Skip to content

হায়েনা প্রজনন কেন্দ্র

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগার করতোয়া তাঁর ছেলের আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে ওরিয়েনটেশনের সময় উপস্হিত ছিলেন। কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিজের দিন গুলোকে স্মরণ করে মনে কস্ট পেয়েছেন, তখনকার ছাত্রদের হানাহানিকে স্মরণ করে। একটা ব্যাপারে উনি কথা বলেননি, যারা হানাহানি করতো, তারা আজকের বাংলাদেশে কি মহামতি অশোক হয়ে গেছেন, নাকি পুরোপুরি হায়েনায় পরিণত হয়েছে। হানাহানির মাঝে যেসব ছাত্রেরা পড়ালেখা করেছে, তাদের উপর কি পরিমাণ প্রভাব পড়েছে? আমার ধারণা খুবই বড় ধরণের প্রভাব পড়েছে, বাংলাদেশের বাহিরে লেখাপড়া করা যেকোন বাংগালী ২/১ মিনিটের তা বুঝতে পারবে।

১৯৬৯ সাল, চারিদিকে বিপ্লব; ভর্তি হলাম চট্টগ্রাম কলেজে; ভর্তি প্রসেসের মাঝেই পরিচিত হলাম ৩য় বর্ষ পদার্থের ছাত্র ফজলু ভাইয়ের সাথে; উনি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি (পরে তিনি মুক্তযুদ্ধ করেছিলেন); প্রশ্ন করলেন, "রাজনীতি কেমন লাগে?"
-ভালো, তবে কর্মী হবো না, বাবা মৃত, ৪ ভাই স্কুলে, আমি পরিবার দেখি। আপনাকে সাহায্য করবো।

ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন অভ্যর্থনা দিলো। জানিয়ে দিলাম আমি কারো সাথে নেই। ছাত্র সংঘ সাহস করে অভ্যর্থনা করে নাই ক্যাম্পাসে(৯০ সাল থেক চট্টগ্রাম কলেজকে মাদ্রাসা বানিয়ে ফেলেছে শিবির)। মাসখানেক কেটে গেছে, এক সন্ধ্যায় ক্যান্টিনে চা খাচ্ছি, ফজলুল কাদেরের ছোট ছেলে(আমার ক্লাশমেট) তার কয়েকজন এন এস এফ'এর সিনিয়র গুরুসহ দাওয়াত দিতে এলো। আমি বললাম, "এন এস এফ কি এখনো আছে?" এক সিনিয়র রেগে গেলো, বললো, "ভর্তি হয়েই এত বড় কথা? পালাবার পথ খুঁজে পাবানা বাছা।" সিনিয়র মানুষ চুপ করে রইলাম, কিন্তু মনে মনে ভয়ংকর অপমান বোধ করলাম। সিনিয়রকে চিনতাম, চা-পোষা সরকারী অফিসারের ছেলে, আমাদের সময় সিনিয়রদের কথা হজম করতে হতো।

আম গাছে ফুল এলে তখন যদি ঝড় হয়, গাছ না পড়লেও আম ধরে না; দু'চারটা আম ধরলেও সেগুলো সঠিক মতো বড় হয়না, মিস্টি হয় না। ছা্ত্র জীবনে ১২ ক্লাশের পর মাত্র একজন ছাত্র কিছু বুঝার জন্য তৈরি হয়, পরবর্তী ৪/৬ বছর আমের ফুলের মত সময়; সে সময় এরা বন্দুক, চুরি, রামদা, ছাইনিজ কুঠারের সামনে পড়লে কি করে স্বাভাবিকভাবে প্রস্ফুটিত হবে?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৭৩ সাল থেকে, বাংলাদেশে যারা গ্র্যাজুয়েশন করেছেন, তাঁরা কতটুকু স্বাভাবিক এটা ভাবার বিষয়; আজ শিক্ষিতদের যে অবক্ষয় দেখা যাচ্ছে, এটা হায়েনা প্রজনন কেন্দ্র থেকে পাওয়া গুণ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু মানুষ আছেন যারা অন্যদের মধ্যে ভালত্ব জাগিয়ে তুলতে পারেন, অন্যদের দিয়ে ভাল কাজ করিয়ে নিতে উতসাহিত করেন। আর কিছু মানুষ আছে যারা সবসময় অন্যদের মধ্যে খারাপ জিনিষ্টাই জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হন। পরোক্ষভাবে তাদেরকে খারাপ কাজটি করতে উতসাহিত করেন, যেমন আপনার ভাষায় হায়েনার মত আচরণ। আপনার বেশির ভাগ পোস্টগুলিকে নিঃসন্দেহে এই পরের গ্রুপটিতে ফেলা যায়।

