Skip to content

দীপুমনি, আপনার মাধ্যমে ইকতা দাইতু বিহাজাল সরকার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুপ্রিয় দীপুমনি,
রাত আড়াইটা বাজে, কিন্তু ঘুমাতে যেতে পারছি না। বয়েস হয়ে যাচ্ছে, অল্পতেই অস্থির হয়ে পড়ি, নার্ভের উপর চাপ পড়ে। আজকে এই চাপ তীব্রভাবে বেড়ে গেছে এনডিটিভির ভিডিও ফুটেজটি দেখে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে একদল বিএসএফ সদস্য অমানবিকভাবে মারতে মারতে এক বাংলাদেশীকে বিবস্ত্র করে ফেলেছে। চোখের সামনে আর টেলিভিশনের পর্দায় এরকম অমানবিক মারামারি আমি অনেক দেখেছি, আমাদের নিজেদের পুলিশ-বিডিআরের মুখোমুখি হয়ে রাজপথে সতীর্থদেরকেও মার খেতে খেতে অজ্ঞান হয়ে পড়তে দেখেছি অনেকবার; তবু এনডিটিভির এই ভিডিওটি আমাকে স্থির থাকতে দিচ্ছে না। বিষয়টি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পত্রিকার পাতায় যা আসে তার চাইতে কয়েক হাজারগুন বেশি নির্যাতন প্রতিনিয়ত আমাদের সীমান্তবর্তী মানুষগুলোকে হতে হচ্ছে বিএসএফ এর কাছে। এই মারামারির দৃশ্যটা আমাকে ক্ষুব্ধ করেছে এর নির্যাতনের ভয়াবহতায় নয়। আগেই বলেছি এরকম ভয়াবহ নির্যাতনে আমরা অভ্যস্ত।
এই ভিডিওটির শারিরীক নির্যাতনের চাইতেও আমাকে যা বেশি অস্থির করেছে সেটি হচ্ছে এর মাঝে প্রকাশিত সুক্ষ অপমানটুকু। এই অপমান একজন বাংলাদেশীর নয়, এই অপমান আমরা ষোলকোটি বাংলাদেশীর, আমার তো বটেই, আপনারও।

ইদানীং কেন যেন মনে হয় ভারত আমাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা বাড়িয়ে দিয়েছে। এর তালিকা যদি করতে বসি গো আপা, তাহলে কয়েকরাত কীবোর্ড চেপেও হয়তো শেষ হবে না। সে চেষ্টায় না যাই। দেখলেন তো, এই গত সপ্তাহে আমাদের সাধের মমতাদিও বললেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সীমান্তে চলে গেছে। কী বুঝাতে চাইলেন উনি, সেটা উনিই ভালো জানেন, তবে সাধারণ বাংলাদেশী হিসেবে আমার কাছে তা মোটেও ভালো লাগল না।

এই যে অপমানটুকু আমাদের ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে, এর পেছনের কারণটা জানেন দিদিমনি? এর পেছনের কারণ আপনি এবং আপনার প্রধানমন্ত্রী। আপনার অতি সজ্জন মানুষ, ভদ্র-সুশীল-মার্জিত। পাশের দেশের লোকজনকে দেখলে তাই আপনারা ভদ্রতার চূড়ান্ত করেন। কিন্তু আপনাদের বডি ল্যাংগুয়েজে কেন যেন এক প্রকার আয়ত ভঙ্গি, নিবেদনের ইঙিত, ক্ষুদ্রতার ছাপ লেগে থাকে। আমার মতো সাধারণ মানুষের চোখে এরকমই যদি লাগে, প্রবল প্রতাপশালী ভারতের চোখে সেটি নিঃসন্দেহে আরো বেশি আকারে লাগে।
আর তাই আপনাদের বিনয়কে দুর্বলতা ভেবেই হয়তো তারা আমাদের সঙ্গে কাঙালের মতো আচরণটা বাড়িয়ে দিচ্ছে দিন কে দিন।

প্রিয় দীপুমনি,
আমি জানি, ভারতের সঙ্গে লাঠিসোটা নিয়ে মারামারি করার মতো নির্বুদ্ধিতা আমরা কখনোই দেখাতে পারব না। অনেক অনেক ব্যাপারেই তাদের সঙ্গে সমঝে নিয়েই আমাদের চলতে হবে। আমরা সামরিক শক্তিতে দুর্বল।
কিন্তু আমরা কি নৈতিক শক্তিতে, আত্মসম্মানে একটু সবল হতে পারি না? সারা দেশ যখন টিপাইমুখ বাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন, আপনারা তখন আমাদের নদীর উপর উল্টো বাধ দিয়ে ভারতের শতচাকার গাড়ি কি না চালালেই নয়?
খুব কি প্রয়োজন মমতা দিদির জন্য চমচমের হাড়ি আর জামদানির প্যাকেট বয়ে নিতে নিতে পিঠ কুজো করে ফেলা? ভারত তার মতো চলুক, আমরাও বন্ধুত্বকে সম্মান করে চলি। কিন্তু এই বন্ধুত্বটুকু হোক আত্মসম্মান বজায় রেখে।

একজন ক্ষুদ্র ভোটার হিসেবে আমার কাছে মনে হচ্ছে আপনি সেই যোগ্যতা পালনে অক্ষম। আপনার সুশীলতা, বিনয়, লাজ নম্রতা বাঙালি নারীর ভূষণ হলেও, এতে আত্মসম্মানের যে ছাপের প্রয়োজন ছিল সেটুকু আপনি দেখাতে পারেন নি।

