Skip to content

হুমায়ূন আহমেদ আর কিছু কথা...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উৎসর্গঃ
অনিদা, ঢিলসহ তাদের যারা হুমায়ূন এর ভক্ত এবং
আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!


হুমায়ূন আহমেদ, বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় নাম, ১৯ জুলাই, ২০১২ দেহ ত্যাগ করলেন। যাকে নিয়ে চলছে মৃত্যু পরবর্তী আলোচনা-সমালোচনা, কান্নার বাঁধভাঙা ঢেউ, আদিখ্যেতা, ছেলেমানুষী, পণ্য কেনা-বেচাসহ আরো অনেক কিছুই। সেসব নিয়েই আজকের এই আলোচনা।

প্রথমেই আসি অনিমেষ রহমান, আমার অনিদা'র সর্বশেষ পোস্ট , যা এখন স্টিকি হয়ে ব্লগে ঝুলছে, নিয়ে আলোচনায়। পোস্টে অনিদা হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে কিছুকথা লিখেছেন যার জন্যই এই পোস্ট লেখা; নয়তো এই লেখাটা হত না বলেই আমার ধারণা। অনিদা বলেছেনঃ

......... ......... .........এখানেই হুমায়ুন-তিনি সবকথা খুব সহজে বলতেন।মনে কি পড়ে সবার-আজকে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেনা তুলে অষ্টম সংশোধনীর পিতা স্বৈরশাসক এরশাদের পদতলে মন্ত্রীগিরি করছিলেন, ঠিক তখনি বিটিভিকে ভর করে হুমায়ুন বলে উঠলেন-তুই রাজাকার। এযে ৭৫ পরবর্তী ফিনিক্স পাখি। রাজাকারকে রাজাকার বলার সাহস আবার জোগালেন হুমায়ুন। তিনি নিজেই তাঁর অনেক লেখায় লিখেছেন-তাঁর অর্থকষ্টের কথা কিংবা তার মোহাম্মদপুরে সংসার পাতার কথা-তাঁর প্রথম বিয়ে-গুলতেকিন পর্ব কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হয়ে যোগদানের স্মৃতি!......... ......... .........


বোল্ড করা অংশটুকুর কি তার একান্তই নিজস্ব মত?? হতে পারে, আবার নাও হতে হতে পারে। হতে পারে এটি তিনি আলু পত্রিকার সেলিনা হোসেনের কথাকেই তুলে ধরেছেনঃ



প্রথম আলোর এই রিপোর্ট দেখে একদলা থু ছাড়া মুখে চলে আসে। ওরা এখন মৃত হুমায়ূনকে নিয়ে ব্যবসায় ব্যস্ত। বাঙালি জাতি উঠে এসেছে একটা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে, ত্রিশ কিংবা তারও অধিক মানুষের রক্তের নদীর মাঝ দিয়ে, চোখের সামনে দেখে এসেছে রাজাকার-আল বদর-আল শামস কী করে এসেছে। তাই রাজাকারকে ঘৃণা করাটা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না, এটা বাঙালির স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের মাঝেই পড়ে। রাজাকারকে রাজাকার বলবার জন্য কোন নব্য সাহস লাগে না, এটা একটা স্বতস্ফূর্ত ব্যাপার। হুমায়ূন আহমেদ কাছ থেকে সাহস ধার না নিয়েই বাঙালি ১৯৮১ এর জানুয়ারিতে বায়তুল-মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গণে গোলাম আযমকে রাজাকার বলে গাল দিয়েছে, জুতাপেটা করেছে।



একথা শুরুতেই স্বীকার করে নিয়েছি হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম ব্যক্তি। আমি উনার ওপর যতই বিরক্ত হই না কেন আমার ওপরও উনার প্রভাব আছে, কিছুটা হলেও। ছোটবেলায় উনার নাটকের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলাম। বহুব্রীহির কথা মনে নেই। যা এখনো মনে আছে তা হলঃ অয়োময়, কোথাও কেউ নেই, আজ রবিবার, নক্ষত্রের রাত সহ আরও অনেক। তার চলচ্চিত্র দেখেছি। শঙ্খনীল কারাগার, আগুনের পরশমণি, দুই-দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন - এগুলো বাংলাদেশের ভালো চলচ্চিত্রের উদাহরণ না বললে মিথ্যে বলা হবে। তার হাত দিয়ে গ্রাম-গঞ্জের গান, হাসন রাজার গান, বারী সিদ্দিকীর গান নতুন করে প্রাণ পেয়েছে।

উনার যে মানুষকে ধরে রাখবার একটা আকর্ষণীয় ক্ষমতা আছে তার প্রমাণ 'কোথাও কেউ নেই' নাটক। এটি বাংলাদেশের একমাত্র নাটক, সারা বিশ্বের ক্ষেত্রেও হতে পারে, যার জন্য মানুষ রাস্তায় নেমেছে। নাটকে বাকের ভাই এর ফাঁসি বাতিল করবার জন্য এই দেশের মানুষ রাস্তায় মিছিল-মিটিং-বিক্ষোভ করেছে, বোদি নাটকে বাকের ভাই এর বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী দেবার জন্য রাস্তায় মার খেয়েছে।

উনি আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় কিছুও রেখে গেছেন। উনার কাছ থেকেই আসে গাছের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বের কথা, চোখ দান করবার প্রয়োজনীয়তার কথা, জাটকা না ধরে ইলিশকে বাঁচানোর কথা, ওর স্যালাইন এর কথা, সেনিটারি ল্যাট্রিন এর কথা, সবুজ ছাতা হাসপাতালের কথা। আরো অনেক কিছুই এসেছে যা ঠিক এই মুহূর্তে মনে আসছে না।

হুমায়ূন আহমেদ হিমু লিখেছেন, মিসির আলী লিখেছেন। লোকে গোগ্রাসে এগুলোই গেলে। আর আমি বলি উনাকে ডুবিয়েছেই এই দু'টো চরিত্র। লোকে বলে হিমু মানুষকে দর্শন শিখিয়েছে আর মিসির আলী লজিক! হিমু মানুষকে শিখিয়েছে খালি পায়ে হাঁটার কথা, মানূষকে বিভ্রান্ত করবার কথা, মহা পুরুষ হবার নাটকীয় প্রচেষ্টার কথা। এই দর্শণ আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর ছাড়া আর কিছু না। আর মিসির আলীতে যদি ঠিকমত লজিক থাকে তবে বলতে হয় আমার লজিক জ্ঞানই শূন্য। হয়তো মানুষের কাটতির কারণেই তিনি বছরের পর বছর একই বছরে কয়েকটা করে হিমু, মিসির আলীর জন্ম দিয়ে গেছেন। সেই একঘেঁয়ে, গৎবাঁধা জিনিসই লোকে গিলে খেয়েছে। তাই উনার মানের অবনয়নের জন্য পাঠকও কম দায়ী নয়। পাঠক যদি উনার দায়সারা লেখাই গোগ্রাসে গিলে যান, তবে উনি তাই লিখে যাবেন বছরে অনেকগুলো করে। উনি তো টাকার দিকে তাকাবেনই কারণ তার পেশাটাই লেখালেখি। তবে একটা কথা ভুলে গেলে তো চলবে না কেউ যখন সংখ্যা বাড়িয়ে দিবেন, তখন তার মান কমে যাবেই। এটা শুধু হুমায়ূন আহমাদের জন্য প্রযোজ্য না, সকলের জন্য প্রযোজ্য, আমার ব্লগের ব্লগারদের জন্যো প্রযোজ্য। উনার এইসব লেখা সময় কাটানোর জন্য আদর্শ, বিশেষ করে আমি যখন বাস কিংবা ট্রেনে কোথাও যাচ্ছি। কিন্তু যখন এইসব লেখাগুলোকেই ভালো সাহিত্য বলে ভোট দিতে হয় তখনই প্রশ্ন চলে আসে পাঠকের মান নিয়ে। আর যে সাহিত্যে পাঠকের মান ভালো না, সে সাহিত্যের মান কমবেই।

হুমায়ূন আহমেদের যে মেধা আর মনন ছিলো তা আমাদের জন্য একটা বিশাল সম্পদ হতে পারতো। কিন্তু তিনি তা না করে একটা সময়ে অন্য পথে হাঁটতে শুরু করেছিলেন। যে সময়ে উনার লেখার মান কমে যাচ্ছিলো (অবশ্যই অত্যধিক লেখার কারণে) সে সময়েই পাঠকের কিংবা তার নিজেরই উচিত ছিল রাশ টেনে ধরা। উনি তো তা করেনই নি উল্টো শেষের দিকে এসে নিজেকে করেছেন বিতর্কিত। দেয়াল নামের বিতর্ক তার আগের ভালোকিছুকে করে দিয়েছে ম্লান। মনে করিয়ে দেয় ব্লগার ধ্রুবতারার মাসি কাব্য পোস্টের কথা!

