Skip to content

বিতর্ক পোস্টঃ পহেলা বৈশাখ আসলে কবে হওয়া উচিত ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুভ নববর্ষ সবাইকে ! নতুন বাংলা বছরের শুরুতেই আবার ব্লগে ফিরে এলাম, সবাইকে আবার একসাথে পেয়ে ভালো লাগছে খুব। অনেকদিন যেহেতু কারও সাথে তেমন কমিউনিকেট হয় না, তাই আসেন এই চান্সে সবাই আলোচনার সাথে সাথে একটা বৈশাখী পুনর্মিলনী হয়ে যাক।



যেহেতু ইন্ডিয়াতে থাকি, তাই একটা ব্যাপার খাপছাড়া লেগেছে আমার কাছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যারা এই সময়টা নববর্ষ পালন করছে, তাদের নববর্ষ আমাদের একদিন পরে হয়।



চাঁদপুরবাসীরা, আমরা জানি, একদিন আগেই রমজানের রোজা রাখা শুরু করেন এবং একদিন আগেই তারা ঈদের উৎসব করে ফেলেন। নবর্ষ উদযাপনের ক্ষেত্রে এরকম একটি ব্যতিক্রম হচ্ছে আমাদের দেশ। এপ্রিলের মাঝামাঝি যেসব জাতি নববর্ষ উদযাপন করে, তাদের সবাই একই দিনে এই উৎসব করছে। শুধু বাংলাদেশিরাই উৎসবটি করে ফেলছে একদিন আগে।



বাংলাদেশের হিন্দুদের একটা বড় অংশ পশিমবঙ্গীয় রীতিতে পারিবারিকভাবে একদিন পরে নববর্ষ পালন করে। আমার পরিবারেও আমি ছোটবেলা থেকেই তাই দেখছি।



এখন, আলোচনার বিষয়টা হচ্ছে, আমাদের কি একই সাথে নববর্ষ উদযাপন করা উচিত ? নাকী নিজেদের মত করে আমরা নববর্ষ পালন করবো ? এভাবে বিশ্বের একটা বড় অংশের আনন্দ উদযাপনের তারিখের আগে আগেই আমাদের নববর্ষ পালন করাটা কি উচিৎ হচ্ছে ? আপনারা কী মনে করেন ?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(F)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হাসানের ব্লগ,



আলোচনায় অংশ নেয়ার আহবান জানাই। (F)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা হা হা এইটার কারণ হৈতাছে বাঙ্গালী নিজেরা পুন্দাপুন্দি করতে পছন্দ করে। আকবরের আমলে বৈশাখ পালন হৈল মার্চ এর ১০ / ১১ তারিখে।



একটা ডেট কর্লেই হয়, এইখানে ভেজালের কিচ্ছু নাই। বিষষুদ বার আর আইজকা শুক্কুর বারের মৈধ্যে দেখতে কুনু পার্থক্য আছেনি? দিন্তো ২৪ ঘন্টাই।

তয় পশ্চিম বাঙলায় ১৪ এপ্রিলই নববর্ষ পালিত হয়। বাংলাদেশ এবং পশ্চিম বঙ্গ দুই জাইগাই এ দুইদিন পালিত হয়। কারণ সবাই একমত হৈতে পারে না।



উল্লেখ্য, এক্সময় বাংলাদেশেও একেক বছর একেক তারিখে নববর্ষ পালিত হৈত। এর কারণ ছিল কোন একটা বাংলা মাস কখনও ৩১ বা ৩২ দিনে হৈত বৈলা বৈশাখও একদিন আগাইয়া পিছাইয়া যাইত। এই বাংলা মাসটারে স্থির করা হৈছে গেলো ২০০৬ এ, বাংলা একাডেমি করছে। এইসব আসলে কিচ্ছু না, কেবল একটা মানদন্ড স্থির করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বস্তির ফুল,



ব্যাপারটা সেখানে নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে, এই বিভাজন সমর্থন করা যায় কি না ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক,

করিনা তো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বস্তির ফুল,



তাহলে কী করা উচিত ? আমাদের পুরোনো নিয়মে ফিরে যাওয়া উচিত ? নাকি সবাইকে আমাদের নববর্ষের দিকে আকৃষ্ট করা উচিত ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে যেই বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসরন করা হয় সেটা ভারতের থেকে কিছুটা আলাদা। ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমীর তত্বাবধানে ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সনের কিছু সংস্কার করেন।

