Skip to content

ই-বুক

আমারব্লগে প্রকাশিত ই-বুক সমূহ
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লাইফ ম্যাগাজিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ



আমারব্লগ সবসময়ই চেষ্টা করে তার পাঠকদের এক্সক্লুসিভ কিছু উপহার দিতে। অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রেও এই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আমারব্লগ। আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের সব ধরণের দলিলপত্র সাধারণ মানুষের হাতের লাগালে চলে আসুক। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দুর্লভ তথ্য ও দলিলপত্র পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে তাই সবসময় সচেষ্ট আমরা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস বাংলাদেশ: জাস্টিস ইন পারস্পেকটিভ


ফটোঃ আইসিএসএফ সদস্য নোরা শরিফ ও রায়হান রশিদ- প্রশ্নোত্তর পর্বে।

১৪ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোয়াসে "ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস বাংলাদেশ: জাস্টিস ইন পারস্পেকটিভ" শীর্ষক একটি আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটিত নৃশংসতা ও অপরাধের বিচারের দাবিতে সক্রিয় বিভিন্ন সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাহকালের কড়চা জুলাই,২০১২ সংকলন প্রকাশিত হলো


বুঝে নিন দাহকালের কড়চা-জুলাই,২০১২ সংকলন।গত জুলাই মাসের উল্লেখযোগ্য কিছু পোস্ট নিয়ে প্রকাশিত হলো এই সংখ্যা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাহকালের কড়চা জুন,২০১২ সংকলন প্রকাশিত হলো




আমাদের ব্লগীয় জীবনের একটা একটা করে দিন চলে যায় আর দাহকালের কড়চা'র বয়স বেড়ে চলে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের ভাষা ও অপরাপর ভাষা।

নানান দেশের নানা ভাষা
বিনে স্বদেশী ভাষা
পুরে কি আশা?

রামনিধি গুপ্ত তাঁর টপ্পা গানে এই অমৃত বচন সৃজন করার সময় তাঁর মনে কি ছিল তা সহজেই বোঝা যায়, বস্তুতঃ যুগে যুগে অগনিত জাতি তাদের স্বদেশের ভাষাকে এভাবেই ভাল বেসেছে, তাঁদের সীমাহীন ভালবাসায় পরিপুষ্ট হয়ে উঠেছে এ পৃথিবীর শত সহস্র ভাষা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাহকালের কড়চা মে,২০১২ সংকলন প্রকাশিত হলো


বুঝে নিন দাহকালের কড়চা মে ২০১২ সংকলন।

ই-বুক টিম প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের জন্য।প্রচণ্ড ইচ্ছা থাকার পরেও নানা বিচিত্র কারণে এই দেরিটুকু হয়েছে।মাঝে মাঝেই আমাদের আপোষ করতে হয়-জীবনের সাথে,সময়ের সাথে।অবিশ্রাম হেঁটেও দেরি হয়ে যায় পথে।সেই গ্লানিটুকু কেটে যাবে যদি এবারের সংকলনটি ব্লগারদের মন জয় করতে পারে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাহকালের কড়চা এপ্রিল ২০১২ সংকলন প্রকাশিত হলো



ঠক ঠক ঠক ...

ঠক ঠক ঠক ...

এসে পড়েছে আমারব্লগডটকম ই-বুক বাহিনীর হকার, আপনাদের দরজায় - ঝোলায় ভরা দাহকালের কড়চা,এপ্রিল ২০১২ সংকলন । যে যার কপিটি বুঝে নিন যত দ্রুত সম্ভব,তারপরে জমিয়ে পড়ুন। তবে চিন্তার কিছু নেই - স্টক সীমিত নয়,আগে আসলে আগে পাবেন জাতীয় কোন ব্যাপারও নেই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাহকালের কড়চা দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হলো

কীভাবে কীভাবে যেন এপ্রিলের সাত তারিখ এসে গেল। আমারব্লগের মাসিক সংকলন এখনো কারখানার চৌহদ্দি পেরোতে পারলো না। ই-বুক টিমের মানুষগুলোর চোখে সর্ষেফুল, হাটু ঠক ঠক - গণপিটুনিকে কে না ডরায় !