এখন দেখার পালা আমার কথা সত্যি হয় কিনা।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস,



হায়েনাদের হায়েনাই বলতে হবে।এইসব ভয়ঙ্কর হায়েনারা কোন বখাটে শিশু নয় যে, এদের মাঝে কোনক্রমে ভালত্ব জাগানো সম্ভব, শোধারানো সম্ভব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সাথে কার কি হয়েছে জানিনা তবে আমার কমেন্ট স্পেসিফিক্যালি ব্লগার ফারমারের জন্য প্রযোজ্য। তাই আমরা এখানে ব্লগার ফারমারের এই বিশেষ গুণটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকব।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পোস্টারের থেকে একটা প্রশ্ন করি-

আপনি কোন তন্ত্র সাপোর্ট করেন???

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি গনতন্ত্রেই বিশ্বাষী।তবে বাংলাদেশে গনতন্ত্র নামে যে ব্যবস্থা টিকে আছে তাকে গনতন্ত্র হিসেবে মেনে নিতে রাজী নই।দারিদ্রতা, কাল টাকা ও মাসলম্যানদের পুজি করে দুই মাফিয়া পরিবারের লুঠপাঠের তন্ত্রকে যাকে জোরপুর্বক গনতন্ত্র (যা মুলত পারিবারিক রাজতন্ত্র) হিসেবে অভিহিত করা হয় তাকে ঘৃনা করি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস,
আপনি যদি বাংলাদেশে গ্রাজুয়েশন করে থাকেন, আপনার বক্তব্য বেশীরভাগের সাথে মিল যাবে, এবং 'ওদের মতে' সঠিক হবেন।
আমার কাজ কাউকে 'ভালো' বলে উৎসাহ দেয়া না, আমার কাজ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং; মানুষ ফ্যাক্ট জানলে নিজেই সমাধান খুঁজবে।
'ডাকাতকে'ও 'ভালো' বলে হয়তো ভালো পথে আনা সম্ভব; তবে, ওই দায়িত্বটা আমি এখনো নিইনি; শুধু দেখছি, যার ডাকাত হবার কথা নয়, সে কিসের প্রভাবে ডাকাত হলো!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি যদি বাংলাদেশে গ্রাজুয়েশন করে থাকেন, আপনার বক্তব্য বেশীরভাগের সাথে মিল যাবে, এবং 'ওদের মতে' সঠিক হবেন।


এইযে আপনি বাংলাদেশে গ্রাজুয়েশন করা সবাইকে (আমি সহ) এক পাল্লায় ফেলে হরেদরে একটা কমেন্ট করে ফেললেন এ জন্যেই কেঊ যদি আপনাকে কটু কথা বলে তাহলে তার জন্য দায়ী থাকবেন শুধুমাত্র আপনি। তখন হায়েনা হায়েনা বলে কান্নাকাটি করাটা হবে মাছের মায়ের কান্না।

আমার কাজ কাউকে 'ভালো' বলে উৎসাহ দেয়া না, আমার কাজ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং; মানুষ ফ্যাক্ট জানলে নিজেই সমাধান খুঁজবে।


আপনার কাজ যে কাউক উতসাহিত করা না সেটাইত আমি বললাম। আপনি মানুষের খারাপ গুনাবলি জাগিইয়ে তুলতে ওস্তাদ। তবে আপনার কাজ ফ্যাক্ট ফাঈন্ডিং ও না। আপনি প্রচুর মনগড়া তথ্য দেন। সুত্র ত দেনই না, সুত্র চাইলেও এড়িয়ে যান।

শুধু দেখছি, যার ডাকাত হবার কথা নয়, সে কিসের প্রভাবে ডাকাত হলো!