অনেকেই উনার ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে এনে উনার নিন্দা করেন। এটা খুবই গর্হীত কাজ। যারা করে আমি তাদেরকে ধ্বিক্কার জানাই। আমার আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত ব্যক্তি হুমায়ূন না, হুমায়ূনের সৃষ্টি।

অনেকেই হুমায়ূন আহমেদের 'জোসনা ও জননীর গল্প' গল্প প্রসঙ্গে হুমায়ূনকে আক্রমণ করে যেটা খুব একটা ঠিক না।এটা নিয়ে অনেক আগে ব্লগে আলোচনা করেছি। তাই আর নতুন করে স্ক্রিন শট দিচ্ছি না। তবে উনার রেফারেন্স ছিল বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর কবি শামসুর রাহমান। মজার ব্যাপার হল যেসব লোকের রাগ হুমায়ুনের ওপর তারা বাকি দু'জনের ব্যাপারে নীরব থাকেন। ঐ বিচারপতিই হন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি, আর শামসুর রাহমান আসন করে রাখেন 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতা দিয়ে।

তবে দেওয়াল নিয়ে চরম বিরক্ত। শুধু তার উপরেই বিরক্ত না তাদের উপরও বিরক্ত যারা নানা অজুহাতে হুমায়ূনকে এই দেওয়াল লজ্জা থেকে বাঁচাতে চান এই বলে মাত্র দু'টো অধ্যায় পড়েই কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না। যা বোঝার ঐ দুই অধ্যায়েই বোঝা হয়ে গেছে। বাকি অধ্যায়গুলোতে বঙ্গবন্ধু কিংবা তার সহযোদ্ধাদের কথা যতটাই সঠিকভাবে তুলে ধরুক না কেন খুনী ফারুককে যেভাবে তুলে ধরেছেন তাইই যথেষ্ট হুমায়ূনের পুর্বের ভালো কাজকে ধূলিসাৎ করে দিতে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন হয়তো অনিচ্ছায় করেছেন, সত্যিটা আর জানা যাবে না। তাদের উদ্দেশ্যে বলি সত্যি প্রকাশ করবার মত সাহস না থাকলে চুপ থাকা উচিত, তবু মিথ্যাচার করা উচিত না। হুমায়ূন আহমেদ যা করেছেন তা স্পষ্টতই ইতিহাস বিকৃতি। আর আমাদের ইতিহাসকে যে বা যারা বিকৃত করে, কিংবা করবার চেষ্টা করে তাদের প্রতি আমার কোনই সহানুভূতি নাই।

উনার প্রতি সহানুভূতি নাই তবে উনাকে নিয়ে ব্যবসার প্রতিবাদ জানাই, তীব্রভাবেই জানাই। মৃত হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে টেলিভিশন মিডিয়া যে বাণিজ্যের শুরু ঘটালো তার প্রতি ধিক্কার জানাই। টেলিভিশনের আলোচনায় যারা টেলিভিশন মাতিয়ে রাখছেন তাদের সকলেরই কি মন খারাপ?? কেউ কেউ তো তাদের সবগুলো দাঁত মিডিয়াতে দেখিয়ে দিলেন। একি শোকের প্রকাশ?? আর তারা হুমায়ূন আহমেদ মারা যাবার আধ ঘণ্টার মাঝেই কীভাবে এসে পৌঁছলেন?? কেউ কেউ বেশ সাজ-গোজ করেই এসেছেন। তারা কি আগে থেকেই তৈরি হয়ে ছিলেন?? চ্যানেল আই রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে প্রচার করলো হুমায়ূন আহমেদ আর নেই, ১১ টা ৪৫ এ হুমায়ূণ মৃত্যুতে ডিজিটাল ব্যানার নিয়ে হাজির। ওরা কি আগেই তৈরি হয়ে ছিল?? এরা মৃত্যুকেই করেছে পণ্য।

এবার হুমায়ূন আহমেদ প্রসঙ্গ ছেড়ে অন্য একটা প্রসঙ্গে আসি। সেলিনা হোসেনের বিবৃতিকে অস্ত্র করে প্রথম আলো আমাদের দেশের রাজাকার বিরোধী মনোভাবকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছে। কোন প্রগতিশীল শক্তি ঘাতকদালাল নির্মূল কমিটিকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করে না, তবে ইনকিলাবসহ কিছু রাজাকার পক্ষেরর শক্তি এক সময়ে ব্যাঙ্গ করে একে বলতো 'ঘাদানিক', প্রথম আলোও সেই দলে যোগদান করে তাদের অবস্থানটা আমাদের কাছে আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে। সব কিছুর নাম সংক্ষিপ্ত করতে হয়না, বদলে দেবার জোয়ারে সুবহে সাদিক সেটা ভুলে গেছে। আমরাও একটু যোগ দেই তার সাথে। প্রথম আলোর মতিউর রহমান এর নাম সংক্ষিপ্ত হলে হয় মর। এবার এর সাথ একটা আকার যোগ দেই, কারণ গ্রাম দেশে কোন কোন লোককে লোকে ব্যাঙ্গার্থে নাম বিকৃত করে 'আ' যোগ করে দেয়, যেমনঃ হরিপদকে ডাকে হরিপদা, কামালকে ডাকে কামাইল্লা ইত্যাদি। এভাবে মতিউর রহমানের নাম হয় মরা।

আজকে আমারব্লগের সবাইকে একটা অনুরোধ করে যাচ্ছিঃ
আজ থেকে প্রথম আলোর মতিউর রহমানকে মরা বলে ডাকা শুরু করুন!!


চিত্রউৎসঃ সচলায়তন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু বিটিভির জন্য যতদিন নাটক বানিয়েছেন, ততদিন অসাধারণ কিছু নাটক আমাদের উপহার দিয়েছেন হুমায়ূন; চ্যানেল আই এর জন্য নাটক বানানো শুরুর পর থেকেই অধঃগমন শুরু- এবং এজন্য আমার অবচেতন মন ফরিদুর রেজা সাগরকেই দোষারোপ করতে চায়।

সাহিত্যমান নিয়ে কূটতর্কে যাব না, কারণ, সাহিত্যবোদ্ধা কারও দ্বারা হুমায়ূনের লেখার সাহিত্যমান নিয়ে গঠণমূলক বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা এখনও চোখে পড়েনি। শুধুমাত্র মুখে "হুমায়ূনকে আস্তাকুড়ে ফেলে দিতে হবে" বলে চেঁচালে হবে না, সেটা যুক্তি তথ্য উপাত্ত উদাহরণের মাধ্যমে দেখাতে হবে। যতদিন সেরকম কিছু না পাচ্ছি আমি অবলিভিয়াস একটা অবস্থানে থাকতে আগ্রহী।

