Skip to content

জৈব জ্বালানী ও খাদ্য সংকট

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২০০৮ সালে খাদ্যমূল্যের উর্ধগতির কথা আমরা জানি,আমাদের উপরও ঝড়টা গেছে। ৩য় বিশ্ব অপ্রকাশিত দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে। ঐ সময় বিশ্বব্যাংক বলেছিল প্রায় ৩৩ টি দেশে খাদ্যমূল্য জনিত মারাত্বক অস্থিতিশীল অবস্থা মোকাবেলা করেছে। বেড়ে গিয়েছিল বেকার সমস্যা, বিভিন্ন দেশের সরকারের রিজার্ভ কমে গিয়েছিল আশঙ্কাজনক ভাবে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুরু হয় হানাহানি ।( লিঙ্ক )




এশিয়ার বৃহত্তম চাল রপ্তানীকারক তিনটি দেশের মধ্যে ভারত ও ভিয়েতনাম সম্পুর্নভাবে চাল রপ্তানী বন্ধ করে দিয়েছিল তাদের আভ্যন্তরীন খাদ্য মজুদের লক্ষ্যে। তবুও এই দুই দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিলই। অন্যদিকে আরেক শক্তিশালী চাল উৎপাদক দেশ চীন তার বিশাল জনসংখ্যার জন্য ৩০০ মিলিয়ন টন খাদ্য সরবরাহের জন্য থাইল্যন্ডের উপর চাপ প্রয়োগ করে খাদ্য সংগ্রহ করে। থাইল্যান্ডের উপর অন্যান্য দেশও নির্ভর করেছিল তখন। রাতারাতি ২০০ ডলারের চালের মূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ৭০০ ডলারে। একসময় থাইল্যান্ডও চাল সরবরাহ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। অন্যদিকে বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের মূল্যও বেড়ে যায়। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ, জ্বালানি খরচ, সেচ ও সারের মতো উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াতে কৃষকের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। যার ফলে কৃষকগণ তাদের ফসলের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়।




২০০৮ এর এপ্রিলের ৭ তারিখে ABC Radio National বলে-
The price of the low quality subsidised rice sold to the poor in Bangladesh has risen dramatically over recent months. Low income Bangladeshi workers are spending most of their pay on rice and eating only twice a day.


২০০৮ সালের পর এখন পর্যন্ত সেই খাদ্য ঘাটতি বিশ্ব কাটিয়ে ওঠতে পারে নি,যতটুকু পেরেছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে সেই ঘাটতি আবারও আগের অবস্থানে চলে গেছে। আমাদের মত কিছু দেশের কৃষকের পরিশ্রম ও সরকারের দুরদৃষ্টির কল্যানে আভ্যন্তরিন মজুদ কিছুটা বাড়ায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিতে পারছি।

খাদ্য ঘাটতি সমস্যার অন্যতম মুল কারন ধরা হয় জৈব জ্বলানীকে (বায়োফুয়েল)

বায়োফুয়েল হলো জৈবপদার্থ, ব্যাক্টেরিয়া, শৈবাল, গাছ হতে তৈরি জ্বালানী। রাসায়নিক ভাবে - ইথানল এলকোহল। ব্যাপকভাবে বলতে গেলে " সাম্প্রতিক মৃত জীবদেহ থেকে উৎপাদিত কঠিন,তরল ও গ্যাসীয় পদার্থ। অনেকেই জীবাস্ম জ্বালানীকে জৈব জ্বালানীর সাথে মিলিয়ে ফেলে। খেয়াল কইরা-

জীবাস্ম জ্বালানী অনেক আগেই কার্বন সাইকেল হতে কার্বন বিমুক্ত হয়ে জ্বালানীতে রূপান্তর হয়েছে,আর জৈব জ্বালানীতে ব্যাবহার না করলে কার্বন বিমুক্ত হয় না।

জৈবজ্বালানীর প্রথম প্রজন্মটি ছিলো খাদ্যশস্য থেকে জ্বালানী তৈরি। এই পদ্ধতিটি মানুষের খাদ্য আর কৃষিজমির উপর ভাগ বসায়। সুতরাং চিন্তা করা হলো অন্য কোন পদ্ধতির।

এলো দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈবজ্বালানী। এই প্রজন্মের জ্বালানী কাজ করতো বিভিন্ন পরিত্যাক্ত জৈব পদার্থ নিয়ে। এক্ষেত্রে সমস্যা দাঁড়ায় বাস্তুসংস্থানে। পরিত্যাক্ত জৈবপদার্থ পচে গিয়ে আবার প্রকৃতিতে ফিরে যেত। এগুলোকে কৃত্রিমভাবে জ্বালানী উৎপাদনে ব্যবহার করলে পরিবেশে এই রিসাইক্লিং হবে না – ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে। তাই দরকার হলো অন্য উপায়ের।

এলো তৃতীয় প্রজন্মের জ্বালানী। এ জ্বালানী তৈরি করা হয় প্রধানত শৈবাল থেকে। শৈবালের প্রয়োজন কার্বন ডাই অক্সাইড, সৌরালোক। ছোট পুকুরে সহজে একদিনের মধ্যেই বিশাল পরিমাণ শৈবাল চাষ করা যায়। এখন বিশ্বে বায়োফুয়েল নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এই শৈবাল নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে। ক্রেগ ভেন্টর, যিনি কিনা গতবছর কৃত্রিম জিনোম দিয়ে পরিচালিত জীবন তৈরি করে চমকে দিয়েছিলেন বিশ্ববাসীকে, এখন ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম (তেল কোম্পানী)-র অর্থায়নে শৈবাল নিয়ে গবেষণা করছেন। ( লিঙ্ক )


