Skip to content

নিউইয়র্কে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চাকুরী করছিলাম ট্রেইড-সাপোর্টে, এ চাকুরীর খারাপ দিক হলো ট্রেইডাররা যখন হারাতে থাকে, তখন সবার দোষ; লাভ হচ্ছে, মহাখুশী, শেম্পেন থেকে লবস্টার যা ইচ্ছে অর্ডার যেতে থাকে। এত সুইং-মুড ভালো লাগছিলো না। হেড-হান্টার মরগ্যান স্টেনলীতে ইন্টারভিউর ব্যবস্হা করলো। গ্রান্ড সেন্ট্রাল স্টেশনের কাছাকাছি অফিস; ম্যানেজার ৮ তলায় নিয়ে গেলো। পানি, চা, কফি লাগবে না বললাম।

ইন্টারভিউ শুরু হলো, ৩ জন সাদা ইন্টারভিয়্যুয়ার, ট্রেডিং সিসটেম ডেভেলপার। একঘন্টা সহজেই কেটে গেলো, ভালো হয়েছে জানালো। এলো প্রজেক্ট ম্যানেজার, এক সময় আই বি এম এ ছিলেন, পুরানো দিনের গল্প শুরু হলো, কথার শেষ হয়না। লান্চ করলাম নীচে গিয়ে একসাথে।

এবার ডি বি এ এর সাথে। এক শিখ, মডার্ণ শিখ, হাতে বালা আছে, দাঁড়ি আর পাগড়ি নেই, ২৮/২৯ বছর বয়স, ব্যাচেলর শেষ করে কাজ করছে এখানে। এ শিট কোথা থেকে এলো! আলাপ টালাপের কাছে নেই, প্রশ্ন শুরু করলো। আমার রেজুমে দেখছে আর প্রশ্ন করছে, চেস্টা করছে আটকানোর জন্য। ওরা 'ওরাকল আর ডি বি এম এস' ব্যবহার করে, আমার দক্ষতা 'ডিবি-২'তে। আটকানোর জন্য প্রশ্ন করলো, "ওরাকলের স্টার স্কিয়েমার অলগারিদম জানো?
- আমি হোয়াইট পেপারে পড়েছিলাম, পুরোপুরি মনে নেই, তবে কিভাবে কাজ করে ধারণা আছে!
-কিভাবে কাজ করে সেটা আমার প্রশ্ন নয়, তুমি অলগারিদম জান? না জানলে একাজ তোমার দ্বারা হবে না!
শিট, সে যা চেয়েছিল, আটকায়ে দিলো আমাকে! বুঝলাম চাকুরী হবে না; যাক তাকে প্রশ্ন করলাম,
-তুমি জান?
সে একটা কাগজ নিয়ে ৫ টা টেবিলের স্কিয়েমেটিক অংকন করলো, তীর চিহ্ন দিয়ে রিলেসনশীপ দেখালো। বললো, "দেখ"।
আমি বললাম, "অলগারিদম কই"?
-এটাই অলগারিদম!
-এটা তো গ্রাফিকেল রিপ্রেজেনেশন, রিলেশানেল এলজাব্রা ও সেট থিওরী কই?
মনে হয় সে অলগারিদম ও গ্রাফিকেল রিপ্রেজেনেশন গুলায়ে ফেলেছে! বুঝতে পারলো মাস্টারী করতে গিয়ে নিজে আটকায়ে গেছে, চুপ করে আছে!

আমি বললাম, "তুমি কি অলগারিদম জান"?
-না!
ফাকিং বুলশিটার, তুমি যেটা জাননা সেটা আমাকে কেন প্রশ্ন করছ, ইডিয়ট?
-তুমি কি ডাকছ আমায়?
-ফাকিং বুলশিটার ডেকেছি, তুমি চাও আমি চীৎকার দিয়ে বলি?
টান দিয়ে তার হাত থেকে আমার রেজুমেটা নিয়ে লিফটের দিকে চলে গেলাম, সে বসে আছে চুপ করে!

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আফনের চ্যাত আগের মতই আছে ।
কিরাম আছেন বদ্দা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চলছে, আপনি কেমন আছেন, কোথায়?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লেগেছে । জীবনটা স্মৃতি-নির্ভর । এই স্মৃতি কখনো হাসায়, কখনো কাঁদায় কখনোবা অনুপ্রেরনা হয়ে এগিয়ে নিয়ে যায় । আবার অন্যকেও আনন্দ দেয় । আপনাকে ধন্যবাদ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুলশিটার ইনডিয়ানদের স্বর্গে পাঠালে ওটাও নস্ট করে দেবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অলগারিদম জিনিসটা কী? নাকি এ্যালগোরিদম-এর কথা বলছেন?

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শব্দ একইটাই, আপনার বানান(বাংলায়) বোধ হয় সঠিক, আমেরিকা ও সৌদির উচ্চারণ নিশ্চয় আলাদা, আমি উচ্চারণ অনুসরণ করছি। আমেরিকার algorithm এ 'গো' নেই, আছে 'গা'।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে দিয়ে ভুল স্বীকার করানো আমার কম্মো না। তবু এই লিঙ্কে গিয়ে algorithm-এর উচ্চারণটা কান পেতে শুনেন 'গা' না 'গো' উচ্চারণ হয়। এটা মার্কিন Merriam-Webster অভিধানের সাইট, সৌদি কিছু না।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারমার কেন এলগরিদমে যাবে!!
Laughing out loud Laughing out loud