হুমায়ূনের "আগুনের পরশমনি" আর "সূর্যের দিন" পড়ে আশায় বুক বেঁধেছিলাম যে রাজাকার-পাকিদের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করার মতন লেখা উনি আরও লিখবেন। লেখেননি দেখে আশাহত হয়েছি; শ্যামল ছায়াতে রাজাকারের প্রতি সফট কর্নার দেখানো দেখে, বিভিন্ন লেখায় রক্ষীবাহিনীর প্রতি বিষোদগার দেখে আর দেয়ালে বিতর্কিত অবস্থানে উনাকে দেখে মনে ক্ষোভ জমা হয়েছে। তবে সেই ক্ষোভ প্রকাশের সঠিক সময় এখন না।

এবার টপিকে আসি- আলুর গুষ্টির মাতাকে পিতা

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনি যে মানে শুরু করেছিলেন শেষ পর্যন্ত সেতা আর ধরে রাখতে পারেন নি। Sad


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিশ্লেষণ পড়ে আরো স্পষ্ট হল আমরা রুখে দাড়াই বারবার অন্যায় অমানবিকতার বিরুদ্ধে।

ধন্যবাদ দেবাভাই

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধুমাত্র মুখে "হুমায়ূনকে আস্তাকুড়ে ফেলে দিতে হবে" বলে চেঁচালে হবে না, সেটা যুক্তি তথ্য উপাত্ত উদাহরণের মাধ্যমে দেখাতে হবে।

এই মুহূর্তে আর কিছুই বলার নেই । Sad Sad


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ূনের সাহিত্যমান নিয়েও কেউ না কেউ পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ করবেন।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দিস পোষ্ট শ্যুড বি স্টিকি।

Star Star Star Star Star

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দিস পোষ্ট শ্যুড বি স্টিকি।

Star Star Star Star Star

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার্ড। এই পোস্টের দরকার ছিল।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম।

যাকে নিয়ে চলছে মৃত্যু পরবর্তী আলোচনা-সমালোচনা, কান্নার বাঁধভাঙা ঢেউ, আদিখ্যেতা, ছেলেমানুষী, পণ্য কেনা-বেচাসহ আরো অনেক কিছুই। সেসব নিয়েই আজকের এই আলোচনা।


চমৎকার শুরুর জন্য তারা!!
Star Star Star Star Star

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোষ্ট। এবার যদি ব্যাবস্যায়ীদের কিছুটা কিছু হুঁস হয়।

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।
কিন্তু ঐব্যবসায়ীদের হুঁশ হবার কোন সম্ভাবনা দেখি না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোষ্ট। এবার যদি ব্যাবস্যায়ীদের কিছুটা কিছু হুঁস হয়।


হা হা !! একটা কথা বলে যাই-
হুমায়ুনের উত্থানে ব্যবসায়িকভাবে সবচাইতে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কলকাতার দাদা'রা। যাইহোক গালু ভাইরা এখনো মাঠে নাই-মাগার আমরা নিজেরাই নেমে গেছি মাঠে কাহিনী কি? বাংগালীর বইপড়া নিয়ে ব্যবসা চলবে-আগে দাদারা করছে-মাঝেখানে হুমায়ুন-এখন আবার দাদারা গোঁফে তা দিচ্ছেন।
Wink Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যাইহোক গালু ভাইরা এখনো মাঠে নাই-মাগার আমরা নিজেরাই নেমে গেছি মাঠে কাহিনী কি? বাংগালীর বইপড়া নিয়ে ব্যবসা চলবে-আগে দাদারা করছে-মাঝেখানে হুমায়ুন-এখন আবার দাদারা গোঁফে তা দিচ্ছেন।


আপ্নেরা আমরা সবাই ঐ দাদাদের বই না কিন্যা দেশী লেখকদের বই কিনলেই তো হয়, ঠিক না ?

আর "মাঠে নামা" মানে বুঝলাম না। এই লেখায় তো হুমায়ূনের লেখা নিয়া কিছু বলা হইছে বইলা
মনে হয় না

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপ্নেরা আমরা সবাই ঐ দাদাদের বই না কিন্যা দেশী লেখকদের বই কিনলেই তো হয়, ঠিক না ?


তা হয়-অপশন থাকতে হবে। এখানে আধুনিক বিপণন হয়তোবা। মানুষ হুমায়ুনকে গ্রহন করেছিলো-এ ছিলো সত্য।

আর "মাঠে নামা" মানে বুঝলাম না। এই লেখায় তো হুমায়ূনের লেখা নিয়া কিছু বলা হইছে বইলা
মনে হয় না


আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!


"বিরক্ত" হওয়া মানে এটাক করা!!!!!!! পাঠকের স্বাধীনতা আছে এইটা বলার

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মুহুর্তে?
লাশটা কবরে নামুক।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি জানি দিস ইজ নট দ্য রাইট টাইম, কিন্তু এইটা কওয়া মানেই বিলো দ্য বেল্ট এটাক করা না

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি কিন্তু উনার মৃত্যু উপলক্ষে বিরক্ত না, উনার মৃত্যুর আগে থেকেই বিরক্ত দেওয়াল ইস্যুটা নিয়ে। এতটাই বিরক্ত যে উনার মৃত্যুতে যে খারাপ লাগাটা উচিত সেটা হচ্ছে না। উনি আমাদের অনেক কিছুই দিয়েছেন কিন্তু উনার ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা সব ম্লান করে দিয়েছে।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার মানে আপনি গালুভাইরা বলতে আমাকেও টেনেছেন! বড়ই চমৎকার!! তা কোন দৃষ্টিকোণে আমাকে গালুক্যাটাগরি ভূক্ত করা হল??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবার পড়েনঃ

হা হা !! একটা কথা বলে যাই-
হুমায়ুনের উত্থানে ব্যবসায়িকভাবে সবচাইতে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কলকাতার দাদা'রা। যাইহোক গালু ভাইরা এখনো মাঠে নাই-মাগার আমরা নিজেরাই নেমে গেছি মাঠে কাহিনী কি? বাংগালীর বইপড়া নিয়ে ব্যবসা চলবে-আগে দাদারা করছে-মাঝেখানে হুমায়ুন-এখন আবার দাদারা গোঁফে তা দিচ্ছেন।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম, আবার পড়লাম। আমি ভুল দেখেছিলাম। স্যরি। Sad


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুল ম্যান।
Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Stare


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাদারা গোঁফে তা দিলে দিক। আমরা যদি ওদের লেখা না পড়ি ওরা কি জোর করে বিক্রি করবে?? না, তা ওরা পারবে না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি পোস্ট সাধারনত বিভিন্ন দিক বিবেচনায় চমৎকার হতে পারে।

অনিদা, এখানে আমি ব্যাবসায়ী বলতে বুঝাইতে চাইছি সুবেহ সাদিক সহ মিডিয়ার তারে নিয়া যে মনোভাব সেইডা নিয়া। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় কোন বিষয়টির জন্য আমি চমৎকার বলেছি তাও স্পস্ট করলাম।

উনার প্রতি সহানুভূতি নাই তবে উনাকে নিয়ে ব্যবসার প্রতিবাদ জানাই, তীব্রভাবেই জানাই। মৃত হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে টেলিভিশন মিডিয়া যে বাণিজ্যের শুরু ঘটালো তার প্রতি ধিক্কার জানাই। টেলিভিশনের আলোচনায় যারা টেলিভিশন মাতিয়ে রাখছেন তাদের সকলেরই কি মন খারাপ?? কেউ কেউ তো তাদের সবগুলো দাঁত মিডিয়াতে দেখিয়ে দিলেন। একি শোকের প্রকাশ?? আর তারা হুমায়ূন আহমেদ মারা যাবার আধ ঘণ্টার মাঝেই কীভাবে এসে পৌঁছলেন?? কেউ কেউ বেশ সাজ-গোজ করেই এসেছেন। তারা কি আগে থেকেই তৈরি হয়ে ছিলেন?? চ্যানেল আই রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে প্রচার করলো হুমায়ূন আহমেদ আর নেই, ১১ টা ৪৫ এ হুমায়ূণ মৃত্যুতে ডিজিটাল ব্যানার নিয়ে হাজির। ওরা কি আগেই তৈরি হয়ে ছিল?? এরা মৃত্যুকেই করেছে পণ্য।


