Skip to content

কোরান অবমাননা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি




গত ৩ দিন (২১-২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১২) কোরান পোড়ানোর প্রতিবাদে আফগানিস্তানে সহিংস প্রতিবাদ অব্যহত আছে। এ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে আনুমানিক ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে ও আরো অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত। সারা মুসলিম বিশ্বে এই সহিংস প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আশংকাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।




গত ৩ দিন (২১-২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১২) কোরান পোড়ানোর প্রতিবাদে আফগানিস্তানে সহিংস প্রতিবাদ অব্যহত আছে। এ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে আনুমানিক ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে ও আরো অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত। সারা মুসলিম বিশ্বে এই সহিংস প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আশংকাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

কোরান অবমাননার ঘটনা যূগে যূগে অতীতে আরো বহুবার ঘটেছে। এনিয়ে ২০০৫ সালে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বরখাস্তকৃত প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ আহমদ মনসুরের কাছে লেখা এক মিশরীয়ের লেখা চিঠির জবাবে তিনি যে উত্তর দিয়েছিলেন , সেটার কিয়দাংশ সকলের অবগতির জন্য এখানে পেশ করছি-

এক পাঠক আমাকে ভর্ৎসনা করে একটি চিঠি লিখেছেন- "সত্যি বলতে , কোরান অবমাননার বিষয়ে আপনাকে নিঃশ্চুপ থাকতে দেখে আমি আশ্চর্য হয়েছি।" তিনি উষ্কানিমূলকভাবে আমাকে প্রশ্ন করেছেন , আপনি আমেরিকায় বাস করেন বলেই কি আমেরিকান সরকারের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ? (সেই সময়ে উনি মিশর থেকে বিতাড়িত হয়ে আমেরিকায় বসবাস করতেন) নাকি আপনার সময় হয় শুধুমাত্র আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ধর্মীয় গুরুদের সমালোচনা করার?
নাকি সারারাজীবণ যে ইসলাম ও কোরানের সমর্থনে লেখার দাবী আপনি করে থাকেন , সেটা ভুলে গেছেন? নাকি কোরান ও ইসলাম এখন আর আপনার কাছে কোন গুরুত্ব বহন করে না?

আমি তাকে জবাব দিয়েছি , " মহান ভাই আমার , আমি আল-জজিরা টেলিভিশনে বলেছি , যারা জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোরান অবমাননার কাজ করে , তাদের শাস্তি হওয়া উচিৎ। আমি ছাড়াও আরো অনেক আমেরিকান একি কথা বলেছে। তবে আমেরিকানরা কোরান অবমাননার নিন্দা করেছে , এ কারনে নয় যে তারা কোরানে বিশ্বাস করে। বরং তারা যে কোন ধর্মের অবমাননার বিপক্ষে বলেই নিন্দা করেছে। একথা ভুল্লে চলবে না যে এদের সমাজে খৃষ্টান ও ইহুদী ধর্মগ্রন্থের অবমাননার নিন্দা ও প্রতিবাদ ও তারা একারনেই করে থাকে। এটা একটা উম্মুক্ত সমাজ। কোন কিছুই এখানে বেশি দিন গোপন করে রাখা যায় না। যে কেউ এখানে বাড়াবাড়ি করে , সেই তার ন্যায্য ও যথাযথ শাস্তি পায় এদের দেশের আইন অনুসারে। আমি আল্লাহকে সামনে রেখে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে ,এদের থেকে ভাল বিচার ব্যাবস্থা ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে আমি অন্য কোন দেশকে দেখিনি। আমি আমেরিকা ও তার সিস্টেমকে ডিফেন্ড করছি না , যেটা আমার কাছে সত্য মনে হয়েছে , সেটাই বল্লাম। এমনও ঘটেছে এই আমেরিকাতেই বিভিন্ন সম্মেলনে ইংরেজিতে আমি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছি , যা আমেরিকানদের জন্য সুখকর ছিল না। এদের দেশে বলার স্বাধীনতাকে আমি উপভোগ করি , যেটা আমার দেশে আমি পাই নি।

গুয়ান্তানামো বেতে কোরান অবমাননার ঘটনার সংবাদ সর্বপ্রথম আমেরিকার মিডিয়ায় জনসম্মুখে তুলে আনে। যেমনটি তুলে এনেছিল ইরাকের আবু গ্রেইব বন্দিশালায় বন্দিদের উপরে আমেরিকান সৈন্যদের অত্যাচারের ভিডিও চিত্র। আশা করা যায় আবু গ্রেইবের মতোই এবারো তদন্ত হবে এবং দোষী ব্যাক্তিরা যথাযথ শাস্তি পাবে। আমেরিকার এই উম্মুক্ত সমাজে নিজেদের সকল ভুল বা অন্যায়কে এরা সামনে নিয়ে আসে , খোলাখুলি আলোচনা করে এবং দোষী ব্যাক্তির শাস্তি নিশ্চিত করে , তা যেই হোক না কেন।

এর বিপরীতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোতে আমরা কি দেখি? ভাবখানা এমন যে এদের দেশের বন্দিশালায় কোন ধরনের নির্যাতন করা হয় না এবং তাদের মাঝে এখন বা সুদুর অতীতে ও কখনো কোরান অবমাননার মতো ঘটনা কখনো ঘটে নি। যে কারনে তারা নিজেদের কথা ভুলে গিয়ে আমেরিকার সমালোচনা করে , যেন এমনটাই আমেরিকান পলিসি। যে কোরান অবমাননার জন্য জীবণ দিচ্ছে , সেই কোরানে লিখিত আল্লাহর বাণীকেই ভুলে বসে আছে-

২:৪৪ তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও এবং নিজেরা নিজেদেরকে ভূলে যাও, অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর? তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না?



আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই , কোরান বা ছাপানো কোরানের (মুস-হাফ) অবমাননাকে আমি কঠোর ভাবে নিন্দা জানাই এবং এর অবমাননাকারী মুসলমান বা অমুসলমান যেই হোক না কেন , তাকে অভিশাপ দেই।

কোরান অবমাননার প্রতিক্রিয়া নিয়ে মুসলমানদের দ্বিচারিতা বা ভন্ডামি নিয়ে কিছু আলোকপাত করা প্রয়োজন। মুসলমান বলতে আমি সরলিকরন করে সকল মুসলমান নয় , বরং বেশিরভাগ মুসলমানকেই বুঝাচ্ছি।

১) আমরা সাধারনত সারা বিশ্বকে জ্ঞান দিতে ও সঠিক রাস্তা দেখাতে উৎসাহী , যেখানে আমরা নিজেরাই ভুল পথে আছি। আমরা সবসময় অন্যের দোষ ত্রুটি ও দুর্বলতা পর্যবেক্ষন করি , যদিও আমরাই সবচেয়ে দূর্ণীতিগ্রস্থ ও ভন্ড। যদি আমরা নিজেদের নিয়োজিত রাখতাম নিজেদের সংশোধনে এবং নিজেদের পাহাড়সম দুর্ণীতি ও দোষ মুক্ত হতে , তাহলে অন্যদের দোষ ও দুর্বলতা খোজার সময় আমাদের থাকত না। কিন্ত আমরা সেটা করতে অস্বীকার করি। আমরা নিজেদের অতীতের গৌরবকাথা ও সফলতা নিয়ে বারংবার বলতে এমনি পছন্দ করি যে , এটা দিবাস্বপ্ন দেখার সামিল হয়ে পড়েছে। যার ফলে আজ আমরা পৃথিবীর আর সকল মানুষের চোখে সবচেয়ে খারাপ সম্প্রদায়রুপে চিহ্নিত হয়েছি এবং রাষ্ট্রসমূহের মাঝে বিরাজমান উত্তেজনা ও ঝামেলার কারন হিসাবে মুসলমানদের দায়ী করা হচ্ছে।

আজ যারা রাস্তায় জঙ্গী মিছিল করছে ও জীবণ দিচ্ছে , তাদের ধারনা কোরানের অবমাননা শুধুমাত্র আমেরিকান সৈন্য ও ইহুদী সৈন্যরাই করে থাকে। এটা ভুল। এরা না জানে ইতিহাস , না জানে এদের নেতা ও মোল্লারা। মুসলমান খলিফা , শাসক , মুসলিম উলামা , সুফি সাধক কর্তৃক কোরান অবমাননার ঘটনা ঘটেছে সুদুর অতীতে যখন আমেরিকা বলে কোন দেশ ছিল না।

