Skip to content

আ ডিসগাস্টিং কেস অফ বুয়েটিয়ান পোলাপাইনজ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক) বুয়েটের পোলাপানের নাক ঊঁচা স্বভাব নিয়ে উচ্চমাত্রায় সমালোচনা হয় এটা প্রতিষ্টিত সত্য। এবং এই সমালোচনা যারা করেন তাদের নিয়ে কোন কথা বলতে চাইনা, শুধু একটা কথা ছাড়া। কথাটা হল, বুয়েট এ ভর্তির চান্স পেলে তারা কেউই এই সুযোগ ছাড়তেন না। কিংবা,নিজের ভাই-বোনকে উতসাহ দেয়ার সময় কেউই তারা বলেন না যে বুয়েট এ ভর্তি হবার টার্গেট রেখোনা। এইবার একটা পয়েন্ট এ চলে এসেছি। আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন, এই যে আইছে বুয়েটের আরেক অর্বাচীন বালখিল্যতা করতে!!তাইনা!! না জনাব/জনাবা। বুয়েটিয়ানদের এই নাক উঁচা স্বভাব নিয়ে অনেক বুয়েটিয়ানরাও নিজেদের সমালোচনা করেন। আর এখানেই সমাপ্ত নয়। নাক উঁচা ভাবের ও আবার রকম্ফের আছে। এই যেমন ধরেন সিএসই কিংবা ইলেক্ট্রিকাল এ পড়া পোলাপানরা এমএমই কিংবা ইউ আর পি তে পড়া পোলাপানের সাথে কিঞ্চিত নাক উঁচা ভাব দেখায়। ট্রুলি স্পিকিং এই জিনিষটা ভাল না। এইটা আমরা সবাই জানি। এর সমালোচনা করা উচিত। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা উচিত, সমালোচনা করা আর আঙ্গুর ফল টক বলে আঙ্গুর ফলের দুর্নাম করা এক কথা নয়।
যাউজ্ঞগা বাঙ্গালী একটি সুশীল জাতি, তার উপ্রে মডারেট মুসলমান জাতি (মডারেট মুসলমানের ব্যাখ্যায় পড়ে আসব। আমারে এখনই মালাউন বইল্যা গাইল দিয়েন না। এইটার ব্যাখ্যা পরে হিযুবুত তাহরীরের সাথে বুয়েটিয়ান পোলাপাইনের সম্পর্ক বিশ্লেষণে গিয়া কমু নে। )। এদের সুহসীলতা নিয়ে কুসচেন তোলাটা খুবই রিস্কি কাজ।

সরি অফটপিকে চলে গেছিলাম। টপিকে আসি আবার। কইতেছিলাম বুয়েটিয়ানদের নাক উঁচা ভাব নিয়া সমালোচনাকারীদের কথা। বুয়েতিয়ানরা ও যে নিজেদের এই স্বভাব নিয়ে সমালোচনা করে সেটা তো বলছি। এই রকম কয়েকজন আছেন আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট এ। মাঝে মাঝেই তারা বুয়েটিয়ানদের নাক উঁচা স্বভাব, বালখিল্যতা নিয়া ফাল পারেন। তারা বুয়েটের পোলাপান্দের এই স্বভাবের অবসান চান। বুয়েট নিয়া গর্বিত হওয়াটাকে তারা, একাদশ মাত্রার অপরাধ বলে গণ্য করেন। তাদের সাধুবাদ জানাই। কিন্তু তারা মাঝে মাঝে ফেসবুক এ কিছু কিছু স্ট্যাটাস দেন, যেগুলো পড়ে বড়ই মজা লাগে।
এসব স্ট্যাটাসের মধ্যে রয়েছে,
"অমুক স্যারের রেফারেন্স দিয়েছিলাম, স্কলারশিপটা নিসচিত হয়ে গেল"।
কিংবা "অমুক স্যার তমুক কোর্সে তমুক বইটা যে স্যার ঝেড়ে পড়িয়েছিলেন তার সুফল এখনো ভোগ করছি"।
কিংবা "রুয়েট কুয়েটের কিংবা শাবির পোলাপাইন কেন বেতন কম পায় সেইটা এখন বুঝতেছি। আরা আমাকে পিছায়া দিল। দুঃখে মইর‌্যা যাইতে ইচ্ছা হইতাছে"। (রুয়েট কুয়েট কিংবা অন্যান্য ভার্সিটির ভাই বোনেরা আমার উপ্রে এখনই খেইপেন না প্লিজ। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করি মেধাবীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুব বর একটা বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারেনা। যারা আমার মত গাধা তারা বুয়েট এ পড়লেও আকাইম্যা হয়েই থাকবে। আমি সেই গোত্রেরই একজন মানুষ।)

খ)আপনি ভাবতেছেন, অন জেনারেল বুয়েটিয়ানরা নাক উঁচা স্বভাবের। আর ঘুষ খাওয়া তো এদের নরমাল কাজ তাই না?? অবশ্যই। এতে আমার কোন দ্বিমত নাই। দ্বিমত থাকলে নিচের পোষ্ট টা তে গিয়া একটু জানাইয়া আইসেন।

