Skip to content

সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক : যে সত্য বলা হয়নি-১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

[আমি to the point আলোচনা পছন্দ করি। এক পোস্টে একাধিক বিষয় নিয়ে বির্তক করা আমার স্বাভাবিক নীতি-বিরূদ্ধ । আমার এই পোস্টের মূল লক্ষ্য আয়েশা(রা.)এর বিয়ের বয়স বা বাল্যবিবাহ নিয়ে আলোচনা নয়, বরং আকাশ মালিক তথা মুক্তমনারা তথ্য পরিবেশনে কতটুকু সততা বজায় রাখেন সেটা যাচাই করা। ]



মুক্তমনারা আজকাল তাদের লেখাতে অহরহ আকাশ মালিকের “যে সত্য বলা হয়নি” বইটির রেফারেন্স দিয়ে থাকেন। অনেকে বলেও থাকেন, বইটি খুব রেফারেন্স সমৃদ্ধ। কেউ কেউ আরো এক ধাপ এগিয়ে বলে থাকেন, বইটির পাতায় পাতায় রেফারেন্স দেওয়া আছে। কিন্তু এক পাতায় অভিযোগ যদি থাকে ২০টা(কথার কথা) আর রেফারেন্স যদি দেওয়া হয় ৩টা, তাহলে সেটাকে যেমন রেফারেন্সসমৃদ্ধ বলা যায় না; তেমনি রেফারেন্স প্রদানের সময় যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাটছাঁট করা হয়, মূল রেফারেন্সের অপ্রাসঙ্গিক/বিকৃত অনুবাদ করা হয়, তাহলে সে লেখা সততার মাপকাঠিতে কিছুতেই উত্তীর্ণ হতে পারে না। যিনি আমাদের না বলা সত্যের বাণী শোনাবেন তিনি নিজেই যদি অসততার আশ্রয় নেন, তখন তাকে সততার কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ছাড়া উপায় কী?

আজকের পোস্টে আকাশ মালিকের “যে সত্য বলা হয়নি” বইটির ৩য় অধ্যায়ের একটি মাত্র প্যারাকে সততার কাঠগড়ায় দাঁড় করাবো:

মুহাম্মদ(দঃ) জানতেন আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে জুবায়েরের কাছে গিয়েছিলেন। তাই এবার তিনি নিজেই যখন আয়েশাকে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে আবু বকরের সামনে হাজির হলেন, আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বয়সের অজুহাত দেখাতে পারলেন না, বললেন: “মুহাম্মদ(দঃ) আয়েশা যে তোমার ভাতিজী হয়, তাকে বিয়ে করবে কিভাবে?” মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।” যদিও পরবর্তীতে পারিবারিক সূত্রের অজুহাতে মুহাম্মদ(দঃ) তাঁর ভাতিজীর (হামজার মেয়ে) বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বিষয়টি হচ্ছে এরকম: হামজা(রাঃ) ও আবু বকর ছিলেন পরস্পর বৈমাত্রেয় ভাই। মুহাম্মাদের(দঃ) নবম স্ত্রী রামালা(আবু সুফিয়ানের মেয়ে, অন্য নাম উম্মে হাবিবা) বলেছেন: “আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী, আপনি আমার বোনকে বিয়ে করুন। নবীজি বললেন, তোমার কি তা ভাল লাগে? আমি বললাম হ্যাঁ, কেন ভালো লাগবে না, এ ঘরে তো শুধু আমি একা আপনার স্ত্রী নই, আরও অনেকেই আছেন; সুতরাং আমি চাই আমার বোনও আমার সাথে সংসার-সুখ ভোগ করুক। রসূল বললেন, তা তো আমার জন্য বৈধ হবে না। আমি বললাম, শুনেছি আপনি নাকি উম্মে সালমার(প্রফেটের ষষ্ঠ স্ত্রী) মেয়েকে বিয়ে করতে চান। নবীজী বললেন, সে যদি আমার সৎ মেয়ে(Step -daughter) নাও হতো, সে আমার জন্য বৈধ হতো না; কারণ যেহেতু সে আমার পালিত ভাতিজী(foster niece)। সুতরাং আমাকে তুমি তোমার মেয়ে কিংবা বোনকে বিয়ে করতে অনুরোধ করো না।” (দ্রষ্টব্য: বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ৪২)৩।



৩Muhammad Ibn Ismail Al-Bukhari, Sahi Bukhari Hadith, translated in English by Dr Muhammad Muhsin Khan; the internet version can be read at: http://www.iiu.edu.my/deed/hadith/bukhari/index.html



[সূত্র: যে সত্য বলা হয়নি, ৩য় অধ্যায় – আকাশ মালিক]



এখানে লেখকের দাবিকে আমি এভাবে সাজাচ্ছি:

এক. মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

১.১ হামজার মেয়েকে পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী হওয়ার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

১.২ উম্মে সালমার মেয়েকে পালিত ভাতিজী হবার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

দুই. কিন্তু পারিবারিক সূত্রে আয়িশা(রা.) ভাতিজী হওয়া সত্ত্বেও মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিয়ে করেন।



প্রথমে আমার কিছু প্রশ্ন/কৌতুহল:

১. আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বয়সের অজুহাত দেখাতে পারলেন না, বললেন: “মুহাম্মদ(দঃ) আয়েশা যে তোমার ভাতিজী হয়, তাকে বিয়ে করবে কিভাবে?” মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।”

-এখানে মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‌এর যে উদ্ধৃতি দেওয়া হলো তা কোথা থেকে সংগৃহিত?

২. “পারিবারিক সূত্র” এই পরিভাষাটা কি লেখকের নিজের? এটা আরবী বা ইংরেজি কোন্ শব্দের পরিভাষা?

৩. “foster niece” বলতে যে এখানে “দুধ ভাতিজী” বুঝানো হচ্ছে সেটা কি লেখক বুঝেন নাই? তাহলে foster niece এর অনুবাদ পালিত ভাতিজী করলেন কেন? অবশ্য লেখক বলতে পারেন তিনি তো foster niece ব্যাকেটে দিয়েই দিয়েছেন আর foster এর অনুবাদ তো পালিত হতেই পারে; সেক্ষেত্রে আমার বক্তব্য ৪২ নম্বর হাদিসে তো “foster niece” শব্দটাই নাই। অনুবাদে একটাকে আমদানি করলেন কেন?



দাবি-১.১: হামজার মেয়েকে “পারিবারিক সূত্রে” ভাতিজী হওয়ার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

অনুসন্ধান:

Umm Salama (Allah be pleased with her), the wife of Allah's Apostle (may peace be upon him), said: It was said to the Messenger of Allah (may peace be upon him): Is not the daughter of Hamza a suitable match for you? Or it was said: Why don't you propose to marry the daughter of Hamza, the son of Abd al-Muttalib? Thereupon he said: Hamza is my brother by reason of fosterage.

[Muslim Sharif : Book: 8, Chapter: 25, Number: 3411 ]




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামা(রা.) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হলো: হামযার কন্যা কি আপনার জন্য উপযুক্ত পাত্রী নয়? অথবা বলা হলো: আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে হামযার কন্যাকে আপনি বিবাহের প্রস্তাব দেন না কেন? এর প্রেক্ষিতে তিনি বললেন: হামযা আমার দুধ-সম্পর্কিত ভাই(দুধ ভাই)।



সিদ্ধান্ত:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযা(রা.) এর মেয়েকে বিয়ে করেন নাই কারণ, হামযা(রা.) তাঁর দুধ ভাই, হামযার কন্যা তাঁর দুধ ভাতিজী। পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী হবার অজুহাতে বিবাহে অস্বীকৃতি জানান নাই।



দাবি-১.২: উম্মে সালমার মেয়েকে পালিত ভাতিজী হবার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।



অনুসন্ধান:

লেখক রেফারেন্সে দিয়েছেন “বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ৪২”। আমরা এখানে প্রথমে ৪২ নম্বর দেখব এবং পরে ৪৩ নম্বর হাদিসটাও দেখব:



৪২ নম্বর হাদিস:

Narrated Um Habiba:

I said, "O Allah's Apostle! Do you like to have (my sister) the daughter of Abu Sufyan?" The Prophet said, "What shall I do (with her)?" I said, "Marry her." He said, "Do you like that?" I said, "(Yes), for even now I am not your only wife, so I like that my sister should share you with me." He said, "She is not lawful for me (to marry)." I said, "We have heard that you want to marry." He said, "The daughter of Um Salama?" I said, "Yes." He said, "Even if she were not my stepdaughter, she should be unlawful for me to marry, for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama). So you should neither present your daughters, nor your sisters, to me."

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 42 ]




উম্মে হাবিবা(রা.) হতে বর্ণিত:

আমি বললাম, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি কি (আমার বোন) আবু সুফিয়ানের কন্যাকে পেতে পছন্দ করেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি (তাকে) দিয়ে কী করব?”। আমি বললাম, “তাকে বিয়ে করুন”। তিনি বললেন, “তুমি কি তা পছন্দ কর?”। আমি বললাম, “(হ্যাঁ), যেহেতু এখনও আমিই আপনার একমাত্র স্ত্রী নই, কাজেই আমার এটা পছন্দ যে আমার সাথে আমার বোনও আপনাকে শেযার করে।”তিনি বললেন, “সে আমার জন্য (বিবাহের ক্ষেত্রে) বৈধ নয়”। আমি বললাম, “আমরা শুনেছি আপনি দুররাকে বিবাহ করতে চান”। তিনি বললেন, “উম্মে সালামার মেয়েকে?” আমি বললাম, “জ্বী”। তিনি বললেন, “সে যদি আমার সৎ মেয়ে নাও হতো তবু তাকে বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ হতো না কারণ সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা(আবু সালামা)কে দুধপান করিয়েছে। কাজেই তোমার কন্যা বা বোনদের আমার সামনে পেশ করা উচিত নয়।





৪৩ নম্বর হাদিস:



Narrated Um Habiba:

I said, "O Allah's Apostle! Marry my sister, the daughter of Abu Sufyan." He said, "Do you like that?" I said, "Yes, for even now I am not your only wife; and the most beloved person to share the good with me is my sister." The Prophet said, "But that is not lawful for me (i.e., to be married to two sisters at a time.)" I said, "O Allah's Apostle! By Allah, we have heard that you want to marry Durra, the daughter of Abu Salama." He said, "You mean the daughter of Um Salama?" I said, "Yes." He said, "By Allah ! Even if she were not my stepdaughter, she would not be lawful for me to marry, for she is my foster niece, for Thuwaiba has suckled me and Abu Salama; so you should neither present your daughters, nor your sisters to me."

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 43 ]



বিশ্লেষণ:

১.২.১

৪২ নম্বর হাদিসের ইংরেজি অনুবাদে foster niece শব্দটাই নাই। বরং সুস্পষ্টভাবে দুধ সম্পর্কের কথা বলা আছে, Even if she were not my stepdaughter, she should be unlawful for me to marry, for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama) অর্থাৎ সে যদি আমার সৎ মেয়ে নাও হতো তবু তাকে বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ হতো না কারণ সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা(আবু সালামা)কে দুধপান করিয়েছে।

১.২.২

৪৩ নম্বর হাদিসের ইংরেজি অনুবাদে foster niece শব্দটা আছে। কিন্তু প্রথমত লেখক এই হাদিসকে রেফারেন্স হিসেবে পেশ করেন নাই, দ্বিতীয়ত এখানেও she would not be lawful for me to marry, for she is my foster niece, for Thuwaiba has suckled me and Abu Salama এই কথাটা বলা আছে। অর্থাৎ foster niece বলতে যে দুধ ভাতিজী/দুধ ভাইয়ের মেয়েকে বুঝানো হচ্ছে সেটা একেবারে ভেঙে বলা হয়েছে।



সিদ্ধান্ত:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে সালামা(রা.) এর মেয়ে দুররাকে বিয়ে করেন নাই কারণ:

প্রথমত, দুররা তাঁর সৎ মেয়ে।

দ্বিতীয়ত, দুররা তাঁর দুধ ভাতিজী। সুওয়াইবা তাঁকে এবং দুররার পিতা আবু সালামাকে দুধপান করিয়েছে।

”পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী”/“পালিত ভাতিজী” হবার অজুহাতে বিবাহে অস্বীকৃতি জানান নাই।



দাবি-২: পারিবারিক সূত্রে আয়িশা(রা.) ভাতিজী হওয়া সত্ত্বেও মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিয়ে করেন।

অনুসন্ধান:



Narrated 'Ursa:

The Prophet asked Abu Bakr for 'Aisha's hand in marriage. Abu Bakr said "But I am your brother." The Prophet said, "You are my brother in Allah's religion and His Book, but she (Aisha) is lawful for me to marry."

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 18 ]




উসরা হতে বর্ণিত:

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু বকর(রা.) এর কাছে আয়িশা(রা.)কে বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। আবু বকর(রা.) বললেন, “কিন্তু আমি আপনার ভাই”। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আপনি আমার আল্লাহর দ্বীন ও কিতাবের ভাই, কিন্তু তাকে(আয়িশা) বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ।



বিশ্লেষণ:

২.১ আবু বকর(রা.) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দ্বীনি/কিতাবী ভাই[ brother in Allah's religion and His Book] (যেমন সব মুসলিমই একে অপরেরর ভাই) ।

২.২ দ্বীন/কিতাব সম্পর্কিত ভাইয়ের কন্যাকে বিবাহ করা ইসলামের কোথাও অবৈধ করা হয় নাই।



আসুন দেখি, ইসলামে কাদের বিবাহ করা অবৈধ:



প্রথম সূত্র:

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।[৪:২৩]



দ্বিতীয় সুত্র:

Abu Daud Book 11, Number 2050:

Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Prophet (peace_be_upon_him) said: What is unlawful by reason of consanguinity is unlawful by reason of fosterage.



Fosterage বলতে কি বুঝাচ্ছে?



Narrated Aisha:

Once the Prophet came to me while a man was in my house. He said, "O 'Aisha! Who is this (man)?" I replied, "My foster brothers" He said, "O 'Aisha! Be sure about your foster brothers, as fostership is only valid if it takes place in the suckling period (before two years of age)." [Bukhari Vol.3, Book 48, No.: 815 ]



Narrated 'Aisha:

(the wife of the Prophet) that while Allah's Apostle was with her, she heard a voice of a man asking permission to enter the house of Hafsa. 'Aisha added: I said, "O Allah's Apostle! This man is asking permission to enter your house." The Prophet said, "I think he is so-and-so," naming the foster-uncle of Hafsa. 'Aisha said, "If so-and-so," naming her foster uncle, "were living, could he enter upon me?" The Prophet said, "Yes, for foster suckling relations make all those things unlawful which are unlawful through corresponding birth (blood) relations." [Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 36 ]



Narrated Abu Huraira:

The Prophet forbade that a woman should be married to a man along with her paternal aunt or with her maternal aunt (at the same time). Az-Zuhri (the sub-narrator) said: There is a similar order for the paternal aunt of the father of one's wife, for 'Ursa told me that 'Aisha said, "What is unlawful because of blood relations, is also unlawful because of the corresponding foster suckling relations." [Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 46 ]



কাজেই,

ইসলামে রক্তসম্পর্কের কারণে যেমন বিবাহ হারাম হয়, তেমনি দুধ-সম্পর্কের কারণেও বিবাহ হারাম হয়।

আপন রক্ত সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করা যেরূপ অবৈধ, দুধ ভাইয়ের মেয়েকে বিয়ে করাও একইভাবে অবৈধ।



সিদ্ধান্ত:

আবু বকর(রা.) ও নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে এমন কোন সম্পর্ক নেই যার কারণে আবু বকর(রা.) এর কন্যাকে বিবাহ করা অবৈধ/অনৈসলামিক হয়।



শেষের কথা:



উম্মে সালামা(রা.)কন্যা এবং হামযা(রা.) এর কন্যা মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দুধ ভাইয়ের কন্যা বিধায় উনাদের তিনি বিবাহ করাকে তিনি অবৈধ বলেছেন।



আবু বকর(রা.) মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আপন/দুধ ভাই নন বরং শুধু দ্বীনি/কিতাবি ভাই(যেমন এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই) বিধায় তাকে বিবাহ করা তিনি বৈধ বলেছেন।

অথচ লেখক এখানে “পারিবারিক সূত্র” নামক একটা পরিভাষার অবতারণা করে দুধ ভাই/দ্বীনি ভাই সবগুলোকে একসাথে মিশিয়ে জগাখিচুড়ি পাকালেন:

মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।” যদিও পরবর্তীতে পারিবারিক সূত্রের অজুহাতে মুহাম্মদ(দঃ) তাঁর ভাতিজীর (হামজার মেয়ে) বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

যদিও মুহাম্মাদ এর বরাত দিয়ে যে উদ্ধৃতি তিনি আমাদের দেখালেন তার কোন রেফারেন্স আমাদের দিলেন না তার রেফারেন্সসমৃদ্ধ পুস্তকে।



অন্যদিকে বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২ এর ৪২ নম্বর হাদিসের অনুবাদ করতে গিয়ে অসততার আশ্রয় নিলেন। for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama) এই অংশটুকুর অনুবাদ অংশে লিখলেন “কারণ যেহেতু সে আমার পালিত ভাতিজী(foster niece)।”



না বলা সত্য বলার এই যদি হয় রীতি, অমন সত্যবাদিতার জন্য লেখককে সততার কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।






২য় পর্ব | ৩য় পর্ব |৪র্থ পর্ব



ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আকাশ মালিক এবং মুক্তমনা ভাইগণ,



মূল আলোচনা ছেড়ে অন্য প্রসঙ্গের অবতারণা করলে সেটাকে আমার বক্তব্য খন্ডনের ব্যর্থতা হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি সুস্থ্য ও সচেতন আলোচনা পছন্দ করি। বিকৃত রূচি ও বিরোধিতার নামে অসত্য ও মিথ্যার প্রচার মূলত জেনে শুনে পরাজয়ের স্বিকৃতি। যদি বিবেকবান হোন সত্যকে সত্যদিয়ে মোকাবেলার আহবান জানাচ্ছি। আমি যোদ্ধা হিসেবে নই দর্শক হিসেবে থাকার ইচ্ছা পোষণ করি।



আর এই পোস্টের লেখককে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নুসরত জামান,



সালাম। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বিপ্লব রহমান,



কোথায় করতে হবে?

