Skip to content

আমনে কি ডাক্তারেত্তে বেশি বুজেন?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার খুব প্রিয় একটা অবজার্ভেশন হলো মানুষ ভালো ব্যবহারের চেয়ে খারাপ ব্যবহার বেশিদিন মনে রাখে। ডাক্তারদেরকে গণহারে কসাই, রক্তচোষা ট্যাগ লাগানোর ক্ষেত্রেও হয়তো এই জিনিসটা কাজ করে। একজন ডাক্তার খুব ভালো চিকিৎসা করলো; কিন্তু রোগীকে হুদাই ভাব নিয়া একটা বাজে কথা বললো, দেখা যাবে, রোগী ওই বাজে কথাটাকেই বেশি মনে রেখে ডাক্তারের ওপর বিলা হচ্ছে।

রোগীর সাথে ডাক্তারের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে একেবারে সারফেসের ওপর চোখ বুলালাম ডাক্তারের এথিকসের লিস্টে । ওখানকার কথাই সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করি।

মেডিক্যাল এথিকসে মোটামুটিভাবে ৬টা মূল্যবোধ মেনে চলা হয়।

১) অটোনমি/স্বেচ্ছা/স্বশাসন/স্বাধীনতা:
একজন ডাক্তারের চিকিৎসা নেয়ার বা বর্জন করার ক্ষেত্রে রোগীর ইচ্ছাই প্রধান। এর অন্যথ হতে পারে শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে। যেমন, কোনো নির্দিষ্ট রোগীর ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে যদি একদল মানুষের ক্ষতির কারণ হতে হয়, তাহলে ইচ্ছা পূরণ করা যাবে না। আবার রোগী যদি মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম না হয়, তাহলে রোগীর আত্মীয় স্বজন বা ভারপ্রাপ্ত কাউকে সে দায়িত্ব দেয়া হবে।

২) রোগীর উপকারিতা:
ডাক্তার রোগীর উপকারে আসে এমন পদক্ষেপ নিবেন।

৩) অপকার রোধ:
এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, "first, do no harm" অর্থাৎ রোগীর ভালো করার আগে দেখতে হবে রোগীর কোনো ক্ষতি করা হচ্ছে কিনা। উদাহরণস্বরূপ, একটি ওষুধের ক্ষতিকর দিক থাকতে পারে। সে ওষুধটা দেওয়ার আগে সেটা আসলেই দরকার কিনা, তা খতিয়ে দেখা দরকার। ইচ্ছেমতো ওষুধ লিখে দিয়ে 'একমাস খেয়ে দেখেন, কি হয়' এই নীতিতে ওষুধ দেওয়া উচিত না। এর ব্যতিক্রম হতে পারে বৃহৎ ক্ষতি এড়াতে পার্শপ্রতিক্রিয়া থাকা ওষুধের ব্যবহারে।

৪) ন্যায় বিচার:
হেলথ রিসোর্স আর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ফেয়ার হতে হবে।

৫) মর্যাদা:
রোগীকে মর্যাদার সাথে চিকিৎসা করতে হবে। রোগীও চিকিৎসককে মর্যাদার সাথে দেখবে।

৬) সততা ও সত্যবাদিতা:
রোগী তার অবস্থা ও চিকিৎসার ঝুঁকি সম্পর্কে পুরোপুরিভাবে অবগত হওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। রোগী তার অবস্থা সম্পর্কে ভালোভাবে না জানলে তার চিকিৎসা সম্পর্কে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে (পয়েন্ট ১ অটোনমি)।

পেশাদার একজন ডাক্তারের পক্ষে রোগীর সাথে তার রোগ সম্পর্কে আলোচনা করে রোগীর মতামত নিয়ে চিকিৎসা করলে ডাক্তারের ওপর রোগীর কনফিডেন্স বাড়ে। আবার রোগীও তার রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে ডাক্তারকে অবগত করতে পারেন। অন্যদিকে ডাক্তার যদি মনে করেন যে, তিনিই একমাত্র বুঝনেওয়ালা, রোগী নিতান্তই নাদান, তাই তার কথা বলার অধিকার নাই, তাইলে রোগীর সমস্যা সম্পর্কেও ঠিকমতো জানতে পারবেন না। চিকিৎসাও সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। আর রোগীর তুষ্টি বা তার কাছ থেকে শ্রদ্ধা পাওয়াও কঠিন।

আমার প্রশ্ন, বাংলাদেশের কতভাগ ডাক্তার এই এথিকস ঠিকভাবে পালন করেন?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার প্রশ্ন, বাংলাদেশের কতভাগ ডাক্তার এই এথিকস ঠিকভাবে পালন করেন?