তাই বলে সকল বুয়েটিয়ানদের এমন নির্লজ্জ হারামী দলীয় চাটুকার ভাববেন না যেন।অনেকেই আছেন উন্নত স্বাভাবের। তারা বুয়েটের ছাত্রদের আজাইর‌্যা কাজকর্ম সম্পর্কে খুবই সচেতন। শিক্ষকদের ইগোর আন্দোলনে ছাত্রদের বিনা কারণে জড়িয়ে পড়াটা তাদের খুবই চোখে বাজে। কিন্তু বুয়েট এ কোন ছাত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেলে তারা মনে করেন সেটার বিচার আল্টিমেটলি কোর্টেই হওয়া উচিত। সেটা সম্পর্কে মন্তব্য করাটা আসলেই খুবই কঠিন। কারণ ওই সময়ে যারা আন্দোলনে জড়িত ছিল বা আন্দোলনের প্রতক্ষ্যদর্শী ছিল তারা সবাই ভিন্ন গ্রহে গবেষণা করতে গেছে। তাদের কাছ ত্থেকে কোন কিছু জানারই আর উপায় নেই।
আর তাছাড়া এই বিচার হবে কোর্ট এ। এখন আপ্নে চিন্তা করেন আমেরিকাতে এইরকম কেউ একজন মারা গেলে কি হবে?? অবশ্যই সেই বিচার কোর্টে হবে। এখন আপ্নে যদি জিগান বাংলাদেশের কনটেক্সট আর আম্রিকার কন্টেক্সট এক কিনা?? আমি কইমু, আপ্নে কোঙ্খানের আবাল আইছেন যে বুঝেন না, বাংলাদেশের অন্য জায়গায় যাই হোক, বুয়েটের কন্টেক্সট আর আমেরিকার কন্টেক্সট এক। বুয়েটে প্রতিষ্ঠান কখনো, কোন রাজনৈতিক দলকে পৃষ্ঠপোষোকতা করেনা। অনেকে আবাল বুয়েটিয়ান এই যুক্তির বিরোধিতা করতে পারে।

তারা উদাহরণ দেখাতে পারেন------
১)বুয়েটের ক্যান্টিন এ ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান ফাউ খায়, চাঁদাবাজী করে। এই জন্য কিছু দিন এক হলের ক্যান্টিন ও কিছু দিন বন্ধ ছিল। ক্যান্তিন বন্ধ থাকায় কিন্তু সাধারণ ছাত্রদের কোন অসুবিধা হয় নাই। কারণ এরা হইল বুয়েটের ছাত্র। কয়দিন পরে ঘুষ খাইব আর নাইলে বিদেশ যাইব। তখন তো ধুমায়া খাইব। এখন না হয় একটু কম খেয়েই থাকল।
২) পলাশীর মার্কেটে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান চাঁদাবাজী করে। এইটাও একটা অপপ্রচার। বিশ্বাস কইরেন না।
৩) বুয়েটে ক্ষমতার দখল নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান ছুরি চাকু নিয়ে মারামারি করে। এইটা ও বিশ্বাস কইরেন না। সবই জামাতীদের অপপ্রচার।
৪) ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতিকে নির্মম ভাবে ছুরিকাঘাত করে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানরা। এইটা বিশ্বাস কইরতে পারেন। কারণ ফুলের মত পবিত্র ভিসি তাকে হাস্পাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে বলেছিলেন দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু কোন ধরনের কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয় নাই। সো আপ্নে রা যদি কুসচেন করেন যী তাইলে বুয়েটের কন্টেক্সট আর আম্রিকার কন্টেক্সট এক হইল কেমনে, তাইলে আমি কমু আমার কাছে জবাবা নাই। এইটা বোঝার জন্য আপনাকে কামেল বুয়েটিয়ান হইতে হইব।