কিছু উদাহরন-

ক) উমাইয়া খলিফা আল-ওয়ালিদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আব্দিল-মালিকের শাসন কাল ছিল ১২৫ হিঃ থেকে ১২৬ হিঃ সাল। তার নারী আসক্তি , ব্যাভিচার , সৎমাদের সাথে যৌণসংসর্গ ও মদাসক্তি নিয়ে বহু বর্ণনা পাওয়া যায়। তিনি যখন সিংহাসনের উত্তরাধিকার ছিলেন , সেই সময় কাবা ঘরের ন্যায় গম্বুজ বানিয়ে মদ নর্তকি , কুকুর নিয়ে মক্কা রওয়ানা হয়েছিলেন সেটা কাবার উপরে স্থাপনের জন্য। বণু হাশিমেরা অভিযোগ করে যে , তিনি ছিলেন প্যাগান বা জান্দাক এবং পরকাল ও কোরানে বিশ্বাস করতেন না। এক অতি বিখ্যাত ঘটনার বর্ণনায় পাওয়া যায়- একদিন লিখিত কোরান (মুস-হাফ) খুল্লে তার চোখ পড়ে এই আয়াতের পরে , যেখানে আল্লাহ বলেছেন " প্রত্যেক অবাধ্য, অন্যায়পরায়ন শাসক ব্যর্থ কাম হবে" তিনি তখন মুস-হাফ ছুড়ে ফেলে দিলেন এবং তীর ছুড়ে মুস-হাফকে ফুটো করে ফেল্লেন। এবং একটি কবিতা লিখলেন-

"তুমি আমাকে অবাধ্য, অন্যায়পরায়ন শাসক বলে ভয় দেখাও? যখন তুমি শেষ বিচারের দিনে তোমার রবের সম্মুখে উপস্থিত হবে

বলুন , হে আমার প্রভু , আল-ওয়ালিদ আমাকে তীর মেরে ফুটো করে দিয়েছে।"

(সুত্র - “The Complete History” (Taareekh al kaamil) by Ibn Il-Atheer, volume 4, page 486. Also Al-Muntadhim by Ibn-Il-Jawzi, volume 7, pages 236 – 248.)

খ)হিজরী ৯ম শতকে বিখ্যাত সুফি সাধক শেখ ইবনে আল-বাকাকী রমজানে ইচ্ছাকৃত ভাবে রোজা থাকতেন না এবং লিখিত কোরান (মুস-হাফ) মাটিতে রেখে তার উপরে দাড়িয়ে উচু তাক থেকে জিনিষপত্র নামাতেন।

(সুত্র -(Ibn Hajar, “Ad-durar il kaaminah”, volume 9, page 329.)

গ)আমাদের এই যূগে বর্তমানে ও মুসলিম দেশগুলোতে কোরান অবমাননার ঘটনা অহরহ ঘটছে। মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য যারা মুবারকের আমলে কারাভোগ করেছে ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে , তাদেরকে নির্যাতনের অন্যতম পন্থা ছিল আল্লাহকে গালি দেয়া ও লিখিত কোরান (মুস-হাফ) তাদের সামনে ছিড়ে ফেলা। লিখিত কোরানের (মুস-হাফ) ভিতরে পিস্তল রেখে ব্রাদারহুডের উপরে দোষ চাপানো হয়েছিল , এমনটি আমাকে লেখক ও সাংবাদিক আব্দিল-মুনিম আল-জিদ্দাওয়ী বলেছেন।

সুতরাং আপনি বুঝতেই পারছেন , আমেরিকান সৈন্যরাই প্রথম ও একমাত্র অপরাধী নয় যারা যূগে যূগে কোরানের অবমাননা করেছে। অতীতে ঘটা কোরান অবমাননার এমন অনেক ঘটনা জানতে চাইলে “The Great Levels” (At-Tabaqaat Al Kubraa) by Ash-Sha'araani, volume 2. পড়ে দেখতে পারেন। এটা এখনো ছাপা হয় ও সহজেই জোগাড় করা সম্ভব।



চিঠির পরবর্তী অংশে অধ্যাপক ডঃ আহমদ মনসুর সর্ব যূগের মুসলিমদের কোরান নিয়ে ভন্ডামির নমুনা তুলে ধরেছেন। এই ভন্ডামি নিয়ে ভবিষ্যতে লেখার আশা রইল।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরান পোড়ানর ঘটনা অবশ্যই নিন্দনিয়। এটা স্রেফ বাড়াবাড়ি। আমেরিকানদের দ্বারা হোক আর কোন আরবের দ্বা্রা হোক এই কাজ সমান ভাবে গর্হিত। বহু দিত থেকে আফগানিস্থান আমেরিকার দখলে আছে।
প্রচুর রক্তপাত সেখানে নিত্য দিতেন সংগী। অমেরিকানদের আগমনে সেখানকার জীবনে কোন সুবাতাস বয়ে আনেনি। সম্প্রতি তারা তালেবানদের সাথে আলোচনায় বসতে চাচ্ছে। কথা হচ্ছে তালেবানদের কাছেই যদি ক্ষমতা হস্তান্তর করে ফিরে যায় আমেরিকা তবে এত দিনের এত রক্তপান থেকে কার কি অর্জন তার হিসাব সামনে আসবেই। জমে থাকা ক্ষোভ নানান ভাবে নানান ছুতোয় প্রকাশ পায়। আপনি নিশ্চিত থাকেন আফগানের বাইরে এই ঘটনা ছড়াবেনা। সবাই জানে এই ঘটনার বিচার হবে, দোষিদের শাস্তি হবে। যেহেতু ঘটনাটা ওবামা নিজে ঘটাননি বা তার কাছাকাছি স্টাটাসের কেউ ঘটাননি তাই এই ঘটনায় আমেরিকাকে দায়ি করা যায় না।

যুগে যুগে কোরান অবমাননার ইতিহাসে কি সাম্প্রতিক কালের এই কোরান অবমাননার ঘটনাকে কোনরূপ বৈ্ধতা দেয়, নাকি অপরাধের মাত্রেকে খাট করে? ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুগে যুগে কোরান অবমাননার ইতিহাসে কি সাম্প্রতিক কালের এই কোরান অবমাননার ঘটনাকে কোনরূপ বৈ্ধতা দেয়, নাকি অপরাধের মাত্রেকে খাট করে? ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ।
না, কোনরুপ বৈধতা দেয় না। অপরাধটা কোন মাত্রার সেইটা নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। আমি মনে করি অন্য ধর্মের মানুষের অনুভূতিকে সম্মান দেখিয়ে তাদের ধর্ম গ্রন্থের ইচ্ছাকৃত ও উদ্দেশ্যপ্রসূত অবমাননা করা উচিৎ নয়। এটাই সভ্য মানুষের কাছ থেকে আশা করা হয়। এখন কেউ যদি অসভ্যতা করে , তবে তার শাস্তি নিন্দার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিৎ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক ভাই, একটা সোজা উদাহরন দেই। নারী নীতিমালার প্রতিবাদে যখন আমিনী এর চামুন্ডারা কোরান হাতে মিছিল বের করে, এবং এরপর পুলিশের দাবড়ানি খেয়ে কোরান ড্রেনে, রাস্তায় ফেলে দৌড় দেয়, পাছার উপর দিয়ে ডান্ডার বাড়ী থেকে বাঁচার চেষ্টা করে, এটা তো বাংলাদেশীদের স্বচক্ষে দেখা কোরান অবমাননা।

কিন্তু একটা জিনিষ বলতে পারেন, এইসব ক্ষেত্রে কেউ কোন প্রতিবাদ করেনা, কিন্তু আমেরিকা করছে এইটার গুজব শুনলেও অনেক মুসলিম লাশ ফালানোর জন্য লাফ ঝাঁপ দেয়া শুরু করে। এর কারন কি বলে আপনার মনে হয়?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু একটা জিনিষ বলতে পারেন, এইসব ক্ষেত্রে কেউ কোন প্রতিবাদ করেনা, কিন্তু আমেরিকা করছে এইটার গুজব শুনলেও অনেক মুসলিম লাশ ফালানোর জন্য লাফ ঝাঁপ দেয়া শুরু করে। এর কারন কি বলে আপনার মনে হয়?
এর কারন মুসলিম জাতির হীনমন্যতা , অশিক্ষা ও কূশিক্ষা।(মুসলমান বলতে আমি সরলিকরন করে সকল মুসলমান নয় , বরং বেশিরভাগ মুসলমানকেই বুঝাচ্ছি।) তা ছাড়াও ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থে কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ কর্তৃক ধর্মীয় আমজনতার নিজ নিজ ধর্মকে সঠিভাবে না জানার সুযোগকে কাজে লাগানো এবং তাদের আবেগকে পুজি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করা।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Laughing out loud

