Skip to content

লোরক-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ঈদে ২০টি পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পারেন আপনি!

গত দুই বছরের মত এবারো আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি কিছু পরিবারের মুখে আনন্দের হাসি ফুটানোর জন্য। কারণ লোরক বিশ্বাস করে- আনন্দ ভাগাভাগি করলে কমে না বরং বাড়ে। ১ম বছর আপনাদের অংশগ্রহণে আমরা হাতে নিয়েছিলা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন বংশীবাদকের পাশে আপনি !!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর সামনে দিয়ে গেলে একটি মিষ্টি বাঁশির সুর প্রায়ই শুনতে পারবেন। ইচ্ছা হোক আর অনিচ্ছা হোক সেই সুর শুনে আপনার একবার হলেও সেই ব্যক্তির দিকে চোখ পড়বে। আর সেই ব্যক্তি হলেন বাউল আব্দুল গফুর বংশীবাদক। আমরা সবাই গফুর ভাই বলে ডাকি। আজ দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর সামনে বাঁশি বাজিয়ে ও বাঁশি শিখিয়ে চলেছেন। ভাগ্য পরিবর্তনের আশা নিয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বাঁশি বাজিয়ে চলেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কত নামী-দামী ব্যক্তিরা আসা যাওয়া করে কেউ যদি একটু সহায় হয় তাহলে ওনার দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন একটি বাঁশির ক্যাসেট প্রকাশ করবেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিলুপ্ত হচ্ছে পরিবার প্রথা সংস্কৃতি !!!

জনাব জায়েদ আহমেদ (ছদ্মনাম) সিড়ি ঘরের কোণে ছোট্ট একটি কক্ষে বসবাস করতেন। অথচ একসময় তার বিত্ত বৈভব দেখে এলাকাবাসী অবাক হত। ঢাকা শহরে রয়েছে তার বিপুল ধন সম্পদ। কিন্তু সময়ের নিষ্ঠুরতা, সন্তানদের অবহেলা, অনাদর আর ভালোবাসার কাঙাল হয়ে তিনি আজ সুবার্তা ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত বৃদ্ধাশ্রমে এ আশ্রয় নিয়েছেন। স্ত্রী-সন্তান আর আত্মীয়স্বজনদের পদভারে মুখরিত ছিল তার চারপাশ। পাঞ্জাবীর পকেটে কিংবা লুঙ্গির কোচরে থাকত শতশত টাকার নোট। সন্তানরা প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পরে তাদের অনাগত ভবিষ্যতকে আরো সমৃদ্ধশালী করার মানসে তিনি সন্তানদের নামে সব কিছু লিখে দিলেন, আর এটাই হল তার সর্বনাশের কারণ। একদিন তিনি স্ট্রোক করে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হলেন, কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে তিনি দেখলেন সবকিছু বদলে গেছে। সন্তানরা আর আগের মত তার কাছে ভিড়ে না। সন্তানদের জামাই বা স্ত্রীরা তাকে অবজ্ঞা করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন মৃত নারীর গল্প

এই সমাজের সকলের কাছে মৃত কিন্তু বাস্তবে জীবিত একজন মানুষের সাথে আপনাদের পরিচিত করে দিতে চাই। ষাটের দশকের স্মৃতি যাদের মনে আছে তারা 'গীতা ঘোষ' কে চিনবেন না তা হয় না। মঞ্চ কাপানো অভিনেত্রী গীতা ঘোষ সেই

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রবীণদের সম্মানে নবীনের ঈদ আয়োজনের গল্প

ঈদের দিন সবাই যখন পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দে মত্ত তখন একাকী নির্জনে সবসময়ে ঈদ পালন করা এক ঝাঁক প্রবীনদের ঈদ এবার অন্যভাবে কেটেছে। ‘তাহাদের সাথে ঈদ’ শিরোনামে লোরক সোসাইটি এর পক্ষ থেকে ঈদের ২য় দ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একান্নবর্তী পরিবার থেকে বৃদ্ধাশ্রম, এরপর কি?


ঋগ্ববেদের বিভিন্ন ঋ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহাদের সাথে ঈদ !!!


একান্নবর্তী পরিবার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভিনদেশের লোকসংস্কৃতিঃ পারস্য নারী চোখে আপনি

‘মাচাঙ’ এর প্রথম সংখ্যায় আমরা প্রাচীন পারস্যের লোকসমাজে প্রচলিত প্রতীকধর্মী কিছু জিনিস পরস্পরের মনের ভাব বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো সে বিষয় সম্বন্ধে জেনেছি। এ পর্বে প্রাচীন পারস্যের আরও কিছু মজার জিনিস জানার চেষ্টা করব।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পেশাজীবিদের পরিচিতঃ কাঁসারু

কাঁসারু (kasaru): যারা কাসা-পিতল দিয়ে গৃহস্থালির ব্যবহার্য তৈজসপত্র তৈরি করে তারা কাঁসারু নামে পরিচিত। অনেকে তাদের কংসকার নামে ডাকেন। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় কাঁসা-পিতলের প্রচলন ছিল। পাল ও সেন রাজাদের শাসনামলে এদেশে ধাতু মিশ্রিত শিল্পের সূচনা হয় বলে কথিত আছে। সেন আমলে কাসারুরা অভিজাত ছিল।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাঙ্গালিদের রসনাভোজঃ নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি

‘‘জাম, রসগোল্লা পেয়ে শ্বশুর
করলেন চটে নালিশ
আশা ছিল আনবে জামাই
গয়ানাথের বালিশ”।


এই প্রজন্মের কোন শিশু যদি এই ছড়া শুনে তাহলে ভাববে শ্বশুরমশাই কত বোকা। বালিশ আনে নাই দেখে শ্বশুর চটে গেছে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07