৬ টা মূল্যবোধ পড়ে ঠিক এই লাইন টাই প্রথমে মাথায় আসলো।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমতকার !!
ভালো লাগলো; এখন সবাই আলোচনা করেন।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনিও শুরু করলেন smile :) :-)

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি কাউকে জেনারেলাইজ করে দোষ না দিয়ে কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি। আমি বাংলাদেশের অন্তত ২ জন ডাক্তারকে জানি, যারা আমার সাথে এই এথিকস প্র্যাকটিস করেছেন।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বাংলাদেশের অন্তত ২ জন ডাক্তারকে জানি, যারা আমার সাথে এই এথিকস প্র্যাকটিস করেছেন।


আমিও দুইজনকে জানি। একজন বেঁচে আছেন, অন্যজন নেই।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার এক ডাক্তার বন্ধুর কাছে শোনা -

ইরানে থাকা কালীন তাকে সপ্তাহে ১/২ দিন গাড়িতে ঔষধ , নার্স নিয়ে অতি প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেতে হোত রোগি দেখতে। সেখানে আগেই বলা থাকত। যেয়ে দেখে ৪/৫ শত রোগি ডাক্তারের অপেক্ষায়। ডাক্তারের তো মাথা খারাপ হওয়ার দশা। ২/৩ ঘন্টায় এত রোগি কেমনে দেখবে? শেষে অভিনব এক বুদ্ধি করলো। জিজ্ঞাসা করলো কার কার জ্বর , সর্দি আর কাশি আছে , হাত তুলুন। এদেরকে একপাশে করলো। এভাবে যাদের ডায়ারিয়া আছে তাদের এক পাশে করলো। এরপরে দুই গ্রুপের জন্য দুটো প্রেসক্রিপশন লিখে নার্সের হাতে ধরিয়ে দিল , একি ঔষধ সকলকে দেয়ার জন্য। এতেই ৯০-৯৫% রোগি দেখা হয়ে গেল।

কেউ ঢাকা মেডিকেল কলেজের আউটডোরে গেছেন কখনো? একজন ডাক্তারের রুমের ভিতরে এবং রুমের বাইরে কতজন রোগি ঠেলাঠেলি করে , এ ব্যাপারে কারো ধারনা আছে? ডাক্তারদের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে - আমরা রোগি দেখি না , রোগিরা আমাদের দেখতে আসে।

এদেরকে আপনার দেয়া এথিক্স অনুসারে চিকিৎসা দিয়ে সন্তুষ্ট করার রাস্তাটা বাৎলান তো!!

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদেরকে আপনার দেয়া এথিক্স অনুসারে চিকিৎসা দিয়ে সন্তুষ্ট করার রাস্তাটা বাৎলান তো!!
এখানে জীবন মরণের প্রশ্ন। যতজনকে দেখা সম্ভব ততোজনকেই দেখতে হবে। এতে অর্ধেক রোগী চিকিৎসা পেলে তা-ই সই। বাকি অর্ধেকের জন্য ডাক্তার দরকার, এই চিত্রটা ফুটে উঠলে ডাক্তার সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু রোগ না জেনেই প্রেসক্রিপশন লিখলে প্রত্যেক রোগীর সাথেই খারাপ আচরণ করা হলো। তাছাড়া আরো ডাক্তার যে দরকার, সেই তথ্যটাও খুব বেশি পরিষ্কার হলো না।

প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে উদাহরণটা আরো ভালোভাবে নেয়া যায়। অনেক ডাক্তারেরই পসার নাই। আবার অনেকের কাছে ভিড় বেশি। কোনো ডাক্তার যদি লিমিটের বাইরে রোগী না দেখেন, তাইলে অন্য রোগীরা অটোমেটিক্যালি কম পসারীদের কাছে যাবে।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে জীবন মরণের প্রশ্ন। যতজনকে দেখা সম্ভব ততোজনকেই দেখতে হবে। এতে অর্ধেক রোগী চিকিৎসা পেলে তা-ই সই।
না সই না। বাকি অর্ধেক রোগী আপনাকে জ্যান্ত খেয়ে ফেলবে।