তার আগে বাংলা ক্যালেন্ডারের কিছু ছোট সমস্যা ছিলো। এটাতে বছরের হিসাব ধরা হয় ৩৬৫ দিনে, যা প্রকৃত ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা, ৪৬ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড থেকে কম। ফলে এই ভুল টা জমে উঠতে থাকে আগের গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডারের মতো। তাছাড়া মাসের দিনের সঙ্খ্যাও নির্দিষ্ট ছিলোনা। কোন মাস হয়তো এক বছর ৩০ দিন, আরেক বছর ৩১, এমনকি সূর্য্যের সাথে তাল মিলানোর জন্য ৩২ দিনেও করতে হতো কোন কোন সময়, যেহেতু বাড়তি সময় হিসাব করা হতোনা।



তাই ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি একে সংস্কার করে মাসের দিনের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেন, (প্রথম ৫ মাস ৩১শে, পরের ৭ মাস ৩০শে করা হয়)। এছাড়া উনি লীপ ইয়ারের হিসাব ও আনেন, লীপ ইয়ারে ফাল্গুনে এক দিন যোগ হয়।



যদিও ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী এই প্রস্তাব করে, বাংলাদেশে এটাকে রাষ্ট্রীয় ভাবে গ্রহন করা হয় ১৯৮৭ সালে। কিন্তু বাংলাদেশের বাহিরে কেউ এটা অনুসরন করেনা। তাই বাংলাদেশের সংশোধিত এই ক্যালেন্ডারে সব সময় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পড়ে। কিন্তু অন্যান্নদের সূর্য্যের সাথে হিসাব মিলাতে গিয়ে সূর্য্য পর্যবেক্ষন করে দিনের হসাব মেলাতে গিয়ে কখনো ১৪ কখনো ১৫ তে হয়।



আমার মতে আমাদের দেশে এখন যেই ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করা এটাই সঠিকতর।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@যুদ্ধদেব, (*) (*) (*) (*) (*)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@যুদ্ধদেব,



যারা পুরাতন নিয়মানুযায়ী নববর্ষ পালন করছে, এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাদেরই বরং আপডেটেড হওয়া উচিৎ নয় কি ? আমাদের দেশীয় ব্যবস্থাটি বিশ্বের নজরে আনার কোনও প্রচেষ্টা আমরা করতে পারি কি না ?



আজকে আমার এখানে যারা নববর্ষ পালন করছে, তারা প্রায় কেউই জানে না যে, আমরা বাংলাদেশিরা এক দিন আগেই নববর্ষ পালন করে ফেলেছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@যুদ্ধদেব, (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@যুদ্ধদেব,



এটাতে বছরের হিসাব ধরা হয় ৩৬৫ দিনে, যা প্রকৃত ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা, ৪৬ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড থেকে কম। ফলে এই ভুল টা জমে উঠতে থাকে আগের গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডারের মতো।




জমতে থাকলেও এর এডজাস্টমেন্ট ঠিকই করা হয়।



সংস্কারকৃত বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে ফাল্গুন (যা ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি শুরু হয়) মাস প্রতি চতুর্থ বর্ষে ৩১ দিনের হয় । মিল রাখবার উদ্দেশ্যে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির সাথে সাথেই বাংলা লীপ ইয়ার হয় । উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, ফাল্গুন ১৪১০ ছিল বাংলা অধিবর্ষের (লীপ ইয়ার) মাস যা পড়েছে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির অধিবর্ষ ২০০৪ এর ফেব্রুয়ারী মাসে । ভারতের পশ্চিম বঙ্গ সৌরপঞ্জি নির্ভর সিডেরিয়েল বর্ষপঞ্জি ব্যবহার করে থাকে । এই বর্ষপঞ্জির মাসগুলো নির্ধারিত হয় সূর্যের প্রকৃত আবর্তনকে ভিত্তি করে । এই বর্ষপঞ্জিতে বর্ষ সংখ্যা হতে সাত বিয়োজন করে তা ৩৯ দিয়ে ভাগ করতে হয় । যদি ভাগশেষ শূন্য হয় বা ৪ দিয়ে বিভাজ্য হয় তাহলে সে বর্ষটিকে অধিবর্ষ হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং ৩৬৬ দিনের এই বর্ষের চৈত্র মাস ৩১ দিনের হয় । প্রতি ৩৭ বছরে ১০ টি অধিবর্ষ হয় ।