বিশ্বব্যাংক বলছে, তিন বছরে খাবারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ৮৩ ভাগ। সম্প্রতি ব্রিটিশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফাম জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী খাদ্যের গড়মূল্য বাড়বে দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্থিতিশীল থাকার ফলে পশ্চিমা দেশগুলো বায়োফুয়েল তথা ইথানলের মতো জ্বালানি উৎপাদন বাড়িয়ে দিচ্ছে। বায়োফুয়েল উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে দরিদ্র দেশগুলোতে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হবে জেনেও এসব দেশ এর উৎপাদন আরো বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে অটল। ২০০৭ সালের বায়োফুয়েল উৎপাদনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পৃথিবীর মোট জৈব জ্বালানির উৎপাদনের শতকরা ৪৩ ভাগ উৎপাদিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, শতকরা ৩২ ভাগ ব্রাজিলে, শতকরা ১৫ ভাগ ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে, শতকরা ৩ ভাগ চীনে, শতকরা ১ ভাগ করে ভারতে ও থাইল্যান্ডে এবং শতকরা ৫ ভাগ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে।

১। আমেরিকায় ৪০% ভুট্টা জৈব জ্বালানীতে ব্যাবহার হয়
২।ইংল্যান্ডে ১৮% জৈব জ্বালানী ব্যাবহার হয় ।
ভুট্টা ও গম দিয়ে এইসব জৈব জ্বালানী যা তৈরি করা হচ্ছে যা দ্বারা অন্তত ছোটখাট কয়েকটি দেশের মানুষের খাদ্য যোগান দেয়া যাবে।




যেহেতু বায়োফুয়েল উৎপাদনের মূল উপাদান খাদ্যশস্য, তাই এর উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা খাদ্যমূল্যে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ প্রভাব ফেলবে। খারাপ পরিণতির কথা জেনেও মার্কিন কংগ্রেস ২০০৫ সালে শুধু তাদের প্রয়োজনে বায়োফুয়েল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা ২০১৫ সাল নাগাদ ৫ হাজার ৭০০ কোটি লিটার এবং ২০২২ সাল নাগাদ ১৩ হাজার ৬০০ কোটি লিটার বায়োফুয়েল উৎপাদন করবে বলে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।


অনেক কিছুই এই গ্রাফে ক্লীয়ার করবে-


ভবিষ্যত সঙ্কট মোকাবেলায় বিশ্বঅভিভাবকরা কি করছে তা মোটামুটি এইখানে আছে। তাই ডিটেইলস বললাম না। তবে বায়োফুয়েল নিয়ে ডঃ বাউলদার পোস্ট আশা করেছিলাম অনেক আগেই। উনি এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ।



বাংলাদেশে জৈব জ্বালানীর ব্যাবহার


অনেক পূর্ব থেকেই বাংলাদেশে জৈব জ্বালানীর ব্যাবহার হয়( কেউ যদি বলেন কেমনে কি তাইলে হাসবো)। আমরা জ্বালানী হিসেবে খড়ি ব্যাবহার করি, গোবর দিইয়ে ঘুটি বানিয়ে পোড়াই আবার সেকেন্ডারি জ্বালানি হিসেবে কয়লা- সবই জৈব জ্বালানী। অধুনা বৈজ্ঞানিক উপায়ে চায়ের দোকানে বাঁশের মত চারকোলের ব্যাবহার পাই। ব্যাবহার পাই বায়োগ্যাসের।

সামগ্রিক বিশ্বে যখন জৈব জ্বালানী নিয়ে হই চই করছে বাংলাদেশ তখন খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। তাই আমাদেরও যে আমদানী নির্ভর জ্বালানীর বিকল্প দরকার তা নিয়ে ভাবার মত আমাদের বালছাল বুদ্ধিজীবীদের টাইম নাই। কিছুদিন আগে কৃষিমন্ত্রী তরল জৈব জ্বালানীর কথা মুখ ফস্কে বলে ফেলেছেন যে এই ব্যাপারে আমাদেরও গবেষনা করা দরকার। Wink অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ২০০৮ সালেই একটা নীতিমালা প্রস্তুত করেছে।