সেটাইত আমি বললাম। আপনার পোস্টে যারা ডাকাতি করে তারা আপনার পোস্টের হেডিং আর বক্তব্যের প্রভাবেই করে। এখানে প্রভাবক্টা হলেন আপনি, আর কেঊ না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ১০০% গ্র্যাজুয়েটকে লক্ষ্য করে লিখেছি, এবং এ ব্যাপারে কোন কম্প্রোমাইজ নেই।

এখানে জেনে শুনে জেনারেলাইড করা হয়েছে; সব রকম কমেন্টের প্রত্যাশা ও রিয়েকশন এর সম্ভাবনা মাথায় রেখে লেখা হয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ১০০% গ্র্যাজুয়েটকে লক্ষ্য করে লিখেছি, এবং এ ব্যাপারে কোন কম্প্রোমাইজ নেই।


তাহলে আবার হায়েনা, ডাকাত ইত্যাদী বলে মানুষের সেন্টিমেন্ট গ্রো করার চেষ্টা কেন? ইউ ডিজার্ভ ইট। বি এ ম্যান এন্ড টেক ইট এজ ইট ইজ। ডোন্ট ক্রাই ফাউল।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কাজ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং; মানুষ ফ্যাক্ট জানলে নিজেই সমাধান খুঁজবে।


ঠিক বলেছেন। কিন্তু সমস্যা হলো আপনার কথা গুলোর উপস্থাপন আপনার কাজ গুলোকে হোরাসের পরের ক্যাটাগরিতে ফেলে দেয়।
জানিনা আপনাদের সময় কি পরিমান ছাত্র আপনার কথায় হায়েনা হয়েছিল। কিন্তু আমরা যখন গ্রেজুয়েশন করি তখন হায়েনার সংখ্যা ছিল ১০% কিন্তু এি সংখ্যার জন্য আপনি বাকি ৯০% কে হায়েন বলতে পারেন না।

আর এই কারনেই আপনার লেখা হায়েনা হতে উৎসাহ যোগায়।

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হায়েনাদের সংখ্যা খুবই কম, ধরা যাক ১০%; এই ১০% ই দেশের মুল শক্তিতে আসছে; বাকী ৯০ এর উপর প্রভাব ফেলছে এই ১০%।

৯০% এর উপর যে প্রভাব পড়ছে ও ১০% দেশের মুল চালিকাকে দখল করায় জাতির ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে।
জাতির অবস্হা 'দুধের' মতো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমের ফুলের মত সময়; সে সময় এরা বন্দুক, চুরি, রামদা, চাইনিজ কুঠারের সামনে পড়লে কি করে স্বাভাবিকভাবে প্রস্ফুটিত হবে?

খুব ভালো লাগলো আজকের লেখাটা, ধন্যবাদ।

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগাই শেষ?
দাঁত ও লেজ আছে কি না মিলায়ে দেখবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

o - means man
oo stands for woman


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সোমবার, ২৫/০৬/২০১২ - ০৭:৪৯ তারিখে ফারমার বলেছেন

@হোরাস,
আমার কাজ কাউকে 'ভালো' বলে উৎসাহ দেয়া না, আমার কাজ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং; মানুষ ফ্যাক্ট জানলে নিজেই সমাধান খুঁজবে।
আমার ৬ বছরের ব্লগ অভিজ্ঞতায় এমন নির্লজ্জ মিথ্যাবাদী লোক খুবই কম দেখেছি।

উদাহরণস্বরূপ, তার জিরো পপুলেশন গ্রোথ পোস্টে সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধিরোধে সরকারের প্রোগ্রাম কোনো সাহায্য করছে না, এই ভুল বাণী প্রচার করে। ওখানে যখন স্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দেখিয়ে দেই যে, তার কথা ভুল, তখনো সেটাকে স্বীকার করার মতো সৎসাহস এই অসৎ লোকটি দেখায় না।

স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশী ছাগুটির ভাষায় ফ্যাক্ট জিনিসটা কি, তা বোঝা যায় অন্য আরেকটি পোস্টে তার মন্তব্যে

মঙ্গলবার, ১০/০৪/২০১২ - ০৭:০৭ তারিখে ডাক্তার আইজুদ্দিন বলেছেন

আপনার পরিসংখ্যান গুলার সোর্স কি?