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F)

==========================================================
-> সাম্প্রদায়িক কথা বললেই সাম্প্রদায়িকতা না, কে বলছে সেইটাই গুরুত্বপূর্ণ!
-> ইসলাম= জামাত-শিবির, প্রচারে ফায়দা আছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ওয়ালেস,

আমি ছয় পৃষ্ঠা লিখলাম। আপনি ছয়টা শব্দ তো লিখেন।

অনেক ধন্যবাদ

(F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত, লেখছেন ভাল, চালায়া যান। তয় কি কমু কন, মিথ্যাচারগুলারে এমনে চোহে আঙ্গুল দিয়া দেহাইলেন, আমি নিজেই বাকরুদ্ধ! আকাশ মালিক ভাইয়ের বাকরুদ্ধ হইলে চলব না :D। হেরে কাঠগড়ায় এ্মনে দাঁড় করাইয়া দিলেন, 'লেট দ্যা ডিফেন্ডেন্ট হ্যাভ হিস সে'।

==========================================================
-> সাম্প্রদায়িক কথা বললেই সাম্প্রদায়িকতা না, কে বলছে সেইটাই গুরুত্বপূর্ণ!
-> ইসলাম= জামাত-শিবির, প্রচারে ফায়দা আছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপন চাচাতো ভাইএর কাছে নিজের মেয়ে বিয়ে দেওয়া জায়েজ?

প্রফেট মোহাম্মদের তিন মেয়েকে তিনি তার নিজের চাচাতো ভাইএর

কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন। ফাতেমার বিয়ে হয় আলীর সংগে, আলীর বাবা আবু তালেব ছিলো প্রফেটের আপন চাচা। অন্য দুই মেয়ে "রোকেয়া" এবং "উম্ম কুলসুম" এর বিয়ে হয় প্রফেটের আরেক আপন চাচা "আবু লাহাব" এর দুই ছেলের সংগে।বর্তমানে ইসলামে আপন চাচার ছেলের সংগে নিজের মেয়ে বিয়ে দেওয়া জায়েজ কিনা?

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক,



বর্তমানে ইসলামে আপন চাচার ছেলের সংগে নিজের মেয়ে বিয়ে দেওয়া জায়েজ কিনা?




>>জায়েজ।



তবে,মূল প্রসঙ্গের দিকে লক্ষ্য করার অনুরোধ করছি।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত,চাচা ভাতিজীর বিয়ে??? X(

ইয়াকককক..........খেলুম না।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক,



মূল প্রসঙ্গ রেখে বারবার ভিন্ন প্রসঙ্গ টানছেন, সুতরাং ধরে নিতে পারি, আমার মূল অভিযোগের সাথে আপনি একমত।



যদিও ভিন্ন প্রসঙ্গের প্রত্যুত্তর করব না ভাবছিলাম, তবু অন্যদের স্বার্থে বিষয়টাকে পরিষ্কার করছি। নিচের চিত্রটা দেখুন:






alt="Image and video hosting by TinyPic">

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক,



মূল প্রসঙ্গ রেখে বারবার ভিন্ন প্রসঙ্গ টানছেন, সুতরাং ধরে নিতে পারি, আমার মূল অভিযোগের সাথে আপনি একমত।



যদিও ভিন্ন প্রসঙ্গের প্রত্যুত্তর করব না ভাবছিলাম, তবু অন্যদের স্বার্থে বিষয়টাকে ২২ নম্বর কমেন্টে পরিষ্কার করছি।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাতভাই, রাত্রে পড়ে মন্তব্য করবো। আকাশ ভাইয়ের জবাব পড়ারও আশা রাখলাম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এ্যান্টাই-ভন্ড,



অপেক্ষায় রইলাম।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(F) (F) (Y)

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এম সরোয়ার হোসেন,



পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

কিছু একটা বললে হতে না। একেবারে বাকরূদ্ধ কেন?

(F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবজান্তা ইতিহাসবিদ(?? Shock ??) জনাব আকাশ মালিক আগে মুক্তমনায় ছাপানো যে মিথ্যা বলা হয়েছে বইটাকে ধারাবাহিকভাবে এখানে (আমুতে) প্রকাশ করা শুরু করেছেন। প্রথম কিস্তিতেই উনি যে পরিমাণ ভুল, সত্য-মিথ্যা মেশানো ঠাকুরমার ঝুলি লোকদের গেলাতে চেয়েছেন তা দেখে হাসি না বরং করুণাই হলো। চটজলদি স্ক্যান করে আমি রূপকথাটিতে যে ভুল/অর্ধসত্য/প্রশ্নবোধক তথ্যগুলো পেয়েছি তার কিয়দংশ এখানে দিলাম।







ওয়ারাকা বিন-নোফেল ও জায়িদ বিন-ওমর ছিলেন সেই ‘হানিফি’ দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।




ওয়ারাকা আর জায়িদ দুজনেই 'হানিফি'র সদস্য ছিলেন কিনা তা প্রমাণ করা কঠিন। হাদীস থেকে জায়িদের হানিফিয়া প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ওয়ারাকা যে খৃষ্টান ছিলেন তা মোটামুটি সন্দেহাতীত। ওয়ারাকা 'হানিফি' ছিলেন বলে মনে হয় না।



আর ঐতিহাসিক( ) আকাশ মালিক জায়িদ বিন আমর কে লিখেছেন জায়িদ বিন ওমর। যে এমন সাধারণ ভুল করেন তার কাছে কি ইতিহাস শিখবো?







এঁদের মধ্যে ওয়ারাকা বিন নোফেল মুহম্মদ (দঃ)-এর প্রথম স্ত্রী হজরত খাদিজার (রাঃ) চাচাতো ভাই ও মুহাম্মদের (দঃ) ‘ইসলাম-প্রচারের’ ধর্মগুরু




এই কথার মানে কী? সব ইতিহাসে এটা আছে যে ওহী আসার পরে খাদিজা মুহাম্মাদ (সাঃ) কে ওয়ারাকার কাছে নিয়ে যান। তখন ওয়ারাকা বলেন, মুহাম্মাদ (সাঃ) যে মালাঈকা কে দেখেছেন তিনি নিশ্চয়ই জীব্রাঈল (আঃ) যিনি মুসা(আঃ) এর কাছে আসতেন। এরপরে ওয়ারাকার সাথে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর তেমন দেখা হয়নি বলেই আমরা বিবরণ পাই। কিছুদিনের মধ্যেই ওয়ারাকা মারা যান। এই এক সাক্ষাতেই ওয়ারাকা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর ধর্মগুরু হয়ে গেলেন? আমি তো জানি গুরু-শিষ্য সম্পর্ক গড়তে অনেক সময় লাগে। আবার কিনা ধর্মগুরু। এসব রূপকথার গল্প 'মনা' ব্লগে গিয়ে করলেই ভালো হয় আকাশ সাহেব।







হানিফি দল এক সময় মক্কার প্রভাবশালী ‘পৌত্তলিক ধর্মে’র ওপর প্রকাশ্যে অনাস্থা ঘোষণা করে বসে। ফলে কোরায়েশ বংশের রোষে পড়ে তাদের অনেককেই দেশান্তরী হতে হয়। ওবায়দুল্লাহ বিন জাহ্স প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী খ্রিস্টানরাজ্য আবিসিনিয়ায় পালিয়ে যান এবং সেখানে খ্রিস্টান ধর্মমত গ্রহণ করেন; তাঁর স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে নবী মুহাম্মদ (দঃ) পরবর্তীতে বিয়ে করেন,




ইতিহাসবিদ (?? ??) আকাশ মালিক যে ইতিহাসের কিছুই জানেন না তা উপরের উদ্ধৃতি থেকে সহজে প্রমাণ করা যায়। 'হানিফি' আন্দোলনের যে কথা তিনি বলছেন তা ঘটে [যদি অবশ্যি ঘটেই থাকে] নবুয়তের অনেক আগে। আর আবিসিনিয়ায় প্রথম হিযরত ঘটে নবুয়তের ৬ষ্ঠ বছরে। এই ২ সময়ের মধ্যে নিদেনপক্ষে ১৫, ২০ বছরের ব্যবধান আছে বলে আমার হিসাব বলে। তাহলে কিভাবে ওবায়দুল্লাহ বিন জাহ্স, যিনি মুসলিম হিসেবে আবিসিনিয়ায় স্বস্ত্রীক হিযরত করেন [পরে অবশ্য খৃষ্টান হন] তিনি আবারো ১৫, ২০ বছর আগে আবিসিনিয়ায় হিযরত করেন? পরের ঘটনাকে উনি সুবিধাজনকভাবে মনে হয় ১৫, ২০ বছর আগে নিয়ে গেছেন, উনার 'হানিফি' তত্ত্ব প্রমাণের জন্যে।







এই দুই ব্যক্তিই ছিলেন পরবর্তীতে মুহাম্মদের (দঃ) নতুন ধর্ম ‘ইসলাম’ আবিষ্কারের প্রথম ও প্রধান সহায়ক।




২ ব্যাক্তি মানে (ওয়ারাকা আর জায়িদ বিন আমর)। কীভাবে সম্ভব বুঝিয়ে বলুন তো? আগেই দেখালাম ওয়ারাকার সাথে মুহাম্মাদ(সাঃ) এর নবুয়তের পরে কেবল ১ বার দেখা হবার প্রমাণ পাওয়া যায়। আর জায়িদ বিন আমরের সাথে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জীবনে কখনো দেখাই হুয়নি। দেখুন,



[Zayd retraced his steps toward Makkah. His intentions were to meet this expected prophet. He believed in him though he had not met him. But as Zayd traveled through Lakhm, on the southern border of Syria, he was attacked by a group of bandits and killed before he could set eyes on the Messenger of God (peace be upon him). It is said that his last words were: “O Lord, if You have prevented me from attaining this good, do not prevent my son from doing so.”



এই না দেখা কবি জ়ায়িদই তাহলে হলেন কোরানের ছান্দিক গুরু। আরেকটু শক্ত যুক্তি ঝাড়লে হয়না আকাশ ভাই? এমন হাস্যকর যুক্তি দিলে তো লোকে যুক্তিবাদী মুক্তমনা আর বলবেনা আপনাকে!!!











কিন্তু তিনি ‘নিরক্ষর’ ছিলেন, এ বিষয় নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে যথেষ্ট সন্দেহ আছে




আরেকটা মিথ্যাবাদ। দেখুন কোরান ৭-১৫৭:১৫৮; কোরানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে নবী উম্মী (নিরক্ষর) ছিলেন।









কারণ চাচা আবুতালিবের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রায়ই শ্যাম (বর্তমান সিরিয়া) সহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সাথী হতেন







এই তত্ত্ব প্রমাণ করা বেশ আয়াসসাধ্য। আবু তালেবের সাথে মুহাম্মাদ (সাঃ) যে বাণিজ্য কাফেলায় শাম দেশে যান তা অবশ্যই কিছু ইতিহাস বিবরণে এসেছে। কিন্তু এটা অকাট্য প্রমাণিত বিষয় না। আমি কাউন্টার প্রফ দেখাতে পারি যে, এমনটা ঘটেনি।







উসমান (রাঃ) মুহাম্মদের (দঃ) প্রথম কন্যা রোকেয়াকে ভালবাসতেন এবং মনে-মনে তাঁকে বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করতেন।




আবারো প্রমাণ ছাড়া বর্ণনা।







মুহাম্মদ (দঃ) তাঁর নতুন ধর্ম ‘ইসলাম’ ঘোষণার পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমেই চল্লিশ বছর বয়স্কা, দু'বার বিবাহিতা, বিপুল সম্পদের অধিকারিণী খাদিজাকে বিয়ে করেন।




তাই নাকি। উনি তাহলে প্রায় ১৫-২০ বছর আগে থেকেই ইসলাম প্রচারের প্ল্যান করে ফেলেছিলেন, তাই না? আর সে প্ল্যান অনুযায়ী খাদিজাকেও (রাঃ) বিয়ে করেন। মাগো কী দূর্ধর্ষ প্ল্যান!!! একেবারে বুলেটপ্রুফ!!! আর কতো হাসাবেন আকাশ সাহেব? যে মিথ্যা বলা হয়েছে লেখাটা 'মনা' ব্লগে রাখলেই ভালো হয় না? কেনো এখানে আনছেন?



আজ শেষ করছি। প্রতি লাইনেই উপকথা/রূপকথা/ঠাকুরমার-ঝুলির উপাখ্যানে ভরা। মিথ্যাচারের জবাব দিতে দিতে টায়ার্ড হয়ে গেলাম। এখন ঘুম পাচ্ছে। দেখি কাল আবার কিছু রূপকথা ধরিয়ে দেবার চষ্টা করবো। আর আকাশ সাহেব আমি যদি কিছু ভুল বলে থাকে তবে আপনার আপত্তি জানাতে পারেন।



--শাহবাজ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শাহবাজ নজরুল,



করেছেন কী? আমাকে আরো কয়টা পর্ব তো লিখতে দিন!!

(F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শাহবাজ নজরুল,

(F) অনেক লম্বা কমেন্ট। পোষ্ট আকারে দিতে পারবেন, আরেকটু কষ্ট করেন (F) (F) (F) (F) (W)

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফুয়াদ দীনহীন,

সহমত। (Y)

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমানে ইসলামে আপন চাচার ছেলের সংগে নিজের মেয়ে বিয়ে দেওয়া জায়েজ কিনা?




জায়েজ।



মূল প্রসঙ্গের দিকে লক্ষ্য করার অনুরোধ করছি।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপেক্ষায় রইলাম।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আকাশ সাহেব সাধারন মানুষের অজ্ঞতার সুযোগে শব্দের মারপ্যাঁচের মাধ্যমে বছরের পর বছর মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। সত্যের পূজারী (?) আকাশ সাহেব কি জবাবা দেন তার অপেক্ষায় রইলাম।

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এম সরোয়ার হোসেন,



যাই বলেন, আকাশ মালিক যে আমার ব্লগে পদধূলি দিচ্ছেন এটা কিন্তু কম কথা নয়! উনার জবাবের অপেক্ষাতেই আছি।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত ভাই,



সালাম। আপনি টু দ্যা পয়েন্ট লিখে আকাশ মালিকের ভন্ডামি ধরিয়ে দিয়েছেন। উনি মজবাসারের মতোই এখান ওখান থেকে কাট-পেষ্ট করে, শব্দার্থ পালটিয়ে, কোরানে/হাদীসে/ইতিহাসে নিজের উক্তি সুবিধামতো পুশ-ইন করিয়ে উনার মিথ্যাচার চালিয়ে যান। আকাশ মালিককে কাঠগড়াতে তোলার জন্যে ধন্যবাদ। আমার অবশ্য সন্দেহ হয়, আপনার এই ম্যাথডিক্যাল ডিডাকশন বোঝার ক্ষমতা উনার আদৌ আছে কিনা :-S । উনাকে কেন জানি সব-সময় চোথাবাজ ঐতিহাসিকই মনে হয়। যাইহোক, দেখি সব্জান্তা ঐতিহাসিক ( ) আকাশ মালিক জবাব দিতে আসেন কিনা।



--শাহবাজ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শাহবাজ নজরুল,



ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।

জবাবের অপেক্ষাতেই আছি।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

কিছু একটা বললে হতে না। একেবারে বাকরূদ্ধ কেন?

(F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইতিহাসবিদ (?? ??) আকাশ মালিক যে ইতিহাসের কিছুই জানেন না তা উপরের উদ্ধৃতি থেকে সহজে প্রমাণ করা যায়। 'হানিফি' আন্দোলনের যে কথা তিনি বলছেন তা ঘটে [যদি অবশ্যি ঘটেই থাকে] নবুয়তের অনেক আগে। আর আবিসিনিয়ায় প্রথম হিযরত ঘটে নবুয়তের ৬ষ্ঠ বছরে। এই ২ সময়ের মধ্যে নিদেনপক্ষে ১৫, ২০ বছরের ব্যবধান আছে বলে আমার হিসাব বলে। তাহলে কিভাবে ওবায়দুল্লাহ বিন জাহ্স, যিনি মুসলিম হিসেবে আবিসিনিয়ায় স্বস্ত্রীক হিযরত করেন [পরে অবশ্য খৃষ্টান হন] তিনি আবারো ১৫, ২০ বছর আগে আবিসিনিয়ায় হিযরত করেন? পরের ঘটনাকে উনি সুবিধাজনকভাবে মনে হয় ১৫, ২০ বছর আগে নিয়ে গেছেন, উনার 'হানিফি' তত্ত্ব প্রমাণের জন্যে।



এ তো দেখছি দিন-দুপুরে পুকুর চুরি! ইতিহাস বিকৃতকারী আকাশ মালিক ও তার মিথ্যাচারকে উন্মোচন করায় শাহাবাজ সাহেবকে ধন্যবাদ।

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিশ্লেষন ধর্মী সুন্দর পোষ্ট আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রিয়তে... >:D< >:D< >:D<

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
যে ব্যাক্তি নিজের সমালোচনা করতে পারে, সেই সর্বোত্তম
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আই কবির,



অনেক ধৈর্য নিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(F)

=============================

যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবদুল হালিম,



বুঝলাম না। সবাই এমন মুখবন্ধ কেন?? (F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত,



কি করবেন, মুখ বন্দ করার মত লেখা যে। Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare Stare

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা শুরুই করেছেন একটা জলজ্যান্ত মিথ্যা দিয়ে,







মুক্তমনারা আজকাল তাদের লেখাতে অহরহ আকাশ মালিকের “যে সত্য বলা হয়নি” বইটির রেফারেন্স দিয়ে থাকেন।




অহরহ কোথায়? সর্বোচ্চ কয়টা লেখা দেখাতে পারবেন যা ওই বইয়ের রেফারেন্স দিয়ে মুক্ত-মনারা লিখেছেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সৈকত চৌধুরী,



আপনার নিজের টি দেখুন

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সৈকত চৌধুরী,



আরো দেখেন ঃ

1



2





আরো চাইলে আরো পাবেন।

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফুয়াদ দীনহীন

আপনি তো দেখি হাটে হাঁড়ি ফুটা কইরা দিলেন :] :] :]


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই সুনদর পোস্ট। আমি মাঝে মাঝে এদের বুঝানোর জন্য চেষ্টা করতাম। পরে দেখি এরা আসলে সব কিছুই জানে। খালি মিথ্যার আশ্রয় নিয়া মানুষকে ধোকা দেবার চেষ্টা করে। এদের লাই দেয়াটাও সময়ের অপচয় বলে মনে হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অবুঝ ছেলে,



সামুতে দেখে ছিলাম একজন আহব্বান জানিয়েছেন, নাস্তিকদের সকল লেখা বয়কট করার।

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুন্দর লেখায় কি ধন্যবাদ দিতে হয় ? আকাশ দা কই ? উনাকে কেন দেখছি না ?

