Skip to content

কোরান নিয়ে মুসলমানদের ভন্ডামি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আহমদ মনসুরের লেখা থেকে)

মুসলমানদের চিন্তায় ও বিশ্বাসে লিখিত বা ছাপানো কোরান (মুস-হাফ) এবং কোরানের বাণীর মাঝে পার্থক্য আছে। তারা মুস-হাফকে পবিত্র জ্ঞানে সম্মান করে , এর সম্মান রক্ষার্থে জীবণ দিতে ও নিতে পিছপা হয় না , কিন্ত কোরাণের বাণীতে বিশ্বাস করে না।

কিছু উদাহরন -

সকলেই জানেন যে , সালমান রুশদিকে 'সাটানিক ভার্সেস বা শয়তানের আয়াত' বইটি লেখার জন্য মৃত্যুদন্ডের ফতোয়া দেয়া হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো সালমান রুশদি শয়তানের আয়াত নিজের থেকে বানিয়ে লেখেন্নি , বরং তিনি এর মালমশলা নিয়েছেন মুসলমানদের ধর্মীয় স্কুল মাদ্রাসায় বহুল পঠিত আন-নাসাফির তাফসীর গ্রন্থের সুরা নাজমের (৫৩) ব্যাখ্যা থেকে। আন-নাসাফির তাফসীর গ্রন্থ আল আজহার হাই স্কুলের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত। ছাত্রাবস্থায় আমার কাছে এই তাফসীর কোরানের প্রতি আক্রমন মনে হওয়ায় আমি এর জোরালো প্রতিবাদ করলে , শিক্ষক তাচ্ছিল্যপূর্ণভাবে আমার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যূগ যূগ ধরে তাদের স্কলারদের লেখা কোরানের প্রতি এই যে আক্রমন তারা সযত্নে লালন করে আসছে ও ধর্মীয় স্কুল মাদ্রাসায় শিখিয়ে আসছে , তাতে তাদের বিকার হয় না , কিন্তু সালমান রুশদি সেটা নিয়ে লিখলেই তাদের বিকার হয় , তার কল্লা ফেলানোর জন্য ব্যতিব্যাস্ত হয়ে ওঠে। এটাকে ভন্ডামি না বল্লে আর কোনটাকে ভন্ডামি বলা যায় , আমার জানা নেই।


লিবিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফি , তার অনেক বৈপ্লবিক (?) আইডিয়ার মতো , কোরান থেকে একটি শব্দ 'বলুন'/قُلْ বাদ দেয়ার প্রস্তাব দিলে , আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ড শেখ আব্দিল-হালিম মাহমুদ তার স্বভাবগত শান্ত ভাবে ৩ বার উচ্চারন করলেন , 'কুফরুন' 'কুফরুন' 'কুফরুন'। তিনি কোরান থেকে একটি মাত্র শব্দ বাদ দেয়ার প্রস্তাবনায় ক্ষেপে গিয়েছিলেন , অথচ এই শেখকে আমি স্বকর্ণে বলতে শুনেছি , " 'ইহিয়া' (গাজ্জালির লেখা বই) কোরানের মতোই ভাল বা প্রায় কোরানের সমকক্ষ।" আমি তার এই স্পর্ধা দেখে 'থ' হয়ে গিয়েছিলাম , কারন ইহিয়া উলুম ইদ্দ্বীনে গাজ্জালি আল্লাহ ও রসূলকে নিয়ে এমনি মিথ্যা ও বানানো কথা লিখেছে , যা কফি আনানের মনে ও কখনো আসবে না। গ্রান্ড শেখের এই অবস্থান নুতন কিছু নয় , এটাই মুসলমানদের মানসিকতার প্রতিচ্ছবি। এরা লিখিত কোরানের তথা মুস- হাফের পবিত্রতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর , কোরানের বাণীর নয়। নইলে কোরান ছাড়া অন্যান্য স্কলার দের লেখা এবং রসূলের নামে প্রচলিত হাদীসকে এরা মানুষের কথা হিসাবে , দর্শন ও ইতিহাসের অংশ হিসাবে দেখত , ধর্মের অংশ ও কোরানের সমকক্ষ হিসাবে নয়। কোরানের মুস-হাফের জন্য এরা জীবণ দিচ্ছে ও নিচ্ছে , অন্যদিকে তাদের স্কলারদের লেখা , যা কিনা কোরানের বাণীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে , তাকে এরা কোরানের সমতুল্য ভাবছে। এর থেকে ভন্ডামি আর কি হতে পারে?


জাকাজিক আজহার ইন্সটিটিউটের ছাত্র থাকাকালীন আমাকে প্রতিদিন এক পীরের মাজার কেন্দ্রিক মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়া লাগত। প্রতিদিন ঐ মাজারে পীরের আশীর্বাদ নিতে বহু লোক আসত। ঐ মসজিদের প্রবেশপথে পাথরে খোদাই করে কোরানের একটি আয়াত লেখা ছিল - " নিশ্চয় মসজিদ (প্রার্থনা স্থল) আল্লাহর জন্য। তোমরা আল্লাহর সাথে আর কাউকে ডেকোনা।" কোরানের আয়াতের কেমন উপেক্ষা!! আল্লাহর সাথে আর কাউকে ডাকতে মানা করা হচ্ছে , আর এই মুসলমানরা পীরকে ডাকছে ইহজাগতিক লাভ ও পরকালের কামিয়াবীর আশায়। মানুষের মানসিক এই স্থবিরতা দেখে তখনি আমার হাসি পেত। বড় হয়ে কোরানের এই আয়াতের পূর্ণ মানে যখন আমার বুঝে আসল , বুঝলাম বলা হয়েছে সকল প্রার্থনা স্থলে , প্রার্থনার সময় এবং এমনকি প্রার্থনার জন্য ডাকার সময়েও আল্লাহর নামের সাথে আর কারো নামের উল্লেখ পর্যন্ত করা যাবে না। আজ আমরা কি দেখছি - প্রায় প্রতিটি মসজিদের ভিতরে মিম্বরের একপাশে আল্লাহর নাম এবং অন্যপাশে মুহম্মদের নাম খোদাই করা, খুৎবায় ইমামরা আল্লাহর বাণী ও আল্লাহর নামের চেয়ে মুহম্মদের নাম ও তথাকথিত হাদীসের বর্ণনায় বেশি করছেন , আজানে আল্লাহর সাথে সাথে মুহম্মদকেও ডেকে চলেছে। ব্যাপারটা কেমন দাড়ালো? মুহম্মদ তো আল্লাহর নাম নয়। অর্থাৎ কোরানের বাণীকে এরা ভ্রুক্ষেপ ও করছেনা। কোরানের মুস-হাফকে নিয়ে মুসলমানদের এত মাতামাতি , অন্যদিকে কোরানের বাণীকে নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই , এর থেকে বড় ভন্ডামি আর কি হতে পারে?


এমনি ভাবে মুসলমানদের কোরান নিয়ে ভন্ডামির অসংখ্য উদাহরন দেয়া সম্ভব। যার অন্যতম হলো কোরানে শাফায়াত নেই বলা সত্বেও মুসলমানদের মুহম্মদ কর্তৃক শাফায়াতে বিশ্বাস , মূর্তী পুজা পাথর পূজা নিষিদ্ধ করা হলেও হজরে আসওয়াদ নামক পাথরে চুমু খাওয়া , জমজমের পানিকে পবিত্র মনে করা। জমজম নিয়ে দুটো কথা না বল্লেই নয়। জমজম নামটির সাথে ওল্ড টেস্টামেন্টে বর্ণীত জমজমুন গোষ্ঠীর নামের মিল লক্ষনীয়। মরুভূমির বাসিন্দা এই গোষ্ঠীর লোকেরা ঝর্নার পানি পুজা করত।

মুসলমানদের কোরান নিয়ে ভন্ডামি নিয়ে ভবিষ্যতে আরো লেখার ইচ্ছা রইল।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক ছাগলে ল্যাদাইছে আর এক ছাগল ওই ল্যাদানি ঘাটে ঘাটে ফেরি করতেছে |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনে কি প্রথম জন? লইজ্জা না পাইয়া কিলিয়ার করে কন।

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনের মইধ্যে ২য় প্রজাতির ছাগল হইবার পরিপূর্ণ গুনাবলী বিদ্যমান |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহ সুন্দর ছাগলের ম্যাৎকার শুনতে পাচ্ছি

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহা, কী চমৎকার শোনা গেল!!!

ব্লগে কি ঠিকমত আসা হয়??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চলুক.... আপাতত এটাকে প্রিয়তে রাখলাম...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ পড়া ও প্রিয়তে রাখার জন্য।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হে হে হে ! এরা ছগল না ভাই! এরা হল নবী দাবী কৃত ড:রাশাদ খলীফা ও ড:শিব্বির আহমদের মুরিদ। যারা অনলি কোরআন নামে পরিচিত। তারা নবী ও হাদীস মান্যকারী দেড়শকোটি মুসলমানকে কাফের মনে করে ও একমাত্র নিজেদেরকেই মুসলমান মনে করে। যারা ক্বুরআনকেও সঠিক ভাবে লিখতে জানে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজাইরা গালাগালি না কইরা ভুলটা কই কইছে তা লোকেট করেন। এইরাম মন্তব্যরে ম্যা ম্যা লাগে হুনতে

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গালী দিলাম কই ভাই ! Shock বরং আরেকজন ছাগল বলল আর আমি বললাম যে এরা ছাগল না, এরা হল নবী ও হাদীস অমান্যকারী কোরআন অনলী গ্রুপ। যারা নবী ও হাদীস মানার কারনে দেড়শ কোটি মুসলমানকে কাফের মনে করে। এ কথার মধ্যেইতো তার পোষ্ট (মতবাদ/দর্শন) এর কোথায় ভুল আছে তা বলে দিলাম। যদি নবীকে মান্য করার প্রয়োজন না থাকত তবে আল্লাহ পাক এত নবী-রাসূল পাঠাতেন না বরং কোন পাহাড়েরর উপর কোরআন দিয়ে আকাশ থেকে ঘোষণা করে দিতেন ওখানে তোমাদের জন্য ঐশী কিতাব দেয়া হয়েছে তা ফলো করো। শুধু মাত্র গ্রন্থ/বাণী দিয়েই যদি সঠিক পথ পাওয়া যায় তবে কেন জগতে এত নবী-রাসূল, হৃষি-মুনির আবির্ভাব ঘটালেন আল্লাহ পাক আর কেনই বা কোরআন এ স্পষ্ট করে বলে দিলেন যদি তোমরা আমাকে ভালবাসতে চাও তবে নবীকে অনুসরণ কর, নবী যা বলেন তা মান যা করতে নিষেধ করেন তা ত্যাগ কর ইত্যাদি ইত্যাদি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এরা হল নবী ও হাদীস অমান্যকারী কোরআন অনলী গ্রুপ।
ভুল বল্লেন ভাই , আমি নবী অমান্যকারী নই। আমি বুখারী মুসলিম ও অন্যান্যদের রচিত হাদীস অস্বীকার কারী। কোরানই রসূলের মুখনিঃসৃত একমাত্র সহীহ হাদীস।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হে হে হে আগে ঠিক করেন কারা ঠিক

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নারে ভাই আমরা কারো মুরিদ নই। আমরা নিজের মাথা কারো কাছে বন্ধক রাখি নাই।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

_________________________
উত্তাল ঢেউয়ের সামনে অসহায় দাঁড়িয়ে
সঠিক দিশার সন্ধানে ব্যপৃত থাকার প্রয়াস............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেকার উপরে লীল রং আহে কেন????????????? এইডা মডুগর কি নতুন ভন্ডামী Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরনকে আমরা কিভাবে পেলাম? জিবরাইল কার কাছে আল্লার বানী এনেছিল? সেই বানী গুলোর সংকলন হয়েছে কার/কাদের মাধ্যমে? করানে কি পয়গম্বরকে অনুশরন করতে বলা হয়েছে? যদি হয়ে থাকে তবে তার উপায় কি?

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরান কিভাবে পেলেন সেটা না ভেবে , কোরানে বর্ণীত আল্লাহর বাণী কিভাবে পালন করবেন সেটা ভাবুন। কোরান বুঝে পড়া দিয়ে শুরু করতে পারেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিয়া- আপনে একটা জেনুয়িন ভন্ড। মোহাম্মদ মানেন না কিন্তু মোহাম্মদের কাছে যেই কিতাব আইছে ঐটা মানেন। Laughing out loud

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইভাবে বলতে নেই সোনা Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক ভাই দেখতাছি সহি হইয়া গেল

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভন্ডামি না হয় চলছে । কিন্তু দূর করার উপায় কি ? ব্লগে লিখেই তো অনেক গালমন্দ খান, জুমার নামাজের পরে বললে ..............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিকি বলেছেন , জুমার নামাজের পরে বললে ..............।

ব্লগে লিখে ও আল্লাহর কাছে দো'য়া করে হেদায়েতের আশা করতে পারি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গাজ্জালী আল্লাহ রসূলের নামে কি কি মিথ্যাচার করেছেন তার সংক্ষিপ্ত বর্ননা দেওয়া যায় কি? ওনাকে নাকি নবীজির পরেই স্থান দেওয়া হয়।

তত্ত্ব কথা জানি না, তবে এইটা মনে হয় রিয়েল লাইফেও দেখা যায় যে মুসলমানরা প্র্যাকটিকেলি আল্লাহর চেয়ে নবীজি বিষয়ে বেশী সেনসিটিভ। আল্লাহর নাম নিয়ে ঠাট্টা তামাশা মশকরা চারদিকেই বেশ ভালই চলে, তবে নবীজির নামে সামান্য কিছুর নিশানা কোথাও পাওয়া গেলে খবরই আছে। মোহামদ্দ বিড়াল না হয় সেই রসিকতা মোহাম্মদ আল্লাহ সম্পর্কিত হলে মনে হয় না দেশ জুড়ে অত তান্ডব হত বলে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গাজ্জালীকে নিয়ে আমার "গাজ্জালী (১০৫৮-১১১১ খৃঃ) -একের ভিতর দুই" পোস্ট টি পড়ে দেখতে পারেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

আজ থেকে অবশ্য নুতন ফতোয়া নিয়ে আরেক নক্ষত্র আবির্ভূত হয়েছেন, "নেট হইতে ইসলাম শিক্ষা নিষিদ্ধ"।

এই নিয়ে পোষ্ট দিব নাকি ভাবতেছি।

আপনার গাজ্জালী সম্পর্কিত কি এক লেখা নিয়ে মনে হয় সদালাপে তুমুল তর্কাতর্কি হয়েছিল, এটাই কি সেই? আপনাকে মনে হয় তারা রেফারেন্স দেখাতে বলছিল আর তাদের দাবীমত আপনি দেখাতে পারছিলেন না এমন কিছু।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা এটাই সেটা।

সত্যি কথা বলতে নেট না থাকলে কোরান ও বুঝে পড়া হোতনা এবং এখনো সুন্নি ও অন্ধকারেই থাকতাম। একারনে আমি নেটের কাছে কৃতজ্ঞ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক ভাই, যারা নবীকে লম্পট (নাউযুবিল্লাহ) বিশ্বাস করে স্যাটায়ার তৈরী করে তাদেরকে প্রথমে কিসের দাওয়াত দিতে হবে? ধর্মে আবিশ্বাসীদের গাজালী চিনানোর কোন বিধান কি কোরআনে আছে ? কোন শ্রেনীর মানুষকে প্রথমে কিসের উপরে বিশ্বাস স্থাপনের জন্যে দাওয়াত দিতে হবে, এ শ্রেনী বিন্যাসের উপরে কোরআনের নির্দেশ কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ, এদের আর দোষ কী? এরা যেখান থেকে এই জ্ঞান পেয়েছে , সেই বুখারী মুসলিম ও অন্যন্যদের যারা হাদীসের বর্ণনা করে নবীজিকে লম্পট হিসাবে দেখিয়েছে , তাদেরকেই তো আগে দাওয়াত দেয়া দরকার। কিন্তু তাদের পাচ্ছি কোথায়?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাদের পাওয়া গেলেও কিছু করা হত না, তবে তাদের যারা কোট করে তাদের পাওয়া গেলে মাথা নামিয়ে দেবার ফতোয়া দেওয়াই তো সমস্যার সমাধান।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুসলমানরা প্র্যাকটিকেলি আল্লাহর চেয়ে নবীজি বিষয়ে বেশী সেনসিটিভ