১।২০১৭ এর মধ্যে বায়োইথানল এবং বায়ো-ডিজেল মিলিয়ে বায়োফুয়েল সংমিশ্রণের জন্য ২০% এর লক্ষ্য প্রস্তাব করা হয়েছে৷
২।পতিত/খারাপ হয়ে যাওয়া/প্রান্তিক জমিতে খাওয়া যায় না এমন তৈলবীজ থেকে বায়ো-ডিজেল উত্পাদনের প্রচেষ্টা হবে।
৩।বায়ো-ডিজেলের জন্য দেশজ কাঁচামাল উত্পাদনের উপর জোর দেওয়া হবে। ফ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যেমন পাম অয়েল জাতীয় আমদানীর অনুমতি দেওয়া হবে না। .
৪।বয়ো-ডিজেলের জন্য চারা লাগানো সম্প্রদায়/সরকার/জঙ্গলের পতিত জমিতে উত্সাহিত করা হবে তবে উর্বর, সেচযুক্ত জমিতে উত্সাহিত করা হবে ন। .
৫।বায়ো-ডিজেল তেলের বীজের মাঝেমাঝে পরিবর্তন যোগ্য মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস(এমএসপি), , ঘোষণা করা হবে যাতে উত্পাদকরা ন্যায্য মূল্য পায়। জাতীয় বায়োফুয়েল নীতির মধ্যে আধারিত এমএসপি কার্যপ্রণালী, পরবর্তীকালে যত্ন সহকারে ঠিক করা হবে এবং বায়োফুয়েল স্টিয়ারিং কমিটি দ্বারা বিবেচিত হবে।
৬।তেল বিপণন সংস্থাগুলি (অয়েল মার্কেটিং কোম্পানীবা ওএমসি) দ্বারা বায়ো-ইথানল ক্রয়ের জন্য ন্যূনতম ক্রয়মূল্য বা মিনিমাম পারচেজ়িং প্রাইস উত্পাদনের প্রকৃত খরচ এবং বায়ো-ইথানলের আমদানী মূল্যের ভিত্তিতে নির্দ্ধারিত হবে। বায়ো-ডিজ়েলের ক্ষেত্রে ডিজেলের তত্কালীন বাজারদরের সাথেও সেটা সম্পর্কিত থাকবে।
৭।জাতীয় বায়োফুয়েল নীতি ঠিক করছে যে, বায়োফুয়েলস যেমন বায়োডিজেল এবং বায়ো-ইথানলকে ‘ঘোষিত দ্রব্য’- র এক্তিয়ারে আনা হবে যাতে ওগুলো বাধাহীনভাবে রাজ্যের ভিতরে ও বাইরে আনা-নেওয়া যায়।
৮।নীতির মধ্যে এ-ও বলা হয়েছে যে বায়ো-ডিজেলের উপর কোন শুল্ক আরোপ করা হবে না।
৯।জাতীয় বায়োফুয়েল কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভাপতি হবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
১০।বায়ো-ফুয়েল স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি হবেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারী ।
১১। বায়ো-ফুয়েল গবেষণার জন্য, স্টিয়ারিং কমিটির অধীনে একটা উপ-কমিটি থাকবে, যার নেতৃত্ব করবে বায়োটেকনোলজি বিভাগ, কৃষি মন্ত্রকও গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক , এবং সমন্বয় সাধন করবে নতুন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রক।

১২।প্রধানতঃ জোর দেওয়া হবে গবেষণা, উন্নয়ন এবং প্রদর্শনের ওপর যার মূল লক্ষ্য থাকবে খামার, প্রক্রিয়াকরণ এবং উত্পাদনশৈলী। দ্বিতীয় প্রজন্মের সেলুলোসিক বায়ো-ফুয়েলের প্রতিও লক্ষ্য রাখা হবে।


বোল্ড করা ৯,১০ ও ১১ নং পয়েন্ট দেখেন- কতটুকু গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এই ব্যাপারে। অথচ আমরা বাল ছিইড়া আটি বাধতেছি। স্বনির্ভর না হয়ে পরনির্ভর আমরা থাকবো না কেন ? উল্লেখ্য যে এর আগেও বিএনপি সরকার গুরুত্ব না দেয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ খনিজ বালূ-জিরকন(উপকুলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়,বিশেষ করে কক্সবাজার সৈকতে) আমরা সংগ্রহ করি নাই,যেখানে বুয়েট থেকে বারবার তাগিদ দেয়া হচ্ছিল। এ ব্যাপারে মাটিবাবা কিছু বলতে পারবে মনে হয়।


বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও হাতেগোনা এনজিও নিজস্ব গবেষনায় কিছু জৈব জ্বালানী নিয়ে কাজ করছে , এদের মধ্যে-

বায়োডিজেল-
১। ভেরেন্ডা
২। নারিকেল
৩। পাম
৪। পোঙ্গামিয়া বা করচ
৫। নিম


বায়ো ইথানল-
১। আখ
২। সরগম
৩। কাসাভা


এখন সরকারের দরকার উপযুক্ততা নির্নয় করে পলিসি তৈরি করে ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী কাজ বন্টন করে দেয়া । কৃষি,কেমিক্যাল ইঞ্জনিয়ার,মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এদের প্রস্তুত করতে হবে আগামী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জৈব জ্বালানী উৎপাদন ও ব্যাবহারের কর্মপন্থা ঠিক করার।



একটা আশার খবর

বছরে ৬০ লাখ লিটার বায়োফুয়েল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থা (বিএসএফআইসি)। প্রতিষ্ঠানটি মোটরগাড়ি চালানোর জন্য সরকারি চিনিকলগুলোর উপজাত চিটাগুড় থেকে বিকল্প এ জ্বালানি উৎপাদন করবে।

এজন্য উপযুক্ত প্লান্ট স্থাপনের জন্য সাড়ে চার কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চিনিশিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রনজিৎ কুমার বিশ্বাস।

২০০৬ সালে চিনিশিল্প করপোরেশনের বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সঙ্গে যৌথ গবেষণা শুরু করেন। তারা চিটাগুড় থেকে মোটর গাড়ি চালানো যায় এমন পাওয়ার ইথানল উৎপাদনে সফল হন। পরে পেট্রোলের সঙ্গে শতকরা ১০ ভাগ পাওয়ার ইথানল মিশিয়ে গবেষণার সফলতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হন গষেকরা।