এই সংক্রান্ত ছবি কিংবা নিউজ ফেসবুক এ শেয়ার করলে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানরা যদি ডাইক্যা ঝাড়ি দেয় তাইলে ইগ্নোর করতে হবে। কারণ এইটা জামতী হিজু মোকাবেলার একটি অংশ।
৫) বুয়েটে এক পোলা তার গার্লফ্রেন্ড নিয়া বসে আছিল, এখন যদি ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান রা আইসা তাদের অযথা ডিস্টার্ব করে, উলটাপালটা ব্যাবহার করে তাহলে এইটা মোটেও ধর্তব্য না। কারণ ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানরা বুয়েট জামাত হিজু মুক্ত করার টার্গেটে কাজ করে। তাদের মনোরঞ্জনের বড়ই অভাব। তাদের মনোরঞ্জনের জন্য এসব করা কোন গোনার মধ্যে আনা যাবেনা।
৬) ক্ষমতাসীন দলের পোলা বুয়েটের নারী শিক্ষকের সাথে অশালীন ব্যাবহার করে। আপ্নে সেটাও গোনার মধ্যে ধরতে পারবেন না। কারণ ৫নং পয়েন্টের কারণ দেখুন।
৭) ক্ষমতাসীন দলের পোলা থার্টি ফার্স্ট নাইটে মোটর সাইকেল আরোহী কাপল কে থামিয়ে যৌন নির্যাতন করে। সেটাও গোনায় ধরা যাবেনা। কারণ এতে বুয়েটের কোন লিখিত আইনের সাথে সংশ্লিষ্টোতা খুঁজে পাবেন না। আর তাছাড়া বুয়েটের পোলাপান যে লুইচ্চা এইটা দীর্ঘকালের রীতি। তাই বলে তো আর আমরা রীতি নিয়ে পড়ে থাকতে পারি না। আমাদের কাগজে লিখিত আইন মানতে হবে।কারণ আইন বলে কথা। দেখেন না, বুয়েটের ভিসি কেমন সুন্দর সমস্ত আইন কানুন মেনে কাজ করে যাচ্ছেন।
৮) সিনিয়িরদের র‌্যাগ কনসার্ট এ সিনিয়িরদের জন্য একটা নির্ধারিত জায়গা থাকে। সেখানে এক ক্ষমতাসীন দলের পোলাকে প্রবেশ করতে না দেয়ার অপরাধে এক নিরীহ পোলার হাত পা ভেঙ্গে দেয়া হুয়। এইটা অবশ্যই গোনার মধ্যে পড়ে না। কারণ ক্ষমতাসীন দলের ওই পোলা জামাতি হিজুদের কর্মকান্ড মনিটর করার অন্যই ওইখানে যেতে চেয়েছিল যে পোলা তাকে ওইখানে ধুকতে দেয়নি তারে মাইর দেয়াটা খুবই ভাল কাজ হইছে।
সাধারণ ছাত্ররা সাথে সাথে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য প্রোভিসির কাছে আবেদন জানায়(সেই মূহুর্তে ভিসি উপস্থিত ছিলেন না)। তারপর ভিসি আসার পর ও কোন বিচার না করে টালবাহানা করা হয়। তখন সাধারণ ছাত্ররা লাগাতার আন্দোলন শুরু করে, যার ফলস্রুতিতে দুই জনকে বহিষ্কার করা হয়। এখন আপ্নে বলবেন, ভিসি প্রোভিসি মহান এজন্যই তো তারা ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিয়েছেন। আমি ও আপ্নের সাথে একমত।মাঝখান থেকে সাধারণ ছাত্ররা কয়েকদিন ঠিকমত না খেয়ে না ঘুমিয়ে আন্দোলন করেছে। এইটা অবশ্যই কোন ব্যাপার না। কারণ তারা আন্দোলন শেশ করেই ছাত্রীর বাসায় ছাত্রী পড়াইতে গিয়ে রিচার্জড হয়ে গেছে। আর তাছাড়া বুয়টের কন্টেক্সট আর আএরিকার কন্টেক্সট তো একই। সো দোষীদের তো বিচার হইতই।এইটা আর এমন কি, সো ছাত্রদের আন্দোলন করার কোন দরকার ছিল না।

ওই আন্দোলনের সামনের সারিতে যারা ছিলো তাদের টড়ান্সক্রিপ্ট আটকিয়ে রাখা হবে। তাই বলে ভিসি প্রভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা লাগবে নাকি!!! আজিব তো। এইটা এইন অনুযায়ী হইছে। সো এইখানে আন্দুলুন করার কিছু নাই।
এই আন্দোলনের সময়পুরা ক্যাম্পাস জুড়ে কয়েকশ দাঙ্গাপুলিশ,ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান জড়ো করে রাখা হবে। কারণ সাধারণ বুয়েটিয়ানরা খুবই হিংস্র। এদের থ্যাঙ্গানি দেয়া ছাড়া আর কোন ঔষধ নাই।েদের সাহস কম না, এরা অবস্থান ধর্মঘটের মত বিপজ্জনক কর্মসূচী পালন করে।
৯)ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানের হলের রুম এ বিছানার নিচে রামদা চাইনিজ কুড়াল পাওয়া যায়। এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো বলে ও শোনা যায়। এইটা মোটেও বিশ্বাস করার মত কোন ব্যাপার না। কারণ আগ্নেইয়াস্ত্র দিয়ে তো আর গুলি করে নাই। কিংবা রামদা, চাইনিজ কুরলা দিয়ে তো আর কারো গলা কাটে নাই। সো আপ্নে এটা কেমনে প্রমান করবেন যে ওইটা আসলেই আতঙ্ক জাগানিয়া অস্ত্র। আগে দুই একটা গুল্লি ফুটুক, এক দুইজনের কল্লা নামুক। তাইলে না প্রমাণ হইব। আর প্রমাণ ছাড়া কোন অভিযোগের যে বেইল নাই এইটা তো আর কইয়া দিতে হইব না আশা করি।
১০)ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানের রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়। সেটা অবশ্যই ভিসি করেন নাই। এইটা করেছে রেজিস্ট্রার। সো ভিসির পদত্যাগ করতে হবে কেন?? অবশ্যই রেজিস্ট্রার এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে হবে। কিন্তু সেই ব্যাবস্থা নেয়া হয় নাই। এর জন্য ভিসির কোন দোষ নাই। এর জন্য তার পদপ্ত্যাগ চাওয়া যাবেনা। কারণ তিনি ম্যরব্বী মানুষ। মানুষটা তিনি বড় ভালা। ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান জামাতি হিজু মোকাবেলা করতে গিয়া পড়াশোনা করার সময় পায় না। তাদের রেজাল্ট এর ক্ষেত্রে এইসব করা যায়ই। এইটা জায়েজ। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণে ভিসি ব্যার্থ হয়েছেন। তারপরও তাকে স্বপদে আসীন রাখতে হবে। কারণ কাগুজে আইন এ ভিসির কোন দায় নাই।
১১) বুয়েটের হল এ সিনিয়র জুনিয়রদের সম্পর্ক বরাবরই ঈর্ষনীয় ছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানের মদদে ০৮ ব্যাচের বিরুদ্ধে ০৯ ব্যাচকে যদি লেলিয়ে দেয়া হয় তাইলেও কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। কারণ এটা জামাতি হিজু মোকাবেলার একটি অংশ।
হলে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপান নষ্টামি করবে, অকারণে সিনিয়রদের সাথে বাজে ব্যাবহার কুরবে। কিন্তু তাতে কোন সমস্যা নাই। কারণ এটা জামাতি হিজু মোকাবেলার একটি অংশ।
১২) হলগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের পোলাপানরা টানা কয়েক মাস ধরে মেস ম্যানেজার হবে। সেখান থেকে কিছু টাকা নিয়ে তারা একটা মোটর সাইকেল কিনবে কংবা নতুন ল্যাপ্তপ কিনবে। এটা আর এমন কি। এটা হল জামাতি হিজু মোকাবেলার পুরষ্কার।
১৩) হলগুলোতে সিট বানীজ্য করার পায়তারা করা হবে। ভিসি মহোদয় সিরাম দেখে শিক্ষককে হলের প্রোভোস্ট বানাবেন। এটা মোটেও ধর্তব্যের বিষয় না। কারণ এতে কোন ধরনের আইনের লংঘন হয় না।