বাংগালীর বইপড়া নিয়ে ব্যবসা চলবে-আগে দাদারা করছে-মাঝেখানে হুমায়ুন-এখন আবার দাদারা গোঁফে তা দিচ্ছেন।


আর দাদাগো নিয়া কোন ভাবনা নাই, দেশে যদি ঐরকম সৃষ্টিশীল কেউ না আসে তবে তো দাদারা খাউনের ধান্দা করবই, তয় লাভ নাইক্কা ১০ টা অরিজিনাল বেচতে গিয়া যদি দেখে যে ১০০ টাই পাইরেট বেচা হইতাছে তাইলে দাদাগো লেজ গুটাইতে সময় লাগব না। আপাতত এইটা সময়ের ব্যাপার।


সচলের এই পোষ্ট টাও মনে হয় পড়ছেন। তাইলে আমার কথাটা আরো ক্লিয়ার হইবেক Wink

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা ভাষা ভাষি কুনু মিডিয়া পিছাইয়া আছে বলে মনে হচ্ছেনা।
Wink Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর দাদাগো নিয়া কোন ভাবনা নাই, দেশে যদি ঐরকম সৃষ্টিশীল কেউ না আসে তবে তো দাদারা খাউনের ধান্দা করবই, তয় লাভ নাইক্কা ১০ টা অরিজিনাল বেচতে গিয়া যদি দেখে যে ১০০ টাই পাইরেট বেচা হইতাছে তাইলে দাদাগো লেজ গুটাইতে সময় লাগব না। আপাতত এইটা সময়ের ব্যাপার।


হুম, এইদেশে পাইরেসি যেভাবে চলে তাতে দাদারা এখান থেকে খুব একটা তুলতে পারবে না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনিদা, ঢিলসহ তাদের যারা হুমায়ূন এর ভক্ত এবং
আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!


একজন মানুষ মারা গেলেন আপনারা তার উপর বিরক্ত হলেন কেন? তাঁর কার্যকলাপ? আসলে আমি ঠিক বুঝতেছিনা এখানে হুমায়ুনের দোষ কি? আমি হুমায়ুনকে নিয়ে পোষ্ট দেওয়ায় দায় দায়িত্ব আমার। আবার হুমায়ুন কিংবা শফিকুল কিংবা করিমুল যে কেউ বই লিখতে পারেন। আর পাঠক হিসেবে পড়ব কি পড়বোনা সেটার দায়িত্ব পাঠকের। সুতরাং আপনি হুমায়ুনএর উপর বিরক্ত হবেন কেন? যেখানে আপনি বিরক্ত হলেও উনি এই মুহুর্তে কিছু করতে পারবেননা।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিরক্তির সাথে উনার মৃত্যুর কোন সম্পর্ক নাই। এই বিরক্তিটা অনেক দিন আগে থেকেই জন্মেছে, আর চূড়ান্ত পরিণতি পেয়েছে 'দেয়াল' এর দুই অধ্যায় এ। এটা তখন থেকেই চলে আসছে। সেটা শুধু আমিই না, আমার মতন আরো কিছু মানুষও আছে নিশ্চই। আর বিরক্ত প্রথম আলোর মৃত হুমায়ুনকে নিয়ে বাণিজ্য-প্রচেষ্টায়।

হুমায়ূন, শফিউল, করিমুল যেকেউ অবশ্যই লিখতে পারে। আর পাঠক কার বই পড়বেন সেটাও তার ব্যাপার, এব্যাপারে তারা অবশ্যই স্বাধীন। আমি অবশ্যই পাঠককে বলতে পারি না যে সে হিমু না পড়ে রাইফেল রোটি আওরাত পড়ো না কেন। তবে পাঠকের এই আচরণ যে আমাদের সাহিত্যের মানকে কমিয়ে দেয় তা স্বীকার করতেই হবে। দস্যু বনহুর একসময়কার মানুষের খুব প্রিয় ছিল, কিন্তু কেউ যদি দাবি করে বসেন যে ওগুলো বাংলাসাহিত্যের সেরা কিছু তবে কি ভুল হবে না??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ূন, শফিউল, করিমুল যেকেউ অবশ্যই লিখতে পারে। আর পাঠক কার বই পড়বেন সেটাও তার ব্যাপার, এব্যাপারে তারা অবশ্যই স্বাধীন। আমি অবশ্যই পাঠককে বলতে পারি না যে সে হিমু না পড়ে রাইফেল রোটি আওরাত পড়ো না কেন। তবে পাঠকের এই আচরণ যে আমাদের সাহিত্যের মানকে কমিয়ে দেয় তা স্বীকার করতেই হবে। দস্যু বনহুর একসময়কার মানুষের খুব প্রিয় ছিল, কিন্তু কেউ যদি দাবি করে বসেন যে ওগুলো বাংলাসাহিত্যের সেরা কিছু তবে কি ভুল হবে না??


একটা দীর্ঘ বিতর্কের সমাপ্তি এতো তাড়াতাড়ি ষ্ট্যালিন করতে চাইতেন কিনা সন্দেহ আছে। 'রাইফেল রোটী আওরাত' এর সাথে 'আগুনের পরশমনি'র তুলনা হতেই পারে-হিমুর সাথে করা যাবে কিনা-আমি সন্দিহান। আমি আসলে নিজের চিন্তার কথা লিখি কিন্তু অন্যকে ডিক্টেট করার ক্ষমতা রাখিনা। তবে একজন মানুষ মারা যাবার পর এসব আলোচনা পরে করলেও ভালো হতো। এতো অস্থিরতার কিছু ছিলোনা। আর হুমায়ুনকে ব্যক্তিগত আক্রমন করার জন্য এটা খুব ভালো সময় না।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা, রাইফেল রোটি আওরাত আনাটা ঠিক হয় নি, তবে সূর্য দীঘল বাড়ীর সাথে হুমায়ূনের বই এর তুলনা করুন, কিংবা খোয়াবনাম্র সাথে। আর আমি কিন্তু কোথাও এমন দাবি করি নাই যে হুমায়ূন ভালো কিছু লিখে যান নি। উনি ভালো কিছু দিয়েই শুরু করেছিলেন কিন্তু একসময়ে গিয়ে খেই হারিয়ে গৎবাধা কজিনিস লেখা শুরু করেন। Sad

অনি'দা, এখানে কি হুমায়ূনকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে?? নাকি ব্যক্তি হুমায়ূনকে আক্রমণের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা, রাইফেল রোটি আওরাত আনাটা ঠিক হয় নি, তবে সূর্য দীঘল বাড়ীর সাথে হুমায়ূনের বই এর তুলনা করুন, কিংবা খোয়াবনাম্র সাথে। আর আমি কিন্তু কোথাও এমন দাবি করি নাই যে হুমায়ূন ভালো কিছু লিখে যান নি। উনি ভালো কিছু দিয়েই শুরু করেছিলেন কিন্তু একসময়ে গিয়ে খেই হারিয়ে গৎবাধা কজিনিস লেখা শুরু করেন।


এক লাইনে উত্তরঃ এরশাদ একদা কবি ছিলো।

অনি'দা, এখানে কি হুমায়ূনকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে?? নাকি ব্যক্তি হুমায়ূনকে আক্রমণের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে??

নমুনাঃ

আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক লাইনে উত্তরঃ এরশাদ একদা কবি ছিলো।


হুম, ছিল বটে! তাই বলে এখন তাকেই জাতীয় কবির আসনে বসিয়ে দেই!!