জীবণ মরনের প্রশ্ন যখন তুল্লেন তখন বলতেই হয় , এখানেই লেম্যানের সাথে ডাক্তারের পার্থক্য। ডাক্তার দেখেই বুঝতে পারেন কোন রোগীর জীবণ সঙ্কটাপন্ন। আমি এখনো দেখিনি কোন ডাক্তার জীবণ সঙ্কটাপন্ন রোগীর চিকিৎসা জেনেশুনে অবহেলা করেছে , এমনকি রোগীর পয়সা দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেও। (২/১ টা ব্যতিক্রম থাকতেও পারে)

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোগী জ্যান্ত খেয়ে ফেলবে, নিজের পিঠ বাঁচাতে এজন্য তো রোগীর চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবে না।

ডাক্তার দেখেই বুঝতে পারে না কোন রোগীর জীবন সঙ্কটাপন্ন। কয়েক সেকেন্ড দেখেই বুঝে ফেলা সম্ভব হলে টেস্টের দরকার হতো না, রোগীর সাথে কথা বলারও দরকার হতো না।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে উদাহরণটা আরো ভালোভাবে নেয়া যায়। অনেক ডাক্তারেরই পসার নাই। আবার অনেকের কাছে ভিড় বেশি। কোনো ডাক্তার যদি লিমিটের বাইরে রোগী না দেখেন, তাইলে অন্য রোগীরা অটোমেটিক্যালি কম পসারীদের কাছে যাবে।


রেফারেল সিস্টেম চালু এর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

---------------------------------------------------------------------------------------------------
'The naked truth is always better than the best dressed lie''- Ann Landers


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এতে অর্ধেক রোগী চিকিৎসা পেলে তা-ই সই


বাকি অর্ধেক রোগীর একজন যদি হয় আপনার বাবা আর সে যদি চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায় তখন আপনি কি করবেন???জানি তখন আপনি ডাক্তারকে লাঞ্ছিত করবেন,রক্তচোষা বলবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক ভাই @

সরকারী হাসপাতাল নাহয় বাদ দিলাম। তাদের চেম্বারে যখন অনেক টাকা বিজিট দিয়ে রুগিরা আসে, তারা কি এই এথিক্স পালন করেন? চেম্বর গুলোতে সময় হয়তো কিছুটা বেশি দেয় কুন্তু লাউ আর কদু একই ব্যপার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ডাইনোসর,

তাদের চেম্বারে যখন অনেক টাকা বিজিট দিয়ে রুগিরা আসে, তারা কি এই এথিক্স পালন করেন?
না পালন করলে , অমন ডাক্তারের কাছে যাওয়া কেন? এখানে তো ডাক্তারের থেকে আমার কাছে রোগীকেই বেশি দোষী মনে হচ্ছে। ডাক্তারের তো অভাব নেই। পয়সা দিয়েই যখন দেখাবেন , তাহলে এথিক্স পালনকারী ডাক্তারের কাছেই কি যাওয়া উচিৎ নয়?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইবার একটা মজার কথা বলছেন।
প্রথমত সব ডাক্তারই তো প্রায় একই রকম, তাহলে যাবে কোথায়?
দ্বিতীয়ত আমরা আমপাবলিক জানিই না ডাক্তারের কেমন ব্যবহার করা উচিত। বেশির ভাগ মানুষ ধরেই নেয় ডাক্তার মানেই রাক্ষস, তার সামনে চুপ করে থাকতে হবে, কোন প্রশ্ন করা যাবে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেউ ঢাকা মেডিকেল কলেজের আউটডোরে গেছেন কখনো? একজন ডাক্তারের রুমের ভিতরে এবং রুমের বাইরে কতজন রোগি ঠেলাঠেলি করে , এ ব্যাপারে কারো ধারনা আছে? ডাক্তারদের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে - আমরা রোগি দেখি না , রোগিরা আমাদের দেখতে আসে।


হ। উনারা যে আচরণ করেন, তাতে উনাদের দেখতে যাওয়াই উচিত। একবার আমাদের এক জণ্ডিস-আক্রান্ত রোগীর সাথে এমন ব্যবহার করলেন, যে গোটা হলসুদ্ধ পোলাপাইন দেখতে গেছিলাম, কিন্তু উনারে পাই নাই।

..................................................................