প্রিয় দীপুমনি,
আমি জানি কোনো কিছুই সহজে বদলাবে না। আমরা ভারতের সঙ্গে মারামারি করতে পারব না, তাদের বাধও হয়তো আটকাতে পারব না, বিএসএফের হাত থেকে হয়তো আমাদের নাগরিকদের রক্ষাও করতে পারব না। কিন্তু মার যদি খেতে হয়, আসুন পিঠ পেতে দিয়ে, সাহসের সঙ্গে খাই।
নির্যাতন যদি সহ্য করতেই হয়, আসুন মুখে অবিরাম গালাগালির তুবড়ি ফুটিয়ে সেই নির্যাতন ভুলে থাকার চেষ্টা করি।

আর সেই চেষ্টা শুরু করতে পারেন আপনিই। আর কিছু যদি না পারেন, কাল ভোরে আপনি পদত্যাগ অন্তত করতে পারেন। জোর গলায় বলতে পারেন, ভারতের হাত থেকে নিজ দেশের নির্যাতিত মানুষদের রক্ষার দায় নিয়ে আমি পদত্যাগ করলাম।
আপনার পদত্যাগে আমরা উল্লসিত হব। বিএসএফ এর বুটের নিচে চিড়ে চ্যাপ্টা হতে হতে ভাবব, আমাদের বোন আমাদের রক্ষা করতে পারেনি, কিন্তু আমাদের জন্য সমব্যথী হয়ে চেয়ার ছেড়ে তাই চলে গেছে।
অন্তত এটুকু করুন আমাদের জন্য।

প্রিয় বোন আমার,
তা যদি না করেন, তাহলে এই দুর্দিন আপনার বা আমার, কারোই ঘুচবে না। মুসলমানরা 'ইকতা দাইতু বিহাজাল ইমাম' বলে নামাজে দাড়ান। তারা মনে মনে বলেন, আমরা ইমামের পেছনে আছি, ইমামের সঙ্গে আছি, ইমামের সঙ্গেই নতজানু হব।
আমাদের পিঠে বড় ব্যথা গো দিদি। আমরা আর বলতে পারছি না, ইকতা দাইতু বিহাজাল সরকার।
আপনারা ভারতের কাছে নতজানু হতে হতে পিঠ বেকিয়ে ফেলেছেন, কিন্তু আমরা আপনাদের সঙ্গে নতজানু হতে আর পারছি না গো আপা।
আমরা আসলেই আর পারছি না।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের পিঠে বড় ব্যথা গো দিদি। আমরা আর বলতে পারছি না, ইকতা দাইতু বিহাজাল সরকার।


সত্যি কথা।

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
স্বেচ্ছায় নেওয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতই ভোগ করা যায় ........................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরকারকে জোরালো আওয়াজ তোলার আহবান আমরা জানাতেই পারি। সেটা আহবানটা আপনার পোস্টের মাধ্যমেই জানালাম।

খুব কি প্রয়োজন মমতা দিদির জন্য চমচমের হাড়ি আর জামদানির প্যাকেট বয়ে নিতে নিতে পিঠ কুজো করে ফেলা? ভারত তার মতো চলুক, আমরাও বন্ধুত্বকে সম্মান করে চলি। কিন্তু এই বন্ধুত্বটুকু হোক আত্মসম্মান বজায় রেখে।


সহমত। তবে ইলিশ মাছের কথা উল্ল্যেখ করেননাই smile :) :-), ইলিশ কূটনীতির দিন শেষ করা দরকার বাংলাদেশের; মমতারে এত পাত্তা দেওয়ার কিছু নাই।

আপনার ফেবুতে করা পুরো কমেন্টটাই আবার এখানে তুলে ধরলাম--

-------------------------------------
এখানে একা দীপুমনির দায় কতটুকু? রাষ্ট্রের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির দায়ভার এক মন্ত্রীর ঘাঁড়ে চাপানোটাই বা আসলে কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

বাংলাদেশের সরকারগুলোর (আওয়ামী-বি,এন,পি নির্বিশেষে) ভারত বিরোধীতা করবার মতন গলায় জোর কোন কালে ছিল কি? ভোগ্যপণ্য থেকে শুরু করে বিয়ের শাড়ী পর্যন্ত অনেক জিনিসের জন্য এখনও ভারতের উপর আমাদের কম-বেশী নির্ভরশীলতা আছে যা সরকারগুলোর আপাত মিন মিনে আওয়াজের একটি কারণ বলে বিবেচিত হতে পারে। রাষ্ট্রের শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির সাথে রাষ্ট্রের স্বনির্ভরতার ইস্যুটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে করি।

আপনার আর্টিক্যাল থেকে কিছু অংশ তুলে আনি-- "সীমান্তের দুপাশের প্রান্তিক মানুষ দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত হলে তাদের মাঝে অনেকেই চোরাচালানের পণ্য বহনে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু গরু এই চোরাচালানের মূল পণ্য নয়।
মূল পণ্য মাদক ও অস্ত্র।"

এবার কিছু প্রশ্নঃ

রাষ্ট্রের উদ্যোগে বা প্রাইভেট উদ্যোগে সীমান্তবর্তী এসব প্রান্তিক জনগণের জন্য অর্থনৈতিক মুক্তির ঠিক কি কি পদক্ষেপ আজ অবদি নেওয়া হয়েছে আমাদের বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে? গরীব ফেলানীর জন্য আমাদের চোখের জলের অভাব নেই-- টিভি, টকশো, রাজপথ চোখের জলে ভাসতে থাকে। একজন ফেলানীর লাশ বেঁচে আমরা রাজনীতি করি, কিন্তু একজন ফেলানী ঠিক কোন বাস্তবতায় ১৬ ফুট লম্বা কাঁটাতার পেরোনোর দুঃসাহস করতে বাধ্য হয় সেই বাস্তবতা কি আমরা কখনও উপলব্ধি করবার চেষ্টা করি? ১৬ ফুট দীর্ঘ কাঁটাতার পেরোনোর বাস্তবতায় তাকে ঠেলে দেয়ার দায়ভার কার? সেই বাস্তবতা থেকে ফেলানীদের বের করে আনতে আমাদের অর্থবহ উদ্যোগই বা কোথায়?