নমুনাঃ

আমার মতন মানুষ, যারা হুমায়ূনের উপর বিরক্ত!


এখানে আপনার হিসেবটা ভুল। এই হুমায়ূন মানে ব্যক্তি হুমায়ূন না, হুমায়ূন এর সৃষ্টি। আমরা যেমন বলে থাকি শেক্সপিয়ার পড়েছি - এর মানে তো আর শেক্সপিয়ারকে পড়া না, তার বই পড়া। আর তার বইগুলোর মাঝে বিশেষ করে দেওয়াল নিয়েই বিরক্তি তা কিন্তু আমি স্পষ্ট করেই বলেছি।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা ভাষা-ভাষি সব মিডিয়াই হুমায়ুনকে নিয়ে মেতে আছে।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনি'দা, আমি একটু অস্থির প্রকৃতির। যখন যা আসে তখন তাই করি, জমিয়ে রাখতে পারি না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেবা ভাই @ বাসায় যাই-
পরে কথা হবে।
smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা। বাসায় যান, ইফতার সারেন। smile :) :-)


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পোস্ট দেবা।

আলুর গুষ্টির মাতাকে পিতা

একমত।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চাচ্চুরে ধইন্যা।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বিশ্লেষণ ভাল লেগেছে দেবাভাই, তবে একটি ক্ষেত্রে কিঞ্চিত অবজারভেশানের পার্থক্য আছে।

রাজাকারকে রাজাকার বলবার জন্য কোন নব্য সাহস লাগে না, এটা একটা স্বতস্ফূর্ত ব্যাপার।


প্রতিকুল পরিবেশে অনেক স্বতস্ফূর্ততা মলিন হয় ক্ষেত্রবিশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। ৭৫ পরবর্তী রাজাকারদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন এবং তাদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা রাজাকারের প্রতি ঘৃণাটাকে কিছুটা লঘু করে ফেলেছিল। যদিও রাজাকারকে রাজাকার বলার সাহস জোগানোর কৃতিত্ব হুমায়ূন আহমেদের না। কিন্তু তিনি দেশের তখনকার সময়ের একমাত্র টিভি চ্যানেলে তা বলার মতো ক্ষমতা দেখিয়েছেন। এটার গুরুত্বকে খাটো করে দেখা আমাদের খাটো মানসিকতার পরিচায়ক হবে।

জামাতিরা ২০০৬ এর পর আবার ক্ষমতায় আসলে রাজাকাররা হয়তো মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবস্থানকে খুব মানবিকভাবে প্রকাশের তৎপরতা চালাত। জাতির ইতিহাসের উপর যতবার ক্ষুর চালানো হয়েছে বঙ্গদেশে ততবার অনেকে ক্ষুরকর্মও করে নি। কেউ যদি সঠিক ইতিহাস না জানে তবে তার ভালবাসা কিংবা ঘৃণার স্রোত প্রবাহিত হবে ভুলভাবে। আর এই ভুলের জন্য হয়তো যে ভুল করেছে তাকেও খুব বেশি দোষ দেয়া যাবে না। ২০০১ সালের পর পাঠ্য বইয়ে যেভাবে কাজী সিরাজ এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাপিয়ে বাচ্চাদের পড়ানো হয়েছে তাতে করে অনেক ছাত্ররই মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার সুযোগ তিরোহিত হয়েছে।

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।

পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে অনেকেই একটু ভয়েই ছিল। তবে হুমায়ূন এর বহুব্রীহি নাটক থেকে সাহস সঞ্চয়ের জন্য মানুষ কিন্তু বসে ছিলো না। তার প্রমাণ দিয়েছি বায়তুল মোকাররমে গোলাম আযমের জুতাপেটা হবার ছবিতে।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে দেওয়াল নিয়ে চরম বিরক্ত। শুধু তার উপরেই বিরক্ত না তাদের উপরও বিরক্ত যারা নানা অজুহাতে হুমায়ূনকে এই দেওয়াল লজ্জা থেকে বাঁচাতে চান এই বলে মাত্র দু'টো অধ্যায় পড়েই কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না। যা বোঝার ঐ দুই অধ্যায়েই বোঝা হয়ে গেছে। বাকি অধ্যায়গুলোতে বঙ্গবন্ধু কিংবা তার সহযোদ্ধাদের কথা যতটাই সঠিকভাবে তুলে ধরুক না কেন খুনী ফারুককে যেভাবে তুলে ধরেছেন তাইই যথেষ্ট হুমায়ূনের পুর্বের ভালো কাজকে ধূলিসাৎ করে দিতে।


এইটুকু ছাড়া পুরা লেখায় একমত। মুক্তিযুদ্ধের সময় পানি না খেয়ে ছিল এইটা ফারুকের জবানিতে বলা। পরের কোন পর্বে হয়ত দেখা যেত সে মুক্তিযুদ্ধ করেনি, কে বলতে পারে? ফারুককে চাপাবাজ হিসাবে দেখ জেত কি জেত না তা কিভাবে নিশ্চিৎ হওয়া যাবে। অবশ্য কার কার অনুমান শক্তি অনেক প্রখর তারা বুঝে ফেলে। আমার মত যাদের ভোতা তারা কনফিউজড থাকে ও বিরক্ত উৎপাদন করে যায়।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বাঙ্গাল ভাই, আমি সেই সম্ভাবনা খুঁজে পাই নি। আর ফারুক বাংলাদেশে এসেছিল ১২ ডিসেম্বর। সে কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা হয়?? আর তার এই মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়টাকে অবশ্যই হাইলাইট করা হয়েছে।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৬ ই ডিসেম্বরে দেশ স্বাধীন হবে এটা মনে হয় না এতটা নিশ্চিৎ জানা গেছিল ডিসেম্বরের শুরুতে।
যেখানে আমেরিকা তার নৌবহর পাঠিয়েছে পাকিস্থানের পক্ষে। কেউ যদি মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবার পরে যুদ্ধে যোগ দেবার আগেই কোন কারনে মারা যায় তাকেও মুক্তিযোদ্ধা বলতে আপত্তির কিছু দেখিনা। বঙ্গ হত্যার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে অনেক মুক্তিযোদ্ধাই জড়িত, এটা অস্বী্কার করার সুযোগ নাই।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৬ ই ডিসেম্বরে দেশ স্বাধীন হবে এটা মনে হয় না এতটা নিশ্চিৎ জানা গেছিল ডিসেম্বরের শুরুতে

মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল বলা যায়।একেবারে তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে ১৬ ডিসেম্বর না হলেও মোটামুটি ২০/২১ তারিখের মধ্যে যে যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে সে ব্যাপারে তেমন কোন সন্দেহ ছিল না আসলে।৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফের চেয়ারম্যান এডমিরাল মুরার হেনরি কিসিঞ্জারকে জানিয়েছেন,যুদ্ধটা বড়জোর আর সপ্তাদুয়েক চলতে পারে -
Adm. Moorer: In East Pakistan, in the absence of a ceasefire,it’s
just a matter of time until the Pakistan Army will be essentially ineffective. There is, however, no indication that their morale has broken down. Their supplies are cut off and they have no air left. Any serious fighting could be over in ten days or two weeks, depending on whether the Paks continue to fight to the last man or whether they begin to surrender in large numbers, which does not seem to be in the cards now.

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উইকি থেকেঃ

The United States supported Pakistan[103] both politically and materially. U.S. President Richard Nixon denied getting involved in the situation, saying that it was an internal matter of Pakistan, but when Pakistan's defeat seemed certain, Nixon sent the aircraft carrier USS Enterprise to the Bay of Bengal,[104] a move deemed by the Indians as a nuclear threat. Enterprise arrived on station on 11 December 1971. On 6 and 13 December, the Soviet Navy dispatched two groups of ships, armed with nuclear missiles, from Vladivostok; they trailed U.S. Task Force 74 in the Indian Ocean from 18 December until 7 January 1972.