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাল চষার সময় গরুকে নিদ্দিস্ট 'ট্র্যাকে' রাখার জন্য ম্যাথামেটিকেল মডেল বুঝতে হয় ফারমারকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আংকেলে খোঁয়াড়ে এখন গরু/ছাগু সঙ্খ্যা কত!! Laughing out loud Laughing out loud

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাল চষার সময় গরুকে নিদ্দিস্ট 'ট্র্যাকে' রাখার জন্য ম্যাথামেটিকেল মডেল বুঝতে হয় ফারমারকে।


দূর্দান্ত। আপনার তেজ আছে বলতে হবে।

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারমাররা পেছনে পড়ে গেলে কেমনে চলবে জাতি? ফটকাবাজি করুক বা যাই করুক, খেতে তো হবে; কথা দিয়ে ফুটানো 'খই' কেয়ে কতদিন চলবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শান্তি নেই!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শান্তির মাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে smile :) :-)

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) smile :) :-)

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ হলো শিখ না শিট!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্মৃতি স্মৃতিময়! smile :) :-)

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলবেন না, এসব শিট দিয়ে কি হবে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইন্টারভিউর ফলাফল কেমন ছিল শেষ পর্যন্ত। ভাল লেগেছে।
-------------------------------------------------------------------

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি নিজেই পালিয়ে গেছি, কিসের ফলাফল!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লিখেছেনঃ ফারমার (তারিখঃ বুধবার, ১৩/০৬/২০১২ - ০০:৩৬)

৬০ দশক ছিল সমাজতান্ত্রিক মনোভাবের যুগ: রাশিয়া ও চীনের উন্নয়ন, কিউবায় ফিদেলের বিজয়; কিউবায় মিসাইল ক্রাইসিস ও ভিয়েতনাম যুদ্ধ, শ্রমিক ও তরুণদের সমাজতন্ত্রের দিকে আকর্ষন করে। পুর্ব পাকিস্তানেও তার প্রভাব ছিল; কিন্তু ভাসা ভাসা জ্ঞান ছিল, সমাজতন্ত্রের মুলে যে মৌলোক অর্থনীতি ছিল তা অনেকে জানতোই না, বুঝা তো পরের ব্যাপার। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে কোন জ্ঞান না থাকায় আজ মতিয়া, মেনন ই নাহিদেরা আওয়ামী কম্যুনিজম প্রতিস্ঠায় অংশ নিচ্ছে।

আমেরিকা দেখছিল নতুন বাংলাদেশ কোনদিকে মোড় নেয়; যদিও জন্মলগ্নে রাশিয়া অনেক সাহায্য করেছে ও আমেরিকা বিরোধোতা করেছে, তবুও আমেরিকা জানতো শেখ সাহেব কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী কোনটাই নন, এবং খালি বস্তা নিয়ে একদিন হাজির হবেন চাল নেয়ার জন্য ওয়াশিংটনে। কিন্তু শেখ সাহেব একদিন আমেরিকার রাস্ট্রদূতকে অবাক করে নিজকে 'সোসালিস্ট' বলে দাবী করলেন। আজকে যে বাংলাদেশের সংবিধানে এক বেকুবী শব্দ 'সমাজতন্ত্র' দেখেন, তার কারণ ওটাই, শেখ সাহেব 'সোসালিস্ট'। ব্যাপারটা হাসির বটে, শেখ সাহেবও 'সোসালিস্ট'; কিন্তু আমেরিকার রাস্ট্রদূতের জন্য এটা হাসির ব্যাপার ছিল না; আমেরিকা এ ব্যাপারে সিরিয়াস ছিল, তখন 'কোল্ড ওয়ার' তুংগে।

শেখ সাহেবের পরিবারে কিছু তরুন মিলিটারী অফিসারের যাওয়া আসা ছিল; এটা খুবই অগ্রহনযোগ্য ব্যাপার ছিল; নিয়মিতভাবে পারিবারিক পরিবেশে এরা শেখ সাহেবকে দেখার সুযোগ পেতো, ফলে এসব অফিসারের কাছে শেখ সাহেব রাস্ট্র প্রধান থেকে একটা সাধারণ মানুষ হিসেবে ধরা পড়ে, এদের কাছে শেখ সাহেব সাধারণ মানুষে পরিণত হয়। এদেরই কয়েকজন পরে উনাকে হ্ত্যার জন্য ব্যবহৃত হয়।

যারা শেখ সাহেবকে হত্যা করার জন্য সমবেত হচ্ছিল, তাদের সবারই বিভিন্ন প্রকার এজেন্ডা ছিল; তাদের সবার নেতা কে ছিল? আসলে ওদের আসল নেতা কে তারা জানতো না, তারা বুঝতো অনুমানে; কিন্তু কখনো নেতার সাথে তাদের এ ব্যাপারে আলাপ হয়নি; কারণ মাঝখানে কেহ একজন ছিল, যে নেতা ও তার লোকদের আলাদা রাখতে সাহায্য করেছিল। হত্যাকারীরা অনুমানে জানতো জিয়াই সবার উপরে আছে, সঠিক সময়ে সেই সব কিছু কনট্রোল করবে, কিন্তু জিয়াকে দেখে কেহ কখনো ভাবতেও পারেনি যে, সব কিছুর মুলে এ লোকটি।

আজ শেখ হাসিনা যেদিকে যাচ্ছে, সেটা জিয়ার পথ, সেটা ভুল পথ; খালেদা যে পথে গেছে সেটা জিয়ার পথ; মতিয়া, মেননরা যে পথে হাসিনার সাথে যাচ্ছে, সেটা জিয়ার পথ, সেটা ভুল পথ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন এক্সপেরিয়েন্স। ইন্ডিয়ান রা কুত্তার জাত।

glqxz9283 sfy39587p07