চরম সত্যি কথা!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনাকে নাকি নবীজির পরেই স্থান দেওয়া হয়।

এই খবরতো জানতাম না। Shock

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীচে কিছু তথ্য আছে দেখতে পারেন।

ইসলামের ইতিহাসে নবীজির পরে যত বড় আলেম স্কলার এসেছিলেন তাদের সবার মধ্যে ওনার প্রভাবই সবচেয়ে বেশী বলে অনেকেই মনে করেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলামের ইতিহাসে নবীজির পরে যত বড় আলেম স্কলার এসেছিলেন তাদের সবার মধ্যে ওনার প্রভাবই সবচেয়ে বেশী বলে অনেকেই মনে করেন।


আপনাদের ইসলামের ইতিহাসের জ্ঞান দেখে হাহাপগে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমারও ভাই একই অবস্থা

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি এট্টু জ্ঞান দ্যান। শুনে কৃতার্থ হই!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখককে বলছি,
আল্লাহর কাছে আপনি আপনার জন্য বিশেষ করে কাকুতি মিনতি করে হেদায়েত এর দুআ করুন।

ওপারের অভিযাত্রী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের জন্য বিশেষ করে কাকুতি মিনতি করে হেদায়েত এর দুআ করবেন না? ভাবছেন আপনার হেদায়েত হয়ে গেছে? একমাত্র আল্লাহ জানেন কে হেদায়েতপ্রাপ্ত।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনাকে নাকি নবীজির পরেই স্থান দেওয়া হয়।


এই গিয়ান নিয়ানি আইছেন ধমাধম প্রচার করতে !!! Shock

আমি বুঝিনা আপনারা যারা নাস্তিক তারা কেন আস্তিক ফারুক, মজবাসার (নবীকে অস্বিকারকারী) এর এত ফ্যান ! স্রষ্টাকে অস্কিকারকারীরা কোন যুক্তিতে ধর্মের বিধি-বিধানের সমালোচনা করতে আসে! আগে স্রষ্টা আছে কি নেই সেই মিমাংসা হতে হবে দেন কোন স্রষ্টা থাকলে তিনি কোন ধর্ম পাঠিয়েছেন কিনা সেই প্রশ্ন আসবে। যারা স্রষ্টাকে বিশ্বাস করেনা তাদের কোনই অধিকার নেই স্রষ্টার ধর্মের সমালোচনা করার। তারাই দুনিয়ার এক নাম্বার অমানবিক প্রানী যদিও তারা মানবতার কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। কারন তারা স্রষ্টার সৃষ্টি হয়েও স্রষ্টার প্রতি অকৃতজ্ঞ এর চাইতে অমানবিকতা আর কি আছে ? তারা ন্যায় বিচারে বিশ্বাসী নয়। বিশ্ব অত্যাচারী হিটলার, চেঙ্গিশ খাঁ, বুশ-ব্লেয়ার এর ন্যায় বিচারে তারা অবিশ্বাসী। কারন যেহেতু তারা শেষ বিচারে বিশ্বাসী নয়। আর মুমিনরা বিশ্বাস করে প্রত্যেককেই তার কৃত কর্মের জন্যে জবাবদিহী করতে হবে। তাই তারাই সবচাইতে মানবিক ও নাস্তিকরাই সবচাইতে অমানবিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুমিনরা বিশ্বাস করে প্রত্যেককেই তার কৃত কর্মের জন্যে জবাবদিহী করতে হবে।


এইটা জাইন্নাও পাকিরা এতো মানুষ মারলো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটা জিগাইতে হয় না!!!
এইটা জিগাইলে নুনুভূতিতে আঘাত পড়ে!!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার হাসি বড় চমতকার। হাঁসলে নাকি আয়ূও বাড়ে। তাই নির্দোষ হাঁসিতে আমিও হাঁসি দেই, আয়ু বাড়ানোর এমন সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনি ফারুক না মজা বাশার না কাকে গাল দেবেন না মাথায় তুলে নাচবেন তাতে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। তেমনি আপনারও মাথা ব্যাথা থাকার কোন কারন আমি দেখি না। এখানে আমি ফারুক ভাইকে প্রশ্ন করেছি, আপনার মত সরাসরি গাল দেওয়া শুরু করিনি দেখে মনে হয় আপনার সুবিবেচক "সবচাইতে মানবিক" ধার্মিক অনুভূতিতে লেগে গেছে। ফারুক ভাই এর সাথে আমার অতীতে বহুবার ভয়াবহ তর্কাতর্কি হয়েছে। তবে জানে দুশমন বিবেচনা করে ওনার পশ্চাতে লেগে থাকার মত সাইকোপ্যাথ আমি নই। আমি লোক তেমন দেখি না, তথ্য যুক্তি দেখি।

যেই কোট করা কথা নিয়ে এত অট্টহাসি দিলেন তা আমার কোন কথা নয়।

Ghazali has sometimes been referred to by historians as the single most influential Muslim after the Islamic prophet Muhammad.
http://en.wikipedia.org/wiki/Al-Ghazali

এ জাতীয় কথাবার্তা বহু ঈমানী সাইটেও পাবেন। দয়া করে সেসব যায়গাতেও দর্শন দিয়ে অট্টহাসি দিয়ে আসুন, নইলে ফারুক ভাই এর কথাই সত্য প্রমান নিজেই করবেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আদিল মাহমুদ সাহেব ,

'যেই কোট করা কথা নিয়ে এত অট্টহাসি দিলেন তা আমার কোন কথা নয়।'

এর পর আপনি যেই লাইন তুলে দিলেন তা হলো - 'Ghazali has sometimes been referred to by historians as the single most influential Muslim after the Islamic prophet Muhammad.'

sometimes আর always দুইটা এক না |

এর পর আসি আপনার রেফারেন্স সম্পর্কে |

'Wikipedia is not considered a credible source. Wikipedia is increasingly used by people in the academic community, from freshman students to professors, as an easily accessible tertiary source for information about anything and everything. However, citation of Wikipedia in research papers may be considered unacceptable, because Wikipedia is not considered a credible or authoritative source.'

লিঙ্ক - http://en.wikipedia.org/wiki/Wikipedia:Academic_use


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কোট করা কথায় কি কোথাও আপনি "always' শব্দটার বাংলা বা ইংরেজী আছে দেখেছেন?


ভাল করে দেখেন আমি কি বলেছিলাম, "ওনাকে নাকি নবীজির পরেই স্থান দেওয়া হয়।"

কথাটায় যে "নাকি" নামক একটা শব্দ ছিল, always না এটা কি দেখেছিলেন? নাকি মানুষ সে সময় ব্যাবহার করে যে সময় কিছুটা হলেও সংশয় থাকে। আমিও জানি যে কে বড় ইমাম কে বড় মোল্লা এসবের কোন সর্বজনগৃহীত সমাধান কোনদিন নেই। কারো কাছে বায়তুল মোকারম মসজিদের হুজুর বড় ইমাম, আবার কারো কাছে লাল্বাগ মসজিদের। এখন অবস্থা এমনই যে কিছু সহি হাদীস কোট করলেও অনেকে একইভাবে হাসি দেবেন যে "নেট থেকে হাদীস" শিক্ষা করা যাবে ন"। সে জন্যই 'নাকি' শব্দটা ব্যাবহার করেছিলাম। তবে নিঃসন্দেহে গাজ্জালীকে আমি যেমন বলেছি তেমন সকলে না হলেও অনেকেই মনে করেন, এতে কি সন্দেহ আছে?। এ নিয়ে অট্টহাসি বা বিরাট চ্যালেঞ্জ না ঠুকে জিজ্ঞাসা করলেই হত কিসের ভিত্তিতে আমি তেমন বলেছি। এর মাঝে যে আপত্তিকর কিছু থাকতে পারে এইই বা কে জানে। মনে হয় গাজ্জালী সম্পর্কিত অপ্রীতিকর কিছু উঠে আসার সম্ভাবনা থেকেই এই অগ্রীম ডিফেন্স।

গাজ্জালী সম্পর্কে আপনার কি মত? বায়তুল মোকারম মসজিদের বড় হুজুর আর ওনার ষ্ট্যাটাস বিশ্ব বা দেশের ইসলামী আলেম সমাজে একই?

উইকি সম্পর্কে আমার কিছুটা জ্ঞান আছে। আমি উইকি বেজ করে ধর্ম সম্পর্কীয় কোন কমেন্ট করি না, যেখানে সহি হাদীস কোট করলে মিথ্যা কথা বলার দায়ে পড়তে হয় সেখানে শুধুমাত্র উইকি কোট করে বিপদে পড়তে যাব এত বড় ছাগল আমি নই।

গাজ্জালী সম্পর্কে অনেক ইসলাম প্রিয় লোকদের আলোচনায় রিয়েল লাইফ এবং নেট উভয় জগতেই একই কথাই শুনেছি। সামান্য কিছু নজির দেখে নিনঃ

Al-Ghazali was a Persian theologian, philosopher, jurist and mystic, acclaimed in both East and West as the most influential Muslim after the Prophet Muhammad
http://www.huffingtonpost.com/farah-jassat/al-ghazali-900-years-later_b_1154429.html

এটা আমার মত কোন ইসলাম বিদ্বেষীর লেখা নয়, আপনাদেরই একজন ধর্মের বোনের লেখা থেকে।

এরপরেও যদি দাবী করেন যে আমার কথা ভুল তবে উইকি থেকে শুরু করে এই জাতীয় যত সোর্স আছে সবার ভুল আগে ভাংগিয়ে দিন। নবীজির সেই মিষ্টি বিষয়ক হাদীসটা আমার খুব ভাল লাগে, বেশ শিক্ষনীয়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ফারুক ভাইকে গালী দিলাম কোথায় ? Shock সাইকোপ্যাথে কারা ভুগে আর কারা দিন রাত স্রষ্টার, ধর্মের, ধর্মের নবী, ধর্মের বিধি-বিধান নিয়ে স্যাটায়ার তৈরী করতে দিন-রাত উঠে পড়ে লেগেছে তা মনে হয় কাউকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে না।

এ জাতীয় কথাবার্তা বহু ঈমানী সাইটেও পাবেন।


নেট থেকে ধর্ম শিখার কারনেই আজকে আপনাদের এই করুন হালত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সামান্যতম নীতিবোধ থাকলে যে বিষয় কোট করে বিরাট হাঁসি দিয়েছেন সে বিষয়ে নিজের বক্তব্য দিতেন।

আমার কথা কি ভুল ছিল যার জের ধরে লম্বা লেকচার দিয়ে হিটলার চেঙ্গিস বুশ পর্যন্ত চিনিয়ে দিলেন?

আমি ফারুক ভাই কে মাথায় তুলে নাচি নাকি গাল দেই তাতে আপনার কি? এই প্রশ্ন করার রাইট আপনাকে কে দিয়েছিল?

আমি সাইকোপ্যাথ না কি তা জানতে চেয়ে এই ব্লগে পোষ্ট দেন। আর ব্লগের সিংহভাগ ব্লগারকে ইসলাম বিদ্বেষী মনে করলে তাদের হেদায়েতের জন্য প্রার্থনা করুন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আহমদ মনসুরের লেখা থেকে


এইটার আরবি টেক্সটটা দয়া করে দেন এবং লিংকটাও দিয়েন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরবিটা পাবেন এখানে , ডানপাশে ওনার আর্টিকেলগুলোর লিস্ট পাবেন। ওখান থেকে খুজে নিন।
http://www.ahl-alquran.com/arabic/show_article.php?main_id=9384

ইংরেজিটা পাবেন এখানে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক ভাই,
অনেক খোজাখুজি করলাম। আপনার টেক্সট বের করতে পারলাম না। অন্ততঃ ইংরেজি টেক্সটটা লিংক সহ দেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লিঙ্ক তো ঠিক আছে। কপি পেষ্ট-
Politics->
Desecration of The Holy Quran
By: - Ahmed Mansour




This article was published in Arabic in 6- 16 – 2005.




Finally, this is what I have to say in regards of the desecration of The Holy Quran:




Damned is he who desecrates the Quran, be he Muslim or non-Muslim.




A reader wrote to me, blaming me; he wrote, “The truth is that I was astonished by your silence regarding the desecration of the Quran!” He asked me, provocatively, “Is criticizing the American government prohibited because you are living there? Or do you only find time to criticize Al-Azhar and its sages? Or have you forgotten about Islam and the Quran, which you claim to have spent your life defending? Or is the matter of no importance to you and is not worth your while?”




I answered him, saying, “O Noble Brother, I have spoken on Al-Jazeera, condemning this act and demanding that the perpetrators be punished. Other than myself, many Americans have done the same thing, not because they believe in the Quran, but because they are against violating the sanctity of religion. And do not forget that it is an American magazine which broke the story. Do not forget either that in this society; this kind of thing frequently happens to the Christian and Jewish scriptures eliciting the same objections. This is an open society; nothing remains hidden long. Whoever, commits excesses is punished, in a legal system that is fair and just. I bear witness, before God, that it is the best I have ever seen in its adherence to justice and human values. I am not, here, defending America and her system, but I am affirming the truth! It has happened that I attacked, many times, at conferences and in English, American policy in the Middle East, and not always to the liking of Americans present. I enjoyed the freedom of speech which I did not find in my country.




“O Noble Brother, your questions stem from your feelings towards me, and I do not feel friendliness in them. You ask me as though I were responsible for any act of America and the Americans and demand that I answer! It may be better if you were to direct your question to the dear friends of the Americans, those allied with them, your masters, the despots in Egypt, Saudi Arabia, Jordan, etc., and their agents here in Washington. I am but a mere political refugee here, unable to do much, without work, and living on a pittance, whereas the agents of the despots, here in America, have, with the money stolen from their peoples, all the power and influence in a capitalist country that allows freedom of expression to all, to the poor such as myself as well as the wealthy such as them. But victory goes to the rich and powerful. I with my limited resources, spoke out; they with their unlimited resources kept quiet, and you, Dear Sir, direct pointed questions without knowing what is really going on here! You are to be excused! But the great Day of Reckoning shall come, and God shall side with the victim of injustice against the unjust!” -Finished




The scandal of desecrating the Quran in America broke out - in this respect it is similar to the scandal of torturing prisoners at the Iraqi prison of Abu Ghreib. It will be investigated and the guilty will be brought to justice as happened in the Abu Ghreib case, according to the standards of the open American society, that exposes all wrongs, discusses them openly and punishes those responsible regardless of who they might be. In stark contrast, we find the Arab, Muslim position! They act as though they have absolutely no torture in their prisons, or as though the desecration of the Quran never happens in their midst or never happened in their history! That is why they criticize America as though this were American policy, and they forget themselves! The Almighty rhetorically asks, “ Do you command the people to be righteous and forget yourselves, even while you read the Scriptures? Have you no sense?” (2:44)




The story went from the American press to the Arab and Muslim media, and no sooner did reach the mosques and streets when it was converted to strident hatred and demonstrations against America. It was an opportunity for those who understand and those who do not understand to write. I refrained from getting involved in the melee, believing it to be an emotional outburst that will not last. But it kept inciting demonstrations here and there, thereby expressing one of the ills of the Arab, Muslim personality which merits looking into to find its cause, especially after the “writing bazaar” has quietened down and the shrill voices of the hawkers touting their cheap goods have died down.