এডমিরাল মুলার কিসিনজার কে বলেছে যুদ্ধের স্বাভাবিক গতি প্রকৃতির কথা। কিন্তু তারা হস্তক্ষেপ করলে কি হবে তা বলেনি। ১১ তারিখে তাদের নৌবহর বঙ্গপ সাগরে পৌছায়। এছাড়া যুদ্ধ বিরতির চেষ্টা ও চাপ দুইটাই ছিল।

ঢাকার পতন এত সহজে হবে তা কোন ভারতীয় জেলারেলও আশা করেনি। পাকিরা যেভাবে ঢাকায় সৈ্ন্য সমাবেশ ঘটিয়ে চলেছিল তাতে একটা ভয়াবহ রক্তপাতের সব সম্ভাবনা ছিল।

অবস্থা কতটা ঘোলা ছিল তা এই লিংকে গেলে আর পরিস্কার বোঝা যায়।
http://news.google.com/newspapers?id=HUU0AAAAIBAJ&sjid=IeEIAAAAIBAJ&pg=5099,2016461&dq=nixon+pakistan+military&hl=en

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে হয়,উইকির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ডিক্লাসিফায়েড রাষ্ট্রীয় দলিলপত্র অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।

এডমিরাল মুলার কিসিনজার কে বলেছে যুদ্ধের স্বাভাবিক গতি প্রকৃতির কথা। কিন্তু তারা হস্তক্ষেপ করলে কি হবে তা বলেনি।


মোটেও সেরকম কিছু নয়।এই আলোচনা যখন চলছে কিসিঞ্জার এবং নিক্সন তখন 'পূর্ব পাকিস্তানের' সব রকমের আশা ছেড়ে দিয়েছেন।এই মিটিং এর গুরুত্বপূর্ন এজেন্ডা ছিল যুদ্ধ বিরতির ব্যাপারে ভারতকে বাধ্য করা যায় সেই ব্যাপারে আলোচনা করা।সেটাও যে মোটামুটি অসম্ভব ব্যপার এ ব্যাপারেও মিটিংএ উপস্থিত প্রায় সবাই নিশ্চিত ছিলেন।খেয়াল করুন মুরারের বক্তব্য,তিনি বলেছেন 'ইন এবসেন্স অফ আ সিজফায়ার' পাকিস্তানের পক্ষ থেকে যত যুদ্ধই চালিয়ে যাওয়া হোক না কেন পাকিস্তান তাতে ব্যর্থ হবে।কিসিঞ্জারের মূল দুশ্চিন্তা ছিল কাশ্মীর অঞ্চলের গ্যাঞ্জাম,পশ্চিমে ভারতের সাথে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে তাতে করে পাকিস্তান কতটুকু নিরাপদে থাকবে তা নিয়ে।পূর্ব তো গেছেই,এখন পশ্চিমকে কীভাবে রক্ষা করা যায় সেটা নিয়ে কিসিঞ্জারের দুশ্চিন্তা বেশি ছিল,পুরো আলোচনাটা পড়লেই সেটা বুঝবেন।

এটার ৭৪২ পৃষ্ঠা পড়ুন।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ, প্রীতম। আমাকে আর এই দিকটা দেখতে হল না, তুমিই সত্যিটা তুলে ধরো।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দোজখ ভিজিটে যেয়ে একজন দেখল - সব দেশের সেলের সামনে দারোয়ান পাহারা দিচ্ছে কেউ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে কিন্তু বাংলাদেশের সেলের সামনে কোন দারোয়ান নেই । কারন জিজ্ঞেস করে জানা গেলো যে বাংলাদেশের সেলে কোন দারোয়ান দরকার নাই - কেউ পালাতে গেলে তারা নিজেরাই একজন আরেকজনকে টেনে নামিয়ে নেয় ।

পুরানো জিনিস নতুন করে মনে পড়লো ।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দোজখ ভিজিটে যেয়ে একজন দেখল - সব দেশের সেলের সামনে দারোয়ান পাহারা দিচ্ছে কেউ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে কিন্তু বাংলাদেশের সেলের সামনে কোন দারোয়ান নেই । কারন জিজ্ঞেস করে জানা গেলো যে বাংলাদেশের সেলে কোন দারোয়ান দরকার নাই - কেউ পালাতে গেলে তারা নিজেরাই একজন আরেকজনকে টেনে নামিয়ে নেয় ।

Sad Sad খুব ভালো বললেন হিজিবিজি ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর কিছু আবাল বাঙালিও আছে যারা কিছু না বুঝেই হাত তালি দিয়ে মানুষকে মাথায় তুলে ফেলে। এর ফলে কিছুটা ভালোতেই সব নষ্ট হয়ে যায়, আআরো ভালো করাটা আর হয় না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ুন আহমেদ যতটুক ভাল কাজ করে গেছেন তা উনার অনেক সমালোচক দুই তিন জন্মেও করতে পারবে না - এখনও তার ধারে কাছেই যেতে পারে নাই । তাই সমালোচনা পর্যন্ত থাকাটাই শ্রেয় - কীর্তিমানের মৃত্যু নাই ।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি উনারে পীর মানলে মানেন, ঠেকাইছে কেডায়??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খেপছেন কেন ?! Laughing out loud
তয় ব্যাপারটা আপনার ক্ষেত্রেও সত্য । আর আপনে উনার লেখাও ঠিক মতো পরেন নাই - উনার সম্পর্কে কিছু জানেনও না - শরশীনার পীর উনার নানা ছিল এইডা পাইলেন কই?!!
আপনে ত মনে হয় হাল ফ্যাশনের আজিজ মার্কা সমালোচক ।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই' নাম একটা বই আছে উনার। পড়েছেন কখনো??

আপনার অন্য একটা নিককে একসময়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম হুমায়ূন আহমেদ কোন পরীক্ষায় শূন্য পেয়েছেন এরকমটা কি জানা আছে! আপনি এখনো তার উত্তর দেন নি। এনিকে একটু ভেবে চিনতে দিয়ে দিন তো।

আর ধরে নিলাম আমি কিছুই জানি না উনার সম্পর্কে। ত আপনি কী জানেন আর কীভাবেই বা জানেন?? উনার ভাই কি আপনার বস হন??


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বইটা আপনে আবার একটু ভাল কইরা পরেন । আর মাল্টি নিক কালচার টা আপনার মতো মহান ব্লগাররা এডপ্ট করতে পারলেও আমার মতো কমেন্টানো ব্লগারের মাল্টি নিকের দরকার নাই ।
অ ট ঃ ইতিহাসে সূক্ষ্ম কারচুপি্র মাধ্যমে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা ছাগুদের সাজে , কোন বিপ্লবীর নয় ।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বইটা ভালো করেই পড়েছিলাম, তবে বেশ কয়েক বছর আগে। আর হাতের কাছে বইটা নাই, তাই তার আগ পর্যন্ত এটা নিয়ে তর্কে যাবো না। তবে যতদূর মনে পড়ে সর্ষীনার পীর উনার আপন নানা না হলেও নানা বাড়ির সাথে সম্পর্কিত, জ্ঞাতি নানাগোছের কেউ একজন। আর যুদ্ধের সময়ে হুমায়ূন আহমেদ উনার আশ্রয়ে ছিলেন, এমনি কি উনাকে বারুদের বোঝা আনা-নেওয়া করতেও হয়েছে।

আর ২ বছর ধরে ব্লগিং করতেছি, কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রমাণ না দিতে পারলেও বুঝি কোনটা মাল্টি আর কোনটা মাল্টি না। আর কার মাল্টি হতে পারে সেটাও ধারণা করতে পারি। আমনার ব্লগিং জীবন ৫০ সপ্তাহের উপরে। ব্লগে কমেন্ট করেছেন ২৫-২৬ টা, যার বেশ কিছু এখানেই!! smile :) :-)