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সামুতে দেখে ছিলাম একজন আহব্বান জানিয়েছেন, নাস্তিকদের সকল লেখা বয়কট করার।

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অবুঝ ছেলে কে কমেন্ট দিতে গিয়ে নিচে পরে গেছে। দুঃখিত Sad

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আকাশ মালিক সম্পর্কে মুক্তমনার বক্তব্য ঃ







আকাশ মালিকের ‘যে সত্য বলা হয়নি’ গ্রন্থের পান্ডুলিপিটি পড়তে গিয়ে নিজের অজান্তেই একটা বড় ধাক্কা খেলাম। তিনি তার পুরো বইটিতে সাহসিকতার সাথে যে কথাগুলো উচ্চারণ করেছেন সেগুলো হয়ত আমার আপনার অনেকেরই মনের কথা। কিন্তু মনের কথা হলে কি হবে, সেই কথাগুলো সাহসিকতার সাথে উচ্চারণ করতে পারে ক’জন? তিনি ‘মানব জাতির বিবেক’ ফরাসী দার্শনিক ভলতেয়ারের যে উক্তিটি ব্যবহার করেছেন বোকার স্বর্গে – ‘পৃথিবীর প্রথম পুরোহিত বা মোল্লা ব্যক্তিটি হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম ধূর্ত বাটপার, যার মোলাকাত হয়েছিলো প্রথম নির্বোধ ব্যক্তিটির সাথে’। ধর্ম প্রতিষ্ঠা পাওয়ার প্রারম্ভ আর তা ছড়িয়ে পড়ার পেছনে এর চেয়ে নির্জলা সত্য আর কি হতে পারে! আমার প্রায়ই উচ্চস্বরে বলতে ইচ্ছে করে যত বড় ধর্ম প্রচারক, তত বড় ধর্ম -প্রতারক তিনি। ডেভিড কপারফিল্ডের জাদুর চেয়েও যেন মোহনীয় ছিলো তাদের প্রতারণার কৌশল। প্রতারণার ফাঁদ পেতে যুগের পর যুগ ধরে বিশ্বাসীদের হৃদয়ে গেড়ে আছেন একেকজন বিরিঞ্চিবাবা হয়ে - কেউ বা সেজেছেন ‘ঈশ্বরের পুত্র’, কেউবা ‘ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষ’, নবী, পয়গম্বর, কেউ বা সত্য সাঁই। মনে পড়ছে আঠারো শতকে এক ‘অজ্ঞাত লেখক’ এক গ্রন্থ লিখেছিলেন ‘তিন ভন্ড’ (The Three Imposters) নামে, যা পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তুলেছিলো। ‘তিন ভন্ড’ গ্রন্থে দাবী করা হয়েছিলো বিশ্ব তিনজন ভন্ডচূরামনি দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। আর সেই তিন ভন্ড হচ্ছেন মুসা, যীশু আর মুহম্মদ। কে যে বেশী বড় প্রতারক, কিংবা ভন্ডামীতে যে কে শ্রেষ্ঠ তা বলা অবশ্য কষ্টকর। ভন্ডামীতে কে বেশি সফলকাম, কিংবা কার স্থান উপরে তা নিশ্চয় বিচার সাপেক্ষ। আকাশ মালিকের তালিকায় অবশ্য ভন্ডচূড়াশিরোমনি হিসেবে এসেছে আরো একজনের নাম - হিন্দুদের ভগবান মনু। ভন্ডামীর প্রতিযোগিতা সত্যই জমজমাট। সায়মন কাওয়েল আর র‌্যান্ডি জ্যাকসনেরা এবার সত্যই বিপদে পড়বেন।







‘তিন ভন্ড’ গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে দুই জনকে সন্দেহ করা হয়ে থাকে। একজন সম্রাট দ্বিতীয় ফ্রেডারিক। অন্যজন মুসলিম দার্শনিক আবু রুশদ। সম্রাট ফ্রেডারিককে অভিহিত করা হয়ে থাকে ‘The first modern man’ হিসেবে, আর আবু রুশদকে বিশেষিত হয় ‘সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম দার্শনিক’ অভিধায়। আমার কেন যেন মনে হচ্ছে ‘যে সত্য বলা হয়নি’ গ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে যেন আকাশ মালিক বাংলাদেশের আবু রুশদ হতে চলেছেন। এ সত্যই অতিশয়োক্তি নয়। আমি নিঃসন্দেহ বাংলাভাষায় এ ধরণের বই আগে লেখা হয়নি। পুরো গ্রন্থটি তার পরিশ্রম, মেধা এবং অধ্যাবসায়ের এক উজ্জ্বল সাক্ষর। রসুনের মত খোলস ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে আকাশ মালিক যেন পাঠকদের সামনে তুলে এনেছেন শ্বেত শুভ্র সত্যের নির্যাস। তার পরিশ্রমলব্ধ গবেষণায় পাওয়া সত্যের নির্যাস দেখে অনেক পাঠকই চমকিত হবেন। আমিও হয়েছি। বার বার পড়েছি তার পুরোপান্ডুলিপিটি। চমক কাটতে চায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কবিগুরুর বাণীতে খুঁজে পেয়েছি উত্তর -







‘সত্য যে কঠিন, সে কঠিনেরে ভালবাসিলাম



সে কখনো করেনা বঞ্চনা।’







আমার ধারণা আকাশ মালিকের বইটি শেষ করে উঠবার পর অনেকেরই আমার মত বোধ তৈরি হবে, এ আমি হলফ করে বলতে পারি।







আকাশ মালিক মুক্তমনায় অনেকদিন ধরেই লিখছেন। তিনি তার বইটি বাংলাদেশে প্রকাশ করার আগে ই-বুক হিসবে মুক্তমনায় প্রকাশ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। তার বইটি ই-সংকলন হিসবে মুক্তমনায় রাখতে পেরে সত্যই আনন্দিত বোধ করছি।







অভিজিৎ রায়



প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, মুক্তমনা



মার্চ, ২০০৯




লিংকঃ http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=1322

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফুয়াদ দীনহীন,

কি করবেন? আভিজিৎ নিজেই একটা ভন্ড। তার ভন্ডামি সাদাত ভাই দেখিয়ে দিয়েছেন - আলকোরানের খুত ধরার খেলা - সিরিজে।



চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।

--

হতাশায় নিমজ্জিত মন
খুঁজে ফিরে আশার আলো ।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আকাশ-মালিকের লেখা এবং মন্তব্য পড়ে মনে হতো তিনি একজন বিরাট মাপের ইসলাম বিশেষজ্ঞ।এখন দেখা যাচ্ছে তিনি আসলে-ই ইসলাম বিশেষজ্ঞ (মানে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ)।উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে একটি বিশেষ ধর্ম এবং এ ধর্মের মানুষদের আঘাত করার জন্য ঐতিহাসিক তথ্যের বিকৃতি ঘটানোর অপরাধে জনাব আকাশ মালিককে তথ্য দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হোক এবং অভিযোগ অপ্রমাণ করতে না পারলে আমার ব্লগ কর্তৃপক্ষ তার লেখা নিষিদ্ধ করবেন কী না তা ভেবে দেখতে পারেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@প্রজন্মের পরিভ্রমণ,



অথচ দেখছেন ব্লগের বিখ্যাত যুক্তিবাদীরা কেন জানি চুপসে গেছেন! মজার ব্যাপার হচ্ছে 'যুক্তিবাদী'দের গুরু আকাশ মালিকের সন্মান বাঁচানো জন্য তার সাগরেদরা আকাশ মালিকের পোষ্টে কোমড় বেধে নেমেছেন!

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনারা যে ভাবে আকাশ মালিক ! আকাশ মালিক বলে চিৎকার করছেন কেন? আপনারা কি লালায়িত আকাশ মালিক এই পোস্টে জবাবে শেকওয়া দিয়ে এই পোষ্টকে ধন্য করবেন? আকাশ মালিক জবাব দিলে এই পোষ্ট স্বার্থক হবে?



এই আকাশ মালিক নিকদারী নিক নিয়েছেন যেমন ঝাকানাকা তেমনি বুদ্ধিতে আকাবাকা! আপনাদের মত সিরাতুল মুস্তাকিম উনার পথ নয়! উনার কাজ হল রুটিতে গুড় লাগান। উনার কাজ উনি ঠিক মত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। এখন আপনারা যতই আক্কাশ মালিক বলে আহ্বান করেন না কেন তিনি আর আসবেন না। উনার আসার কামও নাই।



আপনার কাজ আপনে করে যান। আকাশ মালিকে ডেকে ডেকে আক্কাশে তোলার কাজ নাই।



ধন্যবাদ।

============================================================================
সর্বস্তরে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক! জয় হোক সত্য, সুন্দরের!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মুনিম,



ধন্যবাদ। (F)

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আল কোরান এবং হাদিসের এই অংশগুলি আরবী থেকে ইংরেজীতে এবং পরে ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুদিত হয়েছে। এক্ষেত্রে শব্দার্থে কিছু হেরফের হতে পারে। তবে গুরুতর লংঘন গ্রহনযোগ্য নয়। ধর্ম নিয়ে যারা বেশী সমালোচনা করে, বুঝতে হবে তাদের কারোই উদ্দেশ্য সৎ নয়। এদের এভয়েড করাই আমার মনে হয় শ্রেয়ঃ। কেউ আপনার বা আমার ধর্ম, নবীকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করলেই সত্য মিথ্যা হয়ে যায়না। সবাই ধৈর্য ধরুন, সত্য চিরদিন সত্যই থাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সায়মন ভাই আপনি ঠিক বলেছেন। তবে যেহেতু আপনি ধর্ম নিয়ে কিছু জানেন তাই আপনার কাছে কেউ কিছু বললে তাতে আপনার বিশ্বাসের অদল বদল হবেনা।



তবে একবার ভাবুন সেই মুসলিম বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া সেই কিশোর বা যুবকটির কথা- যার বাবা মার ব্যস্ততার কারণে সে তাদের কাছ থেকে ধর্ম বিষয়ে তেমন জ্ঞান নিতে পারেন নাই।



সে যখন এই সব আপাত নিরীহ শব্দের কারুকার্যময় কথা গুলো পড়বে তখন সে নির্ঘাত ভুল পথে চলতে থাকবে।



কাজেই সাদাত সাহেব উনি উনার কাজ করে যাচ্ছেন। যদি কোন যুবক কক্ষ্যচুৎ হয়ে পড়ার সম্মুখিন হয়, হয়তবা সাদাত সাহেবের কাজ তা থেকে তাকে রক্ষা পেতে সহায়ক হবে।



যে সত্যটি এন্টি ইসলামীরা বলেন না। তাহল পৃথিবীর যে কোন ভাষার সাহিত্য অন্য কোন ভাষায় হুবহু অনুবাদ করা সম্ভব নয়। আর তা যদি কয়েক শতাব্দী পুরানো ভাষার হয়ে থাকে তা অনুবাদ করা আরো জটিল হয়ে পড়ে।



ধন্যবাদ।

============================================================================
সর্বস্তরে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক! জয় হোক সত্য, সুন্দরের!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মুনিম, আপনার সাথে একমত। এসব সাধারনত মুসলিম বিদ্বেষী কিছু মানুষ করে থাকে।

এর জন্য তারা বিরাট অংকের টাকাও পেয়ে থাকে। তাদের এইসব কথা এভয়েড করাই আমার কাছে সঠিক মনে হয়। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

post bhalo laglo


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাশার.জম,



ধন্যবাদ।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ চারবাক,



-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১.ইসলামের বিধান মতে লাল চিহ্নিত সম্পর্ক(প্রকৃত চাচা-ভাতিজী সম্পর্ক)এর মধ্যে বিবাহ অবৈধ।

২.সবুজ চিহ্নিত সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ বৈধ।



আপনার প্রদত্ত উদাহরণগুলো ২য় প্রকারের।

--------------------------------------------



নাস্তিকদের জন্য তো সমকামিতা, এমনকি আপন মাতা, ভগ্নি, কন্যার সাথেও সম্পর্ক স্থাপনের বিবর্তনবাদি লাইসেন্স আছে। সেখানে আপনার নাক সিটকানির কোন কারণ বুঝলাম না। আপনি কি তবে অন্য কোন ধর্মাবলম্বি? হলে জানায়েন।



অন্য ধর্মের ব্যাপারে অবশ্য আমার কোন এলার্জি নাই, কিন্তু তারা যদি আমার ধর্মকে কটাক্ষ করে তবে সেখানে কোন ছাড় নেই।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত,



[২২ নম্বর কমেন্টের ছবিটা মুছে যাওয়ায় এখানে আবার দিলাম]

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত,







[২২ নম্বর কমেন্টের ছবিটা মুছে যাওয়ায় এখানে আবার দিলাম]

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার এই পোস্টের মূল লক্ষ্য আয়েশা(রা.)এর বিয়ের বয়স বা বাল্যবিবাহ নিয়ে আলোচনা নয়,








বুঝলাম আকাশ মালিক ভুল রেফারেন্স দিয়েছে, তাতে কি ৯ বছরের বাচ্চার সাথে ইয়ে করা খুব ভাল কাজ হইছে?? আর নিজের পোষ্যপুত্রের বউ এর সাথে ইয়ে টা???????? >:) >:) >:) >:)

======================
ন্যায় বিচারের নামে যারা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে সাপোর্ট করে তাদের গালে আমি মুতি।
======================


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বিলাই,



ভিন্ন প্রসঙ্গের অবতারণার দ্বারাই বুঝা যাচ্ছে, 'আকাশ মালিক'র অসততার ব্যাপারটা মেনে নিচ্ছেন। সেটাই যথেষ্ট। আর হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেয়ে খুব একটা লাভ হবে না, আপনাদের এই সকল অভিযোগের জবাব আসবে, ভিন্ন পোস্টে।



to the point আলোচনার কথা বলা পরও কাপুরুষের মত যে ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে আনে, সে আসলেই বিলাই!!

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত, হুম। পোষ্ট আসবে? তা কবে ভাইজান? :] :] :] :] ৯ বছরের বাচ্চারে বিয়ে করার যুক্তি নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ হবে। :] :] :] :] :] :]



আর বিড়াল কাপুরুষ??? ঠিক ঠিক, আর ছাগু খুব ব্রেভ পশু। থুত্নিতে দাড়ি (হুজুরদের মত ) আর ছোট লেজের কারনে দেখতে দারুন ব্রেভ লাগে।

======================
ন্যায় বিচারের নামে যারা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে সাপোর্ট করে তাদের গালে আমি মুতি।
======================


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বিলাই ওরফে মিয়াও মিয়াও,
to the point আলোচনার কথা বলা পরও কাপুরুষের মত যে ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে আনে, সে আসলেই বিলাই!!
আর এই্ কথাটুকু যে বুঝে না, সে আসলেই ছাগু।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সাদাত



আপনার কাজ দেখে মুগ্ধ হচ্ছি। তাই দু/একটি ইজমালিভাবে বলতে যাচ্ছি, যা শুধু সাব্জেক্ট ও ডিস্কৌরস ভিত্তিক হবে। ঐতিহাসিক উপন্যাস ও ইতিহাসের মধ্যে মধ্যে যেমন পার্থক্য থাকে, তেমনি একাডেমিক বক্তব্য ও বিদ্বেষ মিশ্রিত বক্তব্যে থাকে। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে the narrative subject তার আপন বক্তব্যে আহত হয়ে পড়ে। It bits back none other than the subject itself. তাছাড়া কোন ধর্মকে আক্রমন করে তার অনুসারীদেরকে অন্য পথে চালানো যায় না। বরং আক্রমন দেখলেই অবচেতন মন সহসাই সচেতন হয়ে উঠে। এ ক্ষেত্রে কাউকে তার আপন ধর্মের উপর পন্ডিত হওয়ার দরকার হয় না। ইসলাম, খৃষ্টীয়ানিটি, ইয়াহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও এমন আরও অনেক ধর্ম আছে যে এগুলিকে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। এই ধর্মগুলির দীর্ঘ সূত্রিতা ও তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক আবেদন অনেক গভীরে। মূলত মানব জাতি যাদের সন্মান দিয়েছে বা সন্মানের চোখে দেখেছে, তাদের চরিত্রকে যে’ই হনন করতে যাবে বা তাদের মানবতাকে কেঁড়ে নিতে চাইবে, সেই বরং নিজের তার আপন মানবতাকে ম্লান করবে –ওরা যেখানে ছিল সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে। এটা এক অমোঘ সত্য। বিদ্বেষ, রাগ, ত্রুধ, হীনমণ্যতা নিয়ে কোনো বিদ্যা গড়ে উঠে না, আপত দৃষ্টে দেখা কোনো দুশমনকেও study করতে সংযত ভাষা, objectivity ও নিজ study-এর প্রতি দরদ থাকার প্রয়োজন হয়।



শেষ কথা, উল্লেখিত ধর্মগুলি একাবিংশ শতাব্দিতে এসে তাদের হালে যেন আরও পানি পাচ্ছে –এটাই বর্তমানের বাস্তবতা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এম_আহমদ,



কোন ধর্মকে আক্রমন করে তার অনুসারীদেরকে অন্য পথে চালানো যায় না। বরং আক্রমন দেখলেই অবচেতন মন সহসাই সচেতন হয়ে উঠে। এ ক্ষেত্রে কাউকে তার আপন ধর্মের উপর পন্ডিত হওয়ার দরকার হয় না। ইসলাম, খৃষ্টীয়ানিটি, ইয়াহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও এমন আরও অনেক ধর্ম আছে যে এগুলিকে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেয়া যাবে না।




(Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)

============================================================================
সর্বস্তরে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক! জয় হোক সত্য, সুন্দরের!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এম_আহমদ,



ধন্যবাদ।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসঙ্গের বাইরের যে কোন কমেন্ট মুছে দেওয়া হতে পারে।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত, প্রাসংগিক কমেন্ট মুছলি কেন? ট্রুথ হার্ট???????????