মঙ্গলবার, ১০/০৪/২০১২ - ০৭:২০ তারিখে ফারমার বলেছেন

আমি
চিন্তিত হবেন না; +- ২%


কত বড়ো গর্দভ হইলে তার পরিসংখ্যানের সোর্স নিজেকেই দাবি করে, আবার সেই নিজের মনগড়া কথাকেই ফ্যাক্ট নাম দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে ইডিয়ট বলে ডাকাডাকি করে!

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিসংখ্যা তৈরি করেন কিছু মানুষ, আমিও সে মানুষদের একজন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিসংখ্যান সম্পর্কে আপনার কোনো স্পষ্ট ধারণা নাই। পরিসংখ্যান হলো সমষ্টির ভিত্তিতে নেয়া তথ্যের সমাহার ও বিশ্লেষণ। একজনের মনগড়া বাণী পরিসংখ্যান না। একজনের দেয়া তথ্য পরিসংখ্যানে নমুনার একটা অংশ মাত্র, সেটা পরিসংখ্যান না। সমষ্টিকে রেপ্রেজেন্ট না করলে এরকম তথ্য প্রাণ্তিক বিবেচনায় পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে নেয়া সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলে না।

আর

গত ৬/৭ বছর যারা শ্রমিকের চাকুরী নিয়ে লিগ্যালি আরব ও মালয়েশিয়া গেছেন, তাদের গড় খরচ পড়েছে আড়াই লাখ/তিন লাখ; ৯০% লোক জামিজমা, ঘরবাড়ী বন্ধক দিয়ে টাকা সংগ্রহ করেছেন; সুদের হার ১০০%, ২০০% বা বেশী। ৫০% লোক কখনো তাদের টাকা উঠাতে পারেননি।
এই তথ্যের যোগানদাতা হিসেবেও আপনি নমুনায় আসবেন না। কারণ, আপনি নিজে ওই শ্রমিকদের অংশ না, বা ওই শ্রমিকদের নিয়ে তথ্য সংগ্রহকারীও না, তাদের ওপর পরিসংখ্যানেও কর্মরত না। সুতরাং আপনি নিজের ওপর নির্ভরশীল না, আপনার কথা এক্ষেত্রে কোনোভাবেই নমুনার অংশ না।

যার ব্লগিংই নির্ভর করে মিথ্যার ওপর, তার কাছ থেকে অবশ্য নিজের ভুল স্বীকার করার আশা করা যায় না। কারণ, ভুল বাদ দিলে তো পোস্ট কাউন্টই জিরো হয়ে যাবে!

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিসংখ্যন বিষয়ে আমার ধারণা না থাকলে আমার বেতন বন্ধ করে দেন।
যারা (শ্রমিক) মালয়েশিয়া ও আরব যায়, আমি তাদের ডাটা সংগ্রহ করেছি অনেকবার, স্বশরীরে উপস্হিত থেকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"জিরো পপুলেশন গ্রোথ" পোস্টটি "Game Theory" এর একটা এ্যাপলিকেশন এর 'সিমুলেশনের' রেজাল্টের উপসংহার; ১৩ লাইনের এ পোস্ট টা আপনি পড়েছেন, ভালো। কিন্তু লেখা হয়েছিল ব্লগার লেনিন রহমানের জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ চোর, আমেরিকায় বাংলাদেশীদের জালিয়াতির ব্যাপারে উনার কাছে রেফারেন্স চেয়ে আমিও ব্যর্থ। আবার উনি দাবী করছেন উনি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করেন। সঠিক বিশেষণও মনে আসতেছে না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"সুর্য্য পূর্ব দিকে ওঠে", এটার কি রেফ দেবো আমি!
আপনি যদি পি এইচ ডি'র জন্য আমার পোস্ট ব্যব হার করেন, রেফ: সরবরাহ করবো, না হয় রেফ রেফ করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুশীলতার খো্লশ গায়ে ফারমার আঙ্কেলের আরেকটি বাংলা বিষাদ্গার রচনা। এই ভদ্রলোকের চোখে বাংলাদেশের কোন ভাল দিক চোখে পড়েনা।
বাংলাভাষী বিহারির চরিত্রে মানান সই।