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রকাশিত হলো নিয়মিত ই-বুক 'দাহকালের কড়চা'

হ্যালো...এটা কি অমুক ভাই? তমুক আপু কি অনলাইনে আছেন? মাসের গোড়াতে এরকম খোঁজখবর নিতে গিয়ে দেখা গেল কয়েকজন ব্লগারকে পাওয়াই যাচ্ছে না। তথ্যকেন্দ্রের অকথ্য সেয়ানা মাল তাই ফিকফিক করে হাসেন। ই-বুকের দায়িত্ববানরা বোধহয় পলাতক। আম গেল-ছালাও গেল। ই-বুক গেল, সঙ্গে গেল ব্লগার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোচিং এর ক্ষতি এবং অন্যান্য

(১)

তানিম এবারে পঞ্চম শ্রেণিতে উঠেছে। বছরের প্রথম থেকেই বাবা-মায়ের
পরিকল্পনা অনেক। কোন কোচিং ভালো, কোনখানে ভালো পড়াশুনা করানো হয়, তার
খোঁজ করে রেখেছেন তানিমের বাবা, তামিউর রহমান। বছরের শুরু থেকেই বেশ
তোড়জোড় নিয়ে কোচিং করতে ব্যাস্ত ছিল তানিম। অথচ অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় তার
ফলাফল তেমন আশানুরূপ হয় নি। বাবা-মায়ের চিন্তা আরো বেড়ে যায়! এত গুলো
কোচিং-প্রাইভেট দিয়েও সন্তানের এমন রেজাল্ট হলে, বাবা-মায়ের মন খারাপ
হওয়াও স্বাভাবিক। এবিষয়ে স্কুলের শিক্ষকের সাথে কথা বলেন তামিউর রহমান।
শ্রেণি শিক্ষক জিজ্ঞাসা করেন, তানিম বাসায় কতক্ষণ পড়াশুনা করে? তামিউর
রহমান বলেন, বাসায় তো সেরকম পড়ে না, সে তো সারাদিন কোচিং নিয়েই ব্যাস্ত।
শ্রেণি শিক্ষক তখনি তামিউর রহমানের মনের ধারণা বদলিয়ে দেন। বলেন, সারাদিন
যতগুলো কোচিং করে সে সময় নষ্ট করেছে, সে সময় যদি বাসায় পড়তো, তবে আজ তার
এরূপ ফলাফল হত না। তামিউর রহমান পরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন। তানিমকে
সেদিন থেকেই কোচিং বাদ দিয়ে বাসায়-স্কুলে পড়াশুনা করার নির্দেশ দেন।
তানিমের রেজাল্ট ধীরে ধীরে ভালো হতে শুরু করে। এখন তানিম শুধু পড়াশুনার
মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই। সে তার প্রতিভা বিকশিত করছে, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়
অংশ নিচ্ছে, পুরুষ্কার পাচ্ছে।

(২)

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে, কোচিং বাণিজ্য অত্যন্ত লাভজনক একটি পেশা। এই
পেশাতে কোনো বিনিয়োগ লাগে না। শুধু লাগে বুদ্ধি, প্রতারণার জাল। প্রথম
প্রথম ফ্রি পড়িয়ে বেশ নামডাক কামিয়ে তারা তাদের বাণিজ্যকে স্বর্গ বানিয়ে
ফেলে। অধিকাংশ বাবা-মায়ের মতে, কোচিং এ গেলে তাদের ছেলে-মেয়ে সুশিক্ষিত
হবে, অধিক জানবে, পরীক্ষায় ভালো করবে। ছেলে-মেয়েরাও বাধ্য হয়ে কোচিং যায়,
পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে ঠিকই, কিন্তু তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গড়ে
উঠে না, তারা জ্ঞানার্জন করতে সক্ষম হয়ে উঠে না, তারা সাহিত্যজগৎ নামক
আনন্দদায়ক একটি জগত ছেড়ে পুরোপুরি যান্ত্রিক একটি অবস্থায় চলে আসে। প্রায়
প্রতিটি কোচিং সেন্টার নোট প্রদান করে, এই নোট শিক্ষার্থীরা গিলে মুখস্থ
করে পরীক্ষা দেয়। আবার কখনও কখনও বোর্ড প্রশ্ন ফাঁসের পেছনে এসব কোচিং
সেন্টারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোচিং
সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে কোনোরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না, ফলে এরূপ
নেতিবাচকঅবস্থা আরো বৃদ্ধি পায়। সৃজনশীল এই জগতে, এই শিক্ষা পদ্ধতিতে যখন
একজন শিক্ষার্থী নিজের মেধা অনুযায়ী, নিজের জ্ঞান অনুযায়ী প্রশ্নের উত্তর
লিখবে, ঠিক তখনি কোনো কোনো শিক্ষক তাদের নোট দিয়ে বলছেন, এর বাহিরে লিখলে
তোমাদের নাম্বার কাটা! আবার কোনো কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা
স্কুলে পড়ায় না, আবার তাদের কাছে কোচিং না করলে ঠিকভাবে নাম্বার দেয় না।
এই যদি হয় বাস্তবতা, তবে কোচিং বিহীন শিক্ষাব্যবস্থা কতদিনে আমরা অর্জন
করবো?