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক,

৩ নম্বর কমেন্ট থেকে আপনি অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের আলোচনা শুরু করেছেন,



আপনাকে ৩.১ কমেন্টে অনুরোধ করেছি:

তবে,মূল প্রসঙ্গের দিকে লক্ষ্য করার অনুরোধ করছি।




২২ নম্বর কমেন্টে আপনার অভিযোগের উত্তর দিয়েছি।



তারপর ও আপনি একই বিষয় নিয়ে ঘৃণামূলক কমেন্ট করছেন। কাজেই আপনার কমেন্ট মুছতে বাধ্য হয়েছি।



আপনি আপনি/তুমি/তুই এর পার্থক্য তো বেশ ভালোই বুঝেন।

প্রাসঙ্গিকতা/অপ্রাসঙ্গিতার পার্থক্যটাও বুঝতে চেষ্টা করুন।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত



সাদাত নভেম্বর ২৪, ২০১০ @ ৪:৩৯ অপরাহ্ন ৩.১

@চারবাক,





বর্তমানে ইসলামে আপন চাচার ছেলের সংগে নিজের মেয়ে বিয়ে দেওয়া জায়েজ কিনা?





>>জায়েজ।





যে ধর্ম চাচা ভাতিজীর বিয়ে জায়েজ বলে, সে আসে অন্যকে নৈতিকতা শেখাতে...।ফোট.।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক,
অভদ্র!

ওপরে বিষয়টা বুঝাবার পরও একই কোশ্চেন আর অভদ্রতার বেশ ভালো উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরো লেখা আর কমেন্টগুলো পড়লাম। ধন্যবাদ, সাদাত। মুক্তমনা নামের ভন্ডগুলো মুখোশ খুলে দেবার জন্যে আবারো ধন্যবাদ।



অবাক হলপাম আকাশ মালিক ওরফে সৈয়দ হাবিবুর রহমান কেন এখানে আসলেন না?



আরেকটা কথা - চারবাক নামক কম বুদ্ধির লোকটা যে এতো আনসিভিল ভাবতেও কষ্ট হয়।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত সাহেবের লেখা থেকে এক ছদ্ম-নামধারী বিশিষ্ট মুক্তমনার প্রতারণামূলক একটি দিক সম্পর্কে ইতোমধ্যে পাঠকরা জানতে পেরেছেন। তবে ছেলের বয়সী ধর্মগুরু থেকে শিক্ষা নেয়া তার অন্ধকার ও ভয়াবহ দিক সম্পর্কে জানতে হলে এই লিঙ্ক ঘুরে আসা অতি আবশ্যক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আকাশ মালিকের 'যে সত্য হয়নি বলা' বইটি পড়েছি এবং আমার কাছে যথেষ্ঠ ভাল লেগেছে তার লেখার স্টাইল। কিন্তু আসলাম ধর্মের প্রতি অবিশ্বাস আনার জন্য আমি শুধু তার লেখা যেগুলো তিনি গল্পের মত লিখে গেছেন, সেগুলোকে আকড়িয়ে ধরে রেফারেন্স হিসেবে মনে প্রাণে ধারণ করিনি, বরং সেই তথ্য গুলিই গ্রহণ করেছি যেগুলো তিনি রেফারেন্স দিয়েছেন। এই খানে লেখক (আকাশ মালিক নয়, যিনি এই প্রবন্ধের লেখক) তিনি বলেছেন যেম আকাশ মালিক ১০ টি ঘটনা লিখে মাত্র ৩ টির রেফারেন্স দিয়েছেন, হতে পারে এবং আমি যখন পড়েছি বইটা, আমি শুধু রেফারেন্স দেওয়া ৩ টি তথ্যই গ্রহণ করেছি এবং সেই গ্রহণ করা তথ্যগুলোই আমাকে আক্কেল গুড়ুম করে দিয়েছে যে, আমাদের নবী যাকে আমরা জানতাম ফেরেশতার মত, তিনি এত খারাপ ছিলেন তা আমাদের কে জানানোই হয়নি। এরপর আমি রেফারেন্স গুলো সোর্সের সাথে মিলিয়ে দেখেছি যে রেফারেন্স গুলো সত্যি। এরপর মুক্তমণায় কোন এক জায়গায় দেখতে পেলাম যে, আকাশ মালিকের বইটি নাকি কাঠ গড়ায়। সেখান থেকে লিংকে ক্লিক করে এখানে আসলাম এবং দেখলাম যে, আপনারা যারা তার ভুল ধরছেন, সেই ভুল গুলি নিতান্তই অগুরুত্বপূর্ণ ভুল গুলো। যেমন, আমর এর নাম তিনি উমর বলেছেন, ভাতিজার বিয়ের মাসালা দিয়েছেন কি দেন নাই ইত্যাদি। আমি যখন আকাশ মালিকের বইটি পড়ি, এসব বিষয় মূলত থরোলি পড়িইনি, কারণ এগুলো এমন কোন বিষয় না যা পড়ে কারও ঈমান নিয়ে টানাটানি লাগবে। আমি যে বিষয় গুলো পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেছি তা হচ্ছে সেই সব হাদীস গুলো যেখানে দেখতে পাই আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য। আজকে লেখক আপনি কোন খাজা বাবা স্বপ্নে পাওয়া তথ্য আমাকে বললে আমি বিশ্বাস না করলে কি আমার গলা কাটার অধিকার আপনি রাখেন ? সেই স্বঘোষিত মহামানব কে এই অধিকার কে দিল ? আল্লাহ যদি দিয়ে থাকেন, তাহলে তার প্রমান কি ? তারই মুখ নি:সৃত বাণী ? আশাকরি সারকুলার লজিক দিয়ে ব্যাপারটা ব্যখা করবেন না।

আমার আকাশ মালিকের লেখা ভাল লাগতে পারে কিন্তু সেটা আমার ব্যক্তিগত ভাল লাগা, সেটাকে আমি আপনাদের সামনে রেফারেন্স হিসেবে তুলে ধরছি না, কারণ নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ কোন সাহিত্যের অংশ নয়, তাই তার সাহিত্যিক লেখা গুলো আমি রেফারেন্স হিসেবে ইগনোর করছি, কিন্তু তার বই থেকেই জানতে পারলাম অনেক গুলো সহীহ হাদীস আর কোরআনের আয়াত যা কিনা আমাদের কে হুজুররা কোন দিনও বলেন নাই। কেন বলেন নাই ? যেমন,

১। নবী বাণু কুরায়জা গোত্রের ৬০০-৮০০ জন ইহুদী কে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে তাদের স্ত্রী এবং সন্তানদের দাস/দাসী বানালেন, এবং স্ত্রীদের কে ধর্ষন করার অনুমতি দিলেন ? এ কথা টা আমি আকাশ মালিকের বই থেকে জানতে পেরেছি। আপনারা বলুন একথাটা কি মিথ্যা ?

যদি বলেন যে, মিথ্যা, তাহলে, অবশ্যই আমি বিরোধীতা না করে আরো পড়াশুনা করে খুজে বের করার চেষ্টা করব যে কার কথা সত্য। আর যদি বলেন যে, না, তথ্যটি সত্য তবে নবীর আর কোন উপায় ছিল না, ইত্যাদি ইত্যাদি।।। তাহলে সেটাত ধার্মিকদের বিশ্বাসের সমস্যা। যিনি কিনা নবী, যার সাথে ৭ আসমানের ফেরেশতা দেখা করেন, আল্লাহ কথা বলেন,।।। তিনি ত ফেরেশতাদের ডেকে এনে অবাধ্য ইহুদিদের ভয় দেখালেই তারা সোজা হয়ে যেত, তাকে কেন ৬০০-৮০০ পুরুষ জবাই করে খুন করা লাগল ? তিনি যদি আল্লাহ র কাছে ফরিয়াদ জানাতেন যে, "আল্লাহ, মানুষ কে আমি ভালবাসি, তাদের কে হত্যা করার মত খারাপ কাজ আমাকে করতে তুমি বাধ্য কোর না" তাহলে কি আল্লাহ শুনতেন না তার কথা ? আমরা ত জানি তিনি যে কোন কিছু ইচ্ছা করলেই জীবরাইল আয়াত নিয়ে হাজির হতেন, যেমন তিনি যখন পুত্র বধু জয়নব কে বিয়ে করতে চাইলেন, আল্লাহ সাথে সাথে আয়াত পাঠিয়ে দিলেন, তা দেখে বিবি আয়েশা পর্যন্ত বললেন যে, "আল্লাহ দেখি আপনাকে খুশী করতে দেরি করেন না"/।। ত নবী জি কি শুধূ বিয়ে করতে পারলেই খুশী হতেন ? এতগুলো মানুষ কে হত্যা না করতে পারলে কি তিনি মোটেই খুশী হতেন না ? আর স্ত্রী সন্তান দের যৌন দাস/দাসী বানাতে নির্দেশ একজন সৃষ্টি কর্তা কিভাবে দিয়ে থাকেন ? এটাতে কি সন্দেহ হয় না যে, তিনি আসলে নবী নন, নিজের মুখের কথা বানিয়ে রাজনীতি খেলেছেন ?

বিবি আয়েশা র হাদীসের রেফারেন্স টি আমি আকাশ মালিকের বই থেকে পেয়েছি। হ্যা, এই রেফারেন্স টি যদি মিথ্যা হয়, তাহলে আমি মেনে নিব যে, আকাশ মালিক মিথ্যাবাদী এবং তার প্রতি আমার সম্মান চলে যাবে।

Narrated Hisham's father: Khaula bint Hakim was one of those ladies who presented themselves to
the Prophet for marriage. 'Aisha said, “Doesn't a lady feel ashamed for presenting herself to a
man?" But when the Verse: "(O Muhammad) You may postpone (the turn of) any of them (your
wives) that you please,” (33:51) was revealed, 'Aisha said, 'O Allah's Apostle! I do not see, but,
that your Lord hurries in pleasing you. (দ্রষ্টব্য : বোখারী শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ৪৮)

২। এরপর যে হাদীস টি আমি তার বই থেকে রেফারেন্স হিসেবে গ্রহণ করেছি, তা হল,

মার্চ মাসে বদরের যুদ্ধে (৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে) আবু মুয়াত বন্দী হন। এই কবির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মক্কায় থাকাকালীন তিনি নাকি মুহম্মদকে উদ্দ্যেশে করে 'উত্তেজক' কবিতা রচনা করেছিলেন। নবীর জিবনীকার ইবন ইসহাক জানিয়েছেনম নবী মুহম্মদ যখন কবি আবু মুয়াতকে হত্যা করতে আদেশ দেন, তখন কবি নবীর কাছে কান্নামিশ্রিত কণ্ঠে জানতে চান, আমি মারা গেলে আমার সন্তানদের কে দেখাশোনা করবে ? নবী উত্তর দিলেন, 'দোজখ!'.। সঙ্গে সঙ্গে নবীর এক অনুসারী তরবারি দিয়ে উকবা বিন আবু মুয়াতের ধড় থেকে মস্তক বিচ্ছিন্ন করে দেয়। (দ্রষ্টব্য: মুসলিম শরিফ, চ্যাপ্টার ৩৮, বুক নম্বর ১৯, নম্বর ৮৮২১, ৪৪২২ এবং Muhammad b. Yasr Ibn Ishaq, Sirat Rasul Allah, page 308) নবীজি এই পরিষ্কার ঠান্ডা মাথায় হত্যাযজ্ঞ যথারীতি 'আল্লাহর দোহাই দিয়ে ঐশী নির্দেশ হিসেবে চালিয়ে দিলেন:
-- "নবীর পক্ষে উচিত নয় বন্দীদিগকে নিজের কাছে রাখা, যতক্ষণ না দেশময় প্রচুর রক্তপাত ঘটাবে। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর, অথচ আল্লাহ চান আছেরাত।..." (সূরা আনফাল, ৬৭)

-- এই অংশ টি পড়েই আমি ভাবতে পারছিলাম না, একজন মানুষ কত টা হিংস্র আর নিশৃংস হলে এমন কাজ করতে পারে। আপনাকে নিয়ে কেউ উত্তেজক কবিতা লিখলে আপনি এমন কাজ টি করবেন ?

৩। বইয়ের আরেকটি অংশ

"হযরত জাবির বিন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত: আল্লাহর রাসূল বললেন, কে পারবে কাব বিন আল আশরাফকে হত্যা করতে যে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের মনে আঘাত দিয়েছে ? মুহম্মদ বিন-মাছলামা বললেন, - হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি কি তাকে হত্যা করতে পারি ? রাসূল বললেন, হ্যা অনুমতি দেওয়া হল। মুহম্মদ বিন-মাছলামা বললেন, তাকে খুন করতে যদি মিথ্যা বলা ও প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়, আমি কি কা করতে পারব ? রাসূল বললেন, হ্যা তুমি তা করতে পার। ...... এরপর ঘটে প্রতারণার গল্প যা এখানে স্বল্প পরিসরে উল্লেখ করছি না.... সব শেষে মুহম্মদ বিন মাছলামা, কাব বিন আল আশরাফের মস্তক কেটে নবীর পায়ের কাছে নিয়ে রাখলেন।

-- এখন আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, এ ঘটনা টি কি আকাশ মালিক বানিয়ে বানিয়ে লিখেছেন ? আমি সত্যের সন্ধানি, আমি কারও অন্ধ সাপোর্টার নই। আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যেম এই ঘটনা ভুল, তাহলে আপনার কথা মেনে নিব। অবশ্যই আশা করি আবেগ সুলভ অথবা সার্কুলার লজিক দেবেন না যেমন, "কোরআনে আছে।। নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত।।। " তাই তিনি মহান। যদি ঘটনা সত্যি হয়, তবে যেভাবেই ব্যাখা করেন না কেন, একজন নবী যে নিজেকে সুপার ম্যান দাবী করে, তার একজন মানুষের গলা কাটা কোন মতেই গ্রহণযোগ্য নয়, তাও আবার শুধু তাকে ব্যঙ্গ করার জন্য। !!! আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে পারি না যে একজন নবীর পক্ষে এ সব করা সম্ভব ! অবশ্যই এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে তিনি স্বঘোষিত একজন ভন্ড রাজনীতিবিদ (যদি আকাশ মালিকের বই থেকে পাওয়া এ ঘটনা টি সত্য হয়ে থাকে)

৪। আরেকটি অংশ:

একজন ইহুদি রমণী প্রায়ই আল্লাহর রসুল মুহাম্মদকে (দঃ) ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতো। একজন লোক ঐ মহিলার গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে টানতে থাকেন যতক্ষণ না তার মৃত্যু হয়। নবীজি ঘোষণা দিলেন, “ঐ মহিলার জীবনের কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়া যাবে না।” (দ্রষ্টব্য : আবু দাউদ শরিফ, বুক ৩৮, নম্বর ৪৩৪৯)।

এখানে আকাশ মালিক ত হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছেন। ত এখন প্রশ্ন হবে রেফারেন্স টি ভুল কিনা ? যদি বলেন রেফারেন্স ভুল, তাহলে আমি আকাশ মালিক কে ঘৃণা করব এই জন্য যে তিনি একটি চরম খারাপ কাজ করেছেন আমার বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে।আর যদি আপনি বলেন, রেফারেন্স ঠিক আছে কিন্তু এই কাজটি নবী মহান কাজ করেছেন, তাহলে, তর্ক না বাড়িয়ে বলব, আপনাদের সবার জন্য শুভ কামনা।

আর হ্যা, আমি আকাশ মালিকের কাছে কৃতজ্ঞ এই জন্য যে, তিনি ১০ টা ঘটনা বললেও ৩ টির যে রেফারেন্স দিয়েছেন, সেই ৩ টি রেফারেন্স ই আমার চোখ খুলে দিয়েছে। এখন তিনি উমর এর নাম আমর বলেছেন কিনা, নাকি আমর এর নাম উমর বলেছেন, এসব নিয়ে যারা তাকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে আনন্দ পাচ্ছেন, তাদের কে আমার ইর্ষা হয়, আমিও যদি আপনাদের মত আনন্দে শরীক হতে পারতাম !! Sad


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অতিথি১২৩,
পোস্টের শুরুটা পড়েন নাই মনে হয়:

[আমি to the point আলোচনা পছন্দ করি। এক পোস্টে একাধিক বিষয় নিয়ে বির্তক করা আমার স্বাভাবিক নীতি-বিরূদ্ধ । আমার এই পোস্টের মূল লক্ষ্য আয়েশা(রা.)এর বিয়ের বয়স বা বাল্যবিবাহ নিয়ে আলোচনা নয়, বরং আকাশ মালিক তথা মুক্তমনারা তথ্য পরিবেশনে কতটুকু সততা বজায় রাখেন সেটা যাচাই করা।]


আকাশ মালিকের হয়ে সাফাই গাইলেন, কিন্তু পোস্টের পয়েন্ট নিয়ে নিশ্চুপ। আপনারা ভালো পারেন একটা কাজ, এক আলোচনায় হেরে গেলে অন্য ১০টা আলোচনা শুরু করা। ৪টা পোস্টে আকাশ মালিকের যে অসততাগুলো দেখিয়েছি আকাশ মালিক নিজে এখনো সেগুলোর কোন জবাব দিতে পারে নাই। ভিন্ন প্রসঙ্গের আমদানি তারাই করে যারা মূল আলোচনার প্রসঙ্গ বুঝে না বা মূল প্রসঙ্গে নিজের পরাজয় বুঝে কিন্তু স্বীকার করতে চায় না।

ভয় পাইয়েন না, আপনাদের আপত্তি তো মোটে কয়টা, হাতে গোনা যায়; সেগুলো নিয়ে লেখা আসবে। সেই লেখা আসার আগ পর্যন্ত লম্ফ ঝম্প যা করার করে নেন। কিন্তু এই পোস্টে আমি কিছুতেই প্রসঙ্গ থেকে সরবো না। এই আশা করে থাকলে তাতে গুড়ে বালি!

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এরা সবজায়গাতেই গরু রচনা লিখতে চায়!