আর অফ টপিকে যা বোঝাতে চাইলেন তা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নাই। আপনি চাইলে আমাকে সরাসরিও ছাগু বলতে পারেন। আপনার বলাতে আমার কোন আসে যায় না। যারা চেনার আমার ঠিকই চেনে। smile :) :-)


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেবা, আপনি বলেছেন হুমায়ুনের ব্যাক্তিগত বিষয়ের সমালোচনা অনুচিৎ। ঠিক কথা! কিন্তু তাঁর দেয়াল লিখনেও সম্ভবতঃ কিঞ্চিৎ ব্যাক্তিগত উপাদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে স্বাধীনতার খানিকটা পরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের মধ্যেও দু ধরনের মনোভাব ছিল, একদল ছিল তাঁর প্রতি বিরুপ। বঙ্গবন্ধুর প্রতি হুমায়ুনের মনোভাব কেমন ছিল, সেটা সরাসরি তিনি বলেন নি। কখনও তাঁর মূল্যায়ন বাস্তবতার নিরিখে, কোথাও রয়েছে সুক্ষ্ম বিরুপ গতানুগতিকতা। তিনটি উদাহরন দিচ্ছি-
১. একটি হলো জোৎস্না ও জননীর গল্পে, যেখানে অন্যের ভাষ্যে উল্লেখ করেছেন বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষন শেষে উচ্চারণ করেছেন- "জিয়ে পাকিস্তান"। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে, সেদিকে গেলাম না, শুধু বলি- যে বিষয় বঙ্গবন্ধুকে কিঞ্চিৎ প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে, সে বিষয়ের অবতারনা তিনি করেছেন।
২. ফারুক বিষয়ে দেয়াল লিখন। মূল বইয়ে তিনি যদি ফারুক বিষয়ে অন্য ধারনা দিয়েও থাকেন, প্রথম আলো তে যেটুকু এসেছে সেটা এভাবে প্রচার হতে দিবেন কেন?
৩. আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের নৈতিক মান সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি একবার মহাত্মা গান্ধীর উদাহরন দিয়ে বলেছেন তাঁরা মৃত্যুর সময়েও দেশের মানুষের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন হয়েছেন, আর আমাদের নেতারা নিজের প্রান বাঁচানোর জন্য সেনাপ্রধানকে ফোন করে অনুনয় বিনয় করেছেন। স্পষ্টতঃই এখানে তিনি বাজারে প্রচলিত গালগপ্পের উদ্ধৃতি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।
এ ছাড়াও সম্প্রতি যখন তিনি দেশে এসেছিলেন, তখন একজন টিভি রিপোর্টারকে এই বিতর্কের বিষয়ে বলছেন, আমি যুবক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি, শিক্ষক হিসেবে পঁচাত্তর দেখেছি............। প্রকাশিত বিষয়ে কোন ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এমন কোন কিছু না বলে তিনি প্রকারান্তরে প্রথম আলোয় প্রকাশিত অংশকে জাষ্টিফাই করেছেন।
যদি তাই হয়, এসব তো তাঁর ব্যাক্তিগত বোধেরই বহিঃপ্রকাশ, তার সমালোচনা হবে না?

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বোধহয় আমার কথাগুলো আপনাকে বোঝাতে পারিনি। ব্যক্তি আক্রমণ বলতে আমি বুঝিয়েছি উনার প্রেম-বিয়ে ঐসব ব্যাপার। ওগুলো আমাদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত না। তবে দেওয়ালে উনি আমাদের ইতিহাসকে বিকৃত করবার যে চেষ্টা করেছেন তাতে কোন ছাড় নেই।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তিনি মুক্তিযুদ্ধ 'দেয়াল' এর পেছেন থেকে দেখেছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হু, যুদ্ধের প্রায় পুরোটা সময়ে ছিলেন নানা সর্ষীনার পীরের কাছে!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হু, যুদ্ধের প্রায় পুরোটা সময়ে ছিলেন নানা সর্ষীনার পীরের কাছে!!


কি বুঝিয়েছেন এই লাইন দিয়া?

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলতে চেয়েছি উনার একটা বইতে উনি বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়ে উনি সর্ষীনার পীরের কাছে আশ্র্য় নিতে হয়েছিল। সম্ভবত পীর উনার নানা কিংবা নানাবাড়ির সাথে সম্পর্কিত জ্ঞাতি নান। যুদ্ধের সময়ে কখনো উনাকে বারুদের বোঝাও টানতে হয়েছে।

যুদ্ধের সময়টাকে কাছ থেকে দেখলেও যুদ্ধ করা হয় নি।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ূন আহমেদ চাইলে যে অসামান্য কিছু লিখতে পারতেন না তা কেন জানি বিশ্বাস করতে পারি না। সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা, কুয়াশার পাঠকদেরকেই তিনি নিজের পাঠক বানিয়েছেন, হয়তো তাদের জন্যেই তিনি লিখেছেন। খারাপ কি? তিনি ভালবাসার চর্চা করিয়েছেন, মায়ার পরশ বুলিয়েছেন, অন্তত তার বইয়ের কোন খারাপ প্রভাব নেই, বিদ্বেষ কিঙবা হানাহানি সৃষ্টির। আর সবাইকেই যে উচ্চমান সৃষ্টি করে যেতে হবে সেই দোহাই কে দিয়েছে? বাঙলায় অসাধারণ লেখকের, লেখার এখনো কোন অভাব দেখিনা, শুধু পঞ্চকবিকে বুঝতেই একযুগ যাবার কথা। সেসব ছুঁয়ে দেখার গরজ কি বাঙালির আছে। আর উনি তো বরাবরই বলে গেছেন টাকার জন্যে লিখছেন। টাকা দিয়ে কিছু স্বপ্ন ছিলো নিজস্ব সেগুলি পূরণ করতে চেয়েছেন এবঙ সফল ভাবেই করেছেন।
যারা অসাধারণ লিখে গেছেন তাদের লেখা পড়ার কোন গরজ নেই আর হুমায়ূন এটা লেখেননি, সেটা লেখেন নি , খুব অদ্ভুদ মানসিকতা আমাদের।

হুমায়ূন আহমেদের যে মেধা আর মনন ছিলো তা আমাদের জন্য একটা বিশাল সম্পদ হতে পারতো। কিন্তু তিনি তা না করে একটা সময়ে অন্য পথে হাঁটতে শুরু করেছিলেন।

কেন করেন নি কে জানে, হয়তো আমাদের উনি যতটুকু দিলেন তততটুকুর যোগ্যই ভেবেছেন।
লেখা ভালো লেগেছে।

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্তত তার বইয়ের কোন খারাপ প্রভাব নেই, বিদ্বেষ কিঙবা হানাহানি সৃষ্টির


ইতিহাস বিকৃতি বাদ দিলে অন্য লেখাগুলোতে উনি যা ইচ্ছা লিখুক না কেন লেখক-স্বাধীনতার আওতায় সেসব পার পেয়ে যাওয়ার কথা।



সেসব ছুঁয়ে দেখার গরজ কি বাঙালির আছে


স্পট অন। নান্নায় বিরিয়ানিও পাওয়া যায় বোরহানিও পাওয়া যায়, পাব্লিক যদি খালি বোরহানি খেয়ে পেট ভরায় সেটার দায় বোরহানির পাচক কেন নেবে ?

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা, কুয়াশার পাঠকদেরকেই তিনি নিজের পাঠক বানিয়েছেন, হয়তো তাদের জন্যেই তিনি লিখেছেন। খারাপ কি?

আমি বোধহয় একটু বেশিই ভাবছি।তবুও মনে হচ্ছে এইখানে সেবা বা মাসুদ রানার পাঠকদের একটু ছোট করা হলো যেন।সেবার পাঠকদের ব্রাত্য ভাবার কোন কারণ আছে কি?

