজুক। ২০০৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলাটি ঢাকার তিন নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ও বিস্ফোরক মামলাটি এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

তিন নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হত্যা মামলার বিচার শুরু হলেও এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২টি মামলা একই আদালতে পাঠানোর জন্য সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠান।

কিন্তু এ পর্যন্ত রোজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এ কারণে মহানগর দায়রা জজ থেকে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করার পরও মামলাটি থমকে আছে। নতুন করে এর বিচার শুরু করা যায়নি।

২০১০ সালের ২৪ মে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচার শেষ করার জন্য পাঠানো হয়। ওই আদালতে ১ বছরেও কোন সাক্ষী না আসায় গত বছর ৮ আগস্ট বিচারক বেগম চমন চৌধুরী এক আদেশে বলেন, ‘মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাক্ষীদের প্রতি একাধিকবার অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা সত্ত্বেও প্রসিকিউশন এ মামলার সাক্ষীদের উপস্থিত করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় মামলাটির নিষ্পত্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭১(২) ধারামতে, পুলিশের দায়িত্ব সাক্ষী আদালতে হাজির করা। সাক্ষীদের বিরুদ্ধে সমন ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেওয়ার পর পুলিশ সে দায়িত্ব পালন করেনি। এ অবস্থায় সাক্ষীর অভাবে মামলার ক্ষতি হলে পুলিশ কর্তৃপক্ষকেই এর দায়ভার নিতে হবে।

এরপরই গত ৪ সেপ্টেম্বর ২ জন সাক্ষী হাজির করেন পুলিশ। এদের একজনের সাক্ষী ওইদিন এবং অপর জনের সাক্ষী ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রহণ করেন আদালত।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরের পর গত সাত মাসে আর কোন সাক্ষী আনতে ব্যর্থ হয় প্রসিকিউশন।

( সূত্রঃ বাংলা নিউজ)

এক আসামিকে হাজির করতে না পারায় এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বৃহস্পতিবার আবার পিছিয়েছে।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষের দুই সাক্ষী আদালতে হাজির হলেও মাওলানা সাব্বির নামের এক আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষ্যগ্রহণ ফের পিছিয়ে দেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। আগামী ১৬ এপ্রিল এ মামরার সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন দিন রেখেছেন তিনি।

এ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জাহিদ সরদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, অন্য একটি মামলার শুনানির জন্য সাব্বিরকে চট্টগ্রামে নেওয়ার কারণে তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করা যায়নি।

বৃহস্পতিবার এ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির ছিলেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন এবং সিআইডির সাবেক সহকারী সুপার আখতারুজ্জামান ।

( সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম )


এদিকে এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের বিচার না হলেও বিগত সরকার এ হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের পুরস্কৃত করেছে। এদের একজন পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বেজকী গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে মিজানুর রহমান স্বাধীন। ২০০৬ সালে পুলিশের পিএসআই (শিক্ষাণবিশ দারোগা) হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে স্বাধীন ২০০১ সালে ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দি কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের একজন ক্যাডার ছিল এবং মাতুয়াইল এলাকার একটি মসজিদের ইমাম মতিউর রহমান ছিলো তার চাচাত ভাই। ঐ ইমাম বোমা তৈরিতে ছিল সিদ্ধহস্ত । রমনা বটমুলে বোমা বহনের সময় স্বাধীনের অপর চাচাত ভাই জসিম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পুলিশ ঐ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে স্বাধীনকে গ্রেফতারও করে। কিন্তু দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে চাকরি নেয় পুলিশে।


( সূত্রঃ The Daily Star Sat. April 22, 2006 এবং আমাদের বরিশাল )


একটাই প্রশ্ন কবে হবে এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিচার?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্টিকি করা হোক

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ প্রীতমদা

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সাংবিধানিক ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়,যে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে দাড়ালে গালী খেতে হয়,হত্যার হুমকী পেতে হয়, সেইদেশে বেশি আশা করা মানেই লজ্জায় অবনত হওয়া।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad Sad Sad Sad Sad

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিভা

অতএব- মেরুদণ্ডহীন হবার চেয়ে মৃত্যু ভালো।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতএব- মেরুদণ্ডহীন হবার চেয়ে মৃত্যু ভালো।



সহমত

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটাই প্রশ্ন কবে হবে এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিচার?


Sad Sad Sad

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কে বলবে?

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

''বিচারের বাণী নিরবে নিভি'তে কাদে''


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Stare Stare Stare

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের দক্ষ গোয়েন্দা বিভাগ খালি তদন্তের উন্নতি করে ----- তদন্ত করে কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনা -


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটা অগো’র স্বভাব।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে

glqxz9283 sfy39587p07