সব কথার মুল কথা হল এই আন্ডুলুঙ্কারীরা একেকটা ছাগল। এরা ইউকসু সচল করার দাবীতে আন্দোলন না জানিয়ে, ভিসি প্রভিসির পদত্যাগের দাবীতে হালুয়া রুতির ভাগের জন্য আন্দোলনে হাত মেলায়। অতএব এদেরকে এখনি উচিত পুটকিতে বাঁশ ঢুকিয়ে পলাশীর মোড়ে ঝুলিয়ে দেয়া। যাতে এরা জীবনে আর এরকম না করতে পারে।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরি টু সে

আপনি যদি লামা আনিসুল হকের কমেনট পড়ার পরে এবং বুয়েটিয়ানদের ওয়ালে সে কপি পেসট দেইকা বুয়েটিয়ানদের নিয়া আর কোন আশা ভরসা পাইতেসিনা-

আন্ডুলন হালুয়া রুটির আনডুলন মাইনা নিয়া করলে আমার কোন অসুবিধা নাই তবে আমরা হলিয়ার দেন দাউ আর হেরা খারাপ এ বেসিসে আন্ডুলন করলে আন্ডারওয়ার খুলে বাশ ঢুকাইয়া পলাশীর মোড়ে খাড়া করাইয়া দেয়া যুক্তি সন্গত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আন্ডুলন হালুয়া রুটির আনডুলন মাইনা নিয়া করলে আমার কোন অসুবিধা নাই তবে আমরা হলিয়ার দেন দাউ আর হেরা খারাপ এ বেসিসে আন্ডুলন করলে আন্ডারওয়ার খুলে বাশ ঢুকাইয়া পলাশীর মোড়ে খাড়া করাইয়া দেয়া যুক্তি সন্গত!


পার্সোনালি এই থিঙ্ক আই এম হলিয়ার দেন দাউ ভেবে কেউ আন্দোলন করতেছেনা।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক কাম করেন সরকারের কাছে আবেদন করেন বুয়েটের সকল গাছ পালা থেকে শুরু করে সবাই কে ইস্পিশাল "ভি ভি আই পি হিসাবে নিবন্ধনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেন।


সনি জানি কবে মরছে!!!

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নাহহহ। বুয়েট এ যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের সকলকে ভিভি আই পি মর্যাদা দেবার দাবী জানাই। সেই সাথে ক্ষমতাসীন দলের বহিরাগতদের কে ও ভি ভি আই পি সম্মাননা দেবার আহবান জানাই।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এবং এই সমালোচনা যারা করেন তাদের নিয়ে কোন কথা বলতে চাইনা, শুধু একটা কথা ছাড়া। কথাটা হল, বুয়েট এ ভর্তির চান্স পেলে তারা কেউই এই সুযোগ ছাড়তেন না।



এই ধরণের মনোভাব নিয়ে আপনি আসলে বুয়েটের ইমেজ নষ্ট করতেছেন না ক্লিন করতেছেন ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।



সমালোচনা করা আর আঙ্গুর ফল টক বলে আঙ্গুর ফলের দুর্নাম করা এক কথা নয়।


কোনটা সমালোচনা আর কোনটা "আঙ্গুর ফল টক" সে ব্যাপারে প্রচলিত নর্মগুলা একটু বলবেন কাইন্ডলি ?

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ধরণের মনোভাব নিয়ে আপনি আসলে বুয়েটের ইমেজ নষ্ট করতেছেন না ক্লিন করতেছেন ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।


ভেবে চিন্তেই বলেছি। ফেসবুক এ দুই চারজনের কমেন্ট দেইখ্যাই সকলে বুয়েটিয়ান দের নাক উঁচা ভাব নিয়া সমালোভনা করে।

বুয়েটিয়ান হবার কারণে বিদ্বেষের স্বীকার হবার সরাসরি অভিজ্ঞতা থেকেই আমার উপলব্ধি। আপনি যদি ভাবেন যে আপ্নে বুয়েটিয়ান্দের জেনারালাইজড করেন না, তার মানে এই না যে সবাই করে না।

আর পোষ্টের টোন বুঝার চেষ্টা করার অনুরোধ রইল।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এবং এই সমালোচনা যারা করেন তাদের নিয়ে কোন কথা বলতে চাইনা, শুধু একটা কথা ছাড়া। কথাটা হল, বুয়েট এ ভর্তির চান্স পেলে তারা কেউই এই সুযোগ ছাড়তেন না।

সমালোচনা করা আর আঙ্গুর ফল টক বলে আঙ্গুর ফলের দুর্নাম করা এক কথা নয়।


ফেসবুকের "দুই/চারজনের" সাথে আপনার কথারও তো পার্থক্য পাচ্ছি না।

অট- কোনটা সমালোচনা আর কোনটা "আঙ্গুর ফল টক" সে ব্যাপারে প্রচলিত নর্মগুলা একটু বলবেন কাইন্ডলি ?