I begin by asserting that I curse and condemn anyone who desecrates the Quran, or its printed form (mus-haf) or both together, be the perpetrator Muslim or non-Muslim.




That is the key to the case and to finding the cause; the focus of the diagnosis. I shall explain, but I wish to state, from the very beginning, that when I say “Muslims”, I do not mean to generalize; I mean only the majority of the Muslims.




First: We are always concerned with guiding the world, while we ourselves are the furthest astray. We are always observing other people's faults and weaknesses, yet we ourselves are the most corrupt and the most hypocritical. If we were to devote ourselves to reforming ourselves from the piles of our own faults and the mountains of our own evils, we would have no time left to think of the faults of others. But we reject that. We are thus very good only at talking about the successes and failures and the glories that we never tire of repeating to the point that we now live them in our daydreams, without noticing our bitter state of affairs in the present-day world where we have become the worst community produced for the people, and the source of tension and trouble in the world. Thus whenever a Muslim thinker rises - desiring to guide his people - to discuss their heaps of faults, inviting them to open and free discussion of these, and admonishes them to turn to only the Book of God for guidance in the conduct of their affairs, they angrily rise in his face to silence him, because they are like the people of Thamoud, “they don’t like those who give (them) wise counsel”.




The connection of this with the desecration of the Quran or the printed form of It, the “Mus-haff”, is that these angry people think that this crime was committed only by some American or Israeli soldiers. This is because they know nothing of their history but a few shiny tidbits. I speak here not only of the demonstrating masses, but of their leaders, their preachers and their intellectuals – who write more than they read, and they do not understand even what little they read!




If they were to read their history and their heritage, sacred and profane, they would know that desecrating the Quran, or the “Mus-haff” are major crimes committed by some Muslim rulers (khulafaa'), and Muslim sages ('ulamma') and Muslim regimes, both in the middle ages and in modern times, and before the existence of America and those American soldiers. I shall give examples at the end of this article.




Why then, my good friend, do we not start with ourselves before railing at others.




Second: I deliberately said, “I curse and condemn anyone who desecrates the Quran, or its printed form (Mus-haff) or both together” to bring out a forgotten truth, and that is that the Quran is one thing and the “Mus-haff” is another.




The Quran, is the Divine Revelation that was sent down upon the Seal of the Prophets, Muhammad, may peace be upon him and upon them. God has guaranteed Its preservation till the Day of Judgment. It Alone is the complete religion of Islam, with its tenets, its laws, its commandments and its prohibitions, what it considers lawful and what it considers unlawful. It Alone is the Book that brooks no doubt; any other is marred by doubt and uncertainty. It Alone is the Divine, and Sacred Word. Whoever accepts words other than Its Words has indeed ascribed partners to Almighty God. This according to the assertion of the Lord regarding this truth. (Please see: chapter 77, Al-Mursalaat, verse 50; chapter 7, Al-A'raaf, verse 185; chapter 45, Al-Jaathiyah, verse 6.)




The “Mus-haff”, is the reducing of the Quran to writing by human hand. There were many copies, each of which consisted of pages within one framework containing all the chapters and verses of the Quran arranged in the format that existed in the days of the Prophet Muhammad, peace be upon him. It became a convention among the Muslims, after the death of the Prophet, to refer to these as “Mus-haff” (literally, that which is endowed with leaves or pages). This term is not used in the Quran, for it came to be used after the revelation of the Quran. And in the ensuing eras, they used to divide the “Mus-haff” into four parts to facilitate learning and memorization. They thus called it by another name similar to “Mus-haff”, namely the “Noble Quarters” (al-arbaa'-ish-shareefah), or the “Noble Quartering” (i.e the divding into four parts) or, in Arabic, (ar-rub'ata – sh -shareefah).




After writing the “Mus-haff” by hand, and excelling in the art of calligraphy, now it is printed by machine thus assuring us and others that – in the paper, the inks, the covers and the fonts used to print and store it (and now of course, hard disks, floppies and compact discs) – it is of human manufacture and, we read it, depending on our state of progress, using our ordinary human methods, from the bamboo pen to the age of the Internet.




Even though the “Mus-haff” is of human manufacture with its components consisting of natural materials from the earth we walk on, it contains Almighty God's Words – The Glorious Quran – in the Arabic language. For this reason we must treat it with deference out of respect for its content, the Word of God.




The Arabic script of the Quran might appear indecipherable symbols to, for instance, a Chinese, who might deal with it as he would with paper cuttings not knowing what they contain. He is not to be blamed if he did so. The blame is upon one who knowingly desecrates the Quran out of hatred for it.




Third: The miracle of the divine preservation of the Quran is the link that brings the Quran and the “Mus-haff” together. It is the basis of this matter as regards the mentality of the Muslims and how they treat with the “Mus-haff”, the Quran, or both. This point requires clarification from the Quran.




God Almighty says, with emphasis, “It is We who have sent down the Scripture, and We, indeed, shall safeguard It!” (chapter 15, Al-Hijr, verse 9).




The emphasis on the revelation of the scripture – that is the Quran – is in the past tense because the revelation of the Divine Book took place in one night, the “Night of Destiny” (Laylatul-Qadr). Thereafter, It came to us piecemeal, from the lips of the Prophet, as events demanded. But this is another story; it has no place here. The important thing is that the emphasis on the revelation of the Book came in the past tense whereas the emphasis on Its preservation came in terms that imply certainty and continuity. This means that once the Quran is sent down from on high upon the heart of the Prophet Muhammad and comes to us from his lips, then he dies, the preservation and safeguarding of the Quran shall remain in effect, Its enemies not withstanding.




The Glorious Quran, since the death of the Prophet and to this day, has been copied into billions of “Mus-haffs” in the same distinctive linguistic mode of writing. The text contains a miraculous phenomenon based on the orthography and the numerical values of the alphabetical letters used. Many have written about this phenomenon as proof that the unique style of drafting the “Mus-haff” has not changed since the days of the Prophet. In this connection, it has been proved that it is the Prophet Muhammad who wrote down the Quran in his own hand, and that the word “ummiy” does not, in the conventions of the Quran, mean “illiterate”. It means “gentile” in the sense of “Arab” because the Arabs were not sent a messenger after Ishmael – except, of course, Muhammad – in contrast with the “XXXXXxXxXX People of The Book” (Ahl-il Kitaab) who have received a succession of messengers descended from Isaac.




Thus, when God speaks of the safeguarding of the Quran and Its preservation, with emphasis on certainty and continuity, such safeguarding then extends to cover the “Mus-haff”; the great care taken to preserve it borders on sanctification, even if the people who sanctify it do not carry out the commandments of the Quran. The important thing is that they will vehemently reject any abuse of it, and this shall be the case until the Day of Judgment as the practical expression of God's promise to safeguard the Quran and the “Mus-haff” Its written form. The demonstrations now taking place expressing the people's anger at the abuse of the “Mus-haff” are proof of that!




Fourth: There is a difference between the “Mushaff” and the Quran in the beliefs and the thinking of the Muslims. They sanctify the “Mus-haff” but they do not believe in the Quran! I shall give some examples of this:






The edict (fatwa) proclaiming that Salman Rushdie had committed apostasy by what he wrote in the “Satanic Verses” is well known. What is astounding, however, is that Salman Rushdie did nothing more than depend on what is in some books of exegesis (tafaaseer) in their commentary on verses 19 and 20 of chapter 53, An-Najm. It is the myth of (al-gharaaneeq). It is referred to in the exegesis of An-Nassafiy, which was required reading in the curriculum of the Azhar High Schools. I was revolted by it as a student and said that it was an attack on the Quran. The teacher shut me up in disdain. This traditional myth from their heritage, together with thousands of others expresses an acute hatred of the Quran and represents an attack upon It. In spite of that, there was a dogged insistence on teaching this insulting material to the students. These sacred myths in which the Muslims believe, and if a writer such as Salman Rushdie exploits them as a means of attack on Islam, they are outraged and demand his head. And when a Muslim researcher, such as myself, denies and rejects these myths to exonerate Islam of them, and rightly attributes them to the sages who are enemies of Islam, they are outraged and accuse him of denying the Traditions of the Prophet (As-Sunnah), thereby admitting, by implication, the conflict between the “Sunnah” and the Quran!




Conclusion: “My good friend, the Muslims cling to stories that insult the Quran and yet, at the same time, they cherish and protect the “Mus-haff” which holds the Words of the Quran between its covers.






When Kazzafy suggested – among his outlandish revolutional pronouncements– the deletion of the word, “Say” from the the Quran, the Grand Sheik of Al-Azhar - at that time Dr. Abdil-Haleem Mahmoud – was asked for his opinion, the “sufi” Sheik - well known for his calmness and composure - responded in a succinct tuneful “Azharic” tone, “Heresy (Kufrun), Heresy, Heresy!” articulating every sound. He was outraged at the suggestion that a single word be deleted from the “Mus-haff”; yet I heard this very same Sheik, Abdil-Haleem Mahmoud, with my own ears, repeat the words of Imam An-Nawawiy, “The “Ihyaa'” is almost (on a par with; as good as; equal to) the Quran!” I was shocked at his audacity to say such a thing. He meant, of course, “Ihyaa' 'uloum id-deen” (Reviving the Sciences ('uloum) of Religion) by Abi-Haamid Al-Ghazaaliy who died in 505 A.H. In this book, Al-Ghazaaliy insinuated lies and fabrications about God and His Messenger, and such disdain of the Quran as would never cross the mind of even Mr. Kofi Anan! The stand of Sheik Abdil-Haleem Mahmoud conforms perfectly with that of the Muslims; they sanctify the “Mus-haff” yet at the same time they do not believe in the Quran, because if they were to believe in the Quran alone, in its Word and Scripture, they would reject all other books, considering them to be of human provenance, falling within the scope of philosophy, history or some other discipline not connected to the Muslim religion. But they insist on sanctifying these books, which attack and demean Islam and the Quran, and considering them holy script, and they attack anyone who discusses these books scientifically referring to the Quran as criterion.


In my youth, when I was a student at the Zaqaazeeq Azharite Institute, everyday we used to pass by a mosque that was built around a mausoleum, considered sacred, and people used to visit it to be blessed. Above the entrance of the mosque there was carved into the stone a verse which says, “The places of prostration (masaajid) belong to GOD; you shall therefore not call upon anyone besides HIM!” The contradiction between this holy verse and the very purpose of that pagan temple is glaring! The verse admonishes against considering sepulchers or people or stones sacred. They worship tombs which they hold sacred and build mosques around them and adorn them with the very verse which commands them not to do just that! In my youth I used to laugh at such ridiculous mental backwardness. When my mind developed and I understood the Quran, I found that this verse also admonishes against even the mere mention of any name besides God's Name in the houses of worship in the course of either the prayer, or the call to prayer. It is a religious duty that the call to prayer and the prayer itself be restricted to the exclusive praise and glorification of Almighty God Alone, Hallowed be His Name, without adding any other name – not even that of the Prophet Muhammad – to God's. This applies also to the Affirmation of Faith (ash-shahaadah) in the Islamic religion. There is only one affirmation; it affirms the exclusive Divinity of God, and it constitutes the religion of all the prophets. It includes belief in all the prophets and their scriptures without distinguishing a particular one or favoring him over the others. This is what hundreds of verses in the Quran assert! Thus the mosques that the Muslims enter and in which they mention Muhammad's name or the name of any other human being besides God's name, are in clear contravention of the Glorious Quran. If you dare proclaim this Quranic truth, you will arouse the Muslims to hate-filled demonstrations against you, demanding your blood. On the other hand, if you go along with them and suggest the removal of that verse from the “Mus-haff”, they will again demonstrate angrily against you and demand that your neck be cut! The conclusion, my Friend, is that they sanctify the “Mus-haff” and at the same time sanctify the established traditions (thawaabitihim) from their heritage, and they follow what they found their forefathers doing by way of religious rites which fly in the face of Quran that is contained in the pages of that very Mushaf.


The sanctification of the “Mus-haff” reached hysterical levels among some of the leaders of a religious group known as “The Legal Society” (Al-jam'iya-sh-shar'iyah) in Egypt in the seventies. They went out into the streets of Cairo collecting papers and newspapers from the garbage, on the grounds that the Name of Almighty God, or verses from the Quran might be printed on them. They were almost at the point of ridding Cairo of its traditional garbage problem, but for the debate we engaged them in. So they took to accusing us of heresy because we told them, “Believe in the Quran first, and use It to as a yardstick to assess the truth of your fabricated Traditions of the Prophet (Ahaadeeth) that sanctify him, making him, by dint of his purported power or right of intercession, the master of the Day of Judgment. If you were to ask them to remove one hundred fifty verses from the “Mus-haff” because these contradict their beliefs, and deny the Prophet's presumed right or power of intercession, they would promptly demand that your head be cut off. If you explain to them the meaning of those verse, admonishing them therewith, and proving to them that Muhammad possesses neither right nor power of intercession, and he cannot benefit anyone on the Day of Judgment they would, again, demand that your head be cut off. The solution, then, is to stay away from them, play, have fun and forget the gloom, for the sake of your sanity. The conclusion, again, my dear friend, is the contradiction between the Quran and the beliefs of the Muslims. The only solution to this conflict is to choose one or the other; the Quran or their heritage, its sanctification and its practical application. As for combining the two opposites at the same time, that is the strangest form of mental insanity, at which the human mind boggles.


The bottom line is that the Muslims combine two opposites; they sanctify the “Mus-haff” and reject any abuse of the words of the Quran, and yet, at the same time, and with the same enthusiasm, hate the verses of the Quran if a Muslim reformer were to adduce them in support of his case proving the conflict between the Quran and the heritage of the Muslims.




Fifth: This animosity between the Muslims and the Quran was initiated by the hypocrites among the companions of the prophet, in his day. There are hundreds of verses that speak of the kinds of hypocrites and their machinations, and of other kinds of the weak of faith and of those with diseased hearts. Other verses castigate the believers, in the time of the Prophet, and warn them. We shall limit ourselves with a quick review of chapter 9, At-Tawbah. It is among the later chapters of the Quran to be revealed. At the beginning of the chapter is a proclamation to the idolaters, the infidels, those who reneged on their oath, of a respite of four months, being the sacred months, to repent and to stop their aggression on the peaceable believers. These believers tended to be less than diligent in defending themselves - as is indicated in the chapter itself – and maintained ties with those aggressors for economic reasons, and for reasons of blood ties and tribal allegiance. They did this at a time when those aggressors gave no consideration whatsoever to oath or integrity in their relations with the believers. (9:1-40).




Towards the latter part of the chapter (verses 42 et seq.), is a classification of the companions of the Prophet, “As-Sahaabah”. Among them are the strongest in belief, “As-Saabiqoun” and among them are those who mixed good works with evil, and among them are those whom God has deferred His judgment of them, either He shall punish them or pardon them, according to whether they repent or not. Among them also are hypocrites of whom the Prophet is not aware. But God Almighty knows them; He promised them punishment twice, once in this world, then their destiny shall be great chastisement in the Hereafter. Thus God announced that they will not repent, but will sow corruption in the land in their life to follow after the revelation of the Quran. There also also many categories of hypocrites, who declare their hypocrisy and openly plot against the Prophet, but yet swear to him falsely denying what they did and what they said.