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পরিসংখ্যান

ব্লগারঃ অতিথি ১২৩
ব্লগ লিখেছেনঃ ০টি
মন্তব্য পেয়েছেনঃ ০টি
অন্যের ব্লগে মন্তব্য করেছেনঃ ১টি
নিজের ব্লগে মন্তব্য করেছেনঃ ০টি
সদস্য হয়েছেনঃ ৬ দিন ৬ ঘণ্টা আগে

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক : যে সত্য বলা হয়নি-১ ~ সাদাত

আরো দেখুন

@ সাদাত: অপ্রাসঙ্গিক স্ক্রিনশট দেয়ার জন্য দুঃখিত। কিন্তু লোভ সামলাতে পারলাম না। আমার পক্ষ থেকে আর কোনো অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট আসবে না। আপনার কমেন্ট এবং প্রাসঙ্গিক থাকার স্ট্যান্ড পয়েন্টকে সাধুবাদ জানাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত,
আপনাকে ধন্যবাদ আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

আমি আকাশ মালিকের সাফাই গাওয়ার জন্য মন্তব্যটি করিনি, আমি বরং এটা বলতে চেয়েছি যে, আকাশ মালিকের বইয়ের মাধ্যমেই অনক ইতিহাস আমি জানতে পারি যা আমাদের কে কোন আলেম বা হুজুর কোনদিনও বলেন নি। যেমন, ইসলামের শান্তিপূর্ণ বাণী গুলো ছিল মাক্কী সূরা যখন কিনা নবী দুর্বল ছিল, আর যখন তিনি শক্তি অর্জন করলেন তখন তিনি কাফের হত্যার হিংস্র রকম আয়াত গুলোর অবতারনা করলেন যার সত্যতা কোরআনের শানে নুযুল গুলো থেকেই যানা যায়। এরপর তিনি যে এত মানুষ হত্যা করতেন সেগুলোও আমি জানতে পারি তার বইয়ে দেওয়া রেফারেন্স গুলো থেকে, আমি মূলত সেটাই বলতে চেয়েছিলাম।

ভিন্ন প্রসঙ্গের আমদানি তারাই করে যারা মূল আলোচনার প্রসঙ্গ বুঝে না বা মূল প্রসঙ্গে নিজের পরাজয় বুঝে কিন্তু স্বীকার করতে চায় না।



দেখুন আমি ইতিহাসবিদ নই। তাই আকাশ মালিক যদি কোন ইতিহাসের সন তারিখ ভুল লিখে থাকেন যেটা আপনি বের করতে পেরেছেন, হতেই পারে আপনি সঠিক, এ ব্যাপারে ত হার জিতের কিছু নাই। আমি কারও অন্ধ সাপোর্টার নই। আপনার লেখায় যুক্তি থাকলে এবং সত্য মনে হলে অবশ্যই আপনার লেখা আমি গ্রহণ করব, এটাতে আমার কোন ইগো বা লজ্জার কিছু নাই।

আমি মানছি যে আপনি যেসব পয়েন্টের কথা বলেছেন সেসব পয়েন্ট নিয়ে আমি কিছুই বলিনি, সে হিসেবে যদি প্রমান হয় আপনার ধরা আকাশ মালিকের ভুল গুলো সত্যি, হতেই পারে সত্যি, এটা আমি ভাবছি না যে আপনি মিথ্যা কথা বলছেন। আমি শুধু যে কয়েকটা হাদীসের রেফারেন্স আমার আগের মন্তব্যে উল্লেখ করেছি যেগুলো নিয়েই কনসার্ন ছিলাম এবং সেগুলোকেই মূলত আমি মনে করেছি যে আকাশ মালিকের বইটির গুরুত্ব এবং এসব রেফারেন্স গুলো পড়েই আমার ইসলাম ধর্মের প্রতি বিশ্বাস টলমল হয়েছে, ভাতিজি বিয়ে বা নবীর একাধিক বিয়ে নিয়ে আগেও কখনও মাথা ঘামাইনি, আমি শুধু সেটাই বলতে চেয়েছিলাম। নবীর বহু বিবাহের ব্যাপারটি আমরা ছোট বেলা থেকেই শুনতাম, হুজুর রা বলতেন যে এর অনেক ভ্যালিড কারণ ছিল,,,,,, ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,, এসব কারণ গুলোকে জাস্টিফাই করাও অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল, তাই বিবাহ সংক্রান্ত কোন তথ্য নবীর সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে তা আমার কখনই মনে হয় নি, আজকেও মনে হচ্ছে না ভাতিজী কে বিয়ে করার মাসআলা নিয়ে আলোচনা দেখে। কিন্তু যখন গনীমতের মাল ২০% নবী পাবে এই ব্যপারে আয়াত দেখি, (যা আকাশ মালিকের বই পড়ার আগে জানতাম না) তখন জয়নব কে বিয়ের ব্যপারে আয়াত নাজিল হতে দেখেও সন্দেহ আসা স্বাভাবিক। আকাশ মালিকের বই থেকে এসব সন্দেহ গুলোই গাঢ় হয়েছে যে নবী মুহম্মদ আসলে নবী ছিলেন কিনা।

আমি তর্কে জিতার জন্য গরু রচনা লিখতে বসিনি, তর্কে জিতে আমার কী লাভটা হবে, বরং আলোচনার মাধ্যমে সত্যটা বেড়িয়ে আসলে সবারই লাভ।

যাই হোক, যেহেতু আপনার মূল আলোচনা ঐ তিনটা হাদীস রেফারেন্স নয়, বরং ভাতিজী বিয়ে, মৃত্যুর তারিখ ইত্যাদি বা অন্যান্য ব্যপার, ঠিক আছে, আমি আর আলোচনায় অংশ গ্রহণ না হয় নাই বা করলাম। তবে আপনি যদি ঐ কাফের / সমালোচনা কারী কবি হত্যা (মিথ্যা বলার পারমিশন।। ইত্যাদি) এসব নিয়ে আকাশ মালিকের রেফারেনস্ গুলো ভুল প্রমান করে নতুন কোন পোষ্ট দিন, তাহলে আমি আগ্রহ নিয়ে সেগুলো অবশ্যই পড়ব এবং সুযোগ পেলে আকাশ মালিকের কাছে জবাব প্রত্যাশা করব।

ধন্যবাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিষ্যকে চোরা পথে ডিফেন্ড না করে আপনে আপনার ধর্ম নিয়েই থাকেন। বুকে মনুসংহিতা ধারণ করে ইসলাম নিয়ে বেশী চিন্তা করলে মাথা আউলাইয়া যাবে, রাতে ঘুম হবে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতিথি১২৩

আর হ্যা, আমি আকাশ মালিকের কাছে কৃতজ্ঞ এই জন্য যে, তিনি ১০ টা ঘটনা বললেও ৩ টির যে রেফারেন্স দিয়েছেন, সেই ৩ টি রেফারেন্স ই আমার চোখ খুলে দিয়েছে। এখন তিনি উমর এর নাম আমর বলেছেন কিনা, নাকি আমর এর নাম উমর বলেছেন, এসব নিয়ে যারা তাকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে আনন্দ পাচ্ছেন, তাদের কে আমার ইর্ষা হয়, আমিও যদি আপনাদের মত আনন্দে শরীক হতে পারতাম !!


মনের অন্ধত্ব খুব খারাপ জিনিস। সাদাত এখানে আমর/উমর নিয়ে কথা বলেছেন? তার একটা পর্বেও কি আমর/উমর-এ সমস্যা নিয়ে কথা বলা হয়েছে?

আসলেই যদি আপনি আলোচনা চান, তাহলে অনুগ্রহ করে একটু বলেন যে এইটা আলোচনার ঠিক কোন ধরণের মানসিকতা? সাদাতের চারটা পর্ব আছে তার মধ্যে কোন পর্বের বিষয় ছিলো আমর/উমর সমস্যা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এরা সবজায়গাতেই গরু রচনা লিখতে চায়!

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
যে ব্যাক্তি নিজের সমালোচনা করতে পারে, সেই সর্বোত্তম
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সাদাত, পোস্ট বহির্ভুত কথা বলার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
___________________________________________

@অতিথি ১২৩

১.

আমি যে বিষয় গুলো পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেছি তা হচ্ছে সেই সব হাদীস গুলো যেখানে দেখতে পাই আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য।


নবী কিংবা সাহাবিদের দ্বারা যত বর্ণনায় হত্যা সঙ্ক্রান্ত কথাবার্তা পাওয়া যায়, আমাকে একটু বলেন যে তার কোনো একটাতেও কি এইরকম কোনো কথা আছে যে "জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য" তাদেরকে মারা হচ্ছে?
আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি অতিথি ১২৩ যে আপনি এরকম একটা উদাহরণও দেখাতে পারবেন না। অর্থাৎ, আপনি আপনার বক্তব্য শুরুই করেছেন একটা নোংরা মিথ্যা কথা দিয়ে।

জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য একটা মানুষকেও হত্যা করা হয় নি। নিজের এই মিথ্যা কথা কি আপনি স্বীকার করতে প্রস্তুত?

২.
আমার আকাশ মালিকের লেখা ভাল লাগতে পারে কিন্তু সেটা আমার ব্যক্তিগত ভাল লাগা, সেটাকে আমি আপনাদের সামনে রেফারেন্স হিসেবে তুলে ধরছি না, কারণ নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ কোন সাহিত্যের অংশ নয়, তাই তার সাহিত্যিক লেখা গুলো আমি রেফারেন্স হিসেবে ইগনোর করছি, কিন্তু তার বই থেকেই জানতে পারলাম অনেক গুলো সহীহ হাদীস আর কোরআনের আয়াত যা কিনা আমাদের কে হুজুররা কোন দিনও বলেন নাই। কেন বলেন নাই ? যেমন,....


আপনার এই বক্তব্যটাও একটা মিথ্যা কথা।
আকাশ মালিক অনেকগুলো কথাই রেফারেন্স এনেছেন মাওলানা মওদূদীর বই থেকে (শুদ্ধভাবে তুলে এনেছেন কিনা সেইটা পরবর্তীতে আমরা আলাপ করতে পারি)। মাওলানা মওদূদী কত বড় হুজুর, সেইটা নিশ্চয়ই আপনাকে বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই, তাই না? আর, মাওলানা মওদূদীর বই যে একটা বড় অংশের পাঠকের কাছে তাদের সিলেবাস হিসিবে পাঠ্য সেইটা কি আপনি জানেন না?

শুধু মাওলানা মওদূদী না, আকাশ মালিক নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য সিলেক্টেড কোটিং করেছেন বিভিন্ন বড় বড় হুজুরের কাছে থেকে। ভুলভাবে উল্লেখ করলেও তিনি নিয়েছেন কিন্তু মুসলিম লেখকদের কাছে থেকেই। এবং এইটা নিয়ে আকাশ মালিক গর্বও করেছেন এই বলে যে এই রেফারেন্স কে উপেক্ষা করবে। আজ আপনি তাকে সমর্থন দিতে এসেছেন, অথচ শুরুতেই বলে বসলেন যে হুজুররা কোনোদিনও এই কথা বলেন নাই। হুজুররা যে বরং আপনাদের থেকে অনেক বেশি উদারমনা (এই সেন্সে যে আপাতদৃষ্টিতে বিপক্ষে যায়, এমন বর্ণনাকেও তারা সবার সামনে উম্মুক্ত করেছেন), সেইটা আমার কাছে দুঃখজনকভাবে পরিষ্কার হয়েছে।
______________

আপনি যে যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছেন, সেগুলো নিয়ে আমি কথা বলবো আপনার সাথে। তার আগে আমাকে একটা ছোট ফেভার করেন। আমাকে এনসিউর করেন যে আপনি মন থেকে সমস্ত অন্ধত্ব দূর করে তারপর আলোচনায় এসেছেন। সমস্ত অন্ধত্বের কথাতো আর আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব না। আপনি অন্তত আপনার সদিচ্ছার কথা প্রকাশ করতে পারেন উপরে যেই দুটো ব্যাপার আপনাকে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, সে দুটো ব্যাপারে এইকথা স্পষ্টভাবে স্বীকার করে যে আপনি ঐ দুটো ব্যাপারে মিথ্যা বলেছেন।


আপনি কি নিজের এই মিথ্যাকথাটুকু স্বীকার করতে প্রস্তুত?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এন্টাই ভন্ড, আপনাকে ধন্যবাদ,

১।

নবী কিংবা সাহাবিদের দ্বারা যত বর্ণনায় হত্যা সঙ্ক্রান্ত কথাবার্তা পাওয়া যায়, আমাকে একটু বলেন যে তার কোনো একটাতেও কি এইরকম কোনো কথা আছে যে "জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য" তাদেরকে মারা হচ্ছে?
আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি অতিথি ১২৩ যে আপনি এরকম একটা উদাহরণও দেখাতে পারবেন না। অর্থাৎ, আপনি আপনার বক্তব্য শুরুই করেছেন একটা নোংরা মিথ্যা কথা দিয়ে।


- নবী যেসব কারণে মানুষ খুন করতেন তার একদম মূল কারণ টি কি ছিল ? হ্যা এটা হতে পারে যে তিনি ধরে ধরে সব অমুসলিম হত্যা করেন নি যা সম্ভব ও নয়, কিন্তু তাদের কে হত্যা করেছেন যারা তার সমালোচনা করে কবিতা লিখেছিল, বিদ্রুপ করেছিল, এটা ত সত্যি ? (যেমন নিম্নোক্ত হাদীস থেকে জানতে পারি)

একজন ইহুদি রমণী প্রায়ই আল্লাহর রসুল মুহাম্মদকে (দঃ) ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতো। একজন লোক ঐ মহিলার গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে টানতে থাকেন যতক্ষণ না তার মৃত্যু হয়। নবীজি ঘোষণা দিলেন, “ঐ মহিলার জীবনের কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়া যাবে না।” (দ্রষ্টব্য : আবু দাউদ শরিফ, বুক ৩৮, নম্বর ৪৩৪৯)।

এখন বলুন, এই ব্যপারটা কি এমন কোন ব্যক্তি দ্বারা শোভা পাওয়া উচিৎ যিনি দাবী করেন নিজেকে একজন অতিমানব হিসেবে, যার সাথে ফেরেশতাদের উঠাবসা আছে ? যিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞানী,,,, তিনি কেন চাবেন মানুষ খুন হোক, বরং তিনি ত চাইলেই আল্রাহর কাছে বলে তাকে অনুগত করে দিতে পারতেন।

বানু কুরায়জা গোত্রে এত মানুষ তিনি হত্যা করলেন, মূল কারণ টি কি ছিল ? তাকে নবী হিসেবে না মানা এবং যখন তারা দেখল নবী বেশী বাড়াবাড়ি করছে, তাহে হত্যার ষড়যন্ত্র করা , এই ত ? (বাড়াবাড়ি করছিল কিনা তা আপেক্ষিক বিষয়, ধার্মিকরা বলবেন যে না করছিল না, আর যারা ধার্মিক নন তারা বলবেন বাড়াবাড়ি করছিল,,,,,) ঠিক আছে, ত, এখন একজন সাধারন যুদ্ধবাজ মানুষের পক্ষেই শোভা পায় আগে থেকে নিরস্ত্র মাসুষদের আক্রমন করে মেরে ফেলা, আমার প্রশ্ন যিনি নবী, তার পক্ষেও কেন একই কাজ শোভা পাবে ? তার মানে দাড়ায় যে তার নবীত্বের দাবী টা মিথ্যা ! হ্যা, যদি ধরে নেই তিনি নবী ছিলেন না, কিন্তু সাধারন মানুষ হিসেবে এইসব হত্যার প্রয়েজন ছিল, আমি তর্ক বাড়াব না, বরং ধরে নিব যে হতেই পারে এবং যুগের প্রয়োজনে তাকে যদ্ধবন্দীদের দাস/দাসী বানাতেও তিনি বাধ্য ছিলেন,,, সবই মেনে নেওয়া যায় তখনই যথনই ধরে নিব যে তিনি নবী ছিলেন না, একজন মানুষ হিসেবে তারও সীমাবদ্ধতা থাকা স্বাভাবিক এবং তিনিও তাই করেছেন যা অন্য একজন স্বাভাবিক মানুষ করত, তাহলে সব ঠিক আছে, কিন্তু তিনি নবী হয়ে একই মাপকাঠিতে বিচার চাইছেন, তাহলে অবশ্যই ধরে নিতে হবে তিনি নবী ছিলেন না, আর নবী না হয়ে থাকলে কেন তিনি নবীত্ব প্রচার করলেন যার আদেশ আজও আমাদের মেনে চলতে হবে ?