এ সাফল্যের ভিত্তিতে চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থা ২০০৭ সালে পাওয়ার ইথানল তৈরির লক্ষে দর্শনা চিনিকলে (কেরু অ্যান্ড কোম্পানি) একটি প্লান্ট স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করে। পরে তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, কার্বন নিঃসরণ কমানো ও খনিজ তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিশ্বে এখন বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পাওয়ার ইথানলের সঙ্গে পেট্রোল মিশিয়ে গাড়ি চালানো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে সে ক্ষেত্রে তারা সরাসরি সবুজ শস্য ব্যবহার করলেও বাংলাদেশ এই প্রথম কোনো উপজাত থেকে ইথানল তৈরি করছে বলে চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ চিনিশিল্প কর্পোরেশনের মালিকানাধীন দর্শনা চিনিকলের (কেরু অ্যান্ড কোম্পানি) ডিস্টিলারিতে কয়েক বছর আগে অ্যালকোহল তৈরির জন্য একটি প্লান্ট বসানো হয়। প্লান্টটি বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। অব্যবহৃত এই প্লান্টেই পাওয়ার ইথানল উৎপাদনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের চিনিকলগুলোতে প্রতি বছর চিনির উপজাত হিসেবে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টন চিটাগুড় পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টন দর্শনা চিনিকলের ডিস্টিলারিতে স্পিরিট ও অ্যালকোহল তৈরিতে ব্যবহার হয়। এছাড়া এর কিছু ভারতে রফতানি ও ২৫ থেকে ৩০ হাজার টন বেসরকারি ডিস্টিলারি, গোখাদ্য ও বিড়ি কোম্পানিগুলো ব্যবহার করে। এরপরও দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার টন চিটাগুড় উদ্বৃত্ত থাকে। যা দিয়ে বছরে প্রায় ৬০ লাখ (৬ মিলিয়ন) লিটার পাওয়ার ইথানল তৈরি করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

প্রকল্পটি সম্পর্কে বাংলাদেশ চিনিশিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রনজিৎ কুমার বিশ্বাস বাংলানিউজকে বলেন, ‘সাড়ে চার কোটি টাকার এ প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা আছে।’

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল পোষ্ট। বাসায় যেয়ে পড়ে উত্তর দিব smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে লিখেছেন। আমি সামান্য কিছু পড়া সুনা করেছিলাম এক সময়ে। নিন্দুকদের মতে এটা এক ধরনের হরি লুটের কারবার। যেমন প্রতি লিটারে যে পরিমান উৎপাদন খরচ পরে এবং জৈব জ্বালানীর ব্যাবহারের প্রয়োজন হয় তাতে এই ধরনের প্রকল্প পুরাটাই ভর্তুকি নির্ভর। যেমন ভুট্টা চাষ থেকে শুরু করে মিথানল পর্যন্ত আসতে বিভিন্ন ধাপে ডিজেল ও বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। শ্রম শক্তিও আছে এর সাথে। এসবের মিলিত মূল্য মিথানের মূল্যের চেয়ে বেশি পড়ে। আবার জৈব জ্বালানীর সংরক্ষন যে কথা বলা হয়ে থাকে তাও ফাঁকি। পরিবেশ বান্দব তকমা দিয়ে সরকারি টাকা খেয়ে ফেলার ধান্দা। সম্ভবত বেসরকারি ক্ষাতে কোন প্রতিষ্ঠান এটা করছে বলে জানা যায় না।

আপনার মত পেলে ভাল হত। জ্ঞান পোক্ত হত।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে বাংলাদেশে খাদ্যশষ্য দিয়ে বায়োফুয়েলের কোন চিন্তা নাই জানি। উন্নত বিশ্বেই সেটা হচ্ছে। তবে আপনের জানানোর ব্যাপারে বাউলদার অপেক্ষা করলে ভালো হয়।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হু

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অর্ধেক পড়ছি........... বাকীটা পড়ে পড়ুম ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থাক আর কষ্ট করার দরকার নাই Wink

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো তথ্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা সামাজিক ব্যবসার রাস্তা আছে এইখানে। ফান্ড কি পাওয়া যাবে Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Davie Davie

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিঃ বেকা। আপনি এইসব তথ্য উপাত্ত নিয়া কি গবেষণা শুরু করলেন? এর থেকে আশা করি ভাল কিছু একটা বের হবে। ভোটের সময় হাত উচাইয়েন। ভোট দিমু। জিতলে কইলাম জ্বালানী মন্ত্রনালযয়ের দায়িত্ব নিতে হইব।
খুব ভাল পাইছি। অনেক ধইন্যা।।।।।

-----------------------
মনের শুদ্ধতাই পবিত্রতা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেইখানে সেইখানে বামহাত না ঢুকাইলে হয় না?

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিখতে না চাইলে এইধরনের পোষ্টে না ঢুকাই উচিৎ smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা বিষয় বুঝলাম না। পেট্রোলের সংগে ১০ ভাগ ইথানল মিশিয়ে সফলতা পাওয়া গেছে, তার মানে কি উৎপাদিত ইথানল ব্যাবহার করার জন্য বাকী ৯০ ভাগ পেট্রোল লাগবে? তাহলে আর কি লাভ হলো?
যতদূর শুনেছি, বাংলাদেশে সামগ্রীকভাবে যে পরিমান কয়লা ভূগর্ভে আছে, তা দিয়ে একশ বছরের কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র চলতে পারবে। তো সেই কয়লা উত্তোলনে খালেদার সরকার সাদামাটা উদ্যোগ গ্র্রহন করলেও হাসিনা সরকার উত্তোলনের কোন আগ্রহ তো দেখাচ্ছেই না, উপরন্তু আমদানী নির্ভর কয়লা চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার কথা ভাবছে। কেন এমনটা করছে? বাংলাদেশের কয়লা রিজার্ভ হিসেবে রেখে দিতে চাচ্ছে? সে ক্ষেত্রে আমরা তো এটা ভেবে গর্ব করতেই পারি যে আমাদের নেতা-নেত্রীরা আগামী একশ বছর পরের জ্বালানী চাহিদার কথা এখনই ভেবে রাখছেন! Wink