If this was the state of the Companions while the Prophet was among them, and while the Quran was being revealed - It came down already speaking of plots and of dark secrets hidden in the breasts of men, and exposing the hypocrites and those with disease in their hearts - what then would be their state after the Prophet Muhammad's death and the completion of the revelation of the Quran? There would be more opportunity for plotting because, with the revelation of the Quran safely complete, the plotters need not fear embarrassing exposure from on high! Also, the most rabid enemy of Islam, from Bani Umay-yah, like many of the notables of the Quraysh, accepted Islam in order to safeguard his privileged economic position. They had previously fought Islam for the sake of that same privileged economic position. (Chapter 28, Al-Qasas, verse 57; chapter 56, Al-Waaqi'ah, verse 82; chapter 6, Al-An'aam, verses 66-67).




It is to be expected that the degree of compliance with the commandments of Islam will diminish drastically. If what we read in the chapters revealed at Madeenah describes the level of compliance and the state of the hypocrites, then what is it likely to be after the Prophet and the completion of the Quran?




If the facts of the Glorious Quran are absolute in their truthfulness, then the “news” and narratives of history, that the Muslims have written, are relative facts, not absolute religious facts. The researcher has the right to discuss them, confirm or deny them depending on his scientific viewpoint. This is especially true since the history of the Prophet and his era came to us as oral narratives through the grandchildren of those who migrated to Makkah with the Prophet (al-muhaajireen) and of the their hosts in Madeenah (al-ansaar) in the Umayyad Period, so naturally, they deliberately ignored the historical commentaries on those chapters of the Quran that refer to their grandfathers as hypocrites, idolaters and aggressors and disowns them. Then began the practical recording of these historical commentaries in the Abbasside era, a century after the oral narratives. Consequently the writing of the Prophet's biography (As-Seerat-an-Nabawiyyah) was strongly influenced by the concepts of power, control and brute force, which were the hallmarks of the imperial Abbasside period. This does not mean rejecting history in toto, nor does mean assuming that it is free of lies, distortions and fabrications. It is for this that the profession of the historical researcher and the scientific specialization therein, came to be! It has now entered the age of great ignorance - my friend, may you live long – and has become an open field for ambulant peddlers and hawkers, some of whom, unfortunately, bear the title of 'Doctor'.




The compliance of the Muslims with the commandments of Islam, during the Abbaside Period, reached the point of contradiction. The Abbaside Period was the age of recording the Arab, Islamic civilization and its heritage. It was natural that this would happen in conformity with the exigencies of the age and the Abbaside imperial view, and their need to justify their political movement and dress it in counterfeit Islamic garb.




The Life of the Muslims Contravenes the Quran in the Abbaside Period – The Age of Recording the Arab, Islamic Civilization.




The Quran prescribes fighting but restricts it strictly to repelling aggression. The empire of the Muslims, since the days of Abu Bakr, has been built on the basis of aggression upon those who did them no harm. The Quran considers mutual consultation and discussion (ash-shuoraa), what we know today as direct or popular democracy, to be the correct form of governance. Its dicta and Its laws consider despotism idolatry (shirk), and emphasize justice, equity, fairness and impartiality and deems injustice on a par with ascribing partners to God (shirk) – the only unforgivable offense – and a violation of human rights. The Quran also emphasizes and grants absolute freedom of belief, thought, worship and religion, and considers the sequestration of these freedoms or their restriction to be idolatry, and interference with God's Laws.




The Quran, in Its stories of the Prophets, emphasizes that they are not immune to error except in regard to the divine messages revealed to them. The Revelations come down upon them reproving them, guiding them and correcting their errors. The Quran also emphasizes that the Prophet Muhammad is merely a follower of the religion of Abraham and that it is wrong to favor him over the preceding prophets. It teaches that Muhammad can neither intercede at God nor benefit anyone, and that he does not know the future. It also tells us that most of his companions were not of the category of the strongest in belief (as-saabiqeen), but of the other types. In fact, their actions, after the Prophet, conformed exactly with what the Quran foretold about them; they fell out with one another, they fought and killed each other and set up the prototype of the autocratic, despotic rule which contradicts Islam.




How to combine the two opposites? The Quran, and the exigencies of the age of the Abbasids who administered a theocratic, dictatorial, unjust and oppressive regime, masquerading under religion to give itself a veneer of religious legitimacy.




The solution was to exile the Quran and imprison It between the covers of the “Mus-haff” as nothing more than texts that nobody obeys or pays attention to. At the same time, what was obeyed was their interpretations of the verses of the Glorious Quran, and their exegeses of It. But they were not satisfied with this, so they established another source which they falsely sanctified by relating it back to the Prophet, his immediate family and his companions. These fabrications came to be known as the “ahaadeeth” (the sayings of the Prophet and his comments on various matters) and the “sunna” (what the Prophet used to do and how he did it). But even that was not enough. They were unable to attack the text of the Quran, Its verses and Its distinct, numbered chapters, for these are preserved and protected in God's care. So they decided, instead, to eliminate the effect of whatever rulings, in the Quran, they do not like. They did this under the convention of “abrogation” (naskh). This despite the fact that the term “naskh” in the Arabic Language as used in the Quran, means “confirmation” and “writing”, not elimination, cancellation or abrogation. But that again was not enough! They invented a bogus discipline which they called “Readings and Studies ('uloum) of the Quran” (Qira'aat wa 'uloum-il Quran). If you read “Preciseness in the Studies of the Quran” (Al-Itqaan fee 'uloum -il Quran) by Al-Baaqalaani. or As-Suyouti and believe what they have to say, you would come away with the belief that most of the chapters of the Quran are fabrications. Is there any greater enmity to the Quran than this?




We have inherited this animosity, from generation to generation, from the Abbasids age which has begotten for us the crises in jurisprudence (fiqh), the “hadeeth”, exegesis and interpretation (tafseer), history and the Islamic sects (firaq), and the philosophy of theocracy ('ilm-ul kalaam; or 'ilmu-ut tawheed; or 'ilmul-'aqaa'id). This Abbaside heritage was unable to delete verses from the Glorious Quran. It was not able to distort its verses or chapters because God Almighty made them, themselves preserve the Quran in the “Mus-haff”, but He allowed them to fabricate “ahaadeeth” and other lies outside of the “Mus-haff”. And God declared that they are the enemies of the prophets, those who would write the erring satanic revelations that are contrary to God's Revelations in His Noble Book. (Chapter 6, Al-An'aam, verses 112-117; chapter 25, Al-Furqaan, verses 30-31; chapter 22, Al-Hajj, verses 51-54).




We still revere the sages (a'immah) of the Abbaside age, as well as the companions of the Prophet and we consider them all immune to error, that is above the level of mankind. The proof is that rage that confronts any researcher who dares criticise them or expose their weaknesses. The well established religious wisdom (ath-thawaabit) we grew up with, and which we found our forefathers following, confirms that they are infallible; in other words they are – in plain language – gods! It is Almighty God Alone who never errs, and we say to Him, exalted be His Name, “God be Praised!“ (Subhaan-Allah). The strange thing is that the more one of these sages exhibits animosity to the Quran, the more we revere and exalt him because our actual, practical everyday religion, what we call “the well established religious wisdom” (ath-thawaabit), stems from these very sages and they backed it with a chain of transmitters (al-'an'anah) tracing it all the way back to the Companions of the Prophet.




The most mendacious of the Companions and the one most open to accusations of lying, even in the books of the heritage, is Abu Hurayrah. He accepted Islam late; he lived unnoticed in Madina, in the days of the Prophet. He left Madina for Bahrein but returned after the death of the prophet. He lived a long life and supported the Ummayads, fabricating sayings which he attributed to the Prophet (ahaadeeth), favoring them. He thus became the most famous of the narrators of “hadeeth” from among the Companions and the most respected and revered. He is the one who claimed that a revelation other than the Quran descended upon the Prophet Muhammad which he confided only to Abu Hurayrah entrusting it to him. Mr. Abu Hurayrah claimed that if he ever talked of that other revelation, proclaiminpre-eminenceg it publicly, his soft palate would be cut off. So, fearing for his precious soft palate, he suppressed that second revelation thus depriving the Muslims of half their religion! Therefore, according to this asinine insanity, it follows that Islam was not completed, and that the Glorious Quran has not been perfected and the verse that proclaims, “This day I have completed your religion for you and I have perfected My bounty upon you, and I have approved submission (Al-Islam) as religion for you!” is but a lie, according to Abu Hurayrah's narration and his soft palate. Accordingly, either the verse that says, “This day I have completed your religion....” is to be deleted, or Abu Hurayrah's soft palate story is to be deleted. But.....goodness gracious! How can the story of Abu Hurayrah and his soft palate be deleted? It is, after all, in Al-Bukhary, is it not? And with the Muslims, Al-Bukhary is more sacred than the Quran Itself.




The conclusion to be drawn, my friend, is that, in their history and in their heritage, the Muslims have committed every possible hostility against the Quran except one thing: they preserved every verse in the Quran without changing a single iota, safely in the “Mus-haff”. The reason, of course, is that God Almighty Himself undertook the task preserving It and forced them to comply. They did, by the will of God, preserve the Quran, while at the same time, they contravened, by their actions and by their heritage, the Quran that is preserved in the “Mus-haff”.




Sixth: Let us assume, for argument's sake, or out of ignorance, my friend, that Almighty God had not preserved the Quran and left it open to all these attacks before the Abbaside age and after it. Would the Quran have reached us in its present pristine form which contradicts all the beliefs of the Muslims, their heritage and their history? Would it have reached us with Its peculiar usage conventions, its unique terminology and Its particular concepts which run counter to the conventions and language used by the Muslims in jurisprudence, and theology? Naturally, the Quran we now have in our hands would not be the same had Its preservation been left in the care of the Muslims, with its redaction subject to their whims and their fancies, their religious controversies, their sectarian squabbles and political disputes. It would have been subject to substitution, alteration, distortion, addition and deletion, and would have changed substantially from the age of Abu Hurayrah to the days of the Institute (majma') of Islamic Research and Al-Azhar.




Had God left the preservation of His Holy Book – the last scripture to mankind till the Day of Judgment - to human beings, the original would have been lost and replaced with a number of “Qurans” differing from each other and attributed to some Companions and some sages, and each sect of Muslims would have its own private Quran in which it records the tenets of its belief and its law.




However - and the truth be said – these differences will never prevent them from sharing certain characteristics, as follows:




All the commandments and teachings of the Quran they canceled, these will be deleted from their qurans.




All that they falsely claimed that the Prophet said, as well as all they falsely attribute to Almighty God, under the rubric of “Sacred Narrative” (hadeeth qudusiy), will be written into their bogus qurans.




They will delete, for example, all that the Quran said denying the Prophet Muhammad's power of intercession (Shafaa’) - about 150 verses, his infallibility or immunity from errors (roughly 150 verses) and his presumed knowledge of the future ('ilm il ghayb) (roughly 30 verses) and negating his superiority to the previous prophets (33 verses).




They will substitute in place of the deleted verses, their narrations (ahaadeeth) confirming the Prophet's putative powers of intercession, his presumed immunity from error, the narrations mandating his veneration; his pre-eminence over all other prophets, the inane myth that he is alive in his grave, the importance of pilgrimage to him and the blessings conferred by his grave and his knowledge of the future.




The verses, in the Quran, referring to the values of Islam and to human rights will all be deleted and replaced by traditions allowing killing and bloodshed.




The laws regulating warfare with the idolaters – the terms idolatry (shirk) and heresy (kufr), in the terminology of the Glorious Quran, mean unjustified, unprovoked aggression when used in reference to the level of human relations - restricting it to the repulsion of aggression. These will be replaced with rules mandating fighting all the people until they accept Islam.




Hundreds of verses in the Quran confirming the freedom of thought and belief and relegating to God judgment on differences in belief will be deleted and replaced with fabrications such as “Whoever changes his religion, you shall kill him!” Killing, as a punishment, will be extended to apply to those who have not committed murder. The adulterer and the adulteress, they will be killed not by fabricated narrations and spurious verses such as “The elderly man and woman, if they commit adultery, you shall stone them to death...”, no my friend, indeed it will become sacrosanct in their “Mus-haffs”. They will also convert into holy script the other tens of bloodthirsty narrations as well as the juridical rulings (fataawa) that mandate the killing of those who do not offer their prayers and of homosexuals and those engaging in bestiality, that is sex with animals. We then come upon the piece de resistance, the blessed ruling that says, “The ruler has the right, at his discretion, to kill one third of the community to improve the conditions of the other two thirds!!!”




What is more important than all of this – and I am still addressing you, my friend, is that the fabrication has not stopped. In fact it is gaining speed and strength in our blessed age because the fast moving oil train.




We would have seen a new “Wahhaabi” quran that speaks of the efforts of the Kingdom of Saudi Arabia in feeding the hungry Muslims, and the endless aid caravans, and the efforts of the “Servant of the Two Noble Mosques” (khaadim-ul-haramayn) in enlarging the Mosque at Mecca and the Mosque at Madina, and his generous donations to the victims of a storm in Burkina Fasso !!!. The leaders of the Wahhaabi sect would never pass up the chance to dedicate a chapter or two to exalting their mentor, Sheik Muhammad Ibn Abdil-Wahhaab, and cursing the Egyptian musician, Muhammad Abdil-Wahhaab!




As regards the would be quran of Al-Azhar !!, the narration transmitted by Suyouti in his book “Good Lectures” which says, “Giza is one of the gardens of Paradise.” would be turned into a revealed verse in a chapter that lauds Egypt and “Cairo, the Blessed”, Bulaaq-id-dakrour and Bulaaq-abul-'ilaa. It will be added to other chapters praising Al-Azhar, being the torch-bearer of Islam and but for it Islam would have wandered on in the murk, without light! Oh my goodness! It would also speak of the Grand Imam of Al-Azhar and but for Al-Azhar, the Muslims would have been without a Grand Imam, but, of course, there would be something about the Prophet Muhammad resigning as the “Grand Imam” and forgoing the title out of respect for the sensibilities of the Grand Imam of Al-Azhar and Egypt's historic role.




This mocking, black comedy is no joke for it is no less ridiculous nor less strange than thousands of other stories, narrations and inherited juridical rulings which the Abbaside period transformed into a parallel religion to supplant Islam. These are the curricula we studied at Al-Azhar. And were it not that Almighty God preserved the Quran in the “Mus-haff” all this mental retardation would have become verses and chapters enshrined in distortions of the Quran. But God forced the Muslims, with all their hatred for the Quran, to preserve the “Mus-haff” which remains with us, pure and unsullied and shall remain a witness (hujjah) against the Muslims till the Judgment Day.




Seventh: God's preservation of the Quran was in stages:




The first: His safeguarding of the Quran the instant of its transmission from on high to the heart of Muhammad in our material world. In the terminology of the Quran, the heart is the self or the mind. In that non-material plane, about which we know nothing, and which pervades our material world going through it and surpassing it, time, as we know it, ceases, and the speed of transmission exceeds the limits of human knowledge, according to the implications in the Glorious Quran. The preservation of the Revelation here was the prevention of interference through wave transmissions by the denizens of that non-material plane, that is the Jinn and the devils (ash-shayyaateen). (Chapter 72, Al-Jinn, verses 8 – 10; chapter 37, As-saafaat, verses 7 – 11).




The second: After transmitting the Quranic Revelation, through the agency of Gabriel in written form and printing It into the heart of the Prophet, it was beyond the reach of the Prophet, and his human whims and weaknesses could not affect the preservation of the Revelation or its delivery. (Chapter 42, Ash-Shouraa, verse 24; chapter 17, Al-Israa', verses 73 – 75 and 86 – 89; chapter 69, Al-Haaqah, verses 43 – 47; chapter 5, Al-Maa'idah, verse 67).