আমি জীন পরী ভুতের গল্পে বিশ্বাস বলতে এই মূল কারণ কেই বুঝিয়েছি। বিরোধ কারী ইহুদীরা যদি তার গল্প বিশ্বাস করেই ফেলত তাহলে ত ষড়যন্ত্রের কথাও আসত না, কোন যুদ্ধই হত না, যুদ্ধ ত তাদের সাথেই হয়েছে যারা নবীর গল্প বিশ্বাস করেন নি এবং না করার কারণেই তার বিরোধীতা করেছেন, উত্তেজক কবিতা লিখেছেন ই্ত্যাদি। আজ আমি ব্লগে এতসব কথা লিখছি, তারও মূল কারণ কি এটাই নয় যি আমিও উনার জীন পরী ভুতের গল্প বিশ্বাস করিনি ? আমি যদি বিশ্বাস করতাম, তাহলে এত যুক্তি তর্কের সাহস কোথায় পেতাম ? কারণ আমি ত তখন এটাও বিশ্বাস করতাম যে, এই সব তর্ক করলে দোজখে যেতে হবে। আশা করি আমি 'জীন পরী ভুতের গল্প' ফ্রেজ টা কেন ব্যবহার করেছি তা বুঝাতে পেরেছি।

২। মাওলানা মওদূদী কে আমি আসলে জানি না। ত এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। মওলানা মওদুদী যদি এমন কোন ব্যক্তি হয় যিনি বিকৃত অনুবাদ করেন হতে পারে তিনি খারাপ, কিন্তু তার কোন লেখা আমার কনসার্ন নয়, আমি যেসব হাদীসের ঘটনা উল্লেখ করেছিলাম্ আমার প্রথম মন্তব্যে সেগুলো কি মওলানা মওদুদী কর্তৃক অনুদিত বিকৃত অনুবাদ ? যদি তাই হয়, তাহলে সেটা আমার কনসার্ন হতে পারে। আমি আকাশ মালিকের বইটি পড়েছি যেখানে মাওলানা মওদূদী নামে কারও কথা ছিল কিনা মনে পড়ে না, তবে তিনি যেসব কোরআনের আয়াত এবং হাদীস রেফারেন্স দিয়েছেন সেখান থেকে আমার পক্ষে সম্ভব ছিল কোরআনের রেফারেন্স গুলো যাচাই করা, তা আমি করে দেখেছি যে অনুবাদ গুলো ঠিক আছে, হাদীস রেফারেন্স গুলো যাচাই করা সম্ভব হয় নি কিন্তু সত্য মনে হয়েছে। আর সেজন্যই ত আমি আমার প্রথম মন্তব্যে প্রশ্ন করেছিলাম এই বলে যে, "আপনারা কি এটা দেখাতে পারবেন যে ঐ রেফারেন্স গুলো ভুল ছিল ?" ,,, আমি এটাও বলেছি যে, আপনারা যদি দেখাতে পারেন যে ঐ বিবৃতিতে আদৌ কোন হাদীস নেই বা থাকলেও তার অনুবাদ সম্পূর্ণ ভিন্ন, তবে অবশ্যই আমি আমি আকাশ মালিকের বই কে ভুল রিপ্রজেন্টেশন বলে ধরে নিব, এখানে আমার কোন প্রেজুডিস থাকবে না।


আমি আমার সর্বশেষ মন্তব্যেও বলেছি যে, নবীর বহু বিবাহ রিলেটেড তর্ক গুলো অনেক আগে থেকেই অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল শুনতে শুনতে এবং সেটাতে আমার কখনও তার সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ মনে হয় নি, কিন্তু খুন খারাবী যুদ্ধ , নিরস্ত্র মানুষের উপর আক্রমন, যুদ্ধবন্দীদের দাস/দাসী বানানো এসব ব্যপার গুলো আকাশ মালিকের বই পড়ার আগে আমি জানতাম না এবং এই ব্যপার গুলোই আমার মনে দানা বেধেছে যে তিনি আসলে নবীত্ব প্রচার করেছেন রাজনীতির জন্য।

আমি ত বলেছিই যে, আপনারা যদি দেখাতে পারেন যে, না তিনি নিরস্ত্র আক্রমন করেন নি, বানু কুরায়জা গোত্রের এতগুলো পুরুষকে হত্যা করে নারীদের যৌন দাসী বানান নি, শিশুদের দাস বানান নি, উত্তেজক কবিতা লেখার জন্য কবিকে হত্যা করতে বলেন নি, কবি হত্যার জন্য মিথ্যা/প্রতারণার পারমিশন তিনি দেন নি, তাহলে ত আমার পক্ষ থেকে আর কোন তর্ক নেই, আমি ধরেই নিব যে আকাশ মালিক মিথ্যা বলেছেন এবং তার বই গার্বেজে ছুড়ে ফেলে দিব। কিন্তু ব্যপার যদি এই হয় যে, তিনি এসব সবকিছুই করেছিলেন সত্য, তবে তার প্রয়োজন ছিল, যে প্রয়োজনের কথা আকাশ মালিক উল্লেখ করেন নি, তাহলে আমার অবস্থান আগের জায়গায়ই থাকবে, এটা কে ব্যক্তিগত বিশ্বাস বলতে পারেন, হ্যা , আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি, যিনি এই সাথে নবীত্ব দাবী করবেন, তার কোনই প্রয়োজন হতে পারে না কোন মানুষকে হত্যা করার। আর যুদ্ধ বন্দী নারী কে যৌন দাসী বানানো, ২০% গনীমতের মাল ভোগ করা যার মধ্যে নারীরাও আছে, এটা আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস যে, কোন ক্রমেই তা আল্লাহর আদেশ হতে পারে না

৩।
আমাকে এনসিউর করেন যে আপনি মন থেকে সমস্ত অন্ধত্ব দূর করে তারপর আলোচনায় এসেছেন। সমস্ত অন্ধত্বের কথাতো আর আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব না। আপনি অন্তত আপনার সদিচ্ছার কথা প্রকাশ করতে পারেন উপরে যেই দুটো ব্যাপার আপনাকে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, সে দুটো ব্যাপারে এইকথা স্পষ্টভাবে স্বীকার করে যে আপনি ঐ দুটো ব্যাপারে মিথ্যা বলেছেন।


আমি প্রথম মন্তব্যেই নিম্নোক্ত কথাগুলি বলেছি,

এখানে আকাশ মালিক ত হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছেন। ত এখন প্রশ্ন হবে রেফারেন্স টি ভুল কিনা ? যদি বলেন রেফারেন্স ভুল, তাহলে আমি আকাশ মালিক কে ঘৃণা করব এই জন্য যে তিনি একটি চরম খারাপ কাজ করেছেন আমার বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে।আর যদি আপনি বলেন, রেফারেন্স ঠিক আছে কিন্তু এই কাজটি নবী মহান কাজ করেছেন, তাহলে, তর্ক না বাড়িয়ে বলব, আপনাদের সবার জন্য শুভ কামনা।

আমার পরবর্তী মন্তব্যে বলেছি,

দেখুন আমি ইতিহাসবিদ নই। তাই আকাশ মালিক যদি কোন ইতিহাসের সন তারিখ ভুল লিখে থাকেন যেটা আপনি বের করতে পেরেছেন, হতেই পারে আপনি সঠিক, এ ব্যাপারে ত হার জিতের কিছু নাই। আমি কারও অন্ধ সাপোর্টার নই। আপনার লেখায় যুক্তি থাকলে এবং সত্য মনে হলে অবশ্যই আপনার লেখা আমি গ্রহণ করব, এটাতে আমার কোন ইগো বা লজ্জার কিছু নাই।

ত আমার মনে হয় এটাই যথেষ্ট বুঝানোর জন্য যে এখানে অন্ধত্বের কোন অবকাশ নেই। আর অন্ধত্ব শব্দটি আপেক্ষিক, আমি যদি উপলদ্ধি করি যে আপনি শুধূ একজন মানুষকে নবী প্রমান করার জন্য তার যে কোন কাজকে ভাল বলছেন, তাহলে আমার দৃষ্টিতে আপনার ব্যাপারটি অন্ধত্ব, আর আপনার যদি মনে হয়, আপনার জাস্টিফিকেশন আমার কাছে জাস্টিফায়েড মনে হচ্ছে না, তাহলে আপনার দৃষ্টিতে সেটা আমার অন্ধত্ব। তাই এই শব্দ ব্যবহারে আলোচনা সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটা হতে পারে একদম শেষ শব্দ যখন কেউ একজন আর আলোচনা আগাতে চাচ্ছি না বা ধৈর্য হারিয়ে ফেলছি।

তবে একটা ব্যপারা খেয়াল করেছি যে, অনেক ধার্মিক বিশ্বাস করেন যে, যারা অমুসলিম বা নাস্তিক তারা স্রষ্টা কে বুঝেও অথবা কোরআন কে সত্যি মনে করার পরেও তারা বিশ্বাস আনেনা ইগোর কারণে। ইহা একটি চরম কুযুক্তি এবং এটা কিভাবে সম্ভব যে একজন যখন বুঝে গিয়েছে যে আল্লাহ আছেন যিনি তাকে দোজখে পাঠাতে পারেন, তা বুঝার পরও তার বিরোধীতা করে, ব্যাপারটা আমি ভিজুয়ালাইজ করতে পারি না। যারা বিশ্বাসের বিরোধীতা করছেন তারা অবশ্যই তাদের উপলদ্ধি থেকে বিরোধীতা করছেন যেমন আমি বলেছি, নারী কে গনীমতের মাল বানানোর আয়াত কোন স্রস্টার কথা হতে পারে না, এটা আমার উপলদ্ধি তাই আমি কোরআন কে বিশ্বাস করি নি, ত এখানে আপনি যে বলছেন আমি যেসব মিথ্যা কথা বলেছি সেসব স্বীকার করব কিনা, ,,,, আমার মনে হয় আর ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই যে, আমি আমার উপলদ্ধির কথা বলেছি, তর্কে জিতার জন্য বা খোদা আছেন বুঝেও বিরোধীতা করার জন্য মিথ্যা কথা বলার যুক্তি বাস্তব কারণ থাকতে পারে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতিথি ১২৩
১. আপনাকে বলেছিলাম আপনার যে-দুটো মিথ্যা ধরিয়ে দিয়েছি, সেগুলো স্বীকার করে তারপর আলোচনায় আসতে। আপনি প্রথম মিথ্যাটা কাটাতে চেয়েছেন এই কথা বলে যে, জীনপরী ভুতে বিশ্বাস= নবীকে না মানা এবং হত্যার ষড়যন্ত্র বুঝাতে চাচ্ছিলেন।
{{মূল কারণ টি কি ছিল ? তাকে নবী হিসেবে না মানা এবং যখন তারা দেখল নবী বেশী বাড়াবাড়ি করছে, তাহে হত্যার ষড়যন্ত্র করা , এই ত ? ...
আমি জীন পরী ভুতের গল্পে বিশ্বাস বলতে এই মূল কারণ কেই বুঝিয়েছি। ...}}


আমি খুবই দুঃখিত, আপনার জবাবটা নিতে পারছি না। নবীকে না মানা এবং হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা বুঝাতে গিয়ে একজন স্বাভাবিক মানুষ কেন জীনপরী ভুতে বিশ্বাস-এর কথা বুঝাতে যাবে? কীসের সাথে কী?

এর অর্থ হলো আপনি আপনার পূর্বতন একটা মিথ্যাকথা ঢাকতে গিয়ে আর একটা মিথ্যাকথা বলছেন।

আপনি ১নং পয়েন্টে আমার প্রথম মিথ্যাকথার জবাব দিতে গিয়ে আরো একটা মিথ্যাকথা যোগ করেছেন।
১-ক) আপনি, নবী হত্যা করেছেন, এইকথা বলে তার উদাহরণ হিসেবে একটা হাদিস উপস্থাপন করেছেন যা পড়লে স্পষ্ট বুঝা যায় যে নবী মোটেও সেই হত্যা করেন নি। তিনি নিজে ত হত্যা করেনই নি, ঐ মহিলাকে হত্যা করার নির্দেশটিও তিনি দেননি।


২.

তাই তার সাহিত্যিক লেখা গুলো আমি রেফারেন্স হিসেবে ইগনোর করছি, কিন্তু তার বই থেকেই জানতে পারলাম অনেক গুলো সহীহ হাদীস আর কোরআনের আয়াত যা কিনা আমাদের কে হুজুররা কোন দিনও বলেন নাই।


আপনার এইকথাটা যে মিথ্যা, তা আপনাকে ধরিয়ে দেবার জন্য আমি একটা উদাহরণ হিসেবে মাওলানা মওদূদীর নাম তুলেছিলাম। রেফারেন্স হিসেবে তিনি আরো যাদের নাম তুলেছেন, তারা হলেন, মৌলানা সাঈদ কুতুব, মৌলানা হজরত রসিদ আখতার (দেওবন্দি), হজরত রসিদ রেজা, অধ্যাপক সাইয়্যেদ আকবর এলাহাবাদী, ইত্যাদি। এরা প্রত্যেকেই বড় বড় হুজুর। আপনি আসলেই তার বইখানা মনযোগ দিয়ে পড়লে অবশ্যই এই নামগুলো চোখে পড়ার কথা ছিলো।

সুতরাং {{যা কিনা আমাদের কে হুজুররা কোন দিনও বলেন নাই}} এই কথাটা খুব বাজে ধরণের মিথ্যাকথা হয়ে গেছে। আপনি স্বীকার করেন নি।

আপনাকে অনুরোধ করেছিলাম, আলোচনার মানসিকতা আসোলেই থাকলে এই মিথ্যা দুটো স্বীকার করে সংশৌধন করে তারপর আসবেন। আপনি সেগুলো স্বীকার তো করেনই নি, জবাবে আরো মিথ্যা যোগ করে জবাব দিয়েছেন। আমি সত্যিই খুব হতাশ হয়েছি।

তার রেফারেন্সগুলো ভুল কি না সেইটা নিয়ে আমি তো বলেছি কথা বলবো। কিন্তু আমি এমন কারো সাথে সময় নষ্ট করার পক্ষপাতী না, যাকে তার মিথ্যাকথা ধরিয়ে দেবার পরও স্বীকার করতে চায় না, বরং নতুন মিথ্যা তথ্য যোগ করে কথা এক্সটেন্ড করে।

আপনি যদি আপনার মিথ্যা স্বীকার করে সংশোধিত মনে কথা বলতে রাজি হন, আমি কথা বলবো, ইনশাআল্লাহ। নাহলে এখানেই খোদা হাফেজ।

অট: আপনার সাথে কি অন্য কোথাও আমার কথা হয়েছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এন্টি-ভন্ড ভাই,

নিতান্তই অফ টপিক, আপনাদের আলোচনায় যোগ দেবার কোন ইচ্ছে আপাতত নেই।

অনেকদিন আপনার দেখা নাই। আছেন কেমন?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিলভাই
কেমন আছেন? একটু ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে গিযেছে কিছুদিন। ব্লগ দেখলেও খুব ঠাণ্ডা মাথায় বসতে পারি নি। মাঝখানে আপনি কিছুদিন ছিলেন না। তারপর আপনি যখন আসলেন, আমি কিছুদিন। এইভাবেই অনেকদিন দেখা হয় নি আরকি। আশা করছি, এখন থেকে নিয়মিত আসবো। ভালো থাকবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ্যান্টাই-ভন্ড,

আছি ভালই। অনেকদিন আপনাকে দেখি না। আশা করি নিয়মিত থাকবেন। আমি মাঝে বেশ কিছুদিন স্বেচ্ছা ছুটিতে ছিলাম ব্লগ জগত থেকে। এখানে আপনাকে দেখে ঢুকলাম যদিও মূল বিষয়ে তেমন আগ্রহ নেই। আপনার সাথে ধর্মবিষয়ক ব্যাপারে অনেক বেমিল থাকলেও ব্যাক্তিগত ভাবে সূস্থ সম্পর্ক আছে এ ভরসাতেই এসেছিলাম।

আরেকজন দেখি আমার আগমনে নুতন ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়ে গেছেন। কে জানে হয়ত জানা যাবে যে এই অতিথি সাহেব আসলে আমিই নাম ভাড়িয়ে এসেছি smile :) :-)

ভাল থাকবেন। আশা করি আপনাকে দেখে অনেকে সূস্থ বিতর্ক কাকে বলে শিখবেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিলভাই

আপনার সাথে ধর্মবিষয়ক ব্যাপারে অনেক বেমিল থাকলেও ব্যাক্তিগত ভাবে সূস্থ সম্পর্ক আছে এ ভরসাতেই এসেছিলাম।


এই ভরসা আমারও রয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ্যান্টাই-ভন্ড,

আমাদের বোঝাপড়া ভালই আছে। আমাদের নিয়ে চিন্তা নেই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এন্ট্যাই-ভন্ড,
অতিথি ১২৩ এর সাথে আপনার আগে কথা হবে কোথা থেকে, সে তো অতিথি ১২৩। তবে উনার কন্ঠস্বর আপনার শুধু না আমারও খুব পরিচিত ঠেকছে....।
অতিথি যে বিষয়গুলো নিয়ে এসেছে আশা করি আপনার এতটুকু ধারণা আছে যে সেগুলোকে খন্ডানোর মতো যোগ্যতা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমি উনার টপিকে হাত দেই নাই, উনার রেফারেন্সগুলোএ চেক করতে যাই নাই। কারণ সেটা আমার এই পোস্টের প্রসঙ্গ-বহির্ভূত। উনি এসেছেনই প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দিতে, আশা করি আপনি সেই ফাঁদে পা দেবেন না। দরকার মনে করলে, হাতে সময় থাকলে উনার কমেন্টটাকে বেস করে নতুন একটা পোস্ট দেন। তবে আমি এমন আত্মবিশ্বাসহীন ব্যক্তির সাথে আলোচনায় আসলেই আগ্রহী নই ব্লগিং জগতে যার একটা ইউনিক আইডি/নিক পর্যন্ত নেই অথবা তর্ক/আলোচনার সুবিধা নেবার জন্য অতিথি নিক নিতে হয়। কথা বলতে এসেছে অতিথ ১২৩ নিক দিয়ে। সেফ গেম। গেলে শুধু ফেক একটা নিকই যাবে।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সাদাত,
'অতিথি' সাহেবকে আমারও বেশ পরিচিত মনে হয়েছে! যাই হোক মূল আলোচনা থেকে দূরে সরে না গিয়ে টু দ্য পয়েন্ট আলোচনা অনেক কিছু জানতে পারব। কিন্তু 'অতিথি' সাহেব যেভাবে গরুর রচনা শুরু করেছেন (ইসলামের সব 'সমস্যা'কেই তিনি এই আলোচনায় আনতে চাচ্ছেন), তাতে মনে হচ্ছে মূল আলোচনার অনেক শাখা-প্রশাখা গজাচ্ছে!