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানুষ ৮ প্রকার: ফালতু, ভুয়া, সৈয়দ, ডেকাসৈয়দ, হেক্টোসৈয়দ, কিলোসৈয়দ, সৈয়দপ্রতীক, সৈয়দশ্রেষ্ঠ

নিম্নলিখিত ক্রাইটেরিয়ায় মানুষকে এই ৮টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হবে:

১) আপনি কি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছিলেন?
উত্তর 'না' হলে আপনি ফালতু, 'হ্যাঁ' হলে কনটিনিউ।

২) আপনি কি বুয়েটে চান্স পেয়েছিলেন?
উত্তর 'না' হলে আপনি ভুয়া, 'হ্যাঁ' হলে কনটিনিউ।

৩) আপনি কি বুয়েটে ২/১ বিষয়ে ফেল করেছেন?
উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আপনি সৈয়দ; কিন্তু আপনার রেংক আর বাড়বে না। 'না' হলে কনটিনিউ।

৪) আপনার রেজাল্ট কি বি প্লাসের নিচে?
উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আপনি ডেকাসৈয়দ, রেংক আর ইমপ্রুভমেন্ট হবে না। উত্তর 'না' হলে কনটিনিউ।

৫) আপনার রেজাল্ট কি বি প্লাসের উপরে; কিন্তু অনার্স হয় নাই?
উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আপনি হেক্টোসৈয়দ, 'না' হলে কনটিনিউ।

৬) আপনার রেজাল্ট অনার্স; কিন্তু শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান নি?
উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আপনি কিলোসৈয়দ। শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলে কনটিনিউ।

৭) আপনি কি বুয়েটের লেকচারার বা সাধারণ শিক্ষক?
উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আপনাকে সৈয়দপ্রতীক মেডেল দেয়া হলো। 'না' হলে কনটিনিউ।

৮) আপনি কি বুয়েট শিক্ষক সমিতির নেতা, বুয়েট ভিসি বা অন্য কোনো সংগঠনের নেতা? মোটকথা আপনার কি বুয়েট বন্ধ করে দেয়ার বা বুয়েট বিক্রি করে দেয়ার ক্ষমতা আছে বলে আপনি মনে করেন?
আপনার উত্তর নিশ্চিতভাবেই 'হ্যাঁ', আপনাকে অভিনন্দন। আপনি মানুষ হিসেবে সৈয়দশ্রেষ্ঠ

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৈয়দপ্রতীক আর সৈয়দশ্রেষ্ঠ এর মাঝে সৈয়দউত্তম বলে একটা ক্যাটাগরি ছিল না?

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ব্লগে চোর, আপনি, মোল্লা সাব, ফারমার, আদিল ভাই, জগাই সহ আরো বেশ কজন বুয়েটিয়ান আছেন, সবাই স্বনামধন্য এবং জনপ্রিয় ব্লগার। তাঁদের কারো মধ্যে সেরকম কোন ইগো তো কখনো দেখলাম না। তাঁরা বুয়েটে পড়েছেন, এ জন্য জনপ্রিয় নন, জনপ্রিয় তাঁদের লেখনীর গুনে। তাঁদের প্রতি ননবুয়েটিয়ানরা ফালতু ঈর্ষা পোষন করেন এমনটা কখনো মনে হয় নি।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মন্তব্যের সাথে সহমত

------------------------------------------------
পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল মূর্খরা সব শোন
মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত @ চলনামৃত...

.
.
.
~ ~ ~ * * * মানবতাই হোক মানুষের ধর্ম * * * ~ ~ ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ চলনামৃত,আই এম স্যরি টু সে, ইউ হ্যাভ ল্যাক অফ কমন্সেন্স। পোষ্ট কি পুরাটা পড়েছেন নাকি খালি প্রথম প্যারা দেখেই মাথা গরম হয়ে গেছে?? পোষ্টের নিচে ক্যাটাগরী ট্যাগটা কি চোখে পড়ে না???

আপনি তো বুয়েটিয়ান নন। কিন্তু আপনি কয়বার আমার কাছ থেকে ঈর্ষান্বিত মন্তব্য পেয়েছেন বা আপনাকে হেয় করে কিছু বলেছি সেরকম পেয়েছেন???