The Third: Is the ongoing process of preservation represented by the dogged care the Muslims show for the “Mus-haff” to the extent of writing it in the same “Uthmaani” style, in attribution to the third Khalifah, 'Uthmaan Ibn 'Affaan.




'Uthmaan, during his incumbency (khilaafah), prohibited the Muslims from writing the “Mus-haff” in the ordinary Arabic writing and mandated that they use the writing that the Prophet Muhammad used to write, in his own hand, the first copy which was with the Lady Hafsah, the 'Mother of the Believers'. 'Uthmaan collected all the varying copies of the “Mus-haff” from the conquered lands (al-amsaar) and burned them in order that the Muslims might use copies made from the original text written in the unique Quranic way, from his day till the end of time. And to this day the “Mus-haff” bears his name; it is referred to as being in “The 'Uthmaani Style”. The Numerical Miracle embedded in the text of the Quran confirms this unique way of writing to be the original and proves that the Quran has not undergone any changes in any way.




'Uthmaan's great care of the “Mus-haff” and his insistence and strong determination to record the Quran in the same manner as the Prophet did, in spite of the opposition of some Companions and many of the Muslims of the conquered lands is in marked contrast with his gentle nature and his not always correct behavior during his incumbency. That behavior is contrary to the justice of Islam and and the teachings of the Quran. His care of the “Mus-haff” also contrasts with his insistence on remaining in power until his natural death or his assassination. He was fully aware of the problems that his assassination, at the hands of those in revolt against him, would cause, but he ignored the advice he was repeatedly given to resign, “I shall not take off a garment in which Almighty God dressed me!” He thus set a bad precedent for the despotic rulers who came after him, not only in wanting to remain in power for life and rejecting reform, but also in considering the mantel of power a God given garb that must not be taken off. This is in fact what happened later with the sacred theocratic rule where the dictator claims that he derives his authority not from the people but from God, and that he is not answerable to the people but only to God, on the Day of Resurrection.




All this is contrary to the Islamic principle of consultation (ash-shouraa) and in contravention of the teachings of Islam. 'Uthmaan, during his incumbency was a pioneer, in the history of the Muslims, in financial corruption, nepotism and favoritism, and in unduly coveting power even if that would lead to civil wars. All of this is squarely against the Quran, and yet he was also a leader in the matter of preserving the Quran in the “Mus-haff”. And in compelling the Muslims to adhere to one standard “Mus-haff” written in the way the Prophet wrote it, he acted with unaccustomed determination, rigidity and strength that he was not known for. The matter is not about 'Uthmaan and his personal behavior, his policies or his weak, indecisive personality; it is about a divine miracle that compelled the 'Uthmaan and the Muslims after him to preserve and safeguard the Quran in the “Mus-haff” regardless of their hatred of Its commandments and Its laws.




Eighth: In the evidence to support this truth, we present a verse, repeated twice in the Quran, that asserts that God safeguard the Quran in spite of the idolaters-Muslims. It reads, “It HE who sent HIS Messenger with the guidance and the religion of truth, to make It dominant over all religion, in spite of the idolaters!” (Chapter 9, At-Tawbah, verse 33; chapter 61, As-Saff, verse 9).




Hatred of the Quran is one of the basic conditions for idolatry. This is a truth the Quran Itself confirms about the idolaters of Makkah and the idolaters of among the companions who were hypocrites. ( Chapter 9, At-Tawbah, verses 64-65 and 67; chapter 10, Yunus, verses 15 – 16; chapter 8, Al-Anfaal, verses 31 – 32; chapter 22, Al-Hajj, verse 73; chapter 47, Muhammad, verse 26).




This hatred is still ensconced deep in the hearts of the extremist Muslims to this day! And I have personally suffered from it in Egypt. They had no answers to the verses of the Quran I would quote. They could not negate them, or demand that they be deleted or declare their rejection of the verses. They could not defend the sayings of their sages and leaders that were in contradiction of the Quran. The only way left was to direct hatred at me! The description, in the Quran at chapter 22, Al-Hajj, verse 73, of the look of hate on the faces of the idolaters when they hear the Quran, would clearly appear on the faces and in the eyes of my detractors as I read the Quran, using It to support my arguments in sermons, lectures and rallies. This hatred appears clearly now in their dealings with me , when I prove, by means of the Quran, the contradiction between their established tenets (thawaabit) and what they found their forefathers practicing, and the truths of Islam. At this point, I get deluged with abusive and insulting letters in the foulest language imaginable.




Had they been in the right and I in the wrong, they would have responded by presenting to me their best possible argument, as the Quran teaches. But they are following the teachings of a religion that is not compatible with Islam and the Quran. They defend their sages, their preachers and their gods not by rational arguments – they have none – but by the only thing they do have, foul language and insulting words. Their real hatred is not towards me personally, for there is no personal dispute between them and me or any relationship that might evoke friendship or animosity. The only reason is that use the Quran to support my arguments in the articles I write. When I write about politics, away from from using the Quran in support of my arguments, they do not become angry. Their anger and their animosity is directed essentially at the Quran, and by extension to all those who believe in It and who fo;;ow Its dictates and defend It.




Let us get back to the verses that was twice repeated in the Quran and study it.




Almighty God describes Himself as, literally, “He it is, who...” (also “He is the One who...”, or “It is He, who...”) This Quranic expression occurs always in the context of matters beyond the Prophet's and human capability, and can only be accomplished by Divine intervention. Among these matters is that He It is who sent His Messenger with the Quran which is described as “The Guidance”, and “The Religion of Truth” (or “The Right or True Religion”). Among these matters, also, is He It is who sent him with this Quran to make it dominant over all religion, in spite of (the opposition of) the idolaters.




How will God make It dominant over all else? By war and compulsion? This is contrary to a thousand verses in the Quran that confirm the freedom of belief, also it contradicts history. The Muslims, until they used Islam to build an Arab empire, were not able to coerce all the nations to enter Islam, so they were satisfied with demeaning those who insisted on retaining their religion and called them, literally, “Those Protected by the Conscience (of the community)” (Ahl-idh-dhimmah). Thus, making the Quran dominant means preserving It as a benchmark for the human race.




The Quran repeatedly states that among Its purposes, with regards the “People of the Book”, is narrating to them most of what they differ on (76), and that It comes to confirm the previous Divine Scriptures and “supersede Them”! (Chapter 5, Al-Maa'idah, verse 48). That is the meaning of making the Quran dominant over all religion, by preserving It for all time as the scale, the final arbiter of right and wrong in all of religion, to which people might refer. I mean, of course, those wishing to be rightly guided in matters of religion. On the Day of Judgment It will be used as evidence for or against mankind, after serving as a criterion in this life. God confirmed this by describing the Quran as “the balance” or “the scale”; it is God given and every believer should weigh his belief and his behavior on it, and God shall safeguard It till the Day of Judgment as a sign of the nearing of which It was sent down. (Chapter 42, Ash-Shouraa, verse 17; chapter 57, Al-Hadeed, verse 25; chapter 7, Al-A'raaf, verses 1 – 3 and 8 – 9).




The problem here is that the idolaters hate the Quran. It would, in fact, be a problem if the matter were up to them, but as long as God has guaranteed the preservation of the Quran, He will make it dominant in spite of the idolaters.




Someone might say that that verse speaks of the idolaters, not the Muslims, we answer that God speaks of belief and idolatry in the Quranic terminology, not in the terminology of the later Muslims.




We assert here that the term “Islam”, in dealing with Almighty God, means submission to Him, Alone, and coming to Him with a pure heart unsullied by idolatry or heresy. As for “Islam” in dealing with people, it means being peaceable and not attacking anyone without just cause. This is what people can judge, depending on demeanor of each person. Consequently, idolatry and heresy have the same anti-Islamic meaning, in matters of belief. Heresy (kufr) is the covering of pure instinct with belief in and the deification of human beings, stones and the angels. Idolatry (shirk) considering that Divinity is a partnership between God and any of His creatures. This, of course, is contrary to the Oneness of God, there is no God with or besides Him; He did not beget, nor was He begotten and nothing is like unto Him. This heresy and idolatry, God shall judge upon them on the Day of Judgment for there is no way that for human beings to judge faith or intention. On the human level, idolatry and heresy together mean injustice, aggression and crime. It is possible to specify the idolater and the heretic, not by his belief or lack thereof, but by his behavior and his actions. On this basis, Bin Laden is a heretic and an idolater as attested to by his actions that we witnessed.




Sometimes, people will write down their beliefs, which are contrary to Islam in that they deify persons and elevate them to the status of gods, and yet claim to be followers of Islam. Some Muslims, on the other hand, will sanctify people and stones elevating them to a status of holiness, under the banner of Islam, and will offer them rites and rituals including pilgrimage and sacrificial offerings, prayers and reverence and circumambulation (tawaaf) similar to or more than the worship of God. They consider that such acts will bring them closer to God. Here a warning must be given; one must refer back to the Quran and weigh such acts in Its scales to determine whether they are acceptable. This is what we do, and this is the reason why we are made to suffer oppression and harm.




The important thing is that the Muslims fall into idolatry and heresy in their devotional sense, by their sanctification of men and stones, such as mausoleums (adrihah) and the graves of “holy” men or women (qubour). They also fall into idolatry and heresy in their behavioral sense, that is, aggression and injustice in its widest sense (dhulm). This is in fact what the Companions started with upon the death of the Prophet Muhammad; what is falsely called the “Islamic conquests”. In the lexicon of the Quran these “conquests” are nothing more than aggression, heresy, idolatry and injustice that the Lord of Glory would not approve or like. And yet we call them Muslims and we admonish the Muslims who are alive with Islam and the Quran and invite them to repent, and we warn them that what they are falling into is heresy and idolatry and rejection of Almighty God. We do not pronounce them heretics and idolaters, we merely admonish them to be aware of falling into them.




We go back to our subject and say: Even though the Muslims have fallen into idolatry and heresy in both senses of the words, and even though they persist in, and have legitimized such behavior with false narrations attributed to the Prophet, and spurious interpretations of the Quran, and despite their hatred of It, and their hostility to any invitation to appeal to the Quran for guidance, they are, by a miracle of God, driven to safeguard the Quran in the pages of the “Mus-haff” and, at least outwardly, glorify It. That is why they rose in great anger and frustration against the violation of the “Mus-haff” by some American soldiers, while they themselves violate Its teachings in their prayers, their mosques and all aspects of their lives.




In the story of Moses, God, in one of His miracles, made Pharaoh himself undertake the rearing and care of Moses, such that in the end Moses might become an enemy and a source of sorrow for Pharaoh and his people. (Chapter 28, Al-Qassass, verses 3 – Cool. In similar fashion, did the Creator, may He be exalted, make the bitterest enemies of the Quran, the very ones to undertake the task of caring for and safeguarding the “Mus-haff” despite their hatred of Its teachings, such that in the end It might become an enemy and a source of sorrow to them if they do not repent before drowning and death.




The funny thing is that this noble verse, which was twice repeated in the Quran, the Muslims extremists have tried to twist Its meaning among their other efforts to transform Islam into a bloodthirsty religion. They falsely claimed that the Prophet said, “I have been commanded to fight the people until they say, 'The is no god but God.........” They this turned the Prophet into a brigand of the type the Arabs of Najd were used to. They attributed to him the saying, “My livelihood (rizqee) is in the shadow of my lance!” They overlooked the fact that God sent the Prophet Muhammad as a blessing to mankind, not to terrorize mankind. The Almighty says, “Indeed in this there is a proclamation for a worshiping people. WE did not send you but as a mercy for mankind (al-'aalameen)”. (Chapter 21, Al-Ambiyaa' verses 106 – 107). But the Wah-haabi preachers still begin their sermons and their rallies by describing the Prophet Muhammad as, “The one sent just ahead of the Hour ( i.e., as a harbinger of the Day of Resurrection) with the sword to make it dominant over all religion, in spite of the disapproval of the idolaters!” That is, my friend, they were not able to cancel that verse from the Quran, so they twisted its meaning and confirmed the distortion with other fabricated narrations.




Thus do they do! They persist in lying about God and His Messenger, while the Divine safeguarding of the Quran also persists and the It will be used in evidence against them on the Day of Judgment. He, the Almighty, is the Supreme Witness of their distorting His Noble Book! He says, “Those who distort Our Revelations, cannot hide from Us. Is one who gets slung into Hell better, or one who comes safe and sound on the Day of Judgment? Do what will! He sees all that you do! After this, the Almighty says, in connection with safeguarding His Noble Book, “Those who rejected the Reminder when It came to them – It is indeed a Noble Book; no falsehood shall come to It from before It or from behind It – Revealed by One Wise and Praiseworthy! (Chapter 41, Fussilat, verses 40 – 42.




Ninth: Their hatred of the Quran and their disobedience of Its laws reached the point of violating the “Mus-haff” itself. Here we give some quick examples:




1 – The Umayad Khalif, Al-Waleed Ibn Yazeed Ibn 'Abdil-Malik; he was in power from 125 AH to 126 AH. The people hated him for his debauchery and his crimes, so they killed him. He had not reached the age of forty. They said of him, “His uncle, the Khalif Hishaam Ibn 'Abdil-Malik, put him in charge of the Pilgrimage in the year 116 AH. He was then heir to the throne. He took with him dogs in crates, and he built a dome (qubbah) the size of the Ka'bah intending to put it over the Ka'bah, and also took with him liquor (khamr). He wanted to set up the dome on the Ka'bah and sit in it, but his friends scared him off, So he assembled the singers of Makkah and turned his attention to entertainment. Another version of this story is that the sages of Makkah objected when he wanted to set up his dome on the Ka'bah and threatened to burn it down; they were headed by Sa'd Ibn Ibraahim Ibn 'Abdir-Rahmaan. They said of him, Al-Waleed, when he came to power, “He was well known for his atheism (ilhaad); he was preoccupied with the pursuit of pleasure, fun and with drinking.” In the first speech of his cousin, Yazeed Ibn-il-Waleed, who killed him and took power, said, describing him, “When Al-Waleed demolished the signs of right guidance and extinguished the light of the righteous, he was a tyrant who permitted the unlawful and who did not believe in the Book or in the Day of Reckoning.” This was not the only testimony against him. He was accused by the Banu Haashim of heresy, heathenism (zandaqah) and incest with the mothers of his father's children (mothers in law ), This behavior was reflected in his dealings with the “Mus-haff”. In the story of a famous incident, it is said that one day he opened the “Mus-haff” for commencing and got the verse in which the Almighty says, “...and seek inspiration. Every stubborn tyrant shall fail!” So he threw the “Mus-haff” down and slung arrows at it saying – in poem ;




, “You threaten me with being a stubborn tyrant? So here I am, that stubborn tyrant! When you get to your Lord on the Day of Gathering




Say, My Lord Al-Waleed riddled me with holes.”




(See “The Complete History” (Taareekh al kaamil) by Ibn Il-Atheer, volume 4, page 486. Also Al-Muntadhim by Ibn-Il-Jawzi, volume 7, pages 236 – 248.)




2 – Sheik Ibn Il-Baqaqi, one of the notable leaders of the Sufis of the ninth century AH. His name is Ahmad Ibn Muhammad Al-Misriy. He was a contemporary of the famous judge, Ibn Daqeeq Al-'Eed, but the other judges conspired against him, so they sentenced him to death on a charge of apostasy. He became well known for his dissoluteness, and for mocking religion. He deliberately did not fast Ramadan without justification and, “He used to put the “Mus-haff” (ar-rub'ata-sh-shareefah) on the floor and climb onto it to reach for things on the shelf.” (Ibn Hajar, “Ad-durar il kaaminah”, volume 9, page 329.)