কিছু প্রস্তাবঃ

ফেলানী বেঁচে থেকেও শান্তিতে ছিলনা, মরে গিয়েও শান্তিতে নেই-- ওর লাশকে পুঁজি করে চলেছে ভন্ড রাজনীতি। অবস্থাসম্পন্ন ও ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা ফেলানীদের মতন প্রান্তিক জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের উদ্যোগগ্রহণকে তরাণ্বিত করুক, এই দাবী উঠুক সমস্বরে--

ফেলানীর লাশকে নিয়ে রাজনীতি শেষ হোক, ফেলানীর স্মৃতিকে সামনে করেই গড়ে উঠতে পারে "ফেলানী ফাউন্ডেশান"। এই ফাউন্ডেশানের মাধ্যমে অর্থায়ন করা যেতে পারে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন খামার (হাঁস-মূরগী বা গরু) যা দারিদ্রের কষাঘাত থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে আগামীর ফেলানীদের। এধরণের উদ্যোগে নিয়ে চিন্তাভাবনা করে দেখতে পারেন, আশাকরি সবাই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

তা না হলে লুঙ্গি-খোলা আর অমানবিক অত্যাচারের এই অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে আগামী প্রজন্মকেও।
--------------------------------

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার কথার সূত্র ধরেই বলি---- আমাদের কোন সারকার-ই বলেন আর প্রাইভেট ভাবেই বলেন, আপনার উল্লেখিত পদক্ষেপ কখনোই নেবেনা ক্ষমতা আর টাকার লোভে। তারা কূটনীতির কথা বলে ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করে না করবেও না। আমরা বাংলাদেশী জনগন কেন তা শুরু করিনা? ভারতের উপর নির্ভরশিলতার বিষয় গুলো নিয়ে কেন আমরা নিচের পদক্ষেপ নেই না--
১) আমরা কি খাদ্য পন্য ভারত ছাড়া অন্য কোন দেশ থেকে আনতে পারিনা? (বেশিরভাগ পন্য আনতে হয় বলে বলা।)
২) বাংলাদেশের ব্যাবসায়ীরা বাংলাদেশ এ বানানো কাপড় ভারতের নাম দিয়ে বেচে তার কারন দেশের মানুষের কাছে তা চাহিদা আছে বলে। এই ক্ষেত্রে আমাদের স্বল্প বুদ্ধির মা বোনেরা সচেতন হয়ে ভারতের কাপড়-কে না বললেই কি নয় বা ব্যাবসায়ীরা কি ভারতের কাপড় বেচব না বলতে পারে না!
৩) প্রতি বছর কোরবানির গরু ভারত থেকে না এনে কোরবানি নাদিলেই কি সাধারণ মানুষ পারে না। দেশের গরুর উদপাদন না বারলে ১০০০ জন ভাগাভাগি করে ১টা দেশি গরু কোরবানি দিলেই কি নয়??
৪) কেন আমরা উদ্দেগ নেই না যে যেখানেই ভারতে পন্য দেখব আমরা সেখানেই বয়কট করব।
৫) কেন আমরা উদ্যোগ নেই না যে ভারত থেকে আসা প্রসাধনী সামগ্রি আমরা ব্যবহার করবো না?
৬) কেন আরিফ জেবতিক, বিভা, কর্নফুলির মাঝিরা নিজেরা নিজের বাসায় নিজে উদ্যোগী হয়ে ভারতীয় স্যাটেলাইট সংযোগ না নেওয়ার শপথ করতে পারেনা।

আমরা জানি আমাদের সরকার পারেনা, এই না পারার মধ্যে তাদের কোন অনুশোচনা নেই, দেশের সন্মান বিক্রি করেও থাকে তারা থাকে নির্ভিকার, তাদের পেছনে হাজার বাঁশ ঝাড় উজার করে দিলেও কোন বোধ হবে না। সেটা জেনেও কেন আমরা তাদের অপমান করি। কেন আমরা আমাদের স্পিকারটা সরকারের বধির কানের দিকে না দিয়ে জনগণের দিকে দেই না। কেন আমরা এই কাজ গুলো আরিফ জেবতিক, পিয়াল, আসিফ, হিমু, রাসেল,নিঝুম সহ আরো অনেকের হাজার হাজার ফ্যান ব্লগার-কে আহ্বানের মাধ্যমে শুরু করিনা!!!

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত।

আমাদের জনগনের মাঝে ভারতীয় দ্রব্যপ্রীতিটাও দেখার মত। শাড়ী কিনতে গেলে তারা ভারতীয় খোজে, ইউনিলিভারের কসমেটিক্স কিনতে গেলেও তারা ভারতীয় উৎপাদনটাকে উন্নতমানের বলে মনে করে। ভারতীয় চ্যানেলের সব সিরিয়াল তাদের মুখস্থ। অবস্থা এমন যে ঐসব সিরিয়াল নিয়ে আলোচনাকালে আমার অজ্ঞতা প্রকাশ পেলে আমাকে ভাববে খ্যাত।