বারান্দা জুড়ে হাসি অচেনা চোখের জল
বিকেলের শরীর ছুঁয়ে আমার কবিতা চঞ্চল
.. .. .. .. ..
শুধু কবিতাটুকু সত্যি আর সব মিথ্যে নামে আসে
ওই আকাশটাকে দেখো- সে কবিতাই ভালোবাসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি একজনকে পেয়েছি। ডাঃ মাহমুদুর রহমান- রোগতত্ত্ব বিশ্লেষক ও গবেষক।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীতি ব্যাপারটা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। Sad


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুলিশ শব্দের ইংরেজী Police এর প্রতি অক্ষরের কিন্তু মানে আছে, পোলাইট, ওবিডিয়েন্ট, লয়াল...

পুলিশেরও মূল এথিক্স সেই ৬!

বিস্ময়কর না?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা যে বিস্ময়কর, তা-ই যদি কিছু লোক বুঝতে পারে, তাহলেই হবে। ঘুষ একসময় ঘৃণার বস্তু ছিলো, এখন নর্ম। হয়তো একজন দুজন করে সচেতন মানুষ আবার স্রোতকে উলটা দিকে নিতে পারবেন।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্যদিকে ডাক্তার যদি মনে করেন যে, তিনিই একমাত্র বুঝনেওয়ালা, রোগী নিতান্তই নাদান, তাই তার কথা বলার অধিকার নাই, তাইলে রোগীর সমস্যা সম্পর্কেও ঠিকমতো জানতে পারবেন না।


আমার অল্প অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, বাংলাদেশের অলমোষ্ট শত ভাগ ডাক্তার মনে করেন রোগীর কোন প্রশ্ন করার রাইট নাই, রোগি নাদান, রোগীকে কতক্ষনে চেম্বার থেকে বাইর করবে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোগীর সাথে কথা বলা মানে বাড়তি সময় ব্যয় করা। এথিক্স সব ডাক্তারই জানে। smile :) :-)

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিচ্ছু বলার ভাষা নাই! শেষ লাইনেই আসল কথাটা বলে দিয়েছেন।

আলোচনা চলুক। যদিও তাতে খুব একটা কাজের কাজ হবে বলে মনে হয় না। কারণ ঐ যে কথায় বলে, চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী!!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পথের প্রান্তে নয়, পথের দু'ধারে আমার গন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে হয়, অনেক ডাক্তারই এই টপিকের আলোচনা থেকে উপকৃত হবেন। একটা পরিবেশে থেকে অনেক কিছুই চোখে পড়ে না, অনেক অস্বাভাবিক অবস্থাকেই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। কেউ সেটা দেখিয়ে দিলে অনেকেরই ভুল ভাঙ্গে। আমি নিজেই প্রতিনিয়ত শিখছি - এই অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার দের এটিচুডে চেন্জ আসা জরূরী

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের বেশিরভাগ, সবাই না, ডাক্তারকে দেখলে মনে হয় ডাক্তারী সেবা আর এথিকস এ দুটো শব্দ একবাক্যে ব্যবহার করার জন্য না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তারের ইথিকস নিয়ে কি কিছু বলা উচিৎ আমার?
আমার নিজের জীবনের একটা কাহিনী বলি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ছিনতাইকারীর কবলে পরে আমার হাত কাটা যায়। ঢাকা মেডিকেল কাছাকাছি আর অনেক রাত হওয়ায় ঢাক মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে ভর্তি হই। ডাক্তার সব দেখে শুনে হাতে সেলাই দিয়ে ৮/৯ দিন পরে আসতে বলে সেলাই কাটার জন্য।