(৩)

গতকাল রংপুরের একটি নামীদামী স্কুলে ক্যামেরা নিয়ে ঢুকলাম। আমি সাংবাদিক,
এই পরিচয় পেয়ে অনেক মহিলা নিজেদের হ্যান্ডব্যাগ থেকে মেকাপবক্স বের করে
রূপচর্চা করা শুরু করে দিলো। কিছুক্ষণপর যখন স্কুল ছুটি দিল, একেএকে
শিক্ষার্থীরা বেড়িয়ে আসছে। আমি তাদের একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, সাতজন বীর
শ্রেষ্ঠের নাম বলো? সে মাত্র দুই জনের নাম বলেই থেমে যায়। আশেপাশের
কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করেও সঠিক ভাবে সাতটি নাম পাওয়া যায় নি। অথচ তারা ছিল
দশম শ্রেণি, কেউ নবম শ্রেণির ছাত্র। অভিভাবকরাও ধীরেধীরে দূরে সরে যেতে
থাকলেন, অনেকে চোখ বড় বড় করে আমার দিকেও তাকালেন, যেন তাদের আমি কোনো
শিশুকে ভুলভাল প্রশ্ন করছি। এটাই বাস্তবতা, অথচ আমি যদি তাদের বলতাম, কোন
কোচিং এ পড়? তারা ঠিকই একটা নাম বলে দিত। যদি বলতাম, বর্তমান বিশ্বের
জনপ্রিয় পপ তারকা কে? তবে জবাবটা যে একদম সঠিক দিত, তা আমি প্রত্যক্ষ
করেছি। যদি বই থেকে কোনো প্রশ্ন ধরতাম, তবেও উত্তর সঠিক আসতো, কেননা
তাদের সেটা বোঝা লাগে না, মুখস্থই আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস, সোনালি
পাতাগুলো আজ মুছে যাচ্ছে। এটার পেছনে অবশ্যই কোচিং এর একটা দোষ আছেই।
সারাদিন ধরে একজন শিক্ষার্থী কোচিং করছে, সে বাসায় এসে মুক্তিযুদ্ধের বই
পড়ে না। সে মোবাইল হাতে নিয়ে গান বাজায়, কখনও ফেসবুক কিংবা অন্যকিছু। তবে
ব্যতিক্রম আছেই, যদিও সেটা খুবই কম। অন্তত এখনো আমার চোখে ধরা দেয় নি।

(৪)

অনেক শিক্ষার্থী আছে এমন, স্কুলে কখনও কথা না বলে থাকতে পারে না। শিক্ষক
পড়াচ্ছেন, আর সে ডিস্টার্ব করেই যাচ্ছে। কিন্তু তাকে শাসন করার অধিকার
শিক্ষকের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমরা মানি, কিছুকিছু শিক্ষক ছাত্রকে
খুব নির্যাতন করেন। কিন্তু আপনারা কি ভেবে দেখেছেন, শাসনের অভাবে
ছাত্র-ছাত্রীরা বেয়াড়া হয়ে যাচ্ছে? এছাড়া ডিস্টার্বের ফলে স্কুলে
পড়াশুনার পরিবেশ শুধু নষ্টই হয় নি, বরং নোংরাও হয়েছে। যদি আজ শিক্ষকদের
শাসনের বিধান থাকতো, তবে হয়তো অনেক শিক্ষার্থীই কোচিং বিমুখ হয়ে উঠত।
কেননা স্কুলে পড়ার সুন্দর একটা পরিবেশ সৃষ্টি হত। আপনারা শিক্ষককে বেধে
রাখবেন, শাসনের অধিকার দেবেন না, আর এসি রুমে বসে স্বপ্ন দেখবেন যে,
একদিন সেই শিক্ষার্থীরা সুন্দর দেশ গড়বে, তা কি কাল্পনিক নয়? যে সব
শিক্ষার্থী ক্লাসে ডিস্টার্ব করে, তারা কোচিং এ সেরূপ আচরণ করে না। কেননা
কোচিং এ শাসন হয়, প্রচুর টাকা যায়। সেটা স্কুলে চালু করলে ক্ষতি কিসের।
আমরা তো আইন করতেই পারি, অন্যায় করলে শাস্তি হবে। কিন্তু সেটা স্বাভাবিক
শাস্তি। অস্বাভাবিক যাতে না হয়, সেটা দেখা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে নজরদারী রেখে যদি অন্যায় করার জন্য শাস্তির বিধান
আবার চালু করা হয়, তবে আমি আশাকরি এদেশের শিক্ষার্থীরা অন্তত কোচিং বিমুখ
হবে, স্কুলে পড়াশুনা করবে, দেশ ও জাতির সত্যিকারের সম্পদে রুপান্তরিত
হবে।




ফাতিন ইসরাক,
শিশু সাংবাদিক।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07