Skip to content

আজাদ মাস্টার-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কয়েকটা ফ্যাক্ট

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কালে বুদ্ধিবৃত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং এবং রাজপথের গ্রামের পথে প্রান্তরে জনতার মাঝে গিয়ে যারা আন্দোলন নির্মাণের কাজ করতেন তাদের মধ্যে একটা চমৎকার সমন্বয় ছিলো । আন্দোলনের রূপরেখা কি হবে তা নিয়ে প্রগতিশীল মুক্তচিন্তক এবং মূলধারার রাজনীতিবিদেরা একসাথে আলোচনা শলা পরামর্শ করে ঠিক করতেন । কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় ৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসন , কর্পোরেট বিশ্বায়ন এনজিওকরণে ধাক্কায় এই যে সমন্বয় করে দুই শিবিরের একসাথে কাজ করার সংস্কৃতি ছিলো তা হারিয়ে গেছে বলা যায় ।

মুক্তিচিন্তকেরা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দাতে পরিণত হয়েছেন দুই একটা সভা সেমিনার কিংবা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটিতে তারা সময় ব্যয় করেন অন্যদিকে মূলধারার রাজনীতি হয়ে পড়েছে পুরাটাই রাজপথ দখলের প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা করার দিশাহীন কর্মসূচিতে । এই সঙ্কট থেকে কিভাবে উত্তরণ করা যায় তা নিয়ে মুক্তচিন্তকদের সংগঠন সেক্যুলার ইউনিটি বাংলাদেশ এবং তরুণদের সংগঠন ইয়ুথ ফর পীস এন্ড ডেমোক্রেসী(YPD) বেশ কিছুদিন ধরেই ঘরোয়া ভাবে বৈঠক করে যাচ্ছিল । এই আলোচনার ফলস্বরূপ গতকাল টিএসসির শাহবাগে বিজয় মঞ্চে মত বিনিময় সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।



সেক্যুলার ইউনিটি বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি শামসুল আরেফিন খান কথা শুনছিলাম ঢাবির টিএসটিতে, সন্ধ্যা বেলা জমিয়ে শীত পড়েছিলো কিন্তু উনার ভাষণ প্রাণবন্ত হওয়ায় শুনতে খারাপ লাগছিলো না এছাড়াও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য কোহিনূর আলম কথা বললেন । দুইজনের কথার মেইন পয়েন্টগুলি নোটবুকে টুকে নিচ্ছিলাম ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাহাড়িদের অধিকারের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান

ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান আর্মির আত্ম সমর্পণের মাধ্যমে আমাদের স্বাধিকার অর্জনের যে দীর্ঘ সংগ্রাম চলছিলো তার একটা অধ্যায়ের সফল সমাপ্তি ঘটে । কিন্তু বিজয় অর্জনের চেয়ে তাকে সমুন্নত রাখা আরও কঠিন কাজ ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দৃষ্টি আকর্ষণমূলক পোষ্ট ( জবাব পেলেই মুছে দেওয়া হবে)

আমার ব্লগের দুই ব্লগার ব্লগার চারবাক এবং ব্লগার সন্ন্যাসী পাঠকের সাথে যোগাযোগ করবার কোন মাধ্যম কি কেউ দিতে পারবেন ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রিমিক্স শিক্ষা কোন পথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ?

সকাল বেলায় নাশতা করবার পর পত্রিকার পাতা উল্টাতেই ভিতরের পাতায় বিজ্ঞাপনটা নজর কাড়ল ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কমি বড় ভাইয়ের লগে কথাবার্তা

জামাত ইস্যুতে কেন বামেরা লং মার্চ করে না , এক জোট হয়ে আন্দোলন করেন না যেমনটা তারা তেল গ্যাস রক্ষায় কিংবা ক্যাম্পাসে ইভ টিভিং ঠেকাতে করেন তার একটা মার্ক্সবাদী ব্যাখ্যা এক বড় ভাই কমি তাত্ত্বিক নেত

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চলচ্চিত্রের চালচিত্র: বাংলাদেশ


বছরে মনপুরা কিংবা থার্ড পারসনের মতো দু একটা ভালোমানের ছবি তৈরি হলেও, আমরা কমবেশি সবাই জানি যে বাংলাদেশের চলচিত্র শিল্পের সার্বিক অবস্থা বলতে গেলে ভালো না। ঢাকার সিনেমা হলগুলি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চললেও , মফস্বলের সিনেমা হলগুলি একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লোকসান দিয়ে ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগস্ট ও নভেম্বর এক সুতায় গাঁথা


অনেক সময় অনেক লেখাই পড়ি অনলাইনে কিন্তু সংরক্ষণ করি না , হারিয়ে যায় এখন থেকে ঠিক করেছি কোন কোন লেখা ভালো লাগলে তা নিজের ব্লগে পোস্ট হিসাবে সংরক্ষণ করে রাখবো , ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোহিঙা ইস্যু ইতিহাসের পুনারাবৃত্তি ?

৪৭ এর দেশভাগের পর মানবতার খাতিরে , পূর্ব বাংলার মানুষ দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত উর্দু ভাষি বিহারীদের নিজের ভূখণ্ডে আশ্রয় দিয়েছিলো । শেখ মুজিব নিজে তার গর্ভবতী সহধর্মীনীকে একা ঘরে ফেলে বিহারি মোহাজিরদের পুনর্বাসনের জন্য রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন ( সূত্রঃ ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা বই) । আমি নিশ্চিত এই কাজটা স্রেফ শেখ মুজিব একা করেননি আপনার দাদা নানা কিংবা পরিবারের প্রবীণ বয়স্ক অনেককে জিজ্ঞেস করলে হয়তো জানতে পারবেন , মোহাজির বিহারীদের তারা সাদরেই বরণ করে নিয়েছিলেন কেউবা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের খাতিরে কেউবা স্রেফ মানবতার খাতিরে এই কাজটা করেছিলো । আর বিহারীরা এর প্রতিদান কেমন করে দিয়েছিলো ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিনেমা ভাবনা

বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে মাঝে মধ্যে কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মকাণ্ডের কারনে সবার পাঞ্চিং ব্যাগে , হাসির পাত্রে পরিনত হয় । একটা সময় পাঞ্চিং ব্যাগ হয়ে গিয়েছিলো বিজয় কিবোর্ডের মালিক জব্বার কাগু তিনি জনপ্রিয় বাংলা লেখার সফটওয়ার অভ্রের বিরোধীতা করতে গিয়ে বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে ভালোই ছ্যাচা খেয়েছেন ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাস্টারের বগা দর্শন

বহুযুগ আগে বান্দরবান সদর হতে প্রায় সত্তর কিলোমিটার দুরে কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে গহীন সবুজ অরণ্য এবং পাহাড় ঘেরা একটা জনপদ যাকে আজকে সবাই রুমা উপজেলা নামে চিনে। যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে সেই সময়টা এই দুর্গম এলাকার যাওয়ার জন্য গাড়ির রাস্তা ছিল না, জঙ্গলের ভিতরের পায়ে হাটা পথ অথবা জলপথই ছিল বড় নগরে যাওয়ার একমাত্র অবলম্বন।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07