সেলাই কাটার পরে দেখি আমার হাতের একটা অংশে অনুভুতি নাই। ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দিল আপনার হাতের নার্ভ কাটা গেছে এবং আমরা তা ঠিক করিনি সেলাইয়ের আগে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তাহলে আমাকে/আমাদেরকে কেন সেলাইয়ের আগে এই ইনফরমেশনটা দেওয়া হইল না?
ডাক্তার বলল, এই সামান্য বিষয়টা নিয়ে অতটা ভাবি নাই। আমার হাতে সেন্স নাই আর আমার ডাক্তারের কাছে সামান্য বিষয়।

ফলাফলঃ আজ অবধি আমার হাতের একপাশে সেন্স নাই, মানে চিমটি কাটলেও টের পাই না।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কেমিকেল আলী, আপনার ক্ষোভের কারনটা বুঝি। তবে ডাক্তারের কোন দোষ ছিল না।

আপনার কাটা হাত সেলাই করাটাই প্রায়োরিটি ছিল। রক্ত ক্ষরন বন্ধ করাটা জরুরী ছিল , না হলে আপনার জীবণ নিয়েই টানাটানি বেধে যেত। নার্ভ জোড়া লাগাতে মাইক্রো সার্জারির প্রয়োজন , যেটা মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে করতে হয়। যতদুর জানি এখনো এমন অপারেশন করার যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ জনবল ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেই। তখন আপনাকে জানালেও বা আপনার করার কি ছিল? সেলাই কাটার পরে যখন দেখলেন হাতের একটা অংশে অনুভুতি নেই , তখন এই অপারেশনটা করান নি কেন? সেলাই কাটার পরেও এই অপারেশনটা যদি করাতেন , তাহলে অনুভূতি ফিরে পেতেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে জানালে আপনি কি করতেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি অন্ততঃ দুইজন ডাক্তারকে জানি তারা আসলেই ডাক্তার এবং অতি উন্নত মানুষ। আমার ধারনা ডাক্তারদের সমাজের প্রতি কমিটমেন্ট থাকা উচিত। আমার ধারনা কমিটমেন্ট আসে তাদের সমাজ দেখার দৃষ্টিভঙ্গী থেকে। কারা তাদের ট্যাক্স-ভ্যাট দিয়ে ডাক্তার বানান কিংবা কাদের অবদানে তিনি ডাক্তার। তবে বাংলাদেশে সবার আগে যাদের পুন্দানো উচিত তারা হইলেন কথিত পুলিটিশিয়ানদের। যাদের কাজ হলো মুলতঃ সবাইরে সাইজ কইরা রাখা। তারা নিজেরাই মাল-পানি কামাইয়া সাইজ হইয়া আছেন। তারাই অন্য সব পেশার মতো ডাক্তারদেরকেও কথিত দলবাজিতে উতসাহিত করেন এবং বদলি কিংবা হাউজ একোমোডেশন সবকিছুতে নাক গলান। রাজনীতি হইলো মাথা-সেইডা পইচা গেছে আগেই খবর নাই-শুধু ডাক্তারদের দোষ দিয়া কি লাভ? বাংলাদেশে কোন সেক্টরের মানুষ ফেরেশ্তা?

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

---------------------------------------------------------------------------------------------------
'The naked truth is always better than the best dressed lie''- Ann Landers


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কয়েক সেকেন্ড দেখেই বুঝে ফেলা সম্ভব হলে টেস্টের দরকার হতো না, রোগীর সাথে কথা বলারও দরকার হতো না।
ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের গল্প শুনেছেন? উনার এত নাম ডাক কেন জানেন? উনি রোগীর মুখ দেখেই রোগ নির্ণয় করে ব্যাবস্থাপনা দিয়ে রোগী ভাল করতেন, এমনটাই শোনা যায়। সত্যি কথা বলতে সকল রোগ নয় , কিছু কিছু ক্লাসিক্যাল রোগ আছে , যা রোগী দেখেই সনাক্ত করা সম্ভব।

টেস্ট করা হয় রোগ নির্ণয়ের জন্য নয় , রোগীর ইতিহাস শোনার পরে ডাক্তারের মনে রোগ সম্পর্কে যে প্রাথমিক ধারনা জন্মায় , সেটা সঠিক কি না তা যাঁচাইয়ের জন্যই টেস্টের প্রয়োজন। একারনেই সকল টেস্ট করানো হয় না , বেছে বেছে কিছু টেস্ট করা হয়।