মজার ব্যাপার হইল যে এই একই ইউএস বেজ এ ৩ বছর আগে আমেরিকানরাই আফগান ভাষায় লিখিত বাইবেল পোড়াইছিল। তখন ওবামা বা মার্কিন প্রশাসনের দূঃখ প্রকাশ তো দূরের কথা, সেই বেজ এর পাতি সেনা অফিসার তাদের বাইবেল পোড়ানো ডিফেন্ড করছিল। সেবার এসব বাইবেল স্থানীয় আফগানদের মাঝে খৃষ্ট ধর্ম প্রচারের কাজে বেআইনীভাবে আনা হয়েছিল অভিযোগ পাবার পরেই পোড়ানো হয়েছিল। http://edition.cnn.com/2009/WORLD/asiapcf/05/20/us.military.bibles.burned/

এইবার মার্কিন প্রশাসন এমন মিউ মিউ ভূমিকায় কেন? আমার তো মনে হয় তারা আসলে কোরান প্রেমি, বাইবেল বিদ্বেষী Laughing out loud

বটম লাইন হল তাদের কোন ধর্মগ্রন্থের প্রতি বিশেষ দরদ বা বিদ্বেষ নাই, তারা এইসব বই যে কোন বই এর মতই ট্রিট করে। ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো যায় কিনা সেটা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, তবে তাদের বিশেষ কোন ধর্মকে হেয় করার মতলব ছিল বা আছে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে তাদের বিশেষ কোন ধর্মকে হেয় করার মতলব ছিল বা আছে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।


http://www.somewhereinblog.net/blog/mojlumbd/29467469


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি এটলিস্ট আপনাকে সাধুবাদ জানাব অধ্যাপক ডঃ আহমদ মনসুরের লেখাটি এখানে তুলে ধরবার জন্য। মুস্লিমদের মধ্যে আত্মসমালোচনার বড়ই অভাব। এটা হওয়া খুবই জরুরী।

আর একটা জিনিষ আমি বুঝতে অক্ষম। কোরাণ পোড়ানোর অপরাধে শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ তো আছেই। মানুষ কেন একে অন্যকে খুন করবে? নাকি আল্লাহর উপর আস্থা নাই?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিস্ময়কর ব্যাপার হইল যে এই জাতীয় ব্যাপারগুলায় যারা অপরাধী (ধরে নিলাম যে অবমাননাকারিরা আসলেই ক্রিমিনাল) তাদের গায়ে জিন্দেগীতে কোন আঁচড়ও লাগে না। পালে পালে মরে নিজেদেরই জ্ঞাতি ভাই ব্রাদাররা। কয় বছর আগে নবীজির কার্টুন আঁকা নিয়ে কত মুসলমান মারা গেছিল নিজেদেরই ব্রাদারদের হাতে কত জ্বালাও পোড়াও হইছিল এখন আর মনে নাই।

ভাবের জগত থেকে একটু বাস্তব জগতে আসা দরকার, না হলে বাইরের আক্রমনকারিরও কোন দরকার হবে না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেটাই, মারামারিতে নিজেরাই সবসময় মারা যায়।

ভাবের জগত থেকে একটু বাস্তব জগতে আসা দরকার, না হলে বাইরের আক্রমনকারিরও কোন দরকার হবে না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর একটা জিনিষ আমি বুঝতে অক্ষম। কোরাণ পোড়ানোর অপরাধে শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ তো আছেই। মানুষ কেন একে অন্যকে খুন করবে? নাকি আল্লাহর উপর আস্থা নাই?
আল্লাহ কোরাণ পোড়ানোর অপরাধে শাস্তি দেবেন কি না , সেটাই তো জানি না। তবে একথা জোর দিয়ে বলতে পারি , কোরানে কোথাও কোরান পোড়ানো বা অবমাননার জন্য কাউকে কোন ধরনের শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ মানুষকে কোন নির্দেশ দেন নি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর একটা জিনিষ আমি বুঝতে অক্ষম। কোরাণ পোড়ানোর অপরাধে শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ তো আছেই। মানুষ কেন একে অন্যকে খুন করবে? নাকি আল্লাহর উপর আস্থা নাই?



এই প্রশ্নটা আমিও করতে চাইছিলাম

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার জন্যেও একি জবাব- আল্লাহ কোরাণ পোড়ানোর অপরাধে শাস্তি দেবেন কি না , সেটাই তো জানি না। তবে একথা জোর দিয়ে বলতে পারি , কোরানে কোথাও কোরান পোড়ানো বা অবমাননার জন্য কাউকে কোন ধরনের শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ মানুষকে কোন নির্দেশ দেন নি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অনিমেষ রহমান , জানলাম।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরানে কোথাও কোরান পোড়ানো বা অবমাননার জন্য কাউকে কোন ধরনের শাস্তি দেয়ার জন্য আল্লাহ মানুষকে কোন নির্দেশ দেন নি।
আপনি কি শিওর???????? ব্লগ মোল্লাদের মিছাইতেছি Sad দেখি পাতি মোল্লাদের আগমন হয় নাকি এই পোষ্টে smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি কি শিওর???????? ব্লগ মোল্লাদের মিছাইতেছি দেখি পাতি মোল্লাদের আগমন হয় নাকি এই পোষ্টে
আমি শিওর। তবে ব্লগ মোল্লাদের জন্য অপেক্ষা করার দরকার কী? এটাই আমাদের দোষ। অপরের মুখে ঝাল খেতে পছন্দ করি।

নিজেই কোরান খুলে একবার পড়ে ফেলুন। আপনি যদি আস্তিক হোন , তাহলে নুতন অনেক কিছু জানবেন এবং নিজের অনেক ভুল ধারনা সম্পর্কেও অবহিত হবেন। আর যদি নাস্তিক হোন , তাহলেও লাভ। আক্রমনের জন্য অনেক কিছুই পাবেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে করে বাধাদান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুতঃ এখন তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা কাফের তাদেরকে দোযখের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
সুরা আনফাল:৩৬

ফারুক ভাই,
যারা কুরান পড়ে না, কিন্তু আবেগে ফাল পাড়ে। তাদের ব্যাপারটা তাদের ওপর ছেড়ে দেন।

আপনার পোস্ট ভাল লাগল।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শেখের পো, পোস্ট আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুখ ভাই, আপনি কি বোঝাতে চাইলেন ঠিক বুঝলাম না। পোস্ট পড়ে আমার মনে হল, কোরয়ান পোড়ানো খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। যুগে যুগে অনেকে পুড়িয়েছেন, আমাদেরও পোড়ানো দরকার।

আমি আফগানদের সাধুবাদ জানাই। একমাত্র তারাই এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামতে পেরেছে। [আমার জানা মতে] আর আমাদের কিছু করার হেডম নেই।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আহমাদ রবীন, ছালাম। আপনি কি কোরান পড়েছেন? কোরানে কোথাও কি বলা আছে কোরান অবমাননার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় না নামলে হেডম থাকবে না?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অ.সালাম। নারে ভাই, পড়ি নাই। কোরান শব্দটা আজকেই প্রথম শুনলাম।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ফারুক,

