Skip to content

প্রীতম-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধুর দুইটি দুর্লভ সাক্ষাৎকার

১.
বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হবার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু। এই সময়টিতে বিশ্ব মিডিয়ার ফোকাসের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি, তার সাথে ছিল বাংলাদেশ। দেশে ফেরার পর পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়াই জানতে চেয়েছে তার কথা, তার সাথে কথা বলতে চেয়েছে। এই সাক্ষাৎকারগুলো ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ : একটি আনাড়ি এনালজি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল - ২ কর্তৃক কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পর সে রায় আশানুরূপ হয়নি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কোন বাঙালির কাছে। ওইদিনই এই ঘৃণ্য রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নেমে আসে বাংলাদেশের জনগণ। ঢাকার শাহবাগকে ঘিরে সারা বাংলাদেশেই শুরু হয় এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ। প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল একমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিলোফার চৌধুরী মনি, আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে

বড় অদ্ভুত দেশে বাস আমাদের। এই দেশে দীর্ঘ চার দশক ধরে তার ইতিহাসকে ধর্ষণ করা হয়েছে ক্রমাগত, এদেশের জন্মের বিরোধিতাকারী গোষ্ঠী তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে ঘুরে বেড়াবার স্পর্ধা দেখাতে পেরেছে। এদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা হয়েছে ভারতের ষড়যন্ত্র, দম্ভের সাথে বলা হয়েছে - বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। সেইসব গ্লানির দিন পেছনে ফেলে এসে এই ২০১৩ সালে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি, কয়েকজনের বিচার কাজ শেষও হয়েছে। এসব ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে দেশে এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি করেছে নতুন প্রজন্ম। ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একজন সংসদ সদস্য একটি গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং একজন ভোটদাতা হিসেবে আমি মনে করি এটি এক ধরণের ঔদ্ধত্য এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্লজ্জ অবমাননা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই রায় প্রত্যাখ্যান করলাম মাননীয় বিচারপতি

কী বলবেন? আদালত অবমাননা করছি? তাই সই, গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরেও যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের মতো তামাশা যে আদালত করতে পারে তাকে আসলে অবমাননা করার কিছু নেই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ : একটি চলমান গণহত্যার ইতিবৃত্ত

১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে; বিস্ফোরণ, বারুদ আর রক্তের ফোয়ারার ঠিক মাঝখানে। ভূমিষ্ট হবার পর নয়টি মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে - বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে। এই নয়টি মাস ভুলে যাবার নয়, এই নয় মাসে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যা ঘটেছে তাকে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বিবেচনা করেছে বিশ শতকের সবচেয়ে নৃশংস পাঁচটি গণত্যার একটি হিসেবে, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী এই হত্যার মাত্রা ছিল প্রতিদিনে ছয় হাজার থেকে বারো হাজার মানুষ যার সামষ্টিক পরিমান তিরিশ লক্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি। এই নয়টি মাসে ধর্ষণ এবং আরো অসংখ্য ধরণের শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার লক্ষ বাঙালি নারী। গণহত্যা কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো বিশ্বজুড়ে ঘৃণ্য অপরাধগুলোর যতগুলি প্রকরণ রয়েছে তার প্রায় সবক'টি সংঘটিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

১৪ ডিসেম্বর, ২০১২

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

শুভেচ্ছা জানবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমাদের শোকে মুহ্যমান থাকার কথা ছিল। আমাদের স্মৃতিচারণে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল, কথা ছিল আবৃত্তি এবং সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দেয়ার। সেসব কিছু বাদ দিয়ে আপনার কাছে চিঠি লিখতে বসেছি। আমি নিতান্ত সামান্য মানুষ, বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক, একজন নগণ্য করদাতা। আমার এই ক্ষুদ্র চিঠি আপনার চোখে পড়বে - সেই নিশ্চয়তা আমাকে কেউ দেয়নি। তবুও লিখছি, কারণ কাউকে না কাউকে লিখতেই হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইকোনমিস্ট-আমার দেশের অপপ্রচারণা : ষড়যন্ত্রের নতুন ফ্রন্ট

বাংলাদেশের চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল শুরু থেকেই নানা ধরণের শত্রুর মোকাবেলা করে কাজ করছে। দেশে এবং বিদেশে, মিডিয়ায় অথবা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিরামহীনভাবে চলছে অপপ্রচারণা, ট্রাইবুনালের ইমেজ ধ্বংস করার চেষ্টা, ট্রাইবুনালের কাজকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম


হিনা রাব্বানি এসেছিলেন। হিনা রাব্বানি, মানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন, চলেও গেছেন।সকাল দশটায় এসেছেন, চলে গেছেন বিকেল চারটায়। আসা আর যাওয়ার মাঝখানে এই ছয় ঘন্টায় তিনি করেছেন অনেক কিছুই - ডি-৮ সম্মেলনের দাওয়াত পত্র দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে, সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে,দেখা করেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর সাথেও।তার সাথে সাথে করে গেছেন একটি বড় সড় তামাশা, বাংলাদেশের মানুষকে অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে বলে গেছেন হিনা রাব্বানি। অতীত মানে - ঊনিশশো একাত্তর।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মৃত্যুপুরীতে দশমাস : পাকিস্তানে শেখ মুজিবের বিচার ও বন্দিজীবন - প্রথম পর্ব

মুক্তিযুদ্ধের যেসব অধ্যায় নিয়ে অপেক্ষাকৃত কম আলোচনা অথবা গবেষণা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণটি সম্ভবত পাকিস্তানে বন্দি শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার ও বন্দি জীবন।এবং ঠিক এই অধ্যায়টি নিয়েই জামাত-শিবির তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোপাগান্ডাটি চালায় - শেখ মুজিব ক্ষমতার লোভ ও জীবনের ভয়ে দেশের জনগণকে মৃত্যুর মুখে ফেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07