_____________________________________________

কঃ কঃ কঃ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও মনে করি বাংলাদেশের দিন নির্ধারন সঠিক এবং বিজ্ঞান সম্মত হয়েছে।যুদ্ধদেব ভাই যে কারন গুলা উপরে দেখিয়েছেন ঠিক একি কারনে ভারতের বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতিঃপদার্থবিদ ড. মেঘনাদ সাহা ভারতে প্রচলিত প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যাভিত্তিক বিভিন্ন বর্ষপঞ্জির আমূল সংস্কার প্রস্তাব করেন। এ প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান। তাঁর প্রস্তাব অনুসারে বৈশাখ-ভাদ্র_এ পাঁচ মাস হবে ৩১ দিন করে এবং পরবর্তী আশ্বিন-ফাল্গুন ছয় মাস হবে ৩০ দিন করে। সে হিসাবে চৈত্র মাস হবে ৩০ দিন এবং অধিবর্ষে বা লিপইয়ারে চৈত্র মাস হবে ৩১ দিনে। তাঁর এ প্রস্তাব অনুসারে প্রতিবছর ১৪ এপ্রিল বাংলা বর্ষবরণ হওয়ার কথা।কিন্তু ভারতের পঞ্জিকা ব্যবসায়িরা তা মনে

নেয় নাই এবং একই সাথে উপার বাংলার মানুষ এতে সারা দেই নাই।তাই উনার প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।কিন্তু বাংলাদেশে

উনার প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে তারিখটি নির্ধারন করা হয়।

কলকাতার অনেক বুদ্ধিজীবী ও কবি মনে করেন একই দিনে পালন করা উচিত এবং এই বিষয়ে পশ্চিম বাংলা পিছিয়ে আছে।

............................................................................................................
ভালোবাসা মানে আগাম চলার সুর,ভালোবাসা মানে অবিরাম চলাবসা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@রাতের আকাশ,



পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, পুরো ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার,নেপাল এবং ভুটানও পিছিয়ে আছে।



এখন ব্যাপারটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের বিষয়টি কেউ মেনে নিচ্ছে না, তাহলে আমাদের কি আবার পুরনো পথে ফিরে যাওয়া উচিত ? কারণ, বিষয়টি পুরোপুরিই আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আবেগ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই যুক্তি মানে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও মনেকরি বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত ক্যালেন্ডারটিই যুক্তিযুক্ত। প্রতিবছর ৩১-৩২ দিনে মাস হিসাব করার চেয়ে এখনকার পদ্ধতিটি অনেক সিম্পল ও আধুনিক।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
হিসাব মিলে না রে পাগল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সদাশয়,



এখন কথা হচ্ছে, আধুনিক নিয়মটি অনুসরণ করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সংস্কৃতিটি, যেটি আবেগের সাথে সম্পর্কিত, সেটি আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে কি ?



ওপার বাংলা শুধু নয়, দেখা যাচ্ছে আমাদের এই ক্যালেন্ডারটি কেউই মেনে নেয়নি। এক্ষেত্রে কী করণীয় ? গ্রাম বাংলায় কিন্তু এখনও দরিদ্র মানুষেরা আগের নিয়মেই নববর্ষ পালন করে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক, হ্যাঁ, অবেগ অবশ্যই একটা বড় ব্যপার। সবচেয়ে বড় ব্যপার হলো বাংলা পুঞ্জিকার সাথে জড়িত আছে হিন্দু ধর্মীয় সংস্ৃতি। পুজা পার্বন সব নির্ধারিত হয় বাংলা মাসের হিসাবে। সেক্ষেত্রে এই পরিবর্তন মানুষের আবেগ ও ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করতে পারে। এই বিষয়ে আমার মতামত হচ্ছে, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানগুলো আগের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ঠিক রেখে ১লা বৈশাখ উজ্জাপনসহ রাষ্ট্রীয় কাজকর্মগুলি আধুনিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী করা যেতে পারে। অবশ্য আমি জানি না যে ১লা বৈশাখে কোন ধর্মালম্বীদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আছে কি না।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
হিসাব মিলে না রে পাগল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সদাশয়,



ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করাটা মনে হয় ঠিক হবে না। ধর্মীয় বাদেও মানুষের প্রচুর সেন্টিমেন্ট থাকে। পুরোনোকে আঁকড়ে ধরে থাকার প্রবণতা আমাদের সহজাত, কিছুই ছাড়তে ইচ্ছা হয় না।



এখন, সেই ছাড়ার ব্যাপারটা যদি সংস্কৃতি ঘটিত হয়, তাহলে ব্যাপারটা আরও জটিল হয়ে যায়।



ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দুই রকম ঘটনা ঘটতে পারেঃ



১। বছরের প্রথম দিন যদি কোনও প্রার্থনা করার বিষয় থাকে, তাহলে তারিখ পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রার্থনার দিনও পরিবর্তিত হওয়া উচিত। ক্যালেন্দার যেহেতু ঈশ্বরের বানানো নয়, মানুষেরই বানানো, তাই এই পরিবর্তনে মনে হয় না ঈশ্বর অসন্তুষ্ট হবেন।



২। আর যদি সেই পার্টিকুলার দিনেই প্রার্থনা করতে হয়, তাহলে সেই নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারীরা এক দিন আগে পরেই প্রার্থনার ব্যাপারটা সেরে ফেলুক। নববর্ষ তো আর সেই নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

15 aprill valo.

/* বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনও পিছে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি হাদিস কোরান চষে।*/


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@রুশদি,



কী কারণে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নতুনেরে গ্রহন করিতে আমরা বাঙ্গালরা বরাবরই এগিয়ে। তাই বৌ্দ্ধ ধর্ম গ্রহনে আমাদের যেমন বেগ পেতে হয়নি, তেমনি ইসলামকে। যখন যেটা আধুনিক তাকে বরন করার একটা মানসিকতা আমাদের ঐতিহ্যে আছে। এমন একটা ভাল গুন বিষর্যন দেয়ার কোন অর্থ আমার কাছে নেই।

জামাত ভুক্ত হওয়ার চেয়ে যুক্তি নির্ভর হওয়া অনেক বেশি জরুরি। ভাল গুন আমাদের হাতে গোনা। তাই এটিকে যতনে রাখাতে চাই যতদিন সম্ভব।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবচে ভালা হয় আমার জন্মদিনের দিন করলে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কনফিউজ,



আপনে বাই এনি চান্স এরশাদের আত্মীয় লাগেন নাকি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের প্রকৃতি ও জিবনে আমাবস্যা-পুর্নিমা মানে চাদের প্রভাব খুব বেশি, অথচ সেটা আমরা খেয়াল করি না । ঝর-বৃষ্টি, ভুমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে আমাবস্যা পুর্নিমা, মানে চাদের যোগসুত্র রয়েছে । আমাদের শারিরিক বিভিন্ন প্রকৃয়াও চাদের প্রভাব ব্যাপক; যাদের হাড় ভাঙা বা বাত-ব্যাথার সমস্যা রয়েছে তারা এটা খুব ভালৈ জানেন । আবার কৃষিতেও আমাবস্যা-পুর্নিমার প্রভাব রয়েছে । মোট কথা আমাদের জিবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাদের প্রভাব খুব বেশি । আমরা প্রকৃতি আর জিবনে সুর্য, মানে রিতুর হিসাবটা ঠিকই করি ; কিন্তু মাসের হিসাবটা করলেও আমাবস্যা-পুর্নিমা মানে চান্দ্র মাস বলতে যা বোঝায় সেই ভাবে কখনই মাসের হিসাব করি না । আরবি হিজরি সনে কিন্তু এই চান্দ্র মাস ব্যাবস্থা পুরো মেনে চলা হয় । সরকারি-বেসরকারি ভাবে চান্দ্রমাসের বিষয়গুলো আমাদেরও জন সচেতনতার বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা দরকার ।