ফারুক ভাই উনার কাছ থেকে একটু আরবী শিখে আসেন না। ভদ্র লোক আরবীর আলিফও জানেন না। অনর্গল কোরানের তরজমা-তাফসির বয়ান করে যাচ্ছেন। মনে হয়না নিজের নামটা, জায়গা মতো জের, জবর, পেশ বসায়ে শুদ্ধ করে লিখতে পারবেন, কিন্তু ভাব দেখান কোরনের মূল ভাষা শিখে ফেলেছেন। অন্যরাও উনার মতোই, কেউ ধরতে পারেনা, মনে করে আসলেই তো উনি আরবী ভাষাবিদ এক বিরাট বুজুর্গ। লক্ষ্য করবেন আরবী গ্রামার না জানার কারণে পুংলিঙ্গের ও স্ত্রীলিঙ্গের, একবচন আর বহু বচনে সাহাবীদের নামের পাশে মৌলানা সাহেব কেমনভাবে আনহা, আনহু, আনহুমা ব্যবহার করেছেন। মাঝে মাঝে মন চায় লগ-ইন করি কিন্তু সাহসে কুলায় না, কারণ আপনার মতো ধ্যর্য্ ও সহ্যশক্তি আমার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আক্কাস মল্লিক নামক আচোদা টার সাথে ফারুক নামক বোকাচোদা টার এত খাতির কেনু ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাব্বাহ ! মাদ্রাসার ছাত্র থেকে নাস্তিক হওয়ায় কি অহংকার !!! =)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আকাশ মালিক,
সালামুন আলাইকুম।
উনি নিজেই বলেছেন যে , যেহেতু ব্লগে আলেমরা আসেন না বলে উনি উনার স্বল্প জ্ঞান নিয়েই ইসলামকে ডিফেন্ড করছেন। উনি যে উনার আবাল সুলভ ব্যাখ্যা দিয়ে ইসলামকেই হাস্যাস্পদ করে তুলছেন , এটাই বোঝাবে কে?

উনার কথা বাদ দিন। আমিও আরবি গ্রামার জানি না। যেটুকু আরবি শিখেছি , তা কোরানের শব্দগত মানে করতে গিয়ে শিখেছি। আমার ধারনা আপনি আরবি গ্রামার জানেন। আপনার সাহায্য দরকার।

কোরানে প্রতিবার মুহাম্মাদুন مُحَمَّدٌ লেখা হয়েছে। এটা কি নাম বাচক বিশেষ্য নাকি গুনবাচক বিশেষন? এক জায়গায় পড়েছি কোরানে কোথাও রসূলের নাম যে মুহাম্মদ তা বলা হয় নি। তাহলে এই মুহাম্মাদুন টা কী? নাম নাকি গুনের বর্ননা?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরোয়ার says:

মার্চ 6, 2012 at 1:41 অপরাহ্ন (UTC 6)


আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আহমদ মনসুরের লেখা থেকে

কে এই আহমদ মনসুর?

অধ্যাপক আহমদ মনসুর তথাকথিত মুসলিম বিদ্বেষী কোরান-অনলি (কোরান বিরোধী) গ্রুপের একজন কর্ণধার। বর্তমানে কোরান-অনলি মতবাদ প্রচারে জন্য আমেরিকাতে বেশ জামাই আদরে আছেন। আমেরিকার বিখ্যাত মিডিয়াতে (যেমন নিউ-ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোষ্ট) তাকে নিয়ে ভূয়সী প্রসংশা করে তার আদর্শ প্রমোট করে বিশ্বে শান্তি আনয়নে সহয়তা করছে! শুধু তাই নয়, বিশ্ববিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষী জায়নিস্ট ড্যানিয়েল পাইপসও (পড়ুন-Identifying Moderate Muslims) তাদের প্রশংশায় পঞ্চমূখ! তিনিও অন্যান্য বিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষীদের (তাসলিমা নাসরিন, আয়ান হিসরি প্রমুখ) মত রাজনৈতিক আশ্রয়ে বিদেশ পাড়ি দিয়ে বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের (হার্ভাড) ফেলোশিপের পুরষ্কার পান।

শেখ মানসূর ২০০৮ সালে আমেরিকাতে “Muslim Heretics Conference” (আরবীতে কাফিরুনদের সম্মেলন) নামে কনফারেন্সের আয়োজন করেন। মহিলা ইমামের জন্য আন্দোলনকারী (ছেলে-মেয়ে একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জামাতে ‘নামাজ’ আদায়ে বিশ্বাসী) আমিনা ওয়াদুদসহ সেখানে বিশ্বের পরিচিত ইসলাম বিদ্বেষী (যেমন ইরশাদ মানজি, ওয়াফা সুলতান, ননী ডারউইশ) উপস্থিত ছিলেন। প্রসংগত, নীজেকে কোরান-অনলি পরিচয়দানকারী ইরাশাদ মানজি মুহাম্মদ (সা)-কে নিয়ে ব্যংগাত্মক কার্টুনের পক্ষে সমর্থন করে বিবিসিতে বিবৃতি দেন। ঐ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হচ্ছেন বিশ্বে অত্যন্ত পরিচিত মুসলিম বিদ্বেষী তাসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদি প্রমুখ!

Irshad Manji, Taslima Nasreen, Salman Rushdie, Ayaan Hirsi Ali, Chahla Chafiq, Caroline Fourest, Bernard-Henri Levy, Mehdi Mozaffari, Maryam Namazie, Antoine Sfeir, Philippe Val, Ibn Warraq

ইরশাদ মানজি, আয়ান হিসরি, মরিয়ম নামজি, ইবনে ওয়ারাক প্রমুখ (সালমান রুশদি গং) কানাডায় তথাকথিত ‘শরিয়ার আইন’ বিরোধীতার নামে ইসলাম বিদ্বেষী কেম্পেইন করেন। এতে যোগ দেন কোরান-অনলি প্রচারক জামিলুল বাসার, মুক্তমনার ফতেমোল্লা ওরফে হাসান মাহমুদ। এসব নিয়ে সদালাপে কিছু প্রফাইল লেখেছিলাম, কিন্তু সদালাপ সাইট হ্যাকড হওয়ায় সেসব হারিয়ে গেছে। ফারুকের গুরু/ওস্তাদ মজ বাসার (নবীপূত্র দাবীদার) এর মুখোশ উন্মোচন করে ছবিসহ সদালাপে পোষ্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে সদালাপের সম্পাদক অনাকাংখিত লাল কালির অনেকগুলো নোট দিয়েছিলেন! সেসময় ভাবেছিলাম সদালাপে লেখা-লেখি ছেড়ে দেবো। কিন্তু নৈতিক কারণে সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছিলাম। বস্তুত, ইসলাম বিদ্বেষী কোরান-অনলিদের সম্পর্কে অবগত না থাকার কারণে সদালাপের সম্পাদক সাহেব ম জ বাসারের লেখাগুলো পুরাতন সাইটে প্রথম পাতায় লটকিয়ে রেখেছিলেন! এমনকি মজ বাসারের ইয়াং মুসলিম সোসাইটি নামক সাইটের লিঙ্কও সদালাপের উপরের দিকে শোভা পেত! সে সময় সদালাপে মন্তব্য করা যেত না। যাই হোক, পরবর্তীতে এন্টাইভণ্ড, শাহবাজ ভাই সহ আমরা বাসারের ভণ্ডামীর মুখোশ উন্মোচন করায় তিনি সদালাপ ছেড়ে পালিয়েছেন!

পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তথাকথিত কোরান-অনলিরা অতি পরিচিত ইসলাম বিদ্বেষীদের সাথে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্বে ‘ইসলাম’ (!) কায়েম করছে! তাদের সাহায্য করছে গণতন্ত্রের ধব্জাধারী ও শান্তির পূজারী বিশ্ব মিডিয়া, যারা মুসলিম বিশ্বে যুদ্ধে বাধানোর জন্য উম্মুখ থাকে! ইসলাম বিদ্বেষী আয়ান হিসরিকে সেদিন টাইম ম্যাগাজিন লাল-গালিচা সম্বোর্ধনা দিয়েছে!! ইউটিউব’এ ভিডিও পাওয়া যায়।

শেখ মানসূরের মত পলিটিক্যাল আশ্রয় পাওয়া লোক আমেরিকাতে কমপক্ষে চারটি অর্গানাইজশন পরিচালনা করছেন!