আমার ধারণা ভুল হলে অত্যন্ত আনন্দিত হব।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নাহ্‌ , ব্রাত্য ভাবা হবে কেন? এমন ভাবা হয়নি। তবে সেবার অধিকাঙশ পাঠক বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের যারা, দেখেছেন হয়তো, সেবার বিশেষ ডাকযোগে অর্ডার দেবার ব্যাবস্থা ছিলো, তাদের হাতে হুমায়ূন পৌঁছে গিয়েছিলেন, প্রিয় লেখক হয়েছেন, গ্রামের কোন পাঠকের শেলফে সেবার বইয়ের পাশে হুমায়ূনকেও খুঁজে পাওয়া যায়, তাদের কাছে উনি, অন্য অনেক লেখককেও পৌঁছে দিয়েছেন। হুমায়ূন তার প্রিয় বইগুলো, লেখকদের নিয়ে তার বই নিয়ে গল্পের মাঝে লিখেছেন, বিশেষ করে নিজের জীবন নিয়ে লেখা বইগুলো থেকে। তা থেকে বিশ্ব-সাহিত্য নিয়েও অনেকে উৎসাহিত হয়েছে। এটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম, প্রকাশ টা হয়তো ঠিকঠাক হয়নি।
smile :) :-)
হুমায়ূন কে নিয়ে আপনি কিছু লিখলেন না কেন?

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আসলে এখনো সেবার সাথে হুমায়ূনের যোগসূত্রটা বুঝতে পারিনি।একটা কারণ হতে পারে - আমি হুমায়ূনের ভক্ত নই,নিবিষ্ট বা নিয়মিত কোন ধরণের পাঠকই নই,তার প্রথম দিককার কয়েকটি লেখালিখি বাদে বাকি লেখাগুলো আমাকে আকর্ষণ তো করেই না,বরং বিকর্ষণ করে বেশ কিছুটা।এই জন্য হুমায়ূন আহমেদ তার লেখার মাধ্যমে সেবাকে কাদের কাছে কীভাবে পৌছে দিয়েছেন সেটা আমি জানি না।ব্যক্তিগতভাবে আমি স্কুলের পাশের বইয়ের দোকানটিতে গুতোগুতি করতে করতে সেবার সন্ধান পেয়েছিলাম,যেমন পেয়েছিলাম নন্টে-ফন্টে,টিনটিন বা আরো ভালোভাবে বললে হার্জ,জুলভার্ন,হারমান মেলভিল,ভিক্টর হুগো ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমার ধারণা ভুল হয়েছে এতেই আমি খুশি।তবে যখন আপনি বলেন হুমায়ূন সেবার পাঠকদেরই নিজের পাঠক বানিয়েছেন এবং তার পরেই বলেন-

হয়তো আমাদের উনি যতটুকু দিলেন তততটুকুর যোগ্যই ভেবেছেন

তখন একটা শ্রেনীবিন্যাসের প্রশ্ন কেন জানি চলে আসে।অর্থাৎ ওনার পাঠক শ্রেণী,যারা সাইমালটেনাসলি সেবারও পাঠক,তারা হুমায়ূনের সেরাটুকু ডিজার্ভ করে না।

যাই হোক,আপনি বিষয়টা পরিস্কার করার পরে এটা নিয়ে আর কথা বলা অর্থহীন।নির্দিষ্ট করে সেবার পাঠক বা অনেকের মতে হুমায়ূনের পাঠকদেরও গারবেজ শ্রেণিতে ফেলে দেয়াতে আমার তীব্র আপত্তি আছে।তবে,এক লেখকের পাঠকদের থেকে দূরে থাকি,যেমন দূরে থাকি এক গ্রন্থের পাঠকদের থেকে।

হুমায়ূনকে নিয়ে লিখিনি কেন তার মেলা কারণ।তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে যেটা মনে হয় - সময় এবং ইচ্ছার অভাব,লেখার প্রয়োজন মনে করিনি।কিংবা হয়তো আমি হুমায়ূনকে নিয়ে লিখলে বস্তুনিষ্ঠতার কষ্টিপাথরে তার মান জ্যোৎস্না ও জননীর গল্পের চেয়েও নিচুস্তরে থাকতো।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে হয় সেবা প্রকাশনীর পাঠক আর হুমায়ূনের পাঠক এক না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেবার পাঠকেরা হুমায়ূনকে সাদরে গ্রহন করেছিলো, অন্তত আমাদের প্রজন্ম।

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিশ্চয়ই, ইতিহাস বিকৃতি করতে চাইলে এখন আর কেউ ছাড় পাবেন না তাতে তিনি উচ্চ-নিম্ন, জনপ্রিয়-অজনপ্রিয় যে মানেরই হোন না কেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধের ইতিহাস, আমাদের অস্তিত্ব।

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমারও একই কথা। হুমায়ূন আহমেদ আমাদের ইতিহাসকে বিকৃতি করবার চেষ্টা করেছেন, তাই আমি উনার উপর বিরক্ত। আর উনার ব্যাপারে আমার কোনই সহানুভূতি কাজ করে না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাওনের কথা দেখি কেউ কয়না। বুড়া জামাই মইরা গেছে, ঘরে আবাল পোলাপাইন, এখন কি হপে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানকার আলোচনার বিষয় হুমায়ূনের সৃষ্টি, হুমায়ূনের স্ত্রী না।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি উনার ওপর যতই বিরক্ত হই না কেন আমার ওপরও উনার প্রভাব আছে, কিছুটা হলেও।

From: nazmul911

mmt


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেছে বেছে এই পোস্টেই টেস্ট করতে হল! Puzzled


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

From: nazmul911 একটা লিংক দিব কিন্ত পারলাম না বেলের কাটা ভাইেএকটু শেখাবেন কি?

mmt


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজকে পুরা দেশ বেকুব হয়ে গেছে শুধু টিভি চ্যানেল দিগন্ত-দৈনিক সংগ্রাম আর কিছু জ্ঞানী মানুষ ছাড়া!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কী জানি! হয়তো আমার জ্ঞানও একটু বেশিই হয়ে গেছে!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্ঞান বেশী হওন দোষের কিছুনা-
স্থান-কাল-পাত্র মনে রাখা ভালো।
একটা চমৎকার রিভিউ হতে পারতো-
লিখতে পারতেন।
আমার আসলেই মন খারাপ।
Sad

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই লেখাটা আমি আমার মতন করে লিখেছি, আপনার কাছে চমৎকার লাগতেও পারে, নাও লাগতে পারে। আপনার কাছে চমৎকার লাগবে কি না তা ভেবে তো আর লিখি নি, সাধারণত ওরকমটা আমি করিও না। আর কী নিয়ে লিখবো সে ব্যাপারে আমার স্বাধীনতা আছে, তাই না?? smile :) :-)


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে আজকে শুধু সেই স্বাধীনতা এস্তেমাল করলো জ্ঞানী মিডিয়া 'দিগন্ত' আর অল্প কিছু মানুষ। আর কিছু বলার নেই।
ধন্যবাদ!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনি'দা, আপনাকেও ধন্যবাদ। smile :) :-)


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)
Sad Sad Sad Sad Sad Sad

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ূনের কাকদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ছিল । উনাকে তাই অনেক ভালোবাসি। আপনাদের কি অয়োময় নাটকে মোবারক মামাকে দিয়ে নবাবের কাক পোষার কথা মনে আছে। ঐ নাটকে হুমায়ূন খাঁচাবন্দী এক অসহায় কাকে দুঃখকে তুলে ধরেছেন।

_____________________________________________

কঃ কঃ কঃ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনে আছেঃ 'মোবারক মামায় ঘুমায়' smile :) :-)


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...

glqxz9283 sfy39587p07