3 – A sufi scholar, famous in his day, Sheik 'Afeef-ud-Deen At-Tilmisaani (died 690 AH); it was said of him, “Many gross things in both word and deed were attributed to him, in matters of belief, in “Union of the Divine with the sufi” (huloul) and “Union of the sufi with the Divine” (ittihaad), and heathenism (zandaqah). He did not consider adultery with any woman to be unlawful, and considered incest with mother and daughter to be lawful and he used to say, “These uninitiated (Al-Mahjooboun, i.e., those who are not of the sufi sect) say, “Unlawful!” (haraam); we say, “Unlawful for you!” (haraamun 'alaikum)”. Ibn Taymiy-yah said of him, “He is among the most cunning (hudhaaq) of those who knowingly preach “Union” or “Oneness” (ittihaad).” We shall briefly explain some of these words that we might understand what Ibn-Taymiy-yah is saying about At-Tilmisaani. “Union” (ittihaad) in the language of the Sufis, means the sufi ascending to be one with Almighty God, exalted be He, far above this, and (huloul) to them means the Divine Self descending to be one with the Sufi, and the Unity or Oneness of Existence (wihdat-al-wujoud) to them means that there is no difference whatsoever between the Creator and His creation, and that God has no existence outside of His creations for He is the essence of all creation. The most notorious proponents of this doctrine were Al-Hallaj, Ibn-il-Faarid and Ibn-'Araby; this 'Afeef-ud-Deen At-Tilmisaani was a student of Ibn-'Arabi's.




Let us now follow up on what Ibn-Taymiy-yah has to say about him: “He used to practice what he preached; he used to drink wine and indulge in the unlawful. A person I trust told me that he, At-Tilmisaani, read to him a book - “The Nuggets of Wisdom” (Fusous Al-Hikam) by Ibn-'Arabi. He had thought that it was by one of God's righteous servants endowed with knowledge. But when he saw that it contradicts the Quran, he said to At-Tilmisaani, 'This contravenes the teachings of the Quran!' At-Tilmisaani replied, 'The Quran is all idolatry, but “Oneness” (tawheed) is to be found in our words. He, my interlocutor, told me of a person who was with him and who had been with the last companion of At-Tilmisaani. They came upon a mangy dog, dead on the road. His comrade said to him, “This too is the Divine Self?” He replied, “Is there is anything outside It? Yes indeed everything is part of the Divine Self! ”




The same story was repeated in Alexandria in the ninth century. The sage Al-Biqaa'i relates it in his “History”. He said, “One of them said to his companion that God Almighty is the essence of all things. A donkey passed by them, so he said, “And this donkey?”, he replied, “And this donkey!” The donkey then evacuated its bowel, so he said, “And this mess?”, He replied, ”And this mess!”” (“History” by Ibn-Katheer, volume 13, page 326; “Flecks of Gold” by Ibn-Il'imaad Al-Hambali, volume 5, page 412; “Collected Letters and Questions” by Ibn-Taymiy-yah, volume 1, page 145; “History” by Al-Biqaa'i, manuscript, sheet 123.)




4 – There are, in the second volume of the book, “The Great Levels” (At-Tabaqaat Al Kubraa) by the sufi scholar, Al-Imaam Abdil-Wah-haab Ash-Sha'araani, astounding details of this type, he mentions about the holy lunatics (majaadheeb) of his day and the sufi sages. He writes about with pride in what they say and what they do, because the age he lived in believed in the sufi sages and deified them. Ash-Sha'araani is the most famous of the religious scholars of the tenth century AH. He lived towards the end of the Mameluke Age and some time into the early Ottoman Age; his many books dominated the thinking of succeeding generations until fairly recently. We shall cite some of what he has to say about his teachers (ashyaakhihi):




“Sheik Ibraaheem Al-'Iryaan, may God be pleased with him, used to climb the pulpit (mimbar) and deliver the sermon nude, and would say, 'The Sultan, Dumyaat, Bab-il-Louq, Bayn-al-Qasrayn and Ibn Tuloun mosque, Praise be to God, Lord of All Creation.' The people would experience great pleasure!”




And of Sheik Sha'baan Al-Majdhoub (literally the holy lunatic), he said, “He used to recite chapters other than those in the Quran, in the mosques on Fridays and at other times. Nobody ever objected or took him to task, and the ordinary layman used to think that they were from the Quran owing to the similarity of their rhythm to the real thing. Once I heard him reciting at the door of a house, so I listened to what he said. I heard him say, 'You are not, in believing Houde, truthful.' Then he said, 'And indeed God has sent us, at the cities that were turned upside down (al-mu'tafikaat), a people who beat us and take our property and none have we to help us'. Then he said, 'God render the reward of the noble words we read in in the books (sahaa'if) of so and so, and such and such...' to the end of whatever he said. The people had excessive faith in him, and no one took him to task or objected to anything he said or did; indeed, they considered seeing him a great joy!”




Of Sheik Muhammad Al-Khudari, Ash-Sha'araani said, “He used to say strange and wondrous things. In his periods of lucidity and when he was able to, he spoke in such terms as no-one can bear to hear against the prophets.” “On a Friday he was asked to give the sermon (al-khutbah), so he climbed the pulpit and said, 'I bear witness that no god have you but Iblees, may peace and blessings be upon him!' The people said, “Heresy!” (kufr) at which he drew his sword and went down, so the people all fled from the mosque. He sat alone by the pulpit till the call for the afternoon prayer! No one dared enter.”




We shall be satisfied with that much. Whoever wishes to read more should read “The Great Levels” (At-Tabaqaat Al Kubraa) by Ash-Sha'araani, volume 2. It is in print and readily available.




5 – In our modern day and age, some members of the Muslim Brotherhood (Ikhwaan Al-Muslimeen), who were victims of torture in prison, described some of the methods of torture they suffered; these included cursing God, Exalted is He, far above this, and tearing up the “Mus-haff” . I myself heard from the writer and journalist, Abdil-Mun'im Al-Jiddaawi, who is one of the renowned editors of the “Events and Issues” pages, how 'Abd-in-Naasir's regime fabricated evidence against the Brotherhood from within one of the journalistic establishments, and among such fabrications was the placing of handguns inside the covers of the “Mus-haff” and accusing the Brotherhood. This was published in the press; I still remember the pictures, and I believed then that it was the work of the Brotherhood! Maybe the same thing happened in Saddaam Hussein's prisons to make the religious prisoners suffer by desecrating the “Mus-haff”. So, as you see, the American soldiers were not the first to commit this heinous crime. Maybe the coming days will expose scandals of this kind in the Arab prisons, but there will be no demonstrations in protest because we are too busy criticizing the West and America and have no time to look at ourselves, our heritage and our history!




6 – I myself witnessed the battle of Matariyyah on the 2ndof November 1987, In that battle, a small army, in military transport, was armed with machine guns and automatic weapons. The army consisted of tens of gallant soldiers and a few brave officers. The enemy camp was roughly midway between Matariyyah Square and Mostorod Bridge, the boundary between Cairo and Qalyubiyyah governorates, an area of approximately four square kilometers. The army moved slowly in two directions to pounce on the enemy by surprise. And at 3:00 AM, before daybreak, the heroes were able to capture and occupy the entrance of the building in which the enemy held out, I mean, lived. A formation then proceeded upstairs in the building to secure all the apartments and to ensure that none will join in the battle. After that, the enemy camp, sorry, I mean the apartment the enemy was hiding out in, was stormed and the enemy was captured in his office, sitting on the floor, at a traditional low dinner table (tabliyyah), piled high with the Noble “Mus-haff” and various books, many with open pages, while he was deep in thought, concentrating on his writing! The enemy author was startled by the army storming his office and the screaming of his children as the boots of the valiant soldiers wrecked the place and trampled the Noble “Mus-haff” underfoot in search of his lethal weapons which consisted of a ball point pen and some sheets of paper and a “Mus-haff” in which he looked up the verses he needed, and some books on Islamic heritage to which he referred. The corpus delicti was a book the sinful enemy was writing under the title of: “The Law of God and the Law of Man” in which he compares the Laws of the Quran in terms of objectives, foundations and rulings, with the juridical promulgations based on the Narrations and Traditions of the Prophet (Sunnah). The intent was to demonstrate the stark contrast between The Quran and the tradition based jurisprudence, in order to block any attempt to falsely exploit Islam for political or other worldly ends.




The enemy had completed the first volume and was in the middle of the second, planning to complete the research in five volumes. But the heroic armed forces liberated – I mean impounded - the manuscript in evidence. They did not forget to collect all the bits and pieces of paper with the scribbled notes, thoughts and memorandums for the book.




During the melee, the boots of the heroic soldiers unwittingly trampled underfoot and destroyed a number of “Mus-haffs” and books of the writer which are replete with quotations from the Quran. And by an act of great generosity and nobility of mind, the commanders of the little army allowed the captured enemy author to offer a prayer to Almighty God before being led out, a prisoner, into the dark night headed for the unknown and bid farewell by the screams of his terrorized children and wife.




That is exactly what happened to me on the night of November 2nd, 1987. This did not happen because they hate me personally, but because they hate the Quran to which I dedicated my life and consequently earned the hostility of the Muslims.




My dear friend, the ignorance of the Arabs is indeed great! I wish you always a long life, my dear friend, may you live long!

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমনে কি বাংলার থে আরবি বেশি বুঝেন??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কমেন্টে দেখি নতুন স্টাইল যুক্ত হয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ্

"নেট থেকে র্ধম শিখার কারণেই আপনারদের এই করুণ হালত",

ভাই কোথায় থেকে শিখব? আপনার কাছ থেকে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কার কাছ থেকে শিখতে হবে এটা আমি বলি নাই। আমি বলেছি যারা ইসলাম ধর্মের চৌদ্দ গোষ্টি উদ্ধারের স্বপ্নে বিভোর হয়ে দিন রাত স্যাটায়ার তৈরী করে চলেছে তাদের জ্ঞানের দ্বৈন্যতা প্রকট। তারা ইসলামে নবীর পরে গাজ্জালীর স্হান মনে করে। অথচ আমাদের স্কুলের একটা তৃতীয়, চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রও জানে যে, ইসলামে নবীর পরে কাদের স্থান। সত্য সন্ধানে বিমুখ ও সত্যের বিরোধীতায় যারা চব্বিশ ঘন্টা লেগে রয়েছে তাদের দ্বারাই এমন অকল্পনীয় মূর্খতার প্রকাশ সম্ভব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একদম ঠিক কথা ভাইজান।

কিছু মূর্খের রেফারেন্স আগে দিয়েছি, ওনাদের হেদায়েত করতে পারলেই আমার কথা তুলে নেব। আমার কি দায় পড়েছে গাজ্জালীর অবস্থান কোথায় এ নিয়ে পাড়াপাড়ি করতে।

আপনার কাজ আমিই তো সোজা করে দিচ্ছি। সকলকে সীমিত ইসলামী জ্ঞান নিয়ে বই পুস্তক লিখতে, "নেট" এ লেখালেখি করতে নিষেধ করে দেন। আমার মত ইসলাম বিদ্বেষীরা ভাতে মারা যাবে।


Imam Abu Hamid al-Ghazali is considered by many the most influential scholar in Islamic history, beloved by Muslims and non-Muslims alike. His works have influenced millions of people and contributed greatly to the Ummah.

http://polymsa.org/?p=939


ওনার জীবনি আগে বিশেষজ্ঞ আলেমদের লেখা থেকে জানেন, তাদের থেকে ওনার মূল্যায়ন শিখেন।

mam al-Ghazali is arguably the most influential Muslim after
the Prophet Muhammad  and the Four Rightly-Guided
Caliphs.
http://www.aalalbayt.org/docs/120129-Ghazali-Chair-ENG.pdf

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার কোন লিংকেই আমি ঢুকিনাই। আপনার শেষ লিঙ্কটি শিয়াদের। আমি আপনাকে সহ সকল নাস্তিক ভাইদের ও হাদীস অস্বিকারকারী ফারুক ভাই ও মজবাসার ভাইকে অনুরোধ করব যদি আপনারা সত্যিকার অর্থেই জ্ঞানানুসন্ধানকারী হন তবে আপনাদেরকে অবশ্যই দুইটি বই পড়তে হবে। একটি হল আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড:আহমদ আমীনের "দুহাল ইসলাম" আরেকটি হল আমাদের সুপ্রিম কোর্টের জাষ্টিস আব্দুল মওদুদ সাহেবের লিখা "মুসলিম মনীষা" এই দুইটি বই পড়লেই আপনারা ইসলামের সকল দল গুলোর বিস্তারিত ইতিহাস ও সকল মুসলিম ইস্কলার্সদের মতবাদ ও দর্শন সবিস্তারিত ভাবেই জানতে পারবেন। দুটি বই ই বাংলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে পাওয়া যায়।

এবারে ইমাম গাজ্জালী সম্পর্কে কিছু বলি। ইমাম গাজ্জালীকে বলা হয় ইসলামের সুফিবাদের পরিপূর্ণ একাডেমিক রুপকার। তিনিই সুফিবাদকে একটি ইসলামিক প্রামাণিক অবকাঠামোতে দ্বার করিয়েছেন। এই জন্যই বিশেষ করে শিয়ারাও তার ভক্ত। কারন ইসলামের সুফিবাদের অধিকাংশ মাল মসলাই শিয়াদের (আধ্যত্মত্ববাদী) থেকে আগত। এরিষ্ট্যাটল ও প্লোটের অনুসরণকারী মুসলিম দার্শনিক ইবনে সীনা ও আল-ফারাবীর দর্শনকে কুফরী দর্শন আখ্যা দিয়ে ইমাম গাজ্জালী তুহফাতুল ফালাসীফা (দার্শনিকদের উপহার) বইটি রচনা করেন। যার কারনে তাকে সুন্নী মুসলিমরাও শ্রেষ্ট মুসলিম দার্শনিক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু তার পরে তার তুহফাতুল ফালাসিফা কে খন্ডন করে আরেক যে মুসলিম দার্শনিক বই লিখেন তিনি হলেন বর্তমন ইউরোপিয়/পাশ্চাত্য দর্শনের জনক ইবনে রুশদ। তার বই এর নাম ছিল তুহফাতুত তাহাফুত। মানে ইমাম গাজ্জালীর তুহফাতুল ফালাসিফাহ এর খন্ডন। এই ইবনে রুশদ এর দর্শনই আজো ইউরোপে পড়ানো হয় Averroism নামে। তবে ইবনে সিনা, আল-ফারাবী, ইবনে রুশদ কেউই প্রচলিত অর্থে মুসলিম ছিলেন না। সবার মধ্যেই কোরআন বিরোধী নাস্তিকতা বিরাজমান ছিল।

যাই হোক যেটা বলতে ছিলাম তা হল, ইমাম গাজ্জালীর পরিচিতির ব্যাপারে। অন্যদিকে তিনি ছিলেন নিজামুল মুলক বিশ্যবিদ্যালয়ের প্রধান। এবং বলা যায় তার প্রনীত পাঠ্য সুচিকেই আমাদের উপমহাদেশের আলীয়া মাদ্রাসাগুলো অনেকাংশেই গ্রহণ করেছে। তাই তাকে ইসলামিক স্কলার্সদের নক্ষত্রমন্ডলীর মাঝে একটি নক্ষত্র বলা যেতে পারে। কিন্তু তার অবস্থান ইসলামে নবীর পরে তো নয় ই বরং তার পূর্বে ইসলামিক ইস্কলার্সদের তালিকায় প্রায় কয়েক হাজার নাম আসবে। এমনকি আরেক ইসলামিক স্কলার্স ইবনে তাইমিয়া তাকে সঠিক মুসলিম বলেও মনে করতেন না, এবং এখনও সৌদী ৯৯% আলেম তাকে ইসলামের সঠিক অনুসারী বলে মনে করেন না। যেহেতু তিনি সুফিবাদীর অধিনায়ক ছিলেন বলা যায়।