এই যখন অবস্থা তখন আমাদের মন্ত্রী আর নতুন কী করবেন? উনিতো আমাদেই প্রতিনিধি।

aparajita


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেলানীর লাশ যেদিন পেপারে দেখলাম, এয়ারটেল সীম বন্ধ করে দিলাম। ইন্ডিয়ান কোন চ্যানেল দেখা বন্ধ। কোন কিছু কিনতে গেলে 'মেইড ইন' দেখে কিনি। ভারতীয় হলে বাদ। একা যতটুকু পারি করব ইনশাল্লাহ।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পুরো ব্যাপারটাই সামষ্ঠিক আত্মসম্মানহীণতা থেকে তৈরি। তবে ভারতের কূটনীতির সঙ্গে এই ভোগবাদিতার সম্পর্ক স্থাপনে আমি রাজি নই। আমি ভারত থেকে জিনিস কিনে ভোগ করি, মাগনা পাই না। সুতরাং আমার উচিত আরো বড় গলায় প্রতিবাদ করা।
তবে উৎপাদনে ভর করে ভারতীয় পণ্য বর্জনের সময় এসেছে, এটা সত্যি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ বলেছেন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বতন্ত্র পোস্ট হয়ে উঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ কমেন্ট।
সীমান্তবর্তী মানুষদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে একটি আলাদা কর্মসূচি প্রণয়ন আসলেই জরুরি। এ বিষয়ে আমি আগের একটা লেখায় জোর দিয়েছি। আশাকরি কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সেই লেখাটি আপনি পড়েছেন।
এখানে লিংক করে দিলাম অন্য পাঠকের জন্য।


http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-01-2011&feature=yes&type=gold&data=Loan&pub_no=405&cat_id=3&menu_id=77&news_type_id=1&index=3


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার দিলাম।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত । নতজানু হতে হতে একটা দেশের নেতা নেত্রীরা আত্মসম্মানেরর বোধটুকুও যে
হারিয়ে ফেলে সেটাই আশ্চর্য্যের ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয় দীপুমনি,
আমি জানি কোনো কিছুই সহজে বদলাবে না। আমরা ভারতের সঙ্গে মারামারি করতে পারব না, তাদের বাধও হয়তো আটকাতে পারব না, বিএসএফের হাত থেকে হয়তো আমাদের নাগরিকদের রক্ষাও করতে পারব না। কিন্তু মার যদি খেতে হয়, আসুন পিঠ পেতে দিয়ে, সাহসের সঙ্গে খাই।
নির্যাতন যদি সহ্য করতেই হয়, আসুন মুখে অবিরাম গালাগালির তুবড়ি ফুটিয়ে সেই নির্যাতন ভুলে থাকার চেষ্টা করি।

আর সেই চেষ্টা শুরু করতে পারেন আপনিই। আর কিছু যদি না পারেন, কাল ভোরে আপনি পদত্যাগ অন্তত করতে পারেন। জোর গলায় বলতে পারেন, ভারতের হাত থেকে নিজ দেশের নির্যাতিত মানুষদের রক্ষার দায় নিয়ে আমি পদত্যাগ করলাম।


ভাই আমার হাত পা রিরি করছে, কারন ঐ যে আপনি বললেন, তাই, মার ব্যপার না, ব্যপার আত্মসম্মানটা।

আর আমরা ভারতের ফাজলামির বিপরীতে কিছুই করতে পারবনা, তা কিন্তু না মনে হয় ভাই, করার অনেক কিছুই আছে, যুদ্ধ না করেও অনেক জয় ছিনিয়ে আনা যায়। যাক আপনার পোস্টের সাথে পূর্ণতম সহমত। উনি ব্লগ পড়েন না, সময় কই, আসেন এই চিঠি তার দপ্তরে পোস্ট করে পাঠিয়ে দেই, বা তার বাসার ঠিকানায়। উফ এই মহিলার শান্তি নিকেতনী ভেটকিটা মনে পড়লেই মাথায় রক্ত উঠে যাচ্ছে।

*
অ,টঃ "ডানোর পট" মানে বেকুব, ভোদাই, তেল চুকচুক, হোঁতকা, ফার্মের মুরগী, নিজের ঘড় ছাড়া বাহিরের কিছু জানে না, আশৈশব বাবা মার আদরে কোলে কোলে পালিত, সকল বিপদ আপদে সুট করে পালিয়ে যাওয়া, মায়ের দুধের বদলে ডানোর দুধের পটের দুধ খেয়ে রিষ্ট পুষ্ট এক আধা মানব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা উনার টেবিলে গেছে, এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত থাকুন।
কিন্তু এসব লেখা পড়ার অপেক্ষায় কি আর উনারা থাকেন, বাস্তবতা উনারাও বুঝেন। কিন্তু এদেশে চতুষ্পদ ত্যাগ করা বড় কষ্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোসটে সহমত জানালাম!

কেউ অপরাধী হলে তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হউক কিন্তু ভারতীয় সীমান্তবাহিনীর কোন অধিকার নেই আইন নিজের হাতে তুলে নেবার। বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতীয় সরকারকে এ অপরাধের জন্য শাস্তি দাবী করা। ভিডিওর মাধ্যমে এদের পরিচয় বের করা ভারতীয় সরকারের জন্য কঠিন কিছু হবেনা। কঠিনতর শাস্তি দাবী করা উচিত- না হলে কিছু ভারতীয়দের একই রকম মার দিয়ে তাদের দেশে পুশ বেক করা হউক!

এখন একটা সম্পুরক প্রশ্ন-

এ ভিডিওটি কিভাবে তোলা হলো এবং আমাদের চ্যানেলটি এ ভিডিও কিভাবে পেলো! এ প্রশ্নের জবাবটি পাওয়া গুরত্বপুর্ন কেননা ভারতীয় বর্ডার অফিসারদের পরিচয় জানতে আমাদের এ ভিডিওটি পরিচয় সাহায্য করবে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে ৮ জনের সাসপেন্ডের কথা বলা আছে।

আর ঘটনা ৯ই ডিসেম্বরের। আমরা নিউজটা এত দেরিতে পেলাম কেন Sad

Eight Border Security Force jawans have been suspended over the incident. The suspended personnel have been identified as Constables Virender Tiwari, V S Victor, Dhananjay Kumar, Anand Singh, Amar Jyoti, Sanjeev Kumar, Suresh Chand and Sunil Kumar. Top officers of the BSF say the incident took place on December 9 and that further probe is on.