বাংলা সনের হিসাবটাও আমার মনে হয়, আসলে চাদের হিসাবের উপরেই করা হয়েছিল । এবং এটা কিন্তু বছরের হিসাবের সাথে নাও মিলতে পারে । অনেক সময়ই খালি চোখে চাদ দেখা যায় না ; কাজেই আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাদ দেখে চান্দ্র মাসের যে হিসাব করা হয়; আমি মনে করি ধর্মিয় এবং অন্য সব ভাবে সেটাই গ্রহন যোগ্য ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@গনতান্ত্রিক ব্লগার, মানব জীবনে চাঁদের প্রভাব কতটুকু বলতে পারবেন? ঝড় বৃষ্টি এর মূল কারন হচ্ছে সূর্য্য, ভূমিকম্পে চাঁদের প্রভাব প্রায় উপেক্ষনীয়, ব্যাথা বা অসুস্থতার সাথে চাঁদের সম্পর্ক শুধুই মানসিক, এর আসল কোন ভূমিকা নেই। কৃষি কাজে কোনটার প্রয়োজনীয়তা সেটা না বুঝার কোন কারন নাই। মোদ্দা কথা আমাদের এই পুরো পৃথিবী পুরপুরিই সূর্য্যের প্রভাবে চলমান। চাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত নগন্য।



আপনার চাঁদের পক্ষে কথা বলতে দেখে একটা কৌতুক মনে পড়ে গেলোঃ-



এক বোকা আরেক বোকাকে বলছে, আমি কালকে সূর্য্যে যাবো বেড়াতে।

২য় বোকাঃ তুই নামতেই পারবিনা! গরমে সিদ্ধ হয়ে যাবি।

১ম বোকাঃ আরে বোকা! আমি কি দিনে নামবো নাকি? আমি নামবো তো রাতে!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুই দিন করা হোক,ছুটি বাড়বে !

সবাই এক হয়ে দাবি করুন !


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@গালুভাই,



কোনও কিছুর ডিভিশন ঘটলে বা বিষয়টাকে স্প্লিট করে দিলে আর উৎসবের মর্যাদা থাকলো কী ? এরকম ডিভিশন করতে করতে একসময় দেখা যাবে যে উৎসব হয়ে গেছে ব্যক্তিগত।



(আপনার মন্তব্যটা কৌতুকচ্ছলে করেছেন বুঝতে পেরেছি, কিন্তু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ লেগেছে জন্য কথাটা বললাম। দয়া করে নেতিবাচক ভাবে নেবেন না।)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক, arey dhur money korbo keno,dui din holey mondo ki,hujugey bangali,ekdin beshi utsob koruk

sorbey sukhino vobontu!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পশ্চিম বঙ্গে দুই ধরনের পঞ্জিকা পাওয়া যায়। এক অতি পুরাতন গুপ্ত-প্রেস আর দ্বিতীয়টি হল ড. মেঘনাদ সাহা কর্তৃক আমূল সংস্কৃত বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা। গুপ্ত প্রেস তার ব্যবসা ধরে রাখতে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করে না। এদিকে যারা বাংলা পঞ্জিকা ব্যবহার করেন তারা আবার বেশ প্রাচীনপন্থী, বংশ পরম্পরায় গুপ্ত প্রেস অনুসরণ করে আসছেন, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ। এই দুইয়ের সমন্বয়ে গুপ্ত প্রেস তার ভুল পঞ্জিকা নিয়েও রমরমিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। আমার জানামতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ সংঘ সহ হাতেগোনা কয়েকটি সংগঠন বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মেনে চলে।





আর একটা কথা জানিয়ে রাখি, প্রতি বছর যত সংখ্যক বাংলা বই বিক্রি হয় তার অনেক অনেক গুন বেশি পঞ্জিকা বিক্রি হয়।

____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এভাবে বিশ্বের একটা বড় অংশের আনন্দ উদযাপনের তারিখের আগে আগেই আমাদের নববর্ষ পালন করাটা কি উচিৎ হচ্ছে ?




উপরে যুদ্ধদেব ক্লীয়ার বলেছে। আমি সাথে একটু যোগ করি, ভারতের সাথে মিলিয়ে করলে সরাসরিই হিন্দু মুসলমানের সম্প্রিতীর উৎসব মনে হয় থাকে না,একটা পক্ষ সবসময় কালার দেয়ার চেষ্টা করবে।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধদেব ও রাতের আকাশকে ধন্যবাদ বিষয়টা ক্লিয়ার করার জন্যে।



শুভজিৎকে বলছি আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি ১৪এপ্রিল নববর্ষ পালন করাতে। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। দরকার কি অন্যদেশের সাথে মিল করে নববর্ষ পালন করার?