1) International Quranic Center
2) Americans for Peace and Tolerance
3) Free Muslims Coalition
4) Center for Islamic Pluralism

এত টাকা কোথায় পায়? এর জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হয় না। এক রিপোর্টে দেখা যায়, গত দশ বছরে ইসলাম বিরোধী প্রপাগান্ডা কেম্পেইনে প্রায় ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়। ইসলাম বিদ্বেষী ফান্ডের পরিমাণ এর চেয়ে ঢের বেশী
হবে।


http://www.shodalap.org/faruk/10406


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ, আপনাদের সমস্যা কি জানেন? আপনারা যুক্তি দিয়ে যখন কারো বক্তব্য খন্ডন করতে পারেন না , তখন অনুমানের উপরে ভিত্তি করে মানুষের চরিত্র হননে নেমে পড়েন। মানুষ টা খারাপ নাকি ভাল, ইহুদীর চর নাকি আমেরিকার চর , এর পিছনে সময় নষ্ট না করে , লোকটি কি বলেছে সেটা যুক্তি দিয়ে খন্ডন করুন। তাহলেই আস্তিক নাস্তিক সকল মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে।

সে জ্ঞান ও পড়াশুনা কি আপনার আছে? না থাকলে অফ যান।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা স্রষ্টার অস্তিত্বেই বিশ্বাস করেনা তাদের কাছে আপনাদের মত মূর্খ মানুষদের যুক্তিতো গ্রহণযোগ্য হবেই, যেই সকল মূর্খ মানুষেরা ক্বুরআন কে কোরান লিখে, আর ক্বুরআনে মুহাম্মদ দ্বারা কি নবীকে বুঝানো হয়েছে না, অন্য কিছু বুঝানো হয়েছে তা শিখতে যায় এমন নাস্তিকের কাছে যে সরাদিন স্রষ্টা নামের অলীক বস্তুকে গালাগালিই করে। স্রষ্টায় অবিশ্বাসী নাস্তিক ও স্রষ্টায় বিশ্বাসের ভেক ধারী কোরআন অনলী গ্রুপ যে কাদের দালালী করছে তা উপরের কমেন্টেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নজিবুল্লাহ ভাই,

আপনি একটা প্রতিষ্ঠান খোলেন যার কাজ হবে কে কা কারা স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তার সহি সার্টিফিকেট দেওয়া। আপনার ব্যাক্তিগত বিশ্বাসের সাথে কারো না মিললেই ব্যাস, সে নাস্তিক।

এইসব ফাইজলামি ছাড়েন, গত দুইদিন বহু সহ্য করছি। স্রষ্টার হয়ে সার্টিফিকেট দেবার এমন সোল এজেন্সী আপনাকে দিল কে?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কথা হল যারা স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন না, তাদের কোনই অধিকার নেই ইসলামের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে নাক গলানোর। আপনারা ষ্টেপ বাই ষ্টেপ একেকটা প্রমাণ করবেন। প্রথমে আলোচনা হবে স্রষ্টা আছে কি নেই। থাকলে তিনি কোন ধর্ম/ধর্মগ্রন্থ পাঠিয়েছেন কিনা, পাঠালে কোন কোন ধর্ম স্রষ্টা প্রদত্ত্ব আর কোন কোন ধর্ম মানব রচিত, প্রেরিত ধর্ম গুলোর মধ্যে কোনটি সত্য কোনটি বিকৃত, যেটি সত্য সেটি কেন সত্য, প্রমাণ কি? এভাবে ষ্টেপ বাই ষ্টেপ আলোচনা করা উচিত। আস্তিক-নাস্তিক সকলেরই। দেখা যাচ্ছে যারা স্রষ্টাতেই বিশ্বাস করে না, তারা দুই আস্তিকের তর্কের মাঝে একজনের পক্ষ্য নিয়ে আরেকজনকে গালাগালি করতেছে। এটা কোন ধরণের ফাইজলামী ? সে যেখানে স্রষ্টাতেই বিশ্বাস করেনা সেখানে সে কোন যুক্তিতে একজন আস্তিকের পক্ষ নিয়ে আরেকজন আস্তিকের বিরুধিতা করছে? আবার দেখা যাচ্ছে আস্তিক ফারুক ভাই নাস্তিক আকাশ মালিক থেকে কোরআন শিখতেছে। ভন্ডামী কি আমরা করতেছি না আপনারা করতেছেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মিয়া, আমি বা কে স্রষ্টায় বিশ্বাস করি না তার সার্টিফিকেট কি আপনের থেইকা নিতে হবে?

আমার কাছে আপনেও আসলে স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন না, এইবার অফ যান। সার্টিফিকেট বিতরনের স্কুল খুইলা বসেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আকাশ মালিক, যারা মানুষের কৃতকর্মের বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ হল কি করে ? যারা বিশ্বাস করে না আল্লাহ পাক সকল অত্যাচারিতের বদলা দিবেন অত্যাচারির কাছ থেকে, মজলুম ফিরে পাবে তার দেনা পরিশোধ জালেমের কাছ থেকে, এমনকি একটি শিং বিহীন গাভীও যদি অত্যাচারিত হয়ে থাকে শিংওয়ালা গাভী থেকে সেও তার অধিকার ফিরে পাবে, যারা এ মানবতায় বিশ্বাসী নয় তারা কি করে মানুষ হল?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ ফারুক,

কোরানে প্রতিবার মুহাম্মাদুন مُحَمَّدٌ লেখা হয়েছে। এটা কি নাম বাচক বিশেষ্য নাকি গুনবাচক বিশেষন? এক জায়গায় পড়েছি কোরানে কোথাও রসূলের নাম যে মুহাম্মদ তা বলা হয় নি। তাহলে এই মুহাম্মাদুন টা কী? নাম নাকি গুনের বর্ননা?


আমি ভাল করেই জানি আপনি কী বলতে চাইছেন, কী বুঝাতে চাইছেন। মুহাম্মদ শব্দটাকে আপনি যদি গুণবাচক মনে করেন তাহলে কল্লা কাটা যাওয়ার সমুহ সম্ভাবনা আছে।

يؤمنون بما أنزل على محمد
(And those who ) believe in what has been sent down upon Muhammad --
( আর যারা ) মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত দুই)
দেখুন বাংলায় এখানে মুহাম্মদ শব্দটা যে ভাবে মুহাম্মদের হয়েছে, আরবীতেও মুহাম্মাদ থেকে মুহাম্মাদি হয়েছে। উপরের বাক্যে জের, জবর, পেশ তাশদিদ না থাকার কারণে আরবীতে মুহাম্মাদ দেখা যাচ্ছে। মুহাম্মাদুন হবে যখন তার সাথে গুণবাচক বা ক্রীয়াবাচক শব্দ যুক্ত হবে। যেমন মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল- হবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। আল-রাসুল শব্দের সাথে মুহাম্মদ নাম বাচক শব্দ যুক্ত হওয়ায় মুহাম্মাদুর হয়েছে এবং আল সাইলেন্ট হয়ে গিয়েছে। তদ্রূপ নীচে দেখুন-

محمد رسول الله


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ নাজিবুল্লাহ,

দেখা যাচ্ছে আস্তিক ফারুক ভাই নাস্তিক আকাশ মালিক থেকে কোরআন শিখতেছে।


এর কারণ একমাত্র তারাই বুঝতে পারেন যারা মানুষ। শুধু আস্তিক ধার্মিক হলে বুঝা যাবেনা। একটা কবিতা শুনাই-

মধ্য দিনের আলোর দোহাই, নিশির দোহাই ওরে!
প্রভু তোরে ছেড়ে কভু যাননি কখনো, ঘৃণা না করেন তোরে।
অতীতের চেয়ে নিশ্চয় ভালো হবেরে ভবিষ্যৎ,
একদিন খুশি হবি তুই লভি তাঁর কৃপা সুমহৎ।
অসহায় যবে আসিলি জগতে তিনি দিয়েছেন ঠাঁই,
তৃষ্ণা ও ক্ষুধা দুঃখ যা ছিল ঘুচায়ে দেছেন তাই,
সেই কৃপার কথা স্মরণে রাখিস; অসহায় জনে ওরে!
দলিসনে কভু; ভিখারী আতুর বিমুখ যেন না হয়,
তাঁর করুণার বারতা ঘোষণা কররে জগতময়


মনে কি পড়ে কে লিখেছিলেন? ইশ্ কে তাকে এই অধিকার দিয়েছিল? বুড়া রবীন্দ্রনাথও মাঝে মাঝে কোরানের তরজমা করেন, কী আশ্চর্য! নাজিবুল্লাহ সাহেব, মানুষকে ঘৃণা করা ভাল নয়। ফিরিয়ে দিতে হলে নাস্তিকদের সবকিছু ফিরিয়ে দিন।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মধ্য দিনের আলোর দোহাই, নিশির দোহাই ওরে!
প্রভু তোরে ছেড়ে কভু যাননি কখনো, ঘৃণা না করেন তোরে।
অতীতের চেয়ে নিশ্চয় ভালো হবেরে ভবিষ্যৎ,
একদিন খুশি হবি তুই লভি তাঁর কৃপা সুমহৎ।
অসহায় যবে আসিলি জগতে তিনি দিয়েছেন ঠাঁই,
তৃষ্ণা ও ক্ষুধা দুঃখ যা ছিল ঘুচায়ে দেছেন তাই,
সেই কৃপার কথা স্মরণে রাখিস; অসহায় জনে ওরে!
দলিসনে কভু; ভিখারী আতুর বিমুখ যেন না হয়,
তাঁর করুণার বারতা ঘোষণা কররে জগতময়


কবির নাম কি?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুরআন অবমাননা পোস্টে দেখি আস্তিক নাস্তিক ক্যাচালের তুফান বইছে...