তাই বলছিলাম যে, ইমাম গাজ্জালীকে নবীর পরেই ইসলামিক ইস্কলার্স মনে করা ইসলাম সম্পর্কে নিরেট মূর্খরতারই পরিচায়ক। আপনারা ইসলামের বিরুদ্ধে পোষ্টের পর পোষ্ট লিখে যান, নবীর চরিত্র হানী করার জন্য স্যাটায়ারের পর স্যাটায়ার লিখে যান, মুক্তিবুদ্ধি চর্চার নামে নিদারুন হাস্যকর মূর্খতার পরিচয় দিয়ে যান পোষ্টের পর পোষ্ট লিখে। অভিযিৎ রায়দের জ্ঞানের সীমা কতটুকু তা মুসলিমরা ভাল করেই যানে। তাই আপনাদের এই সকল মূর্খতার জবাব দেয়াকে মুসলিমরা সময়ের অপচয় বলেই মনে করে। আগে ইতিহাস পড়ুন, ইতিহাস জানুন তার পরে জ্ঞান বিতরন করুন। তা না হলে ইচ্ছা কৃত ভাবে সত্যকে মানুষের কাছ থেকে দূরে সরানেরা হাস্যকর অপচেষ্টার নিদারুন পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নবীর চরিত্রহানীর স্যাটায়ার দেখি বার বার আউড়ে যাচ্ছেন, এইটা ঠিক কার উদ্দেশ্যে বলা? আমার কোন লেখা যদি হয় তো সেখানে গিয়ে দেখান নবীজি কোথায়। কোথায় তার চরিত্রহানি।

আমার কোন লিংকে আপনি ঢূকেন নাই এটা খুবই ভাল সংবাদ। যদিও লেকচার দিয়ে যাবেন নিজেই সব জানেন বলে।

শিয়া সুন্নী, কে ইসলাম জানে কে জানে না এইসব নিয়েই থাকেন। নিজেদের ভাই ব্রাদার যারা নিজেরা যা শুনতে চান না তা ছড়ায় তাদের কিছু বলবেন না। ফারুক ভাই এর লেখা যে পুরা স্বার্থক তার মোক্ষম প্রমান দিলেন।

সোজা কথায় বলে দেন না যে আমি যেসব লিংক, এমনকি বিশাল এক বইও দিলাম সবই ভুল। লেখকগন সকলে অভিজিত রায় থেকে শিক্ষা পেয়েছে। হাস্যকর কি সেটা বোঝেন?

শিয়ারা কি অমুসলমান?

গাজ্জালীর তেমন কোন গুরুত্ব নেই ফতোয়া আকারে অন্তত বলে দিন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গাজ্জালীর তেমন কোন গুরুত্ব নেই, আমি বলি নাই। আমি বলেছি,

তাকে ইসলামিক স্কলার্সদের নক্ষত্রমন্ডলীর মাঝে একটি নক্ষত্র বলা যেতে পারে। কিন্তু তার অবস্থান ইসলামে নবীর পরে তো নয় ই বরং তার পূর্বে ইসলামিক ইস্কলার্সদের তালিকায় প্রায় কয়েক হাজার নাম আসবে। এমনকি আরেক ইসলামিক স্কলার্স ইবনে তাইমিয়া তাকে সঠিক মুসলিম বলেও মনে করতেন না, এবং এখনও সৌদী ৯৯% আলেম তাকে ইসলামের সঠিক অনুসারী বলে মনে করেন না। যেহেতু তিনি সুফিবাদীর অধিনায়ক ছিলেন বলা যায়। তাই বলছিলাম যে, ইমাম গাজ্জালীকে নবীর পরেই ইসলামিক ইস্কলার্স মনে করা ইসলাম সম্পর্কে নিরেট মূর্খরতারই পরিচায়ক।


আপনার প্রদত্ব শিয়াদের একটি লিঙ্ক ছাড়া আর কোনটাতেই এটা নেই যে, নবীর পরেই গাজ্জালীর অবস্থান। আমি ষ্পষ্টভাবেই বলব, যারা মনে করে ইসলামে নবীর পরে ইমাম গাজ্জালীর অবস্থান তারা ইসলাম সম্পর্কে ১০০% মুর্খ। হোক সে শিয়া মুসলিম অথবা নাস্তিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাঃ বাঃ।

শিয়ারা কি অমুসলমান, এইটার জবাব দেন না কেন? শিয়াদের সূত্র কেন গ্রহনযোগ্য হবে বা? নবীজি বা ইসলামের পক্ষে লেখালেখি করলে তো পশ্চীমা খৃষ্টান কারেন আর্মষ্ট্রং বা এই রকম আরো অনেকেও শক্ত রেফারেন্স হয়। আর এখন এই সামান্য ব্যাপারে শিয়া সুন্নী বের করা শুরু করছেন? আপনারা পারেনও। দুনিয়ায় মুসলমানের সংখ্যা কত এই হিসাব কি শিয়াদের বাদ দিয়ে করা হয়?

আপনে কি বলেন তা আপনের ব্যাপার। একজনের চোখে বিরাট আলেম, আবার আরেক জনের কাছে সেইই কাফের, জালেম। নিজামী, গোলাম আজম সাঈদীও অনেকের কাছে বিরাট আলেম। মওদুদী অনেকের কাছে ঘৃণ্য, বাংলাদেশে তার বইপত্র নিষিদ্ধ, সে আবার আরব দেশে বিরাট আলেম। আগেকার দিনের বড় বড় ইমাম থেকে আজকের জাকির নায়েক কেউই এর বাইরে না। ধর্মের নামে কত মহা জ্ঞান চর্চা চলে তা এ থেকেও কিছুতা বোঝা যায়। ধর্মজগতের এইসব জোকারিতে আমার কোন উতসাহ নাই। আপনারা নিজেরা পাড়াপাড়ি করে ঠিক করেন কে বড় আলেম।

আপনার প্রদত্ব শিয়াদের একটি লিঙ্ক ছাড়া আর কোনটাতেই এটা নেই যে, নবীর পরেই গাজ্জালীর অবস্থান।


গলাবাজি করেন ভাল কথা। মিথ্যাচার না করলে হয় না?

Imam Abu Hamid al-Ghazali is considered by many the most influential scholar in Islamic history, beloved by Muslims and non-Muslims alike. His works have influenced millions of people and contributed greatly to the Ummah.

http://polymsa.org/?p=939

Al-Ghazali was a Persian theologian, philosopher, jurist and mystic, acclaimed in both East and West as the most influential Muslim after the Prophet Muhammad
http://www.huffingtonpost.com/farah-jassat/al-ghazali-900-years-later_b_1154429.html

এরাও কি সকলে শিয়া?

গাজ্জালী সম্পর্কে আরো সার্টিফিকেট দেখতে চান?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলায় একটি ইসলামি ওয়েব সাইট আছে http://www.peaceinislam.com/, দেখুন ওদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যতে কি লিখেছে -
"হযরত ইমাম গাজ্জালী (রহ:) যখন "এহইয়াউল উলুমদ্দিন" গ্রন্হটি লিখেছিলেন তখন এ প্রবাদ বাক্যটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল "পৃথিবীর সমস্ত বই যদি ধ্বংশ হয়ে যায় , একমাত্র "এহইয়াউল উলুমদ্দিন" পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে"

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই একই কথা তো আমি এই বই এর বাংলা অনুবাদেও মনে হয় দেখেছি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি কি রুশদির ছোট ভাই?????????

i am already first......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলামে নবীর পরে যাদের অবস্থান তাদের ক্রম বিন্যাস :

১. খোলাফায় রাশেদীন (৪ জন)
২. আশারায় মুবাশ্শারা (১০ জন)
৩. প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী মুসলিম সাহাবাগণ
৪. বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবাগণ (৩১৩ জন)
৫. মুহাজির সাহাবাগণ
৬. আনসার সাহাবাগণ
৭. সকল সাহাবায় কেরামগণ (প্রায় ১ লক্ষ্য ২৪ হাজার)
৮. সকল তাবেয়ীগণ (সাহাবা পরবর্তী যুগের মুসলিম গণ)
৯. সকল তাবে তাবেয়ীগণ (তাবেয়ী পরবর্তী যুগের সকল মুসলিমগণ)
১০. এর পরে নির্ধারিত হবে কে বড় ইমাম আর কে বড় স্কলার্স। কিন্তু যে যত বড় স্কলার্সই হোক না কেন উপরোক্ত নয় নং ক্রমধারার আগে যেতে পাড়বে না। অতএব ইমাম গাজ্জালীকে নবীর পরেই স্থান দানকারী ইসলাম সম্পর্কে নিরেট মূর্খ ছাড়া আর কিছুই নয়। হোক সে শিয়া মুসলিম অথবা উইকিপিডিয়া।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মহা মুশকিল। আমাকে জ্ঞান দিয়ে লাভ কি? যারা বলে তাদের জ্ঞান দেন না কেন? আমার এইসবে কোন দরকার আছে?

এই যে, এইবার আপনার সহি সুন্নী সোর্স থেকেঃ

http://www.al-islam.org/restatement/46.htm
Imam Ghazali is one of the most prestigious figures in the Muslim world. He is generally considered the greatest theologian of Sunni Islam. Some Sunni scholars have gone so far as to claim that if any man could be a Prophet after Muhammad Mustafa, he would be Imam Ghazali.

He has been acclaimed as the Proof of Islam (hujjat al-Islam), the Ornament of Faith (zain al-din) and the Renewer of Religion (mujaddid).1 Al-Subki (d. 771/1370) went so far in his estimation of him as to claim that if there had been a prophet after Muhammad, al-Ghazālī would have been the man.
http://ghazali.org/articles/hmp-4-30.htm#bib

আপনের দেওয়া বিশাল লিষ্টের কাউকে কেন এইসব সুন্নী স্কলাররা গাজ্জালির আগে স্থান দেন নাই তার দায় কি আমার? নবীজির পরেই গাজ্জালীর স্থান এরা দেন নাই?

আগেই বলছি, আমার সাথে লাগালাগি না করে এইসব আলেম স্কলারদের ভুল ধরায় দেন। সবার আগে অট্টহাসি দিতে ভুলবেন না।


শিয়াদের ব্যাপারে কি বলেন???? চুপচাপ যে? সরাসরি রায় দিলে আবার নুতন ক্যাঁচাল বাঁধে, তাই না? কাউকে তো আবার অমুসলমান বলা যাবে না, তাই না? কিন্তু মনের কথা কি আর...

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল সাহেব আপনি পারেনও! কার সাথে তর্ক করা যাবে আর আর কার সাথে কথা বলা সময় নষ্ট এটা আপনার বোঝা উচিৎ। যে লোক স্কলার এবং স্কলার্স এর মতো একটা সাধারন ইংরেজীর ফারাক করতে পারে না তার সাথে আপনি চালিয়ে যাচ্ছেন?

আমার তো মনে হয় না তেমন বুঝদার কেউ এই ডিবেট ফলো করছে যে এটলিস্ট পাঠকেরা জানতে পারবে এই সান্তনাটুকু পেতে পারেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদেরে ছাড় দিলে এমনি করেই পেয়ে বসে।

ফারুক সাহেবের পোষ্টের হেডিং যথেষ্ট অফেন্ডিং, অথচ সে মূল অভিযোগ যে কি দারুন ভাবে উনি হাতে নাতে প্রমান করে দিচ্ছেন তা কে তাকে বোঝায়।

আমি এখন কিছু হাদীস কোট করি, নিঃসন্দেহে প্রমান হয়ে যাবে ইমাম বোখারী মুসলিম ওনারাও বিরাট ইসলাম বিদ্বেষী, নইলে নবীজির নামে এইসব কিভাবে লিখে রেখে গেল। কিন্তু তাদের কোন দায় হবে না, দায় হবে আমার; আমি কেন কোট করতে গেলাম। এর চেয়ে বড় ভন্ডামি আর কি হতে পারে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইনাকে যা গেলানো হয়েছে তার বাইরে এক লাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট চিন্তা কখনো করেছেন তার কোনো আভাস পেলাম না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যরি, কমেন্টটা লেখার পরেই মনে হলো কারো থেকেই আশা ছেড়ে দেয়া উচিৎ নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাই,
ক্যাচাল তো ভালই লাগাইছেন Laughing out loud

এই যে, এইবার আপনার সহি সুন্নী সোর্স থেকেঃ

http://www.al-islam.org/restatement/46.htm


এইটারে সহি সুন্নী সোর্স কইলেন Wink

কিন্তু সেখানে তো- http://www.al-islam.org/ রে by the Ahlul Bayt Digital Islamic Library Project দেখায়।
http://www.al-islam.org/

http://www.al-islam.org/restatement/46.htm বোল্ডটুকু বাদ দেন, বিলাই ম্যাও কইরা উঠব।

দ্বিতীয়টাও শীয়াদের।Muhammad Hozien এই ভদ্রলোক ঐটার দেখভাল করেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই জন্যই তো বলি, আপনেরা নিজেদের ভিতরে শিয়া সুন্নী বড় ইমাম ছোট ইমাম পাড়াপাড়ি করে ঠিক করে আসেন।

Some Sunni scholars have gone so far as to claim that if any man could be a Prophet after Muhammad Mustafa, he would be Imam Ghazali - এই কথায় Sunni scholars মানে যে আসলে শিয়া বোঝায় আমি কেমনে জানব।

আর শিয়ারা যে সুন্নীদের নামে ইমাম গাজ্জালী সাহেবকে এই রকম আকাশে উঠায় দেওয়ার মহা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাই বা আমি কিভাবে জানব? কাফের নাছারার পয়সাস দেখি মুক্তমনার অভিজিত আর আদিলেই খায় না।

আপনেরা বুঝদার সকলে শিয়াদের এই মহা ষড়যন্ত্র বন্ধ করে দেন।

এর আগেও দুই সোর্স দিছিলাম, সেইগুলারও শিয়া/সুন্নী ভেরিফাই করে দেন। চাইলে আরো দিতে পারি।

ফারুক ভাই এর কোট, "বাংলায় একটি ইসলামি ওয়েব সাইট আছে http://www.peaceinislam.com/, দেখুন ওদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যতে কি লিখেছে -
"হযরত ইমাম গাজ্জালী (রহ:) যখন "এহইয়াউল উলুমদ্দিন" গ্রন্হটি লিখেছিলেন তখন এ প্রবাদ বাক্যটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল "পৃথিবীর সমস্ত বই যদি ধ্বংশ হয়ে যায় , একমাত্র "এহইয়াউল উলুমদ্দিন" পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে

- এইটার মানে কি বোঝেন? এইটাও কি শিয়ারা চালায়?