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মৌচাকে ঢিল,



বিষয়টা সমস্যার না, কিন্তু এভাবে আলাদা হয়ে উৎসব পালন করার অর্থটা কী ? সবাই এক সাথে পালন করলে আনন্দের মাত্রাটা আরো বেশি হওয়ার কথা নয় কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক, আমার মনে হয়না আনন্দের মাত্রা খুব বেশি হবে। বেশ কয়েকবছর ধরে আমরা এইদিনেই পালন করে এসেছি এবং তা সর্বোচ্চ আনন্দ উল্লাসের সাথে। তবে অন্যদেশগুলোকে আমরা বলতে পারি ১৪এপ্রিলের ব্যাপারে বা আমরা যে পঞ্জিকা অনুসরন করি সেটা যে সঠিক তা তুলে ধরতে পারি। তারা যদি সেটা মেনে নেয় তাহলে তো ঠিকি আছে।

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক, বিষয়টা নিয়েতো এখন পর্যন্ত কোন ইস্যু তৈরী হয়নি। নতুন ইস্যু তৈরী করাটা অনুচিৎ হবে এবং কোন কাজের কাজই হবেনা। কাজেই ১৪ এপ্রিল যেভাবে ভারত আর বাংলাদেশের বাঙালীরা পহেলা বৈশাখ উদযাপন করছে তেমনটি বজায় থাকাই সবচেয়ে ভালো।

বিহারী, পাঞ্জাবী বা অন্যন্য অবাঙালী জনগোষ্ঠী তাদের মতন পালন করুক।অন্য দেশের সাথে মিল রাখতে হবে কেন? আমাদের স্বাতন্ত্র‌ অবিভক্তির

চেয়ে অধিক কাম্য। আর বাংলাদেশে এই একটা উৎসব ধর্ম নির্বিশেষে সবাই

পালন করে একটি জাতিস্বাত্তিক উৎসব হিসেবে--ধর্মীয় উৎসব হিসেবে নয়।

পাঞ্জাবেতো ১৩ তারিখে বৈশাখী পালন করা হয়। এইখানে ঐক্য কিভাবে আসবে সেটি

বোঝা কষ্টকর। দেখুন:

"In the Indian national calendar Vaisakha is the second month of the year, beginning on April 21 and ending on May 20.



In the Hindu solar calendar, Vaisakha begins in mid-April in Bengal, Nepal and Punjab. In Tamil Nadu, it is known as Vaikasi and represents the second month of the Tamil solar calendar. In the Hindu lunar calendar, Vaisakha begins with the new moon in April and represents the second month of the lunar year. The harvest festival of (Baisakhi) is celebrated in this month.Vaisakha Purnima is celebrated as Buddha Purnima or the birthday of Gautama Buddha amongst southern Buddhists or the Theravada school. Known in Sinhalese as Vesak, it is observed in the full moon of May. Vaisakhi (Punjabi: ਵਿਸਾਖੀ visākhī, Hindi: बैसाखी baisākhī, also known as Vasakhi) is an ancient harvest festival in the Punjab region, which also marks beginning of a new solar year, and new harvest season. Baisakhi is a Sikh religious festival.It falls on the first day of the Baisakh month in the solar Nanakshahi calendar, which corresponds to April 13 in the Gregorian calendar."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চড়ুইমদন,



অনেক বিষয়েরই শুরুতে গুরুত্ব বোঝা যায় না। যেমন মনে করুন, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো তৈরি হওয়ার আগে এগুলোর গুরুত্বটা বোঝা যায়নি, এগুলো না থাকায় কোনও সমস্যাও তৈরি হয়নি। এখন, নতুন কোনও চিন্তা যদি এভাবে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়, তাহলে সম্ভবত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই আড়ালে থেকে যাবে।



ভারতের বাঙালিরা আমাদের একদিন পর, অর্থাৎ সনাতনী নিয়মে নববর্ষ উদযাপন করে থাকে। সম্ভবত এখানে আপনার তথ্যগত ভ্রান্তি ঘটে থাকবে। উইকিপিডিয়ার "পহেলা বৈশাখ" পেইজে এটা দেখতে পাবেন।



স্বাতন্ত্র অবশ্যই কাম্য, যেহেতু আমাদের নিয়মটিই বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক। তাহলে কি আমাদের উচিৎ নয়, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ইত্যাদি যেসব জায়গায় বাঙালি রয়েছে, তাদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা ?