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেকুব, হতে পারে "আই হ্যাভ ল্যাক অব কমনসেন্স" কিন্তু সেটা এই ক্ষেত্র মোটেই প্রযোজ্য নয়।

আপনি তো বুয়েটিয়ান নন। কিন্তু আপনি কয়বার আমার কাছ থেকে ঈর্ষান্বিত মন্তব্য পেয়েছেন বা আপনাকে হেয় করে কিছু বলেছি সেরকম পেয়েছেন???
সেটা পাইনি বলেই তো মন্তব্যে বলেছি-
এই ব্লগে চোর, আপনি, মোল্লা সাব, ফারমার, আদিল ভাই, জগাই সহ আরো বেশ কজন বুয়েটিয়ান আছেন, সবাই স্বনামধন্য এবং জনপ্রিয় ব্লগার। তাঁদের কারো মধ্যে সেরকম কোন ইগো তো কখনো দেখলাম না।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইউ হ্যাভ ল্যাক অফ কমন্সেন্স


কথাটা এই কারণে বলেছি কারণ বুয়েটিয়ান নন বুয়েটিয়ান সৈয়দ ভাব এইসব এই পোষ্টের মূল বিষয় নয়। পোষ্টের খ অংশ টুকু নিয়ে কারো কোন আলোচনা নাই কেন?? এই ব্লগের বুয়েটিয়ানরা লেখনী কারণে নাকি অন্য কারণে জনপ্রিয় সেটাও এই পোষ্টের আলোচনার বিষয় নয়। পোষ্টের খ) অংশটুকু নিয়ে সবাই নিসচুপ কেন???

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর বৈদেশে গিয়া থাকলে সেইটা সৈয়দত্বের কোন ক্যাটাগরীতে পড়ে সেই বিষয়ে একটু আলোকপাত কইরেন।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পইড়া বড়ই পুলকিত হইলাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুয়েটের ছাত্রদের নাক উঁচু ভাব নিয়ে অন্য সময় আলাপ করা যাবে। এই নাক উঁচু ভাব যে অন্যদের নেই, তা কিন্তু না। ঢাবির ছেলেদের দেখেছি অন্য সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে একই ধরণের মনোভাব পোষণ করতে। আবার ঢাবির মধ্যেই দেখা যাবে অর্থনীতির ছাত্ররা বাংলার ছাত্রদের তুলনায় নিজেদের উঁচুদরের ভাবে। অবশ্যই বুয়েট বা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই মনোভাব সার্বজনীন না এবং কম বেশি আছে।

আর বুয়েটে পড়ার সুযোগ পাওয়ায় পুলক অনুভব করা, ধরাকে সরা জ্ঞান করা বা অন্যদেরকে হেয় জ্ঞান করা, আর অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বুয়েট যে অনেক নীতিনিষ্ঠভাবে চলছে, এই বিষয়টা উল্লেখ করা তো এক না।

শেষ কথাটি বেকুব না, বেকুবের টার্গেট অডিয়েন্সকে উদ্দেশ্য করে লেখা।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বস, সৈয়দত্ব সব জায়গাতেই আছে। রেসিডেনশিয়ালে মর্নিং এর পোলাপাইন নিজেদের ডে শিফটের চাইতে বেটার ভাবত, আবার মর্নিং এর মধ্যেই ফজলুল হক হাইজের পোলাপাইন লালন হাউজরে গোণায়ই ধরত না। নটরডেমেও গ্রুপ ১ আর ৭ এর পোলাপাইন পার্ট নিয়া চলত। দ্য লিস্ট গৌজ অন।
কিন্তু কথা হচ্ছে বাই ডিফল্ট যেখানে ধরেই নিচ্ছি বুয়েটের ছাত্ররা দেশসেরা, তারা কেন চোরদার পোস্টে তথ্য উপাত্ত দিয়ে নিজেদের অবস্থানের স্বপক্ষে তর্ক করতেছে না ? মূল আলোচনাতেও যদি আঙ্গুরফল আঙ্গুরফল কয়া চিল্লায় তাইলে তো সমস্যা

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু কথা হচ্ছে বাই ডিফল্ট যেখানে ধরেই নিচ্ছি বুয়েটের ছাত্ররা দেশসেরা,


এটা আপনি ধরে নিছেন আপনার ব্যাপার। এট লিস্ট আমি এটা ধরে বসে নাই।

তারা কেন চোরদার পোস্টে তথ্য উপাত্ত দিয়ে নিজেদের অবস্থানের স্বপক্ষে তর্ক করতেছে না ?


তথ্য উপাত্ত না আসার পেছনের কারণ ওই পোষ্টে বলেছি। সেটা মনে হয় আপনার চোখে পড়েনি। আর এই পোষ্টে কি তথ্য উপাত্ত দেয়া হয় নি। সেইগুলো নিয়ে আলচনা করার বদলে খালি আঙ্গুর ফল টক নিয়ে আলোচনা করতেছেন কেন?? পোষ্টের খ) অংশটুকু কি চোখে পড়ছে না??

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোস্টের কোন অংশ আমি হাইলাইট করবো সেটা একান্তই আমার ব্যাপার তাই না ? আপনার বরং উচিত আপনার বলা প্রত্যেকটা পয়েন্ট ডিফেন্ড করার হ্যাডম রেখে তারপরে সেইটা বলা।

বাই দ্য ওয়ে, আপনাদের (মানে, কতিপয় অনলাইন বুয়েটিয়ানদের) যুক্তিবোধের যে অবস্থা দেখতেছি "আঙ্গুর ফল টক" কথাটা ছেড়েই দিলাম। আপনার আঙ্গুর গাছ আপনারই থাক

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোস্টের কোন অংশ আমি হাইলাইট করবো সেটা একান্তই আমার ব্যাপার তাই না ? আপনার বরং উচিত আপনার বলা প্রত্যেকটা পয়েন্ট ডিফেন্ড করার হ্যাডম রেখে তারপরে সেইটা বলা।


তা আর বলতে!!!!!!!!!!