কুরআন বলছে,

"নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে করে বাধাদান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুতঃ এখন তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা কাফের তাদেরকে দোযখের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।" anfal-36

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা মানুষের কৃতকর্মের বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ হল কি করে ? যারা বিশ্বাস করে না আল্লাহ পাক সকল অত্যাচারিতের বদলা দিবেন অত্যাচারির কাছ থেকে, মজলুম ফিরে পাবে তার দেনা পরিশোধ জালেমের কাছ থেকে, এমনকি একটি শিং বিহীন গাভীও যদি অত্যাচারিত হয়ে থাকে শিংওয়ালা গাভী থেকে সেও তার অধিকার ফিরে পাবে, যারা এ মানবতায় বিশ্বাসী নয় তারা কি করে মানুষ হল?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা মানুষের কৃতকর্মের বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ হল কি করে ? যারা বিশ্বাস করে না আল্লাহ পাক সকল অত্যাচারিতের বদলা দিবেন অত্যাচারির কাছ থেকে, মজলুম ফিরে পাবে তার দেনা পরিশোধ জালেমের কাছ থেকে, এমনকি একটি শিং বিহীন গাভীও যদি অত্যাচারিত হয়ে থাকে শিংওয়ালা গাভী থেকে সেও তার অধিকার ফিরে পাবে, যারা এ মানবতায় বিশ্বাসী নয় তারা কি করে মানুষ হল?


নজিবুল্লা ভাইয়ের হিসাবেতো তাহলে মুসলমান ছাড়া আর কেউই মানুষ না। পৃথিবীতে মুসলমান দেড় বিলিয়ন ( নজিবুল্লা ভাইয়ের হিসাবে অধিকাংশ শিয়াও আবার মুসলমান না, তাই দেড় বিলিয়নের হিসাবও ভুল) , বাকি সাড়ে চার- বিলিয়ন মানুষসদৃশ্য প্রাণীর জন্য নতুন কি নাম প্রস্তাব করা যায় Crazy


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১২:১০৩ আপনি যতই চান, অধিকাংশ লোক বিশ্বাসকারী নয়।

১২:১০৬ বেশিরভাগ মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।

৬:১১৬ আপনি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথামত চলেন তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারাতো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে; আর তারা শুধু অনুমানভিত্তিকই কথাবার্তা বলে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ , আল্লাহ বলছেন অধিকাংশ লোক বিশ্বাসকারী নয়। সত্য কথা।

কিন্তু আপনি কি বল্লেন?

যারা মানুষের কৃতকর্মের বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ হল কি করে ?
আপনার একথাটা তো অনুমানভিত্তিকই কথাবার্তা , নয় কী? এর ফল দাড়ালো আপনি ইসলামের নামে ঘৃণা ছড়ালেন এবং সমাজে ফাসাদ সৃষ্টি করলেন। ফাসাদ সৃষ্টির শাস্তি কি , সেটা কোরান থেকে দেখে নিন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

http://www.shodalap.org/m_ahmed/10415 Wink

আর কত কট খেলে লজ্জা নামক ঈমানের অঙ্গটা আপনার থেকে প্রকাশ পাবে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নজিবুল্লাহ, আমার কুশ্চেন ছিল আপনার মতে যে ইসলামে বিশ্বাসী না, সে মানুষ না- সো আপনার বর্নিত ইসলামী তরিকায় এই সাড়ে চার বিলিয়ন প্রাণীরে কি নামে অভিহিত করা হয়?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুখে মানবতার ভেক ধারী স্রষ্টায় অবিশ্বাসী স্রষ্টার সর্ব নিকৃষ্ট সৃষ্টি নাস্তিকরা ছাড়া দুনিয়ার আর সবাই ই পরকালীন ন্যায় বিচারে বিশ্বাসী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মন্তব্য

যারা মানুষের কৃতকর্মের বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ হল কি করে ?


দুনিয়াতে বৌদ্ধ-হিন্দু সবাই বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করে?

যারা বিশ্বাস করে না আল্লাহ পাক সকল অত্যাচারিতের বদলা দিবেন অত্যাচারির কাছ থেকে, মজলুম ফিরে পাবে তার দেনা পরিশোধ জালেমের কাছ থেকে, এমনকি একটি শিং বিহীন গাভীও যদি অত্যাচারিত হয়ে থাকে শিংওয়ালা গাভী থেকে সেও তার অধিকার ফিরে পাবে, যারা এ মানবতায় বিশ্বাসী নয় তারা কি করে মানুষ হল?


এইগুলা মুসলমান ছাড়া আর কেউই বিশ্বাস করেনা, সো আপনার কনক্লুশনে মুসলমান ছাড়া আর কেউই মানুষ না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই জন্যইতো আমি আপনাদেরকে বলি ষ্টেপ বাই ষ্টেপ আলোচনা করতে, যদি সত্যিই ভিতরে মনুষ্যত্ববোধ থাকে এবং সেই মানবিকবোধের সৎ অনুপ্রেরণাতে উদ্ভুদ্ধ হয়ে সত্য অনুসন্ধানের আকাংক্ষা করবেন। আর মানুষ নামের দু পেয়ে পশু হয়ে থাকলে সত্য যতই সূর্যালোকের ন্যায় উদ্ভাসিত হউকনা কেন চামচিকার ন্যায় কোনদিনই সূর্যের আলো দেখতে পাবেন না। ভিতরে অসৎ-কুৎসিত জিঘাংসা থাকলে কখনোই সত্যের পথে হাটা সম্ভব নয়।

হিন্দু ধর্মে পরকালীন ন্যায়-বিচারের প্রসঙ্গ স্পষ্ট ভাবেই বিদ্যমান। কেননা তা স্রষ্টা প্রদত্ত্বই ধর্ম, যা পরে বিকৃত হয়েছে।
বৌদ্ধ ধর্মে স্রষ্টার প্রসঙ্গই অনুপস্থিত। এখানে আছে শুধু ধ্যান এর মাধ্যমে নির্বান বা মোক্ষ্য বা পূণ্যাত্মায় সমর্পনের বিষয়।
স্রষ্টাও নেই পরকালও নেই যেহেতু এটা স্রষ্টা প্রদত্ব ধর্ম নয়। মানব রচিত ধর্ম।

স্রষ্টা প্রদত্ত্ব সকল ধর্মেই ইহজাগতিক প্রতিটি প্রাণির পুঙ্খানুপুঙ্খ কর্মফল প্রদানের শেষবিচারের বিষয় বিদ্যমান রয়েছে, যা ছাড়া মানবতা কখনই পরিপূর্ণ হতে পারে না।

নাস্তিকদের মানবতা থেকে থাকলে এবং সৎসাহস থেকে থাকলে তাদের ষ্টেপ বাই ষ্টেপ আলোচনা করতে হবে :

১. স্রষ্টা আছে কি নেই।
২. স্রষ্টা থাকলে কোন ধর্মগ্রন্থ পাঠিয়েছেন কিনা।
৩. পাঠালে তার ক্রমবিণ্যাস কি ?
৪. কোন কোন ধর্ম গ্রন্থ বিকৃত হয়েছে এবং কোন কোন ধর্ম গ্রন্থ অবিকৃত রয়েছে।