টেস্টের অপব্যাবহারের জন্য আমাদের রোগীরাও কম দায়ী নয়। একটি সত্য ঘটনা বলি-

জেলা শহরে আমার এক বন্ধুর এক ক্লিনিক আছে। এক রোগীকে দেখার পরে বন্ধুটি প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় গাদা খানেক টেস্ট লিখে দিল করার জন্য। আমি বল্লাম এটা কি করলি? এটা তো স্রেফ চুরি।

বন্ধু বল্লো - আমি যদি এই টেস্টগুলো না করাই , তবে রোগী সন্তুষ্ট না হয়ে বিকালেই অন্য ডাক্তারের কাছে যাবে এবং আমার বদনাম করবে এই বলে যে আমি ভাল করে রোগীই দেখিনি। আমি যদি বলি তোমার কিছু হয় নি , তুমি এমনিই ভাল হয়ে যাবে । রোগী বিশ্বাস করবে না। তবে সকল টেস্ট করার পরে এই কথা বল্লে সে খুশি হয়ে বাড়ি চলে যাবে এবং গর্বভরে সকলকে বলবে , ডাক্তার আমার সব পরীক্ষা করে কিছুই পাই নি। এই হলো বাঙালী রোগী চরিত।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সফদার ডাক্তার মাথা ভরা টাক তার
খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে


কবিতাটা পড়েছিলাম স্কুলে


ভাল মন্দ নিয়াই জগতটা, তবে আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য খারাপই বলতে হবে
সেবার মন নিয়া কোন ডাক্তার আর নাই মনে হয় বাংলাদেশে , এটা আমাদের দুর্ভাগ্য
এখনো অনেক ডাক্তার আছে যারা সেবা করতে চায় মনে প্রানে
আমি কয়েকজন কে দেখেছি বাংলাদেশে মাগার তাদের কে সেবা করতে দেয় না অনেক মুনাফা লোভী ক্লিনিক মালিকরা
ক্লিনিক মালিকরা সারা দিন পিছনে লাইগা থাকে জোকের মত হাতে টাকা নিয়া, টাকার লোভ কার নাই?
পাগলেও টাকা চিনে
যদি ডান্ডা মারতেই হয় তবে শালার ক্লিনিক মালিকদের মারা হোক, তারাই যত নষ্টের মুল
২০/২১ বছর আগে কিন্তু এমন ছিল না

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোগীর আবার অধিকার!!!! এক ডাক্তারের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশান লিখে নিয়ে আবার আরেক ডাক্তারের কাছে ক্রসচেক করতে যাওয়াটাকেও ডাক্তাররা ফাঁসী দেওয়ার মতন অপরাধ বলে মনে করে

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা ডাক্তারের মনে করার কিছু নাই, রোগি রাই ফাপরে পরে এই কাম কইরা। যেমন আপনি পরছিলেন আপনার মা কে নিয়ে, মামার হাতে।

ক্রস চেক বরং সেখানে করুন আসলেই ডাক্তার কিনা, যদি হয় তবে তার প্রেসক্রিপশন মেনে নিন।
যদি মনে হয় এথিক্স মানে নি, আপনার মনে সন্দেহ আছে, তো এরকম কোন ডাক্তারের কাছে যান যিনি সময় নিয়ে রুগী দেখেন, মন খুলে কথা বলুন, তিনি যা বলে মেনে নিনি, সেই ডাক্তার স্পেসিফিক কিছু বলতে না পারলে, তার কাছ থেকে রেফারেল নিয়ে নিন, কোন ডাক্তারের কাছে গেলে বা বিশ্বের কোথায় গেলে উত্তর পাওয়া যাবে।

তবে সবচেয়ে ভাল হয়, সর্ব প্রথম যে কোন রোগের ক্ষেত্রে, একজন সাধারন মেডিসিনের ডাক্তার দেখান, তিনি আপনাকে বাতলে দিবেন (যদি বিশেষ ভয়ংকর কোন রোগ হয়ে থাকে।) কোন বিভাগের বিশেষজ্ঞ আপনার চিকিৎসা করবেন। সেই অনুযায়ী এগোন, খোঁজ নিন কোন ডাক্তার রোগি সময় নিয়ে দেখে তাকে দেখান।

বাংলাদেশে খুব পিকুলিয়ার একটা কথা আছে "হাত জস ভাল" বা "রোগীর মুখ দেখেই রোগ কি চিনে যায়"
এরকম পীর বাবা গোছের ডাক্তার না দেখায়ে সহজ সরল ডাক্তার খুজে দেখান, দেখবেন আপনার মন পাল্টে গেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার জবাব, কিন্তু কেউ শুনবে কি?