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সাদাত,

আচ্ছা, তাহলে আমার নিক কি হওয়া উচিত ছিল সেটা দেখা যাচ্ছে আলোচনার বিষয় যিনি অফ টপিক একদমই পছন্দ করেন না। আমি আপনাকে দেওয়া শেষ মন্তব্যে ত বলেছিই যে ,

যাই হোক, যেহেতু আপনার মূল আলোচনা ঐ তিনটা হাদীস রেফারেন্স নয়, বরং ভাতিজী বিয়ে, মৃত্যুর তারিখ ইত্যাদি বা অন্যান্য ব্যপার, ঠিক আছে, আমি আর আলোচনায় অংশ গ্রহণ না হয় নাই বা করলাম। তবে আপনি যদি ঐ কাফের / সমালোচনা কারী কবি হত্যা (মিথ্যা বলার পারমিশন।। ইত্যাদি) এসব নিয়ে আকাশ মালিকের রেফারেনস্ গুলো ভুল প্রমান করে নতুন কোন পোষ্ট দিন, তাহলে আমি আগ্রহ নিয়ে সেগুলো অবশ্যই পড়ব এবং সুযোগ পেলে আকাশ মালিকের কাছে জবাব প্রত্যাশা করব।

ত এখানে ফাদ তৈরি করার লক্ষণ কোথায় দেখতে পেলেন ? আমি ত স্বীকার করেই নিয়েছি যে আমার প্রশ্নগুলো অফ টপিক এবং আমি আমার প্রশ্ন রিলেটেড আপনার নতুন কোন পোষ্ট পেলে আগ্রহ নিয়ে পড়ব। এরপর ত আমি ধরেই নিয়েছি যে এই পোষ্টে আমার বক্তব্য শেষ। 'এন্টাই ভন্ড' আমার আলোচনা কে এগিয়ে নেওয়ায় আমি আবারও মন্তব্য করেছি, তাছাড়া আর ত কিছু লিখতাম না।

আমার নিক কি হওয়া উচিত সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যপার যেমন আপনি বলেছেন আপনি কোথায় পোষ্ট দিবেন কি দিবেন না, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যপার। আপনারই একটি স্মরণীয় বাণী তুলে ধরছি,


ভিন্ন প্রসঙ্গের আমদানি তারাই করে যারা মূল আলোচনার প্রসঙ্গ বুঝে না বা মূল প্রসঙ্গে নিজের পরাজয় বুঝে কিন্তু স্বীকার করতে চায় না।


আমার মনে হয়, আমার নিকের ব্যাপারে আপনার কনসার্ন সেরকমই কিছূ ইঙ্গিত করে।

কন্ঠস্বর আপনার শুধু না আমারও খুব পরিচিত ঠেকছে....।


আপনি যা বুঝাতে চাচ্ছেন তা স্পষ্ট। তা আপনার এত আই ডির প্রয়োজন হচ্ছে কেন, মুরতাদ ঘোষনা করতে সুবিধা হবে এজন্য ? আপনার আসল নাম যে সাদাত তার কীইবা প্রমাণ আছে ? আর আসল হলেই বা আমার কি আসে যায় ? আমি ত অতিথি নিক না নিয়ে রহীম, কুদ্দুস, শফিক ইত্যাদি যে কোন নিক নিতে পারতাম তাতে কি এমন পার্থক্য হত যদি আমি আসলেই নিজের নাম প্রকাশ করতে না চাই ? এই তাহলে আপনার যুক্তি ? আপনি আপনার আসল নাম ব্লগে লিখবেন কিনা সেটা যেমন আপনার ব্যক্তিগত ব্যপার, আমিও আমার নাম কি লিখব সেটাও আমার ব্যক্তিগত ব্যপার। হ্যা আমি যদি ব্লগে কাউকে ব্যক্তি আক্রমন করে কিছু বলতাম, তাহলে আমার নিক কি হতে পারত সেটা একটা আলোচ্য বিষয় হতে পারত।

যাই হোক, আমি আর কথা বাড়াব না, আপনি জিতেছেন, আমি হেরেছি, আপনি খুশী থাকুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অতিথি ১২৩,
'মুরতাদ ঘোষণা করা', 'কল্লা নামানো' আজকাল খুব কমন ডায়ালগ হয়ে গেছে। পাবলিক সেন্টিমেন্ট গ্রো করানোর খুব সস্তা একটা অস্ত্র। অনেকের মনের খুব শখ আহা আমারে কেউ যদি মুরতাদ ঘোষণা করতো! আমার লেখা বই যদি ব্যান হইতো। নাম ফাটানোর খুব ত্বরিত একটা উপায়। না, অত বোকা আমি না! এইরকম আশা আমার থেকে কইরেন না। আপনার নাম-ধাম কেউ চেয়েছে?
যেটা বলেছি সেটা হলো, আপনি যদি কোন ব্লগের নিয়মিত লেখক/কমেন্টকারি হয়েই থাকেন আপনার অন্ত:ত একটা এমন একটা নিক থাকা দরকার যা ব্লগ জগতে আপনার পরিচিতি বহন করে। এই সেন্সটুকু অবশ্য আকাশ মালিকের আছে।
আপনার সাথে আমার কোন পরিচিয় নাই, আপনার নিজস্ব কোন পরিচিতিও নাই, আমার তো সময় এত বেশি হয়ে যায় নাই যে, বসে বসে আপনার অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর উত্তর এই পোস্টেই দেব।

যাই হোক, তারপরও আপনি অতিথি। আমার আগের বা এখনকার কথায় কোন ভুলভ্রান্তি হলে দু:খিত।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত সাহেব, ভাই আমার চরম ভুল হয়েছে, আমি হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে বিদায় নিচ্ছি। এই ব্লগে যারা আছেন তাদের কাছেও ক্ষমা চাচ্ছি। আর পাব্লিক সেন্টিমেন্ট এর কথা বলছেন, আমার নিক ত ফেইক নিক, তাই এখানে পাব্লিকের সেন্টিমেন্ট ও আমার কোন কাজে আসছে না। এখানে দেখতে পাচ্ছি সবাই আপনাকে বেশ শ্রদ্ধা করে, নিশ্চয়ই আপনি শ্রদ্ধা অর্জনের মত কাজ করেছেন, কিন্তু আমার প্রতি প্রথম থেকেই যে একটি ডিফেন্সিভ এটিটিউড আপনি শো করছেন, তাতে এখন আমি বেশ বুঝতে পারছি যে, আপনি ভেবেছেন আমি এমন কেউ যাকে আপনি চিনেন এবং যে আপনাকে হয়ত কোন পোষ্টে খুব খারাপ ব্যবহার করেছিল। তাই ভেবে থাকলে আপনি আসলেই ভুল করেছেন যদিও তা প্রমাণ করার কোন উপায় নেই।

আপনি যদি কোন ব্লগের নিয়মিত লেখক/কমেন্টকারি হয়েই থাকেন আপনার অন্ত:ত একটা এমন একটা নিক থাকা দরকার যা ব্লগ জগতে আপনার পরিচিতি বহন করে।


দেখুন আমি সত্যিই এই ব্লগে নতুন, আমি মূলত ব্লগ পড়ি, মন্তব্যও যে খুব বেশী একটা কোথাও করি তা না। অতিথি ১২৩ নিক টি আমি পছন্দ করেই নিয়েছি, এটা আপনি ধরে নিয়েছেন ফেইক নিক,,, নিক মানেই ত ফেইক তাই না ? তবে ফেইক বলতে যদি এটা বুঝান যে আমি অনেকগুলো নিক ব্যবহার করি এই ব্লগে, এক এক সময় এক এক নিক সুবিধা অনুযায়ী, তাহলে আসলেই বিনা কারণে আমাকে ভুল বুঝেছেন। আমার নিক এখানে এই একটিই এবং এটিই আমার পছন্দের (যেই পছন্দ কিনা শেষ পর্যন্ত কাল হল)
কেন অতিথি১২৩ নিকটি আমার পছন্দ হল সেটা ত একটা সাইকোলজিক্যাল ব্যপার যা অবশ্যই মনে হয় চরম তম অফ টপিক এই ব্লগের জন্য এবং সেটা জানার জন্য নিশ্চয়ই কেউ আগ্রহ নিয়ে বসে নেই, তাই না ? আকাশ মালিকের মত আমি ব্লগার নই, যদি কখনও আমি এই ব্লগ সাইটে কিছু লিখি, এই নিক দিয়েই লিখব।

আমি যখন ব্লগে প্রবেশ করি, হ্যা আমি কিছুটা উত্তেজিত ছিলাম যে বেশী সেনসিটিভ বিষয় গুলোর ব্যপারে সবাই ব্যাখ্যা না করে কম সেনসিটিভ বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে, তাই কিছুটা হতাশা থেকে বলেছিলাম 'আমর/উমর এর মত ক্ষু্দ্র বিষয়ে ভুল ধরে কি লাভ।।' যাই হোক আপনি বলেছিলেন যে, আমার প্রশ্নগুলো টপিকের বাইরের, আপনার এক উত্তরেই আমি বলেছিলাম যে, ঠিক আছে আপনি যদি এই টপিকের লেখা লিখেন তখন আমি দেখব। এররেও আপনি আমার আগমনের মধ্যে চক্রান্তের ফাদ খুজে পেলেন, এবং অন্যান্য ব্লগার রাও আমাকে নিয়ে বেশ সন্দেহ এবং ভুতুরে কথাবার্তা ছুড়তে লাগল, কেউ আমার প্রোফাইলের স্ত্রীনশট পোষ্ট করল ,,, ব্যাপারটা খুব কষ্ট লাগার মত ছিল, তাই কিছুটা রাগ বা আক্রোশে বলেছি যে, আপনি সহ সবাই আমার নিক নিয়ে এত কথা বলার যুক্তি টা কি ? আমি কি কাউকে ব্যক্তি আক্রমন করে কিছু বলেছি ? 'মুরতাদ' শব্দটা তাই রাগ থেকেই এসেছে, এর মধ্যেও আপনি ভেবেছেন আমি পাব্লিক সেন্টিমেন্ট পাবার জন্য নাটক করেছি।

আমার তো সময় এত বেশি হয়ে যায় নাই যে, বসে বসে আপনার অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর উত্তর এই পোস্টেই দেব।


অবশ্যই সে অধিকার আপনার আছে, আপনার যদি মনে হয় আমি আপনাকে চার্জ করেছি আমার উত্তর দেবার জন্য, সেটাও তাহলে আপনি ভুল বুঝেছেন, আমার এটিটিউড যদি তাই বলে থাকে, তাহলে আমি এজন্যও ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

যাই হোক, সব শেষে বলছি, আমি আপনাদের অপদস্থ বা ব্লগের মোড় ঘুরিয়ে দেবার জন্য আসি নি, বরং এসেছিলাম যে, প্রশ্নের উত্তরগুলি পেলে এবং আমার কাছে যৌক্তিক উত্তর মনে হলে আমি উত্তর গুলি রেফারেন্স হিসেবে মুক্তমনায় দেখানোর চেষ্টা করব। সম্ভব হলে আকাশ মালিক কে জিজ্ঞেস করব যে ব্যাপার টা তিনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন। আমি দুই পক্ষের কথা শুনে বুঝেই সিদ্ধান্ত নিব, এভাবে এক সময় আমার মনে যে সিদ্ধান্ত টা সঠিক মনে হবে সেই সিদ্ধান্ত টিই পোষণ করব।

আমার সেই শখ টা আপাতত মিটে গিয়েছে। আপনারা সবাই ভাল থাকুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাতভাই

অতিথি ১২৩ এর সাথে আপনার আগে কথা হবে কোথা থেকে, সে তো অতিথি ১২৩। তবে উনার কন্ঠস্বর আপনার শুধু না আমারও খুব পরিচিত ঠেকছে....।


ভুলটা আমারই হয়েছে। কথাটা সাদাতভাই বেশ পজিটিভলি বলেছিলাম। মুক্তমনায় যখন মোটামুটি নিয়মিত যেতাম, তখন অল্প যে-কয়জনের সাথে কথা বলে ভালো লেগেছিলো, তার ভেতরে আনাস একজন। অতিথি ১২৩-এর কণ্ঠটা অনেকটা তার মতো লাগছিলো। এইজন্যেই ঐকথা জিজ্ঞেস করা। ইনফ্যাক্ট আমার ব্লগে আনাস আসলে মুক্তমনার সদস্যদের চাইতে আমিই বেশি খুশি হবো।

অতিথি ১২৩-এর কিছু কথা অবশ্যই আমার পছন্দ হয় নি, সেটা তাকে জানিয়েছিও। কিন্তু সত্যি কথা হলো, কিছু প্রিজুডিস ছাড়া (যা তার কাছে আবার প্রিজুডিস মনে হয় নি) তার কথা বলার ভঙ্গি আমার খারাপ লাগে নি। এই ধরণের মানুষদের সাথে অন্তত স্বস্তি নিয়ে বিতর্ক করা যায়।

আর, ঠিকাছে, আমি আলাদা পোস্ট দেবো। কিন্তু সেইখানে আপনাকেও সক্রিয়ভাবে চাই। আদিলভাইকেও। অতিথিভাইকে তো বটেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি পোষ্ট দিলে আর সেখানে আজে বাজে পাগল ছাগল বা গালিবাজ লোক না এলে আমি খুশী মনেই যোগ দেব।

ভিন্ন মতের লোক যিনি যুক্তির পথে আলোচনা করতে পারেন তাদের সাথে তর্ক আমি অবশ্যই উপভোগ করি। সাদাত সাহেবকে আমি মুক্তমনায় থাকতে বলেছিলাম এই কারনেই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি বুঝি না এখানে এতসব ফালতু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে নিয়ে আসছেন কেন এখানে প্রসঙ্গ হইল আকাশ মালিকের মিথ্যাচার যা স্পষ্টভাবেই নির্দেশিত। এইখানে সাতকান্ড রামায়ণ আর দ্বাদশ পর্বের মহাভারত টেনে আনা হচ্ছে কি জন্য !

এভাবে কি আকাশ মালিককে সেইভ করা হচ্ছে ?

যারা সেইভ করতে চায় তাদের স্বার্থ কি ?

আকাশ মালিক নিজে আসলেন না কেন ?

যারা আকাশ মালিকের উকিল হিসাবে আসছেন তারা মুখ ঢেকে আসলেন কেন ?

হঠাৎ করেই আদিল মাহমুদ এসে ঘুরে গেলেন, আদিল মাহমুদের ঝটিকা সফর এবং রহস্যময় বক্তব্যের উদ্দেশ্য কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহির,

ভাই আমার বিরাট ভুল অন্যায় হইছে এইখানে তশরীফ রাখা, নিজ গুনে মাফ করে দিয়েন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হঠাৎ করেই আদিল মাহমুদ এসে ঘুরে গেলেন, আদিল মাহমুদের ঝটিকা সফর এবং রহস্যময় বক্তব্যের উদ্দেশ্য কি ?


কিছুই বুঝলাম না। এইখানে রহস্যের কী হলো?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এ্যান্টাই-ভন্ড,

আমি আমার মন্তব্যের অংশটি উল্লেখ করছি যেখানে আমি জীন পরির গল্পে বিশ্বাসের কথা টি বলেছিলাম:

আমি যে বিষয় গুলো পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেছি তা হচ্ছে সেই সব হাদীস গুলো যেখানে দেখতে পাই আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য। আজকে লেখক আপনি কোন খাজা বাবা স্বপ্নে পাওয়া তথ্য আমাকে বললে আমি বিশ্বাস না করলে কি আমার গলা কাটার অধিকার আপনি রাখেন ? সেই স্বঘোষিত মহামানব কে এই অধিকার কে দিল ? আল্লাহ যদি দিয়ে থাকেন, তাহলে তার প্রমান কি ? তারই মুখ নি:সৃত বাণী ?

আমাকে আসলেই ডিটেইলস ব্যাখ্যা করতে হচ্ছে, ,,,
হ্যা, নবী ঠিক ঠাকুরমার ঝুলির গল্প কপি করেন নি, বরং ভিন্ন ভাবে বলেছেন জীব্রাইল ফেরেশতার কথা, আল্লাহর কথা যার সাথে তার কথা হয়, শয়তানের কথা, জীনের কথা যা ছিল তার নবুয়ত্বের প্রচারের অংশ। তিনি ভুত বলে কোন শব্দ ব্যবহার করেন নি। এখন এটা সমাজে খুবই স্বাভাবিক যে, কেউ যদি এরকম উদ্ভট গল্প প্রচার করে, তখন তাকে নিয়ে বিদ্রুপ হবে, সমালোচনা হবে, কবি রা উত্তেজক কবিতা লিখবে,,, ত এর মধ্যে আমি এমন কোন কিছু দেখিনা যার কারণে কবিদের হত্যা করতে হবে, আকাশ মালিকের বই থেকে জানতে পারি তিনি এসব কারণেই হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন , (কাব বিন আল আশরাফকে হত্যার জন্য তিনি মিথ্যা এবং প্রতারনার আশ্রয় নেবার পারমিশন দিয়েছিলেন) ,,,, ত এসব হত্যার সার মর্ম কি এটা নয় যে তার জীন পরীর গল্পে অবিশ্বাসের জন্য। হয়ত সঠিক ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে জীব্রাইল / ইবলিস / ফেরেশতা এদের গল্পে অবিশ্বাসের জন্য। সেই অর্থে জীন পরী শব্দ টাকে মিথ্যা বলতে চাইলে স্বীকার করছি 'জীন পরীর ভুত' এই ফ্রেজ ব্যবহার টা মিথ্যা ছিল, বলা উচিত ছিল 'জীব্রাইল , ফেরেশতা ইবলিস; এই ফ্রেজ। একটি ঘটনা আরেকটি ঘটনার জন্ম দেয়, আমি এজন্য রুট কজ (মূল কারণ) টি নিয়েই কনসার্ন ছিলাম যে, এত মারামারি যুদ্ধ বিগ্রহ হয়েছে যার রুট কজ কি ছিল, নবীর নবুয়ত্বের কথার অবিশ্বাস, এটা নয় কি ?