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার, এনডিটিভির নিউজে যা জানি তা হল এই ভিডিও বিএসএফ এর কোন সদস্যের তোলা। সে যখন তারপর সাইবার ক্যাফেতে যায় মোবাইলে গান ভরার জন্য তখন সাইবার ক্যাফের লোক তার মোবাইল থেকে এটা রেখে দেয়। তারপর প্রচার করে। অথবা ঐ সদস্যই গরু চোরাকারবারীদের সাবধান করে দেবার জন্য এটা ছড়িয়ে দেয়। এটা গরু চোরাকারবারীর ভিডিও, ঠিক আছে। কিন্তু সে বাংলাদেশী কিনা এটা সম্ভবত এখনো আইডেন্টিফাই করা যায় নাই। আর ৮ জন বিএসএফ কে এই ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে।

বিস্তারিত।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগলো।

---------------------------------------
জীবনের প্রত্যেক প্রবাহ অমৃত চায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত বেদনা, এত অপমান ওগো আমি আর সইতে পারছিনাগো মারকা ৭০ দশকের বাংলা সিনেমার লক্ষী বধুর মতো কান্দিবার বুকের পাটা দেখিয়া আহলাদিত হইলাম!
"আমি জানি, ভারতের সঙ্গে লাঠিসোটা নিয়ে মারামারি করার মতো নির্বুদ্ধিতা আমরা কখনোই দেখাতে পারব না। অনেক অনেক ব্যাপারেই তাদের সঙ্গে সমঝে নিয়েই আমাদের চলতে হবে। আমরা সামরিক শক্তিতে দুর্বল।"

মৌমাছি ক্ষুদ্র হইলেও তার হুল ফোটানোর ডরে জীব সমাজে ভালই সমাদৃত, গায়ে পরিয়া কেহ উহাকে অপমান করার সাহস করে না।
তাই বলি মাইন্ডসেট বদলান, সাহসী হোন
নির্ভিক আওয়াজ তুলুন- হাতে নে স্টেনগান উরিয়ে দে হিন্দুস্তান, হাতে নে স্টেনগান ভারত হবে খান খান।

^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
দালাল দেখলেই পিডা! ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি অ পশ্চিমা কইয়্যা কতা নাইক্যা।
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি সাহসী হইতেই বলতেছি। আমি বলতেছি যে লাঠিসোটা নিয়ে হা রে রে রে বলে তেড়ে যেতে না পারি, তবু আত্মসম্মানবোধ নিয়ে চিৎকার করে একটা প্রতিবাদ করতে পারি। আজকের যুগে কূটনীতি একটি বড় অস্ত্র, সেটি ব্যবহার না করে মিনমিন করে তো লাভ নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক সর্বাংশে একমত হতে পারলাম না আরিফ ভাই। দিপু মনিকে ভারতের কাছে বিচার চাওয়ার আগে আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর উচিৎ আমাদের বিডিআরকে শায়েস্তা করা। কেননা অবৈধ গরু পাচারকারীরা বিডিআরের সামনে দিয়ে যখন ভারতীয় সীমান্তে যাওয়ার চেষ্টা করে তখনই বিডিআরের উচিৎ ঐ বাটপারগুলোকে থামানো। পালের গরু ছেড়ে দিয়ে অন্যের ক্ষেত খাওয়ার পরে সালিশ করার থেকে আগেই গরুর গলায় দড়ি দেওয়া ভালো। আর চোর তো চোরই।

তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নাই যে বিএসএফের বাড়াবাড়িটা জঘণ্যতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুটো দুই বিষয়। সীমান্ত পার হয়ে যাওয়াটাকে আমি তো নায্য বলছি না। এ জন্য গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিতে পারে, কিন্তু এরকম নির্যাতন তো করতে পারে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেমিকেল ালি , তুমি একটা ভাদা চোদা, ছাক ইয়ুর উওন্ এসহোল মাদারচোত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত।

কিছু একটা করেন গো আপামনি। অপমানটা বড় অসহ্য।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানুষের আত্মূসম্মানবোধ না থাকলে এমন হওয়া টা অস্বাভাবিক নয়।আমাদের সরকারের পররাস্ট্রনীতি, স্বরাস্ট্রনীতি সব এমন নতজানু হওয়ার ত কথা নয়।রাস্ট্র যন্ত্র যেমন তার অভ্যন্তরে রাজনৈতিক নেতাদের ধরষণের শিকার হচ্ছে, অন্যদিকে তার দাদা ঘোষিত প্রতিবেশী'র নিকট চরম বৈষম্মের শিকার হচ্ছে।এর কারণ শুধু রাস্ট্রের গৃহীত নীতি নয় বরং আত্মুমরযাদাহীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
রাস্ট্র পরিচালকদের বুঝতে হবে তারা ক্রমেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পডছে।
এই নতজানু সরকার কে সমরথন দিতে গিয়ে জনগন ক্কুদ্ধ ও বিরক্ত।
সত্যি আমরা আর ভার বইতে পারছি না।

আরিফ ভাই কে ধন্যবাদ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা শুধুমাত্র দীপুমণির দায় হতে পারে না। কারণ আমাদের পররাষ্ট্রনীতিটা শুধু উনার করা না, ওটা পুরো সরকার অর্থাৎ মন্ত্রীসভার করা, যেখানে সবচেয়ে বেশি দায় থাকে প্রধানমন্ত্রীর। বিএসএস যে আচরণ করছে তার তীব্র প্রতিবাদ করা উচিত আমাদের সরকারের তরফ থেকে। এর সাথে আমাদের কাক পাখিও তার দায় এড়াতে পারেন না। উনার বিজিবি সদস্যরা সীমানায় পাহারায় থাকতে গরু চোরাকারবারিরা কীভাবে সীমান্ত পারি দেয়???