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালোটা ভালো কিনা, সেটাকে বুঝতে হয়, বুঝার চেস্টা করতে হয়।

কিছু বড় বড় ফ্যাকটর আছে, যেগুলো অনেক জাতিকে পেছনে নিয়ে গেছে, তারা সে সমস্যাগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়নি; আবার অনেক সেসব ব্যাপারগুলো প্রকাশ করতে চায় না।

যত 'তেতো' হক সেগুলোকে সামনে এনে সমাধান বের করতে হবে; আমি সেগুলোর উপর পোস্ট লিখার চেস্টা করছি, পোস্ট কখনো কখনো বিরাট সংখ্যক মানুষের জন্য কস্টকর হবে,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজ থেকেই নিজকে বুদ্বিজীবি ভাবেন না এই বিষয়ে আপনাকে সাঙ্গপাঙ্গরা সহযোগীতা করে????

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের ভুল ধরতে অন্যের সাহায্য নিতে হয়; নিজ ভাবনার উপর বিশ্বাস করতে হয়!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নজরুলও নীরব হয়ে গিয়েছিলেন, হয়তো অনেক কিছু ছিল সে নিরবতার পেছনে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কলেজ-ইউনির এইসব সিনিয়র-জুনিয়র প্রথা বড়ই খ্যাত-খ্যাত লাগে। চূড়ান্ত পর্যায়ের নীচতা লাগে যখন একেবারে দাদাগিরি শুরু হয়ে যায়। আর র‍্যাগিং নামক প্রথার নাম করে হয়রানির খবর শুনলে মনে হয় 'নর্দমাজ'-রাই ধারণ করে আছে এসব।

বৈদেশে দেখা এক লোকের সাথে, দেশের এক পাবলিক ইউনি থেকে পড়েছে, অপরিচিত হিসেবে কথোপকথন 'আপনি' দিয়েই শুরু। যখনই শুনলো- শিক্ষার পরিসরে সে আমার আগে, ইলেক্ট্রনের গতিতে নেমে এলো 'তুমি'-তে। যেন সে উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়ে এসেছে- আমি জুনিয়র। আরে গাধা, আমি তো তোর বয়সে বড়ও হতে পারি। আর বয়স বা পঠনের সময়কাল দিয়ে কি হবে, অপরিচিত দুই ব্যক্তি যার যার ব্যক্তিত্ববোধ বজায় রেখে যখন আলোচনা করবে তখন 'আপনি' দিয়েই করতে হয়, যেটা শিষ্টাচার। কিন্তু, কে বুঝাবে! মনে মনে তাকে ছুডুলোক ভাবা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।

হাই-স্কুলে থাকতে একটি পাঁজি টিচার পেয়েছিলাম, কেন পাঁজি বলেছি- তার ইতিহাস অনেক, তাই শিষ্টাচার-বহির্ভূত সম্বোধনের অভিযোগ কাউকে না আনতেই বলব। তো, উনারা নাকি ইস্কুলে থাকতেই উনাদের উপরের কেলাসের সিনিয়র ব্রাদারগো আর্মি ইস্টাইলে স্যালূট মারতেন। চেয়েছিলেন, আমরাও যেন এইসব করি। জানি না, উনি কোন জমানার সভ্যতায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

আপনার পোস্টের কন্টেন্টের সিনিয়র-জুনিয়র বিষয় দেখেই মনে পড়ল। একটা মজার ঘটনাও আছে।

বৈদেশে তখন আমার সাথে থাকেন একজন, বয়সে অর্ধযুগ বড়, কিন্তু গ্যাপ থাকায় পঠনে আমার সামান্য পরের। কিন্তু, তারপরেও সিনিয়র সিনিয়র ভাব, দাদাগিরি। আমি মাথা চড়ার চান্স দিলাম না। তারপরেও লোকটিকে সম্মান করলাম, যা অন্য কাউকেও করতাম, সে ছোট হোক বড় হোক। একদিন এক বিদেশী বন্ধু আসল। উনিও বসলেন একসাথে। যেহেতু সামনাসামনি পরিচয় করিয়ে দিতে গেলাম, বিদেশী বন্ধুকে বলতে হল- হি'জ মাই সিনিয়র ব্রাদার। বৈদেশী 'সিনিয়র ব্রাদার' শব্দটি বুঝতে পারল না। সে প্রশ্ন করল, ওয়ট ডাজ দ্যাট মিন? পরে তাকে বুঝাতে হল। আর আমি ভেতরে ভেতরে হাসলাম।