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু তাই না ইন্জিনের কনভার্সনও লাগবে। কার্বুরেটরের মডিফিকেশন ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না সাথে কমপ্রেশন রেশিও পাল্টাতে হবে। সের এর উপর সোয়া সের Wink সরকারী মাথা বলে কথা Stare

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিস্ত্রী আইয়া পড়ছ,এইটা তোমার ব্যাপার

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেহেতু বায়োফুয়েল উৎপাদনের মূল উপাদান খাদ্যশস্য, তাই এর উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা খাদ্যমূল্যে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ প্রভাব ফেলবে। খারাপ পরিণতির কথা জেনেও মার্কিন কংগ্রেস ২০০৫ সালে শুধু তাদের প্রয়োজনে বায়োফুয়েল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।


মার্কিন নীতি খুবই এগ্রেসিভ।
ভাল লেখার জন্য মাইনাস। মাইনাস এই কারনে যে আপনের এই গভেষনা টাইপের লেখাগুলিরে হিংসাই। Laughing out loud

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মার্কিন নীতি খুবই এগ্রেসিভ।
ড: বান্দর এই নীতিতে আস্থা রাখে। আপনিও রাখুন। ভোগবাদের জয় হউক Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনেরেও কইলাম হিংসাই

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা জিনিস ক্লিয়ার হইলনা, আমরা যদি বায়ো ফুয়েল উৎপাদন করতেই যাই, তাহলে ও খাদ্য শস্যের উপর চাপ পড়বে, যেহেতু বললেন খাদ্যশস্য এইটার কাচামাল।
এখন আমাদের খাদ্যশস্য আমদানির চেহারাটা কেমন? এইখানেও কি অনেক পরিমানে আমদানি করা লাগে?

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খাদ্য শস্য ভিত্তিক জ্বালানী উৎপাদন বাস্তব সম্মত হবে না। আরও বিকল্প আছে আমাদের সেদিকে তাকাতে হবে।

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খাদ্য শস্য নষ্ট করার আমাদের সুযোগ নাই। তাই বলেছিলাম

বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও হাতেগোনা এনজিও নিজস্ব গবেষনায় কিছু জৈব জ্বালানী নিয়ে কাজ করছে , এদের মধ্যে-
বায়োডিজেল-
১। ভেরেন্ডা
২। নারিকেল
৩। পাম
৪। পোঙ্গামিয়া বা করচ
৫। নিম
বায়ো ইথানল-
১। আখ
২। সরগম
৩। কাসাভা


সুযোগ একেবারেই নাই তা না,যদি আমাদের শস্য বিক্রি করে যা আয় করি আর ফুয়েল কেনার জন্য তার চেয়ে বেশি খরচ হয় অথচ ঐ টাকায় দেশেই উৎপাদন সম্ভব তাহলে হয়ত।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তৃতীয় বিশ্ব তথা বাংলাদেশে ভূমির পরিমাণ কম তাই আমাদের উচিত না ভুট্টা চাষে আগ্রহী হওয়া । যদি আগ্রহী হয়ে উঠি তবে আমাদেরকে চাল কিনে খেতে হবে একশত টাকার উপর । এ নিয়ে আমি বিশাল একটা পোস্ট দিয়েছিলাম

___________________________________
অত্তাহি অত্তনো নাথো কোহি নাথো পরসিয়া (গৌতম বুদ্ধ)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার ঐ পোস্ট পড়া আছে,দারুন পোস্ট ছিল

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত্ত বড় পোস্ট!! Puzzled


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটা বড় পোস্ট Shock

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দরকারি লেখা-আমাদের মতো গরীব দেশের জন্য।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Shock

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেহেতু বায়োফুয়েল উৎপাদনের মূল উপাদান খাদ্যশস্য, তাই এর উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা খাদ্যমূল্যে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ প্রভাব ফেলবে। খারাপ পরিণতির কথা জেনেও মার্কিন কংগ্রেস ২০০৫ সালে শুধু তাদের প্রয়োজনে বায়োফুয়েল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা ২০১৫ সাল নাগাদ ৫ হাজার ৭০০ কোটি লিটার এবং ২০২২ সাল নাগাদ ১৩ হাজার ৬০০ কোটি লিটার বায়োফুয়েল উৎপাদন করবে বলে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।


আমেরিকা তাই করবো। যেমন একসময় বৃটিশরা নীল দিয়া করছিলো।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পোস্ট।

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়া শেষ করলাম। আমার আগ্রহের বিষয়ে পোষ্ট দেওয়ার জন্য ধইন্যা ব্যাকারে smile :) :-) এইবার আলুচনা করি