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দায় সকলেরই। অন্তত একজন যদি সেই দায় স্বীকার করেন, তাহলে বাকিরা যদি নিজেদের শুধরানোর উদ্যোগ নেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা শুধু দিপুমনির দোষ না, আমাগো ফরেন পলিসিটাই তো অন্যরে লুঙ্গি খুইলা উপহার দেওনের...আগে ওইটায় রদবদল দরকার....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত‍!!
রুখে দাঁড়ানো উচিত।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অবশ্যই রুখে দাড়ানো উচিত্ ! রুখে দাড়ানো উচিত্ মেজর জেনারেল ফজলুর রহমানের মতন। এক সাক্ষাতকারে উনাকে বলতে শুনেছিলাম উনার সময় স্ট্রাটেজি ছিল আমাদের একটা গেলে ওদের দুইটা ফেলবো। এই হলো বীর । মিউ মিউ এর ভাত নাই, আমি দূর্বল, আমি দূর্বল এইটা মিসকিনের মানসিকতা। ইউটিউবের এই লিঙ্কটা



See video


দেখুন আর যারা বলে ভারত বাপ মহা শক্তিশালী, এই জন্য মান বাঁচিয়ে মানিয়ে চলতে হবে তাদেরকে ওয়াক থু দিয়ে ভারতে পুশ ইন করার ব্যাবস্থা করা দরকার।

^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
দালাল দেখলেই পিডা! ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি অ পশ্চিমা কইয়্যা কতা নাইক্যা।
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফজলুর রহমান লোকটাকে এরা আগেভাগে অবসর নিতে বাধ্য করল। দুঃখজনক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাইরে আপনে যা বললেন, এটা পাকি টাইপ স্ট্রেজিডি, এই জন্য পাকি সিমান্তে অনাবশ্যক বর্ডার কিলিংস কম, কিন্তু এটা মানবিয় কোন ব্যপার না। আমদের এক বাংলাদেশী মারলে আমরা ২টা ভারতীয় মারব, এটা কখনো কোন বিচারে সাধারণ বোধ বুদ্ধির কাজ না।

আমরা যেটা করতে পারি, আমরা ভারত কে জানাতে পারি, আমরা অফেন্ডেড, চরম ভাবে অফেন্ডেড। আমরা কি করব আমাদের অধিকারের জন্য, খুব স্বাভাবিক কিছু কাজ, কোন যুদ্ধ না, কোন মারা মারি না, আমরা ট্রঞ্জিট চুক্তি স্থগিত করে দেব, বাংলাদেশে সকল ইন্ডিয়ান পণ্য বর্জন করব। আমাদের জনসংখ্যা অনেক, তাই কঞ্জিউমারো অনেক, এত বড় বাজার ইন্ডিয়ার পুজি পতিরা হাত ছাড়া করবেন না, আর আমরা যখনি ইন্ডিয়াকে বর্জন করব, আমাদের সে বাজার চীন, বার্মা থাইলেন্ড ও অন্যান্ন দিয়ে ভরে যাবেই, এ খবর ইন্ডিয়া ভালই রাখে।

তাদের পুজি পতিরাই তখন তাদের ঠিক করে দিবে আশা করা যায়, আর এটা অযৌক্তিক আশা না। কারন সে দেশ ও আমার দেশের মত পুঁজিপতি দের টাকা দিয়েই রাজনৈতিক দের চলতে হয়।

আমাদের জনসংখ্যা কে আমাদের কাজে লাগাতেই হবে, আমরা ১৬-১৭ কোটি শুধু ঢাকাতেই ১-৫ থেকে ২ কোটি, অনেক বড় দেশের টোটাল জনগণ থেকেও অনেক বেশী। আরব, বিশেষ করে সৌদি আরব কেও অনেকটা একি কায়দায় লাইনে আনতে হবে।

দেশের যত চাপি আসুক দেশ কে মর্যাদার যায়গায় নিয়ে যেতে, বেটার ভবিস্যতের জন্য, এটা জরুরি।

আজ আমার দেশের লোক কাজ হারাচ্ছে সৌদি আরবে, অথচ এক সময় পুরো দেশ আমাদের লোক দিয়ে চলেছে, সে জায়গা ধিরে ধিরে নিয়ে যাচ্ছে ফিলিপিন, ইন্ডিয়া, শ্রীলংকা। এভাবে চললে এক সময়, হাজার হাজার বাংলাদেশী বেকার হয়ে যাবে, তারা উপার্জনের তাগিতে বেআইনি ভাবেই থাকা শুরু করবে এবং নানা অপরাধে জরিয়ে পরবে, যেমন এখন জরিয়ে পরেছে, তার মাত্রা অনেক বেড়ে যাবে। ফলে আমরা বিশাল বিপদে পরতে যাচ্ছি।