নজিবুল্লাহও জবাব দেন না জিজ্ঞাসা করলে, আপনিই বলেন; শিয়াদের সোর্সে সমস্যা কী? দরকার মত তো পশ্চীমের খ্রীষ্ঠানদেরও কোট করা দেখি নিজের মনমত মনে হইলে। এখন শিয়াতেই এলার্জির কারন কি? নবীজি কত মহান এইটা পশ্চীমাদের চোখে প্রমান করতে তো কারেন আর্মষ্ট্রং খুব জনপ্রিয়। তখন ব্যাক্তিগত ধর্মপরিচয়ে সমস্যা হয় না?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

http://www.peaceinislam.com/m-m-nour-hossain/11695/

ওখানে এই রকম গেনি বিষয়ও আছে Wink

আপনারে হিদায়েতের জন্য চুরমোনাই যাইতে হইব। আমিন। Laughing out loud

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার হেদায়েত কোন আশা নাই, আমার কাছে সময় কাটানের অনেক ভালা ভালা জিনিস আছে। আমি গন কেস।

যাগো কাছে এইসব আলেম স্কলার ইমাম অতি মূল্যবান মনে হয় তারা জ্ঞান নিক।

সকলের আগে নিজেদের ভিতরের ভুল ভ্রান্তি কাটায় উঠুক (অন্য ভাষায় ৭২ এর যায়গায় ১৪৪ তরিকা গঠন করুন)।

আমিন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মজার ব্যাপার কি জানেন- আমাকে যে লেখার সুত্র চেয়ে মিথ্যাবাদী বলেছে সেই কথাটিই নিজামুদ্দিন সাহেব বলেছেন -

যাই হোক যেটা বলতে ছিলাম তা হল, ইমাম গাজ্জালীর পরিচিতির ব্যাপারে। অন্যদিকে তিনি ছিলেন নিজামুল মুলক বিশ্যবিদ্যালয়ের প্রধান। এবং বলা যায় তার প্রনীত পাঠ্য সুচিকেই আমাদের উপমহাদেশের আলীয়া মাদ্রাসাগুলো অনেকাংশেই গ্রহণ করেছে।
এখন বোঝা যাচ্ছে এরা জেনেশুনেই তথ্য গোপন করে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে মিথ্যাবাদী কখন বললাম আর সূত্রইবা কখন চাইলাম !!! Shock Shock Shock


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইমাম গাজ্জালীর এহইয়ায় উলুমুদ্দীনে অসংখ্য জ্বাল ও যয়ীফ হাদীস রয়েছে, যার কারনে ইমাম গাজ্জালীর তুখোড় সমালোচনা করেছেন, ইমাম ইবনে তাইমিয়া থেকে শুরু করে মৌদুদী হয়ে হাল আমলের ইবনে বায ও নাসিরুদ্দীন আলবানী সহ অসংখ্য সুন্নী স্কলার্স। তাই গাজ্জালী নবীর পরবর্তী মর্যাদাবান মুসলিম হওয়াতো দুরের কথা অসংখ্য সুন্নি আলেম তাকে মুসলমানও মনে করেন না শুধুমাত্র সুফিবাদের কারনে। তবে তিনি একজন খ্যাতিমান স্কলার্স এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই, কিন্তু বিতর্কিত স্কলার্স। তাই তাকে নবীর পরবর্তী মর্যাদাবান মুসলিম মনে করাটা নেহায়েতই মুর্খতা।

বার্নাড শ থেকে শুরু করে অধিকাংশ নিরপেক্ষ অমুসলিম মনীষিই আমাদের নবীর অতুলনীয় প্রশংসা করে গেছেন। কিন্তু তাদের প্রশংসায় মুসলমানদের কিছুই যায় আসে না। তাদের প্রশংসার বিন্দু মাত্র দাম একজন মুসলিমের কাছে নেই। তা নিয়ে গর্ব করা তো দূরের কথা। তা আমরা উল্লেখও করি না। কারন মহান আল্লাহ পাকই আমাদের নবীর সর্বোচ্চ প্রশংসা করে দিয়েছেন।

অধিকাংশ শিয়াই মুসলিম নয়। যেহেতু তারা মনে করে আবু বকর, ওমর, ওসমান (রা:) শুধুমাত্র ক্ষমতা পাবার জন্যেই ইমান এনেছিল মূলত তারা ছিল মুনাফিক (নাউযুবিল্লাহ), অনেক শিয়া আবার মনে করে কুরআন আলী (র:) এর কাছে পাঠানো হয়েছিল, জিব্রাইল (আ:) ভুল করে তা হযরত মুহাম্মদ (স:) এর কাছে নিয়ে এসেছে। এবং তারা অধিকাংশ সাহাবীদেরকেই মুনাফিক মনে করে, যার প্রভাবে প্রভাবান্বিত কোরআন অনলী গ্রুপটাও। সুতরাং এ উভয় গ্রুপই ইসলামের সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত। মূলত শিয়া দলটির জন্মই হয়েছে বিখ্যাত ইহুদী মুনাফিক ইবনে সা'বার হাতে এবং এ দলের জন্ম সম্পূর্ন রাজনীতি কেন্দ্রিক পরবর্তীতে তারা ধর্মীয় দল হিসেবে নিজেদেরকে প্রচারণা চালায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মূর্খ লোকদের কিছু ঠিকানা তো আপনাকে দিছি, তাদের সবাইকে হেদায়েত করেন। কে কে আপনার কথায় হেদায়েত হল তা আপডেট দিতে পারেন প্রমান হিসেবে। এই বিতর্কিত স্কলারকে আবার অনেকে কত নামে দেখি অভিহিত করে গেছেন, প্রুফ অফ ইসলাম? বিতর্কিত ইমাম সাহেবের পাঠ্যসূচী নাকি আবার আমাদের দেশের আলিয়া মাদ্রাসাগুলিতে অনুসরন করা হয় বলে ফারুক ভাই খবর দিলেন। কি আজবি কারবার।

অধিকাংশ শিয়া যে মুসলমান নয় জেনে প্রীত হলাম, দোজখে আমার সংগী সাথী কিছু বাড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেল। দুনিয়ায় কতজন মুসলমান এই সংখ্যা থেকে তাহলে নিশ্চিত ভাবে সব শিয়াকে না হলেও অধিকাংশ শিয়াকে বাদ দেওয়াই যায়, কি বলেন? মোট মুসলমানের মনে হয় ২০%ই বর্তমানে শিয়া। অধিকাংশ কি ১৫% মনে করা যেতে পারে? এরপর থেকে মুসলমানের সংখ্যা কেউ হিসেব করলে আপনার রেফারেন্স দিয়ে ভুল সংশোধন করে দেব।

মুশকিল হল শিয়ারা যদি আপনাকেও মুসলমান না বলে ফতোয়া দেয়??

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মূলত শিয়া দলটির জন্মই হয়েছে বিখ্যাত ইহুদী মুনাফিক ইবনে সা'বার হাতে।


নাজিবুল্লাহ সাহেব, আপনার কাছ থেকে ইবনে সা'বার পরিচয় ও তার ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানার ইচ্ছে রইলো।


ফারুক ভাই ও মজবাসার ভাইকে অনুরোধ করব যদি আপনারা সত্যিকার অর্থেই জ্ঞানানুসন্ধানকারী হন তবে আপনাদেরকে
অবশ্যই দুইটি বই পড়তে হবে।
একটি হল আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড:আহমদ আমীনের "দুহাল ইসলাম" আরেকটি হল আমাদের সুপ্রিম কোর্টের জাষ্টিস আব্দুল মওদুদ সাহেবের লিখা "মুসলিম মনীষা"


তো দুনিয়ার সকল সত্যিকার অর্থে জ্ঞানানুসন্ধানীরা বই দুটো পড়েছেন বুঝি? জ্ঞানানুসন্ধানের জন্যে কোরানের সিরিয়েল কতো নম্বরে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আকাশ মালিক,

ঐ প্রশ্নটার কি সমাধান করে ফেলেছেন??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেবা ভাই,

আকাশ মালিক, ঐ প্রশ্নটার কি সমাধান করে ফেলেছেন??


কোনটা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেহ, বস, কিছু হলেই ছাগালাপীরা আপনারে একটা প্রশ্ন ধরায় দিতো আর আপনি চুপ হয়ে যেতেন। আমার প্রশ্নটা ঠিক মনে নাই। Puzzled


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেবা ভাই,

আরেহ, বস, কিছু হলেই ছাগালাপীরা আপনারে একটা প্রশ্ন ধরায় দিতো আর আপনি চুপ হয়ে যেতেন। আমার প্রশ্নটা ঠিক মনে নাই।


অনেক আগেই তো এটা লিখা হয়েছিল , আপনি বোধ হয় খেয়াল করেন নি। মন্তব্যগুলো মিস করবেন না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরোয়ার says:

মার্চ 6, 2012 at 1:41 অপরাহ্ন (UTC 6)


আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আহমদ মনসুরের লেখা থেকে

কে এই আহমদ মনসুর?

অধ্যাপক আহমদ মনসুর তথাকথিত মুসলিম বিদ্বেষী কোরান-অনলি (কোরান বিরোধী) গ্রুপের একজন কর্ণধার। বর্তমানে কোরান-অনলি মতবাদ প্রচারে জন্য আমেরিকাতে বেশ জামাই আদরে আছেন। আমেরিকার বিখ্যাত মিডিয়াতে (যেমন নিউ-ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোষ্ট) তাকে নিয়ে ভূয়সী প্রসংশা করে তার আদর্শ প্রমোট করে বিশ্বে শান্তি আনয়নে সহয়তা করছে! শুধু তাই নয়, বিশ্ববিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষী জায়নিস্ট ড্যানিয়েল পাইপসও (পড়ুন-Identifying Moderate Muslims) তাদের প্রশংশায় পঞ্চমূখ! তিনিও অন্যান্য বিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষীদের (তাসলিমা নাসরিন, আয়ান হিসরি প্রমুখ) মত রাজনৈতিক আশ্রয়ে বিদেশ পাড়ি দিয়ে বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের (হার্ভাড) ফেলোশিপের পুরষ্কার পান।

শেখ মানসূর ২০০৮ সালে আমেরিকাতে “Muslim Heretics Conference” (আরবীতে কাফিরুনদের সম্মেলন) নামে কনফারেন্সের আয়োজন করেন। মহিলা ইমামের জন্য আন্দোলনকারী (ছেলে-মেয়ে একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জামাতে ‘নামাজ’ আদায়ে বিশ্বাসী) আমিনা ওয়াদুদসহ সেখানে বিশ্বের পরিচিত ইসলাম বিদ্বেষী (যেমন ইরশাদ মানজি, ওয়াফা সুলতান, ননী ডারউইশ) উপস্থিত ছিলেন। প্রসংগত, নীজেকে কোরান-অনলি পরিচয়দানকারী ইরাশাদ মানজি মুহাম্মদ (সা)-কে নিয়ে ব্যংগাত্মক কার্টুনের পক্ষে সমর্থন করে বিবিসিতে বিবৃতি দেন। ঐ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হচ্ছেন বিশ্বে অত্যন্ত পরিচিত মুসলিম বিদ্বেষী তাসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদি প্রমুখ!

Irshad Manji, Taslima Nasreen, Salman Rushdie, Ayaan Hirsi Ali, Chahla Chafiq, Caroline Fourest, Bernard-Henri Levy, Mehdi Mozaffari, Maryam Namazie, Antoine Sfeir, Philippe Val, Ibn Warraq

ইরশাদ মানজি, আয়ান হিসরি, মরিয়ম নামজি, ইবনে ওয়ারাক প্রমুখ (সালমান রুশদি গং) কানাডায় তথাকথিত ‘শরিয়ার আইন’ বিরোধীতার নামে ইসলাম বিদ্বেষী কেম্পেইন করেন। এতে যোগ দেন কোরান-অনলি প্রচারক জামিলুল বাসার, মুক্তমনার ফতেমোল্লা ওরফে হাসান মাহমুদ। এসব নিয়ে সদালাপে কিছু প্রফাইল লেখেছিলাম, কিন্তু সদালাপ সাইট হ্যাকড হওয়ায় সেসব হারিয়ে গেছে। ফারুকের গুরু/ওস্তাদ মজ বাসার (নবীপূত্র দাবীদার) এর মুখোশ উন্মোচন করে ছবিসহ সদালাপে পোষ্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে সদালাপের সম্পাদক অনাকাংখিত লাল কালির অনেকগুলো নোট দিয়েছিলেন! সেসময় ভাবেছিলাম সদালাপে লেখা-লেখি ছেড়ে দেবো। কিন্তু নৈতিক কারণে সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছিলাম। বস্তুত, ইসলাম বিদ্বেষী কোরান-অনলিদের সম্পর্কে অবগত না থাকার কারণে সদালাপের সম্পাদক সাহেব ম জ বাসারের লেখাগুলো পুরাতন সাইটে প্রথম পাতায় লটকিয়ে রেখেছিলেন! এমনকি মজ বাসারের ইয়াং মুসলিম সোসাইটি নামক সাইটের লিঙ্কও সদালাপের উপরের দিকে শোভা পেত! সে সময় সদালাপে মন্তব্য করা যেত না। যাই হোক, পরবর্তীতে এন্টাইভণ্ড, শাহবাজ ভাই সহ আমরা বাসারের ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন করায় তিনি সদালাপ ছেড়ে পালিয়েছেন!

পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তথাকথিত কোরান-অনলিরা অতি পরিচিত ইসলাম বিদ্বেষীদের সাথে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্বে ‘ইসলাম’ (!) কায়েম করছে! তাদের সাহায্য করছে গণতন্ত্রের ধব্জাধারী ও শান্তির পূজারী বিশ্ব মিডিয়া, যারা মুসলিম বিশ্বে যুদ্ধে বাধানোর জন্য উম্মুখ থাকে! ইসলাম বিদ্বেষী আয়ান হিসরিকে সেদিন টাইম ম্যাগাজিন লাল-গালিচা সম্বোর্ধনা দিয়েছে!! ইউটিউব’এ ভিডিও পাওয়া যায়।

শেখ মানসূরের মত পলিটিক্যাল আশ্রয় পাওয়া লোক আমেরিকাতে কমপক্ষে চারটি অর্গানাইজশন পরিচালনা করছেন!

1) International Quranic Center
2) Americans for Peace and Tolerance
3) Free Muslims Coalition
4) Center for Islamic Pluralism

এত টাকা কোথায় পায়? এর জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হয় না। এক রিপোর্টে দেখা যায়, গত দশ বছরে ইসলাম বিরোধী প্রপাগান্ডা কেম্পেইনে প্রায় ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়। ইসলাম বিদ্বেষী ফান্ডের পরিমাণ এর চেয়ে ঢের বেশী হবে।


http://www.shodalap.org/faruk/10406


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ, আপনাদের সমস্যা কি জানেন? আপনারা যুক্তি দিয়ে যখন কারো বক্তব্য খন্ডন করতে পারেন না , তখন অনুমানের উপরে ভিত্তি করে মানুষের চরিত্র হননে নেমে পড়েন। মানুষ টা খারাপ নাকি ভাল, ইহুদীর চর নাকি আমেরিকার চর , এর পিছনে সময় নষ্ট না করে , লোকটি কি বলেছে সেটা যুক্তি দিয়ে খন্ডন করুন। তাহলেই আস্তিক নাস্তিক সকল মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে।

সে জ্ঞান ও পড়াশুনা কি আপনার আছে? না থাকলে অফ যান।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা স্রষ্টার অস্তিত্বেই বিশ্বাস করেনা তাদের কাছে আপনাদের মত মূর্খ মানুষদের যুক্তিতো গ্রহণযোগ্য হবেই, যেই সকল মূর্খ মানুষেরা ক্বুরআন কে কোরান লিখে, আর ক্বুরআনে মুহাম্মদ দ্বারা কি নবীকে বুঝানো হয়েছে না, অন্য কিছু বুঝানো হয়েছে তা শিখতে যায় এমন নাস্তিকের কাছে যে সরাদিন স্রষ্টা নামের অলীক বস্তুকে গালাগালিই করে। স্রষ্টায় অবিশ্বাসী নাস্তিক ও স্রষ্টায় বিশ্বাসের ভেক ধারী কোরআন অনলী গ্রুপ যে কাদের দালালী করছে তা উপরের কমেন্টেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।

glqxz9283 sfy39587p07