জৈব জ্বালানীর জন্য যে কয়টা উপায় আছে মোটামুটি সব কিছুই আসছে পোষ্টে। আমাদের দেশে মুলত বায়োগ্যাস প্রযুক্তি আর উন্নত চুলা নিয়া কাজ হইছে ভাল। বায়ো ডিজেল নিয়া যে সব গবেষনা হইছে তারে ঘবেষনা বলাই ভাল। বায়োডিজেল করার প্রকৃয়া বেশ সময় সাপেক্ষ আর দামী ফলে এইটা দিয়া বায়োডিজেল পাওয়া গেলেও দাম নাগালের বাইরে। ভারতে মুলত খাদ্য শস্য ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্লান্ট নিয়া কাজ হচ্ছে প্রচুর। স্টার্চ বা শরকরা আছে যে সব শস্যে তা বায়োগ্যাস এর কাচামাল হিসাবে বেশ উপযোগী কারণ এতে অল্প পরিমাণ ইনপুটে অনেক বেশী আউটপুট পাওয়া যায়। এর অপারেশন স্টার্টিং টাইম, ইফুইলিয়েন্ট বা বর্জ কম (পরবর্তীতে সার হিসাবে ব্যবহার যোগ্য), তৈরী ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম এবং বোতলজাত করে ব্যবহার করা যায়। জার্মানী বা ইউএস এর মত দেশ মুলত এই কাজটিই করছে খাদ্য শস্য ব্যবহার করে। ইথানল তৈরী করার প্রকৃয়া জটিল, দামী ও সময় সাপেক্ষ বিধায় এর ব্যবহার তুলনামুলক কম। ইথানল জ্বালানী হিসাবে সরাসরি ব্যবহারও করা যায় না সাথে জীবাশ্ম জ্বালানীর দরকার হয়।

আমাদের দেশে উন্নত চুলা ও বায়োগ্যাস (জৈব বর্জ ভিত্তিক) এর সম্ভাবনা রযেছে। উডগ্যাস ভিত্তিক (বড় ধান কল গুলোতে করা সম্ভব) প্রকল্প যথেস্ট বাস্তব সম্মত।


এইব্যাপারে কারও আগ্রহ থাকলে পোষ্টে বিষদ আলোচনা হতে পারে smile :) :-)

ব্যাকা চাচ্চুরে আবারও ধইন্যা। Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সিরিয়াসলী একটা কথা জিগাই,উন্নত বিশ্বে কি মানুষ্যবিষ্টা দিয়ে বায়োগ্যাস প্লান্ট আছে ? আমাদের দেশে পাবলিক যে হারে গামলা ভইড়া খায় তাতে বর্জ্যটাও বেশি হবে। এইটা দিয়া কোন প্লান্ট করলে তা রান্নায় না হোক ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ব্যাবহার করা যায় না ?

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জি, এটা করা অবশ্যই সম্ভব। ঢাকার অনেক মাদ্রাসা এবং সিলেটের অনেকগুলো ফার্মে এই জাতীয় প্রকল্প সাকসেসফুলি রান করছে। সমস্যাটা টেকনলিজতে বরং কালচারাল। যারফলে এই জাতীয় বায়োগ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার করতে চায় না। কমার্শিয়াল হাইরাইজ বিল্ডিংগুলোকে এই প্রকল্পের আনতে পারলে বায়োগ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদন করাও সম্ভব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেনীর সোনাগাজীতে একটা মাদ্রাসায় রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় । নাইটসয়েল (মানুষের বর্জ্য) থেকে ভাল মানের রান্নার উপযোগী গ্যাস পাওয়া যায় তবে বোতল জাত করে ব্যবহারে পরিশোধন খরচ বেশী হবে (সালফার এর পরিমান বেশী )

কমিউনিটি ভিত্তিক নাইটসয়েল বায়োগ্যাস প্রকল্প ভাল হতে পারে। smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাই নাকি Shock তারপরও মাদ্রাসায় Tongue

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বায়োগ্যাস ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিন্তু মাদ্রাসা ওয়ালারা ওয়ান স্টেপ এহেড Wink smile :) :-) Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাইতো দেখছি Tongue

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন আমাদের কি হবে !!! Sad

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৪। পোঙ্গামিয়া বা করচ


Shock

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট জটিল হইছে (না পইড়া)।

বস একখান কবতে পুষ্ট দেন।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় আমাদের নীতিনির্ধারকদের মোটা মাথায় হ্যামার মেরে এইসব জিনিস ঢুকানো দরকার। তাছাড়া, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে হাইরাইজ বিল্ডিং ছাদগুলোও সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের মুল প্লানের আওতায় আনাটাও জরুরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাইরাইজ বিল্ডিং ছাদগুলোও সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের মুল প্লানের আওতায় আনাটাও জরুরী।
এইটা মোটেও ভাল বুদ্ধি না। এখানে নাইটসয়েল ভিত্তিক প্লান্ট করা খরচ ও পরিবেশগত ভাবে সবচেয়ে ভাল। সেপটিক ট্যাংক এর খরচ দিয়ে প্লান্ট হয়ে যাবে আর বর্জ্যও পরিশোধনের ব্যবস্থা হবে সাথে গ্যাস smile :) :-) ফিল্টারিং করে তা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যাবে যদি প্রয়োজন হয় নতুবা রান্নার কাজে।