আমরা যা করতে পারি, খুব সুন্দর ভাবে তাদের সাথে সমঝতা করতে পারি, আমাদের শ্রমিক দের অধিকার দিতে বলতে পারি, পরিষ্কার ডিসিশন চাইতে পারি। যদি তারা, আমাদের এপ্রোচে সারা না দেয়, তবে তাদের বিপাকে ফেলার জন্য, আমরা জাতীয় ভাবে আমাদের দেশের সকল শ্রমিককে কাজ বর্জন করে নিয়ে আসব। শুধু ৪ দিন, ৪ দিনে সৈদি আরব তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় বিভীষিকা দেখবে, রাস্তা ঘাট মল হাস্পাতাল, এমন কি মসজিদ মাদ্রাসা ইউনিভার্সিটি সব ময়লা আর আবর্জনায় ভরে যাবে, বাসা বাড়ি অফিস কাজের লোকের অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বা ধুকে ধুকে চলবে, ৩০ লাখ মানুষ রিপ্লেস করতে ওদের ৩-৪ সপ্তাহে সম্ভব না। আর আমি বলছি ৩-৪ দিনের কথা। এর মাঝে যদি আরব মানে তো বাংলাদেশীদের সার্ভিস পাবে, নয়তো আমরা অন্য দেশ ঠিকি খুঁজে নিব। তবে যা বললাম ৪দিনেই আরবের এমন অবস্তা হবে, আর্মি পুলিশ কি সব আরব এক জোট হয়েও অবস্তার উত্তরণ সম্ভব না। দেশের জন্য জান দিতে অনেকেরই মন চায়, সুইপার হতে মন চাওয়ানো বেশ কঠিন।

*
অ,টঃ "ডানোর পট" মানে বেকুব, ভোদাই, তেল চুকচুক, হোঁতকা, ফার্মের মুরগী, নিজের ঘড় ছাড়া বাহিরের কিছু জানে না, আশৈশব বাবা মার আদরে কোলে কোলে পালিত, সকল বিপদ আপদে সুট করে পালিয়ে যাওয়া, মায়ের দুধের বদলে ডানোর দুধের পটের দুধ খেয়ে রিষ্ট পুষ্ট এক আধা মানব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত জানালাম; যদিও জানি এতে সরকারের কিছু যাই আসে না।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
-- --


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৮ জন সাসপেন্ড যথেষ্ট নয়। আমি ১৬ টা বিএসএফের লাশ চাই।


বেকার লিংক দেওয়া ভিডিওটা দেখলাম। ভারতীয়রা এখনও মানুষ নামের পশুই রয়ে গেছে।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার সীমান্তবর্তী সকল দেশের সাথে সকল সমস্যা অত্যান্ত শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করে যাচ্ছে। কিন্তু বিরোধী বিএনপি ও জামাত এ কাজের প্রশংসা না করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু জনগণ এখন অনেক সজাগ। তারা আর এসব গুজবে কান দেয় না। সীমান্তে দু, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটা ছাড়া সীমান্তে এখন শান্তি বিরাজ করছে। ছিটমহল গুলোর করিডোর ২৪ ঘণ্টার জন্য খুলে দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাঁধ তথা মায়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধের মীমাংসা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। সুতরাং আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, ইকতা দাইতুল বিহাজাল সরকার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ, সীমান্তে এখন খালি গোলাপফুলের বাগান। বিডিআর-বিএসএফ কুতকুত খেলে প্রতি বিকেলে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই এই মরিয়মের ভিতরে আমি গওহর রিজভিরে দেখতে পাইতেছি।

আমার ইন্ডিয়ান এক বন্ধু কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ আসছিল। সে বলল তাদের দেশে ও আমাদের নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। তাদের সাংবাদিকদের ভাষ্য নাকি অনেকটা এরকম, বাংলাদেশিরা নিজের সম্মান নিজে রাখতে না পারলে ইন্ডিয়ার কি করার আছে। উদাহরণ হিসাবে সে বলছে, কোন করিডোর ঝামেলায় নাকি মন মোহনের আসার কথা ছিল, তিনি আসেন নাই মমতা আসে নাই, আসে নাই প্রধান কোন রাজনিতিক। আছে শেষে সাস্থ মন্ত্রী। কিন্তু আমাদের হাসিনা আপা দিপু মনি ঠিকি উপস্থিত। তাদের মিডিয়া নাকি বলছে বাংলাদেশ যেহেতু আগেই ভারত সরকারের এই সব দায়িত্ত অভেলার খবর পাইছে, কেন শেখ হাসিনা গেলেন। আর কে যাবে এই নিয়া সাংবাদিকরা বেশ কয়েক দিন ভারতীয় মন্ত্রণালয়ে পেচা পেচি করছে, ফলোআপ খবরও ছাপছে। ভারতীয় সাংবাদিকরা বলছে বাংলাদেশী প্রধান আসবে সে হিসাবে তারা কেন প্রধানমন্ত্রীর সম পর্যায়ের কেউ যাচ্ছে না,
আর বাংলাদেশের জন্য তাদের ভাষ্য, ভারত যেহেতু যদু মদু পাঠাইছে, বাংলাদেশো এরম কেইরে পাঠাইতো।

আমি তো নিজের নৌকার পাল উপরে রাখতে বলছি নিজের বন্ধুরে, আমাদের প্রধান মন্ত্রী গেছে ঠিক কাজি করছে কারন তোমাদের জন্য ইম্পরট্যান্ট না হইলেও আমাদের জন্য এই করিডোরটা অনেক জরুরী ছিল। তাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী গেছেন। কিন্তু সত্য তো এই, যে আমদের বর্তমান সরকার বেশী বেশী তেলু গিরি করতেছে।

গওহর রিজভির মত, কিছু বদের কথা কাম দেখলে মনে প্রশ্ন জাগে, শালায় আসলে কোন দেশী। বাংলাদেশী???? মনে তো হয় না।