বাই দ্য ওয়ে, আপনাদের (মানে, কতিপয় অনলাইন বুয়েটিয়ানদের) যুক্তিবোধের যে অবস্থা দেখতেছি "আঙ্গুর ফল টক" কথাটা ছেড়েই দিলাম। আপনার আঙ্গুর গাছ আপনারই থাক


যুক্তিবোধের তালগাছটা ও দিয়ে দিতেন সাথে। খালি আঙ্গুর গাছ দিলেন কেন??

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বুয়েট যে অনেক নীতিনিষ্ঠভাবে চলছে

এই 'অন্যান্য' শব্দটার ডোমেইনটা ঠিক কত বড় মোল্লা ভাই?সেই বিশ্ববদ্যালয়গুলোর নাম বলুন।বাংলাদেশে বুয়েট কি 'সবচেয়ে' নীতিনিষ্ঠভাবে চলছে?

আপনার এই মন্তব্যে সহনশীলতা এবং আত্মসমালোচনার সুর দেখে প্রীত হয়েছি,কিন্তু সরি টু সে,চোরের পোস্টে সরাসরি এবং ফেসবুক থেকে বুয়েটিয়ান পরিচয় দিয়ে কিছু উচ্চিংড়ের অসহনীয় বিরক্তিকর কাদা ছোড়াছুড়ির বিষয়ে আপনার নিরবতা দেখে হতাশ হয়েছি।ঢাবির অহংকারের কথা স্মৃতি থেকে বলে দিতে পারলেন,এখানে চোখের সামনে সো কলড বুয়েটিয়ানদের রীতিমত বাড়াবাড়ির নজির রয়েছে সে ব্যাপারেও কিছু বলবেন আশা করেছিলাম।যদিও আপনি ঠিক কোথায় মন্তব্য করবেন সেটা আপনার স্বাধীনতা,আমি বলার কেউ না।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় বলতে যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল-নীল-সাদা-হলুদসহ নানা বর্ণের দল আছে, দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে বা দলের শক্তির কারণে শিক্ষকরা আনুকুল্য পায়, সে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বুঝাচ্ছি। ঢাবি, জাবি, চবি, রাবি এর মধ্যে পড়ে। ঢাবিতে পরীক্ষায় নকলের গল্প, পরীক্ষার নম্বর জমা দেবার পর (নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে) অপরীক্ষিত খাতা উদ্ধার, শিক্ষকদের অনিয়মিত ক্লাস গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরিরত অবস্থায় অন্যত্র ফুলটাইম চাকরি করা (উদাহরণস্বরূপ, সিপিডির ইডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) এই সব সেখানকার ছাত্রদের কাছ থেকেই শোনা। শিক্ষক বন্ধুদের কাছে শুনেছি দল না করলে সেখানে অপাংক্তেয় ও অধিকার বঞ্চিত হয়ে থাকতে হয়। রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় বুয়েটের মতই চলত এক সময়, এখন রুয়েট চুয়েট, খুয়েট সেই ধারা বজায় রেখেছে কিনা জানি না।

আমি বলেছি বুয়েট 'অনেক' নীতিনিষ্ঠভাবে চলছ, 'সবচেয়ে' বলিনি। হতে পারে বুয়েটের থেকেও নীতিনিষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এখন তো দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়, সবগুলোর খোঁজ রাখা সম্ভব হয় না।

আমি ফেসবুক ব্যবহার করি না, সেখানে কী হচ্ছে জানি না, এমন কি ব্লগেও ফেসবুক থেকে দেওয়া মন্তব্য পড়ি না। তবে ব্লগে কিছু 'বুয়েটিয়ান'দের অর্বাচীনের মত মন্তব্য দেখেছি। ব্লগে যা এসেছে তার থেকেও ভয়াবহ উন্নাসিক, সংকীর্ণ মনোভাব আমি সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছি ছাত্র এবং শিক্ষক, উভয়ের মধ্যেই। বুয়েটের আন্দোলনের মধ্যে আমি এ নিয়ে লিখতে চাইনি। পরে হয়ত লিখব।

হয়ত লক্ষ্য করেছেন, বুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা দূর্নীতিবাজ, এই ধরনের মন্তব্যেরও ব্যাপারেও কিন্তু আমি নীরবতা পালন করেছি।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ মোল্লা ভাই,এই ক্লাসিফিকেশন এবং ক্ল্যারিফিকেশনটা দরকার ছিল।এইসব উচ্চিংড়ের দল যেভাবে 'অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়' বলে বলে সরলীকরণের চূড়ান্ত করে ফেলেছিল সেটা আপত্তিকর।

আপনার মন্তব্যের সাথে দ্বিমত নেই।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বলেছি বুয়েট 'অনেক' নীতিনিষ্ঠভাবে চলছ, 'সবচেয়ে' বলিনি। হতে পারে বুয়েটের থেকেও নীতিনিষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এখন তো দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়, সবগুলোর খোঁজ রাখা সম্ভব হয় না।


পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বুয়েট থেকেও বেশি নীতিনিষ্ঠ ভাবে চলছে এমন একটির উদাহরণ খুঁজে পাওয়াটা দুষ্কর হবে। তবে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলোকে এক্ষেত্রে আমি বিবেচনায় আনার মত মনে করছিনা।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুয়েটে পড়ার সুযোগ পেলে কেউ তা ছাড়বে না, এটা একটু বেশি বলা হয়ে গেল। অনেকেই বুয়েটে সুযোগ পাওয়ার চেষ্টাই করে না, মেডিকেল বা বিজ্ঞানের কোন বিষয় পড়ার ইচ্ছায়। আমার নিজের বোন বুয়েট পড়ার সুযোগ পেয়েও পড়েনি।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত। আমার পরিচিত বিজ্ঞান অনুষদের অনেক বন্ধুই আছেন যারা বুয়েটে চান্স পেয়েছেন কিন্তু পড়েননি। আর একটা কথা বললে বোধ হয় খুব বেশি বলা হবে না যে, অনেক বুয়েটিয়ান (যারা সাধারণত মেটারলজি, ওয়াটার কিঙবা মেধা তালিকায় পেছনে থাকার কারণে যেসব সাবজেক্ট পাওয়া যায়, সেগুলোতে পড়ে) তাদের মাথায় টিউশনি করানোটা একটা ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে।

------------------------------------------------
পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল মূর্খরা সব শোন
মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই সংখ্যাটা খুবই কম মনে হয়।আর যারা মেডিকেল লাইন এ পড়তে ইচ্ছুক তাদের কথা তো টোটালি আলাদা।কারন দুইটা ডিফারেন্ট স্ট্রিম।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad Sad Sad

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝতাছিনা।
লেবু তিতা হয়ে গেলো।
smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সম্ভবত আপনি বুয়েট নিয়ে আমাদের(আমাদের বলতে অবশ্যই এখানে সৈয়দদের কথা বুঝানো হয়েছে। আপ্নের মত নন সৈয়দ এইগুলা বুঝবেনা Wink Wink ) আবেগটুকু বুঝতে অক্ষম।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগটি লিখবার মূল উদ্দেশ্য ছিলো ক্ষমতাসীন দলের অপকর্মের রুট কজ এনালাইসিস করে আন্দোলনকে জাস্টিফাই করা, কিন্তু স্বভাবতই আলোচন সম্পুর্ণ ভিন্ন দিকে চলে গিয়েছে, দুঃখজনক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি এটাকে দুঃখজনক ভাবছেন। কিন্তু এটাই প্রত্যাশিত। বুয়েটিয়ানদের সৈয়দত্ব নিইয়ে সকলের মাথা ব্যাথা করে। কিন্তু অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তুলনায় বুয়েট মোটামোটী কম রাজনৈতিক প্রভাবাধীন হয়ে চলে এটা মেনে নিতে অনেকেরই আপত্তি আছে। ক্ষমতাসীনদের অপকর্ম গুলো নিয়ে কথা বলতে তাদের মুখ ব্যাথা করে।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা বাংলাদেশের জন্যে দূর্ভাগ্য। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলের ছাত্র সংগঠন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তান্ডব চালায় যা বাংলাদেশের জন্যে নতুন নয়। আজকে বুয়েটে ছাত্রলীগ যা করছে, অতীতে পূর্বাপর ক্ষমতাশীল ছাত্র সংগঠন তাই করেছে। সুতারাং বুয়েটের ছাত্র-ছাত্রীদের উচিত রাজনীতি বন্ধের আন্দোলন করা অথবা স্পেসিফিক অমুক দল বা অমুক নেতা বা অমুক ছাত্র এই অন্যায় করেছে তা নিয়ে আন্দোলন করা।

রেজাল্ট নিয়ে কারচুপি হলে আন্দোলন করা উচিত যে ছাত্রীকে অনুমতি দেয়া হয়নি তাকে তা দেয়ার জন্য। অথবা যে দুজন ছাত্রকে অন্যায় অনুমতি দিয়েছে তা প্রত্যাহার করার জন্য। কিন্তু সরাসরি ভিসি-প্রভিসির পদত্যাগ আন্দোলনে যোগ দেয়াটাই ম্যাঙ্গো-পিপলকে ভূল ম্যাসাজ দিচ্ছে। শিক্ষকদের হালুয়া-রুটির আন্দোলনে যোগ দেয়াতেই এতো সমালোচনা। কারণ এটা অলরেডী পোক্ত হয়েছে যে, শিক্ষকদের আন্দোলন হালুয়া-রুটির জন্য ছাড়া আর কিছু নয়।

**********************************************
ধর্ম যবে শঙ্খ রবে করিবে আহবান, নিরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিও প্রাণ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সকল মহাপন্ডিতদের দেখা হয়ে গেল। সৈয়দত্বের টাইপ নিয়ে সবাই চিন্তিত। কিন্তু পোষ্টে যে আরো কিছু বক্তব্য আছে সেটা কারো চোখে পড়ল না। আর পোষ্টের নিচের দিকের যে ক্যাটাগরী নামে একটা ফিল্ড থাকে সেটা তো আরো চোখে পড়ে না। বালছাল।

মোল্লা ভাই, এই কমেন্টের যাদের উদ্দ্যেশ্যে করা হয়েছে তাদের মধ্যে আপনি নেই।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাইরে এইখানে এত কুতুবের ভিতরে কথা কইতেই ডর লাগতাছে। আমি বুয়েট বা ঢাবি না। আমার কি হবে। এ জেবন তো পুরাই ব্যর্থ হইয়া গেছে গিয়া। সবাই ভি আই পি, আমি পাব্লিক !!! Sad( Sad( Sad(

glqxz9283 sfy39587p07