---------------------------------------------------------------------------------------------------
'The naked truth is always better than the best dressed lie''- Ann Landers


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে খুব পিকুলিয়ার একটা কথা আছে "হাত জস ভাল" বা "রোগীর মুখ দেখেই রোগ কি চিনে যায়"
এরকম পীর বাবা গোছের ডাক্তার না দেখায়ে সহজ সরল ডাক্তার খুজে দেখান, দেখবেন আপনার মন পাল্টে গেছে।


এই কথাটা লাইক্কর্ছি।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার এলাকায় (গ্রামে) এক এমবিবিএস (ডিএমসি) আছেন যার কাছে একবার এক মহিলা রোগী গেছেন চিকিৎসা নিতে। ওই রোগী আবার খুব ভীত টাইপের ছিলেন। তো টউমার অপারেশন হবে তার। ভয়ে কাঁদতে শুরু করেছেন। এসময় ডাক্তার ক্ষেপে গিয়ে রোগীনীকে কষিয়ে দিলেন এক থাপ্পড়। থাপ্পড় খেয়ে রোগিনী অজ্ঞান। সেই অবস্থায় তার অপারেশন করা হলো। বলা হয় এই ডাক্তার পিজির যেকোন অর্থপেডিকের ডাক্তারের থেকে ভালো। কখনো তার হাত কাপে না। কিন্তু রোগীর সাথে দূব্যবহারে তার জুড়ী নেই! আজ পর্যন্ত কোনো রোগীর মুখে তার ব্যবহারের প্রশংসা শোনা যায়নি। তার চিকিৎসা নিয়ে কউ তাকে দোষ দিতে পারেনি। এই হইতেছে অবস্থা!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Laughing out loud
ডালপালা জন্ম দেয়া কাহিনী ভাই, থাপ্পড় দিয়া টিউমার অপারেশন সম্ভব না, আর রোগীরে ডাক্তার থাপ্পড় দিছে, এও কি সম্ভব??? খারাপ ব্যবহার করে এই অনেক, তেই তে থাপ্পড়!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের কতভাগ ডাক্তার এই এথিকস ঠিকভাবে পালন করেন?


কত ভাগ জানি না, তবে যারাই সময় নিয়ে রুগী দেখেন, তারাই পালন করেন।

আমি আমার সার্কেলের সব্বাইকে পালন করতে দেখেছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই, উনারা সবাই আমাদের প্রফেসরদের রুগী। এথিক্স নিয়ে যত কিছুই বলুন উনারা, ঘুরে ফিরে উনাদের কাছেই যাবেন। এটা এমন একটা দেশ যেখানে এমবিবিএস মানে ডাক্তারই না, বড় জোর প্রফেসরের হিস্টরি লিখার কাজ করার যোগ্য। কেন্মে কি?

---------------------------------------------------------------------------------------------------
'The naked truth is always better than the best dressed lie''- Ann Landers


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ থেকে নতুন এক মেয়ে এসেছে আমার ইউনিভার্সিটির এক ছোট ভাইয়ের বউ হয়ে। মেয়ে পেশায় ডাক্তার, কথায় কথা ইংরেজি বলে, বাংলিশ আরকি।

সে ইসলাম ধর্ম মতে তার মেয়ের বিবাহ ১২ বছর বয়সে দিতে চায়, অন্তত জিজ্ঞেস করবে মেয়ে বিবাহ করবে কিনা! মাথায় আগুন ধরে গেলো, মনে হলো দেশে কোন কোয়ালিটির ডাক্তার পয়দা হইতেছে! এথিক্স দূরের কথা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কম্বলের পশম খুঁটতে গেলে শেষে কম্বলই খুঁজে পাওয়া যাবে না!!
আগে বলেন কোন সেক্টরে এথিক্স শতভাগ পালন করে?

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে

glqxz9283 sfy39587p07