শুধুমাত্র এ চারটি প্রশ্নের মিমাংশার মধ্যেই রয়েছে মানব জাতির মুক্তি ও সত্যের সন্ধান।
যদি ভিতরে সত্যিই মানবতা থেকে থাকে, যদি সত্যিই মানব কল্যাণকামী অন্তরবিশিষ্ট মানুষ হয়ে থাকে তবে এ চারটি প্রশ্নের মিমাংশা করবে আর তা না হয়ে থাকলে সত্যের প্রতি ও মানবতার প্রতি অহেতুক প্রতিহিংসাপরায়ন হিংস্রকাতর হয়ে নাস্তিকরা স্রষ্টা প্রেরিত ধর্মের আভ্যন্তরিন বিষয়ে নাক গলিয়েই যাবে। আর যদি তারা মানূষ হয়ে থাকে তবে তারা আগে এ চার প্রশ্নের মিমাংশা করবে। এটাই বিশ্বের দেড়শোকোটি মুসলিম ও ছয়শকোটি মানবের চাওয়া পাওয়া গোটিকয়েক মানুষ নামধারী নাস্তিকদের কাছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হিন্দু ধর্ম স্রষ্টা প্রদত্ত কিনা এই জাতীয় জোকার নায়েকীয় আলোচনায় আমার কোন আগ্রহ নাই। ত্যানা না প্যাচায়া সরাসরি উত্তর দেন, যারা বিচার দিনের ফয়সালায় বিশ্বাস করেনা, আল্লাহতে বিশ্বাস করেনা তারা মানুষ কি মানুষ না। তারা মানুষ না হইলে আপনার বর্নিত ইসলামী পরিভাষায় তাদের কি নামে ডাকা যাইতে পারে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্রষ্টায় অবিশ্বাসীদেরকে স্রষ্টা নিজেই চতুষ্টদ জন্তুর চাইতে অধম বলেছেন। কারণ তারা স্রষ্টার সৃষ্টি হয়েও স্রষ্টা প্রদত্ত সবচাইতে বড় উপহার জ্ঞানের অবমাননা করেছে। যেই জ্ঞান মানুষ ব্যাতিত অন্য কোন প্রাণীকে দেয়া হয়নি সেই জ্ঞানের অবমাননা করার কারনে নাস্তিকরা পশুর চাইতেও অধম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুড, এতক্ষন ত্যানা না পেচায়া এই কথাটা বললেই হইত। আপনাডের নিজেদের চিন্তাধারা হইল নিজ ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষ বা নাস্তিকরা পশুরও অধম, আর নাস্তিকেরা আপনাদের বা ধর্মের সমালোচনা করলেই গায়ে একেবারে ফোস্কা পইড়া যায় Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই সহজ কথাটা আর কত বার বলা লাগবে ? বাংলা না বুঝলে এত ল্যাদাইতে আসেন কেন আপনারা ?

সৃষ্টের কোনই যোগ্যতা নেই স্রষ্টার বা স্রষ্টার বানীর সমালোচনা করার।

পারলৌকিক বিষয়গুলো সব চতুর্থ বা তদূর্ধ মাত্রা বিশিষ্ট জগত। আর আমরা হলাম তিন (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা) মাত্রা বিশিষ্ট এ পৃথিবীর বাসিন্দা। তাই আমাদের জ্ঞানে পারলৌকিক বিষয়গুলো বুঝা সম্ভব নয়। যেখানে মানুষ অসীম টাইম ও অসীম স্পেস এর ধারনাই করতে অক্ষম সেখানে সে কিভাবে তার স্রষ্টার ব্যাপারে ধারনা করতে সক্ষম হবে !

স্রষ্টা সীমিত জ্ঞান দিয়েই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। এই কারনেই তার জন্য ধর্ম অপরিহার্য।
আগে স্রষ্টার অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করবেন অথবা স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমানকে খন্ডন করবেন। তারপরে ল্যাদাইতে আসবেন। তা না হলে স্রষ্টা প্রদত্ব ধর্মের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে নাক গলাতে আসলে যে কোন ধরনের সমালোচনার যোগ্য আপনারা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মশিউর মামা,

ইসলামরে তুমি আর তোমার পার্টনাররা যতটা সন্ত্রাসী হিসেবে দেখাইতে চাইছ তার ১/১০ হইলেও পাবলিক তোমারে পোন্দাইয়া প্রেগনেন্ট বানাইয়া দিত | তোমার বউ আর মাইয়া গনিমতের মাল হইতো | ছাগল কোথাকার |


শয়তান তার সকল খাসিয়ত- গুণাবলি আপনাদের গায়ের লোমে-পশমে, মনে-মানসে, দেহের সকল রক্ত-কণিকায় পাচার করে বুড়ো ইবলিশ রিটায়ার্ড করলো বুঝি?

আক্কাস মল্লিক নামক আচোদা টার সাথে ফারুক নামক বোকাচোদা টার এত খাতির কেনু ?


ভাষাটা পুরাই ইসলামিক, কোরান-হাদিস সম্মত তাই না? আপনারা যখন ইসলামের বন্ধু হলেন তখন তার আর শত্রুর প্রয়োজন আছে? আপনার ইসলামী ভাষাই প্রমাণ করে ধর্ম মানুষকে কী শেখায়? আমরা যখন বলি- ধর্ম মানবতার, নৈতিকতার চাবি কাঠি নয়, তখন আপনারা না থাকলে বাস্তব প্রমাণ দিবো কেমনে? আপনারাই তো শয়তানের বাস্তব রূপ, ঠিক না?

দোয়া করি, বিশ্বমাতা যেন আপনার মতো মানবরূপী ইবলিশদের নষ্ট দৃষ্টি থেকে আমার বউ-বাচ্চাদের হেফাজত রাখেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আক্কাস মল্লিক ,

কমেন্ট শুইনা পোন্দে জ্বলুনি ধরছে মাদারী ?

'শয়তান তার সকল খাসিয়ত- গুণাবলি আপনাদের গায়ের লোমে-পশমে, মনে-মানসে, দেহের সকল রক্ত-কণিকায় পাচার করে বুড়ো ইবলিশ রিটায়ার্ড করলো বুঝি? ' - খোজ নিয়া দেখ , শয়তান এখন তোগো মুত্রমনায় মুতু করতেছে |

'ভাষাটা পুরাই ইসলামিক, কোরান-হাদিস সম্মত তাই না? ' - আবার আবালচোদা কমেন্ট | নতুন কিছু লেখ | এক কুমিরের বাচ্চা কয়বার দেখাবি ?

'দোয়া করি, বিশ্বমাতা যেন আপনার মতো মানবরূপী ইবলিশদের নষ্ট দৃষ্টি থেকে আমার বউ-বাচ্চাদের হেফাজত রাখেন।' - দোয়া কার কাছে করতেছ ?

আর তোমার বউ বাচ্চার দিকে নজর তোমার মুত্রমনার মোতা মিয়া গুলি দেবে | আমি না | বাচ্চা গুলার ডি.এন.এ. টেস্ট করাইছ ? তোমার লগে না মিললে প্রথমে অভিজিত আর আবুল কাশেমের সাথে টেস্ট করিও | ওদের টেস্ট পজিটিভ হইলে মন খারাপ কইর না | বাচ্চা কাচ্চা বড় হইলে তো আর একটা অভিজিত অথবা আবুল কাশেম বানানোর ইচ্ছা তোমার | না হয় বীজ সরাসরিই পড়ল |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দোয়া করি, বিশ্বমাতা যেন আপনার মতো মানবরূপী ইবলিশদের নষ্ট দৃষ্টি থেকে আমার বউ-বাচ্চাদের হেফাজত রাখেন।


বিশ্বমাতা ডা আবার কেডা !!! আপনার প্রাচীন আল্লার বৌ নাকি হে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ নাজিবুল্লাহ,

------------- তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ।

বুঝতে হলে কিছু জ্ঞানের যে প্রয়োজন আছে। মরুভুমির বালিতে মগজ বন্ধক রেখে তা বুঝা সম্ভব না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দোয়া করি, বিশ্বমাতা যেন আপনার মতো মানবরূপী ইবলিশদের নষ্ট দৃষ্টি থেকে আমার বউ-বাচ্চাদের হেফাজত রাখেন।


ইবলিশ থেকে হেফাজত কারী মা কালীর আসনে সমাসীন বিশ্বমাতায় কোন ধর্মীয় পরিভাষার গন্ধ নেই যতসব ধর্মীয় গন্ধ আছে ইসলামের পরিভাষা আর কালচারেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মশিউর মামা,