একই সাথে আরও একটি বিষয় চলে আসে। সনাতনী পদ্ধতিই কিন্তু আমাদের মূল স্বাতন্ত্র ছিলো, বিজ্ঞানের খাতিরে এই সংস্কৃতিটি বিসর্জন দেয়াটা কি উচিৎ হয়েছে ?



সমস্যার সৃষ্টি হয়নি এটা সত্য, তবে যে কোনও উৎসবে মানুষের অংশগ্রহণ যত বাড়ে, সেই উৎসবের প্রাধান্য তত বাড়তে থাকে। এই ঘটনাটির দিকে দৃষ্টি রেখে হলেও কি বিষয়টি আলোচনার দাবী রাখে না ?



ঐক্যের কথা যদি বলেন, তবে সারা বিশ্বের ঐক্য নিয়ে আসা কখনোই সম্ভব নয়, যেহেতু প্রচুর ক্যালেণ্ডার প্রচলিত রয়েছে এবং এদের একটির শুরুর তারিখ, আরেকটির শুরুর তারিখ হতে বহু দূরে। তবে ভারতীয় উপমহাদেশের যারা এই এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে নববর্ষ পালন করছে, তাদের নববর্ষ পালন এবং ক্যালেন্ডারের হিসাব কতটুকু বৈজ্ঞানিক, তাও বিবেচনার দাবী রাখে, যেহেতু আমরা জানি আমাদেরটাই যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক



দেখেন আপনাদের পহেলা বৈশাখ এ কত রকমফের ।



এটা যে একটা মেকি ,কৃত্তিম, লোক দেখান ভালবাসা সেটা দেখুন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শুভজিৎ ভৌমিক, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর সাথে বিষয়টি ঠিক তুলনীয়

বলে মনে হয়না। পহেলা বৈশাখ ১৪ এর বদলে ১৫ তারিখ হলে ক্ষতি-বৃদ্ধি

কি হবে?

"একই সাথে আরও একটি বিষয় চলে আসে। সনাতনী পদ্ধতিই কিন্তু আমাদের মূল স্বাতন্ত্র ছিলো, বিজ্ঞানের খাতিরে এই সংস্কৃতিটি বিসর্জন দেয়াটা কি উচিৎ হয়েছে ?"

সনাতনী অনেক পদ্ধতিরই পরিবর্তণ হয়েছে এবং তাতে কারও স্বাতন্ত্র নষ্ট হয়নি। বরং আমরা অধিকতর উন্নত এবং সঠিক ("বৈজ্ঞানিক" শব্দটা না হয় বাদই দিলাম) পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বিদেশী বাঙালীদের থেকে স্বতন্ত্র আছি--এই ভাবনাটাও আমাদের কাছে গর্বের বিষয় হতে পারে। তাই আমি যুদ্ধদেবের সাথে একমত "আমার মতে আমাদের দেশে এখন যেই ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করা এটাই সঠিকতর।"

"সমস্যার সৃষ্টি হয়নি এটা সত্য, তবে যে কোনও উৎসবে মানুষের অংশগ্রহণ যত বাড়ে, সেই উৎসবের প্রাধান্য তত বাড়তে থাকে। এই ঘটনাটির দিকে দৃষ্টি রেখে হলেও কি বিষয়টি আলোচনার দাবী রাখে না ?"

হমম্ আমরা চেষ্টা চালাতে পারি যাতে আমাদের পদ্ধতিটাই সবাই অনুসরণ করে। তবে কিভাবে (সেই চেষ্টা চালানো হবে) সে সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার কথাকে মর্যদা দিয়েও বলছি এটা সম্ভব নয়। বিষয়টা একটা সময় গিয়ে রাষ্ট্রীয় স্তরে আটকাবে - সেখানে রাজনীতি অন্য দিকে চলবে, আমাদের দুটো পঞ্জিকা তার প্রমাণ। ১লা জানুয়ারীর মতো ১লা বৈশাখ একদিনে পালন হচ্ছে ভাবতে গায়ে কাটে দেয়, ভীষণ আনন্দের হোত সেটা কিন্তু আমাদের সরকার শান্তি বজায় রাখার নামে দূর্গাপুজাও একমাস অন্তর দুবার করতে দেয় দুটি মতকে অনুসরন করে। নববর্ষের শুভেচ্ছা নেবেন। (F)

Sabar Upare Manush Satya Tahar Upare Nai.

glqxz9283 sfy39587p07