*
অ,টঃ "ডানোর পট" মানে বেকুব, ভোদাই, তেল চুকচুক, হোঁতকা, ফার্মের মুরগী, নিজের ঘড় ছাড়া বাহিরের কিছু জানে না, আশৈশব বাবা মার আদরে কোলে কোলে পালিত, সকল বিপদ আপদে সুট করে পালিয়ে যাওয়া, মায়ের দুধের বদলে ডানোর দুধের পটের দুধ খেয়ে রিষ্ট পুষ্ট এক আধা মানব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার ১ম ব্লগ থেকে একটি লাইন সরাসরি তুলে দিলাম মরিওম আপা'র জন্য

লেখা গুলো পডে মনে হয় যেন আমদানিকৃত কোন ভারতীয় মালের সাথে তারা বাংলাদেশে চলে এসেছেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিকই বলেছেন। সমাধান তো হবেই। কারণ ইন্ডিয়া যা বলছে আমাদের সরকার তাই মেনে নিচ্ছি! এর নামই হইলো আপনার ভাষায় শান্তিপূর্ণ! সমাধান।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
-- --


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

... ...আর পারছি না।

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইন্ডিয়ার পন্য যতটা সম্ভব বর্জন করত হবে। আমাদের সাধারনের পক্ষথেকে এটাই প্রতিবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দীপুমনিরা পদত্যাগ করলে কাজই হত

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরকারের নিরবতা দেখে বুঝা যাচ্ছে যে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীদের সাথে এমন আচরন করা জায়েজ।

ঢাকা-চিটাগাং এ অনেক বায়িং হাউজ সহ আরও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লিগ্যাল ওয়ার্ক-পারমিট ছাড়াই অনেক ইন্ডিয়ান কাজ করছে। এদের সেইম ট্রিটমেন্ট দেয়া গেলে মনে হয় দাদাদের ডাকে কর্তৃপক্ষ একটু জাগবে।

অনেকের কাছে এটা হঠকারী মনে হতে পারে, কিন্তু কুম্ভকর্নের ঘুম ভাংগানোর জন্য এমন কিছু করা ছাড়া উপায় নেই।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরকারের্ই এ ব্যাপারে সোচ্চার হ্ওয়া উচিত। মানবধিকার সংঘটনগুলোর মতে গত এক যুগে প্রায় এক হাজারের উপর বাঙলাদেশি হত্যা করেছে বিএসএফ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই হইল বাংলাদেশের রাজনীতি।এইবার নির্বাচনে খালেদার বেশি কিছু করার লাগবে না।এই বিএসএফ ইস্যু দিয়েই নির্বাচনের পুলসিরাত পার হবে।আবার তার পরের টার্মে হাসিনা যুদ্ধপরাধ নিয়ে পার হবে। ৪০ বছর ধরে এইই চলছে। ফ্লিপ ফ্লপ।

আমরা জনগন হচ্ছি রামগাধা।যাদের দেয়া দরকার কঠিন মাইর, আমরা তাদের দেই ভোট!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ, হতাশাজনক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভারতীয়দের জন্য শুধুই ঘৃণা।
৭১ এ সহযোগীতার জন্য শুধু ইন্দিরার ভারতের কাছে কৃতজ্ঞতা।
আজ থেকে সমস্ত অতীত বন্ধুত্ব অস্বীকার করলাম আমি।
ভারতীয়রা এখন থেকে আমার কাছে পাকিদের মতই ঘৃণিত।

******************************
আজ বড়ই গর্বের সাথে উদাত্ত কন্ঠে বলতে চাই...............
বিএনপি শুধু পতিতদেরই দল নয়, পতিতাদের দলও বটে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভারত ছোট মনের অধিকারী একটা বড় দেশ।

এটা অবশ্যাই দিপু মনি একার সমস্যা না। এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, অর্থ মন্ত্রনালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় সবার ব্যার্থতা। কেন আমাদের দেশের মানুষদের অবৈ্ধ্যভাবে ভারতে প্রবেশ করতে হয় এখনো? দারিদ্র বিমোচনে ব্যার্থতার দায় কার?

সময় হয়েছে অবৈ্ধভাবে অর্জিত সম্পদ আহরনকারীদের পুটকি দিয়ে ভরে দেবার।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশের স্বার্থে আমাদের দল-মত নির্বিশেষে আন্দোলন করা উচিৎ ।আমাদের দেশে যে দল ক্ষমতায় থাকে তার অনুসারী লোকজন বৈধ -অবৈধ বিবেচনা না করে সরকার কে সমর্থন করে।এটা আসলেই দেশ কে পিছিয়ে দেয়। যে কোন দল সব সময় ভাল কাজ করে এটা ঠিক না ।তাই অন্ধভাবে কোন দলকে সমর্থন না করে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া মনে হয় উচিৎ এবং দেসের স্বার্থে একতাবদ্ধ হতে হবে। দেরি করলে আর খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতেই পারি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি এত দুর্বল ভাবতে ও পারিনি।
আর আমাদের গরু কারবারী ভাইদের কৌশলি হওয়ার অনুরোধ করছি।

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত মিহি মানবতাবোধে আকুল হয়ে লিখে বাংগী ফাটিয়ে ফেলা দেখে দারুণ লাগে! আবার প্রশ্নও জাগে-

এইরকম বিবেক-বুদ্ধি থাকার পরেও বালের কণ্ঠের মতন নোংরা, ভূমিদস্যুদের আখড়ায় কাজ করেন কীভাবে? তখন গায়ে কাদার ছিটা লাগেনা??? নাকি এইসবই সস্তা বোলচাল ছোটান শুধু? পেটের ধান্দায় নীতি উবে যায় তাই না?? ব্লাডি হিপোক্রেট।

--------------------
ভণ্ডদের ঘৃণা করি।

glqxz9283 sfy39587p07