আর তোমার বউ বাচ্চার দিকে নজর তোমার মুত্রমনার মোতা মিয়া গুলি দেবে | আমি না | বাচ্চা গুলার ডি.এন.এ. টেস্ট করাইছ ? তোমার লগে না মিললে প্রথমে অভিজিত আর আবুল কাশেমের সাথে টেস্ট করিও | ওদের টেস্ট পজিটিভ হইলে মন খারাপ কইর না | বাচ্চা কাচ্চা বড় হইলে তো আর একটা অভিজিত অথবা আবুল কাশেম বানানোর ইচ্ছা তোমার | না হয় বীজ সরাসরিই পড়ল |


আগে বলেছিলাম ধর্ম মানুষকে কী করতে পারে তার বাস্তব প্রমাণ আপনি ও আপনার মতো মানুষেরা। আসলে বলা উচিৎ ছিল- ইসলাম মানুষকে কী করতে পারে তার বাস্তব প্রমান আপনি আপনার মতো মানুষেরা। অন্যান্য ধর্মের মানুষেরা এমন প্রমাণ রাখতে দেখা যায়না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলাম যে সত্য ধর্ম তার প্রমাণ আপনাদের মত লোকই। যারা মুখে স্রষ্টাকে গালাগালি করে আর অন্তরে শুধুমাত্র ইসলামের প্রতিই চরম বিদ্বেষ পোষণ করে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আক্কাস মল্লিক ,

কথা মিছা কইলাম কোথায় ? করাইছ ডি.এন.এ টেস্ট ? নাইলে কইলাম কাকের বাসায় কোকিলের ছাও বড় করতেছ |

বোকাচোদা , সাহস থাকে তো মুত্রমনায় মডারেশন তুইলা এরে ওপেন কর | আলোচনা কর তোমার বউ এর বাকি ভাতার গুলার লগে | তোমাগো বাল ছাল যুক্তি গোল কইরা সমান ভাবে তোমার আর তোমার বৌএর বাকি ভাতারগুলার পোন্দে দিয়া ভইরা দিতে শুক্কুর বারের জুমা পড়া , বিড়ি -সিরকেট খাওয়া আর কিরকেট খেলা মুসলমানই যথেষ্ট | বড় কোনো আলেম লাগে না |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নাজিবুল্লাহ, মশিউর মামা,
সালামুন আলাইকুম। আপনারা মনে হয় মুসলমান বলে নিজেদের দাবী করেন এবং ইসলামের জন্য সবকিছুই করতে প্রস্তুত। তাহলে নিচের আয়াতটি কি মানা উচিৎ নয়?

১৬:১২৫ আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
16:125 Invite to the path of your Lord with wisdom and good advice, and argue with them in the best possible manner. Your Lord is fully aware of who is misguided from His path, and He is fully aware of the guided ones.

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনিকি মজবাসারের নিম্নোক্ত বিশ্বাসগুলোতে বিশ্বাসী ?

১। কোরান সংকলনও ভুলের উর্ধে নয়।
২। ইহাতে নতুন কিছুই নেই।
৩। কোরান আদি-অনাদিকাল পর্যন- পুনঃ পুনঃ নবি-রাছুল মনোনয়ন বা আগমণ ঘোষণা করে।
৪। সাপ্তহিক জুমার দিন ৭ম দিবস শনিবার পালনের ইঙ্গিত আছে।
৫। সাম্যবাদ (সমাজতন্ত্র) কোরানের মূল মন্ত্র।
৬। কোরান ডারউইনের বিবর্তনবাদ সমর্থন করে।
৭। কোরান হযরত ঈসার স্বাভাবিক মৃত্যু প্রমাণ করে।
৮। কোরানসহ অতীতের সকল ঐশী গ্রন’সমূহ গান বা সুর, তাল ও ছন্দে ছন্দে নাজিল হয়েছে।

আপনি হাদীস সংকলনের ইতিহাস কতটুকু জানেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেরুক,

আক্কাস মল্লিকের চামচামি বাদ দেও | নইলে ওর বরাদ্দ কিছু পুন্দানি তুমি আর ম.গা.বাসার এর পুন্দেও জুটবে |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওহে "নাজিবুল্লা
এই চারটি প্রশ্নের মীমাংসার মধ্যেই রয়েছে মানব জাতির মুক্তি ও সন্ধান " এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনিই দিয়ে মুসলমান ও মানব জাতিকে উদ্ধার করুন। সেই সাথে আপনার র্স্বগের পথ্ও সুগম করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুরআন শরীফ অবমাননাকারীদের কঠিন শাস্তি দিতে হবে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ শেখের পো,

মধ্য দিনের আলোর দোহাই, নিশির দোহাই ওরে!
প্রভু তোরে ছেড়ে কভু যাননি কখনো, ঘৃণা না করেন তোরে।


কবির নাম কী?


আমার পরীক্ষা নিচ্ছেন, না সত্যি জানেন না।

কবির নাম, সত্যেন্দ্রনাথ। সুরার নাম বলবো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রবীন্দ্রনাথ হোক আর সত্যেন্দ্রনাথ হোক তারা কেউ ই নিজ স্রষ্টার প্রতি নিমকহারাম নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুরার নামে ত সমস্যা দেখি না।

আপনার নাম কি হাবিবর রহমান? আপনি আকাশ মালিক হইলেন ক্যামনে?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ শেখের পো,

একজন কবির নাম জানতে চাইলেন, আমি বলে দিলাম। ধন্যবাদ জানিয়ে একটু কৃতজ্ঞতাবোধ দেখানো ত দূরের কথা, কবিতার কোন বিষয় নিয়ে কিছু বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ করেই--

আপনার নাম কি হাবিবর রহমান? আপনি আকাশ মালিক হইলেন ক্যামনে?


এই একটা বিশেষ চরিত্র আছে কিছু মূর্খ ইমানদার মুসলমানের। এই লেখাটির শিরোনাম হচ্ছে- 'কোরান অবমাননা', লিখেছেন ফারুক সাহেব। এটা আকাশ মালিক বা হাবিবর রহমান নামের কারো জীবনী নয়। নিজেকে আর কতো বোকা বানাবেন সাহেব? আমি বা অন্য কেউ কি কোনদিন জিজ্ঞেস করেছে আপনি শেখের পো হলেন কী ভাবে? কিছুটা ভদ্রতা, কিছুটা মানবিকতা দেখালে এমন কী আর ক্ষতি হবে ইসলামের? হায়রে মুসলমান! একজন অমুসলিম কোরানের সুরার অনুবাদ করে মানুষকে মানবিকতা শেখান আর মুসলমান কোরান পড়ে মানুষ থেকে হয় অমানুষ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুরআনে ধারণা করতে নিষেধ করা হয়েছে।(সুরা ৪৯: আয়াত ১২)

একজায়গায় দেখলাম- আকাশ মালিক হচ্ছেন হাবিবর রহমান। সেটাই আপনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম। আর আপনি নাকি সৈয়দ। যদি এ তথ্যগুলো সঠিক না হয়ে থাকে, আপনি না বলতে পারেন। কিন্তু কেন যে আপনি উত্তেজিত হয়ে পড়লেন!! আরও জানলাম আপনি বয়সে একজন প্রবীণ ব্যক্তি। প্রবীণ ব্যক্তি হঠাৎ উত্তেজনা বোধ করছেন কেন!!

সরি, কবির নাম সম্পর্কে একটু সন্দেহ ছিল বলে ক্লিয়ার হতে চাইছিলাম। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি কবির নাম জানানোর জন্য।

এই একটা বিশেষ চরিত্র আছে কিছু মূর্খ ইমানদার মুসলমানের। এই লেখাটির শিরোনাম হচ্ছে- 'কোরান অবমাননা', লিখেছেন ফারুক সাহেব। এটা আকাশ মালিক বা হাবিবর রহমান নামের কারো জীবনী নয়।


আকাশ মালিক যেনতেন লোক নয়। তার একখান সাড়া জাগানো বই আছে- 'যে সত্য বলা হয়নি' এবং সে বইয়ের পক্ষে স্বয়ং অভিজিৎ দা ক্যাম্পেইন করেছেন।

আমি আপনার জীবনী সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আস্তিকরা কিছু বললেই নাস্তিকদের নাস্তিকানূভুতিতে এত আঘাত লাগে কেন ? বিরাট মনস্তাত্ত্বিক ঘবেষনার বিষয় বটে।

glqxz9283 sfy39587p07