এখন বলছি 'আমি মিথ্যা বলেছি কিনা' -- -- আমি ত বললামই যে, আমি তার বই থেকেই জানতে পেরেছি যে তিনি এসব কারণে হত্যা করতে বলতেন, যেটা আপনাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম কোন প্রমান সম্ভব কিনা যে এই তথ্য গুলো মিথ্যা। তিনি যে এসব কারনে হত্যা করতে নির্দেশ দিতেন সেটা ত আমার কথা নয় যে আমি মিথ্যা বলেছি কি না তা আমাকে স্বীকার করতে বলছেন, বরং আপনি যদি দেখান যে, নবী কখনই কাউকে হত্যা করতে বলেন নি, তাহলেত আমি মেনে নিবই যে, আমার ধারণা ভুল ছিল, আর সেজন্যই ত আমি এখানে মন্তব্য করেছি। আমি এখনও বলছি, আমি মিথ্যা বলে ক্যাচাল করার জন্য বা তর্কে জিতার জন্য এখানে আসি নি, বরং জানতে এসেছি, খুন হত্যা, যুদ্ধবন্দী এসব ব্যপারে নবী (বা কোরআনের বানী) যা বলেছেন (যা জেনেছি আকাশ মালিকের বই থেকে) তা ভুল ছিল কিনা।

(আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসের বাইরে ধেকেই আলোচনা করছি, তাই আপাতত কোরানের বানী আর হাদিসের বানী আমার কাছে মূলত একই এবং সেটা হচ্ছে নবী মুহম্মদের নিজেন কথা, সেই হিসেবে কোরআনেও অনেক আয়াত দেখি যেখানে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে যতদিন না আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা হয়, ত সেখানেও দেখতে পাই মূলত যারা তার নবুয়তে বিশ্বাস করছে না অর্থাত তার জীব্রাইল-ইবলিস ইত্যাদি গল্পে বিশ্বাস করছে না, তাদের সাথে যুদ্ধ চলতেই থাকবে,,,,,)

হ্যা আপনার এই কথাটা ঠিক যে বাণু কুরায়জা গোত্রের হত্যার ব্যপারে ভুতের গল্পের উদাহরণ টা ভুল ছিল, যেখানে ব্যপারা ছিল ষড়যন্ত্র। আমি বলতে পারি এখানেও একদম রুট কজ ছিল সেই গল্পের বিশ্বাস নিয়েই (যা জেনেছি আকাশ মালিকের বই থেকে) তারপরেও ব্যাখ্যার অভাবে উদাহরণ টা ভুল বলেই মনে হবে, সেই ভুল কথা বলার দায়িত্ব টি আমি মেনে নিলাম।

তবে এ ব্যপারে আমার অনেক কথা আছে যা আপনি আলোচনা করতে চাইলে আমি বলব।

হুজুর দের ব্যপারে যা বলেছি তা একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে চাচ্ছি এখানে যার কারণে কিছু অফটপিক ঘটনারও বর্ণনা করছি। এই অফটপিক আলোচনার জন্য বিরক্ত হলে আগেই দু:খ প্রকাশ করছি।

হুজুর বলতে আমি মূলত বুঝিয়েছি তাদের কথা যারা আমাদের সমাজে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। আপনি যেসব মওলানা দের কথা বলছেন আমি তাদের মীন করিনি। যাই হোক, আমাদের হুজুররা শুধু নবীর কিছু ভাল ভাল সুন্দর গল্পই বলেন, যুদ্ধ, যৌনদাসী, গনিমতের মাল এসব যে ইসলামে আছে তেমন কোন ধারণাই আমাদের দিতেন না। যার কারণে ইসলাম সম্পর্কে আমরা যে ধারণাটি পাই তা খুবই অসম্পূর্ণ। এটা শুধু আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, আমার চারপাশে যাদের চিনি মোটামুটি অধিকাংশই ইসলাম নিয়ে এই রকব সফট ধারনাটিই পোষন করেন। যখন 'যে সত্য বলা হয়নি' বইটি পড়ি তখনই ইসলামের এত দিক আমার কাছে উম্মোচিত হয় যা আমি আগে কল্পনাও করিনি। ধর্মকারী নামে একটি সাইটে নবী মুহম্মদের কার্টুন দেখলাম জয়নব কে বিয়ে করা নিয়ে, আরেকটি দেখলাম দাসী মারিয়ার সাথে নবী **** এর জন্য স্ত্রী হাফসা কে মিথ্যা বলেছেন যে তার বাবা নাকি তাকে ডেকেছেন। যদিও কার্টুন পড়ে ভেবেছিলাম হয়ত এখানে ইচ্ছা করে কিছু মিথ্যা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কিছু তফসীর আর রেফারেন্স ঘেটে দেখলাম যে, সত্যি, নবীর যখন ইচ্ছা হল জয়নব কে বিয়ে করার, সাথে সাথে আয়াত্এসে হাজীর,,,, এরপর সন্দেহ আরও তীব্র হল, এরপর বিভিন্ন ব্লগে নাস্তিক দের লেখা বিভিন্ন আর্টিক্যাল পড়ে আমার সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়, এরপর কোরআনের মাদানী সূরা গুলোর বাংলা অর্থ দেখে আরও অবাক হয়ে যাই যে এই আয়াত গুলোই আমি আরবী তে সুর করে নামাযে পড়তাম। ত, এখানে আকাশ মালিকের বইটি কেবল একটি সূচনা, মুক্তমনা সাইটেও ইসলামের ব্যপারে যা জেনেছি তাতে আসলেই কষ্ট লেগেছে যে কেমন একটা বিশ্বাস ছোটবেলা থেকে লালন করে এসেছি, কোনদিন ভেবেও দেখিনি যে এটা সত্য হতে পারে কিনা। আমাদের নবী যে যুদ্ধবন্দী নারীকে দাসী বানিয়ে তাকে বিছানায় নিতে পারেন, ব্যপারটা হজম করতেই আমাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। আমার ধারণায় নবী ছিলেন একজন ফেরেশতার মত কোন আলৌকিক অতি মানব।

যাই হোক, আপনি বার বার বলেছেন যে, আমি মিথ্যা বলেছি স্বীকার করতে। আমি এখনও বলছি, আমি যা বলেছি, আমার ধারণা থেকে বলেছি, আপনি যদি প্রমান করতে পারেন যে আমার ধারণা ভুল ছিল, তাহলে ত হয়েই যাচ্ছে যে আমার ধারণা মিথ্যা ছিল। এজন্য যদি আমাকে একটা লাইন লিখতে হয় যে 'আমি ধারণা মিথ্যা ছিল', আমি সে লাইন টি লিখব, তা নিয়ে আমার কোন অসুবিধা নাই। তবে আমি মিথ্যা বলেছি এটা বললে সেটাই আমার কাছে মিথ্যা হবে, কারণ, আমি মিথ্যা বলিনি, আমার ধারণা মিথ্যা কিনা সেটা যাচাই করতেই এসেছি।

== না আমি মাত্র কয়েকদিন হল রেজিস্ট্রেশসন করেছি, আপনার সাথে আগে কখনও কথা হয় নি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই অতিথি ১২৩
"আপনি মিথ্যা বলেছেন" না বলে ভুল বলেছেন বলাটাই বেটার। এই ভুলস্বীকারের জন্য কেন জোরাজুরি করছি, বলি। আপনি এ্যাপারেন্টলি একটা আলোচনা শুরু করতে এসেছেন, তাই না? এবং বারবার বলছেন যে আপনার কোনো প্রিজুডিস নাই, সো, ভুলটা ধরিয়ে দিলেই আপনি মেনে নিবেন। এইজন্য আপনি আলোচনার জন্য বেশ কয়েক পয়েন্টও ধরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সেগুলোতে যাবার আগে আপনি এমনকিছু কথা বলেছেন যেগুলো ভুল/মিথ্যা হবার ব্যাপারে আমি যথেষ্ট যুক্তি উপাত্ত অলরেডি তুলে ধরেছি। কিন্তু সেগুলোর ব্যাপারেই নিজের ভুল শুধরানোর কোনো নমুনা কিন্তু আপনি আমাকে দেখাতে পারছেন না। মূল আলোচনা থেকে আপনি ভুল শুধরাবেন, এই নিশ্চয়তা আমি কোত্থেকে পাচ্ছি?

আবু দাউদ থেকে আপনার তুলে ধরা হাদিস যে কোনোভাবেই নবী নিজে খুন করেছেন তার প্রমাণ না, এমনকী তিনি কাউকে হুকুম করেছেন তারও প্রমাণ না, সেইটা আপনাকে স্পষ্টভাবে বলার পর আপনি সেইটাকে জাস্ট স্কিপ করলেন। অথচ আপনি সেই হাদিস তুলে ধরার আগে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে

নবী যেসব কারণে মানুষ খুন করতেন তার একদম মূল কারণ টি কি ছিল ? হ্যা এটা হতে পারে যে তিনি ধরে ধরে সব অমুসলিম হত্যা করেন নি যা সম্ভব ও নয়, কিন্তু তাদের কে হত্যা করেছেন যারা তার সমালোচনা করে কবিতা লিখেছিল, বিদ্রুপ করেছিল, এটা ত সত্যি ? (যেমন নিম্নোক্ত হাদীস থেকে জানতে পারি)......


আমি বলেছিলাম,
১-ক) আপনি, নবী হত্যা করেছেন, এইকথা বলে তার উদাহরণ হিসেবে একটা হাদিস উপস্থাপন করেছেন যা পড়লে স্পষ্ট বুঝা যায় যে নবী মোটেও সেই হত্যা করেন নি। তিনি নিজে ত হত্যা করেনই নি, ঐ মহিলাকে হত্যা করার নির্দেশটিও তিনি দেননি।


আপনি কথাটাকে জাস্ট স্কিপ করেছেন। আমাকে বলেন এইটা কী ধরণের সত্য খোঁজার পরিচয়?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য।


প্রথমত:
আপনাকে আমি প্রথমে বলেছিলাম যে নবী কিংবা তার সাহাবীদের সাথে সম্পর্কিত যত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা পাওয়া যায়, তার কোনোটাতেই "জীনপরী ভুতে বিশ্বাস" করানোর জন্য হত্যা করার কথা পাওয়া যায় না।

আপনি কথাটা ব্যাখ্যা করলেন এইভাবে যে জীনপরী ভুতে বিশ্বাস= নবীকে না মানা এবং হত্যার ষড়যন্ত্র বুঝাতে চাচ্ছিলেন। এবং তারপরে একটা কমেন্টে বললেন যে
হয়ত সঠিক ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে জীব্রাইল / ইবলিস / ফেরেশতা এদের গল্পে অবিশ্বাসের জন্য।


আপনি কি জানেন যে তৎকালীন আরবে মানুষ ফেরেশতাদের শুধু বিশ্বাসই করতো না, বরং এক ধাপ এগিয়ে তাদেরকে আল্লাহর মেয়ে বলে বিশ্বাস করতো? তাহলে তারা তো অলরেডি ফেরেশতা বিশ্বাস করে!!

দ্বিতীয়ত
মনে করেন, আপনার এই কথার একটা সম্ভাব্য ব্যাখ্যা আমি এইভাবে নিলাম যে নবী যে অদৃশ্য আল্লাহর সাথে ফেরেশতাদের মাধ্যমে তার যোগাযোগের কথা বলতেন, সেইটাতে অবিশ্বাস করাকেই আপনি জীনপরী ভুতে বিশ্বাস বুঝিয়েছেন। কথা বুঝানোর জন্য এইটা কতখানি ইনইফেক্টিভ ওয়ে, সেইটা আপনাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হবে কি? ডাইরেক্ট কথা না বলে এত ঘুরিয়ে আলৌচনা করে আপনি আসোলে কিছূ কি গেইন করতে পারলেন?

এখন দেখি, যদি এ্‌ই ব্যাখ্যাটাকেই গ্রহণ করি আমরা তাহলে আপনার আদি ও আসল বক্তব্যের কী অবস্থা দাঁড়ায়:

আদি অবস্থা:
আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য।


পরিবর্তিত অবস্থা:
আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র অদৃশ্য আল্লাহর সাথে ফেরেশতাদের মাধ্যম হয়ে তার যোগাযোগের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য।


এখন অর্থটা অনেক পরিষ্কার। দ্বীনের নবী শুধুমাত্র তার ...গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্যে বিধর্মীদের গলা কেটেছেন। অর্থাৎ বিধর্মীদের গলা কাটার জন্যে জাস্ট একটা কারণই দরকার ছিলো দ্বীনের নবীর। সেটা হলো, তার ...গল্পে অবিশ্বাস।

মনে করি, আপনার এই কথা সত্য।

তাহলে, এইকথা থেকে আমরা বলতে পারি যে, যারাই দ্বীনের নবীর ...গল্পে অবিশ্বাস করেছে, নবী তাদেরই গলা কেটেছেন।

এইকথা থেকে আমরা বলতে পারি যে, দ্বীনের নবীর হাতে ক্ষমতা আসার পর একটা মানুষও জীবিত ছিলো না যে কি না তার ...গল্পে অবিশ্বাস করতো। কারণ, জীবিত থাকলেই তার গলা কেটে ফেলতেন দ্বীনের নবী। ..................................(১)

[১ নং সিদ্ধান্ত সত্য হলে নবীর ক্ষমতার আমলে কোনো বিধর্মী জীবিত ছিলো না। কথাটা কি সত্যি? যদি সত্যি না হয়, তাহলে {{দ্বীনের নবী শুধুমাত্র তার ...গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্যে বিধর্মীদের গলা কেটেছেন।}}--এই ধারণাকে মিথ্যা বলতেই হয়। কিন্তু আপনার জন্য আরো কথা রয়েছে। নিচে আসুন। ]


তাঁর সাহাবীরাও তাঁকে অনুসরণ করতে বাধ্য ছিলো, কারণ তাকে অনুসরণ না করলে বলা হয়েছে তারা হেদায়াত পাবে না এবং আল্লাহর অনুগ্রহ পাবে না।
সুতরাং আমরা এইকথাও বলতে পারি অনুসিদ্ধান্ত হিসেবে যে তার সাহাবীরাও দ্বীনের নবীর এই "সুন্নাত" অর্থাৎ যাহারাই দ্বীনের নবীর...গল্পে অবিশ্বাস করিবে তাহাদের "কতল" করার রীতিতে অভ্যস্ত হবে।.........................(২)

এই পর্যায়ে ইমাম বুখারী কর্তৃক সংগৃহীত একটি হাদিস:
Mujahid reported that a sheep was slaughtered for 'Abdullah ibn 'Amr. He asked his slave, 'Have you given any to our Jewish neighbour? Have you given any to our Jewish neighbour? I heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, 'Jibril kept on recommending that I treat my neighbours well until I thought that he would order me to treat them as my heirs.'"


আপনি যদি কিছু মনে না করেন, এই হাদিসটার উপর ভিত্তি করে আমি আমাদের ২ নং অনুসিদ্ধান্তকে ভুল ঘোষণা দিতে চাই। কল্লা কাটা তো দূরের কথা, আবদুল্লাহ ইবনে আমর এই বিধর্মীকে খাবার পাঠানোর কথা জিজ্ঞাসা করছিলেন! জ্রিব্রীলের কথাবার্তায় যে রাসুলের মনে হয়েছিলো যে তিনি না আবার প্রতিবেশিকে উত্তরাধিকারের পর্যায়ে নিয়ে যান, সেই কথা না হয় তুললামই না। মনে কোনো ভুল ধারণা রাখবেন না, প্রতিবেশীর প্রতি এই গুরুত্বারোপে সাথে ধর্মী/বিধর্মীর কোনো ভৈদাভেদ নাই, এই হাদিসটা সেইটাই প্রকাশ করে। গতকালই মনে হয় আর একজন ব্লগার এই বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ব্লগে।

আপনি যদি একটু পরিষ্কার চোখ নিয়ে দেখতেন, তাহলে খুব স্পষ্টভাবেই বুঝতে পারতেন, এই হাদিস এই কথাও স্পষ্ট করে দেয় যে দ্বীনের নবী সম্বন্ধে এই ধারণা আসলে একটা ঘৃণ্য মিথ্যা ব্যতীত আর কিছু না যে তিনি শুধুমাত্র তার নবীত্বে অবিশ্বাস করার কারণে বিধর্মীদের গলা কেটে ফেলতেন। দ্বীনের নবী তার সাহাবীদেরকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা শিক্ষা দিয়েছিলেন।

আমার এই যুক্তিতে কোনো ফাক পেলে অনুগ্রহ করে ধরিয়ে দেবেন। যদি না পান তাহলে সেইটাও জানাবেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

আর, বাইদাওয়ে, নবী নিজেকে কখনোই মহামানব বলে ঘোষণা দেন নি। বরং কোরানে খুব স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে, নবী আমাদেরই মতো একজন মানুষ।

অর্থাৎ, নবী নিজেই যদি কোরান রচনা করে থাকেন তাহলে তিনি মানুষকে বলছেন, শোনো, আমাকে মহামানব ভেবো না। আমি তোমাদেরই মতো একজন মানুষ।

আর এটা যদি আসলেই আল্লাহ কর্তৃক নাজিল হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ তার প্রিয় বান্দা সম্পর্কে বলছেন, এই লোকটাকে খবরদার কেউ তোমাদের থেকে আলাদা/অন্য কিছু ভেবো না। সে তোমাদেরই মতো একজন মানুষ।

উভয়ের কোন অবস্থাতে আপনি তাকে "স্বঘোষিত মহামানব" বলার সুযোগ পান?

এই পয়েন্টাও কি আপনি কনভৈনিয়েন্টলি এ্যাভয়েড করবেন?

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

@সাদাতভাই
আলাদা পোস্টে কথা বলবো বলেও আরো কথা বলে ফেললাম। সরি।। মূল আলোচনায় যেতে শেষ পর্যন্ত যদি আগ্রহ পাই, তাহলে আলাদা পোস্ট দেবো। আপনাকে লিংক দেবো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এন্ট্যাই-ভন্ড,
আপনার সৌজন্যে আমার নিয়মটা আপাতত: স্থগিত করলাম। আপনি অতিথি ১২৩ এর সাথে আপনার আলোচনাটা কমপ্লিট করেন।

-সাদাত


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ সাদাতভাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত ও এন্টাই-ভণ্ড,

যিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞানী,,,, তিনি কেন চাবেন মানুষ খুন হোক, বরং তিনি ত চাইলেই আল্রাহর কাছে বলে তাকে অনুগত করে দিতে পারতেন।
এটা দিয়ে যে লোক তর্ক শুরু করে, সে যে কেবল এবং কেবল মাত্রই তর্ক করতে এসেছে তা নিয়ে আপনাদের দ্বিমত থাকলেও, আমার মনে কোনো দ্বিমত নাই।
আমি এই টাইপ লোকদের সাথে আবু জাহলের মিল পাই।

[এই মন্তব্যটা কেবল এবং কেবল মাত্র উপরে উক্ত দুইজনকে করা। তারা ছাড়া বাকি যাদের নাকের গলনাংক কম, তারা দূরে থাকেন।]


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্মকারী নামে একটি সাইটে নবী মুহম্মদের কার্টুন দেখলাম


'জ্বীন পরী ভূত' প্রসঙ্গ কারা টেনে আনে এবং কেন আনে সেটা বর্তমানে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এ প্রসঙ্গে একটি আলাদা পোস্ট দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাদাত,
আপনাকে ধন্যবাদ সৈয়দ হাবিবর রহমান ওরফে আকাশ মালিকের অসততা ধরিয়ে দেবার জন্য। এটা সাধারণ মুসলমান বা সত্য অনুসন্ধানকারীদের পথ দেখাবে। কিন্তু যারা ইসলামের কুৎসা রটনার জন্য নিজেদের নিয়োজিত করেছে, তারা সব রকমের বদ কৌশল এবং প্রতারণা করবে এটাই স্বাভাবিক।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
এই আকাশ মালিকের মত বদমাইশ চরিত্রের লোকগুলো তাদের মিশনে তৎপর থাকবে, তবে আপনার মত ব্যক্তিরা যতক্ষণ সচল থাকবে আকাশ মালিকরা ততক্ষণ গর্তে থাকবে।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতিথি১২৩ বলেনঃ

আমাদের দ্বীনের নবী কিভাবে বিধর্মী দের গলা কেটেছেন শুধু মাত্র তার জীন পরি ভুতের গল্পে বিশ্বাস না আনার জন্য।


বুখারী কর্তৃক সংগৃহীত একটি হাদিস:
Mujahid reported that a sheep was slaughtered for 'Abdullah ibn 'Amr. He asked his slave, 'Have you given any to our Jewish neighbour? Have you given any to our Jewish neighbour? I heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, 'Jibril kept on recommending that I treat my neighbours well until I thought that he would order me to treat them as my heirs.'"

প্রতিবেশীর প্রতি এই গুরুত্বারোপে সাথে ধর্মী/বিধর্মীর কোনো ভৈদাভেদ নাই, এই হাদিসটা সেইটাই প্রকাশ করে।


অতিথি সাহেব এখন কি বলবেন?

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।

glqxz9283 sfy39587p07