সোলার সিস্টেম বসাতে গেলে অতিরিক্ত প্রাথমিক খরচ্ প্লাস বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এ নতুনত্ব আনতে হবে যা খরচ ই বাড়াবে সাথে আছে দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাটারীর খরচ, তার দ্বারা সৃষ্ট পরিবেশগত কারন ও হাইলি স্কিলড ম্যানপাওয়ার রিকোয়ারমেন্ট smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে আমি সোলার সেলেরে কথাটা বলেছিলাম ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলা আর এর সাথে সম্পর্কিত 'ল্যান্ড রিকোয়ার্মেন্টস' কে মাথায় রেখে। তবে আপনার কথা অনেক লজিক্যাল এবং এটা গ্যাস সংকট মোকাবেলায় লো কস্ট ও ইফেক্টিভ একটা প্রদক্ষেপ হতে পারে। কিন্তু এর জন্য দরকার একটি শক্তিশালী লিডারশীপ যা পুরো জাতিকে ড্রাইভ করতে পারে টোয়ার্ডস দ্যা গোল। কারণ এর সাথে কিন্তু আমাদের অভ্যাসগত কিছু ব্যাপার স্যাপারে পরিবর্তন আনা জুরুরি। বুঝতেই তো পারছেন এই জাতীয় বায়োগ্যাসে রান্না করার ব্যাপারটা সহজেই গ্রহন করতে চাইব না smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গ্রেট পোস্ট বেকা ভাই। বায়ো ফুয়েলও মনে হয় সঠিক সমাধান না। যেহেতু এটা পরিবেশে কার্বনের পরিমাণ বাড়াবে। ভর্তুকি দিয়েই যদি শক্তি উৎপাদন করতে হয় তবে সোলার এনার্জি এবং হাইব্রিড রিনিউয়েবল এনার্জির দিকে মনোনিবেশ করা উচিত।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আড্ডায় একটা লিঙ্ক দিছি আপনেরে ট্যাগ কইরা দেইখেন একটু

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বস সোলার বা হাইব্রীড পাওয়ার সাপ্লাই তৈরী, পরিবহন আর ইনস্টলেশন করতে যে কার্বন টা নি:সরন হইব তা হিসাবে নিয়েন smile :) :-)

কার্বন নি:সরন আসলে প্রযুক্তির ব্যবহার কমিয়ে বা প্রযুক্তিকে বাদ দিয়া সম্ভব হবে না। কার্বন নি:সরন কমানোর জন্যই প্রযুক্তি লাগব আলাদা করে। এই প্রযুক্তি হতে পারে আমাদের কৃষি। টেরাপেট্রা টেক ব্যবহার করে মাটিতে এক্টিভেটেড কার্বন এর পরিমান বাড়ানো যাইতে পারে যা নি:সরিত কার্বন কে ধরে রাখবে । এর ফলে তিনটা সুবিধা পাওয়া যাবে

১। মাটির ফিজিক্যাল গুনাগুন বাড়বে
২। কার্বন নি:সরনের বিরুদ্ধে একটি প্রকৃয়া চালু থাকবে
৩। মাটির পানি ধারন ক্ষমতা বেড়ে মরুকরন প্রকৃয়া ধীর করবে

কস্ট ইফেক্টিভ হলে টেকনোলজী বন্ধ করার কোন যুক্তি নাই। বিরুপ কিছু থাকলে তাকে প্রতিরোধ করার টেকনোলজী ডেভলপ ও ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধমাধম নির্দেশিত উপায়ে হিলিয়াম থ্রীই হইল আসল সমাধান।

কি সব খাওয়দা দাওয়া বিষ্ঠা নিয়ে টানাটানি চলতাছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যার,পোস্টের একজায়গায় ছোট্ট করে একটা নাম আছে আপনের,যদি জানা থাকে ব্যাপারটা জানালে বাধিত হব।


কি সব খাওয়দা দাওয়া বিষ্ঠা নিয়ে টানাটানি চলতাছে।

ইহা যে কত উপকারী জানেনই,যদি না জানেন তাইলে জায়গামত সেলাই করে দিবানে ,বুঝবেন,কয়টা গমে কতটুকু আটা

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট এখনো দেখি নাইক্কা, টাইম লাগবো পড়তে।

জিরকন মিরকন নিয়া তেমন কিছু জানি না, অনেক আগে শুনছিলাম যে হাজার হাজার কোটি টাকা নাকি কক্সবাজারের বালুতে পইড়া আছে, শুধু টোকায়া নেওয়নের অপেক্ষা।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্ল্যাকগোল্ড নিয়া এইখানে একটু পাইলাম

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধমাধম মাইট্যা এই হিলিয়াম পাইতে পাইতে আমরা আপনার আরশে ঘুমাইয়া যামু Wink

বাতিলদেবের ভাষায় বলতে হয় হে বাতিল মাহামুদ আপনি ও আপনার ধমাধম ততদিনে পটল তুলিবে Wink

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাগো মতন কম ঈমান ওয়ালা ছাগু খাওয়া ধমাধমিদের জন্যই তো আজ জাতির এই অবস্থা। কাফের নাছারা ইয়াহুদীগন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেইক্কা আমাগোর হিলিয়াম থ্রী চুরি কইরা নিয়া যাইতাছে আর আপনেরা ব্লগে ব্লগে বিষ্ঠার খোঁজ করেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাতিলবাবার মহিমা বোঝা দায়
সবাই তোরা ধমাধমের হুডের নীচে আয় Wink

ধমাধমের জাতীয় খাবার কাচ্চী করবার জন্য আপনার সদয় আজ্ঞা হয় smile :) :-)

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

" এর আগেও বিএনপি সরকার গুরুত্ব না দেয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ খনিজ বালূ-জিরকন(উপকুলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়,বিশেষ করে কক্সবাজার সৈকতে) আমরা সংগ্রহ করি নাই" - এব্যাপারে ৯৬-২০০১, ০৮-২০১২ সালের আওয়ামী সরকারগুলি কি করেছে জানতে পারি কি?