তো ঐ লোকের করুণ কাহিনী ছিল বৈদেশেই। আমার সাথে থাকার আগে যার সাথে থাকতেন, ঐ লোক সিনিয়র প্রথা ব্যবহার করে উনাকে দিয়ে সিগারেট আনাত, হোটেল বয়ের মত উনাকে এটা-ওটা ফরমায়েশ খাটতে হত। উনি সেটা আমার উপরও এপ্লাই করতে চেয়েছিলেন। আমার নিজের খাই, নিজের পরি, আর চাকরামী করব আরেকজনের, তাও বৈদেশে, একদিনে সিধা করেছিলাম।
কেন জানি, দেশী ক্যাম্পাস সংস্কৃতির অনেক কিছুকে উজবুক-উজবুক লাগে। অনেকে পড়ে ক্ষ্যাপতে পারেন আমার উপরে, কিন্তু এটাই সত্যি।

বি:দ্রঃ দেশের কলেজ-ইউনির সবাইকে বলিনি কিন্তু। যারা যারা ঐসব লালন করেন তাদেরকে বলেছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি সামাজিক দিকটার কথা বলেছেন, সেটা সহ্য সীমার মাঝে।

'তন্ত্র' ও 'অস্ত্রের' প্রভাব জাতিকে ভংকরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু ইউনি কেন, সব খানেই রাজনীতির সাথে খাই খাই এর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাজনীতি করার পিছিনে আদর্শ হিসাবে কাজ করে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা ও হালুয়া রুটির ভাগ পাবার চেষ্টা করা। আদর্শভিত্তিক রাজনীতি কেউ কেউ এখনও করে তবে তারা মেইন স্ট্রিম থেকে এত দূরে যে তাদের আলোচনা থেকে বাদ দিলেও কোন ক্ষতি নেই।

ছোট বেলায় স্কুলে গেলে দেখতাম ঘুষখোরএর ছেলের পাসে কেউ বসতে চাইত না। এটা ৮০র দশকের গোড়ার কথা। ৯০ এ এসে দেখেছি তারা হিরো। অনেকেই তাদের পাসে বসতে চাইছে। এখন মেয়ের বাবারা জানতে চাচ্ছে ছেলের উপরি কত?

সমাজিক অবক্ষয়ের প্রভাব সমাজের সবার উপরেই পড়ে।

নাম মনে নেই। ইরানি একটা ছবি দেখেছিলাম। ছবিটা বাচ্চাদের নিয়ে। এক বাচ্চা ভবিষ্যতে যেতে পারে।
তো তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু বিষয়টা জানতে পারে। সেই বন্ধু ভবিষ্যৎে বিচরকারি বন্ধুর কাছে জানত
চাইল, আচ্ছা তুমি আমাকে কেমন দেখলে? আমি কি একজন ভাল মানুষ হয়েছিলাম?

আমাদের সমাজে কোন স্ক্রিপ রাইটারের মাথায় এখন এটা আসবেনা। আমাদের সমাজে একটা কিশোর ও জানতে চাইবে সে ভবিষ্যতে ধনি হবে কিনা?

আমরা বদলে গেছি ও প্রতিনিয়ত যাচ্ছি। আব্দুল করিমের একটা গান আছে, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।

সেখানে কিছু কথা আছে এমন,

বাংলার নওজোয়ান, হিন্দু, মুসলমান
মিলিয়া বাউলা গান আর মুরসিদি গাইতাম
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।

কে বা মেম্বর , কেবা গ্রাম সরকার
আমরা কি তার খবর লিতাম

এখন সবাই পাগল কেমনে বড় লোক হইতাম।

আমাদের এই ট্রান্সফরমেসন আব্দুল করিমেরও নজড় এড়ায় নি।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Agreed

glqxz9283 sfy39587p07