লাভজনকভাবে খনিজ আহরন করা সম্ভব হলে দুনিয়ার মাইনিং কোম্পানীগুলিই লাইন ধরতো প্রজেক্ট হাতে নিয়ে, সরকারের এব্যাপারে বেশী কিছু করতে হতো না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেলিন সাব সাবমেরিন ক্যাবল জানি কেমনে আইছে দেশে ? আপনে কি উপদেস্টা মন্ডলীতে ছিলেন ? এই ব্যাপারে কিছু জানলে কথা কন আর নাইলে অফ যান পিলিজ। সব জায়গায় রাজনীতি দেখাইয়েন না।

জিরকন মে বি পারমানবিক চুল্লিতে লাগে। এইটার তেমন কোন ডাইরেক্ট কার্যকারীতা নাই মে বি।

অট: পরামর্শক ও আর এন্ড ডি প্রতিষ্ঠানের মইধ্যে পার্থক্যটা জানি কি উস্তাদ ?

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উল্লেখ্য যে এর আগেও বিএনপি সরকার গুরুত্ব না দেয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ খনিজ বালূ-জিরকন(উপকুলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়,বিশেষ করে কক্সবাজার সৈকতে) আমরা সংগ্রহ করি নাই,যেখানে বুয়েট থেকে বারবার তাগিদ দেয়া হচ্ছিল। এ ব্যাপারে মাটিবাবা কিছু বলতে পারবে মনে হয়।


জ্বী এই ব্যাপারে আমি অজ্ঞ,তাই মাটিবাবার কাছ থেকে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি তেমন বললেন না। এইখানে দেখতে পারেন।

গবেষকরা একটা সফল গবেষনা করার আগে নিশ্চয়ই কোন ব্যাপারে রেজাল্ট দিতে পারবে না। কাজেই ৯৬-০১ এর সরকার পরবর্তি সরকারের সময়ের গবেষনার দায় নিবে না।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ভালো হয়েছে।

রাজাকারদের বিচার চাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট ষ্টিকি করায় ধন্যবাদ
আলুচুনা চলুক

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আমি খুলনার এক মাদ্রাসায় নাইটসয়েল ব্যবহার দেখেছি।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম,মাদ্রাসা তাইলে ফাস্ট এই ব্যাপারে

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছুদিন আগে রামগড় ও খাগড়াছড়ির কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গিয়েছিলাম তারা সারা মাসের কাঁঠাল সারা মাস ধরে উৎপাদন করবার মতো পিঁয়াজের জাত বের করেছেন কিন্তু দু;খের বিষয় স্থানিয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তারা এই সম্পর্কে কিছুই জানেন না
গবেষণা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তারা নাকি স্রেফ গবেষনা করেই যেতে পারেন এইগুলাকে সাধারন মানুষেরর কাছে তুলে ধরার জন্য নাকি আরেকটা সরকারি ডিপার্টমেনট এই সমন্বয়হীন অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগল

খাদ্য ঘাটতি দুরে করতে নাকি আফ্রিকা মহাদেশে কৃষি জমি লিজ নিয়ে চাষি পাঠিয়ে খাদ্য উৎপাদন করা হবে এই রকম একটা খবর মাঝেখানে পত্রিকায় পড়েছিলাম এই সর্বশেষ আপডেট কি ?

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রামগড় ও খাগড়াছড়ির কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গিয়েছিলাম তারা সারা মাসের কাঁঠাল সারা মাস ধরে উৎপাদন করবার মতো পিঁয়াজের জাত বের করেছেন কিন্তু দু;খের বিষয় স্থানিয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তারা এই সম্পর্কে কিছুই জানেন না


কোন জাত বের করার মত হলে পরপর কয়েকবার ট্রায়াল দিতে হয়। অতঃপর জাত হিসেবে নির্বাচনের জন্য কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত রিভিউ কমিটির হাতে দেয়া হয়। তারা আবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রায়াল দিয়ে গড় রেজাল্ট জাত নির্বাচনের জন্য উপযোগী হলে সরকারের নিকট জাত হিসেবে অনুমতির সুপারিশ করে। সেটা জাত হিসেবে ছাড় করনের পর কৃষি সম্প্রসারনের হাতে দেয়া হয় প্রচারনার জন্য আর বিএডিসির হাতে দেয়া বীজ মাল্টিপ্লিকেশনের জন্য,আর চারা উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টারের হাতে দেয়া হয়। পুরা ব্যাপারটাই একটা দীর্ঘমেয়াদী সিস্টেম। জাত ঘোষনা ছাড়া কৃষকদের জানানো হয় না।

খাদ্য ঘাটতি দুরে করতে নাকি আফ্রিকা মহাদেশে কৃষি জমি লিজ নিয়ে চাষি পাঠিয়ে খাদ্য উৎপাদন করা হবে এই রকম একটা খবর মাঝেখানে পত্রিকায় পড়েছিলাম


খাজনার চেয়ে বাজনার খরচ বেশি,তাই আপাতত অফ।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেইন ট্রির ফল গুলো পাকলে মিষ্টি স্বাদ লাগে। অনেকটা তেতুলের মত দেখতে। এই ফল গুলো থেকে বায়োইথানল এবং বীজ থেকে বায়োডিজেল করা যেতে পারে।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব ফল বা বীজে কম বেশি তেল থাকে,কিন্তু সেটা লাভজনক কিনা সেটার জন্যই গবেষনা দরকার

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটাই পুরোটা পড়তে চাইছিলাম --- কিন্তু কমেন্টগুলো পড়লাম smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাঁটার পোষ্ট দিয়াই যাত্রা শুরু করতাছি

আইছে রে....লুল রে লুল....

glqxz9283 sfy39587p07